• ৭১৯৬১ টি সর্বমোট হাদিস আছেঃ
  • ৮২৭৫ টি প্রশ্নোত্তর ও ফিকাহঃ

 

 

 

 


হাদীস (حَدِيْث) এর শাব্দিক অর্থ: নতুন, প্রাচীন ও পুরাতন এর বিপরীত বিষয়। এ অর্থে যে সব কথা, কাজ ও বস্ত্ত পূর্বে ছিল না, এখন অস্তিত্ব লাভ করেছে  তাই হাদীস। এর আরেক অর্থ হলো: কথা। ফক্বীহগণের পরিভাষায় নাবী কারীম () আল্লাহ্‌র রাসূল হিসেবে যা কিছু বলেছেন, যা কিছু করেছেন এবং যা কিছু বলার বা করার অনুমতি দিয়েছেন অথবা সমর্থন জানিয়েছেন তাকে হাদীস বলা হয়। কিন্তু মুহাদ্দিসগণ এর সঙ্গে রাসুলুল্লাহ () সম্পর্কিত বর্ণনা ও তার গুণাবলী সম্পর্কিত বিবরণকেও হাদীসের অন্তর্ভুক্ত করেন। এ হিসেবে হাদীসকে প্রাথমিক পর্যায়ে তিন শ্রেণীতে ভাগ করা যায়:

১। ক্বওলী হাদীস: কোন বিষয়ে রাসুলুল্লাহ () যা বলেছেন, অর্থাৎ যে হাদীসে তাঁর কোন কথা বিবৃত হয়েছে তাকে ক্বওলী (বাণী সম্পর্কিত) হাদীস বলা হয়।

২। ফেলী হাদীস: মহানাবী ()-এর কাজকর্ম, চরিত্র ও আচার-আচরণের ভেতর দিয়েই ইসলামের যাবতীয় বিধি-বিধান ও রীতিনীতি পরিস্ফুট হয়েছে। অতএব যে হাদীসে তাঁর কোন কাজের বিবরণ উল্লেখিত হয়েছে তাকে ফে’লী (কর্ম সম্পর্কিত) হাদীস বলা হয়।

৩। তাকরীরী হাদীস: সাহাবীগণের যে সব কথা বা কাজ নাবী কারীম ()-এর অনুমোদন ও সমর্থন প্রাপ্ত হয়েছে, সে ধরনের কোন কথা বা কাজের বিবরণ হতেও শরীয়াতের দৃষ্টিভঙ্গি জানা যায়। অতএব যে হাদীসে এ ধরনের কোন ঘটনার বা কাজের উল্লেখ পাওয়া যায় তাকে তাকরীরী (সমর্থন মূলক) হাদীস বলে।

সুন্নাহ (السنة): হাদীসের অপর নাম সুন্নাহ্ (السنة) সুন্নাত শব্দের অর্থ চলার পথ, কর্মের নীতি ও পদ্ধতি। যে পন্থা ও রীতি নাবী কারীম () অবলম্বন করতেন তাকে সুন্নাত বলা হয়। অন্য কথায় রাসুলুল্লাহ () প্রচারিত উচ্চতম আদর্শই সুন্নাত। কুরআন মাজিদে মহত্তম ও সুন্দরতম আদর্শ (أُسْوَةٌ حَسَنَةٌ) বলতে এই সুন্নাতকেই বুঝানো হয়েছে।

খবর (خبر): হাদীসকে আরবী ভাষায় খবরও (خبر) বলা হয়। তবে খবর শব্দটি হাদীস ও ইতিহাস উভয়টিকেই বুঝায়।

আসার (أثر ): আসার শব্দটিও কখনও কখনও রাসুলুল্লাহ () এর হাদীসকে নির্দেশ করে। কিন্তু অনেকেই হাদীস ও আসার এর মধ্যে কিছু পার্থক্য করে থাকেন। তাঁদের মতে- সাহাবীগণ থেকে শরীয়াত সম্পর্কে যা কিছু উদ্ধৃত হয়েছে তাকে আসার বলে।

 

ইলমে হাদীসের কতিপয় পরিভাষা

সাহাবী (صحابى):  যিনি ঈমানের সঙ্গে রাসুলুল্লাহ () এর সাহচর্য লাভ করেছেন এবং ঈমানের সঙ্গে মৃত্যুবরণ করেছেন তাঁকে রাসুলুল্লাহ ()-এর সাহাবী বলা হয়।

তাবেঈ (تابعى) : যিনি রাসুলুল্লাহ ()-এর কোন সাহাবীর নিকট হাদীস শিক্ষা করেছেন অথবা অন্ততপক্ষে তাঁকে দেখেছেন এবং মুসলমান হিসেবে মৃত্যুবরণ করেছেন তাঁকে তাবেঈ বলা হয়।

তাবে-তাবেঈ (تابعى تابع) : যিনি  কোন তাবেঈ এর নিকট হাদীস শিক্ষা করেছেন অথবা অন্ততপক্ষে তাঁকে দেখেছেন এবং মুসলমান হিসেবে মৃত্যুবরণ করেছেন তাঁকে তাবে-তাবেঈ বলা হয়।

মুহাদ্দিস (محدث) : যিনি হাদীস চর্চা করেন এবং বহু সংখ্যক হাদীসের সনদ ও মতন সম্পর্কে বিশেষ জ্ঞান রাখেন তাঁকে মুহাদ্দিস বলা হয়।

শাইখ (شيخ) : হাদীসের শিক্ষাদাতা রাবীকে শায়খ বলা হয়।

শাইখান (شيخان) : সাহাবীগনের মধ্যে আবূ বকর (রাঃ) ও উমর  (রাঃ)- কে একত্রে শাইখান বলা হয়। কিন্তু হাদীস শাস্ত্রে ইমাম বুখারী (রাহি.) ও ইমাম মুসলিম (রাহি.)-কে এবং ফিক্বহ-এর পরিভাষায় ইমাম আবূ হানীফা (রাহি.) ও আবূ ইউসুফ (রাহি.)-কে একত্রে শাইখান বলা হয়। 

হাফিয (حافظ) : যিনি সনদ ও মতনের বৃত্তান্ত সহ এক লাখ হাদীস আয়ত্ত করেছেন তাঁকে হাফিয বলা হয়।

হুজ্জাত (حجة) : অনুরূপভাবে যিনি তিন লক্ষ হাদীস আয়ত্ত করেছেন তাঁকে হুজ্জাত বলা হয়।  

হাকিম (حاكم) : যিনি সব হাদীস আয়ত্ত করেছেন তাকে হাকিম বলা হয়।

রিজাল (رجال) : হাদীসের রাবী সমষ্টিকে রিজাল বলে। যে শাস্ত্রে রাবীগণের জীবনী বর্ণনা করা হয়েছে তাকে আসমাউর-রিজাল বলা হয়।                                                                                 

রিওয়ায়াত (رواية): হাদীস বর্ণনা করাকে রিওয়ায়াত বলে। কখনও কখনও মূল হাদীসকেও রিওয়ায়াত বলা হয়। যেমন- এই কথার সমর্থনে একটি রিওয়ায়াত (হাদীস) আছে।                           

সনদ (سند): হাদীসের মূল কথাটুকু যে সূত্র পরম্পরায় গ্রন্থ সংকলনকারী পর্যন্ত পৌঁছেছে তাকে সনদ বলা হয়। এতে হাদীস বর্ণনাকারীদের নাম একের পর এক সজ্জিত থাকে।

মতন (متن): হাদীসে মূল কথা ও তার শব্দ সমষ্টিকে মতন বলে।

মারফূ (مرفوع): যে হাদীসের সনদ (বর্ণনা পরম্পরা) রাসুলুল্লাহ () পর্যন্ত পৌঁছেছে  তাকে মারফূ হাদীস বলে।

মাওকূফ (موقوف) : যে হাদীসের বর্ণনা- সূত্র ঊর্ধ্ব দিকে সাহাবী পর্যন্ত পৌঁছেছে , অর্থাৎ যে সনদ -সূত্রে কোন সাহাবীর কথা বা কাজ বা অনুমোদন বর্ণিত হয়েছে তাকে মাওকূফ হাদীস বলে। এর অপর নাম আসার।

মাকতূ (مقطوع): যে হাদীসের সনদ কোন তাবেঈ পর্যন্ত পৌঁছেছে, তাকে মাকতূ হাদীস বলা হয়।

তালীক (تعليق): কোন কোন গ্রন্থকার হাদীসের পূর্ণ সনদ বাদ দিয়ে কেবল মূল হাদীস বর্ণনা করেছেন। এরূপ করাকে তা’লীক বলা হয়।

মুদাল্লাস (مدلس): যে হাদীসের রাবী নিজের প্রকৃত শাইখের (উস্তাদের) নাম উল্লেখ না করে তার উপরস্থ শাইখের নামে এভাবে হাদীস বর্ণনা করেছেন যাতে মনে হয় যে, তিনি নিজেই উপরস্থ শাইখের নিকট তা শুনেছেন অথচ তিনি তাঁর নিকট সেই হাদীস শুনেন নি- সে হাদীসকে মুদাল্লাস হাদীস এবং এইরূপ করাকে ‘তাদ্লীস’ আর যিনি এইরূপ করেন তাকে মুদালস্নীস বলা হয়।

মুযতারাব (مضطرب): যে হাদীসের রাবী হাদীসের মতন ও সনদকে বিভিন্ন প্রকারে বর্ণনা করেছেন সে হাদীসকে হাদীসে মুযতারাব বলা হয়। যে পর্যন্ত না এর কোনরূপ সমন্বয় সাধন সম্ভবপর হয়, সে পর্যন্ত এই হাদীসের ব্যাপারে অপেক্ষা করতে হবে অর্থাৎ এই ধরনের রিওয়ায়াত প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না।

মুদ্রাজ (مدرج): যে হাদীসের মধ্যে রাবী নিজের অথবা অপরের উক্তিকে অনুপ্রবেশ করিয়েছেন, সে হাদীসকে মুদ্রাজ এবং এইরূপ করাকে ‘ইদরাজ’ বলা হয়।

মুত্তাসিল (متصل): যে হাদীসের সনদের ধারাবাহিকতা প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত পূর্ণরূপে রক্ষক্ষত আছে, কোন সত্মরেই কোন রাবীর নাম বাদ পড়ে নি তাকে মুত্তাসিল হাদীস বলে।

মুনকাতি (منقطع): যে হাদীসের সনদে ধারাবাহিকতা রক্ষিত হয় নি, মাঝখানে কোন এক স্তরে কোন রাবীর নাম বাদ পড়েছে, তাকে মুনকাতি হাদীস, আর এই বাদ পড়াকে ইনকিতা বলা হয়।

মুরসাল (مرسل): যে হাদীসের সনদে ইনকিতা শেষের দিকে হয়েছে, অর্থাৎ সাহাবীর নাম বাদ পড়েছে এবং তাবেঈ সরাসরি রাসুলুল্লাহ () এর উল্লেখ করে হাদীস বর্ণনা করেছেন তাকে মুরসাল হাদীস বলা হয়।

মুআল্লাক ( معلق ) : সনদের ইনকিতা প্রথম দিকে  হলে, অর্থাৎ সাহাবীর পর এক বা একাধিক রাবীর নাম বাদ পড়লে তাকে মু’আল্লাক হাদীস বলা হয়।

মুদাল (معضل): যে হাদীসে দুই বা ততোধিক রাবী ক্রমান্বয়ে সনদ থেকে বাদ পড়েছে তাকে মু‘দাল হাদীস বলে।

মুতাবি ও শাহিদ (متابع و شاهد): এক রাবীর হাদীসের অনুরূপ যদি অপর রাবীর কোন হাদীস পাওয়া যায় তবে দ্বিতীয় রাবীর হাদীসকে প্রথম রাবীর হাদীসের মুতাবি বলা হয়। যদি উভয় হাদীসের মূল রাবী অর্থাৎ সাহাবী একই ব্যক্তি না হয় তবে দ্বিতীয় ব্যক্তির হাদীসকে শাহিদ বলে। আর এইরূপ হওয়াকে শাহাদাত বলে। মুতাবা’আত ও শাহাদাত দ্বারা প্রথম হাদীসটির শক্তি বৃদ্ধি পায়।

মারূফ ও মুনকার (معروف و منكر): কোন দুর্বল রাবীর বর্ণিত হাদীস অপর কোন মাকবূল (গ্রহণযোগ্য) রাবীর বর্ণিত হাদীসের বিরোধী হলে তাকে মুনকার বলা হয় এবং মাকবূল রাবীর হাদীসকে মা‘রূফ বলা হয়।

সহীহ (صحيح) : যে মুত্তাসিল হাদীসের সনদে উল্লেখিত প্রত্যেক রাবীই পূর্ণ আদালত ও যাবত (ধারণ ক্ষমতা) গুণ সম্পন্ন এবং হাদীসটি যাবতীয় দোষত্রুটি ও শায মুক্ত তাকে সহীহ হাদীস বলে।

হাসান (حسن) : যে হাদীসের মধ্যে রাবীর যাবত (ধারণ ক্ষমতা) এর গুণ ব্যতীত সহীহ হাদীসের সমস্ত শর্তই পরিপূর্ণ রয়েছে তাকে হাসান হাদীস বলা হয়। ফক্বীহগণ সাধারণত সহীহ ও হাসান হাদীসের ভিত্তিতে শরীয়াতের বিধান নির্ধারণ  করেন।

যঈফ (ضعيف ) : যে হাদীসের রাবী কোন হাসান হাদীসের রাবীর গুণসম্পন্ন নন তাকে যঈফ হাদীস বলে।

মাওযূ ( موضوع ) : যে হাদীসের রাবী জীবনে কখনও ইচ্ছাকৃতভাবে রাসুলুল্লাহ ()-এর নামে মিথ্যা কথা রটনা করেছেন বলে প্রমাণিত হয়েছে, তার বর্ণিত হাদীসকে মাওযূ‘ হাদীস বলে।

 

রাবীর সংখ্যা বিচারে হাদীস প্রধানত দুপ্রকার। যথা: ১. মুতওয়াতির (متواتر) ও ২. আহাদ (أحاد)

১. মুতওয়াতির (متواتر): বৃহৎ সংখ্যক রাবীর বর্ণিত হাদীস, মিথ্যার ব্যাপারে যাদের উপর একাট্টা হওয়া অসম্ভব, সনদের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত এ সংখ্যা বিদ্যমান থাকলে হাদীসকে মুতওয়াতির (متواتر) বলা হয়।

২. আহাদ (أحاد): أحاد তিন প্রকার। যথা:

মাশহুর (مشهور): যে কোন স্তরে হাদীস বর্ণনা কারীর সংখ্যা যদি দুই এর অধিক হয়, কিন্তু মুতওয়াতির এর পর্যায়ে পৌঁছে না তাকে মাশহুর (مشهور) বলে।

আযীয (عزيز): যে কোন স্তরে হাদীস বর্ণনা কারীর সংখ্যা যদি দু‘জন হয় ।

গরীব (غريب): যে কোন স্তরে হাদীস বর্ণনা কারীর সংখ্যা যদি এক জন হয় ।

শায (شاذ): একাধিক নির্ভরযোগ্য রাবীর বিপরীত একজন নির্ভরযোগ্য রাবীর বর্ণনাকে শায হাদীস বলে।

 কিয়াস (قياس): অর্থ অনুমান, পরিমাপ, তুলনা ইত্যাদি। পরিভাষায়: শাখাকে মূলের সঙ্গে তুলনা করা, যার ফলে শাখা ও মূল একই হুকুমের অমত্মর্ভুক্ত হয়ে যায়।

তাক্বলীদ (تقليد): দলীল উল্লেখ ছাড়াই কোন ব্যক্তির মতামতকে গ্রহণ করা।

ইজতিহাদ (اجتهاد): উদ্দিষ্ট জ্ঞান অর্জনের প্রচেষ্টা চালানোকে ইজতিহাদ বলে।

শরীয়াত (شريعة): অর্থ: আইন, বিধান, পথ, পন্থা ইত্যাদি। পরিভাষায়: মহান আল্লাহ্‌ স্বীয় দীন হতে বান্দার জন্য যা বিধিবদ্ধ করে দিয়েছেন তাকে শরীয়াত বলে।

মাযহাব (مذهب): অর্থ- মত, পথ, মতবাদ ইত্যাদি। ফিক্বহী পরিভাষায়: ইবাদাত ও মু‘আমালাতের ক্ষেত্রে শারঈ হুকুম পালনের জন্য বান্দা যে পথ অনুসরণ করে এবং প্রত্যেক দলের জন্য একজন ইমামের উপর অথবা ইমামের ওসীয়ত কিংবা ইমামের প্রতিনিধির উপর নির্ভর করে তাকে মাযহাব বলে।

নাযর (نذر): কোন বিষয়ে উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য চিন্তা-ভাবনা করাকে নাযর বলে।

আম (عام): সীমাবদ্ধ করা ছাড়াই যা দুই বা ততোধিক বিষয়কে অন্তর্ভুক্ত করে তাকে আম বলে।

খাস (خاص): আম এর বিপরীত, যা নির্দিষ্ট বিষয়কে অন্তর্ভুক্ত করে।

ইজমা (اجماع): কোন এক যুগে আলিমদের কোন শারঈ বিষয়ের উপর এক মত পোষণ করাকে ইজমা বলে।

মুসনাদ (مسند): যার সনদগুলো পরস্পর এমনভাবে মিলিত যে, প্রত্যেকের বর্ণনা সুস্পষ্ট।

ফিক্বহ (فقه): ইজতিহাদ বা গবেষণার পদ্ধতিতে শারঈ হুকুম সম্পর্কে জানার বিধানকে ফিক্বহ বলে।

আসল বা মূল (اصل): এমন প্রথম বিষয়, যার উপর ভিত্তি করে কোন কিছু গড়ে উঠে। যেমন- দেয়ালের ভিত্তি।

ফারা বা শাখা (فرع): আসলের বিপরীত যা কোন ভিত্তির উপর গড়ে উঠে।

ওয়াজিব (واجب): যা আমল করলে সাওয়াব পাওয়া যাবে আর পরিত্যাগ করলে শাস্তি পাওয়া যাবে।

মানদূব (مندوب): যা আমল করলে সাওয়াব পাওয়া যাবে আর পরিত্যাগ করলে শাস্তি হবে না।

মাহযূর (محظور): যা পরিত্যাগ করলে সাওয়াব পাওয়া যাবে আর আমল করলে শাস্তি পাওয়া যাবে।

মাকরূহ (مكروه): যা পরিত্যাগ করলে সাওয়াব পাওয়া যাবে আর আমল করলে শাস্তি হবে না।

ফাৎওয়া (فتوى): জিজ্ঞাসিত ব্যক্তির নিকট থেকে দলীল ভিত্তিক শারঈ হুকুম সুস্পষ্ট বর্ণনা করে নেয়াকে ফাৎওয়া বলে।

নাসিখ (ناسخ): পরিবর্তিত শারঈ দলীল যা পূববর্তী শারঈ হুকুমকে রহিত করে দেয় তাকে নাসিখ বলে।

মানসূখ (منسوخ): আর যে হুকুমটি রহিত হয়ে যায় সেটাই মানসূখ।

মুতলাক্ব (مطلق): যা প্রকৃতিগত দিক থেকে জাতির সকলকে অন্তর্ভুক্ত  করে কিন্তু অনির্দিষ্টভাবে একটি অর্থকে বুঝায়।

মুকাইয়্যাদ (مقيد): যা মুতলাক্বের বিপরীত অর্থাৎ জাতির সকলকে অন্তর্ভুক্ত  করে না। বরং নির্দিষ্ট একটি অর্থকে বুঝায়।

হাক্বীকাত (حقيقة): শব্দকে আসল অর্থে ব্যবহার করাকে হাক্বীকত বলে। যেমন- সিংহ শব্দটি এক প্রজাতির হিংস্র প্রাণীকে বুঝায়।

মাজায (مجاز): শব্দ যখন আসল অর্থকে অতিক্রম করে তার সাথে সাদৃশ্য রাখে এমন অর্থ প্রকাশ করে তখন তাকে মাজায বলে। যেমন- সাহসী লোককে সিংহের সাথে তুলনা করা।

হাদিসের পরিসংখ্যান

সর্বমোট হাদিস পাওয়া গেছেঃ [2000] টি | অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ
গ্রন্থঃ যঈফ ও জাল হাদিস | দেখানো হচ্ছে   [271]  থেকে  [280]  পর্যন্ত
প্রতি পাতাতে টি হাদিস

পাবলিশারঃ তাওহীদ পাবলিকেশন
গ্রন্থঃ যঈফ ও জাল হাদিস
অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ
হাদিস নম্বরঃ ২৭১ | 271 | ۲۷۱

২৭১। যে ব্যাক্তি কুরআন জমা করবে, মৃত্যু পর্যন্ত আল্লাহ তাঁকে তার জ্ঞান দ্বারা উপকৃত করবেন।

হাদীসটি জাল।

এটি আবূ সাঈদ ইবনুল আরাবী তার “আল-মু'জাম” গ্রন্থে (২/১১১) ইবরাহীম ইবনু হায়সামের মাধ্যমে আবূ সালেহ্ হতে ... বর্ণনা করেছেন। ইবনু আসাকির (২/১১১/২) অন্য একটি সূত্রে আবূ সালেহ্ হতে বর্ণনা করেছেন। এটির সনদ নিতান্তই দুর্বল। বর্ণনাকারী রিশদীন ইবনু সাঈদ সম্পর্কে হাফিয ইবনু হাজার "আত-তাকরীব" গ্রন্থে বলেনঃ তিনি দুর্বল। আবূ হাতিম ইবনু লাহীয়াকে তার উপর অগ্রাধিকার দিয়েছেন। ইবনু ইউনুস বলেনঃ তিনি দ্বীনের ক্ষেত্রে নেককার ছিলেন। আমি তাকে সালেহীনদের মধ্যে গাফেল হিসাবে পেয়েছি। ফলে তার হাদীসে সংমিশ্রণ ঘটেছে।

আমি (আলবানী) বলছিঃ বাহ্যিকতা প্রমাণ করছে যে, এটি তার সংমিশ্রণ ঘটিত হাদীসগুলোর একটি। হতে পারে হাদীসটি আব্দুল্লাহ ইবনু সালেহ (আবু সালেহ)-এর প্রতিবেশী খালেদ ইবনু নাজীহ কর্তৃক জালকৃত। কারণ তিনি হাদীস জাল করতেন এবং আব্দুল্লাহর গ্রন্থ সমূহে ঢুকিয়ে দিতেন। অথচ আব্দুল্লাহ তা বুঝতে পারতেন না। দেখুন “আল-মীযান” গ্রন্থ (২/৪৬-৪৮) এবং এ মর্মে আবূ হাতিমের ভাষ্য ১৯৪ নং হাদিসে দেখুন, সেখানেও তার সম্পর্কে ব্যাখ্যা দেয়া হয়েছে।



হাদিসের মানঃ  জাল (Fake)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!

من جمع القرآن متعه الله بعقله حتى يموت
موضوع

-

رواه أبو سعيد بن الأعرابي في " معجمه " (111 / 2) : أخبرنا إبراهيم بن الهيثم يعني البلدي أخبرنا أبو صالح عبد الله بن صالح، أخبرنا رشدين بن سعد عن جرير بن حازم عن حميد عن أنس مرفوعا، ورواه ابن عساكر (2 / 111 / 2) من طريق آخر عن أبي صالح به
وهذا سند ضعيف جدا، رشدين بن سعد قال الحافظ في " التقريب ": ضعيف، رجح أبو حاتم عليه ابن لهيعة، وقال ابن يونس: كان صالحا في دينه فأدركته غفلة الصالحين فخلط في الحديث
قلت: فالظاهر أن هذا من تخاليطه، ويحتمل أن يكون من وضع خالد بن نجيح جار لعبد الله بن صالح كان يضع الحديث في كتب عبد الله وهو لا يشعر! انظر " الميزان " (2 / 46 - 48) ، وقول أبي حاتم المتقدم تحت الحديث (194)

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ তাওহীদ পাবলিকেশন
গ্রন্থঃ যঈফ ও জাল হাদিস
অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ
হাদিস নম্বরঃ ২৭২ | 272 | ۲۷۲

২৭২। ব্যাক্তির জ্ঞানের গভীরতা যাচাই কর তার দাড়ির দীর্ঘায়ত্বের মাঝে, আংটির কারুকার্যের মাঝে এবং তার কুনিয়াতের মাঝে।

হাদীসটি জাল।

এটিকে সুয়ূতী “যায়লু আহাদীসিল মাওযুআহ” গ্রন্থে (পৃঃ ১০) ইবনু আসাকিরের বর্ণনা হতে উসমান ইবনু আব্দির রহমান আত-তারায়েকী হতে উল্লেখ করেছেন। তিনি ইয়াযীদ ইবনু সিনান আশয়ারী হতে ... বর্ণনা করেছেন। সুয়ূতী বলেনঃ ইয়াযীদ দুর্বল এবং তারায়েফীকে ইবনু নুমায়ের মিথ্যুক আখ্যা দিয়েছেন।



হাদিসের মানঃ  জাল (Fake)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!

اعتبروا عقل الرجل فى طول لحيته ونقش خاتمه وكنوته
موضوع

-

ذكره السيوطي في " ذيل الأحاديث الموضوعة " (ص 10) من رواية ابن عساكر بسنده عن عثمان بن عبد الرحمن الطرائفي عن يزيد بن سنان الأشعري عن أبي دوس الأشعري قال: كنا عند معاوية جلوسا إذ أقبل علينا رجل طويل اللحية، فقال معاوية
أيكم يحفظ حديث رسول الله صلى الله عليه وسلم في طول اللحية، فسكت القوم، فقال معاوية: لكني أحفظه، فلما جلس الرجل قال معاوية: أما اللحية فلسنا نسأل عنها! سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: فذكره، قال: فما كنوتك؟
قال: أبو كوكب الدرى، قال: فما نقش خاتمك؟ قال: وتفقد الطير، فقال: ما لي لا أرى الهدهد أم كان من الغائبين، فقال: وجدنا حديث رسول الله صلى الله عليه وسلم حقا، قال السيوطي: يزيد ضعيف، والطرائفي كذبه ابن نمير

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ তাওহীদ পাবলিকেশন
গ্রন্থঃ যঈফ ও জাল হাদিস
অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ
হাদিস নম্বরঃ ২৭৩ | 273 | ۲۷۳

২৭৩। সূরা নেসার পরে ওয়াকফ নেই।

হাদীসটি দুর্বল।

এটি তাহাবী “শারহু মা'য়ানীল আসার” গ্রন্থে (২/২৫০), তাবারানী (৩/১১৪/১), দারাকুতনী (৪/৬৮/৩,৪) এবং বাইহাকী তার “সুনান” গ্রন্থে (৬/১৬২) আব্দুল্লাহ ইবনু লাহীয়াহ সূত্রে ঈসা ইবনু লাহীয়াহ হতে ... বর্ণনা করেছেন।

দারাকুতনী বলেন (বাইহাকীও তাকে সমর্থন করেছেন) ইবনু লাহীয়াহ ছাড়া অন্য কেউ তার ভাই থেকে মুসনাদ হিসাবে বর্ণনা করেননি। তারা দু’জনই দুর্বল।
এটিকে সুয়ূতী “জামেউস সাগীর” গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন এবং হাসান হিসাবে চিহ্নিত করেছেন। মানাবী দারাকুতনী ও “আল-মাজমা” গ্রন্থে (২/৭) হায়সামীর কথা দ্বারা তার প্রতিবাদ করেছেন। তিনি বলেনঃ হাদীসটি তাবারানী বর্ণনা করেছেন, যার সনদে ঈসা ইবনু লাহীয়াহ রয়েছেন; তিনি দুর্বল।

তাহাবী ইমাম আবু হানীফা (রহঃ)-এর নিকট ওয়াকফ বাতিল এ মতামতের সমর্থনে এ হাদীস দ্বারা দলীল গ্রহণ করেছেন। এরূপ দলীল গ্রহণ করা নিতান্তই দুর্বল নিম্নে বর্ণিত কারণেঃ

১। হাদীসটি দুর্বল; যেমনটি অবহিত হয়েছেন। এর দ্বারা দলীল গ্রহণ করা অবৈধ ।

২। এটি (ওয়াকফ) শরীয়ত সম্মত এ মর্মে বর্ণিত সহীহ হাদীসের সাথে সাংঘর্ষিক, যা বুখারী ও মুসলিমের মধ্যে বর্ণিত হয়েছে। দেখুন "ইরওয়াউল গালীল” (৬/৩০/১৫৮২)।



হাদিসের মানঃ  যঈফ (Dai'f)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!

لا حبس (أي وقف) بعد سورة النساء
ضعيف

-

أخرجه الطحاوي في " شرح معاني الآثار " (2 / 250) والطبراني (3 / 114 / 1) والدارقطني (4 / 68 / 3 و4) والبيهقي في " سننه " (6 / 162) من طريق عبد الله بن لهيعة حدثنا عيسى بن لهيعة عن عكرمة قال: سمعت ابن عباس يقول: سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول بعد ما نزلت سورة النساء وفرضت فيها الفرائض: فذكره، وقال الدارقطني: وأقره البيهقي: لم يسنده غير ابن لهيعة عن أخيه وهما ضعيفان
قلت: وبه يعرف ما في رمز السيوطي في " الجامع الصغير " لحسنه، وقد رده عليه المناوي في شرحه بقول الدارقطني هذا، وبقول الهيثمي في " المجمع " (7 / 2) : رواه الطبراني وفيه عيسى بن لهيعة وهو ضعيف، والحديث استدل به
الطحاوي لأبي حنيفة في قوله: إن الوقف باطل، وهو استدلال واه لأمور
الأول: أن الحديث ضعيف كما علمت فلا يجوز الاحتجاج به
الثاني: أنه معارض بأحاديث صحيحة في مشروعية الوقف، منها قوله صلى الله عليه وسلم لعمر بن الخطاب: " حبس الأصل، وسبل الثمرة " أي اجعله وقفا حبيسا، رواه الشيخان في " صحيحيهما "، وهو مخرج في " الإرواء " (6 / 30 / 1582)
الثالث: أنه يمكن تفسيره بمعنى لا يتعارض مع الأحاديث الصحيحة وبه فسره ابن الأثير في " النهاية " فقال: أراد أنه لا يوقف مال ولا يزوى عن وارثه، وكأنه إشارة إلى ما كانوا يفعلونه في الجاهلية من حبس مال الميت ونسائه، كانوا إذا كرهو االنساء لقبح أو قلة مال حبسوهن عن الأزواج لأن أولياء الميت كانوا أولى بهن عندهم

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ তাওহীদ পাবলিকেশন
গ্রন্থঃ যঈফ ও জাল হাদিস
অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ
হাদিস নম্বরঃ ২৭৪ | 274 | ۲۷٤

২৭৪। চল্লিশটি বাড়ী পর্যন্ত প্রতিবেশী এ মর্মে জিবরীল আমাকে ওয়াসিয়াত করেছেন। চতুর্দিকে দশটি দশটি করে।

হাদীসটি দুর্বল।

এটি বাইহাকী (৬/২৭৬) ইসমাঈল ইবনু সায়েফ হতে ... বর্ণনা করেছেন। অতঃপর বলেছেনঃ এটির সনদ দুর্বল। আমি (আলবানী) বলছিঃ যায়লাঈ “নাসবুর রায়ার” গ্রন্থে (৪/৪১৪) তা স্বীকার করেছেন। কারণ এ ইসমাঈল সম্পর্কে ইবনু আদী (১/৩১৮) বলেনঃ তিনি নির্ভরযোগ্যদের উদ্ধৃতিতে ভেজালযুক্ত হাদীস বর্ণনা করেছেন এবং তিনি হাদীস চোর।

আমি (আলবানী) বলছিঃ বর্ণনাকার সাকীনা এবং উম্মে হানীকে আমি চিনি না।



হাদিসের মানঃ  যঈফ (Dai'f)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!

أو صاني جبرائيل عليه السلام بالجار إلى أربعين دارا، عشرة من ها هنا وعشرة من ها هنا، وعشرة من ها هنا، وعشرة من ها هنا
ضعيف

-

أخرجه البيهقي (6 / 276) عن إسماعيل بن سيف حدثتني سكينة قالت: أخبرتني أم هانيء بنت أبي صفرة عن عائشة مرفوعا، وقال: في إسناده ضعف
قلت: وأقره في " نصب الراية " (4 / 414) وذلك لأن إسماعيل هذا قال ابن عدي (1 / 318) : حدث بأحاديث عن الثقات غير محفوظة، ويسرق الحديث
قلت: وسكينة وأم هانيء لم أعرفهما ولا يفيد هنا بصورة خاصة توثيق ابن حبان (8 / 103) لإسماعيل هذا لأنه قال: مستقيم الحديث إذا حدث عن ثقة

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ তাওহীদ পাবলিকেশন
গ্রন্থঃ যঈফ ও জাল হাদিস
অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ
হাদিস নম্বরঃ ২৭৫ | 275 | ۲۷۵

২৭৫। সাবধান! অবশ্যই চল্লিশ ঘর পর্যন্ত প্রতিবেশী। সেই ব্যাক্তি জান্নাতে প্রবেশ করবে না যার প্রতিবেশী তার অনিষ্ঠতাকে ভয় করে। চল্লিশ ঘর বলতে কী বুঝানো হচ্ছে এ মর্মে যুহরীকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল? তিনি বললেনঃ চল্লিশ এ দিকে আর চল্লিশ ঐ দিকে।

হাদীসটি দুর্বল।

এটি তাবরানী “মুজামুল কাবীর” গ্রন্থে (১৯/৭৩/নং ১৪৩) ইউসুফ ইবনু সাফার হতে এবং তিনি আওযাঈ হতে ... বর্ণনা করেছেন। বর্ণনাকারী ইউসুফ ইবনু সাফার আবুল ফায়েয সম্পর্কে সমালোচনা রয়েছে। অনুরূপ কথা যায়লাঈও (৪/৪১৩-৪১৪) বলেছেন। তাদের পক্ষ হতে এ ইবনু সাফার সম্পর্কে নিতান্তই নরম কথা বলা হয়েছে। কারণ এরূপ কথা বলা হয় যার ব্যাপারে ভাল না মন্দ এ নিয়ে দ্বন্দ্ব রয়েছে তার ক্ষেত্রে। অথচ এ ইবনু সাফার মাতরূক হওয়ার ব্যাপারে সবাই একমত, বরং তাকে দারাকুতনী মিথ্যুক আখ্যা দিয়েছেন এবং বাইহাকী তার সম্পর্কে বলেছেনঃ তিনি হাদীস জালকারীদের অন্তর্ভুক্ত। তার জাল হাদীস পূর্বে আলোচিত হয়েছে (১৮৭ নং)।

এ জন্য হায়সামী “আল-মাজমা" গ্রন্থে ( ৮/১৬৯) বলেছেনঃ ইউসুফ ইবনুস সাফার মাতরক।

আমি (আলবানী) বলছি হাকাল ইবনু যিয়াদ আওযাই হতে মুরসাল হিসাবে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। সেটি আবু দাউদ তার "আল-মারাসীল" গ্রন্থে (নং ৩৫০) বর্ণনা করেছেন।

এটির সনদের বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য। যদি মুরসাল না হত তাহলে সহীহ বলে হুকুম লাগাতাম। হাফিয় ইরাকী “তাখরীজুল ইহইয়া” গ্রন্থে (২/১৮৯) বলেছেনঃ হাদীসটি দুর্বল। অনুরূপ কথা হাফিয ইবনু হাজার “ফাতহুল বারী” গ্রন্থেও (১০/৩৯৭) বলেছেন।

আমি (আলবানী) বলছিঃ হাদীসটির অংশ বিশেষ ولا يدخل الجنة من خاف সহীহ। কারণ আবু হুরাইরাহ্ (রাঃ)-এর হাদীসের মধ্যে এসেছে এ ভাষায়ঃ

 لا يدخل الجنة من لا يأمن جاره بوائقه

এটি মুসলিম (১/৪৯) এবং বুখারী “আদাবুল মুফরাদ” গ্রন্থে (পৃঃ ২০) বর্ণনা করেছেন।



হাদিসের মানঃ  যঈফ (Dai'f)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!

ألا إن أربعين دارا جوار، ولا يدخل الجنة من خاف جاره بوائقه "، قيل للزهري: أربعين دارا؟ قال: أربعين هكذا، وأربعين هكذا
ضعيف

-

أخرجه الطبراني في " الكبير " (19 / 73 / رقم 143) عن يوسف بن السفر عن الأوزاعي عن يونس بن يزيد عن الزهري عن عبد الرحمن بن كعب بن مالك عن أبيه قال: أتى النبي صلى الله عليه وسلم رجل فقال: يا رسول الله إني نزلت محلة بني فلان، وإن أشدهم لي أذى أقربهم لي جوارا، فبعث النبي صلى الله عليه وسلم أبا بكر وعمر وعليا أن يأتوا باب المسجد فيقوموا عليه فيصيحوا: (ألا ...)
ويوسف بن السفر أبو الفيض فيه مقال، كذا قال الزيلعي (4 / 413 - 414) وقد ألان القول جدا في ابن السفر هذا، فإن مثل هذا القول: فيه مقال إنما يقال فيمن هو مختلف في توثيقه وتجريحه، وابن السفر هذا متفق على تركه بل كذبه الدارقطني وقال البيهقي: هو في عداد من يضع الحديث، وقد مضى بعض أحاديثه الموضوعة (برقم 187) ولهذا قال الهيثمي بعد أن ساق له هذا الحديث في " المجمع " (8 / 169) : وفيه يوسف بن السفر وهو متروك.
قلت: وقد خالفه هقل بن زياد فقال: حدثنا الأوزاعي عن يونس عن ابن شهاب الزهري قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: فذكره مرسلا، أخرجه أبو داود في " المراسيل " (رقم 350) حدثنا إبراهيم بن مروان الدمشقي حدثني أبي حدثنا هقل بن زياد به، ويأتي لفظه بعد حديث.
وهذا سند رجاله ثقات ولولا إرساله لحكمت عليه بالصحة، وعلى من يقول بصحة المرسل أن يأخذ به كالحنفية ولهذا أقول: إن قول صاحب " الهداية "، وما قاله الشافعي إن الجوار إلى أربعين دار بعيد، وما يرويه فيه ضعف لا يتفق مع قول الحنفية: إن الحديث المرسل حجة، فتأمل والحديث قال الحافظ العراقي في " تخريج الإحياء " (2 / 189) بعد أن ساقه من الوجهين المرسل والموصول: إنه حديث ضعيف، وكذا قال الحافظ في " الفتح " (10 / 397) .
قلت: وأما قوله: " ولا يدخل الجنة ... "، فصحيح لأنه جاء من حديث أبي هريرة مرفوعا بلفظ: " لا يدخل الجنة من لا يأمن جاره بوائقه " أخرجه مسلم (1 / 49) والبخاري في " الأدب المفرد " (ص 20) ، وهو مخرج في " السلسلة الأخرى " (رقم 549)

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ তাওহীদ পাবলিকেশন
গ্রন্থঃ যঈফ ও জাল হাদিস
অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ
হাদিস নম্বরঃ ২৭৬ | 276 | ۲۷٦

২৭৬। প্রতিবেশীর হক হচ্ছে চল্লিশ বাড়ী পর্যন্ত। এদিকে, ঐদিকে তথা ডানে, বামে, সম্মুখে ও পিছনে।

হাদীসটি নিতান্তই দুর্বল।

হাদীসটি নিতান্তই দুর্বল। এটি আবু ইয়ালা তার “মুসনাদ” গ্রন্থে (১০/৩৮৫/ ৫৯৮২) বর্ণনা করেছেন। এটির সনদে মুহাম্মাদ ইবনু জামে আল-আত্তার, মুহাম্মাদ ইবনু উসমান ও আব্দুস সালাম ইবনু আবীল জানূব রয়েছেন। আবু ইয়ালার সূত্র হতেই হাদীসটি ইবনু হিব্বান “আয-যুয়াফা” গ্রন্থে (২/১৫০) বর্ণনা করেছেন এবং এটির সমস্যা হিসাবে আব্দুস সালামকে মুনকারুল হাদীস বলে চিহ্নিত করেছেন।

আমি (আলবানী) বলছিঃ যায়লাঈ “নাসবুর রায়া” গ্রন্থে (৩/৪১৪) তার এ বক্তব্যকে সমর্থন করেছেন। ইবনু হিব্বান এটিকে “আস-সিকাত” গ্রন্থেও (৭/১২৭) উল্লেখ করেছেন। আবু হাতিম (৩/১/৪৫) বলেনঃ তিনি মাতরূকুল হাদীস।

আমি (আলবানী) বলছিঃ হাদীসটির সনদে অন্য একটি সমস্যা রয়েছে। হায়সামী বলেনঃ (৮/১৬৮) আবূ ইয়ালা তার শাইখ মুহাম্মাদ ইবনু জামে আল-আত্তার হতে বর্ণনা করেছেন। তিনি দুর্বল।

আমি (আলবানী) বলছিঃ এর চেয়েও বরং তার অবস্থা আরো খারাপ। আবূ যুর'য়াহ বলেনঃ তিনি সত্যবাদী নন।

এছাড়া মুহাম্মাদ ইবনু উসমান হচ্ছেন জামহী মাক্কী, তিনিও দুর্বল। এটি হচ্ছে হাদীসটির তৃতীয় সমস্যা। এ কারণেই হাফিয ইরাকী “তাখরীজুল ইহইয়া” গ্রন্থে (২/১৮৯) বলেছেনঃ হাদীসটি দুর্বল।



হাদিসের মানঃ  যঈফ (Dai'f)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!

حق الجوار إلى أربعين دارا، وهكذا وهكذا وهكذا يمينا وشمالا وقدام وخلف
ضعيف جدا

-

رواه أبو يعلى في " مسنده " (10 / 385 / 5982) حدثنا محمد بن جامع العطار حدثنا محمد بن عثمان حدثنا عبد السلام بن أبي الجنوب عن أبي سلمة عن أبي هريرة مرفوعا، وعن أبي يعلى رواه ابن حبان في " الضعفاء " (2 /150) وأعله بعبد السلام هذا وقال: إنه منكر الحديث
قلت: وأقره الزيلعي في " نصب الراية " (3 / 414) ثم تناقض ابن حبان فذكره في " الثقات " (7 / 127) ، انظر " تيسير الانتفاع وقال أبو حاتم: (3 / 1 / 45) : متروك الحديث
قلت: وفيه علة أخرى فقال الهيثمي في " المجمع " (8 / 168) : رواه أبو يعلى عن شيخه محمد بن جامع العطار وهو ضعيف
قلت: بل هو أسوأ حالا، قال أبو زرعة: ليس بصدوق، ومحمد بن عثمان وهو الجمحي المكي ضعيف فهذه علة ثالثة
ولهذا قال الحافظ العراقي في " تخريج الإحياء " (2 / 189) : إنه حديث ضعيف

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ তাওহীদ পাবলিকেশন
গ্রন্থঃ যঈফ ও জাল হাদিস
অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ
হাদিস নম্বরঃ ২৭৭ | 277 | ۲۷۷

২৭৭। চল্লিশটি বাড়ীর অধিবাসীরাই প্রতিবেশী।

হাদীসটি দুর্বল।

এটি আবু দাউদ তার “আল-মারাসীল” গ্রন্থে (৪৫০) যুহরী হতে মুরসাল হিসাবে বর্ণনা করেছেন। যুহরীকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল কীভাবে চল্লিশ ঘর? তিনি বলেনঃ ডানে চল্লিশ, বামে চল্লিশ, পিছনে চল্লিশ এবং সামনে চল্লিশ ।

এটির সনদের বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য। হাদীসটি সহীহ সেই ব্যক্তির নিকট যিনি মুরসালকে দলীল হিসাবে গ্রহণ করেন।

আলেমগণ প্রতিবেশীর সীমা-রেখা নির্ধারণের ব্যাপারে মতভেদ করেছেন। হাফিয ইবনু হাজার “ফাতহুল বারী” গ্রন্থে (১০/৩৬৭) সেগুলো উল্লেখ করেছেন। সীমা-রেখা নির্দিষ্ট করে যা কিছু রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণনা করা হয়েছে সেগুলো দুর্বল, সহীহ নয়। সমাজ যতটুকু পর্যন্ত প্রতিবেশী হিসাবে গণ্য করে ততটুকুই প্রতিবেশী হিসাবে গণ্য হবে। এ সিদ্ধান্তটিই সঠিক।



হাদিসের মানঃ  যঈফ (Dai'f)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!

الساكن من أربعين دارا جار
ضعيف

-

أخرجه أبو داود في " المراسيل " (450) عن الزهري مرسلا مرفوعا وفيه
قيل للزهري: وكيف أربعون دارا؟ قال: أربعون عن يمينه وعن يساره، وخلفه وبين يديه، ورجاله ثقات، فهو صحيح عند من يحتج بالمرسل كما سبق بيانه قبل حديث
وقد اختلف العلماء في حد الجوار على أقوال ذكرها في " الفتح " (10 / 367) ، وكل ما جاء تحديده عنه صلى الله عليه وسلم بأربعين ضعيف لا يصح، فالظاهر أن الصواب تحديده بالعرف، والله أعلم

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ তাওহীদ পাবলিকেশন
গ্রন্থঃ যঈফ ও জাল হাদিস
অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ
হাদিস নম্বরঃ ২৭৮ | 278 | ۲۷۸

২৭৮। জ্ঞান হচ্ছে ভাণ্ডার এবং তার চাবি হচ্ছে প্রশ্ন করা/ জিজ্ঞাসা করা। অতএব তোমরা জিজ্ঞাসা কর, তোমাদেরকে আল্লাহ দয়া করবেন। কারন তাতে চার জনকে সওয়াব দেয়া হবে; প্রশ্নকারীকে, শিক্ষককে, মনোযোগ সহকারে শ্রবণকারীকে এবং তাঁদের উত্তর দানকারীকে।

হাদীসটি জাল।

এটি আবূ নু’য়াইম (৩/১৯২) এবং আবু উসমান আন-নুজায়রেমী “আল-ফাওয়াইদ” গ্রন্থে (১/২৪) দাউদ ইবনু সুলায়মান আল-কাযযায সূত্রে ... বর্ণনা করেছেন। অতঃপর আবু নু’য়াইম বলেনঃ এ হাদীসটি গারীব, এ সনদ ছাড়া অন্য কোন সনদে আমরা এটিকে লিখিনি।

আমি (আলবানী) বলছিঃ এটির সনদ দাউদ ইবনু সুলায়মান হতে জালকৃত। তিনি হচ্ছেন জুরজানী গাযী। যাহাবী তার সম্পর্কে বলেনঃ ইয়াহইয়া ইবনু মাঈন তাকে মিথ্যুক আখ্যা দিয়েছেন। আবু হাতিম তাকে চিনেন না। সর্বাবস্থায় তিনি মিথ্যুক শাইখ। আলী ইবনু মূসা আর-রিযা হতে তার একটি জাল কপি রয়েছে। অতঃপর তার কতিপয় হাদীস উল্লেখ করেছেন, এটি সেগুলোর একটি।

হাফিয ইবনু হাজারও “লিসানুল মীযান” গ্রন্থে তার (যাহাবীর) কথাকে সমর্থন করেছেন। এ কারণেই সুয়ূতী “জামেউস সাগীর” গ্রন্থে হাদীসটি উল্লেখ করে ক্রটি করেছেন। মানাবী যাহাবী ও আসকালানীর কথা উল্লেখ করে তার সমালোচনা করেছেন। হাদীসটি অন্য এক সনদে “আওয়ালী” গ্রন্থে শায়রাবী (১/২১৩) এবং “আল-ফাকীহ ওয়াল মুতাফাক্কিহ” গ্রন্থে (২/৩২) আল-খাতীব বর্ণনা করেছেন। কিন্তু এটির সনদে আব্দুল্লাহ ইবনু আহমাদ আত-তাঈ রয়েছেন। তার অবস্থা জুরজানীর অবস্থার ন্যায়। তিনি তার পিতা হতে বাতিল-বানোয়াট কপি বর্ণনা করেছেন। তিনি অথবা তার পিতা এটি জাল করেছেন।



হাদিসের মানঃ  জাল (Fake)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!

العلم خزائن، ومفتاحها السؤال، فاسألوا يرحمكم الله، فإنه يؤجر فيه أربعة: السائل، والمعلم، والمستمع، والمجيب لهم
موضوع

-

أخرجه أبو نعيم (3 / 192) وأبو عثمان النجيرمي في " الفوائد " (24 / 1) من طريق داود بن سليمان القزاز حدثنا علي بن موسى الرضى حدثني أبي عن أبيه جعفر عن أبيه محمد بن علي عن أبيه علي بن الحسين بن علي عن أبيه عن علي بن أبي طالب مرفوعا، وقال أبو نعيم: هذا حديث غريب لم نكتبه إلا بهذا الإسناد
قلت: وهو إسناد موضوع من داود بن سليمان هذا الجرجاني الغازي
قال الذهبي: كذبه يحيى بن معين، ولم يعرفه أبو حاتم، وبكل حال فهو شيخ كذاب له نسخة موضوعة عن علي بن موسى الرضى، ثم ساق له أحاديث هذا أحدها وأقره الحافظ في " اللسان "
ولهذا فقد أساء السيوطي بإيراده لهذا الحديث في " الجامع الصغير "، وقد تعقبه شارحه المناوي بما نقلناه عن الذهبي ثم العسقلاني، ثم كأنه نسي ذلك في شرحه الآخر " التيسير "، فقال: إسناده ضعيف
نعم رواه الشيروي في " العوالي " (213 / 1) والخطيب في " الفقيه والمتفقه " (2 / 32 ـ ط الرياض) من طريق عبد الله بن أحمد بن عامر الطائي حدثني أبي حدثني علي بن موسى الرضى به، لكن عبد الله هذا حاله كحال الجرجاني! قال الذهبي: روى عن أبيه عن علي الرضى عن آبائه بتلك النسخة الموضوعة الباطلة ما تنفك عن وضعه أو وضع أبيه

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ তাওহীদ পাবলিকেশন
গ্রন্থঃ যঈফ ও জাল হাদিস
অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ
হাদিস নম্বরঃ ২৭৯ | 279 | ۲۷۹

২৭৯। কোন এক নাবীকে তার জাতি ধ্বংস করে দিয়েছে। অর্থাৎ সোতাইহ।

ইসলামী কোন গ্রন্থে এটির কোন ভিত্তি নেই।

আসলে এটির সনদই দেখছি না। হাফিয ইবনু কাসীর “আল-বিদায়া ওয়ান নিহায়া” গ্রন্থে (২/২৭১) এরূপই বলেছেন



হাদিসের মানঃ  জাল (Fake)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!

نبي ضيعه قومه، يعنى سطيحا
لا أصل له

-

في شيء من كتب الإسلام المعهودة ولم أره بإسناد أصلا، كذا قال الحافظ ابن كثير في " البداية والنهاية " (2 / 271) وسيأتي بعد حديث ما يعارضه

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ তাওহীদ পাবলিকেশন
গ্রন্থঃ যঈফ ও জাল হাদিস
অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ
হাদিস নম্বরঃ ২৮০ | 280 | ۲۸۰

২৮০। আল্লাহ পাক ঈসা (আঃ) এর নিকট ওহী মারফত বললেনঃ হে ঈসা! মুহাম্মদের প্রতি ঈমান আন এবং তোমার উম্মতের মধ্য হতে যে ব্যাক্তি তাঁকে পাবে তাঁদেরকে তার প্রতি ঈমান আনার নির্দেশ দাও। কারণ মুহাম্মদ যদি না হত তাহলে আদমকে সৃষ্টি করতাম না। মুহাম্মদ যদি না হত তাহলে জান্নাত ও জাহান্নাম সৃষ্টি করতাম না। অবশ্যই আমি পানির উপর আরশ সৃষ্টি করেছিলাম। অতঃপর সে (আরশ) অশান্ত হয়ে গেলে তার উপর লা-ইলাহা ইল্লালাহু মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ লিখে দিলাম, ফলে সে শান্ত হয়ে গেল।

হাদীসটি জাল।

মারফু’ হিসাবে এটির কোন ভিত্তি নেই। হাকিম “আল-মুসতাদরাক” গ্রন্থে (২/৬১৪-৬১৫) আমর ইবনু আওস আনসারী সূত্রে ... বর্ণনা করে বলেছেনঃ এটির সনদ সহীহ। যাহাবী তার সমালোচনা করে বলেছেনঃ আমার ধারণা এটি সাঈদের উপর জাল করা হয়েছে।

আমি (আলবানী) বলছিঃ অর্থাৎ সাঈদ ইবনু আবী আরুবার উপর। এ হাদীসটির ব্যাপারে সাঈদ হতে বর্ণনাকারী আমর ইবনু আওস আনসারী মিথ্যার দোষে দোষী। যাহাবী “আল-মীযান" গ্রন্থে বলেনঃ তার অবস্থা মাজহুল, তিনি মুনকার হাদীস নিয়ে এসেছেন। তিনি তার এ হাদীসটি উল্লেখ করে বলেছেনঃ আমার ধারণা এটি বানোয়াট। হাফিয ইবনু হাজার “লিসানুল মীযান” গ্রন্থে তার কথার সাথে একমত পোষণ করেছেন এবং তাকে সমর্থন করেছেন।



হাদিসের মানঃ  জাল (Fake)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!

أوحى الله إلى عيسى عليه السلام يا عيسى آمن بمحمد وأمر من أدركه من أمتك أن يؤمنوا به، فلولا محمد ما خلقت آدم، ولولا محمد ما خلقت الجنة ولا النار، ولقد خلقت العرش على الماء فاضطرب فكتبت عليه: لا إله إلا الله محمد رسول الله، فسكن
لا أصل له مرفوعا

-

وإنما أخرجه الحاكم في " المستدرك " (2 / 614 - 615) من طريق عمرو بن أوس الأنصاري حدثنا سعيد بن أبي عروبة عن قتادة عن سعيد بن المسيب عن ابن عباس قال: فذكره موقوفا وقال: صحيح الإسناد، وتعقبه الذهبي بقوله: أظنه موضوعا على سعيد
قلت: يعني ابن أبي عروبة، والمتهم به الراوي عنه عمرو بن أوس الأنصارى، قال الذهبي في " الميزان يجهل حاله، وأتى بخبر منكر
ثم ساق له هذا الحديث وقال: وأظنه موضوعا، ووافقه الحافظ ابن حجر في " اللسان " فأقره

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

হাদিস দেখানো হচ্ছে   [271]  থেকে  [280]  পর্যন্ত এবং সর্বমোট   [2000]  টি হাদিস পাওয়া গেছে।