• ৭১৫৬৩ টি সর্বমোট হাদিস আছেঃ
  • ৮০৩৩ টি প্রশ্নোত্তর ও ফিকাহঃ

 

 

 

 


হাদীস (حَدِيْث) এর শাব্দিক অর্থ: নতুন, প্রাচীন ও পুরাতন এর বিপরীত বিষয়। এ অর্থে যে সব কথা, কাজ ও বস্ত্ত পূর্বে ছিল না, এখন অস্তিত্ব লাভ করেছে  তাই হাদীস। এর আরেক অর্থ হলো: কথা। ফক্বীহগণের পরিভাষায় নাবী কারীম () আল্লাহ্‌র রাসূল হিসেবে যা কিছু বলেছেন, যা কিছু করেছেন এবং যা কিছু বলার বা করার অনুমতি দিয়েছেন অথবা সমর্থন জানিয়েছেন তাকে হাদীস বলা হয়। কিন্তু মুহাদ্দিসগণ এর সঙ্গে রাসুলুল্লাহ () সম্পর্কিত বর্ণনা ও তার গুণাবলী সম্পর্কিত বিবরণকেও হাদীসের অন্তর্ভুক্ত করেন। এ হিসেবে হাদীসকে প্রাথমিক পর্যায়ে তিন শ্রেণীতে ভাগ করা যায়:

১। ক্বওলী হাদীস: কোন বিষয়ে রাসুলুল্লাহ () যা বলেছেন, অর্থাৎ যে হাদীসে তাঁর কোন কথা বিবৃত হয়েছে তাকে ক্বওলী (বাণী সম্পর্কিত) হাদীস বলা হয়।

২। ফেলী হাদীস: মহানাবী ()-এর কাজকর্ম, চরিত্র ও আচার-আচরণের ভেতর দিয়েই ইসলামের যাবতীয় বিধি-বিধান ও রীতিনীতি পরিস্ফুট হয়েছে। অতএব যে হাদীসে তাঁর কোন কাজের বিবরণ উল্লেখিত হয়েছে তাকে ফে’লী (কর্ম সম্পর্কিত) হাদীস বলা হয়।

৩। তাকরীরী হাদীস: সাহাবীগণের যে সব কথা বা কাজ নাবী কারীম ()-এর অনুমোদন ও সমর্থন প্রাপ্ত হয়েছে, সে ধরনের কোন কথা বা কাজের বিবরণ হতেও শরীয়াতের দৃষ্টিভঙ্গি জানা যায়। অতএব যে হাদীসে এ ধরনের কোন ঘটনার বা কাজের উল্লেখ পাওয়া যায় তাকে তাকরীরী (সমর্থন মূলক) হাদীস বলে।

সুন্নাহ (السنة): হাদীসের অপর নাম সুন্নাহ্ (السنة) সুন্নাত শব্দের অর্থ চলার পথ, কর্মের নীতি ও পদ্ধতি। যে পন্থা ও রীতি নাবী কারীম () অবলম্বন করতেন তাকে সুন্নাত বলা হয়। অন্য কথায় রাসুলুল্লাহ () প্রচারিত উচ্চতম আদর্শই সুন্নাত। কুরআন মাজিদে মহত্তম ও সুন্দরতম আদর্শ (أُسْوَةٌ حَسَنَةٌ) বলতে এই সুন্নাতকেই বুঝানো হয়েছে।

খবর (خبر): হাদীসকে আরবী ভাষায় খবরও (خبر) বলা হয়। তবে খবর শব্দটি হাদীস ও ইতিহাস উভয়টিকেই বুঝায়।

আসার (أثر ): আসার শব্দটিও কখনও কখনও রাসুলুল্লাহ () এর হাদীসকে নির্দেশ করে। কিন্তু অনেকেই হাদীস ও আসার এর মধ্যে কিছু পার্থক্য করে থাকেন। তাঁদের মতে- সাহাবীগণ থেকে শরীয়াত সম্পর্কে যা কিছু উদ্ধৃত হয়েছে তাকে আসার বলে।

 

ইলমে হাদীসের কতিপয় পরিভাষা

সাহাবী (صحابى):  যিনি ঈমানের সঙ্গে রাসুলুল্লাহ () এর সাহচর্য লাভ করেছেন এবং ঈমানের সঙ্গে মৃত্যুবরণ করেছেন তাঁকে রাসুলুল্লাহ ()-এর সাহাবী বলা হয়।

তাবেঈ (تابعى) : যিনি রাসুলুল্লাহ ()-এর কোন সাহাবীর নিকট হাদীস শিক্ষা করেছেন অথবা অন্ততপক্ষে তাঁকে দেখেছেন এবং মুসলমান হিসেবে মৃত্যুবরণ করেছেন তাঁকে তাবেঈ বলা হয়।

তাবে-তাবেঈ (تابعى تابع) : যিনি  কোন তাবেঈ এর নিকট হাদীস শিক্ষা করেছেন অথবা অন্ততপক্ষে তাঁকে দেখেছেন এবং মুসলমান হিসেবে মৃত্যুবরণ করেছেন তাঁকে তাবে-তাবেঈ বলা হয়।

মুহাদ্দিস (محدث) : যিনি হাদীস চর্চা করেন এবং বহু সংখ্যক হাদীসের সনদ ও মতন সম্পর্কে বিশেষ জ্ঞান রাখেন তাঁকে মুহাদ্দিস বলা হয়।

শাইখ (شيخ) : হাদীসের শিক্ষাদাতা রাবীকে শায়খ বলা হয়।

শাইখান (شيخان) : সাহাবীগনের মধ্যে আবূ বকর (রাঃ) ও উমর  (রাঃ)- কে একত্রে শাইখান বলা হয়। কিন্তু হাদীস শাস্ত্রে ইমাম বুখারী (রাহি.) ও ইমাম মুসলিম (রাহি.)-কে এবং ফিক্বহ-এর পরিভাষায় ইমাম আবূ হানীফা (রাহি.) ও আবূ ইউসুফ (রাহি.)-কে একত্রে শাইখান বলা হয়। 

হাফিয (حافظ) : যিনি সনদ ও মতনের বৃত্তান্ত সহ এক লাখ হাদীস আয়ত্ত করেছেন তাঁকে হাফিয বলা হয়।

হুজ্জাত (حجة) : অনুরূপভাবে যিনি তিন লক্ষ হাদীস আয়ত্ত করেছেন তাঁকে হুজ্জাত বলা হয়।  

হাকিম (حاكم) : যিনি সব হাদীস আয়ত্ত করেছেন তাকে হাকিম বলা হয়।

রিজাল (رجال) : হাদীসের রাবী সমষ্টিকে রিজাল বলে। যে শাস্ত্রে রাবীগণের জীবনী বর্ণনা করা হয়েছে তাকে আসমাউর-রিজাল বলা হয়।                                                                                 

রিওয়ায়াত (رواية): হাদীস বর্ণনা করাকে রিওয়ায়াত বলে। কখনও কখনও মূল হাদীসকেও রিওয়ায়াত বলা হয়। যেমন- এই কথার সমর্থনে একটি রিওয়ায়াত (হাদীস) আছে।                           

সনদ (سند): হাদীসের মূল কথাটুকু যে সূত্র পরম্পরায় গ্রন্থ সংকলনকারী পর্যন্ত পৌঁছেছে তাকে সনদ বলা হয়। এতে হাদীস বর্ণনাকারীদের নাম একের পর এক সজ্জিত থাকে।

মতন (متن): হাদীসে মূল কথা ও তার শব্দ সমষ্টিকে মতন বলে।

মারফূ (مرفوع): যে হাদীসের সনদ (বর্ণনা পরম্পরা) রাসুলুল্লাহ () পর্যন্ত পৌঁছেছে  তাকে মারফূ হাদীস বলে।

মাওকূফ (موقوف) : যে হাদীসের বর্ণনা- সূত্র ঊর্ধ্ব দিকে সাহাবী পর্যন্ত পৌঁছেছে , অর্থাৎ যে সনদ -সূত্রে কোন সাহাবীর কথা বা কাজ বা অনুমোদন বর্ণিত হয়েছে তাকে মাওকূফ হাদীস বলে। এর অপর নাম আসার।

মাকতূ (مقطوع): যে হাদীসের সনদ কোন তাবেঈ পর্যন্ত পৌঁছেছে, তাকে মাকতূ হাদীস বলা হয়।

তালীক (تعليق): কোন কোন গ্রন্থকার হাদীসের পূর্ণ সনদ বাদ দিয়ে কেবল মূল হাদীস বর্ণনা করেছেন। এরূপ করাকে তা’লীক বলা হয়।

মুদাল্লাস (مدلس): যে হাদীসের রাবী নিজের প্রকৃত শাইখের (উস্তাদের) নাম উল্লেখ না করে তার উপরস্থ শাইখের নামে এভাবে হাদীস বর্ণনা করেছেন যাতে মনে হয় যে, তিনি নিজেই উপরস্থ শাইখের নিকট তা শুনেছেন অথচ তিনি তাঁর নিকট সেই হাদীস শুনেন নি- সে হাদীসকে মুদাল্লাস হাদীস এবং এইরূপ করাকে ‘তাদ্লীস’ আর যিনি এইরূপ করেন তাকে মুদালস্নীস বলা হয়।

মুযতারাব (مضطرب): যে হাদীসের রাবী হাদীসের মতন ও সনদকে বিভিন্ন প্রকারে বর্ণনা করেছেন সে হাদীসকে হাদীসে মুযতারাব বলা হয়। যে পর্যন্ত না এর কোনরূপ সমন্বয় সাধন সম্ভবপর হয়, সে পর্যন্ত এই হাদীসের ব্যাপারে অপেক্ষা করতে হবে অর্থাৎ এই ধরনের রিওয়ায়াত প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না।

মুদ্রাজ (مدرج): যে হাদীসের মধ্যে রাবী নিজের অথবা অপরের উক্তিকে অনুপ্রবেশ করিয়েছেন, সে হাদীসকে মুদ্রাজ এবং এইরূপ করাকে ‘ইদরাজ’ বলা হয়।

মুত্তাসিল (متصل): যে হাদীসের সনদের ধারাবাহিকতা প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত পূর্ণরূপে রক্ষক্ষত আছে, কোন সত্মরেই কোন রাবীর নাম বাদ পড়ে নি তাকে মুত্তাসিল হাদীস বলে।

মুনকাতি (منقطع): যে হাদীসের সনদে ধারাবাহিকতা রক্ষিত হয় নি, মাঝখানে কোন এক স্তরে কোন রাবীর নাম বাদ পড়েছে, তাকে মুনকাতি হাদীস, আর এই বাদ পড়াকে ইনকিতা বলা হয়।

মুরসাল (مرسل): যে হাদীসের সনদে ইনকিতা শেষের দিকে হয়েছে, অর্থাৎ সাহাবীর নাম বাদ পড়েছে এবং তাবেঈ সরাসরি রাসুলুল্লাহ () এর উল্লেখ করে হাদীস বর্ণনা করেছেন তাকে মুরসাল হাদীস বলা হয়।

মুআল্লাক ( معلق ) : সনদের ইনকিতা প্রথম দিকে  হলে, অর্থাৎ সাহাবীর পর এক বা একাধিক রাবীর নাম বাদ পড়লে তাকে মু’আল্লাক হাদীস বলা হয়।

মুদাল (معضل): যে হাদীসে দুই বা ততোধিক রাবী ক্রমান্বয়ে সনদ থেকে বাদ পড়েছে তাকে মু‘দাল হাদীস বলে।

মুতাবি ও শাহিদ (متابع و شاهد): এক রাবীর হাদীসের অনুরূপ যদি অপর রাবীর কোন হাদীস পাওয়া যায় তবে দ্বিতীয় রাবীর হাদীসকে প্রথম রাবীর হাদীসের মুতাবি বলা হয়। যদি উভয় হাদীসের মূল রাবী অর্থাৎ সাহাবী একই ব্যক্তি না হয় তবে দ্বিতীয় ব্যক্তির হাদীসকে শাহিদ বলে। আর এইরূপ হওয়াকে শাহাদাত বলে। মুতাবা’আত ও শাহাদাত দ্বারা প্রথম হাদীসটির শক্তি বৃদ্ধি পায়।

মারূফ ও মুনকার (معروف و منكر): কোন দুর্বল রাবীর বর্ণিত হাদীস অপর কোন মাকবূল (গ্রহণযোগ্য) রাবীর বর্ণিত হাদীসের বিরোধী হলে তাকে মুনকার বলা হয় এবং মাকবূল রাবীর হাদীসকে মা‘রূফ বলা হয়।

সহীহ (صحيح) : যে মুত্তাসিল হাদীসের সনদে উল্লেখিত প্রত্যেক রাবীই পূর্ণ আদালত ও যাবত (ধারণ ক্ষমতা) গুণ সম্পন্ন এবং হাদীসটি যাবতীয় দোষত্রুটি ও শায মুক্ত তাকে সহীহ হাদীস বলে।

হাসান (حسن) : যে হাদীসের মধ্যে রাবীর যাবত (ধারণ ক্ষমতা) এর গুণ ব্যতীত সহীহ হাদীসের সমস্ত শর্তই পরিপূর্ণ রয়েছে তাকে হাসান হাদীস বলা হয়। ফক্বীহগণ সাধারণত সহীহ ও হাসান হাদীসের ভিত্তিতে শরীয়াতের বিধান নির্ধারণ  করেন।

যঈফ (ضعيف ) : যে হাদীসের রাবী কোন হাসান হাদীসের রাবীর গুণসম্পন্ন নন তাকে যঈফ হাদীস বলে।

মাওযূ ( موضوع ) : যে হাদীসের রাবী জীবনে কখনও ইচ্ছাকৃতভাবে রাসুলুল্লাহ ()-এর নামে মিথ্যা কথা রটনা করেছেন বলে প্রমাণিত হয়েছে, তার বর্ণিত হাদীসকে মাওযূ‘ হাদীস বলে।

 

রাবীর সংখ্যা বিচারে হাদীস প্রধানত দুপ্রকার। যথা: ১. মুতওয়াতির (متواتر) ও ২. আহাদ (أحاد)

১. মুতওয়াতির (متواتر): বৃহৎ সংখ্যক রাবীর বর্ণিত হাদীস, মিথ্যার ব্যাপারে যাদের উপর একাট্টা হওয়া অসম্ভব, সনদের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত এ সংখ্যা বিদ্যমান থাকলে হাদীসকে মুতওয়াতির (متواتر) বলা হয়।

২. আহাদ (أحاد): أحاد তিন প্রকার। যথা:

মাশহুর (مشهور): যে কোন স্তরে হাদীস বর্ণনা কারীর সংখ্যা যদি দুই এর অধিক হয়, কিন্তু মুতওয়াতির এর পর্যায়ে পৌঁছে না তাকে মাশহুর (مشهور) বলে।

আযীয (عزيز): যে কোন স্তরে হাদীস বর্ণনা কারীর সংখ্যা যদি দু‘জন হয় ।

গরীব (غريب): যে কোন স্তরে হাদীস বর্ণনা কারীর সংখ্যা যদি এক জন হয় ।

শায (شاذ): একাধিক নির্ভরযোগ্য রাবীর বিপরীত একজন নির্ভরযোগ্য রাবীর বর্ণনাকে শায হাদীস বলে।

 কিয়াস (قياس): অর্থ অনুমান, পরিমাপ, তুলনা ইত্যাদি। পরিভাষায়: শাখাকে মূলের সঙ্গে তুলনা করা, যার ফলে শাখা ও মূল একই হুকুমের অমত্মর্ভুক্ত হয়ে যায়।

তাক্বলীদ (تقليد): দলীল উল্লেখ ছাড়াই কোন ব্যক্তির মতামতকে গ্রহণ করা।

ইজতিহাদ (اجتهاد): উদ্দিষ্ট জ্ঞান অর্জনের প্রচেষ্টা চালানোকে ইজতিহাদ বলে।

শরীয়াত (شريعة): অর্থ: আইন, বিধান, পথ, পন্থা ইত্যাদি। পরিভাষায়: মহান আল্লাহ্‌ স্বীয় দীন হতে বান্দার জন্য যা বিধিবদ্ধ করে দিয়েছেন তাকে শরীয়াত বলে।

মাযহাব (مذهب): অর্থ- মত, পথ, মতবাদ ইত্যাদি। ফিক্বহী পরিভাষায়: ইবাদাত ও মু‘আমালাতের ক্ষেত্রে শারঈ হুকুম পালনের জন্য বান্দা যে পথ অনুসরণ করে এবং প্রত্যেক দলের জন্য একজন ইমামের উপর অথবা ইমামের ওসীয়ত কিংবা ইমামের প্রতিনিধির উপর নির্ভর করে তাকে মাযহাব বলে।

নাযর (نذر): কোন বিষয়ে উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য চিন্তা-ভাবনা করাকে নাযর বলে।

আম (عام): সীমাবদ্ধ করা ছাড়াই যা দুই বা ততোধিক বিষয়কে অন্তর্ভুক্ত করে তাকে আম বলে।

খাস (خاص): আম এর বিপরীত, যা নির্দিষ্ট বিষয়কে অন্তর্ভুক্ত করে।

ইজমা (اجماع): কোন এক যুগে আলিমদের কোন শারঈ বিষয়ের উপর এক মত পোষণ করাকে ইজমা বলে।

মুসনাদ (مسند): যার সনদগুলো পরস্পর এমনভাবে মিলিত যে, প্রত্যেকের বর্ণনা সুস্পষ্ট।

ফিক্বহ (فقه): ইজতিহাদ বা গবেষণার পদ্ধতিতে শারঈ হুকুম সম্পর্কে জানার বিধানকে ফিক্বহ বলে।

আসল বা মূল (اصل): এমন প্রথম বিষয়, যার উপর ভিত্তি করে কোন কিছু গড়ে উঠে। যেমন- দেয়ালের ভিত্তি।

ফারা বা শাখা (فرع): আসলের বিপরীত যা কোন ভিত্তির উপর গড়ে উঠে।

ওয়াজিব (واجب): যা আমল করলে সাওয়াব পাওয়া যাবে আর পরিত্যাগ করলে শাস্তি পাওয়া যাবে।

মানদূব (مندوب): যা আমল করলে সাওয়াব পাওয়া যাবে আর পরিত্যাগ করলে শাস্তি হবে না।

মাহযূর (محظور): যা পরিত্যাগ করলে সাওয়াব পাওয়া যাবে আর আমল করলে শাস্তি পাওয়া যাবে।

মাকরূহ (مكروه): যা পরিত্যাগ করলে সাওয়াব পাওয়া যাবে আর আমল করলে শাস্তি হবে না।

ফাৎওয়া (فتوى): জিজ্ঞাসিত ব্যক্তির নিকট থেকে দলীল ভিত্তিক শারঈ হুকুম সুস্পষ্ট বর্ণনা করে নেয়াকে ফাৎওয়া বলে।

নাসিখ (ناسخ): পরিবর্তিত শারঈ দলীল যা পূববর্তী শারঈ হুকুমকে রহিত করে দেয় তাকে নাসিখ বলে।

মানসূখ (منسوخ): আর যে হুকুমটি রহিত হয়ে যায় সেটাই মানসূখ।

মুতলাক্ব (مطلق): যা প্রকৃতিগত দিক থেকে জাতির সকলকে অন্তর্ভুক্ত  করে কিন্তু অনির্দিষ্টভাবে একটি অর্থকে বুঝায়।

মুকাইয়্যাদ (مقيد): যা মুতলাক্বের বিপরীত অর্থাৎ জাতির সকলকে অন্তর্ভুক্ত  করে না। বরং নির্দিষ্ট একটি অর্থকে বুঝায়।

হাক্বীকাত (حقيقة): শব্দকে আসল অর্থে ব্যবহার করাকে হাক্বীকত বলে। যেমন- সিংহ শব্দটি এক প্রজাতির হিংস্র প্রাণীকে বুঝায়।

মাজায (مجاز): শব্দ যখন আসল অর্থকে অতিক্রম করে তার সাথে সাদৃশ্য রাখে এমন অর্থ প্রকাশ করে তখন তাকে মাজায বলে। যেমন- সাহসী লোককে সিংহের সাথে তুলনা করা।

হাদিসের পরিসংখ্যান

সর্বমোট হাদিস পাওয়া গেছেঃ [1600] টি | অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ
গ্রন্থঃ যঈফ ও জাল হাদিস | দেখানো হচ্ছে   [111]  থেকে  [120]  পর্যন্ত
প্রতি পাতাতে টি হাদিস

পাবলিশারঃ তাওহীদ পাবলিকেশন
গ্রন্থঃ যঈফ ও জাল হাদিস
অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ
হাদিস নম্বরঃ ১১১ | 111 | ۱۱۱

১১১। বংশ পরিচয় দানকারীগন মিথ্যা বলেছেন, আল্লাহ তা’আলা বলেনঃ “এবং তাদের মধ্যবর্তী বহু সম্প্রদায়কে ধ্বংস করেছি।”

হাদীসটি জাল।

এটিকে সুয়ূতী তার “আল-জামে” গ্রন্থে ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতে ইবনু সায়াদ এবং ইবনু আসাকিরের বর্ণনায় উল্লেখ করেছেন । মানাবী “জামেউস সাগীর-এর শারাহতে” দুটি স্থানে এ হাদীসটি সম্পর্কে চুপ থেকেছেন। সম্ভবত তিনি এটির সনদ সম্পর্কে অবহিত হননি, অন্যথায় তার এরূপ চুপ থাকা সঠিক হয়নি। ইবনু সায়াদ হাদীসটি “আত-তাবাকাত” গ্রন্থে (১/১/২৮) হিশাম সূত্রে তার পিতা মুহাম্মাদের মাধ্যমে উল্লেখ করেছেন।

আমি (আলবানী) বলছিঃ এ হিশাম হচ্ছেন ইবনু মুহাম্মাদ ইবনুস সাঈব আল-কালবী। তিনি মাতরুক, যেমনভাবে দারাকুতনী প্রমুখ বলেছেন। তার পিতা মুহাম্মাদ তার চেয়েও নিকৃষ্ট। জুযজানী ও অন্যরা তার সম্পর্কে বলেনঃ তিনি মিথ্যুক। মুহাম্মাদ নিজে স্বীকার করেছেন যে, তিনি মিথ্যা বর্ণনা করেছেন। বুখারী সহীহ্ সনদে সুফিইয়ান হতে বর্ণনা করেছেন তিনি (সুফিইয়ান) বলেনঃ কালবী আমাকে বলেছেন যে, আমি তোমার নিকট যে সব হাদীস আবূ সালেহ হতে বর্ণনা করেছি সেগুলো মিথ্যা। ইবনু হিব্বান বলেনঃ তিনি ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতে আবু সালেহ-এর সূত্রে তাফসীর বর্ণনা করেছেন। অথচ আবূ সালেহ ইবনু আব্বাসকে দেখেননি আর কালবী আবু সালেহ হতে শুনেননি।



হাদিসের মানঃ  জাল (Fake)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!

كذب النسابون، قال الله تعالى: وقرونا بين ذلك كثيرا
موضوع

-

أورده السيوطي في " الجامع " من رواية ابن سعد وابن عساكر عن ابن عباس وأورده فيما بعد بلفظ: " كان إذا انتسب لم يجاوز في نسبته معد بن عدنان بن أد ثم يمسك ويقول: كذب النسابون ... " وقال: رواه ابن سعد عن ابن عباس
وسكت عليه شارحه المناوي في الموضعين، وكأنه لم يطلع على سنده، وإلا لما جاز له ذلك، وقد أخرجه ابن سعد في " الطبقات " (1 / 1 / 28) قال: أخبرنا هشام قال أخبرني أبي عن أبي صالح عن ابن عباس مرفوعا بتمامه
قلت: وهشام هذا هو ابن محمد بن السائب الكلبي النسابة المفسر وهو متروك كما قال الدارقطني وغيره وولده محمد بن السائب شر منه قال الجوزجاني وغيره
كذاب، وقد اعترف هو نفسه بأنه يكذب، فروى البخاري بسند صحيح عن سفيان الثوري قال: قال لي الكلبي: كل ما حدثتك عن أبي صالح فهو كذب
قلت: كذا في " الميزان " وفيه سقط أو اختصار يمنع نسبة الاعتراف بالكذب إلى الكلبي، كما سيأتي بيانه في الحديث (5449)
وقال ابن حبان: مذهبه في الدين ووضوح الكذب فيه أظهر من أن يحتاج إلى الإغراق في وصفه يروي عن أبي صالح عن ابن عباس التفسير، وأبو صالح لم ير ابن عباس، ولا سمع الكلبي من أبي صالح إلا الحرف بعد الحرف، لا يحل ذكره في الكتب فكيف الاحتجاج به؟ ! ، ومن هذه الطريق أخرجه ابن عساكر في " تاريخ دمشق " (1 / 197 / 1، 198 / 2) من مخطوطة ظاهرية دمش

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ তাওহীদ পাবলিকেশন
গ্রন্থঃ যঈফ ও জাল হাদিস
অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ
হাদিস নম্বরঃ ১১২ | 112 | ۱۱۲

১১২। ফড়িং (পতঙ্গ) সামুদ্রিক মাছের হাঁচি।

হাদীসটি জাল।

হাদীসটি ইবনু মাজাহ্ (২/২৯২) যিয়াদ ইবনু আবদিল্লাহ ইবনে আলাসা সূত্রে মূসা ইবনু মুহাম্মাদ হতে বর্ণনা করেছেন ... (এ অংশটুকু বর্ণিত হাদীসের অংশ বিশেষ)।

আমি (আলবানী) বলছিঃ এটির সনদ খুবই দুর্বল। এ মূসা ইবনু মুহাম্মাদ হচ্ছেন তাইমী মাদানী। তিনি মুনকারুল হাদীস; যেমনভাবে নাসাঈ ও অন্যরা বলেছেন। হাদীসটিকে যাহাবী তার মানাকীর গুলোর একটি মুনকার হাদীস হিসাবে উল্লেখ করেছেন।

হাদীসটিকে ইবনুল জাওযী তার “আল-মাওযুআত” গ্রন্থে (৩/১৪) মূসার সূত্রে উল্লেখ করে বলেছেনঃ এটি সহীহ্ নয়, মূসা মাতরূক।

সুয়ূতী তার এ কথাকে “আল-লাআলী" গ্রন্থে (২/৩৩৩) সমর্থন করেছেন। তা সত্ত্বেও তিনি হাদীসটি "জামেউস সাগীর” গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন।
ইবনু কুতায়বা হাদীসটি “গারীবুল হাদীস” গ্রন্থে (৩/১১৪) আবূ খালিদ আল-ওয়াসেতী সূত্রে ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতে মওকুফ হিসাবে বর্ণনা করেছেন। এটিও মারফুটির ন্যায়। কারণ এর সনদও নিতান্তই দুর্বল। কেননা এ আবূ খালিদ হচ্ছেন আমর ইবনু খালিদ, তিনি মাতরূক। ওয়াকী’ তাকে মিথ্যার দোষে দোষী করেছেন।
আমি (আলবানী) বলছিঃ এ হাদীসটি ইসরাইলী বর্ণনার সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।



হাদিসের মানঃ  জাল (Fake)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!

الجراد نثرة حوت في البحر
موضوع

-

أخرجه ابن ماجه (2 / 292) من طريق زياد بن عبد الله بن علاثة عن موسى بن محمد ابن إبراهيم عن أبيه عن جابر وأنس
أن النبي صلى الله عليه وسلم كان إذا دعا على الجراد قال: " اللهم أهلك كباره واقتل صغاره، وأفسد بيضه واقطع دابره، وخذ بأفواهها عن معايشنا وأرزاقنا إنك سميع الدعاء "، فقال رجل: يا رسول الله كيف تدعوعلى جند من أجناد الله بقطع دابره؟ فقال: " إن الجراد.. "
قلت: وهذا سند ضعيف جدا موسى بن محمد هذا هو التيمي المدني وهو منكر الحديث كما قال النسائي وغيره وقد ساق له الذهبي من مناكيره هذا الحديث، وأورده ابن الجوزي في " الموضوعات " (3 / 14) من رواية موسى هذا، ثم قال: لا يصح، موسى متروك وأقره السيوطي في " اللآليء " (2 / 333) فلم يتعقبه بشيء إلا
قوله: قلت: أخرجه ابن ماجه، ومع هذا فقد أورده في " الجامع الصغير "! ، ثم رأيت ابن قتيبة أخرجه في " غريب الحديث " (3 / 114) من رواية أبي خالد الواسطي عن رجل عن ابن عباس موقوفا عليه، وهذا مع أنه موقوف وهو به أشبه فإن سنده واه جدا، لأن أبا خالد هذا وهو عمرو بن خالد متروك ورماه وكيع بالكذب
قلت: ويشبه أن يكون هذا الحديث من الإسرائيليات

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ তাওহীদ পাবলিকেশন
গ্রন্থঃ যঈফ ও জাল হাদিস
অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ
হাদিস নম্বরঃ ১১৩ | 113 | ۱۱۳

অপবাদমূলক স্থানগুলো হতে বেঁচে চল।

এটির কোন ভিত্তি নেই।

হাদীসটি গাযালী “আল-ইহইয়া” গ্রন্থে (৩/৩১) উল্লেখ করেছেন। তার তাখরীজকারী হাফিয ইরাকী বলেনঃ হাদীসটির কোন ভিত্তি পাচ্ছি না। সুবকী “আত-তাবাকাত” গ্রন্থে (৪/১৬২) অনুরূপ কথাই বলেছেন। এছাড়া একইভাবে মওকুফ হিসাবে বর্ণনা করা হয়েছে। দেখুন যুবাইদীর “শারহুল ইহইয়া” গ্রন্থ (৭/২৮৩)



হাদিসের মানঃ  জাল (Fake)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!

اتقوا مواضع التهم
لا أصل له

-

أورده الغزالي في " الإحياء " (3 / 31) وقال مخرجه الحافظ العراقي، لم أجد له أصلا
وكذا قال السبكي في " الطبقات " (4 / 162) ، وقد روي موقوفا نحوه فانظر " شرح الإحياء " للزبيدي (7 / 283)

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ তাওহীদ পাবলিকেশন
গ্রন্থঃ যঈফ ও জাল হাদিস
অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ
হাদিস নম্বরঃ ১১৪ | 114 | ۱۱٤

১১৪। যে ব্যাক্তি কোন শিশুকে লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ বলা পর্যন্ত লালনপালন করবে; আল্লাহ তার হিসাব কিতাব নিবেন না।

হাদীসটি জাল।

হাদীসটি খারায়েতী “মাকারিমূল আখলাক” গ্রন্থে (পৃঃ ৭৫), ইবনু আদী (২/১৬২) এবং ইবনুন নাজ্জার “যায়লু তারীখে বাগদাদ” গ্রন্থে (১০/১৬৩/২) আবূ উমাইর আব্দুল কাবীর ইবনু মুহাম্মাদ সূত্রে তার শাইখ সুলায়মান আশ-শাযকুনী হতে ... বর্ণনা করেছেন।

আমি (আলবানী) বলছিঃ এ হাদীসটির সনদ জাল। এ আব্দুল কাবীর ও তার শাইখ শাযকনী তারা উভয়ে মিথ্যার দোষে দোষী।  হাদীসটি ইবনুল জাওযী তার “আল-মাওযু’আত” গ্রন্থে (২/১৭৮) বর্ণনাকারী আব্দুল কাবীর হতে ইবনু আদীর সূত্রে উল্লেখ করে বলেছেনঃ হাদীসটি সহীহ্ নয়।

ইবনু আদী বলেনঃ সম্ভবত এটির বিপদ হচ্ছে আবূ উমাইরের নিকট হতে। তিনি বলেনঃ এটিকে ইব্রাহীম ইবনু বারা শাযকুনী হতে বর্ণনা করেছেন। এ ইবরাহীম বাতিল হাদীস বর্ণনা করতেন। যাহাবী “আল-মীযান” গ্রন্থে এ ইবরাহীমের জীবনী বর্ণনা করতে গিয়ে উল্লেখ করেছেনঃ উকায়লী বলেনঃ يحدث عن الثقات بالبواطيل তিনি নির্ভরযোগ্যদের উদ্ধৃতিতে বাতিল হাদীস বর্ণনাকারী। ইবনু হিব্বান বলেনঃ يحدث عن الثقات بالموضوعات তিনি নির্ভরশীলদের উদ্ধৃতিতে জাল হাদীস বর্ণনা করেছেন তার সমালোচনা করা ব্যতীত অন্য কোন উদ্দেশ্যে তাকে উল্লেখ করাই বৈধ নয়’।

এ হাদীসটি অন্য সূত্রেও বর্ণিত হয়েছে; যেটি সুয়ূতী ইবনুল জাওযীর সমালোচনা করে “আল-লাআলী” গ্রন্থে (২/৯/৯১) উল্লেখ করেছেন। যাতে আশ'য়াস ইবনু মুহাম্মাদ আল-কালাঈ নামক এক বর্ণনাকারী রয়েছেন। তাকে শুধুমাত্র এ হাদীসের সনদেই চেনা যায়। এ জন্যেই যাহাবী তাকে “আল-মীযান” গ্রন্থে উল্লেখ করে বলেছেনঃ তিনি জাল হাদীস বর্ণনা করেছেন। যাহাবীর এ কথাকে হাফিয ইবনু হাজার “লিসানুল মীযান” গ্রন্থে সমর্থন করেছেন। এ হাদীসটি বাতিল এ মর্মে হাফিযগণ (ইবনু হিব্বান, ইবনু আদী, যাহাবী, আসকালানী) ঐকমত্য পোষণ করেছেন।



হাদিসের মানঃ  জাল (Fake)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!

من ربى صبيا حتى يقول: لا إله إلا الله لم يحاسبه الله عز وجل
موضوع

-

أخرجه الخرائطي في " مكارم الأخلاق " (ص 75) وابن عدي (162 / 2) وابن النجار في " ذيل تاريخ بغداد " (10 / 163 / 2) من طريق أبي عمير عبد الكبير ابن محمد بن عبد الله من ولد أنس عن سليمان الشاذكوني حدثنا عيسى بن يونس عن هشام بن عروة عن أبيه عن عائشة مرفوعا
قلت: وهذا سند موضوع عبد الكريم هذا وشيخه الشاذكوني كلاهما متهم بالكذب وقد أورده ابن الجوزي في " الموضوعات " (2 / 178) من طريق ابن عدي بسنده عن عبد الكبير به وقال: لا يصح، قال ابن عدي: لعل البلاء فيه من أبي عمير، قال: وقد رواه إبراهيم بن البراء عن الشاذكوني، وإبراهيم حدث بالبواطيل، وتعقبه السيوطي في " اللآليء " (2 / 90 / 91) بقوله: قلت: أخرجه الطبراني في " الأوسط " عن عبد الكبير به، وله طريق آخر
قلت: ثم ساقه من رواية الخلعي بسنده إلى أبي على الحسن بن علي بن الحسن السريرى الأعسم حدثني أشعث بن محمد الكلاعي حدثنا عيسى بن يونس به ثم قال
وأشعث في الأصل: أشعب في الموضعين وهو خطأ ضعيف
قلت: وهذا تعقب لا طائل تحته فإن أشعث هذا لا يعرف إلا في هذا السند ومن أجله أورده في " الميزان " ثم قال: أتى بخبر موضوع يشير إلى هذا، وأقره الحافظ في " اللسان "، وفي ترجمة إبراهيم بن البراء من " الميزان ": قال
العقيلي: يحدث عن الثقات بالبواطيل، وقال ابن حبان: يحدث عن الثقات بالموضوعات، لا يجوز ذكره إلا على سبيل القدح فيه، ثم قال: هو الذي روى عن الشاذكوني عن الدراوردي كذا عن هشام عن أبيه عن عائشة مرفوعا: " من ربي صبيا حتى يتشهد وجبت له الجنة "، وهذا باطل
قال الذهبي: قلت: أحسب أن إبراهيم بن البراء هذا الراوي عن الشاذكوني آخر صغير، وقال الحافظ في " اللسان ": إبراهيم بن البراء عن سليمان الشاذكوني بخبر باطل عن الدراوردي ... الظاهر أنه غير الأول، والشاذكوني هالك، وأما ابن حبان فجعلهما واحدا
قلت: فقد اتفقت كلمات هؤلاء الحفاظ ابن حبان وابن عدي والذهبي والعسقلاني على أن هذا الحديث باطل، وجعلوا بطلانه دليلا على اتهام كل من رواه من الضعفاء والمجهولين، بعكس ما صنع السيوطي من محاولته تقوية الحديث بوروده من الطريق الأخرى التي فيها أشعث الذي أشار الذهبي إلى اتهامه بهذا الحديث فتأمل الفرق بين من ينقد ومن يجمع
والحديث أورده السيوطي في " الجامع الصغير " من رواية الطبراني وابن عدي وتعقبه شارحه المناوي بمختصر ما ذكرناه عن الذهبي والعسقلاني من أنه حديث باطل ثم تناقض المناوي فاقتصر في " التيسير " على تضعيف إسناده

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ তাওহীদ পাবলিকেশন
গ্রন্থঃ যঈফ ও জাল হাদিস
অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ
হাদিস নম্বরঃ ১১৫ | 115 | ۱۱۵

১১৫। তোমরা তোমাদের খাদ্যকে আল্লাহর যিকর ও সালাত (নামায/নামাজ) দ্বারা পরিপূর্ণ রাখ, তোমরা তার উপর নিদ্রা যেওনা; কারন তাহলে তোমাদের হৃদয়গুলো কঠিন হয়ে যাবে।

হাদীসটি জাল।

হাদীসটি ইবনু নাসর “কিয়ামুল লাইল” গ্রন্থে (পৃঃ ১৯-২০), উকায়লী “আয-যুয়াফা” গ্রন্থে (পৃ. ৯৬), ইবনু আদী “আল-কামিল” গ্রন্থে (২/৪০), আবু নু’য়াইম “আখবারু আসবাহান” গ্রন্থে (১/৯৬), ইবনুস সুন্নী “আমালুল ইয়াওম ওয়াল লাইআহ” গ্রন্থে (পৃ. ১৫৬ নং ৪৮২) ও বাইহাকী “শুয়াবুল ঈমান” গ্রন্থে (২/২১১/১) বাযী আবুল খালীল সূত্রে ... বর্ণনা করেছেন।

আমি (আলবানী) বলছিঃ এটি জাল। উকায়লী বলেনঃ বাযী অনুসরণযোগ্য নয়। ইবনু আদী তার কতিপয় হাদীস উল্লেখ করে বলেছেনঃ এ সব হাদীসগুলো মুনকার। কোন ব্যক্তিই তার অনুসরণ করেননি।

বাইহাকী বলেনঃ এটি মুনকার, বাযী একক ভাবে এটি বর্ণনা করেছেন। তিনি দুর্বল। যাহাবী “আল-মীযান” গ্রন্থে বলেনঃ তিনি মিথ্যার দোষে দোষী বর্ণনাকারী। ইবনু হিব্বান বলেনঃ তিনি নির্ভরশীলদের উদ্ধৃতিতে বানোয়াট কিছু (হাদীস) বর্ণনা করেছেন, যেন তিনি তা ইচ্ছাকৃতই করেছেন।

“লিসানুল মীযান” গ্রন্থে এসেছে বুরকানী দারাকুতনীর উদ্ধৃতিতে বলেনঃ তিনি (বাযী') মাতরূক। তার সব কিছুই বাতিল। হাকিম বলেনঃ তিনি জাল হাদীস বর্ণনা করেছেন এবং তিনি তা নির্ভরযোগ্যদের উদ্ধৃতিতে বর্ণনা করেছেন।

হাদীসটিকে ইবনুল জাওযী তার “আল-মাওযূ"আত” গ্রন্থে (৩৬৯) এ সূত্রে ইবনু আদীর বর্ণনায় উল্লেখ করেছেন। তিনি অন্য বর্ণনায় আসরাম ইবনু হাওশাব সূত্রে উল্লেখ করেছেন। অতঃপর ইবনুল জাওযী বলেছেনঃ এটি জাল। বাযী মাতরূক এবং আসরাম মিথ্যুক।



হাদিসের মানঃ  জাল (Fake)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!

أذيبوا طعامكم بذكر الله والصلاة، ولا تناموا عليه فتقسوا قلوبكم
موضوع

-

أخرجه ابن نصر في " قيام الليل " (ص 19 - 20) والعقيلي في " الضعفاء " (ص 57) وابن عدي في " الكامل " (40 / 2) وأبو نعيم في " أخبار أصبهان " (1 / 96) وابن السني في " عمل اليوم والليلة " (ص 156 رقم 482) والبيهقي في " الشعب " (2 / 211 / 1) من طريق بزيع أبي الخليل: حدثنا هشام بن عروة عن
أبيه عن عائشة مرفوعا
قلت: وهذا موضوع، قال العقيلي: بزيع لا يتابع عليه، وقال ابن عدي بعد أن ساق له أحاديث أخرى: وهذه الأحاديث مناكير كلها لا يتابعه عليها أحد، وقال البيهقي: هذا منكر تفرد به بزيع وكان ضعيفا
وقال الذهبي في " الميزان ": متهم، قال ابن حبان: يأتي عن الثقات بأشياء موضوعات كأنه المتعمد لها، روى عن هشام عن أبيه عن عائشة هذا الحديث وفي " اللسان ": قال البرقاني عن الدارقطني: متروك
قلت: له عن هشام عجائب، قال: هي بواطيل، ثم قال: كل شيء له باطل
وقال الحاكم: يروي أحاديث موضوعة، ويرويها عن الثقات، والحديث أورده ابن الجوزي في " الموضوعات " (3 / 69) من هذا الوجه برواية ابن عدي ومن روايته أيضا (37 / 2) من طريق أصرم بن حوشب حدثنا عبد الله بن إبراهيم الشيباني عن
هشام بن عروة به، وقال ابن الجوزي: موضوع، بزيع متروك وأصرم كذاب، قال ابن عدي: هو معروف ببزيع، فلعل أصرم سرقه منه، وتعقبه السيوطي في " اللآليء " (3 / 254) بقوله: أخرجه من الطريق الأول الطبراني في " الأوسط " وابن السني في " عمل اليوم والليلة " وأبو نعيم في " الطب " والبيهقي في " الشعب " وقال: تفرد به بزيع وكان ضعيفا، وأخرجه من الطريق الثاني ابن السني في " الطب " واقتصر العراقي في " تخريج الإحياء " على تضعيفه، قال المناوي في " شرح الجامع "
وأنت خبير بأن هذا التعقب أو هى من بيت العنكبوت وصدق رحمه الله
واعلم أن أسعد الناس بهذا الحديث المكذوب هم أولئك الأكلة الرقصة الذين يملؤون بطونهم بمختلف الطعام والشراب، ثم يقومون آخذا بعضهم بيد بعض يذكرون الله تعالى - زعموا - يميلون يمنة ويسرة وأماما وخلفا، وينشدون الأشعار الجميلة بالأصوات المطربة حتى يذوب ما في بطونهم؟ ومع ذلك فهم يحسبون أنهم يحسنون
صنعا! وصدق من قال
متى علم الناس في ديننا * * * بأن الغنا سنة تتبع
وأن يأكل المرء أكل الحما * * * ر ويرقص في الجمع حتى يقع
وقالوا: سكرنا بحب الإلـ * * * ــه وما أسكر القوم إلا القصع
كذاك البهائم إن أشبعت * * * يرقصها ريها والشبع
فيا للعقول ويا للنهى * * * ألا منكر منكم للبدع
تهان مساجدنا بالسماع * * * وتكرم عن مثل ذاك البيع

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ তাওহীদ পাবলিকেশন
গ্রন্থঃ যঈফ ও জাল হাদিস
অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ
হাদিস নম্বরঃ ১১৬ | 116 | ۱۱٦

১১৬। তোমরা নৈশ খাদ্য গ্রহণ কর যদিও নিকৃষ্ট মানের খাদ্যের এক হাতের তালু পরিমাণও হয়। কারন নৈশ খাদ্য পরিত্যাগ করা বার্ধক্যের কারন।

হাদীসটি নিতান্তই দুর্বল।

এটি ইমাম তিরমিযী (৩/১০০) ও কাযাঈ (১/৬৩) আম্বাসা ইবনু আবদির রহমান আল-কুরাশী সূত্রে আব্দুল মালেক ইবনু আল্লাক হতে ... বর্ণনা করেছেন।

তিরমিযী বলেনঃ হাদীসটি মুনকার, এ সূত্র ব্যতীত অন্য কোন মাধ্যমে এটিকে চিনি না। আম্বাসা হাদীসের ক্ষেত্রে দুর্বল আর আব্দুল মালেক মাজহুল।

আমি (আলবানী) বলছিঃ এ আম্বাসা সম্পর্কে আবু হাতিম বলেনঃ كان يضع الحديث "তিনি হাদীস জাল করতেন" যেমনভাবে যাহাবীর "আল-মীযান" গ্রন্থে এসেছে। অতঃপর তিনি তার কতিপয় হাদীস উল্লেখ করেছেন, এটি সেগুলোর একটি।

হাদীসটি আবূ নু’য়াইম "হিলইয়াহ" গ্রন্থে (৮/ ২১৪-২১৫), খাতীৰ বাগদাদী (৩/৩৯৬), ইবনু আবী হাতিম “আল-ইলাল” গ্রন্থে (২/১১) ও ইবনু আদী “আল-কামিল” গ্রন্থে (২/২৩২) আম্বাসা সূত্রেই তার শাইখের নাম বিভিন্নরূপে উল্লেখ পূর্বক বর্ণনা করেছেন।

আমি (আলবানী) বলছিঃ এ কারণেই উক্ত বর্ণনাগুলো হতে সনদটি আম্বাসা সূত্রে মুযতারিব এটাই সুস্পষ্ট। কারণ তিনি তার শায়খের নাম একবার বলছেন আব্দুল মালেক ইবনু আল্লাক আরেকবার বলছেন মুসলিম, আরেক বার বলছেন আল্লাক ইবনু মুসলিম, আবার বলছেন মূসা ইবনু উকবা। এরূপ ইযতিরাব হওয়াটাও হাদীসটি দুর্বল হওয়ার অন্যতম কারণ। [মুযতারিবের ব্যাখ্যা দেখুন (৫৭-৫৮) পৃষ্ঠায়।]

হাদীসটি সাগানী তার “আহাদীসুল মাওযুআহ” গ্রন্থে (পৃঃ ১২) এবং তার পূর্বে ইবনুল জাওযী (৩/৩৬) তিরমিযীর সূত্রে উল্লেখ করেছেন।

ইবনু মাজাহ্ (২/৩২২) অনুরূপ অর্থের হাদীস জাবির (রাঃ) হতে বর্ণনা করেছেন। তার সনদে ইবরাহীম ইবনু আবদিস সালাম ও আব্দুল্লাহ ইবনু মায়মুন রয়েছেন। কিন্তু সেটি সহীহ নয় বরং নিতান্তই দুর্বল। কারণ ইবরাহীম মাতরূকদের দলভুক্ত; যেমনভাবে “তাহযীবুত তাহযীব” গ্রন্থে এসেছে। যাহাবীর “আল-মীযান” গ্রন্থে এসেছেঃ ইবনু আদী তাকে দুর্বল আখ্যা দিয়েছেন। তিনি আরো বলেছেনঃ আমার নিকট তার অবস্থান হাদীস চোর হিসাবে।

আব্দুল্লাহ ইবনু মায়মূন যদি কাদাহ হন, তাহলে তিনি মাতরূক। আর যদি অন্য কেউ হন তাহলে তিনি মাজহুল। কুরাশী সূত্রে মূসা ইবনু উকবা হতে বর্ণনা করেছেন।

আমি (আলবানী) বলছিঃ এ সনদে আনন্দিত হওয়ার কিছু নেই। কারণ যাহাবী “আল-মীযান” গ্রন্থে বলেনঃ আবুল হায়সামের বর্ণনা মূসা হতে। আবুল ফাতাহ আল-আযদী বলেনঃ كذاب তিনি মিথ্যুক। "লিসানুল মীযান" গ্রন্থেও অনুরূপ কথা এসেছে।



হাদিসের মানঃ  যঈফ (Dai'f)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!

تعشوا ولوبكف من حشف، فإن ترك العشاء مهرمة
ضعيف جدا

-

أخرجه الترمذي (3 / 100) والقضاعي (63 / 1) من طريق عنبسة بن عبد الرحمن القرشي عن عبد الملك بن علاق عن أنس مرفوعا، وقال الترمذي
هذا حديث منكر لا نعرفه إلا من هذا الوجه عنبسة يضعف في الحديث، وعبد الملك ابن علاق مجهول
قلت: وعنبسة هذا، قال أبو حاتم: كان يضع الحديث كما في " الميزان " للذهبي وساق له أحاديث هذا أحدها، والحديث رواه أبو نعيم في " الحلية " (8 / 214 - 215) والخطيب (3 / 396) من طريق عنبسة بن عبد الرحمن عن مسلم كذا عن أنس به
وقال أبو محمد بن أبي حاتم في " العلل " (2 / 11) : قرأ علينا أبو زرعة كتاب الأطعمة فانتهى إلى حديث كان حدثهم قديما إسماعيل بن أبان الوراق عن عنبسة بن عبد الرحمن عن علاق بن مسلم كذا عن أنس بن مالك به، قال أبو زرعة: ضعيف، ولم يقرأ علينا
ثم رأيته في " الكامل " لابن عدي (232 / 2) رواه على وجه آخر من طريق عبد الرحمن بن مسهر البغدادي عن عنبسة بن عبد الرحمن عن موسى بن عقبة عن ابن أنس بن مالك عن أبيه مرفوعا وقال: ابن مسهر هذا مقدار ما يرويه لا يتابع عليه وهذا الحديث لعله لم يؤت من قبله، وإنما أتي من قبل عنبسة لأنه ضعيف، والحديث عن موسى غير محفوظ
قلت: فتبين من الروايات أن عنبسة كان يضطرب في إسناده، فمرة يقول
عبد الملك بن علاق ومرة مسلم ولا ينسبه، وأخرى علاق بن مسلم وتارة عن موسى بن عقبة عن ابن أنس وهذا ضعف آخر في الحديث وهو الاضطراب في سنده
وأورده الصغاني في " الأحاديث الموضوعة " (ص 12) ومن قبله ابن الجوزي (3 / 36) وذكره من طريق الترمذي ونقل كلامه عليه ولم يزد فتعقبه السيوطي (2 / 255) بقوله: قلت: ورد من حديث جابر، قال ابن ماجه: حدثنا محمد بن عبد الله الرقي حدثنا إبراهيم بن عبد السلام بن عبد الله بن باباه المخزومي حدثنا عبد الله بن ميمون عن محمد بن المنكدر عن جابر بن عبد الله قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: " لا تدعوا العشاء ولوبكف من تمر فإن تركه يهرم "، ووجدت لحديث أنس طريقا آخر قال ابن النجار في تاريخه "
قلت: ثم ساق إسناده من طريق أبي الهيثم القرشي عن موسى بن عقبة عن أنس مرفوعا
قلت: وهذا إسناد لا يفرح به! قال الذهبي في " الميزان ": أبو الهيثم القرشي عن موسى بن عقبة، قال أبو الفتح الأزدي: كذاب، وكذا في " اللسان "، وأما حديث جابر فهو عند ابن ماجه (2 / 322) بالسند المذكور وهو ضعيف جدا إبراهيم ابن عبد السلام أحد المتروكين كما في " تهذيب التهذيب " وفي " الميزان ": ضعفه ابن عدي وقال عندي أنه يسرق الحديث، وعبد الله بن ميمون إن كان هو القداح فهو متروك، وإن كان غيره فهو مجهول، وقد رجح الأول الحافظ ابن حجر في " التقريب " ورجح الآخر المزي في " التهذيب " قال: لأن القداح لم يدرك ابن المنكدر إن كان إبراهيم بن عبد السلام في روايته عنه صادقا

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ তাওহীদ পাবলিকেশন
গ্রন্থঃ যঈফ ও জাল হাদিস
অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ
হাদিস নম্বরঃ ১১৭ | 117 | ۱۱۷

১১৭। যে ব্যাক্তি তার ঘরে আল্লাহ তা’আলা কর্তৃক অধিক কল্যাণ কামনা করে, সে যেন তার দুপুরের খাবার উপস্থিত হওয়ার সময় ওযু করে এবং যখন তা উঠিয়ে নেয়া হবে তখনও ওযু করে।

হাদীসটি মুনকার।

এটি ইবনু মাজাহ্ (৩২৬০), আবুশ শাইখ “কিতাবুল আখলকিন নাবী ওয়া আদাবুহু” (পৃ. ২৩৫) গ্রন্থে, ইবনু আদী “আল-কামিল” গ্রন্থে (১/২৭৫) ও ইবনুন নাজ্জার “যায়লু তারীখে বাগদাদ” গ্রন্থে (১০/১৫৩/২) বিভিন্ন মাধ্যমে কাসীর ইবনু সুলাইম সূত্রে আনাস (রাঃ) হতে বর্ণনা করেছেন।

অতঃপর ইবনু আদী এ কাসীরের জীবনীতে বলেনঃ সাধারণত আনাস (রাঃ) হতে তার এ বর্ণনাগুলো নিরাপদ নয়।

আমি (আলবানী) বলছিঃ এ কাসীর দুর্বল হওয়ার ব্যাপারে সকলে একমত। বরং তার সম্পর্কে নাসাঈ বলেনঃ متروك তিনি মাতরূক।

বূসয়রী “আয-যাওয়াইদ” গ্রন্থে বলেছেনঃ যাবারা ও কাসীর তারা উভয়েই দুর্বল।

ইবনু আবী হাতিম “আল-ইলাল” গ্রন্থে (২/১১) বলেনঃ আবূ যুরয়াহ বলেনঃ হাদীসটি মুনকার।



হাদিসের মানঃ  মুনকার (সর্বদা পরিত্যক্ত)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!

من أحب أن يكثر الله خير بيته فليتوضأ إذا حضر غداؤه وإذا رفع
منكر

-

رواه ابن ماجه (3260) وأبو الشيخ في " كتاب أخلاق النبي صلى الله عليه وسلم وآدابه " (ص 235) وابن عدي في " الكامل " (ق 275 / 1) وابن النجار في " ذيل تاريخ بغداد " (10 / 153 / 2) من طرق عن كثير بن سليم عن أنس مرفوعا
أورده ابن عدي في ترجمة كثير هذا، وقال بعد أن ساق له أحاديث أخرى عن أنس
وهذه الروايات عن أنس عامتها غير محفوظة
قلت: وقد اتفقوا على تضعيف كثير هذا، بل قال فيه النسائي: متروك وقد أعله البوصيري في " الزوائد " بعلة أخرى فقال: جبارة وكثير ضعيفان، وفاته أن جبارة لم يتفرد به، فقد توبع عليه كما أشرنا إليه، بقولنا: من طرق، وفي " العلل " لابن أبي حاتم (2 / 11) قال أبو زرعة: هذا حديث منكر، وامتنع عن
قراءته فلم يسمع منه
والمشهور في هذا الباب - على ضعفه! - الحديث الآتي رقم (168) ، " بركة الطعام الوضوء قبله وبعده "، فراجعه

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ তাওহীদ পাবলিকেশন
গ্রন্থঃ যঈফ ও জাল হাদিস
অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ
হাদিস নম্বরঃ ১১৮ | 118 | ۱۱۸

১১৮। মৃত বস্তুর কোন কিছু দ্বারা তোমার উপকার গ্রহণ কর না।

হাদীসটি দুর্বল। (কিন্তু পরবর্তীতে তা সহীহ হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে)

হাদীসটি ইবনু ওয়াহাব তার “আল-মুসনাদ” গ্রন্থে যাম'য়াহ ইবনু সালেহ হতে বর্ণনা করেছেন। এ যাম'য়াহ বিতর্কিত; যেমনভাবে “নাসবুর রায়া” গ্রন্থে (১৯২২) এসেছে। এটির সনদ দুটি কারণে দুর্বলঃ

১। এ যামীয়াহ সম্পর্কে হাফিয ইবনু হাজার “আত-তাকরীব” ও “তালখীস” গ্রন্থে (১/২৯৭) বলেনঃ তিনি দুর্বল।

২। আবু্য যুবায়ের তিনি মুদল্লিস । এছাড়া এ হাদীসটি সহীহ হাদীস বিরোধী।

নির্দেশিকাঃ

হাদীসটি দুর্বল হওয়ার দুটি কারণ বর্ণনা করেছি এবং বলেছি যে, এটি সহীহ হাদীস বিরোধী যা “ইরউয়া” গ্রন্থে উল্লেখ করেছি। কিন্তু পরবর্তিতে আবুয যুবায়েরের সুস্পষ্ট শ্রবণ পেয়েছি এবং এটির শক্তিশালী শাহেদ আব্দুল্লাহ ইবনু উকায়েম হতে এ শব্দেই পেয়েছি। যা আমি “ইরউয়া” গ্রন্থে স্পষ্ট করেছি। অতঃপর পুনরায় আমি এটির সনদের দিকে দৃষ্টি দিয়েছি এবং এটি যে সহীহ্ এ মর্মে নিশ্চিত হয়েছি। এ জন্যই আমি এটিকে সহীহার মধ্যে (৩১৩৩) নাম্বারে উল্লেখ করেছি।



হাদিসের মানঃ  যঈফ (Dai'f)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!

لا تنتفعوا من الميتة بشيء
ضعيف

-

رواه ابن وهب في مسنده عن زمعة بن صالح عن أبي الزبير عن جابر مرفوعا، وزمعة فيه مقال، كذا في " نصب الراية " (1 / 122)
قلت: ومن طريق ابن وهب أخرجه الطحاوى في " شرح معاني الآثار " (1 / 271) بهذا السند عن جابر قال: بينا أنا عند رسول الله صلى الله عليه وسلم إذ جاءه ناس فقالوا: يا رسول الله إن سفينة لنا انكسرت، وإنا وجدنا ناقة سمينة ميتة فأردنا أن ندهن بها سفينتنا وإنما هي عود وهي على الماء فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم فذكره، وهذا إسناد ضعيف وله علتان
الأولى: زمعة هذا قال الحافظ في " التقريب " وفي " التلخيص " (1 / 297)
ضعيف
الأخرى: عنعنة أبي الزبير فإنه كان مدلسا
ومما سبق تعلم أن قول الشيخ سليمان حفيد محمد بن عبد الوهاب رحمهما الله في حاشيته على " المقنع " (1 / 20)
رواه الدارقطني بإسناد جيد، غير جيد، على أنني في شك كبير من عزو هـ للدارقطني فإني لم أره في " سننه "، وهو المراد عند إطلاق العزو إليه ولم أجد من عزاه إليه غير الشيخ هذا، وابن الجوزي لما أورده في " التحقيق " (15 / 1) لم يعزه لأحد مطلقا بل قال: رواه أصحابنا من حديث جابر، ولوكان عند الدارقطني لعزاه إليه كما هي عادته، وإنما عزاه الموفق بن قدامة في " المغني " (1 / 67) لأبي بكر الشافعي بإسناده عن أبي الزبير عن جابر، قال: وإسناده حسن
وقال الحافظ في " التلخيص " (1 / 297) بعد أن ذكره من طريق زمعة: رواه أبو بكر الشافعي في " فوائده " من طريق أخرى، قال الشيخ الموفق: إسناده حسن
قلت: قد علمت مما نقلته عن الموفق أنه من طريق أبي الزبير أيضا عن جابر وعلمت علته مما بينا، فالإسناد ضعيف على كل حال، وقد راجعت فوائد أبي بكر الشافعي رواية ابن غيلان عنه، فلم أجد الحديث فيه، لكن في النسخة نقص هو الجزء الأول وأو راق من أجزاء أخرى، كما راجعت من حديثه أجزاء أخرى فلم أعثر عليه والله أعلم
وإنما صح الحديث بلفظ: " لا تنتفعوا من الميتة بإهاب ولا عصب "، وفي ثبوته خلاف كبير بين العلماء، لكن الراجح عندنا صحته كما حققناه في كتابنا " إرواء الغليل في تخريج أحاديث منار السبيل " (رقم 38)
والفرق بينه وبين هذا الحديث الضعيف واضح، وهو أنه خاص بالإهاب (وهو الجلد قبل الدبغ) والعصب فلا يصح الانتفاع بهما إلا بعد دبغهما لقوله صلى الله عليه وسلم: " كل إهاب دبغ فقد طهر "، وهذا عام يشمل الشعر والصوف والعظم والقرن ونحوذلك، وليس هناك ما يدل على عدم الانتفاع بها إلا هذا الحديث الضعيف، ولا تقوم به حجة والأصل الإباحة، فلا ينقل منها إلا بنقل صحيح وهو معدوم
(تنبيه) : كنت قد أعللت الحديث بضعف زمعة بن صالح وعنعنة أبي الزبير وبأنه مخالف للحديث الصحيح المخرج في " الإرواء " ثم وجدت تصريح أبي الزبير بالسماع في مطبوعة جديدة قيمة من آثار السلف ووجدت له شاهدا قويا من حديث عبد الله بن عكيم بهذا اللفظ كنت خرجته في " الإرواء " فأعدت النظر في إسناده فتأكدت من
صحته فأخرجته مع حديث أبي الزبير في " الصحيحة " (3133)
(تنبيه) : كان هنا بهذا الرقم حديث " يا نساء المؤمنات عليكن بالتهليل والتكبير، ولا تغفلن فتنسين الرحمة " الحديث، ثم وجدت له شاهدا موقوفا على عائشة له حكم المرفوع فبدا لي أنه لا يليق إيراده هنا مع هذا الشاهد وقد ذكرته في رسالة " الرد على التعقب الحثيث " وليت الذين يردون علينا يفيدوننا مثل هذه الفائدة حتى نبادر إلى الرجوع إلى الصواب، مع الاعتراف لهم بالشكر والفضل، والمعصوم من عصمه الله عز وجل

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ তাওহীদ পাবলিকেশন
গ্রন্থঃ যঈফ ও জাল হাদিস
অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ
হাদিস নম্বরঃ ১১৯ | 119 | ۱۱۹

১১৯। ধনীদের মোরগ গ্রহণ করার সময় আল্লাহ গ্রামগুলোকে ধ্বংসের ঘোষণা দেন।

হাদীসটি জাল।

হাদীসটি ইবনু মাজাহ (২/৪৮) ও আবু সাঈদ ইবনুল আ'রাবী তার “আল-মুজাম" গ্রন্থে (১৭৬/১/২) বর্ণনা করেছেন এবং তার থেকে ইবনু আসাকির (১২/২৩৮/১) উসমান ইবনু আবদির রহমান সূত্রে ‘আলী ইবনু উরওয়া হতে ... বর্ণনা করেছেন। সিন্দী ইবনু মাজার হাশিয়াতে বলেনঃ “আয-যাওয়াইদ” গ্রন্থে এসেছে এটির সনদে আলী ইবনু উরওয়া রয়েছেন। যাকে মুহাদ্দিসগণ মিথ্যার দোষে দোষী হওয়ার কারণে পরিত্যাগ করেছেন। ইবনু হিব্বান বলেনঃ يضع الحديث তিনি হাদীস জাল করতেন। আর উসমান ইবনু আবদির রহমান মাজহুল। ইবনুল জাওযী হাদীসটির ভাষা “আল-মাওযু’আত” গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন। যাহাবী “আল-মীযান” গ্রন্থে বলেনঃ তাকে (উসমান ইবনু আদির রহমানকে) সালেহ যাযারা ও অন্যরা মিথ্যুক বলেছেন।

আমি (আলবানী) বলছিঃ এ উসমান মাজহুল নন। তিনি হচ্ছেন পরিচিত হাররানী। হাফিয ইবনু হাজার “আত-তাকরীব” গ্রন্থে বলেছেনঃ তিনি সত্যবাদী, কিন্তু তার বেশীরভাগ বর্ণনা দুর্বল এবং মাজহুল বর্ণনাকারীদের থেকে হওয়ায় তাকে দুর্বল বলা হয়েছে। এমনকি ইবনু নুমায়ের তাকে মিথ্যার দোষে দোষী করেছেন। অথচ তাকে ইবনু মাঈন নির্ভরযোগ্য বলেছেন।

ইবনুল জাওযী (২/৩০৪) হাদীসটি ইবনু আদীর সূত্রে (৫/১৮৫১) আলী ইবনু উরওয়ার বর্ণনা ছাড়াও উকায়লীর সূত্রে গিয়াস ইবনু ইবরাহীম হতে বর্ণনা করে বলেছেনঃ
হাদীসটি সহীহ নয়। কারণ আলী ইবনু উরওয়া এবং গিয়াস ইবনু ইবরাহীম তারা উভয়েই হাদীস জাল করতেন।

সুয়ূতী যে “আল-লাআলী” গ্রন্থে (২/২২৭) অন্য সূত্র আছে বলে তার সমালোচনা করেছেন, ইবনু আররাক এ সমালোচনাকে অমূলক বলেছেন, এ মিথ্যুক ‘আলী ইবনু উরওয়া সনদে থাকার কারণে।

উকায়লী “আয-যুয়াফা” গ্রন্থে (৩৫১) বলেছেনঃ এ গিয়াস সম্পর্কে ইবনু মা'ঈন বলেনঃ তিনি মিথ্যুক; তিনি নির্ভরযোগ্য নন এবং নিরাপদও নন।

ইমাম বুখারী বলেনঃ মুহাদ্দিসগণ (মিথ্যার দোষে দোষী হওয়ার কারণে) তাকে পরিত্যাগ করেছেন।



হাদিসের মানঃ  জাল (Fake)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!

عند اتخاذ الأغنياء الدجاج يأذن الله بهلاك القرى
موضوع

-

رواه ابن ماجه (2 / 48) وأبو سعيد بن الأعرابي في " معجمه " (176 / 1 / 2) وعنه ابن عساكر (12 / 238 / 1) من طريق عثمان بن عبد الرحمن زاد ابن الأعرابي: الحراني، حدثنا علي بن عروة عن المقبري عن أبي هريرة قال: أمر رسول الله صلى الله عليه وسلم الأغنياء باتخاذ الغنم، وأمر الفقراء باتخاذ الدجاج وقال: فذكره، قال السندي في " حاشيته على ابن ماجه ": وفي " الزوائد ": في إسناده علي بن عروة تركوه، وقال ابن حبان: يضع الحديث وعثمان بن عبد الرحمن مجهول، والمتن ذكره ابن الجوزي في " الموضوعات " وقال الذهبي في " الميزان ": وكذبه صالح جزرة وغيره لأنه روى هذا الحديث
قلت: وقول البوصيري في " الزوائد ": إن عثمان بن عبد الرحمن مجهول، ليس كذلك، بل هو معروف وهو الحراني كما صرح به ابن الأعرابي في روايته، وقد قال الحافظ في ترجمته من " التقريب ": صدوق أكثر الرواية عن الضعفاء والمجاهيل، وضعف بسبب ذلك حتى نسبه ابن نمير إلى الكذب، وقد وثقه ابن معين
قلت: وابن الجوزي أورده (2 / 304) من طريق ابن عدي (5 / 1851) بسنده إلى علي بن عروة عن ابن جريج عن عطاء عن ابن عباس مرفوعا به دون قوله " عند اتخاذ ... " ثم رواه ابن الجوزي من طريق العقيلي بسنده إلى غياث بن إبراهيم عن طلحة بن عمرو عن عطاء عن ابن عباس به، ثم قال: لا يصح، علي بن عروة وغياث يضعان الحديث! وتعقبه السيوطي في " اللآليء " (2 / 227) بقوله، قلت: له طريق آخر، ثم ساق طريق ابن ماجه المذكور الذي فيه علي بن عروة الوضاع! ، ولذلك صرح ابن عراق (325 / 1) بضعف هذا التعقب
والحديث في " الضعفاء " للعقيلى (351) مثل رواية ابن عدي وقال: غياث قال ابن معين: كذاب ليس بثقة
ولا مأمون وقال البخاري: تركوه، وقد تابعه من هو دونه أو مثله

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ তাওহীদ পাবলিকেশন
গ্রন্থঃ যঈফ ও জাল হাদিস
অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ
হাদিস নম্বরঃ ১২০ | 120 | ۱۲۰

১২০। হে হুমাইরা (আয়িশা)! যে ব্যাক্তি (অন্যকে) আগুন দান করল, সে যেন সা’দকাহ করল সেই সব বস্তু যেগুলোকে সে আগুন পাকিয়েছে। যে ব্যাক্তি (অন্যকে) লবন দান করল সে যেন সা’দকা করল সেই সব বস্তুকে লবন যেগুলোকে পবিত্র করেছে। যে ব্যাক্তি কোন মুসলিম ব্যাক্তিকে তার নিকট প্রাপ্ত পানি পান করালো, সে যেন একটি দাসী মুক্ত (স্বাধীন) করল। আর যে ব্যাক্তি কোন মুসলিম ব্যাক্তিকে পানি পান করালো এমতাবস্থায় যে, তা ছিল দুষ্প্রাপ্য, সে যেন তাকে জীবন দান করলো।

হাদীসটি দুর্বল।

হাদীসটি ইবনু মাজাহ (২/৯২) আলী ইবনু গোরাব সূত্রে যুহায়ের ইবনু মারযূক হতে, তিনি আলী ইবনু যায়েদ হতে ... বর্ণনা করেছেন।

আলী ইবনু গোরাব মুদাল্লিস। যুহায়ের ইবনু মারযুক সম্পর্কে ইবনু মা'ঈন বলেনঃ তাকে চিনি না। বুখারী তার সম্পর্কে বলেনঃ منكر الحديث، مجهول তিনি মুনকারুল হাদীস, মাজহুল। আলী ইবনু যায়েদের মধ্যে দুর্বলতা রয়েছে। ইবনুল জাওযী হাদীসটির দ্বিতীয়াংশ অন্য এক সনদে “আল-মাওষুআত” গ্রন্থে (২/১৭০) উল্লেখ করে বলেছেনঃ ইবনু আদী বলেছেনঃ এটি জাল। কারণ বর্ণনাকারী আহমাদ ইবনু মুহাম্মাদ ইবনু আলী হচ্ছে তার সমস্যা।

আমি (আলবানী) বলছিঃ এটির তৃতীয় সূত্রও পেয়েছি যেটি ইবনু আসাকির "তারীখু দেমাস্ক" (২/১৫৩) গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন। কিন্তু এটির সূত্রও একাধিক সমস্যা জর্জরিত যার জন্য সনদটি দুর্বল।

১। বর্ণনাকারী ওবায়েদ ইবনু ওয়াকেদ হচ্ছেন দুর্বল।

২। আরজী ইবনুযিয়াদের জীবনী মিলছে না।

৩। তার শাইখ আব্দু কাইস মাজহুল।



হাদিসের মানঃ  যঈফ (Dai'f)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!

يا حميراء من أعطى نارا فكأنما تصدق بجميع ما نضجت تلك النار، ومن أعطى ملحا فكأنما تصدق بجميع ما طيب ذلك الملح، ومن سقى مسلما شربة من ماء حيث يوجد الماء فكأنما أعتق رقبة، ومن سقى مسلما شربة من ماء حيث لا يوجد، فكأنما أحياها
ضعيف

-

أخرجه ابن ماجه (2 / 92) من طريق علي بن غراب عن زهير بن مرزوق عن على بن زيد ابن جدعان عن سعيد بن المسيب عن عائشة أنها قالت: يا رسول الله ما الشيء الذي لا يحل منعه؟ قال: " الماء والملح والنار "، قالت: قلت: يا رسول الله هذا الماء قد عرفناه فما بال الملح والنار؟ قال: " يا حميراء ... " وهذا سند ضعيف، علي بن غراب مدلس، وقد عنعنه، وزهير بن مرزوق قال ابن معين: لا أعرفه، وقال البخاري: منكر الحديث، مجهول، وساق له الذهبي هذا الحديث، وعلي بن زيد بن جدعان فيه ضعف، والحديث رواه الطبراني في " الأوسط " من طريق ابن زهير هذا كما في " المجمع " (3 / 133)
وأورده ابن الجوزي في " الموضوعات " (2 / 170) الشطر الثاني منه من طريق أخرى عن عائشة وقال: قال ابن عدي: موضوع آفته أحمد بن محمد بن علي بن الحسين بن شفيق، فتعقبه السيوطي في " اللآليء " (2 / 85) بطريق ابن ماجه هذه وليس فيها أحمد هذا وأورده من حديث أنس وأعله بصالح بن بيان، قال الدارقطني: متروك وأقره السيوطي
قلت: وقد وجدت للحديث طريقا ثالثا أخرجه الحافظ ابن عساكر في " تاريخ دمشق " (2 / 153) من طريق عبيد بن واقد عن عرضي بن زياد السدوسي عن شيخ من عبد قيس عن عائشة مرفوعا
قلت: وهذا سند ضعيف أيضا، عبيد ضعيف وعرضي بن زياد لم أجد من ترجمه، وشيخه مجهول لم يسم

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

হাদিস দেখানো হচ্ছে   [111]  থেকে  [120]  পর্যন্ত এবং সর্বমোট   [1600]  টি হাদিস পাওয়া গেছে।