• ৭১৯৬৩ টি সর্বমোট হাদিস আছেঃ
  • ৮০৩৩ টি প্রশ্নোত্তর ও ফিকাহঃ

 

 

 

 


হাদীস (حَدِيْث) এর শাব্দিক অর্থ: নতুন, প্রাচীন ও পুরাতন এর বিপরীত বিষয়। এ অর্থে যে সব কথা, কাজ ও বস্ত্ত পূর্বে ছিল না, এখন অস্তিত্ব লাভ করেছে  তাই হাদীস। এর আরেক অর্থ হলো: কথা। ফক্বীহগণের পরিভাষায় নাবী কারীম () আল্লাহ্‌র রাসূল হিসেবে যা কিছু বলেছেন, যা কিছু করেছেন এবং যা কিছু বলার বা করার অনুমতি দিয়েছেন অথবা সমর্থন জানিয়েছেন তাকে হাদীস বলা হয়। কিন্তু মুহাদ্দিসগণ এর সঙ্গে রাসুলুল্লাহ () সম্পর্কিত বর্ণনা ও তার গুণাবলী সম্পর্কিত বিবরণকেও হাদীসের অন্তর্ভুক্ত করেন। এ হিসেবে হাদীসকে প্রাথমিক পর্যায়ে তিন শ্রেণীতে ভাগ করা যায়:

১। ক্বওলী হাদীস: কোন বিষয়ে রাসুলুল্লাহ () যা বলেছেন, অর্থাৎ যে হাদীসে তাঁর কোন কথা বিবৃত হয়েছে তাকে ক্বওলী (বাণী সম্পর্কিত) হাদীস বলা হয়।

২। ফেলী হাদীস: মহানাবী ()-এর কাজকর্ম, চরিত্র ও আচার-আচরণের ভেতর দিয়েই ইসলামের যাবতীয় বিধি-বিধান ও রীতিনীতি পরিস্ফুট হয়েছে। অতএব যে হাদীসে তাঁর কোন কাজের বিবরণ উল্লেখিত হয়েছে তাকে ফে’লী (কর্ম সম্পর্কিত) হাদীস বলা হয়।

৩। তাকরীরী হাদীস: সাহাবীগণের যে সব কথা বা কাজ নাবী কারীম ()-এর অনুমোদন ও সমর্থন প্রাপ্ত হয়েছে, সে ধরনের কোন কথা বা কাজের বিবরণ হতেও শরীয়াতের দৃষ্টিভঙ্গি জানা যায়। অতএব যে হাদীসে এ ধরনের কোন ঘটনার বা কাজের উল্লেখ পাওয়া যায় তাকে তাকরীরী (সমর্থন মূলক) হাদীস বলে।

সুন্নাহ (السنة): হাদীসের অপর নাম সুন্নাহ্ (السنة) সুন্নাত শব্দের অর্থ চলার পথ, কর্মের নীতি ও পদ্ধতি। যে পন্থা ও রীতি নাবী কারীম () অবলম্বন করতেন তাকে সুন্নাত বলা হয়। অন্য কথায় রাসুলুল্লাহ () প্রচারিত উচ্চতম আদর্শই সুন্নাত। কুরআন মাজিদে মহত্তম ও সুন্দরতম আদর্শ (أُسْوَةٌ حَسَنَةٌ) বলতে এই সুন্নাতকেই বুঝানো হয়েছে।

খবর (خبر): হাদীসকে আরবী ভাষায় খবরও (خبر) বলা হয়। তবে খবর শব্দটি হাদীস ও ইতিহাস উভয়টিকেই বুঝায়।

আসার (أثر ): আসার শব্দটিও কখনও কখনও রাসুলুল্লাহ () এর হাদীসকে নির্দেশ করে। কিন্তু অনেকেই হাদীস ও আসার এর মধ্যে কিছু পার্থক্য করে থাকেন। তাঁদের মতে- সাহাবীগণ থেকে শরীয়াত সম্পর্কে যা কিছু উদ্ধৃত হয়েছে তাকে আসার বলে।

 

ইলমে হাদীসের কতিপয় পরিভাষা

সাহাবী (صحابى):  যিনি ঈমানের সঙ্গে রাসুলুল্লাহ () এর সাহচর্য লাভ করেছেন এবং ঈমানের সঙ্গে মৃত্যুবরণ করেছেন তাঁকে রাসুলুল্লাহ ()-এর সাহাবী বলা হয়।

তাবেঈ (تابعى) : যিনি রাসুলুল্লাহ ()-এর কোন সাহাবীর নিকট হাদীস শিক্ষা করেছেন অথবা অন্ততপক্ষে তাঁকে দেখেছেন এবং মুসলমান হিসেবে মৃত্যুবরণ করেছেন তাঁকে তাবেঈ বলা হয়।

তাবে-তাবেঈ (تابعى تابع) : যিনি  কোন তাবেঈ এর নিকট হাদীস শিক্ষা করেছেন অথবা অন্ততপক্ষে তাঁকে দেখেছেন এবং মুসলমান হিসেবে মৃত্যুবরণ করেছেন তাঁকে তাবে-তাবেঈ বলা হয়।

মুহাদ্দিস (محدث) : যিনি হাদীস চর্চা করেন এবং বহু সংখ্যক হাদীসের সনদ ও মতন সম্পর্কে বিশেষ জ্ঞান রাখেন তাঁকে মুহাদ্দিস বলা হয়।

শাইখ (شيخ) : হাদীসের শিক্ষাদাতা রাবীকে শায়খ বলা হয়।

শাইখান (شيخان) : সাহাবীগনের মধ্যে আবূ বকর (রাঃ) ও উমর  (রাঃ)- কে একত্রে শাইখান বলা হয়। কিন্তু হাদীস শাস্ত্রে ইমাম বুখারী (রাহি.) ও ইমাম মুসলিম (রাহি.)-কে এবং ফিক্বহ-এর পরিভাষায় ইমাম আবূ হানীফা (রাহি.) ও আবূ ইউসুফ (রাহি.)-কে একত্রে শাইখান বলা হয়। 

হাফিয (حافظ) : যিনি সনদ ও মতনের বৃত্তান্ত সহ এক লাখ হাদীস আয়ত্ত করেছেন তাঁকে হাফিয বলা হয়।

হুজ্জাত (حجة) : অনুরূপভাবে যিনি তিন লক্ষ হাদীস আয়ত্ত করেছেন তাঁকে হুজ্জাত বলা হয়।  

হাকিম (حاكم) : যিনি সব হাদীস আয়ত্ত করেছেন তাকে হাকিম বলা হয়।

রিজাল (رجال) : হাদীসের রাবী সমষ্টিকে রিজাল বলে। যে শাস্ত্রে রাবীগণের জীবনী বর্ণনা করা হয়েছে তাকে আসমাউর-রিজাল বলা হয়।                                                                                 

রিওয়ায়াত (رواية): হাদীস বর্ণনা করাকে রিওয়ায়াত বলে। কখনও কখনও মূল হাদীসকেও রিওয়ায়াত বলা হয়। যেমন- এই কথার সমর্থনে একটি রিওয়ায়াত (হাদীস) আছে।                           

সনদ (سند): হাদীসের মূল কথাটুকু যে সূত্র পরম্পরায় গ্রন্থ সংকলনকারী পর্যন্ত পৌঁছেছে তাকে সনদ বলা হয়। এতে হাদীস বর্ণনাকারীদের নাম একের পর এক সজ্জিত থাকে।

মতন (متن): হাদীসে মূল কথা ও তার শব্দ সমষ্টিকে মতন বলে।

মারফূ (مرفوع): যে হাদীসের সনদ (বর্ণনা পরম্পরা) রাসুলুল্লাহ () পর্যন্ত পৌঁছেছে  তাকে মারফূ হাদীস বলে।

মাওকূফ (موقوف) : যে হাদীসের বর্ণনা- সূত্র ঊর্ধ্ব দিকে সাহাবী পর্যন্ত পৌঁছেছে , অর্থাৎ যে সনদ -সূত্রে কোন সাহাবীর কথা বা কাজ বা অনুমোদন বর্ণিত হয়েছে তাকে মাওকূফ হাদীস বলে। এর অপর নাম আসার।

মাকতূ (مقطوع): যে হাদীসের সনদ কোন তাবেঈ পর্যন্ত পৌঁছেছে, তাকে মাকতূ হাদীস বলা হয়।

তালীক (تعليق): কোন কোন গ্রন্থকার হাদীসের পূর্ণ সনদ বাদ দিয়ে কেবল মূল হাদীস বর্ণনা করেছেন। এরূপ করাকে তা’লীক বলা হয়।

মুদাল্লাস (مدلس): যে হাদীসের রাবী নিজের প্রকৃত শাইখের (উস্তাদের) নাম উল্লেখ না করে তার উপরস্থ শাইখের নামে এভাবে হাদীস বর্ণনা করেছেন যাতে মনে হয় যে, তিনি নিজেই উপরস্থ শাইখের নিকট তা শুনেছেন অথচ তিনি তাঁর নিকট সেই হাদীস শুনেন নি- সে হাদীসকে মুদাল্লাস হাদীস এবং এইরূপ করাকে ‘তাদ্লীস’ আর যিনি এইরূপ করেন তাকে মুদালস্নীস বলা হয়।

মুযতারাব (مضطرب): যে হাদীসের রাবী হাদীসের মতন ও সনদকে বিভিন্ন প্রকারে বর্ণনা করেছেন সে হাদীসকে হাদীসে মুযতারাব বলা হয়। যে পর্যন্ত না এর কোনরূপ সমন্বয় সাধন সম্ভবপর হয়, সে পর্যন্ত এই হাদীসের ব্যাপারে অপেক্ষা করতে হবে অর্থাৎ এই ধরনের রিওয়ায়াত প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না।

মুদ্রাজ (مدرج): যে হাদীসের মধ্যে রাবী নিজের অথবা অপরের উক্তিকে অনুপ্রবেশ করিয়েছেন, সে হাদীসকে মুদ্রাজ এবং এইরূপ করাকে ‘ইদরাজ’ বলা হয়।

মুত্তাসিল (متصل): যে হাদীসের সনদের ধারাবাহিকতা প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত পূর্ণরূপে রক্ষক্ষত আছে, কোন সত্মরেই কোন রাবীর নাম বাদ পড়ে নি তাকে মুত্তাসিল হাদীস বলে।

মুনকাতি (منقطع): যে হাদীসের সনদে ধারাবাহিকতা রক্ষিত হয় নি, মাঝখানে কোন এক স্তরে কোন রাবীর নাম বাদ পড়েছে, তাকে মুনকাতি হাদীস, আর এই বাদ পড়াকে ইনকিতা বলা হয়।

মুরসাল (مرسل): যে হাদীসের সনদে ইনকিতা শেষের দিকে হয়েছে, অর্থাৎ সাহাবীর নাম বাদ পড়েছে এবং তাবেঈ সরাসরি রাসুলুল্লাহ () এর উল্লেখ করে হাদীস বর্ণনা করেছেন তাকে মুরসাল হাদীস বলা হয়।

মুআল্লাক ( معلق ) : সনদের ইনকিতা প্রথম দিকে  হলে, অর্থাৎ সাহাবীর পর এক বা একাধিক রাবীর নাম বাদ পড়লে তাকে মু’আল্লাক হাদীস বলা হয়।

মুদাল (معضل): যে হাদীসে দুই বা ততোধিক রাবী ক্রমান্বয়ে সনদ থেকে বাদ পড়েছে তাকে মু‘দাল হাদীস বলে।

মুতাবি ও শাহিদ (متابع و شاهد): এক রাবীর হাদীসের অনুরূপ যদি অপর রাবীর কোন হাদীস পাওয়া যায় তবে দ্বিতীয় রাবীর হাদীসকে প্রথম রাবীর হাদীসের মুতাবি বলা হয়। যদি উভয় হাদীসের মূল রাবী অর্থাৎ সাহাবী একই ব্যক্তি না হয় তবে দ্বিতীয় ব্যক্তির হাদীসকে শাহিদ বলে। আর এইরূপ হওয়াকে শাহাদাত বলে। মুতাবা’আত ও শাহাদাত দ্বারা প্রথম হাদীসটির শক্তি বৃদ্ধি পায়।

মারূফ ও মুনকার (معروف و منكر): কোন দুর্বল রাবীর বর্ণিত হাদীস অপর কোন মাকবূল (গ্রহণযোগ্য) রাবীর বর্ণিত হাদীসের বিরোধী হলে তাকে মুনকার বলা হয় এবং মাকবূল রাবীর হাদীসকে মা‘রূফ বলা হয়।

সহীহ (صحيح) : যে মুত্তাসিল হাদীসের সনদে উল্লেখিত প্রত্যেক রাবীই পূর্ণ আদালত ও যাবত (ধারণ ক্ষমতা) গুণ সম্পন্ন এবং হাদীসটি যাবতীয় দোষত্রুটি ও শায মুক্ত তাকে সহীহ হাদীস বলে।

হাসান (حسن) : যে হাদীসের মধ্যে রাবীর যাবত (ধারণ ক্ষমতা) এর গুণ ব্যতীত সহীহ হাদীসের সমস্ত শর্তই পরিপূর্ণ রয়েছে তাকে হাসান হাদীস বলা হয়। ফক্বীহগণ সাধারণত সহীহ ও হাসান হাদীসের ভিত্তিতে শরীয়াতের বিধান নির্ধারণ  করেন।

যঈফ (ضعيف ) : যে হাদীসের রাবী কোন হাসান হাদীসের রাবীর গুণসম্পন্ন নন তাকে যঈফ হাদীস বলে।

মাওযূ ( موضوع ) : যে হাদীসের রাবী জীবনে কখনও ইচ্ছাকৃতভাবে রাসুলুল্লাহ ()-এর নামে মিথ্যা কথা রটনা করেছেন বলে প্রমাণিত হয়েছে, তার বর্ণিত হাদীসকে মাওযূ‘ হাদীস বলে।

 

রাবীর সংখ্যা বিচারে হাদীস প্রধানত দুপ্রকার। যথা: ১. মুতওয়াতির (متواتر) ও ২. আহাদ (أحاد)

১. মুতওয়াতির (متواتر): বৃহৎ সংখ্যক রাবীর বর্ণিত হাদীস, মিথ্যার ব্যাপারে যাদের উপর একাট্টা হওয়া অসম্ভব, সনদের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত এ সংখ্যা বিদ্যমান থাকলে হাদীসকে মুতওয়াতির (متواتر) বলা হয়।

২. আহাদ (أحاد): أحاد তিন প্রকার। যথা:

মাশহুর (مشهور): যে কোন স্তরে হাদীস বর্ণনা কারীর সংখ্যা যদি দুই এর অধিক হয়, কিন্তু মুতওয়াতির এর পর্যায়ে পৌঁছে না তাকে মাশহুর (مشهور) বলে।

আযীয (عزيز): যে কোন স্তরে হাদীস বর্ণনা কারীর সংখ্যা যদি দু‘জন হয় ।

গরীব (غريب): যে কোন স্তরে হাদীস বর্ণনা কারীর সংখ্যা যদি এক জন হয় ।

শায (شاذ): একাধিক নির্ভরযোগ্য রাবীর বিপরীত একজন নির্ভরযোগ্য রাবীর বর্ণনাকে শায হাদীস বলে।

 কিয়াস (قياس): অর্থ অনুমান, পরিমাপ, তুলনা ইত্যাদি। পরিভাষায়: শাখাকে মূলের সঙ্গে তুলনা করা, যার ফলে শাখা ও মূল একই হুকুমের অমত্মর্ভুক্ত হয়ে যায়।

তাক্বলীদ (تقليد): দলীল উল্লেখ ছাড়াই কোন ব্যক্তির মতামতকে গ্রহণ করা।

ইজতিহাদ (اجتهاد): উদ্দিষ্ট জ্ঞান অর্জনের প্রচেষ্টা চালানোকে ইজতিহাদ বলে।

শরীয়াত (شريعة): অর্থ: আইন, বিধান, পথ, পন্থা ইত্যাদি। পরিভাষায়: মহান আল্লাহ্‌ স্বীয় দীন হতে বান্দার জন্য যা বিধিবদ্ধ করে দিয়েছেন তাকে শরীয়াত বলে।

মাযহাব (مذهب): অর্থ- মত, পথ, মতবাদ ইত্যাদি। ফিক্বহী পরিভাষায়: ইবাদাত ও মু‘আমালাতের ক্ষেত্রে শারঈ হুকুম পালনের জন্য বান্দা যে পথ অনুসরণ করে এবং প্রত্যেক দলের জন্য একজন ইমামের উপর অথবা ইমামের ওসীয়ত কিংবা ইমামের প্রতিনিধির উপর নির্ভর করে তাকে মাযহাব বলে।

নাযর (نذر): কোন বিষয়ে উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য চিন্তা-ভাবনা করাকে নাযর বলে।

আম (عام): সীমাবদ্ধ করা ছাড়াই যা দুই বা ততোধিক বিষয়কে অন্তর্ভুক্ত করে তাকে আম বলে।

খাস (خاص): আম এর বিপরীত, যা নির্দিষ্ট বিষয়কে অন্তর্ভুক্ত করে।

ইজমা (اجماع): কোন এক যুগে আলিমদের কোন শারঈ বিষয়ের উপর এক মত পোষণ করাকে ইজমা বলে।

মুসনাদ (مسند): যার সনদগুলো পরস্পর এমনভাবে মিলিত যে, প্রত্যেকের বর্ণনা সুস্পষ্ট।

ফিক্বহ (فقه): ইজতিহাদ বা গবেষণার পদ্ধতিতে শারঈ হুকুম সম্পর্কে জানার বিধানকে ফিক্বহ বলে।

আসল বা মূল (اصل): এমন প্রথম বিষয়, যার উপর ভিত্তি করে কোন কিছু গড়ে উঠে। যেমন- দেয়ালের ভিত্তি।

ফারা বা শাখা (فرع): আসলের বিপরীত যা কোন ভিত্তির উপর গড়ে উঠে।

ওয়াজিব (واجب): যা আমল করলে সাওয়াব পাওয়া যাবে আর পরিত্যাগ করলে শাস্তি পাওয়া যাবে।

মানদূব (مندوب): যা আমল করলে সাওয়াব পাওয়া যাবে আর পরিত্যাগ করলে শাস্তি হবে না।

মাহযূর (محظور): যা পরিত্যাগ করলে সাওয়াব পাওয়া যাবে আর আমল করলে শাস্তি পাওয়া যাবে।

মাকরূহ (مكروه): যা পরিত্যাগ করলে সাওয়াব পাওয়া যাবে আর আমল করলে শাস্তি হবে না।

ফাৎওয়া (فتوى): জিজ্ঞাসিত ব্যক্তির নিকট থেকে দলীল ভিত্তিক শারঈ হুকুম সুস্পষ্ট বর্ণনা করে নেয়াকে ফাৎওয়া বলে।

নাসিখ (ناسخ): পরিবর্তিত শারঈ দলীল যা পূববর্তী শারঈ হুকুমকে রহিত করে দেয় তাকে নাসিখ বলে।

মানসূখ (منسوخ): আর যে হুকুমটি রহিত হয়ে যায় সেটাই মানসূখ।

মুতলাক্ব (مطلق): যা প্রকৃতিগত দিক থেকে জাতির সকলকে অন্তর্ভুক্ত  করে কিন্তু অনির্দিষ্টভাবে একটি অর্থকে বুঝায়।

মুকাইয়্যাদ (مقيد): যা মুতলাক্বের বিপরীত অর্থাৎ জাতির সকলকে অন্তর্ভুক্ত  করে না। বরং নির্দিষ্ট একটি অর্থকে বুঝায়।

হাক্বীকাত (حقيقة): শব্দকে আসল অর্থে ব্যবহার করাকে হাক্বীকত বলে। যেমন- সিংহ শব্দটি এক প্রজাতির হিংস্র প্রাণীকে বুঝায়।

মাজায (مجاز): শব্দ যখন আসল অর্থকে অতিক্রম করে তার সাথে সাদৃশ্য রাখে এমন অর্থ প্রকাশ করে তখন তাকে মাজায বলে। যেমন- সাহসী লোককে সিংহের সাথে তুলনা করা।

হাদিসের পরিসংখ্যান

সর্বমোট হাদিস পাওয়া গেছেঃ [342] টি | অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ
গ্রন্থঃ যঈফ ও জাল হাদিস | দেখানো হচ্ছে   [301]  থেকে  [310]  পর্যন্ত
প্রতি পাতাতে টি হাদিস

পাবলিশারঃ তাওহীদ পাবলিকেশন
গ্রন্থঃ যঈফ ও জাল হাদিস
অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ
হাদিস নম্বরঃ ৩০১ | 301 | ۳۰۱

৩০১। যে ব্যাক্তি কুল-হু-আল্লাহু আহাদ আর সেই রোগের মধ্যে পাঠ করবে যাতে তার মৃত্যু হবে, তার কবরে তাঁকে ফেতনায় (প্রশ্নত্তরে) পড়তে হবে না। সে কবরের চাপ খাওয়া হতে নিরাপদ থাকবে এবং ফেরেশতারা কিয়ামতের দিবসে তাঁকে (হাতের) তালু দ্বারা বহন করে পুলসিরাত অতিক্রম করিয়ে জান্নাতে প্রবেশ করাবে।

হাদীসটি জাল।

এটি তাবারানী “মুজামুল আওসাত” গ্রন্থে (২/৫৪/২/৫৯১৩) ও আবু নু’য়াইম (২/২১৩) আবূ হারিস নাসর ইবনু হাম্মাদ আল-বালখী সূত্রে মালেক ইবনু আবদিল্লাহ আযদী হতে ... বর্ণনা করেছেন।

আমি (আলবানী) বলছিঃ এটির সনদ বানোয়াট। এ নাসর মিথ্যার দোষে দোষী। তিনি এককভাবে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন, যেমনভাবে তাবারানী বলেছেন। তার সম্পর্কে ইবনু মাঈন বলেনঃ তিনি মিথ্যুক। তার শাইখ মালেক ইবনু আবদিল্লাহ আযদীকে আমি চিনি না।



হাদিসের মানঃ  জাল (Fake)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!

من قرأ {قل هو الله أحد} في مرضه الذي يموت فيه، لم يفتن في قبره، وأمن من ضغطة القبر، وحملته الملائكة يوم القيامة بأكفها حتى تجيزه من الصراط إلى الجنة
موضوع

-

أخرجه الطبراني في " الأوسط " (2 / 54 / 2 / 5913) وأبو نعيم (2 / 213) من طريق أبي الحارث نصر بن حماد البلخي قال: حدثنا مالك بن عبد الله الأزدي قال: حدثنا يزيد بن عبد الله بن الشخير العنبري عن أبيه مرفوعا
قلت: وهذا إسناد موضوع، المتهم به نصر هذا، وقد تفرد به، كما قال الطبراني، قال ابن معين: كذاب، وشيخه مالك بن عبد الله الأزدي لم أعرفه

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ তাওহীদ পাবলিকেশন
গ্রন্থঃ যঈফ ও জাল হাদিস
অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ
হাদিস নম্বরঃ ৩০২ | 302 | ۳۰۲

৩০২। আমি সে সময়েও নাবী ছিলাম যখন আদম পানি এবং মাটির মাঝে ছিলেন।

হাদীসটি জাল।

নিম্নের হাদীসটিও এটির ন্যায়ঃ (দেখুন পরেরটি)



হাদিসের মানঃ  জাল (Fake)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!

كنت نبيا وآدم بين الماء والطين
موضوع

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ তাওহীদ পাবলিকেশন
গ্রন্থঃ যঈফ ও জাল হাদিস
অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ
হাদিস নম্বরঃ ৩০৩ | 303 | ۳۰۳

৩০৩। যখন আদম ছিলেন না, পানি ও মাটি ছিল না তখনও আমি নাবী ছিলাম।

হাদীসটি জাল।

এটি এবং পূর্বেরটিকে সুয়ূতী ইবনু তাইমিয়্যার উদ্ধৃতিতে “যায়লুল আহাদীসিল মাওযুআহ” গ্রন্থে (পৃঃ ২০৩) উল্লেখ করেছেন এবং তিনি তার বক্তব্যকে সমর্থন করেছেন। ইবনু তাইমিয়া “বাকরীর প্রতিবাদ” গ্রন্থের মধ্যে (পৃঃ ৯) বলেছেনঃ কুরআন ও হাদীসের মধ্যে এমনকি সুস্থ বিবেকেও এটির কোন ভিত্তি নেই। কোন মুহাদ্দিসই এটিকে উল্লেখ করেননি। এটির অর্থও বাতিল। কারণ আদম (আঃ) কখনও পানি এবং মাটির মাঝে ছিলেন না। কারণ তীন (طين) হচ্ছে পানি ও মাটি। বরং তিনি ছিলেন দেহ এবং রূহের মাঝে ।

পথ ভ্ৰষ্টরা ধারণা করে যে, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সে সময় উপস্থিত ছিলেন এবং তার সত্তা সকল সত্তার পূর্বে সৃষ্টি করা হয়েছিল। তারা মিথ্যা হাদীস দ্বারা তার প্রমাণ উপস্থাপন করে থাকে। যেমন তাদের একটি বানোয়াট হাদীস হচ্ছে তিনি নূর হিসাবে আরশের আশে-পাশে ছিলেন। তিনি বললেনঃ হে জিবরীল! আমি সেই নূর ছিলাম। তাদের কেউ আবার দাবী করে যে, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট জিবরীল আসার পূর্বেই তিনি কুরআন হেফয করেন।


রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ كنت نبيا وآدم بين الروح والجسد "যখন আদম (আঃ) রূহ ও দেহের মাঝে ছিলেন, তখন আমি নাবী ছিলাম।" এ হাদীসটির সনদ সহীহ, যেমনটি আমি সাহীহার মধ্যে (নং ১৮৫৬) বর্ণনা করেছি।

সুয়ূতী স্পষ্টভাবে “আদ-দুরার” গ্রন্থে বলেছেনঃ উপরে আলোচিত দুটি হাদীসের কোন ভিত্তি নেই। ইবনু তাইমিয়া দুটি হাদীসকেই বাতিল বলেছেন। তিনি আরো বলেছেন উভয়টিই মিথ্যা। সুয়ূতী তার "আন-নূর" গ্রন্থেও তা স্বীকার করেছেন।



হাদিসের মানঃ  জাল (Fake)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!

كنت نبيا ولا آدم ولا ماء ولا طين
موضوع

-

ذكر هذا والذي قبله السيوطي في ذيل " الأحاديث الموضوعة " (ص 203) نقلا عن ابن تيمية، وأقره، وقد قال ابن تيمية في رده على البكري (ص 9) : لا أصل له، لا من نقل ولا من عقل، فإن أحدا من المحدثين لم يذكره، ومعناه باطل، فإن آدم عليه السلام لم يكن بين الماء والطين قط، فإن الطين ماء وتراب، وإنما كان بين الروح والجسد، ثم هؤلاء الضلال يتوهمون أن النبي صلى الله عليه وسلم كان حينئذ موجودا، وأن ذاته خلقت قبل الذوات، ويستشهدون على ذلك بأحاديث مفتراة، مثل حديث فيه أنه كان نورا حول العرش، فقال: يا جبريل أنا كنت ذلك النور، ويدعي أحدهم أن النبي صلى الله عليه وسلم كان يحفظ القرآن قبل أن يأتيه به جبريل
ويشير بقوله: " وإنما كان بين الروح والجسد " إلى أن هذا هو الصحيح في هذا الحديث ولفظه: " كنت نبيا وآدم بين الروح والجسد " وهو صحيح الإسناد كما بينته في " الصحيحة " (1856) ، وقال الزرقاني في " شرح المواهب " (1 / 33) بعد أن ذكر الحديثين: صرح السيوطي في " الدرر " بأنه لا أصل لهما، والثاني من زيادة العوام، وسبقه إلى ذلك الحافظ ابن تيمية، فأفتى ببطلان اللفظين وأنهما كذب، وأقره في " النور " (كذا ولعله " الذيل ") والسخاوي في " فتاويه " أجاب باعتماد كلام ابن تيمية في وضع اللفظين قائلا: وناهيك به اطلاعا وحفظا، أقر له المخالف والموافق، قال: وكيف لا يعتمد كلامه في مثل هذا وقد قال فيه الحافظ الذهبي: ما رأيت أشد استحضارا للمتون وعزو ها منه، وكأن السنة بين عينيه وعلى طرف لسانه، بعبارة رشيقة وعين مفتوحة

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ তাওহীদ পাবলিকেশন
গ্রন্থঃ যঈফ ও জাল হাদিস
অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ
হাদিস নম্বরঃ ৩০৪ | 304 | ۳۰٤

৩০৪। কোন যুবক কোন বৃদ্ধকে তার বয়সের কারণে সম্মান করলে, আল্লাহ তার জন্যও এমন এক ব্যাক্তি নির্ধারিত করে দিবেন যে তাঁকে তার বৃদ্ধ বয়সের সময় সম্মান করবে।

হাদীসটি মুনকার।

এটি তিরমিযী (৩/১৫২), আবূ বাকর আশ-শাফেঈ “রুবা'ঈয়াত” গ্রন্থে (১/১০৬/১-২) এবং তার থেকে বাইহাকী “আল-আদাব” গ্রন্থে (৫৭/৫৩) বর্ণনা করেছেন। এছাড়া উকায়লী, আবু নু’য়াইম, আল-খাতীব, ইবনু আসাকির ও যিয়া আল-মাকদেসীসহ আরো অনেকে ইয়াযীদ ইবনু বায়ান আল-মুয়াল্লিম সূত্রে আবুর রিহাল হতে ... বর্ণনা করেছেন। তিরমিযী বলেনঃ এ হাদীসটি গারীব। এটিকে শুধুমাত্র ইয়াযীদ ইবনু বায়ানের হাদীস হতেই জানি। উকায়লী বলেনঃ তার অনুকরণ করা যায় না। এটিকে তার মাধ্যম ছাড়া অন্য কোন মাধ্যমে জানা যায় না।

আমি (আলবানী) বলছিঃ হাদীসটি দুর্বল। যাহাবী “আল-মীযান” গ্রন্থে বলেনঃ দারাকুতনী বলেছেনঃ এটি দুর্বল। বুখারী বলেছেনঃ এটিতে বিরূপ মন্তব্য আছে। ইবনু আদী বলেছেনঃ এটি মুনকার।

আমি (আলবানী) বলছিঃ ইয়াযীদ ইবনু বায়ানের শাইখ আবু রিহাল তার মতই। আবূ হাতিম বলেনঃ তিনি শক্তিশালী নন, তিনি মুনকারুল হাদীস। বুখারী বলেনঃ তার নিকট আজব আজব বস্তু রয়েছে। ইবনুন নাকুরও তাকে দুর্বল বলে ইঙ্গিত করেছেন।



হাদিসের মানঃ  মুনকার (সর্বদা পরিত্যক্ত)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!

ما أكرم شاب شيخا لسنه إلا قيض الله له من يكرمه عند سنه
منكر

-

رواه الترمذي (3 / 152) وأبو بكر الشافعي في " الرباعيات " (1 / 106 / 1 - 2) وعنه البيهقي في " الآداب " (57 / 53) والعقيلي (455) وأبو الحسن النعالي في " جزء من حديثه " (124 - 125) وابن بشران في " الأمالي " (18 /6 / 1، 22 / 60 / 1) والقطيعي في " جزء الألف دينار " (35 / 1) وأبو نعيم في " أخبار أصبهان " (2 / 185) وزاهر الشحامي في " السباعيات " (7 / 12 /2) وأبو بكر بن النقور في " الفوائد " (1 / 149 / 1) وابن شاذان في " المشيخة الصغرى " (53 / 2) والخطيب في " الفقيه والمتفقه " (277 / 1) وعبد الله العثماني الديباجي في " الأمالي " (1 / 56 / 1) وابن عساكر في تاريخه (14 / 249 / 2) والضياء المقدسي في " المنتقى من مسموعاته بمرو" (33 / 1) كل هؤلاء أخرجوه عن يزيد بن بيان المعلم عن أبي الرحال عن أنس مرفوعا، وقال الترمذي: هذا حديث غريب لا نعرفه إلا من حديث هذا الشيخ: يزيد ابن بيان
وقال العقيلي: لا يتابع عليه ولا يعرف إلا به
قلت: وهو ضعيف، قال الذهبي في " الميزان ": قال الدارقطني: ضعيف، وقال البخاري: فيه نظر، ثم ساق له هذا الحديث وقال: قال ابن عدي: هذا منكر
قلت: وشيخه أبو الرحال نحوه، قال أبو حاتم: ليس بقوي منكر الحديث، وقال البخاري: عنده عجائب، وقد أشار لضعفه ابن النقور فقال عقب الحديث: إن هذا الحديث من مفاريد أبي الرحال خالد بن محمد الأنصاري، ولا يرويه عنه غير يزيد ابن بيان، وفيهما نظر، ولا يعرف لأبي الرحال عن أنس غير هذا الحديث الواحد وهو مقل له خمسة أحاديث

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ তাওহীদ পাবলিকেশন
গ্রন্থঃ যঈফ ও জাল হাদিস
অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ
হাদিস নম্বরঃ ৩০৫ | 305 | ۳۰۵

৩০৫। তুমি লেজ হও, তুমি মাথা হয়ো না।

আমার জানামতে এটির কোন ভিত্তি নেই।

সাখাবী তার “মাকাসিদুল হাসানা" গ্রন্থে ( পৃঃ ১৫৪) আমাদেরকে উপকৃত করেছেন তার এ কথার মাধ্যমে যে, এটি ইবরাহীম ইবনু আদহামের কথা। তা দ্বারা তিনি তার কোন সাথীকে উপদেশ দিয়েছিলেন। অতঃপর এটিকে আমি আহমাদের “আয-যুহুদ” নামক গ্রন্থে (২০/৮০/১) শু'য়াইব ইবনু হারবের কথা হিসাবে পেয়েছি। তিনি মারা গেছেন ১৯৭ হিঃ সনে।



হাদিসের মানঃ  জাল (Fake)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!

كن ذنبا ولا تكن رأسا
لا أصل له فيما أعلم

-

وقد أفاد السخاوي في " المقاصد الحسنة " (ص 154) أنه من كلام إبراهيم بن أدهم أو صى به بعض أصحابه
ثم رأيته في " الزهد " لأحمد (20 / 80 / 1) من قول شعيب، وهو ابن حرب المدائني الزاهد توفي سنة (197 هـ)
وهو كلام يمجه ذوقي، ولا يشهد لصحته قلبي، بل هو مباين لما نفهمه من الشريعة وحضها على معالي الأمور والأخذ بالعزائم، فتأمل

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ তাওহীদ পাবলিকেশন
গ্রন্থঃ যঈফ ও জাল হাদিস
অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ
হাদিস নম্বরঃ ৩০৬ | 306 | ۳۰٦

৩০৬। মু’মিনের গুপ্তাঙ্গের দিকে দৃষ্টি দানকারী এবং যার দিকে দৃষ্টি দেয়া হয়েছে তার উপরেও আল্লাহর অভিশাপ।

হাদীসটি জাল।

এটি ইবনু আদী “আল-কামিল” গ্রন্থে (২/১৫) ইসহাক ইবনু নাজীহ হতে এবং তিনি আব্বাদ ইবনু রাশেদ মুনকেরী হতে ... বর্ণনা করেছেন। অতঃপর ইবনু আদী বলেছেনঃ এটি স্পষ্ট যে, ইসহাক ইবনু নাজীহ দুর্বলদের অন্তর্ভুক্ত। তিনি আরো বলেছেনঃ যারা হাদীস জাল করতেন তিনি তাদেরও অন্তর্ভুক্ত। ইবনু মাঈন বলেনঃ তিনি মিথ্যুক এবং হাদীস জালকারী হিসাবে পরিচিতি লাভকারীদের একজন। ইবনু আদী বলেনঃ এ হাদীসটি আব্বাদ ইবনু রাশেদের মাধ্যমে হাসান হতে একটি বানোয়াট হাদীস।

সুয়ূতী এটিকে যাহাবীর “আল-মীযান” গ্রন্থের অনুকরণ করে “যায়লুল আহাদীসিল মাওযুআহ" (পৃঃ ১৪৯) গ্রন্থে এ ইসহাকের বাতিল হাদীস হিসাবে উল্লেখ করেছেন। এ হাদীসটির অগ্রহণযোগ্যতার জন্য নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর এ বাণীই যথেষ্টঃ তুমি তোমার গুপ্তাঙ্গকে হেফাযাত কর। তবে তোমার স্ত্রী হতে নয়...। এটির সনদটি হাসান। আমি “আদাবুয যুফাফ ফিস সুন্নাহ আল-মুতাহহারা” গ্রন্থে এটির (পৃঃ ৩৪-৩৫) তাখরীজ করেছি।



হাদিসের মানঃ  জাল (Fake)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!

لعن الله الناظر إلى عورة المؤمن والمنظور إليه
موضوع

-

رواه ابن عدي في " الكامل " (15 / 2) عن إسحاق بن نجيح عن عباد بن راشد المنقري عن (الحسن) عن عمران بن حصين مرفوعا، وقال: وإسحاق بن نجيح بين الأمر في الضعفاء، وهو ممن يضع الحديث، قال ابن معين: هو من المعروفين بالكذب ووضع الحديث، قال ابن عدي: وهذا الحديث عن عباد بن راشد عن الحسن موضوع
وأورده السيوطي في " ذيل الأحاديث الموضوعة " (ص 149) من أباطيل إسحاق هذا تبعا للذهبي في الميزان
ويغني عن هذا الحديث مثل قوله صلى الله عليه وسلم: " احفظ عورتك إلا عن زوجتك وما ملكت يمينك ... " الحديث وسنده حسن، وقد خرجته " في آداب الزفاف في السنة المطهرة " (ص 34 - 35) من الطبعة الثانية

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ তাওহীদ পাবলিকেশন
গ্রন্থঃ যঈফ ও জাল হাদিস
অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ
হাদিস নম্বরঃ ৩০৭ | 307 | ۳۰۷

৩০৭। আমি আমার কোন ভাইকে আল্লাহর ওয়াস্তে এক লোকমা খানা খাওয়াব অবশ্যই এটি আমার নিকট দু’ দিরহাম সাদাকা করার চেয়ে বেশী পছন্দনীয়। আর বিশ দিরহাম সা’দকা করার চেয়ে সেই ভাইকে দু’ দিরহাম দান করা আমার নিকট বেশী পছন্দনীয়। বিশ দিরহাম তাঁকে দান করব তা অবশ্যই আমার নিকর একটি দাসী আযাদ (মুক্ত) করারা চেয়ে বেশী পছন্দনীয়।

হাদীসটি জাল।

এটি ইবনু বিশরান (২৬/১০৭) হাজ্জাজ সূত্রে বিশর হতে ... বর্ণনা করেছেন।

আমি (আলবানী) বলছিঃ এটি জাল। এটির সমস্যা বিশর-এর মধ্যেই। তিনি হচ্ছেন ইবনুল হুসাইন, তিনি একজন মিথ্যুক। এটি যুবায়ের ইবনু আদীর কপিতে (২/৫৪) রয়েছে। হাদীসটি অন্য ভাষাতেও বর্ণনা করা হয়েছে। (দেখুন পরেরটি)



হাদিসের মানঃ  জাল (Fake)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!

لأن أطعم أخا لي في الله لقمة أحب إلي من أن أتصدق بدرهمين، ولدرهمان أعطيهما إياه أحب إلي من أن أتصدق بعشرين، ولعشرون درهما أعطيها إياه أحب إلي من أن أعتق رقبة
موضوع

-

رواه ابن بشران (26 / 107) من طريق الحجاج، حدثنا بشر عن الزبير عن أنس مرفوعا
قلت: وهذا موضوع، آفته من بشر وهو ابن الحسين كذاب، وهو في نسخة الزبير ابن عدي (54 / 2) ولكن الحديث روي بلفظ آخر وهو (الأتي)

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ তাওহীদ পাবলিকেশন
গ্রন্থঃ যঈফ ও জাল হাদিস
অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ
হাদিস নম্বরঃ ৩০৮ | 308 | ۳۰۸

৩০৮। আমি আমার কোন মুসলিম ভাইকে এক লোকমা খানা খাওয়াব অবশ্যই তা আমার নিকট এক দিরহাম সাদাকা করার চেয়ে বেশী পছন্দনীয়। আমি আমার আল্লাহর ওয়াস্তের কোন মুসলিম ভাইকে এক দিরহাম দান করব তা দশ দিরহাম সা’দকা করার চেয়ে আমার নিকট অবশ্যই বেশী পছন্দনীয়। আর দশ দিরহাম তাঁকে দান করব তা একটি দাসী আযাদ (মুক্ত) করার চেয়ে অবশ্যই আমার নিকট বেশী পছন্দনীয়।

হাদীসটি দুর্বল।

সুয়ূতী “জামেউস সাগীর” গ্রন্থে বলেনঃ এটি হান্নাদ এবং বাইহাকী “শুয়াবুল ঈমান” গ্রন্থে বুদায়েল হতে মুরসাল হিসাবে বর্ণনা করেছেন। মানাবী বলেনঃ এটির সনদে হাজ্জাজ ইবনু ফুরাফিসা নামক এক বর্ণনাকারী আছেন, তার সম্পর্কে আবূ যুর’য়াহ বলেনঃ তিনি শক্তিশালী নন। যাহাবী তাকে "আয-যুয়াফা ওয়াল-মাতরূকীন" গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন। এছাড়াও অন্য সূত্রেও এটি বর্ণিত হয়েছে, কিন্তু কোনটিই সহীহ নয়।



হাদিসের মানঃ  যঈফ (Dai'f)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!

لأن أطعم أخا في الله مسلما لقمة أحب إلي من أن أتصدق بدرهم، ولأن أعطي أخا في الله مسلما درهما أحب إلي من أن أتصدق بعشرة، ولأن أعطيه عشرة أحب إلي من أن أعتق رقبة
ضعيف

-

قال السيوطي في " الجامع الصغير ": رواه هناد، والبيهقي في " الشعب " عن بديل مرسلا، قال شارحه المناوي: وفيه الحجاج بن فرافصة، قال أبو زرعة: ليس بقوي، وأورده الذهبي في الضعفاء والمتروكين
قلت: ومن طريقه رواه أبو القاسم الحلبي السراج في " حديث ابن السقاء " (7 / 76 / 2) عنه عن أبي العلاء عن يزيد مرفوعا، كذا في الأصل يزيد ولم أعرفه، ولعله يزيد بن عبد الله بن الشخير، وحينئذ فهو بدل من أبي العلاء فإنها كنية يزيد، وعليه فحرف عن بين الكنية والاسم مقحم من بعض الرواة والله أعلم
ثم رأيته في " الجامع " لابن وهب (ص 33) عن الحجاج بن فرافصة عن أبي العلاء لم يجاوزه، وقد ذكر الذهبي في ترجمة الحجاج هذا حديثا عنه عن يزيد الرقاشي عن أنس، فلعل يزيد في إسناد هذا الحديث هو الرقاشي، ويكون الحجاج رواه عنه بواسطة أبي العلاء هذا، فإن كان الأمر كما ذكرنا، فهذه علة أخرى في الحديث فإن الرقاشي هذا ضعيف، والله أعلم
ثم ترجح عندي أن يزيد محرف من بديل، فقد رأيت الحديث في " مسند الفردوس " للديلمي، أورده في آخر حرف لا من طريق حجاج بن فرافصة عن أبي العلاء عن بديل ابن ورقاء العدوي، رفعه
ثم رأيته كذلك في " زهد هناد " (1 / 345 / 643) من طريق الحجاج بن فرافصة أخبرني أبو العلاء عن بديل مرفوعا
ثم وجدت له شاهدا أخرجه ابن المبارك في " الزهد " (189 / 1، من الكواكب 575) أنبأ عبيد الله الوصافي بن الوليد عن أبي جعفر مرفوعا به إلا أنه قال في الجملة الأخيرة: " ولأن أعطي أخا لي الله في الله عشرة دراهم أحب إلي من أن أتصدق على مسكين بمئة درهم "، وهذا سند ضعيف ومرسل، ورواه السهمي في " تاريخ جرجان " (316) عن الفضل بن موسى السيناني عن الوصافي عن كرز بن وبرة مرفوعا وذكر أن ابن وبرة هذا كان معروفا بالزهد والعبادة ولم يذكر فيه جرحا ولا تعديلا

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ তাওহীদ পাবলিকেশন
গ্রন্থঃ যঈফ ও জাল হাদিস
অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ
হাদিস নম্বরঃ ৩০৯ | 309 | ۳۰۹

৩০৯। যে ব্যাক্তি এ অবস্থায় সকাল করবে যে, তার সর্ববৃহৎ ব্যাস্ততা (চিন্তা-ভাবনা) হচ্ছে দুনিয়া কেন্দ্রিক, সে আল্লাহর নিকট হতে কিছুই পাবে না। যে ব্যাক্তি সাধারণ মুসলমানদের গুরুত্ব দিবে না, সে তাঁদের অন্তর্ভুক্ত হবে না।

হাদীসটি জাল।

এটি হাকিম (৪/৩১৭) এবং খাতীব বাগদাদী তার “আত-তারীখ” গ্রন্থে (৯/৩৭৩) (তবে প্রথম বাক্যটি তার থেকে) ইসহাক ইবনু বিশর সূত্রে সুফিয়ান সাওরী হতে ... বর্ণনা করেছেন। যাহাবী বলেনঃ আমার ধারণা হাদীসটি জাল।

আমি (আলবানী) বলছিঃ হাদীসটি ইবনুল জাওযী “মাওযু'আত” গ্রন্থে (৩/১৩২) আল-খাতীব সূত্রে উল্লেখ করেছেন। সুয়ূতী “আল-লাআলী” গ্রন্থে (২/৩১৬-৩১৭) বিভিন্ন সূত্র এবং শাহেদ উল্লেখ পূর্বক তার সমালোচনা করেছেন। এ সূত্রগুলোর দু'টি হুযাইফা হতে এসেছেঃ 

১। একটি আবান হতে বর্ণিত হয়েছে আর তিনি আবুল আলিয়া হতে বর্ণনা করেছেন।

আমি (আলবানী) বলছিঃ এটির সনদটি শাহেদ হওয়ার যোগ্য নয়। কারণ আবান হচ্ছেন ইবনু আবী আইয়াশ; তাকে শু'বা ও অন্যরা মিথ্যুক আখ্যা দিয়েছেন।

২। অপরটি আব্দুল্লাহ ইবনু সালামা হতে বর্ণিত হয়েছে আর তিনি উকবা ইবনু শাদ্দাদ জামহী হতে বর্ণনা করেছেন। এটির সনদ নিতান্তই দুর্বল; এ আব্দুল্লাহকে দারাকুতনী দুর্বল আখ্যা দিয়েছেন এবং আবু নু’য়াইম বলেছেনঃ তিনি মাতরূক।

উকবাকে চেনা যায় না, যেমনভাবে “আল-মীযান” গ্রন্থে এসেছে। এতে আরো কয়েকজন বর্ণনাকারী রয়েছেন যাদেরকে চিনি না।

এছাড়া শাহেদ হিসাবে যেগুলো ইবনু মাসউদ, আনাস ও আবু যার (রাঃ)-এর হাদীস হতে এসেছে, সেগুলোর কোনটিই সহীহ নয়।



হাদিসের মানঃ  জাল (Fake)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!

من أصبح والدنيا أكبر همه فليس من الله في شيء، ومن لم يتق الله فليس من الله في شيء، ومن لم يهتم للمسلمين عامة فليس منهم
موضوع

-

أخرجه الحاكم (4 / 317) والخطيب في تاريخه (9 / 373) الشطر الأول منه من طريق إسحاق بن بشر حدثنا سفيان الثوري عن الأعمش عن شقيق بن سلمة عن حذيفة مرفوعا، وسكت عليه وتعقبه الذهبي بقوله: قلت: إسحاق عدم، وأحسب الخبر موضوعا
قلت: وأورده ابن الجوزي في " الموضوعات " (3 / 132) من طريق الخطيب وتعقبه السيوطي في " اللآليء " (2 / 316 - 317) بطرق أخرى وشواهد ذكرها
أما الطرق عن حذيفة فاثنان آخران: الأول: عن أبان عن أبي العالية عن حذيفة أراه رفعه، مثل رواية الخطيب
قلت: وهذا إسناد لا يستشهد به، لأن أبان وهو ابن أبي عياش كذبه شعبة وغيره، لكنه قد توبع كما سيأتي بعد حديثين
الآخر: عن عبد الله بن سلمة بن أسلم عن عقبة بن شداد الجمحي عن حذيفة رفعه
وهذا سند ضعيف جدا، عبد الله هذا ضعفه الدارقطني، وقال أبو نعيم: متروك، وعقبة لا يعرف كما في " الميزان "، وفيه جماعة آخرون لم أعرفهم
وأما الشواهد فهي من حديث ابن مسعود وأنس وأبي ذر، وكلها لا تصح وقد ذكرتها عقب هذا

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ তাওহীদ পাবলিকেশন
গ্রন্থঃ যঈফ ও জাল হাদিস
অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ
হাদিস নম্বরঃ ৩১০ | 310 | ۳۱۰

৩১০। যে ব্যাক্তি এ অবস্থায় সকাল করবে যে, তার ব্যাস্ততা (চিন্তা-ভাবনা) হচ্ছে দুনিয়া কেন্দ্রিক, সে আল্লাহর নিকট হতে কিছুই পাবে না। যে ব্যাক্তি মুসলমানদের ব্যাপারে গুরুত্ব দিবে না; সে তাঁদের অন্তর্ভুক্ত থাকবে না। যে ব্যাক্তি সেচ্ছায় নিজের জন্য অপমান বরণ করে নিয়েছে কারো প্রতারণা ব্যাতিত সে আমার উম্মতের অন্তর্ভুক্ত নয়।

হাদীসটি নিতান্তই দুর্বল।

এটি তাবারানী “মু'জামুল আওসাত” গ্রন্থে (১/২৯/১/৪৬৬/২) ইয়াযীদ ইবনু রাবী'আহ সুত্রে আবূল আশ'আস সান'আনী হতে ... বর্ণনা করে বলেছেনঃ হাদীসটি ইয়াযীদ এককভাবে বর্ণনা করেছেন। এটিকে সুয়ূতী “আল-লাআলী” গ্রন্থে (২/৩১৭) উল্লেখ করে চুপ থেকেছেন! হায়সামী “মাজমাউয যাওয়াইদ” গ্রন্থে (১০/২৪৮) বলেছেনঃ হাদীসটি তাবারানী বর্ণনা করেছেন। তার সনদে ইয়াযীদ ইবনু রাবীয়াহ আর-রাহাবী রয়েছেন, তিনি মাতরূক। মুনযেরীও হাদীসটি দুর্বল এদিকেই ইঙ্গিত দিয়েছেন।

আমি (আলবানী) বলছিঃ আবু হাতিম আবুল আশ'আস হতে ইয়াযীদের হাদীসগুলোকে অস্বীকার করেছেন, যেমনভাবে “আল-জারহু ওয়াত তা’দীল” গ্রন্থে (৪/২/২৬১) এসেছে। এটি সেগুলোর অন্তর্ভুক্ত।

জুযজানী বলেনঃ আমার ভয় হচ্ছে যে, হতে পারে তার হাদীসগুলো বানোয়াট।



হাদিসের মানঃ  যঈফ (Dai'f)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!

من أصبح وهمه الدنيا، فليس من الله في شيء، ومن لم يهتم بأمر المسلمين فليس منهم، ومن أعطى الذلة من نفسه طائعا غير مكره فليس منا
ضعيف جدا

-

أخرجه الطبراني في " الأوسط " (1 / 29 / 1 / 466 / 2) من طريق يزيد بن ربيعة عن أبي الأشعث الصنعاني عن أبي عثمان النهدي عن أبي ذر مرفوعا، وقال: تفرد به يزيد بن ربيعة، أورده السيوطي في " اللآليء " (2 / 317) وسكت عليه
وأما الهيثمي فقال في " مجمع الزوائد " (10 / 248) : رواه الطبراني، وفيه يزيد بن ربيعة الرحبي وهو متروك، وأشار المنذري (3 / 9) إلى تضعيفه
قلت: وقد أنكر أبو حاتم أحاديثه عن أبي الأشعث كما في " الجرح والتعديل " (4 / 2 / 261) وهذا منها كما ترى، وقال الجوزجاني: أخاف أن تكون أحاديثه موضوعة

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

হাদিস দেখানো হচ্ছে   [301]  থেকে  [310]  পর্যন্ত এবং সর্বমোট   [342]  টি হাদিস পাওয়া গেছে।