• ৭০২৯৩ টি সর্বমোট হাদিস আছেঃ
  • ৬৯৭০ টি প্রশ্নোত্তর ও ফিকাহঃ

 

 

 

 


হাদীস (حَدِيْث) এর শাব্দিক অর্থ: নতুন, প্রাচীন ও পুরাতন এর বিপরীত বিষয়। এ অর্থে যে সব কথা, কাজ ও বস্ত্ত পূর্বে ছিল না, এখন অস্তিত্ব লাভ করেছে  তাই হাদীস। এর আরেক অর্থ হলো: কথা। ফক্বীহগণের পরিভাষায় নাবী কারীম () আল্লাহ্‌র রাসূল হিসেবে যা কিছু বলেছেন, যা কিছু করেছেন এবং যা কিছু বলার বা করার অনুমতি দিয়েছেন অথবা সমর্থন জানিয়েছেন তাকে হাদীস বলা হয়। কিন্তু মুহাদ্দিসগণ এর সঙ্গে রাসুলুল্লাহ () সম্পর্কিত বর্ণনা ও তার গুণাবলী সম্পর্কিত বিবরণকেও হাদীসের অন্তর্ভুক্ত করেন। এ হিসেবে হাদীসকে প্রাথমিক পর্যায়ে তিন শ্রেণীতে ভাগ করা যায়:

১। ক্বওলী হাদীস: কোন বিষয়ে রাসুলুল্লাহ () যা বলেছেন, অর্থাৎ যে হাদীসে তাঁর কোন কথা বিবৃত হয়েছে তাকে ক্বওলী (বাণী সম্পর্কিত) হাদীস বলা হয়।

২। ফেলী হাদীস: মহানাবী ()-এর কাজকর্ম, চরিত্র ও আচার-আচরণের ভেতর দিয়েই ইসলামের যাবতীয় বিধি-বিধান ও রীতিনীতি পরিস্ফুট হয়েছে। অতএব যে হাদীসে তাঁর কোন কাজের বিবরণ উল্লেখিত হয়েছে তাকে ফে’লী (কর্ম সম্পর্কিত) হাদীস বলা হয়।

৩। তাকরীরী হাদীস: সাহাবীগণের যে সব কথা বা কাজ নাবী কারীম ()-এর অনুমোদন ও সমর্থন প্রাপ্ত হয়েছে, সে ধরনের কোন কথা বা কাজের বিবরণ হতেও শরীয়াতের দৃষ্টিভঙ্গি জানা যায়। অতএব যে হাদীসে এ ধরনের কোন ঘটনার বা কাজের উল্লেখ পাওয়া যায় তাকে তাকরীরী (সমর্থন মূলক) হাদীস বলে।

সুন্নাহ (السنة): হাদীসের অপর নাম সুন্নাহ্ (السنة) সুন্নাত শব্দের অর্থ চলার পথ, কর্মের নীতি ও পদ্ধতি। যে পন্থা ও রীতি নাবী কারীম () অবলম্বন করতেন তাকে সুন্নাত বলা হয়। অন্য কথায় রাসুলুল্লাহ () প্রচারিত উচ্চতম আদর্শই সুন্নাত। কুরআন মাজিদে মহত্তম ও সুন্দরতম আদর্শ (أُسْوَةٌ حَسَنَةٌ) বলতে এই সুন্নাতকেই বুঝানো হয়েছে।

খবর (خبر): হাদীসকে আরবী ভাষায় খবরও (خبر) বলা হয়। তবে খবর শব্দটি হাদীস ও ইতিহাস উভয়টিকেই বুঝায়।

আসার (أثر ): আসার শব্দটিও কখনও কখনও রাসুলুল্লাহ () এর হাদীসকে নির্দেশ করে। কিন্তু অনেকেই হাদীস ও আসার এর মধ্যে কিছু পার্থক্য করে থাকেন। তাঁদের মতে- সাহাবীগণ থেকে শরীয়াত সম্পর্কে যা কিছু উদ্ধৃত হয়েছে তাকে আসার বলে।

 

ইলমে হাদীসের কতিপয় পরিভাষা

সাহাবী (صحابى):  যিনি ঈমানের সঙ্গে রাসুলুল্লাহ () এর সাহচর্য লাভ করেছেন এবং ঈমানের সঙ্গে মৃত্যুবরণ করেছেন তাঁকে রাসুলুল্লাহ ()-এর সাহাবী বলা হয়।

তাবেঈ (تابعى) : যিনি রাসুলুল্লাহ ()-এর কোন সাহাবীর নিকট হাদীস শিক্ষা করেছেন অথবা অন্ততপক্ষে তাঁকে দেখেছেন এবং মুসলমান হিসেবে মৃত্যুবরণ করেছেন তাঁকে তাবেঈ বলা হয়।

তাবে-তাবেঈ (تابعى تابع) : যিনি  কোন তাবেঈ এর নিকট হাদীস শিক্ষা করেছেন অথবা অন্ততপক্ষে তাঁকে দেখেছেন এবং মুসলমান হিসেবে মৃত্যুবরণ করেছেন তাঁকে তাবে-তাবেঈ বলা হয়।

মুহাদ্দিস (محدث) : যিনি হাদীস চর্চা করেন এবং বহু সংখ্যক হাদীসের সনদ ও মতন সম্পর্কে বিশেষ জ্ঞান রাখেন তাঁকে মুহাদ্দিস বলা হয়।

শাইখ (شيخ) : হাদীসের শিক্ষাদাতা রাবীকে শায়খ বলা হয়।

শাইখান (شيخان) : সাহাবীগনের মধ্যে আবূ বকর (রাঃ) ও উমর  (রাঃ)- কে একত্রে শাইখান বলা হয়। কিন্তু হাদীস শাস্ত্রে ইমাম বুখারী (রাহি.) ও ইমাম মুসলিম (রাহি.)-কে এবং ফিক্বহ-এর পরিভাষায় ইমাম আবূ হানীফা (রাহি.) ও আবূ ইউসুফ (রাহি.)-কে একত্রে শাইখান বলা হয়। 

হাফিয (حافظ) : যিনি সনদ ও মতনের বৃত্তান্ত সহ এক লাখ হাদীস আয়ত্ত করেছেন তাঁকে হাফিয বলা হয়।

হুজ্জাত (حجة) : অনুরূপভাবে যিনি তিন লক্ষ হাদীস আয়ত্ত করেছেন তাঁকে হুজ্জাত বলা হয়।  

হাকিম (حاكم) : যিনি সব হাদীস আয়ত্ত করেছেন তাকে হাকিম বলা হয়।

রিজাল (رجال) : হাদীসের রাবী সমষ্টিকে রিজাল বলে। যে শাস্ত্রে রাবীগণের জীবনী বর্ণনা করা হয়েছে তাকে আসমাউর-রিজাল বলা হয়।                                                                                 

রিওয়ায়াত (رواية): হাদীস বর্ণনা করাকে রিওয়ায়াত বলে। কখনও কখনও মূল হাদীসকেও রিওয়ায়াত বলা হয়। যেমন- এই কথার সমর্থনে একটি রিওয়ায়াত (হাদীস) আছে।                           

সনদ (سند): হাদীসের মূল কথাটুকু যে সূত্র পরম্পরায় গ্রন্থ সংকলনকারী পর্যন্ত পৌঁছেছে তাকে সনদ বলা হয়। এতে হাদীস বর্ণনাকারীদের নাম একের পর এক সজ্জিত থাকে।

মতন (متن): হাদীসে মূল কথা ও তার শব্দ সমষ্টিকে মতন বলে।

মারফূ (مرفوع): যে হাদীসের সনদ (বর্ণনা পরম্পরা) রাসুলুল্লাহ () পর্যন্ত পৌঁছেছে  তাকে মারফূ হাদীস বলে।

মাওকূফ (موقوف) : যে হাদীসের বর্ণনা- সূত্র ঊর্ধ্ব দিকে সাহাবী পর্যন্ত পৌঁছেছে , অর্থাৎ যে সনদ -সূত্রে কোন সাহাবীর কথা বা কাজ বা অনুমোদন বর্ণিত হয়েছে তাকে মাওকূফ হাদীস বলে। এর অপর নাম আসার।

মাকতূ (مقطوع): যে হাদীসের সনদ কোন তাবেঈ পর্যন্ত পৌঁছেছে, তাকে মাকতূ হাদীস বলা হয়।

তালীক (تعليق): কোন কোন গ্রন্থকার হাদীসের পূর্ণ সনদ বাদ দিয়ে কেবল মূল হাদীস বর্ণনা করেছেন। এরূপ করাকে তা’লীক বলা হয়।

মুদাল্লাস (مدلس): যে হাদীসের রাবী নিজের প্রকৃত শাইখের (উস্তাদের) নাম উল্লেখ না করে তার উপরস্থ শাইখের নামে এভাবে হাদীস বর্ণনা করেছেন যাতে মনে হয় যে, তিনি নিজেই উপরস্থ শাইখের নিকট তা শুনেছেন অথচ তিনি তাঁর নিকট সেই হাদীস শুনেন নি- সে হাদীসকে মুদাল্লাস হাদীস এবং এইরূপ করাকে ‘তাদ্লীস’ আর যিনি এইরূপ করেন তাকে মুদালস্নীস বলা হয়।

মুযতারাব (مضطرب): যে হাদীসের রাবী হাদীসের মতন ও সনদকে বিভিন্ন প্রকারে বর্ণনা করেছেন সে হাদীসকে হাদীসে মুযতারাব বলা হয়। যে পর্যন্ত না এর কোনরূপ সমন্বয় সাধন সম্ভবপর হয়, সে পর্যন্ত এই হাদীসের ব্যাপারে অপেক্ষা করতে হবে অর্থাৎ এই ধরনের রিওয়ায়াত প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না।

মুদ্রাজ (مدرج): যে হাদীসের মধ্যে রাবী নিজের অথবা অপরের উক্তিকে অনুপ্রবেশ করিয়েছেন, সে হাদীসকে মুদ্রাজ এবং এইরূপ করাকে ‘ইদরাজ’ বলা হয়।

মুত্তাসিল (متصل): যে হাদীসের সনদের ধারাবাহিকতা প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত পূর্ণরূপে রক্ষক্ষত আছে, কোন সত্মরেই কোন রাবীর নাম বাদ পড়ে নি তাকে মুত্তাসিল হাদীস বলে।

মুনকাতি (منقطع): যে হাদীসের সনদে ধারাবাহিকতা রক্ষিত হয় নি, মাঝখানে কোন এক স্তরে কোন রাবীর নাম বাদ পড়েছে, তাকে মুনকাতি হাদীস, আর এই বাদ পড়াকে ইনকিতা বলা হয়।

মুরসাল (مرسل): যে হাদীসের সনদে ইনকিতা শেষের দিকে হয়েছে, অর্থাৎ সাহাবীর নাম বাদ পড়েছে এবং তাবেঈ সরাসরি রাসুলুল্লাহ () এর উল্লেখ করে হাদীস বর্ণনা করেছেন তাকে মুরসাল হাদীস বলা হয়।

মুআল্লাক ( معلق ) : সনদের ইনকিতা প্রথম দিকে  হলে, অর্থাৎ সাহাবীর পর এক বা একাধিক রাবীর নাম বাদ পড়লে তাকে মু’আল্লাক হাদীস বলা হয়।

মুদাল (معضل): যে হাদীসে দুই বা ততোধিক রাবী ক্রমান্বয়ে সনদ থেকে বাদ পড়েছে তাকে মু‘দাল হাদীস বলে।

মুতাবি ও শাহিদ (متابع و شاهد): এক রাবীর হাদীসের অনুরূপ যদি অপর রাবীর কোন হাদীস পাওয়া যায় তবে দ্বিতীয় রাবীর হাদীসকে প্রথম রাবীর হাদীসের মুতাবি বলা হয়। যদি উভয় হাদীসের মূল রাবী অর্থাৎ সাহাবী একই ব্যক্তি না হয় তবে দ্বিতীয় ব্যক্তির হাদীসকে শাহিদ বলে। আর এইরূপ হওয়াকে শাহাদাত বলে। মুতাবা’আত ও শাহাদাত দ্বারা প্রথম হাদীসটির শক্তি বৃদ্ধি পায়।

মারূফ ও মুনকার (معروف و منكر): কোন দুর্বল রাবীর বর্ণিত হাদীস অপর কোন মাকবূল (গ্রহণযোগ্য) রাবীর বর্ণিত হাদীসের বিরোধী হলে তাকে মুনকার বলা হয় এবং মাকবূল রাবীর হাদীসকে মা‘রূফ বলা হয়।

সহীহ (صحيح) : যে মুত্তাসিল হাদীসের সনদে উল্লেখিত প্রত্যেক রাবীই পূর্ণ আদালত ও যাবত (ধারণ ক্ষমতা) গুণ সম্পন্ন এবং হাদীসটি যাবতীয় দোষত্রুটি ও শায মুক্ত তাকে সহীহ হাদীস বলে।

হাসান (حسن) : যে হাদীসের মধ্যে রাবীর যাবত (ধারণ ক্ষমতা) এর গুণ ব্যতীত সহীহ হাদীসের সমস্ত শর্তই পরিপূর্ণ রয়েছে তাকে হাসান হাদীস বলা হয়। ফক্বীহগণ সাধারণত সহীহ ও হাসান হাদীসের ভিত্তিতে শরীয়াতের বিধান নির্ধারণ  করেন।

যঈফ (ضعيف ) : যে হাদীসের রাবী কোন হাসান হাদীসের রাবীর গুণসম্পন্ন নন তাকে যঈফ হাদীস বলে।

মাওযূ ( موضوع ) : যে হাদীসের রাবী জীবনে কখনও ইচ্ছাকৃতভাবে রাসুলুল্লাহ ()-এর নামে মিথ্যা কথা রটনা করেছেন বলে প্রমাণিত হয়েছে, তার বর্ণিত হাদীসকে মাওযূ‘ হাদীস বলে।

 

রাবীর সংখ্যা বিচারে হাদীস প্রধানত দুপ্রকার। যথা: ১. মুতওয়াতির (متواتر) ও ২. আহাদ (أحاد)

১. মুতওয়াতির (متواتر): বৃহৎ সংখ্যক রাবীর বর্ণিত হাদীস, মিথ্যার ব্যাপারে যাদের উপর একাট্টা হওয়া অসম্ভব, সনদের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত এ সংখ্যা বিদ্যমান থাকলে হাদীসকে মুতওয়াতির (متواتر) বলা হয়।

২. আহাদ (أحاد): أحاد তিন প্রকার। যথা:

মাশহুর (مشهور): যে কোন স্তরে হাদীস বর্ণনা কারীর সংখ্যা যদি দুই এর অধিক হয়, কিন্তু মুতওয়াতির এর পর্যায়ে পৌঁছে না তাকে মাশহুর (مشهور) বলে।

আযীয (عزيز): যে কোন স্তরে হাদীস বর্ণনা কারীর সংখ্যা যদি দু‘জন হয় ।

গরীব (غريب): যে কোন স্তরে হাদীস বর্ণনা কারীর সংখ্যা যদি এক জন হয় ।

শায (شاذ): একাধিক নির্ভরযোগ্য রাবীর বিপরীত একজন নির্ভরযোগ্য রাবীর বর্ণনাকে শায হাদীস বলে।

 কিয়াস (قياس): অর্থ অনুমান, পরিমাপ, তুলনা ইত্যাদি। পরিভাষায়: শাখাকে মূলের সঙ্গে তুলনা করা, যার ফলে শাখা ও মূল একই হুকুমের অমত্মর্ভুক্ত হয়ে যায়।

তাক্বলীদ (تقليد): দলীল উল্লেখ ছাড়াই কোন ব্যক্তির মতামতকে গ্রহণ করা।

ইজতিহাদ (اجتهاد): উদ্দিষ্ট জ্ঞান অর্জনের প্রচেষ্টা চালানোকে ইজতিহাদ বলে।

শরীয়াত (شريعة): অর্থ: আইন, বিধান, পথ, পন্থা ইত্যাদি। পরিভাষায়: মহান আল্লাহ্‌ স্বীয় দীন হতে বান্দার জন্য যা বিধিবদ্ধ করে দিয়েছেন তাকে শরীয়াত বলে।

মাযহাব (مذهب): অর্থ- মত, পথ, মতবাদ ইত্যাদি। ফিক্বহী পরিভাষায়: ইবাদাত ও মু‘আমালাতের ক্ষেত্রে শারঈ হুকুম পালনের জন্য বান্দা যে পথ অনুসরণ করে এবং প্রত্যেক দলের জন্য একজন ইমামের উপর অথবা ইমামের ওসীয়ত কিংবা ইমামের প্রতিনিধির উপর নির্ভর করে তাকে মাযহাব বলে।

নাযর (نذر): কোন বিষয়ে উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য চিন্তা-ভাবনা করাকে নাযর বলে।

আম (عام): সীমাবদ্ধ করা ছাড়াই যা দুই বা ততোধিক বিষয়কে অন্তর্ভুক্ত করে তাকে আম বলে।

খাস (خاص): আম এর বিপরীত, যা নির্দিষ্ট বিষয়কে অন্তর্ভুক্ত করে।

ইজমা (اجماع): কোন এক যুগে আলিমদের কোন শারঈ বিষয়ের উপর এক মত পোষণ করাকে ইজমা বলে।

মুসনাদ (مسند): যার সনদগুলো পরস্পর এমনভাবে মিলিত যে, প্রত্যেকের বর্ণনা সুস্পষ্ট।

ফিক্বহ (فقه): ইজতিহাদ বা গবেষণার পদ্ধতিতে শারঈ হুকুম সম্পর্কে জানার বিধানকে ফিক্বহ বলে।

আসল বা মূল (اصل): এমন প্রথম বিষয়, যার উপর ভিত্তি করে কোন কিছু গড়ে উঠে। যেমন- দেয়ালের ভিত্তি।

ফারা বা শাখা (فرع): আসলের বিপরীত যা কোন ভিত্তির উপর গড়ে উঠে।

ওয়াজিব (واجب): যা আমল করলে সাওয়াব পাওয়া যাবে আর পরিত্যাগ করলে শাস্তি পাওয়া যাবে।

মানদূব (مندوب): যা আমল করলে সাওয়াব পাওয়া যাবে আর পরিত্যাগ করলে শাস্তি হবে না।

মাহযূর (محظور): যা পরিত্যাগ করলে সাওয়াব পাওয়া যাবে আর আমল করলে শাস্তি পাওয়া যাবে।

মাকরূহ (مكروه): যা পরিত্যাগ করলে সাওয়াব পাওয়া যাবে আর আমল করলে শাস্তি হবে না।

ফাৎওয়া (فتوى): জিজ্ঞাসিত ব্যক্তির নিকট থেকে দলীল ভিত্তিক শারঈ হুকুম সুস্পষ্ট বর্ণনা করে নেয়াকে ফাৎওয়া বলে।

নাসিখ (ناسخ): পরিবর্তিত শারঈ দলীল যা পূববর্তী শারঈ হুকুমকে রহিত করে দেয় তাকে নাসিখ বলে।

মানসূখ (منسوخ): আর যে হুকুমটি রহিত হয়ে যায় সেটাই মানসূখ।

মুতলাক্ব (مطلق): যা প্রকৃতিগত দিক থেকে জাতির সকলকে অন্তর্ভুক্ত  করে কিন্তু অনির্দিষ্টভাবে একটি অর্থকে বুঝায়।

মুকাইয়্যাদ (مقيد): যা মুতলাক্বের বিপরীত অর্থাৎ জাতির সকলকে অন্তর্ভুক্ত  করে না। বরং নির্দিষ্ট একটি অর্থকে বুঝায়।

হাক্বীকাত (حقيقة): শব্দকে আসল অর্থে ব্যবহার করাকে হাক্বীকত বলে। যেমন- সিংহ শব্দটি এক প্রজাতির হিংস্র প্রাণীকে বুঝায়।

মাজায (مجاز): শব্দ যখন আসল অর্থকে অতিক্রম করে তার সাথে সাদৃশ্য রাখে এমন অর্থ প্রকাশ করে তখন তাকে মাজায বলে। যেমন- সাহসী লোককে সিংহের সাথে তুলনা করা।

হাদিসের পরিসংখ্যান

সর্বমোট হাদিস পাওয়া গেছেঃ [342] টি | অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ
গ্রন্থঃ যঈফ ও জাল হাদিস | দেখানো হচ্ছে   [191]  থেকে  [200]  পর্যন্ত
প্রতি পাতাতে টি হাদিস

পাবলিশারঃ তাওহীদ পাবলিকেশন
গ্রন্থঃ যঈফ ও জাল হাদিস
অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ
হাদিস নম্বরঃ ১৯১ | 191 | ۱۹۱

১৯১। জুম’আহ হচ্ছে ফকীরদের হাজ্জ (হজ্জ), (অন্য ভাষায়) মিসকিনদের হাজ্জ (হজ্জ)।

হাদীসটি জাল।

এটি আবু নু’য়াইম “আখবাবু আসবাহান” গ্রন্থে (২/১৯০), কাযাঈ (নং ৭৯) ও ইবনু আসাকির (১১/১৩২) ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতে প্রথম শব্দে এবং ইবনু যানজুবিয়াহ ও কাযাঈ (৭৮) দ্বিতীয় শব্দে বর্ণনা করেছেন, যেমনভাবে “জামেউস সাগীর” গ্রন্থে এসেছে। এটির সনদে ঈসা ইবনু ইবরাহীম হাশেমী ও তার শাইখ মুকাতিল রয়েছেন। হাফিয ইরাকী বলেনঃ সনদটি দুর্বল।

যাহাবী হাদিসটি ঈসার জীবনী বর্ণনা করতে গিয়ে "আল-মীযান" গ্রন্থে উল্লেখ করে বলেছেনঃ তিনি মুনকারুল হাদীস, মাতরূক। সাখাবী বলেনঃ মুকাতিল দুর্বল, অনুরূপভাবে তার থেকে বর্ণনাকারী ঈসাও দুর্বল।

আমি (আলবানী) বলছিঃ মুকাতিল মিথ্যুক, যেমনভাবে তার সম্পর্কে ওয়াকী' হতে নকল করা হয়েছে এবং তার থেকে বর্ণনাকারী ঈসা ইবনু ইবরাহীম নিতান্তই দুর্বল। বুখারী ও নাসাঈ বলেনঃ তিনি মুনকারুল হাদীস। এ জন্যেই সাগানী হাদীসটিকে “আহাদীসুল মাওযুআহ” গ্রন্থে (পৃ ৭) উল্লেখ করেছেন। ইবনুল জাওযীও “আল-মাওযুআত” গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন। সুয়ূতী নিজে তা সমর্থন করেছেন, তবে নিম্নের বাক্যেঃ (দেখুন পরেরটি) 



হাদিসের মানঃ  জাল (Fake)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!

الجمعة حج الفقراء، وفي لفظ: المساكين
موضوع

-

رواه أبو نعيم في " أخبار أصبهان " (2 / 190) والقضاعي (رقم 79) وابن عساكر (11 / 132) عن ابن عباس باللفظ الأول، وابن زنجويه والقضاعي (78) أيضا باللفظ الثاني أيضا كما في " الجامع الصغير " وقال المناوي في شرحه: ورواه الحارث بن أبي أسامة، أخرجوه كلهم من حديث عيسى بن إبراهيم الهاشمي عن مقاتل عن الضحاك عن ابن عباس، قال الحافظ العراقي: سنده ضعيف، وأورده في " الميزان " في ترجمة عيسى هذا وقال عن جمع: هو منكر الحديث، متروك
وقال السخاوي: مقاتل ضعيف، وكذا الراوي عنه
قلت: هذا الكلام إنما هو على اللفظ الثاني، وأما اللفظ الأول وهو الثاني في ترتيب السيوطي فلم يتكلم عليه المناوي بشيء فلعله اكتفى بذلك إشارة إلى أن طريقهما واحد وهو الظاهر من صنيع " الكشف " ولعله تبع فيه أصله " المقاصد " فإنه أورده باللفظين ثم قال: وفي سنده مقاتل ضعيف.
قلت: أما مقاتل فكذاب كما تقدم نقله عن وكيع في الحديث (168) ، وأما الراوي عنه عيسى بن إبراهيم فضعيف جدا، قال البخاري والنسائي: منكر الحديث فما دام أن الحديث من رواية الكذاب فكان اللائق بالسيوطي أن ينزه منه الكتاب! ولهذا ذكره الصغاني في " الأحاديث الموضوعة " (ص 7) ومن قبله ابن الجوزي في " الموضوعات " وأقره السيوطي نفسه لكن بلفظ آخر

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ তাওহীদ পাবলিকেশন
গ্রন্থঃ যঈফ ও জাল হাদিস
অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ
হাদিস নম্বরঃ ১৯২ | 192 | ۱۹۲

১৯২। মোরগ হচ্ছে আমার উম্মতদের দরিদ্রদের ছাগল এবং জুম’আহ হচ্ছে আমাদের দরিদ্রদের হাজ্জ (হজ্জ)।

হাদীসটি জাল।

ইবনু হিব্বান কর্তৃক "মাজরুহীন" গ্রন্থের (৩/৯০) বর্ণনা হতে ইবনুল জাওযী “আল-মাওযুআত” গ্রন্থে (৩/৮) হাদীসটি আব্দুল্লাহ ইবনু যায়েদ-মাহমাশ আন-নাইসাপুরী সূত্রে হিশাম ইবনু ওবায়দিল্লাহ হতে ... উল্লেখ করেছেন। অতঃপর বলেছেনঃ ইবনু হিব্বান বলেনঃ এটি বাতিল, এর কোন ভিত্তি নেই। হিশাম হচ্ছেন এমন এক বর্ণনাকারী যার দ্বারা দলীল গ্রহণ করা যায় না।

দারাকুতনী বলেনঃ হাদীসটি মিথ্যা, মাহমাশ হাদীস জাল করতেন। সয়ুতী “আল-লাআলী” গ্রন্থে (২/২৮) তা সমর্থন করেছেন। ইবনু আররাক “তানযীহুশ শারীয়াহ" গ্রন্থে (২/২৩৬) বলেনঃ হাফিয যাহাবী “তাবাকাতুল হুফফায” গ্রন্থে শুধুমাত্র বলেছেন হাদীসটি সহীহ নয়।

সহীহ নয় এ কথা দ্বারা হাদীসটি জাল নয় এমন কিছু বুঝানো ঠিক হবে না, দুটি কারণেঃ

১। হাদীসটি স্পষ্টত জাল এ কারণই তার প্রমাণ বহন করছে। কারণ এটিকে একজন জালকারী বর্ণনা করেছেন। তাছাড়া দারাকুতনী স্পষ্ট করেই বলেছেনঃ এটি মিথ্যা হাদীস এবং ইবনু হিব্বান বলেছেন বাতিল।

২ । এটি সহীহ নয়' কথাটি হাদীসটি জাল এ কথা বিরোধী নয়, বরং বহু সময় দেখা যায় এ শব্দটি জাল শব্দের স্থলাভিষিক্ত হয়েছে, এখানেও সেরূপ। কারণ যাহাবী নিজেই হিশাম ইবনু ওবায়দিল্লার জীবনীতে ইবনু হিব্বান-এর বর্ণনায় এ হাদীসটিসহ আরেকটি হাদীস উল্লেখ করে বলেছেনঃ উভয়টিই বাতিল।

মানাবী যাহাবী হতে নকল করেছেন (৬/১৬৩) যে, তিনি “আয-যুয়াফা" গ্রন্থে বলেছেনঃ এ দু’টাে হাদীসই বানোয়াট। অতএব ইবনু আররাক কর্তৃক এরূপ ধারণা পোষণ করা যে, যাহাবী জাল হিসাবে উল্লেখ করেননি, সঠিক নয়। 



হাদিসের মানঃ  জাল (Fake)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!

الدجاج غنم فقراء أمتي، والجمعة حج فقرائها
موضوع

-

أورده ابن الجوزي في " الموضوعات " (3 / 8) من رواية ابن حبان في " المجروحين " (3 / 90) من طريق عبد الله بن زيد - محمش - النيسابوري عن هشام ابن عبيد الله الرازي عن ابن أبي ذئب عن نافع عن ابن عمر مرفوعا ثم قال
قال ابن حبان: باطل لا أصل له، وهشام لا يحتج به، وقال الدارقطني: هذا كذب، والحمل فيه على محمش كان يضع الحديث
وأقره السيوطي في " اللآليء " (2 / 28) فلم يتعقبه بشيء البتة، وأما ابن عراق فتعقبه في " تنزيه الشريعة " (236 / 2) بقوله: قلت: اقتصر الحافظ الذهبي في " طبقات الحفاظ " على قوله بعد إيراد الحديث: هذا غير صحيح، والله أعلم
قلت: وهذا التعقب لا طائل تحته لسببين، الأول: أن علة الحديث المقتضية لوضعه ظاهرة، وهو كونه من رواية هذا الوضاع، ولا سيما أنه قد صرح الدارقطني بأنه حديث كذب، وابن حبان ببطلانه
والآخر أن قوله: لا يصح، لا ينافي كونه موضوعا بل كثيرا ما تكون هذه اللفظة مرادفة لكلمة موضوع، وهي هنا بهذا المعنى لما سبق، ولأن الذهبي نفسه قد أورد هذا الحديث وحديثا آخر في ترجمة الرازي هذا من رواية ابن حبان عنه ثم قال الذهبي: قلت: كلاهما باطل، ووصف هذا الخبر في " النبلاء " (10 / 447) بأنه
لا يحتمل
ونقل المناوي (6 / 163) عنه أنه قال في " الضعفاء ": إنهما حديثان موضوعان
فتبين أن الذهبي من القائلين بوضع الحديث خلافا لما ظنه ابن عراق

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ তাওহীদ পাবলিকেশন
গ্রন্থঃ যঈফ ও জাল হাদিস
অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ
হাদিস নম্বরঃ ১৯৩ | 193 | ۱۹۳

১৯৩। পুরুষদের সৌভাগ্য রয়েছে তার হালকা পাতলা দাড়িতে।

হাদীসটি জাল।

হাদীসটি ইবনু হিব্বান “আয-যুয়াফা" গ্রন্থে (১/৩৬০), তাবারানী (৩/২৮২/১), ইবনু আদী (২/৩৫৮) ও খাতীব বাগদাদী তার “আত-তারীখ” গ্রন্থে (১৪/২৯৭) ইউসুফ ইবনু গারাক সূত্রে সুকায়েন ইবনু আবী সিরাজ হতে, তিনি মুগীরা ইবনু সুওয়াইদ হতে ... বর্ণনা করেছেন।

আল-খাতীব বলেনঃ সুকায়েন মাজহুল, মুনকারুল হাদীস । মুগীরা ইবনু সুওয়াইদও মাজহুল। এ হাদীসটি সহীহ নয়। এছাড়া ইউসুফ ইবনু গারাক মুনকারুল হাদীস।

ইবনু হিব্বান বলেনঃ সুকায়েন নির্ভরশীলদের উদ্ধৃতিতে জাল হাদীস বর্ণনাকারী।

হাদিসটি হায়সামী "আল-মাজমা" গ্রন্থে (৫/১৬৪-১৬৫) উল্লেখ করে বলেছেনঃ এটি তারারানী বর্ণনা করেছেন তার সনদে ইউসুফ ইবনু গারাক রয়েছেন। তার সম্পর্কে আযদী বলেনঃ তিনি মিথ্যুক।

হাদীসটি ইবনুল-জাওযী “আল-মাওযুআত” গ্রন্থে (১/১৬৬) সুওয়াইদ-ইবনু সা'ঈদু সূত্রে বাকিয়া ইবনু ওয়ালীদ হতে উল্লেখ করেছেন। এ সুওয়াইদ ইবনু সা'ঈদকে ইয়াহইয়া দুর্বল আখ্যা দিয়েছেন আর বাকিয়া হচ্ছেন মুদল্লিস। এছাড়া, তার শাইখ আবুল ফযলও দুর্বল।

ইবনু আদীৱ বৰ্ণনায় অন্য এক সূত্রের বর্ণনাকারী আবূ দাউদ আন-নাখঈ হচ্ছেন একজন জালকারী। তার জীবনী বর্ণনা করতে গিয়ে ইবনু আদী বলেনঃ (২/১৫৩) এ হাদীসটি তিনিই জাল করেছেন।

ইবনু আদীর আরো এক সূত্রের বর্ণনাকারী হচ্ছেন হুসাইন ইবনুল মুবারাক; তার সম্পর্কে ইবনু আদী বলেনঃ তিনি বিভিন্ন সনদে মুনকার বাক্যে হাদীস বর্ণনা করেছেন। অন্য বর্ণনাকারী ওরাকা; তিনি কিছুরই সমকক্ষ নন। এ হুসাইন সম্পর্কে ইবনু আদী বলেনঃ তিনি মিথ্যার দোষে দোষী।

যাহাবী তার দু'টি হাদীস বর্ণনা করেছেন। এটি সে দু'টোর একটি অতঃপর বলেছেনঃ এটি মিথ্যা। তার এ কথাকে হাফিয় ইবনু হাজার "লিসানুল মীযান” গ্রন্থে সমর্থন করেছেন। সুয়ূতীও হাদীসটি জাল হওয়ার ব্যাপারে তার “আল-ফাতাওয়া (২/২০৫) গ্রন্থে ঐকমত্য পোষণ করেছেন।

বাকিয়া সুত্রে বর্ণিত এ হাদিসটি সম্পর্কে আবূ হাতিমকে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেনঃ এ হাদীসটি জাল, বাতিল।

ইবনু কুতাইবা "মুখতালাফুল হাদীস" গ্রন্থে (৯০) উল্লেখ করেছেন যে,  হাদিসবিদগণ এটি সম্পর্কে বলেছেনঃ হাদিসটির কোন ভিত্তি নেই।



হাদিসের মানঃ  জাল (Fake)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!

من سعادة المرء خفة لحيته
موضوع

-

أخرجه ابن حبان في " الضعفاء " (1 / 360) والطبراني (3 / 282 / 1) وابن عدي (358 / 2) والخطيب في " تاريخه " (14 / 297) من طريق يوسف بن الغرق عن سكين بن أبي سراج عن المغيرة بن سويد عن ابن عباس مرفوعا، ثم روى الخطيب: عن أبي علي صالح بن محمد: قال بعض الناس: إنما هذا تصحيف إنما هو: " من سعادة المرء خفة لحييه بذكر الله "، ثم قال الخطيب: سكين مجهول منكر الحديث، والمغيرة بن سويد أيضا مجهول، ولا يصح هذا الحديث، ويوسف بن الغرق منكر الحديث، ولا تصح لحيته، ولا لحييه، وقال ابن حبان: سكين يروي الموضوعات عن الأثبات والملزقات عن الثقات، والحديث ذكره الهيثمي في " المجمع " (5 /164 - 165) وقال: رواه الطبراني وفيه يوسف بن الغرق قال الأزدي: كذاب، وأورده ابن الجوزي في " الموضوعات " (1 / 166) من هذا الوجه، ثم ساقه من رواية الجوهري من طريق سويد بن سعيد، حدثنا بقية بن الوليد عن أبي الفضل عن مكحول عن ابن عباس مرفوعا بمثله، ومن رواية ابن عدي من طريق أبي داود النخعي عن حطان بن خفاف عن ابن عباس، ومن روايته أيضا (97 / 2) عن الحسين بن المبارك حدثنا بقية حدثنا ورقاء بن عمر عن أبي الزناد عن الأعرج عن أبي هريرة مرفوعا ثم قال ابن الجوزي: لا يصح، المغيرة مجهول، وسكين يروي الموضوعات عن الأثبات، ويوسف كذاب وسويد ضعفه يحيى، وبقية مدلس، وشيخه أبو الفضل هو بحر بن كنيز السقاء ضعيف، فكفاه تدليسا، والنخعي يضع، وورقاء لا يساوي شيئا، والحسين بن المبارك قال ابن عدي: حدث بأسانيد ومتون منكرة
قلت: وقال ابن عدي (153 / 2) في ترجمة النخعي: هذا مما وضعه هو
وتعقب ابن الجوزي السيوطي في " اللآليء " (1 / 121) بما ينتج منه أنه وافقه على وضعه، فإنه إنما تعقبه فيما ذكره من الجرح في بعض رواة الحديث فقال: قلت: المغيرة ذكره ابن بان في الثقات
قلت: قد سبق غير مرة أن توثيق ابن حبان وحده لا يعتمد عليه لتساهله فيه ولا سيما عند المخالفة كما هو الأمر هنا فقد سمعت قول الخطيب في المغيرة هذا أنه مجهول، وكذا قال أبو علي النيسابوري فيما نقله الذهبي في " الميزان "، ثم هب أنه ثقة فالراوي عنه سكين مجهول أيضا كما تقدم في كلام الخطيب، وقد قال الحافظ العسقلاني في ترجمته من " اللسان ": قال ابن حبان: يروي الموضوعات، روى عن المغيرة عن ابن عباس رفعه: من سعادة المرء خفة لحيته
قلت: فالحديث إذا موضوع من هذا الوجه حتى عند ابن حبان الذي وثق المغيرة فهو إنما يتهم به سكين هذا، فالراوي عنه يوسف الغرق قد تابعه عليه عبد الرحمن بن قيس عند أبي بكر الكلاباذي في " مفتاح معاني الآثار " (16 / 1 رقم 18)
ثم قال السيوطي: وورقاء هو اليشكري ثقة صدوق عالم روى عنه الأئمة الستة
قلت: صدق السيوطي، وأخطأ ابن الجوزي في قوله فيه لا يساوي شيئا، لكن هذا لا ينجي الحديث من الوضع ما دام في الطريق إليه بقية وهو مدلس مشهور، ولا يفرح بتصريحه بالتحديث هنا لأن الراوي عنه الحسين بن المبارك غير ثقة كما يشعر به كلام ابن عدي المتقدم وهو في " الكامل " (97 / 2) وقد سلمه السيوطي، بل قال الذهبي في ترجمته: قال ابن عدي: متهم، ثم ساق له حديثين هذا أحدهما وقال عقبه: وهو كذب، وأقره الحافظ في اللسان
ويؤيد ما ذهبت إليه من موافقة السيوطي على وضع هذا الحديث أنه نقل في فتاواه (2 / 205) عن ابن الجوزي أنه أورده في " الموضوعات "، ولم يتعقبه بشيء
ومع هذا أورده في كتابه " الجامع الصغير "! فأخطأ وتناقض ولذا تعقبه شارحه المناوي ببعض ما ذكرناه عن ابن الجوزي والذهبي والعسقلاني، والحديث أورده ابن أبي حاتم (2 / 263) من طريق بقية عن أبي الفضل ثم ذكر أنه سأل أباه عنه فقال: هذا حديث موضوع باطل، وذكر ابن قتيبة في " مختلف الحديث " (ص 90) عن أصحاب الحديث أنهم قالوا في هذا الحديث: لا أصل له

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ তাওহীদ পাবলিকেশন
গ্রন্থঃ যঈফ ও জাল হাদিস
অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ
হাদিস নম্বরঃ ১৯৪ | 194 | ۱۹٤

১৯৪। তোমরা বরকতপূর্ণ যায়তুন গাছের তেল গ্রহণ কর এবং ঔষধ হিসেবে ব্যাবহার কর, কারন তা অর্শ্ব রোগের আরোগ্যকারী।

হাদীসটি মিথ্যা।

এটিকে তাবারানী "আল-মু-জামুল কাবীর" গ্রন্থে (১৭/২৪৭/৭৭৪) এবং তার থেকে আবূ নু’য়াইম "আত-তিব্ব" গ্রন্থে (২/৮০) উসমান ইবনু সালেহ সূত্রে তার পিতা হতে, তার পিতা ইবনু লাহী'য়াহ হতে ... বর্ণনা করেছেন।

আমি (আলবানী) বলছিঃ ইবনু আবী হাতিম "আল-ইলাল" গ্রন্থে (২/২৭৯) বলেনঃ আমার পিতা হতে শুনেছিঃ তিনি  ইবনু লাহী'য়াহ হতে উসমান ইবনু সালেহ সুত্রে হাদিসটি বর্ণনা করেছেন। অতঃপর বলেছেনঃ এটি একটি মিথ্যা হাদিস।

যাহাবী তার "আল-মীমান" গ্রন্থে এ কথাকে সমর্থন করে এটির কারণ সম্পর্কে ইঙ্গিত দিয়ে বলেছেনঃ আবূ যুর'য়াহ বলেছেনঃ উসমান মিথ্যুকদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন না। কিন্তু তিনি খালিদ ইবনু নাজীহ-এর সাথে হাদীস লিখতেন। আর এ খালিদ তাদেরকে লিখে দিতেন সে সব কিছু যা তারা তাদের শাইখ হতে শুনেননি।  

ইবনু আবী হাতিম “আল-জারহু ওয়াত তাদীল” গ্রন্থে (১/২/৩৫৫) খালিদ ইবনু নাজীহ-এর জীবনী আলোচনা করতে গিয়ে তার পিতা হতে নকল করে বলেছেনঃ তিনি (খালিদ) উসমান ইবনু সালেহ মিসরী, লাইস-এর কাতিব আবু সালেহ ও ইবনু আবী মারইয়াম-এর সাথে থাকতেন। তিনি একজন মিথ্যুক, হাদীস জাল করতেন এবং সেগুলো ইবনু আবী মারইয়াম এবং আবু সালেহ-এর গ্রন্থগুলোতে ঢুকিয়ে দিতেন। যে হাদীসগুলো আবু সালেহ হতে ইনকার করা হচ্ছে, ধারণা করা হচ্ছে সেগুলো তারই জালকৃত।

আমি (আলবানী) বলছিঃ স্পষ্ট ব্যাপার এই যে, এ হাদীসটি খালেদ কর্তৃক জালকৃত। তার পক্ষে উসমান ইবনু সালেহের মধ্যে সন্দেহ ঢুকানো সম্ভব হয়েছে যে, এটি তিনি তার শাইখ ইবনু লাহীয়াহ হতে লিখেছেন। কিন্তু সুয়ূতীর নিকট হাদীসটির কারণ লুক্কায়িতই রয়ে গেছে। ফলে তিনি “জামেউস সাগীর” গ্রন্থে হাদীসটি উল্লেখ করেছেন। এজন্য মানাবী তার সমালোচনা করেছেন।



হাদিসের মানঃ  জাল (Fake)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!

عليكم بهذه الشجرة المباركة زيت الزيتون فتداووا به فإنه مصحة من الباسور
كذب

-

رواه الطبراني في " الكبير " (17 / 247 / 774) وعنه أبو نعيم في " الطب " (80 / 2) حدثنا يحيى بن عثمان بن صالح حدثني أبي حدثنا ابن لهيعة عن يزيد بن أبي حبيب عن أبي الخير عن عقبة بن عامر مرفوعا
قلت: وهذا إسناد واه، قال الهيثمي في " المجمع " (5 / 100) : رواه الطبراني، وفيه ابن لهيعة، وحديثه حسن، وبقية رجاله رجال الصحيح، ولكن ذكر الذهبي هذا الحديث في ترجمة عثمان بن صالح، ونقل عن أبي حاتم أنه كذب
قلت: قال ابنه في " العلل " (2 / 279) : سمعت أبي حدثنا عن يحيى بن عثمان عن أبيه عن ابن لهيعة عن زيد بن أبي حبيب عن أبي الخير عن عقبة مرفوعا بهذا الحديث قال أبي: هذا حديث كذب
وأقره الذهبي في " الميزان "، وأشار إلى علته فقال: قال أبو زرعة: لم يكن عثمان يعني ابن صالح ممن يكذب، ولكن كان يكتب مع خالد بن نجيح، فبلوا به، كان يملي عليهم ما لم يسمعوا من الشيخ
وقال ابن أبي حاتم في ترجمة خالد بن نجيح من " الجرح والتعديل " (1 / 2 /355) عن أبيه: كان يصحب عثمان بن صالح المصري وأبا صالح كاتب الليث وابن أبي مريم، وهو كذاب يفتعل الأحاديث ويضعها في كتب ابن أبي مريم وأبي صالح، وهذه الأحاديث التي أنكرت على أبي صالح يتوهم أنها من فعله
قلت: فالظاهر أن خالدا هذا هو الذي افتعل هذا الحديث واستطاع أن يوهم عثمان ابن صالح أنه كتبه عن الشيخ، وهو ابن لهيعة، وأما كيف تمكن من ذلك فالله أعلم به، وابن لهيعة ضعيف الحفظ معروف بذلك، ومع هذا لم يحملوا في هذا الحديث عليه كأنهم رأو اأنه مع ضعفه لا يليق به ذلك والله أعلم
وقد خفيت علة هذا الحديث على السيوطي فأورده في الجامع الصغير
فتعقبه المناوي في " شرحيه " بتكذيب أبي حاتم المتقدم، وقد ذكره السيوطي من قبل مختصرا بلفظ: عليكم بزيت الزيتون فكلوه وادهنوا به، فإنه ينفع من الباسور ، وقال: رواه ابن السني عن عقبة
زاد المناوي: ورواه عنه الديلمي أيضا
قلت: وسكتا عنه وظني أنه عنده بلفظ حديث الترجمة وإسناده فقد رأيته في " الفردوس " (3 / 27 / 4054) بلفظ حديث الترجمة، ولم أره في " الغرائب الملتقطة من مسند الفردوس " لابن حجر العسقلاني، والله أعلم

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ তাওহীদ পাবলিকেশন
গ্রন্থঃ যঈফ ও জাল হাদিস
অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ
হাদিস নম্বরঃ ১৯৫ | 195 | ۱۹۵

১৯৫। তোমাদের কোন ব্যাক্তি যখন তার স্ত্রী বা তার দাসীর সাথে মিলিত হবে; তখন যেন তাঁরা গুপ্তাঙ্গের দিকে দৃষ্টি না দেয়। কারণ তা অন্ধ সন্তান ভূমিষ্ঠ করায়।

হাদীসটি জাল।

হাদীসটি ইবনুল জাওযী “আল-মাওযু'আত” গ্রন্থে (২/২৭১) ইবনু আদীর (১/৪৪) বর্ণনায় হিশাম ইবনু খালিদ হতে, তিনি বাকিয়া হতে ... বর্ণনা করেছেন। অতঃপর ইবনুল জাওযী বলেন, ইবনু হিব্বান বলেছেনঃ বাকিয়া মিথ্যুকদের থেকে বর্ণনা করতেন এবং তাদলীস করতেন। তার কিছু সাথী ছিল যারা তার হাদীস হতে দুর্বল বর্ণনাকারীদেরকে সরিয়ে দিত। এ হাদীসটি ইবনু যুরায়েজ হতে কোন দুর্বল বর্ণনাকারীর। অতঃপর তিনি তার থেকে তাদলীস করেছেন। এটি জাল (বানোয়াট)।

সুয়ূতী “আল-লাআলী” গ্রন্থে (২/১৭০) বলেছেনঃ ইবনু আবী হাতিম “আল-ইলাল” গ্রন্থে তার পিতা হতে অনুরূপ কথা বর্ণনা করেছেন।
ইবনু সালাহ বাকিয়া কর্তৃক ইবনু যুরায়েজ হতে শ্রবণ সাব্যস্ত করেছেন। কিন্তু ইবনু আবী হাতিম ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, বাকিয়া থেকে বর্ণনাকারী হিশাম হতে এ ভুল সংঘটিত হয়েছে। মূলত এটি তিনি ইবনু যুরায়েজ হতে শ্রবণ করেননি। অতঃপর বলেছেন, আমার পিতা বলেছেনঃ এ তিনটি হাদীস বানোয়াট, এগুলোর কোন ভিত্তি নেই। তার এ কথাকে যাহাবী “আল-মীযান” গ্রন্থে সমর্থন করেছেন।

এছাড়া সঠিক দৃষ্টিভঙ্গিও এ হাদীসটি বাতিল হওয়ার প্রমাণ বহন করে। যখন আল্লাহ তা’আলা স্ত্রীর সাথে মেলা-মেশাকে বৈধ করেছেন, তখন এটি বোধগম্য নয় যে, তিনি তার গুপ্তাঙ্গের দিকে দৃষ্টি দিতে নিষেধ করবেন।

এ দৃষ্টিভঙ্গিকেই শক্তি যোগাচ্ছে আয়েশা (রাঃ) কর্তৃক বর্ণিত নিম্নের হাদীসটি। তিনি বলেনঃ “আমি এবং রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উভয়ের মধ্যবর্তী স্থলে রাখা একই পাত্র হতে গোসল করতাম এবং তিনি (পানি নিতে) আমার চাইতে অগ্রণী হতেন, তখন আমি বলতামঃ আমার জন্য ছাডুন আমার জন্য ছাডুন (বুখারী, মুসলিম)।

ইবনু হিব্বান-এর বর্ণনায় সুলায়মান ইবনু মূসার সূত্রে এসেছে যে, কোন ব্যক্তি কর্তৃক তার স্ত্রীর গুপ্তাঙ্গের দিকে দৃষ্টি দেয়া যাবে কিনা তাকে এ মর্মে প্রশ্ন করা হয়েছিল? তিনি বলেনঃ আমি এ বিষয়ে আতাকে জিজ্ঞাসা করলে; তিনি বলেনঃ আমি আয়েশাকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম, তখন তিনি উপরের হাদীসটি বর্ণনা করেন।

হাফিয ইবনু হাজার “ফাতহুল বারী” গ্রন্থে (১/২৯০) বলেনঃ এটি ব্যক্তি কর্তৃক তার স্ত্রীর গুপ্তাঙ্গের দিকে দৃষ্টি দেয়া জায়েয হওয়ার দলীল।
এটি যখন স্পষ্ট হচ্ছে, তখন গোসলের সময় এবং সঙ্গম করার সময় দৃষ্টি দেয়ার মধ্যে কোন পার্থক্য নেই। অতএব হাদীসটি বাতিল হওয়া সাব্যস্ত হচ্ছে।



হাদিসের মানঃ  জাল (Fake)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!

إذا جامع أحدكم زوجته أو جاريته فلا ينظر إلى فرجها فإن ذلك يورث العمى
موضوع

-

أورده ابن الجوزي في " الموضوعات " (2 / 271) من رواية ابن عدي (44 / 1) عن هشام بن خالد حدثنا بقية عن ابن جريج عن عطاء عن ابن عباس مرفوعا، ثم قال ابن الجوزي: قال ابن حبان: كان بقية يروي عن كذابين ويدلس، وكان له أصحاب يسقطون الضعفاء من حديثه ويسوونه، فيشبه أن يكون هذا من بعض الضعفاء عن ابن جريج ثم دلس عنه، وهذا موضوع
قال السيوطي في " اللآليء " (2 / 170) : وكذا نقل ابن أبي حاتم في " العلل " عن أبيه، قال الحافظ ابن حجر: لكن ذكر ابن القطان في " كتاب أحكام النظر " أن بقي بن مخلد رواه عن هشام بن خالد عن بقية قال: حدثنا ابن جريج، فما بقي فيه إلا التسوية، قال: وقد خالف ابن الجوزي ابن الصلاح فقال: إنه جيد الإسناد، انتهى
والحديث أخرجه البيهقي في " سننه " من الطريقين التي عنعن فيها بقية والتي صرح فيها بالتحديث، والله أعلم
قلت: وكذلك رواه ابن عساكر (13 / 295 / 2) وكذا ابن أبي حاتم (2 / 295) عن أبيه عن هشام عن بقية حدثنا ابن جريج به، ساقه ابن أبي حاتم بعد أن روى بهذا الإسناد حديثين آخرين لعلنا نذكرهما فيما بعد، وأشار إلى أن تصريح بقية بالتحديث خطأ من الراوي عنه هشام فقال: وقال أبي: هذه الثلاثة الأحاديث موضوعة لا أصل لها، وكان بقية يدلس، فظن هؤلاء أنه يقول في كل حديث حدثنا، ولم يفتقدوا الخبر منه، وأقره الذهبي في " الميزان " وجعله أصل قوله في ترجمة هشام: يروي عن ثقات الدماشقة، لكن يروج عليه، وكأنه لهذا تبع ابن الجوزي في الحكم على الحديث بالوضع ابن دقيق العيد صاحب " الإمام " كما في " خلاصة البدر المنير " (118 / 2) ، وقال عبد الحق في " أحكامه " (143 /1) لا يعرف من حديث ابن جريج، وقد رواه ابن عساكر في مكان آخر (18 / 188 / 1) من طريق هشام بن عمار عن بقية عن ابن جريج به، فلا أدري هذه متابعة من هشام بن عمار لهشام بن خالد، أم أن قوله: عمار محرف عن خالد كما أرجح، ومنه تعلم أن قول ابن الصلاح: إنه جيد الإسناد غير صواب وإنه اغتر بظاهر التحديث ولم ينتبه لهذه العلة الدقيقة التي نبهنا عليها الإمام أبو حاتم جزاه الله خيرا ومن الغرائب أن ابن الصلاح مع كونه أخطأ في تقوية هذا الحديث فإنه فيها مخالف لقاعدة له وضعها هو لم يسبق إليها، وهي أنه انقطع التصحيح في هذه الأعصار فليس لأحد أن يصحح! كما ذكر ذلك في " مقدمة علوم الحديث " (ص 18 بشرح الحافظ العراقي) بل الواجب عنده الاتباع لأئمة الحديث الذين سبقوا! فما باله خالف هذا الأصل هنا، فصحح حديثا يقول فيه الحافظان الجليلان أبو حاتم الرازي وابن حبان: إنه موضوع؟ ! وخالف السيوطي كعادته فذكره في جامعه
والنظر الصحيح يدل على بطلان هذا الحديث، فإن تحريم النظر بالنسبة للجماع من باب تحريم الوسائل فإذا أباح الله تعالى للزوج أن يجامع زوجته فهل يعقل أن يمنعه من النظر إلى فرجها؟ ! اللهم لا، ويؤيد هذا من النقل حديث عائشة
قالت: كنت أغتسل أنا ورسول الله صلى الله عليه وسلم من إناء بيني وبينه واحد فيبادرني حتى أقول: دع لي دع لي، أخرجه الشيخان وغيرهما، فإن الظاهر من هذا الحديث جواز النظر، ويؤيده رواية ابن حبان من طريق سليمان بن موسى أنه سئل عن الرجل ينظر إلى فرج امرأته؟ فقال: سألت عطاء فقال سألت عائشة فذكرت هذا الحديث بمعناه، قال الحافظ في " الفتح " (1 / 290) : وهو نص في جواز نظر الرجل إلى عورة امرأته وعكسه، وإذا تبين هذا فلا فرق حينئذ بين النظر عند الاغتسال أو الجماع فثبت بطلان الحديث

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ তাওহীদ পাবলিকেশন
গ্রন্থঃ যঈফ ও জাল হাদিস
অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ
হাদিস নম্বরঃ ১৯৬ | 196 | ۱۹٦

১৯৬। তোমাদের কোন ব্যাক্তি যখন সঙ্গম করবে, তখন গুপ্তাঙ্গের দিকে দৃষ্টি দেবে না, কারণ তা অন্ধ সন্তান ভূমিষ্ঠের কারণ এবং বেশী বেশী কথা বলবে না; কারণ তা বোবা সন্তান ভূমিষ্ঠের কারণ।

হাদীসটি জাল।

এটি ইবনুল জাওযী “আল-মাওযুআত” গ্রন্থে (২/২৭১) আযদীর বর্ণনা হতে ... উল্লেখ করেছেন। যার সূত্রে মুহাম্মাদ ইবনু আব্দির রহমান আল-কুশায়রী রয়েছেন। তার সম্পর্কে খালীলী তার “মাশিখাত” গ্রন্থে বলেনঃ তিনি শামী। এ হাদীসটি তিনি এককভাবে বর্ণনা করেছেন। তিনি মুনকার বর্ণনা করতেন।

আমি (আলবানী) বলছিঃ তিনিই হচ্ছেন হাদীসটির সমস্যা। তার সম্পর্কে যাহাবী বলেনঃ তিনি মিথ্যার দোষে দোষী, নির্ভরযোগ্য নন। আবুল ফাতাহ আল আযদী বলেনঃ তিনি মিথ্যুক, মাতরূকুল হাদীস। “লিসানুল মীযান” গ্রন্থে দারাকুতনী হতে বর্ণনা করা হয়েছে; তিনি বলেনঃ তিনি মাতরূকুল হাদীস । উকায়লী মিসায়ার হতে তার হাদীসগুলো সম্পর্কে বলেনঃ মুনকারুল হাদীস, তার কোন ভিত্তি নেই, তার অনুকরণও করা যায় না। কারণ তিনি (কুশায়রী) মাজহুল (অপরিচিত)।

অনুরূপ কথা ইবনু আদীর “আল-কামিল” গ্রন্থেও (৬/২২৬১) এসেছে।



হাদিসের মানঃ  জাল (Fake)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!

إذا جامع أحدكم فلا ينظر إلى الفرج فإنه يورث العمى، ولا يكثر الكلام فإنه يورث الخرس
موضوع

-

أورده ابن الجوزي (2 / 271) من رواية الأزدي عن إبراهيم بن محمد بن يوسف الفريابي حدثنا محمد بن عبد الرحمن القشيري عن مسعر بن كدام عن سعيد المقبري عن أبي هريرة مرفوعا، ثم قال الأزدي: إبراهيم ساقط، وتعقبه السيوطي في " اللآليء " (2 / 170) بقوله: قلت: روى له ابن ماجه، وقال في " الميزان " قال أبو حاتم وغيره: صدوق، وقال الأزدي وحده: ساقط، قال: ولا يلتفت إلى قول الأزدي فإن في لسانه في الجرح رهقا، انتهى
قال الخليل في " مشيخته ": هذا الحديث تفرد به محمد بن عبد الرحمن القشيري وهو شامى يأتي بمناكير
قلت: فهذا هو علة الحديث قال فيه الذهبي: متهم ليس بثقة، وقد قال فيه أبو الفتح الأزدي: كذاب متروك الحديث، ونقل في " اللسان " عن الدارقطني أنه قال: متروك الحديث، وعن العقيلي قال: في أحاديثه عن مسعر عن المقبري حديث منكر ليس له أصل ولا يتابع عليه وهو مجهول
قلت: ونحوه في " كامل ابن عدي " (6 / 2261) ، والحديث في " الجامع " أيضا ثم ساق له السيوطي شاهدا وهو(الأتى)

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ তাওহীদ পাবলিকেশন
গ্রন্থঃ যঈফ ও জাল হাদিস
অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ
হাদিস নম্বরঃ ১৯৭ | 197 | ۱۹۷

১৯৭। নারীদের সাথে মিলিত হবার সময় তোমরা বেশী কথা বলবে না, কারণ তা থেকে বোবা বা ধবল রোগের সৃষ্টি হয়।

হাদীসটি নিতান্তই দুর্বল।

এটি ইবনু আসাকির তার সনদে (৫/৭০০) আবুদ-দারদা হাশিম ইবনু মুহাম্মাদ ইবনে সালেহ আল-আনসারী পর্যন্ত ... বর্ণনা করেছেন।

সুয়ূতী "আল-লাআলী" গ্রন্থে (২/১৭০-১৭১) ইবনু আসাকির এর বর্ণনায় হাদীসটি পূর্ববর্তী হাদীসের শাহেদ হিসাবে উল্লেখ করে চুপ থেকেছেন, অথচ (দুর্বল হওয়ার জন্য) তার চারটি কারণ রয়েছেঃ

১ এটি মুরসাল এ কাবীসা যিনি রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণনা করেছেন তিনি তাবে'ঈ সাহাবী নন।

২। যুহায়ের ইবনু মুহাম্মদ আত-তামীমী হচ্ছেন বিতর্কিত ব্যক্তি। হাফিয ইবনু হাজার “আত-তাকরীব” গ্রন্থে বলেনঃ তার থেকে শামীদের বর্ণনা সহীহ নয়। এ কারণে এ বর্ণনাটি দুর্বল। ইমাম বুখারী ইমাম আহমাদ হতে বর্ণনা করে বলেনঃ যে যুহায়ের থেকে শামীরা বর্ণনা করেছেন তিনি অন্যজন। আবূ হাতিম বলেনঃ তিনি শামীদের সম্মুখে হাদীস বর্ণনা করেছেন তার হেফয হতে, ফলে তার বহু ভুল সংঘটিত হয়েছে। ইমাম বুখারীকে যুহায়ের কর্তৃক বর্ণিত এ হাদীসটি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম, তিনি বলেনঃ আমি এ শাইখ হতে পরহেজ করি, তার হাদীস যেন বানোয়াট, আমার নিকট এ যুহায়ের- ইবনু মুহাম্মাদ নন।

আমি (আলবানী) বলছিঃ এ হাদীসটি তার থেকে শামীদের বর্ণনায় এসেছে। অতএব তা তার হাদীসটি দুর্বল হওয়ার প্রমাণ বহন করছে।

৩। খায়রান ইবনু 'আলা প্রসিদ্ধ নন। তাকে ইবনু হিব্বান ছাড়া অন্য কেউ নির্ভরযোগ্য বলেননি। যাহাবী যখন তার জীবনী বর্ণনা করেছেন, তখন বলেছেনঃ তাকে নির্ভরযোগ্য বলা হয়েছে অথচ তার মুনকার হাদীস রয়েছে।

৪। আমি আবুদ-দারদা হাশিম ইবনু মুহাম্মাদ ইবনে সালেহ্ আনসারীর জীবনী পাচ্ছি না।

মোটকথা, হাদীসটি নিতান্তই দুর্বল। এর দ্বারা দলীল গ্রহণ করা যাবে না। এটি মুনকার।



হাদিসের মানঃ  যঈফ (Dai'f)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!

لا تكثروا الكلام عند مجامعة النساء فإن منه يكون الخرس والفأفأة
ضعيف جدا

-

أخرجه ابن عساكر (5 / 700) بسنده إلى أبي الدرداء هاشم بن محمد بن صالح الأنصاري حدثنا عبد العزيز بن عبد الله بن عمرو الأو يسي الأصل عامر وهو خطأ حدثنا خيران بن العلاء الكيساني ثم الدمشقي عن زهير بن محمد عن ابن شهاب عن قبيصة بن ذؤيب أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: فذكره قلت: وأورده السيوطي في " اللآليء " (2 / 170 - 171) شاهدا للحديث المتقدم من رواية ابن عساكر وسكت عنه وله علل أربع
الأولى: الإرسال فإن قبيصة هذا تابعي قيل: له رؤية
الثانية: زهير بن محمد هو التميمي مختلف فيه قال الحافظ في التقريب
رواية أهل الشام عنه غير مستقيمة فضعف بسببها، قال البخاري عن أحمد: كأن زهيرا الذي يروي عنه الشاميون آخر، قال أبو حاتم: حدث بالشام من حفظه فكثر غلطه وفي " الميزان "، قال الترمذي في " العلل ": سألت البخاري عن حديث زهير هذا فقال: أنا أتقي هذا الشيخ كأن حديثه موضوع وليس هذا عندي زهير بن محمد
قلت: وهذا الحديث من رواية أهل الشام عنه فدل على ضعفه
الثالثة: خيران بن العلاء، ليس بالمشهور ولم يوثقه غير ابن حبان وقد أشار لهذا الذهبي حين قال في ترجمته: وثق، له خبر منكر، لعل ذلك من شيخه يعني زهير بن محمد ولعله عنى هذا الحديث، ثم بدا لي بأن تعصيب علة هذا الحديث بمن فوق خيران أو من دونه أولى، لأنه قد روى عنه ثمانية، وأثنى عليه الأوزاعي، وهو من شيوخه، كما حققته في ترجمته من تيسير الانتفاع
الرابعة: أبو الدرداء هاشم بن محمد بن صالح الأنصاري لم أجد له ترجمة
ويبعد جدا أن يكون هو الذي في " ثقات ابن حبان " (9 / 244) ، لأنه أعلى طبقة من هذا بدرجتين، ثم إن ابن حبان لم ينسبه إلى جده الأنصاري، والله أعلم
وبالجملة فالإسناد ضعيف جدا لا تقوم به حجة والخبر منكر والله أعلم

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ তাওহীদ পাবলিকেশন
গ্রন্থঃ যঈফ ও জাল হাদিস
অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ
হাদিস নম্বরঃ ১৯৮ | 198 | ۱۹۸

১৯৮। যে ব্যাক্তি তার সম্পদ বা তার শরীরে কোন বিপদ দ্বারা আক্রান্ত হবে। অতঃপর তা গোপন রাখবে এবং তা মানুষের নিকট উপস্থাপন করবে না। আল্লাহর উপর তাকে ক্ষমা করা অপরিহার্য হয়ে যায়।

হাদীসটি জাল।

এটি তাবারানী “মুজামুল কাবীর” গ্রন্থে (৩/১২৩/১) এবং ইবনু হিব্বান “আল-মাজরূহীন" গ্রন্থে (১/২০২) হিশাম ইবনু খালিদ সূত্রে বাকিয়া হতে ... বর্ণনা করেছেন।

হায়সামী “আল-মাজমা" গ্রন্থে (২/৩৩১) বলেনঃ হাদীসটি তাবারানী “আল-কাবীর” গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন, তাতে বাকিয়া রয়েছেন, তিনি মুদাল্লিস।

আমি (আলবানী) বলছিঃ ইবনু আবী হাতিম তার “আল-ইলাল” গ্রন্থে তাবারানীর সূত্রেই হাদীসটি উল্লেখ করেছেন এবং তার পিতা হতে বর্ণনা করেছেন তিনি বলেনঃ হাদীসটি জাল (বানোয়াট), এটির কোন ভিত্তি নেই। যাহাবী আবু হাতিমের কথাকে সমর্থন করেছেন।

১৯৫ নং হাদীসে এ বাকিয়া সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। যাহাবী “আল-মীযান” গ্রন্থে বলেনঃ ইবনু হিব্বান বলেছেনঃ এ হাদীসটি এমন এক কপি হতে আমরা লিখেছি যে কপির সবই বানোয়াট ।

সুয়ূতী এ দুই ইমাম কর্তৃক হাদীসটিকে জাল হিসাবে হুকুম লাগানোর পরেও সে দিকে লক্ষ্য না করে তার “জামেউস সাগীর” গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন।



হাদিসের মানঃ  জাল (Fake)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!

من أصيب بمصيبة في ماله أو جسده وكتمها ولم يشكها إلى الناس كان حقا على الله أن يغفر له
موضوع

-

رواه الطبراني (3 / 122 / 1) وابن حبان في " المجروحين " (1 / 202) عن هشام بن خالد، أنبأنا بقية عن ابن جريج عن عطاء عن ابن عباس مرفوعا، قال الهيثمي في " المجمع " (2 / 331) : رواه الطبراني في " الكبير " وفيه بقية مدلس
وقال في مكان آخر (10 / 256) : رواه الطبراني في " الأوسط "، ورجاله وثقوا وأظن أن قوله " الأوسط " خطأ من الناسخ ويؤيده أن المنذري قال: (4 / 148) رواه الطبراني ولا بأس بإسناده، كذا قال والمقصود أنه أطلق العزو للطبراني والمراد به في هذه الحالة " معجمه الكبير "، والله أعلم
قلت: ومن طريقه رواه ابن أبي حاتم في " العلل " وذكر عن أبيه أنه قال: حديث موضوع لا أصل له، وأقره الذهبي وقد نقلت كلام أبي حاتم بتمامه في الحديث (195) فراجعه، وذكره في ترجمة بقية من " الميزان " من طريق ابن حبان وقال أعني ابن حبان: وهذا من نسخة كتبناها بهذا الإسناد كلها موضوعة يشبه أن يكون
بقية سمعه من إنسان واه عن ابن جريج فدلس عنه والتزق به
قلت: وكأن السيوطي عفا الله عنا وعنه لم يقف على حكم هذين الإمامين بوضع هذا الحديث، وإلا لما سود به " الجامع الصغير "! ، أولعله قلد الهيثمي والمنذري، وقد تعقبهم المناوي بقول أبي حاتم والذهبي، ثم تراجع عن ذلك في شرحه الآخر " التيسير "، فنقل كلام المنذري فقط، وأقره

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ তাওহীদ পাবলিকেশন
গ্রন্থঃ যঈফ ও জাল হাদিস
অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ
হাদিস নম্বরঃ ১৯৯ | 199 | ۱۹۹

১৯৯। পিতার নিকট পুত্রের প্রাপ্ত এই যে, সে তার সুন্দর নাম রাখবে এবং তাকে উত্তম রূপে আদব শিক্ষা দিবে।

হাদীসটি জাল।

এটি আবু মুহাম্মাদ জাফার ইবনু মুহাম্মাদ আস-সীরাজ আল-কারী “আলফাওয়াইদ” গ্রন্থে (৫/৩২/১-৯৮ পর্যন্ত) এবং মুহাম্মাদ ইবনু আবদিল ওয়াহিদ আল-মাকদেসী (যিয়া) “আল-মুনতাকা মীন মাসমু'য়াত” গ্রন্থে (৪/২৬/১) মুহাম্মাদ ইবনু ঈসা সূত্রে তার শাইখ মুহাম্মাদ ইবনুল ফযল হতে ... বর্ণনা করেছেন।

আল-কারী বলেনঃ এটি গারীব, মুহাম্মাদ ইবনুল ফযল ছাড়া অন্য কেউ বর্ণনা করেছেন কিনা তা জানি না, তিনি নিতান্তই দুর্বল, তবে তার পিতা নির্ভরযোগ্য।

আমি (আলবানী) বলছিঃ মুহাম্মাদ ইবনুল ফযলকে ইবনু আবী শায়বাহ মিথ্যার দোষে দোষী করেছেন। ফাল্লাস বলেনঃ তিনি মিথ্যুক। ইমাম আহমাদ বলেনঃ তার হাদীস মিথ্যুকদের হাদীসের অন্তর্ভুক্ত।

অপর বর্ণনাকারী মুহাম্মাদ ইবনু ইসহাক আল-মাদায়েনী মাতরূক, যেমনভাবে দারাকুতনী ও হাকিম বলেছেন।

এ হাদীসটি অন্য এক সনদে আবু বাকর আল-জাসসাস “আহকামুল কুরআন” গ্রন্থে (৩/৫৭৪) এ মুহাম্মাদ ইবনুল ফযল হতেই জাবারার সূত্রে বর্ণনা করেছেন কিন্তু এ জাবারা হচ্ছেন ইবনুল মুগাল্লিস। তার সম্পর্কে ইবনু মাঈন বলেনঃ মিথ্যুক।

ইবনু নুমায়ের বলেনঃ তার জন্য হাদীস জাল করা হত। অতঃপর তিনি সেটি বর্ণনা করতেন অথচ তিনি তা জানতেন না।



হাদিসের মানঃ  জাল (Fake)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!

حق الولد على الوالد أن يحسن اسمه ويحسن أدبه
موضوع

-

رواه أبو محمد جعفر بن محمد بن الحسين السراج القاري " في الفوائد " (5 / 32 / 1 من مجموع 98) ومحمد بن عبد الواحد المقدسي وهو الضياء في " المنتقى من مسموعاته " (ج 4 ورقة 26 / 1 مجموع 101) من طريق محمد بن عيسى قال حدثنا محمد ابن الفضل عن أبيه عن عطاء عن ابن عباس مرفوعا، وقال القاري: غريب لا أعلم رواه إلا محمد بن الفضل وهو ضعيف جدا، وأما أبوه فكان ثقة
قلت: محمد بن الفضل رماه ابن أبي شيبة بالكذب، وقال الفلاس: كذاب، وقال أحمد: حديثه حديث أهل الكذب
ومحمد بن عيسى هو المدائني وهو متروك كما قال الدارقطني والحاكم
والحديث أورده السيوطي في " الجامع " من رواية البيهقي في " الشعب " فتعقبه المناوي بقوله: وقضية تصرف المصنف أن مخرجه البيهقي خرجه ساكتا عليه والأمر بخلافه، بل قال: محمد بن الفضل بن عطية ضعيف بمرة انتهى
وفيه أيضا محمد بن عيسى المدائني قال في " الضعفاء ": قال الدارقطني: ضعيف متروك
قلت: ولم يتفرد به فقد رواه أبو بكر الجصاص في " أحكام القرآن " (3 / 574) من طريق جبارة قال: حدثنا محمد بن الفضل به، لكن جبارة هذا هو ابن المغلس قال ابن معين: كذاب، وقال ابن نمير: يوضع له الحديث فيرويه ولا يدري

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ তাওহীদ পাবলিকেশন
গ্রন্থঃ যঈফ ও জাল হাদিস
অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ
হাদিস নম্বরঃ ২০০ | 200 | ۲۰۰

২০০। হাজ্জ (হজ্জ) হচ্ছে জিহাদ আর উমরা হচ্ছে স্বেচ্ছাসেবক স্বরূপ (নফল)।

হাদীসটি দুর্বল।

এটি ইবনু মাজাহ্ (২/২৩২) ও ইবনু আবী হাতিম “আল-ইলাল” গ্রন্থে (১/২৮৬) হাসান ইবনু ইয়াহইয়া আল-খুশানী সূত্রে উমার ইবনু কায়েস হতে ... বর্ণনা করেছেন। এর সনদটি দুর্বল। কারণ এ উমার ইবনু কায়েস মন্ডল হিসাবে প্রসিদ্ধ। তাকে আহমাদ, ইবনু মাঈন, ফাল্লাস, আবূ যুরয়াহ, বুখারী, আবু হাতিম, আবু দাউদ, নাসাঈ প্রমুখ দুর্বল আখ্যা দিয়েছেন এবং হাসানও দুর্বল।

আমি (আলবানী) বলছিঃ বরং তারা উভয়েই মাতরূক। প্রথমটি সম্পর্কে আহমাদ বলেনঃ তার হাদীসগুলো বাতিল । হাসান সম্পর্কে নাসাঈ বলেনঃ তিনি নির্ভরযোগ্য নন। দারাকুতনী বলেনঃ তিনি মাতরূক। ইবনু হিব্বান বলেনঃ তিনি নিতান্তই মুনকারুল হাদীস। তিনি নির্ভরযোগ্যদের উদ্ধৃতিতে এমন কিছু বর্ণনা করেছেন যেগুলোর কোন ভিত্তি নেই।

অতঃপর তার একটি হাদীস উল্লেখ করে বলেছেনঃ এটি বানোয়াট। ইবনু আী হাতিম বলেনঃ আমি আমার পিতাকে এ হাদীসটি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম, তিনি বলেনঃ এ হাদীসটি বাতিল।

কিন্তু হাদীসটি অন্য সূত্রেও বর্ণিত হয়েছে। বাইহাকী তার “সুনান” গ্রন্থে (৪/৩৪৮) সাঈদ ইবনু সালেম সূত্রে বর্ণনা করেছেন। মুরসাল এবং বর্ণনাকারী সাঈদ দুর্বল হওয়ার কারণে এ সনদটি দুর্বল। এ জন্যেই বলা হয়েছে হাদীসটি দুর্বল।



হাদিসের মানঃ  যঈফ (Dai'f)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!

الحج جهاد، والعمرة تطوع
ضعيف

-

أخرجه ابن ماجه (2 / 232) وابن أبي حاتم في " العلل " (1 / 286) من طريق الحسن بن يحيى الخشني حدثنا عمر بن قيس، أخبرني طلحة بن يحيى عن عمه إسحاق بن طلحة عن طلحة بن عبيد الله مرفوعا
قال البوصيري في " الزوائد " (2 / 138) : هذا إسناد ضعيف عمر بن قيس هو المعروف بمندل ضعفه أحمد وابن معين والفلاس وأبو زرعة والبخاري وأبو حاتم وأبو داود والنسائي وغيرهم، والحسن أيضا ضعيف
قلت: بل هما متروكان، فالأول قال فيه أحمد: أحاديثه بواطيل، والحسن قال فيه النسائي: ليس بثقة، وقال الدارقطني: متروك، وقال ابن حبان: منكر الحديث جدا يروي عن الثقات ما لا أصل له، ثم ساق له حديثا قال فيه: إنه موضوع وسأذكره عقب هذا إن شاء الله تعالى
وهذا الحديث قال ابن أبي حاتم: سألت أبي عنه؟ فقال: هذا حديث باطل
قلت: لكن له طرق أخرى، فرواه البيهقي في " سننه " (4 / 348) من طريق سعيد ابن سالم أن سفيان الثوري أخبره عن معاوية بن إسحاق عن أبي صالح الحنفي مرفوعا به
قلت: وهذا سند ضعيف لإرساله، وسعيد بن سالم فيه ضعف، وقد روى البيهقي عن الشافعي أنه قال: هو منقطع يعني مرسل، ثم قال البيهقي: وقد روي من حديث شعبة عن معاوية بن إسحاق عن أبي صالح عن أبي هريرة موصولا، والطريق فيه إلى شعبة طريق ضعيف، ورواه محمد بن الفضل بن عطية عن سالم الأفطس عن ابن جبير عن ابن عباس مرفوعا، ومحمد هذا متروك
قلت: بل هو كذاب، كذبه ابن معين والفلاس وغيرهما كما سبق برقم (26) ، وقد رواه من طريقه الطبراني في " المعجم الكبير " (3 / 154 / 1)

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

হাদিস দেখানো হচ্ছে   [191]  থেকে  [200]  পর্যন্ত এবং সর্বমোট   [342]  টি হাদিস পাওয়া গেছে।