• ৭১৪৬৩ টি সর্বমোট হাদিস আছেঃ
  • ৭৪৪৭ টি প্রশ্নোত্তর ও ফিকাহঃ

 

 

 

 


হাদীস (حَدِيْث) এর শাব্দিক অর্থ: নতুন, প্রাচীন ও পুরাতন এর বিপরীত বিষয়। এ অর্থে যে সব কথা, কাজ ও বস্ত্ত পূর্বে ছিল না, এখন অস্তিত্ব লাভ করেছে  তাই হাদীস। এর আরেক অর্থ হলো: কথা। ফক্বীহগণের পরিভাষায় নাবী কারীম () আল্লাহ্‌র রাসূল হিসেবে যা কিছু বলেছেন, যা কিছু করেছেন এবং যা কিছু বলার বা করার অনুমতি দিয়েছেন অথবা সমর্থন জানিয়েছেন তাকে হাদীস বলা হয়। কিন্তু মুহাদ্দিসগণ এর সঙ্গে রাসুলুল্লাহ () সম্পর্কিত বর্ণনা ও তার গুণাবলী সম্পর্কিত বিবরণকেও হাদীসের অন্তর্ভুক্ত করেন। এ হিসেবে হাদীসকে প্রাথমিক পর্যায়ে তিন শ্রেণীতে ভাগ করা যায়:

১। ক্বওলী হাদীস: কোন বিষয়ে রাসুলুল্লাহ () যা বলেছেন, অর্থাৎ যে হাদীসে তাঁর কোন কথা বিবৃত হয়েছে তাকে ক্বওলী (বাণী সম্পর্কিত) হাদীস বলা হয়।

২। ফেলী হাদীস: মহানাবী ()-এর কাজকর্ম, চরিত্র ও আচার-আচরণের ভেতর দিয়েই ইসলামের যাবতীয় বিধি-বিধান ও রীতিনীতি পরিস্ফুট হয়েছে। অতএব যে হাদীসে তাঁর কোন কাজের বিবরণ উল্লেখিত হয়েছে তাকে ফে’লী (কর্ম সম্পর্কিত) হাদীস বলা হয়।

৩। তাকরীরী হাদীস: সাহাবীগণের যে সব কথা বা কাজ নাবী কারীম ()-এর অনুমোদন ও সমর্থন প্রাপ্ত হয়েছে, সে ধরনের কোন কথা বা কাজের বিবরণ হতেও শরীয়াতের দৃষ্টিভঙ্গি জানা যায়। অতএব যে হাদীসে এ ধরনের কোন ঘটনার বা কাজের উল্লেখ পাওয়া যায় তাকে তাকরীরী (সমর্থন মূলক) হাদীস বলে।

সুন্নাহ (السنة): হাদীসের অপর নাম সুন্নাহ্ (السنة) সুন্নাত শব্দের অর্থ চলার পথ, কর্মের নীতি ও পদ্ধতি। যে পন্থা ও রীতি নাবী কারীম () অবলম্বন করতেন তাকে সুন্নাত বলা হয়। অন্য কথায় রাসুলুল্লাহ () প্রচারিত উচ্চতম আদর্শই সুন্নাত। কুরআন মাজিদে মহত্তম ও সুন্দরতম আদর্শ (أُسْوَةٌ حَسَنَةٌ) বলতে এই সুন্নাতকেই বুঝানো হয়েছে।

খবর (خبر): হাদীসকে আরবী ভাষায় খবরও (خبر) বলা হয়। তবে খবর শব্দটি হাদীস ও ইতিহাস উভয়টিকেই বুঝায়।

আসার (أثر ): আসার শব্দটিও কখনও কখনও রাসুলুল্লাহ () এর হাদীসকে নির্দেশ করে। কিন্তু অনেকেই হাদীস ও আসার এর মধ্যে কিছু পার্থক্য করে থাকেন। তাঁদের মতে- সাহাবীগণ থেকে শরীয়াত সম্পর্কে যা কিছু উদ্ধৃত হয়েছে তাকে আসার বলে।

 

ইলমে হাদীসের কতিপয় পরিভাষা

সাহাবী (صحابى):  যিনি ঈমানের সঙ্গে রাসুলুল্লাহ () এর সাহচর্য লাভ করেছেন এবং ঈমানের সঙ্গে মৃত্যুবরণ করেছেন তাঁকে রাসুলুল্লাহ ()-এর সাহাবী বলা হয়।

তাবেঈ (تابعى) : যিনি রাসুলুল্লাহ ()-এর কোন সাহাবীর নিকট হাদীস শিক্ষা করেছেন অথবা অন্ততপক্ষে তাঁকে দেখেছেন এবং মুসলমান হিসেবে মৃত্যুবরণ করেছেন তাঁকে তাবেঈ বলা হয়।

তাবে-তাবেঈ (تابعى تابع) : যিনি  কোন তাবেঈ এর নিকট হাদীস শিক্ষা করেছেন অথবা অন্ততপক্ষে তাঁকে দেখেছেন এবং মুসলমান হিসেবে মৃত্যুবরণ করেছেন তাঁকে তাবে-তাবেঈ বলা হয়।

মুহাদ্দিস (محدث) : যিনি হাদীস চর্চা করেন এবং বহু সংখ্যক হাদীসের সনদ ও মতন সম্পর্কে বিশেষ জ্ঞান রাখেন তাঁকে মুহাদ্দিস বলা হয়।

শাইখ (شيخ) : হাদীসের শিক্ষাদাতা রাবীকে শায়খ বলা হয়।

শাইখান (شيخان) : সাহাবীগনের মধ্যে আবূ বকর (রাঃ) ও উমর  (রাঃ)- কে একত্রে শাইখান বলা হয়। কিন্তু হাদীস শাস্ত্রে ইমাম বুখারী (রাহি.) ও ইমাম মুসলিম (রাহি.)-কে এবং ফিক্বহ-এর পরিভাষায় ইমাম আবূ হানীফা (রাহি.) ও আবূ ইউসুফ (রাহি.)-কে একত্রে শাইখান বলা হয়। 

হাফিয (حافظ) : যিনি সনদ ও মতনের বৃত্তান্ত সহ এক লাখ হাদীস আয়ত্ত করেছেন তাঁকে হাফিয বলা হয়।

হুজ্জাত (حجة) : অনুরূপভাবে যিনি তিন লক্ষ হাদীস আয়ত্ত করেছেন তাঁকে হুজ্জাত বলা হয়।  

হাকিম (حاكم) : যিনি সব হাদীস আয়ত্ত করেছেন তাকে হাকিম বলা হয়।

রিজাল (رجال) : হাদীসের রাবী সমষ্টিকে রিজাল বলে। যে শাস্ত্রে রাবীগণের জীবনী বর্ণনা করা হয়েছে তাকে আসমাউর-রিজাল বলা হয়।                                                                                 

রিওয়ায়াত (رواية): হাদীস বর্ণনা করাকে রিওয়ায়াত বলে। কখনও কখনও মূল হাদীসকেও রিওয়ায়াত বলা হয়। যেমন- এই কথার সমর্থনে একটি রিওয়ায়াত (হাদীস) আছে।                           

সনদ (سند): হাদীসের মূল কথাটুকু যে সূত্র পরম্পরায় গ্রন্থ সংকলনকারী পর্যন্ত পৌঁছেছে তাকে সনদ বলা হয়। এতে হাদীস বর্ণনাকারীদের নাম একের পর এক সজ্জিত থাকে।

মতন (متن): হাদীসে মূল কথা ও তার শব্দ সমষ্টিকে মতন বলে।

মারফূ (مرفوع): যে হাদীসের সনদ (বর্ণনা পরম্পরা) রাসুলুল্লাহ () পর্যন্ত পৌঁছেছে  তাকে মারফূ হাদীস বলে।

মাওকূফ (موقوف) : যে হাদীসের বর্ণনা- সূত্র ঊর্ধ্ব দিকে সাহাবী পর্যন্ত পৌঁছেছে , অর্থাৎ যে সনদ -সূত্রে কোন সাহাবীর কথা বা কাজ বা অনুমোদন বর্ণিত হয়েছে তাকে মাওকূফ হাদীস বলে। এর অপর নাম আসার।

মাকতূ (مقطوع): যে হাদীসের সনদ কোন তাবেঈ পর্যন্ত পৌঁছেছে, তাকে মাকতূ হাদীস বলা হয়।

তালীক (تعليق): কোন কোন গ্রন্থকার হাদীসের পূর্ণ সনদ বাদ দিয়ে কেবল মূল হাদীস বর্ণনা করেছেন। এরূপ করাকে তা’লীক বলা হয়।

মুদাল্লাস (مدلس): যে হাদীসের রাবী নিজের প্রকৃত শাইখের (উস্তাদের) নাম উল্লেখ না করে তার উপরস্থ শাইখের নামে এভাবে হাদীস বর্ণনা করেছেন যাতে মনে হয় যে, তিনি নিজেই উপরস্থ শাইখের নিকট তা শুনেছেন অথচ তিনি তাঁর নিকট সেই হাদীস শুনেন নি- সে হাদীসকে মুদাল্লাস হাদীস এবং এইরূপ করাকে ‘তাদ্লীস’ আর যিনি এইরূপ করেন তাকে মুদালস্নীস বলা হয়।

মুযতারাব (مضطرب): যে হাদীসের রাবী হাদীসের মতন ও সনদকে বিভিন্ন প্রকারে বর্ণনা করেছেন সে হাদীসকে হাদীসে মুযতারাব বলা হয়। যে পর্যন্ত না এর কোনরূপ সমন্বয় সাধন সম্ভবপর হয়, সে পর্যন্ত এই হাদীসের ব্যাপারে অপেক্ষা করতে হবে অর্থাৎ এই ধরনের রিওয়ায়াত প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না।

মুদ্রাজ (مدرج): যে হাদীসের মধ্যে রাবী নিজের অথবা অপরের উক্তিকে অনুপ্রবেশ করিয়েছেন, সে হাদীসকে মুদ্রাজ এবং এইরূপ করাকে ‘ইদরাজ’ বলা হয়।

মুত্তাসিল (متصل): যে হাদীসের সনদের ধারাবাহিকতা প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত পূর্ণরূপে রক্ষক্ষত আছে, কোন সত্মরেই কোন রাবীর নাম বাদ পড়ে নি তাকে মুত্তাসিল হাদীস বলে।

মুনকাতি (منقطع): যে হাদীসের সনদে ধারাবাহিকতা রক্ষিত হয় নি, মাঝখানে কোন এক স্তরে কোন রাবীর নাম বাদ পড়েছে, তাকে মুনকাতি হাদীস, আর এই বাদ পড়াকে ইনকিতা বলা হয়।

মুরসাল (مرسل): যে হাদীসের সনদে ইনকিতা শেষের দিকে হয়েছে, অর্থাৎ সাহাবীর নাম বাদ পড়েছে এবং তাবেঈ সরাসরি রাসুলুল্লাহ () এর উল্লেখ করে হাদীস বর্ণনা করেছেন তাকে মুরসাল হাদীস বলা হয়।

মুআল্লাক ( معلق ) : সনদের ইনকিতা প্রথম দিকে  হলে, অর্থাৎ সাহাবীর পর এক বা একাধিক রাবীর নাম বাদ পড়লে তাকে মু’আল্লাক হাদীস বলা হয়।

মুদাল (معضل): যে হাদীসে দুই বা ততোধিক রাবী ক্রমান্বয়ে সনদ থেকে বাদ পড়েছে তাকে মু‘দাল হাদীস বলে।

মুতাবি ও শাহিদ (متابع و شاهد): এক রাবীর হাদীসের অনুরূপ যদি অপর রাবীর কোন হাদীস পাওয়া যায় তবে দ্বিতীয় রাবীর হাদীসকে প্রথম রাবীর হাদীসের মুতাবি বলা হয়। যদি উভয় হাদীসের মূল রাবী অর্থাৎ সাহাবী একই ব্যক্তি না হয় তবে দ্বিতীয় ব্যক্তির হাদীসকে শাহিদ বলে। আর এইরূপ হওয়াকে শাহাদাত বলে। মুতাবা’আত ও শাহাদাত দ্বারা প্রথম হাদীসটির শক্তি বৃদ্ধি পায়।

মারূফ ও মুনকার (معروف و منكر): কোন দুর্বল রাবীর বর্ণিত হাদীস অপর কোন মাকবূল (গ্রহণযোগ্য) রাবীর বর্ণিত হাদীসের বিরোধী হলে তাকে মুনকার বলা হয় এবং মাকবূল রাবীর হাদীসকে মা‘রূফ বলা হয়।

সহীহ (صحيح) : যে মুত্তাসিল হাদীসের সনদে উল্লেখিত প্রত্যেক রাবীই পূর্ণ আদালত ও যাবত (ধারণ ক্ষমতা) গুণ সম্পন্ন এবং হাদীসটি যাবতীয় দোষত্রুটি ও শায মুক্ত তাকে সহীহ হাদীস বলে।

হাসান (حسن) : যে হাদীসের মধ্যে রাবীর যাবত (ধারণ ক্ষমতা) এর গুণ ব্যতীত সহীহ হাদীসের সমস্ত শর্তই পরিপূর্ণ রয়েছে তাকে হাসান হাদীস বলা হয়। ফক্বীহগণ সাধারণত সহীহ ও হাসান হাদীসের ভিত্তিতে শরীয়াতের বিধান নির্ধারণ  করেন।

যঈফ (ضعيف ) : যে হাদীসের রাবী কোন হাসান হাদীসের রাবীর গুণসম্পন্ন নন তাকে যঈফ হাদীস বলে।

মাওযূ ( موضوع ) : যে হাদীসের রাবী জীবনে কখনও ইচ্ছাকৃতভাবে রাসুলুল্লাহ ()-এর নামে মিথ্যা কথা রটনা করেছেন বলে প্রমাণিত হয়েছে, তার বর্ণিত হাদীসকে মাওযূ‘ হাদীস বলে।

 

রাবীর সংখ্যা বিচারে হাদীস প্রধানত দুপ্রকার। যথা: ১. মুতওয়াতির (متواتر) ও ২. আহাদ (أحاد)

১. মুতওয়াতির (متواتر): বৃহৎ সংখ্যক রাবীর বর্ণিত হাদীস, মিথ্যার ব্যাপারে যাদের উপর একাট্টা হওয়া অসম্ভব, সনদের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত এ সংখ্যা বিদ্যমান থাকলে হাদীসকে মুতওয়াতির (متواتر) বলা হয়।

২. আহাদ (أحاد): أحاد তিন প্রকার। যথা:

মাশহুর (مشهور): যে কোন স্তরে হাদীস বর্ণনা কারীর সংখ্যা যদি দুই এর অধিক হয়, কিন্তু মুতওয়াতির এর পর্যায়ে পৌঁছে না তাকে মাশহুর (مشهور) বলে।

আযীয (عزيز): যে কোন স্তরে হাদীস বর্ণনা কারীর সংখ্যা যদি দু‘জন হয় ।

গরীব (غريب): যে কোন স্তরে হাদীস বর্ণনা কারীর সংখ্যা যদি এক জন হয় ।

শায (شاذ): একাধিক নির্ভরযোগ্য রাবীর বিপরীত একজন নির্ভরযোগ্য রাবীর বর্ণনাকে শায হাদীস বলে।

 কিয়াস (قياس): অর্থ অনুমান, পরিমাপ, তুলনা ইত্যাদি। পরিভাষায়: শাখাকে মূলের সঙ্গে তুলনা করা, যার ফলে শাখা ও মূল একই হুকুমের অমত্মর্ভুক্ত হয়ে যায়।

তাক্বলীদ (تقليد): দলীল উল্লেখ ছাড়াই কোন ব্যক্তির মতামতকে গ্রহণ করা।

ইজতিহাদ (اجتهاد): উদ্দিষ্ট জ্ঞান অর্জনের প্রচেষ্টা চালানোকে ইজতিহাদ বলে।

শরীয়াত (شريعة): অর্থ: আইন, বিধান, পথ, পন্থা ইত্যাদি। পরিভাষায়: মহান আল্লাহ্‌ স্বীয় দীন হতে বান্দার জন্য যা বিধিবদ্ধ করে দিয়েছেন তাকে শরীয়াত বলে।

মাযহাব (مذهب): অর্থ- মত, পথ, মতবাদ ইত্যাদি। ফিক্বহী পরিভাষায়: ইবাদাত ও মু‘আমালাতের ক্ষেত্রে শারঈ হুকুম পালনের জন্য বান্দা যে পথ অনুসরণ করে এবং প্রত্যেক দলের জন্য একজন ইমামের উপর অথবা ইমামের ওসীয়ত কিংবা ইমামের প্রতিনিধির উপর নির্ভর করে তাকে মাযহাব বলে।

নাযর (نذر): কোন বিষয়ে উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য চিন্তা-ভাবনা করাকে নাযর বলে।

আম (عام): সীমাবদ্ধ করা ছাড়াই যা দুই বা ততোধিক বিষয়কে অন্তর্ভুক্ত করে তাকে আম বলে।

খাস (خاص): আম এর বিপরীত, যা নির্দিষ্ট বিষয়কে অন্তর্ভুক্ত করে।

ইজমা (اجماع): কোন এক যুগে আলিমদের কোন শারঈ বিষয়ের উপর এক মত পোষণ করাকে ইজমা বলে।

মুসনাদ (مسند): যার সনদগুলো পরস্পর এমনভাবে মিলিত যে, প্রত্যেকের বর্ণনা সুস্পষ্ট।

ফিক্বহ (فقه): ইজতিহাদ বা গবেষণার পদ্ধতিতে শারঈ হুকুম সম্পর্কে জানার বিধানকে ফিক্বহ বলে।

আসল বা মূল (اصل): এমন প্রথম বিষয়, যার উপর ভিত্তি করে কোন কিছু গড়ে উঠে। যেমন- দেয়ালের ভিত্তি।

ফারা বা শাখা (فرع): আসলের বিপরীত যা কোন ভিত্তির উপর গড়ে উঠে।

ওয়াজিব (واجب): যা আমল করলে সাওয়াব পাওয়া যাবে আর পরিত্যাগ করলে শাস্তি পাওয়া যাবে।

মানদূব (مندوب): যা আমল করলে সাওয়াব পাওয়া যাবে আর পরিত্যাগ করলে শাস্তি হবে না।

মাহযূর (محظور): যা পরিত্যাগ করলে সাওয়াব পাওয়া যাবে আর আমল করলে শাস্তি পাওয়া যাবে।

মাকরূহ (مكروه): যা পরিত্যাগ করলে সাওয়াব পাওয়া যাবে আর আমল করলে শাস্তি হবে না।

ফাৎওয়া (فتوى): জিজ্ঞাসিত ব্যক্তির নিকট থেকে দলীল ভিত্তিক শারঈ হুকুম সুস্পষ্ট বর্ণনা করে নেয়াকে ফাৎওয়া বলে।

নাসিখ (ناسخ): পরিবর্তিত শারঈ দলীল যা পূববর্তী শারঈ হুকুমকে রহিত করে দেয় তাকে নাসিখ বলে।

মানসূখ (منسوخ): আর যে হুকুমটি রহিত হয়ে যায় সেটাই মানসূখ।

মুতলাক্ব (مطلق): যা প্রকৃতিগত দিক থেকে জাতির সকলকে অন্তর্ভুক্ত  করে কিন্তু অনির্দিষ্টভাবে একটি অর্থকে বুঝায়।

মুকাইয়্যাদ (مقيد): যা মুতলাক্বের বিপরীত অর্থাৎ জাতির সকলকে অন্তর্ভুক্ত  করে না। বরং নির্দিষ্ট একটি অর্থকে বুঝায়।

হাক্বীকাত (حقيقة): শব্দকে আসল অর্থে ব্যবহার করাকে হাক্বীকত বলে। যেমন- সিংহ শব্দটি এক প্রজাতির হিংস্র প্রাণীকে বুঝায়।

মাজায (مجاز): শব্দ যখন আসল অর্থকে অতিক্রম করে তার সাথে সাদৃশ্য রাখে এমন অর্থ প্রকাশ করে তখন তাকে মাজায বলে। যেমন- সাহসী লোককে সিংহের সাথে তুলনা করা।

হাদিসের পরিসংখ্যান

সর্বমোট হাদিস পাওয়া গেছেঃ [3610] টি | অধ্যায়ঃ ২৬/ জিহাদ (كتاب الجهاد عن رسول الله ﷺ)
গ্রন্থঃ সূনান তিরমিজী (ইফাঃ) | দেখানো হচ্ছে   [1681]  থেকে  [1690]  পর্যন্ত
প্রতি পাতাতে টি হাদিস

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সূনান তিরমিজী (ইফাঃ)
অধ্যায়ঃ ২৬/ জিহাদ (كتاب الجهاد عن رسول الله ﷺ)
হাদিস নম্বরঃ ১৬৮১ | 1681 | ۱٦۸۱

পরিচ্ছদঃ যুদ্ধ ভিন্ন কথা কৌশল অবলম্বন করা।

১৬৮১। আহমাদ ইবনু মানী‘ ও নাসর ইবনু আলী (রহঃ) ... জাবির ইবনু আবদুল্লাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যুদ্ধ হলো কৌশল অবলম্বন করা। সহীহ, ইবনু মাজাহ ২৮৩৩, ২৮৩৪, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৬৭৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]

এই বিষয়ে আলী, যায়দ ইবনু ছাবিত, আয়িশা, ইবনু আব্বাস, আবূ হুরায়রা, আসমা বিনত ইয়াযীদ, কা‘ব ইবনু মালিক ও আনাস ইবনু মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান-সহীহ।



হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

Narrated Jabir bin ‘Abdullah :

That the Messenger of Allah (ﷺ) said: "War is deceit."

[Abu 'Eisa said:] There are narrations on this topic from 'Ali, Zaid bin Thabit, 'Aishah, Ibn 'Abbas, Abu Hurairah, Asma' bint Yazid bin As-Sakan, Ka'b bin Malik and Anas bin Malik. This Hadith is Hasan Sahih.

باب مَا جَاءَ فِي الرُّخْصَةِ فِي الْكَذِبِ وَالْخَدِيعَةِ فِي الْحَرْبِ

حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مَنِيعٍ، وَنَصْرُ بْنُ عَلِيٍّ، قَالاَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ عَمْرِو بْنِ دِينَارٍ، سَمِعَ جَابِرَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ، يَقُولُ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ الْحَرْبُ خُدْعَةٌ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى وَفِي الْبَابِ عَنْ عَلِيٍّ وَزَيْدِ بْنِ ثَابِتٍ وَعَائِشَةَ وَابْنِ عَبَّاسٍ وَأَبِي هُرَيْرَةَ وَأَسْمَاءَ بِنْتِ يَزِيدَ بْنِ السَّكَنِ وَكَعْبِ بْنِ مَالِكٍ وَأَنَسِ بْنِ مَالِكٍ ‏.‏ وَهَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সূনান তিরমিজী (ইফাঃ)
অধ্যায়ঃ ২৬/ জিহাদ (كتاب الجهاد عن رسول الله ﷺ)
হাদিস নম্বরঃ ১৬৮২ | 1682 | ۱٦۸۲

পরিচ্ছদঃ নবী (ﷺ) কয়টি যুদ্ধ করেছেন।

১৬৮২। মাহমূদ ইবনু গায়লান (রহঃ) ... আবূ ইসহাক (রহঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি যায়দ ইবনু আরকাম রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর কাছে ছিলাম। তখন তাঁকে জিজ্ঞাসা করা হল, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কয়টি যুদ্ধ করেছেন? তিনি বললেন, ঊনিশটি। আমি বললাম, আপনি তাঁর সঙ্গে কয়টিতে যুদ্ধ করেছেন? তিনি বললেন, সতেরটিতে। আমি বললাম, প্রথম কোনটি ছিল? তিনি বললেন, যাতুল উশায়র (বা বর্ণনান্তরে) উশায়রা। সহীহ, নাসাঈ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৬৭৬ [আল মাদানী প্রকাশনী]

ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান-সহীহ।



হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

Narrated Abu Ishaq:

"I was next to Zaid bin Arqam when he was asked: 'How many battles did the Prophet (ﷺ) fight ?' He said: 'Nineteen.' So I said: 'How many battles did you take part in with him ?' he said: 'Seventeen.' I said: 'Which of them was the first?' He said: 'Dhat Al-Ushaira' or Al-'Usaira'. '"

[Abu 'Eisa said:] This Hadith is Hasan Sahih.

باب مَا جَاءَ فِي غَزَوَاتِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَكَمْ غَزَا

حَدَّثَنَا مَحْمُودُ بْنُ غَيْلاَنَ، حَدَّثَنَا وَهْبُ بْنُ جَرِيرٍ، وَأَبُو دَاوُدَ الطَّيَالِسِيُّ قَالاَ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، قَالَ كُنْتُ إِلَى جَنْبِ زَيْدِ بْنِ أَرْقَمَ فَقِيلَ لَهُ كَمْ غَزَا النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم مِنْ غَزْوَةٍ قَالَ تِسْعَ عَشْرَةَ ‏.‏ فَقُلْتُ كَمْ غَزَوْتَ أَنْتَ مَعَهُ قَالَ سَبْعَ عَشْرَةَ ‏.‏ قُلْتُ أَيَّتُهُنَّ كَانَ أَوَّلَ قَالَ ذَاتُ الْعُشَيْرَاءِ أَوِ الْعُسَيْرَاءِ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সূনান তিরমিজী (ইফাঃ)
অধ্যায়ঃ ২৬/ জিহাদ (كتاب الجهاد عن رسول الله ﷺ)
হাদিস নম্বরঃ ১৬৮৩ | 1683 | ۱٦۸۳

পরিচ্ছদঃ লড়াই এর সময় কাতার করা ও সৈন্য বিন্যস্ত করা

১৬৮৩। মুহাম্মদ ইবনু হুমায়দ আর রাযী (রহঃ) ... আবদুর রহমান ইবন আওফ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বদরের যুদ্ধের সময় রাতে আমাদের কাতার বিন্যস্ত করেছিলেন। যঈফ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৬৭৭ [আল মাদানী প্রকাশনী]

এই বিষয়ে আবূ আয়্যূব রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। এই হাদীসটি গারীব। এই সূত্র ছাড়া এটি সম্পর্কে আমরা অবহিত নই। মুহাম্মদ ইবনু ইসমাঈল (রহঃ)-কে এ হাদীসটি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম কিন্তু তিনি এটিকে চিনতে পারেন নি। তিনি বলেন, মুহাম্মদ ইবনু ইসহাক (রহঃ) ইকরিমা (রহঃ) থেকে সরাসরি হাদীস শুনেছেন। ইমাম তিরমিযী (রহঃ) বলেন, আমি প্রথম যখন বুখারী (রহঃ)-এর সঙ্গে সাক্ষাৎ করি তখন দেখছি যে, তিনি মুহাম্মদ ইবনু যায়দ রাযী (রহঃ) সম্পর্কে ভাল ধারণা পোষণ করতেন। কিন্তু পরবর্তীতে তিনি তাঁকে যঈফ বলে মত প্রকাশ করেছেন।



হাদিসের মানঃ  যঈফ (Dai'f)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

Narrated 'Abdur-Rahman bin 'Awf:

"The Messenger of Allah (ﷺ) positioned us during the night at Badr."

[Abu 'Eisa said:] There is something on this topic from Abu Ayyub.

This Hadith is Gharib, we do not know of it except from this route. I asked Muhammad bin Isma'il about this Hadith, but he did not know it, and he said: "Muhammad bin Ishaq heard from 'Ikrimah." And when I saw him, he had a good opinion about Muhammad bin Humaid Ar-Razi, then he considered him weak later.

باب مَا جَاءَ فِي الصَّفِّ وَالتَّعْبِئَةِ عِنْدَ الْقِتَالِ

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ حُمَيْدٍ الرَّازِيُّ، حَدَّثَنَا سَلَمَةُ بْنُ الْفَضْلِ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَوْفٍ، قَالَ عَبَّأَنَا النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم بِبَدْرٍ لَيْلاً ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى وَفِي الْبَابِ عَنْ أَبِي أَيُّوبَ ‏.‏ وَهَذَا حَدِيثٌ غَرِيبٌ لاَ نَعْرِفُهُ إِلاَّ مِنْ هَذَا الْوَجْهِ ‏.‏ وَسَأَلْتُ مُحَمَّدَ بْنَ إِسْمَاعِيلَ عَنْ هَذَا الْحَدِيثِ فَلَمْ يَعْرِفْهُ وَقَالَ مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ سَمِعَ مِنْ عِكْرِمَةَ ‏.‏ وَحِينَ رَأَيْتُهُ كَانَ حَسَنَ الرَّأْىِ فِي مُحَمَّدِ بْنِ حُمَيْدٍ الرَّازِيِّ ثُمَّ ضَعَّفَهُ بَعْدُ ‏.‏

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সূনান তিরমিজী (ইফাঃ)
অধ্যায়ঃ ২৬/ জিহাদ (كتاب الجهاد عن رسول الله ﷺ)
হাদিস নম্বরঃ ১৬৮৪ | 1684 | ۱٦۸٤

পরিচ্ছদঃ যুদ্ধের সময় দু'আ করা।

১৬৮৪। আহমাদ ইবনু মানী‘ (রহঃ) ... ইবনু আবূ আওফা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, খন্দক যুদ্ধের সময় নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে দু‘আ বলতে শুনেছি, হে আল্লাহ যিনি কিতাব অবতরণকারী, দ্রুত বিচার সম্পাদনকারী, শত্রুর এই সম্মিলিত দলকে পরাজিত করুন এবং তাদের প্রকম্পিত করুন।

সহীহ, সহীহ আবূ দাউদ ২৩৬৫, নাসাঈ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৬৭৮ [আল মাদানী প্রকাশনী]

এই বিষয়ে ইবনু মাসঊদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান-সহীহ।



হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

Narrated Ibn Abi Awfa:

"I heard him saying" - meaning the Prophet (ﷺ) - "while supplicating against the Ahzab: 'O Allah, Revealer of Book! Severe is reckoning! Rout the Ahzab and shake them.'"

[Abu 'Eisa said:] There is something on this topic from Ibn Masu'd

This Hadith is Hasan Sahih.

باب مَا جَاءَ فِي الدُّعَاءِ عِنْدَ الْقِتَالِ

حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مَنِيعٍ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، أَنْبَأَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ أَبِي خَالِدٍ، عَنِ ابْنِ أَبِي أَوْفَى، قَالَ سَمِعْتُهُ يَقُولُ يَعْنِي النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم يَدْعُو عَلَى الأَحْزَابِ فَقَالَ ‏ "‏ اللَّهُمَّ مُنْزِلَ الْكِتَابِ سَرِيعَ الْحِسَابِ اهْزِمِ الأَحْزَابَ اللَّهُمَّ اهْزِمْهُمْ وَزَلْزِلْهُمْ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى وَفِي الْبَابِ عَنِ ابْنِ مَسْعُودٍ ‏.‏ وَهَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সূনান তিরমিজী (ইফাঃ)
অধ্যায়ঃ ২৬/ জিহাদ (كتاب الجهاد عن رسول الله ﷺ)
হাদিস নম্বরঃ ১৬৮৫ | 1685 | ۱٦۸۵

পরিচ্ছদঃ ছোট পতাকা (লিওয়া)

১৬৮৫। মুহাম্মদ ইবনু উমার ইবনু ওয়ালীদ কিন্দী, আবূ কুরায়ব ও মুহাম্মদ ইবনু রাফি‘ (রহঃ) ... জাবির রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন মক্কায় প্রবেশ করলেন তখন তাঁর ছোট পতাকাটির রঙ ছিল সাদা। হাসান, ইবনু মাজাহ ৩৮১৭, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৬৭৯ [আল মাদানী প্রকাশনী]

এই হাদীসটি গারীব। ইয়াহইয়া ইবনু আদম-শরীক (রহঃ) এর সূত্র ছাড়া এটি সম্পর্কে আমরা অবহিত নই। মুহাম্মদ (রহঃ)-কে এই হাদীসটি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম। তিনি ইয়াহইয়া ইবনু আদম-শরীক (রহঃ) সূত্র ছাড়া এটি চিনতে পারেন নাই। একাধিক রাবী শরীক-আম্মার-আবূয যুবায়র-জাবির রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে বর্ণনা করেন যে, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন মক্কা প্রবেশ করেন তখন তিনি কালো পাগড়ী পরিহিত ছিলেন। মুহাম্মদ (রহঃ) বলেন, হাদীসটি হলো এ-ই।

বাজীলা গোত্রের একটি শাখা হলো দুহন। রাবী আম্মার দুহনী (রহঃ) হলেন, আম্মার ইবনু মুআবিয়া দুহনী। তাঁর উপনাম হলো আবূ মুআবিয়া। ইনি কুফায় বসবাসকারী ছিলেন। হাদীস বিশেষজ্ঞগণের মতে তিনি নির্ভরযোগ্য (ছিকা) একজন রাবী।



হাদিসের মানঃ  হাসান (Hasan)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

Narrated Jabir:

"The Messenger of Allah (ﷺ) entered Makkah, and his standard was white."

[Abu 'Eisa said:] This Hadith is Gharib, we do know of it except as a narration of Yayha bin Adam from Sharik. He said: I asked Muhammad about this Hadith, but he did not know it except as a narration of Yahya bin Adam from Sharik, he said: "More than one narrator has narrated to us from Sharik from 'Ammar bin Abu Az-Zubair from Jabir: 'The Prophet (ﷺ) entered Makkah and he was wearing a black 'Imamah.'"

Muhammad said: "This is the Hadith."

[Abu 'Eisa said:] Duhn is a branch of Bajilah (the tribe), and 'Ammar ad-Duhni (one of the narrators) is 'Ammar bin Mu'awiyah Ad-Duhni, and his kunyah is Abu Mu'awiyah, he is from Al-Kufah, and he is trustworthy according to the people of Hadith.

باب مَا جَاءَ فِي الأَلْوِيَةِ

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُمَرَ بْنِ الْوَلِيدِ الْكِنْدِيُّ الْكُوفِيُّ، وَأَبُو كُرَيْبٍ وَمُحَمَّدُ بْنُ رَافِعٍ قَالُوا حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ آدَمَ، عَنْ شَرِيكٍ، عَنْ عَمَّارٍ يَعْنِي الدُّهْنِيَّ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنْ جَابِرٍ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم دَخَلَ مَكَّةَ وَلِوَاؤُهُ أَبْيَضُ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ غَرِيبٌ لاَ نَعْرِفُهُ إِلاَّ مِنْ حَدِيثِ يَحْيَى بْنِ آدَمَ عَنْ شَرِيكٍ ‏.‏ قَالَ وَسَأَلْتُ مُحَمَّدًا عَنْ هَذَا الْحَدِيثِ فَلَمْ يَعْرِفْهُ إِلاَّ مِنْ حَدِيثِ يَحْيَى بْنِ آدَمَ عَنْ شَرِيكٍ وَقَالَ حَدَّثَنَا غَيْرُ وَاحِدٍ عَنْ شَرِيكٍ عَنْ عَمَّارٍ عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ عَنْ جَابِرٍ أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم دَخَلَ مَكَّةَ وَعَلَيْهِ عِمَامَةٌ سَوْدَاءُ ‏.‏ قَالَ مُحَمَّدٌ وَالْحَدِيثُ هُوَ هَذَا ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى وَالدُّهْنُ بَطْنٌ مِنْ بَجِيلَةَ وَعَمَّارٌ الدُّهْنِيُّ هُوَ عَمَّارُ بْنُ مُعَاوِيَةَ الدُّهْنِيُّ وَيُكْنَى أَبَا مُعَاوِيَةَ وَهُوَ كُوفِيٌّ وَهُوَ ثِقَةٌ عِنْدَ أَهْلِ الْحَدِيثِ ‏.‏

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সূনান তিরমিজী (ইফাঃ)
অধ্যায়ঃ ২৬/ জিহাদ (كتاب الجهاد عن رسول الله ﷺ)
হাদিস নম্বরঃ ১৬৮৬ | 1686 | ۱٦۸٦

পরিচ্ছদঃ পতাকা

১৬৮৬। আহমাদ ইবনু মানী‘ (রহঃ) ... মুহাম্মাদ ইবনু কাসিমের আযাদকৃত দাস ইউনুস ইবনু উবায়দ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, মুহাম্মদ ইবনু কাসিম আমাকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর পতাকা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করার জন্য বারা ইবনু আযিব রাদিয়াল্লাহু আনহ-এর নিকট পাঠিয়েছিলেন। এতদসম্পর্কে বারা রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, এগুলো ছিল সাদা কালো রেখাটানা চতুষ্কোণ বিশিষ্ট কালো বর্ণের। "চতুষ্কোণ" শব্দটি ব্যতীত হাদিসটি সহীহ, সহীহ আবূ দাউদ ২৩৩৩, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৬৮০ [আল মাদানী প্রকাশনী]

এই বিষয়ে আলী, হারিছ ইবনু হাসসান ও ইবনু আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। এই হাদীসটি হাসান-গারীব। ইবনু আবী জাইদা (রহঃ) এর সূত্র ছাড়া এটি সম্পর্কে আমরা অবহিত নই। আবূ ইয়াকুব ছাকাফী (রহঃ)-এর নাম হলো ইসহাক ইবনু ইবরাহীম। উবায়দুল্লাহ ইবনু মূসা (রহঃ)-ও তাঁর কাছ থেকে হাদীস বর্ণনা করেছেন।



হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

Narrated Yunus bin 'Ubaid:

the freed salve of Muhammad bin Al-Qasim said: "Muhammad bin Al-Qasim sent me to Al-Bara' bin 'Azib to ask him about the flag of the Messenger of Allah (ﷺ). He said: 'It was a black square of Namirah.'"

[Abu 'Eisa said:] There are narrations on this topic from 'Ali, Al-Harith bin Hassan, and Ibn 'Abbas.

[Abu 'Eisa said:] This Hadith is Hasan Gharib, we don know know of it except from the report of Ibn Abi Za'idah. And Abu Ya'qub Ath-Thaqafi's name is Ishaq bin Ibrahim. 'Ubaidullah bin Musa also reports from him.

باب مَا جَاءَ فِي الرَّايَاتِ

حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مَنِيعٍ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ زَكَرِيَّا بْنِ أَبِي زَائِدَةَ، حَدَّثَنَا أَبُو يَعْقُوبَ الثَّقَفِيُّ، حَدَّثَنَا يُونُسُ بْنُ عُبَيْدٍ، مَوْلَى مُحَمَّدِ بْنِ الْقَاسِمِ قَالَ بَعَثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ الْقَاسِمِ إِلَى الْبَرَاءِ بْنِ عَازِبٍ أَسْأَلُهُ عَنْ رَايَةِ، رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ كَانَتْ سَوْدَاءَ مُرَبَّعَةً مِنْ نَمِرَةٍ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى وَفِي الْبَابِ عَنْ عَلِيٍّ وَالْحَارِثِ بْنِ حَسَّانَ وَابْنِ عَبَّاسٍ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى وَهَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ غَرِيبٌ لاَ نَعْرِفُهُ إِلاَّ مِنْ حَدِيثِ ابْنِ أَبِي زَائِدَةَ ‏.‏ وَأَبُو يَعْقُوبَ الثَّقَفِيُّ اسْمُهُ إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ وَرَوَى عَنْهُ أَيْضًا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُوسَى ‏.‏

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সূনান তিরমিজী (ইফাঃ)
অধ্যায়ঃ ২৬/ জিহাদ (كتاب الجهاد عن رسول الله ﷺ)
হাদিস নম্বরঃ ১৬৮৭ | 1687 | ۱٦۸۷

পরিচ্ছদঃ পতাকা

১৬৮৭। মুহাম্মদ ইবনু রাফি‘ (রহঃ) ... ইবনু আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর পতাকা ছিল কাল বর্ণের আর তাঁর ছোট পতাকা (লিওয়া) ছিল সাদা। হাসান, ইবনু মাজাহ ২৮১৮, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৬৮১ [আল মাদানী প্রকাশনী]

ইবনু আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর রিওয়ায়াত হিসাবে এই সূত্রে হাদীসটি গারীব।



হাদিসের মানঃ  হাসান (Hasan)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

Narrated Ibn 'Abbas:

"The flag of the Messenger of Allah (ﷺ) was black, and his standard was white."

[Abu 'Eisa said:] This Hadith is Hasan Gharib from this route, as a narration of Ibn 'Abbas.

باب مَا جَاءَ فِي الرَّايَاتِ

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ رَافِعٍ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ إِسْحَاقَ، وَهُوَ السَّالِحَانِيُّ حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ حَيَّانَ، قَالَ سَمِعْتُ أَبَا مِجْلَزٍ، لاَحِقَ بْنَ حُمَيْدٍ يُحَدِّثُ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ كَانَتْ رَايَةُ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم سَوْدَاءَ وَلِوَاؤُهُ أَبْيَضَ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ غَرِيبٌ مِنْ هَذَا الْوَجْهِ مِنْ حَدِيثِ ابْنِ عَبَّاسٍ ‏.‏

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সূনান তিরমিজী (ইফাঃ)
অধ্যায়ঃ ২৬/ জিহাদ (كتاب الجهاد عن رسول الله ﷺ)
হাদিস নম্বরঃ ১৬৮৮ | 1688 | ۱٦۸۸

পরিচ্ছদঃ বিশেষ প্রতীক।

১৬৮৮। মাহমূদ ইবনু গায়লান (রহঃ) ... মুহাল্লাব ইবনু আবূ সুফরা (রহঃ) এমন একজন থেকে রিওয়ায়াত করেছেন যিনি নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছেন, শত্রু যদি তোমাদেরকে রাতে হামলা করে (আর অন্ধকারের কারণে যদি পরস্পরকে চিনতে না পার) তবে (পরিচয় জ্ঞাপকরূপে) বলবে, حم لاَ يُنْصَرُونَ হামীম, লা ইউন-সারূন (হামীম, তারা সাহায্যপ্রাপ্ত হবে না)। সহীহ, মিশকাত, তাহকীক ছানী ৩৯৪৮, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৬৮২ [আল মাদানী প্রকাশনী]

এই বিষয়ে সালামা ইবনু আকওয়া রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকও হাদীস বর্ণিত আছে। অপর কতক রাবীও আবূ ইসহাক (রহঃ) থেকে সুফইয়ান ছাওরীর অনুরূপ বর্ণনা করেছেন; তাঁর বরাতে মুহাল্লাব ইবনু আবূ সূফরা-নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সূত্রে এটিকে মুরসাল রূপে বর্ণনা করেছেন।



হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

Narrated Al-Muhallab bin Abi Sufrah:

From one who heard the Prophet (ﷺ) saying: "If you suffer a surprise attack from the enemy then say: 'Ha Min, they will not be victorious.'"

[Abu 'Eisa said:] There is something on this topic from Salamah bin Al-Akwa'. This is how some of them reported it from Abu Ishaq, the same as the narration of Ath-Thawri. And it has been reported from him, from Al-Muhallab bin Abi Sufrah from the Prophet (ﷺ) in Mursal form.

باب مَا جَاءَ فِي الشِّعَارِ

حَدَّثَنَا مَحْمُودُ بْنُ غَيْلاَنَ، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنِ الْمُهَلَّبِ بْنِ أَبِي صُفْرَةَ، عَمَّنْ سَمِعَ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ ‏ "‏ إِنْ بَيَّتَكُمُ الْعَدُوُّ فَقُولُوا‏:‏ حم لاَ يُنْصَرُونَ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى وَفِي الْبَابِ عَنْ سَلَمَةَ بْنِ الأَكْوَعِ ‏.‏ وَهَكَذَا رَوَى بَعْضُهُمْ عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ مِثْلَ رِوَايَةِ الثَّوْرِيِّ وَرُوِيَ عَنْهُ عَنِ الْمُهَلَّبِ بْنِ أَبِي صُفْرَةَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم مُرْسَلاً ‏.‏

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সূনান তিরমিজী (ইফাঃ)
অধ্যায়ঃ ২৬/ জিহাদ (كتاب الجهاد عن رسول الله ﷺ)
হাদিস নম্বরঃ ১৬৮৯ | 1689 | ۱٦۸۹

পরিচ্ছদঃ রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর তলওয়ারের বর্ণনা।

১৬৮৯। মুহাম্মদ ইবনু শুজা‘ বাগদাদী (রহঃ) ... থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আমার তলোয়ারটি সামুরা ইবনু জুনদাব রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর তলোয়ারের নমুনায় বানিয়েছি। সামুরা রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেছেন যে, তিনি তাঁর তলোয়ারটি বানিয়েছিলেন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর তলোয়ারের নমুনায়। এটি ছিল হানাফী গোত্রের তলোয়ারের অনুরূপ নির্মিত।

যঈফ, মুখতাসার শামাইল মুহাম্মাদীয়া ৮৮, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৬৮৩ [আল মাদানী প্রকাশনী]

এই হাদীসটি গারীব। এই সূত্র ছাড়া এটি সম্পর্কে আমরা অবহিত নই। উসমান ইবনু সা'দ কাতিব সম্পর্কে ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ কাত্তান সমালোচনা করেছেন এবং স্মরণ শক্তির দিক থেকে তাঁকে যঈফ বলেছেন।



হাদিসের মানঃ  যঈফ (Dai'f)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

Narrated 'Uthman bin Sa'd:

That Ibn Sirin said: "I made my sword like the sword of Samurah bin Jundab. Samurah claimed that he made his sword like the sword of the Messenger of Allah (ﷺ), and it was a Hanafiyah."

[Abu 'Eisa said:] This Hadith is Gharib, we do not know of it except through this route. Yahya bin Sa'eed Al-Qattan has criticized 'Uthman bin Sa'd the scribe, and he graded him weak due to his memory.

باب مَا جَاءَ فِي صِفَةِ سَيْفِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ شُجَاعٍ الْبَغْدَادِيُّ، حَدَّثَنَا أَبُو عُبَيْدَةَ الْحَدَّادُ، عَنْ عُثْمَانَ بْنِ سَعْدٍ، عَنِ ابْنِ سِيرِينَ، قَالَ صَنَعْتُ سَيْفِي عَلَى سَيْفِ سَمُرَةَ بْنِ جُنْدَبٍ وَزَعَمَ سَمُرَةُ أَنَّهُ صَنَعَ سَيْفَهُ عَلَى سَيْفِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَكَانَ حَنَفِيًّا ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَ حَدِيثٌ غَرِيبٌ لاَ نَعْرِفُهُ إِلاَّ مِنْ هَذَا الْوَجْهِ ‏.‏ وَقَدْ تَكَلَّمَ يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ الْقَطَّانُ فِي عُثْمَانَ بْنِ سَعْدٍ الْكَاتِبِ وَضَعَّفَهُ مِنْ قِبَلِ حِفْظِهِ ‏.‏

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সূনান তিরমিজী (ইফাঃ)
অধ্যায়ঃ ২৬/ জিহাদ (كتاب الجهاد عن رسول الله ﷺ)
হাদিস নম্বরঃ ১৬৯০ | 1690 | ۱٦۹۰

পরিচ্ছদঃ যুদ্ধের সময় সাওম পালন করা।

১৬৯০। আহমাদ ইবনু মুহাম্মদ ইবনু মূসা (রহঃ) ... আবূ সাঈদ খুদরী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মক্কা বিজয়ের বছরে যখন মাররুয যাহরান এলাকায় পৌছলেন তখন আমাদেরকে শত্রু দলের সম্মুখীন হওয়ার ঘোষণা দিলেন এবং আমাদেরকে সাওম ভেঙ্গে নির্দেশ দিলেন। ফলে আমরা সকলেই সাওম ভেঙ্গে ফেললাম। সহীহ, সহীহ আবূ দাউদ ২০৮১, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৬৮৪ [আল মাদানী প্রকাশনী]

ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান-সহীহ। এই বিষয়ে উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে।



হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

Narrated Abu Sa’id Al Khudri :

"During the year of the conquest, when the Prophet (ﷺ) reached Marr Zahran, he told us that we would meet the enemy. So he ordered us to break the fast, and we [all] broke our fast."

[Abu 'Eisa said:] This Hadith is Hasan Sahih, and there is something on this topic from Ibn 'Umar.

باب مَا جَاءَ فِي الْفِطْرِ عِنْدَ الْقِتَالِ

حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ مُوسَى، أَنْبَأَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْمُبَارَكِ، أَنْبَأَنَا سَعِيدُ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ، عَنْ عَطِيَّةَ بْنِ قَيْسٍ، عَنْ قَزَعَةَ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، قَالَ لَمَّا بَلَغَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم عَامَ الْفَتْحِ مَرَّ الظَّهْرَانِ فَآذَنَنَا بِلِقَاءِ الْعَدُوِّ فَأَمَرَنَا بِالْفِطْرِ فَأَفْطَرْنَا أَجْمَعُونَ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏ وَفِي الْبَابِ عَنْ عُمَرَ ‏.‏

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

হাদিস দেখানো হচ্ছে   [1681]  থেকে  [1690]  পর্যন্ত এবং সর্বমোট   [3610]  টি হাদিস পাওয়া গেছে।