← সব প্রশ্নোত্তর
প্রশ্ন
সালাত কাকে বলে ?
হাদিসবিডি AI-এর উত্তর
hadithbd.com থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুসারে, সালাত হলো ইসলামের অন্যতম মূল ভিত্তি এবং একটি গুরুত্বপূর্ণ আমল। বিভিন্ন হাদিস ও ইসলামী বইয়ে সালাতকে বিভিন্ন আঙ্গিকে সংজ্ঞায়িত ও ব্যাখ্যা করা হয়েছে।
১. ইসলামের স্তম্ভ: জিবরীল (আঃ) যখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে ইসলাম সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেন, তখন তিনি উত্তরে বলেন, ইসলাম হলো পাঁচটি বিষয়ের উপর প্রতিষ্ঠিত। এর মধ্যে দ্বিতীয়টিই হলো "সালাত কায়েম করা"। — মুখতাসার সহীহ আল-বুখারী, হাদিস ৪৭ (সহীহ)
২. ঈমানের অংশ: আবদুল কায়সের প্রতিনিধিদল যখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর কাছে জান্নাতে প্রবেশের আমল সম্পর্কে জানতে চায়, তখন তিনি তাদের আল্লাহর প্রতি ঈমান আনার নির্দেশ দেন। ঈমান কাকে বলে—এই প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, "তা হলো, সাক্ষ্য দেয়া যে আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ নেই, সালাত কায়েম করা, যাকাত দেয়া, গনীমতের মালের এক পঞ্চমাংশ দেওয়া।" এখানে সালাতকে ঈমানের অংশ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। — সহীহ বুখারী (তাওহীদ পাবলিকেশন), হাদিস ৭৫৫৬ (সহীহ)
৩. সর্বোত্তম আমল: রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল, কোন আমলটি সর্বোত্তম? তিনি উত্তরে বলেন, "আল্লাহ্র প্রতি ঈমান আনা, তাঁর রাস্তায় জিহাদ করা।" অন্য একটি বর্ণনায় তিনি ঈমানের পর সালাত কায়েম করার নির্দেশ দেন, যা এর গুরুত্ব প্রমাণ করে। — সহীহ বুখারী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন), হাদিস ৭০৪৬ (সহিহ)
৪. সালাতের জন্য অপেক্ষা করাও সালাত: রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, "বান্দা যতক্ষণ পর্যন্ত সালাতের জন্য বসে সালাতের জন্য অপেক্ষা করতে থাকে ততক্ষণ পর্যন্ত সে সালাতরত থাকে।" এসময় ফেরেশতারা তার জন্য ক্ষমা ও রহমতের দোয়া করতে থাকেন। — সহীহ মুসলিম (হাদীস একাডেমী), হাদিস ১৩৯৫ (সহিহ)
সালাত কবুল হওয়ার জন্য পবিত্রতা বা ওযু করা অপরিহার্য। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন, "যার হদছ হয়ে গেছে (ওযু ছুটে গেছে) সে ব্যক্তি পুনরায় ওযু না করা পর্যন্ত তার নামায কবুল হবেনা।" হদছ হলো পায়খানার রাস্তা দিয়ে বায়ু বের হওয়া। — মুখতাসার সহীহ আল-বুখারী, হাদিস ১১১ (সহিহ)
ফরয সালাত ছাড়াও বিভিন্ন সুন্নাত ও নফল সালাত রয়েছে। যেমন:
* তাহিয়্যাতুল মসজিদ: মসজিদে প্রবেশ করে বসার আগে দুই রাকাত সালাত আদায় করাকে 'তাহিয়্যাতুল মসজিদ' বা 'দুখুলুল মসজিদ' বলা হয়। অধিকাংশ ফকীহর মতে এটি সুন্নাতে মুআক্কাদাহ। — প্রশ্নোত্তরে ফিকহুল ইবাদাত
* তাওবার সালাত: কোনো গুনাহ করার পর উত্তমরূপে ওযু করে দুই রাকাত সালাত আদায় করে আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করাকে 'তাওবার সালাত' বলে। আল্লাহ তাআলা এই সালাতের মাধ্যমে বান্দাকে ক্ষমা করে দেন। — প্রশ্নোত্তরে ফিকহুল ইবাদাত
* বৃষ্টির সালাত (সলাতুল ইস্তিস্কা): অনাবৃষ্টি ও খরার সময় আল্লাহর কাছে বৃষ্টির জন্য যে সালাত আদায় করা হয়, তাকে 'বৃষ্টির সালাত' বলে। এই সালাত আদায় করা সুন্নাত। — প্রশ্নোত্তরে ফিকহুল ইবাদাত
সালাতের পরিচয় ও গুরুত্ব
১. ইসলামের স্তম্ভ: জিবরীল (আঃ) যখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে ইসলাম সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেন, তখন তিনি উত্তরে বলেন, ইসলাম হলো পাঁচটি বিষয়ের উপর প্রতিষ্ঠিত। এর মধ্যে দ্বিতীয়টিই হলো "সালাত কায়েম করা"। — মুখতাসার সহীহ আল-বুখারী, হাদিস ৪৭ (সহীহ)
২. ঈমানের অংশ: আবদুল কায়সের প্রতিনিধিদল যখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর কাছে জান্নাতে প্রবেশের আমল সম্পর্কে জানতে চায়, তখন তিনি তাদের আল্লাহর প্রতি ঈমান আনার নির্দেশ দেন। ঈমান কাকে বলে—এই প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, "তা হলো, সাক্ষ্য দেয়া যে আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ নেই, সালাত কায়েম করা, যাকাত দেয়া, গনীমতের মালের এক পঞ্চমাংশ দেওয়া।" এখানে সালাতকে ঈমানের অংশ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। — সহীহ বুখারী (তাওহীদ পাবলিকেশন), হাদিস ৭৫৫৬ (সহীহ)
৩. সর্বোত্তম আমল: রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল, কোন আমলটি সর্বোত্তম? তিনি উত্তরে বলেন, "আল্লাহ্র প্রতি ঈমান আনা, তাঁর রাস্তায় জিহাদ করা।" অন্য একটি বর্ণনায় তিনি ঈমানের পর সালাত কায়েম করার নির্দেশ দেন, যা এর গুরুত্ব প্রমাণ করে। — সহীহ বুখারী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন), হাদিস ৭০৪৬ (সহিহ)
৪. সালাতের জন্য অপেক্ষা করাও সালাত: রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, "বান্দা যতক্ষণ পর্যন্ত সালাতের জন্য বসে সালাতের জন্য অপেক্ষা করতে থাকে ততক্ষণ পর্যন্ত সে সালাতরত থাকে।" এসময় ফেরেশতারা তার জন্য ক্ষমা ও রহমতের দোয়া করতে থাকেন। — সহীহ মুসলিম (হাদীস একাডেমী), হাদিস ১৩৯৫ (সহিহ)
শর্তাবলী
সালাত কবুল হওয়ার জন্য পবিত্রতা বা ওযু করা অপরিহার্য। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন, "যার হদছ হয়ে গেছে (ওযু ছুটে গেছে) সে ব্যক্তি পুনরায় ওযু না করা পর্যন্ত তার নামায কবুল হবেনা।" হদছ হলো পায়খানার রাস্তা দিয়ে বায়ু বের হওয়া। — মুখতাসার সহীহ আল-বুখারী, হাদিস ১১১ (সহিহ)
বিভিন্ন প্রকার সালাত
ফরয সালাত ছাড়াও বিভিন্ন সুন্নাত ও নফল সালাত রয়েছে। যেমন:
* তাহিয়্যাতুল মসজিদ: মসজিদে প্রবেশ করে বসার আগে দুই রাকাত সালাত আদায় করাকে 'তাহিয়্যাতুল মসজিদ' বা 'দুখুলুল মসজিদ' বলা হয়। অধিকাংশ ফকীহর মতে এটি সুন্নাতে মুআক্কাদাহ। — প্রশ্নোত্তরে ফিকহুল ইবাদাত
* তাওবার সালাত: কোনো গুনাহ করার পর উত্তমরূপে ওযু করে দুই রাকাত সালাত আদায় করে আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করাকে 'তাওবার সালাত' বলে। আল্লাহ তাআলা এই সালাতের মাধ্যমে বান্দাকে ক্ষমা করে দেন। — প্রশ্নোত্তরে ফিকহুল ইবাদাত
* বৃষ্টির সালাত (সলাতুল ইস্তিস্কা): অনাবৃষ্টি ও খরার সময় আল্লাহর কাছে বৃষ্টির জন্য যে সালাত আদায় করা হয়, তাকে 'বৃষ্টির সালাত' বলে। এই সালাত আদায় করা সুন্নাত। — প্রশ্নোত্তরে ফিকহুল ইবাদাত