• ৭০৬৯০ টি সর্বমোট হাদিস আছেঃ
  • ৬৯৭৫ টি প্রশ্নোত্তর ও ফিকাহঃ

 

 

 

 


হাদীস (حَدِيْث) এর শাব্দিক অর্থ: নতুন, প্রাচীন ও পুরাতন এর বিপরীত বিষয়। এ অর্থে যে সব কথা, কাজ ও বস্ত্ত পূর্বে ছিল না, এখন অস্তিত্ব লাভ করেছে  তাই হাদীস। এর আরেক অর্থ হলো: কথা। ফক্বীহগণের পরিভাষায় নাবী কারীম () আল্লাহ্‌র রাসূল হিসেবে যা কিছু বলেছেন, যা কিছু করেছেন এবং যা কিছু বলার বা করার অনুমতি দিয়েছেন অথবা সমর্থন জানিয়েছেন তাকে হাদীস বলা হয়। কিন্তু মুহাদ্দিসগণ এর সঙ্গে রাসুলুল্লাহ () সম্পর্কিত বর্ণনা ও তার গুণাবলী সম্পর্কিত বিবরণকেও হাদীসের অন্তর্ভুক্ত করেন। এ হিসেবে হাদীসকে প্রাথমিক পর্যায়ে তিন শ্রেণীতে ভাগ করা যায়:

১। ক্বওলী হাদীস: কোন বিষয়ে রাসুলুল্লাহ () যা বলেছেন, অর্থাৎ যে হাদীসে তাঁর কোন কথা বিবৃত হয়েছে তাকে ক্বওলী (বাণী সম্পর্কিত) হাদীস বলা হয়।

২। ফেলী হাদীস: মহানাবী ()-এর কাজকর্ম, চরিত্র ও আচার-আচরণের ভেতর দিয়েই ইসলামের যাবতীয় বিধি-বিধান ও রীতিনীতি পরিস্ফুট হয়েছে। অতএব যে হাদীসে তাঁর কোন কাজের বিবরণ উল্লেখিত হয়েছে তাকে ফে’লী (কর্ম সম্পর্কিত) হাদীস বলা হয়।

৩। তাকরীরী হাদীস: সাহাবীগণের যে সব কথা বা কাজ নাবী কারীম ()-এর অনুমোদন ও সমর্থন প্রাপ্ত হয়েছে, সে ধরনের কোন কথা বা কাজের বিবরণ হতেও শরীয়াতের দৃষ্টিভঙ্গি জানা যায়। অতএব যে হাদীসে এ ধরনের কোন ঘটনার বা কাজের উল্লেখ পাওয়া যায় তাকে তাকরীরী (সমর্থন মূলক) হাদীস বলে।

সুন্নাহ (السنة): হাদীসের অপর নাম সুন্নাহ্ (السنة) সুন্নাত শব্দের অর্থ চলার পথ, কর্মের নীতি ও পদ্ধতি। যে পন্থা ও রীতি নাবী কারীম () অবলম্বন করতেন তাকে সুন্নাত বলা হয়। অন্য কথায় রাসুলুল্লাহ () প্রচারিত উচ্চতম আদর্শই সুন্নাত। কুরআন মাজিদে মহত্তম ও সুন্দরতম আদর্শ (أُسْوَةٌ حَسَنَةٌ) বলতে এই সুন্নাতকেই বুঝানো হয়েছে।

খবর (خبر): হাদীসকে আরবী ভাষায় খবরও (خبر) বলা হয়। তবে খবর শব্দটি হাদীস ও ইতিহাস উভয়টিকেই বুঝায়।

আসার (أثر ): আসার শব্দটিও কখনও কখনও রাসুলুল্লাহ () এর হাদীসকে নির্দেশ করে। কিন্তু অনেকেই হাদীস ও আসার এর মধ্যে কিছু পার্থক্য করে থাকেন। তাঁদের মতে- সাহাবীগণ থেকে শরীয়াত সম্পর্কে যা কিছু উদ্ধৃত হয়েছে তাকে আসার বলে।

 

ইলমে হাদীসের কতিপয় পরিভাষা

সাহাবী (صحابى):  যিনি ঈমানের সঙ্গে রাসুলুল্লাহ () এর সাহচর্য লাভ করেছেন এবং ঈমানের সঙ্গে মৃত্যুবরণ করেছেন তাঁকে রাসুলুল্লাহ ()-এর সাহাবী বলা হয়।

তাবেঈ (تابعى) : যিনি রাসুলুল্লাহ ()-এর কোন সাহাবীর নিকট হাদীস শিক্ষা করেছেন অথবা অন্ততপক্ষে তাঁকে দেখেছেন এবং মুসলমান হিসেবে মৃত্যুবরণ করেছেন তাঁকে তাবেঈ বলা হয়।

তাবে-তাবেঈ (تابعى تابع) : যিনি  কোন তাবেঈ এর নিকট হাদীস শিক্ষা করেছেন অথবা অন্ততপক্ষে তাঁকে দেখেছেন এবং মুসলমান হিসেবে মৃত্যুবরণ করেছেন তাঁকে তাবে-তাবেঈ বলা হয়।

মুহাদ্দিস (محدث) : যিনি হাদীস চর্চা করেন এবং বহু সংখ্যক হাদীসের সনদ ও মতন সম্পর্কে বিশেষ জ্ঞান রাখেন তাঁকে মুহাদ্দিস বলা হয়।

শাইখ (شيخ) : হাদীসের শিক্ষাদাতা রাবীকে শায়খ বলা হয়।

শাইখান (شيخان) : সাহাবীগনের মধ্যে আবূ বকর (রাঃ) ও উমর  (রাঃ)- কে একত্রে শাইখান বলা হয়। কিন্তু হাদীস শাস্ত্রে ইমাম বুখারী (রাহি.) ও ইমাম মুসলিম (রাহি.)-কে এবং ফিক্বহ-এর পরিভাষায় ইমাম আবূ হানীফা (রাহি.) ও আবূ ইউসুফ (রাহি.)-কে একত্রে শাইখান বলা হয়। 

হাফিয (حافظ) : যিনি সনদ ও মতনের বৃত্তান্ত সহ এক লাখ হাদীস আয়ত্ত করেছেন তাঁকে হাফিয বলা হয়।

হুজ্জাত (حجة) : অনুরূপভাবে যিনি তিন লক্ষ হাদীস আয়ত্ত করেছেন তাঁকে হুজ্জাত বলা হয়।  

হাকিম (حاكم) : যিনি সব হাদীস আয়ত্ত করেছেন তাকে হাকিম বলা হয়।

রিজাল (رجال) : হাদীসের রাবী সমষ্টিকে রিজাল বলে। যে শাস্ত্রে রাবীগণের জীবনী বর্ণনা করা হয়েছে তাকে আসমাউর-রিজাল বলা হয়।                                                                                 

রিওয়ায়াত (رواية): হাদীস বর্ণনা করাকে রিওয়ায়াত বলে। কখনও কখনও মূল হাদীসকেও রিওয়ায়াত বলা হয়। যেমন- এই কথার সমর্থনে একটি রিওয়ায়াত (হাদীস) আছে।                           

সনদ (سند): হাদীসের মূল কথাটুকু যে সূত্র পরম্পরায় গ্রন্থ সংকলনকারী পর্যন্ত পৌঁছেছে তাকে সনদ বলা হয়। এতে হাদীস বর্ণনাকারীদের নাম একের পর এক সজ্জিত থাকে।

মতন (متن): হাদীসে মূল কথা ও তার শব্দ সমষ্টিকে মতন বলে।

মারফূ (مرفوع): যে হাদীসের সনদ (বর্ণনা পরম্পরা) রাসুলুল্লাহ () পর্যন্ত পৌঁছেছে  তাকে মারফূ হাদীস বলে।

মাওকূফ (موقوف) : যে হাদীসের বর্ণনা- সূত্র ঊর্ধ্ব দিকে সাহাবী পর্যন্ত পৌঁছেছে , অর্থাৎ যে সনদ -সূত্রে কোন সাহাবীর কথা বা কাজ বা অনুমোদন বর্ণিত হয়েছে তাকে মাওকূফ হাদীস বলে। এর অপর নাম আসার।

মাকতূ (مقطوع): যে হাদীসের সনদ কোন তাবেঈ পর্যন্ত পৌঁছেছে, তাকে মাকতূ হাদীস বলা হয়।

তালীক (تعليق): কোন কোন গ্রন্থকার হাদীসের পূর্ণ সনদ বাদ দিয়ে কেবল মূল হাদীস বর্ণনা করেছেন। এরূপ করাকে তা’লীক বলা হয়।

মুদাল্লাস (مدلس): যে হাদীসের রাবী নিজের প্রকৃত শাইখের (উস্তাদের) নাম উল্লেখ না করে তার উপরস্থ শাইখের নামে এভাবে হাদীস বর্ণনা করেছেন যাতে মনে হয় যে, তিনি নিজেই উপরস্থ শাইখের নিকট তা শুনেছেন অথচ তিনি তাঁর নিকট সেই হাদীস শুনেন নি- সে হাদীসকে মুদাল্লাস হাদীস এবং এইরূপ করাকে ‘তাদ্লীস’ আর যিনি এইরূপ করেন তাকে মুদালস্নীস বলা হয়।

মুযতারাব (مضطرب): যে হাদীসের রাবী হাদীসের মতন ও সনদকে বিভিন্ন প্রকারে বর্ণনা করেছেন সে হাদীসকে হাদীসে মুযতারাব বলা হয়। যে পর্যন্ত না এর কোনরূপ সমন্বয় সাধন সম্ভবপর হয়, সে পর্যন্ত এই হাদীসের ব্যাপারে অপেক্ষা করতে হবে অর্থাৎ এই ধরনের রিওয়ায়াত প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না।

মুদ্রাজ (مدرج): যে হাদীসের মধ্যে রাবী নিজের অথবা অপরের উক্তিকে অনুপ্রবেশ করিয়েছেন, সে হাদীসকে মুদ্রাজ এবং এইরূপ করাকে ‘ইদরাজ’ বলা হয়।

মুত্তাসিল (متصل): যে হাদীসের সনদের ধারাবাহিকতা প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত পূর্ণরূপে রক্ষক্ষত আছে, কোন সত্মরেই কোন রাবীর নাম বাদ পড়ে নি তাকে মুত্তাসিল হাদীস বলে।

মুনকাতি (منقطع): যে হাদীসের সনদে ধারাবাহিকতা রক্ষিত হয় নি, মাঝখানে কোন এক স্তরে কোন রাবীর নাম বাদ পড়েছে, তাকে মুনকাতি হাদীস, আর এই বাদ পড়াকে ইনকিতা বলা হয়।

মুরসাল (مرسل): যে হাদীসের সনদে ইনকিতা শেষের দিকে হয়েছে, অর্থাৎ সাহাবীর নাম বাদ পড়েছে এবং তাবেঈ সরাসরি রাসুলুল্লাহ () এর উল্লেখ করে হাদীস বর্ণনা করেছেন তাকে মুরসাল হাদীস বলা হয়।

মুআল্লাক ( معلق ) : সনদের ইনকিতা প্রথম দিকে  হলে, অর্থাৎ সাহাবীর পর এক বা একাধিক রাবীর নাম বাদ পড়লে তাকে মু’আল্লাক হাদীস বলা হয়।

মুদাল (معضل): যে হাদীসে দুই বা ততোধিক রাবী ক্রমান্বয়ে সনদ থেকে বাদ পড়েছে তাকে মু‘দাল হাদীস বলে।

মুতাবি ও শাহিদ (متابع و شاهد): এক রাবীর হাদীসের অনুরূপ যদি অপর রাবীর কোন হাদীস পাওয়া যায় তবে দ্বিতীয় রাবীর হাদীসকে প্রথম রাবীর হাদীসের মুতাবি বলা হয়। যদি উভয় হাদীসের মূল রাবী অর্থাৎ সাহাবী একই ব্যক্তি না হয় তবে দ্বিতীয় ব্যক্তির হাদীসকে শাহিদ বলে। আর এইরূপ হওয়াকে শাহাদাত বলে। মুতাবা’আত ও শাহাদাত দ্বারা প্রথম হাদীসটির শক্তি বৃদ্ধি পায়।

মারূফ ও মুনকার (معروف و منكر): কোন দুর্বল রাবীর বর্ণিত হাদীস অপর কোন মাকবূল (গ্রহণযোগ্য) রাবীর বর্ণিত হাদীসের বিরোধী হলে তাকে মুনকার বলা হয় এবং মাকবূল রাবীর হাদীসকে মা‘রূফ বলা হয়।

সহীহ (صحيح) : যে মুত্তাসিল হাদীসের সনদে উল্লেখিত প্রত্যেক রাবীই পূর্ণ আদালত ও যাবত (ধারণ ক্ষমতা) গুণ সম্পন্ন এবং হাদীসটি যাবতীয় দোষত্রুটি ও শায মুক্ত তাকে সহীহ হাদীস বলে।

হাসান (حسن) : যে হাদীসের মধ্যে রাবীর যাবত (ধারণ ক্ষমতা) এর গুণ ব্যতীত সহীহ হাদীসের সমস্ত শর্তই পরিপূর্ণ রয়েছে তাকে হাসান হাদীস বলা হয়। ফক্বীহগণ সাধারণত সহীহ ও হাসান হাদীসের ভিত্তিতে শরীয়াতের বিধান নির্ধারণ  করেন।

যঈফ (ضعيف ) : যে হাদীসের রাবী কোন হাসান হাদীসের রাবীর গুণসম্পন্ন নন তাকে যঈফ হাদীস বলে।

মাওযূ ( موضوع ) : যে হাদীসের রাবী জীবনে কখনও ইচ্ছাকৃতভাবে রাসুলুল্লাহ ()-এর নামে মিথ্যা কথা রটনা করেছেন বলে প্রমাণিত হয়েছে, তার বর্ণিত হাদীসকে মাওযূ‘ হাদীস বলে।

 

রাবীর সংখ্যা বিচারে হাদীস প্রধানত দুপ্রকার। যথা: ১. মুতওয়াতির (متواتر) ও ২. আহাদ (أحاد)

১. মুতওয়াতির (متواتر): বৃহৎ সংখ্যক রাবীর বর্ণিত হাদীস, মিথ্যার ব্যাপারে যাদের উপর একাট্টা হওয়া অসম্ভব, সনদের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত এ সংখ্যা বিদ্যমান থাকলে হাদীসকে মুতওয়াতির (متواتر) বলা হয়।

২. আহাদ (أحاد): أحاد তিন প্রকার। যথা:

মাশহুর (مشهور): যে কোন স্তরে হাদীস বর্ণনা কারীর সংখ্যা যদি দুই এর অধিক হয়, কিন্তু মুতওয়াতির এর পর্যায়ে পৌঁছে না তাকে মাশহুর (مشهور) বলে।

আযীয (عزيز): যে কোন স্তরে হাদীস বর্ণনা কারীর সংখ্যা যদি দু‘জন হয় ।

গরীব (غريب): যে কোন স্তরে হাদীস বর্ণনা কারীর সংখ্যা যদি এক জন হয় ।

শায (شاذ): একাধিক নির্ভরযোগ্য রাবীর বিপরীত একজন নির্ভরযোগ্য রাবীর বর্ণনাকে শায হাদীস বলে।

 কিয়াস (قياس): অর্থ অনুমান, পরিমাপ, তুলনা ইত্যাদি। পরিভাষায়: শাখাকে মূলের সঙ্গে তুলনা করা, যার ফলে শাখা ও মূল একই হুকুমের অমত্মর্ভুক্ত হয়ে যায়।

তাক্বলীদ (تقليد): দলীল উল্লেখ ছাড়াই কোন ব্যক্তির মতামতকে গ্রহণ করা।

ইজতিহাদ (اجتهاد): উদ্দিষ্ট জ্ঞান অর্জনের প্রচেষ্টা চালানোকে ইজতিহাদ বলে।

শরীয়াত (شريعة): অর্থ: আইন, বিধান, পথ, পন্থা ইত্যাদি। পরিভাষায়: মহান আল্লাহ্‌ স্বীয় দীন হতে বান্দার জন্য যা বিধিবদ্ধ করে দিয়েছেন তাকে শরীয়াত বলে।

মাযহাব (مذهب): অর্থ- মত, পথ, মতবাদ ইত্যাদি। ফিক্বহী পরিভাষায়: ইবাদাত ও মু‘আমালাতের ক্ষেত্রে শারঈ হুকুম পালনের জন্য বান্দা যে পথ অনুসরণ করে এবং প্রত্যেক দলের জন্য একজন ইমামের উপর অথবা ইমামের ওসীয়ত কিংবা ইমামের প্রতিনিধির উপর নির্ভর করে তাকে মাযহাব বলে।

নাযর (نذر): কোন বিষয়ে উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য চিন্তা-ভাবনা করাকে নাযর বলে।

আম (عام): সীমাবদ্ধ করা ছাড়াই যা দুই বা ততোধিক বিষয়কে অন্তর্ভুক্ত করে তাকে আম বলে।

খাস (خاص): আম এর বিপরীত, যা নির্দিষ্ট বিষয়কে অন্তর্ভুক্ত করে।

ইজমা (اجماع): কোন এক যুগে আলিমদের কোন শারঈ বিষয়ের উপর এক মত পোষণ করাকে ইজমা বলে।

মুসনাদ (مسند): যার সনদগুলো পরস্পর এমনভাবে মিলিত যে, প্রত্যেকের বর্ণনা সুস্পষ্ট।

ফিক্বহ (فقه): ইজতিহাদ বা গবেষণার পদ্ধতিতে শারঈ হুকুম সম্পর্কে জানার বিধানকে ফিক্বহ বলে।

আসল বা মূল (اصل): এমন প্রথম বিষয়, যার উপর ভিত্তি করে কোন কিছু গড়ে উঠে। যেমন- দেয়ালের ভিত্তি।

ফারা বা শাখা (فرع): আসলের বিপরীত যা কোন ভিত্তির উপর গড়ে উঠে।

ওয়াজিব (واجب): যা আমল করলে সাওয়াব পাওয়া যাবে আর পরিত্যাগ করলে শাস্তি পাওয়া যাবে।

মানদূব (مندوب): যা আমল করলে সাওয়াব পাওয়া যাবে আর পরিত্যাগ করলে শাস্তি হবে না।

মাহযূর (محظور): যা পরিত্যাগ করলে সাওয়াব পাওয়া যাবে আর আমল করলে শাস্তি পাওয়া যাবে।

মাকরূহ (مكروه): যা পরিত্যাগ করলে সাওয়াব পাওয়া যাবে আর আমল করলে শাস্তি হবে না।

ফাৎওয়া (فتوى): জিজ্ঞাসিত ব্যক্তির নিকট থেকে দলীল ভিত্তিক শারঈ হুকুম সুস্পষ্ট বর্ণনা করে নেয়াকে ফাৎওয়া বলে।

নাসিখ (ناسخ): পরিবর্তিত শারঈ দলীল যা পূববর্তী শারঈ হুকুমকে রহিত করে দেয় তাকে নাসিখ বলে।

মানসূখ (منسوخ): আর যে হুকুমটি রহিত হয়ে যায় সেটাই মানসূখ।

মুতলাক্ব (مطلق): যা প্রকৃতিগত দিক থেকে জাতির সকলকে অন্তর্ভুক্ত  করে কিন্তু অনির্দিষ্টভাবে একটি অর্থকে বুঝায়।

মুকাইয়্যাদ (مقيد): যা মুতলাক্বের বিপরীত অর্থাৎ জাতির সকলকে অন্তর্ভুক্ত  করে না। বরং নির্দিষ্ট একটি অর্থকে বুঝায়।

হাক্বীকাত (حقيقة): শব্দকে আসল অর্থে ব্যবহার করাকে হাক্বীকত বলে। যেমন- সিংহ শব্দটি এক প্রজাতির হিংস্র প্রাণীকে বুঝায়।

মাজায (مجاز): শব্দ যখন আসল অর্থকে অতিক্রম করে তার সাথে সাদৃশ্য রাখে এমন অর্থ প্রকাশ করে তখন তাকে মাজায বলে। যেমন- সাহসী লোককে সিংহের সাথে তুলনা করা।

হাদিসের পরিসংখ্যান

সর্বমোট হাদিস পাওয়া গেছেঃ [731] টি | অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ
গ্রন্থঃ যঈফ ও জাল হাদিস | দেখানো হচ্ছে   [291]  থেকে  [300]  পর্যন্ত
প্রতি পাতাতে টি হাদিস

পাবলিশারঃ তাওহীদ পাবলিকেশন
গ্রন্থঃ যঈফ ও জাল হাদিস
অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ
হাদিস নম্বরঃ ২৯১ | 291 | ۲۹۱

২৯১। যে ব্যাক্তি সূরা আল-ওয়াকিয়াহ পাঠ করবে এবং তা শিক্ষা গ্রহন করবে, তাকে গাফেলদের অন্তর্ভুক্ত লিখা হবে না এবং সে ও তার বাড়ীর সদস্যরা অভাবগ্রস্থ হবে না।

হাদিসটি জাল।

এটি সুয়ূতী “যায়লুল আহাদীসিল মাওযুআহ” গ্রন্থে (১৭৭) আবুশ শাইখ এর বর্ণনা হতে তার নিজ সনদে আব্দুল কুদ্দুস ইবনু হাবীব হতে ... উল্লেখ করে বলেছেনঃ আব্দুল কুদ্দুস ইবনু হাবীব মাতরূক।

আমি (আলবানী) বলছিঃ আব্দুর রাযযাক বলেনঃ আমি ইবনুল মুবারাককে এ আব্দুল কুদ্দুস ব্যতীত অন্য কাউকে স্পষ্টভাবে মিথ্যুক বলতে শুনিনি। ইবনু হিব্বান স্পষ্টই বলেছেনঃ তিনি হাদীস জাল করতেন।



হাদিসের মানঃ  জাল (Fake)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!

من قرأ سورة الواقعة وتعلمها لم يكتب من الغافلين، ولم يفتقر هو وأهل بيته
موضوع

-

أورده السيوطي في " ذيل الأحاديث الموضوعة " (277) من رواية أبي الشيخ بسنده عن عبد القدوس بن حبيب عن الحسن عن أنس رفعه
وقال السيوطي: عبد القدوس بن حبيب متروك
قلت: وقال عبد الرزاق: ما رأيت ابن المبارك يفصح بقوله: كذاب إلا لعبد القدوس وقد صرح ابن حبان بأنه كان يضع الحديث

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ তাওহীদ পাবলিকেশন
গ্রন্থঃ যঈফ ও জাল হাদিস
অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ
হাদিস নম্বরঃ ২৯২ | 292 | ۲۹۲

২৯২। রাতের অন্ধকার আর দ্বীনের আলো; যখন সূর্য যমীনের নীচে চলে যায় তখন তার কারণে রাত অন্ধকার হয়ে যায়। যখন সকাল আলোকিত হয় তখন সত্তর হাজার ফেরেশতা তার (সূর্যের) দিকে অগ্রগামী হয়, এমতাবস্থায় তার পিছনে পড়ে যায় আল্লাহ ব্যাতিত অন্য কারো ইবাদত করাকে অপছন্দ করে, সূর্যোদয় হয় আলো ছাড়ানো পর্যন্ত। ফলে দিন দীর্ঘ হয় তার দীর্ঘ অবস্থান দ্বারা এবং তার কারণে পানি গরম হয়ে যায়। যখন গ্রীষ্মকাল হয় তখন তার অবস্থানের সময় কমে যায়, যার জন্য পানি ঠাণ্ডা হয়ে যায়।

গলদা চিংড়ি; সেটি হচ্ছে সামুদ্রিক মাছের লৌহ বস্ত্রধারী মাছ। তাঁকে বলা হয় ঈওয়ান (প্রাসা’দ), তাতেই সে ধ্বংস হয়ে যায়।

মেঘমালার উৎস স্থল; তা উৎপন্ন হয় পূর্ব-পশ্চিমে দুই প্রান্তের দিক থেকে এবং দুই প্রান্তের সম্মুখ হতে। তাঁকে লাগাম লাগিয়ে দেয়া পশ্চিম এবং দক্ষিনা হাওয়া এবং তার পিছু ধাওয়া করে উত্তরের এবং পূর্বের দিকের হাওয়া।

মেঘের গর্জন; সে এক ফেরেশতা যার হাতে রয়েছে একটি আঁচড়ানী সে দূরবর্তীকে নিকটে আনে এবং নিকটবর্তীকে দূরে সরিয়ে দেয়। সে যখন তাঁকে উঁচু করে তখন বিদ্যুৎ চমকায়, যখন ধমকায় তখন গর্জন করে এবং যখন প্রহার করে তখন বজ্রপাত করে।

সন্তানদের কোন কোন অংশ পুরুষের আর কোন কোন অংশ নারীর; পুরুষের হচ্ছে হাড়, ঘাম ও মানসিক শক্তি আর নারীর হচ্ছে গোশত, রক্ত ও চুল। নিরাপদ শহর হচ্ছে মক্কা।

হাদীসটি বাতিল।

এটি তাবারানী “মুজামুল আওসাত” গ্রন্থে (২/১৮৮/২/৭৮৯১) মুহাম্মাদ ইবনু আব্দির রহমান সুলামী সূত্রে আবু ইমরান হতে ... বর্ণনা করেছেন। তাবারানী বলেনঃ ইবনু জুরায়েজ হতে আবূ ইমরান হাররানী ছাড়া অন্য কেউ বর্ণনা করেননি। মুহাম্মাদ ইবনু আব্দির রহমান সুলামীও এককভাবে বর্ণনা করেছেন।

আমি (আলবানী) বলছিঃ তিনি (মুহাম্মাদ) তার শাইখ-এর ন্যায় মাজহুল। হায়সামী বলেনঃ যাহাবী আবু ইমরানের জীবনীতে এ হাদীসটি উল্লেখ করেছেন অথচ তাকে দুর্বল আখ্যা দিয়েছেন এমন কথা কোন ব্যক্তি হতে বর্ণনা করেননি।

আমি (আলবানী) বলছিঃ এরূপ হাদীস বর্ণনা করাই তার দুর্বল হওয়ার জন্য যথেষ্ট। যাহাবী তার জীবনীতে বলেনঃ এ খবরটি বাতিল। আবু ইমরান হতে বর্ণনাকারী মাজহুল। তার নাম মুহাম্মাদ ইবনু আব্দির রহমান সুলামী। হাফিয ইবনু হাজার তার এ বক্তব্যকে “লিসানুল মীযান” গ্রন্থে সমর্থন করেছেন।



হাদিসের মানঃ  জাল (Fake)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!

أما ظلمة الليل وضوء النهار فإن الشمس إذا سقطت تحت الأرض فأظلم الليل لذلك وإذا أضاء الصبح ابتدرها سبعون ألف ملك وهي تقاعس كراهية أن تعبد من دون الله حتى تطلع فتضيء فيطول النهار بطول مكثها فيسخن الماء لذلك، وإذا كان الصيف قل مكثها فبرد الماء لذلك، وأما الجراد فإنه نثرة حوت في البحر يقال له
الإيوان، وفيه يهلك. وأما منشأ السحاب فإنه ينشأ من قبل الخافقين، ومن بين الخافقين تلجمه الصبا والجنوب ويستدبره الشمال والدبور، وأما الرعد فإنه ملك بيده مخراق يدني القاصية، ويؤخر الدانية، فإذا رفع برقت، وإذا زجر رعدت، وإذا ضرب صعقت، وأما ما للرجل من الولد وما للمرأة فإن للرجل العظام والعروق والعصب، وللمرأة اللحم والدم والشعر، وأما البلد الأمين فمكة
باطل

-

أخرجه الطبراني في " الأوسط " (2 / 188 / 2 / 7891) من طريق محمد بن عبد الرحمن السلمي أخبرنا أبو عمران الحراني يوسف بن يعقوب أخبرنا ابن جريج عن عطاء عن جابر بن عبد الله أن خزيمة بن ثابت وليس بالأنصاري قال: يا رسول الله أخبرني عن ضوء النهار وظلمة الليل وعن حر الماء في الشتاء وعن برده في الصيف، وعن البلد الأمين، وعن منشأ السحاب، وعن مخرج الجراد، وعن الرعد والبرق وعما للرجل من الولد وما للمرأة فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: فذكره
وقال الطبراني: لم يروه عن ابن جريج إلا أبو عمران الحراني، تفرد به محمد بن عبد الرحمن السلمي
قلت: هو مجهول كشيخه، وقال الهيثمي: رواه الطبراني في " الأوسط "، وفيه يوسف بن يعقوب أبو عمران ذكر الذهبي هذا الحديث في ترجمته ولم ينقل تضعيفه عن أحد
قلت: روايته مثل هذا الحديث كافية في تضعيفه فقد قال الذهبي في ترجمته: إنه خبر باطل، والراوي عنه مجهول واسمه محمد عبد الرحمن السلمي، وأقره الحافظ في اللسان

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ তাওহীদ পাবলিকেশন
গ্রন্থঃ যঈফ ও জাল হাদিস
অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ
হাদিস নম্বরঃ ২৯৩ | 293 | ۲۹۳

২৯৩। সূর্যের ব্যাপারে দায়িত্ব অর্পিত হয়েছে নয়জন ফেরেশতার উপর। তাঁরা তার (সূর্যের) উপর প্রতিদিন বরফ নিক্ষেপ করেছে। যদি এরূপ না হত তাহলে সূর্য যে বস্তুর উপরই আসত তাকেই সে পুড়িয়ে দিত।

হাদীসটি জাল।

এটি ইবনু আদী (২/২৩০) এবং তার থেকে ইবনুল জাওযী “আল-ওয়াহিয়াত” গ্রন্থে (১/৩৪), তাবারানী “মুজামুল কাবীর” গ্রন্থে (৮/১৯৭/ ৭৭০৫), আবূ হাফস আল-কিনানী "আল-আমালী" গ্রন্থে (১/৯/২) ও আরো অনেকে আফীর ইবনু মি’দান হতে, তিনি সুলায়মান ইবনু আমের হতে ... বর্ণনা করেছেন।

আল-কারী, ইবনু আদী ও ইবনুল জাওযী বলেছেনঃ হাদীসটি গারীব। আকীর ছাড়া অন্য কেউ বর্ণনা করেছেন কিনা জানি না।

আমি (আলবানী) বলছিঃ এটির সনদ নিতান্তই দুর্বল, যেমনভাবে হায়সামী (৮/১৩১) বলেছেন। হাদীসটি সনদের দিক দিয়ে অত্যন্ত দুর্বল। হাদীসটির মতন (ভাষা) জাল হওয়ার ব্যাপারে আমার কোন সন্দেহ নেই। কারণ এটি ইসরাইলী বর্ণনার সাথেই বেশী সাদৃশ্যপূর্ণ।

এটির সনদের আরেক বর্ণনাকারী মাসলামা ইবনু আলী খুশানী সম্পর্কে যাহাবী “আল-মীযান” গ্রন্থে বলেনঃ তিনি দুর্বল, মুহাদ্দিসগণ তার হাদীসকে মাতরূক বলেছেন এবং তার হাদীসকে ইনকার করেছেন। তার সম্পর্কে ইয়াহইয়া বলেনঃ তিনি কিছুই না। নাসাঈ বলেনঃ তিনি মাতরূক।

এছাড়া ইলমুল ফালাকের মধ্যে যা সাব্যস্ত হয়েছে তা তার বিরোধী। ইলমে ফালাকে বলা হয়েছে সূর্য যমীন হতে বহু দূরে থাকার কারণে কিছু পুড়ে না। বলা হয়েছে একশত পঞ্চাশ মিলিয়ন কিঃ মিঃ দূরত্বে তার অবস্থান।

আবু উমামা হতে মওকুফ হিসাবেও হাদীসটি বর্ণিত হয়েছে। তবুও সেটি দুর্বল।



হাদিসের মানঃ  জাল (Fake)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!

وكل بالشمس تسعة أملاك يرمونها بالثلج كل يوم، لولا ذلك ما أتت على شيء إلا أحرقته
موضوع

-

رواه ابن عدي (230 / 2) وعنه ابن الجوزي في " الواهيات " (1 / 34) والطبراني في " الكبير " (8 / 197 / 7705) وأبو حفص الكناني في " الأمالي " (1 / 9 / 2) والحافظ أبو محمد السراج القاريء في " الفوائد المنتخبة " (1 / 125 / 1) وأبو عمرو السمرقندي في " الفوائد المنتقاة " (71 / 1) والخطيب في " الموضح " (2 / 79، 165، 166 / 1) ، عن عفير بن معدان عن سليمان بن عامر الخبائري عن أبي أمامة مرفوعا، وقال القاري وابن عدي وتبعه ابن الجوزي: حديث غريب لا أعلم رواه غير عفير بن معدان
قلت: وهو ضعيف جدا كما قال الهيثمي (8 / 131) بعد أن عزا هذا الحديث لرواية الطبراني، وكذلك عزاه السيوطي في " الجامع " وقال المناوي بعد أن حكى عن الهيثمي تضعيف عفير المذكور: وتعصيب الجناية برأس عفير وحده يوهم أنه ليس فيه من يحمل عليه سواه والأمر بخلافه، ففيه مسلمة بن علي الخشني قال في " الميزان ": واه، تركوه، واستنكروا حديثه، ثم ساق له أخبارا هذا منها، وقال ابن الجوزي: لا يرويه غير مسلمة، وقد قال يحيى: ليس بشيء، والنسائي: متروك
قلت: لكن بعض طرقه سالم من مسلمة، فالتعصيب في محله
وهذا الحديث مع ضعفه الشديد إسنادا فإني لا أشك أنه موضوع متنا، إذ ليس عليه لوائح كلام النبوة والرسالة، بل هو أشبه بالإسرائيليات
ويؤيد وضعه مخالفته لما ثبت في علم الفلك أن السبب في عدم حرق الشمس لما على وجه الأرض إنما هو بعدها عن الأرض بمسافات كبيرة جدا يقدرونها بمئة وخمسين مليون كيلومتر تقريبا كما في كتاب " علم الفلك " للأستاذ طالب الصابوني الذي يدرس في الصف الحادي عشر
ثم رأيت الحديث رواه أبو العباس الأصم في " حديثه " (3 / 145 / 1) (رقم 77 من نسختي) موقوفا على أبي أمامة فقال: حدثنا أبو عتبة حدثنا بقية حدثنا أبو عائذ المؤذن حدثني سليم بن عامر عن أبي أمامة قال: فذكره موقوفا عليه، وإسناده ضعيف، والوقف هو الأشبه، والله أعلم

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ তাওহীদ পাবলিকেশন
গ্রন্থঃ যঈফ ও জাল হাদিস
অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ
হাদিস নম্বরঃ ২৯৪ | 294 | ۲۹٤

২৯৪। যমীন হচ্ছে পানির উপর, পানি একটি পাথরের উপর আর পাথর হচ্ছে এমন একটি মাছের পিঠের উপর যাতে দু’চোয়াল আরশের সাথে মিলিত হয়েছে এবং মাছটি এক ফেরেশতার স্কন্ধের উপর যার দু’পা বাতাসে।

হাদীসটি জাল।

এটি হায়সামী (৮/১৩১) ইবনু উমার (রাঃ)-এর হাদীস হতে মারফু হিসাবে উল্লেখ করে বলেছেনঃ এটি বাযযার তার শাইখ আব্দুল্লাহ ইবনু আহমাদ ইবনে শাবীব হতে বর্ণনা করেছেন। তিনি দুর্বল।

আমি (আলবানী) বলছিঃ হাদীসটি “আল-মীযান” ও “লিসানুল মীযান” গ্রন্থ সহ অন্য কোন গ্রন্থেও দেখছি না। বাহ্যিকতা প্রমাণ করছে যে, এটি পূর্বেরটির ন্যায় ইসরাইলী বর্ণনা । অতঃপর আমি দেখতে পেলাম হাদীসটি ইবনু আদী (১/১৭৫) মুহাম্মাদ ইবনু হারব সূত্রে সাঈদ ইবনু সিনান হতে, তিনি আবুয যাহেরিয়া হতে ... বর্ণনা করে বলেছেনঃ এটি সাঈদ ইবনু সিনান হিমসী কর্তৃক বর্ণিত। বিশেষ করে আবুয যাহেরিয়া হতে তার বর্ণিত হাদীস নিরাপদ নয়।

আমি (আলবানী) বলছিঃ তিনি নিতান্তই দুর্বল বরং জুরজানী তার সম্পর্কে বলেনঃ আমার ভয় হচ্ছে যে, তার হাদীসগুলো জাল। যাহাবী “আল-মীযান” গ্রন্থে তার হাদীসগুলো উল্লেখ করেছেন। এটি সেগুলোর একটি। আমি অন্য একটি সূত্র পেয়েছি যেটি ইবনু মান্দা “আত-তাওহীদ” (২/২৭) আব্দুল্লাহ ইবনু সুলায়মান আত-তাবীল হতে, তিনি দাররাজ হতে বর্ণনা করেছেন।

আমি (আলবানী) বলছিঃ দাররাজ বহু মুনকারের অধিকারী। তার কিছু মুনকার পূর্বে আলোচিত হয়েছে। আব্দুল্লাহ ইবনু সুলায়মানের মুখস্থ বিদ্যায় ক্রটি ছিল। তিনি অথবা তার শাইখ ভুল করেছেন। যেখানে মওকুফ হবে সেখানে মারফু হিসাবে চালিয়ে দিয়েছেন। ইবনু মান্দা ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতে মওকুফ হিসাবে হাদীসটি উল্লেখ করেছেন। এ সনদটি সহীহ। মওকুফ হওয়াটাই প্রমাণ করছে যে, এটি ইসরাইলী বর্ণনা। এছাড়া আমার নিকট বাযযার কর্তৃক বর্ণিত সনদের বাস্তবতা প্রকাশিত হয়েছে।

তাতে বাযযার বলেনঃ এ হাদীসটির সমস্যা হচ্ছে সাঈদ ইবনু সিনান। তিনি হচ্ছেন মিথ্যার দোষে দোষী ব্যক্তি। বর্ণনাকারী হিসাবে হায়সামী যে আব্দুল্লাহ ইবনু আহমাদ ইবনে শাবীবকে উল্লেখ করেছেন, প্রকৃতপক্ষে এরূপ বর্ণনাকারী পাওয়া যাচ্ছে না। তিনি হচ্ছেন আব্দুল্লাহ ইবনু শাবীব। যার মুতাবা'য়াত ইবনু আদীর নিকট পাওয়া যাচ্ছে।



হাদিসের মানঃ  জাল (Fake)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!

الأرض على الماء، والماء على صخرة، والصخرة على ظهر حوت يلتقي حرفاه بالعرش، والحوت على كاهل ملك قدماه في الهواء
موضوع

-

ذكره الهيثمي (8 / 131) من حديث ابن عمر مرفوعا ثم قال: رواه البزار عن شيخه عبد الله بن أحمد يعني ابن شبيب وهو ضعيف
قلت: لم أره في " الميزان " ولا في " اللسان " ولا في غيرهما من كتب الرجال فلعله تحرف اسمه على الطابع، والظاهر أنه من الإسرائيليات كالذي قبله
ثم رأيت الحديث رواه ابن عدي (175 / 1) من طريق محمد بن حرب عن سعيد بن سنان عن أبي الزاهرية عن أبي شجرة - كثير بن مرة - عن ابن عمر مرفوعا، وقال
سعيد بن سنان الحمصي عامة ما يرويه وخاصة عن أبي الزاهرية غير محفوظة
قلت: وهو ضعيف جدا بل قال فيه الجوزجاني: أخاف أن تكون أحاديثه موضوعة
وساق له الذهبي في " الميزان " أحاديث هذا منها
ثم رأيت له طريقا أخرى، أخرجها ابن منده في " التوحيد " (27 / 2) عن عبد الله بن سليمان الطويل عن دراج عن عيسى بن هلال الصدفي عن عبد الله بن عمر مرفوعا، وقال: هذا إسناد متصل مشهور
قلت: لكن دراجا ذومناكير، وقد سبق له بعض مناكيره، وعبد الله بن سليمان الطويل سيء الحفظ فلعله أخطأ هو أو شيخه في سنده فرفعه وهو موقوف، ومما يؤيد أن الصواب وقفه أن ابن منده رواه (5 / 1 - 2، 28 / 2) عن ابن عباس موقوفا عليه دون ذكر الملك وسنده صحيح، فهذا يؤيد أن الحديث من الإسرائيليات
ثم وقفت على إسناد البزار بواسطة " كشف الأستار " (2 / 449 / 2066) للهيثمي قال البزار: حدثنا عبد الله بن أحمد يعني ابن شبيب حدثنا أبو اليمان حدثنا سعيد بن سنان به مثل رواية ابن عدي المتقدمة، وقال البزار: علته سعيد بن سنان
قلت: فتكشفت لي الحقائق التالية
الأولى: أن الهيثمي غفل عن العلة القادحة في هذا الإسناد، مع تصريح البزار بها وهي سعيد بن سنان لأنه متهم كما تقدم
الثانية: أنه تحرف على الهيثمي في الكتابين " المجمع " و" الكشف " اسم جد عبد الله بن أحمد فقال: ابن شبيب، وإنما هو ابن شَبَّويه كذلك وقع في كثير من الأحاديث التي رواها البزار من طريقه وهاك أرقام بعضها من المجلد الأول من " الكشف " (29 و53 و508 و537 و621 و762 و782 و859 و892 و948 و1049) والرقم الأول فيها بهذا السند عينه، وإعلال البزار إياه بسعيد نفسه
الثالثة: لا يوجد في الرواة عبد الله بن أحمد بن شبيب، كما سبقت الإشارة إلى ذلك، وإنما فيهم عبد الله بن شبيب أبو سعيد الربعي فتوهم الهيثمي أنه هو فضعفه وهو حري بذلك وهو من شيوخ البزار أيضا في عدة أحاديث أخرى كالأحاديث (173 و247 و417) ولوفرض أنه هو صاحب هذا الحديث لم يجز إعلاله به لأنه متابع عند ابن عدي كما تقدم، وأما ابن شبويه فهو في " ثقات ابن حبان " (8 / 366) وقال: مستقيم الحديث

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ তাওহীদ পাবলিকেশন
গ্রন্থঃ যঈফ ও জাল হাদিস
অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ
হাদিস নম্বরঃ ২৯৫ | 295 | ۲۹۵

২৯৫। যে ব্যাক্তি কুল-হু আল্লাহু আহাদ সূরা দু’শত বার পাঠ করবে, তার দু’শত বছরের গুনাহ ক্ষমা করে দেয়া হয়ে।

হাদীসটি মুনকার।

এটি ইবনু যুরায়েস "ফাযায়েলুল কুরআন" গ্রন্থে (৩/১১৩/১), খাতীব বাগদাদী (৬/১৮৭), ইবনু বিশরান (১২/৬২) ও বাইহাকী “আশ-শু'য়াব” গ্রন্থে (১/২/৩৫/১-২) হাসান ইবনু আবী জাফার আল-জাফারী সূত্রে সাবেত আল-বুনানী হতে ... বর্ণনা করেছেন। এটির সনদ নিতান্তই দুর্বল।

হাসান ইবনু জাফার সম্পর্কে যাহাবী বলেনঃ তাকে ইমাম আহমাদ ও নাসাঈ দুর্বল আখ্যা দিয়েছেন। বুখারী এবং ফাল্লাস তাকে মুনকারুল হাদীস বলেছেন।

আমি (আলবানী) বলছিঃ কিন্তু তিনি এককভাবে এটি বর্ণনা করেননি। সুয়ূতী “আল-লাআলী” গ্রন্থে (১/২৩৯) বলেছেনঃ বাযযার সাবেত হতে আগলাব ইবনু তামীম সূত্রে বর্ণনা করেছেন। মুখস্থ বিদ্যায় ক্রটির দিক দিয়ে তিনি হাসানের ন্যায়। ইবনু যুরায়েস ও বাইহাকী সাবেত হতে সালেহ্ আল-মিরর সূত্রে বর্ণনা করেছেন।

আমি (আলবানী) বলছিঃ এ সালেহ্ হচ্ছেন ইবনু বাশীর আয-যাহেদ। তার সম্পর্কে ইমাম বুখারী ও ফাল্লাস বলেনঃ তিনি মুনকারুল হাদীস। মোটকথা হাদীসটি তিনটি সূত্রেই অত্যন্ত দুর্বল। একটি দ্বারা অন্যটির দুর্বলতাকে দূর করার মত নয়। অর্থটিও আমার নিকট মুনকার, কারণ ফীলতের ক্ষেত্রে অতিরঞ্জিত করা হয়েছে।



হাদিসের মানঃ  মুনকার (সর্বদা পরিত্যক্ত)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!

من قرأ قل هو الله أحد مئتي مرة غفرت له ذنوب مئتي سنة
منكر

-

رواه ابن الضريس في " فضائل القرآن " (3 / 113 / 1) والخطيب (6 / 187) وابن بشران (ج 12 ق 62 وجه 1) والبيهقي في " الشعب " (1 / 2 / 35 / 1 - 2) من طريق الحسن بن أبي جعفر الجعفري حدثنا ثابت البناني عن أنس بن مالك مرفوعا
وهذا سند ضعيف جدا الحسن بن جعفر الجعفري قال الذهبي: ضعفه أحمد والنسائي، وقال البخاري والفلاس: منكر الحديث، ومن بلاياه هذا الحديث
قلت: إلا أنه لم يتفرد به فقال السيوطي في " اللآليء " (1 / 239) : أخرجه ابن الضريس في " فضائل القرآن " والبيهقي في " شعب الإيمان " من طريق الحسن بن أبي جعفر به، وأخرجه البزار من طريق الأغلب بن تميم عن ثابت عن أنس، وقال: لا نعلم رواه عن ثابت إلا الحسن بن أبي جعفر والأغلب وهما متقاربان في سوء الحفظ، وأخرجه ابن الضريس والبيهقي من طريق صالح المري عن ثابت عن أنس
قلت: وصالح هذا هو ابن بشير الزاهد، قال البخاري والفلاس أيضا: منكر الحديث
والخلاصة أن هذه الطرق الثلاث شديدة الضعف فلا ينجبر بها ضعف الحديث، على أن معناه مستنكر عندي جدا لما فيه من المبالغة، وإن كان فضل الله تعالى لا حد له والله أعلم
تنبيه: لم أر الحديث في " كشف الأستار "، ولا في " مجمع الزوائد "، والله أعلم

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ তাওহীদ পাবলিকেশন
গ্রন্থঃ যঈফ ও জাল হাদিস
অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ
হাদিস নম্বরঃ ২৯৬ | 296 | ۲۹٦

২৯৬। নিশ্চয় আল্লাহ কোন মুসলিমকে রমযান মাসের প্রথম দিবসের প্রত্যূষে ক্ষমা না করে ছাড়েন না।

হাদীসটি জাল।

এটি খাতীব বাগদাদী (৫/৯১) এবং তার থেকে ইবনুল জাওযী “আলমাওযু'আত” গ্রন্থে (২/১৯০) সালাম আত-তাবীল সূত্রে যিয়াদ ইবনু মায়মূন হতে বর্ণনা করেছেন।
এটির সনদটি মাওযু (বানোয়াট)। সালাম আত-তাবীলকে একাধিক ব্যক্তি মিথ্যুক এবং জাল করার দোষে দোষী করেছেন। তার শাইখ যিয়াদ ইবনু মায়মুন স্বস্বীকৃত হাদীস জালকারী।

ইবনুল জাওযী বলেনঃ হাদীসটি সহীহ্ নয়। সালাম মাতরূক এবং যিয়াদ মিথ্যুক। সুয়ূতী “আল-লাআলী” গ্রন্থে (২/১০১) তার সমালোচনা করে বলেছেনঃ
এটির অন্য সূত্রও রয়েছে।

অতঃপর নিম্নের হাদীসটি উল্লেখ করেছেন অথচ সেটিও জাল।



হাদিসের মানঃ  জাল (Fake)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!

إن الله ليس بتارك أحدا من المسلمين صبيحة أول يوم من شهر رمضان إلا غفر له
موضوع

-

رواه الخطيب (5 / 91) وعنه ابن الجوزي في " الموضوعات " (2 / 190) من طريق سلام الطويل عن زياد بن ميمون عن أنس مرفوعا
وهذا إسناد موضوع سلام الطويل اتهمه غير واحد بالكذب والوضع
وشيخه زياد بن ميمون وضاع باعترافه
ومن هذا الوجه أورده، وقال ابن الجوزي ما ملخصه: لا يصح، سلام متروك، وزياد كذاب
وتعقبه السيوطي في " اللآليء " (2 / 101) بقوله
قلت: له طريق آخر، ثم ساق الحديث الآتي وهو موضوع أيضا فلم يصنع شيئا! وهو على الراجح نفس الطريق الأولى، كما سترى

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ তাওহীদ পাবলিকেশন
গ্রন্থঃ যঈফ ও জাল হাদিস
অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ
হাদিস নম্বরঃ ২৯৭ | 297 | ۲۹۷

২৯৭। নিশ্চয় আল্লাহ কোন মুসলিমকে জুম’আর দিবসে ক্ষমা না করে ছাড়েন না।

হাদীসটি জাল।

এটি তাবারানী “মু'জামুল আওসাত” গ্রন্থে (৪৮-৪৯) ইবনুল আরাবী তার “আল-মু'জাম" গ্রন্থে (১৪৭) এবং ইবনু বিশরান “আল-আমালী” গ্রন্থে (২৪/২৯০) মুফাযযাল ইবনু ফুযালা হতে বর্ণনা করেছেন, তিনি আবূ উরওয়া বাসরী হতে হতে, তিনি যিয়াদ আবূ আম্মার হতে বর্ণনা করেছেন। ইবনুল আরাবী বলেছেনঃ যিয়াদ ইবনু মায়মূন হতে ...।

যিয়াদ আন-নুমায়রী হচ্ছেন ইবনু আবদিল্লাহ বাসরী। তার কুনিয়াত আবূ আম্মার হিসাবে পাচ্ছি না। যিয়াদ ইবনু মায়মূনের কুনিয়াত আবু আম্মার হিসাচ্ছে মিলছে। ইবনুল আরাবী স্পষ্টভাবেই বলেছেনঃ এ ব্যক্তি যিয়াদ ইবনু মায়মূন। তিনি স্বস্বীকৃত হাদীস জালকারী। যাহাবী বলেনঃ যিয়াদ ইবনু মায়মূন আস-সাকাফীকেই বলা হয় যিয়াদ আবূ আম্মার বাসরী এবং যিয়াদ ইবনু আবী হাস্‌সান। যার সম্পর্কে ইয়াযীদ ইবনু হারূন বলেনঃ তিনি ছিলেন মিথ্যুক। অতঃপর তার কতিপয় মুনকার হাদীস উল্লেখ করেছেন। এটি সেগুলোর একটি। এছাড়া আবূ উরওয়া বাসরী হচ্ছেন মামার অর্থাৎ ইবনু রাশেদ। তিনি আব্দুর রাযযাকের শাইখ। যদিও তার কুনিয়াত আবু উরওয়া তবুও আমি পাচ্ছি না যে, সেই এ সনদে।

হাফিয যাহাবী এবং ইবনু হাজার ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, সে এ সনদে নেই। তারা “আল-মীযান” ও “লিসানুল মীযান” গ্রন্থে বলেনঃ আবু উরওয়া যিয়াদ ইবনু ফুলান হতে মাজহুল বর্ণনাকারী, তার শাইখও অনুরূপ।

আমি (আলবানী) বলছিঃ এ যিয়াদ হচ্ছেন মিথ্যুক যিয়াদ ইবনু মায়মূন। তার সম্পর্কে পূর্বের হাদীসে আলোচনা হয়েছে। ওয়াহেদী কর্তৃক তার “আত-তাফসীর” গ্রন্থের (৪/১৪৫/১) বর্ণনাতেও যিয়াদ ইবনু মায়মূনকেই সনদে উল্লেখ করা হয়েছে। ইবনু আসাকিরের বর্ণনাতে যিয়াদ আল-ওয়াসেতীর কথা বলা হয়েছে। সেও এ যিয়াদ ইবনু মায়মূন। অতএব হাদীসটির কোন সনদই এ স্বস্বীকৃত জলকারী হতে মুক্ত নয়।



হাদিসের মানঃ  জাল (Fake)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!

إن الله ليس بتارك أحدا من المسلمين يوم الجمعة إلا غفر له
موضوع

-

رواه الطبراني في " الأوسط " (48 ـ 49 من زوائده) وابن الأعرابي في " معجمه " (147) وابن بشران في " الأمالي " (24 / 290) عن المفضل بن فضالة عن أبي عروة البصري عن زياد أبي عمار - وقال ابن الأعرابي: زياد بن ميمون - عن أنس بن مالك مرفوعا وقال الطبراني: لا يروى إلا بهذا الإسناد، وأبو عروة عندي معمر، وأبو عمار: زياد النميري، كذا قال، وفيه نظر في موضعين
الأول: زياد النميري هو ابن عبد الله البصري، لم أجد من كناه أبا عمار، بخلاف زياد بن ميمون فقد كنوه بأبي عمار، وقال ابن معين في النميري: ضعيف، وقال في موضوع آخر: ليس به بأس قيل له: هو زياد أبو عمار؟ قال: لا، حديث أبي عمار ليس بشيء
فقد فرق هذا الإمام بين زياد بن عبد الله النميري وبين زياد أبي عمار، فضعف الأول تضعيفا يسيرا، وضعف أبا عمار جدا، فثبت أنه غير النميري، وإنما هو ابن ميمون كما صرحت بذلك رواية ابن الأعرابي وهو وضاع باعترافه كما سبق مرارا قال الذهبي: زياد بن ميمون الثقفي الفاكهي عن أنس، ويقال له زياد أبو عمار البصري، وزياد بن أبي حسان، يدلسونه لئلا يعرف في الحال، قال ابن معين
ليس يسوى قليلا ولا كثيرا، وقال يزيد بن هارون: كان كذابا، ثم ساق له أحاديث مناكير، هذا أحدها
والثاني: قوله: إن أبا عروة البصري، هو معمر يعني ابن راشد الثقة شيخ عبد الرزاق، فإن هذا وإن كان يكنى أبا عروة فإني لم أجد ما يؤيد أنه هو في هذا السند، وصنيع الحافظين الذهبي والعسقلاني يشير إلى أنه ليس به فقالا في
" الميزان " و" اللسان ": أبو عروة عن زياد بن فلان مجهول، وكذلك شيخه
قلت: شيخه هو زياد بن ميمون الكذاب كما سبق آنفا فلعل أبا عروة كان يدلسه فيقول: زياد بن فلان، كما قال في هذا الحديث: زياد أبي عمار لكي لا يعرف، فإذا صح هذا فهو كاف عندنا في تجريح أبي عروة هذا، والله أعلم
ثم وجدت ما يؤيد أن الحديث حديث زياد بن ميمون، فقد أخرجه الواحدي في " تفسيره " (4 / 145 / 1) عن عثمان بن مطر عن سلام بن سليم عن زياد بن ميمون عن أنس، لكن سلام هذا وهو المدائني كذاب أيضا وعثمان بن مطر ضعيف، لكن رواه ابن عساكر (11 / 50 / 2) من طريق عثمان بن سعيد الصيداوي، أخبرنا سليم بن
صالح عن عبد الرحمن بن ثابت بن ثوبان عن أبي عمار به
وأخرجه الديلمي (4 / 189) من طريق محمد بن الفضل بن عطية عن سلام بن سلم عن زياد الواسطي عن أنس
قلت: وابن الفضل هذا متروك وسلام بن سلم هو ابن سليم نفسه وزياد الواسقي هو ابن ميمون ذاته وقد أورده بحشل في " تاريخ واسط " (58 ـ 59)
وبالجملة فإن مدار الحديث على أبي عمار وهو زياد بن ميمون وهو كذاب

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ তাওহীদ পাবলিকেশন
গ্রন্থঃ যঈফ ও জাল হাদিস
অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ
হাদিস নম্বরঃ ২৯৮ | 298 | ۲۹۸

২৯৮। সুবহানআল্লাহ তোমরা কোন বস্তুকে অভ্যার্থনা জানাবে এবং কোন বস্তুকে তোমাদের সম্মুখবর্তী করা হবে? তিনি বাক্যটি তিনবার বললেন। অতঃপর উমার (রাঃ) বললেনঃ হে আল্লাহর রাসুল! ওহী নাযিল হয়েছে নাকি দুশমন উপস্থিত হয়েছে? তিনি বললেনঃ না, কিন্তু আল্লাহ এ কেবলাবাসিদের সকলকে রমযান মাসের প্রথম রাতেই ক্ষমা করে দিবেন। (বর্ণনাকারী বললেনঃ) মজলিসের একধারে এক ব্যাক্তি তার মাথা নাড়াছিলেন এবং বলছিলেনঃ যথেষ্ট হয়েছে যথেষ্ট হয়েছে। নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে বললেনঃ এ কথা শুনে সম্ভবত তোমার হৃদয় সংকীর্ণ হয়ে গেছে? সে বললঃ আল্লাহর কসম তা না হে আল্লাহর রাসুল! তবে আমি মুনাফেকদের ব্যাপারে বলছি। নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ মুনাফেক হচ্ছে কাফের আর কাফেরের জন্য তাতে কোন অংশ নেই।

হাদীসটি মুনকার।

এটি তাবারানী “মুজামুল আওসাত” গ্রন্থে (১/৯৭/১), আবু তাহের আম্বারী তার “আল-মাশীখা” গ্রন্থে (১৪৭/১-২) ও আরো অনেকে আমর ইবনু হামযা আল-কায়সী আবু উসায়েদ হতে ... বর্ণনা করেছেন।

তাবারানী বলেনঃ আনাস (রাঃ) হতে শুধুমাত্র এ সনদেই হাদীসটি বর্ণিত হয়েছে। আমর এককভাবে এটি বর্ণনা করেছেন।

সুয়ূতী "আল-লাআলীল মাসনু'য়াহ" গ্রন্থে (২/১০১) পূর্বের হাদীসটির শাহেদ হিসাবে এটিকে উল্লেখ করেছেন, অতঃপর চুপ থেকেছেন। কারণ এ আমর ইবনু হামযাকে দারাকুতনীসহ অন্যরা দুর্বল বলেছেন। বুখারী ও উকায়লী তার সম্পর্কে বলেনঃ তার হাদীসের অনুসরণ করা যাবে না। অতঃপর উকায়লী তার দুটি হাদীস উল্লেখ করেছেন, এটি সে দুটির একটি। অতঃপর বলেছেনঃ এ দুটির অনুসরণ করা যায় না।

অন্য এক বর্ণনাকারী খালাফ আবূর রাবী হচ্ছেন মাজহুল (অপরিচিত)। তিনি খালাফ ইবনু মিহরান নন। বুখারী ও ইবনু আবী হাতিম উভয়ের মধ্যে পার্থক্য করেছেন। তিনি (ইবনু আবী হাতিম) খালাফ ইবনু মিহরানকে নির্ভরযোগ্য আখ্যা দিয়েছেন। অতঃপর আবূর রাবী'র জীবনী উল্লেখ করেছেন। কিন্তু তার সম্পর্কে ভাল মন্দ কিছুই বলেননি।

ইবনু খুযায়মা তার “সহীহাহ” গ্রন্থে এ হাদীসটিকে দুর্বল হিসাবে ইঙ্গিত দিয়েছেন, যা মুনযেরী “আত-তারগীব” গ্রন্থে (২/৬৩) উল্লেখ করেছেন। ইবনু খুযায়মা বলেনঃ আমি খালাফ আবূর রাবী' এবং আমর ইবনু হামযাকে (ভাল না মন্দ এ হিসাবে) চিনি না।

মোটকথা এ দুই মাজহুল বর্ণনাকারী এককভাবে বর্ণনা করার কারণে হাদীসটি আমার নিকট মুনকার।



হাদিসের মানঃ  মুনকার (সর্বদা পরিত্যক্ত)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!

سبحان الله ماذا تستقبلون، وماذا يستقبل بكم؟ قالها ثلاثا، فقال عمر:
يا رسول الله وحي نزل أو عدوحضر؟ قال: لا، ولكن الله يغفر فى أول ليلة من رمضان لكل أهل هذه القبلة، قال: وفي ناحية القوم رجل يهز رأسه يقول: بخ بخ فقال له النبي صلى الله عليه وسلم: كأنك ضاق صدرك مما سمعت؟ قال: لا والله يا رسول الله ولكن ذكرت المنافقين، فقال النبي صلى الله عليه وسلم: إن المنافق كافر، وليس لكافر في ذا شيء
منكر

-

رواه الطبراني في " الأوسط " (1 / 97 / 1 من زوائده) وأبو طاهر الأنباري في " مشيخته " (147 / 1 - 2) وابن فنجويه في " مجلس من الأمالي في فضل رمضان " (3 / 2 - 4 / 1) والواحدي في " الوسيط " (1 / 64 / 1) والدولابي في " الكنى " (1 / 107) عن عمرو بن حمزة القيسي أبي أسيد حدثنا أبو الربيع خلف عن أنس بن مالك أن النبي صلى الله عليه وسلم لما حضر شهر رمضان قال: فذكره وقال الطبراني: لا يروى عن أنس إلا بهذا الإسناد تفرد به عمرو
ومن هذا الوجه رواه البيهقي في " شعب الإيمان " كما في اللآليء المصنوعة
(2 / 101) للسيوطي، أورده شاهدا للحديث الذي قبله وسكت عليه! وليس بشيء، فإن عمرو بن حمزة هذا ضعفه الدارقطني وغيره، وقال البخاري والعقيلي
لا يتابع على حديثه، ثم ساق له العقيلي حديثين هذا أحدهما ثم قال: لا يتابع عليهما، وخلف أبو الربيع مجهول، وهو غير خلف بن مهران وقد فرق بينهما البخاري وكذا ابن أبي حاتم، فقد ترجم لابن مهران أولا، ووثقه، ثم ترجم لأبي الربيع ولم يذكر فيه جرحا ولا تعديلا، ثم رأيت ابن خزيمة قد أشار لتضعيف هذا الحديث، فقد ذكره المنذري في " الترغيب " (2 / 63) ثم قال: رواه ابن خزيمة في " صحيحه " والبيهقي، وقال ابن خزيمة: إن صح الخبر فإني لا أعرف خلفا أبا الربيع بعدالة ولا جرح ولا عمرو بن حمزة القيسي الذي دونه
قال المنذري: قد ذكرهما ابن أبي حاتم ولم يذكر فيهما جارحا
قلت: فكان ماذا؟ ! فإنه لم يذكر فيه توثيقا أيضا، فمثل هذا أقرب إلى أن يكون مجهولا عند ابن أبي حاتم من أن يكون ثقة عنده وإلا لما جاز له أن يسكت عنه ويؤيد هذا قوله في مقدمة الجزء الأول (ق 1 ص 38) : على أنا ذكرنا أسامي كثيرة مهملة من الجرح والتعديل كتبناها ليشتمل الكتاب على كل من روى عنه العلم رجاء وجود الجرح والتعديل فيهم، فنحن ملحقوها بهم من بعد إن شاء الله، فهذا نص منه على أنه لا يهمل الجرح والتعديل إلا لعدم علمه بذلك، فلا يجوز أن يتخذ سكوته عن الرجل توثيقا منه له كما يفعل ذلك بعض أفاضل عصرنا من المحدثين، وجملة القول: أن هذا الحديث عندي منكر لتفرد هذين المجهولين به

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ তাওহীদ পাবলিকেশন
গ্রন্থঃ যঈফ ও জাল হাদিস
অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ
হাদিস নম্বরঃ ২৯৯ | 299 | ۲۹۹

২৯৯। যখন রমযান মাসের প্রথম রাতের আগমন হয়, তখন আল্লাহ তার সৃষ্টির দিকে দৃষ্টি দেন। যখন আল্লাহ তার বান্দাদের দিকে দৃষ্টি দেন, তখন তাঁকে আর কখনও শাস্তি দেন না এবং আল্লাহর উপর প্রতি রাতে দশ লক্ষ জনকে জাহান্নাম হতে মুক্তি দেয়া অপরিহার্য হয়ে যায়।

হাদীসটি জাল।

এটি ইবনু ফানজুবিয়া “মাজলিসুম মিনাল আমালী ফি ফাযলে রমযান” গ্রন্থে এবং আবুল কাসিম আসবাহানী “আত-তারগীব” গ্রন্থে (কাফ ১/১৮০) হাম্মাদ ইবনু মুদরিক হতে, তিনি হাদীসটি উসমান ইবনু আবদিল্লাহ শামী হতে বর্ণনা করেছেন।

যিয়া মাকদেসী “আল-মুখতারা” গ্রন্থে (১০/১০০/১) বর্ণনা করে বলেছেনঃ হাদীসটি বর্ণনা করার ক্ষেত্রে উসমান ইবনু আবদিল্লাহ শামী মিথ্যার দোষে দোষী। ইবনুল জাওযীও তার “আল-মাওযূ’আত” গ্রন্থে হাদীসটি উল্লেখ করে বলেছেনঃ এটি জাল। এটির সনদে একাধিক মাজহুল ব্যক্তি রয়েছেন। উসমান মিথ্যার দোষে দোষী, জলকারী।

সুয়ূতীও "আল-লাআলী" গ্রন্থে (২/১০০-১০১) তার এ কথাকে সমর্থন করেছেন।



হাদিসের মানঃ  জাল (Fake)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!

إذا كان أول ليلة من شهر رمضان نظر الله عز وجل إلى خلقه، وإذا نظر الله عز وجل إلى عبده لم يعذبه أبدا، ولله عز وجل فى كل ليلة ألف ألف عتيق من النار
موضوع

-

رواه ابن فنجويه في " مجلس من الأمالي في فضل رمضان " وهو آخر حديث فيه، وأبو القاسم الأصبهاني في " الترغيب " (ق 180 / 1) عن حماد بن مدرك {الفسنجاني} حدثنا عثمان بن عبد الله أنبأنا مالك عن أبي الزناد عن الأعرج عن أبي هريرة مرفوعا، ومن هذا الوجه رواه الضياء المقدسي في " المختارة " (10 / 100 / 1) وله عنده تتمة ثم قال: عثمان بن عبد الله الشامي متهم في روايته.
وكذلك أورده ابن الجوزي بتمامه في " الموضوعات " (2 / 190) ، ثم قال ما ملخصه: موضوع، فيه مجاهيل، والمتهم به عثمان، يضع.
وأقره السيوطي في " اللآليء " (2 / 100 - 101) .
والحديث أورده المنذري في " الترغيب " (2 / 68 / 69) من رواية الأصبهاني فقط مصدرا بقوله: وروى ... مشيرا بذلك إلى أنه ضعيف أو موضوع، فكتبت هذا التحقيق لرفع الاحتمال الأول وتعيين أن الحديث موضوع لكي لا يغتر من لا علم عنده بإشارة المنذري المحتملة فيروي الحديث عملا بما زعموه أنه من قواعد الحديث وهو أن الحديث الضعيف يعمل به في فضائل الأعمال! فينسب بسبب ذلك إلى النبي صلى الله عليه وسلم ما لم يقل

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ তাওহীদ পাবলিকেশন
গ্রন্থঃ যঈফ ও জাল হাদিস
অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ
হাদিস নম্বরঃ ৩০০ | 300 | ۳۰۰

৩০০। যে ব্যাক্তি দু’শত বার কুল-হু-আল্লাহু আহাদ পাঠ করবে, যদি তার উপর কোন ঋণ না থাকে, তাহলে আল্লাহ তার জন্য এক হাজার পাঁচশত সাওয়াব লিখে দেন।

হাদীসটি জাল।

এটি ইবনু আদী (১/৮৪৮-৮৪৯) এবং তার থেকে বাইহাকী "শুয়াবুল ঈমান" গ্রন্থে (১/২/৩৫/২) এবং খাতীব বাগদাদী (৬/২০৪) আবুর রাবী' আয-যাহরানী সূত্রে হাতিম ইবনু মায়মূন হতে ... বর্ণনা করেছেন।

আমি (আলবানী) বলছিঃ এটির সনদটি নিতান্তই দুর্বল। এ হাতিম সম্পর্কে ইবনু হিব্বান "আয-যুয়াফা" গ্রন্থে (১/২৭০) বলেনঃ তিনি মুনকারুল হাদীস। তিনি সাবেত হতে এমন কিছু বর্ণনা করেছেন যা তার হাদীসের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ নয়। কোন অবস্থাতেই তার দ্বারা দলীল গ্রহণ করা জায়েয হবে না ।

ইমাম বুখারী বলেনঃ তিনি মুনকার হাদীস বর্ণনা করেছেন। হাদীসটি ইবনুল জাওযী তার “আল-মাওযু’আত” গ্রন্থে (২/২৪৪) খাতীব বাগদাদীর সূত্র হতে উল্লেখ করে বলেছেনঃ এটি বানোয়াট। হাতিম দ্বারা কোন অবস্থাতেই দলীল গ্রহণ করা যাবে না। হাদীসটি ইমাম তিরমিযী এবং ইবনু নাসর “কিয়ামুল লায়ল” গ্রন্থে (পৃঃ ৬৬) হাতিম ইবনু মায়মূন হতেই বর্ণনা করেছেন, তবে ভাষায় পার্থক্য রয়েছে। তাতে বলা হয়েছে, যে ব্যক্তি দু'শত বার পাঠ করবে তার পঞ্চাশ বছরের গুনাহ ক্ষমা করে দেয়া হবে...। তিরমিযী বলেনঃ হাদীসটি গারীব অর্থাৎ দুর্বল।

এ জন্য ইবনু কাসীর তার “আত-তাফসীর” গ্রন্থে বলেছেনঃ হাদীসটির সনদ দুর্বল ।

আমি (আলাবনী) বলছিঃ পূর্বে আলোচনাকৃত হাতিম ইবনু মায়মুন দ্বারা কোন অবস্থাতেই দলীল গ্রহণ করা হালাল হবে না, যেমনটি বলেছেনঃ ইবনু হিব্বান। ইবনুল জাওযী তার এ হাদীসটিকে “আল-মাওযুআত” গ্রন্থে পূর্বের বাক্যে একই সূত্রে উল্লেখ করেছেন। এছাড়া দারেমীও এটি (২/৪৬১) মুহাম্মাদ আল-ওতা সূত্রে উম্মে কাসীর আনসারিয়া হতে বর্ণনা করেছেন।

আমি (আলবানী) বলছিঃ তাদের উভয়কেই আমি চিনি না। (অর্থাৎ তারা উভয়েই মাজহুল)। ইবনু কাসীর বলেছেনঃ এটির সনদ দুর্বল।

এ হাদীসটিও মুনকার যেমনভাবে আলোচনা করা হয়েছে ২৯৫ নং হাদীসে।



হাদিসের মানঃ  জাল (Fake)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!

من قرأ قل هو الله أحد مئتي مرة كتب الله له ألفا وخمس مئة حسنة، إلا أن يكون عليه دين
موضوع

-

أخرجه ابن عدي (1 / 848 ـ 849) ، وعنه البيهقي في " الشعب " (1 / 2 / 35 /2) والخطيب (6 / 204) من طريق أبي الربيع الزهراني حدثنا حاتم بن ميمون عن ثابت عن أنس مرفوعا
قلت: وهذا إسناد ضعيف جدا حاتم هذا قال ابن حبان في " الضعفاء " (1 / 270) : منكر الحديث على قلته، يروي عن ثابت ما لا يشبه حديثه، لا يجوز الاحتجاج به بحال، وهو الذي يروي عن ثابت عن أنس رفعه: " من قرأ {قل هو الله أحد} ... " الحديث
وقال البخاري: روى منكرا، كانوا يتقون مثل هؤلاء المشايخ
والحديث أورده ابن الجوزي في " الموضوعات " (2 / 244) من طريق الخطيب ثم قال: موضوع، حاتم لا يحتج به بحال
فتعقبه السيوطي في " اللآليء " (1 / 238) بأن الترمذي ومحمد بن نصر أخرجاه من طريقه بلفظ آخر، وهذا تعقب لا طائل تحته كما هو بين، واللفظ المشار إليه هو: " من قرأ كل يوم مئتي مرة {قل هو الله أحد} محي عنه ذنوب خمسين سنة إلا أن يكون عليه دين "
أخرجه الترمذي (4 / 50) وابن نصر في " قيام الليل " (ص 66) من طريق محمد ابن مرزوق حدثني حاتم بن ميمون عن ثابت عن أنس مرفوعا، وقال الترمذي: هذا حديث غريب أي ضعيف ولذا قال ابن كثير في " تفسيره " (4 / 568) : إسناده ضعيف
قلت: حاتم لا يحل الاحتجاج به بحال كما قال ابن حبان، وأورد ابن الجوزي حديثه هذا في " الموضوعات " باللفظ الذي قبله والطريق واحدة
ورواه الدارمي (2 / 461) من طريق محمد الوطاء عن أم كثير الأنصارية عن أنس مرفوعا بلفظ: " ... خمسين مرة غفر له ذنوب خمسين سنة "
قلت: وأم كثير هذه لم أعرفها وكذا الراوي عنها محمد الوطاء، وفي " التفسير "، محمد العطار من رواية أبي يعلى، وقال ابن كثير: إسناده ضعيف
وقد روى من طرق أخرى عن ثابت به بلفظ: " غفرت له ذنوب مئتي سنة "
وهو منكر كما تقدم قريبا رقم (295)

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

হাদিস দেখানো হচ্ছে   [291]  থেকে  [300]  পর্যন্ত এবং সর্বমোট   [731]  টি হাদিস পাওয়া গেছে।