• ৭১৯৬১ টি সর্বমোট হাদিস আছেঃ
  • ৮২৭৫ টি প্রশ্নোত্তর ও ফিকাহঃ

 

 

 

 


হাদীস (حَدِيْث) এর শাব্দিক অর্থ: নতুন, প্রাচীন ও পুরাতন এর বিপরীত বিষয়। এ অর্থে যে সব কথা, কাজ ও বস্ত্ত পূর্বে ছিল না, এখন অস্তিত্ব লাভ করেছে  তাই হাদীস। এর আরেক অর্থ হলো: কথা। ফক্বীহগণের পরিভাষায় নাবী কারীম () আল্লাহ্‌র রাসূল হিসেবে যা কিছু বলেছেন, যা কিছু করেছেন এবং যা কিছু বলার বা করার অনুমতি দিয়েছেন অথবা সমর্থন জানিয়েছেন তাকে হাদীস বলা হয়। কিন্তু মুহাদ্দিসগণ এর সঙ্গে রাসুলুল্লাহ () সম্পর্কিত বর্ণনা ও তার গুণাবলী সম্পর্কিত বিবরণকেও হাদীসের অন্তর্ভুক্ত করেন। এ হিসেবে হাদীসকে প্রাথমিক পর্যায়ে তিন শ্রেণীতে ভাগ করা যায়:

১। ক্বওলী হাদীস: কোন বিষয়ে রাসুলুল্লাহ () যা বলেছেন, অর্থাৎ যে হাদীসে তাঁর কোন কথা বিবৃত হয়েছে তাকে ক্বওলী (বাণী সম্পর্কিত) হাদীস বলা হয়।

২। ফেলী হাদীস: মহানাবী ()-এর কাজকর্ম, চরিত্র ও আচার-আচরণের ভেতর দিয়েই ইসলামের যাবতীয় বিধি-বিধান ও রীতিনীতি পরিস্ফুট হয়েছে। অতএব যে হাদীসে তাঁর কোন কাজের বিবরণ উল্লেখিত হয়েছে তাকে ফে’লী (কর্ম সম্পর্কিত) হাদীস বলা হয়।

৩। তাকরীরী হাদীস: সাহাবীগণের যে সব কথা বা কাজ নাবী কারীম ()-এর অনুমোদন ও সমর্থন প্রাপ্ত হয়েছে, সে ধরনের কোন কথা বা কাজের বিবরণ হতেও শরীয়াতের দৃষ্টিভঙ্গি জানা যায়। অতএব যে হাদীসে এ ধরনের কোন ঘটনার বা কাজের উল্লেখ পাওয়া যায় তাকে তাকরীরী (সমর্থন মূলক) হাদীস বলে।

সুন্নাহ (السنة): হাদীসের অপর নাম সুন্নাহ্ (السنة) সুন্নাত শব্দের অর্থ চলার পথ, কর্মের নীতি ও পদ্ধতি। যে পন্থা ও রীতি নাবী কারীম () অবলম্বন করতেন তাকে সুন্নাত বলা হয়। অন্য কথায় রাসুলুল্লাহ () প্রচারিত উচ্চতম আদর্শই সুন্নাত। কুরআন মাজিদে মহত্তম ও সুন্দরতম আদর্শ (أُسْوَةٌ حَسَنَةٌ) বলতে এই সুন্নাতকেই বুঝানো হয়েছে।

খবর (خبر): হাদীসকে আরবী ভাষায় খবরও (خبر) বলা হয়। তবে খবর শব্দটি হাদীস ও ইতিহাস উভয়টিকেই বুঝায়।

আসার (أثر ): আসার শব্দটিও কখনও কখনও রাসুলুল্লাহ () এর হাদীসকে নির্দেশ করে। কিন্তু অনেকেই হাদীস ও আসার এর মধ্যে কিছু পার্থক্য করে থাকেন। তাঁদের মতে- সাহাবীগণ থেকে শরীয়াত সম্পর্কে যা কিছু উদ্ধৃত হয়েছে তাকে আসার বলে।

 

ইলমে হাদীসের কতিপয় পরিভাষা

সাহাবী (صحابى):  যিনি ঈমানের সঙ্গে রাসুলুল্লাহ () এর সাহচর্য লাভ করেছেন এবং ঈমানের সঙ্গে মৃত্যুবরণ করেছেন তাঁকে রাসুলুল্লাহ ()-এর সাহাবী বলা হয়।

তাবেঈ (تابعى) : যিনি রাসুলুল্লাহ ()-এর কোন সাহাবীর নিকট হাদীস শিক্ষা করেছেন অথবা অন্ততপক্ষে তাঁকে দেখেছেন এবং মুসলমান হিসেবে মৃত্যুবরণ করেছেন তাঁকে তাবেঈ বলা হয়।

তাবে-তাবেঈ (تابعى تابع) : যিনি  কোন তাবেঈ এর নিকট হাদীস শিক্ষা করেছেন অথবা অন্ততপক্ষে তাঁকে দেখেছেন এবং মুসলমান হিসেবে মৃত্যুবরণ করেছেন তাঁকে তাবে-তাবেঈ বলা হয়।

মুহাদ্দিস (محدث) : যিনি হাদীস চর্চা করেন এবং বহু সংখ্যক হাদীসের সনদ ও মতন সম্পর্কে বিশেষ জ্ঞান রাখেন তাঁকে মুহাদ্দিস বলা হয়।

শাইখ (شيخ) : হাদীসের শিক্ষাদাতা রাবীকে শায়খ বলা হয়।

শাইখান (شيخان) : সাহাবীগনের মধ্যে আবূ বকর (রাঃ) ও উমর  (রাঃ)- কে একত্রে শাইখান বলা হয়। কিন্তু হাদীস শাস্ত্রে ইমাম বুখারী (রাহি.) ও ইমাম মুসলিম (রাহি.)-কে এবং ফিক্বহ-এর পরিভাষায় ইমাম আবূ হানীফা (রাহি.) ও আবূ ইউসুফ (রাহি.)-কে একত্রে শাইখান বলা হয়। 

হাফিয (حافظ) : যিনি সনদ ও মতনের বৃত্তান্ত সহ এক লাখ হাদীস আয়ত্ত করেছেন তাঁকে হাফিয বলা হয়।

হুজ্জাত (حجة) : অনুরূপভাবে যিনি তিন লক্ষ হাদীস আয়ত্ত করেছেন তাঁকে হুজ্জাত বলা হয়।  

হাকিম (حاكم) : যিনি সব হাদীস আয়ত্ত করেছেন তাকে হাকিম বলা হয়।

রিজাল (رجال) : হাদীসের রাবী সমষ্টিকে রিজাল বলে। যে শাস্ত্রে রাবীগণের জীবনী বর্ণনা করা হয়েছে তাকে আসমাউর-রিজাল বলা হয়।                                                                                 

রিওয়ায়াত (رواية): হাদীস বর্ণনা করাকে রিওয়ায়াত বলে। কখনও কখনও মূল হাদীসকেও রিওয়ায়াত বলা হয়। যেমন- এই কথার সমর্থনে একটি রিওয়ায়াত (হাদীস) আছে।                           

সনদ (سند): হাদীসের মূল কথাটুকু যে সূত্র পরম্পরায় গ্রন্থ সংকলনকারী পর্যন্ত পৌঁছেছে তাকে সনদ বলা হয়। এতে হাদীস বর্ণনাকারীদের নাম একের পর এক সজ্জিত থাকে।

মতন (متن): হাদীসে মূল কথা ও তার শব্দ সমষ্টিকে মতন বলে।

মারফূ (مرفوع): যে হাদীসের সনদ (বর্ণনা পরম্পরা) রাসুলুল্লাহ () পর্যন্ত পৌঁছেছে  তাকে মারফূ হাদীস বলে।

মাওকূফ (موقوف) : যে হাদীসের বর্ণনা- সূত্র ঊর্ধ্ব দিকে সাহাবী পর্যন্ত পৌঁছেছে , অর্থাৎ যে সনদ -সূত্রে কোন সাহাবীর কথা বা কাজ বা অনুমোদন বর্ণিত হয়েছে তাকে মাওকূফ হাদীস বলে। এর অপর নাম আসার।

মাকতূ (مقطوع): যে হাদীসের সনদ কোন তাবেঈ পর্যন্ত পৌঁছেছে, তাকে মাকতূ হাদীস বলা হয়।

তালীক (تعليق): কোন কোন গ্রন্থকার হাদীসের পূর্ণ সনদ বাদ দিয়ে কেবল মূল হাদীস বর্ণনা করেছেন। এরূপ করাকে তা’লীক বলা হয়।

মুদাল্লাস (مدلس): যে হাদীসের রাবী নিজের প্রকৃত শাইখের (উস্তাদের) নাম উল্লেখ না করে তার উপরস্থ শাইখের নামে এভাবে হাদীস বর্ণনা করেছেন যাতে মনে হয় যে, তিনি নিজেই উপরস্থ শাইখের নিকট তা শুনেছেন অথচ তিনি তাঁর নিকট সেই হাদীস শুনেন নি- সে হাদীসকে মুদাল্লাস হাদীস এবং এইরূপ করাকে ‘তাদ্লীস’ আর যিনি এইরূপ করেন তাকে মুদালস্নীস বলা হয়।

মুযতারাব (مضطرب): যে হাদীসের রাবী হাদীসের মতন ও সনদকে বিভিন্ন প্রকারে বর্ণনা করেছেন সে হাদীসকে হাদীসে মুযতারাব বলা হয়। যে পর্যন্ত না এর কোনরূপ সমন্বয় সাধন সম্ভবপর হয়, সে পর্যন্ত এই হাদীসের ব্যাপারে অপেক্ষা করতে হবে অর্থাৎ এই ধরনের রিওয়ায়াত প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না।

মুদ্রাজ (مدرج): যে হাদীসের মধ্যে রাবী নিজের অথবা অপরের উক্তিকে অনুপ্রবেশ করিয়েছেন, সে হাদীসকে মুদ্রাজ এবং এইরূপ করাকে ‘ইদরাজ’ বলা হয়।

মুত্তাসিল (متصل): যে হাদীসের সনদের ধারাবাহিকতা প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত পূর্ণরূপে রক্ষক্ষত আছে, কোন সত্মরেই কোন রাবীর নাম বাদ পড়ে নি তাকে মুত্তাসিল হাদীস বলে।

মুনকাতি (منقطع): যে হাদীসের সনদে ধারাবাহিকতা রক্ষিত হয় নি, মাঝখানে কোন এক স্তরে কোন রাবীর নাম বাদ পড়েছে, তাকে মুনকাতি হাদীস, আর এই বাদ পড়াকে ইনকিতা বলা হয়।

মুরসাল (مرسل): যে হাদীসের সনদে ইনকিতা শেষের দিকে হয়েছে, অর্থাৎ সাহাবীর নাম বাদ পড়েছে এবং তাবেঈ সরাসরি রাসুলুল্লাহ () এর উল্লেখ করে হাদীস বর্ণনা করেছেন তাকে মুরসাল হাদীস বলা হয়।

মুআল্লাক ( معلق ) : সনদের ইনকিতা প্রথম দিকে  হলে, অর্থাৎ সাহাবীর পর এক বা একাধিক রাবীর নাম বাদ পড়লে তাকে মু’আল্লাক হাদীস বলা হয়।

মুদাল (معضل): যে হাদীসে দুই বা ততোধিক রাবী ক্রমান্বয়ে সনদ থেকে বাদ পড়েছে তাকে মু‘দাল হাদীস বলে।

মুতাবি ও শাহিদ (متابع و شاهد): এক রাবীর হাদীসের অনুরূপ যদি অপর রাবীর কোন হাদীস পাওয়া যায় তবে দ্বিতীয় রাবীর হাদীসকে প্রথম রাবীর হাদীসের মুতাবি বলা হয়। যদি উভয় হাদীসের মূল রাবী অর্থাৎ সাহাবী একই ব্যক্তি না হয় তবে দ্বিতীয় ব্যক্তির হাদীসকে শাহিদ বলে। আর এইরূপ হওয়াকে শাহাদাত বলে। মুতাবা’আত ও শাহাদাত দ্বারা প্রথম হাদীসটির শক্তি বৃদ্ধি পায়।

মারূফ ও মুনকার (معروف و منكر): কোন দুর্বল রাবীর বর্ণিত হাদীস অপর কোন মাকবূল (গ্রহণযোগ্য) রাবীর বর্ণিত হাদীসের বিরোধী হলে তাকে মুনকার বলা হয় এবং মাকবূল রাবীর হাদীসকে মা‘রূফ বলা হয়।

সহীহ (صحيح) : যে মুত্তাসিল হাদীসের সনদে উল্লেখিত প্রত্যেক রাবীই পূর্ণ আদালত ও যাবত (ধারণ ক্ষমতা) গুণ সম্পন্ন এবং হাদীসটি যাবতীয় দোষত্রুটি ও শায মুক্ত তাকে সহীহ হাদীস বলে।

হাসান (حسن) : যে হাদীসের মধ্যে রাবীর যাবত (ধারণ ক্ষমতা) এর গুণ ব্যতীত সহীহ হাদীসের সমস্ত শর্তই পরিপূর্ণ রয়েছে তাকে হাসান হাদীস বলা হয়। ফক্বীহগণ সাধারণত সহীহ ও হাসান হাদীসের ভিত্তিতে শরীয়াতের বিধান নির্ধারণ  করেন।

যঈফ (ضعيف ) : যে হাদীসের রাবী কোন হাসান হাদীসের রাবীর গুণসম্পন্ন নন তাকে যঈফ হাদীস বলে।

মাওযূ ( موضوع ) : যে হাদীসের রাবী জীবনে কখনও ইচ্ছাকৃতভাবে রাসুলুল্লাহ ()-এর নামে মিথ্যা কথা রটনা করেছেন বলে প্রমাণিত হয়েছে, তার বর্ণিত হাদীসকে মাওযূ‘ হাদীস বলে।

 

রাবীর সংখ্যা বিচারে হাদীস প্রধানত দুপ্রকার। যথা: ১. মুতওয়াতির (متواتر) ও ২. আহাদ (أحاد)

১. মুতওয়াতির (متواتر): বৃহৎ সংখ্যক রাবীর বর্ণিত হাদীস, মিথ্যার ব্যাপারে যাদের উপর একাট্টা হওয়া অসম্ভব, সনদের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত এ সংখ্যা বিদ্যমান থাকলে হাদীসকে মুতওয়াতির (متواتر) বলা হয়।

২. আহাদ (أحاد): أحاد তিন প্রকার। যথা:

মাশহুর (مشهور): যে কোন স্তরে হাদীস বর্ণনা কারীর সংখ্যা যদি দুই এর অধিক হয়, কিন্তু মুতওয়াতির এর পর্যায়ে পৌঁছে না তাকে মাশহুর (مشهور) বলে।

আযীয (عزيز): যে কোন স্তরে হাদীস বর্ণনা কারীর সংখ্যা যদি দু‘জন হয় ।

গরীব (غريب): যে কোন স্তরে হাদীস বর্ণনা কারীর সংখ্যা যদি এক জন হয় ।

শায (شاذ): একাধিক নির্ভরযোগ্য রাবীর বিপরীত একজন নির্ভরযোগ্য রাবীর বর্ণনাকে শায হাদীস বলে।

 কিয়াস (قياس): অর্থ অনুমান, পরিমাপ, তুলনা ইত্যাদি। পরিভাষায়: শাখাকে মূলের সঙ্গে তুলনা করা, যার ফলে শাখা ও মূল একই হুকুমের অমত্মর্ভুক্ত হয়ে যায়।

তাক্বলীদ (تقليد): দলীল উল্লেখ ছাড়াই কোন ব্যক্তির মতামতকে গ্রহণ করা।

ইজতিহাদ (اجتهاد): উদ্দিষ্ট জ্ঞান অর্জনের প্রচেষ্টা চালানোকে ইজতিহাদ বলে।

শরীয়াত (شريعة): অর্থ: আইন, বিধান, পথ, পন্থা ইত্যাদি। পরিভাষায়: মহান আল্লাহ্‌ স্বীয় দীন হতে বান্দার জন্য যা বিধিবদ্ধ করে দিয়েছেন তাকে শরীয়াত বলে।

মাযহাব (مذهب): অর্থ- মত, পথ, মতবাদ ইত্যাদি। ফিক্বহী পরিভাষায়: ইবাদাত ও মু‘আমালাতের ক্ষেত্রে শারঈ হুকুম পালনের জন্য বান্দা যে পথ অনুসরণ করে এবং প্রত্যেক দলের জন্য একজন ইমামের উপর অথবা ইমামের ওসীয়ত কিংবা ইমামের প্রতিনিধির উপর নির্ভর করে তাকে মাযহাব বলে।

নাযর (نذر): কোন বিষয়ে উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য চিন্তা-ভাবনা করাকে নাযর বলে।

আম (عام): সীমাবদ্ধ করা ছাড়াই যা দুই বা ততোধিক বিষয়কে অন্তর্ভুক্ত করে তাকে আম বলে।

খাস (خاص): আম এর বিপরীত, যা নির্দিষ্ট বিষয়কে অন্তর্ভুক্ত করে।

ইজমা (اجماع): কোন এক যুগে আলিমদের কোন শারঈ বিষয়ের উপর এক মত পোষণ করাকে ইজমা বলে।

মুসনাদ (مسند): যার সনদগুলো পরস্পর এমনভাবে মিলিত যে, প্রত্যেকের বর্ণনা সুস্পষ্ট।

ফিক্বহ (فقه): ইজতিহাদ বা গবেষণার পদ্ধতিতে শারঈ হুকুম সম্পর্কে জানার বিধানকে ফিক্বহ বলে।

আসল বা মূল (اصل): এমন প্রথম বিষয়, যার উপর ভিত্তি করে কোন কিছু গড়ে উঠে। যেমন- দেয়ালের ভিত্তি।

ফারা বা শাখা (فرع): আসলের বিপরীত যা কোন ভিত্তির উপর গড়ে উঠে।

ওয়াজিব (واجب): যা আমল করলে সাওয়াব পাওয়া যাবে আর পরিত্যাগ করলে শাস্তি পাওয়া যাবে।

মানদূব (مندوب): যা আমল করলে সাওয়াব পাওয়া যাবে আর পরিত্যাগ করলে শাস্তি হবে না।

মাহযূর (محظور): যা পরিত্যাগ করলে সাওয়াব পাওয়া যাবে আর আমল করলে শাস্তি পাওয়া যাবে।

মাকরূহ (مكروه): যা পরিত্যাগ করলে সাওয়াব পাওয়া যাবে আর আমল করলে শাস্তি হবে না।

ফাৎওয়া (فتوى): জিজ্ঞাসিত ব্যক্তির নিকট থেকে দলীল ভিত্তিক শারঈ হুকুম সুস্পষ্ট বর্ণনা করে নেয়াকে ফাৎওয়া বলে।

নাসিখ (ناسخ): পরিবর্তিত শারঈ দলীল যা পূববর্তী শারঈ হুকুমকে রহিত করে দেয় তাকে নাসিখ বলে।

মানসূখ (منسوخ): আর যে হুকুমটি রহিত হয়ে যায় সেটাই মানসূখ।

মুতলাক্ব (مطلق): যা প্রকৃতিগত দিক থেকে জাতির সকলকে অন্তর্ভুক্ত  করে কিন্তু অনির্দিষ্টভাবে একটি অর্থকে বুঝায়।

মুকাইয়্যাদ (مقيد): যা মুতলাক্বের বিপরীত অর্থাৎ জাতির সকলকে অন্তর্ভুক্ত  করে না। বরং নির্দিষ্ট একটি অর্থকে বুঝায়।

হাক্বীকাত (حقيقة): শব্দকে আসল অর্থে ব্যবহার করাকে হাক্বীকত বলে। যেমন- সিংহ শব্দটি এক প্রজাতির হিংস্র প্রাণীকে বুঝায়।

মাজায (مجاز): শব্দ যখন আসল অর্থকে অতিক্রম করে তার সাথে সাদৃশ্য রাখে এমন অর্থ প্রকাশ করে তখন তাকে মাজায বলে। যেমন- সাহসী লোককে সিংহের সাথে তুলনা করা।

হাদিসের পরিসংখ্যান

সর্বমোট হাদিস পাওয়া গেছেঃ [8] টি | অধ্যায়ঃ ৩৪/ ওয়ালা এবং হেবা (كتاب الولاء والهبة عن رسول الله ﷺ)
গ্রন্থঃ সূনান তিরমিজী (ইফাঃ) | দেখানো হচ্ছে   [1]  থেকে  [8]  পর্যন্ত
প্রতি পাতাতে টি হাদিস

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সূনান তিরমিজী (ইফাঃ)
অধ্যায়ঃ ৩৪/ ওয়ালা এবং হেবা (كتاب الولاء والهبة عن رسول الله ﷺ)
হাদিস নম্বরঃ ২১২৮ | 2128 | ۲۱۲۸

পরিচ্ছদঃ যে ব্যক্তি আযাদ করবে তার হবে ওয়ালা স্বত্ব।

২১২৮. বুনদার (রহঃ) ... আইশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, তিনি বারীরা (রাঃ)-কে কিনতে চাইলেন কিন্তু তার মালিক পক্ষ নিজেদের জন্য ওয়ালা স্বত্বের শর্তারোপ করে। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যে মূল্য দিবে তারই হবে ওয়ালা স্বত্ব (অথবা বলেছেন) যে আযাদ করার নিয়ামতের অভিভাবক হবে তারই হবে ওয়ালা স্বত্ব।

সহীহ, সহীহ আবূ দাউদ ২৫৮৯, বুখারী ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২১২৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]

এ বিষয়ে ইবনু উমার ও আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। এ হাদিসটি হাসান সহীহ। আলিমগনের এতদনুসারে আমল রয়েছে।



হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

Aishah narrated that she wanted to buy Barrirah but (her owners) stipulated that they should have her Wala', so the Prophet (s.a.w) said:
"The Wala' is for the one who gives the price, or for the one who grants the favor."

[Abu 'Eisa said:] There are narrations on this topic from Ibn 'Umar and Abu Hurairah. This Hadith is Hasan Sahih, and this is acted upon according to the people of knowledge.

باب ما جاء أن الولاء لمن أعتق

حَدَّثَنَا بُنْدَارٌ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَهْدِيٍّ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنِ الأَسْوَدِ، عَنْ عَائِشَةَ، أَنَّهَا أَرَادَتْ أَنْ تَشْتَرِيَ، بَرِيرَةَ فَاشْتَرَطُوا الْوَلاَءَ فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ الْوَلاَءُ لِمَنْ أَعْطَى الثَّمَنَ أَوْ لِمَنْ وَلِيَ النِّعْمَةَ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى وَفِي الْبَابِ عَنِ ابْنِ عُمَرَ وَأَبِي هُرَيْرَةَ ‏.‏ وَهَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏ وَالْعَمَلُ عَلَى هَذَا عِنْدَ أَهْلِ الْعِلْمِ ‏.‏

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সূনান তিরমিজী (ইফাঃ)
অধ্যায়ঃ ৩৪/ ওয়ালা এবং হেবা (كتاب الولاء والهبة عن رسول الله ﷺ)
হাদিস নম্বরঃ ২১২৯ | 2129 | ۲۱۲۹

পরিচ্ছদঃ ওয়ালা স্বত্ব বিক্রি করা বা হেবা করা নিষেধ।

২১২৯. ইবন আবূ উমার (রহঃ) ....... আবদুল্লাহ ইবন উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ওয়ালা স্বত্ব বিক্রি করা ও হেবা করা নিষেধ করেছেন। সহীহ, ইবনু মাজাহ ২৭৪৭, ২৭৪৮, বুখারী, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২১২৬ [আল মাদানী প্রকাশনী]

এ হাদীসটি হাসান-সহীহ। আবদুল্লাহ ইবন দীনার-ইবন উমার-নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ সনদ ছাড়া এটি সম্পর্কে আমরা অবহিত নই। শু‘বা, সুফইয়ান ছাওরী এবং মালিক ইবন আনাস (রহঃ)-ও এটিকে আবদুল্লাহ ইবন দীনার (রহঃ)-এর বরাতে রিওয়ায়াত করেছেন। শু‘বা (রহঃ) থেকে বর্ণিত আছে যে, তিনি বলেনঃ আবদুল্লাহ ইবন দীনার (রহঃ) যখন হাদীসটি রিওয়য়াত করেছিলেন তখন আমার মন চাইছিলো তিনি যদি অনুমতি দিতেন তবে তার কাছে উঠে গিয়ে তাঁর মাথায় চুমু খেতাম। ইয়াহইয়া ইবন সালিম এ হাদীসটি উবায়দুল্লাহ ইবন উমার-নাফি-ইবন উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু-নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সনদে বর্ণনা করেছেন। কিন্তু এতে বিভ্রন্তি রয়েছে। ইয়াহইয়া ইবন সালিম এতে বিভ্রান্তি ঘটিয়েছেন। সহীহ সনদ হল উবায়দুল্লাহ ইবন উমার-আবদুল্লাহ ইবন দীনার-ইবন উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। একাধিক রাবী উবায়দুল্লাহ ইবন উমার (রহঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন। আবদুল্লাহ ইবন দীনার এ হাদীসটির রিওয়ায়াত ক্ষেত্রে একা ছিলেন।



হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

'Abdullah bin 'Umar narrated that :

the Messenger of Allah (ﷺ) prohibited selling the Wala' and [from] conferring it.

[Abu 'Eisa said:] This Hadith is Hasan Sahih. We do not know of it except as a narration of 'Abdullah bin Dinar from Ibn 'Umar from the Prophet (ﷺ). Shu'bah, Sufyan Ath-Thawri, and Malik bin Anas (also) reported it from 'Abdullah bin Dinar. It has been related that Shu'bah said: "I so wished that 'Abdullah bin Dinar would permit me when he narrated this Hadith that I stand-up, so that I kiss his head." And Yahya bin Sulaim reported this Hadith from 'Ubaidullah bin 'Umar from Nafi', from Ibn 'Umar from the Prophet (ﷺ). But this is mistaken, Yahya bin Sulaim erred in it, what is correct is: "From 'Ubaidullah bin 'Umar, from 'Abdullah bin Dinar, from Ibn 'Umar from the Prophet (ﷺ). This is how it is reported by more than one narrator from 'Ubaidullah bin 'Umar.

[Abu 'Eisa said:] And 'Abdullah bin Dinar is alone with this Hadith.

باب ما جاء في النهي عن بيع الولاء وعن هبته

حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي عُمَرَ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ دِينَارٍ، سَمِعَ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم نَهَى عَنْ بَيْعِ الْوَلاَءِ وَعَنْ هِبَتِهِ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ لاَ نَعْرِفُهُ إِلاَّ مِنْ حَدِيثِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ دِينَارٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّهُ نَهَى عَنْ بَيْعِ الْوَلاَءِ وَعَنْ هِبَتِهِ وَقَدْ رَوَاهُ شُعْبَةُ وَسُفْيَانُ الثَّوْرِيُّ وَمَالِكُ بْنُ أَنَسٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ دِينَارٍ ‏.‏ وَيُرْوَى عَنْ شُعْبَةَ قَالَ لَوَدِدْتُ أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ دِينَارٍ حِينَ حَدَّثَ بِهَذَا الْحَدِيثِ أَذِنَ لِي حَتَّى كُنْتُ أَقُومُ إِلَيْهِ فَأُقَبِّلُ رَأْسَهُ ‏.‏ وَرَوَى يَحْيَى بْنُ سُلَيْمٍ هَذَا الْحَدِيثَ عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَهُوَ وَهَمٌ وَهِمَ فِيهِ يَحْيَى بْنُ سُلَيْمٍ وَالصَّحِيحُ عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ دِينَارٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ‏.‏ هَكَذَا رَوَاهُ غَيْرُ وَاحِدٍ عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى وَتَفَرَّدَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ دِينَارٍ بِهَذَا الْحَدِيثِ ‏.‏

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সূনান তিরমিজী (ইফাঃ)
অধ্যায়ঃ ৩৪/ ওয়ালা এবং হেবা (كتاب الولاء والهبة عن رسول الله ﷺ)
হাদিস নম্বরঃ ২১৩০ | 2130 | ۲۱۳۰

পরিচ্ছদঃ প্রকৃত আযাদকারী ছাড়া অন্য কারো প্রতি ওয়ালার সম্পর্ক প্রদর্শন করা বা পিতা ছাড়া অন্য কারো প্রতি পিতৃত্বের দাবী করা।

২১৩০. হান্নাদ (রহঃ) ...... ইবরাহীম তায়মী তার পিতা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু আমাদের ভাষণ দিয়েছিলেন। তিনি বলেনঃ আল্লাহর কিতাব এবং উটের বয়স বিবরণী ও জখম সম্পর্কিত বিভিন্ন আহকাম সম্বলিত এই পুস্তিকাটি ছাড়া আরো কিছু আমার কাছে আছে যা আমি পাঠ করি এমন কথা যদি কেউ বলে তবে সে অবশ্যই মিথ্যা বলছে।

তিনি আরো বলেনঃ এতে (পুস্তিকাটিতে) আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আয়র ও ছায়রের মধ্যবর্তী স্থানটুকু মদীনার হারাম হিসাবে গণ্য। এখানে যে ব্যক্তি কোন বিদায়াত কর্ম সংঘটিত করবে বা কোন বিদআতীকে আশ্রয় দিবে তার উপর আল্লাহ, ফিরিশতা ও সকল মানুষের লা‘নত। আল্লাহ তা‘আলা কিয়ামতের দিন তার ফরয ও নফল কোন ইবাদতই কবুল করবেন না। কেউ যদি পিতা ছাড়া অন্য কারো দিকে কারো প্রতি পিতৃত্বের দাবী করে বা স্বীয় মাওলা ছাড়া অন্য কারো প্রতি ওয়ালার সম্পর্ক আরোপ করে তার উপর আল্লাহ, ফিরিশতা ও সকল মানুষের লা‘নত। তার ফরয বা নফল কোন ইবাদতই কবুল করা হবে না। মুসলিমদের যিম্মা প্রদান এক বরাবর। সবচেয়ে নিকৃষ্ট জনের প্রদত্ত যিম্মা রক্ষায়ও প্রয়াস চালানো হবে।  সহীহ, ইরওয়া ১০৫৮, নকদুল কাত্তানী ৪২, সহীহ আবু দাউদ ১৭৭৩-১৭৭৪, বুখারি, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২১২৭ [আল মাদানী প্রকাশনী]

এ হাদীসটি হাসান-সহীহ। কতক রাবী এটিকে আ‘মাশ-ইবরাহীম তায়মী-হারিছ ইবন সুয়ায়াদ- আলী রাদিয়াল্লাহু আনহ থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। আলী রাদিয়াল্লাহু আনহ থেকে একাধিক সূত্রে হাদীসটি বর্ণিত আছে।



হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

Ibrahim At-Taimi narrated from his father:

"'Ali delivered a Khutbah for us in which he said: 'Whoever claims that we have some book to read other than Allah's Book and this paper, which include camel's ages and things related to (relatiation for) wounds, then he has lied." And he said in it: "Al-Madinah is sacred, what is between 'Air to Thawr, so whoever introduces in it any innovation or shelters an innovator then upon him is the curse of Allah, the angels, and all people. On the Day of Judgment, Allah will not accept his compulsory nor optional good deeds. And whoever claims someone else to be his father, or claims Wala' for someone other than his Mawali, then upon him is the curse of Allah, the angels, and the people; his compulsory and optional good deeds shall not be accepted. The covenants of the Muslims are one, it covers the rest of them.

[Abu 'Eisa said:] This Hadith is Hasan Sahih. Some of them reported it similarly from Al-A'mash, from Ibrahim At-Taimi, from Al-Harith bin Suwaid from 'Ali.

[Abu 'Eisa said:] It has been reported through more than one route from 'Ali [from the Prophet (ﷺ)].

باب ما جاء فيمن تولى غير مواليه أو ادعى إلى غير أبيه

حَدَّثَنَا هَنَّادٌ، حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ التَّيْمِيِّ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ خَطَبَنَا عَلِيٌّ فَقَالَ مَنْ زَعَمَ أَنَّ عِنْدَنَا شَيْئًا نَقْرَؤُهُ إِلاَّ كِتَابَ اللَّهِ وَهَذِهِ الصَّحِيفَةَ صَحِيفَةٌ فِيهَا أَسْنَانُ الإِبِلِ وَأَشْيَاءُ مِنَ الْجِرَاحَاتِ فَقَدْ كَذَبَ وَقَالَ فِيهَا قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ الْمَدِينَةُ حَرَامٌ مَا بَيْنَ عَيْرٍ إِلَى ثَوْرٍ فَمَنْ أَحْدَثَ فِيهَا حَدَثًا أَوْ آوَى مُحْدِثًا فَعَلَيْهِ لَعْنَةُ اللَّهِ وَالْمَلاَئِكَةِ وَالنَّاسِ أَجْمَعِينَ لاَ يَقْبَلُ اللَّهُ مِنْهُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ صَرْفًا وَلاَ عَدْلاً وَمَنِ ادَّعَى إِلَى غَيْرِ أَبِيهِ أَوْ تَوَلَّى غَيْرَ مَوَالِيهِ فَعَلَيْهِ لَعْنَةُ اللَّهِ وَالْمَلاَئِكَةِ وَالنَّاسِ أَجْمَعِينَ لاَ يُقْبَلُ مِنْهُ صَرْفٌ وَلاَ عَدْلٌ وَذِمَّةُ الْمُسْلِمِينَ وَاحِدَةٌ يَسْعَى بِهَا أَدْنَاهُمْ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ وَقَدْ رُوِيَ مِنْ غَيْرِ وَجْهٍ عَنْ عَلِيٍّ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى وَرَوَى بَعْضُهُمْ عَنِ الأَعْمَشِ عَنْ إِبْرَاهِيمَ التَّيْمِيِّ عَنِ الْحَارِثِ بْنِ سُوَيْدٍ عَنْ عَلِيٍّ نَحْوَهُ ‏.‏
قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ وَقَدْ رُوِيَ مِنْ غَيْرِ وَجْهٍ عَنْ عَلِيٍّ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সূনান তিরমিজী (ইফাঃ)
অধ্যায়ঃ ৩৪/ ওয়ালা এবং হেবা (كتاب الولاء والهبة عن رسول الله ﷺ)
হাদিস নম্বরঃ ২১৩১ | 2131 | ۲۱۳۱

পরিচ্ছদঃ কেউ যদি স্বীয় সন্তানকে অস্বীকার করে।

২১৩১. আবদুল জাব্বার ইবনুল আলা আত্তার এবং সাঈদ ইবন আবদুর রহমান মাখযূমী (রহঃ) ... আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ ফাযারা গোত্রের জনৈক ব্যক্তি নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এসে বললঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ, আমার স্ত্রী একটি কাল বাচ্চা জন্ম দিয়েছে। নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তোমার কি উট আছে? সে বললঃ হ্যাঁ, তিনি বললেনঃ এগুলোর রং কি? সে বললঃ লাল। তিনি বললেনঃ এগুলোর মাঝে কোনটি মেটে কাল মিশ্রিত রঙ্গের আছে কি? সে বললঃ হ্যাঁ, এতে মেটে কাল রঙ্গের তো আছে। তিনি বললেনঃ কোত্থেকে তা এলো? সে বললঃ রগের টানে হয়তো এসেছে। তিনি বললেনঃ তোমার ছেলেটিরও হয়ত রগের টানে এ রঙ্গ এসেছে।  সহীহ, ইবনু মাজাহ ২১০২, বুখারি, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২১২৮ [আল মাদানী প্রকাশনী]

(আবু ঈসা বলেন) এ হাদীসটি হাসান-সহীহ।



হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

Abu Hurairah narrated :

"that a man from [Banu] Fazarah came to the Prophet (ﷺ) and said: 'O Messenger of Allah (ﷺ)! My wife gave birth to black boy." So the Prophet (s.a.w) said: "[Do you have any camels?]" He said: 'Yes." He said: "Then what are their colors?" He said: "Red." He said: "Is there a gray one among them?" He said: "Yes, there is a grey one among them." He said: "From where does that come?" He said: "Perhaps it is hereditary." He said: "Then in the same way, perhaps it is his heredity."

[Abu 'Eisa said:] This Hadith is Hasan Sahih.

باب ما جاء في الرجل ينتفي من ولده

حَدَّثَنَا عَبْدُ الْجَبَّارِ بْنُ الْعَلاَءِ بْنِ عَبْدِ الْجَبَّارِ الْعَطَّارُ، وَسَعِيدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْمَخْزُومِيُّ، قَالاَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ جَاءَ رَجُلٌ مِنْ بَنِي فَزَارَةَ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّ امْرَأَتِي وَلَدَتْ غُلاَمًا أَسْوَدَ ‏.‏ فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ هَلْ لَكَ مِنْ إِبِلٍ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ نَعَمْ ‏.‏ قَالَ ‏"‏ فَمَا أَلْوَانُهَا ‏"‏ ‏.‏ قَالَ حُمْرٌ ‏.‏ قَالَ ‏"‏ فَهَلْ فِيهَا أَوْرَقُ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ نَعَمْ إِنَّ فِيهَا لَوُرْقًا ‏.‏ قَالَ ‏"‏ أَنَّى أَتَاهَا ذَلِكَ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ لَعَلَّ عِرْقًا نَزَعَهَا ‏.‏ قَالَ ‏"‏ فَهَذَا لَعَلَّ عِرْقًا نَزَعَهُ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সূনান তিরমিজী (ইফাঃ)
অধ্যায়ঃ ৩৪/ ওয়ালা এবং হেবা (كتاب الولاء والهبة عن رسول الله ﷺ)
হাদিস নম্বরঃ ২১৩২ | 2132 | ۲۱۳۲

পরিচ্ছদঃ লক্ষন দেখে কিছু বলা।

২১৩২. কুতায়বা (রহঃ) ... আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত যে, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একদিন তাঁর কাছে অত্যন্ত খুশী হয়ে এলেন। আনন্দে তার চেহারার রেখাগুলো জ্বল জ্বল করছিল। বললেনঃ মুজায্‌যিয এই মাত্র যায়দ ইবন হারিছা এবং উসামা ইবন যায়দ-এর দিকে তাকিয়ে বলছে, এ পা গুলো একটি থেকে আরেকটি উদগত হয়েছে।  সহীহ, ইবনু মাজাহ ২৩৪৯, বুখারি, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২১২৯ [আল মাদানী প্রকাশনী]

এ হাদীসটি হাসান-সহীহ।

সুফইয়ান ইবন উয়ায়না এই হাদীসটিকে যুহরী-উরওয়া-আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা সূত্রে বর্ণনা করেছেন। এতে আরো আছে যে, তুমি লক্ষ্য করনি, মুজায্‌যিয যায়দ ইবন হারিছা এবং উসামা ইবন যায়দ-এর পাশ দিয়ে যাচ্ছিল। তাদের উভয়ের মাথা ঢাকা ছিল আর পা গুলি খোলা ছিল। সে বললঃ এ পা গুলি অবশ্যই একটি আরেকটি থেকে এসেছে।

সাঈদ ইবন আবদুর রহমান এবং আরো একাধিক রাবী সুফইয়ান ইবন ’উয়ায়না-যুহরী (রহঃ)-এর বরাতে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। লক্ষণ দেখে কোন বিষয় প্রমাণের স্বপেক্ষে কতক আলিম এ হাদীসটিকে দলীল হিসাবে পেশ করেন।



হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

Aishah narrated that the Prophet (ﷺ) visited her in a very happy mood, his face beaming with joy and said:
"Don't you see that the Mujazziz looked just now at Zaid bin Harithah and Usamah bin Zaid, and said: 'These feet belong to each other.'"

[Abu 'Eisa said:] This Hadith is Hasan Sahih.

Sufyan bin 'Uyainah reported this Hadith from Az-Zuhri, from 'Urwah, from 'Aishah and he added in it:
"Dont you see that the Mujazziz passed by Zaid bin Harithah and Usamah bin Zaid while their heads were covered, and their feet were exposed, and he said: 'These feet belong to each other.'" This is how Sa'eed bin Abdur-Rahman - and more than one narrator - narrated this Hadith from Sufyan bin 'Uyanah, from Az-Zuhri, from 'Urwah, from A'ishah. And this Hadith is Hasan Sahih. Some of the people of knowledge used this Hadith to support the case of Qa'if.

باب ما جاء في القافة

حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، حَدَّثَنَا اللَّيْثُ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم دَخَلَ عَلَيْهَا مَسْرُورًا تَبْرُقُ أَسَارِيرُ وَجْهِهِ فَقَالَ ‏ "‏ أَلَمْ تَرَىْ أَنَّ مُجَزِّزًا نَظَرَ آنِفًا إِلَى زَيْدِ بْنِ حَارِثَةَ وَأُسَامَةَ بْنِ زَيْدٍ فَقَالَ هَذِهِ الأَقْدَامُ بَعْضُهَا مِنْ بَعْضٍ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏
وَقَدْ رَوَى ابْنُ عُيَيْنَةَ، هَذَا الْحَدِيثَ عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، وَزَادَ، فِيهِ ‏ "‏ أَلَمْ تَرَىْ أَنَّ مُجَزِّزًا مَرَّ عَلَى زَيْدِ بْنِ حَارِثَةَ وَأُسَامَةَ بْنِ زَيْدٍ قَدْ غَطَّيَا رُءُوسَهُمَا وَبَدَتْ أَقْدَامُهُمَا فَقَالَ إِنَّ هَذِهِ الأَقْدَامَ بَعْضُهَا مِنْ بَعْضٍ ‏"‏ ‏.‏ وَهَكَذَا حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ وَغَيْرُ وَاحِدٍ عَنْ سُفْيَانَ بْنِ عُيَيْنَةَ هَذَا الْحَدِيثَ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ عُرْوَةَ عَنْ عَائِشَةَ ‏.‏ وَهَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏ وَقَدِ احْتَجَّ بَعْضُ أَهْلِ الْعِلْمِ بِهَذَا الْحَدِيثِ فِي إِقَامَةِ أَمْرِ الْقَافَةِ ‏.‏

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সূনান তিরমিজী (ইফাঃ)
অধ্যায়ঃ ৩৪/ ওয়ালা এবং হেবা (كتاب الولاء والهبة عن رسول الله ﷺ)
হাদিস নম্বরঃ ২১৩৩ | 2133 | ۲۱۳۳

পরিচ্ছদঃ নবী (ﷺ) কর্তৃক হাদিয়্যা দানে উৎসাহ প্রদান।

২১৩৩. আযহার ইবন মারওয়ান বাসরী (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা পরস্পর হাদিয়া দিবে। কেননা, হাদিয়া অন্তরের ময়লা বিদূরিত করে। বকরীর খুরের একটি টুকরা হলেও সেটিকে কোন প্রতিবেশীনী তার অপর প্রতিবেশীনীর জন্য হাদিয়্যা প্রদানে হেয় মনে করবে না। যইফ, মিশকাত ৩০২৮, হাদিসের ২য় অংশ সহিহ, বুখারি, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২১৩০ [আল মাদানী প্রকাশনী]

এই সূত্রে হাদিসটি গারীব। আবূ মা‘শারের নাম হল নাজীহ (রহঃ)  ইনি বানূ হাশিমের আযাদকৃত দাস ছিলেন। তার স্মরণ শক্তির ব্যাপারে কতক হাদীস বিশেষজ্ঞ তার সমালোচনা করেছেন।



হাদিসের মানঃ  সহিহ/যঈফ [মিশ্রিত]
পুনঃনিরীক্ষণঃ

Abu Hurairah narrated that the Prophet (s.a.w) said:
"Give gifts, for indeed the gift removes bad feelings from the chest. And let the neighbor not look down upon (the gift of) her neighbor, even if it be the lower shanks of sheep."

[Abu 'Eisa said:] This Hadith is Gharib from this route. Abu Ma'shar's name is Najih, the freed slave of Banu Hisham. Some of the people of knowledge criticized him due to his poor memory.

باب في حث النبي صلى الله عليه وسلم على التهادي

حَدَّثَنَا أَزْهَرُ بْنُ مَرْوَانَ الْبَصْرِيُّ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سَوَاءٍ، حَدَّثَنَا أَبُو مَعْشَرٍ، عَنْ سَعِيدٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ تَهَادَوْا فَإِنَّ الْهَدِيَّةَ تُذْهِبُ وَحَرَ الصَّدْرِ وَلاَ تَحْقِرَنَّ جَارَةٌ لِجَارَتِهَا وَلَوْ شِقَّ فِرْسِنِ شَاةٍ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ غَرِيبٌ مِنْ هَذَا الْوَجْهِ ‏.‏ وَأَبُو مَعْشَرٍ اسْمُهُ نَجِيحٌ مَوْلَى بَنِي هَاشِمٍ وَقَدْ تَكَلَّمَ فِيهِ بَعْضُ أَهْلِ الْعِلْمِ مِنْ قِبَلِ حِفْظِهِ ‏.‏

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সূনান তিরমিজী (ইফাঃ)
অধ্যায়ঃ ৩৪/ ওয়ালা এবং হেবা (كتاب الولاء والهبة عن رسول الله ﷺ)
হাদিস নম্বরঃ ২১৩৪ | 2134 | ۲۱۳٤

পরিচ্ছদঃ হেবা করে তা প্রত্যাহার করা মাকরূহ।

২১৩৪. আহমাদ ইবন মানী‘ (রহঃ) ...... ইবন উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি কিছু দিয়ে তা প্রত্যাহার করে তার উদাহরণ হল কুকুরের মত; সে খায়, যখন পেট ভরে যায় তখন বমি করে, পরে আবার ফিরে আসে এবং পুনরায় নিজের বমিই খায়।  সহীহ, ইরওয়া ৬/৩৬৯, বুখারি, মুসলিম সংক্ষিপ্ত ভাবে, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২১৩১ [আল মাদানী প্রকাশনী]

এ বিষয়ে ইবন আব্বাস ও আবদুল্লাহ ইবন আমর রাদিয়াল্লাহু আনহুমা থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে।



হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

Ibn 'Umar narrated that the Messenger of Allah (S.A.W)said:
"The parable of the one who gives a gift, and then takes it back, is that of a dog who eats until he is full, and vomits, then he returns to [take back] his vomit."

[Abu 'Eisa said:] There are narrations on this topic from Ibn 'Abbas and 'Abdullah bin 'Amr.

باب ما جاء في كراهية الرجوع في الهبة

حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مَنِيعٍ، حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ يُوسُفَ الأَزْرَقُ، حَدَّثَنَا حُسَيْنٌ الْمُكْتِبُ، عَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ، عَنْ طَاوُسٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ مَثَلُ الَّذِي يُعْطِي الْعَطِيَّةَ ثُمَّ يَرْجِعُ فِيهَا كَالْكَلْبِ أَكَلَ حَتَّى إِذَا شَبِعَ قَاءَ ثُمَّ عَادَ فَرَجَعَ فِي قَيْئِهِ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى وَفِي الْبَابِ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ وَعَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو ‏.‏

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সূনান তিরমিজী (ইফাঃ)
অধ্যায়ঃ ৩৪/ ওয়ালা এবং হেবা (كتاب الولاء والهبة عن رسول الله ﷺ)
হাদিস নম্বরঃ ২১৩৫ | 2135 | ۲۱۳۵

পরিচ্ছদঃ হেবা করে তা প্রত্যাহার করা মাকরূহ।

২১৩৫. মুহাম্মদ ইবন বাশশার (রহঃ) ........ ইবন উমার ও ইবন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে মারফুরূপে বর্ণিত আছে যে, পিতা যতি তার সন্তানকে কিছু দেয় সে ক্ষেত্র ছাড়া যদি কোন কিছু দান করে তার পরে আবার প্রত্যাহার করে সেটা তার জন্য হালাল নয়। যে ব্যক্তি কাউকে কিছু দিয়ে তা আবার ফিরিয়ে নেয় সে হল কুকুরের মত; সে খায়, যখন পেট ভরে যায় তখন বমি করে, পরে আবার ফিরে আসে এবং পুনরায় নিজের বমিই খায়। সহীহ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২১৩২ [আল মাদানী প্রকাশনী]

এ হাদীসটি হাসান-সহীহ।

ইমাম শাফিঈ (রহঃ) বলেনঃ কাউকে কিছু দিয়ে তা প্রত্যাহার করা কারো জন্য হালাল নয়। তবে পিতা তার সন্তানকে কিছু দিলে তা তিনি প্রত্যাহার করতে পারেন। এ হাদীসটিকে শাফিঈ (রহঃ) প্রমাণ হিসাবে পেশ করেন।



হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

Ibn 'Umar and Ibn 'Abbas narrated the Marfu Hadith:
"It is not lawful for a man to give a gift and then take it back, except in the case of the father with what he gave to his son. And the parable of the one who gives a gift, and then takes it back, is that of a dog who eats until he is full, and vomits, then he returns to his vomit."

[Abu 'Eisa said:] This Hadith is Hasan Sahih. Ash-Shafi'i said: "It is not lawful for one who confers something to take it back, except in the case of the father. He may take back what he gave his son" and he used this Hadith as proof.

باب ما جاء في كراهية الرجوع في الهبة

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي عَدِيٍّ، عَنْ حُسَيْنٍ الْمُعَلِّمِ، عَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ، حَدَّثَنِي طَاوُسٌ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، وَابْنِ، عَبَّاسٍ يَرْفَعَانِ الْحَدِيثَ قَالَ ‏ "‏ لاَ يَحِلُّ لِلرَّجُلِ أَنْ يُعْطِيَ عَطِيَّةً ثُمَّ يَرْجِعَ فِيهَا إِلاَّ الْوَالِدَ فِيمَا يُعْطِي وَلَدَهُ وَمَثَلُ الَّذِي يُعْطِي الْعَطِيَّةَ ثُمَّ يَرْجِعُ فِيهَا كَمَثَلِ الْكَلْبِ أَكَلَ حَتَّى إِذَا شَبِعَ قَاءَ ثُمَّ عَادَ فِي قَيْئِهِ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏ قَالَ الشَّافِعِيُّ لاَ يَحِلُّ لِمَنْ وَهَبَ هِبَةً أَنْ يَرْجِعَ فِيهَا إِلاَّ الْوَالِدَ فَلَهُ أَنْ يَرْجِعَ فِيمَا أَعْطَى وَلَدَهُ ‏.‏ وَاحْتَجَّ بِهَذَا الْحَدِيثِ ‏.

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

হাদিস দেখানো হচ্ছে   [1]  থেকে  [8]  পর্যন্ত এবং সর্বমোট   [8]  টি হাদিস পাওয়া গেছে।