• ৭১৯৬৩ টি সর্বমোট হাদিস আছেঃ
  • ৮০৩৩ টি প্রশ্নোত্তর ও ফিকাহঃ

 

 

 

 


হাদীস (حَدِيْث) এর শাব্দিক অর্থ: নতুন, প্রাচীন ও পুরাতন এর বিপরীত বিষয়। এ অর্থে যে সব কথা, কাজ ও বস্ত্ত পূর্বে ছিল না, এখন অস্তিত্ব লাভ করেছে  তাই হাদীস। এর আরেক অর্থ হলো: কথা। ফক্বীহগণের পরিভাষায় নাবী কারীম () আল্লাহ্‌র রাসূল হিসেবে যা কিছু বলেছেন, যা কিছু করেছেন এবং যা কিছু বলার বা করার অনুমতি দিয়েছেন অথবা সমর্থন জানিয়েছেন তাকে হাদীস বলা হয়। কিন্তু মুহাদ্দিসগণ এর সঙ্গে রাসুলুল্লাহ () সম্পর্কিত বর্ণনা ও তার গুণাবলী সম্পর্কিত বিবরণকেও হাদীসের অন্তর্ভুক্ত করেন। এ হিসেবে হাদীসকে প্রাথমিক পর্যায়ে তিন শ্রেণীতে ভাগ করা যায়:

১। ক্বওলী হাদীস: কোন বিষয়ে রাসুলুল্লাহ () যা বলেছেন, অর্থাৎ যে হাদীসে তাঁর কোন কথা বিবৃত হয়েছে তাকে ক্বওলী (বাণী সম্পর্কিত) হাদীস বলা হয়।

২। ফেলী হাদীস: মহানাবী ()-এর কাজকর্ম, চরিত্র ও আচার-আচরণের ভেতর দিয়েই ইসলামের যাবতীয় বিধি-বিধান ও রীতিনীতি পরিস্ফুট হয়েছে। অতএব যে হাদীসে তাঁর কোন কাজের বিবরণ উল্লেখিত হয়েছে তাকে ফে’লী (কর্ম সম্পর্কিত) হাদীস বলা হয়।

৩। তাকরীরী হাদীস: সাহাবীগণের যে সব কথা বা কাজ নাবী কারীম ()-এর অনুমোদন ও সমর্থন প্রাপ্ত হয়েছে, সে ধরনের কোন কথা বা কাজের বিবরণ হতেও শরীয়াতের দৃষ্টিভঙ্গি জানা যায়। অতএব যে হাদীসে এ ধরনের কোন ঘটনার বা কাজের উল্লেখ পাওয়া যায় তাকে তাকরীরী (সমর্থন মূলক) হাদীস বলে।

সুন্নাহ (السنة): হাদীসের অপর নাম সুন্নাহ্ (السنة) সুন্নাত শব্দের অর্থ চলার পথ, কর্মের নীতি ও পদ্ধতি। যে পন্থা ও রীতি নাবী কারীম () অবলম্বন করতেন তাকে সুন্নাত বলা হয়। অন্য কথায় রাসুলুল্লাহ () প্রচারিত উচ্চতম আদর্শই সুন্নাত। কুরআন মাজিদে মহত্তম ও সুন্দরতম আদর্শ (أُسْوَةٌ حَسَنَةٌ) বলতে এই সুন্নাতকেই বুঝানো হয়েছে।

খবর (خبر): হাদীসকে আরবী ভাষায় খবরও (خبر) বলা হয়। তবে খবর শব্দটি হাদীস ও ইতিহাস উভয়টিকেই বুঝায়।

আসার (أثر ): আসার শব্দটিও কখনও কখনও রাসুলুল্লাহ () এর হাদীসকে নির্দেশ করে। কিন্তু অনেকেই হাদীস ও আসার এর মধ্যে কিছু পার্থক্য করে থাকেন। তাঁদের মতে- সাহাবীগণ থেকে শরীয়াত সম্পর্কে যা কিছু উদ্ধৃত হয়েছে তাকে আসার বলে।

 

ইলমে হাদীসের কতিপয় পরিভাষা

সাহাবী (صحابى):  যিনি ঈমানের সঙ্গে রাসুলুল্লাহ () এর সাহচর্য লাভ করেছেন এবং ঈমানের সঙ্গে মৃত্যুবরণ করেছেন তাঁকে রাসুলুল্লাহ ()-এর সাহাবী বলা হয়।

তাবেঈ (تابعى) : যিনি রাসুলুল্লাহ ()-এর কোন সাহাবীর নিকট হাদীস শিক্ষা করেছেন অথবা অন্ততপক্ষে তাঁকে দেখেছেন এবং মুসলমান হিসেবে মৃত্যুবরণ করেছেন তাঁকে তাবেঈ বলা হয়।

তাবে-তাবেঈ (تابعى تابع) : যিনি  কোন তাবেঈ এর নিকট হাদীস শিক্ষা করেছেন অথবা অন্ততপক্ষে তাঁকে দেখেছেন এবং মুসলমান হিসেবে মৃত্যুবরণ করেছেন তাঁকে তাবে-তাবেঈ বলা হয়।

মুহাদ্দিস (محدث) : যিনি হাদীস চর্চা করেন এবং বহু সংখ্যক হাদীসের সনদ ও মতন সম্পর্কে বিশেষ জ্ঞান রাখেন তাঁকে মুহাদ্দিস বলা হয়।

শাইখ (شيخ) : হাদীসের শিক্ষাদাতা রাবীকে শায়খ বলা হয়।

শাইখান (شيخان) : সাহাবীগনের মধ্যে আবূ বকর (রাঃ) ও উমর  (রাঃ)- কে একত্রে শাইখান বলা হয়। কিন্তু হাদীস শাস্ত্রে ইমাম বুখারী (রাহি.) ও ইমাম মুসলিম (রাহি.)-কে এবং ফিক্বহ-এর পরিভাষায় ইমাম আবূ হানীফা (রাহি.) ও আবূ ইউসুফ (রাহি.)-কে একত্রে শাইখান বলা হয়। 

হাফিয (حافظ) : যিনি সনদ ও মতনের বৃত্তান্ত সহ এক লাখ হাদীস আয়ত্ত করেছেন তাঁকে হাফিয বলা হয়।

হুজ্জাত (حجة) : অনুরূপভাবে যিনি তিন লক্ষ হাদীস আয়ত্ত করেছেন তাঁকে হুজ্জাত বলা হয়।  

হাকিম (حاكم) : যিনি সব হাদীস আয়ত্ত করেছেন তাকে হাকিম বলা হয়।

রিজাল (رجال) : হাদীসের রাবী সমষ্টিকে রিজাল বলে। যে শাস্ত্রে রাবীগণের জীবনী বর্ণনা করা হয়েছে তাকে আসমাউর-রিজাল বলা হয়।                                                                                 

রিওয়ায়াত (رواية): হাদীস বর্ণনা করাকে রিওয়ায়াত বলে। কখনও কখনও মূল হাদীসকেও রিওয়ায়াত বলা হয়। যেমন- এই কথার সমর্থনে একটি রিওয়ায়াত (হাদীস) আছে।                           

সনদ (سند): হাদীসের মূল কথাটুকু যে সূত্র পরম্পরায় গ্রন্থ সংকলনকারী পর্যন্ত পৌঁছেছে তাকে সনদ বলা হয়। এতে হাদীস বর্ণনাকারীদের নাম একের পর এক সজ্জিত থাকে।

মতন (متن): হাদীসে মূল কথা ও তার শব্দ সমষ্টিকে মতন বলে।

মারফূ (مرفوع): যে হাদীসের সনদ (বর্ণনা পরম্পরা) রাসুলুল্লাহ () পর্যন্ত পৌঁছেছে  তাকে মারফূ হাদীস বলে।

মাওকূফ (موقوف) : যে হাদীসের বর্ণনা- সূত্র ঊর্ধ্ব দিকে সাহাবী পর্যন্ত পৌঁছেছে , অর্থাৎ যে সনদ -সূত্রে কোন সাহাবীর কথা বা কাজ বা অনুমোদন বর্ণিত হয়েছে তাকে মাওকূফ হাদীস বলে। এর অপর নাম আসার।

মাকতূ (مقطوع): যে হাদীসের সনদ কোন তাবেঈ পর্যন্ত পৌঁছেছে, তাকে মাকতূ হাদীস বলা হয়।

তালীক (تعليق): কোন কোন গ্রন্থকার হাদীসের পূর্ণ সনদ বাদ দিয়ে কেবল মূল হাদীস বর্ণনা করেছেন। এরূপ করাকে তা’লীক বলা হয়।

মুদাল্লাস (مدلس): যে হাদীসের রাবী নিজের প্রকৃত শাইখের (উস্তাদের) নাম উল্লেখ না করে তার উপরস্থ শাইখের নামে এভাবে হাদীস বর্ণনা করেছেন যাতে মনে হয় যে, তিনি নিজেই উপরস্থ শাইখের নিকট তা শুনেছেন অথচ তিনি তাঁর নিকট সেই হাদীস শুনেন নি- সে হাদীসকে মুদাল্লাস হাদীস এবং এইরূপ করাকে ‘তাদ্লীস’ আর যিনি এইরূপ করেন তাকে মুদালস্নীস বলা হয়।

মুযতারাব (مضطرب): যে হাদীসের রাবী হাদীসের মতন ও সনদকে বিভিন্ন প্রকারে বর্ণনা করেছেন সে হাদীসকে হাদীসে মুযতারাব বলা হয়। যে পর্যন্ত না এর কোনরূপ সমন্বয় সাধন সম্ভবপর হয়, সে পর্যন্ত এই হাদীসের ব্যাপারে অপেক্ষা করতে হবে অর্থাৎ এই ধরনের রিওয়ায়াত প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না।

মুদ্রাজ (مدرج): যে হাদীসের মধ্যে রাবী নিজের অথবা অপরের উক্তিকে অনুপ্রবেশ করিয়েছেন, সে হাদীসকে মুদ্রাজ এবং এইরূপ করাকে ‘ইদরাজ’ বলা হয়।

মুত্তাসিল (متصل): যে হাদীসের সনদের ধারাবাহিকতা প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত পূর্ণরূপে রক্ষক্ষত আছে, কোন সত্মরেই কোন রাবীর নাম বাদ পড়ে নি তাকে মুত্তাসিল হাদীস বলে।

মুনকাতি (منقطع): যে হাদীসের সনদে ধারাবাহিকতা রক্ষিত হয় নি, মাঝখানে কোন এক স্তরে কোন রাবীর নাম বাদ পড়েছে, তাকে মুনকাতি হাদীস, আর এই বাদ পড়াকে ইনকিতা বলা হয়।

মুরসাল (مرسل): যে হাদীসের সনদে ইনকিতা শেষের দিকে হয়েছে, অর্থাৎ সাহাবীর নাম বাদ পড়েছে এবং তাবেঈ সরাসরি রাসুলুল্লাহ () এর উল্লেখ করে হাদীস বর্ণনা করেছেন তাকে মুরসাল হাদীস বলা হয়।

মুআল্লাক ( معلق ) : সনদের ইনকিতা প্রথম দিকে  হলে, অর্থাৎ সাহাবীর পর এক বা একাধিক রাবীর নাম বাদ পড়লে তাকে মু’আল্লাক হাদীস বলা হয়।

মুদাল (معضل): যে হাদীসে দুই বা ততোধিক রাবী ক্রমান্বয়ে সনদ থেকে বাদ পড়েছে তাকে মু‘দাল হাদীস বলে।

মুতাবি ও শাহিদ (متابع و شاهد): এক রাবীর হাদীসের অনুরূপ যদি অপর রাবীর কোন হাদীস পাওয়া যায় তবে দ্বিতীয় রাবীর হাদীসকে প্রথম রাবীর হাদীসের মুতাবি বলা হয়। যদি উভয় হাদীসের মূল রাবী অর্থাৎ সাহাবী একই ব্যক্তি না হয় তবে দ্বিতীয় ব্যক্তির হাদীসকে শাহিদ বলে। আর এইরূপ হওয়াকে শাহাদাত বলে। মুতাবা’আত ও শাহাদাত দ্বারা প্রথম হাদীসটির শক্তি বৃদ্ধি পায়।

মারূফ ও মুনকার (معروف و منكر): কোন দুর্বল রাবীর বর্ণিত হাদীস অপর কোন মাকবূল (গ্রহণযোগ্য) রাবীর বর্ণিত হাদীসের বিরোধী হলে তাকে মুনকার বলা হয় এবং মাকবূল রাবীর হাদীসকে মা‘রূফ বলা হয়।

সহীহ (صحيح) : যে মুত্তাসিল হাদীসের সনদে উল্লেখিত প্রত্যেক রাবীই পূর্ণ আদালত ও যাবত (ধারণ ক্ষমতা) গুণ সম্পন্ন এবং হাদীসটি যাবতীয় দোষত্রুটি ও শায মুক্ত তাকে সহীহ হাদীস বলে।

হাসান (حسن) : যে হাদীসের মধ্যে রাবীর যাবত (ধারণ ক্ষমতা) এর গুণ ব্যতীত সহীহ হাদীসের সমস্ত শর্তই পরিপূর্ণ রয়েছে তাকে হাসান হাদীস বলা হয়। ফক্বীহগণ সাধারণত সহীহ ও হাসান হাদীসের ভিত্তিতে শরীয়াতের বিধান নির্ধারণ  করেন।

যঈফ (ضعيف ) : যে হাদীসের রাবী কোন হাসান হাদীসের রাবীর গুণসম্পন্ন নন তাকে যঈফ হাদীস বলে।

মাওযূ ( موضوع ) : যে হাদীসের রাবী জীবনে কখনও ইচ্ছাকৃতভাবে রাসুলুল্লাহ ()-এর নামে মিথ্যা কথা রটনা করেছেন বলে প্রমাণিত হয়েছে, তার বর্ণিত হাদীসকে মাওযূ‘ হাদীস বলে।

 

রাবীর সংখ্যা বিচারে হাদীস প্রধানত দুপ্রকার। যথা: ১. মুতওয়াতির (متواتر) ও ২. আহাদ (أحاد)

১. মুতওয়াতির (متواتر): বৃহৎ সংখ্যক রাবীর বর্ণিত হাদীস, মিথ্যার ব্যাপারে যাদের উপর একাট্টা হওয়া অসম্ভব, সনদের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত এ সংখ্যা বিদ্যমান থাকলে হাদীসকে মুতওয়াতির (متواتر) বলা হয়।

২. আহাদ (أحاد): أحاد তিন প্রকার। যথা:

মাশহুর (مشهور): যে কোন স্তরে হাদীস বর্ণনা কারীর সংখ্যা যদি দুই এর অধিক হয়, কিন্তু মুতওয়াতির এর পর্যায়ে পৌঁছে না তাকে মাশহুর (مشهور) বলে।

আযীয (عزيز): যে কোন স্তরে হাদীস বর্ণনা কারীর সংখ্যা যদি দু‘জন হয় ।

গরীব (غريب): যে কোন স্তরে হাদীস বর্ণনা কারীর সংখ্যা যদি এক জন হয় ।

শায (شاذ): একাধিক নির্ভরযোগ্য রাবীর বিপরীত একজন নির্ভরযোগ্য রাবীর বর্ণনাকে শায হাদীস বলে।

 কিয়াস (قياس): অর্থ অনুমান, পরিমাপ, তুলনা ইত্যাদি। পরিভাষায়: শাখাকে মূলের সঙ্গে তুলনা করা, যার ফলে শাখা ও মূল একই হুকুমের অমত্মর্ভুক্ত হয়ে যায়।

তাক্বলীদ (تقليد): দলীল উল্লেখ ছাড়াই কোন ব্যক্তির মতামতকে গ্রহণ করা।

ইজতিহাদ (اجتهاد): উদ্দিষ্ট জ্ঞান অর্জনের প্রচেষ্টা চালানোকে ইজতিহাদ বলে।

শরীয়াত (شريعة): অর্থ: আইন, বিধান, পথ, পন্থা ইত্যাদি। পরিভাষায়: মহান আল্লাহ্‌ স্বীয় দীন হতে বান্দার জন্য যা বিধিবদ্ধ করে দিয়েছেন তাকে শরীয়াত বলে।

মাযহাব (مذهب): অর্থ- মত, পথ, মতবাদ ইত্যাদি। ফিক্বহী পরিভাষায়: ইবাদাত ও মু‘আমালাতের ক্ষেত্রে শারঈ হুকুম পালনের জন্য বান্দা যে পথ অনুসরণ করে এবং প্রত্যেক দলের জন্য একজন ইমামের উপর অথবা ইমামের ওসীয়ত কিংবা ইমামের প্রতিনিধির উপর নির্ভর করে তাকে মাযহাব বলে।

নাযর (نذر): কোন বিষয়ে উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য চিন্তা-ভাবনা করাকে নাযর বলে।

আম (عام): সীমাবদ্ধ করা ছাড়াই যা দুই বা ততোধিক বিষয়কে অন্তর্ভুক্ত করে তাকে আম বলে।

খাস (خاص): আম এর বিপরীত, যা নির্দিষ্ট বিষয়কে অন্তর্ভুক্ত করে।

ইজমা (اجماع): কোন এক যুগে আলিমদের কোন শারঈ বিষয়ের উপর এক মত পোষণ করাকে ইজমা বলে।

মুসনাদ (مسند): যার সনদগুলো পরস্পর এমনভাবে মিলিত যে, প্রত্যেকের বর্ণনা সুস্পষ্ট।

ফিক্বহ (فقه): ইজতিহাদ বা গবেষণার পদ্ধতিতে শারঈ হুকুম সম্পর্কে জানার বিধানকে ফিক্বহ বলে।

আসল বা মূল (اصل): এমন প্রথম বিষয়, যার উপর ভিত্তি করে কোন কিছু গড়ে উঠে। যেমন- দেয়ালের ভিত্তি।

ফারা বা শাখা (فرع): আসলের বিপরীত যা কোন ভিত্তির উপর গড়ে উঠে।

ওয়াজিব (واجب): যা আমল করলে সাওয়াব পাওয়া যাবে আর পরিত্যাগ করলে শাস্তি পাওয়া যাবে।

মানদূব (مندوب): যা আমল করলে সাওয়াব পাওয়া যাবে আর পরিত্যাগ করলে শাস্তি হবে না।

মাহযূর (محظور): যা পরিত্যাগ করলে সাওয়াব পাওয়া যাবে আর আমল করলে শাস্তি পাওয়া যাবে।

মাকরূহ (مكروه): যা পরিত্যাগ করলে সাওয়াব পাওয়া যাবে আর আমল করলে শাস্তি হবে না।

ফাৎওয়া (فتوى): জিজ্ঞাসিত ব্যক্তির নিকট থেকে দলীল ভিত্তিক শারঈ হুকুম সুস্পষ্ট বর্ণনা করে নেয়াকে ফাৎওয়া বলে।

নাসিখ (ناسخ): পরিবর্তিত শারঈ দলীল যা পূববর্তী শারঈ হুকুমকে রহিত করে দেয় তাকে নাসিখ বলে।

মানসূখ (منسوخ): আর যে হুকুমটি রহিত হয়ে যায় সেটাই মানসূখ।

মুতলাক্ব (مطلق): যা প্রকৃতিগত দিক থেকে জাতির সকলকে অন্তর্ভুক্ত  করে কিন্তু অনির্দিষ্টভাবে একটি অর্থকে বুঝায়।

মুকাইয়্যাদ (مقيد): যা মুতলাক্বের বিপরীত অর্থাৎ জাতির সকলকে অন্তর্ভুক্ত  করে না। বরং নির্দিষ্ট একটি অর্থকে বুঝায়।

হাক্বীকাত (حقيقة): শব্দকে আসল অর্থে ব্যবহার করাকে হাক্বীকত বলে। যেমন- সিংহ শব্দটি এক প্রজাতির হিংস্র প্রাণীকে বুঝায়।

মাজায (مجاز): শব্দ যখন আসল অর্থকে অতিক্রম করে তার সাথে সাদৃশ্য রাখে এমন অর্থ প্রকাশ করে তখন তাকে মাজায বলে। যেমন- সাহসী লোককে সিংহের সাথে তুলনা করা।

হাদিসের পরিসংখ্যান

সর্বমোট হাদিস পাওয়া গেছেঃ [342] টি | অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ
গ্রন্থঃ যঈফ ও জাল হাদিস | দেখানো হচ্ছে   [151]  থেকে  [160]  পর্যন্ত
প্রতি পাতাতে টি হাদিস

পাবলিশারঃ তাওহীদ পাবলিকেশন
গ্রন্থঃ যঈফ ও জাল হাদিস
অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ
হাদিস নম্বরঃ ১৫১ | 151 | ۱۵۱

১৫১। মাকড়সা হচ্ছে শয়তান আল্লাহ তার রূপ পরিবর্তন করে দিয়েছেন। অতএব তোমরা তাকে হত্যা কর।

হাদীসটি জাল।

এটি ইবনু আদী (১/৩২০) মাসলামা ইবনু আলী আল-খুশানী সূত্রে ... বর্ণনা করেছেন। এ মাসলামা সম্পর্কে ১৪১, ১৪৫, ১৫০ নং হাদীসে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।

এছাড়া হাদীসটি বাতিল হওয়ার প্রমাণ এই যে, এটি সহীহ্ হাদীস বিরোধী।
সহীহ্ হাদীসে এসেছে, إن الله لم يجعل لمسخ نسلا ولا عقبا "আল্লাহ তা'আলা কর্তৃক রূপ পরিবর্তনকৃত জীবের কোন বংশধর এবং পরবর্তী প্রজন্ম রাখেননি।" হাদীসটি ইমাম মুসলিম (৮/৫৫) বর্ণনা করেছেন।

ইবনু হাযম “আল-মুহাল্লা” গ্রন্থে (৭/৪৩০) বলেনঃ বানর ও শুকর ব্যতীত যে সব প্রাণীর রূপ পরিবর্তন মর্মে হাদীস এসেছে সেগুলো বাতিল, মিথ্যা ও বানোয়াট। সুয়ূতী অভ্যাসগতভাবে তার বিরোধিতা করে হাদীসটি "জামেউস সাগীর" গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন।



হাদিসের মানঃ  জাল (Fake)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!

العنكبوت شيطان مسخه الله فاقتلوه
موضوع

-

أخرجه ابن عدي (320 / 1) في ترجمة مسلمة بن علي الخشني حدثنا سعيد بن سنان عن أبي الزاهرية عن عبد الله بن عمر مرفوعا، وقال ابن عدي: مسلمة كل أحاديثه أو عامتها غير محفوظة
ومما يدل على بطلان هذا الحديث أنه مخالف لما ثبت في " الصحيح " مرفوعا
" إن الله لم يجعل لمسخ نسلا ولا عقبا "، رواه مسلم (8 / 55)
وقال ابن حزم في " المحلى " (7 / 430) : وكل ما جاء في المسوخ في غير القرد والخنزير فباطل وكذب موضوع
وخالف السيوطي كعادته فذكره في جامعه

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ তাওহীদ পাবলিকেশন
গ্রন্থঃ যঈফ ও জাল হাদিস
অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ
হাদিস নম্বরঃ ১৫২ | 152 | ۱۵۲

১৫২। তোমার সুস্থতা প্রার্থনা কর ঐ বস্তু দ্বারা যার দ্বারা আল্লাহ তার নিজের গুণাবলী বর্ণনা করেছেন সৃষ্টি কর্তৃক তার প্রশংসা করবার পূর্বেই এবং ঐ বস্তু দ্বারা যা দিয়ে আল্লাহ তার নিজের প্রশংসা করেছেন। তথা আলহামদু লিল্লাহ্‌ ও কুলহু আল্লাহু আহাদ। যে ব্যাক্তিকে কুরআন সুস্থ করতে পারে না, আল্লাহ তাকে শেফা দান করবেন না।

হাদীসটি নিতান্তই দুর্বল।

এটি আবু মুহাম্মাদ আল-খাল্লাল “ফাযায়েল কুল-হু আল্লাহু আহাদ” গ্রন্থে (২/১৯৮) উল্লেখ করেছেন। এছাড়া ওয়াহিদী তার “আত-তাফসীর” গ্রন্থে (২/১৮৫/২) ও সা'লাবী বর্ণনা করেছেন, যেমনভাবে ইবনু হাজার-এর "তাখরীজ আহাদীসিল কাশশাফ" গ্রন্থে (পৃঃ ১০৩ নং ৩০৪) এসেছে। এটির সনদে আহমাদ ইবনুল হারিস আল-গাসসানী নামক এক বর্ণনাকারী আছেন। তার সম্পর্কে ইবনু আবী হাতিম “আল-জারহু ওয়াত-তা’দীল” গ্রন্থে (১/১/৪৭) বলেনঃ আমি আমার পিতাকে তার সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম। তিনি বলেনঃ তিনি মাতরূকুল হাদীস। নাসাঈ বলেনঃ তিনি মুনকারুল হাদীস। বুখারী ও দুলাবী বলেনঃ তার সম্পর্কে বিরূপ মন্তব্য রয়েছে। উকায়লী বলেনঃ তার বহু মুনকার রয়েছে। সেগুলোর অনুসরণ করা যায় না।

এছাড়া আরেক বর্ণনাকারী রাজা আল-গানাবীর কোন বর্ণনা সম্পর্কে জানা যায় না। সাহাবীর সাথে তার সাক্ষাৎও ঘটেনি। যাহাবী “তারীখুস সাহাবা” গ্রন্থে এ হাদীসটি সহীহ নয় এদিকেই ইঙ্গিত করেছেন।

সহীহ হাদীসের মধ্যে রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ “হে আল্লাহর বান্দারা তোমরা ঔষুধ সেবন কর, কারণ আল্লাহ তা'আলা যে রোগই নাযিল করেছেন তার ঔষুধও নাযিল করেছেন। হাদীসটি সহীত সনদে হাকিম বর্ণনা করেছেন। "গায়াতুল মারাম" গ্রন্থে (২৯২) এটির তাখরীজ করা হয়েছে।



হাদিসের মানঃ  যঈফ (Dai'f)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!

استشفوا بما حمد الله به نفسه قبل أن يحمده خلقه، وبما مدح الله به نفسه: {الحمد لله} ، و {قل هو الله أحد} ، فمن لم يشفه القرآن فلا شفاه الله
ضعيف جدا

-

رواه أبو محمد الخلال في " فضائل قل هو الله أحد " (198 / 2) حدثنا أحمد بن عروة الكاتب أنبأنا عبد الله بن محمد بن سعيد الجمال حدثنا يزيد بن عمرو بن البراء أبو سفيان الشوف حدثنا أحمد بن الحارث الغساني حدثنا ساكنة بنت الجعد قالت: سمعت رجاء الغنوي يقول: فذكره، رواه الواحدي في " تفسيره " (2 /185 / 2) من طريق آخر عن أحمد بن الحارث الغساني، مقتصرا على الجملة الأخيرة منه
وكذا أخرجه الثعلبي كما في " تخريج أحاديث الكشاف " للحافظ ابن حجر (ص 103 رقم 304)
قلت: وابن الحارث هذا قال ابن أبي حاتم في " الجرح والتعديل " (1 / 1 / 47) : سألت أبي عنه فقال: متروك الحديث، وقال النسائي: منكر الحديث، وقال البخاري والدولابي: فيه نظر، وقال العقيلي: له مناكير لا يتابع عليها، قال: ولا يعرف لرجاء الغنوي رواية، ولا صحت له صحبة
وأورده السيوطي في " الجامع " برواية ابن قانع عن رجاء الغنوي، قال المناوي في شرحه: وقد أشار الذهبي في " تاريخ الصحابة " إلى عدم صحة هذا الخبر فقال في ترجمة رجاء هذا: له صحبة، نزل البصرة، وله حديث لا يصح في فضل القرآن، انتهى بنصه
وهذا الحديث يوحي بترك المعالجة بالأدوية المادية والاعتماد فيها على تلاوة القرآن وهذا شيء لا يتفق في قليل ولا كثير مع سنته صلى الله عليه وسلم القولية والفعلية، فقد تعالج صلى الله عليه وسلم بالأدوية المادية مرارا، وأمر بذلك فقال: يا عباد الله تداووا فإن الله لم ينزل داء إلا وأنزل له
دواء "، أخرجه الحاكم بسند صحيح، وهو مخرج في " غاية المرام " (292) عن جمع من الصحابة نحوه

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ তাওহীদ পাবলিকেশন
গ্রন্থঃ যঈফ ও জাল হাদিস
অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ
হাদিস নম্বরঃ ১৫৩ | 153 | ۱۵۳

১৫৩। যে ব্যাক্তি কুরআন ব্যাতিত অন্য কিছু দ্বারা সুস্থতা প্রার্থনা করবে, আল্লাহ তাকে সুস্থ করবেন না।

হাদীসটি জাল।

সাগানী এটিকে “আল-আহাদীসুল মাওযুআহ” গ্রন্থে (পৃঃ ১২) উল্লেখ করেছেন। শাইখ আজলুনীও এটিকে “আল-কাশফ” গ্রন্থে (২/৩৩২) জাল হিসাবে স্বীকৃতি দিয়েছেন।

আমি (আলবানী) বলছিঃ এটির মূলটি পূর্বের হাদীসেই আলোচিত হয়েছে।



হাদিসের মানঃ  জাল (Fake)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!

من استشفى بغير القرآن فلا شفاه الله تعالى
موضوع

-

أورده الصغاني في " الأحاديث الموضوعة " (ص 12) وأقره الشيخ العجلوني في " الكشف " (2 / 332)
قلت: وأصل هذا اللفظ في الحديث الذي قبله

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ তাওহীদ পাবলিকেশন
গ্রন্থঃ যঈফ ও জাল হাদিস
অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ
হাদিস নম্বরঃ ১৫৪ | 154 | ۱۵٤

১৫৪। দানশীল ব্যাক্তি আল্লাহর নিকটবর্তী, নিকটবর্তী জান্নাতের এবং নিকটবর্তী মানুষের আর দূরবর্তী জাহান্নামের। অপরপক্ষে কৃপণ ব্যাক্তি আল্লাহর থেকে দূরে, জান্নাত থেকে দূরে এবং লোকেদের থেকেও দূরে আর নিকটবর্তী জাহান্নামের। অজ্ঞ দানশীল আল্লাহর নিকট বেশী প্রিয় বখীল আবেদ থেকে।

হাদীসটি নিতান্তই দুর্বল।

হাদীসটি তিরমিযী (৩/১৪৩), উকায়লী "আয-যুয়াফা" গ্রন্থে (১৫৪), ইবনু হিব্বান "রাওযাতুল ওকালা" গ্রন্থে (পৃঃ ২৪৬), ইবনু আদী (২/১৮৩) এবং তাবারী “আত-তাহযীব” গ্রন্থে (মুসনাদু উমার ১০০/১৬৩) সাঈদ ইবনু মুহাম্মাদ আল-ওররাক সূত্রে ... উল্লেখ করেছেন। তিরমিযী বলেছেনঃ এ হাদীসটি গারীব, সাঈদ ইবনু মুহাম্মাদ ছাড়া অন্য কোন মাধ্যমে এটিকে চিনি না, এ কথার দ্বারা তিনি এটিকে দুর্বল আখ্যা দিয়েছেন।

এ সাঈদ সম্পর্কে ইবনু মাঈন বলেনঃ তিনি কিছুই না [তাকে মূল্যায়ন করা হয় না]। ইবনু সায়াদ ও অন্যরা বলেনঃ তিনি দুর্বল। নাসাঈ বলেনঃ তিনি নির্ভরযোগ্য নন। দারাকুতনী বলেনঃ তিনি মাতরূক।

এছাড়া এটির সনদে ইযতিরাব সংঘটিত হয়েছে। একবার একজন হতে বর্ণনা করেছেন আবার অন্যজন হতে বর্ণনা করেছেন। ইবনুল জাওযী হাদীসটিকে “আল-মাওযুআত” গ্রন্থে (২/১৮০) উল্লেখ করে বলেছেনঃ এটি সহীহ নয়। অতঃপর তিনি সহীহ না হওয়ার কারণ বর্ণনা করেছেন। আবু হাতিম ওররাকের এ হাদীসটি সম্পর্কে বলেনঃ হাদীসটি মুনকার। ইমাম আহমাদও অনুরূপ কথা বলেছেন। আবু হাতিম হাদিসটির অন্য সুত্রটির সময় বলেছেনঃ এ হাদিসটি বাতিল।



হাদিসের মানঃ  যঈফ (Dai'f)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!

السخي قريب من الله، قريب من الجنة، قريب من الناس، بعيد من النار، والبخيل بعيد من الله، بعيد من الجنة، بعيد من الناس، قريب من النار، وجاهل سخي أحب إلى الله من عابد بخيل
ضعيف جدا

-

أخرجه الترمذي (3 / 143) والعقيلي " في الضعفاء " (154) ، وابن حبان في " روضة العقلاء " (ص 246) وابن عدي (183 / 2) ، والطبري في " التهذيب " (مسند عمر / 100 / 163) من طريق سعيد بن محمد الوراق عن يحيى بن سعيد عن الأعرج عن أبي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم مرفوعا، وضعفه الترمذي بقوله: هذا حديث غريب لا نعرفه إلا من حديث سعيد بن محمد، وقد خولف سعيد بن محمد في رواية هذا الحديث عن يحيى بن سعيد، إنما يروي عن يحيى بن سعيد عن عائشة شيء مرسل وقال العقيلي: ليس لهذا الحديث أصل من حديث يحيى ولا غيره
وقال ابن حبان: إن كان حفظ سعيد بن محمد إسناد هذا الخبر فهو غريب غريب
قلت: وسعيد هذا قال ابن معين: ليس بشيء، وقال ابن سعد وغيره: ضعيف، وقال النسائي: ليس بثقة، وقال الدارقطني: متروك
وقد اضطرب في رواية هذا الحديث فمرة رواه كما سبق، ومرة قال: عن يحيى بن سعيد الأنصاري عن محمد بن إبراهيم بن الحارث التيمي عن أبيه عن عائشة مرفوعا به، أخرجه الطبراني في " الأوسط " (1 / 132 / 1 / 2545 - بترقيمي) وقال
لم يروه بهذا الإسناد إلا سعيد، وكذلك رواه الضياء في " المنتقى من مسموعاته بمرو" (127 / 2) إلا أنه لم يقل: عن أبيه، والحديث أورده ابن الجوزي من هذه الطريق وغيرها في " الموضوعات " (2 /180) وقال: لا يصح، ثم بين عللها
وتعقبه السيوطي في " اللآليء " (2 / 92 - 93) بطرق أخرى ذكرها، وكلها ضعيفة، عند تدقيق النظر فيها، وقد فاته أن الحافظ أبا حاتم قال في حديث الوراق هذا: هذا حديث منكر، وكذا قال أحمد كما في ترجمة سعيد من " التهذيب " وقال أبو حاتم في طريق أخرى للحديث عن عائشة: هذا حديث باطل، وسعيد بن مسلمة ضعيف الحديث أخاف أن يكون أدخل له، انظر " العلل " لابن أبي حاتم (2 / 283 - 284)

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ তাওহীদ পাবলিকেশন
গ্রন্থঃ যঈফ ও জাল হাদিস
অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ
হাদিস নম্বরঃ ১৫৫ | 155 | ۱۵۵

১৫৫। আমার উম্মতের শাক-সবজি হচ্ছে আঙুর এবং তরমুজ।

হাদীসটি জাল।

এটি দাইলামী তার “মুসনাদ” গ্রন্থে (২/১৭৬-১৭৭) এবং ইবনুল জাওযী “আল-মাওযু’আত” গ্রন্থে মুহাম্মাদ ইবনু আহমাদ ইবনে মাহদী সূত্রে মুহাম্মাদ ইবনু যাউ ইবনে দালহামাস হতে ... বর্ণনা করেছেন।

ইবনুল জাওযী বলেন মুহাম্মদ ইবনু যাউ মিথ্যুক অসৎ চরিত্র প্রকাশকারী। সুয়ূতী তার (ইবনুল জাওযীর) এ কথাকে “আল-লাআলী” গ্রন্থে (২/২১০) এবং ইবনু আররাক "তানযীহুশ শারীয়াহ" গ্রন্থে (২/৩১৭) সমর্থন করেছেন।

আমি (আলবানী) বলছিঃ মুহাম্মাদ ইবনু আহমাদ ইবনে মাহদী নিতান্তই দুর্বল, যেরূপভাবে দারাকুতনী বলেছেন। ইবনুল কাইয়্যিম হাদীসটি “আল-মাওযূ’আত” এবং “আল-মানার” গ্রন্থে (পৃঃ ২১) উল্লেখ করেছেন। শাইখ আল-কারীও তার “আল-মাওযুআত” গ্রন্থে (পৃঃ ১০৭-১০৮) হাদীসটি যে জাল তা সমর্থন করেছেন। ১৬৭ নং হাদীসের শেষে সাখাবী বলেছেনঃ তরমুজের ফীলতে বর্ণনাকৃত সকল হাদীস বাতিল।



হাদিসের মানঃ  জাল (Fake)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!

ربيع أمتي العنب والبطيخ
موضوع

-

أخرجه الديلمي في " مسنده " (2 / 176 ـ 177) ، وابن الجوزي في " الموضوعات " من طريق محمد بن أحمد بن مهدي: حدثنا محمد بن الضوء بن الدلهمس حدثنا عطاف بن خالد عن نافع عن ابن عمر، وقال ابن الجوزي: موضوع، محمد بن الضوء كذاب مجاهر بالفسق، وأقره السيوطي في " اللآليء " (2 / 210) ! ثم ابن عراق في " تنزيه الشريعة " (317 / 2)
قلت: ومحمد بن أحمد بن مهدي ضعيف جدا، كما قال الدارقطني
والحديث أورده ابن القيم في " الموضوعات " فقال في " المنار " (ص 21)
ومما يعرف به كون الحديث موضوعا سماجة الحديث وكونه مما يسخر منه
ثم ذكر أحاديث هذا منها، وأقره الشيخ القاري في " موضوعاته " (ص 107 - 108) وسيأتي في آخر الحديث (167) عن السخاوي أن أحاديث فضل البطيخ كلها باطلة ولذلك فقد شان به السيوطي كتابه " الجامع الصغير " فأورده فيه من رواية أبي عبد الرحمن السلمي في " كتاب الأطعمة " وأبي عمر النوقاني في " كتاب البطيخ " والديلمي في " مسند الفردوس " عن ابن عمر

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ তাওহীদ পাবলিকেশন
গ্রন্থঃ যঈফ ও জাল হাদিস
অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ
হাদিস নম্বরঃ ১৫৬ | 156 | ۱۵٦

১৫৬। মন্দ ধারনা পোষণের দ্বারা তোমরা লোকেদের থেকে নিরাপদে থাক।

হাদীসটি নিতান্তই দুর্বল।

হাদীসটি তাবারানী “মুজামুল আওসাত” গ্রন্থে (১/৩৬/১/৫৯২) এবং ইবনু আদী (৬/২৩৯৮) বাকিয়ার সূত্রে মুয়াবিয়া হতে ... বর্ণনা করেছেন। হায়সামী "আল-মাজমা" গ্রন্থে (৮/৮৯) বলেনঃ বাকিয়া মুদাল্লিস বর্ণনাকারী। তাছাড়া অন্যান্য বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য। তিনি যেমনটি বলেছেন সেরূপই। মুয়াবিয়া ইবনু ইয়াহইয়া নিতান্তই দুর্বল। তাকে কেউ নির্ভরযোগ্য বলেননি। তার সম্পর্কে ১৩৬ নং হাদীসে আলোচনা করা হয়েছে। এছাড়া হাদীসটি ঈসা ইবনু ইবরাহীম সূত্রে উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) হতে বর্ণিত হয়েছে। এ ঈসা হচ্ছেন হাশেমী, তিনি নিতান্তই দুর্বল। ।

এছাড়াও অন্য সনদে উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত হয়েছে। সেটিও দুর্বল। এটি আবু নু’য়াইম “আখবার আসবাহান” গ্রন্থে (২/২০২) বর্ণনা করেছেন। ইবনু সা'দ এটিকে (২/১৭৭) হাসান বাসরীর কথা হিসাবে সহীহ্ সনদে বর্ণনা করেছেন।

আমি (আলবানী) বলছিঃ আমার নিকট হাদীসটি মুনকার। এটি বহু সহীহ হাদীসের বিপরীত হওয়ার কারণে। যেগুলোতে রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মন্দ ধারণা পোষণ করতে নিষেধ করেছেন। যেমন তিনি বলেছেনঃ إياكم والظن فإن الظن أكذب الحديث "তোমরা মন্দ ধারণা পোষণ করা হতে বেঁচে থাক, কারণ মন্দ ধারণা পোষণ সর্বাপেক্ষা বড় মিথ্যা কথা..."।
এটি ইমাম বুখারী প্রমুখ মুহাদ্দিসগণ বর্ণনা করেছেন।

এছাড়া খারাপ ধারণা পোষণ করে মানুষের সাথে কোন প্রকার মুয়ামালাত করাও সম্ভব নয়। অতএব তিনি কীভাবে খারাপ ধারণা করার নির্দেশ দিতে পারেন।



হাদিসের মানঃ  যঈফ (Dai'f)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!

احترسوا من الناس بسوء الظن
ضعيف جدا

-

أخرجه الطبراني في " الأوسط " (1 / 36 / 1 / 592) وابن عدي (6 / 2398) من طريق بقية عن معاوية بن يحيى عن سليمان بن سليم عن أنس مرفوعا، وقال الطبراني: تفرد به بقية، قال الهيثمي في " المجمع " (8 / 89) : بقية بن الوليد مدلس، وبقية رجاله ثقات
كذا قال: ومعاوية بن يحيى ضعيف جدا ولم يوثقه أحد وقد ذكرت بعض أقوال الأئمة في تضعيفه عند الحديث (رقم 136) وقد ساق له الذهبي أحاديث مما أنكر عليه هذا أحدها، وقد نقل المناوي في " الفيض " أن الحافظ ابن حجر قال في " الفتح ": خرجه الطبراني في " الأوسط " من طريق أنس وهو من رواية بقية بالعنعنة عن معاوية بن يحيى وهو ضعيف، فله علتان، وصح من قول مطرف أخرجه مسدد
قلت: وكذا أخرجه ابن عساكر (16 / 291 / 2) عن مطرف
وروي من قول عمر وغيره، فأخرج أبو عمرو الداني في " السنن الواردة في الفتن " (ق 12 / 1 - 2) عن عيسى بن إبراهيم عن الضحاك بن يسار عن أبي عثمان النهدي قال: قال عمر بن الخطاب: " ليأتين على الناس زمان يكون صالحوا لحي فيهم في أنفسهم إن غضبوا غضبوا لأنفسهم، وإن رضوا رضوا لأنفسهم، لا يغضبون
لله عز وجل ولا يرضون لله عز وجل، فإذا كان ذلك الزمان فاحترسوا "، الحديث، لكن عيسى بن إبراهيم هذا وهو الهاشمي ضعيف جدا، وروى أبو نعيم في " أخبار أصبهان " (2 / 202) من طريق آخر عن عمر قال: " إن الحزم أن تسيء الظن بالناس "، وسنده ضعيف أيضا
ورواه ابن سعد (2 / 177) من قول الحسن البصري وسنده صحيح
ثم إن الحديث منكر عندي لمخالفته للأحاديث الكثيرة التي يأمر النبي صلى الله عليه وسلم فيها المسلمين بأن لا يسيئوا الظن بإخوانهم، منها قوله صلى الله عليه وسلم: " إياكم والظن فإن الظن أكذب الحديث ... " رواه البخاري (10 / 395 - 398) وغيره، وهو مخرج في " غاية المرام " (417)
ثم إنه لا يمكن التعامل مع الناس على أساس سوء الظن بهم، فكيف يعقل أن يأمر صلى الله عليه وسلم أمته أن يتعاملوا على هذا الأساس الباطل؟

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ তাওহীদ পাবলিকেশন
গ্রন্থঃ যঈফ ও জাল হাদিস
অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ
হাদিস নম্বরঃ ১৫৭ | 157 | ۱۵۷

১৫৭। খরচ করতে মধ্যমপন্থা অবলম্বন হচ্ছে জীবন ধারনের অর্ধেক। লোকেদের ভালবাসা হচ্ছে বিবেকের অর্ধেক এবং উত্তমরূপে প্রশ্ন করা হচ্ছে জ্ঞানের অর্ধেক।

হাদীসটি দুর্বল।

হাদীসটি সুয়ূতী “জামেউস সাগীর” গ্রন্থে তাবারানীর “মাকারিমুল আখলাক” এবং বাইহাকীর “আশ-শু'য়াব” গ্রন্থের উদ্ধৃতিতে উল্লেখ করেছেন। তার ভাষ্যকার মানাবী এটির উপর হুকুম লাগানো হতে চুপ থেকেছেন, অথচ এটি দুর্বল। ইবনু আবী হাতিম “আল-ইলাল” গ্রন্থে (২/২৮৪) বলেনঃ আমি আমার পিতাকে মাখীস ইবনু তামীম এবং তার শাইখ হাফস ইবনু উমার কর্তৃক বর্ণিত হাদীসটি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম। তিনি উত্তরে বলেনঃ এটি বাতিল হাদীস, মাখীস এবং হাফস তারা উভয়েই মাজহুল (অপরিচিত)।

আমি (আলবানী) বলছিঃ অনুরূপ কথা যাহাবী মাখীসের জীবনীতে বলেছেন। তিনি আরো বলেছেন যে, তার থেকে হিশাম ইবনু আম্মার মুনকার হাদীস বর্ণনা করেছেন।

অতঃপর এ হাদীসটি উল্লেখ করেছেন। হাফিয ইবনু হাজার তার কথাকে সমর্থন করেছেন। হাদীসটি কাযাঈ “মুসনাদুশ-শিহাব” গ্রন্থে (১/৫৫/৩৩) হাদীসটি এ সূত্রেই উল্লেখ করেছেন।



হাদিসের মানঃ  যঈফ (Dai'f)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!

الاقتصاد في النفقة نصف المعيشة، والتودد إلى الناس نصف العقل، وحسن السؤال نصف العلم
ضعيف

-

عزاه السيوطي في " الجامع " للطبراني في " مكارم الأخلاق " والبيهقي في " الشعب " عن ابن عمر، وسكت عليه الشارح المناوي وهو ضعيف فقد قال ابن أبي حاتم في " العلل " (2 / 284) : سألت أبي عن حديث رواه عن هشام بن عمار عن المخيس بن تميم عن حفص بن عمر عن إبراهيم بن عبد الله بن الزبير عن نافع عن ابن عمر فذكره، قال أبي: هذا حديث باطل، ومخيس وحفص مجهولان
قلت: وكذا قال الذهبي في ترجمة مخيس وقال: روى عنه هشام بن عمار خبرا منكرا ثم ساق هذا الحديث، وأقره الحافظ في " اللسان "
ومن هذا الوجه أخرجه القضاعي في " مسند الشهاب " (1 / 55 / 33)

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ তাওহীদ পাবলিকেশন
গ্রন্থঃ যঈফ ও জাল হাদিস
অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ
হাদিস নম্বরঃ ১৫৮ | 158 | ۱۵۸

১৫৮। এক দিনারের বিনিময়ে এক গ্লাস পানি দ্বারা হলেও তোমরা জুম’আর দিবসে গোসল কর।

হাদীসটি জাল।

এটিকে ইবনুল জাওযী “মাওযু'আত” গ্রন্থে (২/১০৪) বর্ণনাকারী ইবনু হিব্বান পর্যন্ত আযদীর বর্ণনায় তার সনদে উল্লেখ করেছেন। ইবনুল জাওযী বলেনঃ ইবনু হিব্বান হচ্ছেন ইবরাহীম ইবনুল বুহতারী। তিনি সাকেত (নিক্ষিপ্ত), তার দ্বারা দলীল গ্রহণ করা যাবে না।

আমি (আলবানী) বলছিঃ তিনি হচ্ছেন ইবরাহীম ইবনু বাররা। তার একটি জাল হাদীস পূর্বে (নং ১১৪) আলোচিত হয়েছে। তিনি নির্ভরযোগ্যদের উদ্ধৃতিতে জাল হাদীস বর্ণনাকারী। সেখানে তার সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

সুয়ূতী “আল-লাআলী” গ্রন্থে (২/২৬) ইবনুল জাওযীর সমালোচনা করে বলেছেনঃ এটির অন্য সূত্রও রয়েছে, যেটি ইবনু আদী বর্ণনা করেছেন। কিন্তু এ সনদে হাফস্ ইবনু উমার রয়েছেন। তিনি একজন মিথ্যুক, যেমনটি আবু হাতিম বলেছেন। সেটিকে যাহাবী “আল-মীযান” গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন। এছাড়া তিনি তার কতিপয় অন্য হাদীসও উল্লেখ করেছেন।

এ কারণেই ইবনু আররাক বলেন (২/২৪৮) এটি শাহেদ হবার উপযোগী নয়।

হাদীসটি সুয়ূতী “জামেউস সাগীর” গ্রন্থে ইবনু আদীর বর্ণনায় আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে মওকুফ হিসাবে উল্লেখ করেছেন। এছাড়া আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে মওকুফ হিসাবে ইবনু আবী শায়বাও (১১/২০/২) বর্ণনা করেছেন। কিন্তু এটির সনদে যিয়াদ ইবনু আবদিল্লাহ নামক এক বর্ণনাকারী রয়েছেন। তিনি দুর্বল, যেমনভাবে “আত-তাকরীব” গ্রন্থে এসেছে।

মোটকথা হাদীসটি মারফূ' হিসাবে জাল (বানোয়াট) আর মওকুফ হিসাবে য'ঈফ। যেখানে জুম'আর দিবসে গোসল করার ব্যাপারে সহীহ হাদীসে নির্দেশ এসেছে, সেখানে জাল-দুর্বল হাদীসের কোন প্রয়োজনীয়তা নেই।



হাদিসের মানঃ  জাল (Fake)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!

اغتسلوا يوم الجمعة ولوكأسا بدينار
موضوع

-

أورده ابن الجوزي في " الموضوعات " (2 / 104) من رواية الأزدي بسنده إلى ابن حبان حدثنا حماد بن زيد عن أيوب عن الحسن عن أبي هريرة مرفوعا، وقال ابن الجوزي: ابن حبان هو إبراهيم بن البحتري ساقط لا يحتج به
قلت: هو إبراهيم بن البراء وقد سبق له حديث موضوع (رقم 114)
هذا وقد تعقبه السيوطي في " اللآليء " (2 / 26) فقال: قلت: له طريق آخر أخرجه ابن عدي: حدثنا إبراهيم بن مرزوق: حدثنا حفص بن عمر أبو إسماعيل الديلمي.... عن أنس مرفوعا به
قلت: وهذا تعقب فاشل فإن حفص بن عمر هذا كذاب كما قال أبو حاتم فيما نقله الذهبي في " الميزان " ثم ساق له أحاديث هذا أحدها ولهذا قال ابن عراق (248 /2) فلا يصلح شاهدا، ومن الغرائب أن السيوطي أورد الحديث في " الجامع " من رواية ابن عدي هذه، ومن رواية ابن أبي شيبة عن أبي هريرة موقوفا، قال المناوي: وهو شاهد للأول يعني المرفوع، وبه رد المصنف على ابن الجوزي جعله الحديث موضوعا
قلت: وهذا رد واه فإن الحديث إذا ثبت وضعه مرفوعا إلى النبي صلى الله عليه وسلم فلا يفيده أن يرد موقوفا على بعض الصحابة إلا أن يكون من الأحاديث التي لا تقال بالاجتهاد والرأي فحينئذ يكون لها حكم المرفوع وليس منها هذا الحديث كما لا يخفى، هذا وقد سقط من النسخة المطبوعة من " اللآليء " إسناد حديث ابن أبي شيبة عن أبي هريرة فلم نتمكن من النظر في صحته ولو أنه موقوف، ثم وقفت على إسناده فقال ابن أبي شيبة في " المصنف " (11 / 20 / 2) : أنبأنا وكيع عن ثور عن زياد النميري عن أبي هريرة قال: لأغتسلن يوم الجمعة ولوكأسا بدينار
وهذا سند ضعيف، زياد هو ابن عبد الله وهو ضعيف كما في " التقريب "، ثم ساق السيوطي موقوفا آخر على كعب، وسنده ضعيف أيضا، وبالجملة فالحديث موضوع مرفوعا إلى النبي صلى الله عليه وسلم، ضعيف موقوفا، والله سبحانه وتعالى أعلم
ويغني عنه الأحاديث الصحيحة في الأمر بالغسل يوم الجمعة كقوله صلى الله عليه وسلم: " غسل الجمعة واجب على كل محتلم "، رواه الشيخان وغيرهما وهو مخرج في " الإرواء " (رقم 143) ، وقد تساهل أكثر الناس بهذا الواجب يوم الجمعة فقل من يغتسل منهم لهذا اليوم، ومن اغتسل فيه فإنما هو للنظافة، لا لأنه من حق الجمعة، فالله المستعان

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ তাওহীদ পাবলিকেশন
গ্রন্থঃ যঈফ ও জাল হাদিস
অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ
হাদিস নম্বরঃ ১৫৯ | 159 | ۱۵۹

১৫৯। নিশ্চয় আল্লাহ ও তার ফেরেশতাগণ জুম’আর দিবসে পাগড়ী ধারীদের প্রতি দয়া করেন।

হাদীসটি জাল।

তাবারানী "আল-মুজামুল কাবীর" গ্রন্থে এবং আবু নু’য়াইম তার সূত্রে "আল-হিলইয়াহ" গ্রন্থে (৫/১৮৯-১৯০) ‘আলী ইবনু আমর হানাফী সূত্রে আইউব ইবনু মুদরেক হতে ... বর্ণনা করেছেন।

এটিকে ইবনুল জাওযী “আল-মাওযু'আত” গ্রন্থে (২/১০৫) উল্লেখ করে বলেছেনঃ এটির কোন ভিত্তি নেই। আইউব এককভাবে এটির বর্ণনাকারী। আযদী তার সম্পর্কে বলেছেনঃ হাদীসটি তিনিই জাল করেছেন। ইয়াহইয়া তাকে মিথ্যুক আখ্যা দিয়েছেন আর দারাকুতনী তাকে প্রত্যাখ্যান করেছেন।

আমি (আলবানী) বলছিঃ হাদীসটি হায়সামী "আল-মাজমা" গ্রন্থে (২/১৭৬) রয়েছেন। তার সম্পর্কে ইবনু মাঈন বলেছেনঃ তিনি মিথ্যুক। এ কথাটি তার থেকে যাহাবী “আল-মীযান” গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন।

ইবনু হাজার-এর "লিসানুল মীযান" গ্রন্থে এসেছে; উকায়লী বলেনঃ তিনি এমন সব মুনকার হাদীস বর্ণনা করেছেন, যেগুলোর অনুসরণ করা যায় না। তিনি পাগড়ীর হাদীসের ক্ষেত্রে বলেনঃ তার অনুসরণ করা যায় না।

আমি (আলবানী) বলছিঃ আইউব হতে বর্ণনাকারী আলী ইবনু আমর হানাফী মিথ্যার দোষে দোষী। ইবনু আদী অন্য একটি সনদে হাদীসটি (১/১৮) বর্ণনা করে বলেছেনঃ এ হাদীসটি মুনকার।



হাদিসের মানঃ  জাল (Fake)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!

إن الله عز وجل وملائكته يصلون على أصحاب العمائم يوم الجمعة
موضوع

-

رواه الطبراني في " الكبير "، ومن طريقه أبو نعيم في " الحلية " (5 / 189 - 190) من طريق العلاء بن عمرو الحنفي حدثنا أيوب بن مدرك عن مكحول عن أبي الدرداء مرفوعا
أورده ابن الجوزي في " الموضوعات " (2 / 105) من هذا الوجه وقال: لا أصل له تفرد به أيوب، قال الأزدي: هو من وضعه كذبه يحيى وتركه الدارقطني، وتعقبه السيوطي بقوله (2 / 27) : اقتصر على تضعيفه الحافظان: العراقي في " تخريج الإحياء " وابن حجر في " تخريج الرافعي "، والله أعلم
قلت: وتقليدا منه لهما، وهو مجتهد عصره! ، أورده في " الجامع الصغير
وقد تعقبه الشارح بقوله بعد أن ذكر قول ابن الجوزي السابق: ولم يتعقبه المؤلف بشيء سوى أنه اقتصر على تضعيفه العراقي وابن حجر، ولم يزد على ذلك، وأنت خبير بما في هذا التعقب من التعصب
قلت: وقال الهيثمي في " المجمع " (2 / 176) بعد أن عزاه للطبراني: وفيه أيوب بن مدرك قال ابن معين: إنه كذاب، ونقل هذا عنه الذهبي في " الميزان " ثم ساق له هذا الحديث وفي " اللسان وقال العقيلي: يحدث بمناكير لا يتابع عليها، وقال في حديث العمائم: لا يتابع عليه
قلت: والراوي عنه العلاء بن عمرو الحنفي متهم أيضا ومن أحاديثه الآتي عقب هذا بإذن الله
ثم رأيت العقيلي قد أخرجه في " الضعفاء " (ص 42) من طريق يوسف بن عدي قال
حدثنا أيوب بن مدرك به، ويوسف هذا ثقة من رجال البخاري، فبرئت ذمة العلاء بن عمرو منه وانحصرت التهمة في شيخه أيوب بن مدرك، وأخرجه ابن عدي (18 / 1) من طريق ثالث عنه، وقال: وهذا الحديث منكر

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ তাওহীদ পাবলিকেশন
গ্রন্থঃ যঈফ ও জাল হাদিস
অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ
হাদিস নম্বরঃ ১৬০ | 160 | ۱٦۰

১৬০। আমি আরবী ভাষী, কুরআন আরবী ভাষায় এবং জান্নাতীদের ভাষা আরবী। এ তিনটি কারণে তোমরা আরবদের মুহাব্বাত কর।

হাদীসটি জাল।

হাদীসটি হাকিম “আল-মুসতাদরাক” গ্রন্থে (৪/৮৭) এবং “মারিফাতু উলুমিল হাদীস” গ্রন্থে (পৃঃ ১৬১-১৬২), উকায়লী “আয-যুয়াফা” গ্রন্থে (৩২৭), তাবারানী “মুজামুল কাবীর” (৩/১২২/১) ও “আল-আওসাত” গ্রন্থে, তাম্মাম “আল-ফাওয়াইদ” গ্রন্থে (১/২২) এবং তার সূত্রে যিয়া আল-মাকদেসী "সিফাতুল জান্নাহ" গ্রন্থে (৩/৭৯/১), বাইহাকী “শুয়াবুল ঈমান” গ্রন্থে, ওয়াহেদী তার "আত-তাফসীর" গ্রন্থে (১/৮১) এবং ইবনু আসাকির ও আবূ বাকর আল-আম্বারী “ইযাহুল ওয়াকফ ওয়াল ইবতিদা” গ্রন্থে ‘আলী ইবনু আমর হানাফী সূত্রে ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াযীদ আল-আশয়ারী হতে, তিনি ইবনু যুরায়েজ হতে ... বর্ণনা করেছেন।

এটির সনদ তিনটি কারণে বানোয়াট।

১। 'আলা ইবনু আমর; যাহাবী “আল-মীযান” গ্রন্থে তার সম্পর্ক বলেনঃ তিনি মাতরূক। ইবনু হিব্বান বলেনঃ কোন অবস্থাতেই তার দ্বারা দলীল গ্রহণ করা জায়েয নয়। অতঃপর তার এ হাদীসটি উকায়লীর সূত্রে উল্লেখ করে বলেনঃ এটি বানোয়াট। আবু হাতিম বলেনঃ এটি মিথ্যা। অতঃপর তার অন্য একটি হাদীস উল্লেখ করে বলেনঃ এটিও মিথ্যা। হাফিয ইবনু হাজার “লিসানুল মীযান” গ্রন্থে বলেন, আযদী বলেছেনঃ তার হাদীস লিখা যাবে না। ইবনু হিব্বান তাকে “আস-সিকাত” গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন। নাসাঈ বলেনঃ তিনি দুর্বল। আবু হাতিম বলেনঃ তার নিকট হতে লিখেছি, ভাল ছাড়া তার মধ্যে অন্য কিছু দেখিনি। সম্ভবত ইবনু হিব্বান ও আবু হাতিম কর্তৃক দু’ধরনের কথা এ কারণে এসেছে যে, তারা তার জাল হাদীস বর্ণনা করা সম্পর্কে অবহিত হওয়ার পূর্বেই তার ব্যাপারে ভাল মন্তব্য করেছিলেন। অতঃপর তার সম্পর্কে জানার পর খারাপ মন্তব্য করেছেন।

ইবনু আবী হাতিম উক্ত হাদীসটি “আল-ইলাল” গ্রন্থে (২/৩৭৫-৩৭৬) উল্লেখ করে বলেছেনঃ আমি আমার পিতাকে যে হাদীসটি 'আলা হানাফী বর্ণনা করেছেন সেটি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম, আমি তাকে উত্তরে বলতে শুনেছিঃ এ হাদীসটি মিথ্যা। হাফিয ইবনু হাজার “আল-লিসান” গ্রন্থে তার জীবনীতে বলেনঃ উকায়লী হাদীসটির তাখরীজ করে বলেছেনঃ এটি মুনকার, মতনটি (ভাষাটি) দুর্বল। এর কোন ভিত্তি নেই। অতঃপর তিনি (ইবনু হাজার) তার কথাকে সমর্থন করেছেন। হায়সামী “আল-মাজমা" গ্রন্থে (১০/৫২) বলেনঃ 'আলা ইবনু আমর দুর্বল এ মর্মে সকলে একমত।

২। ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াযীদ সম্পর্কে ইবনু মাঈন বলেনঃ তিনি দুর্বল। ইবনু নুমায়ের বলেনঃ তিনি একটি খেজুরের সমতুল্যও নন। আবু যুরীয়াহ বলেনঃ তিনি মুনকারুল হাদীস। ইবনু হাজার “লিসানুল মীযান” গ্রন্থে বলেছেনঃ তাকে সাজী, উকায়লী ও ইবনু জারুদ দুর্বলদের অন্তর্ভুক্ত করেছেন। হাকিম হাদীসটিকে সহীহ বলে মন্তব্য করেছেন। তার সমালোচনা করে যাহাবী বলেনঃ তাকে ইমাম আহমাদও দুর্বল বলেছেন। অন্য সূত্রে তার স্থলে মুহাম্মাদ ইবনুল ফযল এসেছে, তিনি মিথ্যার দোষে দোষী। আমার ধারণা হাদীসটি বানোয়াট। হাফিয ইরাকীও তার সমালোচনা করে বলেনঃ তিনি যা বলেছেন তেমনটি নয়, বরং তিনি দুর্বল। কারণ ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াযীদ ও তার থেকে বর্ণনাকারী আলা ইবনু আম্বর তারা উভয়েই দুর্বল।

৩। ইবনু যুরায়েজ একজন মুদল্লিস বর্ণনাকারী। ইমাম আহমদ বলেনঃ এসব হাদীসগুলোর কতিপয় হাদীসকে ইবনু যুরায়েজ মুরসাল হিসাবে উল্লেখ করতেন। সেগুলো বানোয়াট। তিনি কোথা হতে গ্রহণ করছেন তার পরওয়া করতেন না। অনুরূপ কথা “আল-মীযান” গ্রন্থেও এসেছে। ইবনুল জাওযী হাদীসটি "আল-মাওযুআত" গ্রন্থে (২/৪১) উকায়লীর সূত্রে উল্লেখ করে বলেছেনঃ উকায়লী বলেছেনঃ এটি মুনকার, এর কোন ভিত্তি নেই। ইবনুল জাওযী বলেনঃ ইয়াহইয়া উলট পালটকৃত হাদীস বর্ণনা করতেন। সুয়ূতী ইবনু হিব্বান সহ অন্য যারা হাদীসটি সম্পর্কে ভাল মন্তব্য করেছেন তা “আল-লাআলী” গ্রন্থে (১/৪৪২) উল্লেখ করে হাদীসটি গ্রহণযোগ্য এদিকে ইঙ্গিত করেছেন। কিন্তু লক্ষ্য করেননি যে, এক ব্যক্তি সম্পর্কে ভাল এবং খারাপ মন্তব্য উভয়টি হলে খারাপ মন্তব্যটিই অগ্রাধিকার পায়।



হাদিসের মানঃ  জাল (Fake)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!

أحبوا العرب لثلاث: لأني عربي، والقرآن عربي، وكلام أهل الجنة عربي
موضوع

-

أخرجه الحاكم في " المستدرك " (4 / 87) وفي " معرفة علوم الحديث (ص 161 - 162) والعقيلي في " الضعفاء " (327) والطبراني في " الكبير " (3 / 122 /1) و" الأوسط "، وتمام في " الفوائد " (22 / 1) ومن طريقه الضياء المقدسي في " صفة الجنة " (3 / 79 / 1) والبيهقي في " شعب الأيمان " والواحدي في " تفسيره " (81 / 1) وابن عساكر (6 / 230 / 1 و7 / 34 / 1) وكذا أبو بكر الأنباري في " إيضاح الوقف والابتداء " (ق 6 / 1 نسخة الإسكندرية) كلهم من طريق العلاء بن عمرو الحنفي حدثنا يحيى بن يزيد الأشعري أنبأنا ابن جريج عن عطاء عن ابن عباس مرفوعا
قلت: وهذا إسناد موضوع، وله ثلاث علل
الأولى: العلاء بن عمرو، قال الذهبي في " الميزان ": متروك، وقال ابن حبان: لا يجوز الاحتجاج به بحال، ثم ساق له هذا الحديث من طريق العقيلي ثم قال: هذا موضوع، قال أبو حاتم: هذا كذب، ثم ساق له حديثا آخر ثم قال
وهو كذب، وقال في " اللسان ": وقال الأزدي: لا يكتب حديثه، وذكره ابن حبان في " الثقات " وقال: ربما خالف، وقال النسائي: ضعيف، وقال صالح جزرة: لا بأس به، وقال أبو حاتم: كتبت عنه وما رأيت إلا خيرا
قلت: لعل قول أبي حاتم هذا وهو في " الجرح والتعديل " (3 / 1 / 359) قبل أن يطلع على روايته للأحاديث المكذوبة، وإلا فتوثيقه لا يتفق في شيء مع تكذيبه لحديثه كما نقله الذهبي عنه، وهو في كتاب " العلل " لابنه قال: (2 /375 - 376) قال: سألت أبي عن حديث رواه العلاء بن عمرو الحنفي (قلت: فذكره قال) : فسمعت أبي يقول: هذا حديث كذب
لكن قد يقال: ما دام أن الحديث له علل كثيرة فجائز أن تكون العلة عند أبي حاتم في غير العلاء هذا، والله أعلم
وقال في ترجمته من " اللسان ": وقال العقيلي بعد تخريجه: منكر ضعيف المتن لا أصل له وأقره الحافظ
قلت: وليس في نسختنا من العقيلي قوله: ضعيف المتن، والله أعلم
وتوثيق ابن حبان إياه مع قوله فيما نقله الذهبي عنه لا يجوز الاحتجاج به بحال فيه تناقض ظاهر، فلعل التوثيق كان قبل الاطلاع على حقيقة أمره، والله أعلم
وقد يؤيده قول الهيثمي في " المجمع " (10 / 52) بعد أن عزاه للطبراني
وفيه العلاء بن عمرو الحنفي وهو مجمع على ضعفه
الثانية: يحيى بن يزيد كذا وقع في هذه الرواية: يزيد، قال الذهبي: (وهو تصحيف، وإنما هو: بريد)
قلت: وكذلك وقع في " الضعفاء " للعقيلى و" المعرفة " للحاكم وهكذا أورده ابن أبي حاتم في " الجرح والتعديل " (4 / 12 / 131) وروى عن ابن معين أنه قال: ضعيف، وعن ابن نمير قال: ما يسوى تمرة؟ وعن أبي زرعة: منكر الحديث وعن أبيه قال: ضعيف الحديث ليس بالمتروك يكتب حديثه قال في اللسان
وذكره الساجي والعقيلي وابن الجارود في الضعفاء، وقد تابعه عند الحاكم محمد بن الفضل وهو متهم كما سبق في الحديث (26) ثم قال الحاكم: حديث يحيى ابن يزيد عن ابن جريج صحيح، فتعقبه الذهبي بقوله: بل يحيى ضعفه أحمد وغيره، والعلاء بن عمرو الحنفي ليس بعمدة، وأما محمد بن الفضل فمتهم وأظن الحديث موضوعا، وكذلك تعقبه الحافظ العراقي في " محجة القرب إلى محبة العرب " (5 /1) فقال: قلت: وليس كما قال، بل هو ضعيف لأن يحيى بن يزيد بن أبي بردة ضعيف عندهم، وكذلك راويه عنه: العلاء بن عمرو الحنفي
الثالثة: عنعنة ابن جريج فإنه كان مدلسا، قال أحمد: بعض هذه الأحاديث التي كان يرسلها ابن جريج أحاديث موضوعة، كان ابن جريج لا يبالي من أين يأخذها
يعني قوله: أخبرت وحدثت عن فلان كذا في الميزان
والحديث أورده ابن الجوزي في " الموضوعات " (2 / 41) من طريق العقيلي، ثم قال: قال العقيلي: منكر لا أصل له، قال ابن الجوزي: يحيى يروي المقلوبات
قال السيوطي في " اللآليء " (1 / 442) : قلت: إنما أورده العقيلي في ترجمة العلاء بن عمرو على أنه من مناكيره، وكذا فعل صاحب " الميزان " ثم ذكر توثيق ابن حبان وصالح جزرة للعلاء متغافلا عن قاعدة (الجرح مقدم على التعديل) وعن قول ابن حبان الآخر فيه: لا يحل الاحتجاج به بحال، وعن قول الحافظ العراقي
ضعيف عندهم، كما تقدم، ثم ذكر تصحيح الحاكم له وما تعقبه الذهبي به، ثم تعقبه السيوطي بقوله: وله شاهد
قلت: ولكنه منكر باعتراف السيوطي نفسه فلم يصنع شيئا! وهو الآتي بعده
والحديث أورده شيخ الإسلام ابن تيمية في " اقتضاء الصراط المستقيم " (ص - طبعة الخانجي) من طريق العقيلي وأنه قال: لا أصل له وأن ابن الجوزي ذكره في " الموضوعات " وأقرهما على ذلك، إلا أنه نقل قبل ذلك عن الحافظ السلفي: هذا حديث حسن، قال شيخ الإسلام: فما أدري أراد (حسن إسناده) على طريقة المحدثين أو (حسن متنه) على الاصطلاح العام
قلت: وغالب الظن أنه أراد الثاني وبه جزم في " الفيض " لكنه عزاه لابن تيمية مع أن كلامه كما رأيت لا يدل على جزمه بذلك، وعلى كل حال فإني أستبعد جدا أن يستحسن السلفي إسناد هذا الحديث مع أن أحسن أحواله أن يكون ضعيفا جدا، وقد حكم بوضعه غير واحد من الأئمة الذين سبقوه مثل أبي حاتم والعقيلي دون أن
يخالفهم في ذلك أحد ممن يوثق بعلمه

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

হাদিস দেখানো হচ্ছে   [151]  থেকে  [160]  পর্যন্ত এবং সর্বমোট   [342]  টি হাদিস পাওয়া গেছে।