• ৭১৯৬১ টি সর্বমোট হাদিস আছেঃ
  • ৮২৭৫ টি প্রশ্নোত্তর ও ফিকাহঃ

 

 

 

 


হাদীস (حَدِيْث) এর শাব্দিক অর্থ: নতুন, প্রাচীন ও পুরাতন এর বিপরীত বিষয়। এ অর্থে যে সব কথা, কাজ ও বস্ত্ত পূর্বে ছিল না, এখন অস্তিত্ব লাভ করেছে  তাই হাদীস। এর আরেক অর্থ হলো: কথা। ফক্বীহগণের পরিভাষায় নাবী কারীম () আল্লাহ্‌র রাসূল হিসেবে যা কিছু বলেছেন, যা কিছু করেছেন এবং যা কিছু বলার বা করার অনুমতি দিয়েছেন অথবা সমর্থন জানিয়েছেন তাকে হাদীস বলা হয়। কিন্তু মুহাদ্দিসগণ এর সঙ্গে রাসুলুল্লাহ () সম্পর্কিত বর্ণনা ও তার গুণাবলী সম্পর্কিত বিবরণকেও হাদীসের অন্তর্ভুক্ত করেন। এ হিসেবে হাদীসকে প্রাথমিক পর্যায়ে তিন শ্রেণীতে ভাগ করা যায়:

১। ক্বওলী হাদীস: কোন বিষয়ে রাসুলুল্লাহ () যা বলেছেন, অর্থাৎ যে হাদীসে তাঁর কোন কথা বিবৃত হয়েছে তাকে ক্বওলী (বাণী সম্পর্কিত) হাদীস বলা হয়।

২। ফেলী হাদীস: মহানাবী ()-এর কাজকর্ম, চরিত্র ও আচার-আচরণের ভেতর দিয়েই ইসলামের যাবতীয় বিধি-বিধান ও রীতিনীতি পরিস্ফুট হয়েছে। অতএব যে হাদীসে তাঁর কোন কাজের বিবরণ উল্লেখিত হয়েছে তাকে ফে’লী (কর্ম সম্পর্কিত) হাদীস বলা হয়।

৩। তাকরীরী হাদীস: সাহাবীগণের যে সব কথা বা কাজ নাবী কারীম ()-এর অনুমোদন ও সমর্থন প্রাপ্ত হয়েছে, সে ধরনের কোন কথা বা কাজের বিবরণ হতেও শরীয়াতের দৃষ্টিভঙ্গি জানা যায়। অতএব যে হাদীসে এ ধরনের কোন ঘটনার বা কাজের উল্লেখ পাওয়া যায় তাকে তাকরীরী (সমর্থন মূলক) হাদীস বলে।

সুন্নাহ (السنة): হাদীসের অপর নাম সুন্নাহ্ (السنة) সুন্নাত শব্দের অর্থ চলার পথ, কর্মের নীতি ও পদ্ধতি। যে পন্থা ও রীতি নাবী কারীম () অবলম্বন করতেন তাকে সুন্নাত বলা হয়। অন্য কথায় রাসুলুল্লাহ () প্রচারিত উচ্চতম আদর্শই সুন্নাত। কুরআন মাজিদে মহত্তম ও সুন্দরতম আদর্শ (أُسْوَةٌ حَسَنَةٌ) বলতে এই সুন্নাতকেই বুঝানো হয়েছে।

খবর (خبر): হাদীসকে আরবী ভাষায় খবরও (خبر) বলা হয়। তবে খবর শব্দটি হাদীস ও ইতিহাস উভয়টিকেই বুঝায়।

আসার (أثر ): আসার শব্দটিও কখনও কখনও রাসুলুল্লাহ () এর হাদীসকে নির্দেশ করে। কিন্তু অনেকেই হাদীস ও আসার এর মধ্যে কিছু পার্থক্য করে থাকেন। তাঁদের মতে- সাহাবীগণ থেকে শরীয়াত সম্পর্কে যা কিছু উদ্ধৃত হয়েছে তাকে আসার বলে।

 

ইলমে হাদীসের কতিপয় পরিভাষা

সাহাবী (صحابى):  যিনি ঈমানের সঙ্গে রাসুলুল্লাহ () এর সাহচর্য লাভ করেছেন এবং ঈমানের সঙ্গে মৃত্যুবরণ করেছেন তাঁকে রাসুলুল্লাহ ()-এর সাহাবী বলা হয়।

তাবেঈ (تابعى) : যিনি রাসুলুল্লাহ ()-এর কোন সাহাবীর নিকট হাদীস শিক্ষা করেছেন অথবা অন্ততপক্ষে তাঁকে দেখেছেন এবং মুসলমান হিসেবে মৃত্যুবরণ করেছেন তাঁকে তাবেঈ বলা হয়।

তাবে-তাবেঈ (تابعى تابع) : যিনি  কোন তাবেঈ এর নিকট হাদীস শিক্ষা করেছেন অথবা অন্ততপক্ষে তাঁকে দেখেছেন এবং মুসলমান হিসেবে মৃত্যুবরণ করেছেন তাঁকে তাবে-তাবেঈ বলা হয়।

মুহাদ্দিস (محدث) : যিনি হাদীস চর্চা করেন এবং বহু সংখ্যক হাদীসের সনদ ও মতন সম্পর্কে বিশেষ জ্ঞান রাখেন তাঁকে মুহাদ্দিস বলা হয়।

শাইখ (شيخ) : হাদীসের শিক্ষাদাতা রাবীকে শায়খ বলা হয়।

শাইখান (شيخان) : সাহাবীগনের মধ্যে আবূ বকর (রাঃ) ও উমর  (রাঃ)- কে একত্রে শাইখান বলা হয়। কিন্তু হাদীস শাস্ত্রে ইমাম বুখারী (রাহি.) ও ইমাম মুসলিম (রাহি.)-কে এবং ফিক্বহ-এর পরিভাষায় ইমাম আবূ হানীফা (রাহি.) ও আবূ ইউসুফ (রাহি.)-কে একত্রে শাইখান বলা হয়। 

হাফিয (حافظ) : যিনি সনদ ও মতনের বৃত্তান্ত সহ এক লাখ হাদীস আয়ত্ত করেছেন তাঁকে হাফিয বলা হয়।

হুজ্জাত (حجة) : অনুরূপভাবে যিনি তিন লক্ষ হাদীস আয়ত্ত করেছেন তাঁকে হুজ্জাত বলা হয়।  

হাকিম (حاكم) : যিনি সব হাদীস আয়ত্ত করেছেন তাকে হাকিম বলা হয়।

রিজাল (رجال) : হাদীসের রাবী সমষ্টিকে রিজাল বলে। যে শাস্ত্রে রাবীগণের জীবনী বর্ণনা করা হয়েছে তাকে আসমাউর-রিজাল বলা হয়।                                                                                 

রিওয়ায়াত (رواية): হাদীস বর্ণনা করাকে রিওয়ায়াত বলে। কখনও কখনও মূল হাদীসকেও রিওয়ায়াত বলা হয়। যেমন- এই কথার সমর্থনে একটি রিওয়ায়াত (হাদীস) আছে।                           

সনদ (سند): হাদীসের মূল কথাটুকু যে সূত্র পরম্পরায় গ্রন্থ সংকলনকারী পর্যন্ত পৌঁছেছে তাকে সনদ বলা হয়। এতে হাদীস বর্ণনাকারীদের নাম একের পর এক সজ্জিত থাকে।

মতন (متن): হাদীসে মূল কথা ও তার শব্দ সমষ্টিকে মতন বলে।

মারফূ (مرفوع): যে হাদীসের সনদ (বর্ণনা পরম্পরা) রাসুলুল্লাহ () পর্যন্ত পৌঁছেছে  তাকে মারফূ হাদীস বলে।

মাওকূফ (موقوف) : যে হাদীসের বর্ণনা- সূত্র ঊর্ধ্ব দিকে সাহাবী পর্যন্ত পৌঁছেছে , অর্থাৎ যে সনদ -সূত্রে কোন সাহাবীর কথা বা কাজ বা অনুমোদন বর্ণিত হয়েছে তাকে মাওকূফ হাদীস বলে। এর অপর নাম আসার।

মাকতূ (مقطوع): যে হাদীসের সনদ কোন তাবেঈ পর্যন্ত পৌঁছেছে, তাকে মাকতূ হাদীস বলা হয়।

তালীক (تعليق): কোন কোন গ্রন্থকার হাদীসের পূর্ণ সনদ বাদ দিয়ে কেবল মূল হাদীস বর্ণনা করেছেন। এরূপ করাকে তা’লীক বলা হয়।

মুদাল্লাস (مدلس): যে হাদীসের রাবী নিজের প্রকৃত শাইখের (উস্তাদের) নাম উল্লেখ না করে তার উপরস্থ শাইখের নামে এভাবে হাদীস বর্ণনা করেছেন যাতে মনে হয় যে, তিনি নিজেই উপরস্থ শাইখের নিকট তা শুনেছেন অথচ তিনি তাঁর নিকট সেই হাদীস শুনেন নি- সে হাদীসকে মুদাল্লাস হাদীস এবং এইরূপ করাকে ‘তাদ্লীস’ আর যিনি এইরূপ করেন তাকে মুদালস্নীস বলা হয়।

মুযতারাব (مضطرب): যে হাদীসের রাবী হাদীসের মতন ও সনদকে বিভিন্ন প্রকারে বর্ণনা করেছেন সে হাদীসকে হাদীসে মুযতারাব বলা হয়। যে পর্যন্ত না এর কোনরূপ সমন্বয় সাধন সম্ভবপর হয়, সে পর্যন্ত এই হাদীসের ব্যাপারে অপেক্ষা করতে হবে অর্থাৎ এই ধরনের রিওয়ায়াত প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না।

মুদ্রাজ (مدرج): যে হাদীসের মধ্যে রাবী নিজের অথবা অপরের উক্তিকে অনুপ্রবেশ করিয়েছেন, সে হাদীসকে মুদ্রাজ এবং এইরূপ করাকে ‘ইদরাজ’ বলা হয়।

মুত্তাসিল (متصل): যে হাদীসের সনদের ধারাবাহিকতা প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত পূর্ণরূপে রক্ষক্ষত আছে, কোন সত্মরেই কোন রাবীর নাম বাদ পড়ে নি তাকে মুত্তাসিল হাদীস বলে।

মুনকাতি (منقطع): যে হাদীসের সনদে ধারাবাহিকতা রক্ষিত হয় নি, মাঝখানে কোন এক স্তরে কোন রাবীর নাম বাদ পড়েছে, তাকে মুনকাতি হাদীস, আর এই বাদ পড়াকে ইনকিতা বলা হয়।

মুরসাল (مرسل): যে হাদীসের সনদে ইনকিতা শেষের দিকে হয়েছে, অর্থাৎ সাহাবীর নাম বাদ পড়েছে এবং তাবেঈ সরাসরি রাসুলুল্লাহ () এর উল্লেখ করে হাদীস বর্ণনা করেছেন তাকে মুরসাল হাদীস বলা হয়।

মুআল্লাক ( معلق ) : সনদের ইনকিতা প্রথম দিকে  হলে, অর্থাৎ সাহাবীর পর এক বা একাধিক রাবীর নাম বাদ পড়লে তাকে মু’আল্লাক হাদীস বলা হয়।

মুদাল (معضل): যে হাদীসে দুই বা ততোধিক রাবী ক্রমান্বয়ে সনদ থেকে বাদ পড়েছে তাকে মু‘দাল হাদীস বলে।

মুতাবি ও শাহিদ (متابع و شاهد): এক রাবীর হাদীসের অনুরূপ যদি অপর রাবীর কোন হাদীস পাওয়া যায় তবে দ্বিতীয় রাবীর হাদীসকে প্রথম রাবীর হাদীসের মুতাবি বলা হয়। যদি উভয় হাদীসের মূল রাবী অর্থাৎ সাহাবী একই ব্যক্তি না হয় তবে দ্বিতীয় ব্যক্তির হাদীসকে শাহিদ বলে। আর এইরূপ হওয়াকে শাহাদাত বলে। মুতাবা’আত ও শাহাদাত দ্বারা প্রথম হাদীসটির শক্তি বৃদ্ধি পায়।

মারূফ ও মুনকার (معروف و منكر): কোন দুর্বল রাবীর বর্ণিত হাদীস অপর কোন মাকবূল (গ্রহণযোগ্য) রাবীর বর্ণিত হাদীসের বিরোধী হলে তাকে মুনকার বলা হয় এবং মাকবূল রাবীর হাদীসকে মা‘রূফ বলা হয়।

সহীহ (صحيح) : যে মুত্তাসিল হাদীসের সনদে উল্লেখিত প্রত্যেক রাবীই পূর্ণ আদালত ও যাবত (ধারণ ক্ষমতা) গুণ সম্পন্ন এবং হাদীসটি যাবতীয় দোষত্রুটি ও শায মুক্ত তাকে সহীহ হাদীস বলে।

হাসান (حسن) : যে হাদীসের মধ্যে রাবীর যাবত (ধারণ ক্ষমতা) এর গুণ ব্যতীত সহীহ হাদীসের সমস্ত শর্তই পরিপূর্ণ রয়েছে তাকে হাসান হাদীস বলা হয়। ফক্বীহগণ সাধারণত সহীহ ও হাসান হাদীসের ভিত্তিতে শরীয়াতের বিধান নির্ধারণ  করেন।

যঈফ (ضعيف ) : যে হাদীসের রাবী কোন হাসান হাদীসের রাবীর গুণসম্পন্ন নন তাকে যঈফ হাদীস বলে।

মাওযূ ( موضوع ) : যে হাদীসের রাবী জীবনে কখনও ইচ্ছাকৃতভাবে রাসুলুল্লাহ ()-এর নামে মিথ্যা কথা রটনা করেছেন বলে প্রমাণিত হয়েছে, তার বর্ণিত হাদীসকে মাওযূ‘ হাদীস বলে।

 

রাবীর সংখ্যা বিচারে হাদীস প্রধানত দুপ্রকার। যথা: ১. মুতওয়াতির (متواتر) ও ২. আহাদ (أحاد)

১. মুতওয়াতির (متواتر): বৃহৎ সংখ্যক রাবীর বর্ণিত হাদীস, মিথ্যার ব্যাপারে যাদের উপর একাট্টা হওয়া অসম্ভব, সনদের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত এ সংখ্যা বিদ্যমান থাকলে হাদীসকে মুতওয়াতির (متواتر) বলা হয়।

২. আহাদ (أحاد): أحاد তিন প্রকার। যথা:

মাশহুর (مشهور): যে কোন স্তরে হাদীস বর্ণনা কারীর সংখ্যা যদি দুই এর অধিক হয়, কিন্তু মুতওয়াতির এর পর্যায়ে পৌঁছে না তাকে মাশহুর (مشهور) বলে।

আযীয (عزيز): যে কোন স্তরে হাদীস বর্ণনা কারীর সংখ্যা যদি দু‘জন হয় ।

গরীব (غريب): যে কোন স্তরে হাদীস বর্ণনা কারীর সংখ্যা যদি এক জন হয় ।

শায (شاذ): একাধিক নির্ভরযোগ্য রাবীর বিপরীত একজন নির্ভরযোগ্য রাবীর বর্ণনাকে শায হাদীস বলে।

 কিয়াস (قياس): অর্থ অনুমান, পরিমাপ, তুলনা ইত্যাদি। পরিভাষায়: শাখাকে মূলের সঙ্গে তুলনা করা, যার ফলে শাখা ও মূল একই হুকুমের অমত্মর্ভুক্ত হয়ে যায়।

তাক্বলীদ (تقليد): দলীল উল্লেখ ছাড়াই কোন ব্যক্তির মতামতকে গ্রহণ করা।

ইজতিহাদ (اجتهاد): উদ্দিষ্ট জ্ঞান অর্জনের প্রচেষ্টা চালানোকে ইজতিহাদ বলে।

শরীয়াত (شريعة): অর্থ: আইন, বিধান, পথ, পন্থা ইত্যাদি। পরিভাষায়: মহান আল্লাহ্‌ স্বীয় দীন হতে বান্দার জন্য যা বিধিবদ্ধ করে দিয়েছেন তাকে শরীয়াত বলে।

মাযহাব (مذهب): অর্থ- মত, পথ, মতবাদ ইত্যাদি। ফিক্বহী পরিভাষায়: ইবাদাত ও মু‘আমালাতের ক্ষেত্রে শারঈ হুকুম পালনের জন্য বান্দা যে পথ অনুসরণ করে এবং প্রত্যেক দলের জন্য একজন ইমামের উপর অথবা ইমামের ওসীয়ত কিংবা ইমামের প্রতিনিধির উপর নির্ভর করে তাকে মাযহাব বলে।

নাযর (نذر): কোন বিষয়ে উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য চিন্তা-ভাবনা করাকে নাযর বলে।

আম (عام): সীমাবদ্ধ করা ছাড়াই যা দুই বা ততোধিক বিষয়কে অন্তর্ভুক্ত করে তাকে আম বলে।

খাস (خاص): আম এর বিপরীত, যা নির্দিষ্ট বিষয়কে অন্তর্ভুক্ত করে।

ইজমা (اجماع): কোন এক যুগে আলিমদের কোন শারঈ বিষয়ের উপর এক মত পোষণ করাকে ইজমা বলে।

মুসনাদ (مسند): যার সনদগুলো পরস্পর এমনভাবে মিলিত যে, প্রত্যেকের বর্ণনা সুস্পষ্ট।

ফিক্বহ (فقه): ইজতিহাদ বা গবেষণার পদ্ধতিতে শারঈ হুকুম সম্পর্কে জানার বিধানকে ফিক্বহ বলে।

আসল বা মূল (اصل): এমন প্রথম বিষয়, যার উপর ভিত্তি করে কোন কিছু গড়ে উঠে। যেমন- দেয়ালের ভিত্তি।

ফারা বা শাখা (فرع): আসলের বিপরীত যা কোন ভিত্তির উপর গড়ে উঠে।

ওয়াজিব (واجب): যা আমল করলে সাওয়াব পাওয়া যাবে আর পরিত্যাগ করলে শাস্তি পাওয়া যাবে।

মানদূব (مندوب): যা আমল করলে সাওয়াব পাওয়া যাবে আর পরিত্যাগ করলে শাস্তি হবে না।

মাহযূর (محظور): যা পরিত্যাগ করলে সাওয়াব পাওয়া যাবে আর আমল করলে শাস্তি পাওয়া যাবে।

মাকরূহ (مكروه): যা পরিত্যাগ করলে সাওয়াব পাওয়া যাবে আর আমল করলে শাস্তি হবে না।

ফাৎওয়া (فتوى): জিজ্ঞাসিত ব্যক্তির নিকট থেকে দলীল ভিত্তিক শারঈ হুকুম সুস্পষ্ট বর্ণনা করে নেয়াকে ফাৎওয়া বলে।

নাসিখ (ناسخ): পরিবর্তিত শারঈ দলীল যা পূববর্তী শারঈ হুকুমকে রহিত করে দেয় তাকে নাসিখ বলে।

মানসূখ (منسوخ): আর যে হুকুমটি রহিত হয়ে যায় সেটাই মানসূখ।

মুতলাক্ব (مطلق): যা প্রকৃতিগত দিক থেকে জাতির সকলকে অন্তর্ভুক্ত  করে কিন্তু অনির্দিষ্টভাবে একটি অর্থকে বুঝায়।

মুকাইয়্যাদ (مقيد): যা মুতলাক্বের বিপরীত অর্থাৎ জাতির সকলকে অন্তর্ভুক্ত  করে না। বরং নির্দিষ্ট একটি অর্থকে বুঝায়।

হাক্বীকাত (حقيقة): শব্দকে আসল অর্থে ব্যবহার করাকে হাক্বীকত বলে। যেমন- সিংহ শব্দটি এক প্রজাতির হিংস্র প্রাণীকে বুঝায়।

মাজায (مجاز): শব্দ যখন আসল অর্থকে অতিক্রম করে তার সাথে সাদৃশ্য রাখে এমন অর্থ প্রকাশ করে তখন তাকে মাজায বলে। যেমন- সাহসী লোককে সিংহের সাথে তুলনা করা।

হাদিসের পরিসংখ্যান

সর্বমোট হাদিস পাওয়া গেছেঃ [342] টি | অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ
গ্রন্থঃ যঈফ ও জাল হাদিস | দেখানো হচ্ছে   [71]  থেকে  [80]  পর্যন্ত
প্রতি পাতাতে টি হাদিস

পাবলিশারঃ তাওহীদ পাবলিকেশন
গ্রন্থঃ যঈফ ও জাল হাদিস
অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ
হাদিস নম্বরঃ ৭১ | 71 | ۷۱

৭১। তাকবীর হচ্ছে পৃথক পৃথক ভাবে। (অর্থাৎ আযানের তাকবীর)

হাদীসটির কোন ভিত্তি নেই।

এমনই বলেছেন হাফিয ইবনু হাজার, সাখাবী ও সুয়ূতী। তবে সুয়ূতী এটিকে ইবরাহীম নাখ'ঈর কথা হিসাবে উল্লেখ করেছেন। তিনি এ তাকবীর দ্বারা বুঝিয়েছেন সলাতের তাকবীর। আযানের সাথে এর কোন সম্পর্ক নেই, যেমনভাবে কেউ কেউ ধারণা পোষণ করেছেন। মিসরের একদল লোক এ হাদীসের উপর আমল করে পৃথক পৃথক ভাবে আযান দিয়ে থাকেন। যদিও এ পদ্ধতিতে আযান দেয়ার কোন ভিত্তি সুন্নাতের মধ্যে নেই। কারণ আযানে দু' তাকবীরকে একসাথে জোড়া জোড়া করে বলার ব্যাপারে সহীহ সুন্নাতে প্রকাশ্য ইঙ্গিত এসেছে। যা সহীহ মুসলিমে উমর (রাঃ) হতে বর্ণিত হয়েছে।



হাদিসের মানঃ  জাল (Fake)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!

التكبير جزم
لا أصل له

-

كما قال الحافظ ابن حجر والسخاوي، وكذا السيوطي، وله رسالة خاصة في الحديث في كتابه " الحاوي للفتاوي " (2 / 71) وقد بين فيها أنه من قول إبراهيم النخعي، وأن معنى قوله جزم لا يمد ثم ذكر قول من فسره بأنه لا يعرب بل يسكن آخره
ثم رده من وجوه ثلاثة أوردها فليراجعها من شاء
ثم إن الحديث مع كونه لا أصل له مرفوعا، وإنما هو من قول إبراهيم، فإنما يريد به التكبير في الصلاة كما يستفاد من كلام السيوطي في الرسالة المشار إليها فلا علاقة له بالأذان كما توهم بعضهم، فإن هناك طائفة من المنتمين للسنة في مصر وغيرها تؤذن كل تكبيرة على حدة: الله أكبر، الله أكبر، عملا بهذا الحديث زعموا! والتأذين على هذه الصفة مما لا أعلم له أصلا في السنة، بل ظاهر الحديث الصحيح خلافه، فقد روى مسلم في " صحيحه " (2 / 4) من حديث عمر ابن الخطاب مرفوعا: " إذا قال المؤذن: الله أكبر الله أكبر، فقال أحدكم
الله أكبر الله أكبر، ثم قال: أشهد أن لا إله إلا الله، قال: أشهد أن لا إله ألا الله، الحديث ... ففيه إشارة ظاهرة إلى أن المؤذن يجمع بين كل تكبيرتين، وأن السامع يجيبه كذلك، وفي شرح صحيح مسلم للنووي ما يؤيد هذا فليراجعه من شاء
ومما يؤيد ذلك ما ورد في بعض الأحاديث أن الأذان كان شفعا شفعا

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ তাওহীদ পাবলিকেশন
গ্রন্থঃ যঈফ ও জাল হাদিস
অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ
হাদিস নম্বরঃ ৭২ | 72 | ۷۲

৭২। আল্লাহ তা’য়ালা আমাকে শিষ্টাচার শিক্ষা দিয়েছেন, অতঃপর আমার শিষ্টাচারে সুন্দর রূপ দান করেছেন।

হাদীসটি দুর্বল।

হাদীসটি দুর্বল। ইবনু তাইমিয়া “মাজমু'আতুর রাসায়েলিল কুবরা” গ্রন্থে (২/৩৩৬) বলেনঃ হাদীসটির অর্থ সহীহ, কিন্তু তার সনদ সম্পর্কে জানা যায় না। সাখাবী ও সুয়ূতী তার একথাকে সমর্থন করে শক্তিশালী করেছেন। দেখুন "কাশফুল খাফা" (১/৭০)।



হাদিসের মানঃ  যঈফ (Dai'f)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!

أدبني ربي فأحسن تأديبي
ضعيف

-


قال ابن تيمية في " مجموعة الرسائل الكبرى " (2 / 336) : معناه صحيح، ولكن لا يعرف له إسناد ثابت، وأيده السخاوي والسيوطي فراجع " كشف الخفاء " (1 /70)

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ তাওহীদ পাবলিকেশন
গ্রন্থঃ যঈফ ও জাল হাদিস
অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ
হাদিস নম্বরঃ ৭৩ | 73 | ۷۳

৭৩। যে ব্যাক্তি তর্জনী অংগুলি দু’টোর ভিতরের অংশ দ্বারা মুয়াযযিন কর্তৃক আস-হাদু’আন্না মুহাম্মাদার রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলার সময় দু’ চোখ মাসাহ করবে; তার জন্য রাসুল-এর সুপারিশ অপরিহার্য হয়ে যাবে।

হাদীসটি সহীহ নয়।

হাদিসটি দাইলামী "মুসনাদুল ফিরদাউস" গ্রন্থে আবু বাকর (রাঃ) হতে মারফু' হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

ইবনু তাহির "আত-তাযকীরাহ" গ্রন্থে বলেনঃ এটি সহীহ নয়।

শাওকানী "আহাদীসুল মাওযূ'আহ" গ্রন্থে (পৃঃ ৯) অনুরূপ কথাই বলেছেন। সাখাবীও "মাকাদীসুল হাসানা" গ্রন্থের মধ্যে অনুরূপ বলেছেন।



হাদিসের মানঃ  যঈফ (Dai'f)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!

مسح العينين بباطن أنملتي السبابتين عند قول المؤذن: أشهد أن محمدا رسول الله ... إلخ وأن من فعل ذلك حلت له شفاعته صلى الله عليه وسلم
لا يصح

-

رواه الديلمي في " مسند الفردوس " عن أبي بكر رضي الله عنه مرفوعا
قال ابن طاهر في " التذكرة ": لا يصح، كذا في " الأحاديث الموضوعة " للشوكاني
(ص 9) وكذلك قال السخاوي في المقاصد

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ তাওহীদ পাবলিকেশন
গ্রন্থঃ যঈফ ও জাল হাদিস
অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ
হাদিস নম্বরঃ ৭৪ | 74 | ۷٤

৭৪। তোমরা মোটা-তাজা শক্তিশালী পশু দ্বারা কুরবানী কর; কারন তা হবে পুল-সিরাতের উপর তোমাদের বাহন।

এ ভাষায় হাদীসটির কোন ভিত্তি নেই।

ইবনু সালাহ বলেনঃ هذا حديث غير معروف ولا ثابت এ হাদিসটি পরিচিতও না এবং সাব্যস্তও হয়নি। হাদীসটি ইসমাঈল আল-আজলুনী “আল-কাশফ” গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন। তার পূর্বে ইবনুল মুলাক্কিন “আল-খুলাসা" গ্রন্থে (১৬৪/২) উল্লেখ করেছেন।

আমি (আলবানী) বলছিঃ হাদীসটির সনদ খুবই দুর্বল। এটি সম্পর্কে ২৬৮৭ নং হাদীসে বিস্তারিত আলোচনা আসবে। ইনশাআল্লাহ।



হাদিসের মানঃ  জাল (Fake)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!

عظموا ضحاياكم فإنها على الصراط مطاياكم
لا أصل له بهذا اللفظ

-

قال ابن الصلاح: هذا حديث غير معروف ولا ثابت، نقله الشيخ إسماعيل العجلوني في " الكشف " ومن قبله ابن الملقن في " الخلاصة " (164 / 2) وزاد: قلت
وأسنده صاحب الفردوس بلفظ " استفرهو ا " بدل " عظموا " أي: ضحوا بالثمينة القوية السمينة
قلت: وسنده ضعيف جدا، وسوف يأتي تحقيق الكلام عليه بإذن الله تعالى (2687)

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ তাওহীদ পাবলিকেশন
গ্রন্থঃ যঈফ ও জাল হাদিস
অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ
হাদিস নম্বরঃ ৭৫ | 75 | ۷۵

৭৫। সালাত (নামায/নামাজ) ছুটে যাবার পূর্বেই দ্রুত তোমরা তা আদায় কর এবং মৃত্যু গ্রাস করার পূর্বেই দ্রুত তাওবাহ কর।

হাদীসটি জাল।

তবে তার অর্থটি সঠিক। সাগানী "আল-আহাদীসুল মাওযূ'আহ" গ্রন্থে (পৃঃ ৪-৫) হাদিসটি উল্লেখ করেছেন।



হাদিসের মানঃ  জাল (Fake)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!

عجلوا بالصلاة قبل الفوت، وعجلوا بالتوبة قبل الموت
موضوع

-

ومعناه صحيح، أورده الصغاني في " الأحاديث الموضوعة " (ص 4 - 5)

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ তাওহীদ পাবলিকেশন
গ্রন্থঃ যঈফ ও জাল হাদিস
অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ
হাদিস নম্বরঃ ৭৬ | 76 | ۷٦

৭৬। আলেমগণ ব্যাতিত সব মানুষ মৃত, ‘আমলকারীগন ব্যতীত সব আলেম ধ্বংসপ্রাপ্ত, মুখলেসগণ ব্যাতিত সব আমলকারী ডুবে রয়েছে। আর মুখলেসগণ মহা বিপদে নিপতিত।

হাদীসটি জাল।

হাদিসটি সাগানী "আল-আহাদীসুল মাওযূ'আহ" গ্রন্থে (পৃঃ ৫) উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেনঃ এটি একটি মিথ্যারোপ।

আমি (আলবানী) বলছিঃ সূফীদের কথার সাথে এটির সাদৃশ্যতা রয়েছে।



হাদিসের মানঃ  জাল (Fake)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!

الناس كلهم موتى الا العالمون، والعالمون كلهم هلكى الا العاملون والعاملون كلهم غرقى الا المخلصون، والمخلصون على خطر عظيم
موضوع

-

أورده الصغاني (ص 5) وقال: وهذا الحديث مفترى ملحون، والصواب في الإعراب: " العالمين والعاملين والمخلصين)
قلت: وهو شبيه بكلام الصوفية، ومثله قول سهل بن عبد الله التستري: الناس كلهم سكارى إلا العلماء، والعلماء كلهم حيارى إلا من عمل بعلمه، رواه الخطيب في " اقتضاء العلم العمل " (رقم 22 - بتحقيقي) ثم روى من طريق أخرى عنه قال
الدنيا جهل وموات، إلا العلم، والعلم كله حجة إلا العمل به، والعمل كله هباء إلا الإخلاص، والإخلاص على خطر عظيم حتى يختم به
قلت: وهذا أقرب إلى هذا الحديث، فلعله هو أصله، رفعه بعض جهلة الصوفية

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ তাওহীদ পাবলিকেশন
গ্রন্থঃ যঈফ ও জাল হাদিস
অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ
হাদিস নম্বরঃ ৭৭ | 77 | ۷۷

৭৭। একমাত্র ঈসা (আঃ)-ই হচ্ছেন মাহদী।

হাদীসটি মুনকার।

এটি ইবনু মাজাহ (২/৪৯৫), হাকিম (৪/৪৪১), ইবনুল জাওযী “আল-ওয়াহিয়াত” গ্রন্থে (১৪৪৭), ইবনু আবদিল বার “জামেউল ইলম” গ্রন্থে (১/১৫৫), আবু আমর আদানী “আস-সুনানুল ওয়ারিদা ফিল ফিতান” গ্রন্থে, সিলাকী “আত-তায়ূরিয়াত” গ্রন্থে (৬২/১) এবং খাতীব বাগদাদী (৪/২২১) মুহাম্মাদ ইবনু খালেদ জানাদী সূত্রে আবান ইবনু সালেহ হতে, তিনি হাসান হতে ... বর্ণনা করেছেন।

হাদীসটির সনদ তিনটি কারণে দুর্বলঃ

১। হাসান বাসরী কর্তৃক আন আন “عن عن” শব্দ দ্বারা বর্ণনাকৃত। কারণ তিনি কখনও কখনও তার শাইখের নাম গোপন করতেন (তাদলীস করতেন)।

২। সনদে বর্ণিত মুহাম্মাদ ইবনু খালিদ আল-জানাদী মাজহুল; যেমনভাবে হাফিয ইবনু হাজার “আত-তাকরীব” গ্রন্থে বলেছেন।

৩। হাদীসটির সনদে বিভিন্নতা।

বাইহাকী বলেনঃ হাসান বাসরী সূত্রে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে হাদীসটি মুনকাতি।

যাহাবী “আল-মীযান” গ্রন্থে বলেনঃ إنه خبر منكر এ হাদীসটি মুনকার। তিনি এটিকে মুরসালও বলেছেন।

সাগানী বলেনঃ হাদীসটি জাল; যেমনভাবে শাওকানীর “আল-আহাদীসুল মাওযুআহ” গ্রন্থে (পৃঃ ১৯৫) এসেছে।

সুয়ূতী “আল-ওরফুল ওয়ারদী কী আখবারিল মাহদী” (২/২৭৪) গ্রন্থে কুরতুবীর উদ্ধৃতিতে বলেন, তিনি “তাযকিরা” গ্রন্থে বলেছেনঃ এটির সনদ দুর্বল। হাফিয ইবনু হাজার "ফতহুল বারীর" মধ্যে (৬/৩৮৫) ইঙ্গিত দিয়েছেন এ হাদীসটি মারদূদ (পরিত্যাক্ত) মাহদী সংক্রান্ত হাদীসগুলোর বিরোধী হওয়ার কারণে।



হাদিসের মানঃ  মুনকার (সর্বদা পরিত্যক্ত)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!

لا مهدي إلا عيسى
منكر

-

أخرجه ابن ماجه (2 / 495) والحاكم (4 / 441) وابن الجوزي في " الواهيات " (1447) وابن عبد البر في " جامع العلم " (1 / 155) وأبو عمرو الداني في " السنن الواردة في الفتن " (3 / 3 / 2، 4 / 9 / 1، 5 / 22 / 2) والسلفي في " الطيوريات " (62 / 1) والخطيب (4 / 221) من طريق محمد بن خالد الجندي
عن أبان بن صالح عن الحسن عن أنس مرفوعا بلفظ
" لا يزداد الأمر إلا شدة، ولا الدنيا إلا إدبارا، ولا الناس إلا شحا، ولا تقوم الساعة إلا على شرار الناس، ولا مهدي إلا عيسى بن مريم
قلت: وهذا إسناد ضعيف فيه علل ثلاث
الأولى: عنعنة الحسن البصري، فإنه قد كان يدلس
الثانية: جهالة محمد بن خالد الجندي، فإنه مجهول كما قال الحافظ في " التقريب " تبعا لغيره كما يأتي
الثالثة: الاختلاف في سنده
قال البيهقي: قال أبو عبد الله الحافظ: محمد بن خالد مجهول واختلفوا عليه في إسناده، فرواه صامت بن معاذ قال: حدثنا يحيى بن السكن، حدثنا محمد بن خالد ... فذكره، قال صامت: عدلت إلى الجند مسيرة يومين من صنعاء، فدخلت على محدث لهم، فوجدت هذا الحديث عنده عن محمد بن خالد عن أبان بن أبي عياش عن الحسن مرسلا، قال البيهقي: فرجع الحديث إلى رواية محمد بن خالد الجندي وهو مجهول عن أبان أبي عياش، وهو متروك عن الحسن عن النبي صلى الله عليه وسلم، وهو منقطع، والأحاديث في التنصيص على خروج المهدي أصح البتة إسنادا، نقله في " التهذيب
وقال الذهبي في " الميزان ": إنه خبر منكر، ثم ساق الرواية الأخيرة عن ابن أبي عياش عن الحسن مرسلا ثم قال: فانكشف ووهى
وقال الصغاني: موضوع كما في " الأحاديث الموضوعة " للشوكاني (ص 195) ونقل السيوطي في " العرف الوردي في أخبار المهدي " (2 / 274 من الحاوي) عن القرطبي أنه قال في " التذكرة ": إسناد ضعيف، والأحاديث عن النبي صلى الله عليه وسلم في التنصيص على خروج المهدي من عترته من ولد فاطمة ثابتة أصح من هذا الحديث فالحكم بها دونه
وقد أشار الحافظ في " الفتح " (6 / 385) إلى رد هذا الحديث لمخالفته لأحاديث المهدي
وهذا الحديث تستغله الطائفة القاديانية في الدعوة لنبيهم المزعوم: ميرزا غلام أحمد القادياني الذي ادعى النبوة، ثم ادعى أنه هو عيسى بن مريم المبشر بنزوله في آخر الزمان، وأنه لا مهدي إلا عيسى بناء على هذا الحديث المنكر، وقد راجت دعواه على كثيرين من ذوي الأحلام الضعيفة، شأن كل دعوة باطلة لا تعدم من يتباناها ويدعوإليها، وقد ألفت كتب كثيرة في الرد على هؤلاء الضلال، ومن أحسنها رسالة الأستاذ الفاضل المجاهد أبي الأعلى المودودى رحمه الله في الرد عليها، وكتابه الآخر الذي صدر أخيرا بعنوان " البيانات " فقد بين فيهما حقيقة القاديانيين، وأنهم مرقوا من دين المسلمين بأدلة لا تقبل الشك، فليرجع إليهما من شاء.
(تنبيه) قوله في هذا الحديث: " ولا تقوم الساعة إلا على شرار الناس " هذه الجملة منه صحيحة ثابتة عنه صلى الله عليه وسلم من حديث عبد الله بن مسعود! خرجه مسلم وأحمد

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ তাওহীদ পাবলিকেশন
গ্রন্থঃ যঈফ ও জাল হাদিস
অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ
হাদিস নম্বরঃ ৭৮ | 78 | ۷۸

৭৮। মু’মিনের উচ্ছিষ্টে রয়েছে আরোগ্য।

হাদীসটির কোন ভিত্তি নেই।

শাইখ আহমাদ আল-গাযালী আল-আমেরী "আল-যাদ্দুল হাসীস" গ্রন্থে (১৬৮) বলেনঃ ليس بحديث এটি কোন হাদীস নয়। তার একথাকে শাইখ আজলুনী “কাশফুল খাফা” গ্রন্থে (১/৪৫৮) সমর্থন করেছেন ।

আমি (আলবানী) বলছিঃ শাইখ আলী আল-কারী তার “মাওযূ"আত” গ্রন্থে (পৃঃ ৪৫) বলেছেনঃ অর্থের দিক দিয়ে হাদীসটি সহীহ্। ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতে মারফু হিসাবে “আল-আফরাদ” গ্রন্থে দারাকুতনীর নিম্নের বর্ণনার কারণেঃ

من التواضع أن يشرب الرجل من سؤر أخيه أي المؤمن

'কোন ব্যক্তি কর্তৃক তার মুমিন ভাইয়ের উচ্ছিষ্ট হতে পানি পান করা বিনয়ের অন্তর্ভুক্ত।'

কিন্তু ইবনু আব্বাস (রাঃ)-এর মারফু হাদীসটিও সহীহ নয়। তার বিবরণ একটু পরেই আসবে। যদি সহীহ্ হত তাহলেও এটি মূলহীন হাদীসের সাক্ষী [শাহেদ] হতে পারতো না। কীভাবে হবে? যাতে মুমিনের উচ্ছিষ্ট আরোগ্য স্বরূপ একথাটি না স্পষ্টভাবে আছে আর না পরোক্ষভাবে আছে।



হাদিসের মানঃ  জাল (Fake)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!

سؤر المؤمن شفاء
لا أصل له

-

قال الشيخ أحمد الغزي العامري في " الجد الحثيث " (رقم 168 من نسختي) : ليس بحديث، وأقره الشيخ العجلوني في " كشف الخفاء " (1 / 458)
قلت: وأما قول الشيخ على القاري في " موضوعاته " (ص 45) : هو صحيح من جهة المعنى لرواية الدارقطني في " الأفراد " من حديث ابن عباس مرفوعا: " من التواضع أن يشرب الرجل من سؤر أخيه " أي المؤمن، فيقال له كما تعلمنا منه في مثل هذه المناسبة: ثبت العرش ثم انقش! "، فإن هذا الحديث غير صحيح أيضا، وبيانه فيما بعد، على أنه لوصح لما كان شاهدا له! كيف وليس فيه أن سؤر المؤمن شفاء لا تصريحا ولا تلويحا، فتأمل

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ তাওহীদ পাবলিকেশন
গ্রন্থঃ যঈফ ও জাল হাদিস
অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ
হাদিস নম্বরঃ ৭৯ | 79 | ۷۹

৭৯। কোন ব্যাক্তির তার ভাইয়ের উচ্ছিষ্ট হতে পান করা নম্রতার অন্তর্ভুক্ত। যে ব্যাক্তি তার ভাইয়ের উচ্ছিষ্ট হতে আল্লাহর সন্তুষ্টি প্রাপ্তির লক্ষ্যে পান করবে, তার মর্যাদা সত্তর গুণ বৃদ্ধি করা হবে। এবং তার সত্তরটি গুনাহ (অপরাধ) মোচন করে দেয়া হবে এবং তার জন্য সত্তরটি মর্যাদা লিখা হবে।

হাদীসটি জাল।

ইবনুল জাওযী “আল-মাওয়ূ"আত” গ্রন্থে (৩/৪০) দারাকুতনীর বর্ণনায় নূহ ইবনু মারইয়াম সূত্রে ... উল্লেখ করেছেন। অতঃপর তিনি বলেছেনঃ  নুহ এককভাবে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন, তিনি মাতরূক।

কিন্তু সুয়ূতী “আল-লাআলিল মাসনূয়াহ" গ্রন্থে (২/২৫৯) তার সমালোচনা করে বলেছেনঃ এটির মুতাবায়াত পাওয়া যায়। কিন্তু ইসমাঈলী তার “আল-মুজাম” গ্রন্থে (২/১২৩) এমন এক সনদে বর্ণনা করেছেন, যার মধ্যে ইব্রাহীম ইবনু আহমাদ আল-বালখী এবং হাসান ইবনু রাশীদ আল-মারওয়ায়ী নামক দুই বর্ণনাকারী রয়েছেন।

আমি (আলবানী) বলছিঃ এ হাসান মুনকারুল হাদীস । ইবনু হাজার আসকালানীর “আল-লিসান” গ্রন্থে এসেছে; উকায়লী বলেনঃ তার হাদীসে সন্দেহ রয়েছে। তিনি মুনকার হাদীস বর্ণনা করতেন। অতঃপর ইবনু আব্বাস (রাঃ)-এর সেই হাদীসটি উল্লেখ করেছেন যেটিকে ইবনু আবী হাতিম মুনকার বলেছেন। তিনি আরো বলেছেনঃ হাদীসটি বাতিল, তার কোন ভিত্তি নেই।

আবু বাকর আল-ইসমাঈলী বলেনঃ ইবরাহীম ইবনু আহমাদ আল-বালখী ও হাসান ইবনু রাশীদ আল-মারওয়ায়ী তারা উভয়েই মাজহুল (অপিরিচিত)। অতএব, সুয়ূতীর পক্ষ হতে সমর্থন সূচক হাদীস রয়েছে এ দাবীকরণ সঠিক নয়। কারণ সেটিও সহীহ নয়।

আমি (আলবানী) বলছিঃ এ নূহ ছিলেন জ্ঞানীদের একজন। আবু হানীফা (রহঃ)-এর ফিকাহ জমা করার কারণে আল-জামে নামে তার নামকরণ করা হয়। কিন্তু হাদীস বর্ণনার ক্ষেত্রে তিনি ছিলেন একজন মিথ্যার দোষে দোষী ব্যক্তি। তার সম্পর্কে আবু আলী নাইসাপূরী বলেনঃ كان كذابا তিনি ছিলেন একজন মিথ্যুক।’

আবু সাঈদ আন-নাক্কাশ বলেনঃ তিনি জাল হাদীস বর্ণনা করেছেন। তার সম্পর্কে হাকিম বলেনঃ সত্যবাদিতা ব্যতীত তাকে সব কিছু দান করা হয়েছিল। আল্লাহর নিকট তার পদস্থলনের জন্য আশ্রয় প্রার্থনা করছি। ইবনু হিব্বানও অনুরূপ কথা বলেছেন। হাফিয বুরহান উদ্দীন হালাবী “কাশফুল হাসীস” গ্রন্থে তাকে হাদীস জালকারীদের অন্তর্ভুক্ত করেছেন।

এছাড়া হাদীসটির আরো একটি সমস্যা আছে, তা হচ্ছে ইবনু জুরায়েজ কর্তৃক তাদলীস। তিনি একজন সম্মানিত ব্যক্তি হওয়া সত্ত্বেও মুদল্লিস ছিলেন।

ইমাম আহমাদ বলেনঃ কিছু কিছু জাল হাদীসকে ইবনু যুরায়েজ মুরসাল হিসাবে চালিয়ে দিতেন। তিনি কোথা হতে হাদীসটি গ্রহণ করেছেন এ ব্যাপারে বে-পারওয়া ছিলেন । যাহাবীর “আল-মীযান” গ্রন্থে এমনটিই এসেছে।

দারাকুতনী বলেনঃ ইবনু যুরায়েজের তাদলীস (শাইখকে গোপন করা) হতে বেঁচে থাকুন। কারণ তিনি জঘন্যতম তাদলীস করতেন। তিনি তাদলীস করতেন একমাত্র ঐ ব্যক্তি হতে যিনি দোষণীয়।

“আত-তাহযীব” গ্রন্থেও অনুরূপ বলা হয়েছে।



হাদিসের মানঃ  জাল (Fake)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!

من التواضع أن يشرب الرجل من سؤر أخيه، ومن شرب من سؤر أخيه ابتغاء وجه الله تعالى رفعت له سبعون درجة، ومحيت عنه سبعون خطيئة، وكتب له سبعون درجة
موضوع

-

أورده ابن الجوزي في " الموضوعات " (3 / 40) برواية الدارقطني من طريق نوح بن أبي مريم عن ابن جريج عن عطاء عن ابن عباس مرفوعا به، وقال ابن الجوزي: تفرد به نوح وهو متروك، وتعقبه السيوطي في " اللآليء المصنوعة " (2 / 259 طبع المكتبة الحسينية) بقوله: قلت: له متابع، قال الإسماعيلي في " معجمه " (ق 123 / 2 - مصورة الجامعة الإسلامية) : أخبرني علي بن محمد بن حاتم أبو الحسن القومسي: حدثنا جعفر بن محمد الحداد القومسي، حدثنا إبراهيم بن أحمد البلخي، حدثنا الحسن بن رشيد المروزي عن ابن جريج، وعنه يعني المروزي هذا ثلاثة أنفس، فيه لين، الأصل: فيهم وهو خطأ
قلت: بل الحسن هذا منكر الحديث، فقد قال ابن أبي حاتم في " الجرح والتعديل " (1 / 2 / 14) بعد أن نقل عن أبيه أنه مجهول: يدل حديثه على الإنكار، وذلك أنه روى عن ابن جريج عن عطاء عن ابن عباس أنه قال: من صبر في حر مكة ساعة باعد الله عز وجل منه جهنم سبعين خريفا، ومن مشى في طريق مكة ساعة، كل قدم يضعها ترفع له درجة، والأخرى حسنة
وفي " اللسان ": وقال العقيلي فيه: في حديثه وهم، ويحدث بمناكير، ثم ساق حديث ابن عباس الذي استنكره ابن أبي حاتم وقال: هذا حديث باطل لا أصل له
والحديث رواه السهمي الجرجاني في " تاريخ جرجان " (262) من طريق شيخه أبي بكر الإسماعيلى قال: حدثنا علي بن محمد بن حاتم بن دينار أبو الحسن القومسي وكان صدوقا، إلخ ... وقال: قال شيخنا أبو بكر الإسماعيلى: إبراهيم ابن أحمد والحسن بن رشيد مجهولان
ومما أوردنا يتبين أن هذه المتابعة لا تسمن ولا تغني من جوع لشدة ضعفها، وجهالة الراوي عنها، فلا قيمة لتعقب
السيوطي على ابن الجوزي، ولعله يشير لهذا صنيع الشوكاني في " الأحاديث الموضوعة " (ص 68) حيث ساق الحديث ثم اكتفى في تخريجه على قوله: رواه الدارقطني وفي إسناده متروك، فلم يتعرض للمتابعة المزعومة بذكر
قلت: ونوح هذا كان من أهل العلم، وكان يسمى: الجامع، لجمعه فقه أبي حنيفة ولكنه متهم في الرواية، قال أبو علي النيسابوري: كان كذابا، وقال أبو سعيد النقاش: روى الموضوعات، وقال الحاكم: هو مقدم في علومه إلا أنه ذاهب الحديث بمرة، وقد أفحش أئمة الحديث القول فيه ببراهين ظاهرة، وقال أيضا: لقد كان جامعا، رزق كل شيء إلا الصدق! نعوذ بالله تعالى من الخذلان، وكذا قال ابن حبان، وقد أورد الحافظ برهان الدين الحلبي في رسالة " الكشف الحثيث عمن رمي بوضع الحديث " كما في " الفوائد البهية في تراجم الحنفية " (ص 221)
ثم إن للحديث علة أخرى لم أر من تنبه لها وهي عنعنة ابن جريج، فإنه على جلالة قدره كان مدلسا
قال الإمام أحمد: بعض هذه الأحاديث التي كان يرسلها ابن جريج أحاديث موضوعة، كان ابن جريج لا يبالي من أين يأخذها، يعني قوله: أخبرت وحدثت عن فلان، كذا في " الميزان "، وقال الدارقطني: تجنب تدليس ابن جريج
فإنه قبيح التدليس، لا يدلس إلا فيما سمعه من مجروح، مثل إبراهيم بن أبي يحيى وموسى بن عبيدة وغيرهما، كذا في " التهذيب "، فإن سلم الحديث من ابن أبي مريم والحسن بن رشيد، فلن يسلم من تدليس ابن جريج

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ তাওহীদ পাবলিকেশন
গ্রন্থঃ যঈফ ও জাল হাদিস
অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ
হাদিস নম্বরঃ ৮০ | 80 | ۸۰

৮০। মাহাদী হবে আমার চাচা আব্বাসের সন্তানদের থেকে।

হাদীসটি জাল।

এটিকে দারাকুতনী “আল-আফরাদ” গ্রন্থে (২/ নম্বর ২৬) উল্লেখ করেছেন। তার থেকে দাইলামী (৪/৮৪) ও ইবনুল জাওযী “আল-ওয়াহিয়াত” গ্রন্থে (১৪৩১) মুহাম্মাদ ইবনুল ওয়ালীদ আল-কুরাশী সূত্রে ... উল্লেখ করেছেন। দারাকুতনী বলেনঃ হাদীসটি গারীব, মুহাম্মাদ ইবনুল ওয়ালীদ এককভাবে উল্লেখিত সনদে বর্ণনা করেছেন।

আমি (আলবানী) বলছিঃ তিনি মিথ্যার দোষে দোষী। ইবনু আদী বলেনঃ كان يضع الحديث তিনি হাদীস জাল করতেন।' আবু আরবাহ বলেনঃ كذاب তিনি মিথ্যুক।’ ইবনুল জাওযীর উদ্ধৃতিতে মানাবী একই কারণ দর্শিয়েছেন।

আমি (আলবানী) বলছিঃ এ হাদীসটি মিথ্যা হওয়ার প্রমাণ এই যে, এটি রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কথা বিরোধী। তিনি বলেনঃ “মাহদী আমার মেয়ে ফাতিমার সন্তানদের মধ্য থেকে হবে।" এটিকে আবু দাউদ (২/২০৭-২০৮), ইবনু মাজাহ (২/৫১৯), হাকিম (৪/৫৫৭), আবু আমর আদানী ও উকায়লী যিয়াদ ইবনু বায়ান সূত্রে বর্ণনা করেছেন।



হাদিসের মানঃ  জাল (Fake)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!

المهدي من ولد العباس عمي
موضوع

-
أخرجه الدارقطني في " الأفراد " (ج 2 رقم 26 من أصلى المنقول عن مخطوطة الظاهرية) وعنه الديلمي (4 / 84) وابن الجوزي في " الواهيات " (1431) من طريق محمد بن الوليد القرشي، حدثنا أسباط بن محمد وصلة بن سليمان الواسطي عن سليمان التيمي عن قتادة عن سعيد بن المسيب عن عثمان بن عفان مرفوعا، وقال الدارقطني: غريب، تفرد به محمد بن الوليد مولى بني هاشم بهذا الإسناد
قلت: وهو متهم بالكذب، قال ابن عدي: كان يضع الحديث، وقال أبو عروبة
كذاب، وبهذا أعله المناوي في " الفيض " نقلا عن ابن الجوزي، وبه تبين خطأ السيوطي في إيراده لهذا الحديث في " الجامع الصغير "
قلت: ومما يدل على كذب هذا الحديث أنه مخالف لقوله صلى الله عليه وسلم
المهدي من عترتي من ولد فاطمة ، أخرجه أبو داود (2 / 207 - 208) وابن ماجه (2 / 519) والحاكم (4 / 557) وأبو عمرو الداني في " السنن الواردة في الفتن " (99 - 100) وكذا العقيلي (139 و300) من طريق زياد بن بيان عن علي بن نفيل عن سعيد بن المسيب عن أم سلمة مرفوعا، وهذا سند جيد رجاله كلهم
ثقات، وله شواهد كثيرة، فهو دليل واضح على رد هذا الحديث، ومثله

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

হাদিস দেখানো হচ্ছে   [71]  থেকে  [80]  পর্যন্ত এবং সর্বমোট   [342]  টি হাদিস পাওয়া গেছে।