• ৭১৯৬৩ টি সর্বমোট হাদিস আছেঃ
  • ৮০৩৩ টি প্রশ্নোত্তর ও ফিকাহঃ

 

 

 

 


হাদীস (حَدِيْث) এর শাব্দিক অর্থ: নতুন, প্রাচীন ও পুরাতন এর বিপরীত বিষয়। এ অর্থে যে সব কথা, কাজ ও বস্ত্ত পূর্বে ছিল না, এখন অস্তিত্ব লাভ করেছে  তাই হাদীস। এর আরেক অর্থ হলো: কথা। ফক্বীহগণের পরিভাষায় নাবী কারীম () আল্লাহ্‌র রাসূল হিসেবে যা কিছু বলেছেন, যা কিছু করেছেন এবং যা কিছু বলার বা করার অনুমতি দিয়েছেন অথবা সমর্থন জানিয়েছেন তাকে হাদীস বলা হয়। কিন্তু মুহাদ্দিসগণ এর সঙ্গে রাসুলুল্লাহ () সম্পর্কিত বর্ণনা ও তার গুণাবলী সম্পর্কিত বিবরণকেও হাদীসের অন্তর্ভুক্ত করেন। এ হিসেবে হাদীসকে প্রাথমিক পর্যায়ে তিন শ্রেণীতে ভাগ করা যায়:

১। ক্বওলী হাদীস: কোন বিষয়ে রাসুলুল্লাহ () যা বলেছেন, অর্থাৎ যে হাদীসে তাঁর কোন কথা বিবৃত হয়েছে তাকে ক্বওলী (বাণী সম্পর্কিত) হাদীস বলা হয়।

২। ফেলী হাদীস: মহানাবী ()-এর কাজকর্ম, চরিত্র ও আচার-আচরণের ভেতর দিয়েই ইসলামের যাবতীয় বিধি-বিধান ও রীতিনীতি পরিস্ফুট হয়েছে। অতএব যে হাদীসে তাঁর কোন কাজের বিবরণ উল্লেখিত হয়েছে তাকে ফে’লী (কর্ম সম্পর্কিত) হাদীস বলা হয়।

৩। তাকরীরী হাদীস: সাহাবীগণের যে সব কথা বা কাজ নাবী কারীম ()-এর অনুমোদন ও সমর্থন প্রাপ্ত হয়েছে, সে ধরনের কোন কথা বা কাজের বিবরণ হতেও শরীয়াতের দৃষ্টিভঙ্গি জানা যায়। অতএব যে হাদীসে এ ধরনের কোন ঘটনার বা কাজের উল্লেখ পাওয়া যায় তাকে তাকরীরী (সমর্থন মূলক) হাদীস বলে।

সুন্নাহ (السنة): হাদীসের অপর নাম সুন্নাহ্ (السنة) সুন্নাত শব্দের অর্থ চলার পথ, কর্মের নীতি ও পদ্ধতি। যে পন্থা ও রীতি নাবী কারীম () অবলম্বন করতেন তাকে সুন্নাত বলা হয়। অন্য কথায় রাসুলুল্লাহ () প্রচারিত উচ্চতম আদর্শই সুন্নাত। কুরআন মাজিদে মহত্তম ও সুন্দরতম আদর্শ (أُسْوَةٌ حَسَنَةٌ) বলতে এই সুন্নাতকেই বুঝানো হয়েছে।

খবর (خبر): হাদীসকে আরবী ভাষায় খবরও (خبر) বলা হয়। তবে খবর শব্দটি হাদীস ও ইতিহাস উভয়টিকেই বুঝায়।

আসার (أثر ): আসার শব্দটিও কখনও কখনও রাসুলুল্লাহ () এর হাদীসকে নির্দেশ করে। কিন্তু অনেকেই হাদীস ও আসার এর মধ্যে কিছু পার্থক্য করে থাকেন। তাঁদের মতে- সাহাবীগণ থেকে শরীয়াত সম্পর্কে যা কিছু উদ্ধৃত হয়েছে তাকে আসার বলে।

 

ইলমে হাদীসের কতিপয় পরিভাষা

সাহাবী (صحابى):  যিনি ঈমানের সঙ্গে রাসুলুল্লাহ () এর সাহচর্য লাভ করেছেন এবং ঈমানের সঙ্গে মৃত্যুবরণ করেছেন তাঁকে রাসুলুল্লাহ ()-এর সাহাবী বলা হয়।

তাবেঈ (تابعى) : যিনি রাসুলুল্লাহ ()-এর কোন সাহাবীর নিকট হাদীস শিক্ষা করেছেন অথবা অন্ততপক্ষে তাঁকে দেখেছেন এবং মুসলমান হিসেবে মৃত্যুবরণ করেছেন তাঁকে তাবেঈ বলা হয়।

তাবে-তাবেঈ (تابعى تابع) : যিনি  কোন তাবেঈ এর নিকট হাদীস শিক্ষা করেছেন অথবা অন্ততপক্ষে তাঁকে দেখেছেন এবং মুসলমান হিসেবে মৃত্যুবরণ করেছেন তাঁকে তাবে-তাবেঈ বলা হয়।

মুহাদ্দিস (محدث) : যিনি হাদীস চর্চা করেন এবং বহু সংখ্যক হাদীসের সনদ ও মতন সম্পর্কে বিশেষ জ্ঞান রাখেন তাঁকে মুহাদ্দিস বলা হয়।

শাইখ (شيخ) : হাদীসের শিক্ষাদাতা রাবীকে শায়খ বলা হয়।

শাইখান (شيخان) : সাহাবীগনের মধ্যে আবূ বকর (রাঃ) ও উমর  (রাঃ)- কে একত্রে শাইখান বলা হয়। কিন্তু হাদীস শাস্ত্রে ইমাম বুখারী (রাহি.) ও ইমাম মুসলিম (রাহি.)-কে এবং ফিক্বহ-এর পরিভাষায় ইমাম আবূ হানীফা (রাহি.) ও আবূ ইউসুফ (রাহি.)-কে একত্রে শাইখান বলা হয়। 

হাফিয (حافظ) : যিনি সনদ ও মতনের বৃত্তান্ত সহ এক লাখ হাদীস আয়ত্ত করেছেন তাঁকে হাফিয বলা হয়।

হুজ্জাত (حجة) : অনুরূপভাবে যিনি তিন লক্ষ হাদীস আয়ত্ত করেছেন তাঁকে হুজ্জাত বলা হয়।  

হাকিম (حاكم) : যিনি সব হাদীস আয়ত্ত করেছেন তাকে হাকিম বলা হয়।

রিজাল (رجال) : হাদীসের রাবী সমষ্টিকে রিজাল বলে। যে শাস্ত্রে রাবীগণের জীবনী বর্ণনা করা হয়েছে তাকে আসমাউর-রিজাল বলা হয়।                                                                                 

রিওয়ায়াত (رواية): হাদীস বর্ণনা করাকে রিওয়ায়াত বলে। কখনও কখনও মূল হাদীসকেও রিওয়ায়াত বলা হয়। যেমন- এই কথার সমর্থনে একটি রিওয়ায়াত (হাদীস) আছে।                           

সনদ (سند): হাদীসের মূল কথাটুকু যে সূত্র পরম্পরায় গ্রন্থ সংকলনকারী পর্যন্ত পৌঁছেছে তাকে সনদ বলা হয়। এতে হাদীস বর্ণনাকারীদের নাম একের পর এক সজ্জিত থাকে।

মতন (متن): হাদীসে মূল কথা ও তার শব্দ সমষ্টিকে মতন বলে।

মারফূ (مرفوع): যে হাদীসের সনদ (বর্ণনা পরম্পরা) রাসুলুল্লাহ () পর্যন্ত পৌঁছেছে  তাকে মারফূ হাদীস বলে।

মাওকূফ (موقوف) : যে হাদীসের বর্ণনা- সূত্র ঊর্ধ্ব দিকে সাহাবী পর্যন্ত পৌঁছেছে , অর্থাৎ যে সনদ -সূত্রে কোন সাহাবীর কথা বা কাজ বা অনুমোদন বর্ণিত হয়েছে তাকে মাওকূফ হাদীস বলে। এর অপর নাম আসার।

মাকতূ (مقطوع): যে হাদীসের সনদ কোন তাবেঈ পর্যন্ত পৌঁছেছে, তাকে মাকতূ হাদীস বলা হয়।

তালীক (تعليق): কোন কোন গ্রন্থকার হাদীসের পূর্ণ সনদ বাদ দিয়ে কেবল মূল হাদীস বর্ণনা করেছেন। এরূপ করাকে তা’লীক বলা হয়।

মুদাল্লাস (مدلس): যে হাদীসের রাবী নিজের প্রকৃত শাইখের (উস্তাদের) নাম উল্লেখ না করে তার উপরস্থ শাইখের নামে এভাবে হাদীস বর্ণনা করেছেন যাতে মনে হয় যে, তিনি নিজেই উপরস্থ শাইখের নিকট তা শুনেছেন অথচ তিনি তাঁর নিকট সেই হাদীস শুনেন নি- সে হাদীসকে মুদাল্লাস হাদীস এবং এইরূপ করাকে ‘তাদ্লীস’ আর যিনি এইরূপ করেন তাকে মুদালস্নীস বলা হয়।

মুযতারাব (مضطرب): যে হাদীসের রাবী হাদীসের মতন ও সনদকে বিভিন্ন প্রকারে বর্ণনা করেছেন সে হাদীসকে হাদীসে মুযতারাব বলা হয়। যে পর্যন্ত না এর কোনরূপ সমন্বয় সাধন সম্ভবপর হয়, সে পর্যন্ত এই হাদীসের ব্যাপারে অপেক্ষা করতে হবে অর্থাৎ এই ধরনের রিওয়ায়াত প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না।

মুদ্রাজ (مدرج): যে হাদীসের মধ্যে রাবী নিজের অথবা অপরের উক্তিকে অনুপ্রবেশ করিয়েছেন, সে হাদীসকে মুদ্রাজ এবং এইরূপ করাকে ‘ইদরাজ’ বলা হয়।

মুত্তাসিল (متصل): যে হাদীসের সনদের ধারাবাহিকতা প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত পূর্ণরূপে রক্ষক্ষত আছে, কোন সত্মরেই কোন রাবীর নাম বাদ পড়ে নি তাকে মুত্তাসিল হাদীস বলে।

মুনকাতি (منقطع): যে হাদীসের সনদে ধারাবাহিকতা রক্ষিত হয় নি, মাঝখানে কোন এক স্তরে কোন রাবীর নাম বাদ পড়েছে, তাকে মুনকাতি হাদীস, আর এই বাদ পড়াকে ইনকিতা বলা হয়।

মুরসাল (مرسل): যে হাদীসের সনদে ইনকিতা শেষের দিকে হয়েছে, অর্থাৎ সাহাবীর নাম বাদ পড়েছে এবং তাবেঈ সরাসরি রাসুলুল্লাহ () এর উল্লেখ করে হাদীস বর্ণনা করেছেন তাকে মুরসাল হাদীস বলা হয়।

মুআল্লাক ( معلق ) : সনদের ইনকিতা প্রথম দিকে  হলে, অর্থাৎ সাহাবীর পর এক বা একাধিক রাবীর নাম বাদ পড়লে তাকে মু’আল্লাক হাদীস বলা হয়।

মুদাল (معضل): যে হাদীসে দুই বা ততোধিক রাবী ক্রমান্বয়ে সনদ থেকে বাদ পড়েছে তাকে মু‘দাল হাদীস বলে।

মুতাবি ও শাহিদ (متابع و شاهد): এক রাবীর হাদীসের অনুরূপ যদি অপর রাবীর কোন হাদীস পাওয়া যায় তবে দ্বিতীয় রাবীর হাদীসকে প্রথম রাবীর হাদীসের মুতাবি বলা হয়। যদি উভয় হাদীসের মূল রাবী অর্থাৎ সাহাবী একই ব্যক্তি না হয় তবে দ্বিতীয় ব্যক্তির হাদীসকে শাহিদ বলে। আর এইরূপ হওয়াকে শাহাদাত বলে। মুতাবা’আত ও শাহাদাত দ্বারা প্রথম হাদীসটির শক্তি বৃদ্ধি পায়।

মারূফ ও মুনকার (معروف و منكر): কোন দুর্বল রাবীর বর্ণিত হাদীস অপর কোন মাকবূল (গ্রহণযোগ্য) রাবীর বর্ণিত হাদীসের বিরোধী হলে তাকে মুনকার বলা হয় এবং মাকবূল রাবীর হাদীসকে মা‘রূফ বলা হয়।

সহীহ (صحيح) : যে মুত্তাসিল হাদীসের সনদে উল্লেখিত প্রত্যেক রাবীই পূর্ণ আদালত ও যাবত (ধারণ ক্ষমতা) গুণ সম্পন্ন এবং হাদীসটি যাবতীয় দোষত্রুটি ও শায মুক্ত তাকে সহীহ হাদীস বলে।

হাসান (حسن) : যে হাদীসের মধ্যে রাবীর যাবত (ধারণ ক্ষমতা) এর গুণ ব্যতীত সহীহ হাদীসের সমস্ত শর্তই পরিপূর্ণ রয়েছে তাকে হাসান হাদীস বলা হয়। ফক্বীহগণ সাধারণত সহীহ ও হাসান হাদীসের ভিত্তিতে শরীয়াতের বিধান নির্ধারণ  করেন।

যঈফ (ضعيف ) : যে হাদীসের রাবী কোন হাসান হাদীসের রাবীর গুণসম্পন্ন নন তাকে যঈফ হাদীস বলে।

মাওযূ ( موضوع ) : যে হাদীসের রাবী জীবনে কখনও ইচ্ছাকৃতভাবে রাসুলুল্লাহ ()-এর নামে মিথ্যা কথা রটনা করেছেন বলে প্রমাণিত হয়েছে, তার বর্ণিত হাদীসকে মাওযূ‘ হাদীস বলে।

 

রাবীর সংখ্যা বিচারে হাদীস প্রধানত দুপ্রকার। যথা: ১. মুতওয়াতির (متواتر) ও ২. আহাদ (أحاد)

১. মুতওয়াতির (متواتر): বৃহৎ সংখ্যক রাবীর বর্ণিত হাদীস, মিথ্যার ব্যাপারে যাদের উপর একাট্টা হওয়া অসম্ভব, সনদের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত এ সংখ্যা বিদ্যমান থাকলে হাদীসকে মুতওয়াতির (متواتر) বলা হয়।

২. আহাদ (أحاد): أحاد তিন প্রকার। যথা:

মাশহুর (مشهور): যে কোন স্তরে হাদীস বর্ণনা কারীর সংখ্যা যদি দুই এর অধিক হয়, কিন্তু মুতওয়াতির এর পর্যায়ে পৌঁছে না তাকে মাশহুর (مشهور) বলে।

আযীয (عزيز): যে কোন স্তরে হাদীস বর্ণনা কারীর সংখ্যা যদি দু‘জন হয় ।

গরীব (غريب): যে কোন স্তরে হাদীস বর্ণনা কারীর সংখ্যা যদি এক জন হয় ।

শায (شاذ): একাধিক নির্ভরযোগ্য রাবীর বিপরীত একজন নির্ভরযোগ্য রাবীর বর্ণনাকে শায হাদীস বলে।

 কিয়াস (قياس): অর্থ অনুমান, পরিমাপ, তুলনা ইত্যাদি। পরিভাষায়: শাখাকে মূলের সঙ্গে তুলনা করা, যার ফলে শাখা ও মূল একই হুকুমের অমত্মর্ভুক্ত হয়ে যায়।

তাক্বলীদ (تقليد): দলীল উল্লেখ ছাড়াই কোন ব্যক্তির মতামতকে গ্রহণ করা।

ইজতিহাদ (اجتهاد): উদ্দিষ্ট জ্ঞান অর্জনের প্রচেষ্টা চালানোকে ইজতিহাদ বলে।

শরীয়াত (شريعة): অর্থ: আইন, বিধান, পথ, পন্থা ইত্যাদি। পরিভাষায়: মহান আল্লাহ্‌ স্বীয় দীন হতে বান্দার জন্য যা বিধিবদ্ধ করে দিয়েছেন তাকে শরীয়াত বলে।

মাযহাব (مذهب): অর্থ- মত, পথ, মতবাদ ইত্যাদি। ফিক্বহী পরিভাষায়: ইবাদাত ও মু‘আমালাতের ক্ষেত্রে শারঈ হুকুম পালনের জন্য বান্দা যে পথ অনুসরণ করে এবং প্রত্যেক দলের জন্য একজন ইমামের উপর অথবা ইমামের ওসীয়ত কিংবা ইমামের প্রতিনিধির উপর নির্ভর করে তাকে মাযহাব বলে।

নাযর (نذر): কোন বিষয়ে উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য চিন্তা-ভাবনা করাকে নাযর বলে।

আম (عام): সীমাবদ্ধ করা ছাড়াই যা দুই বা ততোধিক বিষয়কে অন্তর্ভুক্ত করে তাকে আম বলে।

খাস (خاص): আম এর বিপরীত, যা নির্দিষ্ট বিষয়কে অন্তর্ভুক্ত করে।

ইজমা (اجماع): কোন এক যুগে আলিমদের কোন শারঈ বিষয়ের উপর এক মত পোষণ করাকে ইজমা বলে।

মুসনাদ (مسند): যার সনদগুলো পরস্পর এমনভাবে মিলিত যে, প্রত্যেকের বর্ণনা সুস্পষ্ট।

ফিক্বহ (فقه): ইজতিহাদ বা গবেষণার পদ্ধতিতে শারঈ হুকুম সম্পর্কে জানার বিধানকে ফিক্বহ বলে।

আসল বা মূল (اصل): এমন প্রথম বিষয়, যার উপর ভিত্তি করে কোন কিছু গড়ে উঠে। যেমন- দেয়ালের ভিত্তি।

ফারা বা শাখা (فرع): আসলের বিপরীত যা কোন ভিত্তির উপর গড়ে উঠে।

ওয়াজিব (واجب): যা আমল করলে সাওয়াব পাওয়া যাবে আর পরিত্যাগ করলে শাস্তি পাওয়া যাবে।

মানদূব (مندوب): যা আমল করলে সাওয়াব পাওয়া যাবে আর পরিত্যাগ করলে শাস্তি হবে না।

মাহযূর (محظور): যা পরিত্যাগ করলে সাওয়াব পাওয়া যাবে আর আমল করলে শাস্তি পাওয়া যাবে।

মাকরূহ (مكروه): যা পরিত্যাগ করলে সাওয়াব পাওয়া যাবে আর আমল করলে শাস্তি হবে না।

ফাৎওয়া (فتوى): জিজ্ঞাসিত ব্যক্তির নিকট থেকে দলীল ভিত্তিক শারঈ হুকুম সুস্পষ্ট বর্ণনা করে নেয়াকে ফাৎওয়া বলে।

নাসিখ (ناسخ): পরিবর্তিত শারঈ দলীল যা পূববর্তী শারঈ হুকুমকে রহিত করে দেয় তাকে নাসিখ বলে।

মানসূখ (منسوخ): আর যে হুকুমটি রহিত হয়ে যায় সেটাই মানসূখ।

মুতলাক্ব (مطلق): যা প্রকৃতিগত দিক থেকে জাতির সকলকে অন্তর্ভুক্ত  করে কিন্তু অনির্দিষ্টভাবে একটি অর্থকে বুঝায়।

মুকাইয়্যাদ (مقيد): যা মুতলাক্বের বিপরীত অর্থাৎ জাতির সকলকে অন্তর্ভুক্ত  করে না। বরং নির্দিষ্ট একটি অর্থকে বুঝায়।

হাক্বীকাত (حقيقة): শব্দকে আসল অর্থে ব্যবহার করাকে হাক্বীকত বলে। যেমন- সিংহ শব্দটি এক প্রজাতির হিংস্র প্রাণীকে বুঝায়।

মাজায (مجاز): শব্দ যখন আসল অর্থকে অতিক্রম করে তার সাথে সাদৃশ্য রাখে এমন অর্থ প্রকাশ করে তখন তাকে মাজায বলে। যেমন- সাহসী লোককে সিংহের সাথে তুলনা করা।

হাদিসের পরিসংখ্যান

সর্বমোট হাদিস পাওয়া গেছেঃ [3610] টি | অধ্যায়ঃ ২৫/ জিহাদের ফযীলত (كتاب فضائل الجهاد عن رسول الله ﷺ)
গ্রন্থঃ সূনান তিরমিজী (ইফাঃ) | দেখানো হচ্ছে   [1641]  থেকে  [1650]  পর্যন্ত
প্রতি পাতাতে টি হাদিস

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সূনান তিরমিজী (ইফাঃ)
অধ্যায়ঃ ২৫/ জিহাদের ফযীলত (كتاب فضائل الجهاد عن رسول الله ﷺ)
হাদিস নম্বরঃ ১৬৪১ | 1641 | ۱٦٤۱

পরিচ্ছদঃ আল্লাহ্‌র পথে থেকে যার কিছু পরিমাণ চুলও সাদা হয়।

১৬৪১। ইসহাক ইবনু মানসুর (রহঃ) ... আমর ইবনু আবাসা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আল্লাহর পথে যে ব্যক্তির সামান্য চুলও সাদা হবে তার জন্য কিয়ামতের দিন বিশেষ প্রকারের নূর হবে। সহীহ, তা'লীকুর রাগীব ২/১৭১, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৬৩৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]

এ হাদীসটি হাসান-সহীহ-গারীব। হায়ওয়া ইবনু শুরায়হ (রহঃ) হলেন, ইবনু ইয়াযীদ হিমসী।



হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

Narrated Amr bin 'Abasah:

That the Messenger of Allah (ﷺ) said: "Whoever develops some gray hair in the cause of Allah, it shall be a light for him in the Day of Judgement.

[Abu 'Eisa said:] This Hadith is Hasan Sahih Gharib. As for Haiwah bin Shuraih, (the remainder of his name is) Ibn Yazid Al-Himsi.

باب مَا جَاءَ فِي فَضْلِ مَنْ شَابَ شَيْبَةً فِي سَبِيلِ اللَّهِ ‏‏

حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ مَنْصُورٍ الْمَرْوَزِيُّ، أَخْبَرَنَا حَيْوَةُ بْنُ شُرَيْحٍ الْحِمْصِيُّ، عَنْ بَقِيَّةَ، عَنْ بَحِيرِ بْنِ سَعْدٍ، عَنْ خَالِدِ بْنِ مَعْدَانَ، عَنْ كَثِيرِ بْنِ مُرَّةَ، عَنْ عَمْرِو بْنِ عَبَسَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ مَنْ شَابَ شَيْبَةً فِي سَبِيلِ اللَّهِ كَانَتْ لَهُ نُورًا يَوْمَ الْقِيَامَةِ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ غَرِيبٌ ‏.‏ وَحَيْوَةُ بْنُ شُرَيْحِ ابْنُ يَزِيدَ الْحِمْصِيُّ ‏.‏

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সূনান তিরমিজী (ইফাঃ)
অধ্যায়ঃ ২৫/ জিহাদের ফযীলত (كتاب فضائل الجهاد عن رسول الله ﷺ)
হাদিস নম্বরঃ ১৬৪২ | 1642 | ۱٦٤۲

পরিচ্ছদঃ যে ব্যক্তি আল্লাহ্‌র পথে ঘোড়া বেঁধে রাখে।

১৬৪২। কুতায়বা (রহঃ) ... আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আল্লাহ তা‘আলা কিয়ামত পর্যন্তের জন্য ঘোড়ার কপালে কল্যাণ বেঁধে দিয়েছেন। ঘোড়া হলো তিন রকমের লোকের। একজনের জন্য তা সওয়াবের উপায়। আর একজনের জন্য হলো তা পর্দা স্বরূপ। আরেক জনের জন্য তা পাপের কারণ। সওয়াবের উপায় হলো সে ব্যক্তির জন্য যে ব্যক্তি একে জিহাদের উদ্দেশ্যে আল্লাহ পথে লালন পালন করে এবং প্রস্তত রাখে। এটি তার জন্য হলো সওয়াবের উপায়। এর পেটে যা কিছুই যায় সবকিছুর বিনিময়ে আল্লাহ তার জন্য সওয়াব লিপিবদ্ধ করেন। সহীহ, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৬৩৬ [আল মাদানী প্রকাশনী]

ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান-সহীহ। মালিক (রহঃ) যায়দ ইবনু আসলাম-আবূ সালিহ-আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু-নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে এই হাদীসটির অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।



হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

Narrated Abu Hurairah:

That the Messenger of Allah (ﷺ) said: "The forelocks of horses contain good until the Day of Judgement. The horse is for three (purposes): It is for one man a reward, and it is for one man a shelter (from poverty), and it is from one man a burden. As for the one who acquires it for the cause of Allah and then prepares it for that; it is for him a reward, nothing disappears into its stomach except that Allah writes it for him as a reward."

[Abu 'Eisa said:] This Hadith is Hasan Sahih. Malik bin Anas narrated similar to this Hadith from Zaid bin Aslam from Abu Salih from Abu Hurairah, from the Prophet (ﷺ).

باب مَا جَاءَ فِي فَضْلِ مَنِ ارْتَبَطَ فَرَسًا فِي سَبِيلِ اللَّهِ

حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ مُحَمَّدٍ، عَنْ سُهَيْلِ بْنِ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ الْخَيْلُ مَعْقُودٌ فِي نَوَاصِيهَا الْخَيْرُ إِلَى يَوْمِ الْقِيَامَةِ الْخَيْلُ لِثَلاَثَةٍ هِيَ لِرَجُلٍ أَجْرٌ وَهِيَ لِرَجُلٍ سِتْرٌ وَهِيَ عَلَى رَجُلٍ وِزْرٌ فَأَمَّا الَّذِي لَهُ أَجْرٌ فَالَّذِي يَتَّخِذُهَا فِي سَبِيلِ اللَّهِ فَيُعِدُّهَا لَهُ هِيَ لَهُ أَجْرٌ لاَ يَغِيبُ فِي بُطُونِهَا شَيْءٌ إِلاَّ كَتَبَ اللَّهُ لَهُ أَجْرًا ‏"‏ ‏.‏ وَفِي الْحَدِيثِ قِصَّةٌ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏ وَقَدْ رَوَى مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ عَنْ زَيْدِ بْنِ أَسْلَمَ عَنْ أَبِي صَالِحٍ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم نَحْوَ هَذَا ‏.‏

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সূনান তিরমিজী (ইফাঃ)
অধ্যায়ঃ ২৫/ জিহাদের ফযীলত (كتاب فضائل الجهاد عن رسول الله ﷺ)
হাদিস নম্বরঃ ১৬৪৩ | 1643 | ۱٦٤۳

পরিচ্ছদঃ আল্লাহ্‌র পথে তীর নিক্ষেপের ফযীলত।

১৬৪৩। আহমাদ ইবনু মানী‘ (রহঃ) ... আবদুল্লাহ ইবনু আবদুর রহমান ইবনু আবূ হুসায়ন (রহঃ) থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আল্লাহ তা‘আলা একটি তীরের কারণে তিন ব্যক্তিকে জান্নাতে দাখিল করবেন-এর নির্মাতা, এর নির্মাণের সময় যে ছওয়াবের আশা করেছিল; নিক্ষেপকারী এবং নিক্ষেপে সাহায্যকারী। তিনি বলেন, তোমরা তীর নিক্ষেপ কর এবং আরোহণ কর। কেবল আরোহী হওয়া অপেক্ষা তীরন্দাজ হওয়া আমার নিকট অধিক প্রিয়। মুসলিম ব্যক্তি যে ক্রীড়া-কৌতুক করে সবই বাতিল। তবে ধনুক দিয়ে তীর নিক্ষেপ, অশ্বকে শিক্ষা প্রদান, আর স্ত্রীর সঙ্গে কৌতুক করা এর অন্তর্ভুক্ত নয়। কারণ এগুলো হলো ন্যায় ও হকের অন্তর্ভুক্ত।

যঈফ, ইবনু মাজাহ ২৮১১, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৬৩৭ [আল মাদানী প্রকাশনী]

আহমাদ ইবনু মানী‘ (রহঃ) ... উকবা ইবনু আমির রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও এরূপ বর্ণিত আছে। এ বিষয়ে কা‘ব ইবনু মুররা, আমর ইবনু আবাসা এবং আবদুল্লাহ ইবনু আমর রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান-সহীহ।



হাদিসের মানঃ  যঈফ (Dai'f)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

Narrated 'Abdullah bin 'Abdur-Rahman bin Abu Husain:

That the Messenger of Allah (ﷺ) said: "Indeed, Allah will surely admit three into Paradise by a single arrow. Its maker who seeks good by his making it, the one who shoots it, and the one who holds arrows for him." And he said: "Practice archery and practice riding, and the you should practice archery is more beloved to me than that you should ride. All idle pastimes that the Muslim man engages in are falsehood, except for his shooting of his bow, his training of his horse, and his playing with his wife, for they are from truth."

Another chain from 'Abdullah bin Al-Azraq, from 'Uqbah bin 'Amir [Al-Juhani] from the Prophet (ﷺ) with similar meaning.

[Abu 'Eisa said:] There are narrations on this topic from Ka'b bin Murrah, 'Amr bin 'Abasah, and 'Abdullah bin 'Amr. This Hadith is Hasan Sahih.

باب مَا جَاءَ فِي فَضْلِ الرَّمْىِ فِي سَبِيلِ اللَّهِ

حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مَنِيعٍ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي حُسَيْنٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏"‏ إِنَّ اللَّهَ لَيُدْخِلُ بِالسَّهْمِ الْوَاحِدِ ثَلاَثَةً الْجَنَّةَ صَانِعَهُ يَحْتَسِبُ فِي صَنْعَتِهِ الْخَيْرَ وَالرَّامِيَ بِهِ وَالْمُمِدَّ بِهِ ‏"‏ ‏.‏ وَقَالَ ‏"‏ ارْمُوا وَارْكَبُوا وَلأَنْ تَرْمُوا أَحَبُّ إِلَىَّ مِنْ أَنْ تَرْكَبُوا كُلُّ مَا يَلْهُو بِهِ الرَّجُلُ الْمُسْلِمُ بَاطِلٌ إِلاَّ رَمْيَهُ بِقَوْسِهِ وَتَأْدِيبَهُ فَرَسَهُ وَمُلاَعَبَتَهُ أَهْلَهُ فَإِنَّهُنَّ مِنَ الْحَقِّ ‏"‏ ‏.‏
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مَنِيعٍ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، أَخْبَرَنَا هِشَامٌ الدَّسْتَوَائِيُّ، عَنْ يَحْيَى بْنِ أَبِي كَثِيرٍ، عَنْ أَبِي سَلاَّمٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الأَزْرَقِ، عَنْ عُقْبَةَ بْنِ عَامِرٍ الْجُهَنِيِّ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم مِثْلَهُ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى وَفِي الْبَابِ عَنْ كَعْبِ بْنِ مُرَّةَ وَعَمْرِو بْنِ عَبَسَةَ وَعَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو ‏.‏ وَهَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ ‏.‏

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সূনান তিরমিজী (ইফাঃ)
অধ্যায়ঃ ২৫/ জিহাদের ফযীলত (كتاب فضائل الجهاد عن رسول الله ﷺ)
হাদিস নম্বরঃ ১৬৪৪ | 1644 | ۱٦٤٤

পরিচ্ছদঃ আল্লাহ্‌র পথে তীর নিক্ষেপের ফযীলত।

১৬৪৪। মুহাম্মদ ইবনু বাশশার (রহঃ) ... আবূ নাজীহ আস সুলামী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি, যে ব্যক্তি আল্লাহর পথে একটি তীর নিক্ষেপ করবে সে দাস আযাদকারীর সমান ছওয়াব পাবে। সহীহ, ইবনু মাজাহ ২৮১২, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৬৩৮ [আল মাদানী প্রকাশনী]

এই হাদীসটি হাসান-সহীহ। আবূ নাজীহ রাদিয়াল্লাহু আনহু হলেন, ‘আমর ইবনু আবাসা সুলামী। আবদুল্লাহ ইবনু আযরাক হলেন, আবদুল্লাহ ইবনু ইয়াযীদ (রহঃ)।



হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

Narrated Abu Najih As-Sulami:

I heard the Messenger of Allah (ﷺ) say: "Whoever shoots an arrow in the cause of Allah, then he has the reward of freeing a slave."

[Abu 'Eisa said:] This Hadith is Hasan Sahih. Abu Najih is 'Amr bin 'Abasah As-Sulami, and 'Abdullah bin Al-Azraq is 'Abdullah bin Zaid.

باب مَا جَاءَ فِي فَضْلِ الرَّمْىِ فِي سَبِيلِ اللَّهِ

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا مُعَاذُ بْنُ هِشَامٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ سَالِمِ بْنِ أَبِي الْجَعْدِ، عَنْ مَعْدَانَ بْنِ أَبِي طَلْحَةَ، عَنْ أَبِي نَجِيحٍ السُّلَمِيِّ، رضى الله عنه قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ ‏ "‏ مَنْ رَمَى بِسَهْمٍ فِي سَبِيلِ اللَّهِ فَهُوَ لَهُ عَدْلُ مُحَرَّرٍ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ صَحِيحٌ ‏.‏ وَأَبُو نَجِيحٍ هُوَ عَمْرُو بْنُ عَبَسَةَ السُّلَمِيُّ وَعَبْدُ اللَّهِ بْنُ الأَزْرَقِ هُوَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ زَيْدٍ ‏.‏

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সূনান তিরমিজী (ইফাঃ)
অধ্যায়ঃ ২৫/ জিহাদের ফযীলত (كتاب فضائل الجهاد عن رسول الله ﷺ)
হাদিস নম্বরঃ ১৬৪৫ | 1645 | ۱٦٤۵

পরিচ্ছদঃ আল্লাহ্‌র পথে পাহারার ফযীলত।

১৬৪৫। নাসর ইবনু আলী জাহযামী (রহঃ) ... ইবনু আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলতে শুনেছি যে, জাহান্নাম স্পর্শ করবে না দুটি চোখ-যে চোখ আল্লাহর ভয়ে কাঁদে আর যে চোখ আল্লাহর পথে পাহারা দানে বিনিদ্র রজনী যাপন করে।

সহীহ, মিশকাত ৩৮২৯, তা'লীকুর রাগীব ২/১৫৩, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৬৩৯ [আল মাদানী প্রকাশনী]

এই বিষয়ে উসমান ও আবূ রায়হানা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইবনু আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীসটি হাসান-সহীহ। শুআয়ব ইবনু যুরায়ক (রহঃ)-এর রিওয়ায়াত ছাড়া এটি সম্পর্কে আমরা অবগত নই।



হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

Narrated Ibn 'Abbas:

"I heard the Messenger of Allah (ﷺ) saying, 'There are two eyes that shall not be touched by the Fire: An eye that wept from the fear of Allah, and an eye that spent the night standing on guard in the cause of Allah."

[Abu 'Eisa said:] There are narrations on this topic from 'Uthman and Abu Raihanah.

The Hadith of Ibn 'Abbas is a Hasan Gharib Hadith, we do not know of it except through the narration of Shu'aib bin Ruzaiq.

باب مَا جَاءَ فِي فَضْلِ الْحَرْسِ فِي سَبِيلِ اللَّهِ

حَدَّثَنَا نَصْرُ بْنُ عَلِيٍّ الْجَهْضَمِيُّ، حَدَّثَنَا بِشْرُ بْنُ عُمَرَ، حَدَّثَنَا شُعَيْبُ بْنُ رُزَيْقٍ أَبُو شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا عَطَاءٌ الْخُرَاسَانِيُّ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ أَبِي رَبَاحٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ ‏ "‏ عَيْنَانِ لاَ تَمَسُّهُمَا النَّارُ عَيْنٌ بَكَتْ مِنْ خَشْيَةِ اللَّهِ وَعَيْنٌ بَاتَتْ تَحْرُسُ فِي سَبِيلِ اللَّهِ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى وَفِي الْبَابِ عَنْ عُثْمَانَ وَأَبِي رَيْحَانَةَ ‏.‏ وَحَدِيثُ ابْنِ عَبَّاسٍ حَدِيثٌ حَسَنٌ لاَ نَعْرِفُهُ إِلاَّ مِنْ حَدِيثِ شُعَيْبِ بْنِ رُزَيْقٍ ‏.‏

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সূনান তিরমিজী (ইফাঃ)
অধ্যায়ঃ ২৫/ জিহাদের ফযীলত (كتاب فضائل الجهاد عن رسول الله ﷺ)
হাদিস নম্বরঃ ১৬৪৬ | 1646 | ۱٦٤٦

পরিচ্ছদঃ শহীদের সাওয়াব।

১৬৪৬। ইয়াহইয়া ইবনু তালহা কূফী (রহঃ) ... আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আল্লাহর পথে নিহত হওয়া সকল গুনাহের কাফফারা। জিবরাঈল (আঃ) তখন বললেন, ঋণ ছাড়া। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, ঋণ ছাড়া (অন্য সব কিছুর জন্য)।

সহীহ, মুসলিম ইবনু উমর হতে, ইরওয়া ১১৯৬, গায়াতুল মারাম ৩৫১, তাখরীজুল মুশকিলাতুল ফাকর ৬৭, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৬৪০ [আল মাদানী প্রকাশনী]

এই বিষয়ে কা‘ব ইবনু ‘উজরা, জাবির, আবূ হুরায়রা, আবূ কাতিাদা রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীসটি গারীব। এই ওস্তাদ (শায়খ) ইয়াহইয়া ইবনু তালহা কুফী ছাড়া আবূ বাকর ইবনু আয়্যাশ-এর রিওয়ায়অত হিসাবে এটি সম্পর্কে আমাদের কিছু জানা নেই। মুহাম্মদ ইবনু ইসমাঈল বুখারী (রহঃ)-কে এই হাদীসটি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম তিনি এটি বলতে পারেন নি। তিনি বললেন, আমার মনে হয় তিনি হয়ত হুমায়দ-আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে বর্ণিত নিম্নের হাদীসটিকে বুঝাতে চেয়েছেন। নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, কোন জান্নাতী ব্যক্তিকেই দুনিয়াতে ফিরে আসা আনন্দিত করবে না, শহীদ ছাড়া।



হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

Narrated Anas:

That the Messenger of Allah (ﷺ) said: "Dying in the cause of Allah expiates every sin." Jibril said: "Except for debt." So the Messenger of Allah (ﷺ) said: "Except the debt."

[Abu 'Eisa said:] There are narrations on this topic from Ka'b bin 'Ujrah, Jabir, Abu Hurairah, and Abu Qatadah. This Hadith is Gharib, we do not know of it as a Hadith of Abu Bakr (a narrator) except from this Shaikh (Yahya bin Talhah)

He said: I asked Muhammad bin Isma'il about this Hadith and he did not know it. He said: "I think that he intended the Hadith of Humaid, from Anas, from the Prophet (ﷺ) that he said: 'There is none from the people of Paradise who would like to return to the world except for the martyr.'"

باب مَا جَاءَ فِي ثَوَابِ الشُّهَدَاءِ

حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ طَلْحَةَ الْيَرْبُوعِيُّ الْكُوفِيُّ، حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ عَيَّاشٍ، عَنْ حُمَيْدٍ، عَنْ أَنَسٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ الْقَتْلُ فِي سَبِيلِ اللَّهِ يُكَفِّرُ كُلَّ خَطِيئَةٍ ‏"‏ ‏.‏ فَقَالَ جِبْرِيلُ إِلاَّ الدَّيْنَ ‏.‏ فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ إِلاَّ الدَّيْنَ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى وَفِي الْبَابِ عَنْ كَعْبِ بْنِ عُجْرَةَ وَجَابِرٍ وَأَبِي هُرَيْرَةَ وَأَبِي قَتَادَةَ ‏.‏ وَهَذَا حَدِيثٌ غَرِيبٌ لاَ نَعْرِفُهُ مِنْ حَدِيثِ أَبِي بَكْرٍ إِلاَّ مِنْ حَدِيثِ هَذَا الشَّيْخِ ‏.‏ قَالَ وَسَأَلْتُ مُحَمَّدَ بْنَ إِسْمَاعِيلَ عَنْ هَذَا الْحَدِيثِ فَلَمْ يَعْرِفْهُ وَقَالَ أُرَى أَنَّهُ أَرَادَ حَدِيثَ حُمَيْدٍ عَنْ أَنَسٍ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّهُ قَالَ ‏"‏ لَيْسَ أَحَدٌ مِنْ أَهْلِ الْجَنَّةِ يَسُرُّهُ أَنْ يَرْجِعَ إِلَى الدُّنْيَا إِلاَّ الشَّهِيدُ ‏"‏ ‏.‏

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সূনান তিরমিজী (ইফাঃ)
অধ্যায়ঃ ২৫/ জিহাদের ফযীলত (كتاب فضائل الجهاد عن رسول الله ﷺ)
হাদিস নম্বরঃ ১৬৪৭ | 1647 | ۱٦٤۷

পরিচ্ছদঃ শহীদের সাওয়াব।

১৬৪৭। ইবনু আবূ ‘উমর (রহঃ) ... কা‘ব ইবনু মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন শহীদের রূহ সবুজ বর্ণের পাখির মধ্যে অবস্থান করে জান্নাতের ফল আহার করে। অথবা রাবী বলেছেন, বৃক্ষ থেকে আহার করে। সহীহ, ইবনু মাজাহ ৪২৭১, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৬৪১ [আল মাদানী প্রকাশনী]

ইমাম ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান-সহীহ।



হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

Narrated Ka'b bin Malik:

From his father that the Messenger of Allah (ﷺ) said: "The souls of the martyrs are in green birds, suspended from the fruit of Paradise, or the trees of Paradise."

[Abu 'Eisa said:] This Hadith is Hasan Sahih.

باب مَا جَاءَ فِي ثَوَابِ الشُّهَدَاءِ

حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي عُمَرَ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ عَمْرِو بْنِ دِينَارٍ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنِ ابْنِ كَعْبِ بْنِ مَالِكٍ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ إِنَّ أَرْوَاحَ الشُّهَدَاءِ فِي طَيْرٍ خُضْرٍ تَعْلُقُ مِنْ ثَمَرَةِ الْجَنَّةِ أَوْ شَجَرِ الْجَنَّةِ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সূনান তিরমিজী (ইফাঃ)
অধ্যায়ঃ ২৫/ জিহাদের ফযীলত (كتاب فضائل الجهاد عن رسول الله ﷺ)
হাদিস নম্বরঃ ১৬৪৮ | 1648 | ۱٦٤۸

পরিচ্ছদঃ শহীদের সাওয়াব।

১৬৪৮। মুহাম্মদ ইবনু বাশশার (রহঃ) ... আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, প্রথম যে তিনজন জান্নাতে প্রবেশ করবে তাদেরকে আমার সামনে পেশ করা হয়েছে, শহীদ পাপমুক্ত ও হারাম থেকে নিবৃত্ত, সেই দাস যে আল্লাহর ইবাদতও সুন্দরভাবে করেছে এবং মালিকদেরও কল্যাণ সাধন করেছেন।

যঈফ, তা'লীকুর রাগীব ১/২৬৮, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৬৪২ [আল মাদানী প্রকাশনী]

ইমাম ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান-সহীহ।



হাদিসের মানঃ  যঈফ (Dai'f)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

Narrated Abu Hurairah:

That the Messenger of Allah (ﷺ) said, "I was shown the first of (every) three to enter Paradise: A martyr, an 'Atif, who is a Muta'affif, and a slave who perfected his worship of Allah, and was sincere to his masters."

[Abu 'Eisa said:] This Hadith is Hasan.

باب مَا جَاءَ فِي ثَوَابِ الشُّهَدَاءِ

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ عُمَرَ، أَخْبَرَنَا عَلِيُّ بْنُ الْمُبَارَكِ، عَنْ يَحْيَى بْنِ أَبِي كَثِيرٍ، عَنْ عَامِرٍ الْعُقَيْلِيِّ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ عُرِضَ عَلَىَّ أَوَّلُ ثَلاَثَةٍ يَدْخُلُونَ الْجَنَّةَ شَهِيدٌ وَعَفِيفٌ مُتَعَفِّفٌ وَعَبْدٌ أَحْسَنَ عِبَادَةَ اللَّهِ وَنَصَحَ لِمَوَالِيهِ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ ‏.‏

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সূনান তিরমিজী (ইফাঃ)
অধ্যায়ঃ ২৫/ জিহাদের ফযীলত (كتاب فضائل الجهاد عن رسول الله ﷺ)
হাদিস নম্বরঃ ১৬৪৯ | 1649 | ۱٦٤۹

পরিচ্ছদঃ শহীদের সাওয়াব।

১৬৪৯। আলী ইবনু হুজর (রহঃ) ... আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত আছে যে, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে বান্দার আল্লাহর কাছে ছওয়াব সঞ্চিত আছে, সে মারা যাওয়ার পর দুনিয়া এবং তাতে যা কিছু আছে সব কিছুতে তাকে দিলেও সে আর দুনিয়াতে ফিরে আসা পছন্দ করবে না। কিন্তু শহীদের কথা ভিন্ন। সে যখন দেখবে শহীদ হওয়ার কত ফযীলত তখন সে দুনিয়াতে ফিরে আসতে ভালবাসবে যেন সে আল্লাহর পথে আবার কতল হতে পারে। সহীহ, নাসাঈ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৬৪৩ [আল মাদানী প্রকাশনী]

ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান-সহীহ।



হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

Narrated Anas:

That the Prophet (ﷺ), "There is no person who dies having good (prepared for him) with Allah, who wishes to return to the world, and to have the world and all it contains, except for the martyr because of what he knows about the virtue of martyrdom. For, indeed he loves to return to the world so that he may be killed another time."

[Abu 'Eisa said:] This Hadith is Hasan Sahih.

Ibn 'Umar said: "Sufyan bin 'Uyainah said: "Amr bin Dinar was older than Az-Zuhri.'"

باب مَا جَاءَ فِي ثَوَابِ الشُّهَدَاءِ

حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ حُجْرٍ، أَخْبَرَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ جَعْفَرٍ، عَنْ حُمَيْدٍ، عَنْ أَنَسٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّهُ قَالَ ‏ "‏ مَا مِنْ عَبْدٍ يَمُوتُ لَهُ عِنْدَ اللَّهِ خَيْرٌ يُحِبُّ أَنْ يَرْجِعَ إِلَى الدُّنْيَا وَأَنَّ لَهُ الدُّنْيَا وَمَا فِيهَا إِلاَّ الشَّهِيدُ لِمَا يَرَى مِنْ فَضْلِ الشَّهَادَةِ فَإِنَّهُ يُحِبُّ أَنْ يَرْجِعَ إِلَى الدُّنْيَا فَيُقْتَلَ مَرَّةً أُخْرَى ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏ قَالَ ابْنُ أَبِي عُمَرَ قَالَ سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ كَانَ عَمْرُو بْنُ دِينَارٍ أَسَنَّ مِنَ الزُّهْرِيِّ ‏.‏

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সূনান তিরমিজী (ইফাঃ)
অধ্যায়ঃ ২৫/ জিহাদের ফযীলত (كتاب فضائل الجهاد عن رسول الله ﷺ)
হাদিস নম্বরঃ ১৬৫০ | 1650 | ۱٦۵۰

পরিচ্ছদঃ আল্লাহ্‌র কাছে শহীদদের মর্যাদা।

১৬৫০। কুতায়বা (রহঃ) ... উমার ইবনু খাত্তাব রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি যে, শহীদ হলো চার ধরণের, মুমিন ব্যক্তি যার ঈমান অতি উত্তম, শত্রুর সম্মুখীন হয় সে এবং আল্লাহর অঙ্গীকারের উপর দৃঢ় বিশ্বাস রেখে লড়াই করে শেষ পর্যন্ত নিহত হয়, এর দিকেই কিয়ামতের দিন লোকেরা এরূপভাবে তাদের চোখ উপরের দিকে তুলে তাকাবে-এ বলে তিনি তাঁর মাথা উঁচু করে দেখালেন এমনকি মাথা থেকে তাঁর টুপি পড়ে গেল। বর্ণনাকারী বলেন, এখানে উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর টুপির কথা বলা হয়েছে না নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর টুপির কথা বলা হয়েছে আমি তা জানি না। তিনি বলেন, আরেক মুমিন ব্যক্তি, ঈমান যার উত্তম, শত্রুর সম্মুখীন হয় সে। কিন্তু ভিরুতার দরুন তার শরীর এমন ভাবে কাপতে থাকে যে, (মনে হয়) তার চামড়ায় যেন বাবুর গাছের কাটা দিয়ে প্রহার করা হয়েছে। হঠাৎ একটি তীরের আঘাতে সে নিহত হলো, এ হলো দ্বিতীয় দরজার শহীদ। আরেক মুমিন ব্যক্তি যে নিজের মধ্যে কিছু নেক আমল এবং বদ কিছু আমলের মিশ্রণ ঘটিয়েছে। শত্রুর সম্মুখীন হয় সে। আল্লাহর ওয়াদা সমূহের উপর বিশ্বাস রেখে লড়াই করে শেষ পর্যন্ত নিহত হয়। এ হলো তৃতীয় দরজার শহীদ। আরেক মুমিন ব্যক্তি যে নিজের উপর জুলুম করেছে, আল্লাহর ওয়াদা সমূহের উপর বিশ্বাস রেখে লড়াই করে শেষ পর্যন্ত নিহত হয়ে যায়। এ হলো চতুর্থ দরজার শহীদ। যঈফ, মিশকাত, তাহকীক ছানী ৩৮৫৮, যঈফা ২০০৪, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৬৪৪ [আল মাদানী প্রকাশনী]

এই হাদীসটি হাসান-গারীব। আতা ইবনু দীনার (রহঃ)-এর সূত্র ছাড়া এটি সম্পর্কে কিছু জানা যায় না। মুহাম্মদ (রহঃ)-কে বলতে শুনেছি যে, সাঈদ ইবনু আবূ আয়্যূব এই হাদীসটিকে আতা ইবনু দীনার-খাওলান গোত্রের কতক শায়খ (রহঃ) সূত্রে বর্ণনা করেছেন। এতে আবূ ইয়াযীদ (রহঃ)-এর উল্লেখ নেই। তিনি আরো বলেন, আতা ইবনু দীনার (রহঃ) নিষ্কলুষ ব্যক্তি।



হাদিসের মানঃ  যঈফ (Dai'f)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

Narrated Fadalah bin 'Ubaid:

That he heard 'Umar bin Al-Khattab saying: "I heard the Messenger of Allah (ﷺ) saying: 'The martyrs are four: A believing man whose faith is good, he meets the enemy and proves faithful to Allah until he is killed. That is the one to whom the people will raise up their eyes like this on the Day of Judgement' and he raised his head until his Qalansuwah fell - [he said:] I do not know if it was 'Umar's Qalansuwah or the Qalansuwah of the Prophet (ﷺ) that fell - he said, 'And a believing man whose faith is good (but not as brave as first), he meets the enemy, but due to cowardice, it only appears that he was struck with a thorn of an acacia tree when an unexpected arrow comes to him, yet it kills him. He is among the second level. And a believing man who has mixed righteous deed with another evil one, he meets his enemy and proves faithful to Allah until he is killed. This one is in the third level. And a believing man who wasted himself (in wrongdoing), he meets the enemy and proves faithful to Allah until he is killed. This one is in the fourth level.'"

[Abu 'Eisa said:] This Hadith is Hasan Gharib, it is not known except as a narration of 'Ata bin Dinar.

He said: I heard Muhammad saying: "Sa'eed bin Abi Ayyub reported this Hadith from 'Ata bin Dinar - from some Shaikhs of Khawlan - and he did not mention 'from Abu Yazid' in it." And he said: "'Ata bin Dinar; there is no harm in him."

باب مَا جَاءَ فِي فَضْلِ الشُّهَدَاءِ عِنْدَ اللَّهِ

حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، حَدَّثَنَا ابْنُ لَهِيعَةَ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ دِينَارٍ، عَنْ أَبِي يَزِيدَ الْخَوْلاَنِيِّ، أَنَّهُ سَمِعَ فَضَالَةَ بْنَ عُبَيْدٍ، يَقُولُ سَمِعْتُ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ، يَقُولُ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ ‏"‏ الشُّهَدَاءُ أَرْبَعَةٌ رَجُلٌ مُؤْمِنٌ جَيِّدُ الإِيمَانِ لَقِيَ الْعَدُوَّ فَصَدَقَ اللَّهَ حَتَّى قُتِلَ فَذَلِكَ الَّذِي يَرْفَعُ النَّاسُ إِلَيْهِ أَعْيُنَهُمْ يَوْمَ الْقِيَامَةِ هَكَذَا ‏"‏ ‏.‏ وَرَفَعَ رَأْسَهُ حَتَّى وَقَعَتْ قَلَنْسُوَتُهُ ‏.‏ قَالَ فَمَا أَدْرِي أَقَلَنْسُوَةَ عُمَرَ أَرَادَ أَمْ قَلَنْسُوَةَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏"‏ وَرَجُلٌ مُؤْمِنٌ جَيِّدُ الإِيمَانِ لَقِيَ الْعَدُوَّ فَكَأَنَّمَا ضُرِبَ جِلْدُهُ بِشَوْكِ طَلْحٍ مِنَ الْجُبْنِ أَتَاهُ سَهْمٌ غَرْبٌ فَقَتَلَهُ فَهُوَ فِي الدَّرَجَةِ الثَّانِيَةِ وَرَجُلٌ مُؤْمِنٌ خَلَطَ عَمَلاً صَالِحًا وَآخَرَ سَيِّئًا لَقِيَ الْعَدُوَّ فَصَدَقَ اللَّهَ حَتَّى قُتِلَ فَذَلِكَ فِي الدَّرَجَةِ الثَّالِثَةِ وَرَجُلٌ مُؤْمِنٌ أَسْرَفَ عَلَى نَفْسِهِ لَقِيَ الْعَدُوَّ فَصَدَقَ اللَّهَ حَتَّى قُتِلَ فَذَلِكَ فِي الدَّرَجَةِ الرَّابِعَةِ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ غَرِيبٌ لاَ نَعْرِفُهُ إِلاَّ مِنْ حَدِيثِ عَطَاءِ بْنِ دِينَارٍ ‏.‏ قَالَ سَمِعْتُ مُحَمَّدًا يَقُولُ قَدْ رَوَى سَعِيدُ بْنُ أَبِي أَيُّوبَ هَذَا الْحَدِيثَ عَنْ عَطَاءِ بْنِ دِينَارٍ وَقَالَ عَنْ أَشْيَاخٍ مِنْ خَوْلاَنَ وَلَمْ يَذْكُرْ فِيهِ عَنْ أَبِي يَزِيدَ ‏.‏ وَقَالَ عَطَاءُ بْنُ دِينَارٍ لَيْسَ بِهِ بَأْسٌ‏.‏

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

হাদিস দেখানো হচ্ছে   [1641]  থেকে  [1650]  পর্যন্ত এবং সর্বমোট   [3610]  টি হাদিস পাওয়া গেছে।