• ৭১৯৬১ টি সর্বমোট হাদিস আছেঃ
  • ৮১৩১ টি প্রশ্নোত্তর ও ফিকাহঃ

 

 

 

 


হাদীস (حَدِيْث) এর শাব্দিক অর্থ: নতুন, প্রাচীন ও পুরাতন এর বিপরীত বিষয়। এ অর্থে যে সব কথা, কাজ ও বস্ত্ত পূর্বে ছিল না, এখন অস্তিত্ব লাভ করেছে  তাই হাদীস। এর আরেক অর্থ হলো: কথা। ফক্বীহগণের পরিভাষায় নাবী কারীম () আল্লাহ্‌র রাসূল হিসেবে যা কিছু বলেছেন, যা কিছু করেছেন এবং যা কিছু বলার বা করার অনুমতি দিয়েছেন অথবা সমর্থন জানিয়েছেন তাকে হাদীস বলা হয়। কিন্তু মুহাদ্দিসগণ এর সঙ্গে রাসুলুল্লাহ () সম্পর্কিত বর্ণনা ও তার গুণাবলী সম্পর্কিত বিবরণকেও হাদীসের অন্তর্ভুক্ত করেন। এ হিসেবে হাদীসকে প্রাথমিক পর্যায়ে তিন শ্রেণীতে ভাগ করা যায়:

১। ক্বওলী হাদীস: কোন বিষয়ে রাসুলুল্লাহ () যা বলেছেন, অর্থাৎ যে হাদীসে তাঁর কোন কথা বিবৃত হয়েছে তাকে ক্বওলী (বাণী সম্পর্কিত) হাদীস বলা হয়।

২। ফেলী হাদীস: মহানাবী ()-এর কাজকর্ম, চরিত্র ও আচার-আচরণের ভেতর দিয়েই ইসলামের যাবতীয় বিধি-বিধান ও রীতিনীতি পরিস্ফুট হয়েছে। অতএব যে হাদীসে তাঁর কোন কাজের বিবরণ উল্লেখিত হয়েছে তাকে ফে’লী (কর্ম সম্পর্কিত) হাদীস বলা হয়।

৩। তাকরীরী হাদীস: সাহাবীগণের যে সব কথা বা কাজ নাবী কারীম ()-এর অনুমোদন ও সমর্থন প্রাপ্ত হয়েছে, সে ধরনের কোন কথা বা কাজের বিবরণ হতেও শরীয়াতের দৃষ্টিভঙ্গি জানা যায়। অতএব যে হাদীসে এ ধরনের কোন ঘটনার বা কাজের উল্লেখ পাওয়া যায় তাকে তাকরীরী (সমর্থন মূলক) হাদীস বলে।

সুন্নাহ (السنة): হাদীসের অপর নাম সুন্নাহ্ (السنة) সুন্নাত শব্দের অর্থ চলার পথ, কর্মের নীতি ও পদ্ধতি। যে পন্থা ও রীতি নাবী কারীম () অবলম্বন করতেন তাকে সুন্নাত বলা হয়। অন্য কথায় রাসুলুল্লাহ () প্রচারিত উচ্চতম আদর্শই সুন্নাত। কুরআন মাজিদে মহত্তম ও সুন্দরতম আদর্শ (أُسْوَةٌ حَسَنَةٌ) বলতে এই সুন্নাতকেই বুঝানো হয়েছে।

খবর (خبر): হাদীসকে আরবী ভাষায় খবরও (خبر) বলা হয়। তবে খবর শব্দটি হাদীস ও ইতিহাস উভয়টিকেই বুঝায়।

আসার (أثر ): আসার শব্দটিও কখনও কখনও রাসুলুল্লাহ () এর হাদীসকে নির্দেশ করে। কিন্তু অনেকেই হাদীস ও আসার এর মধ্যে কিছু পার্থক্য করে থাকেন। তাঁদের মতে- সাহাবীগণ থেকে শরীয়াত সম্পর্কে যা কিছু উদ্ধৃত হয়েছে তাকে আসার বলে।

 

ইলমে হাদীসের কতিপয় পরিভাষা

সাহাবী (صحابى):  যিনি ঈমানের সঙ্গে রাসুলুল্লাহ () এর সাহচর্য লাভ করেছেন এবং ঈমানের সঙ্গে মৃত্যুবরণ করেছেন তাঁকে রাসুলুল্লাহ ()-এর সাহাবী বলা হয়।

তাবেঈ (تابعى) : যিনি রাসুলুল্লাহ ()-এর কোন সাহাবীর নিকট হাদীস শিক্ষা করেছেন অথবা অন্ততপক্ষে তাঁকে দেখেছেন এবং মুসলমান হিসেবে মৃত্যুবরণ করেছেন তাঁকে তাবেঈ বলা হয়।

তাবে-তাবেঈ (تابعى تابع) : যিনি  কোন তাবেঈ এর নিকট হাদীস শিক্ষা করেছেন অথবা অন্ততপক্ষে তাঁকে দেখেছেন এবং মুসলমান হিসেবে মৃত্যুবরণ করেছেন তাঁকে তাবে-তাবেঈ বলা হয়।

মুহাদ্দিস (محدث) : যিনি হাদীস চর্চা করেন এবং বহু সংখ্যক হাদীসের সনদ ও মতন সম্পর্কে বিশেষ জ্ঞান রাখেন তাঁকে মুহাদ্দিস বলা হয়।

শাইখ (شيخ) : হাদীসের শিক্ষাদাতা রাবীকে শায়খ বলা হয়।

শাইখান (شيخان) : সাহাবীগনের মধ্যে আবূ বকর (রাঃ) ও উমর  (রাঃ)- কে একত্রে শাইখান বলা হয়। কিন্তু হাদীস শাস্ত্রে ইমাম বুখারী (রাহি.) ও ইমাম মুসলিম (রাহি.)-কে এবং ফিক্বহ-এর পরিভাষায় ইমাম আবূ হানীফা (রাহি.) ও আবূ ইউসুফ (রাহি.)-কে একত্রে শাইখান বলা হয়। 

হাফিয (حافظ) : যিনি সনদ ও মতনের বৃত্তান্ত সহ এক লাখ হাদীস আয়ত্ত করেছেন তাঁকে হাফিয বলা হয়।

হুজ্জাত (حجة) : অনুরূপভাবে যিনি তিন লক্ষ হাদীস আয়ত্ত করেছেন তাঁকে হুজ্জাত বলা হয়।  

হাকিম (حاكم) : যিনি সব হাদীস আয়ত্ত করেছেন তাকে হাকিম বলা হয়।

রিজাল (رجال) : হাদীসের রাবী সমষ্টিকে রিজাল বলে। যে শাস্ত্রে রাবীগণের জীবনী বর্ণনা করা হয়েছে তাকে আসমাউর-রিজাল বলা হয়।                                                                                 

রিওয়ায়াত (رواية): হাদীস বর্ণনা করাকে রিওয়ায়াত বলে। কখনও কখনও মূল হাদীসকেও রিওয়ায়াত বলা হয়। যেমন- এই কথার সমর্থনে একটি রিওয়ায়াত (হাদীস) আছে।                           

সনদ (سند): হাদীসের মূল কথাটুকু যে সূত্র পরম্পরায় গ্রন্থ সংকলনকারী পর্যন্ত পৌঁছেছে তাকে সনদ বলা হয়। এতে হাদীস বর্ণনাকারীদের নাম একের পর এক সজ্জিত থাকে।

মতন (متن): হাদীসে মূল কথা ও তার শব্দ সমষ্টিকে মতন বলে।

মারফূ (مرفوع): যে হাদীসের সনদ (বর্ণনা পরম্পরা) রাসুলুল্লাহ () পর্যন্ত পৌঁছেছে  তাকে মারফূ হাদীস বলে।

মাওকূফ (موقوف) : যে হাদীসের বর্ণনা- সূত্র ঊর্ধ্ব দিকে সাহাবী পর্যন্ত পৌঁছেছে , অর্থাৎ যে সনদ -সূত্রে কোন সাহাবীর কথা বা কাজ বা অনুমোদন বর্ণিত হয়েছে তাকে মাওকূফ হাদীস বলে। এর অপর নাম আসার।

মাকতূ (مقطوع): যে হাদীসের সনদ কোন তাবেঈ পর্যন্ত পৌঁছেছে, তাকে মাকতূ হাদীস বলা হয়।

তালীক (تعليق): কোন কোন গ্রন্থকার হাদীসের পূর্ণ সনদ বাদ দিয়ে কেবল মূল হাদীস বর্ণনা করেছেন। এরূপ করাকে তা’লীক বলা হয়।

মুদাল্লাস (مدلس): যে হাদীসের রাবী নিজের প্রকৃত শাইখের (উস্তাদের) নাম উল্লেখ না করে তার উপরস্থ শাইখের নামে এভাবে হাদীস বর্ণনা করেছেন যাতে মনে হয় যে, তিনি নিজেই উপরস্থ শাইখের নিকট তা শুনেছেন অথচ তিনি তাঁর নিকট সেই হাদীস শুনেন নি- সে হাদীসকে মুদাল্লাস হাদীস এবং এইরূপ করাকে ‘তাদ্লীস’ আর যিনি এইরূপ করেন তাকে মুদালস্নীস বলা হয়।

মুযতারাব (مضطرب): যে হাদীসের রাবী হাদীসের মতন ও সনদকে বিভিন্ন প্রকারে বর্ণনা করেছেন সে হাদীসকে হাদীসে মুযতারাব বলা হয়। যে পর্যন্ত না এর কোনরূপ সমন্বয় সাধন সম্ভবপর হয়, সে পর্যন্ত এই হাদীসের ব্যাপারে অপেক্ষা করতে হবে অর্থাৎ এই ধরনের রিওয়ায়াত প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না।

মুদ্রাজ (مدرج): যে হাদীসের মধ্যে রাবী নিজের অথবা অপরের উক্তিকে অনুপ্রবেশ করিয়েছেন, সে হাদীসকে মুদ্রাজ এবং এইরূপ করাকে ‘ইদরাজ’ বলা হয়।

মুত্তাসিল (متصل): যে হাদীসের সনদের ধারাবাহিকতা প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত পূর্ণরূপে রক্ষক্ষত আছে, কোন সত্মরেই কোন রাবীর নাম বাদ পড়ে নি তাকে মুত্তাসিল হাদীস বলে।

মুনকাতি (منقطع): যে হাদীসের সনদে ধারাবাহিকতা রক্ষিত হয় নি, মাঝখানে কোন এক স্তরে কোন রাবীর নাম বাদ পড়েছে, তাকে মুনকাতি হাদীস, আর এই বাদ পড়াকে ইনকিতা বলা হয়।

মুরসাল (مرسل): যে হাদীসের সনদে ইনকিতা শেষের দিকে হয়েছে, অর্থাৎ সাহাবীর নাম বাদ পড়েছে এবং তাবেঈ সরাসরি রাসুলুল্লাহ () এর উল্লেখ করে হাদীস বর্ণনা করেছেন তাকে মুরসাল হাদীস বলা হয়।

মুআল্লাক ( معلق ) : সনদের ইনকিতা প্রথম দিকে  হলে, অর্থাৎ সাহাবীর পর এক বা একাধিক রাবীর নাম বাদ পড়লে তাকে মু’আল্লাক হাদীস বলা হয়।

মুদাল (معضل): যে হাদীসে দুই বা ততোধিক রাবী ক্রমান্বয়ে সনদ থেকে বাদ পড়েছে তাকে মু‘দাল হাদীস বলে।

মুতাবি ও শাহিদ (متابع و شاهد): এক রাবীর হাদীসের অনুরূপ যদি অপর রাবীর কোন হাদীস পাওয়া যায় তবে দ্বিতীয় রাবীর হাদীসকে প্রথম রাবীর হাদীসের মুতাবি বলা হয়। যদি উভয় হাদীসের মূল রাবী অর্থাৎ সাহাবী একই ব্যক্তি না হয় তবে দ্বিতীয় ব্যক্তির হাদীসকে শাহিদ বলে। আর এইরূপ হওয়াকে শাহাদাত বলে। মুতাবা’আত ও শাহাদাত দ্বারা প্রথম হাদীসটির শক্তি বৃদ্ধি পায়।

মারূফ ও মুনকার (معروف و منكر): কোন দুর্বল রাবীর বর্ণিত হাদীস অপর কোন মাকবূল (গ্রহণযোগ্য) রাবীর বর্ণিত হাদীসের বিরোধী হলে তাকে মুনকার বলা হয় এবং মাকবূল রাবীর হাদীসকে মা‘রূফ বলা হয়।

সহীহ (صحيح) : যে মুত্তাসিল হাদীসের সনদে উল্লেখিত প্রত্যেক রাবীই পূর্ণ আদালত ও যাবত (ধারণ ক্ষমতা) গুণ সম্পন্ন এবং হাদীসটি যাবতীয় দোষত্রুটি ও শায মুক্ত তাকে সহীহ হাদীস বলে।

হাসান (حسن) : যে হাদীসের মধ্যে রাবীর যাবত (ধারণ ক্ষমতা) এর গুণ ব্যতীত সহীহ হাদীসের সমস্ত শর্তই পরিপূর্ণ রয়েছে তাকে হাসান হাদীস বলা হয়। ফক্বীহগণ সাধারণত সহীহ ও হাসান হাদীসের ভিত্তিতে শরীয়াতের বিধান নির্ধারণ  করেন।

যঈফ (ضعيف ) : যে হাদীসের রাবী কোন হাসান হাদীসের রাবীর গুণসম্পন্ন নন তাকে যঈফ হাদীস বলে।

মাওযূ ( موضوع ) : যে হাদীসের রাবী জীবনে কখনও ইচ্ছাকৃতভাবে রাসুলুল্লাহ ()-এর নামে মিথ্যা কথা রটনা করেছেন বলে প্রমাণিত হয়েছে, তার বর্ণিত হাদীসকে মাওযূ‘ হাদীস বলে।

 

রাবীর সংখ্যা বিচারে হাদীস প্রধানত দুপ্রকার। যথা: ১. মুতওয়াতির (متواتر) ও ২. আহাদ (أحاد)

১. মুতওয়াতির (متواتر): বৃহৎ সংখ্যক রাবীর বর্ণিত হাদীস, মিথ্যার ব্যাপারে যাদের উপর একাট্টা হওয়া অসম্ভব, সনদের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত এ সংখ্যা বিদ্যমান থাকলে হাদীসকে মুতওয়াতির (متواتر) বলা হয়।

২. আহাদ (أحاد): أحاد তিন প্রকার। যথা:

মাশহুর (مشهور): যে কোন স্তরে হাদীস বর্ণনা কারীর সংখ্যা যদি দুই এর অধিক হয়, কিন্তু মুতওয়াতির এর পর্যায়ে পৌঁছে না তাকে মাশহুর (مشهور) বলে।

আযীয (عزيز): যে কোন স্তরে হাদীস বর্ণনা কারীর সংখ্যা যদি দু‘জন হয় ।

গরীব (غريب): যে কোন স্তরে হাদীস বর্ণনা কারীর সংখ্যা যদি এক জন হয় ।

শায (شاذ): একাধিক নির্ভরযোগ্য রাবীর বিপরীত একজন নির্ভরযোগ্য রাবীর বর্ণনাকে শায হাদীস বলে।

 কিয়াস (قياس): অর্থ অনুমান, পরিমাপ, তুলনা ইত্যাদি। পরিভাষায়: শাখাকে মূলের সঙ্গে তুলনা করা, যার ফলে শাখা ও মূল একই হুকুমের অমত্মর্ভুক্ত হয়ে যায়।

তাক্বলীদ (تقليد): দলীল উল্লেখ ছাড়াই কোন ব্যক্তির মতামতকে গ্রহণ করা।

ইজতিহাদ (اجتهاد): উদ্দিষ্ট জ্ঞান অর্জনের প্রচেষ্টা চালানোকে ইজতিহাদ বলে।

শরীয়াত (شريعة): অর্থ: আইন, বিধান, পথ, পন্থা ইত্যাদি। পরিভাষায়: মহান আল্লাহ্‌ স্বীয় দীন হতে বান্দার জন্য যা বিধিবদ্ধ করে দিয়েছেন তাকে শরীয়াত বলে।

মাযহাব (مذهب): অর্থ- মত, পথ, মতবাদ ইত্যাদি। ফিক্বহী পরিভাষায়: ইবাদাত ও মু‘আমালাতের ক্ষেত্রে শারঈ হুকুম পালনের জন্য বান্দা যে পথ অনুসরণ করে এবং প্রত্যেক দলের জন্য একজন ইমামের উপর অথবা ইমামের ওসীয়ত কিংবা ইমামের প্রতিনিধির উপর নির্ভর করে তাকে মাযহাব বলে।

নাযর (نذر): কোন বিষয়ে উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য চিন্তা-ভাবনা করাকে নাযর বলে।

আম (عام): সীমাবদ্ধ করা ছাড়াই যা দুই বা ততোধিক বিষয়কে অন্তর্ভুক্ত করে তাকে আম বলে।

খাস (خاص): আম এর বিপরীত, যা নির্দিষ্ট বিষয়কে অন্তর্ভুক্ত করে।

ইজমা (اجماع): কোন এক যুগে আলিমদের কোন শারঈ বিষয়ের উপর এক মত পোষণ করাকে ইজমা বলে।

মুসনাদ (مسند): যার সনদগুলো পরস্পর এমনভাবে মিলিত যে, প্রত্যেকের বর্ণনা সুস্পষ্ট।

ফিক্বহ (فقه): ইজতিহাদ বা গবেষণার পদ্ধতিতে শারঈ হুকুম সম্পর্কে জানার বিধানকে ফিক্বহ বলে।

আসল বা মূল (اصل): এমন প্রথম বিষয়, যার উপর ভিত্তি করে কোন কিছু গড়ে উঠে। যেমন- দেয়ালের ভিত্তি।

ফারা বা শাখা (فرع): আসলের বিপরীত যা কোন ভিত্তির উপর গড়ে উঠে।

ওয়াজিব (واجب): যা আমল করলে সাওয়াব পাওয়া যাবে আর পরিত্যাগ করলে শাস্তি পাওয়া যাবে।

মানদূব (مندوب): যা আমল করলে সাওয়াব পাওয়া যাবে আর পরিত্যাগ করলে শাস্তি হবে না।

মাহযূর (محظور): যা পরিত্যাগ করলে সাওয়াব পাওয়া যাবে আর আমল করলে শাস্তি পাওয়া যাবে।

মাকরূহ (مكروه): যা পরিত্যাগ করলে সাওয়াব পাওয়া যাবে আর আমল করলে শাস্তি হবে না।

ফাৎওয়া (فتوى): জিজ্ঞাসিত ব্যক্তির নিকট থেকে দলীল ভিত্তিক শারঈ হুকুম সুস্পষ্ট বর্ণনা করে নেয়াকে ফাৎওয়া বলে।

নাসিখ (ناسخ): পরিবর্তিত শারঈ দলীল যা পূববর্তী শারঈ হুকুমকে রহিত করে দেয় তাকে নাসিখ বলে।

মানসূখ (منسوخ): আর যে হুকুমটি রহিত হয়ে যায় সেটাই মানসূখ।

মুতলাক্ব (مطلق): যা প্রকৃতিগত দিক থেকে জাতির সকলকে অন্তর্ভুক্ত  করে কিন্তু অনির্দিষ্টভাবে একটি অর্থকে বুঝায়।

মুকাইয়্যাদ (مقيد): যা মুতলাক্বের বিপরীত অর্থাৎ জাতির সকলকে অন্তর্ভুক্ত  করে না। বরং নির্দিষ্ট একটি অর্থকে বুঝায়।

হাক্বীকাত (حقيقة): শব্দকে আসল অর্থে ব্যবহার করাকে হাক্বীকত বলে। যেমন- সিংহ শব্দটি এক প্রজাতির হিংস্র প্রাণীকে বুঝায়।

মাজায (مجاز): শব্দ যখন আসল অর্থকে অতিক্রম করে তার সাথে সাদৃশ্য রাখে এমন অর্থ প্রকাশ করে তখন তাকে মাজায বলে। যেমন- সাহসী লোককে সিংহের সাথে তুলনা করা।

হাদিসের পরিসংখ্যান

সর্বমোট হাদিস পাওয়া গেছেঃ [2000] টি | অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ
গ্রন্থঃ যঈফ ও জাল হাদিস | দেখানো হচ্ছে   [81]  থেকে  [90]  পর্যন্ত
প্রতি পাতাতে টি হাদিস

পাবলিশারঃ তাওহীদ পাবলিকেশন
গ্রন্থঃ যঈফ ও জাল হাদিস
অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ
হাদিস নম্বরঃ ৮১ | 81 | ۸۱

৮১। হে আব্বাস! নিশ্চয় আল্লাহ আমার মাধ্যমে এ কর্ম উন্মোচন করেছেন, যার সমাপ্তি টানবেন তোমার সন্তানদের মধ্য হতে এক যুবকের মাধ্যমে। তিনি ইনসাফ দ্বারা তাকে (যমীনকে) পরিপূর্ণ করে দেবেন; যেমনিভাবে তাকে (যমীনকে) অত্যাচার দ্বারা পূর্ণ করে দেয়া হয়েছিল। তিনি ঈসা (আলাইহিস সালাম) এর সাথে সালাত (নামায/নামাজ) কায়েম করবেন (তার ইমামতি করবেন)।

হাদীসটি জাল।

হাদীসটি খাতীব বাগদাদী “তারীখু বাগদাদ” গ্রন্থে (৪/১১৭) উল্লেখ করেছেন এবং তার সূত্রে ইবনুল জাওযী “আল-ওয়াহিয়াত” গ্রন্থে (১৪৩৭) উল্লেখ করেছেন।

এটির সনদে আহমাদ ইবনু হাজ্জাজ নামক এক বর্ণনাকারী আছেন, তাকে যাহাবী এ হাদীসের ব্যাপারে মিথ্যার দোষে দোষী করেছেন। তার এ কথার সাথে হাফিয ইবনু হাজার “লিসানুল মীযান” গ্রন্থে ঐকমত্য পোষণ করেছেন। হাদীসটি সুয়ূতী “আল-লাআলিল মাসনুয়াহ" গ্রন্থে (১/৪৩১-৪৩৪) উল্লেখ করেছেন। কিন্তু তিনি কোন হুকুম না লাগিয়ে চুপ থেকেছেন।

ইবনুল জাওযী “মাওযুআত” গ্রন্থে (২/৩৭) উল্লেখ করে বলেছেনঃ এটি জাল ।

খাতীব বাগদাদী “তারীখু বাগদাদ” গ্রন্থে অন্য এক সনদে (৪/১১৭) উল্লেখ করেছেন এবং তার সূত্রে ইবনুল জাওযী "ইলালুল মুতানাহিয়াহ" গ্রন্থে (২/৩৭৫/১৪৩৮) উল্লেখ করার পর বলেছেনঃ এটির সনদে সমস্যা নেই।

কিন্তু এটির সনদে দুটি সমস্যা রয়েছেঃ

১। আব্দুস সামাদ ইবনু আলী, তিনি হাশেমী; তাকে উকায়লী (৩/৮৪/১০৫৩) দুর্বল আখ্যা দিয়েছেন।

২। মুহাম্মাদ ইবনু নূহ ইবনে সাঈদ আল-মুয়াযযিন তার সম্পর্কে যাহাবী বলেনঃ তার এ হাদীসটি মিথ্যা এবং তার পিতা মাজহুল।



হাদিসের মানঃ  জাল (Fake)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!

يا عباس إن الله فتح هذا الأمر بي، وسيختمه بغلام من ولدك يملؤها عدلا كما ملئت جورا، وهو الذى يصلي بعيسى
موضوع

-

أخرجه الخطيب في " تاريخ بغداد " (4 / 117) ، ومن طريقه ابن الجوزي في " الواهيات " (1437) في ترجمة أحمد بن الحجاج بن الصلت قال: حدثنا سعيد بن سليمان، حدثنا خلف بن خليفة عن مغيرة عن إبراهيم عن علقمة عن عمار بن ياسر مرفوعا
قلت: وهذا سند رجاله كلهم ثقات معروفون من رجال مسلم غير أحمد بن الحجاج هذا ولم يذكر فيه الخطيب جرحا ولا تعديلا، وقد اتهمه الذهبي بهذا الحديث فقال: رواه بإسناد الصحاح مرفوعا، فهو آفته! والعجيب أن الخطيب ذكره في " تاريخه " ولم يضعفه وكأنه سكت عنه لانتهاك حاله، ووافقه الحافظ في " لسان الميزان " والحديث أورده السيوطي في " اللآليء المصنوعة " (1 / 431 - 434) وسكت عليه! ومن هنا يتبين لك الفرق بين الذهبي والسيوطي، فإن الأول حافظ نقاد، والآخر جماع نقال، وهذا هو السر في كثرة خطئه وتناقضه في كتبه، والحديث أورده ابن الجوزي في " الموضوعات " (2 / 37) من حديث ابن عباس نحوه وقال
موضوع، المتهم به الغلابي محمد بن زكريا، وأقره السيوطي في " اللآليء " (1 / 435) ، ورواه الخطيب في " التاريخ " (3 / 323 - 324) ، وعنه ابن الجوزي في " العلل المتناهية " (2 / 375 / 1438) من طريق أخرى، ثم قال ابن الجوزي (2 / 378) : لا بأس بإسناده كذا قال وهو منه عجيب فإن فيه علتين
إحداهما: عبد الصمد بن علي وهو الهاشمي ضعفه العقيلي (3 / 84 / 1053) وساق له حديث استنكره الذهبي وسيأتي برقم (2898)
والأخرى: محمد بن نوح بن سعيد المؤذن، أورده الذهبي وقال: خبره كذب يعني هذا وأبوه مجهول
تنبيه: اختلط هذا الإسناد على بعض الطلبة فظن أنه من رواية الغلابي، وليس هو فيه

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ তাওহীদ পাবলিকেশন
গ্রন্থঃ যঈফ ও জাল হাদিস
অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ
হাদিস নম্বরঃ ৮২ | 82 | ۸۲

৮২। হে আবূল ফযল! তোমাকে কি সুসংবাদ দেব না? নিশ্চয় আল্লাহ আমার মাধ্যমে এ কর্ম উন্মোচন করেছেন এবং তা তোমার সন্তান দ্বারা সমাপ্ত করবেন।

হাদীসটি জাল।

হাদীসটি আবূ নু’য়াইম “হিলইয়্যাহ্” গ্রন্থে (১/১৩৫) লাহিয ইবনু জাফার আত-তাইনী সূত্রে ... বর্ণনা করেছেন।

আমি (আলবানী) বলছিঃ লাহিয মিথ্যার দোষে দোষী ব্যক্তি। তার সম্পর্কে ইবনু আদী বলেনঃ তিনি বাগদাদী মজহুল। তিনি নির্ভরশীলদের উদ্ধৃতিতে মুনকার হাদীস বর্ণনা করতেন।

অতঃপর আলী (রাঃ)-এর ফযীলত বর্ণনায় তার একটি হাদীস উল্লেখ করে ইবনু আদী বলেনঃ وهذا باطل ‘এ হাদীসটি বাতিল।’

যাহাবী বলেনঃ আল্লাহর কসম এটি সর্বাপেক্ষা বড় জাল হাদীস (আল্লাহর অভিশাপ সেই ব্যক্তিকে যে আলী (রাঃ)-কে মুহাব্বাত করে না)।



হাদিসের মানঃ  জাল (Fake)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!

ألا أبشرك يا أبا الفضل؟ إن الله عز وجل افتتح بي هذا الأمر، وبذريتك يختمه
موضوع

-

أخرجه أبو نعيم في " الحلية " (1 / 135) من طريق لاهز بن جعفر التيمي، حدثنا عبد العزيز بن عبد الصمد العمي، أخبرني علي بن زيد بن جدعان عن سعيد بن المسيب عن أبي هريرة مرفوعا، وقال: تفرد به لاهز بن جعفر وهو حديث عزيز
قلت: وهو متهم، قال فيه ابن عدي: بغدادي مجهول يحدث عن الثقات بالمناكير، ثم ساق له حديثا في فضل علي ثم قال ابن عدي: وهذا باطل، قال الذهبي: إي والله هذا من أكبر الموضوعات، وعلي، فلعن الله من لا يحبه، والحديث أورده في " كنز العمال " (رقم 38693) برواية أبي نعيم في " الحلية " عن أبي هريرة بغير هذا اللفظ، ولم أعثر عليه الآن في " الحلية "، فالله أعلم
تنبيه: إذا علمت حال هذا الحديث والذي قبله، فلا يليق نصب الخلاف بينهما وبين الحديث الصحيح المتقدم قريبا: " المهدي من ولد فاطمة " لصحته وشدة ضعف مخالفه، وعليه: لا مسوغ لمحاولة التوفيق بينهما كما فعل بعض المتقدمين والأستاذ المودودي رحمه الله في " البيانات " (ص 115، 165) والله تعالى هو الموفق لا إله سواه

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ তাওহীদ পাবলিকেশন
গ্রন্থঃ যঈফ ও জাল হাদিস
অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ
হাদিস নম্বরঃ ৮৩ | 83 | ۸۳

৮৩। তাসবীহ পাঠ এর যন্ত্র দ্বারা তাসবীহ পাঠক কতই না ভালো ব্যাক্তি। নিশ্চয় সর্বোত্তম বস্তু সেটিই যমীনে যার উপর সাজদাহ করা হয় এবং যমীন যা উৎপাদন করে।

হাদীসটি জাল।

হাদীসটি দাইলামী “মুসনাদুল ফিরদাউস” গ্রন্থে (৪/৯৮) বর্ণনা করেছেন। এছাড়া সুয়ূতী তার “আল-মিনহা ফিস সিবহা” গ্রন্থে (২/১৪১) এবং তার থেকে শাওকানী “নাইলুল আওতার” গ্রন্থে (২/১৬৬-১৬৭) উল্লেখ করেছেন। অতঃপর তারা উভয়ে (কোন হুকুম না লাগিয়ে) চুপ থেকেছেন!

আমি (আলবানী) বলছিঃ এটির সনদে রয়েছে একগুচ্ছ অন্ধকার যার একটির চেয়ে অন্যটি বড়। তার অধিকাংশ বর্ণনাকারী মাজহুল, এমনকি তাদের কেউ কেউ মিথ্যার দোষে দোষী।

এটির সনদে উম্মুল হাসান বিনতু জাফার ইবনুল হাসান রয়েছেন। কে তার জীবনী রচনা করেছেন পাচ্ছি না। হাশেমী, তিনি হাদীস জাল করতেন।

ইবনু আসাকির “তারীখু দেমাস্ক” গ্রন্থে বলেনঃ 'তিনি হাদীস জাল করতেন।' অতঃপর তিনি তার একটি হাদীস উল্লেখ করে বলেনঃ এটি তার জালকৃত হাদীস।

অনুরূপ ভাবে খাতীব বাগদাদীও তাকে মিথ্যার দোষে দোষী করেছেন। তিনি (৭/৪০৩) বলেনঃ এ হাশেমীকে ইবনু বোরাই নামে চেনা যায়। তিনি যাহেবুল হাদীস। তাকে হাদীস জাল করার দোষে দোষী করা হয়েছে।

সনদে আরো রয়েছেন আব্দুস সামাদ ইবনু মূসা, তিনি হাশেমী। যাহাবী “আল-মীযান” গ্রন্থে খাতীব বাগদাদীর উদ্ধৃতিতে বলেছেনঃ তাকে মুহাদ্দিসগণ দুর্বল আখ্যা দিয়েছেন।

অতঃপর যাহাবী বলেনঃ يروي مناكير عن جده محمد بن إبراهيم الإمام তিনি তার দাদা মুহাম্মাদ ইবনু ইবরাহীম আল-ইমাম হতে মুনকার হাদীস বর্ণনা করতেন।

আমার নিকট কতিপয় কারণে এ হাদীসের অর্থও বাতিলঃ

১। তসবীহ দ্বানা দ্বারা তাসবীহ পাঠ করা বিদ'আত। কারণ তা নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর যুগে ছিল না। এটি আবিষ্কার হয়েছে পরবর্তীতে। কীভাবে তিনি তার সাথীদেরকে এমন একটি কাজ করার জন্য উৎসাহিত করেন যেটিকে তারা চিনতেন না।

এর দলীলঃ ইবনু মাসউদ (রাঃ) এক মহিলাকে তসবীহ দ্বানা দ্বারা তাসবীহ পাঠ করতে দেখে তা কেটে ও ছুড়ে ফেলেছিলেন। অতঃপর আরেক ব্যক্তিকে পাথর দ্বারা তাসবীহ পাঠ করতে দেখে তিনি তাকে তার পা দ্বারা প্রহার করেন। অতঃপর বলেনঃ তোমরা আমাদের চেয়ে অগ্রণী হয়ে গেছ! অত্যাচার করে বিদ'আত-এর উপর আরোহন করেছ এবং জ্ঞানের দিক দিয়ে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথীগণকেও ছাড়িয়ে গেছ!

২। এটি নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর দিক নির্দেশনা বিরোধী। কারণ আব্দুল্লাহ ইবনু আমর (রাঃ) বলেনঃ

رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم يعقد التسبيح بيمينه

'আমি রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে ডান হাতের মুষ্টি বেধে তাসবীহ পাঠ করতে দেখেছি।' হাদীসটি আবূ দাউদ, তিরমিযী, ইবনু হিব্বান, হাকিম ও বাইহাকী সহীহ সনদে বর্ণনা করেছেন।

৩। এছাড়া রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নির্দেশেরও বিরোধী। তিনি মহিলাদেরকে অংগুলীগুলো মুষ্টি বেধে তাসবীহ ... পাঠের নির্দেশ দেন... । হাদীসটি হাসান। এটি আবু দাউদ ও অন্যরা বর্ণনা করেছেন। এটিকে হাকিম ও যাহাবী সহীহ আখ্যা দিয়েছেন আর নাবাবী ও আসকালানী হাসান আখ্যা দিয়েছেন।

কেউ যদি বলেন যে, কোন কোন হাদীসে পাথর দ্বারা তাসবীহ পাঠের কথা এসেছে এবং রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তা সমর্থন করেছেন। আর তাসবীহ দ্বানা ও পাথরের মধ্যে কোন পার্থক্য নেই, যেমনভাবে শাওকানী বলেছেন।

আমি (আলবানী) বলছিঃ এটি মেনে নেয়া যেত যদি পাথর দিয়ে তাসবীহ পাঠের হাদীসগুলো সহীহ্ হতো। কিন্তু সেগুলো সহীহ্ নয়। এ মর্মে দুটি হাদীস বর্ণিত হয়েছে। সুয়ূতী হাদীস দু’টাে বর্ণনা করেছেন। একটি সা'দ ইবনু আবী ওয়াক্কাস (রাঃ) হতে আর দ্বিতীয়টি সাফিয়া (রাঃ) হতে বর্ণিত হয়েছে। প্রথমটি আবু দাউদ, তিরমিযী, ইবনু হিব্বান, দাওরাকী, মুখাল্লিস ও হাকিম বর্ণনা করেছেন। তিরমিযী বলেছেনঃ হাদীসটি হাসান। হাকিম বলেছেনঃ সনদ সহীহ। যাহাবী তাতে তাকে সমর্থন করেছেন। কিন্তু তিনি তাতে ভুল করেছেন। কেননা এর সনদে খুযাইমা নামক এক বর্ণনাকারী আছেন তিনি মাজহুল। যাহাবী নিজেই বলেছেনঃ তার পরিচয় জানা যায় না এবং তার থেকে সাঈদ ইবনু আবী হিলাল এককভাবে বর্ণনা করেছেন। এমনটিই বলেছেনঃ হাফিয ইবনু হাজার “আত-তাকরীব" গ্রন্থে انه لا يعرف তার পরিচয় জানা যায় না। এছাড়া সাঈদ ইবনু আবী হিলাল নির্ভরযোগ্য হওয়া সত্ত্বেও ইমাম আহমাদ বলেনঃ তার মস্তিষ্ক বিকৃতি ঘটেছিল। ইয়াহইয়াও তার মস্তিষ্ক বিকৃতি ঘটেছিল এরূপ ব্যাখ্যা দিয়েছেন। এছাড়া কোন কোন নির্ভরশীল বর্ণনাকারী সনদে খুযাইমাকে উল্লেখ করেননি। ফলে সনদটি মুনকাতি’ (বিচ্ছিন্নতা) ভুক্ত হয়ে যায়।

দ্বিতীয় হাদীস, যেটি সাফিয়্যা (রাঃ) হতে বর্ণিত হয়েছে। সেটি ইমাম তিরমিযী, আবু বাকর আশ-শাফেজ ও হাকিম বর্ণনা করেছেন। হাদীসটিকে তিনি সহীহুল ইসনাদ বলেছেন আর যাহাবী তাকে সমর্থন করেছেন। এটি আশ্চর্যজনক ঘটনা। কারণ তিনি হাশিম ইবনু সাঈদকে “আল-মীযান” গ্রন্থে উল্লেখ করে বলেছেন, ইবনু মাঈন বলেনঃ তিনি কিছুই না। ইবনু আদী বলেনঃ তিনি যে পরিমাণ হাদীস বর্ণনা করেছেন তার অনুসরণ করা যায় না। এ জন্য ইবনু হাজার বলেনঃ তিনি দুর্বল আর সাফিয়ার মাওলা কিনানা তিনি মাজহুলুল হাল, তাকে ইবনু হিব্বান ছাড়া কেউ নির্ভরশীল বলেননি।

এছাড়া এ দু'টি পাথরের হাদীস দুর্বল হওয়ার আরো কারণ হচ্ছে, উল্লেখিত হাদীস দুটির ঘটনা ইবনু আব্বাস (রাঃ) সূত্রে সহীহ বর্ণনায় যুওয়াইরিয়াহ হতে বর্ণিত হয়েছে। যাতে পাথরের কথা উল্লেখ করা হয়নি। এটি ইমাম মুসলিম (৮/৮৩-৮৪), তিরমিযী (৪/২৭৪) (এবং তিনি সহীহ বলেছেন), নাসাঈ “আমালুল ইয়াওয়ম ওয়াল লাইলা" গ্রন্থে (১৬১-১৬৫), ইবনু মাজাহ (১/২৩) ও আহমাদ (৬/৩২৫,৪২৯-৪৩০) বর্ণনা করেছেন।

এ হাদীসটি দু'টি বিষয়ের প্রমাণ বহন করেঃ

১। পূর্বে যে ঘটনার সাথে সাফিয়ার কথা বলা হয়েছে সেটি আসলে সাফিয়া নয় বরং সেটি হচ্ছে যুওয়াইরিয়ার ঘটনা।

২। ঘটনায় পাথরের উল্লেখ মুনকার। মুনকার হওয়াকে শক্তিশালী করছে কিছু লোককে পাথর গণনা করতে দেখে ইবনু মাসউদ (রাঃ) কর্তৃক তা ইনকার করা।

এছাড়া তার মাদরাসা হতে শিক্ষাগ্রহণকারী ইবরাহীম আন-নাখ'ঈ তার মেয়েকে মহিলাদেরকে তসবীর সূতা (তা দ্বারা তাসবীহ পাঠ করার জন্য) পাকিয়ে দিয়ে সহযোগিতা করতে নিষেধ করেছিলেন। এটি ইবনু আবী শায়বাহ “আলমুসান্নাফ” গ্রন্থে (২/৮৯/২) ভাল সনদে বর্ণনা করেছেন।



হাদিসের মানঃ  জাল (Fake)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!

نعم المذكر السبحة، وإن أفضل ما يسجد عليه الأرض، وما أنبتته الأرض
موضوع

-

أخرجه الديلمي في " مسند الفردوس " (4 / 98 ـ مختصره) قال: أنا عبدوس بن عبد الله أنا أبو عبد الله الحسين بن فنجويه الثقفي، حدثنا علي بن محمد بن نصرويه، حدثنا محمد بن هارون بن عيسى بن منصور الهاشمي حدثني محمد بن علي بن حمزة العلوي حدثني عبد الصمد بن موسى حدثتني زينب بنت سليمان بن علي حدثتني أم الحسن بنت جعفر بن الحسن عن أبيها عن جدها عن علي مرفوعا، ذكره السيوطي في رسالته: " المنحة في السبحة " (2 / 141 ـ من الحاوي) ونقله عنه الشوكاني في " نيل الأو طار " (2 / 166 - 167) وسكتا عليه
قلت: وهذا إسناد ظلمات بعضها فوق بعض، جل رواته مجهولون، بل بعضهم متهم، أم الحسن بنت جعفر بن الحسن، لم أجد من ترجمها، وزينب بنت سليمان بن علي ترجمها الخطيب " في تاريخه (14 / 334) وقال: كانت من فضائل النساء
وعبد الصمد بن موسى، هو الهاشمي ترجمه الخطيب (14 / 41) ولم يذكر فيه جرحا ولا تعديلا، ولكن نقل الذهبي في " الميزان " عن الخطيب أنه قال فيه: قد ضعفوه فلعل ذلك في بعض كتبه الأخرى، ثم استدركت فقلت: بل ذلك في حديث آخر سيأتي برقم (2898)
ثم قال الذهبي: يروي مناكير عن جده محمد بن إبراهيم الإمام
قلت: فلعله هو آفة هذا الحديث، ومحمد بن علي بن حمزة العلوي ترجمه الخطيب أيضا (3 / 63) وقال: قال ابن أبي حاتم: سمعت منه وهو صدوق، مات سنة 286 ومحمد بن هارون هو محمد بن هارون بن العباس بن أبي جعفر المنصور، كذلك أورده الخطيب (3 / 356) وقال: كان من أهل الستر والفضل والخطابة، وولي إمامة
مسجد المدينة ببغداد خمسين سنة، وكانت وفاته سنة 308
وأبو عبد الله بن الحسين بن فنجويه الثقفي ثقة مترجم في " سير أعلام النبلاء " (17 / 383) و" شذرات الذهب " (3 / 200)
ومثله عبدوس بن عبد الله له ترجمة في " سير أعلام النبلاء " (19 / 97) و" لسان الميزان " (4 / 95)
ومما سبق يتبين لك أن الإسناد ضعيف لا تقوم به حجة، ثم إن الحديث من حيث معناه باطل عندي لأمور
الأول: أن السبحة بدعة لم تكن في عهد النبي صلى الله عليه وسلم إنما حدثت بعده صلى الله عليه وسلم، فكيف يعقل أن يحض عليه الصلاة والسلام أصحابه على أمر لا يعرفونه؟ ! والدليل على ما ذكرت ما روى ابن وضاح القرطبي في " البدع والنهي عنها " (ص 12) عن الصلت بن بهرام قال: مر ابن مسعود بامرأة معها تسبيح تسبح به فقطعه وألقاه، ثم مر برجل يسبح بحصا، فضربه برجله، ثم قال: لقد سبقتم! ركبتم بدعة ظلما! ولقد غلبتم أصحاب محمد صلى الله عليه وسلم علما! وسنده
إلى الصلت صحيح، وهو ثقة من أتباع التابعين، فالسند منقطع
ثم روى عن أبان بن أبي عياش قال: سألت الحسن عن النظام (خيط ينظم فيه لؤلؤ وخرز ونحوهما) من الخرز والنوى ونحوذلك يسبح به؟ فقال: لم يفعل ذلك أحد من نساء النبي صلى الله عليه وسلم ولا المهاجرات، ولكن سنده ضعيف جدا
الثاني: أنه مخالف لهديه صلى الله عليه وسلم، قال عبد الله بن عمرو: رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم يعقد التسبيح بيمينه، رواه أبو داود (1 / 235) والترمذي (4 / 255) وحسنه، وابن حبان (2334 - موارد) والحاكم (1 /547) والبيهقي (2 / 352) وإسناده صحيح كما قال الذهبي، ثم خرجته في " صحيح أبي داود " (1346)
ثم هو مخالف لأمره صلى الله عليه وسلم حيث قال لبعض النسوة: " عليكن بالتسبيح والتهليل والتقديس، ولا تغفلن فتنسين التوحيد " وفي رواية: " الرحمة واعقدن بالأنامل فإنهن مسؤولات ومستنطقات "، وهو حديث حسن أخرجه أبو داود وغيره، وصححه الحاكم والذهبي، وحسنه النووي والعسقلاني، وله شاهد عن عائشة موقوف انظر " صحيح أبي داود " (1345) ولذلك ضعف الحديث جماعة كما ذكره الشيخ محمد خليل القاوقجى في " شوارق الأنوار الجليلة " (ق 113 / 1)
ثم تبين لي فيما بعد أن السند أشد ضعفا مما ذكرنا، وأن آفته محمد بن هارون بن عيسى بن منصور الهاشمي، فإنه كان يضع الحديث كما يأتي، وقولي أولا هو محمد ابن هارون بن العباس.. إلخ وهم، سببه أنني ذهلت عن الترجمة التي بعد ابن العباس هذا في " تاريخ الخطيب " فقد قال: محمد بن هارون بن عيسى بن إبراهيم بن عيسى بن أبي جعفر المنصور، يكنى: أبا إسحاق، ويعرف بـ " ابن برية ... وفي حديثه مناكير كثيرة، وقال الدارقطني: لا شيء، وقال ابن عساكر في " تاريخ دمشق يضع الحديث، ثم ساق له حديثا، ثم قال: هذا من موضوعاته، وكذلك اتهمه الخطيب، فقال عقب الحديث المشار إليه (7 / 403) : والهاشمي يعرف بابن برية، ذاهب الحديث، يتهم بالوضع، وإنما جزمت بأن هذا هو راوي الحديث، لأن السند فيه أنه محمد بن هارون بن عيسى، وليس فيه أنه محمد بن هارون بن العباس، فهما شخصان: اتفقا في اسمهما واسم أبيهما، واختلفا في اسم جدهما، فالأول اسم جده عيسى، والآخر اسم جده العباس وهذا مستور، والأول متهم كما عرفت، فانحصرت شبهة وضع الحديث فيه، وبرئت ذمة عبد الصمد ابن موسى منه على ضعفه وروايته المناكير، والفضل في تنبهي لهذه الحقيقة يعود إلى مقال لي قديم في الكلام على هذا الحديث، فالحمد لله على توفيقه
هذا معنى ما كنت أوردته في ردي على " التعقب الحثيث " للشيخ الحبشي (ص 14 - 15) ، فإن قيل: قد جاء في بعض الأحاديث التسبيح بالحصى وأنه صلى الله عليه وسلم أقره، فلا فرق حينئذ بينه وبين التسبيح بالسبحة كما قال الشوكاني؟ قلت: هذا قد يسلم لو أن الأحاديث في ذلك صحيحة، وليس كذلك، فغاية ما روي في ذلك حديثان أوردهما السيوطي في رسالته المشار إليها، فلابد من ذكرهما، وبيان علتهما
الأول: عن سعد بن أبي وقاص أنه دخل مع رسول الله صلى الله عليه وسلم على امرأة وبين يديها نوى أو حصى تسبح به، فقال: أخبرك بما هو أيسر عليك من هذا أو أفضل؟ فقال: " سبحان الله عدد ما خلق في السماء.. "، الحديث رواه أبو داود (1 / 235) والترمذي (4 / 277 - 278) وابن حبان (2330 - زوائده) والدورقي في " مسند سعد " (130 / 1) والمخلص في " الفوائد " (9 / 17 / 2) والحاكم (1 / 547 - 548) من طريق عمرو بن الحارث أن سعيد بن أبي هلال حدثه عن خزيمة عن عائشة بنت سعد بن أبي وقاص عن أبيها، وقال الترمذي: حديث حسن، وقال الحاكم: صحيح الإسناد، ووافقه الذهبي فأخطأ، لأن خزيمة هذا مجهول، قال الذهبي نفسه في " الميزان ": خزيمة، لا يعرف، تفرد عنه سعيد بن أبي هلال وكذا قال الحافظ في " التقريب ": إنه لا يعرف، وسعيد بن أبي هلال مع ثقته حكى الساجي عن أحمد أنه اختلط، وكذلك وصفه بالاختلاط يحيى كما في الفصل
لابن حزم (2 / 95) ، ولعله مما يؤيد ذلك روايته لهذا الحديث، فإن بعض الرواة الثقات عنه لم يذكروا في إسناده خزيمة فصار الإسناد منقطعا ولذلك لم يذكر الحافظ المزي عائشة بنت سعد في شيوخ ابن أبي هلال فلا يخلوهذا الإسناد من علة الجهالة أو الانقطاع فأنى للحديث الصحة أو الحسن؟
وجهل ذلك أو تجاهله بعض من ألف في سنية السبحة! من أهل الأهواء من المعاصرين مقلدا في ذلك شيخه عبد الله الغماري الذي تجاهل هذه الحقائق، فأورد هذا الحديث في " كنزه " (103) ليتوصل منه إلى تجويز السبحة لمريديه! ثم إلى تجويز تعليقها على العنق كما يفعل بعض مشايخ الطرق، انظر الرد عليه في مقدمة المجلد الثالث من هذه السلسلة (ص 37) ترى العجب العجاب
الآخر: عن صفية قالت: دخل علي رسول الله صلى الله عليه وسلم وبين يدي أربعة آلاف نواة أسبح بهن، فقال: " يا بنت حيي، ما هذا؟ "، قلت: أسبح بهن، قال: " قد سبحت منذ قمت على رأسك أكثر من هذا "، قلت: علمني يا رسول الله
قال: " قولي: سبحان الله عدد ما خلق الله من شيء.. "، أخرجه الترمذي (4 /274) وأبو بكر الشافعي في " الفوائد " (73 / 255 / 1) ، والحاكم (1 /547) من طريق هاشم بن سعيد عن كنانة مولى صفية عنها، وضعفه الترمذي بقوله
هذا حديث غريب لا نعرفه إلا من هذا الوجه من حديث هاشم بن سعيد الكوفي، وليس إسناده بمعروف، وفي الباب عن ابن عباس، وأما الحاكم فقال: صحيح الإسناد، ووافقه الذهبي وهذا منه عجب، فإن هاشم بن سعيد هذا أورده هو في " الميزان " وقال: قال ابن معين: ليس بشيء، وقال ابن عدي: مقدار ما يرويه لا يتابع عليه، ولهذا قال الحافظ في " التقريب ": ضعيف، وكنانة هذا مجهول الحال لم يوثقه غير ابن حبان
ثم استدركت فقلت: لكن قد روى عن كنانة جمع منهم زهير وحديج ابنا معاوية، ومحمد بن طلحة بن مصرف، وسعدان بن بشير الجهني، وكل هؤلاء الأربعة ثقات، يضم إليهم يزيد بن مغلس الباهلي، وثقه جماعة وضعفه آخرون فسبيل من روى عنه هؤلاء أن يحشر في زمرة من قيل فيه: صدوق، كما حققته أخيرا في بحث مستفيض فريد في " تمام المنة " (ص 204 - 206) ، فلا تغتر ببعض الجهلة كالسقاف وغيره، وعليه فعلة الحديث هاشم فقط
ومما يدل على ضعف هذين الحديثين أن القصة وردت عن ابن عباس بدون ذكر الحصى ولفظه قال: عن جويرية أن النبي صلى الله عليه وسلم خرج من عندها بكرة حين صلى الصبح وهي في مسجدها، ثم رجع بعد أن أضحى وهي جالسة، فقال: ما زلت على الحال التي فارقتك عليها؟ قالت: نعم، قال النبي صلى الله عليه وسلم: " لقد قلت بعدك أربع كلمات ثلاث مرات لووزنت بما قلت منذ اليوم لوزنتهن: سبحان الله وبحمده عدد خلقه، ورضا نفسه، وزنة عرشه ومداد كلماته "، أخرجه مسلم (8 / 83 - 84) والترمذي (4 / 274) وصححه والنسائي في " عمل اليوم والليلة " (161 - 165) وابن ماجه (1 / 23) وأحمد (6 / 325 و429 - 430) ، فدل هذا الحديث الصحيح على أمرين
الأول: أن صاحبة القصة هي جويرية، لا صفية كما في الحديث الثاني؟
الآخر: أن ذكر الحصى في القصة منكر، ويؤيد هذا إنكار عبد الله بن مسعود رضي الله عنه على الذين رآهم يعدون بالحصى، وقد جاء ذلك عنه من طرق سبق أحدها ولوكان ذلك مما أقره صلى الله عليه وسلم لما خفي على ابن مسعود إن شاء الله وقد تلقى هذا الإنكار منه بعض من تخرج من مدرسته ألا وهو إبراهيم بن يزيد النخعي الفقيه الكوفي، فكان ينهى ابنته أن تعين النساء على فتل خيوط التسبيح التي يسبح بها! رواه ابن أبي شيبة في " المصنف " (2 / 89 / 2) بسند جيد
قد يقول قائل: إن العد بالأصابع كما ورد في السنة لا يمكن أن يضبط به العدد إذا كان كثيرا، فالجواب: إنما جاء هذا الإشكال من بدعة أخرى وهي ذكر الله في عدد محصور كثير لم يأت به الشارع الحكيم، فتطلبت هذه البدعة بدعة أخرى وهي السبحة! فإن أكثر ما جاء من العدد في السنة الصحيحة، فيما ثبت لدي إنما هو مئة، وهذا يمكن ضبطه بالأصابع بسهو لة لمن كان ذلك عادته
وأما حديث: من قال في يوم مئتي مرة: " إله إلا الله وحده لا شريك له ... " الحديث، فالمراد: مئة إذا أصبح، ومئة إذا أمسى كما جاء مصرحا به في بعض الروايات الثابتة، وبيان ذلك في " الصحيحة " (2762)
وأما ما رواه ابن أبي شيبة (2 / 391) عن وقاء عن سعيد بن جبير قال: رأى عمر بن الخطاب رجلا يسبح بتسابيح معه، فقال عمر: إنما يجزيه من ذلك أن يقول
سبحان الله.... إلخ، فهو منكر لوجوه، منها الانقطاع بينه وبين سعيد، وضعف وقاء، وهو ابن إياس، وهو لين الحديث
ولولم يكن في السبحة إلا سيئة واحدة وهي أنها قضت على سنة العد بالأصابع أو كادت، مع اتفاقهم على أنها أفضل، لكفى! فإني قلما أرى شيخا يعقد التسبيح بالأنامل! ثم إن الناس قد تفننوا في الابتداع بهذه البدعه، فترى بعض المنتمين لإحدى الطرق يطوق عنقه بالسبحة! وبعضهم يعد بها وهو يحدثك أو يستمع لحديثك
وآخر ما وقعت عيني عليه من ذلك منذ أيام أننى رأيت رجلا على دراجة عادية يسير بها في بعض الطرق المزدحمة بالناس وفي إحدى يديه سبحة! ! يتظاهرون للناس بأنهم لا يغفلون عن ذكر الله طرفة عين! وكثيرا ما تكون هذه البدعة سببا لإضاعة ما هو واجب، فقد اتفق لي مرارا - وكذا لغيري - أنني سلمت على أحدهم فرد علي السلام بالتلويح بها! دون أن يتلفظ بالسلام! ومفاسد هذه البدعة لا تحصى، فما أحسن ما قال الشاعر
وكل خير في اتباع من سلف * * * وكل شر في ابتداع من خلف
ثم وقفت على حديث ثالث عن أبي هريرة مرفوعا بلفظ: " كان يسبح بالحصا "، ولكن إسناده واه جدا، فيه من روى عن مالك أحاديث موضوعة، وسيأتي بيان ذلك برقم (1002) من هذه السلسلة إن شاء الله تعالى

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ তাওহীদ পাবলিকেশন
গ্রন্থঃ যঈফ ও জাল হাদিস
অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ
হাদিস নম্বরঃ ৮৪ | 84 | ۸٤

৮৪। তার থেকে তোমরা সকলে উত্তম।

হাদীসটি দুর্বল।

সুন্নাতের গ্রন্থ সমূহে এটি পাচ্ছি না। এটি ইবনু কুতাইবা “উয়ূনুল আখবার” গ্রন্থে (১/২৬) দুর্বল সনদে উল্লেখ করেছেন।

হাদীসটির ঘটনা নিম্নরূপঃ আশ'য়ারীদের একটি দল কোন এক সফরে ছিল। তারা যখন ফিরে আসল, তখন তারা বললঃ হে আল্লাহর রসূল! আল্লাহর রসূলের পরে অমুক ব্যক্তি ছাড়া আর কোন উত্তম ব্যক্তি নেই। সে দিনে সওম পালন করে, আর আমরা যখন কোন স্থানে অবতরণ করি তখন সে দাড়িয়ে গিয়ে সলাত শুরু করে, সে স্থান ত্যাগ না করা পর্যন্ত! (রসূল) বললেনঃ তার কাজ কে করেছে? তারা বললেনঃ আমরা। (রসূল) বললেনঃ كلكم أفضل منه তোমরা প্রত্যেকে তার চাইতে উত্তম। সনদের সকল বর্ণনাকারী নির্ভরশীল, কিন্তু হাদীসটি মুরসাল।

কারণ মুসলিম ইবনু ইয়াসার বাসরী উমাবী একজন তাবেঈ। তার জীবনীতে বলা হয়েছে যে, তার অধিকাংশ বর্ণনা আবুল আশায়াস সানায়ানী এবং আবু কিলাবা হতে বর্ণিত হয়েছে। তার এ হাদীসটি আবূ কিলাবার সূত্রে। আবূ কিলাবা এবং মুসলিম ইবনু ইয়াসার তারা উভয়ে একশ হিজরীর কিছু পরে মারা গেছেন। কিন্তু আবূ কিলাবা বর্ণনাকারী হিসাবে একজন মুদাল্লিস।

যাহাবী বলেনঃ তিনি মুদাল্লিস যার সাথে মিলিত হয়েছেন তার থেকে এবং যার সাথে মিলিত হননি তার থেকেও। তার কতিপয় সহীফা ছিল, তিনি সেগুলো হতে হাদীস বর্ণনা করতেন এবং তাদলীস করতেন। এ জন্য হাফিয বুরহানুদ্দীন আল-আজামী আল-হালাবী তার “আত-তাবেঈন লি আসমাঈল মুদাল্লিসীন” গ্রন্থে (পৃঃ ২১) তাকে উল্লেখ করেছেন। অনুরূপ ভাবে হাফিয ইবনু হাজারও তাকে "তাবাকাতুল মুদাল্লিসীন" গ্রন্থে (পৃঃ ৫) উল্লেখ করেছেন।



হাদিসের মানঃ  যঈফ (Dai'f)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!

كلكم أفضل منه
ضعيف

-

لم أجده في شيء من كتب السنة، وإنما أخرجه ابن قتيبة في " عيون الأخبار " (1/ 26) بسند ضعيف فقال: حدثني محمد بن عبيد عن معاوية بن عمر عن أبي إسحاق عن خالد الحذاء عن أبي قلابة عن مسلم بن يسار أن رفقة من الأشعريين كانوا في سفر، فلما قدموا قالوا: يا رسول الله! ليس أحد بعد رسول الله أفضل من فلان، يصوم النهار، فإذا نزلنا قام يصلي حتى يرتحل! قال: " من كان يمهن له أو يعمل له؟ قالوا: نحن، قال: " كلكم أفضل منه؟ "، وهذا إسناد ضعيف، رجاله كلهم ثقات، لكنه مرسل، فإن مسلم بن يسار هذا وهو البصري الأموي تابعي، ثم أنهم ذكروا في ترجمته أن أكثر روايته عن أبي الأشعث الصنعاني وأبي قلابة، وهذا الحديث من رواية أبي قلابة عنه، وقد كانت وفاتهما بعد المائة ببضع سنين ولكن أبا قلابة مدلس، قال الذهبي في ترجمته من " الميزان ": إمام شهير من علماء التابعين، ثقة في نفسه، إلا أنه مدلس عمن لحقهم وعمن لم يلحقهم، وكان له صحف يحدث منها ويدلس، ولهذا أورده الحافظ برهان الدين العجمي الحلبي في رسالته " التبيين لأسماء المدلسين " (ص 21) ، وكذا الحافظ ابن حجر في " طبقات المدلسين " (ص 5) وقال: وصفه بذلك الذهبي والعلائي، فلو أن الحديث سلم من الإرسال لما سلم من عنعنة أبي قلابة، فالحديث ضعيف على كل حال
ثم رأيت الحديث في " مصنف عبد الرزاق " (20442) عن معمر عن أيوب عن أبي قلابة قال: ... فذكره نحوه، ولم يذكر فيه مسلم بن يسار، وهذا مرسل أيضا
ويغني عنه حديث أنس قال: كنا مع النبي صلى الله عليه وسلم في السفر فمنا الصائم، ومنا المفطر، قال: فنزلنا منزلا في يوم حار، أكثرنا ظلا صاحب الكساء، ومنا من يتقي الشمس بيده، قال: فسقط الصوام، فقام المفطرون
فضربوا الأبنية وسقوا الركاب، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: " ذهب المفطرون اليوم بالأجر "، رواه البخاري (6 / 64) ومسلم (3 / 144) ، واللفظ له والنسائي في " الكبرى " (ق 20 / 1)

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ তাওহীদ পাবলিকেশন
গ্রন্থঃ যঈফ ও জাল হাদিস
অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ
হাদিস নম্বরঃ ৮৫ | 85 | ۸۵

৮৫। তোমাদের সংরক্ষিত সম্পদের নিকট তিনজনকে হত্যা করা হবে। তাঁরা প্রত্যেক খলিফার পুত্র। অতঃপর তা তাদের মধ্যের একজনের জন্যও হবে না। অতঃপর প্র্যাচ্যের দিক থেকে এক বিরাট দলের ঝাণ্ডা প্রকাশ পাবে। তাঁরা তোমাদের এমনভাবে হত্যা করবে, যেরূপ হত্যাযজ্ঞের সম্মুখীন কোন জাতি হয়নি। অতঃপর তিনি কিছু উল্লেখ করলেন তা আমি হেফয করতে পারিনি। তারপর তিনি বললেনঃ তোমরা যদি তাকে দেখতে পাও তাহলে তার সাথে বাই’য়াত করবে। যদিও বরফের উপর হামাগুড়ি দিয়েও তা করতে হয়। কারন তিনই হচ্ছেন আল্লাহর প্রতিনিধি মাহাদী।

অন্য এক বর্ণনায় এসেছেঃ তোমরা বড় দলের ঝাণ্ডাগুলো দেখতে পাবে। খুরাসানের দিক থেকে বের হয়েছে। তখন তোমরা হামাগুড়ি দিয়ে হলেও তার নিকট আসবে।

হাদীসটি মুনকার।

ইবনু মাজাহ ৫১৮-৫১৯), হাকিম (৪/৪৬৩-৪৬৪) দুটি সূত্রে খালেদ আল-হাযা সূত্রে আবূ কিলাবা হতে ... হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। এছাড়া ইমাম আহমাদ (৫/২৭৭) আলী ইবনু যায়েদ সূত্রে এবং হাকিম আব্দুল ওয়াহাব সূত্রে ... তার থেকে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। ইবনুল জাওযী “আল-আহাদীসুল ওয়াহিয়াত" গ্রন্থে (১৪৪৫) সংক্ষেপে বর্ণনা করেছেন।

ইবনু হাজার "আল-কাওলুল মুসাদ্দাদ" গ্রন্থে বলেনঃ আলী ইবনু যায়েদ দুর্বল। মানাবীও “ফায়যুল কাদীর” গ্রন্থে একই কারণ দর্শিয়েছেন। তিনি বলেনঃ “আল-মীযান” গ্রন্থে উল্লেখ করা হয়েছে যে, আহমাদ ও অন্যরা তাকে দুর্বল (য’ঈফ) আখ্যা দিয়েছেন। অতঃপর যাহাবী বলেনঃ أراه حديثا منكرا আমি এ হাদীসটিকে মুনকারই মনে করি।

ইবনুল জাওযী হাদীসটিকে তার “মাওয়ূ'আত” গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন। ইবনু হাজার বলেনঃ জাল হাদীস গ্রন্থে উল্লেখ করাটা সঠিক হয়নি। কারণ এ হাদীসের সনদে এমন কোন ব্যক্তি নেই যাকে মিথ্যার দোষে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে। তবে ইবনুল জাওযী তার জাল হাদীস গ্রন্থে (২/৩৯) যে সনদে উল্লেখ করেছেন, সে সনদের দিকে লক্ষ্য করলে, তার জাল হিসাবে উল্লেখ করাটা সঠিক হয়েছে। অতঃপর ইবনুল জাওযী বলেনঃ এটির ভিত্তি নেই। আমর কিছুই না। তিনি হাসান হতে শুনেননি এবং হাসান আবু ওবায়দা হতে শুনেননি।

আমি (আলবানী) বলছিঃ আবু ওবায়দা তার পিতা ইবনু মাসউদ (রাঃ) হতেও শুনেননি। সুয়ূতী তার সমালোচনা করে “আল-লাআলী” গ্রন্থে (১/৪৩৭) বলেনঃ তার ইসনাদ সহীহ। হাকিম শাইখায়নের শর্তানুযায়ী সহীহ বলেছেন এবং যাহাবী তার কথাকে সমর্থন করেছেন। অথচ যাহাবী “আল-মীযান” গ্রন্থে বলেছেনঃ আমি হাদীসটিকে মুনকার হিসাবেই দেখছি। মুনকার হওয়াটাই সঠিক। তিনি এটিকে সহীহ বলেছেন মুনকার হওয়ার কারণ ভুলে যাওয়ায়। সেটি হচ্ছে আবূ কিলাবার আন আন সূত্রে বর্ণনা করা। কেননা তিনি মুদাল্লিসদের অন্তর্ভুক্ত, যেমনটি উল্লেখ করেছেন যাহাবী ও অন্যরা। এ জন্যই ইবনু ওলাইয়্যাহ হাদীসটিকে দুর্বল বলেছেন যেমনভাবে ইমাম আহমাদ "আল-ইলাল” গ্রন্থে (১/৩৫৬) ইবনু ওলাইয়্যাহ হতে তা বর্ণনা করে তাকে সমর্থন করেছেন।

তবে “فإنه خليفة الله المهدي” 'কারণ তিনিই হচ্ছেন আল্লাহর প্রতিনিধি মাহদী' এ অংশটুকু বাদ দিয়ে হাদীসটির অর্থ সঠিক। কারণ এ অংশটুকু সাব্যস্ত করার মত কোন বিশুদ্ধ সূত্র নেই। আবু বকর (রাঃ) কে খালীফাতুল্লাহ বলে সম্বোধন করা হলে তিনি বলেনঃ আমি আল্লাহর খলীফা নই বরং আমি রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর খালীফা। এটি বর্ণনা করেছেন ইমাম আহমাদ তার মুসনাদ গ্রন্থে। আল্লাহ অন্যের খলীফা হন, কেউ তার খালীফা হতে পারেন না।



হাদিসের মানঃ  মুনকার (সর্বদা পরিত্যক্ত)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!

يقتل عند كنزكم ثلاثة كلهم ابن خليفة، ثم لا يصير إلى واحد منهم، ثم تطلع الرايات السود من قبل المشرق فيقتلونكم قتلا لم يقتله قوم، ثم ذكر شيئا لا أحفظه فقال: فإذا رأيتموه فبايعوه ولوحبوا على الثلج، فإنه خليفة الله المهدي - وفي رواية - إذا رأيتم الرايات السود خرجت من قبل خراسان فأتوها ولو حبوا.. إلخ
منكر

-

أخرجه ابن ماجه (518 - 519) والحاكم (4 / 463 - 464) من طريقين عن خالد الحذاء عن أبي قلابة عن أبي أسماء عن ثوبان مرفوعا بالرواية الأولى، وأخرجه أحمد (5 / 277) عن علي بن زيد، والحاكم أيضا (4 / 502) من طريق عبد الوهاب بن عطاء عن خالد الحذاء عن أبي قلابة به، لكن علي بن زيد وهو ابن جدعان لم يذكر أبا أسماء في إسناده، وهو من أوهامه، ومن طريقه أخرجه ابن الجوزي في كتاب " الأحاديث الواهية " (1445) مختصرا وابن حجر في " القول المسدد في الذب عن المسند " (ص 45) وقال: وعلي بن زيد فيه ضعف
وبه أعله المناوي في " فيض القدير " فقال: نقل في " الميزان " عن أحمد وغيره تضعيفه، ثم قال الذهبي: أراه حديثا منكرا، وأورده ابن الجوزي في " الموضوعات " قال ابن حجر: ولم يصب إذ ليس فيهم متهم بالكذب، انتهى
قلت: وفي هذا الكلام أخطاء يجب التنبيه عليها
1 - إعلاله الحديث بابن جدعان يوهم أنه تفرد به، وليس كذلك، فقد تابعه خالد الحذاء عند الحاكم وابن ماجه كما تقدم وهو ثقة من رجال الصحيحين
2 - أنه يوهم أن ابن الجوزي أورده من طريق ابن جدعان، وليس كذلك، فإنما أورده في " الموضوعات (2 / 39) من طريق عمرو بن قيس عن الحسن عن أبي عبيدة عن عبد الله يعني ابن مسعود مرفوعا نحوالرواية الثانية عن ثوبان، ثم قال ابن الجوزي: لا أصل له، عمرو لا شيء، ولم يسمع من الحسن، ولا سمع الحسن من أبي عبيدة، قلت: ولا أبو عبيدة سمع من أبيه ابن مسعود، وتعقبه السيوطي في " اللآليء " (1 / 437) بحديث ابن ثوبان هذا، وقد قال في " الزوائد " (ق 249 / 2) : إسناده صحيح ورجاله ثقات، وقال الحاكم: صحيح على شرط الشيخين، ووافقه الذهبي! مع أنه يقول في الميزان : أراه منكرا كما تقدم
وهذا هو الصواب، وقد ذهل من صححه عن علته، وهي عنعنة أبي قلابة، فإنه من المدلسين كما تقدم نقله عن الذهبي وغيره في الحديث السابق ولعله لذلك ضعف الحديث ابن علية من طريق خالد كما حكاه عنه أحمد في " العلل " (1 / 356) وأقره، لكن الحديث صحيح المعنى، دون قوله: فإن فيها خليفة الله المهدي فقد أخرجه ابن
ماجه (2 / 517 ـ 518) من طريق علقمة عن ابن مسعود مرفوعا نحورواية ثوبان الثانية، وإسناده حسن بما قبله، فإن فيه يزيد بن أبي زياد وهو مختلف فيه فيصلح للاستشهاد به، وليس فيه أيضا ذكر خليفة الله ولا خراسان، وهذه الزيادة خليفة الله ليس لها طريق ثابت، ولا ما يصلح أن يكون شاهدا لها، فهي منكرة كما يفيده كلام الذهبي السابق، ومن نكارتها أنه لا يجوز في الشرع أن يقال: فلان خليفة الله، لما فيه من إيهام ما لا يليق بالله تعالى من النقص والعجز، وقد بين ذلك شيخ الإسلام ابن تيمية رحمه الله تعالى، فقال في " الفتاوى " (2 / 461) : وقد ظن بعض القائلين الغالطين كابن عربي، أن الخليفة هو الخليفة عن الله، مثل نائب الله، والله تعالى لا يجوز له خليفة
ولهذا قالوا لأبي بكر: يا خليفة الله! فقال: لست بخليفة الله، ولكن خليفة رسول الله صلى الله عليه وسلم، حسبي ذلك بل هو سبحانه يكون خليفة لغيره، قال النبي صلى الله عليه وسلم: " اللهم أنت الصاحب في السفر، والخليفة في الأهل، اللهم اصحبنا في سفرنا، واخلفنا في أهلنا "، وذلك لأن الله حي شهيد مهيمن قيوم رقيب حفيظ غني عن العالمين، ليس له شريك ولا ظهير، ولا يشفع أحد عنده إلا بإذنه، والخليفة إنما يكون عند عدم المستخلف بموت أو غيبة، ويكون لحاجة
المستخلف، وسمي خليفة، لأنه خلف عن الغزووهو قائم خلفه، وكل هذه المعاني منتفية في حق الله تعالى، وهو منزه عنها، فإنه حي قيوم شهيد لا يموت ولا يغيب ... ولا يجوز أن يكون أحد خلفا منه ولا يقوم مقامه، إنه لا سمي له ولا كفء، فمن جعل له خليفة فهو مشرك به

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ তাওহীদ পাবলিকেশন
গ্রন্থঃ যঈফ ও জাল হাদিস
অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ
হাদিস নম্বরঃ ৮৬ | 86 | ۸٦

৮৬। প্লেগ (উদরাময়) তোমাদের ভাই জ্বীনদের এক অংশ।

হাদীসটির এ বাক্যে কোন ভিত্তি নেই।

হাদীসটি ইবনুল আসীর “আন-নেহায়া” গ্রন্থে وخز মূলের মধ্যে উল্লেখ করেছেন।

আমি (আলবানী) বলছিঃ হাদীসটি ইমাম আহমাদ “মুসনাদ” গ্রন্থে (৪/৩৯৫,৪১৩,৪১৭), তাবারানী “মুজামুস সাগীর” গ্রন্থে (পৃঃ ১৭) এবং হাকিম (১/৫০) আবু মূসা আল-আশয়ারী হতে নিম্নের ভাষায় মারফু হিসাবে বর্ণনা করেছেনঃ الطاعون وخز أعدائكم من الجن অর্থঃ প্লেগ (উদরাময়) তোমাদের দুশমন জিনদের এক অংশ। হাকিম এটিকে মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন এবং যাহাবী তা সমর্থন করেছেন।

আমি (আলবানী) বলছিঃ এ ভাষায় হাদীসটি সহীহ্। তবে মুসলিমের শর্তানুযায়ী এ কথাটি সঠিক নয়।

মোটকথা হাদিসটি (... وخز أعدائكم) এ শব্দে সহীহ, وخز إخوانكم শব্দে সহীহ নয়।

তবে  طعام إخوانكم من الجن এ শব্দে সহীহ যেটি ইমাম মুসলিম ও অন্যরা বর্ণনা করেছেন। দেখুন “নাইলুল আওতার”। সম্ভবত কারো নিকট একটি অন্যটির সাথে গোলমাল হয়ে গেছে।



হাদিসের মানঃ  জাল (Fake)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!

الطاعون وخز إخوانكم من الجن
لا أصل له بهذا اللفظ

-

وإن أورده ابن الأثير في مادة وخز من " النهاية " تبعا لغريبي الهروي، وإنما هو مركب من حديثين صحيحين كما يأتي بيانه وقال الحافظ في " الفتح " (10 / 147) : لم أره بهذا اللفظ بعد التتبع الطويل البالغ في شيء من طرق
الحديث المسندة، لا في الكتب المشهورة، ولا الأجزاء المنثورة، وقد عزاه بعضهم لـ " مسند أحمد " و" الطبراني " و" كتاب الطواعين " لابن أبي الدنيا، ولا وجود لذلك في واحد منها
قلت: والحديث في مسند أحمد (4 / 395، 413، 417) وكذا الطبراني في " المعجم الصغير " (ص 71) والحاكم أيضا (1 / 50) من طرق عن أبي موسى الأشعري مرفوعا بلفظ: " الطاعون وخز أعدائكم من الجن
وقال الحاكم
صحيح على شرط مسلم ووافقه الذهبي
قلت: هو صحيح، أما على شرط مسلم، فلا، فإن فيه عند الحاكم وكذا أحمد في بعض طرقه أبا بلج واسمه يحيى بن سليم وهو ثقة، إلا أنه ليس من رجال مسلم، وله عند أحمد طريق أخرى بسند صحيح أيضا، وصححه الحافظ، فهذا هو المحفوظ في الحديث: وخز أعدائكم، وأما لفظ إخوانكم فإنما هو في حديث آخر، وهو قوله
صلى الله عليه وسلم: " فلا تستنجوا بهما يعني العظم والبقر فإنهما طعام إخوانكم من الجن "، رواه مسلم وغيره انظر " نيل الأو طار " فكأنه اختلط على بعضهم هذا بالأول
قال السيوطي في " الحاوي ": وأما تسميتهم إخوانا في حديث العظم، فباعتبار الإيمان، فإن الأخوة في الدين لا تستلزم الاتحاد في الجنس، وقد أطال الكلام على طرق الحديث وبيان أنه لا أصل لهذه اللفظة " إخوانكم " في شيء من طرقه الحافظ ابن حجر في كتابه القيم " بذل الماعون في فضل الطاعون " (ق 26 / 1 - 28 / 2)

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ তাওহীদ পাবলিকেশন
গ্রন্থঃ যঈফ ও জাল হাদিস
অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ
হাদিস নম্বরঃ ৮৭ | 87 | ۸۷

৮৭। খাতীব যখন মিম্বারে উঠে যাবে; তার পর সালাত (নামায/নামাজ)-ও নেই, কোন কথাও নেই।

হাদীসটি বাতিল।

হাদীসটি তাবারানী “মুজামুল কাবীর” গ্রন্থে ইবনু উমার (রাঃ) হতে মারফু হিসাবে নিম্নের এ ভাষায় উল্লেখ করেছেনঃ

إذا دخل أحدكم المسجد والإمام على المنبر فلا صلاة ولا كلام، حتى يفرغ الإمام

"তোমাদের কেউ যখন মসজিদে প্রবেশ করবে এমতাবস্থায় যে, ইমাম মিম্বারের উপরে, তখন ইমামের খুৎবা শেষ না করা পর্যন্ত আর কোন সলাত পড়া যাবে না এবং কোন কথাও বলা যাবে না।"

এ হাদীসের সনদে আইউব ইবনু নাহীক নামক এক বর্ণনাকারী আছেন। তার সম্পর্কে ইবনু আবী হাতিম “আল-জারহু ওয়াত-তা’দীল” গ্রন্থে (১/১/২৫৯) বলেনঃ আমি আমার পিতা হতে শুনেছি তিনি বলেনঃ হাদীসের ক্ষেত্রে তিনি দুর্বল। আবু যুরয়াহ হতে শুনেছি, তিনি বলেনঃ আইউব ইবনু নাহীক হতে আমি হাদীস বর্ণনা করব না এবং তার হাদীস আমাদের নিকট পড়াও হয় না। অতঃপর বলেছেনঃ তিনি একজন মুনকারুল হাদীস।

হায়সামী “মাজমাউয যাওয়াইদ" গ্রন্থে (২/১৮৪) বলেনঃ وهو متروك ضعفه جماعة "তিনি মাতরূক, তাকে মুহাদ্দিসগণের এক জামা'আত দুর্বল আখ্যা দিয়েছেন।"

এ কারণেই হাফিয ইবনু হাজার “ফতহুল বারীর" মধ্যে (২/৩২৭) বলেছেনঃ হাদীসটি দুর্বল। আমি হাদীসটি বাতিল বলে হুকুম লাগিয়েছি। কারণ তার সনদে দুর্বলতা থাকা ছাড়াও এটি দুটি সহীহ হাদীস বিরোধীঃ

إذا جاء أحدكم يوم الجمعة والإمام يخطب فليركع ركعتين وليتجوز فيهما

১। “তোমাদের কেউ জুম'আর দিবসে যখন (মসজিদে) আসবে এমতাবস্থায় যে, ইমাম খুৎবা দিচ্ছেন, তখন সে যেন সংক্ষেপে দুরাকাআত সলাত আদায় করে।"

হাদীসটি মুসলিম শরীফে (৩/১৪/১৫) এবং আবু দাউদে (১০২৩) বর্ণিত হয়েছে। বুখারী এবং মুসলিম-এর বর্ণনাতেও জাবের (রাঃ) হতে অনুরূপ হাদীস এসেছে।

قوله صلى الله عليه وسلم: إذا قلت لصاحبك: أنصت، يوم الجمعة والإمام يخطب فقد لغوت

২। রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ “তুমি যদি তোমার সঙ্গীকে জুম'আর দিবসে ইমাম খুৎবা দেয়ার সময় বল চুপ কর, তাহলে তুমি কটু কথা বললে।”

প্রথম হাদীসটি অত্যন্ত স্পষ্ট, যা তাগিদ দিচ্ছে খংবা চলাকালীন সময়ে দু রাকাআত সলাত আদায় করার জন্য। রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর হাদীসের বিরোধিতা করে কিছু অজ্ঞ ইমাম/খতীব খুৎবা চলাকালীন সময়ে মসজিদে প্রবেশ করে যে ব্যক্তি দু' রাকাআত সলাত আদায় করতে চাই তাকে নিষেধ করেন।

আমার ভয় হয় তারা রসূলের হাদীসের বিরোধিতা করার কারণে নিম্নে বর্ণিত আয়াত দু'টিতে বর্ণিত শাস্তির অন্তর্ভুক্ত হয়ে যায় কি না।

أَرَأَيْتَ الَّذِي يَنْهَى عَبْدًا إِذَا صَلَّى

অর্থঃ “কোন বান্দা যখন সলাত আদায় করে তখন তাকে যে নিষেধ করে তাঁর সম্পর্কে আপনার সিদ্ধান্ত কী?” (সূরা আ'লাকঃ ৯-১০)।

فَلْيَحْذَرِ الَّذِينَ يُخَالِفُونَ عَنْ أَمْرِهِ أَن تُصِيبَهُمْ فِتْنَةٌ أَوْ يُصِيبَهُمْ عَذَابٌ أَلِيمٌ

অর্থঃ "যারা আল্লাহর হুকুমের বিরোধিতা করে তাদের ভয় করা উচিত যে, তাদেরকে কোন বিপদ গ্রাস করবে বা তাদের উপর যন্ত্রণাদায়ক আযাব নাযিল হবে" (সূরা নূরঃ ৬৩)।

দ্বিতীয় হাদীসটি হতে বুঝা যাচ্ছে ইমাম খুৎবা শুরু করলে কথা বলা নিষেধ। খুৎবা শুরু না করে মিম্বারে বসে থাকা অবস্থায় কথা বললে তা নিষেধ নয়। কারণ উমার (রাঃ) এর যুগে তিনি যখন মিম্বারের উপর বসতেন তখনও লোকেরা মুয়াযযিন চুপ না হওয়া পর্যন্ত কথা বলতে থাকতেন। যখন তিনি মিম্বারে দাঁড়িয়ে যেতেন তখন দু' খুৎবা শেষ না হওয়া পর্যন্ত আর কেউ কথা বলতেন না।

অতএব মিম্বারে উঠলেই কথা বলা নিষেধ এটি সঠিক নয়।



হাদিসের মানঃ  জাল (Fake)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!

إذا صعد الخطيب المنبر، فلا صلاة ولا كلام
باطل

-

قد اشتهر بهذا اللفظ على الألسنة وعلق على المنابر ولا أصل له! وإنما رواه الطبراني في " الكبير " عن ابن عمرو مرفوعا بلفظ: " إذا دخل أحدكم المسجد والإمام على المنبر فلا صلاة ولا كلام، حتى يفرغ الإمام " وفيه أيوب بن نهيك، قال ابن أبي حاتم في " الجرح والتعديل " (1 / 1 / 259) : سمعت أبي يقول: هو ضعيف الحديث، سمعت أبا زرعة يقول: لا أحدث عن أيوب ابن نهيك، ولم يقرأ علينا حديثه وقال: وهو منكر الحديث، وقال الهيثمي في " المجمع " (2 / 184) : وهو متروك ضعفه جماعة ... ولهذا قال الحافظ في " الفتح " (2 / 327) : إنه حديث ضعيف، وأخرجه البيهقي في سننه (3 / 193) من حديث أبي هريرة مرفوعا بلفظ: خروج الإمام يوم الجمعة للصلاة يقطع الكلام وقال
رفعه خطأ فاحش وإنما هو من كلام سعيد بن المسيب أو الزهري، وأقره الزيلعي في " نصب الراية " (2 / 201) ، وإنما حكمت على الحديث بالبطلان لأنه مع ضعف سنده يخالف حديثين صحيحين: الأول: قوله صلى الله عليه وسلم: " إذا جاء أحدكم يوم الجمعة وقد خرج الإمام فليصل ركعتين ". أخرجه البخاري ومسلم في "صحيحيهما" من حديث جابر، وفي رواية أخرى عنه قال: جاء سليك الغطفاني ورسول الله صلى الله عليه وسلم يخطب، فقال له: " يا سليك! قم فاركع ركعتين وتجوز فيهما "، ثم قال: " إذا جاء أحدكم يوم الجمعة والإمام يخطب فليركع ركعتين وليتجوز فيهما "، أخرجه مسلم (3 / 14 - 15) وغيره، وهو مخرج في " صحيح أبي داود " (1023)
الآخر: قوله صلى الله عليه وسلم: " إذا قلت لصاحبك: أنصت، يوم الجمعة والإمام يخطب فقد لغوت " متفق عليه، وهو مخرج في " الإرواء " (619)
فالحديث الأول صريح بتأكد أداء الركعتين بعد خروج الإمام، بينما حديث الباب ينهي عنهما! فمن الجهل البالغ أن ينهي بعض الخطباء عنهما من أراد أن يصليهما وقد دخل والإمام يخطب خلافا لأمره صلى الله عليه وسلم، وإني لأخشى على مثله أن يدخل في وعيد قوله تعالى: {أرأيت الذي ينهى عبدا إذا صلى} وقوله: {فليحذر الذين يخالفون عن أمره أن تصيبهم فتنة أو يصيبهم عذاب أليم} ولهذا قال النووي رحمه الله: هذا نص لا يتطرق إليه التأويل، ولا أظن عالما يبلغه ويعتقده صحيحا فيخالفه
والحديث الآخر يدل بمفهو م قوله: والإمام يخطب أن الكلام والإمام لا يخطب لا مانع منه، ويؤيده جريان العمل عليه في عهد عمر رضي الله عنه، كما قال ثعلبة بن أبي مالك: إنهم كانوا يتحدثون حين يجلس عمر بن الخطاب رضي الله عنه على المنبر حتى يسكت المؤذن، فإذا قام عمر على المنبر لم يتكلم أحد حتى يقضي خطبتيه كلتيهما، أخرجه مالك في " موطئه " (1 / 126) والطحاوي (1 / 217) والسياق له، وابن أبي حاتم في " العلل " (1 / 201) وإسناد الأولين صحيح
فثبت بهذا أن كلام الإمام هو الذي يقطع الكلام، لا مجرد صعوده على المنبر، وأن خروجه عليه لا يمنع من تحية المسجد، فظهر بطلان حديث الباب، والله تعالى هو الهادي للصواب

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ তাওহীদ পাবলিকেশন
গ্রন্থঃ যঈফ ও জাল হাদিস
অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ
হাদিস নম্বরঃ ৮৮ | 88 | ۸۸

৮৮। শস্য কৃষকদের জন্য, যদিও তা ছিনিয়ে নিয়ে থাকে।

হাদীসটি বাতিল, এটির কোন ভিত্তি নেই।

সান'আনী “সুবুলুস সালাম" গ্রন্থে (৩/৬০) বলেনঃ কেউ এটিকে উল্লেখ করেন নি। "আল-মানার" গ্রন্থে বলা হয়েছেঃ এ হাদিসটিকে খুজাখুজি করেছি কিন্তু পাই নি।

শাওকানী “নাইলুল আওতার” গ্রন্থে বলেনঃ এটির ব্যাপারে অবহিত হইনি, এটিতে দৃষ্টি দেয়া দরকার।

আমি (আলবানী) বলছিঃ আমি এটির ব্যাপারে দৃষ্টি দিয়েছি, কিন্তু তার ভিত্তি পাইনি। বরং এটিকে সহীহ হাদীসের বিপরীতে পেয়েছি।

من أحيا أرضا ميتة فهي له، وليس لعرق ظالم حق

“যে ব্যক্তি মৃত যমীন জীবিত করবে (আবাদ করবে) তা তার জন্যেই। অত্যাচারীর জন্য এতে কোন হক নেই।"

হাদীসটি সহীহ্ সনদে আবু দাউদে (২/৫০) বর্ণিত হয়েছে। তিরমিযী (২/২২৯) হাদীসটিকে হাসান বলেছেন।


من زرع في أرض قوم بغير إذنهم، فليس له من الزرع شيء، وترد عليه نفقته

"যে ব্যক্তি কোন সম্প্রদায়ের জমি তাদের বিনা অনুমতিতে চাষ করবে, তার সেই ক্ষেত হতে কোন অংশ নেই। তাকে তার খরচগুলো দিয়ে দিতে হবে।"

হাদীসটি আবু দাউদ (২/২৩), তিরমিযী (২/২৯১), ইবনু মাজাহ (২/৯০), তাহাবী “আল-মুশকিল" গ্রন্থে (৩/২৮০), বাইহাকী (৬/১৩৬) ও ইমাম আহমাদ (৪/১৪১) বর্ণনা করেছেন। ইমাম বুখারী এটিকে হাসান বলেছেন। এটি সহীহ অনুরূপ অর্থের বহু হাদীস থাকার কারণে। দেখুন “ইরওয়াউল গালীল” (হাঃ নংঃ ১৫১৯)



হাদিসের মানঃ  জাল (Fake)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!

الزرع للزارع، وإن كان غاصبا
باطل لا أصل له

-

قال الصنعاني في " سبل السلام " (3 / 60) : لم يخرجه أحد، قال في " المنار ": وقد بحثت عنه فلم أجده، والشارح نقله وبيض لمخرجه، وقال الشوكاني في " نيل الأو طار " (5 / 272) : ولم أقف عليه فلينظر فيه
قلت: نظرت فيه فلم أعثر عليه، بل وجدته مخالفا للأحاديث الثابتة في الباب
الأول: من أحيا أرضا ميتة فهي له، وليس لعرق ظالم حق
أخرجه أبو داود (2 / 50) بسند صحيح عن سعيد بن زيد رضي الله عنه، وحسنه الترمذي (2 / 229) وهو مخرج في " الإرواء " (1550) ، قال في النهاية: وليس لعرق ظالم حق، هو أن يجيء الرجل إلى أرض قد أحياها رجل قبله فيغرس فيها غرسا غصبا ليستوجب به الأرض، والرواية لعرق بالتنوين، وهو على حذف المضاف، أي: لذي عرق ظالم، فجعل العرق نفسه ظالما، والحق لصاحبه، أو يكون الظالم من صفة صاحب العرق، وإن روي عرق بالإضافة فيكون الظالم صاحب العرق والحق
للعرق، وهو أحد عروق الشجرة
قلت: فظاهر الحديث يدل على أنه ليس له حق في الأرض، ويحتمل أنه حق مطلقا لا في الأرض ولا في الزرع، ويؤيده الحديث التالي، وهو
الثاني: " من زرع في أرض قوم بغير إذنهم، فليس له من الزرع شيء، وترد عليه نفقته "، أخرجه أبو داود (2 / 23) والترمذي (2 / 291) وابن ماجه (2 /90) والطحاوي في " المشكل " (3 / 280) والبيهقي (6 / 136) وأحمد (4 /141) من حديث رافع بن خديج، وقال الترمذي: حديث حسن غريب، والعمل عليه عند بعض أهل العلم، وهو قول أحمد وإسحاق، وسألت محمد بن إسماعيل عن هذا الحديث؟ فقال: هو حديث حسن، قال الصنعاني: وله شواهد تقويه
قلت: وقد خرجتها مع الحديث، وبينت صحته في " إرواء الغليل " (1519) فليراجعه من شاء

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ তাওহীদ পাবলিকেশন
গ্রন্থঃ যঈফ ও জাল হাদিস
অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ
হাদিস নম্বরঃ ৮৯ | 89 | ۸۹

৮৯। বস্তুর মালিকই তার বস্তুটি বহন করার অধিক হকদার। তবে সে যদি দুর্বলতার কারণে তা বহন করতে অক্ষম হয়, তাহলে তাকে তার মুসলিম ভাই সহযোগিতা করবে।

হাদীসটি জাল।

হাদীসটি ইবনুল আরাবী তার “আল-মুজাম" গ্রন্থে (২৩৫/১-২), ইবনু বিশরান “আল-“আমালী” গ্রন্থে (২/৫৩-৫৪) ও মুহাম্মাদ ইবনু নাসীর “আত-তানবীহ” গ্রন্থে (১৬/১-২) ইউসুফ ইবনু যিয়াদ আল-বাসরী সূত্রে তার শাইখ আব্দুর রহমান ইবনু যিয়াদ ইবনে আন’আম হতে ... বর্ণনা করেছেন।

আমি (আলবানী) বলছিঃ এ সনদটি একেবারেই নিম্ন পর্যায়ের। উক্ত ইউসুফ সম্পর্কে “তারীখুল কাবীর” গ্রন্থে (৪/২/৩৮৮) ইমাম বুখারী বলেনঃ তিনি মুনকারুল হাদীস। ইবনুল জাওযী হাদীসটিকে তার “আল-মাওযূ'আত” গ্রন্থে (৩/৪৭) ইবনু আদীর সূত্রে উল্লেখ করে বলেছেনঃ হাদীসটি সহীহ নয়। দারাকুতনী “আল-আফরাদ” গ্রন্থে বলেনঃ এ হাদীসটির সমস্যা হচ্ছে ইউসুফ ইবনু যিয়াদ। কারণ তিনি বাতিল হাদীস বর্ণনার ক্ষেত্রে প্রসিদ্ধ। আর তিনি ছাড়া ইফরীকী হতে অন্য কেউ বর্ণনা করেননি। মানাবী তার “আল-ফায়য" গ্রন্থে বলেন, হাফিয ইরাকী ও ইবনু হাজার বলেছেনঃ তিনি দুর্বল। সাখাবী বলেনঃ তিনি নিতান্তই দুর্বল। ইবনুল জাওযী হাদীসটির ব্যাপারে জাল হিসাবে হুকুম লাগিয়ে বলেছেন যে, তাতে ইউসুফ ইবনু যিয়াদ আল-বাসরী রয়েছেন, তিনি আবদুর রহমান আল-ইফরীকী হতে বর্ণনা করেছেন। তিনি তার নিকট হতে একমাত্র বর্ণনাকারী।

সুয়ূতী বলেনঃ তিনি আব্দুর রহমান হতে একক বর্ণনাকারী নন, বরং বাইহাকী তার “আল-শু'য়াব” গ্রন্থে এবং “আল-আদাব” গ্রন্থে হাফস ইবনু আবদির রহমান সূত্রে বর্ণনা করেছেন। এর উত্তরে বলতে হচ্ছে যে আমরা আব্দুর রহমান আল-ইফরীকীর কথা বলছি।

ইবনু হিব্বান বলেনঃ يروي الموضوعات عن الثقات، فهو كاف بالحكم بوضعه তিনি (ইউসুফ) নির্ভরযোগ্যদের উদ্ধৃতিতে জাল হাদীস বর্ণনাকারী। অতএব তিনিই হাদীসটি জাল হওয়ার জন্যে যথেষ্ট।

আমি (আলবানী) বলছিঃ হক হচ্ছে ইবনুল জাওযীর সাথে (তার কথাই ঠিক)। যারা ইউসুফকে শুধু দুর্বল বলেছেন, তারা তিনি যে, নিতান্তই দুর্বল তা না বলে ভুল করেছেন। এছাড়া (দ্বিতীয় কারণ) শাইখ আব্দুর রহমান আল-ইাফরীকীও যে নিতান্তই দুর্বল এটি বলতেও তারা ভুলে গেছেন।

খাতীব বাগদাদী তার “তারীখু বাগদাদ” গ্রন্থে (১৪/ ২৯৫-২৯৬) ইউসুফ সম্পর্কে বলেন, নাসাঈ হতে বর্ণিত হয়েছে তিনি বলেনঃ তিনি নির্ভরযোগ্য নন। বুখারী ও সাজী বলেনঃ তিনি মুনকারুল হাদীস। আবু হাতিমও এরূপ কথাই বলেছেন, যেমনভাবে তার “আল-জারহু ওয়াত তা’দীল” গ্রন্থে (৪/২২২) এসেছে। তিনি হচ্ছেন মিথ্যার দোষে অভিযুক্ত।

সাখাবী হাদীসটি “ফাতাওয়াল হাদীসাহ” গ্রন্থে (কাফ ৮৬/১) উল্লেখ করে বলেছেনঃ হাদীসটির সনদ নিতান্তই দুর্বল।



হাদিসের মানঃ  জাল (Fake)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!

صاحب الشيء أحق بحمله إلا أن يكون ضعيفا يعجز عنه فيعينه أخوه المسلم
موضوع

-

رواه ابن الأعرابي في " معجمه " (235 / 1 - 2) وابن بشران في " الأمالي " (2 / 53 - 54) والحافظ محمد بن ناصر في " التنبيه " (16 / 1 - 2) من طريق يوسف بن زياد البصري عن عبد الرحمن بن زياد بن أنعم عن الأغر أبي مسلم عن أبي هريرة قال: دخلت مع رسول الله صلى الله عليه وسلم السوق، فقعد إلى
البزازين، فاشترى سراويل بأربعة دراهم، قال: وكان لأهل السوق رجل يزن بينهم الدراهم يقال له: فلان الوزان، قال: فدعي ليزن ثمن السراويل، فقال له النبي صلى الله عليه وسلم: " اتزن وأرجح "، فقال الوزان: إن هذا القول ما سمعته من أحد من الناس، فمن أنت؟ قال أبوهريرة: فقلت: حسبك من الرهق والجفاء في
دينك ألا تعرف نبيك؟ فقال: أهذا نبي الله؟ وألقى الميزان ووثب إلى يد رسول الله صلى الله عليه وسلم، فجذبها رسول الله صلى الله عليه وسلم وقال: " مه إنما يفعل هذا الأعاجم بملوكها، وإني لست بملك، إنما أنا رجل منكم " ثم جلس فاتزن الدراهم وأرجح كما أمره النبي صلى الله عليه وسلم، فلما انصرفنا تناولت السراويل من رسول الله صلى الله عليه وسلم لأحملها عنه فمنعني وقال: الحديث، قال.. قلت: يا رسول الله أو إنك لتلبس السراويل؟ قال: " نعم بالليل والنهار، وفي السفر والحضر "، قال يوسف: وشككت أنا في قوله: ومع أهلي، " فإني أمرت بالستر فلم أجد ثوبا أستر من السراويل
قلت: وهذا إسناد واه بمرة، يوسف هذا قال البخاري في " التاريخ الكبير " (4 / 2 / 388) : منكر الحديث، وأورده ابن الجوزي في " الموضوعات " (3 /47) من طريق ابن عدي عن يوسف هذا، ثم قال: لا يصح، قال الدارقطني في " الأفراد ": الحمل فيه على يوسف بن زياد لأنه مشهور بالأباطيل، ولم يروه عن
الإفريقي غيره، وقال المناوي في " الفيض ": قال الحافظ العراقي وابن حجر
ضعيف، وقال السخاوي: ضعيف جدا، بل بالغ ابن الجوزي فحكم بوضعه، وقال
فيه يوسف بن زياد عن عبد الرحمن الإفريقي، ولم يروه عنه غيره ورده المؤلف يعني السيوطي أنه لم يتفرد به يوسف، فقد خرجه البيهقي في " الشعب " و" الأدب " من طريق حفص بن عبد الرحمن، ويرد بأن عبد الرحمن يعني الإفريقي قال ابن حبان: يروي الموضوعات عن الثقات، فهو كاف بالحكم بوضعه
قلت: والحق مع ابن الجوزي لما سيأتي، وما ذكره المناوي عن السيوطي من متابعة حفص بن عبد الرحمن، لعله تحريف، فالذي رأيته في " التعقبات على الموضوعات " للسيوطي (ص 32 - 33) جعفر بن عبد الرحمن بن زياد، ولا آمن على نسخة " التعقبات " وكذا " الفيض " التحريف، وعلى كل حال لم أعرف ابن عبد الرحمن هذا والله أعلم، وكلام ابن الجوزي السابق نقله السيوطي في " اللآليء " (2 / 263) وارتضاه لأنه لم يتعقبه بشيء، لكنه قال: أخرجه الطبراني، وقال في " الحاوي " (2 / 101) بعد أن عزاه للطبراني وأبي يعلى
ويوسف وشيخه ضعيفان، وقال الهيثمي في " المجمع " (5 / 121 - 122) : رواه أبو يعلى والطبراني في " الأوسط "، وفيه يوسف بن زياد البصري وهو ضعيف
قلت: فذهل عن كونه شديد الضعف وعن علته الأخرى، وهي ضعف الإفريقي، ويوسف هذا ترجمه الخطيب في " تاريخه " (14 / 295 - 296) وروى عن النسائي أنه قال: ليس بثقة، وعن البخاري والساجي: منكر الحديث وكذا قال أبو حاتم كما في " الجرح والتعديل " (4 / 222) ، فهو متهم، ثم رأيت السخاوي قد أورد الحديث في " الفتاوى الحديثية " (ق 86 / 1) وقال: سنده ضعيف جدا، واقتصر شيخنا في " فتح الباري " على ضعف رواته، ولشدة ضعفه جزم بعض العلماء بأنه صلى الله عليه وسلم لم يلبس السراويل

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ তাওহীদ পাবলিকেশন
গ্রন্থঃ যঈফ ও জাল হাদিস
অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ
হাদিস নম্বরঃ ৯০ | 90 | ۹۰

৯০। তোমরা পশমী পোশাক গ্রহণ কর, তাহলে তোমরা তোমাদের হৃদয়ে ঈমানের মধুরতা পাবে। তোমরা পশমী পোশাক গ্রহণ কর, তাহলে স্বল্প খাদ্য প্রাপ্ত হবে। তোমরা পশমী পোশাক গ্রহণ কর; তাহলে তা দ্বারা তোমাদেরকে আখেরাতে চেনা যাবে। পশমী পোশাক হৃদয়কে গবেষণার অধিকারী করে আর গবেষণা বিচক্ষণতার অধিকারী করে এবং বিচক্ষণতা প্রবাহিত হয় রক্তনালীর মধ্যে। অতএব যে ব্যাক্তির গবেষণা বৃদ্ধি পাবে, তার খাদ্য কমে যাবে, তার জিহবা অকেজো হয়ে যাবে এবং তার অন্তর পাতলা হয়ে যাবে। আর যে ব্যাক্তির গবেষণা কমে যাবে তার খাদ্য বৃদ্ধি পাবে, তার শরীর মোটা হয়ে যাবে এবং তার হৃদয় শক্ত হয়ে যাবে। এ শক্ত হৃদয় দূরে সরে যাবে জান্নাত হতে এবং জাহান্নামের নিকটবর্তী হয়ে যাবে।

হাদীসটি জাল।

এটি আবূ বাকর ইবনুন নাকূর “আল-ফাওয়াইদ” গ্রন্থে (১/১৪৭-১৪৮), ইবনু বিশরান “আল-“আমালী” গ্রন্থে (২/৯/১), দাইলামী “মুসনাদুল ফিরদাউস” গ্রন্থে (২/২৮১) এবং ইবনুল জাওযী “মাওযূ'আত” গ্রন্থে (৩/৪৮) আল-খাতীব এর সূত্রে মুহাম্মাদ ইবনু ইউনুস আল-কুদায়মী হতে, তিনি তার শাইখ আব্দুল্লাহ ইবনু দাউদ আল-ওয়াসেতী হতে ... বর্ণনা করেছেন।

ইবনুল জাওযী বলেনঃ হাদীসটি সহীহ্ নয়। কুদায়মী হাদীস জাল করতেন এবং তার শাইখ দ্বারা দলীল গ্রহণ করা যায় না।

সুয়ূতী তার এ মতকে “আল-লাআলী” গ্রন্থে (২/২৬৪) সমর্থন করেছেন। তবে তিনি বলেছেন যে, হাদীসটিতে ইদরাজ করা হয়েছে (যা তার মধ্যে হওয়ার কথা নয় তা ঢুকিয়ে দেয়া হয়েছে)। তিনি তার “মুদরাজ ইলাল মুদরাজ” গ্রন্থে (২/৬৪) একটি বাক্য নকল করে বলেনঃ এটি বাইহাকী “শুয়াবুল ঈমান” গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন। বলেছেন যে, এটি হতে মারফু হচ্ছে শুধুমাত্র এ অংশটুকুঃ عليكم بلباس الصوف تجدوا حلاوة الإيمان في قلوبكم অবশিষ্ট অংশ অতিরিক্ত মুনকার।

এ জন্যেই তিনি “আল-জামেউস সাগীর” গ্রন্থে হাকিম ও বাইহাকীর উদ্ধৃতিতে উল্লেখ করেছেন। কিন্তু এ সূত্রেও জালকারী মুহাম্মাদ ইবনু ইউনুস রয়েছেন। তার সম্পর্কে ইবনু হিব্বান বলেনঃ সম্ভবত তিনি দু'হাজারেরও বেশি হাদীস জাল করেছেন।

এছাড়াও হাকিম “আল-মুসতাদরাক” গ্রন্থে অন্য একটি সূত্রে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। কিন্তু সেটিও সহীহ নয়।

মোটকথা এটির কোন সূত্রই সঠিক নয়। এটির সনদে ইবনু হাবীব মারওয়াযী রয়েছেন; তিনি মুনকার হাদীস বর্ণনা করতেন এবং আহমাদ ইবনু আবদিল্লাহ নামক বর্ণনাকারী রয়েছেন। আমার ধারণা তিনি প্রসিদ্ধ মিথ্যুক এবং তার ভাই মুহাম্মাদ মাজহুল।



হাদিসের মানঃ  জাল (Fake)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!

عليكم بلباس الصوف تجدوا حلاوة الإيمان في قلوبكم، وعليكم بلباس الصوف تجدوا قلة الأكل، وعليكم بلباس الصوف تعرفون به في الآخرة، وإن لباس الصوف يورث القلب التفكر، والتفكر يورث الحكمة، والحكمة تجري في الجوف مجرى الدم فمن كثر تفكره قل طعمه، وكل لسانه، ورق قلبه، ومن قل تفكره كثر طعمه، وعظم بدنه، وقسا قلبه، والقلب القاسي بعيد من الجنة، قريب من النار
موضوع

-

رواه أبو بكر بن النقور في " الفوائد " (1 / 147 - 148) وابن بشران في " الأمالي " (2 / 9 / 1) والديلمي في " مسند الفردوس " (2 / 281) ، وابن الجوزي في " الموضوعات " (3 / 48) من طريق الخطيب عن محمد بن يونس الكديمي، حدثنا عبد الله بن داود الواسطي التمار حدثنا إسماعيل بن عياش عن ثور بن يزيد عن خالد بن معدان عن أبي أمامة مرفوعا به، ثم قال ابن النقور: غريب، تفرد به عبد الله بن داود الواسطي التمار وفيه نظر، وعنه الكديمى، وقال ابن الجوزي: لا يصح، الكديمي يضع، وشيخه لا يحتج به
وأقره السيوطي في " اللآليء " (2 / 264) إلا أنه بين أن في الحديث إدراجا فقال: قلت: قال البيهقي في شعب الإيمان: أنبأنا أبو عبد الله الحافظ (هو الحاكم صاحب المستدرك) أنبأنا أبو بكر الفقيه، أنبأنا محمد بن يونس - قلت
فساق إسناده مثلما تقدم مقتصرا من المتن على قوله: " عليكم بلباس الصوف تجدوا حلاوة الإيمان " - قال البيهقي: وأنبأنا أبو عبد الرحمن - قلت: فساق إسناده إلى الكديمي مثله، وزاد في الحديث متنا منكرا، فضربت عليه وهو قوله
" عليكم بلباس الصوف تجدون قلة الأكل إلخ ... " الحديث، ويشبه أن يكون من كلام بعض الرواة فألحق بالحديث، والله أعلم
وفي العبارة تشويش يوضحها ما في " فيض القدير ": قال البيهقي: وهذه زيادة منكرة، ويشبه كونها من كلام..، ثم وجدت العبارة قد نقلها السيوطي في " المدرج إلى المدرج " (64 / 2) علي الصواب، فقال ما نصه: أخرجه البيهقي في " شعب الإيمان "، وقال: إن المرفوع منه " عليكم بلباس الصوف تجدون حلاوة الإيمان في قلوبكم " فقط، والباقي زيادة منكرة، قال: ويشبه ... قلت: وهذا هو مستند السيوطي في اقتصاره في " الجامع الصغير " على الشطر الأول من الحديث عازيا له للحاكم والبيهقي، وماذا يفيده هذا ما دام المزيد عليه، كالمزيد كلاهما من طريق محمد بن يونس الوضاع؟ ! وقال ابن حبان: لعله وضع أكثر من ألفي حديث
ثم رأيته في " المستدرك " (1 / 28) من هذا الوجه مقتصرا على الجملة الأولى منه أورده شاهدا، وقال الذهبي: طريق ضعيف
لكن أخرجه الديلمي أيضا من طريق عبد الرحمن بن محمد المروزي حدثنا أحمد بن عبد الله حدثنا أخي محمد عن إسماعيل بن عياش به نحوه
قلت: والمروزي هذا الظاهر أنه ابن حبيب الحبيبي المروزي، قال في " اللسان " قال الدارقطني: يحدث بنسخ وأحاديث مناكير، وأحمد بن عبد الله أظنه الجويباري الكذاب المشهور، وأخوه محمد أرى أنه الذي في " اللسان ": محمد بن عبد الله الجويباري عن مالك، قال الخطيب: مجهول

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

হাদিস দেখানো হচ্ছে   [81]  থেকে  [90]  পর্যন্ত এবং সর্বমোট   [2000]  টি হাদিস পাওয়া গেছে।