• ৭১৯৬৩ টি সর্বমোট হাদিস আছেঃ
  • ৮০৩৩ টি প্রশ্নোত্তর ও ফিকাহঃ

 

 

 

 


হাদীস (حَدِيْث) এর শাব্দিক অর্থ: নতুন, প্রাচীন ও পুরাতন এর বিপরীত বিষয়। এ অর্থে যে সব কথা, কাজ ও বস্ত্ত পূর্বে ছিল না, এখন অস্তিত্ব লাভ করেছে  তাই হাদীস। এর আরেক অর্থ হলো: কথা। ফক্বীহগণের পরিভাষায় নাবী কারীম () আল্লাহ্‌র রাসূল হিসেবে যা কিছু বলেছেন, যা কিছু করেছেন এবং যা কিছু বলার বা করার অনুমতি দিয়েছেন অথবা সমর্থন জানিয়েছেন তাকে হাদীস বলা হয়। কিন্তু মুহাদ্দিসগণ এর সঙ্গে রাসুলুল্লাহ () সম্পর্কিত বর্ণনা ও তার গুণাবলী সম্পর্কিত বিবরণকেও হাদীসের অন্তর্ভুক্ত করেন। এ হিসেবে হাদীসকে প্রাথমিক পর্যায়ে তিন শ্রেণীতে ভাগ করা যায়:

১। ক্বওলী হাদীস: কোন বিষয়ে রাসুলুল্লাহ () যা বলেছেন, অর্থাৎ যে হাদীসে তাঁর কোন কথা বিবৃত হয়েছে তাকে ক্বওলী (বাণী সম্পর্কিত) হাদীস বলা হয়।

২। ফেলী হাদীস: মহানাবী ()-এর কাজকর্ম, চরিত্র ও আচার-আচরণের ভেতর দিয়েই ইসলামের যাবতীয় বিধি-বিধান ও রীতিনীতি পরিস্ফুট হয়েছে। অতএব যে হাদীসে তাঁর কোন কাজের বিবরণ উল্লেখিত হয়েছে তাকে ফে’লী (কর্ম সম্পর্কিত) হাদীস বলা হয়।

৩। তাকরীরী হাদীস: সাহাবীগণের যে সব কথা বা কাজ নাবী কারীম ()-এর অনুমোদন ও সমর্থন প্রাপ্ত হয়েছে, সে ধরনের কোন কথা বা কাজের বিবরণ হতেও শরীয়াতের দৃষ্টিভঙ্গি জানা যায়। অতএব যে হাদীসে এ ধরনের কোন ঘটনার বা কাজের উল্লেখ পাওয়া যায় তাকে তাকরীরী (সমর্থন মূলক) হাদীস বলে।

সুন্নাহ (السنة): হাদীসের অপর নাম সুন্নাহ্ (السنة) সুন্নাত শব্দের অর্থ চলার পথ, কর্মের নীতি ও পদ্ধতি। যে পন্থা ও রীতি নাবী কারীম () অবলম্বন করতেন তাকে সুন্নাত বলা হয়। অন্য কথায় রাসুলুল্লাহ () প্রচারিত উচ্চতম আদর্শই সুন্নাত। কুরআন মাজিদে মহত্তম ও সুন্দরতম আদর্শ (أُسْوَةٌ حَسَنَةٌ) বলতে এই সুন্নাতকেই বুঝানো হয়েছে।

খবর (خبر): হাদীসকে আরবী ভাষায় খবরও (خبر) বলা হয়। তবে খবর শব্দটি হাদীস ও ইতিহাস উভয়টিকেই বুঝায়।

আসার (أثر ): আসার শব্দটিও কখনও কখনও রাসুলুল্লাহ () এর হাদীসকে নির্দেশ করে। কিন্তু অনেকেই হাদীস ও আসার এর মধ্যে কিছু পার্থক্য করে থাকেন। তাঁদের মতে- সাহাবীগণ থেকে শরীয়াত সম্পর্কে যা কিছু উদ্ধৃত হয়েছে তাকে আসার বলে।

 

ইলমে হাদীসের কতিপয় পরিভাষা

সাহাবী (صحابى):  যিনি ঈমানের সঙ্গে রাসুলুল্লাহ () এর সাহচর্য লাভ করেছেন এবং ঈমানের সঙ্গে মৃত্যুবরণ করেছেন তাঁকে রাসুলুল্লাহ ()-এর সাহাবী বলা হয়।

তাবেঈ (تابعى) : যিনি রাসুলুল্লাহ ()-এর কোন সাহাবীর নিকট হাদীস শিক্ষা করেছেন অথবা অন্ততপক্ষে তাঁকে দেখেছেন এবং মুসলমান হিসেবে মৃত্যুবরণ করেছেন তাঁকে তাবেঈ বলা হয়।

তাবে-তাবেঈ (تابعى تابع) : যিনি  কোন তাবেঈ এর নিকট হাদীস শিক্ষা করেছেন অথবা অন্ততপক্ষে তাঁকে দেখেছেন এবং মুসলমান হিসেবে মৃত্যুবরণ করেছেন তাঁকে তাবে-তাবেঈ বলা হয়।

মুহাদ্দিস (محدث) : যিনি হাদীস চর্চা করেন এবং বহু সংখ্যক হাদীসের সনদ ও মতন সম্পর্কে বিশেষ জ্ঞান রাখেন তাঁকে মুহাদ্দিস বলা হয়।

শাইখ (شيخ) : হাদীসের শিক্ষাদাতা রাবীকে শায়খ বলা হয়।

শাইখান (شيخان) : সাহাবীগনের মধ্যে আবূ বকর (রাঃ) ও উমর  (রাঃ)- কে একত্রে শাইখান বলা হয়। কিন্তু হাদীস শাস্ত্রে ইমাম বুখারী (রাহি.) ও ইমাম মুসলিম (রাহি.)-কে এবং ফিক্বহ-এর পরিভাষায় ইমাম আবূ হানীফা (রাহি.) ও আবূ ইউসুফ (রাহি.)-কে একত্রে শাইখান বলা হয়। 

হাফিয (حافظ) : যিনি সনদ ও মতনের বৃত্তান্ত সহ এক লাখ হাদীস আয়ত্ত করেছেন তাঁকে হাফিয বলা হয়।

হুজ্জাত (حجة) : অনুরূপভাবে যিনি তিন লক্ষ হাদীস আয়ত্ত করেছেন তাঁকে হুজ্জাত বলা হয়।  

হাকিম (حاكم) : যিনি সব হাদীস আয়ত্ত করেছেন তাকে হাকিম বলা হয়।

রিজাল (رجال) : হাদীসের রাবী সমষ্টিকে রিজাল বলে। যে শাস্ত্রে রাবীগণের জীবনী বর্ণনা করা হয়েছে তাকে আসমাউর-রিজাল বলা হয়।                                                                                 

রিওয়ায়াত (رواية): হাদীস বর্ণনা করাকে রিওয়ায়াত বলে। কখনও কখনও মূল হাদীসকেও রিওয়ায়াত বলা হয়। যেমন- এই কথার সমর্থনে একটি রিওয়ায়াত (হাদীস) আছে।                           

সনদ (سند): হাদীসের মূল কথাটুকু যে সূত্র পরম্পরায় গ্রন্থ সংকলনকারী পর্যন্ত পৌঁছেছে তাকে সনদ বলা হয়। এতে হাদীস বর্ণনাকারীদের নাম একের পর এক সজ্জিত থাকে।

মতন (متن): হাদীসে মূল কথা ও তার শব্দ সমষ্টিকে মতন বলে।

মারফূ (مرفوع): যে হাদীসের সনদ (বর্ণনা পরম্পরা) রাসুলুল্লাহ () পর্যন্ত পৌঁছেছে  তাকে মারফূ হাদীস বলে।

মাওকূফ (موقوف) : যে হাদীসের বর্ণনা- সূত্র ঊর্ধ্ব দিকে সাহাবী পর্যন্ত পৌঁছেছে , অর্থাৎ যে সনদ -সূত্রে কোন সাহাবীর কথা বা কাজ বা অনুমোদন বর্ণিত হয়েছে তাকে মাওকূফ হাদীস বলে। এর অপর নাম আসার।

মাকতূ (مقطوع): যে হাদীসের সনদ কোন তাবেঈ পর্যন্ত পৌঁছেছে, তাকে মাকতূ হাদীস বলা হয়।

তালীক (تعليق): কোন কোন গ্রন্থকার হাদীসের পূর্ণ সনদ বাদ দিয়ে কেবল মূল হাদীস বর্ণনা করেছেন। এরূপ করাকে তা’লীক বলা হয়।

মুদাল্লাস (مدلس): যে হাদীসের রাবী নিজের প্রকৃত শাইখের (উস্তাদের) নাম উল্লেখ না করে তার উপরস্থ শাইখের নামে এভাবে হাদীস বর্ণনা করেছেন যাতে মনে হয় যে, তিনি নিজেই উপরস্থ শাইখের নিকট তা শুনেছেন অথচ তিনি তাঁর নিকট সেই হাদীস শুনেন নি- সে হাদীসকে মুদাল্লাস হাদীস এবং এইরূপ করাকে ‘তাদ্লীস’ আর যিনি এইরূপ করেন তাকে মুদালস্নীস বলা হয়।

মুযতারাব (مضطرب): যে হাদীসের রাবী হাদীসের মতন ও সনদকে বিভিন্ন প্রকারে বর্ণনা করেছেন সে হাদীসকে হাদীসে মুযতারাব বলা হয়। যে পর্যন্ত না এর কোনরূপ সমন্বয় সাধন সম্ভবপর হয়, সে পর্যন্ত এই হাদীসের ব্যাপারে অপেক্ষা করতে হবে অর্থাৎ এই ধরনের রিওয়ায়াত প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না।

মুদ্রাজ (مدرج): যে হাদীসের মধ্যে রাবী নিজের অথবা অপরের উক্তিকে অনুপ্রবেশ করিয়েছেন, সে হাদীসকে মুদ্রাজ এবং এইরূপ করাকে ‘ইদরাজ’ বলা হয়।

মুত্তাসিল (متصل): যে হাদীসের সনদের ধারাবাহিকতা প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত পূর্ণরূপে রক্ষক্ষত আছে, কোন সত্মরেই কোন রাবীর নাম বাদ পড়ে নি তাকে মুত্তাসিল হাদীস বলে।

মুনকাতি (منقطع): যে হাদীসের সনদে ধারাবাহিকতা রক্ষিত হয় নি, মাঝখানে কোন এক স্তরে কোন রাবীর নাম বাদ পড়েছে, তাকে মুনকাতি হাদীস, আর এই বাদ পড়াকে ইনকিতা বলা হয়।

মুরসাল (مرسل): যে হাদীসের সনদে ইনকিতা শেষের দিকে হয়েছে, অর্থাৎ সাহাবীর নাম বাদ পড়েছে এবং তাবেঈ সরাসরি রাসুলুল্লাহ () এর উল্লেখ করে হাদীস বর্ণনা করেছেন তাকে মুরসাল হাদীস বলা হয়।

মুআল্লাক ( معلق ) : সনদের ইনকিতা প্রথম দিকে  হলে, অর্থাৎ সাহাবীর পর এক বা একাধিক রাবীর নাম বাদ পড়লে তাকে মু’আল্লাক হাদীস বলা হয়।

মুদাল (معضل): যে হাদীসে দুই বা ততোধিক রাবী ক্রমান্বয়ে সনদ থেকে বাদ পড়েছে তাকে মু‘দাল হাদীস বলে।

মুতাবি ও শাহিদ (متابع و شاهد): এক রাবীর হাদীসের অনুরূপ যদি অপর রাবীর কোন হাদীস পাওয়া যায় তবে দ্বিতীয় রাবীর হাদীসকে প্রথম রাবীর হাদীসের মুতাবি বলা হয়। যদি উভয় হাদীসের মূল রাবী অর্থাৎ সাহাবী একই ব্যক্তি না হয় তবে দ্বিতীয় ব্যক্তির হাদীসকে শাহিদ বলে। আর এইরূপ হওয়াকে শাহাদাত বলে। মুতাবা’আত ও শাহাদাত দ্বারা প্রথম হাদীসটির শক্তি বৃদ্ধি পায়।

মারূফ ও মুনকার (معروف و منكر): কোন দুর্বল রাবীর বর্ণিত হাদীস অপর কোন মাকবূল (গ্রহণযোগ্য) রাবীর বর্ণিত হাদীসের বিরোধী হলে তাকে মুনকার বলা হয় এবং মাকবূল রাবীর হাদীসকে মা‘রূফ বলা হয়।

সহীহ (صحيح) : যে মুত্তাসিল হাদীসের সনদে উল্লেখিত প্রত্যেক রাবীই পূর্ণ আদালত ও যাবত (ধারণ ক্ষমতা) গুণ সম্পন্ন এবং হাদীসটি যাবতীয় দোষত্রুটি ও শায মুক্ত তাকে সহীহ হাদীস বলে।

হাসান (حسن) : যে হাদীসের মধ্যে রাবীর যাবত (ধারণ ক্ষমতা) এর গুণ ব্যতীত সহীহ হাদীসের সমস্ত শর্তই পরিপূর্ণ রয়েছে তাকে হাসান হাদীস বলা হয়। ফক্বীহগণ সাধারণত সহীহ ও হাসান হাদীসের ভিত্তিতে শরীয়াতের বিধান নির্ধারণ  করেন।

যঈফ (ضعيف ) : যে হাদীসের রাবী কোন হাসান হাদীসের রাবীর গুণসম্পন্ন নন তাকে যঈফ হাদীস বলে।

মাওযূ ( موضوع ) : যে হাদীসের রাবী জীবনে কখনও ইচ্ছাকৃতভাবে রাসুলুল্লাহ ()-এর নামে মিথ্যা কথা রটনা করেছেন বলে প্রমাণিত হয়েছে, তার বর্ণিত হাদীসকে মাওযূ‘ হাদীস বলে।

 

রাবীর সংখ্যা বিচারে হাদীস প্রধানত দুপ্রকার। যথা: ১. মুতওয়াতির (متواتر) ও ২. আহাদ (أحاد)

১. মুতওয়াতির (متواتر): বৃহৎ সংখ্যক রাবীর বর্ণিত হাদীস, মিথ্যার ব্যাপারে যাদের উপর একাট্টা হওয়া অসম্ভব, সনদের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত এ সংখ্যা বিদ্যমান থাকলে হাদীসকে মুতওয়াতির (متواتر) বলা হয়।

২. আহাদ (أحاد): أحاد তিন প্রকার। যথা:

মাশহুর (مشهور): যে কোন স্তরে হাদীস বর্ণনা কারীর সংখ্যা যদি দুই এর অধিক হয়, কিন্তু মুতওয়াতির এর পর্যায়ে পৌঁছে না তাকে মাশহুর (مشهور) বলে।

আযীয (عزيز): যে কোন স্তরে হাদীস বর্ণনা কারীর সংখ্যা যদি দু‘জন হয় ।

গরীব (غريب): যে কোন স্তরে হাদীস বর্ণনা কারীর সংখ্যা যদি এক জন হয় ।

শায (شاذ): একাধিক নির্ভরযোগ্য রাবীর বিপরীত একজন নির্ভরযোগ্য রাবীর বর্ণনাকে শায হাদীস বলে।

 কিয়াস (قياس): অর্থ অনুমান, পরিমাপ, তুলনা ইত্যাদি। পরিভাষায়: শাখাকে মূলের সঙ্গে তুলনা করা, যার ফলে শাখা ও মূল একই হুকুমের অমত্মর্ভুক্ত হয়ে যায়।

তাক্বলীদ (تقليد): দলীল উল্লেখ ছাড়াই কোন ব্যক্তির মতামতকে গ্রহণ করা।

ইজতিহাদ (اجتهاد): উদ্দিষ্ট জ্ঞান অর্জনের প্রচেষ্টা চালানোকে ইজতিহাদ বলে।

শরীয়াত (شريعة): অর্থ: আইন, বিধান, পথ, পন্থা ইত্যাদি। পরিভাষায়: মহান আল্লাহ্‌ স্বীয় দীন হতে বান্দার জন্য যা বিধিবদ্ধ করে দিয়েছেন তাকে শরীয়াত বলে।

মাযহাব (مذهب): অর্থ- মত, পথ, মতবাদ ইত্যাদি। ফিক্বহী পরিভাষায়: ইবাদাত ও মু‘আমালাতের ক্ষেত্রে শারঈ হুকুম পালনের জন্য বান্দা যে পথ অনুসরণ করে এবং প্রত্যেক দলের জন্য একজন ইমামের উপর অথবা ইমামের ওসীয়ত কিংবা ইমামের প্রতিনিধির উপর নির্ভর করে তাকে মাযহাব বলে।

নাযর (نذر): কোন বিষয়ে উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য চিন্তা-ভাবনা করাকে নাযর বলে।

আম (عام): সীমাবদ্ধ করা ছাড়াই যা দুই বা ততোধিক বিষয়কে অন্তর্ভুক্ত করে তাকে আম বলে।

খাস (خاص): আম এর বিপরীত, যা নির্দিষ্ট বিষয়কে অন্তর্ভুক্ত করে।

ইজমা (اجماع): কোন এক যুগে আলিমদের কোন শারঈ বিষয়ের উপর এক মত পোষণ করাকে ইজমা বলে।

মুসনাদ (مسند): যার সনদগুলো পরস্পর এমনভাবে মিলিত যে, প্রত্যেকের বর্ণনা সুস্পষ্ট।

ফিক্বহ (فقه): ইজতিহাদ বা গবেষণার পদ্ধতিতে শারঈ হুকুম সম্পর্কে জানার বিধানকে ফিক্বহ বলে।

আসল বা মূল (اصل): এমন প্রথম বিষয়, যার উপর ভিত্তি করে কোন কিছু গড়ে উঠে। যেমন- দেয়ালের ভিত্তি।

ফারা বা শাখা (فرع): আসলের বিপরীত যা কোন ভিত্তির উপর গড়ে উঠে।

ওয়াজিব (واجب): যা আমল করলে সাওয়াব পাওয়া যাবে আর পরিত্যাগ করলে শাস্তি পাওয়া যাবে।

মানদূব (مندوب): যা আমল করলে সাওয়াব পাওয়া যাবে আর পরিত্যাগ করলে শাস্তি হবে না।

মাহযূর (محظور): যা পরিত্যাগ করলে সাওয়াব পাওয়া যাবে আর আমল করলে শাস্তি পাওয়া যাবে।

মাকরূহ (مكروه): যা পরিত্যাগ করলে সাওয়াব পাওয়া যাবে আর আমল করলে শাস্তি হবে না।

ফাৎওয়া (فتوى): জিজ্ঞাসিত ব্যক্তির নিকট থেকে দলীল ভিত্তিক শারঈ হুকুম সুস্পষ্ট বর্ণনা করে নেয়াকে ফাৎওয়া বলে।

নাসিখ (ناسخ): পরিবর্তিত শারঈ দলীল যা পূববর্তী শারঈ হুকুমকে রহিত করে দেয় তাকে নাসিখ বলে।

মানসূখ (منسوخ): আর যে হুকুমটি রহিত হয়ে যায় সেটাই মানসূখ।

মুতলাক্ব (مطلق): যা প্রকৃতিগত দিক থেকে জাতির সকলকে অন্তর্ভুক্ত  করে কিন্তু অনির্দিষ্টভাবে একটি অর্থকে বুঝায়।

মুকাইয়্যাদ (مقيد): যা মুতলাক্বের বিপরীত অর্থাৎ জাতির সকলকে অন্তর্ভুক্ত  করে না। বরং নির্দিষ্ট একটি অর্থকে বুঝায়।

হাক্বীকাত (حقيقة): শব্দকে আসল অর্থে ব্যবহার করাকে হাক্বীকত বলে। যেমন- সিংহ শব্দটি এক প্রজাতির হিংস্র প্রাণীকে বুঝায়।

মাজায (مجاز): শব্দ যখন আসল অর্থকে অতিক্রম করে তার সাথে সাদৃশ্য রাখে এমন অর্থ প্রকাশ করে তখন তাকে মাজায বলে। যেমন- সাহসী লোককে সিংহের সাথে তুলনা করা।

হাদিসের পরিসংখ্যান

সর্বমোট হাদিস পাওয়া গেছেঃ [71] টি | অধ্যায়ঃ ২৪/ অভিযান (كتاب السير عن رسول الله صلى الله عليه وسلم)
গ্রন্থঃ সূনান তিরমিজী (ইফাঃ) | দেখানো হচ্ছে   [61]  থেকে  [70]  পর্যন্ত
প্রতি পাতাতে টি হাদিস

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সূনান তিরমিজী (ইফাঃ)
অধ্যায়ঃ ২৪/ অভিযান (كتاب السير عن رسول الله صلى الله عليه وسلم)
হাদিস নম্বরঃ ১৬১৪ | 1614 | ۱٦۱٤

পরিচ্ছদঃ নবী (ﷺ) এর পরিত্যক্ত সম্পদ।

১৬১৪। মুহাম্মদ ইবনু মুছান্না (রহঃ) ... আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, ফাতিমা রাদিয়াল্লাহু আনহা আবূ বকর রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর কাছে এসে বললেন, কে আপনার উত্তরাধিকারী হবে? তিনি বললেন, আমার পরিবার ও সন্তানরা। ফাতিমা রাদিয়াল্লাহু আনহা বললেন, তাহলে আমি কেন আমার পিতার উত্তরাধিকারী হবো না? তখন আবূ বকর রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি, ‘‘আমাদের কেউ ওয়ারিশ হয় না’’। তবে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যাদের ভরণপোষণ করতেন, আমিও তাদের ভরণ পোষণ করবো, যাদের খোরপোষ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দিতেন আমিও তাদের খোরপোষ দিব।

সহীহ, মুখতাসার শামাঈল মুহাম্মাদিয়া ৩৩৭, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৬০৮ [আল মাদানী প্রকাশনী]

এই বিষয়ে উমার, তালহা, যুবায়র, আবদুর রহমান ইবনু আওফ, সা‘দ ও আইশা রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীসটি হাসান এবং এই সূত্রে গারীব। এটি মুহাম্মদ ইবনু সালামা ও আবদুল ওয়াহহাব ইবনু আতা-মুহাম্মদ ইবনু আমর-আবূ সালামা-আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে মুসনাদ রূপে বর্ণিত আছে। আমি মুহাম্মদ (বুখারী) (রহঃ)-কে এই হাদীস সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন, হাম্মাদ ইবনু সালামা রাদিয়াল্লাহু আনহু ব্যতীত মুহাম্মদ ইবনু আমর-আবূ সালামা-আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে এটি বর্ণনা করেছেন বলে আমি জানিনা।



হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

Narrated Abu Hurairah:

"Fatimah came to Abu Bakr and said: 'Who will inherit from you?' He said: 'My family and my son.' She said: 'So what about me? I do not get inheritance from my father?' So Abu Bakr said: 'I heard the Messenger of Allah (ﷺ) say: 'We are not inherited from' but I support those whom the Messenger of Allah (ﷺ) used to support, and I spend upon those whom the Messenger of Allah (ﷺ) spent upon."

[Abu 'Eisa said:] There are narrations on this topic from 'Umar, Talhah, Az-Zubair, 'Abdur-Rahman bin 'Awf, Sa'd and 'Aishah.

The Hadith of Abu Hurairah is Hasan Gharib from this route. It is only reported with a chain by Hammad bin Salamah and 'Abdul Wahhab bin 'Ata, from Muhammad bin 'Amr, from Abu Salamah, from Abu Hurairah.

I asked Muhammad about this Hadith and he said: "No one is known to have reported it from Muhammad bin 'Amr, from Abu Salamah, from Abu Hurairah except from Hammad bin Salamah. 'Abdul Wahhab bin 'Ata reported it from Muhammad bib 'Amr, from Abu Salamah, and from Abu Hurairah and it is similar to the narration of Hammad bin Salamah. And this Hadith has been reported through other routes from Abu Bakr As-Siddiq, from the Prophet (ﷺ).

باب مَا جَاءَ فِي تَرِكَةِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنَا أَبُو الْوَلِيدِ، حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرٍو، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ جَاءَتْ فَاطِمَةُ إِلَى أَبِي بَكْرٍ فَقَالَتْ مَنْ يَرِثُكَ قَالَ أَهْلِي وَوَلَدِي ‏.‏ قَالَتْ فَمَا لِي لاَ أَرِثُ أَبِي فَقَالَ أَبُو بَكْرٍ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ ‏ "‏ لاَ نُورَثُ ‏"‏ ‏.‏ وَلَكِنِّي أَعُولُ مَنْ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَعُولُهُ وَأُنْفِقُ عَلَى مَنْ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يُنْفِقُ عَلَيْهِ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى وَفِي الْبَابِ عَنْ عُمَرَ وَطَلْحَةَ وَالزُّبَيْرِ وَعَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَوْفٍ وَسَعْدٍ وَعَائِشَةَ ‏.‏ وَحَدِيثُ أَبِي هُرَيْرَةَ حَدِيثٌ حَسَنٌ غَرِيبٌ مِنْ هَذَا الْوَجْهِ إِنَّمَا أَسْنَدَهُ حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ وَعَبْدُ الْوَهَّابِ بْنُ عَطَاءٍ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرٍو عَنْ أَبِي سَلَمَةَ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ ‏.‏ وَسَأَلْتُ مُحَمَّدًا عَنْ هَذَا الْحَدِيثِ فَقَالَ لاَ أَعْلَمُ أَحَدًا رَوَاهُ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرٍو عَنْ أَبِي سَلَمَةَ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ إِلاَّ حَمَّادَ بْنَ سَلَمَةَ ‏.‏ وَرَوَى عَبْدُ الْوَهَّابِ بْنُ عَطَاءٍ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرٍو عَنْ أَبِي سَلَمَةَ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ نَحْوَ رِوَايَةِ حَمَّادِ بْنِ سَلَمَةَ ‏.‏

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সূনান তিরমিজী (ইফাঃ)
অধ্যায়ঃ ২৪/ অভিযান (كتاب السير عن رسول الله صلى الله عليه وسلم)
হাদিস নম্বরঃ ১৬১৫ | 1615 | ۱٦۱۵

পরিচ্ছদঃ নবী (ﷺ) এর পরিত্যক্ত সম্পদ।

১৬১৫। আলী ইবনু ঈসা ... আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, ফাতিমা রাদিয়াল্লাহু আনহা আবূ বকর ও উমার রাদিয়াল্লাহু আনহুমা-এর কাছে এসে বললেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে তার মীরাছ চাইতে। তারা বললেন, আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি যে, আমার কেউ ওয়ারছি হয়না। তিনি বললেন, আল্লাহর কসম! আমি আপনাদের সাথে আর কখনো আলোচনা করবো না অর্থাৎ এই মীরাছ সম্পর্কে আপনার উভয়েই সত্যবাদী। সহীহ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৬০৯ [আল মাদানী প্রকাশনী]

এই হাদীসটি আবূ বাকর সিদ্দকী রাদিয়াল্লাহু আনহু-নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে অন্য সূত্রেও বর্ণিত আছে।



হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

Narrated Abu Hurairah:

That Fatimah came to Abu Bakr and 'Umar may Allah be pleased with them both, to ask them about her inheritance from the Messenger of Allah (ﷺ). They said: "We heard the Messenger of Allah (ﷺ) say: 'I am not inherited from.'" So she said: 'By Allah! I will never talk to you two again.' So she died having not talked to them."

'Ali bin 'Eisa said: "The meaning of not speaking to you two is: 'Never again regarding this inheritance, because you two are truthful.'"

باب مَا جَاءَ فِي تَرِكَةِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم

حَدَّثَنَا بِذَلِكَ، عَلِيُّ بْنُ عِيسَى الْبَغْدَادِيُّ قَالَ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَهَّابِ بْنُ عَطَاءٍ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَمْرٍو، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ فَاطِمَةَ، جَاءَتْ أَبَا بَكْرٍ وَعُمَرَ رضى الله عنهما تَسْأَلُ مِيرَاثَهَا مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالاَ سَمِعْنَا رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ ‏ "‏ إِنِّي لاَ أُورَثُ ‏"‏ ‏.‏ قَالَتْ وَاللَّهِ لاَ أُكَلِّمُكُمَا أَبَدًا ‏.‏ فَمَاتَتْ وَلاَ تُكَلِّمُهُمَا ‏.‏ قَالَ عَلِيُّ بْنُ عِيسَى مَعْنَى لاَ أُكَلِّمُكُمَا تَعْنِي فِي هَذَا الْمِيرَاثِ أَبَدًا أَنْتُمَا صَادِقَانِ ‏.‏ وَقَدْ رُوِيَ هَذَا الْحَدِيثُ مِنْ غَيْرِ وَجْهٍ عَنْ أَبِي بَكْرٍ الصِّدِّيقِ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ‏.‏

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সূনান তিরমিজী (ইফাঃ)
অধ্যায়ঃ ২৪/ অভিযান (كتاب السير عن رسول الله صلى الله عليه وسلم)
হাদিস নম্বরঃ ১৬১৬ | 1616 | ۱٦۱٦

পরিচ্ছদঃ নবী (ﷺ) এর পরিত্যক্ত সম্পদ।

১৬১৬। হাসান ইবনু আলী খাললাল (রহঃ) ... মালিক ইবনু আওস ইবনু হাদাছান (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি উমার ইবনুল খাত্তাব রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর কাছে গেলাম। তার কাছে উসমান ইবনু আফফান, যুবায়র ইবনু আওওয়াম, আবদুর রহমান ইবন আওফ ও সা‘দ ইবনু আবী ওয়াক্কাস রাদিয়াল্লাহু আনহুম-ও এলেন। কিছুক্ষণ পর আলী ও আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহুমা বিবাদ মীমাংশার জন্য এলেন। উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু তাঁদের বললেন, যে আল্লাহ তা‘আলার অনুমতিক্রমে আসমান ও যমীন প্রতিষ্ঠিত তাঁর কসম দিয়ে তোমাদের বলছি, তোমরা কি জান না যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আমাদের কেউ ওয়ারিশ হয়না, আমরা যা রেখে যাই যা সাদাকা হিসাবে গণ্য? তাঁরা বললেন, হাঁ। উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর ইন্তিকালের পর আবূ বাকর রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর পক্ষ থেকে মুতওয়াল্লী। তখন আপনি এবং ইনি (আলী) আবূ বাকর রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর কাছে এসেছিলেন। আপনি আপনার ভ্রাতুষ্পুত্রদের মীরাছ দাবী করেছিলেন আর ইনি দাবী করেছিলেন তাঁর স্ত্রীর (ফাতিমা রাদিয়াল্লাহু আনহা)-এর জন্য তাঁর পিতার উত্তরাধিকারত্বের। তখন আবূ বাকর রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেছিলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলছেন, আমাদের কেউ ওয়ারিশ হয় না। আমরা যা রেখে যাই তা সাদাকা স্বরূপ। আল্লাহ তা‘আলা জানেন যে তিনি সত্যবাদী, সৎ, সত্যপন্থী, হকের অনুসারী। সহীহ, মুখতাসার শামাইল ৩৪১, নাসাঈ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৬১০ [আল মাদানী প্রকাশনী]

হাদীসটিতে আরো দীর্ঘ বর্ণনা রয়েছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান-সহীহ এবং মালিক ইবনু আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর রিওয়ায়াত হিসাবে গারীব।



হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

Narrated Malik bin Aws bin Al-Hadathan:

"I entered upon 'Umar bin Al-Khattab. (Then) Uthman bin 'Affan, Az-Zubair, 'Abdur-Rahman bin Awf, and Sa'd bin Abi Waqqas entered. Then 'Ali and Al-'Abbas came disputing. 'Umar said to them: ' I ask you, by Allah the One by Whose Will the heavens and the earth are maintained, do you know that the Messenger of Allah (ﷺ) said: "We are not inherited from, what we leave is charity?" They said: 'Yes.' 'Umar said: 'When the Messenger of Allah (ﷺ) died, Abu Bakr said: "I am the caretaker of the Messenger of Allah (ﷺ)" So you and he went to Abu Bakr and you sought your inheritance from the son of your brother, and he sought the inheritance of his wife from her father. So Abu Bakr said that the Messenger of Allah (ﷺ) said: "We are not inherited from, what we leave is charity." And Allah knows that he is truthful, innocent, instructing and following the truth.'"

[Abu 'Eisa said:] There is a lengthy story along with the Hadith. And this Hadith is Hasan Sahih Gharib as a narration of Malik bin Anas.

باب مَا جَاءَ فِي تَرِكَةِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم

حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَلِيٍّ الْخَلاَّلُ، أَخْبَرَنَا بِشْرُ بْنُ عُمَرَ، حَدَّثَنَا مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ مَالِكِ بْنِ أَوْسِ بْنِ الْحَدَثَانِ، قَالَ دَخَلْتُ عَلَى عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ وَدَخَلَ عَلَيْهِ عُثْمَانُ بْنُ عَفَّانَ وَالزُّبَيْرُ بْنُ الْعَوَّامِ وَعَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عَوْفٍ وَسَعْدُ بْنُ أَبِي وَقَّاصٍ ثُمَّ جَاءَ عَلِيٌّ وَالْعَبَّاسُ يَخْتَصِمَانِ فَقَالَ عُمَرُ لَهُمْ أَنْشُدُكُمْ بِاللَّهِ الَّذِي بِإِذْنِهِ تَقُومُ السَّمَاءُ وَالأَرْضُ تَعْلَمُونَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏"‏ لاَ نُورَثُ مَا تَرَكْنَاهُ صَدَقَةٌ ‏"‏ ‏.‏ قَالُوا نَعَمْ ‏.‏ قَالَ عُمَرُ فَلَمَّا تُوُفِّيَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ أَبُو بَكْرٍ أَنَا وَلِيُّ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏.‏ فَجِئْتَ أَنْتَ وَهَذَا إِلَى أَبِي بَكْرٍ تَطْلُبُ أَنْتَ مِيرَاثَكَ مِنَ ابْنِ أَخِيكَ وَيَطْلُبُ هَذَا مِيرَاثَ امْرَأَتِهِ مِنْ أَبِيهَا فَقَالَ أَبُو بَكْرٍ إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏"‏ لاَ نُورَثُ مَا تَرَكْنَاهُ صَدَقَةٌ ‏"‏ ‏.‏ وَاللَّهُ يَعْلَمُ إِنَّهُ لَصَادِقٌ بَارٌّ رَاشِدٌ تَابِعٌ لِلْحَقِّ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى وَفِي الْحَدِيثِ قِصَّةٌ طَوِيلَةٌ ‏.‏ وَهَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ غَرِيبٌ مِنْ حَدِيثِ مَالِكِ بْنِ أَنَسٍ ‏.‏

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সূনান তিরমিজী (ইফাঃ)
অধ্যায়ঃ ২৪/ অভিযান (كتاب السير عن رسول الله صلى الله عليه وسلم)
হাদিস নম্বরঃ ১৬১৭ | 1617 | ۱٦۱۷

পরিচ্ছদঃ মক্কা বিজয়ের দিন নবী (ﷺ) বলেছেন, আজকের পরে আর এই নগরে কোন যুদ্ধ করা যাবে না।

১৬১৭ মুহাম্মদ ইবনু বাশশার (রহঃ) ... হারিস ইবনু মালিক ইবনু বারসা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, মক্কা বিজয়ের দিন নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি যে, আজ থেকে কিয়ামত পর্যন্ত এই নগরে আর যুদ্ধ কর যাবে না। সহীহ, সহীহাহ ২৪২৭, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৬১১ [আল মাদানী প্রকাশনী]

এই বিষয়ে ইবনু আব্বাস, সুলায়মান ইবনু সুরাদ ও মুতী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদীস বর্ণিত আছ। হারিছ ইবনু মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত এই হাদীসটি হাসান-সহীহ। এটি হলো যাকারিয়্যা ইবনু আবূ যাইদা শা‘বী (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত রিওয়ায়াত। এই সূত্র ছাড়া এটি সম্পর্কে আমাদের কিছু জানা নেই।



হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

Narrated Al-Harith bin Malik bin Al-Barsa':

"On the day of the Conquest of Makkah, I heard the Prophet (ﷺ) saying: 'This is not to be battled over after today, until the Day of Judgement.'"

[Abu 'Eisa said:] There are narrations on this topic from Ibn 'Abbas, Sulaiman bin Surad, and Muti'

This Hadith is Hasan Sahih, and it is a narration of Zakariyya bin Abi Za'idah from Ash-Sha'bi, we do not know of it except from his narration.

باب مَا جَاءَ مَا قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم يَوْمَ فَتْحِ مَكَّةَ ‏"‏ إِنَّ هَذِهِ لاَ تُغْزَى بَعْدَ الْيَوْمِ ‏"‏

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا زَكَرِيَّا بْنُ أَبِي زَائِدَةَ، عَنِ الشَّعْبِيِّ، عَنِ الْحَارِثِ بْنِ مَالِكِ بْنِ الْبَرْصَاءِ، قَالَ سَمِعْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم يَوْمَ فَتْحِ مَكَّةَ يَقُولُ ‏ "‏ لاَ تُغْزَى هَذِهِ بَعْدَ الْيَوْمِ إِلَى يَوْمِ الْقِيَامَةِ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى وَفِي الْبَابِ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ وَسُلَيْمَانَ بْنِ صُرَدٍ وَمُطِيعٍ ‏.‏ وَهَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ وَهُوَ حَدِيثُ زَكَرِيَّا بْنِ أَبِي زَائِدَةَ عَنِ الشَّعْبِيِّ لاَ نَعْرِفُهُ إِلاَّ مِنْ حَدِيثِهِ ‏.‏

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সূনান তিরমিজী (ইফাঃ)
অধ্যায়ঃ ২৪/ অভিযান (كتاب السير عن رسول الله صلى الله عليه وسلم)
হাদিস নম্বরঃ ১৬১৮ | 1618 | ۱٦۱۸

পরিচ্ছদঃ যে মুহুর্তে যুদ্ধ করা মুস্তাহাব।

১৬১৮। মুহাম্মদ ইবনু বাশশার (রহঃ) ... নু‘মান ইবনু মুকাররিন রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে যুদ্ধে শরীক হয়েছি। ফজর হয়ে গেলে সূর্য না উঠা পর্যন্ত তিনি যুদ্ধ থেকে বিরত থাকতেন। সূর্য উদিত হওয়ার পর তিনি যুদ্ধ করতেন। দিনের ঠিক মধ্যভাগে যুদ্ধ থেকে বিরতি করতেন যতক্ষণ না (সূর্য পশ্চিম দিকে) ঢলে পড়ে। সূর্য (পশ্চিম দিকে) ঢলে পড়লে আসর পর্যন্ত যুদ্ধ করতেন। পরে আসরের সালাত (নামায/নামাজ) পর্যন্ত যুদ্ধ বিরত করতেন। আসরের সালাতের পর আবার লড়াই করতেন। বলা হতো, এই সময় আল্লাহর সাহায্যের হাওয়া প্রবাহিত হয়। মুমিনরা তাদের সালাতে সেনাবাহিনীর জন্য খুব দু‘আ করতেন। যঈফ, মিশকাত, তাহকীক ছানী ৩৯৩৪, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৬১২ [আল মাদানী প্রকাশনী]

নু‘মান ইবনু মুকাররিন রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে এই হাদীসটি আরো অধিক মুত্তাসিল রূপে বর্ণিত আছে। নু‘মান ইবনু মুকাররিন রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর সাক্ষাত কাতাদা (রহঃ) পান নি। কেননা, উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর খিলাফত কালে নু‘মান রাদিয়াল্লাহু আনহু মারা গিয়েছেন।



হাদিসের মানঃ  যঈফ (Dai'f)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

Narrated An-Nu'man bin Muqarrin :

"I fought along with the Prophet (ﷺ), and if Fajr had begun he would wait until the sun rose, and when it rose he would fight. And if it was the middle of the daytime, he would wait until the sun passed the zenit, and when it passed the zenith he would fight until 'Asr. Then he would wait until he prayed 'Asr, then he would fight." He said: "And it is used to be said during that (time) the the wind of victory was raging, and the believers would supplicate for their armies in their Salat."

[Abu 'Eisa said:] This Hadith has been reported from An-Nu'man bin Muqarrin through a chain that is more connected that this. Qatadah did not see An-Nu'man bin Muqarrin. An-Nu'man died during the Khilafah of 'Umar.

باب مَا جَاءَ فِي السَّاعَةِ الَّتِي يُسْتَحَبُّ فِيهَا الْقِتَالُ

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا مُعَاذُ بْنُ هِشَامٍ، حَدَّثَنِي أَبِي، عَنْ قَتَادَةَ، عَنِ النُّعْمَانِ بْنِ مُقَرِّنٍ، قَالَ غَزَوْتُ مَعَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَكَانَ إِذَا طَلَعَ الْفَجْرُ أَمْسَكَ حَتَّى تَطْلُعَ الشَّمْسُ فَإِذَا طَلَعَتْ قَاتَلَ فَإِذَا انْتَصَفَ النَّهَارُ أَمْسَكَ حَتَّى تَزُولَ الشَّمْسُ فَإِذَا زَالَتِ الشَّمْسُ قَاتَلَ حَتَّى الْعَصْرِ ثُمَّ أَمْسَكَ حَتَّى يُصَلِّيَ الْعَصْرَ ثُمَّ يُقَاتِلُ ‏.‏ قَالَ وَكَانَ يُقَالُ عِنْدَ ذَلِكَ تَهِيجُ رِيَاحُ النَّصْرِ وَيَدْعُو الْمُؤْمِنُونَ لِجُيُوشِهِمْ فِي صَلاَتِهِمْ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى وَقَدْ رُوِيَ هَذَا الْحَدِيثُ عَنِ النُّعْمَانِ بْنِ مُقَرِّنٍ بِإِسْنَادٍ أَوْصَلَ مِنْ هَذَا ‏.‏ وَقَتَادَةُ لَمْ يُدْرِكِ النُّعْمَانَ بْنَ مُقَرِّنٍ وَمَاتَ النُّعْمَانُ بْنُ مُقَرِّنٍ فِي خِلاَفَةِ عُمَرَ ‏.‏

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সূনান তিরমিজী (ইফাঃ)
অধ্যায়ঃ ২৪/ অভিযান (كتاب السير عن رسول الله صلى الله عليه وسلم)
হাদিস নম্বরঃ ১৬১৯ | 1619 | ۱٦۱۹

পরিচ্ছদঃ যে মুহুর্তে যুদ্ধ করা মুস্তাহাব।

১৬১৯। হাসান ইবনু আলী খাল্লাল (রহঃ) ... মাকিল ইবনু ইয়াসার রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, উমার ইবনুল খাত্তাব রাদিয়াল্লাহু আনহু নু‘মান ইবনু মুকাররিনকে হুরমুযান-এর বিরুদ্ধে প্রেরণ করেছিলেন। এরপর বর্ণনাকারী হাদীসটি বিস্তারিতভাবে উল্লেখ করেন। (এতে রয়েছে) নু‘মান ইবনু মুকাররিন রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেছেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে যুদ্ধে শরীক হয়েছি। তিনি যদি দিনের শুরুতে যুদ্ধ না করতেন তবে অপেক্ষা করতেন। শেষে সূর্য যখন পশ্চিম দিকে ঢলে পড়ত, হাওয়া প্রবাহিত হত, আল্লাহর নুসরত ও সাহায্য নেমে আসত তখন যুদ্ধ শুরু করতেন। সহীহ, সহীহ আবূ দাউদ ২৩৮৫, মিশকাত, তাহকীক ছানী ৩৯৩৩, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৬১৩ [আল মাদানী প্রকাশনী]

এই হাদীসটি হাসান-সহীহ রাবী আলকামা ইবনু আবদুল্লাহ হলেন বাকর ইবনু আবদুল্লাহ মুযানী (রহঃ) এর ভাই।



হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

Narrated Ma'qil bin Yasar:

"Umar bin Al-Khattab sent An-Nu'man bin Muqarrin to Al-Hurmuzan." And he mentioned the Hadith in its entirety. An-Nu'man bin Muqarrin said: "I participated (in battles) with the Messenger of Allah (ﷺ). So when he did not fight in the beginning if the daytime, he would wait until the sun passed the zenith, and the wind of victory would rage, and victory would descent upon them."

[Abu 'Eisa said:] This Hadith is Hasan Sahih. 'Alqamah bin 'Abdullah (one of the narrators) is the brother of Bakr bin 'Abdullah Al-Muzani.

باب مَا جَاءَ فِي السَّاعَةِ الَّتِي يُسْتَحَبُّ فِيهَا الْقِتَالُ

حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَلِيٍّ الْخَلاَّلُ، حَدَّثَنَا عَفَّانُ بْنُ مُسْلِمٍ، وَالْحَجَّاجُ بْنُ مِنْهَالٍ، قَالاَ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ، حَدَّثَنَا أَبُو عِمْرَانَ الْجَوْنِيُّ، عَنْ عَلْقَمَةَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الْمُزَنِيِّ، عَنْ مَعْقِلِ بْنِ يَسَارٍ، أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ، بَعَثَ النُّعْمَانَ بْنَ مُقَرِّنٍ إِلَى الْهُرْمُزَانِ فَذَكَرَ الْحَدِيثَ بِطُولِهِ فَقَالَ النُّعْمَانُ بْنُ مُقَرِّنٍ شَهِدْتُ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَكَانَ إِذَا لَمْ يُقَاتِلْ أَوَّلَ النَّهَارِ انْتَظَرَ حَتَّى تَزُولَ الشَّمْسُ وَتَهُبَّ الرِّيَاحُ وَيَنْزِلَ النَّصْرُ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏ وَعَلْقَمَةُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ هُوَ أَخُو بَكْرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الْمُزَنِيِّ ‏.‏

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সূনান তিরমিজী (ইফাঃ)
অধ্যায়ঃ ২৪/ অভিযান (كتاب السير عن رسول الله صلى الله عليه وسلم)
হাদিস নম্বরঃ ১৬২০ | 1620 | ۱٦۲۰

পরিচ্ছদঃ শুভাশুভের ধারণা প্রসঙ্গে।

১৬২০। মুহাম্মদ ইবনু বাশশার (রহঃ) ... আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ বলেছেন, শুভাশুভে বিশ্বাস হল শিরকের অন্তর্গত আমাদের এমন কেউ নেই যার এই ওয়াসওয়াসা আসে না। তবে আল্লাহ তা‘আলা তাঁর উপর তাওয়াক্কুলের মাধ্যমে তা বিদুরিত করে দেন। সহীহ, ইবনু মাজাহ ৩৫৩৮, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৬১৪ [আল মাদানী প্রকাশনী]

এই বিষয়ে সা‘দ, আবূ হুরায়রা, হাবিস তামিমী, আয়েশা ও ইনন উমার রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান-সহীহ। সালামা ইবনু কুহায়ল (রহঃ)-এর সূত্র ছাড়া এটি সম্পর্কে আমাদের কিছু জানা নেই। শু'বা (রহঃ)-ও হাদীসটিকে সালামা (রহঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, আমি মুহাম্মদ ইবনু ইসমাঈল বুখারী (রহঃ)-কে বলতে শুনেছি যে, এই হাদীস প্রসঙ্গে সুলায়মান ইবনু হারব বলতেন, وَمَا مِنَّا إِلاَّ وَلَكِنَّ اللَّهَ يُذْهِبُهُ بِالتَّوَكُّلِ (আমাদের এমন কেউ ... বিদুরিত করে দেন।) কথাটি আমার মতে আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর বক্তব্য।



হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

Narrated 'Abdullah bin Mas'ud:

That the Messenger of Allah (ﷺ) said: "At-Tiyarah is from Shirk, and none among us (it influences) except that Allah will remove it with Tawakkul (reliance)."

[Abu 'Eisa said:] I heard Muhammad bin Isma'il saying: "Sulaiman bin Harb used to say about this Hadith: 'And none among us (it influences) except that Allah will remove it with Tawakkul (reliance)' - Sulaiman would say: 'To me, this is a saying of 'Abdullah bin Mas'ud.'"

There are narrations on this topic from Sa'd, Abu Hurairah, Habis At-Tamimi, 'Aishah and Ibn 'Umar.

This Hadith is Hasan Sahih, we do not know of it except as a narration of Salamah bin Khuail. Shu'bah also reported this Hadith from Salamah.

باب مَا جَاءَ فِي الطِّيَرَةِ وَالْفَأْلِ

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَهْدِيٍّ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ سَلَمَةَ بْنِ كُهَيْلٍ، عَنْ عِيسَى بْنِ عَاصِمٍ، عَنْ زِرٍّ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ الطِّيَرَةُ مِنَ الشِّرْكِ ‏"‏ ‏.‏ وَمَا مِنَّا إِلاَّ وَلَكِنَّ اللَّهَ يُذْهِبُهُ بِالتَّوَكُّلِ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى وَفِي الْبَابِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ وَحَابِسٍ التَّمِيمِيِّ وَعَائِشَةَ وَابْنِ عُمَرَ وَسَعْدٍ ‏.‏ وَهَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ لاَ نَعْرِفُهُ إِلاَّ مِنْ حَدِيثِ سَلَمَةَ بْنِ كُهَيْلٍ وَرَوَى شُعْبَةُ أَيْضًا عَنْ سَلَمَةَ هَذَا الْحَدِيثَ ‏.‏ قَالَ سَمِعْتُ مُحَمَّدَ بْنَ إِسْمَاعِيلَ يَقُولُ كَانَ سُلَيْمَانُ بْنُ حَرْبٍ يَقُولُ فِي هَذَا الْحَدِيثِ ‏"‏ وَمَا مِنَّا إِلاَّ وَلَكِنَّ اللَّهَ يُذْهِبُهُ بِالتَّوَكُّلِ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ سُلَيْمَانُ هَذَا عِنْدِي قَوْلُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ وَمَا مِنَّا‏.‏

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সূনান তিরমিজী (ইফাঃ)
অধ্যায়ঃ ২৪/ অভিযান (كتاب السير عن رسول الله صلى الله عليه وسلم)
হাদিস নম্বরঃ ১৬২১ | 1621 | ۱٦۲۱

পরিচ্ছদঃ শুভাশুভের ধারণা প্রসঙ্গে।

১৬২১। মুহাম্মদ ইবনু বাশশার (রহঃ) ... আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, সংক্রমনতা কিছু নেই, শুভাশুভ কিছু নেই। আমি ‘‘ফাল’’ পছন্দ করি। সাহাবীগণ বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ ‘‘ফাল’’ কি? তিনি বললেন, শুভ কথা। সহীহ, ইবনু মাজাহ ৩৫৩৭, নাসাঈ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৬১৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]

ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান-সহীহ।



হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

Narrated Anas:

That the Messenger of Allah (ﷺ) said: "There is no 'Adwa and no Tiyarah, and I like Fa'l." They said: "O Messenger of Allah! What is Fa'l?" He said: "A good statement."

[Abu 'Eisa said:] This Hadith is Hasan Sahih.

باب مَا جَاءَ فِي الطِّيَرَةِ وَالْفَأْلِ

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي عَدِيٍّ، عَنْ هِشَامٍ الدَّسْتَوَائِيِّ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ أَنَسٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏"‏ لاَ عَدْوَى وَلاَ طِيَرَةَ وَأُحِبُّ الْفَأْلَ ‏"‏ ‏.‏ قَالُوا يَا رَسُولَ اللَّهِ وَمَا الْفَأْلُ قَالَ ‏"‏ الْكَلِمَةُ الطَّيِّبَةُ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সূনান তিরমিজী (ইফাঃ)
অধ্যায়ঃ ২৪/ অভিযান (كتاب السير عن رسول الله صلى الله عليه وسلم)
হাদিস নম্বরঃ ১৬২২ | 1622 | ۱٦۲۲

পরিচ্ছদঃ শুভাশুভের ধারণা প্রসঙ্গে।

১৬২২। মুহাম্মদ ইবনু রাফি‘ (রহঃ) ... আনাস ইবনু মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন কোন প্রয়োজনে বের হতেন তখন এই ডাক শুনতে আনন্দ অনুভব করতেন যে, ইয়া রাশিদ (হে সঠিক পথ প্রাপ্ত) ইয়া নাজীহ, (হে সফলকাম)। সহীহ, রওযুন নাযীর ৮৬, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৬১৬ [আল মাদানী প্রকাশনী]

ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান-সহীহ-গারীব।



হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

Narrated Anas bin Malik:

That the Prophet (ﷺ) used to like it when he set out upon an affair if he heard: "O directed one, O successful one."

[Abu 'Eisa said:] This Hadith is Hasan Sahih Gharib.

باب مَا جَاءَ فِي الطِّيَرَةِ وَالْفَأْلِ

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ رَافِعٍ، حَدَّثَنَا أَبُو عَامِرٍ الْعَقَدِيُّ، عَنْ حَمَّادِ بْنِ سَلَمَةَ، عَنْ حُمَيْدٍ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم كَانَ يُعْجِبُهُ إِذَا خَرَجَ لِحَاجَةٍ أَنْ يَسْمَعَ يَا رَاشِدُ يَا نَجِيحُ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ غَرِيبٌ صَحِيحٌ ‏.‏

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সূনান তিরমিজী (ইফাঃ)
অধ্যায়ঃ ২৪/ অভিযান (كتاب السير عن رسول الله صلى الله عليه وسلم)
হাদিস নম্বরঃ ১৬২৩ | 1623 | ۱٦۲۳

পরিচ্ছদঃ যুদ্ধ প্রসঙ্গে নবী (ﷺ) এর বিশেষ উপদেশ।

১৬২৩। মুহাম্মদ ইবনু বাশশার (রহঃ) ... সুলায়মান ইবনু বুরায়দা তৎ পিতা বুরায়দা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কাউকে কোন বাহিনীর আমির বানিয়ে পাঠানোর সময় তাকে বিশেষ করে নিজের ব্যাপারে তাকওয়া অবলম্বনের এবং সঙ্গী মুসলিমদের কল্যাণ কামনার উপদেশ দিতেন। বলতেন, বিসমিল্লাহ বলে আল্লাহর পথে লড়াই করবে। যারা আল্লাহকে অস্বীকার করেছে তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ চালিয়ে যাও। গনীমতের মাল আত্মসাত করবে না। বিশ্বাস ঘাতকতা করবে না। নিহত শত্রুর অঙ্গ-প্রতঙ্গ কেটে বিকৃত করবে না। শিশু হত্যা করবে না। মুশরকি শত্রুদের সম্মুখীন যখন হবে তাদেরকে তিনটি বিষয়ে একটি গ্রহণের আহবান জানাবে। যে কোনটির প্রতি তারা সাড়া দিবে তোমরা তা গ্রহণ করবে এবং তাদের বিষয়ে বিরত থাকবে।

প্রথমে তাদেরকে ইসলামের প্রতি আহবান জানাবে এবং তাদের দেশ থেকে মুহাজিরীনের অঞ্চল (দারুল ইসলাম) হিজরত করতে বলবে। তাদের অবহিত করবে যদি তারা তা করে তবে মুহাজিরগণ যে অধিকার ভোগ করে তারাও তা ভোগ করবে; মুহাজিরগণের উপর যে দায়িত্ব বর্তায় তাদের উপরও সে দায়িত্ব বর্তাবে। যদি তারা স্থান পরিবর্তনে অস্বীকৃতি জানায় তবে তাদের অবহিত করবে যে, তারা মরু অঞ্চলে (গ্রামাঞ্চলে) বসবাসরত সাধারণ মুসলিমদের মত গণ্য হবে। মরুবাসীদের উপর যা প্রযোজ্য হয় তাদের উপরও তা প্রযোজ্য হবে। জিহাদে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ ব্যতীরেখে গনীমত ও ফাই সম্পদে তাদের কোন অধিকার থাকবে না।

এই বিষয় গ্রহণ করতেও যদি তারা অস্বীকার করে তবে তাদের বিরুদ্ধে আল্লাহর সাহায্য প্রার্থনা করবে এবং এদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবে। কোন কেল্লা অবরোধ করলে যদি তারা (কেল্লাবাসী) চায় যে তুমি তাদের আল্লাহর যিম্মা ও তাঁর নাবীর যিম্মা দিলে তারা আত্মসমর্পণ করবে তবে তাদেরকে আল্লাহর যিম্মায় ও তাদের রাসূলের যিম্মায় প্রদান করবে না। বরং তাদেরকে তোমার ও তোমার সঙ্গীদের যিম্মায় আত্মসমর্পণ করতে বলবে। কেননা আল্লাহর যিম্মা ও রাসূলের যিম্মায় ত্রুটি অপেক্ষা তোমাদের নিজেদের যিম্মায় ও তোমাদের সঙ্গীদের যিম্মায় অঙ্গীকারে ত্রুটি ঘটা অধিকতর ভাল। যদি কোন কেল্লা অবরোধ কালে কেল্লাবাসীরা আল্লাহর হুকুমের উপর আত্মসমর্পণ করতে চায় তবে তোমরা তা স্বীকার করবে না বরং তোমরা হুকুমে আত্মসমর্পণ করতে বলবে। কেননা তুমি জাননা তাদের বিষয়ে আল্লাহর হুকুম-এ ঠিক পৌছাতে পারবে কিনা। সহীহ, ইবনু মাজাহ ২৮৫৮, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৬১৭ [আল মাদানী প্রকাশনী]

এই বিষয়ে নু‘মান ইবনু মুকাররিন রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। বুরায়দা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীসটি হাসান-সহীহ।

মুহাম্মদ ইবনু বাশশার (রহঃ) আলকামা ইবনু মারছাদ (রহঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, এতে আরো আছে যে, তারা যদি (ইসলাম) তা গ্রহণ করতে অস্বীকার করে তবে তাদের থেকে জিযইয়া নিবে। তা যদি অস্বীকার করে তবে তাদের বিরুদ্ধে আল্লাহর সাহায্য প্রার্থনা করবে। সহীহ।

ওয়াকী‘ প্রমুখ (রহঃ) সুফইয়ান (রহঃ) থেকে তদ্রুপ রিওয়ায়াত করেছেন। মুহাম্মদ বাশশার ছাড়া অন্যরাও আবদুর রহমান ইবনু মাহদী (রহঃ) থেকে এটি বর্ণনা করেছেন এবং তাতে জিযইয়া-এর কথা উল্লেখ রয়েছে।



হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

Narrated Sulaiman bin Buraidah:

From his father who said: "When the Messenger of Allah (sawS) sent a commander of an army, he would exhort him concerning himself to have Taqwa of Allah, and he would exhort him to be good to those who are with him among the Muslims. He would say: 'Fight in the Name of Allah, in the cause of Allah. Fight those who disbelieve in Allah, and do not steal from the spoils of war or be treacherous, nor mutilate, and do not kill a child. When you meet your enemy among the idolaters, then call them to one of the three options or choices, whichever of them they respond to then accept it from them, and refrain from them. Call them to Islam, and to relocate from their land to the land of Emigrants. Inform them that if they do that, then they will have similar to what those who emigrated have, and from them will be required similar to what is required from those who have emigrated. And if they refuse to relocate, then inform them that they will be like the Bedouins among the Muslim, and they will be treated the same as Bedouins are treated. There is no war spoils or Fay' for them, unless they fight along with the Muslims. If they refuse then seek aid from Allah against them and fight them. And if you lay siege to a fortress and they want you to grant them covenant from Allah and a covenant of His Prophet, then do not grant them the covenant of Allah nor the covenant of His Prophet. Rather grant them your own covenant and the covenant of your companions, it will be better than breaking Allah's covenant and the covenant of His Messenger. And if you lay siege to the people of a fortress and they want you to lift the siege for negotiating upon the judgement of Allah, then do not stop, but rather make them surrender to your judgement, for you do not know if you will come upon the judgement of Allah regarding them or not.' Or similar to that."

[Abu 'Eisa said:] There is something on this topic from An-Nu'man bin Muqarrin, and the Hadith of Buraidah is a Hasan Sahih Hadith .

Muhammad bin Bash-shar narrated to us (he said):
"Abu Ahmad narrated to us from Sufyan (who said): "Alqamah bin Marthad narrated to us' - and it is similar in its meaning, but he added in it: "if they refuse, then take the Jizyah from them, and it they refuse then seek aid from Allah against them."

[Abu 'Eisa said:] This is how it was reported from Waki' and others from Sufyan. And other than Muhammad bin Bash-shar reported it from 'Abdur-Rahman bin Mahdi, and he mentioned the matter of the Jizyah in it.

باب مَا جَاءَ فِي وَصِيَّتِهِ صلى الله عليه وسلم فِي الْقِتَالِ

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَهْدِيٍّ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ عَلْقَمَةَ بْنِ مَرْثَدٍ، عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ بُرَيْدَةَ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِذَا بَعَثَ أَمِيرًا عَلَى جَيْشٍ أَوْصَاهُ فِي خَاصَّةِ نَفْسِهِ بِتَقْوَى اللَّهِ وَمَنْ مَعَهُ مِنَ الْمُسْلِمِينَ خَيْرًا وَقَالَ ‏ "‏ اغْزُوا بِسْمِ اللَّهِ وَفِي سَبِيلِ اللَّهِ قَاتِلُوا مَنْ كَفَرَ بِاللَّهِ وَلاَ تَغُلُّوا وَلاَ تَغْدِرُوا وَلاَ تُمَثِّلُوا وَلاَ تَقْتُلُوا وَلِيدًا فَإِذَا لَقِيتَ عَدُوَّكَ مِنَ الْمُشْرِكِينَ فَادْعُهُمْ إِلَى إِحْدَى ثَلاَثِ خِصَالٍ أَوْ خِلاَلٍ أَيَّتَهَا أَجَابُوكَ فَاقْبَلْ مِنْهُمْ وَكُفَّ عَنْهُمُ ادْعُهُمْ إِلَى الإِسْلاَمِ وَالتَّحَوُّلِ مِنْ دَارِهِمْ إِلَى دَارِ الْمُهَاجِرِينَ وَأَخْبِرْهُمْ إِنْ فَعَلُوا ذَلِكَ فَإِنَّ لَهُمْ مَا لِلْمُهَاجِرِينَ وَعَلَيْهِمْ مَا عَلَى الْمُهَاجِرِينَ وَإِنْ أَبَوْا أَنْ يَتَحَوَّلُوا فَأَخْبِرْهُمْ أَنَّهُمْ يَكُونُوا كَأَعْرَابِ الْمُسْلِمِينَ يَجْرِي عَلَيْهِمْ مَا يَجْرِي عَلَى الأَعْرَابِ لَيْسَ لَهُمْ فِي الْغَنِيمَةِ وَالْفَىْءِ شَيْءٌ إِلاَّ أَنْ يُجَاهِدُوا فَإِنْ أَبَوْا فَاسْتَعِنْ بِاللَّهِ عَلَيْهِمْ وَقَاتِلْهُمْ وَإِذَا حَاصَرْتَ حِصْنًا فَأَرَادُوكَ أَنْ تَجْعَلَ لَهُمْ ذِمَّةَ اللَّهِ وَذِمَّةَ نَبِيِّهِ فَلاَ تَجْعَلْ لَهُمْ ذِمَّةَ اللَّهِ وَلاَ ذِمَّةَ نَبِيِّهِ وَاجْعَلْ لَهُمْ ذِمَّتَكَ وَذِمَمَ أَصْحَابِكَ لأَنَّكُمْ إِنْ تُخْفِرُوا ذِمَّتَكُمْ وَذِمَمَ أَصْحَابِكُمْ خَيْرٌ مِنْ أَنْ تُخْفِرُوا ذِمَّةَ اللَّهِ وَذِمَّةَ رَسُولِهِ وَإِذَا حَاصَرْتَ أَهْلَ حِصْنٍ فَأَرَادُوكَ أَنْ تُنْزِلَهُمْ عَلَى حُكْمِ اللَّهِ فَلاَ تُنْزِلُوهُمْ وَلَكِنْ أَنْزِلْهُمْ عَلَى حُكْمِكَ فَإِنَّكَ لاَ تَدْرِي أَتُصِيبُ حُكْمَ اللَّهِ فِيهِمْ أَمْ لاَ ‏"‏ ‏.‏ أَوْ نَحْوَ هَذَا ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى وَفِي الْبَابِ عَنِ النُّعْمَانِ بْنِ مُقَرِّنٍ ‏.‏ وَحَدِيثُ بُرَيْدَةَ حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا أَبُو أَحْمَدَ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ عَلْقَمَةَ بْنِ مَرْثَدٍ، نَحْوَهُ بِمَعْنَاهُ وَزَادَ فِيهِ ‏ "‏ فَإِنْ أَبَوْا فَخُذْ مِنْهُمُ الْجِزْيَةَ فَإِنْ أَبَوْا فَاسْتَعِنْ بِاللَّهِ عَلَيْهِمْ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَكَذَا رَوَاهُ وَكِيعٌ وَغَيْرُ وَاحِدٍ عَنْ سُفْيَانَ، ‏.‏ وَرَوَى غَيْرُ، مُحَمَّدِ بْنِ بَشَّارٍ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ مَهْدِيٍّ، وَذَكَرَ، فِيهِ أَمْرَ الْجِزْيَةِ ‏.‏

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

হাদিস দেখানো হচ্ছে   [61]  থেকে  [70]  পর্যন্ত এবং সর্বমোট   [71]  টি হাদিস পাওয়া গেছে।