← সব প্রশ্নোত্তর
প্রশ্ন
وَإِنِ امْرُؤٌ شَتَمَكَ وَعَيَّرَكَ بِمَا يَعْلَمُ فِيكَ، فَلَا تُعَيِّرْهُ بِمَا تَعْلَمُ فِيهِ، فَإِنَّمَا وَبَالُ ذَلِكَ عَلَيْهِেএ মর্মে আর হাদীস আছে?
হাদিসবিডি AI-এর উত্তর
হ্যাঁ, "যদি কোনো ব্যক্তি তোমাকে এমন কোনো দোষের কারণে গালি দেয় যা সে জানে, তবে তুমি তার এমন কোনো দোষের কারণে তাকে গালি দিও না; কারণ এর পাপ তার উপরেই বর্তাবে" — এই মর্মে একাধিক হাদিস অনুসন্ধান ফলাফলে পাওয়া গেছে।
এই উপদেশটি মূলত সাহাবী জাবের বিন সুলাইম (রাঃ)-কে দেওয়া রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর একটি দীর্ঘ উপদেশের অংশ, যা বিভিন্ন হাদিসগ্রন্থে বর্ণিত হয়েছে। নিচে এ সম্পর্কিত হাদিসগুলো উল্লেখ করা হলো:
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) জাবের বিন সুলাইম (রাঃ)-কে বিভিন্ন উপদেশ দেওয়ার সময় বলেন:
একই ধরনের বর্ণনা সহীহ ইবনু হিব্বানেও এসেছে:
আরেকটি বর্ণনায় সামান্য ভিন্ন শব্দে এসেছে, যেখানে বলা হয়েছে যদি এমন কোনো ত্রুটি নিয়ে লজ্জা দেওয়া হয় যা আপনার মধ্যে নেই:
এই হাদিসগুলো সুনান আবূ দাউদ, রিয়াযুস স্বা-লিহীন এবং অন্যান্য গ্রন্থেও সংকলিত হয়েছে — সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত), হাদিস ৪০৮৪ (সহিহ), হাদীস সম্ভার, হাদিস ৩৩৩০ (হাসান)।
যদিও উপরের হাদিসগুলো সরাসরি আপনার উল্লিখিত আরবির অনুবাদ, এর মূলনীতির সমর্থনে অন্য হাদিসও রয়েছে। যেমন, সাওম (রোজা) রাখা অবস্থায় কেউ গালি দিলে বা ঝগড়া করতে এলে কী করতে হবে, সে বিষয়েও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন:
এই হাদিসটিও প্রমাণ করে যে, কোনো উস্কানির জবাবে retaliate না করে নিজেকে সংযত রাখা এবং উত্তম পন্থায় পরিস্থিতি মোকাবেলা করাই ইসলামের শিক্ষা — আল-লুলু ওয়াল মারজান, হাদিস ৭০৬ (সহিহ), সহীহ হাদীসের আলোকে সাওম বিশ্বকোষ।
এই উপদেশটি মূলত সাহাবী জাবের বিন সুলাইম (রাঃ)-কে দেওয়া রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর একটি দীর্ঘ উপদেশের অংশ, যা বিভিন্ন হাদিসগ্রন্থে বর্ণিত হয়েছে। নিচে এ সম্পর্কিত হাদিসগুলো উল্লেখ করা হলো:
১. সরাসরি একই অর্থের হাদিস
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) জাবের বিন সুলাইম (রাঃ)-কে বিভিন্ন উপদেশ দেওয়ার সময় বলেন:
"যদি কোন লোক তোমাকে গালি দেয় এবং এমন দোষ ধরে তোমাকে লজ্জা দেয়, যা তোমার মধ্যে আছে বলে সে জানে, তাহলে তুমি তাকে এমন দোষ ধরে লজ্জা দিয়ো না, যা তার মধ্যে আছে বলে তুমি জান। তার বোঝা সেই বহন করুক।"
— হাদীস সম্ভার, হাদিস ৩৫০৬ (সহিহ)
একই ধরনের বর্ণনা সহীহ ইবনু হিব্বানেও এসেছে:
"যদি কোন ব্যক্তি তোমার কোন দোষ যা সে জানে, তা দিয়ে তোমাকে গালমন্দ করে, তবে তুমি তার মধ্যে যে দোষ জানো, তার মাধ্যমে তাকে গালমন্দ করবে না। কেননা তোমার জন্য এর প্রতিদান রয়েছে এবং তার জন্য রয়েছে এর পাপ।"
— সহীহ ইবনু হিব্বান (হাদিসবিডি), হাদিস ৫২৩ (সহিহ)
আরেকটি বর্ণনায় সামান্য ভিন্ন শব্দে এসেছে, যেখানে বলা হয়েছে যদি এমন কোনো ত্রুটি নিয়ে লজ্জা দেওয়া হয় যা আপনার মধ্যে নেই:
"আর যদি কোন ব্যক্তি তোমাকে গালি দেয় এবং যে ত্রুটি তোমার মধ্যে নেই তা নিয়ে তোমাকে লজ্জা দেয়, তাহলে তুমি তাকে সেই ত্রুটি নিয়ে ওকে লজ্জা দিয়ো না, যা ওর মধ্যে আছে। ওকে উপেক্ষা করে চল। ওর পাপ ওর উপর এবং তোমার পুণ্য তোমার জন্য। আর অবশ্যই কাউকে গালি দিয়ো না।"
— হাদীস সম্ভার, হাদিস ২০৯০ (সহিহ)
এই হাদিসগুলো সুনান আবূ দাউদ, রিয়াযুস স্বা-লিহীন এবং অন্যান্য গ্রন্থেও সংকলিত হয়েছে — সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত), হাদিস ৪০৮৪ (সহিহ), হাদীস সম্ভার, হাদিস ৩৩৩০ (হাসান)।
২. সংশ্লিষ্ট অন্য হাদিস (গালি বা ঝগড়ার জবাবে করণীয়)
যদিও উপরের হাদিসগুলো সরাসরি আপনার উল্লিখিত আরবির অনুবাদ, এর মূলনীতির সমর্থনে অন্য হাদিসও রয়েছে। যেমন, সাওম (রোজা) রাখা অবস্থায় কেউ গালি দিলে বা ঝগড়া করতে এলে কী করতে হবে, সে বিষয়েও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন:
"সিয়াম (রোজা) ঢাল স্বরূপ। সুতরাং (রোযাদার) অশ্লীলতা করবে না এবং মূর্খের মত কাজ করবে না। যদি কেউ তার সাথে ঝগড়া করতে চায় বা তাকে গালি দেয়, তবে সে যেন দুই বার বলে, ‘আমি সাওম পালন করছি’।"
— সহীহ বুখারী (তাওহীদ পাবলিকেশন), হাদিস ১৮৯৪ (সহিহ)
এই হাদিসটিও প্রমাণ করে যে, কোনো উস্কানির জবাবে retaliate না করে নিজেকে সংযত রাখা এবং উত্তম পন্থায় পরিস্থিতি মোকাবেলা করাই ইসলামের শিক্ষা — আল-লুলু ওয়াল মারজান, হাদিস ৭০৬ (সহিহ), সহীহ হাদীসের আলোকে সাওম বিশ্বকোষ।