← সব প্রশ্নোত্তর
প্রশ্ন
মেয়ের অবিভাবক থাকলে কোর্ট ম্যারেজ জায়েজ হবে কি?
হাদিসবিডি AI-এর উত্তর
আপনার প্রশ্নের উত্তর hadithbd.com থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে নিচে দেওয়া হলো।
মেয়ের অভিভাবক উপস্থিত থাকা সত্ত্বেও তার সম্মতি ছাড়া কোর্ট ম্যারেজ বা লাভ ম্যারেজ করা ইসলামী শরিয়তে বৈধ নয়। ইসলামের দৃষ্টিতে একটি বিবাহ শুদ্ধ হওয়ার জন্য অভিভাবকের (ওয়ালী) সম্মতি অপরিহার্য।
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, যে নারী তার অভিভাবকের অনুমতি ছাড়া নিজে নিজে বিবাহ করে, তার বিবাহ বাতিল বলে গণ্য হয়।
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন:
এই বইতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, যেহেতু এই ধরনের বিবাহ শুদ্ধ নয়, তাই এমন দম্পতির সম্পর্ক "চির ব্যভিচার" হিসেবে গণ্য হতে পারে। — দ্বীনী প্রশ্নোত্তর
ইসলামে বিবাহ শুদ্ধ হওয়ার জন্য কিছু রুকন (খুঁটি) ও শর্ত রয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম হলো:
* ইজাব বা প্রস্তাবনা: এটি মেয়ের অভিভাবক বা তার প্রতিনিধির পক্ষ থেকে পেশ করা হয়।
* কবুল বা গ্রহণ: এটি বর বা তার প্রতিনিধির পক্ষ থেকে সম্মতিসূচক বাক্য। — ইসলাম কিউ এ ফতোয়া সমগ্র
এই শর্তগুলো থেকে স্পষ্ট যে, অভিভাবকের অংশগ্রহণ একটি শুদ্ধ বিবাহের জন্য আবশ্যক।
তবে অভিভাবকের সম্মতির পাশাপাশি মেয়ের নিজের সম্মতিও সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ। অভিভাবক কোনো মেয়েকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোর করে বিয়ে দিতে পারেন না।
নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন:
একইভাবে, ইয়াতীম মেয়ের বিয়ের ব্যাপারেও তার মতামত নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যদি সে অসম্মতি জানায়, তবে তাকে বাধ্য করা যাবে না। — মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত), হাদিস ৩১৩৩ (সহিহ)
সুতরাং, প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, একটি বৈধ ইসলামিক বিবাহের জন্য মেয়ের নিজের رضامندی (সম্মতি) এবং তার অভিভাবকের অনুমতি—উভয়ই অপরিহার্য। অভিভাবকের উপস্থিতি ও সম্মতি ছাড়া কোর্ট ম্যারেজ ইসলামী দৃষ্টিতে বৈধ নয়।
মেয়ের অভিভাবক উপস্থিত থাকা সত্ত্বেও তার সম্মতি ছাড়া কোর্ট ম্যারেজ বা লাভ ম্যারেজ করা ইসলামী শরিয়তে বৈধ নয়। ইসলামের দৃষ্টিতে একটি বিবাহ শুদ্ধ হওয়ার জন্য অভিভাবকের (ওয়ালী) সম্মতি অপরিহার্য।
অভিভাবকের সম্মতি ছাড়া বিবাহ বাতিল
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, যে নারী তার অভিভাবকের অনুমতি ছাড়া নিজে নিজে বিবাহ করে, তার বিবাহ বাতিল বলে গণ্য হয়।
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন:
“যে নারী তার অভিভাবকের সম্মতি ছাড়াই নিজে নিজে বিবাহ করে, তার বিবাহ বাতিল, বাতিল, বাতিল।” — দ্বীনী প্রশ্নোত্তর
এই বইতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, যেহেতু এই ধরনের বিবাহ শুদ্ধ নয়, তাই এমন দম্পতির সম্পর্ক "চির ব্যভিচার" হিসেবে গণ্য হতে পারে। — দ্বীনী প্রশ্নোত্তর
বিবাহের রুকন ও শর্ত
ইসলামে বিবাহ শুদ্ধ হওয়ার জন্য কিছু রুকন (খুঁটি) ও শর্ত রয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম হলো:
* ইজাব বা প্রস্তাবনা: এটি মেয়ের অভিভাবক বা তার প্রতিনিধির পক্ষ থেকে পেশ করা হয়।
* কবুল বা গ্রহণ: এটি বর বা তার প্রতিনিধির পক্ষ থেকে সম্মতিসূচক বাক্য। — ইসলাম কিউ এ ফতোয়া সমগ্র
এই শর্তগুলো থেকে স্পষ্ট যে, অভিভাবকের অংশগ্রহণ একটি শুদ্ধ বিবাহের জন্য আবশ্যক।
নারীর সম্মতিও অপরিহার্য
তবে অভিভাবকের সম্মতির পাশাপাশি মেয়ের নিজের সম্মতিও সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ। অভিভাবক কোনো মেয়েকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোর করে বিয়ে দিতে পারেন না।
নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন:
“কোন বিধবা নারীকে তার সম্মতি ব্যতীত বিয়ে দেয়া যাবে না এবং কুমারী মহিলাকে তার অনুমতি ছাড়া বিয়ে দিতে পারবে না।” লোকেরা জিজ্ঞেস করল, ‘হে আল্লাহর রাসূল! কেমন করে তার অনুমতি নেয়া হবে?’ তিনি বললেন, ‘তার চুপ থাকাটাই হচ্ছে তার অনুমতি।’ — সহীহ বুখারী (তাওহীদ পাবলিকেশন), হাদিস ৫১৩৬ (সহিহ)
একইভাবে, ইয়াতীম মেয়ের বিয়ের ব্যাপারেও তার মতামত নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যদি সে অসম্মতি জানায়, তবে তাকে বাধ্য করা যাবে না। — মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত), হাদিস ৩১৩৩ (সহিহ)
সুতরাং, প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, একটি বৈধ ইসলামিক বিবাহের জন্য মেয়ের নিজের رضامندی (সম্মতি) এবং তার অভিভাবকের অনুমতি—উভয়ই অপরিহার্য। অভিভাবকের উপস্থিতি ও সম্মতি ছাড়া কোর্ট ম্যারেজ ইসলামী দৃষ্টিতে বৈধ নয়।