• ৭১৯৬১ টি সর্বমোট হাদিস আছেঃ
  • ৮২৭৫ টি প্রশ্নোত্তর ও ফিকাহঃ

 

 

 

 


হাদীস (حَدِيْث) এর শাব্দিক অর্থ: নতুন, প্রাচীন ও পুরাতন এর বিপরীত বিষয়। এ অর্থে যে সব কথা, কাজ ও বস্ত্ত পূর্বে ছিল না, এখন অস্তিত্ব লাভ করেছে  তাই হাদীস। এর আরেক অর্থ হলো: কথা। ফক্বীহগণের পরিভাষায় নাবী কারীম () আল্লাহ্‌র রাসূল হিসেবে যা কিছু বলেছেন, যা কিছু করেছেন এবং যা কিছু বলার বা করার অনুমতি দিয়েছেন অথবা সমর্থন জানিয়েছেন তাকে হাদীস বলা হয়। কিন্তু মুহাদ্দিসগণ এর সঙ্গে রাসুলুল্লাহ () সম্পর্কিত বর্ণনা ও তার গুণাবলী সম্পর্কিত বিবরণকেও হাদীসের অন্তর্ভুক্ত করেন। এ হিসেবে হাদীসকে প্রাথমিক পর্যায়ে তিন শ্রেণীতে ভাগ করা যায়:

১। ক্বওলী হাদীস: কোন বিষয়ে রাসুলুল্লাহ () যা বলেছেন, অর্থাৎ যে হাদীসে তাঁর কোন কথা বিবৃত হয়েছে তাকে ক্বওলী (বাণী সম্পর্কিত) হাদীস বলা হয়।

২। ফেলী হাদীস: মহানাবী ()-এর কাজকর্ম, চরিত্র ও আচার-আচরণের ভেতর দিয়েই ইসলামের যাবতীয় বিধি-বিধান ও রীতিনীতি পরিস্ফুট হয়েছে। অতএব যে হাদীসে তাঁর কোন কাজের বিবরণ উল্লেখিত হয়েছে তাকে ফে’লী (কর্ম সম্পর্কিত) হাদীস বলা হয়।

৩। তাকরীরী হাদীস: সাহাবীগণের যে সব কথা বা কাজ নাবী কারীম ()-এর অনুমোদন ও সমর্থন প্রাপ্ত হয়েছে, সে ধরনের কোন কথা বা কাজের বিবরণ হতেও শরীয়াতের দৃষ্টিভঙ্গি জানা যায়। অতএব যে হাদীসে এ ধরনের কোন ঘটনার বা কাজের উল্লেখ পাওয়া যায় তাকে তাকরীরী (সমর্থন মূলক) হাদীস বলে।

সুন্নাহ (السنة): হাদীসের অপর নাম সুন্নাহ্ (السنة) সুন্নাত শব্দের অর্থ চলার পথ, কর্মের নীতি ও পদ্ধতি। যে পন্থা ও রীতি নাবী কারীম () অবলম্বন করতেন তাকে সুন্নাত বলা হয়। অন্য কথায় রাসুলুল্লাহ () প্রচারিত উচ্চতম আদর্শই সুন্নাত। কুরআন মাজিদে মহত্তম ও সুন্দরতম আদর্শ (أُسْوَةٌ حَسَنَةٌ) বলতে এই সুন্নাতকেই বুঝানো হয়েছে।

খবর (خبر): হাদীসকে আরবী ভাষায় খবরও (خبر) বলা হয়। তবে খবর শব্দটি হাদীস ও ইতিহাস উভয়টিকেই বুঝায়।

আসার (أثر ): আসার শব্দটিও কখনও কখনও রাসুলুল্লাহ () এর হাদীসকে নির্দেশ করে। কিন্তু অনেকেই হাদীস ও আসার এর মধ্যে কিছু পার্থক্য করে থাকেন। তাঁদের মতে- সাহাবীগণ থেকে শরীয়াত সম্পর্কে যা কিছু উদ্ধৃত হয়েছে তাকে আসার বলে।

 

ইলমে হাদীসের কতিপয় পরিভাষা

সাহাবী (صحابى):  যিনি ঈমানের সঙ্গে রাসুলুল্লাহ () এর সাহচর্য লাভ করেছেন এবং ঈমানের সঙ্গে মৃত্যুবরণ করেছেন তাঁকে রাসুলুল্লাহ ()-এর সাহাবী বলা হয়।

তাবেঈ (تابعى) : যিনি রাসুলুল্লাহ ()-এর কোন সাহাবীর নিকট হাদীস শিক্ষা করেছেন অথবা অন্ততপক্ষে তাঁকে দেখেছেন এবং মুসলমান হিসেবে মৃত্যুবরণ করেছেন তাঁকে তাবেঈ বলা হয়।

তাবে-তাবেঈ (تابعى تابع) : যিনি  কোন তাবেঈ এর নিকট হাদীস শিক্ষা করেছেন অথবা অন্ততপক্ষে তাঁকে দেখেছেন এবং মুসলমান হিসেবে মৃত্যুবরণ করেছেন তাঁকে তাবে-তাবেঈ বলা হয়।

মুহাদ্দিস (محدث) : যিনি হাদীস চর্চা করেন এবং বহু সংখ্যক হাদীসের সনদ ও মতন সম্পর্কে বিশেষ জ্ঞান রাখেন তাঁকে মুহাদ্দিস বলা হয়।

শাইখ (شيخ) : হাদীসের শিক্ষাদাতা রাবীকে শায়খ বলা হয়।

শাইখান (شيخان) : সাহাবীগনের মধ্যে আবূ বকর (রাঃ) ও উমর  (রাঃ)- কে একত্রে শাইখান বলা হয়। কিন্তু হাদীস শাস্ত্রে ইমাম বুখারী (রাহি.) ও ইমাম মুসলিম (রাহি.)-কে এবং ফিক্বহ-এর পরিভাষায় ইমাম আবূ হানীফা (রাহি.) ও আবূ ইউসুফ (রাহি.)-কে একত্রে শাইখান বলা হয়। 

হাফিয (حافظ) : যিনি সনদ ও মতনের বৃত্তান্ত সহ এক লাখ হাদীস আয়ত্ত করেছেন তাঁকে হাফিয বলা হয়।

হুজ্জাত (حجة) : অনুরূপভাবে যিনি তিন লক্ষ হাদীস আয়ত্ত করেছেন তাঁকে হুজ্জাত বলা হয়।  

হাকিম (حاكم) : যিনি সব হাদীস আয়ত্ত করেছেন তাকে হাকিম বলা হয়।

রিজাল (رجال) : হাদীসের রাবী সমষ্টিকে রিজাল বলে। যে শাস্ত্রে রাবীগণের জীবনী বর্ণনা করা হয়েছে তাকে আসমাউর-রিজাল বলা হয়।                                                                                 

রিওয়ায়াত (رواية): হাদীস বর্ণনা করাকে রিওয়ায়াত বলে। কখনও কখনও মূল হাদীসকেও রিওয়ায়াত বলা হয়। যেমন- এই কথার সমর্থনে একটি রিওয়ায়াত (হাদীস) আছে।                           

সনদ (سند): হাদীসের মূল কথাটুকু যে সূত্র পরম্পরায় গ্রন্থ সংকলনকারী পর্যন্ত পৌঁছেছে তাকে সনদ বলা হয়। এতে হাদীস বর্ণনাকারীদের নাম একের পর এক সজ্জিত থাকে।

মতন (متن): হাদীসে মূল কথা ও তার শব্দ সমষ্টিকে মতন বলে।

মারফূ (مرفوع): যে হাদীসের সনদ (বর্ণনা পরম্পরা) রাসুলুল্লাহ () পর্যন্ত পৌঁছেছে  তাকে মারফূ হাদীস বলে।

মাওকূফ (موقوف) : যে হাদীসের বর্ণনা- সূত্র ঊর্ধ্ব দিকে সাহাবী পর্যন্ত পৌঁছেছে , অর্থাৎ যে সনদ -সূত্রে কোন সাহাবীর কথা বা কাজ বা অনুমোদন বর্ণিত হয়েছে তাকে মাওকূফ হাদীস বলে। এর অপর নাম আসার।

মাকতূ (مقطوع): যে হাদীসের সনদ কোন তাবেঈ পর্যন্ত পৌঁছেছে, তাকে মাকতূ হাদীস বলা হয়।

তালীক (تعليق): কোন কোন গ্রন্থকার হাদীসের পূর্ণ সনদ বাদ দিয়ে কেবল মূল হাদীস বর্ণনা করেছেন। এরূপ করাকে তা’লীক বলা হয়।

মুদাল্লাস (مدلس): যে হাদীসের রাবী নিজের প্রকৃত শাইখের (উস্তাদের) নাম উল্লেখ না করে তার উপরস্থ শাইখের নামে এভাবে হাদীস বর্ণনা করেছেন যাতে মনে হয় যে, তিনি নিজেই উপরস্থ শাইখের নিকট তা শুনেছেন অথচ তিনি তাঁর নিকট সেই হাদীস শুনেন নি- সে হাদীসকে মুদাল্লাস হাদীস এবং এইরূপ করাকে ‘তাদ্লীস’ আর যিনি এইরূপ করেন তাকে মুদালস্নীস বলা হয়।

মুযতারাব (مضطرب): যে হাদীসের রাবী হাদীসের মতন ও সনদকে বিভিন্ন প্রকারে বর্ণনা করেছেন সে হাদীসকে হাদীসে মুযতারাব বলা হয়। যে পর্যন্ত না এর কোনরূপ সমন্বয় সাধন সম্ভবপর হয়, সে পর্যন্ত এই হাদীসের ব্যাপারে অপেক্ষা করতে হবে অর্থাৎ এই ধরনের রিওয়ায়াত প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না।

মুদ্রাজ (مدرج): যে হাদীসের মধ্যে রাবী নিজের অথবা অপরের উক্তিকে অনুপ্রবেশ করিয়েছেন, সে হাদীসকে মুদ্রাজ এবং এইরূপ করাকে ‘ইদরাজ’ বলা হয়।

মুত্তাসিল (متصل): যে হাদীসের সনদের ধারাবাহিকতা প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত পূর্ণরূপে রক্ষক্ষত আছে, কোন সত্মরেই কোন রাবীর নাম বাদ পড়ে নি তাকে মুত্তাসিল হাদীস বলে।

মুনকাতি (منقطع): যে হাদীসের সনদে ধারাবাহিকতা রক্ষিত হয় নি, মাঝখানে কোন এক স্তরে কোন রাবীর নাম বাদ পড়েছে, তাকে মুনকাতি হাদীস, আর এই বাদ পড়াকে ইনকিতা বলা হয়।

মুরসাল (مرسل): যে হাদীসের সনদে ইনকিতা শেষের দিকে হয়েছে, অর্থাৎ সাহাবীর নাম বাদ পড়েছে এবং তাবেঈ সরাসরি রাসুলুল্লাহ () এর উল্লেখ করে হাদীস বর্ণনা করেছেন তাকে মুরসাল হাদীস বলা হয়।

মুআল্লাক ( معلق ) : সনদের ইনকিতা প্রথম দিকে  হলে, অর্থাৎ সাহাবীর পর এক বা একাধিক রাবীর নাম বাদ পড়লে তাকে মু’আল্লাক হাদীস বলা হয়।

মুদাল (معضل): যে হাদীসে দুই বা ততোধিক রাবী ক্রমান্বয়ে সনদ থেকে বাদ পড়েছে তাকে মু‘দাল হাদীস বলে।

মুতাবি ও শাহিদ (متابع و شاهد): এক রাবীর হাদীসের অনুরূপ যদি অপর রাবীর কোন হাদীস পাওয়া যায় তবে দ্বিতীয় রাবীর হাদীসকে প্রথম রাবীর হাদীসের মুতাবি বলা হয়। যদি উভয় হাদীসের মূল রাবী অর্থাৎ সাহাবী একই ব্যক্তি না হয় তবে দ্বিতীয় ব্যক্তির হাদীসকে শাহিদ বলে। আর এইরূপ হওয়াকে শাহাদাত বলে। মুতাবা’আত ও শাহাদাত দ্বারা প্রথম হাদীসটির শক্তি বৃদ্ধি পায়।

মারূফ ও মুনকার (معروف و منكر): কোন দুর্বল রাবীর বর্ণিত হাদীস অপর কোন মাকবূল (গ্রহণযোগ্য) রাবীর বর্ণিত হাদীসের বিরোধী হলে তাকে মুনকার বলা হয় এবং মাকবূল রাবীর হাদীসকে মা‘রূফ বলা হয়।

সহীহ (صحيح) : যে মুত্তাসিল হাদীসের সনদে উল্লেখিত প্রত্যেক রাবীই পূর্ণ আদালত ও যাবত (ধারণ ক্ষমতা) গুণ সম্পন্ন এবং হাদীসটি যাবতীয় দোষত্রুটি ও শায মুক্ত তাকে সহীহ হাদীস বলে।

হাসান (حسن) : যে হাদীসের মধ্যে রাবীর যাবত (ধারণ ক্ষমতা) এর গুণ ব্যতীত সহীহ হাদীসের সমস্ত শর্তই পরিপূর্ণ রয়েছে তাকে হাসান হাদীস বলা হয়। ফক্বীহগণ সাধারণত সহীহ ও হাসান হাদীসের ভিত্তিতে শরীয়াতের বিধান নির্ধারণ  করেন।

যঈফ (ضعيف ) : যে হাদীসের রাবী কোন হাসান হাদীসের রাবীর গুণসম্পন্ন নন তাকে যঈফ হাদীস বলে।

মাওযূ ( موضوع ) : যে হাদীসের রাবী জীবনে কখনও ইচ্ছাকৃতভাবে রাসুলুল্লাহ ()-এর নামে মিথ্যা কথা রটনা করেছেন বলে প্রমাণিত হয়েছে, তার বর্ণিত হাদীসকে মাওযূ‘ হাদীস বলে।

 

রাবীর সংখ্যা বিচারে হাদীস প্রধানত দুপ্রকার। যথা: ১. মুতওয়াতির (متواتر) ও ২. আহাদ (أحاد)

১. মুতওয়াতির (متواتر): বৃহৎ সংখ্যক রাবীর বর্ণিত হাদীস, মিথ্যার ব্যাপারে যাদের উপর একাট্টা হওয়া অসম্ভব, সনদের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত এ সংখ্যা বিদ্যমান থাকলে হাদীসকে মুতওয়াতির (متواتر) বলা হয়।

২. আহাদ (أحاد): أحاد তিন প্রকার। যথা:

মাশহুর (مشهور): যে কোন স্তরে হাদীস বর্ণনা কারীর সংখ্যা যদি দুই এর অধিক হয়, কিন্তু মুতওয়াতির এর পর্যায়ে পৌঁছে না তাকে মাশহুর (مشهور) বলে।

আযীয (عزيز): যে কোন স্তরে হাদীস বর্ণনা কারীর সংখ্যা যদি দু‘জন হয় ।

গরীব (غريب): যে কোন স্তরে হাদীস বর্ণনা কারীর সংখ্যা যদি এক জন হয় ।

শায (شاذ): একাধিক নির্ভরযোগ্য রাবীর বিপরীত একজন নির্ভরযোগ্য রাবীর বর্ণনাকে শায হাদীস বলে।

 কিয়াস (قياس): অর্থ অনুমান, পরিমাপ, তুলনা ইত্যাদি। পরিভাষায়: শাখাকে মূলের সঙ্গে তুলনা করা, যার ফলে শাখা ও মূল একই হুকুমের অমত্মর্ভুক্ত হয়ে যায়।

তাক্বলীদ (تقليد): দলীল উল্লেখ ছাড়াই কোন ব্যক্তির মতামতকে গ্রহণ করা।

ইজতিহাদ (اجتهاد): উদ্দিষ্ট জ্ঞান অর্জনের প্রচেষ্টা চালানোকে ইজতিহাদ বলে।

শরীয়াত (شريعة): অর্থ: আইন, বিধান, পথ, পন্থা ইত্যাদি। পরিভাষায়: মহান আল্লাহ্‌ স্বীয় দীন হতে বান্দার জন্য যা বিধিবদ্ধ করে দিয়েছেন তাকে শরীয়াত বলে।

মাযহাব (مذهب): অর্থ- মত, পথ, মতবাদ ইত্যাদি। ফিক্বহী পরিভাষায়: ইবাদাত ও মু‘আমালাতের ক্ষেত্রে শারঈ হুকুম পালনের জন্য বান্দা যে পথ অনুসরণ করে এবং প্রত্যেক দলের জন্য একজন ইমামের উপর অথবা ইমামের ওসীয়ত কিংবা ইমামের প্রতিনিধির উপর নির্ভর করে তাকে মাযহাব বলে।

নাযর (نذر): কোন বিষয়ে উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য চিন্তা-ভাবনা করাকে নাযর বলে।

আম (عام): সীমাবদ্ধ করা ছাড়াই যা দুই বা ততোধিক বিষয়কে অন্তর্ভুক্ত করে তাকে আম বলে।

খাস (خاص): আম এর বিপরীত, যা নির্দিষ্ট বিষয়কে অন্তর্ভুক্ত করে।

ইজমা (اجماع): কোন এক যুগে আলিমদের কোন শারঈ বিষয়ের উপর এক মত পোষণ করাকে ইজমা বলে।

মুসনাদ (مسند): যার সনদগুলো পরস্পর এমনভাবে মিলিত যে, প্রত্যেকের বর্ণনা সুস্পষ্ট।

ফিক্বহ (فقه): ইজতিহাদ বা গবেষণার পদ্ধতিতে শারঈ হুকুম সম্পর্কে জানার বিধানকে ফিক্বহ বলে।

আসল বা মূল (اصل): এমন প্রথম বিষয়, যার উপর ভিত্তি করে কোন কিছু গড়ে উঠে। যেমন- দেয়ালের ভিত্তি।

ফারা বা শাখা (فرع): আসলের বিপরীত যা কোন ভিত্তির উপর গড়ে উঠে।

ওয়াজিব (واجب): যা আমল করলে সাওয়াব পাওয়া যাবে আর পরিত্যাগ করলে শাস্তি পাওয়া যাবে।

মানদূব (مندوب): যা আমল করলে সাওয়াব পাওয়া যাবে আর পরিত্যাগ করলে শাস্তি হবে না।

মাহযূর (محظور): যা পরিত্যাগ করলে সাওয়াব পাওয়া যাবে আর আমল করলে শাস্তি পাওয়া যাবে।

মাকরূহ (مكروه): যা পরিত্যাগ করলে সাওয়াব পাওয়া যাবে আর আমল করলে শাস্তি হবে না।

ফাৎওয়া (فتوى): জিজ্ঞাসিত ব্যক্তির নিকট থেকে দলীল ভিত্তিক শারঈ হুকুম সুস্পষ্ট বর্ণনা করে নেয়াকে ফাৎওয়া বলে।

নাসিখ (ناسخ): পরিবর্তিত শারঈ দলীল যা পূববর্তী শারঈ হুকুমকে রহিত করে দেয় তাকে নাসিখ বলে।

মানসূখ (منسوخ): আর যে হুকুমটি রহিত হয়ে যায় সেটাই মানসূখ।

মুতলাক্ব (مطلق): যা প্রকৃতিগত দিক থেকে জাতির সকলকে অন্তর্ভুক্ত  করে কিন্তু অনির্দিষ্টভাবে একটি অর্থকে বুঝায়।

মুকাইয়্যাদ (مقيد): যা মুতলাক্বের বিপরীত অর্থাৎ জাতির সকলকে অন্তর্ভুক্ত  করে না। বরং নির্দিষ্ট একটি অর্থকে বুঝায়।

হাক্বীকাত (حقيقة): শব্দকে আসল অর্থে ব্যবহার করাকে হাক্বীকত বলে। যেমন- সিংহ শব্দটি এক প্রজাতির হিংস্র প্রাণীকে বুঝায়।

মাজায (مجاز): শব্দ যখন আসল অর্থকে অতিক্রম করে তার সাথে সাদৃশ্য রাখে এমন অর্থ প্রকাশ করে তখন তাকে মাজায বলে। যেমন- সাহসী লোককে সিংহের সাথে তুলনা করা।

হাদিসের পরিসংখ্যান

সর্বমোট হাদিস পাওয়া গেছেঃ [18] টি | অধ্যায়ঃ ১১/ শিকার প্রসঙ্গে (كتاب الصيد)
গ্রন্থঃ সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত) | দেখানো হচ্ছে   [1]  থেকে  [10]  পর্যন্ত
প্রতি পাতাতে টি হাদিস

পাবলিশারঃ হাদিস একাডেমি
গ্রন্থঃ সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
অধ্যায়ঃ ১১/ শিকার প্রসঙ্গে (كتاب الصيد)
হাদিস নম্বরঃ ২৮৪৪ | 2844 | ۲۸٤٤

পরিচ্ছদঃ ১. শিকার ইত্যাদি উদ্দেশ্যে কুকুর প্রতিপালন করা

২৮৪৪। আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যে ব্যক্তি পশুদের রক্ষণাবেক্ষণ শিকার কিংবা কৃষিক্ষেতের পাহারার উদ্দেশ্যে ছাড়া অন্য কোনো উদ্দেশ্যে কুকুর পোষে, তার সাওয়াব থেকে প্রত্যহ এক ক্বীরাত করে বিয়োগ করা হবে।[1]


[1]. সহীহ।

হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

Narrated Abu Hurairah:
The Prophet (ﷺ) as saying: If anyone gets a dog, except a sheeping or hunting or a farm dog, a qirat of his reward will be deducted daily.

بَابٌ فِي اتِّخَاذِ الْكَلْبِ لِلصَّيْدِ وَغَيْرِهِ

حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَلِيٍّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: مَنِ اتَّخَذَ كَلْبًا إِلَّا كَلْبَ مَاشِيَةٍ أَوْ صَيْدٍ أَوْ زَرْعٍ انْتَقَصَ مِنْ أَجْرِهِ كُلَّ يَوْمٍ قِيرَاطٌ

صحيح

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ হাদিস একাডেমি
গ্রন্থঃ সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
অধ্যায়ঃ ১১/ শিকার প্রসঙ্গে (كتاب الصيد)
হাদিস নম্বরঃ ২৮৪৫ | 2845 | ۲۸٤۵

পরিচ্ছদঃ ১. শিকার ইত্যাদি উদ্দেশ্যে কুকুর প্রতিপালন করা

২৮৪৫। ‘আব্দুল্লাহ ইবনু মুগাফফাল (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহর সৃষ্টজীবের মধ্যে কুকুর এক প্রকার জীব না হলে আমি এগুলোকে হত্যা করতে আদেশ দিতাম। সুতরাং তোমরা গাঢ় কালো রঙের কুকুরগুলো হত্যা করো।[1]


[1]. সহীহ।

হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

Narrated Abdullah ibn Mughaffal:

The Prophet (ﷺ) said: Were dogs not a species of creature I should command that they all be killed; but kill every pure black one.

بَابٌ فِي اتِّخَاذِ الْكَلْبِ لِلصَّيْدِ وَغَيْرِهِ

حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ، حَدَّثَنَا يُونُسُ، عَنِ الْحَسَنِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُغَفَّلٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: لَوْلَا أَنَّ الْكِلَابَ أُمَّةٌ مِنَ الْأُمَمِ لَأَمَرْتُ بِقَتْلِهَا، فَاقْتُلُوا مِنْهَا الْأَسْوَدَ الْبَهِيمَ

صحيح

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ হাদিস একাডেমি
গ্রন্থঃ সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
অধ্যায়ঃ ১১/ শিকার প্রসঙ্গে (كتاب الصيد)
হাদিস নম্বরঃ ২৮৪৬ | 2846 | ۲۸٤٦

পরিচ্ছদঃ ১. শিকার ইত্যাদি উদ্দেশ্যে কুকুর প্রতিপালন করা

২৮৪৬। জাবির (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে কুকুর হত্যার আদেশ দেন, এমন কি কোনো মহিলাও যদি জঙ্গল থেকে তার কুকুরসহ আসতো সেটাও ‘আমরা হত্যা করতাম। অতঃপর তিনি আমাদেরকে কুকুর হত্যা নিষেধ করে বললেনঃ তোমরা শুধুমাত্র কালো কুকুর হত্যা করবে।[1]


[1]. সহীহ।

হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

Narrated Jabir ibn Abdullah:

The Prophet of Allah (ﷺ) ordered to kill dogs, and we were even killing a dog which a woman brought with her from the desert. Afterwards he forbade to kill them, saying: Confine yourselves to the type which is black.

بَابٌ فِي اتِّخَاذِ الْكَلْبِ لِلصَّيْدِ وَغَيْرِهِ

حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ خَلَفٍ، حَدَّثَنَا أَبُو عَاصِمٍ، عَنِ ابْنِ جُرَيْجٍ، قَالَ: أَخْبَرَنِي أَبُو الزُّبَيْرِ، عَنْ جَابِرٍ، قَالَ: أَمَرَ نَبِيُّ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِقَتْلِ الْكِلَابِ. حَتَّى إِنْ كَانَتِ الْمَرْأَةُ تَقْدَمُ مِنَ الْبَادِيَةِ يَعْنِي بِالْكَلْبِ فَنَقْتُلُهُ، ثُمَّ نَهَانَا عَنْ قَتْلِهَا وَقَالَ: عَلَيْكُمْ بِالْأَسْوَدِ

صحيح

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ হাদিস একাডেমি
গ্রন্থঃ সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
অধ্যায়ঃ ১১/ শিকার প্রসঙ্গে (كتاب الصيد)
হাদিস নম্বরঃ ২৮৪৭ | 2847 | ۲۸٤۷

পরিচ্ছদঃ ২. শিকারের বর্ণনা

২৮৪৭। ‘আদী ইবনু হাতিম (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে জিজ্ঞেস করি, আমি আমার প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কুকুর শিকারে পাঠালে তা আমার জন্য শিকার ধরে আনলে আমি কি তা খাবো? তিনি বললেনঃ তুমি তোমার প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কুকুরকে আল্লাহর নাম নিয়ে শিকারে পাঠালে তা তোমার জন্য যে শিকার ধরে আনবে তা খাবে। আমি জিজ্ঞেস করি, কুকুর যদি শিকারকে হত্যা করে? তিনি বললেনঃ কুকুর যদি শিকার হত্যা করে এবং তোমার কুকুরের সাথে অন্য কুকুর অংশগ্রহণ না করে তাহলে খেতে পারবে। আমি বলি, আমি পালকবিহীন ধাতুর পাত ছুঁড়ে কোনো শিকার ধরলে তা খাবো কি? তিনি বললেনঃ আল্লাহর নাম উচ্চারণ করে পালকবিহীন ধাতুর পাত ছোঁড়া হলে তা শিকারকে জখম করলে খেতে পারো। কিন্তু তীরের পার্শ্বের আঘাতে শিকার হয়ে থাকলে তা খেও না।[1]


[1]. সহীহ।

হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

Narrated 'Abi b. Hatim:
I asked the Prophet (ﷺ) ,and said: I set off my trained dogs, and they catch (something) for me: may I eat (it)? He said: When you set off trained dogs and mention Allah's name, eat what they catch for you. I said: Even if they killed (the game)? He said: Even if they killed (the game) as long as another dog does not join it. I said: I shoot with a featherless arrow, and it strikes the target, may I eat (it) ? He said: If you shoot with a featherless arrow and mention Allah's name, and it strikes the aim, and pierce it, eat it ; and if it strikes with its middle, do not eat (it).

بَابٌ فِي الصَّيْدِ

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عِيسَى، حَدَّثَنَا جَرِيرٌ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ هَمَّامٍ، عَنْ عَدِيِّ بْنِ حَاتِمٍ، قَالَ: سَأَلْتُ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قُلْتُ: إِنِّي أُرْسِلُ الْكِلَابَ الْمُعَلَّمَةَ، فَتُمْسِكُ عَلَيَّ، أَفَآكُلُ؟ قَالَ: إِذَا أَرْسَلْتَ الْكِلَابَ الْمُعَلَّمَةَ وَذَكَرْتَ اسْمَ اللَّهِ، فَكُلْ مِمَّا أَمْسَكْنَ عَلَيْكَ. قُلْتُ: وَإِنْ قَتَلْنَ؟ قَالَ: وَإِنْ قَتَلْنَ مَا لَمْ يَشْرَكْهَا كَلْبٌ لَيْسَ مِنْهَا

صحيح

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ হাদিস একাডেমি
গ্রন্থঃ সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
অধ্যায়ঃ ১১/ শিকার প্রসঙ্গে (كتاب الصيد)
হাদিস নম্বরঃ ২৮৪৮ | 2848 | ۲۸٤۸

পরিচ্ছদঃ ২. শিকারের বর্ণনা

২৮৪৮। ‘আদী ইবনু আবী হাতিম (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে জিজ্ঞেস করি, ‘আমরা এসব কুকুর দ্বারা শিকার করে থাকি। তিনি আমাকে বললেনঃ যখন তোমার প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কুকুরগুলো আল্লাহর নাম নিয়ে শিকারে পাঠাবে, সেগুলো তোমার জন্য যা ধরে আনবে তা খাও, এমন কি শিকার মেরে ফেললেও। কুকুর যদি তা থেকে না খেয়ে থাকে তাহলে খাও। আর যদি খেয়ে থাকে তবে খেও না। কেননা আমার আশঙ্কা হচ্ছে, ঐ শিকার সে নিজের জন্য ধরেছে।[1]


[1]. সহীহ।

হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

Narrated 'Adi b. Hatim:
I asked the Messenger of Allah. I said: We hunt with these dogs. He replied: When you set off your dog and mention Allah's name over it, eat what it catches for you, even if it kills it, except that the dog has eaten (any of it); if the dog has eaten (any of it), do not eat, for Im afraid it has caught it only for itself.

بَابٌ فِي الصَّيْدِ

حَدَّثَنَا هَنَّادُ بْنُ السَّرِيِّ، حَدَّثَنَا ابْنُ فُضَيْلٍ، عَنْ بَيَانٍ، عَنْ عَامِرٍ، عَنْ عَدِيِّ بْنِ حَاتِمٍ، قَالَ: سَأَلْتُ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قُلْتُ: إِنَّا نَصِيدُ بِهَذِهِ الْكِلَابِ. فَقَالَ لِي: إِذَا أَرْسَلْتَ كِلَابَكَ الْمُعَلَّمَةَ وَذَكَرْتَ اسْمَ اللَّهِ عَلَيْهَا فَكُلْ مِمَّا أَمْسَكْنَ عَلَيْكَ، وَإِنْ قَتَلَ إِلَّا أَنْ يَأْكُلَ الْكَلْبُ فَإِنْ أَكَلَ الْكَلْبُ فَلَا تَأْكُلْ، فَإِنِّي أَخَافُ أَنْ يَكُونَ إِنَّمَا أَمْسَكَهُ عَلَى نَفْسِهِ

صحيح

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ হাদিস একাডেমি
গ্রন্থঃ সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
অধ্যায়ঃ ১১/ শিকার প্রসঙ্গে (كتاب الصيد)
হাদিস নম্বরঃ ২৮৪৯ | 2849 | ۲۸٤۹

পরিচ্ছদঃ ২. শিকারের বর্ণনা

২৮৪৯। ‘আদী ইবনু হাতিম (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তুমি যদি আল্লাহর নাম নিয়ে তোমার তীর ছুঁড়ো এবং ঐ শিকারকৃত পশু পরের দিন এমন অবস্থায় পাও যে, তা পানিতে পড়েনি এবং তাতে তোমার তীরের আঘাত ছাড়া অন্য কোনো চিহ্নও নেই, তবে তা খাও। আর যদি তোমার প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কুকুরের সাথে অন্য কুকুর দেখো তাহলে শিকার খেও না। কেননা তুমি অবহিত নয় যে, হয় তো অন্য কোনো কুকুর শিকার হত্যা করেছে।[1]


[1]. সহীহ।

হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

Narrated 'Adi b. Hatim:
The Prophet (ﷺ) as saying: When you shoot your arrow and mention Allah's name, and you find it (the game) after a day, and you do not find it in water, and you find in it only the mark of you arrow, eat (it). But if another dog joins your dogs, do not eat it, for you do not know maybe the one which was not yours has killed it.

بَابٌ فِي الصَّيْدِ

حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، عَنْ عَاصِمٍ الْأَحْوَلِ، عَنِ الشَّعْبِيِّ، عَنْ عَدِيِّ بْنِ حَاتِمٍ، أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: إِذَا رَمَيْتَ بِسَهْمِكَ وَذَكَرْتَ اسْمَ اللَّهِ فَوَجَدْتَهُ مِنَ الْغَدِ، وَلَمْ تَجِدْهُ فِي مَاءٍ وَلَا فِيهِ أَثَرٌ غَيْرُ سَهْمِكَ فَكُلْ، وَإِذَا اخْتَلَطَ بِكِلَابِكَ كَلْبٌ مِنْ غَيْرِهَا فَلَا تَأْكُلْ لَا تَدْرِي لَعَلَّهُ قَتَلَهُ الَّذِي لَيْسَ مِنْهَا

صحيح

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ হাদিস একাডেমি
গ্রন্থঃ সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
অধ্যায়ঃ ১১/ শিকার প্রসঙ্গে (كتاب الصيد)
হাদিস নম্বরঃ ২৮৫০ | 2850 | ۲۸۵۰

পরিচ্ছদঃ ২. শিকারের বর্ণনা

২৮৫০। ‘আদী ইবনু হাতিম (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তোমার শিকার তীরসহ পানিতে পড়ে ডুবে মারা গেলে তাহলে তুমি তা খাবে না।[1]


[1]. সহীহ।

হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

Narrated 'Adi b. Hatim:
The Prophet (ﷺ) as saying: When the animal at which you shot falls in water, is drowned, and dies, do not eat.

بَابٌ فِي الصَّيْدِ

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى بْنِ فَارِسٍ، حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ حَنْبَلٍ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ زَكَرِيَّا بْنِ أَبِي زَائِدَةَ، أَخْبَرَنِي عَاصِمٌ الْأَحْوَلُ، عَنِ الشَّعْبِيِّ، عَنْ عَدِيِّ بْنِ حَاتِمٍ، أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: إِذَا وَقَعَتْ رَمِيَّتُكَ فِي مَاءٍ فَغَرِقَ فَمَاتَ فَلَا تَأْكُلْ

صحيح

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ হাদিস একাডেমি
গ্রন্থঃ সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
অধ্যায়ঃ ১১/ শিকার প্রসঙ্গে (كتاب الصيد)
হাদিস নম্বরঃ ২৮৫১ | 2851 | ۲۸۵۱

পরিচ্ছদঃ ২. শিকারের বর্ণনা

২৮৫১। ‘আদী ইবনু হাতিম (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তুমি কোনো কুকুর বা বাজ পাখি প্রশিক্ষণ দিয়ে শিকারে পাঠালে এবং আল্লাহর নাম স্মরণ করলে- সে তোমার জন্য যা ধরে আনবে তা খেতে পারো। আমি বলি, যদি সে তা মেরে ফেলে? তিনি বললেনঃ সে যদি শিকার হত্যা করে এর কোনো অংশ না খায়, তবে সে তা তোমার জন্যই শিকার করেছে।

আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, বাজ পাখি শিকারের কিছু খেলে অসুবিধা নেই। কুকুর শিকার থেকে খেলে তা খাওয়া নিষেধ, তবে কেবল রক্ত পান করলে তা খাওয়া দূষণীয় নয়।[1]


[1]. সহীহঃ কিন্তু ‘অথবা বাজ পাখি’ কথাটি মুনকার। যঈফ আল-জামি‘উস সাগীর (৫১১১) এর প্রথম অংশ. মিশকাত (৪০৮৩)।

হাদিসের মানঃ  সহিহ/যঈফ [মিশ্রিত]
পুনঃনিরীক্ষণঃ

Narrated Adi ibn Hatim:

The Prophet (ﷺ) said: Eat what ever is caught for you by a dog or a hawk you have trained and set off when you have mentioned Allah's name. I said: (Does this apply) if it killed (the animal)? He said: When it kills it without eating any of it, for it caught it only for you.

Abu Dawud said: If a hawk eats any of it, there is no harm (in eating it). If a dog eats it, it is disapproved (to eat the meat). If it drinks blood, there is no harm (in eating it).

بَابٌ فِي الصَّيْدِ

حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ نُمَيْرٍ، حَدَّثَنَا مُجَالِدٌ، عَنِ الشَّعْبِيِّ، عَنْ عَدِيِّ بْنِ حَاتِمٍ، أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: مَا عَلَّمْتَ مِنْ كَلْبٍ أَوْ بَازٍ، ثُمَّ أَرْسَلْتَهُ وَذَكَرْتَ اسْمَ اللَّهِ فَكُلْ مِمَّا أَمْسَكَ عَلَيْكَ. قُلْتُ: وَإِنْ قَتَلَ؟ قَالَ: إِذَا قَتَلَهُ وَلَمْ يَأْكُلْ مِنْهُ شَيْئًا فَإِنَّمَا أَمْسَكَهُ عَلَيْكَ قَالَ أَبُو دَاوُدَ: الْبَازُ إِذَا أَكَلَ فَلَا بَأْسَ بِهِ، وَالْكَلْبُ إِذَا أَكَلَ كُرِهَ، وَإِنْ شَرِبَ الدَّمَ فَلَا بَأْسَ بِهِ

صحيح إلا قوله أو باز فإنه منكر

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ হাদিস একাডেমি
গ্রন্থঃ সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
অধ্যায়ঃ ১১/ শিকার প্রসঙ্গে (كتاب الصيد)
হাদিস নম্বরঃ ২৮৫২ | 2852 | ۲۸۵۲

পরিচ্ছদঃ ২. শিকারের বর্ণনা

২৮৫২। আবূ সা‘লাবাহ আল-খুশানী (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কুকুরের শিকার সম্পর্কে বলেনঃ তুমি যখন তোমার কুকুর শিকারে পাঠাবে এবং তাতে মহান আল্লাহর নাম স্মরণ করবে, অতঃপর সে যা ধরে নিয়ে আসবে তা খেতে পারো। এমন কি তা থেকে কুকুর সামান্য খেলেও অসুবিধা নেই। আর তোমার ধনুক তোমাকে যা ফিরিয়ে দিবে তা খাও।[1]


[1]. মুনকার।

হাদিসের মানঃ  মুনকার (সর্বদা পরিত্যক্ত)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

Narrated AbuTha'labah al-Khushani:

The Messenger of Allah (ﷺ) said about the game hunted by a dog: If you set off your dog and have mentioned Allah's name, eat (it), even if it eats any of it; and eat what your hands return you.

بَابٌ فِي الصَّيْدِ

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عِيسَى، حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ، حَدَّثَنَا دَاوُدُ بْنُ عَمْرٍو، عَنْ بُسْرِ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ، عَنْ أَبِي إِدْرِيسَ الْخَوْلَانِيِّ، عَنْ أَبِي ثَعْلَبَةَ الْخُشَنِيِّ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي صَيْدِ الْكَلْبِ: إِذَا أَرْسَلْتَ كَلْبَكَ وَذَكَرْتَ اسْمَ اللَّهِ فَكُلْ وَإِنْ أَكَلَ مِنْهُ، وَكُلْ مَا رَدَّتْ عَلَيْكَ يَدَاكَ

منكر

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ হাদিস একাডেমি
গ্রন্থঃ সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
অধ্যায়ঃ ১১/ শিকার প্রসঙ্গে (كتاب الصيد)
হাদিস নম্বরঃ ২৮৫৩ | 2853 | ۲۸۵۳

পরিচ্ছদঃ ২. শিকারের বর্ণনা

২৮৫৩। ‘আদী ইবনু হাতিম (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমাদের কেউ যদি শিকারের প্রতি তীর নিক্ষেপ করে, অতঃপর দুই বা তিন দিন নিখোঁজ থাকার পর মৃত অবস্থায় শিকারটি পায় এবং তার শরীরে তীরবিদ্ধ থাকে। সে কি তা খাবে? তিনি বললেনঃ হ্যাঁ, সে ইচ্ছা হলে খেতে পারে।[1]


[1]. সহীহ।

হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

Narrated Adi ibn Hatim:

Messenger of Allah, one of us shoots at the game, and follows its mark for two or three days, and then finds it dead, and there is his arrow (pierced) in it, may he eat it? He said: Yes, if he wishes, or he said: he may eat if he wishes.

بَابٌ فِي الصَّيْدِ

حَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ بْنُ مُعَاذِ بْنِ خُلَيْفٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْأَعْلَى، حَدَّثَنَا دَاوُدُ، عَنْ عَامِرٍ، عَنْ عَدِيِّ بْنِ حَاتِمٍ، أَنَّهُ قَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ أَحَدُنَا يَرْمِي الصَّيْدَ فَيَقْتَفِي أَثَرَهُ الْيَوْمَيْنِ وَالثَّلَاثَةَ، ثُمَّ يَجِدُهُ مَيِّتًا وَفِيهِ سَهْمُهُ أَيَأْكُلُ؟ قَالَ: نَعَمْ إِنْ شَاءَ أَوْ قَالَ: يَأْكُلُ إِنْ شَاءَ

صحيح

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

হাদিস দেখানো হচ্ছে   [1]  থেকে  [10]  পর্যন্ত এবং সর্বমোট   [18]  টি হাদিস পাওয়া গেছে।