Hadithbd Logo

  • ৭১৯৮৮ টি সর্বমোট হাদিস আছেঃ
  • ৮২৭৬ টি প্রশ্নোত্তর ও ফিকাহঃ

 

 

 

 


২৫- যেসব এলাকার লোক এসবের কোন একটি মীকাতের ডান বা বাম পাশ দিয়ে যাবে, তারা কোথা থেকে ইহরাম বাঁধবে?


নিকটস্থ প্রথম মীকাতের পাশ দিয়ে যখন যাবে তখনই ইহরাম বাধবে।

 

২৬- বর্ণিত ৫ টি মীকাতের সীমানার ভিতরে যারা বসবাস করে যেমন জেদ্দা, বাহরা, তায়েফ, শরাইয় ও মক্কার মধ্যবর্তী এলাকার বাসিন্দাগণ বা চাকুরীরত বিদেশীরা কোথা থেকে ইহরাম বাঁধবে?


হজ্জের জন্য তারা তাদের নিজেদের ঘর থেকেই ইহরাম বাধবে। তাদেরকে মীকাতে যেতে হবে না।

 

২৭- মীকাতের ভিতরে ও বাহিরে উভয় জায়গায় যাদের বাড়ী আছে তারা কোথা থেকে ইহরাম বাধবে?


যে কোন একটা স্থান থেকেই ইহরাম বাঁধা যাবে। এ বিষয়ে তারা স্বাধীন।

২৮- মক্কাবাসীগণ কোথা থেকে ইহরাম বাঁধবে?


হজ্জের ইহরাম হলে নিজ নিজ ঘর থেকে, আর উমরার ইহরাম হলে মসজিদে তানয়ীমে যাবে অথবা হারামের হুদুদের (সীমানার) বাইরে যে কোন স্থানে গিয়ে বাঁধবে। মক্কায় চাকরীরত বিদেশীরাও তাই করবে।

২৯- ইহরাম ছাড়া মীকাত অতিক্রম করার হুকুম কি?


এটা হারাম। তবে শুধুমাত্র চাকুরী, ব্যবসা, চিকিৎসা, পড়াশুনা, আত্মীয়-স্বজনের বাড়ীতে বেড়ানো বা অন্যকোন কারণে মক্কা শরীফ প্রবেশ করলে ইহরাম বাঁধা জরুরী নয়। কিন্তু ইহরাম পরে উমরা করে নিলে ভাল হয়। দলীলঃ
فَهُنَّ لَهُنَّ وَلِمَنْ أَتَى عَلَيْهِنَّ مِنْ غَيْرِ أَهْلِهِنَّ لِمَنْ كَانَ يُرِيدُ الْحَجَّ وَالْعُمْرَةَ

(বুখারী ১৫২৬, মুসলিম ১১৮১)

৩০- ইহরামের কাপড় পরিধান ছাড়া জেনে বা অজ্ঞতাবশতঃ, সজ্ঞানে, ভুলে বা ঘুমন্ত অবস্থায় মীকাতের সীমানায় ঢুকে পড়লে কি করতে হবে?


তাকে অবশ্যই আবার মীকাতে ফিরে গিয়ে ইহরাম বাঁধতে হবে, নতুবা একটি দম দিতে হবে অর্থাৎ একটি ছাগল, বকরী বা দুম্বা জবাই করে মক্কায় গরীবদের মধ্যে এর গোশত বিলি করে দিতে হবে। নিজে খেতে পারবে না।

৩১- মীকাত পার হওয়ার আগে কী কী কাজ করতে হয়?


মীকাতে নিম্ন বর্ণিত কাজ করার বিধান রয়েছেঃ

(১) নখ ও চুল কেটে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন হওয়া মুস্তাহাব।
(২) মুস্তাহাব হলো গোসল করে নেয়া।
(৩) সুগন্ধি মাখাও মুস্তাহাব। তবে মেয়েরা সুগন্ধি মাখবে না।
(৪) ইহরাম বাঁধা। অর্থাৎ ইহরামের কাপড় পরে উমরা বা হজ্জের নিয়ত করা। এটি ওয়াজিব।
(৫) মেয়েদের হায়েয অবস্থায়ও মীকাত পার হওয়ার আগে গোসল করে ইহরাম পরা সুন্নাত। অতঃপর হজ্জ বা উমরার নিয়ত করা।
(৬) মুস্তাহাব হলো ফরয সালাতের পর ইহরাম বাঁধা।
(৭) দু’রাকআত সালাত (তাহিয়্যাতুল অজু) শেষ হলে নিয়ত করবেন।
(৮) অতঃপর তালবিয়াহ পাঠ শুরু করবে। এটি নীচে দেয়া হলঃ

لَبَّيْكَ اللَّهُمَّ لَبَّيْكَ - لَبَّيْكَ لاَ شَرِيكَ لَكَ لَبَّيْكَ ু إِنَّ الْحَمْدَ - وَالنِّعْمَةَ لَكَ وَالْمُلْكَ - لاَ شَرِيكَ لَكَ

অর্থঃ হাজির হয়েছি হে আল্লাহ! তোমার ডাকে সাড়া দিয়ে আমি হাজির হয়েছি। আমি হাজির হয়ে সাক্ষ্য দিচ্ছি তোমার কোন শরীক নাই, আমি হাজির। নিশ্চয়ই সমস্ত প্রশংসা ও নেয়ামত তোমারই এবং রাজত্বও। তোমার কোন শরীক নাই।

পেজ ন্যাভিগেশন

সর্বমোটঃ  17 টি বিষয় দেখান হচ্ছে।
12পরের পাতাশেষের পাতা