• ৭১৯৬৩ টি সর্বমোট হাদিস আছেঃ
  • ৮০৩৩ টি প্রশ্নোত্তর ও ফিকাহঃ

 

 

 

 


হাদীস (حَدِيْث) এর শাব্দিক অর্থ: নতুন, প্রাচীন ও পুরাতন এর বিপরীত বিষয়। এ অর্থে যে সব কথা, কাজ ও বস্ত্ত পূর্বে ছিল না, এখন অস্তিত্ব লাভ করেছে  তাই হাদীস। এর আরেক অর্থ হলো: কথা। ফক্বীহগণের পরিভাষায় নাবী কারীম () আল্লাহ্‌র রাসূল হিসেবে যা কিছু বলেছেন, যা কিছু করেছেন এবং যা কিছু বলার বা করার অনুমতি দিয়েছেন অথবা সমর্থন জানিয়েছেন তাকে হাদীস বলা হয়। কিন্তু মুহাদ্দিসগণ এর সঙ্গে রাসুলুল্লাহ () সম্পর্কিত বর্ণনা ও তার গুণাবলী সম্পর্কিত বিবরণকেও হাদীসের অন্তর্ভুক্ত করেন। এ হিসেবে হাদীসকে প্রাথমিক পর্যায়ে তিন শ্রেণীতে ভাগ করা যায়:

১। ক্বওলী হাদীস: কোন বিষয়ে রাসুলুল্লাহ () যা বলেছেন, অর্থাৎ যে হাদীসে তাঁর কোন কথা বিবৃত হয়েছে তাকে ক্বওলী (বাণী সম্পর্কিত) হাদীস বলা হয়।

২। ফেলী হাদীস: মহানাবী ()-এর কাজকর্ম, চরিত্র ও আচার-আচরণের ভেতর দিয়েই ইসলামের যাবতীয় বিধি-বিধান ও রীতিনীতি পরিস্ফুট হয়েছে। অতএব যে হাদীসে তাঁর কোন কাজের বিবরণ উল্লেখিত হয়েছে তাকে ফে’লী (কর্ম সম্পর্কিত) হাদীস বলা হয়।

৩। তাকরীরী হাদীস: সাহাবীগণের যে সব কথা বা কাজ নাবী কারীম ()-এর অনুমোদন ও সমর্থন প্রাপ্ত হয়েছে, সে ধরনের কোন কথা বা কাজের বিবরণ হতেও শরীয়াতের দৃষ্টিভঙ্গি জানা যায়। অতএব যে হাদীসে এ ধরনের কোন ঘটনার বা কাজের উল্লেখ পাওয়া যায় তাকে তাকরীরী (সমর্থন মূলক) হাদীস বলে।

সুন্নাহ (السنة): হাদীসের অপর নাম সুন্নাহ্ (السنة) সুন্নাত শব্দের অর্থ চলার পথ, কর্মের নীতি ও পদ্ধতি। যে পন্থা ও রীতি নাবী কারীম () অবলম্বন করতেন তাকে সুন্নাত বলা হয়। অন্য কথায় রাসুলুল্লাহ () প্রচারিত উচ্চতম আদর্শই সুন্নাত। কুরআন মাজিদে মহত্তম ও সুন্দরতম আদর্শ (أُسْوَةٌ حَسَنَةٌ) বলতে এই সুন্নাতকেই বুঝানো হয়েছে।

খবর (خبر): হাদীসকে আরবী ভাষায় খবরও (خبر) বলা হয়। তবে খবর শব্দটি হাদীস ও ইতিহাস উভয়টিকেই বুঝায়।

আসার (أثر ): আসার শব্দটিও কখনও কখনও রাসুলুল্লাহ () এর হাদীসকে নির্দেশ করে। কিন্তু অনেকেই হাদীস ও আসার এর মধ্যে কিছু পার্থক্য করে থাকেন। তাঁদের মতে- সাহাবীগণ থেকে শরীয়াত সম্পর্কে যা কিছু উদ্ধৃত হয়েছে তাকে আসার বলে।

 

ইলমে হাদীসের কতিপয় পরিভাষা

সাহাবী (صحابى):  যিনি ঈমানের সঙ্গে রাসুলুল্লাহ () এর সাহচর্য লাভ করেছেন এবং ঈমানের সঙ্গে মৃত্যুবরণ করেছেন তাঁকে রাসুলুল্লাহ ()-এর সাহাবী বলা হয়।

তাবেঈ (تابعى) : যিনি রাসুলুল্লাহ ()-এর কোন সাহাবীর নিকট হাদীস শিক্ষা করেছেন অথবা অন্ততপক্ষে তাঁকে দেখেছেন এবং মুসলমান হিসেবে মৃত্যুবরণ করেছেন তাঁকে তাবেঈ বলা হয়।

তাবে-তাবেঈ (تابعى تابع) : যিনি  কোন তাবেঈ এর নিকট হাদীস শিক্ষা করেছেন অথবা অন্ততপক্ষে তাঁকে দেখেছেন এবং মুসলমান হিসেবে মৃত্যুবরণ করেছেন তাঁকে তাবে-তাবেঈ বলা হয়।

মুহাদ্দিস (محدث) : যিনি হাদীস চর্চা করেন এবং বহু সংখ্যক হাদীসের সনদ ও মতন সম্পর্কে বিশেষ জ্ঞান রাখেন তাঁকে মুহাদ্দিস বলা হয়।

শাইখ (شيخ) : হাদীসের শিক্ষাদাতা রাবীকে শায়খ বলা হয়।

শাইখান (شيخان) : সাহাবীগনের মধ্যে আবূ বকর (রাঃ) ও উমর  (রাঃ)- কে একত্রে শাইখান বলা হয়। কিন্তু হাদীস শাস্ত্রে ইমাম বুখারী (রাহি.) ও ইমাম মুসলিম (রাহি.)-কে এবং ফিক্বহ-এর পরিভাষায় ইমাম আবূ হানীফা (রাহি.) ও আবূ ইউসুফ (রাহি.)-কে একত্রে শাইখান বলা হয়। 

হাফিয (حافظ) : যিনি সনদ ও মতনের বৃত্তান্ত সহ এক লাখ হাদীস আয়ত্ত করেছেন তাঁকে হাফিয বলা হয়।

হুজ্জাত (حجة) : অনুরূপভাবে যিনি তিন লক্ষ হাদীস আয়ত্ত করেছেন তাঁকে হুজ্জাত বলা হয়।  

হাকিম (حاكم) : যিনি সব হাদীস আয়ত্ত করেছেন তাকে হাকিম বলা হয়।

রিজাল (رجال) : হাদীসের রাবী সমষ্টিকে রিজাল বলে। যে শাস্ত্রে রাবীগণের জীবনী বর্ণনা করা হয়েছে তাকে আসমাউর-রিজাল বলা হয়।                                                                                 

রিওয়ায়াত (رواية): হাদীস বর্ণনা করাকে রিওয়ায়াত বলে। কখনও কখনও মূল হাদীসকেও রিওয়ায়াত বলা হয়। যেমন- এই কথার সমর্থনে একটি রিওয়ায়াত (হাদীস) আছে।                           

সনদ (سند): হাদীসের মূল কথাটুকু যে সূত্র পরম্পরায় গ্রন্থ সংকলনকারী পর্যন্ত পৌঁছেছে তাকে সনদ বলা হয়। এতে হাদীস বর্ণনাকারীদের নাম একের পর এক সজ্জিত থাকে।

মতন (متن): হাদীসে মূল কথা ও তার শব্দ সমষ্টিকে মতন বলে।

মারফূ (مرفوع): যে হাদীসের সনদ (বর্ণনা পরম্পরা) রাসুলুল্লাহ () পর্যন্ত পৌঁছেছে  তাকে মারফূ হাদীস বলে।

মাওকূফ (موقوف) : যে হাদীসের বর্ণনা- সূত্র ঊর্ধ্ব দিকে সাহাবী পর্যন্ত পৌঁছেছে , অর্থাৎ যে সনদ -সূত্রে কোন সাহাবীর কথা বা কাজ বা অনুমোদন বর্ণিত হয়েছে তাকে মাওকূফ হাদীস বলে। এর অপর নাম আসার।

মাকতূ (مقطوع): যে হাদীসের সনদ কোন তাবেঈ পর্যন্ত পৌঁছেছে, তাকে মাকতূ হাদীস বলা হয়।

তালীক (تعليق): কোন কোন গ্রন্থকার হাদীসের পূর্ণ সনদ বাদ দিয়ে কেবল মূল হাদীস বর্ণনা করেছেন। এরূপ করাকে তা’লীক বলা হয়।

মুদাল্লাস (مدلس): যে হাদীসের রাবী নিজের প্রকৃত শাইখের (উস্তাদের) নাম উল্লেখ না করে তার উপরস্থ শাইখের নামে এভাবে হাদীস বর্ণনা করেছেন যাতে মনে হয় যে, তিনি নিজেই উপরস্থ শাইখের নিকট তা শুনেছেন অথচ তিনি তাঁর নিকট সেই হাদীস শুনেন নি- সে হাদীসকে মুদাল্লাস হাদীস এবং এইরূপ করাকে ‘তাদ্লীস’ আর যিনি এইরূপ করেন তাকে মুদালস্নীস বলা হয়।

মুযতারাব (مضطرب): যে হাদীসের রাবী হাদীসের মতন ও সনদকে বিভিন্ন প্রকারে বর্ণনা করেছেন সে হাদীসকে হাদীসে মুযতারাব বলা হয়। যে পর্যন্ত না এর কোনরূপ সমন্বয় সাধন সম্ভবপর হয়, সে পর্যন্ত এই হাদীসের ব্যাপারে অপেক্ষা করতে হবে অর্থাৎ এই ধরনের রিওয়ায়াত প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না।

মুদ্রাজ (مدرج): যে হাদীসের মধ্যে রাবী নিজের অথবা অপরের উক্তিকে অনুপ্রবেশ করিয়েছেন, সে হাদীসকে মুদ্রাজ এবং এইরূপ করাকে ‘ইদরাজ’ বলা হয়।

মুত্তাসিল (متصل): যে হাদীসের সনদের ধারাবাহিকতা প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত পূর্ণরূপে রক্ষক্ষত আছে, কোন সত্মরেই কোন রাবীর নাম বাদ পড়ে নি তাকে মুত্তাসিল হাদীস বলে।

মুনকাতি (منقطع): যে হাদীসের সনদে ধারাবাহিকতা রক্ষিত হয় নি, মাঝখানে কোন এক স্তরে কোন রাবীর নাম বাদ পড়েছে, তাকে মুনকাতি হাদীস, আর এই বাদ পড়াকে ইনকিতা বলা হয়।

মুরসাল (مرسل): যে হাদীসের সনদে ইনকিতা শেষের দিকে হয়েছে, অর্থাৎ সাহাবীর নাম বাদ পড়েছে এবং তাবেঈ সরাসরি রাসুলুল্লাহ () এর উল্লেখ করে হাদীস বর্ণনা করেছেন তাকে মুরসাল হাদীস বলা হয়।

মুআল্লাক ( معلق ) : সনদের ইনকিতা প্রথম দিকে  হলে, অর্থাৎ সাহাবীর পর এক বা একাধিক রাবীর নাম বাদ পড়লে তাকে মু’আল্লাক হাদীস বলা হয়।

মুদাল (معضل): যে হাদীসে দুই বা ততোধিক রাবী ক্রমান্বয়ে সনদ থেকে বাদ পড়েছে তাকে মু‘দাল হাদীস বলে।

মুতাবি ও শাহিদ (متابع و شاهد): এক রাবীর হাদীসের অনুরূপ যদি অপর রাবীর কোন হাদীস পাওয়া যায় তবে দ্বিতীয় রাবীর হাদীসকে প্রথম রাবীর হাদীসের মুতাবি বলা হয়। যদি উভয় হাদীসের মূল রাবী অর্থাৎ সাহাবী একই ব্যক্তি না হয় তবে দ্বিতীয় ব্যক্তির হাদীসকে শাহিদ বলে। আর এইরূপ হওয়াকে শাহাদাত বলে। মুতাবা’আত ও শাহাদাত দ্বারা প্রথম হাদীসটির শক্তি বৃদ্ধি পায়।

মারূফ ও মুনকার (معروف و منكر): কোন দুর্বল রাবীর বর্ণিত হাদীস অপর কোন মাকবূল (গ্রহণযোগ্য) রাবীর বর্ণিত হাদীসের বিরোধী হলে তাকে মুনকার বলা হয় এবং মাকবূল রাবীর হাদীসকে মা‘রূফ বলা হয়।

সহীহ (صحيح) : যে মুত্তাসিল হাদীসের সনদে উল্লেখিত প্রত্যেক রাবীই পূর্ণ আদালত ও যাবত (ধারণ ক্ষমতা) গুণ সম্পন্ন এবং হাদীসটি যাবতীয় দোষত্রুটি ও শায মুক্ত তাকে সহীহ হাদীস বলে।

হাসান (حسن) : যে হাদীসের মধ্যে রাবীর যাবত (ধারণ ক্ষমতা) এর গুণ ব্যতীত সহীহ হাদীসের সমস্ত শর্তই পরিপূর্ণ রয়েছে তাকে হাসান হাদীস বলা হয়। ফক্বীহগণ সাধারণত সহীহ ও হাসান হাদীসের ভিত্তিতে শরীয়াতের বিধান নির্ধারণ  করেন।

যঈফ (ضعيف ) : যে হাদীসের রাবী কোন হাসান হাদীসের রাবীর গুণসম্পন্ন নন তাকে যঈফ হাদীস বলে।

মাওযূ ( موضوع ) : যে হাদীসের রাবী জীবনে কখনও ইচ্ছাকৃতভাবে রাসুলুল্লাহ ()-এর নামে মিথ্যা কথা রটনা করেছেন বলে প্রমাণিত হয়েছে, তার বর্ণিত হাদীসকে মাওযূ‘ হাদীস বলে।

 

রাবীর সংখ্যা বিচারে হাদীস প্রধানত দুপ্রকার। যথা: ১. মুতওয়াতির (متواتر) ও ২. আহাদ (أحاد)

১. মুতওয়াতির (متواتر): বৃহৎ সংখ্যক রাবীর বর্ণিত হাদীস, মিথ্যার ব্যাপারে যাদের উপর একাট্টা হওয়া অসম্ভব, সনদের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত এ সংখ্যা বিদ্যমান থাকলে হাদীসকে মুতওয়াতির (متواتر) বলা হয়।

২. আহাদ (أحاد): أحاد তিন প্রকার। যথা:

মাশহুর (مشهور): যে কোন স্তরে হাদীস বর্ণনা কারীর সংখ্যা যদি দুই এর অধিক হয়, কিন্তু মুতওয়াতির এর পর্যায়ে পৌঁছে না তাকে মাশহুর (مشهور) বলে।

আযীয (عزيز): যে কোন স্তরে হাদীস বর্ণনা কারীর সংখ্যা যদি দু‘জন হয় ।

গরীব (غريب): যে কোন স্তরে হাদীস বর্ণনা কারীর সংখ্যা যদি এক জন হয় ।

শায (شاذ): একাধিক নির্ভরযোগ্য রাবীর বিপরীত একজন নির্ভরযোগ্য রাবীর বর্ণনাকে শায হাদীস বলে।

 কিয়াস (قياس): অর্থ অনুমান, পরিমাপ, তুলনা ইত্যাদি। পরিভাষায়: শাখাকে মূলের সঙ্গে তুলনা করা, যার ফলে শাখা ও মূল একই হুকুমের অমত্মর্ভুক্ত হয়ে যায়।

তাক্বলীদ (تقليد): দলীল উল্লেখ ছাড়াই কোন ব্যক্তির মতামতকে গ্রহণ করা।

ইজতিহাদ (اجتهاد): উদ্দিষ্ট জ্ঞান অর্জনের প্রচেষ্টা চালানোকে ইজতিহাদ বলে।

শরীয়াত (شريعة): অর্থ: আইন, বিধান, পথ, পন্থা ইত্যাদি। পরিভাষায়: মহান আল্লাহ্‌ স্বীয় দীন হতে বান্দার জন্য যা বিধিবদ্ধ করে দিয়েছেন তাকে শরীয়াত বলে।

মাযহাব (مذهب): অর্থ- মত, পথ, মতবাদ ইত্যাদি। ফিক্বহী পরিভাষায়: ইবাদাত ও মু‘আমালাতের ক্ষেত্রে শারঈ হুকুম পালনের জন্য বান্দা যে পথ অনুসরণ করে এবং প্রত্যেক দলের জন্য একজন ইমামের উপর অথবা ইমামের ওসীয়ত কিংবা ইমামের প্রতিনিধির উপর নির্ভর করে তাকে মাযহাব বলে।

নাযর (نذر): কোন বিষয়ে উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য চিন্তা-ভাবনা করাকে নাযর বলে।

আম (عام): সীমাবদ্ধ করা ছাড়াই যা দুই বা ততোধিক বিষয়কে অন্তর্ভুক্ত করে তাকে আম বলে।

খাস (خاص): আম এর বিপরীত, যা নির্দিষ্ট বিষয়কে অন্তর্ভুক্ত করে।

ইজমা (اجماع): কোন এক যুগে আলিমদের কোন শারঈ বিষয়ের উপর এক মত পোষণ করাকে ইজমা বলে।

মুসনাদ (مسند): যার সনদগুলো পরস্পর এমনভাবে মিলিত যে, প্রত্যেকের বর্ণনা সুস্পষ্ট।

ফিক্বহ (فقه): ইজতিহাদ বা গবেষণার পদ্ধতিতে শারঈ হুকুম সম্পর্কে জানার বিধানকে ফিক্বহ বলে।

আসল বা মূল (اصل): এমন প্রথম বিষয়, যার উপর ভিত্তি করে কোন কিছু গড়ে উঠে। যেমন- দেয়ালের ভিত্তি।

ফারা বা শাখা (فرع): আসলের বিপরীত যা কোন ভিত্তির উপর গড়ে উঠে।

ওয়াজিব (واجب): যা আমল করলে সাওয়াব পাওয়া যাবে আর পরিত্যাগ করলে শাস্তি পাওয়া যাবে।

মানদূব (مندوب): যা আমল করলে সাওয়াব পাওয়া যাবে আর পরিত্যাগ করলে শাস্তি হবে না।

মাহযূর (محظور): যা পরিত্যাগ করলে সাওয়াব পাওয়া যাবে আর আমল করলে শাস্তি পাওয়া যাবে।

মাকরূহ (مكروه): যা পরিত্যাগ করলে সাওয়াব পাওয়া যাবে আর আমল করলে শাস্তি হবে না।

ফাৎওয়া (فتوى): জিজ্ঞাসিত ব্যক্তির নিকট থেকে দলীল ভিত্তিক শারঈ হুকুম সুস্পষ্ট বর্ণনা করে নেয়াকে ফাৎওয়া বলে।

নাসিখ (ناسخ): পরিবর্তিত শারঈ দলীল যা পূববর্তী শারঈ হুকুমকে রহিত করে দেয় তাকে নাসিখ বলে।

মানসূখ (منسوخ): আর যে হুকুমটি রহিত হয়ে যায় সেটাই মানসূখ।

মুতলাক্ব (مطلق): যা প্রকৃতিগত দিক থেকে জাতির সকলকে অন্তর্ভুক্ত  করে কিন্তু অনির্দিষ্টভাবে একটি অর্থকে বুঝায়।

মুকাইয়্যাদ (مقيد): যা মুতলাক্বের বিপরীত অর্থাৎ জাতির সকলকে অন্তর্ভুক্ত  করে না। বরং নির্দিষ্ট একটি অর্থকে বুঝায়।

হাক্বীকাত (حقيقة): শব্দকে আসল অর্থে ব্যবহার করাকে হাক্বীকত বলে। যেমন- সিংহ শব্দটি এক প্রজাতির হিংস্র প্রাণীকে বুঝায়।

মাজায (مجاز): শব্দ যখন আসল অর্থকে অতিক্রম করে তার সাথে সাদৃশ্য রাখে এমন অর্থ প্রকাশ করে তখন তাকে মাজায বলে। যেমন- সাহসী লোককে সিংহের সাথে তুলনা করা।

হাদিসের পরিসংখ্যান

সর্বমোট হাদিস পাওয়া গেছেঃ [342] টি | অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ
গ্রন্থঃ যঈফ ও জাল হাদিস | দেখানো হচ্ছে   [261]  থেকে  [270]  পর্যন্ত
প্রতি পাতাতে টি হাদিস

পাবলিশারঃ তাওহীদ পাবলিকেশন
গ্রন্থঃ যঈফ ও জাল হাদিস
অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ
হাদিস নম্বরঃ ২৬১ | 261 | ۲٦۱

২৬১। তোমরা তোমাদের চাচী খেজুর গাছের সাথে ভাল ব্যাবহার কর। কারণ আল্লাহ তা’আলা আদমকে সৃষ্টি করার পর তার মাটির কিছু অংশ অবশিষ্ট রয়ে যায়, অতঃপর তা থেকেই খেজুর গাছকে সৃষ্টি করেন।

হাদীসটি জাল।

এটি ইবনু আদী (২/৫৭), বাতেরকানী তার "জুযউ মিন হাদীস" গ্রন্থে (২/১৫৭) এবং ইবনুল জাওযী “আল-মাওযূ’আত” গ্রন্থে (১/১৮৪) জাফার ইবনু আহমাদ ইবনে গাফেকী হতে ... বর্ণনা করেছেন। ইবনু আদী বলেনঃ এ হাদীসটি জাল। এটি যে জাফরি জাল করেছেন তাতে কোন সন্দেহ নেই। ইবনুল জাওযী বলেনঃ এটি সহীহ নয়, জাফার একজন জালকারী।

হাফিয ইবনু হাজার “লিসানুল মীযান” গ্রন্থে তার এ বক্তব্যকে সমর্থন করেছেন।

কিন্তু সুয়ূতী অভ্যাসগতভাবে “আল-লাআলী” গ্রন্থে (১/১৫৬) তার সমালোচনা করে বলেছেনঃ আবু সাঈদ খুদরী (রাঃ)-এর হাদীসে এটির শাহেদ আছে। কিন্তু তাতেও চরম সমস্যা রয়েছে, সেটি হচ্ছে সম্মুখের হাদীসটি।



হাদিসের মানঃ  জাল (Fake)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!

أحسنوا إلى عمتكم النخلة فإن الله تعالى خلق آدم ففضل من طينتها فخلق منها النخلة
موضوع

-

رواه ابن عدي (57 / 2) والباطرقاني في جزء من " حديثه " (157 / 2) وابن الجوزي في " الموضوعات " (1 / 184) كلهم عن جعفر بن أحمد بن علي الغافقي حدثنا أبو صالح كاتب الليث حدثنا وكيع عن الأعمش عن مجاهد عن ابن عمر مرفوعا
وقال ابن عدي: وهذا الحديث موضوع ولا شك أن جعفر وضعه، وقال ابن الجوزي
لا يصح وجعفر وضاع، وأقره الحافظ بن حجر في " اللسان " وأما السيوطي فتعقبه كعادته في " اللآليء " (1 / 156) فلم يصنع شيئا لأنه لم يزد على أن ذكر له شاهدا من حديث أبي سعيد الخدري وهو الآتي عقب هذا وفيه طعن شديد كما سترى، ومن عجائبه أنه لم يسق إسناده ولا بين حاله

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ তাওহীদ পাবলিকেশন
গ্রন্থঃ যঈফ ও জাল হাদিস
অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ
হাদিস নম্বরঃ ২৬২ | 262 | ۲٦۲

২৬২। আদম (আঃ) কে সৃষ্টিকৃত মাটির অবশিষ্টাংস হতে খেজুর গাছ, আনার গাছ এবং আঙ্গুর গাছ সৃষ্টি করা হয়েছে।

হাদীসটি নিতান্তই দুর্বল।

এটি মাহামেলী “আল-আমালী” গ্রন্থে (২/৩৮) এবং তার থেকে ইবনু আসাকির (২/২০৯/২) বর্ণনা করেছেন।

আমি (আলবানী) বলছিঃ এটির সনদটি নিতান্তই দুর্বল। বর্ণনাকারী আবু হারুণ আল-আবাদীর নাম হচ্ছে আম্মারা ইবনু যুওয়াইন। তিনি মাতরূক। কেউ কেউ তাকে মিথ্যুকও আখ্যা দিয়েছেন; যেমনভাবে “আত-তাকরীব” গ্রন্থে এসেছে।

এরূপ চরম পর্যায়ের দুর্বল হওয়া সত্ত্বেও সুয়ূতী "আল-লাআলী" গ্রন্থে পূর্বের হাদীসটির শাহেদ হিসাবে ইবনু আসাকীরের বর্ণনা হতে হাদীসটি উল্লেখ করেছেন। শুধু তাই নয়, তিনি “জামেউস সাগীর” গ্রন্থেও উল্লেখ করেছেন। এ কারণে মানাবী তার সমালোচনা করেছেন।



হাদিসের মানঃ  যঈফ (Dai'f)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!

خلقت النخلة والرمان والعنب من فضل طينة آدم صلى الله عليه وسلم
ضعيف جدا

-

رواه المحاملي في الثالث من " الأمالي " (38 / 2) وعنه ابن عساكر (2 / 309 / 2) عن الحاكم بن عبد الله الكلبي أبي سالم من أهل قزوين عن يحيى بن سعيد البحراني من أهل غطيف عن أبي هارون العبدي عن أبي سعيد الخدري قال: سألنا رسول الله صلى الله عليه وسلم من ماذا خلقت النخلة؟ فذكره
قلت: وهذا إسناد ضعيف جدا، وأبوهارون العبدي اسمه عمارة بن جوين وهو متروك ومنهم من كذبه كما في " التقريب "، ومع هذا الضعف الشديد فقد ذكره السيوطي في " اللآليء " شاهدا للحديث الذي قبله! من رواية ابن عساكر، ولم يقتصر على هذا بل أورده في " الجامع الصغير " فتعقبه المناوي بقوله: وظاهر صنيع المصنف أنه لم يره لأشهر من ابن عساكر، ولا أقدم، مع أن الديلمي أخرجه عن أبي سعيد أيضا، لكن سنده مطعون فيه
قلت: المحاملي أشهر وأقدم من الديلمي أيضا فالعزو إليه أولى، والموفق هو الله تعالى

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ তাওহীদ পাবলিকেশন
গ্রন্থঃ যঈফ ও জাল হাদিস
অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ
হাদিস নম্বরঃ ২৬৩ | 263 | ۲٦۳

২৬৩। তোমরা তোমাদের চাচী খেজুর গাছকে সম্মান কর। কারণ তাঁকে তোমাদের পিতা আদমকে সৃষ্টিকৃত মাটির অবশিষ্টাংশ দ্বারা সৃষ্টি করা হয়েছে। মারইয়াম বিনতে ইমরান যে বৃক্ষের নীচে সন্তান প্রসব করেছেন, তার চেয়ে আল্লাহর নিকট সম্মানিত বৃক্ষ আর নেই। অতএব তোমরা তোমাদের নারী মাতাকে কাঁচা খেজুর খাওয়াও। যদি কাঁচা খেজুর না থাকে তাহলে শুকনা খেজুর।

হাদীসটি জাল।

এটি উকায়লী “আয-যুয়াফা” গ্রন্থে (৪৩০), আবুশ শাইখ “আল-আমসাল" গ্রন্থে (নং ২৬৩), ইবনু আদী (১/৩৩০), ইবনু হিব্বান "আয-যুয়াফা" গ্রন্থে (৩/৪৪-৪৫), বাগেন্দী “হাদীস শায়বান” গ্রন্থে (১/১৯০) এবং তার থেকে ইবনু আসাকির (২/৩০৯/২, ১৯/২৬৭/১), আবু নু’য়াইম “আত-তিব্ব” গ্রন্থে (২/২৩/২) এবং "আল-হিলইয়াহ" গ্রন্থে (৬/১২৩) মাসরুর ইবনু সাঈদ আত-তামীমী সূত্রে ... বর্ণনা করেছেন।

আবূ নু’য়াইম বলেনঃ উরওয়া হতে আওযাঈর এ হাদীসটি গারীব। মাসরূর এককভাবে এটিকে বর্ণনা করেছেন। উকায়লী বলেনঃ তার হাদীসটি নিরাপদ নয়। তাকে ছাড়া অন্য কারো মাধ্যমে এটিকে জানা যায় না।

ইবনু আসাকির বলেনঃ উরওয়া আলী (রাঃ)-কে পায়নি, অর্থাৎ সনদটি মুনকাতি বিচ্ছিন্ন। হাদীসটি গরীব এবং তামীমী মাজহুল।

আমি (আলবানী) বলছিঃ তিনি মিথ্যার দোষে দোষী। যাহাবী “আল-মীযান” গ্রন্থে বলেনঃ ইবনু হিব্বান তার সম্পর্কে অনুসন্ধান করে বলেছেনঃ তিনি আওযাঈ হতে বহু মুনকার হাদীস বর্ণনা করেছেন।

সুয়ূতী তার সমালোচনা করে “আল-লাআলী” গ্রন্থে (১/১৫৬) বলেছেনঃ আবূ সাঈদ খুদরী (রাঃ) এর হাদীসে তার প্রথমাংশের শাহেদ রয়েছে এবং শেষাংশেরও শাহেদ আছে।

আমি (আলবানী) বলছিঃ আবু সাঈদ (রাঃ) এর (২৬২) হাদীসটি নিতান্তই দুর্বল। সবার ঐক্যমতে সেটি শাহেদ হবার যোগ্য নয়। তার অবস্থা সম্পর্কে এটির পূর্বেই আলোচনা করেছি।

আরো একটি শাহেদ হচ্ছে আবু উমামা (রাঃ)-এর হাদীস। সেটি হচ্ছে ২৬০ নং হাদীস। সেটি যে দুর্বল তা সেখানেই আলোচনা করা হয়েছে।



হাদিসের মানঃ  জাল (Fake)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!

أكرموا عمتكم النخلة، فإنها خلقت من فضلة طينة أبيكم آدم، وليس من الشجر شجرة أكرم على الله من شجرة ولدت تحتها مريم بنت عمران، فأطعموا نساءكم الوالد الرطب، فإن لم يكن رطبا فتمر
موضوع

-

أخرجه العقيلي في " الضعفاء " (430) وأبو الشيخ في " الأمثال " (رقم 263) وابن عدي (330 / 1) وابن حبان في " الضعفاء " (3 / 44 - 45 حلب) والباغندي في " حديث شيبان وغيره " (190 / 1) وعنه ابن عساكر (2 / 309 / 2 و19 / 267 / 1) وأبو نعيم في " الطب " (2 / 23 / 2) و" الحلية " (6 /123) والسياق له من طريق مسرور بن سعيد التميمي عن الأوزاعي عن عروة بن رويم عن علي مرفوعا. وقال أبو نعيم: غريب من حديث الأوزاعي عن عروة تفرد به مسرور بن سعيد، وقال العقيلي: حديثه غير محفوظ ولا يعرف إلا به، وقال ابن عساكر: عروة لم يدرك عليا، والحديث غريب، والتميمي مجهول
قلت: بل هو متهم، قال الذهبي في " الميزان ": غمزه ابن حبان فقال: يروي عن الأوزاعي المناكير الكثيرة
ومن طريق أبي نعيم أورده ابن الجوزي في " الموضوعات " (1 / 184) وقال: لا يصح، مسرور منكر الحديث يروي عن الأوزاعي المناكير، وعقب عليه السيوطي في " اللآليء " (1 / 156) بقوله: أخرجه العقيلي وقال: أنه غير محفوظ، لا يعرف إلا بمسرور، وأخرجه ابن عدي وقال: هذا منكر عن الأوزاعي، وعروة عن علي مرسل، ومسرور غير معروف لم أسمع بذكره إلا في هذا الحديث، وأخرجه أبو يعلى في " مسنده " عن شيبان به، وأخرجه ابن أبي حاتم وابن مردويه معا في " التفسير " وابن السني، ولأوله شاهد من حديث أبي سعيد الخدري، ولآخره شاهد
قلت: حديث أبي سعيد الخدري ضعيف جدا فلا يصلح شاهدا اتفاقا، وقد بينت حاله قبيل هذا، وأما الشاهد الآخر فهو حديث أبي أمامة الذي تقدم برقم (260) وقد بينا هناك أن إسناده ضعيف، ثم ذكر الحديث الآتي

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ তাওহীদ পাবলিকেশন
গ্রন্থঃ যঈফ ও জাল হাদিস
অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ
হাদিস নম্বরঃ ২৬৪ | 264 | ۲٦٤

২৬৪। নেফাসধারী নারীদের জন্য আমার নিকট কাঁচা খেজুরের ন্যায় রোগ মুক্তকারী কিছু নেই এবং কোন রোগীর জন্য মধুর ন্যায় আরোগ্যদানকারী কিছু নেই।

হাদীসটি জাল।

এটি ইবনু নু’য়াইম “আত-তিব্ব” গ্রন্থে আবু হুরাইয়াহ্ (রাঃ) হতে বর্ণনা করেছেন। সুয়ূতী এটিকে পূর্বের হাদীসটির শাহেদ হিসাবে উল্লেখ করেছেন। অথচ তার কোন সনদ উল্লেখ করেননি যাতে করে তাতে দৃষ্টি দেয়া যায়। আবু নু’য়াইম তার “আত-তিব্ব” গ্রন্থে (২/২৪/১) আলী ইবনু উরওয়া হতে ... বর্ণনা করেছেন, যা আমার দৃষ্টি গোচর হয়েছে।

আমি (আলবানী) বলছিঃ আলী ইবনু উরওয়া মিথ্যুক। তিনি হাদীস জাল করতেন। তার সম্পর্কে ১১৯ নং হাদীসে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। ইবনু আররাক "তানযীহুশ শারী'য়াহ" গ্রন্থে (১/২০৯) ইমাম সুয়ূতীর অনুসরণ করে হাদীসটি সম্পর্কে কিছু না বলে চুপ থেকেছেন। তবে তিনি বলেনঃ হাদীসটি ওয়াকী “আল-গারার” গ্রন্থে আয়েশা (রাঃ)-এর হাদীস হতে বর্ণনা করেছেন। কিন্তু তার সূত্রে আসরাম ইবনু হাওশাব নামক এক বর্ণনাকারী আছেন, তিনি মিথ্যুক।



হাদিসের মানঃ  জাল (Fake)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!

ما للنفساء عندي شفاء مثل الرطب، ولا للمريض مثل العسل
موضوع

-

أخرجه أبو نعيم في " الطب " عن أبي هريرة مرفوعا، ذكره السيوطي شاهدا للحديث الذي قبله، ولم يسق إسناده لينظر فيه، ولا هو تكلم عليه ليعرف حاله من لم يقف عليه، وأحسن أحواله أن يكون ضعيفا إن لم يكن موضوعا
ثم تحقق الظن فيه، فقد رأيته أخرجه (2 / 24 / 1) في " الطب " عن علي بن عروة عن الزهري عن سعيد بن المسيب عن أبي هريرة مرفوعا
قلت: وعلي بن عروة كذاب يضع الحديث، وقد مضى له حديث موضوع برقم (119)
وتبع ابن عراق السيوطي في السكوت عن الحديث في " تنزيه الشريعة " (1 / 209) ولكنه قال: قلت: وأخرج وكيع في " الغرر " هذا من حديث عائشة لكنه من طريق أصرم بن حوشب، يعني: وهو كذاب

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ তাওহীদ পাবলিকেশন
গ্রন্থঃ যঈফ ও জাল হাদিস
অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ
হাদিস নম্বরঃ ২৬৫ | 265 | ۲٦۵

২৬৫। হে আবূ হুরায়রা! তুমি লোকেদেরকে কুরআন শিক্ষা দাও এবং তুমি তা শিখ। কারণ তুমি যদি এমতাবস্থায় মৃত্যুবরণ কর তাহলে ফেরেশতাগণ তোমার কবর যিয়ারত করবে যেরূপ বায়তুল্লাহকে যিয়ারত করা হয়। তুমি লোকদেরকে আমার সুন্নাত শিক্ষা দাও, যদিও তাঁরা তা অপছন্দ করে। তুমি যদি পথে এক পলক পরিমাণ সময় অপেক্ষা না করে জান্নাতে প্রবেশ করাকে পছন্দ কর, তাহলে তোমার মতামত দ্বারা আল্লাহর দ্বীনের মধ্যে নূতন কিছু আবিষ্কার করো না।

হাদীসটি জাল।

এটি খাতীব বাগদাদী (৪/৩৮০) এবং আবুল ফারাজ ইবনু মাসলামা “মাজলিসুল আমালী” গ্রন্থে (২/১২০) আব্দুল্লাহ ইবনু সালেহ আল-ইয়ামানী সূত্রে আবু হাম্মাম আল-কুরাশী হতে ... বর্ণনা করেছেন। ইবনুল জাওযী তার “আল-মাওযুআত” গ্রন্থেও (১/২৬৪) উল্লেখ করে বলেছেনঃ এটি সহীহ নয়। আবূ হুম্মাম-এর নাম হচ্ছে মুহাম্মাদ ইবনু মুহাব্বাব। তার সম্পর্কে ইয়াহইয়া বলেনঃ তিনি মিথ্যুক। আবূ হাতিম বলেনঃ তিনি যাহেবুল হাদীস। সুয়ূতী তার সমালোচনা করে “আল-লাআলী” গ্রন্থে (১/২২২) বলেছেনঃ এটির অন্য সূত্রও রয়েছে। আবূ নু’য়াইম বলেনঃ আমাকে আব্দুল্লাহ ইবনু মুহাম্মাদ হাদীসটি শুনিয়েছেন...।

আমি (আলবানী) বলছিঃ তিনি উল্লেখিত হাদীসটির ন্যায় বলেছেন, কিন্তু ভাষায় কিছুটা ভিন্নতা রয়েছে। তিনি বলেনঃ 

فإن أتاك الموت وأنت كذلك حجت الملائكة إلى قبرك كما يحج المؤمنون إلى بيت الله الحرام

তুমি এ অবস্থায় থাকাকালীন যদি তোমার নিকট মৃত্যু এসে যায়; তাহলে ফেরেশতাগণ তোমার কবরের নিকট হজ্জ করবে; যেভাবে মু'মিনরা বায়তুল্লাহুল হারামে হজ্জ করে।

সুয়ূতী হাদীসটির ব্যাপারে কোন হুকুম না লাগিয়ে চুপ থেকেছেন। আমার নিকট এ অংশটুকুতে প্রথমটির চেয়ে আরো শক্তিশালী ইনকার অপছন্দনীয় বস্তু রয়েছে। কারণ এতে কবরের দিকে হজ্জ করার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এ ব্যাখ্যা বিদ'আতী ব্যাখ্যা, শরীয়তে এর কোন অস্তিত্ব নেই। বায়তুল্লাহ ছাড়া অন্য কোন দিকে হজ্জের উদ্দেশ্যে যিয়ারত করা যায় এমন কথা কোথাও আসেনি। এরূপ কর্মকান্ড সেই সব বিদ'আতীদের মাঝেই বিদ্যমান আছে যারা কবরগুলোকে অতিরিক্ত সম্মান দেখায় ...।

আমার হৃদয় সাক্ষ্য দিচ্ছে যে, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে এটির একটি অক্ষরও বের হয়নি। আল্লাহ খারাপ পরিনতি করুন ঐ ব্যক্তির যিনি এ হাদীসটি জাল করেছেন। এ হাদীসটি মুহাম্মাদ ইবনু আব্দির রহীম ইবনু শাবীব জাল করেছেন। আমি তাকেই জালকারী হিসাবে দোষী সাব্যস্ত করছি। তিনি মাজহুল অপরিচিত। এছাড়া অন্য এক সনদে মুহাম্মাদ ইবনু আব্দির রহীম ইবনু শাবীবের স্থলে মুহাম্মাদ ইবনু ইবরাহীম ইবনে শাকীক বলা হয়েছে, কিন্তু যাচাই-বাছাই করার পর দেখা যাচ্ছে যে এখানে ইবনু শাবীবই সঠিক।



হাদিসের মানঃ  জাল (Fake)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!

يا أبا هريرة، علم الناس القرآن وتعلمه، فإنك إن مت وأنت كذلك زارت الملائكة قبرك كما يزار البيت العتيق، وعلم الناس سنتي وإن كرهو اذلك، وإن أحببت أن لا توقف على الصراط طرفة عين حتى تدخل الجنة فلا تحدث في دين الله حدثا برأيك
موضوع

-

أخرجه الخطيب (4 / 380) وأبو الفرج بن المسلمة في " مجلس من الأمالي " (120 / 2) من طريق عبد الله بن صالح اليماني حدثني أبوهمام القرشي عن سليمان ابن المغيرة عن قيس بن مسلم عن طاووس عن أبي هريرة مرفوعا، ومن هذا الوجه ذكره ابن الجوزي في " الموضوعات " (1 / 264) وقال: لا يصح، وأبوهمام: محمد بن مجيب (الأصل محبب وهو تصحيف)
قال يحيى: كذاب، وقال أبو حاتم: ذاهب الحديث، وتعقبه السيوطي في " اللآليء " (1 / 222) بقوله: قلت له طريق آخر قال أبو نعيم: حدثنا عبد الله بن محمد بن جعفر حدثنا محمد بن عبد الرحيم بن شبيب عن محمد بن قدامة المصيصي عن جرير عن الأعمش عن أبي صالح عن أبي هريرة مرفوعا
قلت: فذكره نحوه إلا أنه قال: فإن أتاك الموت وأنت كذلك حجت الملائكة إلى قبرك كما يحج المؤمنون إلى بيت الله الحرام
وسكت عليه السيوطي، وهو بهذا اللفظ أشد نكارة عندي من الأول لما فيه من ذكر الحج إلى القبر فإنه تعبير مبتدع لا أصل له في الشرع ولم يرد فيه إطلاق الحج إلى شيء مما يزار إلا إلى بيت الله الحرام، وإنما يطلق الحج إلى القبور، المبتدعة الذين يغالون في تعظيم القبور مثل شد الرحال إليها والبيات عندها والطواف حولها، والدعاء والتضرع لديها ونحوذلك مما هو من شعائر الحج حتى لقد ألف بعضهم كتابا سماه " مناسك حج المشاهد والقبور "! على ما ذكره شيخ الإسلام ابن تيمية في كتبه، وهذا ضلال كبير لا يشك مسلم شم رائحة التوحيد الخالص في كونه أكره شيء إليه صلى الله عليه وسلم، فكيف يعقل إذن أن ينطق عليه السلام بهذه الكلمة: " حجت الملائكة إلى قبرك كما يحج المؤمنون إلى بيت الله الحرام "؟ ! اللهم إن القلب يشهد أن النبي صلى الله عليه وسلم ما صدر منه حرف من هذا، فقبح الله من وضعه
وأنا أتهم به ابن شبيب هذا، فإن رجال إسناده كلهم ثقات غيره، أما عبد الله ابن محمد بن جعفر شيخ أبي نعيم فهو أبو الشيخ ابن حبان الحافظ الثقة صاحب كتاب " طبقات الأصبهانيين " وله ترجمة في " تذكرة الحفاظ " للذهبي (3 / 147 - 149) و" شذرات الذهب " (3 / 69) وغيرهما.
وأما سائر الرواة فكلهم ثقات معروفون من رجال " التهذيب " غير ابن شبيب فهو المتهم به، ولم أجد له ترجمة إلا في " طبقات الأصبهانيين " (ص 234) فإنه قال: محمد بن عبد الرحيم بن شبيب أبو بكر توفي سنة ست وتسعين ومئتين، كان من أئمة القراء، حدث عن عثمان بن أبي شيبة وابن ماسرجس وإسحاق بن أبي إسرائيل ومشكدانة، ومما لم نكتب إلا عنه ... .
قلت: ثم ساق له أحاديث سأذكر إن شاء الله بعضها، ولم يذكر فيه جرحا ولا تعديلا، فهو مجهول، والحمل عليه عندي في هذا الحديث وعنه أيضا أبو نعيم في " أخبار أصبهان " (2 / 226) والله أعلم.
ولم يعرفه ابن عراق فقال في " تنزيه الشريعة " (115 / 2) : ولم أقف له على ترجمة، وشيخ أبي نعيم عبد الله بن محمد بن جعفر أظنه القزويني وهو وضاع كما مر في المقدمة.
كذا قال والصواب أنه أبو الشيخ كما ذكرنا، فإن أبا نعيم يكثر عنه في " الحلية " وغيرها ولوكان هو هذا الكذاب لنسبه تمييزا بينهما فتأمل.
ثم استدركت فقلت: بل ليس هو القزويني يقينا، لأن أبا نعيم لم يدركه، فقد ولد بعد وفاته بإحدى وعشرين سنة كما سيأتي بيانه تحت الحديث (5291) .
ثم وجدت لابن شبيب متابعا فقال أبو الحسن بن عبد كويه في " ثلاثة مجالس " (5 / 1) أخبرنا أبو بكر محمد بن أحمد بن عبد الوهاب المقري حدثنا محمد بن إبراهيم بن شقيق حدثنا محمد بن قدامة المصيصي به.
ثم تبين لي أن محمد بن إبراهيم بن شقيق تحرف اسمه على بعض النساخ وإنما هو محمد بن عبد الرحيم بن شبيب المذكور آنفا فقد قال أبو نعيم في " أخبار أصبهان " (2 / 226) : حدثنا أبو بكر محمد بن أحمد بن عبد الوهاب المقري، حدثنا محمد ابن عبد الرحيم بن شبيب به.
وعلقه الديلمي في " مسنده " (3 / 268) على أبي نعيم، ووقع فيه عبد الله بن محمد بن جعفر كما تقدم في نقل السيوطي وابن عراق عنه، فلعل أبا نعيم له فيه شيخان، والله أعلم.
وقال ابن منده يحيى في " تاريخ أصبهان " (229 - مخطوطة الظاهرية) في ترجمة أحمد بن محمد بن أحمد بن سدوس: وجدت في كتاب سمع منه حدثنا أبو بكر بن عبد الوهاب حدثنا أبو بكر بن عبد الرحيم المقري حدثنا محمد بن قدامة المصيصي به وقد ترجم أبو نعيم لأبي بكر هذا (2 / 289) وذكر أنه ختم عليه القرآن ولم يذكر فيه جرحا ولا تعديلا، ثم رأيت الحديث أخرجه السلفي في " الأربعين "، (20 / 1) من الطريق الأولى إلا أنه قال: طارق بن شهاب بدل طاووس وكتب محمد ابن المحب بخطه على النسخة ما نصه: هذا حديث منكر، قال الحافظ الدمشقي: كذا قال، ووجدته في جزء أبي السكين عن طاووس وكذلك وجدته في تاريخ بغداد وهو الصواب وطارق وهم فيه السلفي رحمه الله، ثم رأيت الحديث في " طرق أربعين السلفي " (54 / 1 - 2) للحافظ القاسم ابن الحافظ ابن عساكر أخرجه من الطريق الأولى مثل رواية السلفي ثم قال: كذا قال: عن طارق بن شهاب، وأظن أنه الصواب ... ، ثم نقل كلام والده الذي نقله ابن المحب آنفا، لكن النسخة أصابها الماء فذهب ببعض الكلمات فلم نستطع نقل ما كتبه بتمامه ثم رواه القاسم من طريق أبي السكين زكريا بن يحيى الطائي حدثني عبد الله بن صالح اليماني به وقال: عن طاووس، ثم قال القاسم: هذا حديث غريب، وأبوهمام القرشي لم أجد له ذكرا في الكتب، وليس بمعروف، وعبد الله ابن صالح مجهول أيضا

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ তাওহীদ পাবলিকেশন
গ্রন্থঃ যঈফ ও জাল হাদিস
অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ
হাদিস নম্বরঃ ২৬৬ | 266 | ۲٦٦

২৬৬। তিনি যখন কোন প্রয়োজনীয়তাকে ভুলে যাবার আশংকা করতেন, তখন তার হাতে একটি সুতা রেখে দিতেন (বেঁধে দিতেন), যাতে করে তা স্মরণ করতে পারেন।

হাদীসটি বাতিল।

এটি ইবনু আদী (১/১৭২), ইবনু সা'দ (১/২৮৬), হারিস ইবনু আবূ উসামা তার “মুসনাদ” গ্রন্থে এবং আবুল হাসান আল-আবনুসী “আল-ফাওয়াইদ” গ্রন্থে (২/২৬) সালেম ইবনু আবদিল 'আলা হতে ... বর্ণনা করেছেন। ইবনু আদী বলেনঃ সালেম এ হাদীসটির ব্যাপারে প্রসিদ্ধ, ইবনু মাঈন ও অন্যরা তার উপরে এটিকে হাদীস হিসাবে ইনকার (অস্বীকার) করেছেন। সুয়ূতী “জামেউস সাগীর” গ্রন্থে ইবনু সাদের বর্ণনা হতে উল্লেখ করেছেন। মানাবী তার সমালোচনা করে বলেছেনঃ এটি আবু ইয়ালা বর্ণনা করেছেন। যারাকশী বলেনঃ এটির সনদে সালেম ইবনু আবদিল 'আলা রয়েছেন। তার সম্পর্কে ইবনু হিব্বান বলেনঃ তিনি জালকারী। ইবনু আবী হাতিম বলেনঃ হাদীসটি বাতিল।

ইবনু শাহীন “আন-নাসিখ” গ্রন্থে বলেনঃ তার সব হাদীসই মুনকার। মুসান্নেফ (সুয়ূতী) “আদ-দুরার” গ্রন্থে বলেনঃ আবু হাতিম বলেছেনঃ হাদীসটি বাতিল। ইবনু শাহীন বলেছেনঃ এটি মুনকার, সহীহ্ নয়।

আমি (আলবানী) বলছিঃ ইবনু আবী হাতিম তার “আল-ইলাল” গ্রন্থে (২/২৫২) বলেনঃ আমি আমার পিতাকে এ হাদীসটি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম ... তিনি উত্তরে বলেনঃ এ হাদীসটি বাতিল। আমি সালেমের অবস্থা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম। তিনি বললেনঃ তিনি হাদীসের ক্ষেত্রে দুর্বল এবং এটি সালেম হতেই বর্ণিত।

ইবনু আবী হাতিম “আল-জারহু ওয়াত তা’দীল” গ্রন্থে (২/১/১৮৬) বলেনঃ সালেম সম্পর্কে ইবনু মাঈন বলেছেনঃ তার হাদীসটি কিছুই না। ইবনু আবী হাতিম আরো বলেনঃ আমার পিতা বলেছেনঃ তিনি মাতরূকুল হাদীস।

আবূ তাহের "আত-তাযকিরা" গ্রন্থে বলেনঃ তিনি নির্ভরযোগ্যদের উদ্ধৃতিতে হাদীস জাল করতেন। ইবনু হিব্বানও তার কথার অনুসরণ করেছেন। হাকিম ও নাক্কাশ বলেনঃ তিনি নাফে' হতে জাল হাদীস বর্ণনা করেন। অনুরূপ কথা “লিসানুল মীযান” গ্রন্থে এসেছে। তার এ বর্ণনাটি নাফে' হতেই।

ইবনুল জাওযী “আল-মাওযূ’আত” গ্রন্থে (৩/৭৩) হাদীসটির তিনটি সূত্র উল্লেখ করেছেন।

১। প্রথমটি সম্পর্কে আলোচনা করা হল। 

২। দ্বিতীয় সূত্রটিতে আবু আমর বিশর ইবনু ইবরাহীম আল-আনসারী রয়েছেন। তিনি আওযাঈ হতে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। এটি দারাকুতনী এবং ইবনু আসাকির তার “আত-তারীখ” গ্রন্থে (৩/১০/১) বর্ণনা করেছেন। ইবনুল জাওযী বলেনঃ বিশর এককভাবে এটি বর্ণনা করেছেন। তিনি হাদীস জালকারী।

আমি (আলবানী) বলছিঃ ইমাম যাহাবী তার জীবনীতে উল্লেখ করেছেন যে, এ হাদীস তার মুসীবতগুলোর একটি! ইবনু আদী “আল-কামিল” গ্রন্থে তার কতিপয় হাদীস (২/৩৩) বর্ণনা করেছেন, এটি সেগুলোর একটি। অতঃপর বলেছেনঃ এ হাদীসগুলো আওযাঈ এবং অন্যদের থেকে বর্ণনা করা। বিশর ছাড়া অন্য কেউ আওযাঈ হতে সেগুলো বর্ণনা করেননি। এগুলো বাতিল তিনি তাদের উপর জাল করেছেন। অনুরূপভাবে তার সেই সব হাদীস যেগুলো আমি উল্লেখ করিনি (তাদের থেকে বর্ণনা করা) সেগুলোও বানোয়াট।

৩। তৃতীয়টি গিয়াস ইবনু ইবরাহীম সূত্রে বর্ণিত হয়েছে। এ গিয়াস এককভাবে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন, তিনি মাতরূক।

আমি (আলবানী) বলছিঃ তিনি জাল করার দোষে দোষী, যেমনভাবে পূর্বে তার সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। সুয়ূতী “আল-লাআলী” গ্রন্থে (২/১৮০) তাবারানীর বর্ণনা হতে বাকিয়া ইবনুল ওয়ালীদ থেকে চতুর্থ সূত্র উল্লেখ করেছেন। অতঃপর চুপ থেকেছেন, কিন্তু তার চুপ থাকা সঠিক হয়নি। কারণ বাকিয়া মাজহুল বর্ণনাকারীদের থেকে বর্ণনা করেছেন, যেমনভাবে ইবনু মাঈন ও আজালী বলেছেন। এ বর্ণনাটি এ প্রকারের অন্তর্ভুক্ত। কারণ তার শাইখ আবু আব্দির রহমান মাজহুল বর্ণনাকারীদের একজন; যেমনভাবে “আল-লিসান” গ্রন্থে এসেছে।

অতঃপর আমি (আলবানী) আরেকটি সূত্র পেয়েছি, যেটি একাধিক সমস্যায় জর্জরিত। তাতে বিশর ইবনু ওবায়দিল্লাহ রয়েছেন। তার সম্পর্কে ইবনু আদী বলেনঃ তিনি আইম্মাদের থেকে বর্ণনাকারী হিসাবে মুনকারুল হাদীস।

আরো রয়েছেন ইয়াহইয়া ইবনু আবী ফুরাত; আমি তাকে চিনি না।

আরো আছেন ঈসা ইবনু শুয়া'য়েব; তার মধ্যে দুর্বলতা রয়েছে। তাদের দু'জনের একজন এ সূত্রটির সমস্যা।



হাদিসের মানঃ  জাল (Fake)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!

كان إذا أشفق من الحاجة أن ينساها جعل فى يده خيطا ليذكرها
باطل

-

رواه ابن عدي (172 / 1) وابن سعد (1 / 286) والحارث بن أبي أسامة في " مسنده " (17 ـ من زوائده) ، وأبو الحسن الآبنوسي في " الفوائد " (26 / 2) عن سالم بن عبد الأعلى عن نافع عن ابن عمر مرفوعا
وقال ابن عدي: سالم معروف بهذا الحديث، وأنكر عليه ابن معين وغيره
وذكره السيوطي في " الجامع الصغير " من رواية ابن سعد والحكيم عن ابن عمر فتعقبه شارحه المناوي بقوله: رواه أبو يعلى، قال الزركشي: فيه سالم بن عبد الأعلى قال فيه ابن حبان: وضاع، وقال ابن أبي حاتم: حديث باطل، وقال ابن شاهين في " الناسخ ": أحاديثه منكرة، وقال المصنف في " الدرر ": قال أبو حاتم: حديث باطل، وقال ابن شاهين: منكر لا يصح
قلت: وقول أبي حاتم رواه عنه ابنه في " العلل " (2 / 252) قال: سألت أبي عن حديث رواه محمد بن يعلى السلمي قال: حدثنا سالم بن عبد الأعلى أبو الفيض عن نافع عن ابن عمر عن النبي صلى الله عليه وسلم قلت: فذكره، قال أبي: هذا حديث باطل
قلت: فما حال سالم؟ قال: ضعيف الحديث، وهذا من سالم
وقال ابن أبي حاتم في " الجرح والتعديل " (2 / 1 / 186) : سالم قال ابن معين: ليس حديثه بشيء، قلت: وتمام كلام ابن معين في " تاريخه " (ق 86 /2) : وهو الذي يروي عن نافع عن ابن عمر، فذكر هذا الحديث، ثم قال ابن أبي حاتم: وقال أبي: متروك الحديث، وقال ابن طاهر في " التذكرة ": يضع الحديث على " الثقات " وتبع في ذلك ابن حبان، وقال الحاكم والنقاش
روى عن نافع أحاديث موضوعة كذا في اللسان
قلت: وهذا من روايته عن نافع، وقد رواه الخطيب (11 / 85) من هذا الوجه، وكذا الدارقطني، ومن طريقه أورده ابن الجوزي في " الموضوعات " (3 / 73) وقد ذكره فيه من ثلاثة طرق
الأول: هذا
الثاني: من طريق أبي عمرو بشر بن إبراهيم الأنصاري حدثنا الأوزاعي عن مكحول عن واثلة بن الأسقع مرفوعا نحوه رواه الدارقطني وكذا ابن عساكر في " تاريخه " (3 / 10 / 1 - المصورة عن الأزهرية)
قال ابن الجوزي: تفرد به بشر وهو يضع الحديث
قلت: وقد ذكر الذهبي في ترجمته أن هذا الحديث من مصائبه! وأخرج له ابن عدي في " الكامل " (33 / 2) أحاديث منها هذا ثم قال: وهذه الأحاديث عن الأوزاعي وغيره لا يرويها عنه غير بشر وهي بواطيل وضعها عليهم، وكذلك سائر أحاديثه التي لم أذكرها موضوعات عن كل من روى عنهم
الثالث: من طريق غياث بن إبراهيم حدثنا عبد الرحمن بن الحارث بن عياش بن أبي ربيعة عن سعيد بن أبي سعيد المقبري عن رافع بن خديج مرفوعا نحوه، قال الدارقطني: تفرد به غياث وهو متروك
قلت: وهو متهم بالوضع كما سبق، وقد ذكر السيوطي في " اللآليء " (2 / 180) للحديث طريقا رابعا من رواية الطبراني في " الكبير " (رقم 4431) من طريق بقية ابن الوليد حدثنا أبو عبد الرحمن مولى بنى تميم عن سعيد المقبري عن رافع بن خديج به، وسكت عليه، وليس بجيد فإن بقية إذا روى عن المجهولين ليس بشيء كما قال ابن معين والعجلي، وهذه الرواية من هذا الصنف فإن أبا عبد الرحمن هذا من شيوخ بقية الذين لا يعرفون كما في اللسان
ثم وجدت له طريقا خامسا عن ابن عمر، أخرجه أبو سعيد بن الأعرابي في " المعجم " (110 / 1) قال: أنبأنا إبراهيم يعني ابن فهد أنبأنا بشر بن عبيد الله الدراسي، أنبأنا عيسى بن شعيب عن يحيى بن أبي الفرات عن سالم بن عبد الله بن عمر عن أبيه مرفوعا
بشر هذا أورده السمعاني في الدارسي، فقال: والمشهور بهذه النسبة أبو علي بشر بن عبيد الله الدارسي من أهل البصرة ويقال له: المدارسي أيضا هكذا ذكره أبو حاتم بن حبان، يروي عن حماد بن سلمة والبصريين، روى عنه يعقوب بن سفيان الفارسي
قلت: الذي ي " ثقات ابن حبان " (8 / 142) : الدارس مكان الدارسي، وكذلك هو في " ترتيب الثقات " (1 / 51 / 1)
ونحوه في " الجرح والتعديل " لابن أبي حاتم (1 / 1 / 362) ولم يذكر فيه جرحا ولا تعديلا، وأما ابن عدي فقال: منكر الحديث عن الأئمة
وفيه نظر بينته في " تيسير الانتفاع "
ويحيى بن أبي الفرات لم أعرفه وعيسى بن شعيب فيه ضعف، فأحدهما هو آفة هذا الطريق والله أعلم
وقد روي ما يخالف هذا الحديث وهو الأتى

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ তাওহীদ পাবলিকেশন
গ্রন্থঃ যঈফ ও জাল হাদিস
অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ
হাদিস নম্বরঃ ২৬৭ | 267 | ۲٦۷

২৬৭। যে ব্যাক্তি তার আংটি বা পাগড়ী উল্টিয়ে রাখে বা তার আংগুলে সুতা ঝুলিয়ে রাখে, যাতে করে তার প্রয়োজনীয়তাকে স্মরণ করতে পারে, সে ব্যাক্তি অবশ্যই আল্লাহর সাথে শির্ক করল। কারণ আল্লাহ তা’আলাই প্রয়োজনীয়তাকে স্মরণ করিয়ে দেন।

হাদীসটি জাল।

এটি ইবনু আদী (৩৩/১-২) এবং ইবনুল জাওযী “আল-মাওযুআত” গ্রন্থে (৩/৭৪) বিশর ইবনুল হুসাইন সূত্রে ... বর্ণনা করেছেন। অতঃপর ইবনু আদী বলেছেনঃ এটি সহীহ নয়।

ইবনুল জাওযী বলেছেনঃ এটির কোন ভিত্তি নেই। কারণ বিশর যুবায়ের হতে বাতিল হাদীস বর্ণনাকারী। সুয়ূতী তার এ বক্তব্যকে “আল-লাআলী” গ্রন্থে (২/২৮৩) সমর্থন করে বলেছেনঃ ইবনু হিব্বান বলেনঃ বিশর ইবনুল হুসাইন আল-আসবাহানী যুবায়ের হতে একটি জাল কপি বর্ণনা করেছেন যাতে একশত পঞ্চাশটি হাদীস ছিল।

ইবনু আররাক "তানযীহুশ শারীয়াহ" গ্রন্থে (২/৩২২) তার এ বক্তব্যকে সমর্থন করেছেন।



হাদিসের মানঃ  জাল (Fake)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!

من حول خاتمه أو عمامته أو علق خيطا في أصبعه ليذكره حاجته فقد أشرك بالله عز وجل، إن الله هو يذكر الحاجات
موضوع

-

رواه ابن عدي (33 / 1 - 2) وابن الجوزي في " الموضوعات " (3 / 74) من طريق بشر بن الحسين حدثنا الزبير بن عدي عن أنس مرفوعا، وقال ابن عدي: لا يصح وقال ابن الجوزي: لا أصل له، بشر يروي عن الزبير بواطيل
وأقره السيوطي في " اللآليء " (2 /283) وزاد عليه بقوله: قلت: قال ابن حبان: روى بشر بن الحسين الأصبهاني عن الزبير نسخة موضوعة شبيها بمائة وخمسين حديثا، وأقره ابن عراق في " تنزيه الشريعة " (322 / 2)

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ তাওহীদ পাবলিকেশন
গ্রন্থঃ যঈফ ও জাল হাদিস
অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ
হাদিস নম্বরঃ ২৬৮ | 268 | ۲٦۸

২৬৮। যে ব্যাক্তি যমীন হতে বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম লিখা কাগজ উঠাবে; তাঁকে পদদলিত হওয়া থেকে সম্মান প্রদর্শন করে, তাঁকে আল্লাহর নিকট সত্যবাদী বিশ্বাসীদের মধ্যে লিপিবদ্ধ করা হবে এবং তার পিতা-মাতার উপর হতে শাস্তি লাঘব করা হবে যদিও তাঁরা দু’জন মুশরিক হয়। আর যে ব্যাক্তি বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম লিখল, অতঃপর আল্লাহকে সম্মান দেখিয়ে তাঁকে সৌন্দর্য মণ্ডিত করল, তাঁকে ক্ষমা করে দেয়া হবে।

হাদীসটি জাল।

এটি আবুশ শাইখ ইবনু হিব্বান “তাবাকাতুল আসবাহানিয়ীন" গ্রন্থে (পৃঃ ২৩৪) এবং ইবনু আদী (১/২৪৬) আবূ সালেম আর-রাওয়াসী আলা ইবনু মাসলামী সূত্রে আবু হাফস আল-আবাদী হতে, তিনি আবান হতে ... বর্ণনা করেছেন।

ইবনুল জাওযী এটিকে তার "আল-মাওযু’আত" গ্রন্থে (১/২২৬) ইবনু আদীর বর্ণনায় উল্লেখ করে বলেছেনঃ আবান নিতান্তই দুর্বল। হাফস তার চেয়েও দুর্বল এবং আবু সালেম আলা ইবনু মাসলামাকে মুহাম্মাদ ইবনু তাহির আল-আযদী মিথ্যুক আখ্যা দিয়েছেন। তিনি আরো বলেছেনঃ তার থেকে বর্ণনা করা হালাল নয়।

সুয়ূতী “আল-লাআলী” গ্রন্থে (১/২০২) বলেনঃ আবাদীর জীবনী বর্ণনা করতে গিয়ে এটিকে ইবনু আদী উল্লেখ করে বলেছেনঃ তিনি মাতরূকুল হাদীস। তিনি (সুয়ূতী) আরো বলেনঃ এটি আলী ইবনু আবী তালিব (রাঃ) হতে বর্ণিত হয়েছে, কিন্তু সহীহ্ নয়।



হাদিসের মানঃ  জাল (Fake)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!

من رفع قرطاسا من الأرض فيه بسم الله الرحمن الرحيم إجلالا أن يداس كتب عند الله من الصديقين، وخفف عن والديه وإن كانا مشركين، ومن كتب بسم الله الرحمن الرحيم فجوده تعظيما لله غفر له
موضوع

-

أخرجه أبو الشيخ ابن حبان في " طبقات الأصبهانيين " (ص 234) مفرقا في موضعين وابن عدي (246 / 1) بتمامه من طريق أبي سالم الرواسي العلاء بن مسلمة قال: حدثنا أبو حفص العبدي عن أبان عن أنس مرفوعا، وذكره ابن الجوزي في " الموضوعات " (1 / 226) من رواية ابن عدي ثم قال: أبان ضعيف جدا، وأبو حفص أشد منه ضعفا، وأبو سالم العلاء بن مسلمة كذبه محمد بن طاهر الأزدي لا تحل الرواية عنه
قال السيوطي في " اللآليء " (1 / 202) : قلت: أورده ابن عدي في ترجمة العبدي وقال: إنه متروك الحديث، قال: وقد روي عن علي بن أبي طالب من وجه لا يصح

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ তাওহীদ পাবলিকেশন
গ্রন্থঃ যঈফ ও জাল হাদিস
অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ
হাদিস নম্বরঃ ২৬৯ | 269 | ۲٦۹

২৬৯। আলেম ব্যাক্তির বার্ধক্য জনিত কারণে মস্তিষ্ক বিকৃত হবে না।

হাদীসটি জাল।

ইবনু আবী হাতিম “আল-ইলাল” গ্রন্থে (২/৪৩৯) বলেনঃ আমার পিতাকে আলা ইবনু যায়দাল কর্তৃক আনাস (রাঃ) হতে বর্ণনাকৃত হাদীস সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল। তিনি বলেনঃ 'আলা দুর্বল, মাতরূকুল হাদীস। আমরা জ্ঞানের অধিকারী মাসউদী, জারীরী, সাঈদ ইবনু আরুবা, আতা ইবনুস সায়েব ও অন্যান্যদের পেয়েছি তাদের প্রত্যেকের শেষ বয়সে মস্তিষ্কে পরিবর্তন ঘটেছিল।

আমি (আলবানী) বলছিঃ এ আলা সম্পর্কে যাহাবী বলেছেনঃ তিনি ধ্বংসপ্রাপ্ত। ইবনুল মাদীনী বলেনঃ তিনি হাদীস জাল করতেন। ইবনু হিব্বান বলেনঃ তিনি আনাস (রাঃ) হতে জাল কপি বর্ণনা করেছেন।

তিনি হাদীসটি অন্য ভাষাতেও বর্ণনা করেছেন এভাবেঃ (দেখুন পরেরটি)



হাদিসের মানঃ  জাল (Fake)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!

العالم لا يخرف
موضوع

-

قال ابن أبي حاتم في " العلل " (2 / 439) ، وسئل أبي عن حديث رواه العلاء ابن زيدل عن أنس مرفوعا: " العالم لا يخرف "، فقال: العلاء ضعيف الحديث متروك الحديث، وقد وجدنا من ينسب إلى العلم المسعودي والجريري وسعيد بن أبي عروبة وعطاء بن السائب وغيرهم يعني أنهم قد تغيروا في آخر عمرهم
قلت: العلاء هذا قال الذهبي: تالف، قال ابن المديني: كان يضع الحديث وقال ابن حبان: روى عن أنس نسخة موضوعة
وقد روي الحديث بلفظ آخر (الأتي)

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ তাওহীদ পাবলিকেশন
গ্রন্থঃ যঈফ ও জাল হাদিস
অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ
হাদিস নম্বরঃ ২৭০ | 270 | ۲۷۰

২৭০। কুরআন পাঠকারী বার্ধক্য জনিত কারণে বিকৃত মস্তিষ্ক হবে না।

হাদীসটি জাল।

এটিকে সুয়ূতী “যায়লু আহাদীসিল মাওযু আহ” গ্রন্থে (পৃঃ ২৫) উল্লেখ করেছেন এবং তার অনুসরণ করে ইবনু আররাক “তানীহুশ শারীয়াহ" গ্রন্থে (২/৩৬) আবূ নু’য়াইম সূত্রে বর্ণনা করেছেন। এটি “আখবারু আসবাহান” গ্রন্থেও (২/৩৪৩) লাহেক ইবনুল হুসাইন-এর বর্ণনায় ... এসেছে।

দাইলামী (৪/১৯০) এবং ইবনু আসাকির তার “আত-তারীখ” গ্রন্থে (১৮/১/২) আবূ নু’য়াইম ও অন্য একটি সূত্রের বরাতে বর্ণনা করেছেন। এটির সনদে লাহেক ইবনুল হুসাইন নামক এক বর্ণনাকারী আছেন। সুয়ূতী বলেনঃ যাহাবী “আল-মীযান” গ্রন্থে বলেছেনঃ লাহেক মিথ্যুক। তার থেকেই আবু নু’য়াইম “আল-হিলইয়াহ" গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন।

“লিসানুল মীযান” গ্রন্থে ইবনু হাজার বলেনঃ ইদরীসী বলেছেনঃ তিনি নির্ভরযোগ্যদের উদ্ধৃতিতে হাদীস জাল করতেন। সম্ভবত মিথ্যুকদের মধ্যে তার মত কাউকে সৃষ্টি করা হয়নি। ইবনুস সামায়ানী বলেনঃ তিনি ছিলেন মিথ্যুকদের একজন। এমন একটি কপি জাল করেছেন, যার বর্ণনাকারীদের নাম জানা যায় না। ইবনুন নাজ্জার বলেনঃ তিনি মিথ্যুক হওয়ার ব্যাপারে সকলেই একমত পোষণ করেছেন।

আমি (আলবানী) বলছিঃ এতো কিছু বলার পরেও সুয়ূতী হাদীসটি উল্লেখ করার দ্বারা “জামেউস সাগীর” গ্রন্থকে কালিমালিপ্ত করেছেন।



হাদিসের মানঃ  জাল (Fake)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!

لا يخرف قارئ القرآن
موضوع

-

ذكره السيوطي في " ذيل الأحاديث الموضوعة " (ص 25) وتبعه ابن عراق فأورده في " تنزيه الشريعة " (36 / 2) من طريق أبي نعيم وهذا في " أخبار أصبهان " (2 / 343) أنبأنا لاحق بن الحسين حدثنا خيثمة بن سليمان حدثنا عبيد بن محمد حدثنا محمد بن يحيى بن جميل حدثنا بكر بن السرور حدثنا يحيى بن مالك عن أنس عن أبيه
عن الزهري عن أنس رفعه، ورواه الديلمي (4 / 190) ورواه ابن عساكر في " تاريخه " (18 / 1 / 2) من طريق أبي نعيم وغيره، أخبرنا لاحق به، ثم قال السيوطي: قال في " الميزان ": لاحق كذاب، وروى عنه أبو نعيم في " الحلية " وغيرها مصائب، وقال في " اللسان ": قال الإدريسي: يضع الحديث على الثقات، ولعله لم يخلق في الكذابين مثله، وقال ابن السمعاني: كان أحد الكذابين وضع نسخا لا يعرف أسماء رواتها وقال ابن النجار: مجمع على كذبه.
قلت: ومع هذا كله فقد سود به السيوطي كتابه " الجامع الصغير "! وبيض له المناوي في " شرحيه "
ورواه عبد الرحمن بن نصر الدمشقي في " الفوائد " (2 / 226 / 2) عن الشعبي من قوله وسنده ضعيف، فلعله أصل الحديث، رفعه بعض الكذبة
وقد وجدت له طريقا أخرى بنحوه وهو (الأتي)

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

হাদিস দেখানো হচ্ছে   [261]  থেকে  [270]  পর্যন্ত এবং সর্বমোট   [342]  টি হাদিস পাওয়া গেছে।