• ৭১৪৬৩ টি সর্বমোট হাদিস আছেঃ
  • ৭৬৬৬ টি প্রশ্নোত্তর ও ফিকাহঃ

 

 

 

 


হাদীস (حَدِيْث) এর শাব্দিক অর্থ: নতুন, প্রাচীন ও পুরাতন এর বিপরীত বিষয়। এ অর্থে যে সব কথা, কাজ ও বস্ত্ত পূর্বে ছিল না, এখন অস্তিত্ব লাভ করেছে  তাই হাদীস। এর আরেক অর্থ হলো: কথা। ফক্বীহগণের পরিভাষায় নাবী কারীম () আল্লাহ্‌র রাসূল হিসেবে যা কিছু বলেছেন, যা কিছু করেছেন এবং যা কিছু বলার বা করার অনুমতি দিয়েছেন অথবা সমর্থন জানিয়েছেন তাকে হাদীস বলা হয়। কিন্তু মুহাদ্দিসগণ এর সঙ্গে রাসুলুল্লাহ () সম্পর্কিত বর্ণনা ও তার গুণাবলী সম্পর্কিত বিবরণকেও হাদীসের অন্তর্ভুক্ত করেন। এ হিসেবে হাদীসকে প্রাথমিক পর্যায়ে তিন শ্রেণীতে ভাগ করা যায়:

১। ক্বওলী হাদীস: কোন বিষয়ে রাসুলুল্লাহ () যা বলেছেন, অর্থাৎ যে হাদীসে তাঁর কোন কথা বিবৃত হয়েছে তাকে ক্বওলী (বাণী সম্পর্কিত) হাদীস বলা হয়।

২। ফেলী হাদীস: মহানাবী ()-এর কাজকর্ম, চরিত্র ও আচার-আচরণের ভেতর দিয়েই ইসলামের যাবতীয় বিধি-বিধান ও রীতিনীতি পরিস্ফুট হয়েছে। অতএব যে হাদীসে তাঁর কোন কাজের বিবরণ উল্লেখিত হয়েছে তাকে ফে’লী (কর্ম সম্পর্কিত) হাদীস বলা হয়।

৩। তাকরীরী হাদীস: সাহাবীগণের যে সব কথা বা কাজ নাবী কারীম ()-এর অনুমোদন ও সমর্থন প্রাপ্ত হয়েছে, সে ধরনের কোন কথা বা কাজের বিবরণ হতেও শরীয়াতের দৃষ্টিভঙ্গি জানা যায়। অতএব যে হাদীসে এ ধরনের কোন ঘটনার বা কাজের উল্লেখ পাওয়া যায় তাকে তাকরীরী (সমর্থন মূলক) হাদীস বলে।

সুন্নাহ (السنة): হাদীসের অপর নাম সুন্নাহ্ (السنة) সুন্নাত শব্দের অর্থ চলার পথ, কর্মের নীতি ও পদ্ধতি। যে পন্থা ও রীতি নাবী কারীম () অবলম্বন করতেন তাকে সুন্নাত বলা হয়। অন্য কথায় রাসুলুল্লাহ () প্রচারিত উচ্চতম আদর্শই সুন্নাত। কুরআন মাজিদে মহত্তম ও সুন্দরতম আদর্শ (أُسْوَةٌ حَسَنَةٌ) বলতে এই সুন্নাতকেই বুঝানো হয়েছে।

খবর (خبر): হাদীসকে আরবী ভাষায় খবরও (خبر) বলা হয়। তবে খবর শব্দটি হাদীস ও ইতিহাস উভয়টিকেই বুঝায়।

আসার (أثر ): আসার শব্দটিও কখনও কখনও রাসুলুল্লাহ () এর হাদীসকে নির্দেশ করে। কিন্তু অনেকেই হাদীস ও আসার এর মধ্যে কিছু পার্থক্য করে থাকেন। তাঁদের মতে- সাহাবীগণ থেকে শরীয়াত সম্পর্কে যা কিছু উদ্ধৃত হয়েছে তাকে আসার বলে।

 

ইলমে হাদীসের কতিপয় পরিভাষা

সাহাবী (صحابى):  যিনি ঈমানের সঙ্গে রাসুলুল্লাহ () এর সাহচর্য লাভ করেছেন এবং ঈমানের সঙ্গে মৃত্যুবরণ করেছেন তাঁকে রাসুলুল্লাহ ()-এর সাহাবী বলা হয়।

তাবেঈ (تابعى) : যিনি রাসুলুল্লাহ ()-এর কোন সাহাবীর নিকট হাদীস শিক্ষা করেছেন অথবা অন্ততপক্ষে তাঁকে দেখেছেন এবং মুসলমান হিসেবে মৃত্যুবরণ করেছেন তাঁকে তাবেঈ বলা হয়।

তাবে-তাবেঈ (تابعى تابع) : যিনি  কোন তাবেঈ এর নিকট হাদীস শিক্ষা করেছেন অথবা অন্ততপক্ষে তাঁকে দেখেছেন এবং মুসলমান হিসেবে মৃত্যুবরণ করেছেন তাঁকে তাবে-তাবেঈ বলা হয়।

মুহাদ্দিস (محدث) : যিনি হাদীস চর্চা করেন এবং বহু সংখ্যক হাদীসের সনদ ও মতন সম্পর্কে বিশেষ জ্ঞান রাখেন তাঁকে মুহাদ্দিস বলা হয়।

শাইখ (شيخ) : হাদীসের শিক্ষাদাতা রাবীকে শায়খ বলা হয়।

শাইখান (شيخان) : সাহাবীগনের মধ্যে আবূ বকর (রাঃ) ও উমর  (রাঃ)- কে একত্রে শাইখান বলা হয়। কিন্তু হাদীস শাস্ত্রে ইমাম বুখারী (রাহি.) ও ইমাম মুসলিম (রাহি.)-কে এবং ফিক্বহ-এর পরিভাষায় ইমাম আবূ হানীফা (রাহি.) ও আবূ ইউসুফ (রাহি.)-কে একত্রে শাইখান বলা হয়। 

হাফিয (حافظ) : যিনি সনদ ও মতনের বৃত্তান্ত সহ এক লাখ হাদীস আয়ত্ত করেছেন তাঁকে হাফিয বলা হয়।

হুজ্জাত (حجة) : অনুরূপভাবে যিনি তিন লক্ষ হাদীস আয়ত্ত করেছেন তাঁকে হুজ্জাত বলা হয়।  

হাকিম (حاكم) : যিনি সব হাদীস আয়ত্ত করেছেন তাকে হাকিম বলা হয়।

রিজাল (رجال) : হাদীসের রাবী সমষ্টিকে রিজাল বলে। যে শাস্ত্রে রাবীগণের জীবনী বর্ণনা করা হয়েছে তাকে আসমাউর-রিজাল বলা হয়।                                                                                 

রিওয়ায়াত (رواية): হাদীস বর্ণনা করাকে রিওয়ায়াত বলে। কখনও কখনও মূল হাদীসকেও রিওয়ায়াত বলা হয়। যেমন- এই কথার সমর্থনে একটি রিওয়ায়াত (হাদীস) আছে।                           

সনদ (سند): হাদীসের মূল কথাটুকু যে সূত্র পরম্পরায় গ্রন্থ সংকলনকারী পর্যন্ত পৌঁছেছে তাকে সনদ বলা হয়। এতে হাদীস বর্ণনাকারীদের নাম একের পর এক সজ্জিত থাকে।

মতন (متن): হাদীসে মূল কথা ও তার শব্দ সমষ্টিকে মতন বলে।

মারফূ (مرفوع): যে হাদীসের সনদ (বর্ণনা পরম্পরা) রাসুলুল্লাহ () পর্যন্ত পৌঁছেছে  তাকে মারফূ হাদীস বলে।

মাওকূফ (موقوف) : যে হাদীসের বর্ণনা- সূত্র ঊর্ধ্ব দিকে সাহাবী পর্যন্ত পৌঁছেছে , অর্থাৎ যে সনদ -সূত্রে কোন সাহাবীর কথা বা কাজ বা অনুমোদন বর্ণিত হয়েছে তাকে মাওকূফ হাদীস বলে। এর অপর নাম আসার।

মাকতূ (مقطوع): যে হাদীসের সনদ কোন তাবেঈ পর্যন্ত পৌঁছেছে, তাকে মাকতূ হাদীস বলা হয়।

তালীক (تعليق): কোন কোন গ্রন্থকার হাদীসের পূর্ণ সনদ বাদ দিয়ে কেবল মূল হাদীস বর্ণনা করেছেন। এরূপ করাকে তা’লীক বলা হয়।

মুদাল্লাস (مدلس): যে হাদীসের রাবী নিজের প্রকৃত শাইখের (উস্তাদের) নাম উল্লেখ না করে তার উপরস্থ শাইখের নামে এভাবে হাদীস বর্ণনা করেছেন যাতে মনে হয় যে, তিনি নিজেই উপরস্থ শাইখের নিকট তা শুনেছেন অথচ তিনি তাঁর নিকট সেই হাদীস শুনেন নি- সে হাদীসকে মুদাল্লাস হাদীস এবং এইরূপ করাকে ‘তাদ্লীস’ আর যিনি এইরূপ করেন তাকে মুদালস্নীস বলা হয়।

মুযতারাব (مضطرب): যে হাদীসের রাবী হাদীসের মতন ও সনদকে বিভিন্ন প্রকারে বর্ণনা করেছেন সে হাদীসকে হাদীসে মুযতারাব বলা হয়। যে পর্যন্ত না এর কোনরূপ সমন্বয় সাধন সম্ভবপর হয়, সে পর্যন্ত এই হাদীসের ব্যাপারে অপেক্ষা করতে হবে অর্থাৎ এই ধরনের রিওয়ায়াত প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না।

মুদ্রাজ (مدرج): যে হাদীসের মধ্যে রাবী নিজের অথবা অপরের উক্তিকে অনুপ্রবেশ করিয়েছেন, সে হাদীসকে মুদ্রাজ এবং এইরূপ করাকে ‘ইদরাজ’ বলা হয়।

মুত্তাসিল (متصل): যে হাদীসের সনদের ধারাবাহিকতা প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত পূর্ণরূপে রক্ষক্ষত আছে, কোন সত্মরেই কোন রাবীর নাম বাদ পড়ে নি তাকে মুত্তাসিল হাদীস বলে।

মুনকাতি (منقطع): যে হাদীসের সনদে ধারাবাহিকতা রক্ষিত হয় নি, মাঝখানে কোন এক স্তরে কোন রাবীর নাম বাদ পড়েছে, তাকে মুনকাতি হাদীস, আর এই বাদ পড়াকে ইনকিতা বলা হয়।

মুরসাল (مرسل): যে হাদীসের সনদে ইনকিতা শেষের দিকে হয়েছে, অর্থাৎ সাহাবীর নাম বাদ পড়েছে এবং তাবেঈ সরাসরি রাসুলুল্লাহ () এর উল্লেখ করে হাদীস বর্ণনা করেছেন তাকে মুরসাল হাদীস বলা হয়।

মুআল্লাক ( معلق ) : সনদের ইনকিতা প্রথম দিকে  হলে, অর্থাৎ সাহাবীর পর এক বা একাধিক রাবীর নাম বাদ পড়লে তাকে মু’আল্লাক হাদীস বলা হয়।

মুদাল (معضل): যে হাদীসে দুই বা ততোধিক রাবী ক্রমান্বয়ে সনদ থেকে বাদ পড়েছে তাকে মু‘দাল হাদীস বলে।

মুতাবি ও শাহিদ (متابع و شاهد): এক রাবীর হাদীসের অনুরূপ যদি অপর রাবীর কোন হাদীস পাওয়া যায় তবে দ্বিতীয় রাবীর হাদীসকে প্রথম রাবীর হাদীসের মুতাবি বলা হয়। যদি উভয় হাদীসের মূল রাবী অর্থাৎ সাহাবী একই ব্যক্তি না হয় তবে দ্বিতীয় ব্যক্তির হাদীসকে শাহিদ বলে। আর এইরূপ হওয়াকে শাহাদাত বলে। মুতাবা’আত ও শাহাদাত দ্বারা প্রথম হাদীসটির শক্তি বৃদ্ধি পায়।

মারূফ ও মুনকার (معروف و منكر): কোন দুর্বল রাবীর বর্ণিত হাদীস অপর কোন মাকবূল (গ্রহণযোগ্য) রাবীর বর্ণিত হাদীসের বিরোধী হলে তাকে মুনকার বলা হয় এবং মাকবূল রাবীর হাদীসকে মা‘রূফ বলা হয়।

সহীহ (صحيح) : যে মুত্তাসিল হাদীসের সনদে উল্লেখিত প্রত্যেক রাবীই পূর্ণ আদালত ও যাবত (ধারণ ক্ষমতা) গুণ সম্পন্ন এবং হাদীসটি যাবতীয় দোষত্রুটি ও শায মুক্ত তাকে সহীহ হাদীস বলে।

হাসান (حسن) : যে হাদীসের মধ্যে রাবীর যাবত (ধারণ ক্ষমতা) এর গুণ ব্যতীত সহীহ হাদীসের সমস্ত শর্তই পরিপূর্ণ রয়েছে তাকে হাসান হাদীস বলা হয়। ফক্বীহগণ সাধারণত সহীহ ও হাসান হাদীসের ভিত্তিতে শরীয়াতের বিধান নির্ধারণ  করেন।

যঈফ (ضعيف ) : যে হাদীসের রাবী কোন হাসান হাদীসের রাবীর গুণসম্পন্ন নন তাকে যঈফ হাদীস বলে।

মাওযূ ( موضوع ) : যে হাদীসের রাবী জীবনে কখনও ইচ্ছাকৃতভাবে রাসুলুল্লাহ ()-এর নামে মিথ্যা কথা রটনা করেছেন বলে প্রমাণিত হয়েছে, তার বর্ণিত হাদীসকে মাওযূ‘ হাদীস বলে।

 

রাবীর সংখ্যা বিচারে হাদীস প্রধানত দুপ্রকার। যথা: ১. মুতওয়াতির (متواتر) ও ২. আহাদ (أحاد)

১. মুতওয়াতির (متواتر): বৃহৎ সংখ্যক রাবীর বর্ণিত হাদীস, মিথ্যার ব্যাপারে যাদের উপর একাট্টা হওয়া অসম্ভব, সনদের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত এ সংখ্যা বিদ্যমান থাকলে হাদীসকে মুতওয়াতির (متواتر) বলা হয়।

২. আহাদ (أحاد): أحاد তিন প্রকার। যথা:

মাশহুর (مشهور): যে কোন স্তরে হাদীস বর্ণনা কারীর সংখ্যা যদি দুই এর অধিক হয়, কিন্তু মুতওয়াতির এর পর্যায়ে পৌঁছে না তাকে মাশহুর (مشهور) বলে।

আযীয (عزيز): যে কোন স্তরে হাদীস বর্ণনা কারীর সংখ্যা যদি দু‘জন হয় ।

গরীব (غريب): যে কোন স্তরে হাদীস বর্ণনা কারীর সংখ্যা যদি এক জন হয় ।

শায (شاذ): একাধিক নির্ভরযোগ্য রাবীর বিপরীত একজন নির্ভরযোগ্য রাবীর বর্ণনাকে শায হাদীস বলে।

 কিয়াস (قياس): অর্থ অনুমান, পরিমাপ, তুলনা ইত্যাদি। পরিভাষায়: শাখাকে মূলের সঙ্গে তুলনা করা, যার ফলে শাখা ও মূল একই হুকুমের অমত্মর্ভুক্ত হয়ে যায়।

তাক্বলীদ (تقليد): দলীল উল্লেখ ছাড়াই কোন ব্যক্তির মতামতকে গ্রহণ করা।

ইজতিহাদ (اجتهاد): উদ্দিষ্ট জ্ঞান অর্জনের প্রচেষ্টা চালানোকে ইজতিহাদ বলে।

শরীয়াত (شريعة): অর্থ: আইন, বিধান, পথ, পন্থা ইত্যাদি। পরিভাষায়: মহান আল্লাহ্‌ স্বীয় দীন হতে বান্দার জন্য যা বিধিবদ্ধ করে দিয়েছেন তাকে শরীয়াত বলে।

মাযহাব (مذهب): অর্থ- মত, পথ, মতবাদ ইত্যাদি। ফিক্বহী পরিভাষায়: ইবাদাত ও মু‘আমালাতের ক্ষেত্রে শারঈ হুকুম পালনের জন্য বান্দা যে পথ অনুসরণ করে এবং প্রত্যেক দলের জন্য একজন ইমামের উপর অথবা ইমামের ওসীয়ত কিংবা ইমামের প্রতিনিধির উপর নির্ভর করে তাকে মাযহাব বলে।

নাযর (نذر): কোন বিষয়ে উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য চিন্তা-ভাবনা করাকে নাযর বলে।

আম (عام): সীমাবদ্ধ করা ছাড়াই যা দুই বা ততোধিক বিষয়কে অন্তর্ভুক্ত করে তাকে আম বলে।

খাস (خاص): আম এর বিপরীত, যা নির্দিষ্ট বিষয়কে অন্তর্ভুক্ত করে।

ইজমা (اجماع): কোন এক যুগে আলিমদের কোন শারঈ বিষয়ের উপর এক মত পোষণ করাকে ইজমা বলে।

মুসনাদ (مسند): যার সনদগুলো পরস্পর এমনভাবে মিলিত যে, প্রত্যেকের বর্ণনা সুস্পষ্ট।

ফিক্বহ (فقه): ইজতিহাদ বা গবেষণার পদ্ধতিতে শারঈ হুকুম সম্পর্কে জানার বিধানকে ফিক্বহ বলে।

আসল বা মূল (اصل): এমন প্রথম বিষয়, যার উপর ভিত্তি করে কোন কিছু গড়ে উঠে। যেমন- দেয়ালের ভিত্তি।

ফারা বা শাখা (فرع): আসলের বিপরীত যা কোন ভিত্তির উপর গড়ে উঠে।

ওয়াজিব (واجب): যা আমল করলে সাওয়াব পাওয়া যাবে আর পরিত্যাগ করলে শাস্তি পাওয়া যাবে।

মানদূব (مندوب): যা আমল করলে সাওয়াব পাওয়া যাবে আর পরিত্যাগ করলে শাস্তি হবে না।

মাহযূর (محظور): যা পরিত্যাগ করলে সাওয়াব পাওয়া যাবে আর আমল করলে শাস্তি পাওয়া যাবে।

মাকরূহ (مكروه): যা পরিত্যাগ করলে সাওয়াব পাওয়া যাবে আর আমল করলে শাস্তি হবে না।

ফাৎওয়া (فتوى): জিজ্ঞাসিত ব্যক্তির নিকট থেকে দলীল ভিত্তিক শারঈ হুকুম সুস্পষ্ট বর্ণনা করে নেয়াকে ফাৎওয়া বলে।

নাসিখ (ناسخ): পরিবর্তিত শারঈ দলীল যা পূববর্তী শারঈ হুকুমকে রহিত করে দেয় তাকে নাসিখ বলে।

মানসূখ (منسوخ): আর যে হুকুমটি রহিত হয়ে যায় সেটাই মানসূখ।

মুতলাক্ব (مطلق): যা প্রকৃতিগত দিক থেকে জাতির সকলকে অন্তর্ভুক্ত  করে কিন্তু অনির্দিষ্টভাবে একটি অর্থকে বুঝায়।

মুকাইয়্যাদ (مقيد): যা মুতলাক্বের বিপরীত অর্থাৎ জাতির সকলকে অন্তর্ভুক্ত  করে না। বরং নির্দিষ্ট একটি অর্থকে বুঝায়।

হাক্বীকাত (حقيقة): শব্দকে আসল অর্থে ব্যবহার করাকে হাক্বীকত বলে। যেমন- সিংহ শব্দটি এক প্রজাতির হিংস্র প্রাণীকে বুঝায়।

মাজায (مجاز): শব্দ যখন আসল অর্থকে অতিক্রম করে তার সাথে সাদৃশ্য রাখে এমন অর্থ প্রকাশ করে তখন তাকে মাজায বলে। যেমন- সাহসী লোককে সিংহের সাথে তুলনা করা।

হাদিসের পরিসংখ্যান

সর্বমোট হাদিস পাওয়া গেছেঃ [1500] টি | অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ
গ্রন্থঃ যঈফ ও জাল হাদিস | দেখানো হচ্ছে   [311]  থেকে  [320]  পর্যন্ত
প্রতি পাতাতে টি হাদিস

পাবলিশারঃ তাওহীদ পাবলিকেশন
গ্রন্থঃ যঈফ ও জাল হাদিস
অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ
হাদিস নম্বরঃ ৩১১ | 311 | ۳۱۱

৩১১। যে ব্যাক্তি এ অবস্থায় সকাল করবে যে, তার চিন্তা-চেতনা হচ্ছে আল্লাহকে বাদ দিয়ে অন্য কিছুকে নিয়ে, সে আল্লাহর নিকট হতে কিছুই পাবে না। আর যে ব্যাক্তি মুসলমানদের ব্যাপারে গুরুত্ব দিবে না; সে তাঁদের অন্তর্ভুক্ত নয়।

হাদীসটি জাল।

এটি ইবনু বিশরান “আল-আমালী” গ্রন্থে (৭/১০৫/১), (১৯/৩/২) এবং হাকিম (৪/৩২০) ইসহাক ইবনু বিশর সূত্রে মুকাতিল ইবনু সুলায়মান হতে বর্ণনা করেছেন। এটির ব্যাপারে হাকিম চুপ থেকেছেন। ইবনু বিশরান বলেছেনঃ হাদীসটি গারীব, ইসহাক ইবনু বিশর এককভাবে এটি বর্ণনা করেছেন। হাফিয যাহাবী “তালখীসুল মুসতাদরাক” গ্রন্থে বলেছেনঃ ইসহাক এবং মুকাতিল তারা উভয়েই নির্ভরযোগ্য নন, সত্যবাদীও নন।

আমি (আলবানী) বলছিঃ ইসহাক ইবনু বিশর হচ্ছেন আবু হুযাইফা আল-বুখারী। তাকে ইবনুল মাদীনী ও দারাকুতনী মিথ্যুক আখ্যা দিয়েছেন, যেমনভাবে “আল-মীযান” গ্রন্থে এসেছে। তিনি তার এ হাদীসটি উল্লেখ করে বলেছেনঃ মুকাতিলও ধ্বংসপ্রাপ্ত।

আমি (আলবানী) বলছিঃ এ মুকাতিল ইবনু সুলায়মান হচ্ছেন বালখী। ওয়াকী’ তার সম্পর্কে বলেনঃ তিনি মিথ্যুক। হাদীসটি অন্যান্য সূত্রেও বর্ণিত হয়েছে, যেগুলোর একটির সনদে বর্ণনাকারী ফারকাদ এবং ওয়াহাব ইবনু রাশেদ আর-রাকী রয়েছেন। আবূ নু’য়াইম বলেনঃ তারা উভয়েই এককভাবে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তাদের হাদীস দ্বারা দলীল গ্রহণ করা যায় না।

আমি (আলবানী) বলছিঃ মুখস্থ বিদ্যায় ক্রটি থাকার কারণে ফারকাদ দুর্বল। ওয়াহাব আর-রাকী সম্পর্কে ইবনু আবী হাতিম “আল-জারহু ওয়াত তা’দীল” গ্রন্থে (৪/২/২৭) বলেনঃ আমার পিতাকে তার সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল। তিনি বলেনঃ তিনি মুনকারুল হাদীস, তিনি বাতিল হাদীস বর্ণনা করেছেন। ইবনু হিব্বান বলেনঃ তার দ্বারা কোন অবস্থাতেই দলীল গ্রহণ করা জায়েয নয়।

দ্বিতীয় সূত্রটিতে (যেটি “আল-লাআলী” গ্রন্থে (২/৩১৬) সুয়ূতী উল্লেখ করেছেন) আবান ইবনু আবী আইয়াশ রয়েছেন। তাকে শু'বা ও অন্যরা মিথ্যুক আখ্যা দিয়েছেন। তার হাদীস শাহেদ হওয়ার যোগ্য নয়। এছাড়াও আব্দুল্লাহ ইবনু যুবায়েদ নামক এক বর্ণনাকারী আছেন, তিনি আদেল হিসাবে পরিচিত নন।

তৃতীয় সুত্রে যিয়াদ ইবনু মায়মূন আস-সাকাফী রয়েছে, তিনি হচ্ছেন মিথ্যুক।

চতুর্থ সূত্রে মূসা ইবনু ইব্রাহীম মারওয়াযী রয়েছেন; তাকে ইয়াহইয়া ইবনু মা'ঈন মিথ্যুক আখ্যা দিয়েছেন।



হাদিসের মানঃ  জাল (Fake)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!

من أصبح وهمه غير الله عز وجل فليس من الله في شيء، ومن لم يهتم للمسلمين فليس منهم
موضوع

-

ابن بشران في " الأمالي " (7 / 105 / 1) و (19 / 3 / 2) والحاكم (4 / 320) من طريق إسحاق بن بشر، حدثنا مقاتل بن سليمان عن حماد عن إبراهيم عن عبد الرحمن بن يزيد عن ابن مسعود مرفوعا، سكت عليه الحاكم، وقال ابن بشران: هذا حديث غريب تفرد به إسحاق بن بشر
وقال الذهبي في " تلخيص المستدرك ": إسحاق ومقاتل ليسا بثقتين ولا صادقين
قلت: إسحاق بن بشر أبو حذيفة البخاري كذبه ابن المدني والدارقطني، كما في " الميزان " وساق له هذا الحديث ثم قال عقبه: مقاتل أيضا تالف
قلت: وابن سليمان هذا هو البلخي، قال وكيع: كان كذابا
والحديث روي من حديث أنس، فقال أبو حامد الحضرمي الثقة في " حديثه " (156 / 2) أخبرنا سليمان بن عمر، حدثنا وهب بن راشد عن فرقد السبخي عن أنس مرفوعا، ومن هذا الوجه رواه المخلص في " الفوائد المنتقاة " (9 / 193 / 2) وأبو نعيم (3 / 48) وقال: لم يروه عن أنس غير فرقد، ولا عنه إلا وهب بن راشد، ووهب وفرقد غير محتج بحديثهما وتفردهما
قلت: فرقد ضعيف لسوء حفظه، ووهب بن راشد هو الرقي، قال ابن أبي حاتم في " الجرح والتعديل " (4 / 2 / 27) : سئل أبي عنه، فقال: منكر الحديث، حدث بأحاديث بواطيل، وقال ابن حبان: لا يجوز الاحتجاج به بحال
قلت: فالحمل عليه في هذا الحديث، والراوي عنه سليمان بن عمر الرقي ترجمه ابن أبي حاتم (2 / 1 / 131) ولم يذكر فيه جرحا ولا تعديلا. ووثقه ابن حبان (8 / 280)
وله طريق أخرى ذكرها السيوطي في " اللآليء المصنوعة " (2 / 316) شاهدا لحديث حذيفة المتقدم من رواية ابن النجار بسنده عن عبد الله بن زبيد الأيامي عن أبان عن أنس مرفوعا، وسكت عنه السيوطي وليس بجيد، فإن عبد الله بن زبيد غير معروف العدالة، ذكره ابن أبي حاتم في " الجرح والتعديل " (2 / 2 / 62) ولم يذكر فيه جرحا ولا تعديلا، ووثقه ابن حبان (7 / 23) ، وشيخه أبان هو ابن أبي عياش كذبه شعبة وغيره، فمثله لا يستشهد به، وله طريق أخرى عن أنس مختصرا بلفظ: من أصبح وأكبر همه الدنيا فليس من الله عز وجل
أخرجه ابن أبي الدنيا في " ذم الدنيا " (6 / 1) عن الحارث بن مسلم الرازي وكانوا يرونه من الأبدال، عن زياد عنه
وهذا سند واه جدا، زياد هذا هو ابن ميمون الثقفي وهو كذاب، ويحتمل أنه النميري وهو ضعيف، انظر الحديث (296) والحارث قال السليماني: فيه نظر، وله شاهد عن علي، أخرجه أبو بكر الشافعي في " مسند موسى بن جعفر الهاشمي (70 / 1) وفيه موسى بن إبراهيم المروزي، كذبه يحيى بن معين
وروى الحديث عن حذيفة وأبي ذر وابن مسعود، وتقدمت ألفاظهم قريبا، ومن ألفاظ حديث حذيفة

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ তাওহীদ পাবলিকেশন
গ্রন্থঃ যঈফ ও জাল হাদিস
অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ
হাদিস নম্বরঃ ৩১২ | 312 | ۳۱۲

৩১২। যে মুসলমানদের বিষয়ে গুরুত্ব দিবে না, সে তাঁদের অন্তর্ভুক্ত নয়। আর যে ব্যাক্তি আল্লাহর, তার রাসুল, তার কিতাব, তার ইমাম ও সাধারণ মুসলিমদের নসিহত করা অবস্থায় সকাল এবং সন্ধ্যা করবে না, সে তাঁদের অন্তর্ভুক্ত নয়।

হাদীসটি দুর্বল।

এটি তাবারানী “মুজামুস সাগীর” গ্রন্থে (পৃঃ ১৮৮) ও “মুজামুল আওসাত” গ্রন্থে (২/১৭১/১/৭৬২৬) এবং তার থেকে আবু নু’য়াইম “আখবারু আসবাহান” গ্রন্থে (২/২৫২) আব্দুল্লাহ ইবনু আবী জাফার আর-রাযী সূত্রে তার পিতা হতে ... বর্ণনা করেছেন।

এ সনদ ছাড়া অন্য কোন সনদে এ হাদীসটি হ্যাইফা (রাঃ) হতে বর্ণিত হয়নি।

আমি (আলবানী) বলছিঃ আব্দুল্লাহ ইবনু আবী জাফার এবং তার পিতার কারণে হাদীসটি দুর্বল। তারা উভয়েই দুর্বল।

হায়সামী "আল-মাজমা" গ্রন্থে (১/৮৭) হাদীসটির সমস্যা বর্ণনা করেছেন শুধুমাত্র ছেলে আব্দুল্লাহকে দুর্বল হিসাবে উল্লেখ করে। কিন্তু এটি তার ক্রটি, কারণ তার পিতা পুত্র হতেও বেশী দুর্বল।

 



হাদিসের মানঃ  যঈফ (Dai'f)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!

من لا يهتم بأمر المسلمين فليس منهم، ومن لا يصبح ويمسي ناصحا لله ورسوله ولكتابه ولإمامه ولعامة المسلمين فليس منهم
ضعيف

-

أخرجه الطبراني في " الصغير " (ص 188) و" الأوسط " (2 / 171 / 1 / 7626) وعنه أبو نعيم في " أخبار أصبهان " (2 / 252) من طريق عبد الله بن أبي جعفر الرازي عن أبيه عن الربيع عن أبي العالية عن حذيفة بن اليمان مرفوعا، وقال: لا يروى عن حذيفة إلا بهذا الإسناد
قلت: وهو ضعيف من أجل عبد الله بن أبي جعفر وأبيه فإنهما ضعيفان، واقتصر الهيثمي في " المجمع " (1 / 87) في إعلال الحديث على تضعيف الابن فقط وهو قصور، فإن الأب أشد ضعفا من الابن

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ তাওহীদ পাবলিকেশন
গ্রন্থঃ যঈফ ও জাল হাদিস
অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ
হাদিস নম্বরঃ ৩১৩ | 313 | ۳۱۳

৩১৩। দাঊদ (আঃ) এর দৃষ্টিতে ত্রুটি ছিল।

হাদীসটি জাল।

এটি দাইলামী তার সনদে মুজালিদ ইবনু সাঈদ হতে বর্ণনা করেছেন। ইবনুস সালাহ “মুশকিলুল ওয়াসীত” গ্রন্থে বলেছেনঃ এ হাদীসটির কোন ভিত্তি নেই।

যারাকশী “তাখরীজু আহাদীসিশ শারহ” নামক গ্রন্থে বলেছেনঃ এ হাদীসটি মুনকার। তাতে দুর্বল ও মাজহুল বর্ণনাকারী রয়েছেন এবং সনদে বিচ্ছিন্নতা রয়েছে।

সুয়ূতীর “যায়লুল আহাদীসিল মাওযূআহ” গ্রন্থে (পৃঃ ১২২-১২৩) এবং ইবনু আররাকের “তানযীহুশ শারীয়াহ" গ্রন্থে (৩০৮/১-২) অনুরূপ কথাই এসেছে।

অন্য একটি সূত্রে হাদীসটি বর্ণিত হয়েছে, যেটি আবু নু’য়াইম বর্ণনা করেছেন। সেটিও বানোয়াট। তার আলোচনা ৫৬২ নং হাদীসে আসবে। সম্ভবত এ হাদীসটির আসল ইসরাইলীদের বর্ণনা হতে এসেছে, কোন আহলে কিতাব বর্ণনা করেছে। অতঃপর কোন মুসলিম বর্ণনাকারী সেটি পেয়ে ধারণা বশত নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পর্যন্ত মারফু হিসাবে চালিয়ে দিয়েছেন। এক নারীর দিকে দৃষ্টি দান সম্পর্কে একটি বানোয়াট ও বাতিল কিসসা দাউদ (আঃ)-কে কেন্দ্র করে বর্ণিত হয়েছে। কোন মুসলিম ব্যক্তিই সেটি বাতিল হওয়ার ব্যাপারে সন্দেহ পোষণ করতে পারেন না। এখানে সেটি বর্ণনা করা সঙ্গত মনে করছি।



হাদিসের মানঃ  জাল (Fake)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!

كان خطيئة داود عليه السلام النظر
موضوع

-

رواه الديلمي بسنده عن مجالد بن سعيد عن الشعبي عن الحسن عن سمرة قال: قدم على النبي صلى الله عليه وسلم وفد عبد القيس، وفيهم غلام ظاهر الوضاءة، فأجلسه النبي صلى الله عليه وسلم خلف ظهره وقال: فذكره
قال ابن الصلاح في " مشكل الوسيط ": لا أصل لهذا الحديث وقال الزركشي في " تخريج أحاديث الشرح هذا حديث منكر، فيه ضعفاء، ومجاهيل، وانقطاع، قال: وقد استدل على بطلانه بقوله صلى الله عليه وسلم: " إني أراكم من وراء ظهري "، كذا في " ذيل الأحاديث الموضوعة " للسيوطي (ص 122 - 123) و" تنزيه الشريعة " لابن عراق (308 / 1 - 2)
قلت: والاستدلال المذكور فيه نظر، لأن رؤية النبي صلى الله عليه وسلم من خلفه إنما هي في حالة الصلاة كما تدل عليه الأحاديث الواردة في الباب، وليس هناك ما يدل على أنها مطلقة في الصلاة وخارجها، فتأمل
وللحديث طريق أخرى رواه أبو نعيم في " نسخة أحمد بن نبيط " وهي موضوعة كما سيأتي (برقم 562)، ولعل الحديث أصله من الإسرائيليات التي كان يرويها بعض أهل الكتاب، تلقاها عنه بعض المسلمين، فوهم بعض الرواة فرفعه إلى النبي صلى الله عليه وسلم، فقد رأيت الحديث في " كتاب الورع " لابن أبي الدنيا (162 / 2) موقوفا على ابن جبير، فقال: أخبرنا محمد بن حسان السمتي عن خلف بن خليفة عن أبي هاشم عن سعيد بن جبير قال: كان فتنة داود عليه السلام في النظر
وهذا الإسناد فيه ضعف وهو مع ذلك أولى من المرفوع
وقصة افتتان داود عليه السلام بنظره إلى امرأة الجندي أو ريا مشهورة مبثوثة في كتب قصص الأنبياء وبعض كتب التفسير، ولا يشك مسلم عاقل في بطلانها لما فيها من نسبة ما لا يليق بمقام الأنبياء عليهم الصلاة والسلام مثل محاولته تعريض زوجها للقتل، ليتزوجها من بعده! وقد رويت هذه القصة مختصرة عن النبي صلى الله عليه وسلم فوجب ذكرها والتحذير منها وبيان بطلانها وهي (الأتي)

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ তাওহীদ পাবলিকেশন
গ্রন্থঃ যঈফ ও জাল হাদিস
অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ
হাদিস নম্বরঃ ৩১৪ | 314 | ۳۱٤

৩১৪। দাঊদ (আঃ) যখন এক মহিলার দিকে দৃষ্টি দিলেন এবং তাঁকে কামনা করলেন, তখন বানু ইসরাইলের নিকট একদল সৈন্য প্রেরণ করলেন এবং সৈন্য দলের প্রধানের নিকট নির্দেশ দিয়ে বললেনঃ যখন শত্রুরা উপস্থিত হবে; তখন তুমি উমুক ব্যাক্তিকে নিকটবর্তী করে দাও। তিনি তার নামও উল্লেখ করে বললেনঃ তাঁকে তাবূতের সম্মুখে উপস্থিত করে দাও। তিনি বললেনঃ তাবূত ছিল সেই যুগে এমন এক ব্যাক্তি যার মাধ্যমে সাহায্য নেয়া হতো। যাকেই তাবূতের সম্মুখে উপস্থিত করা হত, সেই নিহত অথবা তার সম্মুখে যে সৈন্য বাহিনী যুদ্ধ করত তাঁরা পরাজিত হওয়া ছাড়া ফিরে আসত না। মহিলার স্বামী নিহত হল। দু’ ফেরেশতা দাঊদ (আঃ) এর নিকট অবতরণ করলেন, অতঃপর তাঁরা তাঁকে ঘটনাটি শোনালেন।

হাদীসটি বাতিল।

এটি হাকীম আত-তিরমিযী "নাওয়াদিরুল উসূল" গ্রন্থে ইয়াযীদ আর-রুকাশী হতে বর্ণনা করেছেন, যেমনভাবে “তাফসীরু কুরতুবী” গ্রন্থে (১৫/১৬৭) বর্ণিত হয়েছে। ইবনু কাসীর তার “আত-তাফসীর” গ্রন্থে (৪/৩১) বলেনঃ হাদীসটি ইবনু আবী হাতিম বর্ণনা করেছেন। এটির সনদ সহীহ নয়, কারণ এটি ইয়াযীদ আর-রুকাশীর বর্ণনায় এসেছে। ইয়াযীদ যদিও সালেহীনদের অন্তর্ভুক্ত, তবুও তিনি ইমামগণের নিকট হাদীসের ক্ষেত্রে দুর্বল।

আমি (আলবানী) বলছিঃ বাহ্যিকতা প্রমাণ করছে যে, এটি ইসরাইলী বর্ণনা হতে এসেছে। সেই আহলে কিতাবরা বর্ণনা করেছে যারা নাৰীগণ নিষ্পাপ এ বিশ্বাসে বিশ্বাসী নয়। ইয়াযীদ এখানে ভুল করে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পর্যন্ত মারফূ' হিসাবে উল্লেখ করেছেন।

 



হাদিসের মানঃ  জাল (Fake)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!

إن داود النبي عليه السلام حين نظر إلى المرأة فهم بها قطع على بني إسرائيل بعثا وأوحى إلى صاحب البعث فقال: إذا حضر العدوفقرب فلانا، وسماه، قال: فقربه بين يدي التابوت، قال: وكان ذلك التابوت في ذلك الزمان يستنصر به، فمن قدم بين يدي التابوت لم يرجع حتى يقتل أو ينهزم عنه الجيش الذي يقاتله، فقتل زوج المرأة، ونزل الملكان على داود فقصا عليه القصة
باطل

-

رواه الحكيم الترمذي في " نوادر الأصول " عن يزيد الرقاشي عن أنس مرفوعا، كما في " تفسير القرطبي " (15 / 167) ، وقال ابن كثير في تفسيره (4 / 31) : رواه ابن أبي حاتم، ولا يصح سنده لأنه من رواية يزيد الرقاشي عن أنس، ويزيد وإن كان من الصالحين لكنه ضعيف الحديث عند الأئمة
قلت: والظاهر أنه من الإسرائيليات التي نقلها أهل الكتاب الذين لا يعتقدون العصمة في الأنبياء، أخطأ يزيد الرقاشي فرفعه إلى النبي صلى الله عليه وسلم، وقد نقل القرطبي (15 / 176) عن ابن العربي المالكي أنه قال: وأما قولهم: إنها لما أعجبته أمر بتقديم زوجها للقتل في سبيل الله، فهذا باطل قطعا، فإن داود صلى الله عليه وسلم لم يكن ليريق دمه في غرض نفسه.
تنبيه: تبين لنا من رواية ابن أبي حاتم في تفسيره لمثل هذا الحديث الباطل أن ما ذكره في أول كتابه " التفسير ": " أنه تحرى إخراجه بأصح الأخبار إسنادا وأثبتها متنا " كما ذكره ابن تيمية ليس على عمومه فليعلم هذا

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ তাওহীদ পাবলিকেশন
গ্রন্থঃ যঈফ ও জাল হাদিস
অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ
হাদিস নম্বরঃ ৩১৫ | 315 | ۳۱۵

৩১৫। যে ব্যাক্তি ক্ষমাকৃত ব্যাক্তির সাথে খাবে তাঁকে ক্ষমা করে দেয়া হবে।

হাদীসটি মিথ্যা, এটির কোন ভিত্তি নেই।

এটি কোন কোন নেককারদের থেকে বর্ণনা করা হয়ে থাকে। “আল-মাকাসিদ” গ্রন্থে এসেছে; ইবনু হাজার বলেনঃ এটি মিথ্যা, বানোয়াট। তার পূর্বে ইবনুল কাইয়্যিম “আল-মানার” গ্রন্থে (পৃঃ ৫১) এ কথাই বলেছেন। শাইখুল ইসলাম ইবনু তাইমিয়া বলেনঃ জ্ঞানীজনদের নিকট এটির কোন সনদই নেই। এটি মুসলিমদের কোন কিতাবেও নেই। এটির অর্থও সহীহ নয়। কারণ কখনও কখনও মুসলিমদের সাথে কাফের মুনাফিকরাও খেয়ে থাকে।



হাদিসের মানঃ  জাল (Fake)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!

من أكل مع مغفور له غفر له
كذب لا أصل له

-

قال الحافظ ابن كثير في تفسير قوله تعالى: {ضرب الله مثلا للذين كفروا امرأة نوح وامرأة لوط كانتا تحت عبدين من عبادنا صالحين فخانتاهما فلم يغنيا عنهما من الله شيئا وقيل ادخلا النار مع الداخلين}
وقد استدل بهذه الآية الكريمة بعض العلماء على ضعف الحديث الذي يأثره كثير من الناس: " من أكل مع مغفور له غفر له "، وهذا الحديث لا أصل له، وإنما يروى هذا عن بعض الصالحين أنه رأى النبي صلى الله عليه وسلم في المنام فقال: يا رسول الله أنت قلت: " من أكل ... " الحديث، قال: " لا "، ولكني الآن أقوله! وفي " المقاصد " قال شيخنا يعني ابن حجر: كذب موضوع، وسبقه إلى ذلك ابن القيم في " المنار " (ص 51)
وقال شيخ الإسلام ابن تيمية في أحاديث سئل عنها (رقم 32) من نسختي: هذا ليس له إسناد عند أهل العلم ولا هو في شيء من كتب المسلمين، إنما يروونه عن سنان وليس معناه صحيحا على الإطلاق، فقد يأكل مع المسلمين الكفار والمنافقون

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ তাওহীদ পাবলিকেশন
গ্রন্থঃ যঈফ ও জাল হাদিস
অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ
হাদিস নম্বরঃ ৩১৬ | 316 | ۳۱٦

৩১৬। তুমি তোমার মাতা, তোমার পিতা, তোমার বোন ও তোমার ভাইকে সহযোগিতা করা শুরু কর। অতঃপর যে নিকটবর্তী তাঁকে, তার পর যে নিকটবর্তী তাঁকে। আর তোমার প্রতিবেশী এবং যে অন্যের মুখাপেক্ষী তাঁদেরকে ভুলে যেয়ো না।

হাদীসটি নিতান্তই দুর্বল।

এটি তাবারানী “মুজামুল কাবীর” গ্রন্থে (২০/১৫০/৩১১) আব্বাদ ইবনু আহমাদ আল-আরযামী সূত্রে তার চাচা হতে এবং তার চাচা তার বাবা হতে ... বর্ণনা করেছেন। হায়সামী "আল-মাজমা" গ্রন্থে (৩/১২০) বলেনঃ আব্বাদ দুর্বল।

আমি (আলবানী) বলছিঃ আমাদের ভাই হামাদী সালাফী “আল-মুজাম” গ্রন্থের টীকায় বলেছেনঃ বরং তিনি মাতরূক।

আমি (আলবানী) বলছিঃ তিনি ঠিকই বলেছেন। তাকে আল্লাহ উত্তম বদলা দান করুন। কারণ দারাকুতনী বলেনঃ তিনি মাতরূক, তিনি নিতান্তই দুর্বল। তার চাচা আব্দুর রহমান ইবনু মুহাম্মাদ আরযামীকে দারাকুতনী দুর্বল বলেছেন। আবু হাতিম বলেছেনঃ তিনি শক্তিশালী নন। এরূপই “আল-মীযান” গ্রন্থে এসেছে। চাচার পিতা (অর্থাৎ আব্বাদের দাদা) মুহাম্মাদ আরযামীও মাতরূক। তার জীবনী "আত-তাহযীব" ও অন্যান্য গ্রন্থে বর্ণনা করা হয়েছে।



হাদিসের মানঃ  যঈফ (Dai'f)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!

ابدأ بأمك وأبيك وأختك وأخيك والأدنى فالأدنى ولا تنسوا الجيران وذا الحاجة
ضعيف جدا بهذا التمام

-

أخرجه الطبراني في " المعجم الكبير " (20 / 150 / 311) من طريق عباد بن أحمد العرزمي حدثنا عمي عن أبيه عن محمد بن سوقة عن أبي رفاعة عن معاذ بن جبل قال: أقبل رجل إلى النبي صلى الله عليه وسلم فقال: يا رسول الله من أعطي من
فضل ما خولني الله؟ قال: فذكره
قال الهيثمي في " مجمع الزوائد (3 / 120) : رواه الطبراني في " الكبير " وفيه عباد بن أحمد العرزمي، وهو ضعيف
قلت: فتعقبه أخونا حمدي السلفي في تعليقه على " المعجم " فقال: قلت بل هو متروك
أقول ولقد أصاب جزاه الله خيرا، فإن العرزمي هذا لم يترجم إلا بقول الدارقطني فيه: متروك، فهو شديد الضعف
وعمه الظاهر عندي أنه عبد الرحمن بن محمد بن عبيد الله العرزمي فإنهم ذكروا أنه يروي عن أبيه قال في " الميزان ": ضعفه الدارقطني، وقال أبو حاتم: ليس بقوي
قلت وذكره ابن حبان في " الثقات " وقال (7 / 91) : يعتبر حديثه من غير روايته عن أبيه
قلت: وأبوه محمد بن عبيد الله العرزمي متروك أيضا وهو مترجم في " التهذيب " وغيره، والحديث قد ثبت من حديث طارق المحاربي مرفوعا نحوه دون قوله: " ولا تنسوا الجيران وذا الحاجة ولذلك خرجته هنا وحديث طارق مخرج في " إرواء الغليل " مع أحاديث أخرى بمعناه (834)
تنبيه: كان هنا في الطبعة السابقة حديث آخر بلفظ: " إن أهل الشبع في الدنيا هم أهل الجوع في الآخرة
فنقلته إلى " الصحيحة " (343) لأني وجدت له ما يقويه بلفظه عند ابن ماجه وبنحوه عند آخرين فاقتضى التنبيه وقد كنت نبهت على هذا في فهرس بعض الطبعات التي طبعت على طريقة الأو فست بواسطة المكتب الإسلامي والله تعالى هو المسؤول أن يسدد خطانا وأن يعصمنا من الزلل ومن كل ما لا يرضيه

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ তাওহীদ পাবলিকেশন
গ্রন্থঃ যঈফ ও জাল হাদিস
অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ
হাদিস নম্বরঃ ৩১৭ | 317 | ۳۱۷

৩১৭। মূসা ইবনু ইমরান এক ব্যাক্তিকে অতিক্রম করেছিলেন এমতাবস্থায় যে, সে ব্যাক্তি কাঁপতেছিল। তিনি দাঁড়ালেন এবং যেন তাঁকে ক্ষমা করা হয় এ দু’আ করলেন। তাঁকে বলা হলঃ হে মূসা! আর তো এ অবস্থা হয়নি ইবলিস কর্তৃক আক্রান্ত হওয়ার কারণে। সে তো নিজেকে আমার জন্য ক্ষুধার্ত করেছে। তুমিত দেখেছ সেই ব্যাক্তিকে যার দিকে আমি প্রতিদিন একাধিকবার দৃষ্টি দিয়ে থাকি, সে যেন তোমার জন্য দু’আ করে। কারণ তার জন্য আমার নিকট প্রতিদিন গ্রহণযোগ্য দু’আ রয়েছে।

হাদীসটি দুর্বল।

এটি তাবারানী (৩/১৩২/১) বর্ণনা করেছেন। এটির সনদে জাবারুন ইবনু ঈসা বর্ণনা করেছেন। তাবারানীর সূত্র হতেই আবু নু’য়াইম “আল-হিলইয়াহ" গ্রন্থে (৩/৩৪৫-৩৪৬) বর্ণনা করে বলেছেনঃ এ হাদীসটি গরীব, ফুযায়েল হতে শুধুমাত্র ইয়াহইয়া ইবনু সুলায়মান বর্ণনা করেছেন। তার ব্যাপারে সমালোচনা রয়েছে।

আমি (আলবানী) বলছিঃ ইয়াহইয়া হতে বর্ণনাকারী জাবারুনকে চিনি না।



হাদিসের মানঃ  যঈফ (Dai'f)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!

إن موسى بن عمران مر برجل وهو يضطرب، فقام يدعوله أن يعافيه، فقيل له: يا موسى إنه ليس الذي يصيبه خبط من إبليس، ولكنه جوع نفسه لي فهو الذي ترى، إني أنظر إليه كل يوم مرات أتعجب من طاعته لي، فمره فليدع لك فإن له عندي كل يوم دعوة
ضعيف

-

رواه الطبراني (3 / 132 / 1) : حدثنا جبرون بن عيسى المقريء، أخبرنا يحيى بن سليمان الحفري، أخبرنا فضيل بن عياض عن منصور عن عكرمة عن ابن عباس مرفوعا
ومن طريقه رواه أبو نعيم في " الحلية " (3 / 345 - 346) وقال: هذا حديث غريب، لم يروه عن فضيل إلا يحيى بن سليمان، وفيه مقال
قلت: والراوي عنه جبرون لم أعرفه، ولم يزد الدارقطني في " المؤتلف " (2 /849) على قوله فيه: " كان يحدث بمصر عن يحيى بن سليمان الحفري نسخة . . . والله أعلم

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ তাওহীদ পাবলিকেশন
গ্রন্থঃ যঈফ ও জাল হাদিস
অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ
হাদিস নম্বরঃ ৩১৮ | 318 | ۳۱۸

৩১৮। প্রতিটি বস্তুর যাকাত রয়েছে, আর বাড়ীর যাকাত হচ্ছে মেহমানদের জন্য (তৈরিকৃত) ঘর।

হাদীসটি জাল।

এটিকে সুয়ূতী “জামেউস সাগীর” গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন, “যায়লুল আহাদীসিল মাওযুআহ” গ্রন্থেও (পৃঃ ১১৪) ইবনু আবী শুরাইহ-এর বর্ণনা হতে উল্লেখ করে বলেছেনঃ এটিকে সাঈদ আন-নাক্কাশ “মাওযু’আত” গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন, অতঃপর বলেছেনঃ হাদীসটি আহমাদ ইবনু উসমান আন-নাহরাওয়ানী অথবা তার শাইখ আব্দুল্লাহ ইবনু আবদিল কুদ্দুস আবু সালেহ কারখী জাল করেছেন। । তার এ বক্তব্যকে যাহাবী “আল-মীযান” গ্রন্থে (১/১১৮) সমর্থন করেছেন।

জুযকানী হাদীসটি তার "আল-আবাতীল" গ্রন্থে (২৬৪) উল্লেখ করে বলেছেনঃ হাদীসটি মুনকার, আব্দুল্লাহ ইবনু আবদিল কুদ্দুস মাজহুল।
 
হাদীসটি আরো দুটি সূত্রে বর্ণিত হয়েছে। কিন্তু সে দুটির সনদও সমস্যা জর্জরিত। একটির সনদে আবু তালিব ঈসা ইবনু মুহাম্মাদ বাকিল্লানী রয়েছেন। তার সম্পর্কে ভাল-মন্দ কিছুই উল্লেখ করা হয়নি। তিনিই হচ্ছেন এ সনদের সমস্যা।

অন্য সূত্রটিতে মুহাম্মাদ ইবনুল কাসিম আছেন। তার সম্পর্কেও ভাল-মন্দ কিছুই উল্লেখ করা হয়নি। আরো আছেন আলী ইবনুল হুসাইন আল-কূফী। তিনি হচ্ছেন রাফেযী এবং আলী ইবনু আসেম দুর্বল বর্ণনাকারী।



হাদিসের মানঃ  জাল (Fake)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!

لكل شيء زكاة وزكاة الدار بيت الضيافة ".
موضوع

-

عزاه السيوطي في " الجامع الصغير " للرافعي عن ثابت، وذكره في " ذيل الأحاديث الموضوعة " (ص 114) من رواية ابن أبي شريح في جزء ميني كذا ولعله بيبى حدثنا أحمد بن عثمان النهرواني، حدثني عبد الله بن عبد القدوس أبو صالح الكرخي، حدثنا عاصم بن علي، حدثنا شعبة عن ثابت عن أنس مرفوعا، وقال السيوطي: أورده أبو سعيد النقاش في " الموضوعات "، وقال: وضعه أحمد أو شيخه، وأقره في " الميزان " (1 / 118) وأورده الجوزجانى في " الأباطيل " (2 / 64) وقال: حديث منكر، وعبد الله بن عبد القدوس مجهول
قلت: لكن له طريق أخرى عن ثابت، رواه ابن عساكر (14 / 13 / 2) عن أبي طالب عيسى بن محمد الباقلاني بسنده الصحيح عن حماد بن سلمة عن ثابت به، ساقه في ترجمة الباقلاني هذا ولم يذكر فيه جرحا ولا تعديلا فهو آفته والله أعلم
قلت: ثم وجدت له طريقا ثالثة عن أنس أخرجه السهمي في " تاريخ جرجان " (363) عن ابن عدي حدثني محمد بن القاسم بن شريح أبو سعيد بجرجان حدثنا العباس بن محمد الدامغاني حدثنا علي بن الحسين الكوفي حدثنا عقبة بن الزبير حدثنا علي بن عاصم عن حميد الطويل عن أنس به، أورده في ترجمة محمد بن القاسم هذا ولم يذكر فيه جرحا ولا تعديلا وابن عاصم ضعيف وعلي بن الحسين رافضي

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ তাওহীদ পাবলিকেশন
গ্রন্থঃ যঈফ ও জাল হাদিস
অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ
হাদিস নম্বরঃ ৩১৯ | 319 | ۳۱۹

৩১৯। সাত ব্যাক্তির দিকে আল্লাহ তা’য়ালা কিয়ামত দিবসে তাকাবেন না। তাঁদেরকে পবিত্রও করবেন না। তাঁদেরকে বলেবেনঃ তোমরা জাহান্নামে প্রবেশকারীদের সাথে জাহান্নামে প্রবেশ করঃ সমকামী, যাকে করা হল, নিজ হাতকে বিবাহকারী, পশুকে বিবাহকারী, মহিলার পিছন পথকে বিবাহকারী, মহিলা ও তার মেয়েকে বিবাহকারী, নিজ প্রতিবেশীর সাথে ব্যভিচারকারী এবং প্রতিবেশীকে কষ্টদানকারী এমন ভাবে যে, সে এ কারণে তাঁকে অভিশাপ দিচ্ছে।

হাদীসটি দুর্বল।

এটি ইবনু বিশরান (৮৬/১-২) আব্দুল্লাহ ইবনু লাহী'য়াহ সূত্রে আব্দুর রহমান ইবনু যিয়াদ হতে বর্ণনা করেছেন।

আমি (আলবানী) বলছিঃ এটির সনদ দুর্বল ইবনু লাহী'য়াহ ও তার শাইখ ইফরিকীর কারণে। তারা দু’জনই মুখস্থ বিদ্যার দিক থেকে দুর্বল। মুনযেরী “আত-তারগীব” গ্রন্থে (৩/১৯৫) হাদীসটির অংশ বিশেষ উল্লেখ করে বলেছেনঃ এটি ইবনু আবিদ-দুনিয়া, খারায়েতী ও অন্যরা বর্ণনা করেছেন। অতঃপর এটি যে দুর্বল সেদিকে ইঙ্গিত করেছেন।



হাদিসের মানঃ  যঈফ (Dai'f)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!

سبعة لا ينظر الله عز وجل إليهم يوم القيامة ولا يزكيهم ويقول: ادخلوا النار مع الداخلين: الفاعل والمفعول به، والناكح يده، وناكح البهيمة، وناكح المرأة في دبرها، وناكح المرأة وابنتها، والزاني بحليلة جاره، والمؤذي لجاره حتى يلعنه
ضعيف

-

رواه ابن بشران (86 / 1 - 2) من طريق عبد الله بن لهيعة عن عبد الرحمن بن زياد بن أنعم عن أبي عبد الرحمن الحبلي عن عبد الله بن عمرو مرفوعا
قلت: وهذا إسناد ضعيف من أجل ابن لهيعة وشيخه الإفريقي، فإنهما ضعيفان من قبل حفظهما، وقد أورد المنذري في " الترغيب " (3 / 195) قطعة من الحديث وقال: رواه ابن أبي الدنيا والخرائطي وغيرهما، وأشار لضعفه

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ তাওহীদ পাবলিকেশন
গ্রন্থঃ যঈফ ও জাল হাদিস
অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ
হাদিস নম্বরঃ ৩২০ | 320 | ۳۲۰

৩২০। তোমরা যেরূপ, সেরূপ ব্যাক্তিকেই তোমাদের নেতা নিয়োগ করা হবে।

হাদীসটি দুর্বল।

এটি দাইলামী ইয়াহইয়া ইবনু হাশেম সূত্রে ইউনুস ইবনু আবী ইসহাক হতে ... মারফু' হিসাবে বর্ণনা করেছেন।

বাইহাকী একই সনদে মুরসাল হিসাবে “আশ-শু'য়াব” গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন। এ ইয়াহইয়াকে সেই দলের মধ্যে গণ্য করা হয় যারা হাদীস জাল করতেন। কিন্তু হাদীসটির অন্য সূত্র ইবনু জামী'র "আল-মুজাম" গ্রন্থে (পৃঃ ১৪৯) এবং কাযাঈর “মুসনাদ” গ্রন্থে (১/৪৭) আহমাদ ইবনু উসমান কিরমানী হতে, তিনি মুবারাক ইবনু ফুযালা হতে ... বর্ণনা করেছেন।

ইবনু তাহের বলেনঃ মুবারাকের ব্যাপারে যদিও কিছুটা দুর্বলতার কথা উল্লেখ করা হয়েছে তবুও দোষটা তার থেকে বর্ণনাকারীর। কারণ তিনি (আহমাদ ইবনু
উসমান) হচ্ছেন মাজহুল অপরিচিত।

ইবনু হাজার “তাখরীজুল কাশশাফ” গ্রন্থে (৪/২৫) বলেনঃ মুবারাক পর্যন্ত হাদীসটির সকল বর্ণনাকারী মাজহুল।



হাদিসের মানঃ  যঈফ (Dai'f)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!

كما تكونوا يولى عليكم
ضعيف

-

أخرجه الديلمي من طريق يحيى بن هاشم عن يونس بن أبي إسحاق عن أبيه عن جده عن أبي بكرة مرفوعا، والبيهقي في " الشعب " من طريق يحيى عن يونس بن أبي إسحاق عن أبي إسحاق مرسلا، ويحيى في عداد من يضع
لكن له طريق أخرى عند ابن جميع في " معجمه " (ص 149) والقضاعي في " مسنده " (47 / 1) من جهة أحمد بن عثمان الكرماني عن المبارك بن فضالة عن الحسن عن أبي بكرة مرفوعا
قال ابن طاهر: والمبارك وإن ذكر بشيء من الضعف فالتهمة على من رواه عنه فإن فيهم جهالة، كذا في المناوي
وقال الحافظ ابن حجر في " تخريج الكشاف " (4 / 25) : وفي إسناده إلى مبارك مجاهيل
قلت: ومن هذا الوجه رواه السلفي في " الطيوريات " (1 / 282)
ثم إن الحديث معناه غير صحيح على إطلاقه عندي، فقد حدثنا التاريخ تولي رجل صالح عقب أمير غير صالح والشعب هو هو

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

হাদিস দেখানো হচ্ছে   [311]  থেকে  [320]  পর্যন্ত এবং সর্বমোট   [1500]  টি হাদিস পাওয়া গেছে।