• ৭১৯৬৩ টি সর্বমোট হাদিস আছেঃ
  • ৮০৩৩ টি প্রশ্নোত্তর ও ফিকাহঃ

 

 

 

 


হাদীস (حَدِيْث) এর শাব্দিক অর্থ: নতুন, প্রাচীন ও পুরাতন এর বিপরীত বিষয়। এ অর্থে যে সব কথা, কাজ ও বস্ত্ত পূর্বে ছিল না, এখন অস্তিত্ব লাভ করেছে  তাই হাদীস। এর আরেক অর্থ হলো: কথা। ফক্বীহগণের পরিভাষায় নাবী কারীম () আল্লাহ্‌র রাসূল হিসেবে যা কিছু বলেছেন, যা কিছু করেছেন এবং যা কিছু বলার বা করার অনুমতি দিয়েছেন অথবা সমর্থন জানিয়েছেন তাকে হাদীস বলা হয়। কিন্তু মুহাদ্দিসগণ এর সঙ্গে রাসুলুল্লাহ () সম্পর্কিত বর্ণনা ও তার গুণাবলী সম্পর্কিত বিবরণকেও হাদীসের অন্তর্ভুক্ত করেন। এ হিসেবে হাদীসকে প্রাথমিক পর্যায়ে তিন শ্রেণীতে ভাগ করা যায়:

১। ক্বওলী হাদীস: কোন বিষয়ে রাসুলুল্লাহ () যা বলেছেন, অর্থাৎ যে হাদীসে তাঁর কোন কথা বিবৃত হয়েছে তাকে ক্বওলী (বাণী সম্পর্কিত) হাদীস বলা হয়।

২। ফেলী হাদীস: মহানাবী ()-এর কাজকর্ম, চরিত্র ও আচার-আচরণের ভেতর দিয়েই ইসলামের যাবতীয় বিধি-বিধান ও রীতিনীতি পরিস্ফুট হয়েছে। অতএব যে হাদীসে তাঁর কোন কাজের বিবরণ উল্লেখিত হয়েছে তাকে ফে’লী (কর্ম সম্পর্কিত) হাদীস বলা হয়।

৩। তাকরীরী হাদীস: সাহাবীগণের যে সব কথা বা কাজ নাবী কারীম ()-এর অনুমোদন ও সমর্থন প্রাপ্ত হয়েছে, সে ধরনের কোন কথা বা কাজের বিবরণ হতেও শরীয়াতের দৃষ্টিভঙ্গি জানা যায়। অতএব যে হাদীসে এ ধরনের কোন ঘটনার বা কাজের উল্লেখ পাওয়া যায় তাকে তাকরীরী (সমর্থন মূলক) হাদীস বলে।

সুন্নাহ (السنة): হাদীসের অপর নাম সুন্নাহ্ (السنة) সুন্নাত শব্দের অর্থ চলার পথ, কর্মের নীতি ও পদ্ধতি। যে পন্থা ও রীতি নাবী কারীম () অবলম্বন করতেন তাকে সুন্নাত বলা হয়। অন্য কথায় রাসুলুল্লাহ () প্রচারিত উচ্চতম আদর্শই সুন্নাত। কুরআন মাজিদে মহত্তম ও সুন্দরতম আদর্শ (أُسْوَةٌ حَسَنَةٌ) বলতে এই সুন্নাতকেই বুঝানো হয়েছে।

খবর (خبر): হাদীসকে আরবী ভাষায় খবরও (خبر) বলা হয়। তবে খবর শব্দটি হাদীস ও ইতিহাস উভয়টিকেই বুঝায়।

আসার (أثر ): আসার শব্দটিও কখনও কখনও রাসুলুল্লাহ () এর হাদীসকে নির্দেশ করে। কিন্তু অনেকেই হাদীস ও আসার এর মধ্যে কিছু পার্থক্য করে থাকেন। তাঁদের মতে- সাহাবীগণ থেকে শরীয়াত সম্পর্কে যা কিছু উদ্ধৃত হয়েছে তাকে আসার বলে।

 

ইলমে হাদীসের কতিপয় পরিভাষা

সাহাবী (صحابى):  যিনি ঈমানের সঙ্গে রাসুলুল্লাহ () এর সাহচর্য লাভ করেছেন এবং ঈমানের সঙ্গে মৃত্যুবরণ করেছেন তাঁকে রাসুলুল্লাহ ()-এর সাহাবী বলা হয়।

তাবেঈ (تابعى) : যিনি রাসুলুল্লাহ ()-এর কোন সাহাবীর নিকট হাদীস শিক্ষা করেছেন অথবা অন্ততপক্ষে তাঁকে দেখেছেন এবং মুসলমান হিসেবে মৃত্যুবরণ করেছেন তাঁকে তাবেঈ বলা হয়।

তাবে-তাবেঈ (تابعى تابع) : যিনি  কোন তাবেঈ এর নিকট হাদীস শিক্ষা করেছেন অথবা অন্ততপক্ষে তাঁকে দেখেছেন এবং মুসলমান হিসেবে মৃত্যুবরণ করেছেন তাঁকে তাবে-তাবেঈ বলা হয়।

মুহাদ্দিস (محدث) : যিনি হাদীস চর্চা করেন এবং বহু সংখ্যক হাদীসের সনদ ও মতন সম্পর্কে বিশেষ জ্ঞান রাখেন তাঁকে মুহাদ্দিস বলা হয়।

শাইখ (شيخ) : হাদীসের শিক্ষাদাতা রাবীকে শায়খ বলা হয়।

শাইখান (شيخان) : সাহাবীগনের মধ্যে আবূ বকর (রাঃ) ও উমর  (রাঃ)- কে একত্রে শাইখান বলা হয়। কিন্তু হাদীস শাস্ত্রে ইমাম বুখারী (রাহি.) ও ইমাম মুসলিম (রাহি.)-কে এবং ফিক্বহ-এর পরিভাষায় ইমাম আবূ হানীফা (রাহি.) ও আবূ ইউসুফ (রাহি.)-কে একত্রে শাইখান বলা হয়। 

হাফিয (حافظ) : যিনি সনদ ও মতনের বৃত্তান্ত সহ এক লাখ হাদীস আয়ত্ত করেছেন তাঁকে হাফিয বলা হয়।

হুজ্জাত (حجة) : অনুরূপভাবে যিনি তিন লক্ষ হাদীস আয়ত্ত করেছেন তাঁকে হুজ্জাত বলা হয়।  

হাকিম (حاكم) : যিনি সব হাদীস আয়ত্ত করেছেন তাকে হাকিম বলা হয়।

রিজাল (رجال) : হাদীসের রাবী সমষ্টিকে রিজাল বলে। যে শাস্ত্রে রাবীগণের জীবনী বর্ণনা করা হয়েছে তাকে আসমাউর-রিজাল বলা হয়।                                                                                 

রিওয়ায়াত (رواية): হাদীস বর্ণনা করাকে রিওয়ায়াত বলে। কখনও কখনও মূল হাদীসকেও রিওয়ায়াত বলা হয়। যেমন- এই কথার সমর্থনে একটি রিওয়ায়াত (হাদীস) আছে।                           

সনদ (سند): হাদীসের মূল কথাটুকু যে সূত্র পরম্পরায় গ্রন্থ সংকলনকারী পর্যন্ত পৌঁছেছে তাকে সনদ বলা হয়। এতে হাদীস বর্ণনাকারীদের নাম একের পর এক সজ্জিত থাকে।

মতন (متن): হাদীসে মূল কথা ও তার শব্দ সমষ্টিকে মতন বলে।

মারফূ (مرفوع): যে হাদীসের সনদ (বর্ণনা পরম্পরা) রাসুলুল্লাহ () পর্যন্ত পৌঁছেছে  তাকে মারফূ হাদীস বলে।

মাওকূফ (موقوف) : যে হাদীসের বর্ণনা- সূত্র ঊর্ধ্ব দিকে সাহাবী পর্যন্ত পৌঁছেছে , অর্থাৎ যে সনদ -সূত্রে কোন সাহাবীর কথা বা কাজ বা অনুমোদন বর্ণিত হয়েছে তাকে মাওকূফ হাদীস বলে। এর অপর নাম আসার।

মাকতূ (مقطوع): যে হাদীসের সনদ কোন তাবেঈ পর্যন্ত পৌঁছেছে, তাকে মাকতূ হাদীস বলা হয়।

তালীক (تعليق): কোন কোন গ্রন্থকার হাদীসের পূর্ণ সনদ বাদ দিয়ে কেবল মূল হাদীস বর্ণনা করেছেন। এরূপ করাকে তা’লীক বলা হয়।

মুদাল্লাস (مدلس): যে হাদীসের রাবী নিজের প্রকৃত শাইখের (উস্তাদের) নাম উল্লেখ না করে তার উপরস্থ শাইখের নামে এভাবে হাদীস বর্ণনা করেছেন যাতে মনে হয় যে, তিনি নিজেই উপরস্থ শাইখের নিকট তা শুনেছেন অথচ তিনি তাঁর নিকট সেই হাদীস শুনেন নি- সে হাদীসকে মুদাল্লাস হাদীস এবং এইরূপ করাকে ‘তাদ্লীস’ আর যিনি এইরূপ করেন তাকে মুদালস্নীস বলা হয়।

মুযতারাব (مضطرب): যে হাদীসের রাবী হাদীসের মতন ও সনদকে বিভিন্ন প্রকারে বর্ণনা করেছেন সে হাদীসকে হাদীসে মুযতারাব বলা হয়। যে পর্যন্ত না এর কোনরূপ সমন্বয় সাধন সম্ভবপর হয়, সে পর্যন্ত এই হাদীসের ব্যাপারে অপেক্ষা করতে হবে অর্থাৎ এই ধরনের রিওয়ায়াত প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না।

মুদ্রাজ (مدرج): যে হাদীসের মধ্যে রাবী নিজের অথবা অপরের উক্তিকে অনুপ্রবেশ করিয়েছেন, সে হাদীসকে মুদ্রাজ এবং এইরূপ করাকে ‘ইদরাজ’ বলা হয়।

মুত্তাসিল (متصل): যে হাদীসের সনদের ধারাবাহিকতা প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত পূর্ণরূপে রক্ষক্ষত আছে, কোন সত্মরেই কোন রাবীর নাম বাদ পড়ে নি তাকে মুত্তাসিল হাদীস বলে।

মুনকাতি (منقطع): যে হাদীসের সনদে ধারাবাহিকতা রক্ষিত হয় নি, মাঝখানে কোন এক স্তরে কোন রাবীর নাম বাদ পড়েছে, তাকে মুনকাতি হাদীস, আর এই বাদ পড়াকে ইনকিতা বলা হয়।

মুরসাল (مرسل): যে হাদীসের সনদে ইনকিতা শেষের দিকে হয়েছে, অর্থাৎ সাহাবীর নাম বাদ পড়েছে এবং তাবেঈ সরাসরি রাসুলুল্লাহ () এর উল্লেখ করে হাদীস বর্ণনা করেছেন তাকে মুরসাল হাদীস বলা হয়।

মুআল্লাক ( معلق ) : সনদের ইনকিতা প্রথম দিকে  হলে, অর্থাৎ সাহাবীর পর এক বা একাধিক রাবীর নাম বাদ পড়লে তাকে মু’আল্লাক হাদীস বলা হয়।

মুদাল (معضل): যে হাদীসে দুই বা ততোধিক রাবী ক্রমান্বয়ে সনদ থেকে বাদ পড়েছে তাকে মু‘দাল হাদীস বলে।

মুতাবি ও শাহিদ (متابع و شاهد): এক রাবীর হাদীসের অনুরূপ যদি অপর রাবীর কোন হাদীস পাওয়া যায় তবে দ্বিতীয় রাবীর হাদীসকে প্রথম রাবীর হাদীসের মুতাবি বলা হয়। যদি উভয় হাদীসের মূল রাবী অর্থাৎ সাহাবী একই ব্যক্তি না হয় তবে দ্বিতীয় ব্যক্তির হাদীসকে শাহিদ বলে। আর এইরূপ হওয়াকে শাহাদাত বলে। মুতাবা’আত ও শাহাদাত দ্বারা প্রথম হাদীসটির শক্তি বৃদ্ধি পায়।

মারূফ ও মুনকার (معروف و منكر): কোন দুর্বল রাবীর বর্ণিত হাদীস অপর কোন মাকবূল (গ্রহণযোগ্য) রাবীর বর্ণিত হাদীসের বিরোধী হলে তাকে মুনকার বলা হয় এবং মাকবূল রাবীর হাদীসকে মা‘রূফ বলা হয়।

সহীহ (صحيح) : যে মুত্তাসিল হাদীসের সনদে উল্লেখিত প্রত্যেক রাবীই পূর্ণ আদালত ও যাবত (ধারণ ক্ষমতা) গুণ সম্পন্ন এবং হাদীসটি যাবতীয় দোষত্রুটি ও শায মুক্ত তাকে সহীহ হাদীস বলে।

হাসান (حسن) : যে হাদীসের মধ্যে রাবীর যাবত (ধারণ ক্ষমতা) এর গুণ ব্যতীত সহীহ হাদীসের সমস্ত শর্তই পরিপূর্ণ রয়েছে তাকে হাসান হাদীস বলা হয়। ফক্বীহগণ সাধারণত সহীহ ও হাসান হাদীসের ভিত্তিতে শরীয়াতের বিধান নির্ধারণ  করেন।

যঈফ (ضعيف ) : যে হাদীসের রাবী কোন হাসান হাদীসের রাবীর গুণসম্পন্ন নন তাকে যঈফ হাদীস বলে।

মাওযূ ( موضوع ) : যে হাদীসের রাবী জীবনে কখনও ইচ্ছাকৃতভাবে রাসুলুল্লাহ ()-এর নামে মিথ্যা কথা রটনা করেছেন বলে প্রমাণিত হয়েছে, তার বর্ণিত হাদীসকে মাওযূ‘ হাদীস বলে।

 

রাবীর সংখ্যা বিচারে হাদীস প্রধানত দুপ্রকার। যথা: ১. মুতওয়াতির (متواتر) ও ২. আহাদ (أحاد)

১. মুতওয়াতির (متواتر): বৃহৎ সংখ্যক রাবীর বর্ণিত হাদীস, মিথ্যার ব্যাপারে যাদের উপর একাট্টা হওয়া অসম্ভব, সনদের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত এ সংখ্যা বিদ্যমান থাকলে হাদীসকে মুতওয়াতির (متواتر) বলা হয়।

২. আহাদ (أحاد): أحاد তিন প্রকার। যথা:

মাশহুর (مشهور): যে কোন স্তরে হাদীস বর্ণনা কারীর সংখ্যা যদি দুই এর অধিক হয়, কিন্তু মুতওয়াতির এর পর্যায়ে পৌঁছে না তাকে মাশহুর (مشهور) বলে।

আযীয (عزيز): যে কোন স্তরে হাদীস বর্ণনা কারীর সংখ্যা যদি দু‘জন হয় ।

গরীব (غريب): যে কোন স্তরে হাদীস বর্ণনা কারীর সংখ্যা যদি এক জন হয় ।

শায (شاذ): একাধিক নির্ভরযোগ্য রাবীর বিপরীত একজন নির্ভরযোগ্য রাবীর বর্ণনাকে শায হাদীস বলে।

 কিয়াস (قياس): অর্থ অনুমান, পরিমাপ, তুলনা ইত্যাদি। পরিভাষায়: শাখাকে মূলের সঙ্গে তুলনা করা, যার ফলে শাখা ও মূল একই হুকুমের অমত্মর্ভুক্ত হয়ে যায়।

তাক্বলীদ (تقليد): দলীল উল্লেখ ছাড়াই কোন ব্যক্তির মতামতকে গ্রহণ করা।

ইজতিহাদ (اجتهاد): উদ্দিষ্ট জ্ঞান অর্জনের প্রচেষ্টা চালানোকে ইজতিহাদ বলে।

শরীয়াত (شريعة): অর্থ: আইন, বিধান, পথ, পন্থা ইত্যাদি। পরিভাষায়: মহান আল্লাহ্‌ স্বীয় দীন হতে বান্দার জন্য যা বিধিবদ্ধ করে দিয়েছেন তাকে শরীয়াত বলে।

মাযহাব (مذهب): অর্থ- মত, পথ, মতবাদ ইত্যাদি। ফিক্বহী পরিভাষায়: ইবাদাত ও মু‘আমালাতের ক্ষেত্রে শারঈ হুকুম পালনের জন্য বান্দা যে পথ অনুসরণ করে এবং প্রত্যেক দলের জন্য একজন ইমামের উপর অথবা ইমামের ওসীয়ত কিংবা ইমামের প্রতিনিধির উপর নির্ভর করে তাকে মাযহাব বলে।

নাযর (نذر): কোন বিষয়ে উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য চিন্তা-ভাবনা করাকে নাযর বলে।

আম (عام): সীমাবদ্ধ করা ছাড়াই যা দুই বা ততোধিক বিষয়কে অন্তর্ভুক্ত করে তাকে আম বলে।

খাস (خاص): আম এর বিপরীত, যা নির্দিষ্ট বিষয়কে অন্তর্ভুক্ত করে।

ইজমা (اجماع): কোন এক যুগে আলিমদের কোন শারঈ বিষয়ের উপর এক মত পোষণ করাকে ইজমা বলে।

মুসনাদ (مسند): যার সনদগুলো পরস্পর এমনভাবে মিলিত যে, প্রত্যেকের বর্ণনা সুস্পষ্ট।

ফিক্বহ (فقه): ইজতিহাদ বা গবেষণার পদ্ধতিতে শারঈ হুকুম সম্পর্কে জানার বিধানকে ফিক্বহ বলে।

আসল বা মূল (اصل): এমন প্রথম বিষয়, যার উপর ভিত্তি করে কোন কিছু গড়ে উঠে। যেমন- দেয়ালের ভিত্তি।

ফারা বা শাখা (فرع): আসলের বিপরীত যা কোন ভিত্তির উপর গড়ে উঠে।

ওয়াজিব (واجب): যা আমল করলে সাওয়াব পাওয়া যাবে আর পরিত্যাগ করলে শাস্তি পাওয়া যাবে।

মানদূব (مندوب): যা আমল করলে সাওয়াব পাওয়া যাবে আর পরিত্যাগ করলে শাস্তি হবে না।

মাহযূর (محظور): যা পরিত্যাগ করলে সাওয়াব পাওয়া যাবে আর আমল করলে শাস্তি পাওয়া যাবে।

মাকরূহ (مكروه): যা পরিত্যাগ করলে সাওয়াব পাওয়া যাবে আর আমল করলে শাস্তি হবে না।

ফাৎওয়া (فتوى): জিজ্ঞাসিত ব্যক্তির নিকট থেকে দলীল ভিত্তিক শারঈ হুকুম সুস্পষ্ট বর্ণনা করে নেয়াকে ফাৎওয়া বলে।

নাসিখ (ناسخ): পরিবর্তিত শারঈ দলীল যা পূববর্তী শারঈ হুকুমকে রহিত করে দেয় তাকে নাসিখ বলে।

মানসূখ (منسوخ): আর যে হুকুমটি রহিত হয়ে যায় সেটাই মানসূখ।

মুতলাক্ব (مطلق): যা প্রকৃতিগত দিক থেকে জাতির সকলকে অন্তর্ভুক্ত  করে কিন্তু অনির্দিষ্টভাবে একটি অর্থকে বুঝায়।

মুকাইয়্যাদ (مقيد): যা মুতলাক্বের বিপরীত অর্থাৎ জাতির সকলকে অন্তর্ভুক্ত  করে না। বরং নির্দিষ্ট একটি অর্থকে বুঝায়।

হাক্বীকাত (حقيقة): শব্দকে আসল অর্থে ব্যবহার করাকে হাক্বীকত বলে। যেমন- সিংহ শব্দটি এক প্রজাতির হিংস্র প্রাণীকে বুঝায়।

মাজায (مجاز): শব্দ যখন আসল অর্থকে অতিক্রম করে তার সাথে সাদৃশ্য রাখে এমন অর্থ প্রকাশ করে তখন তাকে মাজায বলে। যেমন- সাহসী লোককে সিংহের সাথে তুলনা করা।

হাদিসের পরিসংখ্যান

সর্বমোট হাদিস পাওয়া গেছেঃ [2000] টি | অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ
গ্রন্থঃ যঈফ ও জাল হাদিস | দেখানো হচ্ছে   [251]  থেকে  [260]  পর্যন্ত
প্রতি পাতাতে টি হাদিস

পাবলিশারঃ তাওহীদ পাবলিকেশন
গ্রন্থঃ যঈফ ও জাল হাদিস
অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ
হাদিস নম্বরঃ ২৫১ | 251 | ۲۵۱

২৫১। যে ব্যাক্তি তার পেটকে ক্ষুধার্ত বানায় তার চিন্তা-ভাবনা বড় হয় (বৃদ্ধি পায়) এবং তার হৃদয় জ্ঞান সম্পন্ন হয়।

হাদীসটির কোন ভিত্তি নেই।

যেমনভাবে হাফিয ইরাকী “তাখরীজুল ইহইয়া” গ্রন্থে (৩/৭৩) এবং তাজুস সুবকী “তাবাকাতুল কুবরা” গ্রন্থে (৪/১৬৩) অবহিত করেছেন।



হাদিসের মানঃ  জাল (Fake)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!

من أجاع بطنه عظمت فكرته، وفطن قلبه
لا أصل له

-

كما يفيده كلام الحافظ العراقي في " تخريج الإحياء " (3 / 73) والسبكي في " الطبقات " (4 / 163)

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ তাওহীদ পাবলিকেশন
গ্রন্থঃ যঈফ ও জাল হাদিস
অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ
হাদিস নম্বরঃ ২৫২ | 252 | ۲۵۲

২৫২। অতিভোজন রোগের মূল আর রক্ষাকারী খাদ্য ঔষধের মূল। অতএব তোমরা প্রত্যেক শরীরকে যাতে সে অভ্যস্ত হয়েছে তাতে অভ্যস্ত কর।

হাদীসটির কোন ভিত্তি নেই।

গাযালী মারফু' হিসাবে “আল-ইহইয়া” গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন। অতঃপর হাফিয ইরাকী তার “আত-তাখরীজ” গ্রন্থে বলেছেনঃ এটির কোন ভিত্তি পাচ্ছি না। তার বক্তব্যকে হাফিয সাখাবী “মাকাসিদুল হাসানা” গ্রন্থে (১০৩৫) সমর্থন করেছেন।

ইবনুল কাইয়্যিম “যাদুল মায়াদ" গ্রন্থে (৩/৯৭) বলেনঃ ... এ হাদীসটি আরবদের ডাক্তার হারিস ইবনু কিলদার কথা। নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পর্যন্ত মারফু' হিসাবে বলা সঠিক নয়। হাদীস শাস্ত্রের একাধিক ইমাম এ কথাই বলেছেন।

কিন্তু সাখাবী উল্লেখ করেছেন যে, খাল্লাদ আয়েশা (রাঃ) এর হাদীস হতে বর্ণনা করেছেন এ বাক্যেঃ

الأزم دواء، والمعدة داء، وعودوا بدنا ما اعتاد

অর্থ “সাবধানতা হচ্ছে ঔষধ এবং পাকস্থলী (পেট) হচ্ছে অসুখ। অতএব তোমরা শরীরকে যাতে অভ্যাস্ত হয়েছে তাতেই অভ্যস্ত কর।”

এটির বাহ্যিকতা দেখে মনে হয় যেন মারফূ। সুয়ূতী “আদ-দুরার” গ্রন্থে তা স্পষ্ট করেই বলেছেন, যেমনভাবে “কাশফুল খাফা” গ্রন্থেও (২/৭৪/১৭৮৮) এসেছে। তিনি (সুয়ূতী) “জামেউল কাবীর” গ্রন্থেও (১/৩২০/২) উল্লেখ করেছেন। কিন্তু তার হাদীসটির কোন সনদ বর্ণনা করেননি যাতে দৃষ্টি দেয়া যায়। আমার অধিকাংশ ধারণা এটি সহীহ্ নয়।

অতঃপর ইবনুল কাইয়্যিমকে দেখেছি তিনি "যাদুল মায়াদ" গ্রন্থে (৩/১০২) এটিকে হারিস ইবনু কিলদার কথা হিসাবেই উল্লেখ করেছেন। এটিই উপযোগী।



হাদিসের মানঃ  জাল (Fake)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!

البطنة أصل الداء، والحمية أصل الدواء، وعودوا كل جسم ما اعتاد
لا أصل له

-

وقد أورده الغزالي في " الإحياء " مرفوعا إلى النبي صلى الله عليه وسلم! فقال الحافظ العراقي في تخريجه: لم أجد له أصلا، وأقره الحافظ السخاوي في " المقاصد الحسنة " (1035) وقال المحقق ابن القيم في " زاد المعاد " (3 /97) : وأما الحديث الدائر على ألسنة كثير من الناس: الحمية رأس الدواء، والمعدة بيت الداء، وعودوا كل جسم ما اعتاد، فهذا الحديث إنما هو من كلام الحارث بن كلدة طبيب العرب، ولا يصح رفعه إلى النبي صلى الله عليه وسلم
قاله غير واحد من أئمة الحديث
لكن ذكر السخاوي أن الخلال روى من حديث عائشة: " الأزم دواء، والمعدة داء، وعودوا بدنا ما اعتاد "
وظاهره أنه مرفوع، وقد صرح بذلك السيوطي في " الدرر " كما في " كشف الخفاء " (2 / 74 / 1788) ، وأورده في " الجامع الكبير " (1 / 320 / 2) ولكنهم لم يذكروا إسناده لينظر فيه، وغالب الظن أنه لا يصح، والله أعلم
ثم رأيت ابن القيم ذكره في " الزاد " (3 / 102) من كلام الحارث بن كلدة أيضا بهذا اللفظ وهو الأشبه، ثم قال ابن القيم: والأزم: الإمساك عن الأكل يعني به الجوع، وهو من أكبر الأدوية في شفاء الأمراض الامتلائية كلها بحيث أنه أفضل في علاجها من المستفرغات
وبهذه المناسبة أقول: لقد جوعت نفسي في أو اخر سنة 1379 أربعين يوما متتابعا، لم أذق في أثنائها طعاما قط، ولم يدخل جوفي إلا الماء! وذلك طلبا للشفاء من بعض الأدواء، فعوفيت من بعضها دون بعض، وكنت قبل ذلك تداويت عند بعض الأطباء نحوعشر سنوات دون فائدة ظاهرة، وقد خرجت من التجويع المذكور بفائدتين ملموستين: الأولى: استطاعة الإنسان تحمل الجوع تلك المدة الطويلة خلافا لظن الكثيرين من الناس
والأخرى: أن الجوع يفيد في شفاء الأمراض الامتلائية كما قال ابن القيم رحمه الله تعالى، وقد يفيد في غيرها أيضا كما جرب كثيرون، ولكنه لا يفيد في جميع الأمراض على اختلاف الأجسام خلافا لما يستفاد من كتاب " التطبيب بالصوم " لأحد الكتاب الأوربيين، وفوق كل ذي علم عليم

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ তাওহীদ পাবলিকেশন
গ্রন্থঃ যঈফ ও জাল হাদিস
অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ
হাদিস নম্বরঃ ২৫৩ | 253 | ۲۵۳

২৫৩। তোমরা সাওম (রোযা/রোজা/সিয়াম/ছিয়াম) পালন কর সুস্থ থাকবে।

হাদীসটি দুর্বল।

এটি তাবারানী “মুজামুল আওসাত” গ্রন্থে (২/২২৫/১/৮৪৭৭) এবং আবু নু’য়াইম “আত-তিব্ব” গ্রন্থে (কাফ ২৪/১,২) মুহাম্মাদ ইবনু সুলায়মান সূত্রে যুহায়ের ইবনু মুহাম্মাদ হতে ... বর্ণনা করেছেন।

তাবারানী বলেনঃ যুহায়ের ইবনু মুহাম্মাদ ছাড়া অন্য কেউ এ বাক্যে হাদীসটি বর্ণনা করেননি ।

আমি (আলবানী) বলছিঃ হাদীসটি যুহায়ের হতে শামীদের বর্ণনায় দুর্বল। আর এ বর্ণনাটি সে সব বর্ণনারই অন্তর্ভুক্ত।

হাফিয ইরাকী “তাখরীজুল ইহইয়া” গ্রন্থে (৩/৭৫) বলেনঃ এটি আবু হুরাইরাহ্ (রাঃ)-এর হাদীস হতে দুর্বল সনদে বর্ণিত হয়েছে।

আমি (আলবানী) বলছিঃ মুনযেরী “আত-তারগীব” গ্রন্থে এবং হায়সামী "আল-মাজমা" গ্রন্থে (৩/১৭৯) উল্লেখ করে বলেছেনঃ এটির বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য। এরূপ বলা প্রমাণ করে না যে, দুর্বল হতে পারে না। সাগানী একটু অগ্রণী হয়ে বলেছেনঃ এ হাদীসটি বানোয়াট।

এছাড়া ইবনু আদী যে বাক্যে হাদীসটি (৭/২৫২১) বর্ণনা করেছেন, সেটিতে নাহশাল নামক এক বর্ণনাকারী আছেন, তিনি হচ্ছেন মাতরূক এবং তার শাইখ যহহাক ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতে শুনেননি।



হাদিসের মানঃ  যঈফ (Dai'f)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!

صوموا تصحوا
ضعيف

-

أخرجه الطبراني في " الأوسط " (2 / 225 / 1 / 8477) وأبو نعيم في " الطب " (ق 24 / 1 و2) من طريق محمد بن سليمان بن أبي داود، أخبرنا زهير بن محمد عن سهيل بن أبي صالح عن أبيه عن أبي هريرة به، وقال الطبراني: لم يروه بهذا اللفظ إلا زهير
قلت: وهو ضعيف في رواية الشاميين عنه وهذه منها
قال الحافظ العراقي في " تخريج الإحياء " (3 / 75) رواه الطبراني في " الأوسط " وأبو نعيم في " الطب النبوي " من حديث أبي هريرة بسند ضعيف
قلت: ولا ينافيه قول المنذري في " الترغيب " (2 / 60) والهيثمي في " المجمع " (3 / 179) بعد أن نسباه للطبراني: ورجاله ثقات، لأنه لا ينفي أن يكون في السند مع ثقة رجاله علة تقتضي ضعفه، كما لا يخفى على العارف بقواعد هذا العلم، وقد كشفنا عن علته، ولعل الصغاني قد بالغ حين قال (ص 7) :
وهذا الحديث موضوع، ثم إن لفظ الحديث عندهما: " اغزوا تغنموا، وصوموا تصحوا، وسافروا تستغنوا
ورواه ابن عدي (7 / 2521) بهذا اللفظ من طريق نهشل عن الضحاك عن ابن عباس، ونهشل متروك، والضحاك لم يسمع من ابن عباس

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ তাওহীদ পাবলিকেশন
গ্রন্থঃ যঈফ ও জাল হাদিস
অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ
হাদিস নম্বরঃ ২৫৪ | 254 | ۲۵٤

২৫৪। তোমরা সফর কর সুস্থ থাকবে এবং যুদ্ধ কর স্বাবলম্বী হবে।

হাদীসটি দুর্বল।

এটি ইমাম আহমাদ (২/৩৮০) ইবনু লাহীয়াহ সূত্রে দাররাজ হতে ... বর্ণনা করেছেন।

আমি (আলবানী) বলছিঃ ইবনু লাহীয়ার কারণে এটির সনদ দুর্বল। কেননা তিনি মুখস্থ বিদ্যার ক্ষেত্রে দুর্বল এবং দাররাজ হচ্ছেন বহু মুনকারের অধিকারী।

ইমাম যাহাবী "সিয়ারু আলামীন নুবালা" গ্রন্থে বলেন, কুতাইবা বলেছেনঃ আমাকে ইমাম আহমাদ বললেনঃ ইবনু লাহী'য়াহ্ হতে তোমার হাদীসগুলো সহীহ্। কারণ আমরা ইবনু ওয়াহহাবের কিতাব হতে লিখেছি, অতঃপর ইবনু লাহী'য়াহ্ হতে শুনেছি। অতএব দাররাজ হচ্ছে হাদীসটির মূল সমস্যা।

ইবনু আবী হাতিম (২/২০৬) তার পিতার উদ্ধৃতিতে বলেছেনঃ হাদীসটি মুনকার। এটির শাহেদ আছে তবে সেটি নিতান্তই দুর্বল। সেটি হচ্ছে নিম্নেরটিঃ (দেখুন পরেরটি)



হাদিসের মানঃ  যঈফ (Dai'f)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!

سافروا تصحوا، واغزوا تستغنوا
ضعيف

-

أخرجه أحمد (2 / 380) من طريق ابن لهيعة عن دراج عن ابن حجيرة عن أبي هريرة مرفوعا
قلت: وهذا سند ضعيف من أجل ابن لهيعة فإنه ضعيف الحفظ، ودراج فإنه صاحب مناكير، ولكن الراوي عن ابن لهيعة قتيبة بن سعيد، قال الذهبي في " سير النبلاء " (8 / 15) : قال قتيبة: قال لي أحمد: أحاديثك عن ابن لهيعة صحاح، فقلت لأنا كنا نكتب من كتاب ابن وهب، ثم نسمعه من ابن لهيعة، فالعلة من دراج إذن
وقال ابن أبي حاتم (2 / 206) عن أبيه: إنه حديث منكر، وله شاهد ضعيف جدا

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ তাওহীদ পাবলিকেশন
গ্রন্থঃ যঈফ ও জাল হাদিস
অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ
হাদিস নম্বরঃ ২৫৫ | 255 | ۲۵۵

২৫৫। তোমরা সফর কর সুস্থ থাকবে এবং গনীমত লাভ করবে।

হাদীসটি মুনকার।

হাদীসটি ইবনু আদী (২/২৯৯), তাবারানী “মুজামুল আওসাত” গ্রন্থে (১/১১২/১), ইবনু বিশরান “আল-আমালী” গ্রন্থে (৩/৬৬/১), খাতীব বাগদাদী তার “আত-তারীখ” গ্রন্থে (১০/৩৮৭), কাযাঈ (২/৫২), অনুরূপভাবে তাম্মামুর রাযী “আল-ফাওয়াইদ” গ্রন্থে (নং ৭৬৭) মুহাম্মাদ ইবনু আব্দির রহমান ইবনু রাদাদ হতে ... বর্ণনা করেছেন।

ইবনু আবী হাতিম (৩/২/১৫৫) বলেনঃ ইবনু রাদাদ ছাড়া অন্য কেউ এটি বর্ণনা করেছেন বলে আমি জানি না। তিনি যা কিছু বর্ণনা করেছেন তার অধিকাংশই নিরাপদ নয়। ইবনু আবী হাতিম (৩/২/১১৫) বলেনঃ তিনি শক্তিশালী নন, তিনি (ذاهب الحديث) জাহেবুল হাদীস। আবু যুরীয়াহ বলেনঃ তিনি দুর্বল।

"আল-মীযান" গ্রন্থে এসেছে তার মুনকারগুলোর একটি হচ্ছে এ হাদিসটি। ইবনু আবী হাতিম “আল-ইলাল” গ্রন্থে (২/৩০৬) বলেন, আমার পিতা বলেছেনঃ এ হাদীসটি মুনকার। এ ইবনু রাদাদই হচ্ছে হাদীসটির সমস্যা। ইবনু আদী এবং আবু নু’য়াইম অন্য একটি সূত্রে সিওয়ার ইবনু মুস'য়াব হতে, তিনি আতিয়া হতে ... হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। অতঃপর বলেছেনঃ সিওয়ার যা কিছু বর্ণনা করেছেন তার অধিকাংশই নিরাপদ নয়।

আমি (আলবানী) বলছিঃ আতিয়া হচ্ছেন আওফী, তিনি দুর্বল। আব্দুর রাযযাক “আল-মুসান্নাফ” গ্রন্থে (১১/৪৩৪) তাউস-এর সূত্রে উমার (রাঃ) হতে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন, তবে মওকুফ হিসাবে। কিন্তু এটির সনদ মুনকাতি'। অর্থাৎ তাউস এবং উমার (রাঃ)-এর মধ্যে বিচ্ছিন্নতা রয়েছে।



হাদিসের মানঃ  মুনকার (সর্বদা পরিত্যক্ত)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!

سافروا تصحوا وتغنموا
منكر

-

رواه ابن عدي (299 / 2) والطبراني في " الأوسط " (1 / 112 / 1) وابن بشران في " الأمالي " (3 / 66 / 1) والخطيب في " تاريخه " (10 / 387) والقضاعي (52 / 2) وكذا تمام الرازي في " الفوائد " (رقم 767) عن محمد بن عبد الرحمن بن رداد عن عبد الله بن دينار عن ابن عمر مرفوعا، وقال ابن عدي: لا أعلم يرويه غير ابن الرداد هذا وعامة ما يرويه غير محفوظ
وقال ابن أبي حاتم (3 / 2 / 115) : ليس بالقوي، ذاهب الحديث، وقال أبو زرعة: لين، وساق في " الميزان " من منكراته هذا الحديث، وسلفه في ذلك أبو حاتم فقد قال ابنه في " العلل " (2 / 306) قال أبي: هذا حديث منكر
وابن الرداد هذا هو علة الحديث، وخفي ذلك على الهيثمي (3 / 201) فأعله براوآخر في طريق الطبراني وحده
ثم رواه ابن عدي (189 / 2) وأبو نعيم (ق 25 / 2) عن سوار بن مصعب عن عطية عن أبي سعيد مرفوعا، وقال: سوار هذا عامة ما يرويه ليس بمحفوظ
قلت: وعطية وهو العوفي ضعيف
ورواه عبد الرزاق في " المصنف " (11 / 434) عن معمر عن ابن طاووس عن أبيه قال: قال عمر: وذكره موقوفا عليه دون قوله " وتغنموا " ورجاله ثقات كما ولكنه منقطع بين طاووس وعمر ولعل الموقوف هو الصواب

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ তাওহীদ পাবলিকেশন
গ্রন্থঃ যঈফ ও জাল হাদিস
অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ
হাদিস নম্বরঃ ২৫৬ | 256 | ۲۵٦

২৫৬। আল্লাহ তা’আলা প্রতিদিন একশত বিশটি রহমত নাযিল করেন। ষাটটি তাওয়াফকারীদের জন্য, চল্লিশটি ঘরের (বায়তুল্লাহ-এর) চারিদিকে ই’তিকাফ করীদের জন্য এবং বিশটি ঘরের দিকে দৃষ্টিদান কারীদের জন্য।

হাদীসটি জাল।

এটি তাবারানী “মুজামুল কাবীর” গ্রন্থে (৩/১১৫/১) খালিদ ইবনু ইয়াযীদ আল-উমারী সূত্রে আব্দুল্লাহ ইবনু ওবায়দিল্লাহ আল-লায়সী হতে ... বর্ণনা করেছেন।

আমি (আলবানী) বলছিঃ এটির সনদ জাল; খালিদ ইবনু ইয়াযীদকে আবূ হাতিম ও ইয়াহইয়া ইবনু মাঈন মিথ্যুক আখ্যা দিয়েছেন। ইবনু হিব্বান বলেনঃ তিনি নির্ভরযোগ্যদের উদ্ধৃতিতে জাল হাদীস বর্ণনাকারী। লায়সীও মাতরূক; যেমনভাবে “লিসানুল মীযান” (৫/২১৬) সহ অন্যান্য গ্রন্থে এসেছে। হাদীসটির আরো দু'টি সূত্র রয়েছে। কিন্তু সে সূত্র দুটিও জাল।



হাদিসের মানঃ  জাল (Fake)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!

ينزل الله كل يوم عشرين ومئة رحمة، ستون منها للطائفين وأربعون للعاكفين حول البيت، وعشرون منها للناظرين إلى البيت
موضوع

-

رواه الطبراني في " المعجم الكبير " (3 / 115 / 1) من طريق خالد بن يزيد العمرى: حدثنا محمد بن عبد الله بن عبيد الليثي عن ابن أبي مليكة عن ابن عباس مرفوعا
قلت: وهذا إسناد موضوع خالد بن يزيد هذا كذبه أبو حاتم ويحيى بن معين، وقال ابن حبان: يروي الموضوعات عن الأثبات
والليثي متروك أيضا، كما في " اللسان " (5 / 216) ، وغيره
وللحديث طريقان آخران موضوعان أيضا بلفظين مغايرين لهذا بعض المغايرة وقد سبق ذكرهما مع الكلام على سنديهما برقمي (187، 188) فمن شاء فليرجع إليهما

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ তাওহীদ পাবলিকেশন
গ্রন্থঃ যঈফ ও জাল হাদিস
অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ
হাদিস নম্বরঃ ২৫৭ | 257 | ۲۵۷

২৫৭। তুমি তোমাকে অপচয় করা হতে বাঁচাও, কারণ দিনে দু’বার খাবার গ্রহণ করা অপচয়ের অন্তর্ভুক্ত।

হাদীসটি জাল।

এটি গাযালী “আল-ইহইয়া” গ্রন্থে (৩/৭৮) উল্লেখ করেছেন। হাফিয ইরাকী তার “আত-তাখরীজ” গ্রন্থে বলেনঃ হাদীসটি বাইহাকী “আশ-শু'য়াব” গ্রন্থে আয়েশা (রাঃ)-এর হাদীস হতে বর্ণনা করে বলেছেনঃ এটির সনদ দুর্বল। মুনযেরী বলেনঃ হাদীসটি বাইহাকী বর্ণনা করেছেন। তাতে বর্ণনাকারী ইবনু লাহীয়াহ রয়েছেন।

আমি (আলবানী) বলছিঃ তিনি তার হেফযের দিক থেকে দুর্বল। অতঃপর আমি বাইহাকীর নিকট “আশ-শু'য়াব” গ্রন্থে (২/১৫৮/১) হাদীসটির সনদ সম্পর্কে অবহিত হই এবং আমার নিকট স্পষ্ট হয়ে যায় যে, এটিতে অন্য কারণও রয়েছে যা এটির দুর্বলতাকে বৃদ্ধি করেছে। কারণ এটির সনদে আবু আব্দির রহমান আস-সুলামী রয়েছেন। তার নাম মুহাম্মাদ ইবনুল হাসান আস-সূফী। তার সম্পর্কে মুহাম্মাদ ইবনু ইউসুফ আল-কাত্তান বলেনঃ তিনি সূফীদের জন্য হাদীস জাল করতেন। অতঃপর বাইহাকী (২/১৬১/২) খালিদ ইবনু নাজীহ আল-মিসর সূত্রেও বর্ণনা করেছেন।

এ খালিদ সম্পর্কে আবু হাতিম বলেনঃ তিনি মিথ্যুক, হাদীস জাল করতেন।



হাদিসের মানঃ  জাল (Fake)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!

إياك والسرف، فإن أكلتين في يوم من السرف
موضوع

-

ذكره الغزالي في " الإحياء " (3 / 78) أن النبي صلى الله عليه وسلم قال ذلك لعائشة
وقال الحافظ العراقي في تخريجه: رواه البيهقي في " الشعب " من حديث عائشة وقال: في إسناده ضعف
قلت: ونص الحديث كما في " الترغيب " (3 / 124) : عن عائشة قالت: رآني رسول الله صلى الله عليه وسلم وقد أكلت في اليوم مرتين فقال: " يا عائشة أما تحبين أن يكون لك شغل إلا جوفك؟ الأكل في اليوم مرتين من الإسراف {والله لا يحب المسرفين}
وفي رواية: " يا عائشة اتخذت الدنيا بطنك؟ ! أكثر من أكلة كل يوم سرف {والله لا يحب المسرفين} " رواه البيهقي، وفيه ابن لهيعة
قلت: هو ضعيف من قبل حفظه، وقد روي بنحوه من حديث أنس، فانظر الحديث (241)
ثم وقفت على إسناده عند البيهقي في " الشعب " (2 / 158 / 1) فتبين أن فيه علة أخرى هي مما يزداد الحديث بها ضعفا، فإنه قال: أخبرناه أبو عبد الرحمن السلمي بسنده عن ابن لهيعة عن أبي الأسود عن عروة عن عائشة ... به
وأبو عبد الرحمن هذا اسمه محمد بن الحسين الصوفي، قال محمد بن يوسف القطان
كان يضع الأحاديث للصوفية، ثم رواه (2 / 161 / 2) من طريق خالد بن نجيح المصري حدثنا عبد الله بن لهيعة به نحوه، وخالد هذا، قال أبو حاتم: كذاب يفتعل الحديث

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ তাওহীদ পাবলিকেশন
গ্রন্থঃ যঈফ ও জাল হাদিস
অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ
হাদিস নম্বরঃ ২৫৮ | 258 | ۲۵۸

২৫৮। নিশ্চয় ব্যাক্তি কর্তৃক তার মেহমানের সাথে বাড়ীর দরজা পর্যন্ত বের হয়ে যাওয়া সুন্নাতের অন্তর্ভুক্ত।

হাদীসটি জাল।

এটি ইবনু মাজাহ্ (২/৩২৩), ইবনুল আরাবী তার "আল-মু'জাম" গ্রন্থে (২/২৪৬) এবং তার থেকে কাযা'ঈ (১/৯৫) ‘আলী ইবনু উরওয়া সূত্রে আব্দুল মালেক হতে ... বর্ণনা করেছেন।

আমি (আলবানী) বলছিঃ এটির সনদটি বানোয়াট। তার কারণ হচ্ছে এ ‘আলী ইবনু উরওয়া। তার সম্পর্কে যাহাবী বলেন, ইবনু হিব্বান বলেছেনঃ তিনি হাদীস জাল করতেন। তাকে সালেহ জাযারা ও অন্যরা মিথ্যুক আখ্যা দিয়েছেন। অতঃপর তার কতিপয় হাদীস উল্লেখ করেছেন, এটি সেগুলোর একটি।

এর আরেকটি সূত্র পেয়েছি, যেটি ইবনু আদী (২/১৬৯) সালাম ইবনু সালেম আল-বালধী সূত্রে ... উল্লেখ করেছেন। এ সালাম সম্পর্কে ২৩৩ নং হাদীসে আলোচনা করা হয়েছে। তার সম্পর্কে আবূ হাতিম বলেনঃ তিনি সত্যবাদী নন। জুরজানী বলেনঃ তিনি নির্ভরযোগ্য নন।

এছাড়া ইবনু যুরায়েজ মুদাল্লিস। তিনি আন আন শব্দে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।



হাদিসের মানঃ  জাল (Fake)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!

إن من السنة أن يخرج الرجل مع ضيفه إلى باب الدار
موضوع

-

أخرجه ابن ماجه (2 / 323) وابن الأعرابى في " معجمه " (246 / 2) وعنه القضاعي (95 / 1) من طريق علي بن عروة عن عبد الملك عن عطاء عن أبي هريرة مرفوعا
قلت: وهذا إسناد موضوع، وعلته علي بن عروة هذا قال الذهبي: قال ابن حبان
كان يضع الحديث، وكذبه صالح جزرة وغيره، ثم ساق له أحاديث هذا منها
ثم وجدت له طريقا آخر، أخرجه ابن عدي (169 / 2) من طريق سلم بن سالم البلخي حدثنا ابن جريج عن عطاء عن ابن عباس مرفوعا، أورده في ترجمة سلم هذا في أحاديث أخرى له ثم قال: له أحاديث أفراد وغرائب، وأنكر ما رأيت له ما ذكرته من هذه الأحاديث
قلت: وقد نقل غير واحد الاتفاق وقال أبو حاتم: لا يصدق، وقال الجوزجاني: غير ثقة
وقد تقدم الكلام عليه في الحديث رقم (233) ، ثم إن ابن جريج مدلس وقد عنعنه

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ তাওহীদ পাবলিকেশন
গ্রন্থঃ যঈফ ও জাল হাদিস
অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ
হাদিস নম্বরঃ ২৫৯ | 259 | ۲۵۹

২৫৯। তোমরা রোগের ভান করো না, কারণ এর ফলে তোমরা রোগী হয়ে যাবে এবং তোমরা তোমাদের কবর খুড়ো না, কারণ এর ফলে তোমরা মৃত্যুবরণ করবে।

হাদীসটি মুনকার।

ইবনু আবী হাতিম “আল-ইলাল” গ্রন্থে (২/৩২১) বলেনঃ আমি আমার পিতাকে এ হাদীসটি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম। আমার পিতা উত্তরে বলেনঃ এ হাদীসটি মুনকার।

আমি (আলবানী) বলছিঃ তার কারণ হচ্ছে মুহাম্মাদ ইবনু সুলায়মান নামক বর্ণনাকারী। ইমাম যাহাবী “আল-মীযান” গ্রন্থে বলেনঃ তিনি মাজহুল এবং তিনি যে হাদীস বর্ণনা করেছেন সেটি মুনকার। অর্থাৎ এ হাদীসটি।



হাদিসের মানঃ  মুনকার (সর্বদা পরিত্যক্ত)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!

لا تتمارضوا فتمرضوا، ولا تحفروا قبوركم فتموتوا
منكر

-

قال ابن أبي حاتم في " العلل " (2 / 321) : سألت أبي عن حديث رواه عاصم بن إبراهيم الداري عن محمد بن سليمان الصنعاني عن منذر بن النعمان الأفطس عن وهب ابن منبه عن عبد الله بن عباس مرفوعا بهذا الحديث قال أبي: هذا حديث منكر
قلت: وعلته محمد بن سليمان هذا قال الذهبي في " الميزان ": مجهول، والحديث الذي رواه منكر، يعني هذا

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ তাওহীদ পাবলিকেশন
গ্রন্থঃ যঈফ ও জাল হাদিস
অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ
হাদিস নম্বরঃ ২৬০ | 260 | ۲٦۰

২৬০। তোমরা তোমাদের নেফাসধারী নারীদেরকে কাঁচা খেজুর খেতে দাও। তাঁরা বললঃ সব সময়তো কাঁচা খেজুর পাওয়া যায় না। তিনি (উত্তরে) বললেনঃ তাহলে শুকনা খেজুর। তাঁরা বললঃ সব শুকনা খেজুরই ভাল, তবে সর্বোত্তম শুকনা খেজুর কোনটি? তিনি বললেনঃ তোমাদের সর্বোত্তম শুকনা খেজুর হচ্ছে বুরনী খেজুর, যা সুস্থতাকে প্রবেশ করায় এবং রোগকে বের করে দেয়। তাতে কোন রোগ নেই। তা ক্ষুধার্থের জন্য অধিক তৃপ্তিদায়ক এবং আক্রান্তের জন্য অধিক উত্তাপ দানকারী।

হাদীসটি দুর্বল।

এটি ইবনু সামউন ওয়ায়েয “আল-আমালী” গ্রন্থে (২/১৯২/১) বর্ণনা করেছেন।

আমি (আলবানী) বলছিঃ এটির সনদের বর্ণনাকারী কাসেম ইবনু ইসমাঈল এর জীবনী কে বর্ণনা করেছেন পাচ্ছি না। তবে ইবনু হিব্বান-এর "আস-সিকাত" গ্রন্থে (৯/১৯) এসেছে, তিনি হাশেমী কুফী, তিনি ওবায়দুল্লাহ ইবনু মূসা হতে ... হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। আবু নু’য়াইম-এর “আত-তিব্ব” নামক গ্রন্থে (২৩-২৪) অন্য একটি সূত্রে শু'বা হতে তার মুতাবা'য়াতও পাওয়া গেছে।

সনদটির অন্য এক বর্ণনাকারী শাহার ইবনু হাওশাব দুর্বল। বেশী বেশী ভুল সংঘটিত হওয়ার কারণে তার দ্বারা দলীল গ্রহণ করা যায় না। এ জন্য ইমাম মুসলিম অন্য বর্ণনাকারীর সাথে মিলিতভাবে তার হাদীস বর্ণনা করেছেন।

হাফিয ইবনু হাজার তার সম্পর্কে বলেনঃ তিনি সত্যবাদী, কিন্তু বেশী মুরসালকারী এবং সন্দেহ প্রবণ। অতএব এ হাওশাবের কারণেই হাদীসটি দুর্বল।



হাদিসের মানঃ  যঈফ (Dai'f)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!

أطعموا نفساءكم الرطب، قالوا: ليس في كل حين يكون الرطب، قال: فتمر، قالوا: كل التمر طيب فأي التمر خير؟ قال: إن خير تمراتكم البرني يدخل الشفاء ويخرج الداء، لا داء فيه، أشبعه للجائع، وأدفؤه للمقرور
ضعيف

-

رواه ابن سمعون الواعظ في " الأمالي " (2 / 192 / 1) حدثنا أبو بكر محمد بن جعفر المطيري أنبأنا القاسم بن إسماعيل الكوفي، أنبأنا زيد بن الحباب العكلي عن شعبة عن يعلى بن عطاء الطائفي عن شهر بن حوشب عن أبي أمامة مرفوعا
قلت: وهذا سند ضعيف رجاله كلهم ثقات معروفون غير القاسم هذا فلم أجد من ترجمه إلا أن يكون الذي في " ثقات ابن حبان " (9 / 19) : القاسم بن إسماعيل الهاشمي كوفي يروي عن عبيد الله بن موسى حدثنا عنه محمد بن المنذر بن سعيد، فإنه من هذه الطبقة على أنه قد توبع كما يأتي
وشهر بن حوشب ضعيف لا يحتج به لكثرة خطئه وكأنه لذلك إنما أخرج له مسلم مقرونا بغيره كما في " خاتمة الترغيب " للمنذري (4 / 284) وقال الحافظ فيه
صدوق كثير الإرسال والأوهام، ثم رأيته في " الطب " لأبي نعيم (23 - 24) من طريق أخرى عن شعبة به، فانحصرت العلة في شهر، والحديث أورده السيوطي في " اللآليء " (1 / 156) شاهدا للحديث المتقدم برقم (234) من رواية ابن السني وأبي نعيم معا في " الطب " من طريق شعبة به ثم قال: وإسناده على شرط مسلم
كذا قال: ولا يخفى ما فيه لما ذكرنا من حال شهر

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

হাদিস দেখানো হচ্ছে   [251]  থেকে  [260]  পর্যন্ত এবং সর্বমোট   [2000]  টি হাদিস পাওয়া গেছে।