• ৭১৯৬৩ টি সর্বমোট হাদিস আছেঃ
  • ৮০৩৩ টি প্রশ্নোত্তর ও ফিকাহঃ

 

 

 

 


হাদীস (حَدِيْث) এর শাব্দিক অর্থ: নতুন, প্রাচীন ও পুরাতন এর বিপরীত বিষয়। এ অর্থে যে সব কথা, কাজ ও বস্ত্ত পূর্বে ছিল না, এখন অস্তিত্ব লাভ করেছে  তাই হাদীস। এর আরেক অর্থ হলো: কথা। ফক্বীহগণের পরিভাষায় নাবী কারীম () আল্লাহ্‌র রাসূল হিসেবে যা কিছু বলেছেন, যা কিছু করেছেন এবং যা কিছু বলার বা করার অনুমতি দিয়েছেন অথবা সমর্থন জানিয়েছেন তাকে হাদীস বলা হয়। কিন্তু মুহাদ্দিসগণ এর সঙ্গে রাসুলুল্লাহ () সম্পর্কিত বর্ণনা ও তার গুণাবলী সম্পর্কিত বিবরণকেও হাদীসের অন্তর্ভুক্ত করেন। এ হিসেবে হাদীসকে প্রাথমিক পর্যায়ে তিন শ্রেণীতে ভাগ করা যায়:

১। ক্বওলী হাদীস: কোন বিষয়ে রাসুলুল্লাহ () যা বলেছেন, অর্থাৎ যে হাদীসে তাঁর কোন কথা বিবৃত হয়েছে তাকে ক্বওলী (বাণী সম্পর্কিত) হাদীস বলা হয়।

২। ফেলী হাদীস: মহানাবী ()-এর কাজকর্ম, চরিত্র ও আচার-আচরণের ভেতর দিয়েই ইসলামের যাবতীয় বিধি-বিধান ও রীতিনীতি পরিস্ফুট হয়েছে। অতএব যে হাদীসে তাঁর কোন কাজের বিবরণ উল্লেখিত হয়েছে তাকে ফে’লী (কর্ম সম্পর্কিত) হাদীস বলা হয়।

৩। তাকরীরী হাদীস: সাহাবীগণের যে সব কথা বা কাজ নাবী কারীম ()-এর অনুমোদন ও সমর্থন প্রাপ্ত হয়েছে, সে ধরনের কোন কথা বা কাজের বিবরণ হতেও শরীয়াতের দৃষ্টিভঙ্গি জানা যায়। অতএব যে হাদীসে এ ধরনের কোন ঘটনার বা কাজের উল্লেখ পাওয়া যায় তাকে তাকরীরী (সমর্থন মূলক) হাদীস বলে।

সুন্নাহ (السنة): হাদীসের অপর নাম সুন্নাহ্ (السنة) সুন্নাত শব্দের অর্থ চলার পথ, কর্মের নীতি ও পদ্ধতি। যে পন্থা ও রীতি নাবী কারীম () অবলম্বন করতেন তাকে সুন্নাত বলা হয়। অন্য কথায় রাসুলুল্লাহ () প্রচারিত উচ্চতম আদর্শই সুন্নাত। কুরআন মাজিদে মহত্তম ও সুন্দরতম আদর্শ (أُسْوَةٌ حَسَنَةٌ) বলতে এই সুন্নাতকেই বুঝানো হয়েছে।

খবর (خبر): হাদীসকে আরবী ভাষায় খবরও (خبر) বলা হয়। তবে খবর শব্দটি হাদীস ও ইতিহাস উভয়টিকেই বুঝায়।

আসার (أثر ): আসার শব্দটিও কখনও কখনও রাসুলুল্লাহ () এর হাদীসকে নির্দেশ করে। কিন্তু অনেকেই হাদীস ও আসার এর মধ্যে কিছু পার্থক্য করে থাকেন। তাঁদের মতে- সাহাবীগণ থেকে শরীয়াত সম্পর্কে যা কিছু উদ্ধৃত হয়েছে তাকে আসার বলে।

 

ইলমে হাদীসের কতিপয় পরিভাষা

সাহাবী (صحابى):  যিনি ঈমানের সঙ্গে রাসুলুল্লাহ () এর সাহচর্য লাভ করেছেন এবং ঈমানের সঙ্গে মৃত্যুবরণ করেছেন তাঁকে রাসুলুল্লাহ ()-এর সাহাবী বলা হয়।

তাবেঈ (تابعى) : যিনি রাসুলুল্লাহ ()-এর কোন সাহাবীর নিকট হাদীস শিক্ষা করেছেন অথবা অন্ততপক্ষে তাঁকে দেখেছেন এবং মুসলমান হিসেবে মৃত্যুবরণ করেছেন তাঁকে তাবেঈ বলা হয়।

তাবে-তাবেঈ (تابعى تابع) : যিনি  কোন তাবেঈ এর নিকট হাদীস শিক্ষা করেছেন অথবা অন্ততপক্ষে তাঁকে দেখেছেন এবং মুসলমান হিসেবে মৃত্যুবরণ করেছেন তাঁকে তাবে-তাবেঈ বলা হয়।

মুহাদ্দিস (محدث) : যিনি হাদীস চর্চা করেন এবং বহু সংখ্যক হাদীসের সনদ ও মতন সম্পর্কে বিশেষ জ্ঞান রাখেন তাঁকে মুহাদ্দিস বলা হয়।

শাইখ (شيخ) : হাদীসের শিক্ষাদাতা রাবীকে শায়খ বলা হয়।

শাইখান (شيخان) : সাহাবীগনের মধ্যে আবূ বকর (রাঃ) ও উমর  (রাঃ)- কে একত্রে শাইখান বলা হয়। কিন্তু হাদীস শাস্ত্রে ইমাম বুখারী (রাহি.) ও ইমাম মুসলিম (রাহি.)-কে এবং ফিক্বহ-এর পরিভাষায় ইমাম আবূ হানীফা (রাহি.) ও আবূ ইউসুফ (রাহি.)-কে একত্রে শাইখান বলা হয়। 

হাফিয (حافظ) : যিনি সনদ ও মতনের বৃত্তান্ত সহ এক লাখ হাদীস আয়ত্ত করেছেন তাঁকে হাফিয বলা হয়।

হুজ্জাত (حجة) : অনুরূপভাবে যিনি তিন লক্ষ হাদীস আয়ত্ত করেছেন তাঁকে হুজ্জাত বলা হয়।  

হাকিম (حاكم) : যিনি সব হাদীস আয়ত্ত করেছেন তাকে হাকিম বলা হয়।

রিজাল (رجال) : হাদীসের রাবী সমষ্টিকে রিজাল বলে। যে শাস্ত্রে রাবীগণের জীবনী বর্ণনা করা হয়েছে তাকে আসমাউর-রিজাল বলা হয়।                                                                                 

রিওয়ায়াত (رواية): হাদীস বর্ণনা করাকে রিওয়ায়াত বলে। কখনও কখনও মূল হাদীসকেও রিওয়ায়াত বলা হয়। যেমন- এই কথার সমর্থনে একটি রিওয়ায়াত (হাদীস) আছে।                           

সনদ (سند): হাদীসের মূল কথাটুকু যে সূত্র পরম্পরায় গ্রন্থ সংকলনকারী পর্যন্ত পৌঁছেছে তাকে সনদ বলা হয়। এতে হাদীস বর্ণনাকারীদের নাম একের পর এক সজ্জিত থাকে।

মতন (متن): হাদীসে মূল কথা ও তার শব্দ সমষ্টিকে মতন বলে।

মারফূ (مرفوع): যে হাদীসের সনদ (বর্ণনা পরম্পরা) রাসুলুল্লাহ () পর্যন্ত পৌঁছেছে  তাকে মারফূ হাদীস বলে।

মাওকূফ (موقوف) : যে হাদীসের বর্ণনা- সূত্র ঊর্ধ্ব দিকে সাহাবী পর্যন্ত পৌঁছেছে , অর্থাৎ যে সনদ -সূত্রে কোন সাহাবীর কথা বা কাজ বা অনুমোদন বর্ণিত হয়েছে তাকে মাওকূফ হাদীস বলে। এর অপর নাম আসার।

মাকতূ (مقطوع): যে হাদীসের সনদ কোন তাবেঈ পর্যন্ত পৌঁছেছে, তাকে মাকতূ হাদীস বলা হয়।

তালীক (تعليق): কোন কোন গ্রন্থকার হাদীসের পূর্ণ সনদ বাদ দিয়ে কেবল মূল হাদীস বর্ণনা করেছেন। এরূপ করাকে তা’লীক বলা হয়।

মুদাল্লাস (مدلس): যে হাদীসের রাবী নিজের প্রকৃত শাইখের (উস্তাদের) নাম উল্লেখ না করে তার উপরস্থ শাইখের নামে এভাবে হাদীস বর্ণনা করেছেন যাতে মনে হয় যে, তিনি নিজেই উপরস্থ শাইখের নিকট তা শুনেছেন অথচ তিনি তাঁর নিকট সেই হাদীস শুনেন নি- সে হাদীসকে মুদাল্লাস হাদীস এবং এইরূপ করাকে ‘তাদ্লীস’ আর যিনি এইরূপ করেন তাকে মুদালস্নীস বলা হয়।

মুযতারাব (مضطرب): যে হাদীসের রাবী হাদীসের মতন ও সনদকে বিভিন্ন প্রকারে বর্ণনা করেছেন সে হাদীসকে হাদীসে মুযতারাব বলা হয়। যে পর্যন্ত না এর কোনরূপ সমন্বয় সাধন সম্ভবপর হয়, সে পর্যন্ত এই হাদীসের ব্যাপারে অপেক্ষা করতে হবে অর্থাৎ এই ধরনের রিওয়ায়াত প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না।

মুদ্রাজ (مدرج): যে হাদীসের মধ্যে রাবী নিজের অথবা অপরের উক্তিকে অনুপ্রবেশ করিয়েছেন, সে হাদীসকে মুদ্রাজ এবং এইরূপ করাকে ‘ইদরাজ’ বলা হয়।

মুত্তাসিল (متصل): যে হাদীসের সনদের ধারাবাহিকতা প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত পূর্ণরূপে রক্ষক্ষত আছে, কোন সত্মরেই কোন রাবীর নাম বাদ পড়ে নি তাকে মুত্তাসিল হাদীস বলে।

মুনকাতি (منقطع): যে হাদীসের সনদে ধারাবাহিকতা রক্ষিত হয় নি, মাঝখানে কোন এক স্তরে কোন রাবীর নাম বাদ পড়েছে, তাকে মুনকাতি হাদীস, আর এই বাদ পড়াকে ইনকিতা বলা হয়।

মুরসাল (مرسل): যে হাদীসের সনদে ইনকিতা শেষের দিকে হয়েছে, অর্থাৎ সাহাবীর নাম বাদ পড়েছে এবং তাবেঈ সরাসরি রাসুলুল্লাহ () এর উল্লেখ করে হাদীস বর্ণনা করেছেন তাকে মুরসাল হাদীস বলা হয়।

মুআল্লাক ( معلق ) : সনদের ইনকিতা প্রথম দিকে  হলে, অর্থাৎ সাহাবীর পর এক বা একাধিক রাবীর নাম বাদ পড়লে তাকে মু’আল্লাক হাদীস বলা হয়।

মুদাল (معضل): যে হাদীসে দুই বা ততোধিক রাবী ক্রমান্বয়ে সনদ থেকে বাদ পড়েছে তাকে মু‘দাল হাদীস বলে।

মুতাবি ও শাহিদ (متابع و شاهد): এক রাবীর হাদীসের অনুরূপ যদি অপর রাবীর কোন হাদীস পাওয়া যায় তবে দ্বিতীয় রাবীর হাদীসকে প্রথম রাবীর হাদীসের মুতাবি বলা হয়। যদি উভয় হাদীসের মূল রাবী অর্থাৎ সাহাবী একই ব্যক্তি না হয় তবে দ্বিতীয় ব্যক্তির হাদীসকে শাহিদ বলে। আর এইরূপ হওয়াকে শাহাদাত বলে। মুতাবা’আত ও শাহাদাত দ্বারা প্রথম হাদীসটির শক্তি বৃদ্ধি পায়।

মারূফ ও মুনকার (معروف و منكر): কোন দুর্বল রাবীর বর্ণিত হাদীস অপর কোন মাকবূল (গ্রহণযোগ্য) রাবীর বর্ণিত হাদীসের বিরোধী হলে তাকে মুনকার বলা হয় এবং মাকবূল রাবীর হাদীসকে মা‘রূফ বলা হয়।

সহীহ (صحيح) : যে মুত্তাসিল হাদীসের সনদে উল্লেখিত প্রত্যেক রাবীই পূর্ণ আদালত ও যাবত (ধারণ ক্ষমতা) গুণ সম্পন্ন এবং হাদীসটি যাবতীয় দোষত্রুটি ও শায মুক্ত তাকে সহীহ হাদীস বলে।

হাসান (حسن) : যে হাদীসের মধ্যে রাবীর যাবত (ধারণ ক্ষমতা) এর গুণ ব্যতীত সহীহ হাদীসের সমস্ত শর্তই পরিপূর্ণ রয়েছে তাকে হাসান হাদীস বলা হয়। ফক্বীহগণ সাধারণত সহীহ ও হাসান হাদীসের ভিত্তিতে শরীয়াতের বিধান নির্ধারণ  করেন।

যঈফ (ضعيف ) : যে হাদীসের রাবী কোন হাসান হাদীসের রাবীর গুণসম্পন্ন নন তাকে যঈফ হাদীস বলে।

মাওযূ ( موضوع ) : যে হাদীসের রাবী জীবনে কখনও ইচ্ছাকৃতভাবে রাসুলুল্লাহ ()-এর নামে মিথ্যা কথা রটনা করেছেন বলে প্রমাণিত হয়েছে, তার বর্ণিত হাদীসকে মাওযূ‘ হাদীস বলে।

 

রাবীর সংখ্যা বিচারে হাদীস প্রধানত দুপ্রকার। যথা: ১. মুতওয়াতির (متواتر) ও ২. আহাদ (أحاد)

১. মুতওয়াতির (متواتر): বৃহৎ সংখ্যক রাবীর বর্ণিত হাদীস, মিথ্যার ব্যাপারে যাদের উপর একাট্টা হওয়া অসম্ভব, সনদের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত এ সংখ্যা বিদ্যমান থাকলে হাদীসকে মুতওয়াতির (متواتر) বলা হয়।

২. আহাদ (أحاد): أحاد তিন প্রকার। যথা:

মাশহুর (مشهور): যে কোন স্তরে হাদীস বর্ণনা কারীর সংখ্যা যদি দুই এর অধিক হয়, কিন্তু মুতওয়াতির এর পর্যায়ে পৌঁছে না তাকে মাশহুর (مشهور) বলে।

আযীয (عزيز): যে কোন স্তরে হাদীস বর্ণনা কারীর সংখ্যা যদি দু‘জন হয় ।

গরীব (غريب): যে কোন স্তরে হাদীস বর্ণনা কারীর সংখ্যা যদি এক জন হয় ।

শায (شاذ): একাধিক নির্ভরযোগ্য রাবীর বিপরীত একজন নির্ভরযোগ্য রাবীর বর্ণনাকে শায হাদীস বলে।

 কিয়াস (قياس): অর্থ অনুমান, পরিমাপ, তুলনা ইত্যাদি। পরিভাষায়: শাখাকে মূলের সঙ্গে তুলনা করা, যার ফলে শাখা ও মূল একই হুকুমের অমত্মর্ভুক্ত হয়ে যায়।

তাক্বলীদ (تقليد): দলীল উল্লেখ ছাড়াই কোন ব্যক্তির মতামতকে গ্রহণ করা।

ইজতিহাদ (اجتهاد): উদ্দিষ্ট জ্ঞান অর্জনের প্রচেষ্টা চালানোকে ইজতিহাদ বলে।

শরীয়াত (شريعة): অর্থ: আইন, বিধান, পথ, পন্থা ইত্যাদি। পরিভাষায়: মহান আল্লাহ্‌ স্বীয় দীন হতে বান্দার জন্য যা বিধিবদ্ধ করে দিয়েছেন তাকে শরীয়াত বলে।

মাযহাব (مذهب): অর্থ- মত, পথ, মতবাদ ইত্যাদি। ফিক্বহী পরিভাষায়: ইবাদাত ও মু‘আমালাতের ক্ষেত্রে শারঈ হুকুম পালনের জন্য বান্দা যে পথ অনুসরণ করে এবং প্রত্যেক দলের জন্য একজন ইমামের উপর অথবা ইমামের ওসীয়ত কিংবা ইমামের প্রতিনিধির উপর নির্ভর করে তাকে মাযহাব বলে।

নাযর (نذر): কোন বিষয়ে উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য চিন্তা-ভাবনা করাকে নাযর বলে।

আম (عام): সীমাবদ্ধ করা ছাড়াই যা দুই বা ততোধিক বিষয়কে অন্তর্ভুক্ত করে তাকে আম বলে।

খাস (خاص): আম এর বিপরীত, যা নির্দিষ্ট বিষয়কে অন্তর্ভুক্ত করে।

ইজমা (اجماع): কোন এক যুগে আলিমদের কোন শারঈ বিষয়ের উপর এক মত পোষণ করাকে ইজমা বলে।

মুসনাদ (مسند): যার সনদগুলো পরস্পর এমনভাবে মিলিত যে, প্রত্যেকের বর্ণনা সুস্পষ্ট।

ফিক্বহ (فقه): ইজতিহাদ বা গবেষণার পদ্ধতিতে শারঈ হুকুম সম্পর্কে জানার বিধানকে ফিক্বহ বলে।

আসল বা মূল (اصل): এমন প্রথম বিষয়, যার উপর ভিত্তি করে কোন কিছু গড়ে উঠে। যেমন- দেয়ালের ভিত্তি।

ফারা বা শাখা (فرع): আসলের বিপরীত যা কোন ভিত্তির উপর গড়ে উঠে।

ওয়াজিব (واجب): যা আমল করলে সাওয়াব পাওয়া যাবে আর পরিত্যাগ করলে শাস্তি পাওয়া যাবে।

মানদূব (مندوب): যা আমল করলে সাওয়াব পাওয়া যাবে আর পরিত্যাগ করলে শাস্তি হবে না।

মাহযূর (محظور): যা পরিত্যাগ করলে সাওয়াব পাওয়া যাবে আর আমল করলে শাস্তি পাওয়া যাবে।

মাকরূহ (مكروه): যা পরিত্যাগ করলে সাওয়াব পাওয়া যাবে আর আমল করলে শাস্তি হবে না।

ফাৎওয়া (فتوى): জিজ্ঞাসিত ব্যক্তির নিকট থেকে দলীল ভিত্তিক শারঈ হুকুম সুস্পষ্ট বর্ণনা করে নেয়াকে ফাৎওয়া বলে।

নাসিখ (ناسخ): পরিবর্তিত শারঈ দলীল যা পূববর্তী শারঈ হুকুমকে রহিত করে দেয় তাকে নাসিখ বলে।

মানসূখ (منسوخ): আর যে হুকুমটি রহিত হয়ে যায় সেটাই মানসূখ।

মুতলাক্ব (مطلق): যা প্রকৃতিগত দিক থেকে জাতির সকলকে অন্তর্ভুক্ত  করে কিন্তু অনির্দিষ্টভাবে একটি অর্থকে বুঝায়।

মুকাইয়্যাদ (مقيد): যা মুতলাক্বের বিপরীত অর্থাৎ জাতির সকলকে অন্তর্ভুক্ত  করে না। বরং নির্দিষ্ট একটি অর্থকে বুঝায়।

হাক্বীকাত (حقيقة): শব্দকে আসল অর্থে ব্যবহার করাকে হাক্বীকত বলে। যেমন- সিংহ শব্দটি এক প্রজাতির হিংস্র প্রাণীকে বুঝায়।

মাজায (مجاز): শব্দ যখন আসল অর্থকে অতিক্রম করে তার সাথে সাদৃশ্য রাখে এমন অর্থ প্রকাশ করে তখন তাকে মাজায বলে। যেমন- সাহসী লোককে সিংহের সাথে তুলনা করা।

হাদিসের পরিসংখ্যান

সর্বমোট হাদিস পাওয়া গেছেঃ [342] টি | অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ
গ্রন্থঃ যঈফ ও জাল হাদিস | দেখানো হচ্ছে   [221]  থেকে  [230]  পর্যন্ত
প্রতি পাতাতে টি হাদিস

পাবলিশারঃ তাওহীদ পাবলিকেশন
গ্রন্থঃ যঈফ ও জাল হাদিস
অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ
হাদিস নম্বরঃ ২২১ | 221 | ۲۲۱

২২১। হাজ্জ (হজ্জ) হচ্ছে বিবাহের পূর্বের কর্ম।

হাদীসটি জাল।

সুয়ূতী এটিকে "জামেউস সাগীর” গ্রন্থে দাইলামী কর্তৃক “মুসনাদুল ফিরদাউস গ্রন্থের বর্ণনা হতে উল্লেখ করেছেন। মানাবী তার সমালোচনা করে বলেছেনঃ এটির সনদের গিয়াস ইবনু ইবরাহীম সম্পর্কে যাহাবী বলেনঃ সকলে তাকে মাতরূক আখ্যা দিয়েছেন (সে গ্রহণযোগ্য নয়)। মায়সারা ইবনু আব্দে রাব্বিহি সম্পর্কে যাহাবী বলেনঃ তিনি প্রসিদ্ধ মিথ্যুক।

আমি (আলবানী) বলছিঃ প্রথম ব্যক্তিও (গিয়াস) পরিচিত মিথ্যুক। ইবনু মাঈন তার সম্পর্কে বলেনঃ তিনি মিথ্যুক, খবীস। আবু দাউদ বলেনঃ তিনি মিথ্যুক। ইবনু আদী বলেনঃ দুর্বল হওয়ার ব্যাপারে তার বিষয়টি স্পষ্ট। তার সব হাদীস মাওযূ'র সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।

আশ্চর্যের ব্যাপার কীভাবে সুয়ূতী তার “জামে” গ্রন্থে সেই সব মিথ্যুকদের হাদীস উল্লেখ করেছেন!



হাদিসের মানঃ  জাল (Fake)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!

الحج قبل التزوج
موضوع

-

أورده السيوطي في " الجامع الصغير " من رواية الديلمي في " مسند الفردوس " عن أبي هريرة، وتعقبه المناوي بقوله: وفيه غياث بن إبراهيم، قال الذهبي
تركوه، وميسرة بن عبد ربه قال الذهبي: كذاب مشهور
قلت: والأول أيضا كذاب معروف، قال ابن معين: كذاب خبيث، وقال أبو داود
كذاب، وقال ابن عدي: بين الأمر في الضعف، وأحاديثه كلها شبه الموضوع وهو الذي ذكر أبو خيثمة أنه حدث المهدي بخبر: " لا سبق إلا في نصل أو خف أو حافر " فزاد فيه: " أو جناح " فوصله المهدي، ولما قام قال: أشهد أن قفاك قفا كذاب
فأعجب من السيوطي كيف يورد في " جامعه " أحاديث هؤلاء الكذابين!
والحديث في " الغرائب الملتقطة من مسند الفردوس " (1 / 97) من طريق غياث بن إبراهيم (وما فوقه غير ظاهر في المصورة إلا: ابن ميسرة عن أبيه عن أبي هريرة) ، وميسرة بن عبد ربه دون هذه الطبقة، فليحقق
وقد روى هذا الحديث عن أبي هريرة بلفظ آخر

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ তাওহীদ পাবলিকেশন
গ্রন্থঃ যঈফ ও জাল হাদিস
অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ
হাদিস নম্বরঃ ২২২ | 222 | ۲۲۲

২২২। যে ব্যাক্তি হাজ্জ (হজ্জ) করবার পূর্বে বিবাহ করল, সে গুনাহ করা শুরু করল।

হাদীসটি জাল।

এটি ইবনু আদী (২/২০) আহমাদ ইবনু জামহুর আল-কারকাসানী হতে বর্ণনা করেছেন।  ইবনু আদীর সূত্রে ইবনুল জাওযী হাদীসটি তার “আল-মাওযু'আত” গ্রন্থে (২/২১৩) উল্লেখ করে বলেছেনঃ আহমাদের শাইখ মুহাম্মাদ ইবনু আইউব জাল হাদীস বর্ণনাকারী। তার পিতা আইউব সম্পর্কে ইয়াহইয়া বলেনঃ তিনি কিছুই না। ইবনুল জাওযীর এ বক্তব্যকে সুয়ূতী “আল-লাআলী” গ্রন্থে (২/১২০) সমর্থন করেছেন। তিনি আরো বলেছেনঃ আহমাদ ইবনু জামহূর মিথ্যার দোষে দোষী।

আমি (আলবানী) বলছিঃ রাজা ইবনু রওহ; যেভাবে ইবনু আদীর গ্রন্থে, “আল-মাওযুআত” গ্রন্থে এবং “আল-লাআলী” গ্রন্থে এসেছে, তিনি হচ্ছেন ইবনু নূহ তার জীবনী পাচ্ছি না।



হাদিসের মানঃ  জাল (Fake)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!

من تزوج قبل أن يحج فقد بدأ بالمعصية
موضوع

-


رواه ابن عدي (20 / 2) عن أحمد بن جمهو ر القرقساني، حدثنا محمد بن أيوب حدثني أبي عن رجاء بن روح حدثتني ابنة وهب بن منبه عن أبيها عن أبي هريرة مرفوعا، وقال ابن عدي: وبعض روايات أيوب بن سويد أحاديث لا يتابعه أحد عليها
ومن طريق ابن عدي ذكره ابن الجوزي في " الموضوعات " (2 / 213) وقال: محمد ابن أيوب يروي الموضوعات، وأبوه قال يحيى: ليس بشيء
وأقره السيوطي في " اللآليء " (2 / 120) وزاد عليه قوله: قلت: وأحمد بن جمهو ر متهم بالكذب
قلت: ورجاء بن روح - كذا في " ابن عدي " وفي " الموضوعات " و" اللآليء ": ابن نوح لم أجد له ترجمة

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ তাওহীদ পাবলিকেশন
গ্রন্থঃ যঈফ ও জাল হাদিস
অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ
হাদিস নম্বরঃ ২২৩ | 223 | ۲۲۳

২২৩। যমীনে হাজারে আসওয়াদ হচ্ছে আল্লাহর ডান হাত; যার দ্বারা তিনি তার বান্দাদের সাথে মূসাফাহা করেন।

হাদীসটি মুনকার।

এটি আবু বাকর ইবনু খাল্লাদ “আল-ফাওয়াইদ” গ্রন্থে (১/২২৪/২), ইবনু আদী (২/১৭), ইবনু বিশরান “আল-আমালী” গ্রন্থে (২/৩/১), খাতীব বাগদাদী (৬/৩২৮) এবং তার থেকে ইবনুল জাওযী তার “আল-ওয়াহিয়াত” গ্রন্থে (২/৮৪/৯৪৪) ইসহাক ইবনু বিশর আল-কাহেলী সূত্রে ... উল্লেখ করেছেন। খাতীব বাগদাদী এ কাহেলীর জীবনীতে উল্লেখ করেছেন, তিনি মালেক ও অন্যান্য মর্যাদাশীলদের সূত্রে মুনকার হাদীস বর্ণনাকারী। অতঃপর তার এ হাদীসটি উল্লেখ করেছেন। এরপর আবু বকর ইবনু আবী শায়বা হতে তার একটি মিথ্যা বর্ণনা উল্লেখ করেছেন। তাকে মূসা ইবনু হারূণ এবং আবু যুর'য়াহ মিথ্যুক আখ্যা দিয়েছেন। ইবনু আদী এ হাদীসটির পরে বলেছেনঃ তিনি সেই দলের অন্তর্ভুক্ত যারা হাদীস জাল করতেন। দারাকুতনীও অনুরূপ বলেছেন যেমনভাবে “আল-মীযান” গ্রন্থে এসেছে। তবে ইবনুল জাওযী একটু বেশী করে বলেছেনঃ সহীহ নয় ... এবং আবু মা’শার দুর্বল। হাদীসটিকে "জামেউস সাগীর" গ্রন্থে উল্লেখ করার কারণে মানাবী সুয়ূতীর সমালোচনা করেছেন। ইবনুল আরাবী বলেনঃ এ হাদীসটি বাতিল, এ দিকে দৃষ্টি দেয়া যায় না। আমি কাহেলীর মুতাবায়াত পেয়েছি। কিন্তু সেগুলোও সহীহ নয়। সেগুলোও বাতিল নতুবা নিতান্তই দুর্বল।



হাদিসের মানঃ  মুনকার (সর্বদা পরিত্যক্ত)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!

الحجر الأسود يمين الله في الأرض يصافح بها عباده
منكر

-

أخرجه أبو بكر بن خلاد في " الفوائد " (1 / 224 / 2) وابن عدي (17 / 2) وابن بشران في " الأمالي " (2 / 3 / 1) والخطيب (6 / 328) وعنه ابن الجوزي في " الواهيات " (2 / 84 / 944) من طريق إسحاق بن بشر الكاهلي، حدثنا أبو معشر المدائني عن محمد بن المنكدر عن جابر مرفوعا
ذكره الخطيب في ترجمة الكاهلي هذا وقال: يروي عن مالك وغيره من الرفعاء أحاديث منكرة، ثم ساق له هذا الحديث ثم روى تكذيبه عن أبي بكر بن أبي شيبة، وقد كذبه أيضا موسى بن هارون وأبو زرعة، وقال ابن عدي عقب الحديث: هو في عداد من يضع الحديث، وكذا قال الدارقطني كما في " الميزان "، وزاد ابن الجوزي: لا يصح، وأبو معشر ضعيف
وقال المناوي متعقبا على السيوطي حيث أورده في " الجامع " من رواية الخطيب وابن عساكر: قال ابن الجوزي: حديث لا يصح، وقال ابن العربي: هذا حديث باطل فلا يلتفت إليه.
ثم وجدت للكاهلي متابعا، وهو أحمد بن يونس الكوفي، وهو ثقة أخرجه ابن عساكر (15 / 90 / 2) من طريق أبي علي الأهوازي، حدثنا أبو عبد الله محمد بن جعفر ابن عبيد الله الكلاعي الحمصي بسنده عنه به، أورده في ترجمة الكلاعي هذا، ولم يذكر فيه جرحا ولا تعديلا، لكن أبو علي الأهوازي متهم، فالحديث باطل على كل حال، ثم رأيت ابن قتيبة أخرج الحديث في " غريب الحديث " (3 / 107 / 1) عن إبراهيم بن يزيد عن عطاء عن ابن عباس موقوفا عليه، والوقف أشبه وإن كان في سنده ضعيف جدا، فإن إبراهيم هذا وهو الخوزي متروك كما قال أحمد والنسائي، لكن روي الحديث بسند آخر ضعيف عن ابن عمرو رواه ابن خزيمة (2737) والطبراني في " الأوسط " (1 / 33 / 2)، وقال: تفرد به عبد الله بن المؤمل ولذا ضعفه البيهقي في " الأسماء " (ص 333) وهو مخرج في " التعليق الرغيب " (2 / 123)
وإذا عرفت ذلك، فمن العجائب أن يسكت عن الحديث الحافظ ابن رجب في " ذيل الطبقات " (7 / 174 - 175) ويتأول ما روي عن ابن الفاعوس الحنبلي أنه كان يقول: " الحجر الأسود يمين الله حقيقة "، بأن المراد بيمينه أنه محل الاستلام والتقبيل، وأن هذا المعنى هو حقيقة في هذه الصورة وليس مجازا، وليس فيه ما يوهم الصفة الذاتية أصلا، وكان يغنيه عن ذلك كله التنبيه على ضعف الحديث، وأنه لا داعي لتفسيره أو تأويله لأن التفسير فرع التصحيح كما لا يخفى

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ তাওহীদ পাবলিকেশন
গ্রন্থঃ যঈফ ও জাল হাদিস
অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ
হাদিস নম্বরঃ ২২৪ | 224 | ۲۲٤

২২৪। কুরআনের বাহকগণ আল্লাহর আঊলিয়া (বন্ধু)। অতএব যে ব্যাক্তি তাঁদের সাথে শত্রুতা করবে, সে প্রকৃত পক্ষে আল্লাহর সাথে শত্রুতা করল। আর যে ব্যাক্তি তাঁদের সাথে বন্ধুত্ব স্থাপন করল, সে প্রকৃত পক্ষে আল্লাহর সাথেয় বন্ধুত্ব স্থাপন করল।

হাদীসটি জাল।

এটিকে দাইলামী তার “মুসনাদ" গ্রন্থে (২/৯০) আবূ নু’য়াইম সূত্রে মুয়াল্লাক হিসাবে উল্লেখ করেছেন। সুয়ূতী "জামেউস সাগীর" গ্রন্থে দাইলামী এবং ইবনুন নাজ্জার-এর বর্ণনা হতে উল্লেখ করেছেন। মানাবী তার সমালোচনা করে বলেছেনঃ এটির সনদে দাউদ ইবনু মুহাব্বার নামক এক বর্ণনাকারী আছেন। যাহাবী "আয-যুয়াফা" গ্রন্থে বলেনঃ তার সম্পর্কে ইবনু হিব্বান বলেছেনঃ তিনি নির্ভরযোগ্যদের উদ্ধৃতিতে হাদীস জাল করতেন।

সুয়ূতী নিজে হাদীসটিকে “যায়লুল আহাদীসিল মাওযুআহ” গ্রন্থে (পৃঃ ৩২ নং ১৫৫) উল্লেখ করে বলেছেন, হাফিয “লিসানুল মীযান” গ্রন্থে বলেনঃ এ খবরটি মুনকার। হাদীসটি আবু নু’য়াইম “আখবার আসবাহান” গ্রন্থে হাসান ইবনু ইদরীস এর জীবনীতে উল্লেখ করেছেন। কিন্তু এটির সমস্যা হচ্ছে দাউদ ইবনু মুহাব্বার হতে।

ইবনু আররাক "তানযীহুশ শারীয়াহ" গ্রন্থে (১/১৩৫) তার অনুকরণ করেছেন। সনদের অপর বর্ণনাকারী হাসান ইবনু ইদরীস সম্পর্কে আবুশ শাইখ তার “আত-তাবাকাত” গ্রন্থে (৩৮৯/৫৩১) ভাল-মন্দ কিছুই বলেননি। আবু নু’য়াইমও তাই করেছেন।

এছাড়া ইবরাহীম ইবনু সাহালকে আমি চিনি না। দাইলামী আলী (রাঃ)-এর হাদীস হতে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। যার সনদে মুহাম্মাদ ইবনু হাসান রয়েছেন। তার সম্পর্কে খাতীব বাগদাদী (২/২৪৮) বলেনঃ মুহাম্মাদ ইবনু ইউসুফ আল-কাত্তান বলেছেনঃ তিনি নির্ভরযোগ্য ছিলেন না। সূফীদের জন্য হাদীস জাল করতেন।



হাদিসের মানঃ  জাল (Fake)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!

حملة القرآن أولياء الله، فمن عاداهم فقد عادى الله، ومن والاهم فقد والى الله
موضوع

-

أخرجه الديلمي في " مسنده " (2 / 90) من طريق أبي نعيم معلقا عليه بسنده عن الحسن بن إدريس العسكري حدثنا إبراهيم بن سهل حدثنا داود بن المحبر عن صخر بن جويرية عن نافع عن ابن عمر به
وذكره السيوطي في " الجامع " من رواية الديلمي وابن النجار عن ابن عمر، وتعقبه المناوي بقوله: وفيه داود بن المحبر، قال الذهبي في الضعفاء
قال ابن حبان: كان يضع الحديث على الثقات، ورواه عنه أبو نعيم في " الحلية " ومن طريقه أورده الديلمي مصرحا، فلوعزاه له لكان أولى.
قلت: بل الأولى حذفه أصلا! فقد أورده السيوطي نفسه في " ذيل الأحاديث الموضوعة " (رقم 155، ص 32) من رواية أبي نعيم في " تاريخ أصبهان " وقال السيوطي: قال الحافظ في " اللسان ": هذا خبر منكر ساقه أبو نعيم في ترجمة الحسن بن إدريس، لكن الآفة من داود بن المحبر، وتبعه ابن عراق في " تنزيه الشريعة ": (135 / 1) ، والحديث في " أخبار أصبهان " (1 / 264) وليس في " الحلية " كما ظن المناوي
والحسن بن إدريس هو من شيوخ أبي الشيخ كما ترجمه في " طبقاته " (389 / 531) ولم يذكر فيه جرحا ولا تعديلا وكذلك صنع أبو نعيم، وإبراهيم بن سهل لم أعرفه، ثم رواه الديلمي من حديث علي نحوه وفيه محمد بن الحسين، قال الخطيب (2 / 248) : قال لي محمد بن يوسف القطان: كان غير ثقة يضع للصوفية الأحاديث

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ তাওহীদ পাবলিকেশন
গ্রন্থঃ যঈফ ও জাল হাদিস
অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ
হাদিস নম্বরঃ ২২৫ | 225 | ۲۲۵

২২৫। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কবর যিয়ারত কারিণীদের এবং তার উপর মসজিদ নির্মাণ ও বাতি প্রজ্বলিত কারীদের উপর অভিশাপ দিয়েছেন।

হাদীসটি শেষাংশের শব্দগুলো দ্বারা দুর্বল।

হাদীসটিকে ইবনু মাজাহ ছাড়া চার সুনান রচনাকারী, ইবনু আবী শায়বাহ “আল-মুসান্নাফ” গ্রন্থে (৪/১৪০), বাগাবী "হাদীসু আলী ইবনু যায়াদ” গ্রন্থে (৭/৭০/১), তাবারানী (৩/১৭৪/২), আবু আবদিল্লাহ আল-কাত্তান তার "হাদীস" গ্রন্থে (১/৫৪), হাকিম (১/৩৭৪), বাইহাকী (৪/৭৮, তায়ালিসী (১/১৭১) এবং ইমাম আহমাদ (২০৩০) মুহাম্মাদ ইবনু জাহাদা সূত্রে আবু সালেহ বাযান হতে ... বর্ণনা করেছেন।

আবু সালেহ বাযান সম্পর্কে হাকিম ও যাহাবী বলেনঃ তার দ্বারা দলীল গ্রহণ করা যাবে না। তিরমিযী বলেছেনঃ এটি হাসান পর্যায়ের হাদীস।

আমি (আলবানী) বলছিঃ জামহুরে ওলামার নিকট আবু সালেহ বাযান দুর্বল। আজালী ছাড়া অন্য কেউ তাকে নির্ভরযোগ্য বলেননি, যেমনভাবে হাফিয ইবনু হাজার “আত-তাকরীব” গ্রন্থে বলেছেন। বরং তাকে ইসমাঈল ইবনু আবী খালেদ ও আযদী মিথ্যুক আখ্যা দিয়েছেন। কেউ কেউ তাকে তাদলীসের সাথে সম্পৃক্ত করেছেন।

হাফিয “আত-তাকরীব” গ্রন্থে বলেনঃ তিনি দুর্বল, মুদাল্লিস।

আব্দুল হক ইশবলী “আহকামুল কুবরা” গ্রন্থে (১/৮০) বলেনঃ তিনি তাদের নিকট নিতান্তই দুর্বল।

আমি (আলবানী) বলছিঃ যার অবস্থা এই তার হাদীসকে হাসান বানানো যায় না; যেমনভাবে তিরমিযী করেছেন। তাহলে কীভাবে সহীহ বানানো যায়? যেরূপভাবে আহমাদ শাকের করেছেন।

জি হ্যাঁ فلعن زائرات القبور এ অংশটুকু বিভিন্ন সূত্রে বর্ণিত হয়েছে তবে এ শব্দে زوارات القبور দেখুন “আহকামুল জানায়েয" (১৮৫-১৮৭) এবং ولعن المتخذين على القبور المساجد এ অংশটুকু মুতাওয়াতির সুত্রে বর্ণিত হয়েছে, যা সহীহাইন সহ অন্যান্য হাদীস গ্রন্থে বর্ণিত হয়েছে।

কিন্তু لعن المتخذين عليها السرج এ অংশটুকুর কোন হাদীসে শাহেদ পাচ্ছি না, হাদীসটির এ অংশটুকু দুর্বল।



হাদিসের মানঃ  যঈফ (Dai'f)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!

لعن رسول الله صلى الله عليه وسلم زائرات القبور والمتخذين عليها المساجد والسرج
ضعيف

-

بهذا السياق والتمام، أخرجه أصحاب السنن الأربعة إلا ابن ماجه وابن أبي شيبة في " المصنف " (4 / 140) والبغوي في حديث علي بن الجعد (7 / 70 / 1) والطبراني (3 / 174 / 2) وأبو عبد الله القطان في " حديثه " (54 / 1) والحاكم (1 / 374) والبيهقي (4 / 78) وكذا الطيالسي (1 / 171) وأحمد (2030) من طريق محمد بن جحادة قال: سمعت أبا صالح زاد القطان، بعد ما كبر، وهو رواية لابن أبي شيبة (2 / 84 / 1) عن ابن عباس قال: فذكره، وقال الحاكم وتبعه الذهبي: أبو صالح باذان ولم يحتجا به، وأما الترمذي فقال: حديث حسن، وأبو صالح هذا هو مولى أم هانيء بنت أبي طالب واسمه باذان ويقال: باذام أيضا
قلت: وهو ضعيف عند جمهو ر النقاد، ولم يوثقه أحد إلا العجلي وحده كما قال الحافظ في " التهذيب " بل كذبه إسماعيل بن أبي خالد والأزدي، ووصمه بعضهم بالتدليس، وقال الحافظ في " التقريب ": ضعيف مدلس
قلت: وكأنه لهذا، قال ابن الملقن في " خلاصة البدر المنير " بعد أن حكى تحسين الترمذي للحديث قال (59 / 1) : قلت: فيه وقفة لنكتة ذكرتها في الأصل يعني " البدر المنير " ولم أقف عليه لنقف على النكتة التي أشار إليها وإن كان الظاهر أنه أراد بها ضعف أبي صالح المذكور وتدليسه، وبه أعله عبد الحق الإشبيلي في " أحكامه الكبرى " (80 / 1) فقال: وهو عندهم ضعيف جدا
قلت: فمن هذا حاله لا يحسن تحسين حديثه كما فعل الترمذي! فكيف تصحيحه كما فعل الشيخ أحمد شاكر في تعليقه على " المسند " وعلى سنن الترمذي (2 / 136 - 138) ؟ وهذا التحسين والتصحيح بالإضافة إلى اشتهار الاستدلال بهذا الحديث على تحريم إيقاد السرج، حملني على أن أبين حقيقة إسناد هذا الحديث لكي لا ينسب إليه صلى الله عليه وسلم ما لم يقله، نعم قد جاء غالب الحديث من طرق أخرى، فلعن زائرات القبور، رواه ابن ماجه (1 / 478) والحاكم، والبيهقي وأحمد (3 / 142) من حديث حسان بن ثابت، والترمذي وابن ماجه والبيهقي والطيالسي وأحمد (2 / 337) عن أبي هريرة بلفظ: " زوارات القبور "، انظر " أحكام الجنائز " (185 - 187)
ولعن المتخذين على القبور المساجد متواتر عنه صلى الله عليه وسلم في " الصحيحين " وغيرهما من حديث عائشة وابن عباس وأبي هريرة وزيد بن ثابت وأبي عبيدة بن الجراح وأسامة بن زيد، وقد سقت أحاديثهم وخرجتها في
التعليقات الجياد على زاد المعاد " ثم في " تحذير الساجد من اتخاذ القبور مساجد "، وهو مطبوع، ونص حديث عائشة وابن عباس مرفوعا
"لعنة الله على اليهود والنصارى اتخذوا من قبور أنبيائهم مساجد " زاد أحمد في روايته: "يحرم ذلك على أمته " وأخرج أيضا من حديث ابن مسعود مرفوعا
" إن من شرار الناس من تدركه الساعة وهم أحياء، ومن يتخذ القبور مساجد "
ومع هذه الأحاديث الكثيرة في لعن من يتخذ المساجد على القبور تجد كثيرا من المسلمين يتقربون إلى الله ببنائها عليها والصلاة فيها، وهذا عين المحادة لله ورسوله، انظر " الزواجر في النهي عن اقتراف الكبائر " للفقيه أحمد بن حجر الهيثمي (1 / 121) وقد صرح بعض الحنفية وغيرهم بكراهة الصلاة فيها، بل نقل بعض المحققين اتفاق العلماء على ذلك، فانظر " فتاوى شيخ الإسلام ابن تيمية " (1 / 107، 2 / 192) " وعمدة القاري شرح صحيح البخاري " للعيني الحنفي (4 /149) وشرحه للحافظ ابن حجر (3 / 106) ، وأما لعن المتخذين عليها السرج
فلم نجد في الأحاديث ما يشهد له، فهذا القدر من الحديث ضعيف، وإن لهج إخواننا السلفيون في بعض البلاد بالاستدلال به، ونصيحتي إليهم أن يمسكوا عن نسبته إليه صلى الله عليه وسلم لعدم صحته، وأن يستدلوا على منع السرج على القبور بعمومات الشريعة، مثل قوله صلى الله عليه وسلم: " كل بدعة ضلالة، وكل ضلالة في النار "، ومثل نهيه صلى الله عليه وسلم عن إضاعة المال، ونهيه عن التشبه بالكفار ونحوذلك

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ তাওহীদ পাবলিকেশন
গ্রন্থঃ যঈফ ও জাল হাদিস
অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ
হাদিস নম্বরঃ ২২৬ | 226 | ۲۲٦

২২৬। তোমরা আকিক পাথরের আংটি ব্যাবহার কর, কারণ সেটি বরকতপূর্ণ।

হাদীসটি জাল।

এটি মাহামেলী “আল-আমালী” গ্রন্থে (২/৪১ নং), খাতীব বাগদাদী তার “আত-তারীখ” গ্রন্থে (১১/২৫১), উকায়লী “আয-যুয়াফা” গ্রন্থে (৪৬৬) ইয়াকুব ইবনু ওয়ালীদ আল-মাদানী সূত্রে বর্ণনা করেছেন এবং ইবনু আদী (১/৩৫৬) ইয়াকুব ইবনুল জাওযী উকায়লীর সূত্রে “আল-মাওযুআত” গ্রন্থে (১/৪২৩) উল্লেখ করে বলেছেনঃ ইয়াকুব মিথ্যুক, জলকারী। উকায়লী বলেনঃ এ বিষয়ে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে কিছুই সাব্যস্ত হয়নি।

আমি (আলবানী) বলছিঃ যাহাবী ইয়াকুব-এর জীবনী বর্ণনা করতে গিয়ে বলেছেনঃ ইমাম আহমাদ বলেছেনঃ তিনি ছিলেন বড় বড় মিথ্যুকদের একজন। তিনি হাদীস জাল করতেন। অতঃপর তার এ হাদীসটি উল্লেখ করেছেন।

ইবনু আদী বলেনঃ এ ইয়াকুব ইবনু ইবরাহীম পরিচিত নন। তার থেকে ইয়াকুব ইবনুল ওয়ালীদ চুরি করতেন।

সুয়ূতী “আল-লাআলী” গ্রন্থে (২/২৭২) তার অভ্যাসগতভাবে ইবনুল জাওযীর সমালোচনা করে বলেছেনঃ এটির অন্য সূত্রও রয়েছে, যেটি আল-খাতীব এবং ইবনু আসাকির বর্ণনা করেছেন।

আমি (আলবানী) বলছিঃ এ সনদটি অন্ধকারাচ্ছন্ন। কারণ এ সূত্রে বর্ণনাকারী খাল্লাদ ইবনু ইয়াহইয়ার নীচে যে তিনজন বর্ণনাকারী আছেন, তাদের কাউকেই চেনা যায় না। তারা হচ্ছেন শুয়ায়েব ইবনু মুহাম্মাদ, আবু আবদিল্লাহ মুহাম্মাদ ইবনু ওয়াসীফ আল-কামী এবং মুহাম্মাদ ইবনু সাহাল।

হাদীসটি বিভিন্ন ভাষায় বিভিন্ন সূত্রে বর্ণিত হয়েছে, কিন্তু সবগুলোই বাতিল। যেমনভাবে সাখাবী “আল-মাকাসিদ” গ্রন্থে বলেছেন। অধিকাংশ সূত্র মিথ্যার দোষে দোষী ব্যক্তি হতে মুক্ত নয়। তাছাড়া ভাষাগতভাবে চরম পর্যায়ের ইযতিরাব লক্ষ্য করা যাচ্ছে।



হাদিসের মানঃ  জাল (Fake)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!

تختموا بالعقيق فإنه مبارك
موضوع

-

أخرجه المحاملي في " الأمالي " (ج 2 رقم 41 - نسختي) والخطيب في " تاريخه " (11 / 251) وكذا العقيلي في " الضعفاء " (466) من طريق يعقوب بن الوليد المدني، وابن عدي (356 / 1) من طريق يعقوب بن إبراهيم الزهري، كلاهما عن هشام بن عروة عن أبيه عن عائشة مرفوعا
ومن طريق العقيلي ذكره ابن الجوزي في " الموضوعات " (1 / 423) وقال: يعقوب كذاب يضع، قال العقيلي: ولا يثبت في هذا عن النبي صلى الله عليه وسلم شيء
قلت: قال الذهبي في ترجمة يعقوب: قال أحمد: كان من الكذابين الكبار، يضع الحديث، ثم ساق له هذا الحديث، وقال ابن عدي: يعقوب بن إبراهيم هذا ليس بالمعروف، وقد سرقه منه يعقوب بن الوليد
وقد تعقب ابن الجوزي السيوطي في " اللآلئ " (2 / 272) كعادته فقال
وللحديث طريق آخر عن هشام أخرجه الخطيب وابن عساكر (4 / 283 / 2) من طريق أبي سعيد شعيب بن محمد بن إبراهيم الشعيبى، أنبأنا أبو عبد الله محمد بن وصيف {الفامي} ، أنبأنا محمد بن سهل بن الفضل بن عسكر أبو الفضل، حدثنا خلاد بن يحيى عن هشام بن عروة به
قلت: وهذا إسناد مظلم، فإن من دون خلاد لا يعرفون، أما شعيب بن محمد بن إبراهيم الشعيبي فلعله الذي في " الجرح والتعديل " (2 / 1 / 352) : شعيب بن محمد بن شعيب العبدي، بغدادي، روى عن بشر بن الحارث وعبد الرحمن بن عفان كتب عنه أبي في الرحلة الثانية وكذا في " تاريخ بغداد " (9 / 244) للخطيب نقلا عن ابن أبي حاتم
وأما محمد بن وصيف {الفامي} فلم أجد من ذكره إلا أن يكون الذي ذكره الخطيب في " تاريخه " (3 / 336) : محمد بن وصيف أبو جعفر السامري، ثم ساق له حديثا ولم يذكر فيه جرحا ولا تعديلا، ولكن هذا كنيته أبو جعفر، والمترجم كنيته أبو عبد الله، فالله أعلم
وأما محمد بن سهل بن فضل، فيحتمل أنه محمد بن سهل العطار، وقد تردد في هذا الحافظ ابن حجر في " اللسان " والله أعلم
والعطار معروف بوضع الحديث، وصفه بذلك الدارقطني وغيره فهو آفة هذا الإسناد أو من دونه، والله أعلم
وقد روي الحديث بألفاظ أخرى من طرق أخرى وكلها باطلة كما قال الحافظ السخاوي في " المقاصد " وأما قول الشيخ علي القاري في " الموضوعات " (ص 37) : لكن رواه الديلمي من حديث أنس وعمر وعلي وعائشة بأسانيد متعددة فيدل على أن الحديث له أصل
فهو ذهول عن قول الحافظ السخاوي: إنها كلها باطلة، وعن القاعدة المتفق عليها عند المحدثين أن تعدد الطرق إنما يقوي الحديث إذا كان الضعف فيها ناشئا من قلة الضبط والحفظ، وليس الأمر في هذا الحديث كذلك، فإن غالبها لا يخلومن متهم بالكذب، كما يأتي بعد، ثم إن في ألفاظها اضطرابا شديدا فبعضها يقول: فإنه مبارك، كما في حديث عائشة هذا
وبعضها يقول: " فإنه ينفي الفقر "، وغير ذلك من الألفاظ التي لا يشهد بصحتها شرع ولا عقل، ومنها الحديث الآتي

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ তাওহীদ পাবলিকেশন
গ্রন্থঃ যঈফ ও জাল হাদিস
অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ
হাদিস নম্বরঃ ২২৭ | 227 | ۲۲۷

২২৭। তোমরা আকিক পাথরের আংটি ব্যাবহার কর, কারণ সেটি দারিদ্রকে দূরীভূত করে।

হাদীসটি জাল।

এটিকে ইবনুল জাওযী “আল-মাওযু"আত” গ্রন্থে (৩/৫৮) ইবনু আদীর বর্ণনায় উল্লেখ করেছেন এবং তার থেকে দাইলামী (২/৩১) হুসাইন ইবনু ইব্রাহীম আল-বাবী হতে ... বর্ণনা করেছেন।

ইবনুল জাওযী বলেন, ইবনু আদী বলেছেনঃ এটি বাতিল, হুসইন মাজহুল।

যাহাবী “আল-মীযান” গ্রন্থে বলেনঃ হাদীসটি জাল। তার এ মতকে হাফিয ইবনু হাজার “লিসানুল মীযান” গ্রন্থে সমর্থন করেছেন। অনুরূপভাবে সুয়ূতীও “আল-লাআলী” গ্রন্থে (২/২৭৩) ইবনুল জাওযীর জাল বলাকে সমর্থন করেছেন। সুয়ূতী হাদীসটি জাল হিসাবে স্বীকার করার পরেও “জামেউস সাগীর” গ্রন্থে ইবনু আদীর বর্ণনা হতে উল্লেখ করেছেন।



হাদিসের মানঃ  জাল (Fake)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!

تختموا بالعقيق فإنه ينفي الفقر
موضوع

-

ذكره ابن الجوزي في " الموضوعات " (3 / 58) من رواية ابن عدي وعنه الديلمي (2 / 31) عن الحسين بن إبراهيم البابي حدثنا حميد الطويل عن أنس مرفوعا به، وقال ابن الجوزي: قال ابن عدي: باطل والحسين مجهول، وقال الذهبي في " الميزان ": حديث موضوع، وأقره الحافظ في " اللسان " وكذا أقر ابن الجوزي
على وضعه السيوطي في " اللآليء " (2 / 273) وزاد: قلت: قال في " الميزان ": حسين لا يدرى من هو فلعله من وضعه
ومع اعتراف السيوطي بوضعه فقد ذكره في " الجامع الصغير " من رواية ابن عدي
ومن طريق ابن عدي وغيره أخرجه ابن عساكر في " التاريخ " (14 / 26 - ط) ، وأعله بجهالة البابي، ولم أره في كامل ابن عدي

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ তাওহীদ পাবলিকেশন
গ্রন্থঃ যঈফ ও জাল হাদিস
অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ
হাদিস নম্বরঃ ২২৮ | 228 | ۲۲۸

২২৮। তোমরা আকিক পাথরের আংটি ব্যাবহার কর। কারণ সেটি কর্ম সম্পাদনে সর্বাপেক্ষা সফল আট ডান হাত সৌন্দর্যের জন্য সর্বাধিক উপযুক্ত।

হাদীসটি জাল।

হাদীসটি জাল। এটি ইবনু আসাকির (৪/২৯১/১-২) উল্লেখ করেছেন।

হাফিয ইবনু হাজার "লিসানু মীযান” গ্রন্থে (২/২৬৯) বলেনঃ এটি বানোয়াট তাতে কোন সন্দেহ নেই। কিন্তু জানি না কে জাল করেছে। তার এ বক্তব্যকে সুয়ূতী “আল-লাআলী” গ্রন্থে (২/২৭৩) সমর্থন করেছেন।



হাদিসের মানঃ  জাল (Fake)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!

تختموا بالعقيق فإنه أنجح للأمر، واليمنى أحق بالزينة
موضوع

-

أخرجه ابن عساكر (4 / 291 / 1 - 2) في ترجمة الحسن بن محمد بن أحمد بن هشام السلمي بسنده إلى أبي جعفر محمد بن عبد الله البغدادي حدثني محمد بن الحسن - بالباب والأبواب - حدثنا حميد الطويل عن أنس مرفوعا به، قال الحافظ في " اللسان " (2 / 269) : وهو موضوع لا ريب فيه، لكن لا أدري من وضعه
وأقره السيوطي في " اللآليء ": (2 / 273)

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ তাওহীদ পাবলিকেশন
গ্রন্থঃ যঈফ ও জাল হাদিস
অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ
হাদিস নম্বরঃ ২২৯ | 229 | ۲۲۹

২২৯। তোমরা আকিক পাথরের আংটি ব্যাবহার কর। কারণ সেটি তোমাদের কোন ব্যাক্তির নিকট থাকাকালীন তাঁকে চিন্তা গ্রাস করবে না।

হাদীসটি জাল।

এটিকে দাইলামী তার “মুসনাদ” গ্রন্থে (২/৩২) "আলী ইবনু মাহরুবিয়া আল-কাযবীনী সূত্রে বর্ণনা করেছেন। এটির সনদে দাউদ ইবনু সুলায়মান আল-গাযী আল-জুরজানী নামক এক বর্ণনাকারী আছেন। তকে ইবনু মাঈন মিথ্যুক আখ্যা দিয়েছেন।

যাহাবী বলেনঃ তিনি মিথ্যুক শাইখ। আলী ইবনু মূসা আর-রিযা হতে বর্ণনাকৃত তার একটি জাল কপি আছে।

আমি (আলবানী) বলছিঃ এ হাদীসটি উল্লেখিত কপি হতেই নেয়া। এরূপই স্পষ্ট হবে সেই ব্যক্তির নিকট যে “মাকাসিদুল হাসানা” এবং “আল-কাশফ” গ্রন্থদ্বয় দেখবে।



হাদিসের মানঃ  জাল (Fake)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!

تختموا بالخواتم العقيق فإنه لا يصيب أحدكم غم ما دام عليه
موضوع

-

رواه الديلمي في " مسنده " (2 / 32) من طريق علي بن مهرويه القزويني، وفي سنده داود بن سليمان الغازي الجرجاني كذبه ابن معين، وقال الذهبي
شيخ كذاب، له نسخة موضوعة عن علي بن موسى الرضا
قلت: وهذا الحديث من النسخة المذكورة كما يتبين لمن نظر " المقاصد الحسنة " و كشف الخفاء

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ তাওহীদ পাবলিকেশন
গ্রন্থঃ যঈফ ও জাল হাদিস
অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ
হাদিস নম্বরঃ ২৩০ | 230 | ۲۳۰

২৩০। যে ব্যাক্তি আকিক পাথরের আংটি ব্যাবহার করবে, সে সর্বদা কল্যাণই দেখতে পাবে।

হাদীসটি জাল।

এটি ইবনুল জাওযী "আল-মাওযু"আত” গ্রন্থে (১/৫৭) ইবনু হিব্বান-এর সূত্র হতে বর্ণনা করেছেন। ইবনু হিব্বান এটিকে “আয-যুয়াফা” গ্রন্থে (৩/১৫৩) যুহায়ের ইবনু আব্বাদ হতে ... উল্লেখ করেছেন।

ইবনু হিব্বান এবং ইবনুল জাওযী সনদের এক বর্ণনাকারী আবু বাকর সম্পর্কে বলেনঃ তিনি মালেক হতে এমন হাদীস বর্ণনা করেছেন, যা তার হাদীসের অন্তর্ভুক্ত ছিল না। সুয়ূতী তার এ কথাকে “আল-লাআলী” গ্রন্থে (২/২৭১) সমর্থন করেছেন।

যাহাবী আবু বাকরের জীবনী বর্ণনা করতে গিয়ে তার এ হাদীসটি উল্লেখ করে বলেনঃ এটি মিথ্যা। হাফিয ইবনু হাজার “আল-লিসান” গ্রন্থে যাহাবীর বক্তব্যকে সমর্থন করেছেন।

তাবারানী “মুজামুল আওসাত” গ্রন্থে হাদীসটি উল্লেখ করে বলেছেনঃ মালেক হতে আবু বাকর ছাড়া অন্য কেউ হাদীসটি বর্ণনা করেননি। যুহায়েরও এককভাবে এটি বর্ণনা করেছেন।

হায়সামী আবূ বাকরকে সহীহ্ গ্রন্থসমূহের বর্ণনাকারী বলেছেন। কিন্তু তা ঠিক নয়, তার একথাটি ভুল। কারণ তিনি এরূপ বর্ণনাকারী নন, এমনকি “সুনান” এবং “মাসানীদ” গ্রন্থগুলোর বর্ণনাকারীও নন। তিনি মিথ্যার দোষে দোষী ব্যক্তি, যেমনটি ইবনু হিব্বান ও ইবনুল জাওযী বলেছেন।

মোটকথা আকীক পাথরের আংটি সম্পর্কে বর্ণিত সকল হাদীসই বাতিল, যেমনভাবে হাফিয সাখাবী বলেছেন।



হাদিসের মানঃ  জাল (Fake)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!

من تختم بالعقيق لم يزل يرى خيرا
موضوع

-

رواه ابن الجوزي في " الموضوعات " (1 / 57) من طريق ابن حبان يعني في " الضعفاء " (3 / 153) عن زهير بن عباد حدثنا أبو بكر بن شعيب عن مالك عن الزهري عن عمرو بن الشريد عن فاطمة بنت النبي صلى الله عليه وسلم مرفوعا وقال ابن حبان وتبعه ابن الجوزي: أبو بكر يروي عن مالك ما ليس من حديثه
وأقره في " اللآليء " (2 / 271) ، وقال الذهبي في ترجمة أبي بكر المذكور وقد ساق له هذا الحديث: هذا كذب، ووافقه الحافظ في اللسان
والحديث أخرجه الطبراني في " الأوسط " من هذا الوجه وقال: لم يروه عن مالك إلا أبو بكر تفرد به زهير، كما في " جزء منتقى " من معجمي الطبراني " الأوسط " و" الكبير " ومن " مسند المقلين " لدعلج بخط الحافظ الذهبي وروايته عن الحافظ المزي (ورقة 1 وجه 2) وكذلك هو في " جزء من حديث الطبراني رواية أبي نعيم " (26 / 1) ، وفي " جزء ما انتقاه ابن مردويه من حديث الطبراني " (113 / 1) ثم رأيته في " المعجم الأوسط " (1 / 8 / 101)
ومن هذا يتبين خطأ قول الهيثمي بعد أن ساق الحديث (5 / 154 - 155)
رواه الطبراني في " الأوسط " وعمرو بن الشريد لم يسمع من فاطمة، وزهير بن عباس الرواسي وثقه أبو حاتم، وبقية رجاله رجال الصحيح
فهذا خطأ فاحش، فإن أبا بكر هذا ليس من رجال الصحيح، بل ولا من رجال السنن و" المسانيد "! ثم هو متهم كما يشير إليه كلام ابن حبان وابن الجوزي السابق فيه
وقد غفل عن هذا المعلق على " الأوسط " (1 / 104) فنقل كلام الهيثمي ثم أقره
وبالجملة فكل أحاديث التختم بالعقيق باطلة كما سبق عن الحافظ السخاوي

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

হাদিস দেখানো হচ্ছে   [221]  থেকে  [230]  পর্যন্ত এবং সর্বমোট   [342]  টি হাদিস পাওয়া গেছে।