• ৭১৯৬৩ টি সর্বমোট হাদিস আছেঃ
  • ৮০৩৩ টি প্রশ্নোত্তর ও ফিকাহঃ

 

 

 

 


হাদীস (حَدِيْث) এর শাব্দিক অর্থ: নতুন, প্রাচীন ও পুরাতন এর বিপরীত বিষয়। এ অর্থে যে সব কথা, কাজ ও বস্ত্ত পূর্বে ছিল না, এখন অস্তিত্ব লাভ করেছে  তাই হাদীস। এর আরেক অর্থ হলো: কথা। ফক্বীহগণের পরিভাষায় নাবী কারীম () আল্লাহ্‌র রাসূল হিসেবে যা কিছু বলেছেন, যা কিছু করেছেন এবং যা কিছু বলার বা করার অনুমতি দিয়েছেন অথবা সমর্থন জানিয়েছেন তাকে হাদীস বলা হয়। কিন্তু মুহাদ্দিসগণ এর সঙ্গে রাসুলুল্লাহ () সম্পর্কিত বর্ণনা ও তার গুণাবলী সম্পর্কিত বিবরণকেও হাদীসের অন্তর্ভুক্ত করেন। এ হিসেবে হাদীসকে প্রাথমিক পর্যায়ে তিন শ্রেণীতে ভাগ করা যায়:

১। ক্বওলী হাদীস: কোন বিষয়ে রাসুলুল্লাহ () যা বলেছেন, অর্থাৎ যে হাদীসে তাঁর কোন কথা বিবৃত হয়েছে তাকে ক্বওলী (বাণী সম্পর্কিত) হাদীস বলা হয়।

২। ফেলী হাদীস: মহানাবী ()-এর কাজকর্ম, চরিত্র ও আচার-আচরণের ভেতর দিয়েই ইসলামের যাবতীয় বিধি-বিধান ও রীতিনীতি পরিস্ফুট হয়েছে। অতএব যে হাদীসে তাঁর কোন কাজের বিবরণ উল্লেখিত হয়েছে তাকে ফে’লী (কর্ম সম্পর্কিত) হাদীস বলা হয়।

৩। তাকরীরী হাদীস: সাহাবীগণের যে সব কথা বা কাজ নাবী কারীম ()-এর অনুমোদন ও সমর্থন প্রাপ্ত হয়েছে, সে ধরনের কোন কথা বা কাজের বিবরণ হতেও শরীয়াতের দৃষ্টিভঙ্গি জানা যায়। অতএব যে হাদীসে এ ধরনের কোন ঘটনার বা কাজের উল্লেখ পাওয়া যায় তাকে তাকরীরী (সমর্থন মূলক) হাদীস বলে।

সুন্নাহ (السنة): হাদীসের অপর নাম সুন্নাহ্ (السنة) সুন্নাত শব্দের অর্থ চলার পথ, কর্মের নীতি ও পদ্ধতি। যে পন্থা ও রীতি নাবী কারীম () অবলম্বন করতেন তাকে সুন্নাত বলা হয়। অন্য কথায় রাসুলুল্লাহ () প্রচারিত উচ্চতম আদর্শই সুন্নাত। কুরআন মাজিদে মহত্তম ও সুন্দরতম আদর্শ (أُسْوَةٌ حَسَنَةٌ) বলতে এই সুন্নাতকেই বুঝানো হয়েছে।

খবর (خبر): হাদীসকে আরবী ভাষায় খবরও (خبر) বলা হয়। তবে খবর শব্দটি হাদীস ও ইতিহাস উভয়টিকেই বুঝায়।

আসার (أثر ): আসার শব্দটিও কখনও কখনও রাসুলুল্লাহ () এর হাদীসকে নির্দেশ করে। কিন্তু অনেকেই হাদীস ও আসার এর মধ্যে কিছু পার্থক্য করে থাকেন। তাঁদের মতে- সাহাবীগণ থেকে শরীয়াত সম্পর্কে যা কিছু উদ্ধৃত হয়েছে তাকে আসার বলে।

 

ইলমে হাদীসের কতিপয় পরিভাষা

সাহাবী (صحابى):  যিনি ঈমানের সঙ্গে রাসুলুল্লাহ () এর সাহচর্য লাভ করেছেন এবং ঈমানের সঙ্গে মৃত্যুবরণ করেছেন তাঁকে রাসুলুল্লাহ ()-এর সাহাবী বলা হয়।

তাবেঈ (تابعى) : যিনি রাসুলুল্লাহ ()-এর কোন সাহাবীর নিকট হাদীস শিক্ষা করেছেন অথবা অন্ততপক্ষে তাঁকে দেখেছেন এবং মুসলমান হিসেবে মৃত্যুবরণ করেছেন তাঁকে তাবেঈ বলা হয়।

তাবে-তাবেঈ (تابعى تابع) : যিনি  কোন তাবেঈ এর নিকট হাদীস শিক্ষা করেছেন অথবা অন্ততপক্ষে তাঁকে দেখেছেন এবং মুসলমান হিসেবে মৃত্যুবরণ করেছেন তাঁকে তাবে-তাবেঈ বলা হয়।

মুহাদ্দিস (محدث) : যিনি হাদীস চর্চা করেন এবং বহু সংখ্যক হাদীসের সনদ ও মতন সম্পর্কে বিশেষ জ্ঞান রাখেন তাঁকে মুহাদ্দিস বলা হয়।

শাইখ (شيخ) : হাদীসের শিক্ষাদাতা রাবীকে শায়খ বলা হয়।

শাইখান (شيخان) : সাহাবীগনের মধ্যে আবূ বকর (রাঃ) ও উমর  (রাঃ)- কে একত্রে শাইখান বলা হয়। কিন্তু হাদীস শাস্ত্রে ইমাম বুখারী (রাহি.) ও ইমাম মুসলিম (রাহি.)-কে এবং ফিক্বহ-এর পরিভাষায় ইমাম আবূ হানীফা (রাহি.) ও আবূ ইউসুফ (রাহি.)-কে একত্রে শাইখান বলা হয়। 

হাফিয (حافظ) : যিনি সনদ ও মতনের বৃত্তান্ত সহ এক লাখ হাদীস আয়ত্ত করেছেন তাঁকে হাফিয বলা হয়।

হুজ্জাত (حجة) : অনুরূপভাবে যিনি তিন লক্ষ হাদীস আয়ত্ত করেছেন তাঁকে হুজ্জাত বলা হয়।  

হাকিম (حاكم) : যিনি সব হাদীস আয়ত্ত করেছেন তাকে হাকিম বলা হয়।

রিজাল (رجال) : হাদীসের রাবী সমষ্টিকে রিজাল বলে। যে শাস্ত্রে রাবীগণের জীবনী বর্ণনা করা হয়েছে তাকে আসমাউর-রিজাল বলা হয়।                                                                                 

রিওয়ায়াত (رواية): হাদীস বর্ণনা করাকে রিওয়ায়াত বলে। কখনও কখনও মূল হাদীসকেও রিওয়ায়াত বলা হয়। যেমন- এই কথার সমর্থনে একটি রিওয়ায়াত (হাদীস) আছে।                           

সনদ (سند): হাদীসের মূল কথাটুকু যে সূত্র পরম্পরায় গ্রন্থ সংকলনকারী পর্যন্ত পৌঁছেছে তাকে সনদ বলা হয়। এতে হাদীস বর্ণনাকারীদের নাম একের পর এক সজ্জিত থাকে।

মতন (متن): হাদীসে মূল কথা ও তার শব্দ সমষ্টিকে মতন বলে।

মারফূ (مرفوع): যে হাদীসের সনদ (বর্ণনা পরম্পরা) রাসুলুল্লাহ () পর্যন্ত পৌঁছেছে  তাকে মারফূ হাদীস বলে।

মাওকূফ (موقوف) : যে হাদীসের বর্ণনা- সূত্র ঊর্ধ্ব দিকে সাহাবী পর্যন্ত পৌঁছেছে , অর্থাৎ যে সনদ -সূত্রে কোন সাহাবীর কথা বা কাজ বা অনুমোদন বর্ণিত হয়েছে তাকে মাওকূফ হাদীস বলে। এর অপর নাম আসার।

মাকতূ (مقطوع): যে হাদীসের সনদ কোন তাবেঈ পর্যন্ত পৌঁছেছে, তাকে মাকতূ হাদীস বলা হয়।

তালীক (تعليق): কোন কোন গ্রন্থকার হাদীসের পূর্ণ সনদ বাদ দিয়ে কেবল মূল হাদীস বর্ণনা করেছেন। এরূপ করাকে তা’লীক বলা হয়।

মুদাল্লাস (مدلس): যে হাদীসের রাবী নিজের প্রকৃত শাইখের (উস্তাদের) নাম উল্লেখ না করে তার উপরস্থ শাইখের নামে এভাবে হাদীস বর্ণনা করেছেন যাতে মনে হয় যে, তিনি নিজেই উপরস্থ শাইখের নিকট তা শুনেছেন অথচ তিনি তাঁর নিকট সেই হাদীস শুনেন নি- সে হাদীসকে মুদাল্লাস হাদীস এবং এইরূপ করাকে ‘তাদ্লীস’ আর যিনি এইরূপ করেন তাকে মুদালস্নীস বলা হয়।

মুযতারাব (مضطرب): যে হাদীসের রাবী হাদীসের মতন ও সনদকে বিভিন্ন প্রকারে বর্ণনা করেছেন সে হাদীসকে হাদীসে মুযতারাব বলা হয়। যে পর্যন্ত না এর কোনরূপ সমন্বয় সাধন সম্ভবপর হয়, সে পর্যন্ত এই হাদীসের ব্যাপারে অপেক্ষা করতে হবে অর্থাৎ এই ধরনের রিওয়ায়াত প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না।

মুদ্রাজ (مدرج): যে হাদীসের মধ্যে রাবী নিজের অথবা অপরের উক্তিকে অনুপ্রবেশ করিয়েছেন, সে হাদীসকে মুদ্রাজ এবং এইরূপ করাকে ‘ইদরাজ’ বলা হয়।

মুত্তাসিল (متصل): যে হাদীসের সনদের ধারাবাহিকতা প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত পূর্ণরূপে রক্ষক্ষত আছে, কোন সত্মরেই কোন রাবীর নাম বাদ পড়ে নি তাকে মুত্তাসিল হাদীস বলে।

মুনকাতি (منقطع): যে হাদীসের সনদে ধারাবাহিকতা রক্ষিত হয় নি, মাঝখানে কোন এক স্তরে কোন রাবীর নাম বাদ পড়েছে, তাকে মুনকাতি হাদীস, আর এই বাদ পড়াকে ইনকিতা বলা হয়।

মুরসাল (مرسل): যে হাদীসের সনদে ইনকিতা শেষের দিকে হয়েছে, অর্থাৎ সাহাবীর নাম বাদ পড়েছে এবং তাবেঈ সরাসরি রাসুলুল্লাহ () এর উল্লেখ করে হাদীস বর্ণনা করেছেন তাকে মুরসাল হাদীস বলা হয়।

মুআল্লাক ( معلق ) : সনদের ইনকিতা প্রথম দিকে  হলে, অর্থাৎ সাহাবীর পর এক বা একাধিক রাবীর নাম বাদ পড়লে তাকে মু’আল্লাক হাদীস বলা হয়।

মুদাল (معضل): যে হাদীসে দুই বা ততোধিক রাবী ক্রমান্বয়ে সনদ থেকে বাদ পড়েছে তাকে মু‘দাল হাদীস বলে।

মুতাবি ও শাহিদ (متابع و شاهد): এক রাবীর হাদীসের অনুরূপ যদি অপর রাবীর কোন হাদীস পাওয়া যায় তবে দ্বিতীয় রাবীর হাদীসকে প্রথম রাবীর হাদীসের মুতাবি বলা হয়। যদি উভয় হাদীসের মূল রাবী অর্থাৎ সাহাবী একই ব্যক্তি না হয় তবে দ্বিতীয় ব্যক্তির হাদীসকে শাহিদ বলে। আর এইরূপ হওয়াকে শাহাদাত বলে। মুতাবা’আত ও শাহাদাত দ্বারা প্রথম হাদীসটির শক্তি বৃদ্ধি পায়।

মারূফ ও মুনকার (معروف و منكر): কোন দুর্বল রাবীর বর্ণিত হাদীস অপর কোন মাকবূল (গ্রহণযোগ্য) রাবীর বর্ণিত হাদীসের বিরোধী হলে তাকে মুনকার বলা হয় এবং মাকবূল রাবীর হাদীসকে মা‘রূফ বলা হয়।

সহীহ (صحيح) : যে মুত্তাসিল হাদীসের সনদে উল্লেখিত প্রত্যেক রাবীই পূর্ণ আদালত ও যাবত (ধারণ ক্ষমতা) গুণ সম্পন্ন এবং হাদীসটি যাবতীয় দোষত্রুটি ও শায মুক্ত তাকে সহীহ হাদীস বলে।

হাসান (حسن) : যে হাদীসের মধ্যে রাবীর যাবত (ধারণ ক্ষমতা) এর গুণ ব্যতীত সহীহ হাদীসের সমস্ত শর্তই পরিপূর্ণ রয়েছে তাকে হাসান হাদীস বলা হয়। ফক্বীহগণ সাধারণত সহীহ ও হাসান হাদীসের ভিত্তিতে শরীয়াতের বিধান নির্ধারণ  করেন।

যঈফ (ضعيف ) : যে হাদীসের রাবী কোন হাসান হাদীসের রাবীর গুণসম্পন্ন নন তাকে যঈফ হাদীস বলে।

মাওযূ ( موضوع ) : যে হাদীসের রাবী জীবনে কখনও ইচ্ছাকৃতভাবে রাসুলুল্লাহ ()-এর নামে মিথ্যা কথা রটনা করেছেন বলে প্রমাণিত হয়েছে, তার বর্ণিত হাদীসকে মাওযূ‘ হাদীস বলে।

 

রাবীর সংখ্যা বিচারে হাদীস প্রধানত দুপ্রকার। যথা: ১. মুতওয়াতির (متواتر) ও ২. আহাদ (أحاد)

১. মুতওয়াতির (متواتر): বৃহৎ সংখ্যক রাবীর বর্ণিত হাদীস, মিথ্যার ব্যাপারে যাদের উপর একাট্টা হওয়া অসম্ভব, সনদের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত এ সংখ্যা বিদ্যমান থাকলে হাদীসকে মুতওয়াতির (متواتر) বলা হয়।

২. আহাদ (أحاد): أحاد তিন প্রকার। যথা:

মাশহুর (مشهور): যে কোন স্তরে হাদীস বর্ণনা কারীর সংখ্যা যদি দুই এর অধিক হয়, কিন্তু মুতওয়াতির এর পর্যায়ে পৌঁছে না তাকে মাশহুর (مشهور) বলে।

আযীয (عزيز): যে কোন স্তরে হাদীস বর্ণনা কারীর সংখ্যা যদি দু‘জন হয় ।

গরীব (غريب): যে কোন স্তরে হাদীস বর্ণনা কারীর সংখ্যা যদি এক জন হয় ।

শায (شاذ): একাধিক নির্ভরযোগ্য রাবীর বিপরীত একজন নির্ভরযোগ্য রাবীর বর্ণনাকে শায হাদীস বলে।

 কিয়াস (قياس): অর্থ অনুমান, পরিমাপ, তুলনা ইত্যাদি। পরিভাষায়: শাখাকে মূলের সঙ্গে তুলনা করা, যার ফলে শাখা ও মূল একই হুকুমের অমত্মর্ভুক্ত হয়ে যায়।

তাক্বলীদ (تقليد): দলীল উল্লেখ ছাড়াই কোন ব্যক্তির মতামতকে গ্রহণ করা।

ইজতিহাদ (اجتهاد): উদ্দিষ্ট জ্ঞান অর্জনের প্রচেষ্টা চালানোকে ইজতিহাদ বলে।

শরীয়াত (شريعة): অর্থ: আইন, বিধান, পথ, পন্থা ইত্যাদি। পরিভাষায়: মহান আল্লাহ্‌ স্বীয় দীন হতে বান্দার জন্য যা বিধিবদ্ধ করে দিয়েছেন তাকে শরীয়াত বলে।

মাযহাব (مذهب): অর্থ- মত, পথ, মতবাদ ইত্যাদি। ফিক্বহী পরিভাষায়: ইবাদাত ও মু‘আমালাতের ক্ষেত্রে শারঈ হুকুম পালনের জন্য বান্দা যে পথ অনুসরণ করে এবং প্রত্যেক দলের জন্য একজন ইমামের উপর অথবা ইমামের ওসীয়ত কিংবা ইমামের প্রতিনিধির উপর নির্ভর করে তাকে মাযহাব বলে।

নাযর (نذر): কোন বিষয়ে উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য চিন্তা-ভাবনা করাকে নাযর বলে।

আম (عام): সীমাবদ্ধ করা ছাড়াই যা দুই বা ততোধিক বিষয়কে অন্তর্ভুক্ত করে তাকে আম বলে।

খাস (خاص): আম এর বিপরীত, যা নির্দিষ্ট বিষয়কে অন্তর্ভুক্ত করে।

ইজমা (اجماع): কোন এক যুগে আলিমদের কোন শারঈ বিষয়ের উপর এক মত পোষণ করাকে ইজমা বলে।

মুসনাদ (مسند): যার সনদগুলো পরস্পর এমনভাবে মিলিত যে, প্রত্যেকের বর্ণনা সুস্পষ্ট।

ফিক্বহ (فقه): ইজতিহাদ বা গবেষণার পদ্ধতিতে শারঈ হুকুম সম্পর্কে জানার বিধানকে ফিক্বহ বলে।

আসল বা মূল (اصل): এমন প্রথম বিষয়, যার উপর ভিত্তি করে কোন কিছু গড়ে উঠে। যেমন- দেয়ালের ভিত্তি।

ফারা বা শাখা (فرع): আসলের বিপরীত যা কোন ভিত্তির উপর গড়ে উঠে।

ওয়াজিব (واجب): যা আমল করলে সাওয়াব পাওয়া যাবে আর পরিত্যাগ করলে শাস্তি পাওয়া যাবে।

মানদূব (مندوب): যা আমল করলে সাওয়াব পাওয়া যাবে আর পরিত্যাগ করলে শাস্তি হবে না।

মাহযূর (محظور): যা পরিত্যাগ করলে সাওয়াব পাওয়া যাবে আর আমল করলে শাস্তি পাওয়া যাবে।

মাকরূহ (مكروه): যা পরিত্যাগ করলে সাওয়াব পাওয়া যাবে আর আমল করলে শাস্তি হবে না।

ফাৎওয়া (فتوى): জিজ্ঞাসিত ব্যক্তির নিকট থেকে দলীল ভিত্তিক শারঈ হুকুম সুস্পষ্ট বর্ণনা করে নেয়াকে ফাৎওয়া বলে।

নাসিখ (ناسخ): পরিবর্তিত শারঈ দলীল যা পূববর্তী শারঈ হুকুমকে রহিত করে দেয় তাকে নাসিখ বলে।

মানসূখ (منسوخ): আর যে হুকুমটি রহিত হয়ে যায় সেটাই মানসূখ।

মুতলাক্ব (مطلق): যা প্রকৃতিগত দিক থেকে জাতির সকলকে অন্তর্ভুক্ত  করে কিন্তু অনির্দিষ্টভাবে একটি অর্থকে বুঝায়।

মুকাইয়্যাদ (مقيد): যা মুতলাক্বের বিপরীত অর্থাৎ জাতির সকলকে অন্তর্ভুক্ত  করে না। বরং নির্দিষ্ট একটি অর্থকে বুঝায়।

হাক্বীকাত (حقيقة): শব্দকে আসল অর্থে ব্যবহার করাকে হাক্বীকত বলে। যেমন- সিংহ শব্দটি এক প্রজাতির হিংস্র প্রাণীকে বুঝায়।

মাজায (مجاز): শব্দ যখন আসল অর্থকে অতিক্রম করে তার সাথে সাদৃশ্য রাখে এমন অর্থ প্রকাশ করে তখন তাকে মাজায বলে। যেমন- সাহসী লোককে সিংহের সাথে তুলনা করা।

হাদিসের পরিসংখ্যান

সর্বমোট হাদিস পাওয়া গেছেঃ [2000] টি | অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ
গ্রন্থঃ যঈফ ও জাল হাদিস | দেখানো হচ্ছে   [91]  থেকে  [100]  পর্যন্ত
প্রতি পাতাতে টি হাদিস

পাবলিশারঃ তাওহীদ পাবলিকেশন
গ্রন্থঃ যঈফ ও জাল হাদিস
অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ
হাদিস নম্বরঃ ৯১ | 91 | ۹۱

৯১। আল্লাহর নাম ধরে কসম করে মিথ্যা কথা বলা আমার নিকট অতিপ্রিয়, আল্লাহ ছাড়া অন্য কিছুর নামে কসম করে সত্য বলা হতে।

হাদীসটি জাল।

হাদীসটি আবূ নু’য়াইম “আল-হিলইয়্যাহ্” গ্রন্থে (৭/২৬৭) এবং “আখবারু আসবাহান” গ্রন্থে (২/১৮১) উল্লেখ করে “আখবার” গ্রন্থে বলেছেনঃ লোকেরা এটিকে মওকুফ হিসাবে বর্ণনা করেছেন। আর "হিলইয়্যাহ" গ্রন্থে বলেছেনঃ মুহাম্মাদ ইবনু মুয়াবিয়া একক ভাবে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।

আমি (আলবানী) বলছিঃ তিনি হচ্ছেন নাইসাপূরী। দারাকুতনী তাকে মিথ্যুক আখ্যা দিয়েছেন। ইবনু মাঈনও বলেছেনঃ তিনি মিথ্যুক।

তবে এটি ইবনু মাসউদ (রাঃ)-এর বাণী, যেমনভাবে আবূ নু’য়াইম উল্লেখ করেছেন। অনুরূপভাবে তাবারানীও “মুজামুল কাবীর” গ্রন্থে (৩/১৭/২) সহীহ সনদে বর্ণনা করেছেন। যেমনটি এসেছে “আল-মাজমা" গ্রন্থে (৪/১৭৭)। অর্থাৎ এটি মওকুফ হিসাবে সহীহ্।



হাদিসের মানঃ  জাল (Fake)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!

لأن أحلف بالله وأكذب، أحب إلي من أن أحلف بغير الله وأصدق
موضوع

-

أخرجه أبو نعيم في " الحلية " (7 / 267) وفي " أخبار أصبهان " (2 / 181) من طريق محمد بن معاوية حدثنا عمر بن علي المقدمي، حدثنا مسعر عن وبرة عن همام عن ابن مسعود مرفوعا، وقال أبو نعيم في " الأخبار ": ورواه الناس موقوفا، وقال في " الحلية ": تفرد به محمد بن معاوية
قلت: وهو النيسابوري كذبه الدارقطني، وقال ابن معين: كذاب، والمعروف كما ذكر أبو نعيم أن الحديث من قول ابن مسعود. كذلك رواه الطبراني في " الكبير " (3 / 17 / 2) بسند صحيح، ورجاله رجال الصحيح كما في " المجمع " (4 / 177)

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ তাওহীদ পাবলিকেশন
গ্রন্থঃ যঈফ ও জাল হাদিস
অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ
হাদিস নম্বরঃ ৯২ | 92 | ۹۲

৯২। তিনটি বস্তু যার মধ্যে থাকবে, তার বক্ষকে আল্লাহ প্রশস্ত করে দেবেন এবং তাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন। দুর্বলকে দয়া করা, পিতা-মাতার প্রতি নম্র ব্যাবহার করা এবং অধীনস্তদের প্রতি ইহসান করা।

হাদীসটি জাল।

হাদীসটি ইমাম তিরমিযী (৩/৩১৬) আব্দুল্লাহ ইবনু ইবরাহীম আল-গিফারী আল-মাদীনী সূত্রে তার পিতা হতে ... বর্ণনা করে বলেছেনঃ হাদীসটি গারীব।

আমি (আলবানী) বলছিঃ ইবনু হিব্বান এ আব্দুল্লাহ সম্পর্কে বলেছেনঃ তিনি হাদীস জাল করতেন। হাকিম বলেনঃ তিনি দুর্বল সম্প্রদায় হতে বহু জাল হাদীস বর্ণনা করেছেন। সেগুলো তিনি ছাড়া অন্য কেউ বর্ণনা করেননি।

আমি (আলবানী) বলছিঃ তার পিতা মাজহুল, যেমনভাবে “আত-তাকরীব” গ্রন্থে এসেছে। অতএব হাদীসটি এ সনদে জাল।



হাদিসের মানঃ  জাল (Fake)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!

ثلاث من كن فيه نشر الله عليه كنفه وأدخله الجنة: رفق بالضعيف، والشفقة على الوالدين، والإحسان إلى المملوك
موضوع

-

أخرجه الترمذي (3 / 316) من طريق عبد الله بن إبراهيم الغفاري المديني، حدثني أبي عن أبي بكر بن المنكدر عن جابر مرفوعا، وقال الترمذي: هذا حديث غريب
قلت: عبد الله بن إبراهيم نسبه ابن حبان إلى أنه يضع الحديث، وقال الحاكم
روى عن جماعة من الضعفاء أحاديث موضوعة لا يرويها غيره
قلت: وأبوه مجهول كما في " التقريب " فالحديث بهذا الإسناد موضوع، وقد أورده المنذري في " الترغيب " (2 / 49) مشيرا لضعفه بزيادة: " وثلاث من كن فيه أظله الله عز وجل تحت عرشه يوم لا ظل إلا ظله: الوضوء في المكاره، والمشي إلى المساجد في الظلم، وإطعام الجائع "، وقال: رواه الترمذي بالثلاث الأول فقط، وقال: حديث غريب، ورواه أبو الشيخ في " الثواب " وأبو القاسم الأصبهاني بتمامه

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ তাওহীদ পাবলিকেশন
গ্রন্থঃ যঈফ ও জাল হাদিস
অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ
হাদিস নম্বরঃ ৯৩ | 93 | ۹۳

৯৩। কিয়ামত দিবসে লোকদের কাতার বন্দি করা হবে। অতঃপর জাহান্নামের কোন এক ব্যাক্তি অন্য এক ব্যাক্তিকে অতিক্রম করবে আর বলবেঃ হে ব্যাক্তি! তুমি কি স্মরণ করতে পারছ না সেই দিনটিকে যেদিন তুমি (আমার নিকট) পানি চেয়েছিলে? অতঃপর আমি তোমাকে একবার পানি করিয়েছিলাম। তিনি বলেনঃ অতঃপর তার জন্য সুপারিশ করা হবে। অন্য এক ব্যাক্তি অতিক্রম করবে আর বলবেঃ হে ব্যাক্তি! তুমি কি স্মরণ করতে পারছ না সেই দিনটিকে যেদিন আমি তোমাকে পবিত্রতা অর্জনের জন্য পানি দিয়েছিলাম? অতঃপর তার জন্য সুপারিশ করা হবে। অন্য এক ব্যাক্তি অতিক্রম করবে আর বলবে যে, হে ব্যাক্তি! তুমি কি স্মরণ করতে পারছ না সেই দিনটিকে যেদিন তুমি আমাকে এ এ প্রয়োজনে প্রেরণ করেছিলেন আর আমি তোমার জন্য গিয়েছিলাম? অতঃপর তার জন্য সুপারিশ করা হবে।

হাদীসটি দুর্বল।

হাদীসটি ইবনু মাজাহ্ (২/৩৯৪) ইয়াযীদ বুকাশী সূত্রে আনাস (রাঃ) হতে বর্ণনা করেছেন।

তিনি হচ্ছেন ইয়াযীদ ইবনু আবান; তিনি দুর্বল, যেরূপভাবে ইবনু হাজার ও অন্যরা বলেছেন। তিনি ছাড়া অন্য ব্যক্তিও হাদীসটি আনাস (রাঃ) হতে বর্ণনা করেছেন। সেগুলোর কোন একটিও সহীহ নয়। দেখুন “আত-তারগীব" (২/৫০-৫১)।



হাদিসের মানঃ  যঈফ (Dai'f)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!

يصف الناس يوم القيامة صفوفا، فيمر الرجل من أهل النار على الرجل فيقول:
يا فلان أما تذكر يوم استسقيت، فسقيتك شربة؟ قال: فيشفع له، ويمر الرجل فيقول: أما تذكر يوم ناولتك طهورا؟ فيشفع له، ويمر الرجل فيقول: يا فلان أما تذكر يوم بعثتني في حاجة كذا وكذا فذهبت لك؟ فيشفع له
ضعيف

-

أخرجه ابن ماجه (2 / 394) من طريق يزيد الرقاشي عن أنس مرفوعا، ويزيد هذا هو ابن أبان وهو ضعيف كما قال الحافظ وغيره، وقد روى غيره نحو هذا عن أنس، ولا يصح منها شيء، انظر " الترغيب " (2 / 50 - 51)

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ তাওহীদ পাবলিকেশন
গ্রন্থঃ যঈফ ও জাল হাদিস
অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ
হাদিস নম্বরঃ ৯৪ | 94 | ۹٤

৯৪। ইসলামের হাতল ও দিনের স্তম্ভ হচ্ছে তিনটি। যেগুলোর উপর ইসলামের ভিত্তি প্রতিষ্ঠিত। যে ব্যাক্তি সেগুলো হতে একটি পরিত্যাগ করবে, সে তা দ্বারা কুফরীকারী হিসাবে গন্য হবে, যার রক্ত প্রবাহিত করা হালাল। সত্যিকার অর্থে আল্লাহ ব্যাতীত কোন উপাস্য নেই-এর সাক্ষ্য প্রদান, ফরয সালাত (নামায/নামাজ) ও রমযানের সাওম (রোযা/রোজা/সিয়াম/ছিয়াম)।

হাদীসটি দুর্বল।

হাদীসটি আবু ইয়ালা তার “মুসনাদ” গ্রন্থে (কাফ ১২৬/২) এবং লালকাঈ তার "সুন্নাহ" গ্রন্থে (১/২০২/১) মুয়াম্মিল ইবনু ইসমাঈল সূত্রে ... আমর ইবনু মালেক আন-নুকারী হতে ... বর্ণনা করেছেন।

আমর ইবনু মালেককে ইবনু হিব্বান ব্যতীত অন্য কোন মুহাদ্দিস নির্ভরযোগ্য বলেননি। তিনি নির্ভরযোগ্য বলতে শিথিলতা প্রদর্শনকারীদের একজন। এমনকি মাজহুল ব্যক্তিদেরকেও তিনি নির্ভরযোগ্য বলেছেন। এছাড়া তিনি নিজেই এ মালেক সম্পর্কে বলেনঃ তার ছেলে ইয়াহইয়ার বর্ণনা ব্যতীত অন্য বর্ণনার ক্ষেত্রে তিনি ভুল করতেন এবং গারীব বর্ণনা করতেন। অতএব এ হাদীসটিকে দলীল হিসাবে গ্রহণ করা যাবে না অন্য সনদে তা বর্ণিত না হওয়া পর্যন্ত।

এছাড়া মুয়াম্মিল ইবনু ইসমাঈল সত্যবাদী, কিন্তু বহু ভুল করতেন। এরূপই বলেছেন আবু হাতিম ও অন্যরা। এছাড়া হাদীসটি সকলের ঐক্যমতের সহীহ হাদীস বিরোধী। যেটিতে ইসলামের স্তম্ভ পাঁচটি উল্লেখ করা হয়েছে অথচ এটিতে বলা হয়েছে তিনটি। সহীহ হাদীসটির মধ্যে বলা হয়নি যে, কোন একটি স্তম্ভকে ছেড়ে দিলে সে কাফের হয়ে যাবে। পক্ষান্তরে এটিতে বলা হচ্ছে যে, যে ব্যক্তি (তিনটির) একটি ছেড়ে দিবে সে কাফির। তবে অন্য দলীল হতে বুঝা যায় যে, আশংকা আছে কেউ যদি সলাতের ব্যাপারে অলসতা করে তাহলে সে কুফীর উপর মৃত্যুবরণ করবে এবং লাইলাহা ইল্লাল্লার সাক্ষী প্রদান করা ব্যতীত কোন কিছুই উপকারে আসবে না।

অতএব মুনযেরী (১/১৯৬) এবং হায়সামী (১/৪৮) কর্তৃক আলোচ্য হাদীসের সনদটি হাসান বলা প্রশ্নবোধক।



হাদিসের মানঃ  যঈফ (Dai'f)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!

عرى الإسلام وقواعد الدين ثلاثة، عليهن أسس الإسلام، من ترك واحدة منهن فهو بها كافر حلال الدم: شهادة أن لا إله إلا الله، والصلاة المكتوبة، وصوم رمضان
ضعيف

-

رواه أبو يعلى في " مسنده " (ق 126 / 2) واللالكائي في " السنة " (1 / 202 / 1) من طريق مؤمل بن إسماعيل قال حدثنا حماد بن زيد عن عمرو بن مالك النكري عن أبي الجوزاء عن ابن عباس، قال حماد: ولا أعلمه إلا قد رفعه إلى النبي صلى الله عليه وسلم قال: فذكره
قال المنذري (1 / 196) وتبعه الهيثمي (1 / 48) : وإسناده حسن
قلت: وفيما قالاه نظر، فإن عمرا هذا لم يوثقه غير ابن حبان (7 / 228، 8 /487) ، وهو متساهل في التوثيق حتى أنه ليوثق المجهولين عند الأئمة النقاد كما سبق التنبيه على ذلك مرارا، فالقلب لا يطمئن لما تفرد بتوثيقه، ولا سيما أنه قد قال هو نفسه في مالك هذا: يعتبر حديثه من غير رواية ابنه يحيى عنه، يخطيء ويغرب، فإذا كان من شأنه أن يخطيء ويأتي بالغرائب، فالأحرى به أن لا يحتج بحديثه إلا إذا توبع عليه لكي نأمن خطأه، فأما إذا تفرد بالحديث كما هنا - فاللائق به الضعف
وأيضا فإن مؤمل بن إسماعيل صدوق كثير الخطأ كما قال أبو حاتم وغيره
ويغلب على الظن أن الحديث إن كان له أصل عن ابن عباس رضي الله عنه فهو موقوف عليه، فقد تردد حماد بن زيد بعض الشيء في رفعه إلى النبي صلى الله عليه وسلم، نعم جزم برفعه إلى النبي صلى الله عليه وسلم سعيد بن زيد أخوحماد، لكن سعيد هذا ليس بحجة كما قال السعدي، وقال النسائي وغيره: ليس بالقوي، ثم إن ظاهر
الحديث مخالف للحديث المتفق على صحته: " بني الإسلام على خمس ... " الحديث، وذلك من وجهين
الأول: أن هذا جعل أسس الإسلام خمسة، وذاك صيرها ثلاثة
الآخر: أن هذا لم يقطع بكفر من ترك شيئا من الأسس، بينما ذاك يقول: من ترك واحدة منهن فهو كافر، وفي رواية سعيد بن حماد: فهو بالله كافر ولا أعتقد أن أحدا من العلماء المعتبرين يكفر من ترك صوم رمضان مثلا غير مستحل له خلافا لما يفيده ظاهر الحديث، فهذا دليل عملي من الأمة على ضعف هذا الحديث والله أعلم
ومما لا شك فيه أن التساهل بأداء ركن واحد من هذه الأركان الأربعة العملية مما يعرض فاعل ذلك للوقوع في الكفر كما أشار إلى ذلك قوله صلى الله عليه وسلم
" بين الرجل وبين الكفر ترك الصلاة "، رواه مسلم وغيره
فيخشى على من تهاون بالصلاة أن يموت على الكفر والعياذ بالله تعالى، لكن ليس في هذا الحديث الصحيح ولا في غيره القطع بتكفير تارك الصلاة وكذا تارك الصيام مع الإيمان بهما بل هذا مما تفرد به هذا الحديث الضعيف، والله أعلم
وأما الركن الأول من هذه الأركان الخمسة " شهادة أن لا إله إلا الله " فبدونها لا ينفع شيء من الأعمال الصالحة، وكذلك إذا قالها ولم يفهم حقيقة معناها، أو فهم، ولكنه أخل به عمليا كالاستغاثة بغير الله تعالى عند الشدائد ونحوها من الشركيات

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ তাওহীদ পাবলিকেশন
গ্রন্থঃ যঈফ ও জাল হাদিস
অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ
হাদিস নম্বরঃ ৯৫ | 95 | ۹۵

৯৫। তওবাকারী আল্লাহর বন্ধু।

এ শব্দে হাদীসটির কোন ভিত্তি নেই।

এ শব্দে হাদীসটির কোন ভিত্তি নেই। গাযালী “আল-ইহইয়া” গ্রন্থে (৪/৪৩৪) নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কথা হিসাবে উল্লেখ করেছেন! অথচ শাইখ তাজুদ্দীন সুবকী “আত-তাবাকাত" গ্রন্থে (৪/১৪-১৭০) বলেনঃ لم أجد له إسنادا এর কোন সনদ পাচ্ছি না।

এটির ন্যায় নিম্নের হাদীসটিওঃ (দেখুন পরেরটি)



হাদিসের মানঃ  জাল (Fake)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!

التائب حبيب الله
لا أصل له بهذا اللفظ

-

وقد أورده الغزالي في " الإحياء " (4 / 434) جازما بنسبته إلى النبي صلى الله عليه وسلم! وقال الشيخ تاج الدين السبكي في " الطبقات " (4 / 14 - 170) : لم أجد له إسنادا

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ তাওহীদ পাবলিকেশন
গ্রন্থঃ যঈফ ও জাল হাদিস
অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ
হাদিস নম্বরঃ ৯৬ | 96 | ۹٦

৯৬। নিশ্চয় আল্লাহ ভালবাসেন পথভ্রষ্ট তওবাকারী মু’মিন বান্দাকে।

হাদীসটি জাল।

এটি আব্দুল্লাহ ইবনু আহমাদ “যাওয়াইদুল মুসনাদ” গ্রন্থে (নং ৬০৫,৮১০) এবং তার সূত্রে আবু নু’য়াইম "হিলইয়াহ" গ্রন্থে (৩/১৭৮-১৭৯) উল্লেখ করেছেন।

এ সূত্রে আবু আবদিল্লাহ মাসলামা আর-রায়ী রয়েছেন। তিনি আবু আমর আল-বাজালী হতে আর তিনি আব্দুল মালেক ইবনু সুফিয়ান আস-সাকাফী হতে ... বর্ণনা করেছেন।

এ সনদটি জাল। কারণ আবু আবদিল্লাহ মাসলামা আর-রায়ীর জীবনী পাচ্ছি না। হাফিয ইবনু হাজার তাকে তার “তা'জীলুল মানফায়াহ" গ্রন্থে উল্লেখ করেননি।

আবূ আমর আল-বাজালী সম্পর্কে যাহাবী “আল-মীযান” গ্রন্থে এবং ইবনু হাজার “আত-তা'জীল” গ্রন্থে বলেনঃ বলা হয় তার নাম আবীদা, তার থেকে হারামী ইবনু হাফস হাদীস বর্ণনা করেছেন। ইবনু হিব্বান বলেনঃ তার মাধ্যমে দলীল গ্রহণ করা হালাল নয়।

হাফিয ইবনু হাজার দৃঢ়তার সাথে “আল-কুনা” গ্রন্থে “লিসানুল মীযান”-এর উদ্ধৃতিতে (৬/৪১৯) বলেছেনঃ তিনি হচ্ছেন আবীদা ইবনু আবদির রহমান। তাকে ইবনু হিব্বান উল্লেখ করে বলেছেনঃ তিনি নির্ভরযোগ্যদের উদ্ধৃতিতে জাল হাদীস বর্ণনা করতেন।

আব্দুল মালেক ইবনু সুফিইয়ান আস-সাকাফী সম্পর্কে হুসাইনী বলেনঃ তিনি মাজহুল। হাফিয ইবনু হাজার তার এ কথাকে “আত-তা'জীল” গ্রন্থে সমর্থন করেছেন।

এছাড়া হাদীসটি ওয়াকেদী সূত্রে বর্ণিত হয়েছে। তিনি একজন মিথ্যুক। অতএব হাদীসটি বানোয়াট।



হাদিসের মানঃ  জাল (Fake)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!

إن الله يحب العبد المؤمن المفتن التواب
موضوع

-

أخرجه عبد الله بن أحمد في زوائد " المسند " (رقم 605، 810) ومن طريقه أبو نعيم في " الحلية " (3 /178 - 179) عن أبي عبد الله مسلمة الرازي عن أبي عمرو البجلي عن عبد الملك بن سفيان الثقفي عن أبي جعفر محمد بن علي عن محمد بن الحنفية عن أبيه مرفوعا، وهذا إسناد موضوع: أبو عبد الله مسلمة الرازي لم أجد له ترجمة، ولم يورده الحافظ بن حجر في تعجيل المنفعة بزوائد رجال الأئمة الأربعة " مع أنه على شرطه، وقد فاته من مثله تراجم كثيرة، وأبو عمرو البجلي، قال الذهبي في الميزان ثم الحافظ في " التعجيل
يقال: اسمه عبيدة، حدث عنه حرمي بن حفص، قال ابن حبان: لا يحل الاحتجاج به وقد جزم الحافظ في " الكنى " من " لسان الميزان " (6 / 419) بأنه هو عبيدة ابن عبد الرحمن، ويؤيده أن الذهبي ثم العسقلاني أورداه في " الأسماء " هكذا عبيدة بن عبد الرحمن أبو عمرو البجلي، ذكره ابن حبان فقال: روى عن يحيى بن سعيد، حدث عنه حرمي بن حفص، يروي الموضوعات عن الثقات روى عن يحيى عن سعيد بن المسيب عن أبي أيوب قال: أخذت من لحية النبي صلى الله عليه وسلم شيئا فقال
" لا يصيبك السوء أبا العرب "
قلت: وقد أورده ابن أبي حاتم فيمن اسمه عبيدة بالفتح (3 / 1 / 92) ولم يذكر فيه جرحا ولا تعديلا، وفي هذا تنبيه على أنه لا ينبغي أن يحمل سكوت ابن أبي حاتم عن الرجل على أنه ثقة كما جرى عليه بعض المحدثين المعاصرين وبعض مدعي العلم، فإنك ترى هذا الرجل قد سكت عنه ويبعد جدا أن يكون عنده ثقة مع قول ابن حبان فيه ما تقدم فتأمل، بل إن ابن أبي حاتم رحمه الله قد نص في أول كتابه (1 / 1 / 38) على أن الرواة الذين أهملهم من الجرح والتعديل إنما هو لأنه لم يقف فيهم على شيء من ذلك، فأوردهم رجاء أن يقف فيهم على الجرح والتعديل فيلحقه بهم، وعبد الملك بن سفيان الثقفي قال الحسينى
مجهول وأقره الحافظ في " التعجيل
والحديث في " مجمع الزوائد " (10 / 200) وقال: رواه عبد الله وأبو يعلى وفيه من لم أعرفه، وعزاه إليهما شيخه العراقي في " تخريج الإحياء " (4 / 5) وقال: سنده ضعيف، ثم رأيته في " مفتاح المعاني " (67 / 1) من طريق الواقدي: حدثنا إبراهيم بن إسماعيل عن عبد الله بن أبي سفيان عن يزيد بن ركانة عن محمد بن الحنفية به، لكن الواقدي كذاب، فالحديث موضوع وإن ذكره في " الجامع " من طريق الأولى

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ তাওহীদ পাবলিকেশন
গ্রন্থঃ যঈফ ও জাল হাদিস
অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ
হাদিস নম্বরঃ ৯৭ | 97 | ۹۷

৯৭। নিশ্চয় আল্লাহ তাওবাকারী যুবককে ভালবাসেন।

হাদীসটি দুর্বল।

হাফিয ইরাকী “আত-তাখরীজ" গ্রন্থে (৪/৪-৫) বলেনঃ এটিকে ইবনু আবিদ-দুনিয়া “আত-তাওবাহ" গ্রন্থে এবং আবুশ শাইখ “কিতাবুস সাওয়াব” গ্রন্থে আনাস (রাঃ)-এর হাদীস বলে দুর্বল সনদে উল্লেখ করেছেন।



হাদিসের মানঃ  যঈফ (Dai'f)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!

إن الله يحب الشاب التائب
ضعيف

-

قال العراقي في " التخريج " (4 / 4 - 5) : رواه ابن أبي الدنيا في " التوبة " وأبو الشيخ في كتاب " الثواب " من حديث أنس بسند ضعيف

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ তাওহীদ পাবলিকেশন
গ্রন্থঃ যঈফ ও জাল হাদিস
অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ
হাদিস নম্বরঃ ৯৮ | 98 | ۹۸

৯৮। নিশ্চয় আল্লাহ সেই যুবককে ভালবাসেন যে, তার যৌবন কালকে আল্লাহর আনুগত্যের মধ্যে অতিবাহিত করে।

হাদীসটি জাল।

এটিকে আবু নু’য়াইম (৫/৩৬০) এবং তার সূত্রে দাইলামী “মুসনাদুল ফিরদাউস” গ্রন্থে (১/২/২৪৭ মুহাম্মাদ ইবনুল ফযল ইবনু আতিয়া সূত্রে ... বর্ণনা করেছেন।
এ সনদটি জাল। কারণ মুহাম্মাদ ইবনুল ফযল মিথ্যুক।

এর পরেও সনদে বিচ্ছিন্নতা থাকার আশংকা করছি, উমার ইবনু আবদিল আযীয এবং ইবনু উমার (রাঃ)-এর মধ্যে। কারণ ইবনু উমার (রাঃ)-এর মৃত্যুর দিন উমারের বয়স ছিল ১৩ বছর মত।



হাদিসের মানঃ  জাল (Fake)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!

إن الله يحب الشاب الذي يفني شبابه في طاعة الله عز وجل
موضوع

-

رواه أبو نعيم (5 / 360) وعنه الديلمي في " مسند الفردوس " (1 / 2 / 247) من طريق محمد بن الفضل بن عطية عن سالم الأفطس عن عمر بن عبد العزيز عن عبد الله مرفوعا، وهذا إسناد موضوع: محمد بن الفضل كذاب وقد تقدم، هذه هي علة الحديث
ثم إني أخشى أن يكون منقطعا بين عمر بن عبد العزيز وابن عمر، فقد كانت سن عمر يوم وفاة ابن عمر نحوثلاثة عشر سنة

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ তাওহীদ পাবলিকেশন
গ্রন্থঃ যঈফ ও জাল হাদিস
অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ
হাদিস নম্বরঃ ৯৯ | 99 | ۹۹

৯৯। নিশ্চয় আল্লাহ পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার সাথে ইবাদতকারীকে ভালবাসেন।

হাদীসটি জাল।

হাদীসটি খাতীব বাগদাদী তার “আত-তারীখ" গ্রন্থে (১০/১১-১২) আব্দুল্লাহ ইবনু ইবরাহীম আল-গিফারী সূত্রে ... বর্ণনা করেছেন।

এ সনদটি জাল। কারণ গিফারী জাল করার দোষে দোষী আর তার শাইখ মুনকাদির ইবনু মুহাম্মাদ লাইয়েনুল হাদীস (হাদীসের ক্ষেত্রে দুর্বল), যেমনভাবে হাফিয ইবনু হাজার “আত-তাকরীব" গ্রন্থে বলেছেন।

এ হাদীসটি এবং পূর্বের হাদীসটি “জামেউস সাগীর”-এর জাল হাদীস গুলোর অন্তর্ভুক্ত।



হাদিসের মানঃ  জাল (Fake)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!

إن الله يحب الناسك النظيف
موضوع

-

أخرجه الخطيب في " تاريخه " (10 / 11 - 12) من طريق عبد الله بن إبراهيم الغفاري عن المنكدر بن محمد عن أبيه محمد بن المنكدر عن جابر مرفوعا، وهذا سند موضوع: الغفاري متهم بالوضع، والمنكدر لين الحديث كما قال الحافظ في " التقريب "، وهذا الحديث والذي قبله من موضوعات الجامع الصغير

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ তাওহীদ পাবলিকেশন
গ্রন্থঃ যঈফ ও জাল হাদিস
অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ
হাদিস নম্বরঃ ১০০ | 100 | ۱۰۰

১০০। সদাচারণকারীদের উত্তম কর্মগুলো হচ্ছে নৈকট্য অর্জন কারীগণের মন্দ কর্ম।

হাদীসটি বাতিল, এর কোন ভিত্তি নেই।

গাযালী "আল-ইহইয়া" গ্রন্থে (৪/৪৪) (... قال القائل الصادق) এ ভাষায় উল্লেখ করেছেন।

সুবকী (৪/১৪৫-১৭১) বলেনঃ এটি যদি হাদীস হয় তাহলে তা দেখার প্রয়োজন আছে। কারণ লেখক তার উল্লেখিত কথা দ্বারা কাকে বুঝিয়েছেন তা দেখতে হবে।

আমি (আলবানী) বলছিঃ বাহ্যিকভাবে যা দেখা যাচ্ছে, গাযালী হাদীস হিসাবে এটিকে উল্লেখ করেননি। এ জন্য হাফিয ইরাকী “তাখরাজু আহাদীসে ইহইয়া” গ্রন্থে উল্লেখ করেননি। গাযালী ইঙ্গিত করেছেন যে, এটি আবু সাঈদ আল-খাররাজ আস-সূফীর কথা। ইবনুল জাওযী “সাফওয়াতুস সাফওয়া” গ্রন্থে (২/১৩০/১) অনুরূপভাবে ইবনু আসাকিরও উল্লেখ করেছেন, যেমনটি “আলকাশফ” গ্রন্থে (১/৩৫৭) এসেছে। অতঃপর বলেছেনঃ কোন কোন ব্যক্তি এটিকে হাদীস হিসাবে গণ্য করেছেন। কিন্তু তেমনটি নয়।

যারা এটিকে হাদীস হিসাবে গণ্য করেছেন, তাদের একজন হচ্ছেন আবুল ফযল মুহাম্মাদ ইবনু মুহাম্মাদ আশ-শাফেঈ তার “জিল্লুল মওরেদ” গ্রন্থে (কাফ ১/১২)। তবে তিনি দুর্বল শব্দ দিয়ে (রোগাক্রান্ত শব্দে) উল্লেখ করেছেন।

তার এ দাবী সঠিক নয়। কারণ এটির কোন ভিত্তিই নেই।

অর্থের দিক দিয়েও এটি সঠিক নয়। কারণ কখনই ভালকর্ম খারাপ কর্মে পরিণত হতে পারে না।



হাদিসের মানঃ  জাল (Fake)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!

حسنات الأبرار سيئات المقربين
باطل لا أصل له

-

وقد أورده الغزالي في " الإحياء " (4 / 44) بلفظ: قال القائل الصادق: " حسنات الأبرار.. "، قال السبكي (4 / 145 - 171) : ينظر إن كان حديثا، فإن المصنف قال: قال القائل الصادق، فينظر من أراد
قلت: الظاهر أن الغزالي لم يذكره حديثا، ولذلك لم يخرجه الحافظ العراقي في " تخريج أحاديث الإحياء " وإنما أشار الغزالي إلى أنه من قول أبي سعيد الخراز الصوفي، وقد أخرجه عنه ابن الجوزي في " صفوة الصفوة " (2 / 130 / 1) وكذا ابن عساكر في ترجمته كما في " الكشف " (1 / 357) قال: وعده بعضهم حديثا وليس كذلك
قلت: وممن عده حديثا، الشيخ أبو الفضل محمد بن محمد الشافعي فإنه قال في كتابه " الظل المورود " (ق 12 / 1) : فقد روي أنه صلى الله عليه وسلم قال
فذكره، ولا يشفع له أنه صدره بصيغة التمريض - إن كانت مقصودة منه لأن ذلك إنما يفيد فيما كان له أصل ولوضعيف، وأما فيما لا أصل له - كهذا - فلا
قلت: ثم إن معنى هذا القول غير صحيح عندي، لأن الحسنة لا يمكن أن تصير سيئة أبدا مهما كانت منزلة من أتى بها، وإنما تختلف الأعمال باختلاف مرتبة الآتين بها إذا كانت من الأمور الجائزة التي لا توصف بحسن أو قبح، مثل الكذبات الثلاث التي أتى بها إبراهيم عليه السلام، فإنها جائزة لأنها كانت في سبيل الإصلاح، ومع ذلك فقد اعتبرها إبراهيم عليه السلام سيئة، واعتذر بسببها عن أن يكون أهلا لأن يشفع في الناس صلى الله عليه وعلى نبينا وسائر إخوانهما أجمعين وأما اعتبار الحسنة التي هي قربة إلى الله تعالى سيئة بالنظر إلى أن الذي صدرت منه من المقربين، فمما لا يكاد يعقل، ثم وقفت على كلام مطول في هذا الحديث لشيخ الإسلام ابن تيمية قال فيه: هذا ليس محفوظا عمن قوله حجة، لا عن النبي صلى الله عليه وسلم، ولا عن أحد من سلف الأمة وأئمتها وإنما هو كلام لبعض الناس وله معنى صحيح وقد يحمل على معنى فاسد، ثم أفاض في بيان ذلك فمن شاء الإطلاع عليه فليراجعه في رسالته في التوبة (ص 251 - ص 255) من " جامع الرسائل " تحقيق صديقنا الدكتور محمد رشاد سالم رحمه الله تعالى

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

হাদিস দেখানো হচ্ছে   [91]  থেকে  [100]  পর্যন্ত এবং সর্বমোট   [2000]  টি হাদিস পাওয়া গেছে।