• ৭১৪৬৩ টি সর্বমোট হাদিস আছেঃ
  • ৭৪৪৭ টি প্রশ্নোত্তর ও ফিকাহঃ

 

 

 

 


হাদীস (حَدِيْث) এর শাব্দিক অর্থ: নতুন, প্রাচীন ও পুরাতন এর বিপরীত বিষয়। এ অর্থে যে সব কথা, কাজ ও বস্ত্ত পূর্বে ছিল না, এখন অস্তিত্ব লাভ করেছে  তাই হাদীস। এর আরেক অর্থ হলো: কথা। ফক্বীহগণের পরিভাষায় নাবী কারীম () আল্লাহ্‌র রাসূল হিসেবে যা কিছু বলেছেন, যা কিছু করেছেন এবং যা কিছু বলার বা করার অনুমতি দিয়েছেন অথবা সমর্থন জানিয়েছেন তাকে হাদীস বলা হয়। কিন্তু মুহাদ্দিসগণ এর সঙ্গে রাসুলুল্লাহ () সম্পর্কিত বর্ণনা ও তার গুণাবলী সম্পর্কিত বিবরণকেও হাদীসের অন্তর্ভুক্ত করেন। এ হিসেবে হাদীসকে প্রাথমিক পর্যায়ে তিন শ্রেণীতে ভাগ করা যায়:

১। ক্বওলী হাদীস: কোন বিষয়ে রাসুলুল্লাহ () যা বলেছেন, অর্থাৎ যে হাদীসে তাঁর কোন কথা বিবৃত হয়েছে তাকে ক্বওলী (বাণী সম্পর্কিত) হাদীস বলা হয়।

২। ফেলী হাদীস: মহানাবী ()-এর কাজকর্ম, চরিত্র ও আচার-আচরণের ভেতর দিয়েই ইসলামের যাবতীয় বিধি-বিধান ও রীতিনীতি পরিস্ফুট হয়েছে। অতএব যে হাদীসে তাঁর কোন কাজের বিবরণ উল্লেখিত হয়েছে তাকে ফে’লী (কর্ম সম্পর্কিত) হাদীস বলা হয়।

৩। তাকরীরী হাদীস: সাহাবীগণের যে সব কথা বা কাজ নাবী কারীম ()-এর অনুমোদন ও সমর্থন প্রাপ্ত হয়েছে, সে ধরনের কোন কথা বা কাজের বিবরণ হতেও শরীয়াতের দৃষ্টিভঙ্গি জানা যায়। অতএব যে হাদীসে এ ধরনের কোন ঘটনার বা কাজের উল্লেখ পাওয়া যায় তাকে তাকরীরী (সমর্থন মূলক) হাদীস বলে।

সুন্নাহ (السنة): হাদীসের অপর নাম সুন্নাহ্ (السنة) সুন্নাত শব্দের অর্থ চলার পথ, কর্মের নীতি ও পদ্ধতি। যে পন্থা ও রীতি নাবী কারীম () অবলম্বন করতেন তাকে সুন্নাত বলা হয়। অন্য কথায় রাসুলুল্লাহ () প্রচারিত উচ্চতম আদর্শই সুন্নাত। কুরআন মাজিদে মহত্তম ও সুন্দরতম আদর্শ (أُسْوَةٌ حَسَنَةٌ) বলতে এই সুন্নাতকেই বুঝানো হয়েছে।

খবর (خبر): হাদীসকে আরবী ভাষায় খবরও (خبر) বলা হয়। তবে খবর শব্দটি হাদীস ও ইতিহাস উভয়টিকেই বুঝায়।

আসার (أثر ): আসার শব্দটিও কখনও কখনও রাসুলুল্লাহ () এর হাদীসকে নির্দেশ করে। কিন্তু অনেকেই হাদীস ও আসার এর মধ্যে কিছু পার্থক্য করে থাকেন। তাঁদের মতে- সাহাবীগণ থেকে শরীয়াত সম্পর্কে যা কিছু উদ্ধৃত হয়েছে তাকে আসার বলে।

 

ইলমে হাদীসের কতিপয় পরিভাষা

সাহাবী (صحابى):  যিনি ঈমানের সঙ্গে রাসুলুল্লাহ () এর সাহচর্য লাভ করেছেন এবং ঈমানের সঙ্গে মৃত্যুবরণ করেছেন তাঁকে রাসুলুল্লাহ ()-এর সাহাবী বলা হয়।

তাবেঈ (تابعى) : যিনি রাসুলুল্লাহ ()-এর কোন সাহাবীর নিকট হাদীস শিক্ষা করেছেন অথবা অন্ততপক্ষে তাঁকে দেখেছেন এবং মুসলমান হিসেবে মৃত্যুবরণ করেছেন তাঁকে তাবেঈ বলা হয়।

তাবে-তাবেঈ (تابعى تابع) : যিনি  কোন তাবেঈ এর নিকট হাদীস শিক্ষা করেছেন অথবা অন্ততপক্ষে তাঁকে দেখেছেন এবং মুসলমান হিসেবে মৃত্যুবরণ করেছেন তাঁকে তাবে-তাবেঈ বলা হয়।

মুহাদ্দিস (محدث) : যিনি হাদীস চর্চা করেন এবং বহু সংখ্যক হাদীসের সনদ ও মতন সম্পর্কে বিশেষ জ্ঞান রাখেন তাঁকে মুহাদ্দিস বলা হয়।

শাইখ (شيخ) : হাদীসের শিক্ষাদাতা রাবীকে শায়খ বলা হয়।

শাইখান (شيخان) : সাহাবীগনের মধ্যে আবূ বকর (রাঃ) ও উমর  (রাঃ)- কে একত্রে শাইখান বলা হয়। কিন্তু হাদীস শাস্ত্রে ইমাম বুখারী (রাহি.) ও ইমাম মুসলিম (রাহি.)-কে এবং ফিক্বহ-এর পরিভাষায় ইমাম আবূ হানীফা (রাহি.) ও আবূ ইউসুফ (রাহি.)-কে একত্রে শাইখান বলা হয়। 

হাফিয (حافظ) : যিনি সনদ ও মতনের বৃত্তান্ত সহ এক লাখ হাদীস আয়ত্ত করেছেন তাঁকে হাফিয বলা হয়।

হুজ্জাত (حجة) : অনুরূপভাবে যিনি তিন লক্ষ হাদীস আয়ত্ত করেছেন তাঁকে হুজ্জাত বলা হয়।  

হাকিম (حاكم) : যিনি সব হাদীস আয়ত্ত করেছেন তাকে হাকিম বলা হয়।

রিজাল (رجال) : হাদীসের রাবী সমষ্টিকে রিজাল বলে। যে শাস্ত্রে রাবীগণের জীবনী বর্ণনা করা হয়েছে তাকে আসমাউর-রিজাল বলা হয়।                                                                                 

রিওয়ায়াত (رواية): হাদীস বর্ণনা করাকে রিওয়ায়াত বলে। কখনও কখনও মূল হাদীসকেও রিওয়ায়াত বলা হয়। যেমন- এই কথার সমর্থনে একটি রিওয়ায়াত (হাদীস) আছে।                           

সনদ (سند): হাদীসের মূল কথাটুকু যে সূত্র পরম্পরায় গ্রন্থ সংকলনকারী পর্যন্ত পৌঁছেছে তাকে সনদ বলা হয়। এতে হাদীস বর্ণনাকারীদের নাম একের পর এক সজ্জিত থাকে।

মতন (متن): হাদীসে মূল কথা ও তার শব্দ সমষ্টিকে মতন বলে।

মারফূ (مرفوع): যে হাদীসের সনদ (বর্ণনা পরম্পরা) রাসুলুল্লাহ () পর্যন্ত পৌঁছেছে  তাকে মারফূ হাদীস বলে।

মাওকূফ (موقوف) : যে হাদীসের বর্ণনা- সূত্র ঊর্ধ্ব দিকে সাহাবী পর্যন্ত পৌঁছেছে , অর্থাৎ যে সনদ -সূত্রে কোন সাহাবীর কথা বা কাজ বা অনুমোদন বর্ণিত হয়েছে তাকে মাওকূফ হাদীস বলে। এর অপর নাম আসার।

মাকতূ (مقطوع): যে হাদীসের সনদ কোন তাবেঈ পর্যন্ত পৌঁছেছে, তাকে মাকতূ হাদীস বলা হয়।

তালীক (تعليق): কোন কোন গ্রন্থকার হাদীসের পূর্ণ সনদ বাদ দিয়ে কেবল মূল হাদীস বর্ণনা করেছেন। এরূপ করাকে তা’লীক বলা হয়।

মুদাল্লাস (مدلس): যে হাদীসের রাবী নিজের প্রকৃত শাইখের (উস্তাদের) নাম উল্লেখ না করে তার উপরস্থ শাইখের নামে এভাবে হাদীস বর্ণনা করেছেন যাতে মনে হয় যে, তিনি নিজেই উপরস্থ শাইখের নিকট তা শুনেছেন অথচ তিনি তাঁর নিকট সেই হাদীস শুনেন নি- সে হাদীসকে মুদাল্লাস হাদীস এবং এইরূপ করাকে ‘তাদ্লীস’ আর যিনি এইরূপ করেন তাকে মুদালস্নীস বলা হয়।

মুযতারাব (مضطرب): যে হাদীসের রাবী হাদীসের মতন ও সনদকে বিভিন্ন প্রকারে বর্ণনা করেছেন সে হাদীসকে হাদীসে মুযতারাব বলা হয়। যে পর্যন্ত না এর কোনরূপ সমন্বয় সাধন সম্ভবপর হয়, সে পর্যন্ত এই হাদীসের ব্যাপারে অপেক্ষা করতে হবে অর্থাৎ এই ধরনের রিওয়ায়াত প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না।

মুদ্রাজ (مدرج): যে হাদীসের মধ্যে রাবী নিজের অথবা অপরের উক্তিকে অনুপ্রবেশ করিয়েছেন, সে হাদীসকে মুদ্রাজ এবং এইরূপ করাকে ‘ইদরাজ’ বলা হয়।

মুত্তাসিল (متصل): যে হাদীসের সনদের ধারাবাহিকতা প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত পূর্ণরূপে রক্ষক্ষত আছে, কোন সত্মরেই কোন রাবীর নাম বাদ পড়ে নি তাকে মুত্তাসিল হাদীস বলে।

মুনকাতি (منقطع): যে হাদীসের সনদে ধারাবাহিকতা রক্ষিত হয় নি, মাঝখানে কোন এক স্তরে কোন রাবীর নাম বাদ পড়েছে, তাকে মুনকাতি হাদীস, আর এই বাদ পড়াকে ইনকিতা বলা হয়।

মুরসাল (مرسل): যে হাদীসের সনদে ইনকিতা শেষের দিকে হয়েছে, অর্থাৎ সাহাবীর নাম বাদ পড়েছে এবং তাবেঈ সরাসরি রাসুলুল্লাহ () এর উল্লেখ করে হাদীস বর্ণনা করেছেন তাকে মুরসাল হাদীস বলা হয়।

মুআল্লাক ( معلق ) : সনদের ইনকিতা প্রথম দিকে  হলে, অর্থাৎ সাহাবীর পর এক বা একাধিক রাবীর নাম বাদ পড়লে তাকে মু’আল্লাক হাদীস বলা হয়।

মুদাল (معضل): যে হাদীসে দুই বা ততোধিক রাবী ক্রমান্বয়ে সনদ থেকে বাদ পড়েছে তাকে মু‘দাল হাদীস বলে।

মুতাবি ও শাহিদ (متابع و شاهد): এক রাবীর হাদীসের অনুরূপ যদি অপর রাবীর কোন হাদীস পাওয়া যায় তবে দ্বিতীয় রাবীর হাদীসকে প্রথম রাবীর হাদীসের মুতাবি বলা হয়। যদি উভয় হাদীসের মূল রাবী অর্থাৎ সাহাবী একই ব্যক্তি না হয় তবে দ্বিতীয় ব্যক্তির হাদীসকে শাহিদ বলে। আর এইরূপ হওয়াকে শাহাদাত বলে। মুতাবা’আত ও শাহাদাত দ্বারা প্রথম হাদীসটির শক্তি বৃদ্ধি পায়।

মারূফ ও মুনকার (معروف و منكر): কোন দুর্বল রাবীর বর্ণিত হাদীস অপর কোন মাকবূল (গ্রহণযোগ্য) রাবীর বর্ণিত হাদীসের বিরোধী হলে তাকে মুনকার বলা হয় এবং মাকবূল রাবীর হাদীসকে মা‘রূফ বলা হয়।

সহীহ (صحيح) : যে মুত্তাসিল হাদীসের সনদে উল্লেখিত প্রত্যেক রাবীই পূর্ণ আদালত ও যাবত (ধারণ ক্ষমতা) গুণ সম্পন্ন এবং হাদীসটি যাবতীয় দোষত্রুটি ও শায মুক্ত তাকে সহীহ হাদীস বলে।

হাসান (حسن) : যে হাদীসের মধ্যে রাবীর যাবত (ধারণ ক্ষমতা) এর গুণ ব্যতীত সহীহ হাদীসের সমস্ত শর্তই পরিপূর্ণ রয়েছে তাকে হাসান হাদীস বলা হয়। ফক্বীহগণ সাধারণত সহীহ ও হাসান হাদীসের ভিত্তিতে শরীয়াতের বিধান নির্ধারণ  করেন।

যঈফ (ضعيف ) : যে হাদীসের রাবী কোন হাসান হাদীসের রাবীর গুণসম্পন্ন নন তাকে যঈফ হাদীস বলে।

মাওযূ ( موضوع ) : যে হাদীসের রাবী জীবনে কখনও ইচ্ছাকৃতভাবে রাসুলুল্লাহ ()-এর নামে মিথ্যা কথা রটনা করেছেন বলে প্রমাণিত হয়েছে, তার বর্ণিত হাদীসকে মাওযূ‘ হাদীস বলে।

 

রাবীর সংখ্যা বিচারে হাদীস প্রধানত দুপ্রকার। যথা: ১. মুতওয়াতির (متواتر) ও ২. আহাদ (أحاد)

১. মুতওয়াতির (متواتر): বৃহৎ সংখ্যক রাবীর বর্ণিত হাদীস, মিথ্যার ব্যাপারে যাদের উপর একাট্টা হওয়া অসম্ভব, সনদের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত এ সংখ্যা বিদ্যমান থাকলে হাদীসকে মুতওয়াতির (متواتر) বলা হয়।

২. আহাদ (أحاد): أحاد তিন প্রকার। যথা:

মাশহুর (مشهور): যে কোন স্তরে হাদীস বর্ণনা কারীর সংখ্যা যদি দুই এর অধিক হয়, কিন্তু মুতওয়াতির এর পর্যায়ে পৌঁছে না তাকে মাশহুর (مشهور) বলে।

আযীয (عزيز): যে কোন স্তরে হাদীস বর্ণনা কারীর সংখ্যা যদি দু‘জন হয় ।

গরীব (غريب): যে কোন স্তরে হাদীস বর্ণনা কারীর সংখ্যা যদি এক জন হয় ।

শায (شاذ): একাধিক নির্ভরযোগ্য রাবীর বিপরীত একজন নির্ভরযোগ্য রাবীর বর্ণনাকে শায হাদীস বলে।

 কিয়াস (قياس): অর্থ অনুমান, পরিমাপ, তুলনা ইত্যাদি। পরিভাষায়: শাখাকে মূলের সঙ্গে তুলনা করা, যার ফলে শাখা ও মূল একই হুকুমের অমত্মর্ভুক্ত হয়ে যায়।

তাক্বলীদ (تقليد): দলীল উল্লেখ ছাড়াই কোন ব্যক্তির মতামতকে গ্রহণ করা।

ইজতিহাদ (اجتهاد): উদ্দিষ্ট জ্ঞান অর্জনের প্রচেষ্টা চালানোকে ইজতিহাদ বলে।

শরীয়াত (شريعة): অর্থ: আইন, বিধান, পথ, পন্থা ইত্যাদি। পরিভাষায়: মহান আল্লাহ্‌ স্বীয় দীন হতে বান্দার জন্য যা বিধিবদ্ধ করে দিয়েছেন তাকে শরীয়াত বলে।

মাযহাব (مذهب): অর্থ- মত, পথ, মতবাদ ইত্যাদি। ফিক্বহী পরিভাষায়: ইবাদাত ও মু‘আমালাতের ক্ষেত্রে শারঈ হুকুম পালনের জন্য বান্দা যে পথ অনুসরণ করে এবং প্রত্যেক দলের জন্য একজন ইমামের উপর অথবা ইমামের ওসীয়ত কিংবা ইমামের প্রতিনিধির উপর নির্ভর করে তাকে মাযহাব বলে।

নাযর (نذر): কোন বিষয়ে উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য চিন্তা-ভাবনা করাকে নাযর বলে।

আম (عام): সীমাবদ্ধ করা ছাড়াই যা দুই বা ততোধিক বিষয়কে অন্তর্ভুক্ত করে তাকে আম বলে।

খাস (خاص): আম এর বিপরীত, যা নির্দিষ্ট বিষয়কে অন্তর্ভুক্ত করে।

ইজমা (اجماع): কোন এক যুগে আলিমদের কোন শারঈ বিষয়ের উপর এক মত পোষণ করাকে ইজমা বলে।

মুসনাদ (مسند): যার সনদগুলো পরস্পর এমনভাবে মিলিত যে, প্রত্যেকের বর্ণনা সুস্পষ্ট।

ফিক্বহ (فقه): ইজতিহাদ বা গবেষণার পদ্ধতিতে শারঈ হুকুম সম্পর্কে জানার বিধানকে ফিক্বহ বলে।

আসল বা মূল (اصل): এমন প্রথম বিষয়, যার উপর ভিত্তি করে কোন কিছু গড়ে উঠে। যেমন- দেয়ালের ভিত্তি।

ফারা বা শাখা (فرع): আসলের বিপরীত যা কোন ভিত্তির উপর গড়ে উঠে।

ওয়াজিব (واجب): যা আমল করলে সাওয়াব পাওয়া যাবে আর পরিত্যাগ করলে শাস্তি পাওয়া যাবে।

মানদূব (مندوب): যা আমল করলে সাওয়াব পাওয়া যাবে আর পরিত্যাগ করলে শাস্তি হবে না।

মাহযূর (محظور): যা পরিত্যাগ করলে সাওয়াব পাওয়া যাবে আর আমল করলে শাস্তি পাওয়া যাবে।

মাকরূহ (مكروه): যা পরিত্যাগ করলে সাওয়াব পাওয়া যাবে আর আমল করলে শাস্তি হবে না।

ফাৎওয়া (فتوى): জিজ্ঞাসিত ব্যক্তির নিকট থেকে দলীল ভিত্তিক শারঈ হুকুম সুস্পষ্ট বর্ণনা করে নেয়াকে ফাৎওয়া বলে।

নাসিখ (ناسخ): পরিবর্তিত শারঈ দলীল যা পূববর্তী শারঈ হুকুমকে রহিত করে দেয় তাকে নাসিখ বলে।

মানসূখ (منسوخ): আর যে হুকুমটি রহিত হয়ে যায় সেটাই মানসূখ।

মুতলাক্ব (مطلق): যা প্রকৃতিগত দিক থেকে জাতির সকলকে অন্তর্ভুক্ত  করে কিন্তু অনির্দিষ্টভাবে একটি অর্থকে বুঝায়।

মুকাইয়্যাদ (مقيد): যা মুতলাক্বের বিপরীত অর্থাৎ জাতির সকলকে অন্তর্ভুক্ত  করে না। বরং নির্দিষ্ট একটি অর্থকে বুঝায়।

হাক্বীকাত (حقيقة): শব্দকে আসল অর্থে ব্যবহার করাকে হাক্বীকত বলে। যেমন- সিংহ শব্দটি এক প্রজাতির হিংস্র প্রাণীকে বুঝায়।

মাজায (مجاز): শব্দ যখন আসল অর্থকে অতিক্রম করে তার সাথে সাদৃশ্য রাখে এমন অর্থ প্রকাশ করে তখন তাকে মাজায বলে। যেমন- সাহসী লোককে সিংহের সাথে তুলনা করা।

হাদিসের পরিসংখ্যান

সর্বমোট হাদিস পাওয়া গেছেঃ [1500] টি | অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ
গ্রন্থঃ যঈফ ও জাল হাদিস | দেখানো হচ্ছে   [331]  থেকে  [340]  পর্যন্ত
প্রতি পাতাতে টি হাদিস

পাবলিশারঃ তাওহীদ পাবলিকেশন
গ্রন্থঃ যঈফ ও জাল হাদিস
অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ
হাদিস নম্বরঃ ৩৩১ | 331 | ۳۳۱

৩৩১। আমি দুই কুরবানীকৃত ব্যাক্তির সন্তান।

এ শব্দে এটির কোন অস্তিত্ব নেই।

যায়লাঈ এবং ইবনু হাজার “তাখরীজুল কাশশাফ” গ্রন্থে (৪/১৪১) বলেছেনঃ এ শব্দে হাদীসটি পাচ্ছি না।

আমি (আলবানী) বলছিঃ যাযলাঈ আখরাজাহু “أخرجه” শব্দটি লিখার পর সাদা স্থান ছেড়ে রাখেন কে বর্ণনা করেছেন তা পরবর্তীতে লিখার জন্যে। কিন্তু তা পাওয়া সম্ভব হয়নি। সম্ভবত তার ধারণা ছিল এটির আসল রয়েছে, কিন্তু পাননি।

হাকিম দীর্ঘ এক হাদীসের মধ্যে এটির ঘটনা উল্লেখ করে হুকুম লাগানো হতে চুপ থেকেছেন। কিন্তু যাহাবী তার সমালোচনা করে বলেছেনঃ এটির সনদ দুর্বল। হাফিয ইবনু কাসীর তার “আত-তাফসীর” গ্রন্থে (৪/১৮) ইবনু জারীরের বর্ণনায় উল্লেখ করার পর বলেছেনঃ এ হাদীসটি নিতান্তই গারীব (দুর্বল)।



হাদিসের মানঃ  জাল (Fake)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!

أنا ابن الذبيحين
لا أصل له بهذا اللفظ

-

وفي " الكشف " (1 / 199) : قال الزيلعي وابن حجر في " تخريج الكشاف ": لم نجده بهذا اللفظ
قلت: الحديث في التخريج (4 / 141) ونص ابن حجر فيه: قلت: بيض له - يعني الزيلعي - وقد أخرجه
قلت: كذا قال، والظاهر أنه ترك بياضا في الأصل بعد قوله: أخرجه، لإملائه فيما بعد فلم يتمكن، وكأنه كان يظن أن له أصلا فلم يجده، والله أعلم
وقد وجدت الحاكم قد علق هذا الحديث مجزوما بنسبته إلى النبي صلى الله عليه وسلم فقال في " المستدرك " (2 / 559) بعد أن روى أثرين عن ابن عباس وابن مسعود أن الذبيح هو إسحاق: وقد كنت أرى مشايخ الحديث قبلنا وفي سائر المدن التي طلبنا الحديث فيه وهم لا يختلفون أن الذبيح إسماعيل، وقاعدتهم فيه قول النبي صلى الله عليه وسلم: " أنا ابن الذبيحين " إذ لا خلاف أنه من ولد إسماعيل وأن الذبيح الآخر أبوه الأدنى عبد الله بن عبد المطلب، والآن فإني أجد مصنفي هذه الأدلة يختارون قول من قال: إنه إسحاق
قلت: فلعل الحاكم يشير بالحديث المذكور إلى ما أخرجه قبل صفحات (2 / 551) من طريق عبد الله بن محمد العتبي، حدثنا عبد الله بن سعيد (عن) الصنابحي قال
حضرنا مجلس معاوية بن أبي سفيان فتذاكر القوم إسماعيل وإسحاق ابني إبراهيم، فقال بعضهم: الذبيح إسماعيل، وقال بعضهم: بل إسحاق الذبيح، فقال معاوية
سقطتم على الخبير، كنا عند رسول الله صلى الله عليه وسلم فأتاه الأعرابي فقال: يا رسول الله خلفت البلاد يابسة، والماء يابسا، هلك المال وضاع العيال، فعد علي بما أفاء الله عليك يا ابن الذبيحين، فتبسم رسول الله
صلى الله عليه وسلم ولم ينكر عليه، فقلنا: يا أمير المؤمنين وما الذبيحان؟ قال: إن عبد المطلب لما أمر بحفر زمزم نذر لله إن سهل الله أمرها أن ينحر بعض ولده، فأخرجهم فأسهم بينهم فخرج السهم لعبد الله، فأراد ذبحه، فمنعه أخواله من بني مخزوم وقالوا: أرض ربك وافد ابنك، قال: ففداه بمئة ناقة، قال
فهو الذبيح، وإسماعيل الثاني، وسكت عليه الحاكم، لكن تعقبه الذهبي بقوله
قلت: إسناده واه، وقال الحافظ ابن كثير في " تفسيره " (4 / 18) بعد أن ذكره من هذا الوجه من رواية ابن جرير: وهذا حديث غريب جدا
وأما ما في " الكشف " نقلا عن " شرح الزرقاني " على " المواهب ": والحديث حسن بل صححه الحاكم والذهبي لتقويه بتعدد طرقه، فوهم فاحش، فإنما قال الزرقاني: هذا في حديث " الذبيح إسحاق " وفيه مع ذلك نظر كما سيأتي بيانه إن شاء الله تعالى
ثم إن صاحب " الكشف " عقب على ما سبق بقوله: وأقول: فحينئذ لا ينافيه ما نقله الحلبي في سيرته عن السيوطي أن هذا الحديث غريب وفي إسناده من لا يعرف
قلت: وقد عرفت أن الطرق المشار إليها في كلام الزرقاني ليست لهذا الحديث، فقد اتفق قول الذهبي والسيوطي على تضعيفه
ومن جهل الدكتور القلعجي أنه جزم بنسبة حديث الترجمة إلى النبي صلى الله عليه وسلم في تعليقه على " ضعفاء العقيلي " (3 / 94) ثم ساق عقبه حديث الحاكم وسكت عنه متجاهلا تعقب الذهبي! وبناء على جزمه ذكره في " فهرس الأحاديث الصحيحة " الذي وضعه في آخر الكتاب (ص 505)

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ তাওহীদ পাবলিকেশন
গ্রন্থঃ যঈফ ও জাল হাদিস
অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ
হাদিস নম্বরঃ ৩৩২ | 332 | ۳۳۲

৩৩২। কুরবানী করা হয়েছিল ইসহাককে।

হাদিসটি দুর্বল।

সুয়ূতী “জামেউস সাগীর” গ্রন্থে এ ইঙ্গিত দিয়ে উল্লেখ করেছেন যে, এটি দারাকুতনী “আল-আফরাদ” গ্রন্থে ইবনু মাসউদ (রাঃ) হতে, বাযযার ও ইবনু মারদুবিয়া আব্বাস ইবনু আব্দুল মুত্তালিব (রাঃ) হতে এবং ইবনু মারদুবিয়া (একক ভাবে) আবু হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণনা করেছেন।

আমি (আলবানী) বলছিঃ ইবনু মাসউদ (রাঃ)-এর হাদীসটি তাবারানীও বর্ণনা করেছেন। যার সনদে মুদাল্লিস বর্ণনাকারী এবং ইনকিতা (বিচ্ছিন্নতা) রয়েছে। তবে তার ভাষায় ভিন্নতা রয়েছে। এটি হাকিমও (১/৫৫৯) মারফূ' হিসাবে বর্ণনা করে বলেছেনঃ শাইখায়নের শর্তানুযায়ী এটি সহীহ। যাহাবী তার সমালোচনা করে বলেছেনঃ এটির সনদে সুনায়েদ ইবনু দাউদ রয়েছেন। তিনি সহীহ হাদীস বর্ণনাকারী নন। ইবনু কাসীর মওকুফ হিসাবে “আত-তাফসীর” গ্রন্থে (৪/১৭) উল্লেখ করে বলেছেনঃ এটি ইবনু মাসউদ (রাঃ) হতে সহীহ অর্থাৎ মওকুফ হিসাবে।

আমি (আলবানী) বলছিঃ সম্ভবত সুনায়েদ ছাড়া অন্য কোন সূত্রে এসেছে। আব্বাস (রাঃ)-এর হাদীসটির সনদে রয়েছেন মুবারাক ইবনু ফুযালা, যিনি হাসান হতে ... বর্ণনা করেছেন। এ সনদটি দুর্বল। হাসান মুদল্লিস এবং মুবারাকের মধ্যেও দুর্বলতা রয়েছে। হায়সামীও জামহুরের নিকট মুবারাক দুর্বল হওয়ার কথা উল্লেখ করেছেন। এছাড়াও তার বর্ণনায় ইযতিরাব সংঘটিত হয়েছে। তিনি একবার মারফূ' আবার মওকুফ হিসাবে বর্ণনা করেছেন। এছাড়া আবু হুরাইরাহ (রাঃ) এবং আবু সাঈদ খুদুরী (রাঃ) হতেও অন্য সূত্রে হাদীসটি বর্ণিত হয়েছে। কিন্তু কোনটিই সহীহ নয়। মোটকথা হাদীসটির সকল সূত্রই দুর্বল। যার একটি অন্যটিকে শক্তি যোগাতে সক্ষম নয়। অধিকাংশ বর্ণনায় ইসরাইলী বর্ণনা যেগুলো কোন কোন সাহাবী বর্ণনা করেছেন। আর দুর্বল বর্ণনাকারী সেগুলোকে মারফু হিসাবে চালিয়ে দিয়ে ভুল করেছেন।

যারকানী ধারণা করেছেন যে, হাদীসটি হাকিম বিভিন্ন সূত্রে আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণনা করেছেন এবং সেটিকে শাইখায়নের শর্তানুযায়ী সহীহ বলেছেন এবং যাহাবীও সহীহ বলেছেন। তিনি (যারকানী) (১/৯৮) বলেনঃ একটি সূত্র অন্যটিকে শক্তি যোগাচ্ছে। অতএব হাদীসটি হাসান বরং এটিকে হাকিম এবং যাহাবী সহীহ বলেছেন।

আমি (আলবানী) বলছিঃ হাদীসটিকে যাহাবী সহীহ বলেননি। হাকিম সন্দেহ বশত এটিকে সহীহ বলেছেন। এটির সকল সূত্রতেই রয়েছে দুর্বলতা ও ইযতিরাব। ভাষাগুলো ইসরাইলী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বরং সেটি হওয়াই প্রাধান্য পায়। এসব কিছুই একটি অন্যটিকে শক্তি যোগাচ্ছে এ কথা বলতে বাধা প্রদান করছে।

এদিকে মুহাক্কিক আলেমগণ (যেমন ইবনু তাইমিয়া, ইবনুল কাইয়্যিম, ইবনু কাসীর ও আরো অনেকে) বলেছেনঃ যাকে যাব্‌হ করা হয়েছিল তিনি হচ্ছেন ইসমাঈল, ইসহাক নয়। ইবনুল কাইয়্যিম “যাদুল মায়াদ” গ্রন্থে বলেছেনঃ ইসহাককে কুরবানী করার নির্দেশ এসেছিল এ কথাটি বাতিল। আমি শাইখুল ইসলাম ইবনু তাইমিয়্যাকে বলতে শুনেছি, এ মতটা আহলে কিতাবদের থেকে এসেছে। অথচ তাদের কিতাবের দলীল দ্বারাই এ মতটি বাতিল। কেননা তাদের কিতাবে এসেছে যে, ইবরাহীমকে আল্লাহ তার ছোট সন্তানকে কুরবাণী করার নির্দেশ দেন। আহলে কিতাবরা মুসলিমদের সাথে এ মর্মে সন্দেহ পোষণ করে না যে, ইসমাঈলই তার সস্তানদের সর্বকনিষ্ট ছিলেন। অতএব কীভাবে এ কথা বলা বৈধ হবে যে, কুরবানীর জন্য চয়ন করা হয়েছিল ইসহাককে, অথচ আল্লাহ তা'আলা তার মাকে তার দ্বারা সুসংবাদ দিচ্ছেন এবং তার পুত্র ইয়াকুব দ্বারা।



হাদিসের মানঃ  যঈফ (Dai'f)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!

الذبيح إسحاق
ضعيف

-

عزاه السيوطي في " الجامع الصغير " للدارقطني في " الأفراد " عن ابن مسعود والبزار وابن مردويه عن العباس بن عبد المطلب، وابن مردويه عن أبي هريرة
قلت: حديث ابن مسعود رواه الطبراني أيضا وفيه مدلس وانقطاع، ولفظه: " أكرم الناس ... "، وسيأتي بتمامه قريبا، وقد رواه الحاكم (1 / 559) عنه مرفوعا بلفظ " الجامع "، وقال: صحيح على شرط الشيخين، وتعقبه الذهبي بأنفيه سنيد بن داود ولم يكن بذاك
قلت: قال الحافظ ابن كثير في " التفسير " (4 / 17) بعد أن ذكره موقوفا عليه: وهذا صحيح عن ابن مسعود
قلت: فلعله جاء من طريق غير سنيد.
وحديث العباس رواه البزار في " مسنده " (3 / 103 / 2350) وأبو الحسن الحربي في الثاني من " الفوائد " (170 / 2) عن المبارك بن فضالة عن الحسن عن الأحنف بن قيس عن العباس مرفوعا باللفظ المذكور أعلاه
وهذا سند ضعيف، الحسن مدلس وقد عنعنه والمبارك فيه ضعف كما تقدم مرارا وبه أعله الهيثمي فقال: رواه البزار وفيه مبارك بن فضالة وقد ضعفه الجمهور
قلت: ومع ضعفه فقد اضطرب في روايته فمرة رفعه كما في هذه الرواية، ومرة أوقفه على العباس كما رواه البغوي في " حديث علي بن الجعد " (13 / 143 / 2) ، وابن أبي حاتم، وكذلك رواه جماعة عن المبارك به عن العباس موقوفا، كما قال البزار
وقال الحافظ ابن كثير (4 / 17) : وهذا أشبه وأصح.
قال الزرقاني (1 / 97) : وتعقبه السيوطي بأن مباركا قد رفعه مرة، فأخرجه البزار عنه مرفوعا.
قلت: وهذا تعقب ضعيف لأن مباركا ليس بالحافظ الضابط حتى تقبل زيادته على نفسه بل اضطرابه في روايته دليل على ضعفه كما لا يخفى.
وقد روي من طريق أخرى عن العباس وسيأتي قريبا برقم (335) بلفظ: " قال داود صلى الله عليه وسلم أسألك بحق آبائي ... ".
وحديث أبي هريرة رواه ابن أبي حاتم أيضا والطبراني في حديث طويل سيأتي مع بيان علته قريبا.
وروي من حديث أبي سعيد الخدري أيضا، أخرجه العقيلي (261) وقال: إنه غير محفوظ، وسوف يأتي إن شاء الله بلفظ: " إن داود سأل ربه.. ".
وبالجملة فطرق هذا الحديث كلها ضعيفة ليس فيها ما يصلح أن يحتج به، وبعضها أشد ضعفا من بعض، والغالب أنها إسرائيليات رواها بعض الصحابة ترخصا أخطأ في رفعها بعض الضعفاء، وقد أشار لضعفه القسطلاني في " المواهب " بقوله: إن صح وتعقبه الزرقاني بهذه الطرق وزعم أن حديث العباس رواه الحاكم من طرق عنه وصححه على شرطهما، وقال الذهبي: صحيح، وفي هذا الزعم أوهام كثيرة سيأتي التنبيه عليها عند الكلام على حديث العباس باللفظ الآخر رقم (336) .
ثم قال الزرقاني (1 / 98) : فهذه أحاديث يعضد بعضها بعضا، فأقل مراتب الحديث أنه حسن فكيف وقد صححه الحاكم والذهبي! .
قلت: الذهبي لم يصححه، والحاكم وهم في تصحيحه كما سيأتي بيانه، والطرق فيها ضعف واضطراب، واحتمال كون متونها إسرائيليات، بل هو الغالب كما سبق، فهذا كله يمنع من القول بأن بعضها يعضد بعضا، ولا سيما وقد ذهب المحققون من العلماء كشيخ الإسلام ابن تيمية وابن القيم وابن كثير وغيرهم إلى أن الصواب
في الذبيح أنه إسماعيل عليه السلام، قال ابن القيم في " الزاد " (1 / 21) :
وأما القول بأنه إسحاق فباطل بأكثر من عشرين وجها، وسمعت شيخ الإسلام ابن تيمية قدس الله روحه يقول: هذا القول إنما هو متلقى عن أهل الكتاب مع أنه باطل بنص كتابهم، فإن فيه أن الله أمر إبراهيم أن يذبح ابنه بكره، وفي لفظ: وحيده.
ولا يشك أهل الكتاب مع المسلمين أن إسماعيل هو بكر أولاده ... وكيف يسوغ أن يقال: أن الذبيح إسحاق والله تعالى قد بشر أم إسحاق به وبابنه يعقوب، فقال تعالى عن الملائكة أنهم قالوا لإبراهيم لما أتوه بالبشرى: {لا تخف إنا أرسلنا إلى قوم لوط وامرأته قائمة فضحكت، فبشرناها بإسحاق ومن وراء إسحاق يعقوب} هو د: 71، فمحال أن يبشرها بأنه يكون له ولد ثم يأمر بذبحه.ثم ذكر وجوها أخرى في إبطال أنه إسحاق وتصويب أنه إسماعيل فليراجعها من شاء

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ তাওহীদ পাবলিকেশন
গ্রন্থঃ যঈফ ও জাল হাদিস
অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ
হাদিস নম্বরঃ ৩৩৩ | 333 | ۳۳۳

৩৩৩। আল্লাহ তা’আলা আমার অর্ধেক উম্মাতকে ক্ষমা করার অথবা আমার শাফা’য়াত গ্রহণ করার মধ্য হতে একটি গ্রহণ করার স্বাধীনতা আমাকে দিয়েছিলেন। কিন্তু আমি আমার শাফা’য়াত করারকে পছন্দ করি। আমার আশা শাফা’য়াতটি আমার উম্মাতের জন্য ব্যাপক হবে। আমার পূর্বের নেকাকার বান্দা যদি আমার চেয়ে সেটির দিকে অগ্রণী না হতেন, তাহলে আমি তাতে আমার দাবী নিয়ে তাড়াতাড়ি করতাম। আল্লাহ তা’আলা যখন ইসহাককে যবেহের বিপদ থেকে মুক্ত করলেন, তাঁকে বলা হলঃ হে ইসহাক! চাও তোমাকে দেয়া হবে। তিনি বললেনঃ যার হাতে আমার আত্মা তার কসম অবশ্যই আমি তাতে তাড়াতাড়ি করব, শয়তান তা ছিনিয়ে নেয়ার পূর্বেই। হে আল্লাহ! যে ব্যাক্তি তোমার সাথে কোন প্রকার শিরক না করে মারা যাবে, তুমি তাঁকে ক্ষমা করে দাও এবং তাঁকে জান্নাত দিয়ে দাও।

হাদীসটি মুনকার।

ইবনু আবী হাতিম বলেছেনঃ আমার পিতা আমাদেরকে হাদীসটি শুনিয়েছেন। এটির সনদে রয়েছেন আব্দুর রহমান ইবনু যায়েদ ইবনু আসলাম। অনুরূপভাবে “তাফসীরু ইবনে কাসীর” গ্রন্থেও এসেছে (৪/১৬) বর্ণিত হয়েছে, তিনি (ইবনু কাসীর) বলেনঃ এ হাদীসটি গারীব ও মুনকার। আব্দুর রহমান ইবনু যায়েদ হাদীসের ক্ষেত্রে দুর্বল। আমার ভয় হচ্ছে যে, হাদীসটির মধ্যে কিছু বর্ধিত করা হয়েছে। সে বর্ধিত অংশটুকু হচ্ছেঃ إن الله لما فرغ عن إسحاق ‘আল্লাহ তা'আলা যখন ইসহাককে যবেহের বিপদ হতে মুক্ত করলেন...।'

আব্দুর রহমান ইবনু যায়েদ নিতান্তই দুর্বল; হাকিম তার সম্পর্কে বলেনঃ তিনি তার পিতা হতে জাল হাদীস বর্ণনা করেছেন।

আমি (আলবানী) বলছিঃ তিনি হচ্ছেন আদম (আঃ) কর্তৃক নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে অসীলা ধরার হাদীসের বর্ণনাকারী। সে হাদীসটি জাল (নম্বর ২৫)।
এটি ইসরাইলী বর্ণনা হতে এসেছে। ভুল করে আব্দুর রহমান ইবনু যায়েদ মারফু করে ফেলেছেন।

আমি (আলবানী) বলছিঃ হাদীসটির বর্ধিত অংশটুকুও ইসরাইলী বর্ণনা হতেই এসেছে। তার প্রমাণ এই যে, কা'আব আল-আহবার বর্ধিত অংশসহ আবু হুরাইরাহ (রাঃ)-এর নিকট হাদীসটি বর্ণনা করেছেন, যেমনভাবে হাকিম (২/৫৫৭) তার সনদে কা'আব পর্যন্ত বর্ণনা করেছেন। অতঃপর বলেছেনঃ এ সনদটি সহীহ, এতে কোন ধূলিকণা নেই। যাহাবী তার কথাকে সমর্থন করেছেন। অথাৎ এটি কা'আবের কথা। অতএব এটি ইসরাইলী বর্ণনা হওয়াই সঠিক।

ইসহাক যাবিহ হওয়ার হাদীসগুলো যে সূত্রে এসেছে সেগুলো সহীহ নয়।



হাদিসের মানঃ  মুনকার (সর্বদা পরিত্যক্ত)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!

إن الله تبارك وتعالى خيرني بين أن يغفر لنصف أمتي، وبين أن يجيب شفاعتي، فاخترت شفاعتي ورجوت أن تكون أعم لأمتي، ولولا الذى سبقني إليه العبد الصالح لتعجلت فيها دعوتي، إن الله تعالى لما فرج عن إسحاق كرب الذبح، قيل له: يا إسحاق سل تعط، فقال: أما والذي نفسي بيده لأتعجلنها قبل نزغات الشيطان
اللهم من مات لا يشرك بك شيئا فاغفر له وأدخله الجنة
منكر

-

قال ابن أبي حاتم: حدثنا أبي، حدثنا محمد بن الوزير الدمشقي، حدثنا الوليد ابن مسلم حدثنا عبد الرحمن بن زيد بن أسلم عن أبيه عن عطاء بن يسار عن أبي هريرة مرفوعا، كذا في " تفسير ابن كثير " (4 / 16) وقال: هذا حديث غريب منكر، وعبد الرحمن بن زيد بن أسلم ضعيف الحديث، وأخشى أن يكون في الحديث زيادة مدرجة وهي قوله: " إن الله لما فرج عن إسحاق ... " إلخ، والله أعلم
قلت: وما خشي ابن كثير بعيد، فإن الزيادة المذكورة لها صلة تامة بقوله قبلها: ولولا الذي ... فهي كالبيان له والله أعلم
وعبد الرحمن بن زيد ضعيف جدا، قال الحاكم: روى عن أبيه أحاديث موضوعة، لا يخفى على من تأملها من أهل الصنعة أن الحمل فيها عليه
قلت: وهو راوي حديث توسل آدم بالنبي صلى الله عليه وسلم وهو حديث موضوع كما سبق بيانه في الحديث رقم (25) . وذكرت هناك احتمال كونه من الإسرائيليات، أخطأ في روايته عبد الرحمن بن زيد فرفعه إلى النبي صلى الله عليه وسلم، وأقول هنا: إن هذه الزيادة في الحديث هي من الإسرائيليات أيضا بدليل أن كعب الأحبار حدث بها أبا هريرة كما أخرجه الحاكم (2 / 557) بسنده إلى كعب ثم قال عقبه: هذا إسناد صحيح لا غبار عليه ووافقه الذهبي، وأصرح من هذه الرواية رواية عبد الرزاق قال: أخبرنا معمر عن الزهري أخبرنا القاسم قال: اجتمع أبوهريرة وكعب، فجعل أبوهريرة رضي الله عنه يحدث عن النبي صلى الله عليه وسلم، وجعل كعب يحدث عن الكتب، فقال أبوهريرة: قال النبي صلى الله عليه وسلم: " أن لكل نبي دعوة مستجابة وإني قد خبأت دعوتي شفاعة لأمتي يوم القيامة "، فقال له كعب: أنت سمعت هذا من رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: نعم، قال: أفلا أخبرك عن إبراهيم عليه السلام؟ إنه لما رأى ذبح ابنه إسحاق ... قلت: فذكر القصة وليس فيها هذه الزيادة، ولهذا قال الحافظ ابن كثير بعد أن ذكر بعض الآثار عن بعض الصحابة في أن الذبيح إسحاق: وهذه الأقوال - والله أعلم - كلها مأخوذة عن كعب الأحبار، فإنه لما أسلم في الدولة العمرية جعل يحدث عمر رضي الله عنه عن كتب قديمة، فربما استمع له عمر رضي الله عنه فترخص الناس في استماع ما عنده ونقلوا ما عنده منها وسميتها وليس لهذه الأمة والله أعلم حاجة إلى حرف واحد مما عنده
والحديث أخرجه الطبراني في " الأوسط " من هذا الوجه (2 / 138 / 2 / 7136) وهو دليل على أن الذبيح إسحاق عليه السلام، وبه قال بعضهم وهو باطل، والصواب أنه إسماعيل كما سبق بيانه في الحديث الذي قبله، ومثله ما يأتي

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ তাওহীদ পাবলিকেশন
গ্রন্থঃ যঈফ ও জাল হাদিস
অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ
হাদিস নম্বরঃ ৩৩৪ | 334 | ۳۳٤

৩৩৪। লোকদের মধ্যে ইউসুফ ইবনু ইয়াকুব ইবনু ইসহাক হচ্ছেন সর্বাপেক্ষা সন্মানিত ব্যাক্তি। তিনি যাবীহুল্লাহ।

হাদীসটি মুনকার।

এ শব্দে তাবারানী তার “মুজামুল কাবীর” গ্রন্থে (১০২৭৮) আবূ ওবাইদার সূত্রে বর্ণনা করেছেন। হায়সামী "আল-মাজমা" গ্রন্থে বলেছেনঃ (৮/২০২) এটির সনদে বাকিয়াহ রয়েছেন, তিনি মুদাল্লিস এবং আবূ ওবাইদা তার পিতা হতে শুনেননি। কিন্তু বাকিয়ার মুতাবায়াত পাওয়া যায়। মুয়াবিয়া ইবনু হাফস এবং বাকিয়া উভয়ে শু'বা হতে বর্ণনা করেছেন। এটি ইবনুল মুজাফফার “গারায়েবু শু'বাহ” গ্রন্থে (১/১৩৮) বর্ণনা করেছেন। ইবনু কাসীর তার “আত-তাফসীর” গ্রন্থে (৪/১৭) বলেছেনঃ এটি ইবনু মাসউদ (রাঃ) হতে সহীহ (অর্থাৎ মওকুফ হিসাবে)।

আমি (আলবানী) বলছিঃ “إن إسحاق ذبيح الله” এ অংশটুকু বাদ দিয়ে হাদীসটি মারফু' হিসাবেও সহীহ কারণ এ বর্ধিত অংশটুকু মুনকার। এ অংশটুকু বাদ দিয়ে বুখারী এবং মুসলিম আবু হুরাইরার (রাঃ) হাদীস হতে বর্ণনা করেছেন।

ইসহাকই ছিলেন যাবীহ এ মর্মে যে সব হাদীস বর্ণিত হয়েছে, সে গুলোর সবই দুর্বল।



হাদিসের মানঃ  মুনকার (সর্বদা পরিত্যক্ত)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!

أكرم الناس يوسف بن يعقوب بن إسحاق ذبيح الله
منكر بهذا اللفظ

-

رواه الطبراني في " كبيره " (10278) من طريق أبي عبيدة عن أبيه عبد الله بن مسعود عن النبي صلى الله عليه وسلم أنه سئل: من أكرم الناس؟ قال
" يوسف بن يعقوب ... "، الحديث، قال الهيثمي في " مجمع الزوائد " (8 / 202) : وفيه بقية مدلس، وأبو عبيدة لم يسمع من أبيه
قلت: ولكن بقية قد توبع عليه فقد رواه ابن المظفر في " غرائب شعبة " (138 / 1) عن معاوية بن حفص وبقية معا عن شعبة عن أبي إسحاق عن أبي عبيدة عن ابن مسعود به، ورواه شعبة عن أبي إسحاق عن أبي الأحوص عن ابن مسعود موقوفا عليه، وهو الصواب، أخرجه الطبراني في " الكبير " (3 / 18 / 1) ، قال الحافظ ابن
كثير بعد أن ساقه في " تفسيره " (4 / 17) : وهذا صحيح عن ابن مسعود
قلت: والحديث صحيح مرفوعا دون قوله: " إن إسحاق ذبيح الله "، فإن هذه الزيادة منكرة، فقد أخرج الحديث البخاري (6 / 323 - 324) ومسلم (7 / 103) من حديث أبي هريرة: سئل رسول الله صلى الله عليه وسلم: من أكرم الناس؟ قال: " أتقاهم لله، قالوا: ليس عن هذا نسألك، قال: " فأكرم الناس يوسف نبي الله ابن نبي الله ابن نبي الله بن خليل الله ... "، الحديث ليس فيه " ذبيح الله " فدل على نكارتها

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ তাওহীদ পাবলিকেশন
গ্রন্থঃ যঈফ ও জাল হাদিস
অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ
হাদিস নম্বরঃ ৩৩৫ | 335 | ۳۳۵

৩৩৫। দাঊদ (আঃ) বলেনঃ আমি তোমার নিকট আমার পিতা ইবরাহীম, ইসহাক এবং ইয়াকুবকে হক জানার মাধ্যমে প্রার্থনা জানাচ্ছি। অতঃপর (আল্লাহ) বললেনঃ ইবরাহীমকে আগুনে নিক্ষেপ করা হয়েছিল। সে আমার জন্যই ধৈর্য ধারন করে। সে বিপদ তোমাকে স্পর্শ করেনি। ইসহাক নিজেকে যাবহ করার জন্য সমর্পণ করেছিল। সে আমার জন্যই ধৈর্য ধারন করে। সে বিপদ তোমাকে স্পর্শ করেনি। ইয়াকুবের নিকট হতে ইউসুফ হারিয়ে গিয়েছিল। সে বিপদ ও তোমাকে স্পর্শ করেনি।

হাদীসটি নিতান্তই দুর্বল।

হায়সামী “আল-মাজমা" গ্রন্থে (৮/২০২) বলেনঃ হাদীসটি বাযযার আব্বাস (রাঃ) হতে আবু সাঈদের বর্ণনা থেকে, তিনি আলী ইবনু যায়েদ হতে বর্ণনা করেছেন। এ আবু সাঈদকে আমি চিনি না এবং আলী ইবনু যায়েদ দুর্বল। কেউ কেউ তাকে সিকা (নির্ভরযোগ্য) আখ্যা দিয়েছেন।

আমি (আলবানী) বলছিঃ এ আবু সাঈদ হচ্ছেন হাসান ইবনু দীনার। তিনি একেবারেই দুর্বল। হাদীসটি ইবনু কাসীর তার “আত-তাফসীর” গ্রন্থে (৪/১৭) উল্লেখ করে বলেছেনঃ এটি সহীহ নয়। এটির সনদের বর্ণনাকারী হাসান ইবনু দীনার মাতরূক আর ‘আলী ইবনু যায়েদ ইবনু যাদ'আন মুনকারুল হাদীস।

হাসান ইবনু দীনারের কুনিয়াত হচ্ছে আবূ সা'ঈদ, যেমনভাবে "আল-মীযান" গ্রন্থে এসেছে। হাদীসটি ইবনু মারদুবিয়াও বর্ণনা করেছেন, যেমনটি যারকানীর “শারহুল মাওয়াহিব” গ্রন্থে (১/৯৭) এসেছে।

ইবনু তাইমিয়া "কায়েদাতুল জালীলাহ" গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন, এটি ইসরাইলী বর্ণনার অন্তর্ভুক্ত। এটিই বিশুদ্ধতার দিক থেকে বেশী সাদৃশ্যপূৰ্ণ। কারণ আমাদের ধর্মের মধ্যে পিতাদের হক জানার দ্বারা অসীলা করা শরীয়ত সম্মত নয়, যেমনটি ২২-২৫ নং হাদীসে আলোচনা করা হয়েছে।



হাদিসের মানঃ  যঈফ (Dai'f)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!

قال داود : أسألك بحق آبائي إبراهيم وإسحاق ويعقوب، فقال: أما إبراهيم فألقي في النار فصبر من أجلي، وتلك بلية لم تنلك، وأما إسحاق فبذل نفسه ليذبح فصبر من أجلي، وتلك بلية لم تنلك، وأما يعقوب فغاب عنه يوسف وتلك بلية لم تنلك
ضعيف جدا

-

قال الهيثمي في " المجمع " (8 / 202) : رواه البزار عن العباس من رواية أبي سعيد عن علي بن زيد وأبو سعيد لم أعرفه وعلي بن زيد ضعيف، وقد وثق
قلت: أبو سعيد هذا هو الحسن بن دينار وهو واه بمرة، فقد أخرج الحديث ابن جرير من طريق زيد بن الحباب عن الحسن بن دينار عن علي بن زيد بن جدعان عن الحسن عن الأحنف بن قيس عن العباس بن المطلب، ذكره ابن كثير (4 / 17) وقال: لا يصح، في إسناده ضعيفان وهما الحسن بن دينار البصري متروك، وعلي بن زيد بن
جدعان منكر الحديث
قلت: والحسن بن دينار كنيته أبو سعيد كما في " الميزان " ولكنه لم يتفرد به بل توبع عليه مختصرا كما في الحديث الآتي بعده
والحديث رواه ابن مردويه أيضا كما في " شرح المواهب " للزرقاني (1 / 97)
وذكره ابن تيمية في " القاعدة الجليلة " أنه من الإسرائيليات وهو الأشبه بالصواب
قلت: وإن مما يؤكد ذلك أنه لا يشرع في ديننا التوسل بحق الآباء، كما تقدم بيانه تحت الأحاديث المتقدمة (22 - 25)

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ তাওহীদ পাবলিকেশন
গ্রন্থঃ যঈফ ও জাল হাদিস
অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ
হাদিস নম্বরঃ ৩৩৬ | 336 | ۳۳٦

৩৩৬। আল্লাহর নাবী দাঊদ বললেনঃ হে প্রতিপালক! আমি লোকেদেরকে বলতে শুনেছিঃ ইসহাকের প্রভু? উত্তরে (আল্লাহ) বললেনঃ ইসহাক আমাকে তার নিজের জীবন দিয়েছে।

হাদীসটি দুর্বল।

এটি হাকিম “আল-মুসতাদরাক” গ্রন্থে (২/৫৫৬) বর্ণনা করেছেন। অতঃপর বলেছেনঃ এটি সহীহ লোকেরা আলী ইবনু যায়েদ ইবনু যাদ'আন হতে বর্ণনা করেছেন। তিনি এটিকে এককভাবে বর্ণনা করেছেন।

আমি (আলবানী) বলছি যাহাবী চুপ থেকেছেন। অথচ ইবনু যাদ'আন দুর্বল, মুনকারুল হাদীস, যেমনটি ইবনু কাসীর হতে পূর্বের হাদীসে আলোচনা করা হয়েছে। যারকানী “শারহুল মাওয়াহিব” গ্রন্থে (১/৯৭) হাকিম ও যাহাবী হতে যে কথা নকল করেছেন, সে সম্পর্কে পূর্বেই আলোচনা করা হয়েছে



হাদিসের মানঃ  যঈফ (Dai'f)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!

قال نبي الله داود: يا رب أسمع الناس يقولون: رب إسحاق؟ قال: إن إسحاق جاد لي بنفسه
ضعيف

-

أخرجه الحاكم في " المستدرك " (2 / 556) من طريق زيد بن الحباب عن حماد بن سلمة عن علي بن زيد عن الحسن عن الأحنف بن قيس عن العباس بن عبد المطلب مرفوعا، وقال: هذا حديث صحيح، رواه الناس عن علي بن زيد بن جدعان تفرد به
قلت: وسكت عليه الذهبي ولم يزد على قوله: رواه الناس عن ابن جدعان، وابن جدعان ضعيف منكر الحديث كما تقدم عن ابن كثير في الحديث الذي قبله
وأما قول الزرقانى في " شرح المواهب " (1 / 97)
رواه الحاكم من طرق عن العباس، وقال: صحيح على شرطهما، وقال الذهبي: صحيح ورواه ابن مردويه عن أبي هريرة، قال ابن كثير: وفيه الحسن بن دينار متروك وشيخه منكر، ففيه أوهام
الأول: أنه ليس له عند الحاكم إلا هذه الطريق
الثاني: أنه إنما صححه مطلقا لم يقل: على شرطهما
الثالث: أن ابن كثير إنما أعل بما نقله الزرقاني عنه حديث العباس الذي قبله هذا، وأما علة حديث أبي هريرة فهي عبد الرحمن بن زيد بن أسلم كما تقدم قبل ثلاثة أحاديث

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ তাওহীদ পাবলিকেশন
গ্রন্থঃ যঈফ ও জাল হাদিস
অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ
হাদিস নম্বরঃ ৩৩৭ | 337 | ۳۳۷

৩৩৭। জিবরীল ইবরাহীমকে সাথে নিয়ে জামারাতুল আকাবার নিকট গেলেন। শয়তান তার সম্মুখে দাঁড়াল। তিনি তাঁকে সাতটি পাথর নিক্ষেপ করলেন। তাতে সে চিল্লিয়ে উঠল। অতঃপর যখন ইবরাহীম তার সন্তান ইসহাককে যাবহ করার ইচ্ছা করলেন; তিনি তার পিতাকে বললেনঃ হে আমার পিতা! আমাকে শক্ত করে বেঁধে ফেলুন যাতে আমি নড়াচড়া না করি। যাতে আমি আমাকে আপনি যখন যবহ করবেন তখন আমার রক্ত আপনার উপর উপর ছিটে না পড়ে। তিনি তাঁকে শক্ত করে বাঁধলেন এবং ছুরি দিয়ে তাঁকে যবহ করার ইচ্ছা করলেন, তখন তার পিছন হতে ডাক দেয়া হল “হে ইবরাহীম তুমি স্বপ্নকে সত্যে পরিণত করে দেখিয়েছ”।

হাদীসটি দুর্বল।

এটি ইমাম আহমাদ (নং ২৭৯৫) হাম্মাদ ইবনু সালামা সূত্রে আতা ইবনুস সায়েব হতে বর্ণনা করেছেন।

এটির সনদ দুর্বল। কারণ এ আতা ইবনুস সায়েবের মস্তিষ্ক বিকৃতি ঘটেছিল। হাম্মাদ তার থেকে এ অবস্থাতে এবং এর পূর্বেও শুনেছেন। যারকানী যে “শারহুল মাওয়াহিব” গ্রন্থে (১/৯৮) বলেছেনঃ শাইখ আহমাদ শাকের মুসনাদের টীকায় বলেছেনঃ এটির সনদ সহীহ। এ কথা গ্রহণযোগ্য নয়। কারণ এটি প্রসিদ্ধ যে, শাইখ আহমাদ শাকের হাদীসটির সনদ সহীহ হওয়ার পিছনে দলীল হিসাবে উল্লেখ করেছেন যে, হাম্মাদ ইখতিলাতের (মস্তিষ্ক বিকৃতি ঘটার) পূর্বে আতা হতে শুনেছেন।
এটি হচ্ছে হাফিয ইবনু হাজার “তাহযীবুত তাহযীব” গ্রন্থে কোন কোন ইমামের উদ্ধৃতিতে যা উল্লেখ করেছেন তা থেকে তার (পাশ কাটিয়ে) দ্রুত চলা। কারণ হাম্মাদ আতা হতে ইখতিলাতের মধ্যেও শুনেছেন। অতএব সহীহ বলা সঠিক হবে না যতক্ষণ পর্যন্ত স্পষ্ট না হবে যে তিনি ইখতিলাতের পূর্বে শুনেছেন।

হাদীসটি হাকিম (১/৪৬৬) অন্য একটি সূত্রে ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতে মারফু হিসাবে যাব্‌হ করার কিস্‌সাটি বাদ দিয়ে উল্লেখ করেছেন এবং মুসলিমের শর্তানুযায়ী সহীহ এ কথা বলেছেন। যাহাবীও তাকে সমর্থন করেছেন।

ইমাম আহমাদ তৃতীয় একটি সূত্রে (নং ২৭০৭) বর্ণনা করেছেন। তাতে কিসসাটি আছে তবে ইসমাঈলকে যাবহ করার কথা বলা হয়েছে। এটিই সঠিক।



হাদিসের মানঃ  যঈফ (Dai'f)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!

إن جبريل ذهب بإبراهيم إلى جمرة العقبة، فعرض له الشيطان فرماه بسبع حصيات فساخ، فلما أراد إبراهيم أن يذبح ابنه إسحاق قال لأبيه: يا أبت أو ثقني لا أضطرب، فينتضح عليك من دمي إذا ذبحتني، فشده، فلما أخذ الشفرة فأراد أن يذبحه نودي من خلفه {أن يا إبراهيم قد صدقت الرؤيا}
ضعيف بهذا السياق

-

أخرجه أحمد (رقم 2795) من طريق حماد بن سلمة عن عطاء بن السائب عن سعيد بن جبير عن ابن عباس مرفوعا
وهذا إسناد ضعيف رجاله كلهم ثقات، وعلته أن عطاء بن السائب كان قد اختلط وسمع منه حماد في هذه الحالة وقبلها أيضا، فقول الزرقاني في " شرح المواهب " (1 / 98) والشيخ أحمد شاكر في تعليقه على " المسند ": إسناده صحيح، غير مسلم، ومن المعروف عن الشيخ أحمد أنه يحتج في تصحيح هذا السند بأن حمادا سمع
من عطاء قبل الاختلاط، ذكر ذلك في غير ما موضع من تعليقه على " المسند " وغيره وهو ذهول عما ذكره الحافظ في " تهذيب التهذيب " عن بعض الأئمة أنه سمع منه في الاختلاط أيضا، فلا يجوز حينئذ تصحيح حديثه إلا بعد تبين أنه سمعه منه قبل الاختلاط
والحديث أخرجه الحاكم (1 / 466) من طريق أخرى عن ابن عباس رفعه دون قصة الذبح، وصححه على شرط مسلم ووافقه الذهبي، وأخرجه أحمد (رقم 2707) من طريق ثالث عنه أتم منه، وفيه القصة وفيه تسمية الذبيح إسماعيل، وهو الصواب لما تقدم بيانه في حديث: " الذبيح إسحاق " رقم (332)

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ তাওহীদ পাবলিকেশন
গ্রন্থঃ যঈফ ও জাল হাদিস
অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ
হাদিস নম্বরঃ ৩৩৮ | 338 | ۳۳۸

৩৩৮। আল্লাহ তা’আলা সাত আসমানকে সৃষ্টি করলেন। অতঃপর তার মধ্য হতে সর্বোচ্চটিকে পছন্দ করলেন। সেটিতে বসবাস করা শুরু করেলেন এবং তার সকল আসমানকে তার সৃষ্টির মধ্য হতে যাকে চান তাঁদের জন্য বাসস্থান বানালেন। সাত যমীনকে সৃষ্টি করলেন। তার মধ্য থেকে সর্বোচ্চটিকে তার সৃষ্টির মধ্য হতে যাকে চান তাঁদের জন্য বাসস্থান বানালেন। অতঃপর সকল সৃষ্টিকে সৃষ্টি করলেন। সৃষ্টির মধ্য হতে আদম সন্তানদের তিনি চয়ন করলেন। বানু আদমদের থেকে আরবদেরকে চয়ন করলেন। আরবদের থেকে মুযারা গোত্রকে বেছে নিলেন। মুযারা হতে কুরাইশদেরকে বেছে নিলেন। কুরাইশদের থেকে হাশেমীদেরকে বেছে নিলেন। অতঃপর আমাকে হাশেমীদের থেকে বেছে নিলেন। আমি উত্তমদের থেকে উত্তমদের শেষ সীমায়। অতএব যে ব্যাক্তি আরবদের ভালবাসবে, সে আমাকে ভালোবাসার কারণেই তাঁদেরকে ভালবেসেছে এবং যে আরবদের অপছন্দ করবে সে আমাকে অপছন্দ করার কারণেই তাঁদেরকে অপছন্দ করেছে।

হাদীসটি মুনকার।

এটি তাবারানী (৩/২১০/১), উকায়লী"“আয-যুয়াফা" গ্রন্থে (৪৫৮), ইবনু আদী (৭৪/২/৩০১/২), আবূ নু’য়াইম "দালায়েলুল নুবুওয়া" গ্রন্থে (পৃঃ ১২), অনুরূপভাবে হাকিম (৪/৭৩-৭৪), ইবনু কুদামা আল-মাকদেসী “আল-উলু” গ্রন্থে (১৬৫-১৬৬) এবং ইরাকী “মুহাজ্জাতুল কুরব ইলা মুহাব্বাতীল আরাব” গ্রন্থে (২/২০১) দু'টি সূত্রে মুহাম্মাদ ইবনু যাকওয়ান হতে বর্ণনা করেছেন।

আমি (আলবানী) বলছিঃ এটির সনদ নিতান্তই দুর্বল। এ মুহাম্মাদ ইবনু যাকওয়ান সম্পর্কে নাসাঈ বলেনঃ তিনি নির্ভরযোগ্য নন। তাকে দারাকুতনী ও অন্যরা দুর্বল আখ্যা দিয়েছেন। উকায়লী বলেছেনঃ তিনি অনুসরণযোগ্য নন। হাকিম অন্য একটি সূত্রে আমর ইবনু দীনার হতে বর্ণনা করেছেন।

আমি (আলবানী) বলছিঃ এটির সনদে আবু সুফিয়ান যিয়াদ ইবনু সুহায়েল আল-হারেসী নামক এক বর্ণনাকারী আছেন তার জীবনী পাচ্ছি না। হাদীসটি ইবনু আবী হাতিম “আল-ইলাল” গ্রন্থে (২/৩৬৭-৩৬৮) প্রথম সূত্রটিতে উল্লেখ করেছেন, অতঃপর তার পিতার উদ্ধৃতিতে বলেছেনঃ হাদীসটি মুনকার। যাহাবী ইবনু যাকুয়ানের জীবনীতে “আল-মীযান” গ্রন্থে তা সমর্থন করেছেন। তবে হাদীসের শেষাংশ যেটুকুতে রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর ফযীলত এবং আরবদের ফযীলত সম্পর্কে বলা হয়েছে সে অংশটুকু সহীহ্ হাদীস দ্বারা সাব্যস্ত হয়েছে



হাদিসের মানঃ  মুনকার (সর্বদা পরিত্যক্ত)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!

إن الله عز وجل خلق السموات سبعا، فاختار العليا منها فسكنها، وأسكن سائر سمواته من شاء من خلقه، وخلق الأرضين سبعا فاختار العليا منها فأسكنها من شاء من خلقه، ثم خلق الخلق فاختار من الخلق بني آدم واختار من بني آدم العرب، واختار من العرب مضر، واختار من مضر قريشا، واختار من قريش بني هاشم
واختارني من بني هاشم، فأنا من خيار إلى خيار، فمن أحب العرب فبحبي أحبهم، ومن أبغض العرب فببغضي أبغضهم
منكر

-

رواه الطبراني (3 / 210 / 1) والعقيلي في " الضعفاء " (458) وابن عدي (74 / 2 / 301 / 2) وأبو نعيم في " دلائل النبوة " (ص 12) وكذا الحاكم (4 / 73 - 74) وابن قدامة المقدسي في " العلو" (165 - 166) والعراقي في " محجة القرب إلى محبة العرب " (2 / 201) من طريقين عن محمد بن ذكوان عن عمرو
ابن دينار عن ابن عمر مرفوعا
قلت: وهذا إسناد ضعيف جدا: محمد بن ذكوان، قال النسائي: ليس بثقة وضعفه الدارقطني وغيره، وقد قال العقيلي: إنه لا يتابع عليه، لكن أخرجه الحاكم من طريق أخرى عن عمرو بن دينار عن سالم بن عبد الله عن ابن عمر مرفوعا مختصرا
قلت: وفي سنده أبو سفيان زياد بن سهيل الحارثي ولم أجد له ترجمة
والحديث أورده ابن أبي حاتم في " العلل " (2 / 367 - 368) من الطريق الأول وقال عن أبيه: إنه حديث منكر، وأقره الذهبي في ترجمة ابن ذكوان من الميزان
ومما ينبغي أن يعلم أن القطعة الأخيرة من الحديث المتضمنة فضل العرب وفضل الرسول صلى الله عليه وسلم ثابتة في أحاديث صحيحة قد ذكرنا بعضها عند الكلام على الحديث الموضوع: " إذا ذلت العرب ذل الإسلام " وتكلمنا هناك عن مسألة أفضلية العرب على العجم وحقيقتها بشيء من التفصيل فراجع الحديث (163) والذي بعده

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ তাওহীদ পাবলিকেশন
গ্রন্থঃ যঈফ ও জাল হাদিস
অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ
হাদিস নম্বরঃ ৩৩৯ | 339 | ۳۳۹

৩৩৯। ইদরীস ছিলেন মালাকুল মাওতের বন্ধু। তিনি তার নিকট জান্নাত এবং জাহান্নাম দেখত চাইলেন। তিনি ইদরীসকে নিয়ে উপরে উঠলেন। অতঃপর তাঁকে জাহান্নাম দেখালেন। তিনি তাতে অত্যন্ত ভীত হয়ে পড়লেন, এমনকি বেহুশ হওয়ার উপক্রম হলেন। মালাকুল মাওত তাঁকে তার বাহু দ্বারা জড়িয়ে ধরলেন। মালাকুল মাওত বললেনঃ আপনি কি তা দেখেননি? তিনি বললেনঃ হ্যাঁ, কখনও এ দিনের ন্যায় কিছু দেখিনি। অতঃপর তাঁকে নিয়ে চললেন। তাঁকে জান্নাত দেখালেন। তাতে তিনি প্রবেশ করলেন। মালাকুল মাওত বললেনঃ আপনি চলুন তা আপনি দেখেছেন। তিনি বললেনঃ কোথায়? মালাকুল মাওত বললেনঃ যেখানে ছিলাম। ইদরীস বললেনঃ আল্লাহর কসম না! আমি তাতে প্রবেশ করবার পরে তা (জান্নাত) থেকে বের হবে না। মালাকুল মাওত কে বলা হলঃ আপনি কি বিশেষ ভাবে তাঁকে প্রবেশ করিয়ে দেননি? তাতে যে কেও প্রবেশ করলে তাকে আর বের করা হয় না।

হাদীসটি জাল।

এটি তাবারানী “মুজামুল আওসাত” গ্রন্থে (২/১৭৭/১/৭৪০৬) ইবরাহীম ইবনু আবদিল্লাহ ইবনে খালেদ মাসীসী সূত্রে বর্ণনা করেছেন। হায়সামী “আল-মাজমা" গ্রন্থে (৮/১৯৯-২০০) বলেনঃ এটির সনদে ইবরাহীম ইবনু আবদিল্লাহ রয়েছেন, তিনি মাতরূক।

আমি (আলবানী) বলছিঃ যাহাবী “আল-মীযান” গ্রন্থে বলেনঃ এ ব্যক্তি মিথ্যুক। হাকিম তার সম্পর্কে বলেনঃ তার হাদীসগুলো মাওযু (বানোয়াট)।



হাদিসের মানঃ  জাল (Fake)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!

إن إدريس صلى الله عليه وسلم كان صديقا لملك الموت، فسأله أن يريه الجنة والنار، فصعد بإدريس فأراه النار، ففزع منها وكاد يغشى عليه، فالتف عليه ملك الموت بجناحه، فقال ملك الموت: أليس قد رأيتها؟ قال: بلى، ولم أر كاليوم قط، ثم انطلق به حتى أراه الجنة فدخلها، فقال ملك الموت: انطلق قد رأيتها، قال: إلى أين؟ قال ملك الموت: حيث كنت، قال إدريس: لا والله لا أخرج منها بعد أن دخلتها، فقيل لملك الموت: أليس أنت أدخلته إياها؟ وإنه ليس لأحد دخلها أن يخرج منها
موضوع

-

رواه الطبراني في " الأوسط " (2 / 177 / 1 / 7406) من طريق إبراهيم بن عبد الله بن خالد المصيصي أخبرنا حجاج بن محمد عن أبي غسان محمد بن مطرف عن زيد بن أسلم عن عبيد الله بن أبي رافع عن أم سلمة مرفوعا، قال الهيثمي (8 / 199 - 200) : وفيه إبراهيم بن عبد الله بن خالد المصيصي وهو متروك
قلت: قال الذهبي في " الميزان ": قلت: هذا رجل كذاب، قال الحاكم: أحاديثه موضوعة

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ তাওহীদ পাবলিকেশন
গ্রন্থঃ যঈফ ও জাল হাদিস
অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ
হাদিস নম্বরঃ ৩৪০ | 340 | ۳٤۰

৩৪০। তোমরা সন্তানদের মধ্যে সমানভাবে হাদিয়া দাও। যদি কাউকে বেশী দিতাম তাহলে নারীদেরকে বেশী দিতাম।

হাদীসটি দুর্বল।

এটি আবূ বাকর আজুরী “ফাওয়াইদুল মুন্তাখাবা” গ্রন্থে (১/১০৩/১), তাবারানী (৩/১৪২/২), হারিস ইবনু আবী উসামা “মুসনাদ” গ্রন্থে (পৃঃ ১০৬) এবং বাইহাকী (৬/১৭৭) চারটি সূত্রে বর্ণনা করেছেন। তারা বলেনঃ আমাদেরকে হাদীসটি ইসমাঈল ইবনু আইয়াশ সাঈদ ইবনু ইউসুফ হতে ... শুনিয়েছেন। এটির সনদ দুর্বল। কারণ ইবনু ইউসুফ সকলের ঐক্যমতে দুর্বল। ইবনু আদী তার এ হাদীসটি উল্লেখ করে বলেনঃ তার এ হাদীসটির চেয়ে মুনকার হাদীস আর নেই। এ জন্য ইবনু হাজার “আত-তাকরীব” গ্রন্থে তার জীবনীতে বলেনঃ তিনি দুর্বল। তার এ কথার কারণেই বুঝা যাচ্ছে "ফাতহুল বারী" গ্রন্থে (৫/১৬৩) যে বলেছেন সনদটি হাসান, এরূপ বলাটা সঠিক নয়। তবে হাদীসটির প্রথম অংশটুকুর অর্থবোধক শব্দ বুখারী এবং মুসলিম সহ অন্যান্য হাদীস গ্রন্থে বর্ণিত হয়েছে। সুতরাং প্রথম অংশটি সহীহ।

হাদীসটি আবু মুহাম্মাদ জাওহারী “ফাওয়াইদুল মুস্তাখাবা” গ্রন্থে (২/৭) এবং তার থেকে ইবনু আসাকির (৭/১৮৪/২) আওযাঈর সূত্রে ইয়াহইয়া ইবনু আবী কাসীর হতে বর্ণনা করেছেন। ইয়াহইয়া বলেনঃ রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ...।

এ সনদটি মু'জাল। সাহাবী এবং তাবেঈ দু'জনকে এখানে লুকিয়ে দেয়া হয়েছে।



হাদিসের মানঃ  যঈফ (Dai'f)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!

سووا بين أولادكم في العطية، فلوكنت مفضلا أحدا لفضلت النساء ".
ضعيف

-

أخرجه أبو بكر الآجري في " الفوائد المنتخبة " (1 / 103 / 1) والطبراني (3 / 142 / 2) والحارث بن أبي أسامة في " المسند " (ص 106 - من زوائده) والبيهقي (6 / 177) من طرق أربعة قالوا: حدثنا إسماعيل بن عياش عن سعيد بن يوسف عن يحيى بن أبي كثير عن عكرمة عن ابن عباس مرفوعا
وهذا سند ضعيف، ابن يوسف هذا متفق على تضعيفه، وقال الحافظ ابن عدي بعد أن أخرج له هذا (3 / 381) : ليس له أنكر من هذا الحديث، ولذا قال ابن حجر في " التقريب " في ترجمته: ضعيف
ومنه تعلم أن قوله في " الفتح " (5 / 163) : وإسناده حسن، غير حسن
والشطر الأول من الحديث صحيح، روى معناه الشيخان وغيرهما من حديث النعمان بن بشير بلفظ: " اتقوا الله واعدلوا بين أولادكم " وهو مخرج في الإرواء (1598) ومن أوهام الهيثمي في " مجمعه " (4 / 153) أنه أعله بعبد الله بن صالح فقط وذكر الخلاف فيه، وهو متابع من سائر الجمع ولعله سبب وهم الحافظ
ثم وجدت الحديث قد رواه أبو محمد الجوهري في " الفوائد المنتقاة " (7 / 2) وعنه ابن عساكر (7 / 184 / 2) من طريق الأوزاعي قال: حدثني يحيى بن أبي كثير قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم فذكره
وهذا إسناد معضل، وهذا هو أصل الحديث، فإن الأوزاعي ثقة ثبت، فمخالفة سعيد ابن يوسف إياه إنما هو من الأدلة على وهنه وضعفه

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

হাদিস দেখানো হচ্ছে   [331]  থেকে  [340]  পর্যন্ত এবং সর্বমোট   [1500]  টি হাদিস পাওয়া গেছে।