• ৭১৯৬১ টি সর্বমোট হাদিস আছেঃ
  • ৮২৭৫ টি প্রশ্নোত্তর ও ফিকাহঃ

 

 

 

 


হাদীস (حَدِيْث) এর শাব্দিক অর্থ: নতুন, প্রাচীন ও পুরাতন এর বিপরীত বিষয়। এ অর্থে যে সব কথা, কাজ ও বস্ত্ত পূর্বে ছিল না, এখন অস্তিত্ব লাভ করেছে  তাই হাদীস। এর আরেক অর্থ হলো: কথা। ফক্বীহগণের পরিভাষায় নাবী কারীম () আল্লাহ্‌র রাসূল হিসেবে যা কিছু বলেছেন, যা কিছু করেছেন এবং যা কিছু বলার বা করার অনুমতি দিয়েছেন অথবা সমর্থন জানিয়েছেন তাকে হাদীস বলা হয়। কিন্তু মুহাদ্দিসগণ এর সঙ্গে রাসুলুল্লাহ () সম্পর্কিত বর্ণনা ও তার গুণাবলী সম্পর্কিত বিবরণকেও হাদীসের অন্তর্ভুক্ত করেন। এ হিসেবে হাদীসকে প্রাথমিক পর্যায়ে তিন শ্রেণীতে ভাগ করা যায়:

১। ক্বওলী হাদীস: কোন বিষয়ে রাসুলুল্লাহ () যা বলেছেন, অর্থাৎ যে হাদীসে তাঁর কোন কথা বিবৃত হয়েছে তাকে ক্বওলী (বাণী সম্পর্কিত) হাদীস বলা হয়।

২। ফেলী হাদীস: মহানাবী ()-এর কাজকর্ম, চরিত্র ও আচার-আচরণের ভেতর দিয়েই ইসলামের যাবতীয় বিধি-বিধান ও রীতিনীতি পরিস্ফুট হয়েছে। অতএব যে হাদীসে তাঁর কোন কাজের বিবরণ উল্লেখিত হয়েছে তাকে ফে’লী (কর্ম সম্পর্কিত) হাদীস বলা হয়।

৩। তাকরীরী হাদীস: সাহাবীগণের যে সব কথা বা কাজ নাবী কারীম ()-এর অনুমোদন ও সমর্থন প্রাপ্ত হয়েছে, সে ধরনের কোন কথা বা কাজের বিবরণ হতেও শরীয়াতের দৃষ্টিভঙ্গি জানা যায়। অতএব যে হাদীসে এ ধরনের কোন ঘটনার বা কাজের উল্লেখ পাওয়া যায় তাকে তাকরীরী (সমর্থন মূলক) হাদীস বলে।

সুন্নাহ (السنة): হাদীসের অপর নাম সুন্নাহ্ (السنة) সুন্নাত শব্দের অর্থ চলার পথ, কর্মের নীতি ও পদ্ধতি। যে পন্থা ও রীতি নাবী কারীম () অবলম্বন করতেন তাকে সুন্নাত বলা হয়। অন্য কথায় রাসুলুল্লাহ () প্রচারিত উচ্চতম আদর্শই সুন্নাত। কুরআন মাজিদে মহত্তম ও সুন্দরতম আদর্শ (أُسْوَةٌ حَسَنَةٌ) বলতে এই সুন্নাতকেই বুঝানো হয়েছে।

খবর (خبر): হাদীসকে আরবী ভাষায় খবরও (خبر) বলা হয়। তবে খবর শব্দটি হাদীস ও ইতিহাস উভয়টিকেই বুঝায়।

আসার (أثر ): আসার শব্দটিও কখনও কখনও রাসুলুল্লাহ () এর হাদীসকে নির্দেশ করে। কিন্তু অনেকেই হাদীস ও আসার এর মধ্যে কিছু পার্থক্য করে থাকেন। তাঁদের মতে- সাহাবীগণ থেকে শরীয়াত সম্পর্কে যা কিছু উদ্ধৃত হয়েছে তাকে আসার বলে।

 

ইলমে হাদীসের কতিপয় পরিভাষা

সাহাবী (صحابى):  যিনি ঈমানের সঙ্গে রাসুলুল্লাহ () এর সাহচর্য লাভ করেছেন এবং ঈমানের সঙ্গে মৃত্যুবরণ করেছেন তাঁকে রাসুলুল্লাহ ()-এর সাহাবী বলা হয়।

তাবেঈ (تابعى) : যিনি রাসুলুল্লাহ ()-এর কোন সাহাবীর নিকট হাদীস শিক্ষা করেছেন অথবা অন্ততপক্ষে তাঁকে দেখেছেন এবং মুসলমান হিসেবে মৃত্যুবরণ করেছেন তাঁকে তাবেঈ বলা হয়।

তাবে-তাবেঈ (تابعى تابع) : যিনি  কোন তাবেঈ এর নিকট হাদীস শিক্ষা করেছেন অথবা অন্ততপক্ষে তাঁকে দেখেছেন এবং মুসলমান হিসেবে মৃত্যুবরণ করেছেন তাঁকে তাবে-তাবেঈ বলা হয়।

মুহাদ্দিস (محدث) : যিনি হাদীস চর্চা করেন এবং বহু সংখ্যক হাদীসের সনদ ও মতন সম্পর্কে বিশেষ জ্ঞান রাখেন তাঁকে মুহাদ্দিস বলা হয়।

শাইখ (شيخ) : হাদীসের শিক্ষাদাতা রাবীকে শায়খ বলা হয়।

শাইখান (شيخان) : সাহাবীগনের মধ্যে আবূ বকর (রাঃ) ও উমর  (রাঃ)- কে একত্রে শাইখান বলা হয়। কিন্তু হাদীস শাস্ত্রে ইমাম বুখারী (রাহি.) ও ইমাম মুসলিম (রাহি.)-কে এবং ফিক্বহ-এর পরিভাষায় ইমাম আবূ হানীফা (রাহি.) ও আবূ ইউসুফ (রাহি.)-কে একত্রে শাইখান বলা হয়। 

হাফিয (حافظ) : যিনি সনদ ও মতনের বৃত্তান্ত সহ এক লাখ হাদীস আয়ত্ত করেছেন তাঁকে হাফিয বলা হয়।

হুজ্জাত (حجة) : অনুরূপভাবে যিনি তিন লক্ষ হাদীস আয়ত্ত করেছেন তাঁকে হুজ্জাত বলা হয়।  

হাকিম (حاكم) : যিনি সব হাদীস আয়ত্ত করেছেন তাকে হাকিম বলা হয়।

রিজাল (رجال) : হাদীসের রাবী সমষ্টিকে রিজাল বলে। যে শাস্ত্রে রাবীগণের জীবনী বর্ণনা করা হয়েছে তাকে আসমাউর-রিজাল বলা হয়।                                                                                 

রিওয়ায়াত (رواية): হাদীস বর্ণনা করাকে রিওয়ায়াত বলে। কখনও কখনও মূল হাদীসকেও রিওয়ায়াত বলা হয়। যেমন- এই কথার সমর্থনে একটি রিওয়ায়াত (হাদীস) আছে।                           

সনদ (سند): হাদীসের মূল কথাটুকু যে সূত্র পরম্পরায় গ্রন্থ সংকলনকারী পর্যন্ত পৌঁছেছে তাকে সনদ বলা হয়। এতে হাদীস বর্ণনাকারীদের নাম একের পর এক সজ্জিত থাকে।

মতন (متن): হাদীসে মূল কথা ও তার শব্দ সমষ্টিকে মতন বলে।

মারফূ (مرفوع): যে হাদীসের সনদ (বর্ণনা পরম্পরা) রাসুলুল্লাহ () পর্যন্ত পৌঁছেছে  তাকে মারফূ হাদীস বলে।

মাওকূফ (موقوف) : যে হাদীসের বর্ণনা- সূত্র ঊর্ধ্ব দিকে সাহাবী পর্যন্ত পৌঁছেছে , অর্থাৎ যে সনদ -সূত্রে কোন সাহাবীর কথা বা কাজ বা অনুমোদন বর্ণিত হয়েছে তাকে মাওকূফ হাদীস বলে। এর অপর নাম আসার।

মাকতূ (مقطوع): যে হাদীসের সনদ কোন তাবেঈ পর্যন্ত পৌঁছেছে, তাকে মাকতূ হাদীস বলা হয়।

তালীক (تعليق): কোন কোন গ্রন্থকার হাদীসের পূর্ণ সনদ বাদ দিয়ে কেবল মূল হাদীস বর্ণনা করেছেন। এরূপ করাকে তা’লীক বলা হয়।

মুদাল্লাস (مدلس): যে হাদীসের রাবী নিজের প্রকৃত শাইখের (উস্তাদের) নাম উল্লেখ না করে তার উপরস্থ শাইখের নামে এভাবে হাদীস বর্ণনা করেছেন যাতে মনে হয় যে, তিনি নিজেই উপরস্থ শাইখের নিকট তা শুনেছেন অথচ তিনি তাঁর নিকট সেই হাদীস শুনেন নি- সে হাদীসকে মুদাল্লাস হাদীস এবং এইরূপ করাকে ‘তাদ্লীস’ আর যিনি এইরূপ করেন তাকে মুদালস্নীস বলা হয়।

মুযতারাব (مضطرب): যে হাদীসের রাবী হাদীসের মতন ও সনদকে বিভিন্ন প্রকারে বর্ণনা করেছেন সে হাদীসকে হাদীসে মুযতারাব বলা হয়। যে পর্যন্ত না এর কোনরূপ সমন্বয় সাধন সম্ভবপর হয়, সে পর্যন্ত এই হাদীসের ব্যাপারে অপেক্ষা করতে হবে অর্থাৎ এই ধরনের রিওয়ায়াত প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না।

মুদ্রাজ (مدرج): যে হাদীসের মধ্যে রাবী নিজের অথবা অপরের উক্তিকে অনুপ্রবেশ করিয়েছেন, সে হাদীসকে মুদ্রাজ এবং এইরূপ করাকে ‘ইদরাজ’ বলা হয়।

মুত্তাসিল (متصل): যে হাদীসের সনদের ধারাবাহিকতা প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত পূর্ণরূপে রক্ষক্ষত আছে, কোন সত্মরেই কোন রাবীর নাম বাদ পড়ে নি তাকে মুত্তাসিল হাদীস বলে।

মুনকাতি (منقطع): যে হাদীসের সনদে ধারাবাহিকতা রক্ষিত হয় নি, মাঝখানে কোন এক স্তরে কোন রাবীর নাম বাদ পড়েছে, তাকে মুনকাতি হাদীস, আর এই বাদ পড়াকে ইনকিতা বলা হয়।

মুরসাল (مرسل): যে হাদীসের সনদে ইনকিতা শেষের দিকে হয়েছে, অর্থাৎ সাহাবীর নাম বাদ পড়েছে এবং তাবেঈ সরাসরি রাসুলুল্লাহ () এর উল্লেখ করে হাদীস বর্ণনা করেছেন তাকে মুরসাল হাদীস বলা হয়।

মুআল্লাক ( معلق ) : সনদের ইনকিতা প্রথম দিকে  হলে, অর্থাৎ সাহাবীর পর এক বা একাধিক রাবীর নাম বাদ পড়লে তাকে মু’আল্লাক হাদীস বলা হয়।

মুদাল (معضل): যে হাদীসে দুই বা ততোধিক রাবী ক্রমান্বয়ে সনদ থেকে বাদ পড়েছে তাকে মু‘দাল হাদীস বলে।

মুতাবি ও শাহিদ (متابع و شاهد): এক রাবীর হাদীসের অনুরূপ যদি অপর রাবীর কোন হাদীস পাওয়া যায় তবে দ্বিতীয় রাবীর হাদীসকে প্রথম রাবীর হাদীসের মুতাবি বলা হয়। যদি উভয় হাদীসের মূল রাবী অর্থাৎ সাহাবী একই ব্যক্তি না হয় তবে দ্বিতীয় ব্যক্তির হাদীসকে শাহিদ বলে। আর এইরূপ হওয়াকে শাহাদাত বলে। মুতাবা’আত ও শাহাদাত দ্বারা প্রথম হাদীসটির শক্তি বৃদ্ধি পায়।

মারূফ ও মুনকার (معروف و منكر): কোন দুর্বল রাবীর বর্ণিত হাদীস অপর কোন মাকবূল (গ্রহণযোগ্য) রাবীর বর্ণিত হাদীসের বিরোধী হলে তাকে মুনকার বলা হয় এবং মাকবূল রাবীর হাদীসকে মা‘রূফ বলা হয়।

সহীহ (صحيح) : যে মুত্তাসিল হাদীসের সনদে উল্লেখিত প্রত্যেক রাবীই পূর্ণ আদালত ও যাবত (ধারণ ক্ষমতা) গুণ সম্পন্ন এবং হাদীসটি যাবতীয় দোষত্রুটি ও শায মুক্ত তাকে সহীহ হাদীস বলে।

হাসান (حسن) : যে হাদীসের মধ্যে রাবীর যাবত (ধারণ ক্ষমতা) এর গুণ ব্যতীত সহীহ হাদীসের সমস্ত শর্তই পরিপূর্ণ রয়েছে তাকে হাসান হাদীস বলা হয়। ফক্বীহগণ সাধারণত সহীহ ও হাসান হাদীসের ভিত্তিতে শরীয়াতের বিধান নির্ধারণ  করেন।

যঈফ (ضعيف ) : যে হাদীসের রাবী কোন হাসান হাদীসের রাবীর গুণসম্পন্ন নন তাকে যঈফ হাদীস বলে।

মাওযূ ( موضوع ) : যে হাদীসের রাবী জীবনে কখনও ইচ্ছাকৃতভাবে রাসুলুল্লাহ ()-এর নামে মিথ্যা কথা রটনা করেছেন বলে প্রমাণিত হয়েছে, তার বর্ণিত হাদীসকে মাওযূ‘ হাদীস বলে।

 

রাবীর সংখ্যা বিচারে হাদীস প্রধানত দুপ্রকার। যথা: ১. মুতওয়াতির (متواتر) ও ২. আহাদ (أحاد)

১. মুতওয়াতির (متواتر): বৃহৎ সংখ্যক রাবীর বর্ণিত হাদীস, মিথ্যার ব্যাপারে যাদের উপর একাট্টা হওয়া অসম্ভব, সনদের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত এ সংখ্যা বিদ্যমান থাকলে হাদীসকে মুতওয়াতির (متواتر) বলা হয়।

২. আহাদ (أحاد): أحاد তিন প্রকার। যথা:

মাশহুর (مشهور): যে কোন স্তরে হাদীস বর্ণনা কারীর সংখ্যা যদি দুই এর অধিক হয়, কিন্তু মুতওয়াতির এর পর্যায়ে পৌঁছে না তাকে মাশহুর (مشهور) বলে।

আযীয (عزيز): যে কোন স্তরে হাদীস বর্ণনা কারীর সংখ্যা যদি দু‘জন হয় ।

গরীব (غريب): যে কোন স্তরে হাদীস বর্ণনা কারীর সংখ্যা যদি এক জন হয় ।

শায (شاذ): একাধিক নির্ভরযোগ্য রাবীর বিপরীত একজন নির্ভরযোগ্য রাবীর বর্ণনাকে শায হাদীস বলে।

 কিয়াস (قياس): অর্থ অনুমান, পরিমাপ, তুলনা ইত্যাদি। পরিভাষায়: শাখাকে মূলের সঙ্গে তুলনা করা, যার ফলে শাখা ও মূল একই হুকুমের অমত্মর্ভুক্ত হয়ে যায়।

তাক্বলীদ (تقليد): দলীল উল্লেখ ছাড়াই কোন ব্যক্তির মতামতকে গ্রহণ করা।

ইজতিহাদ (اجتهاد): উদ্দিষ্ট জ্ঞান অর্জনের প্রচেষ্টা চালানোকে ইজতিহাদ বলে।

শরীয়াত (شريعة): অর্থ: আইন, বিধান, পথ, পন্থা ইত্যাদি। পরিভাষায়: মহান আল্লাহ্‌ স্বীয় দীন হতে বান্দার জন্য যা বিধিবদ্ধ করে দিয়েছেন তাকে শরীয়াত বলে।

মাযহাব (مذهب): অর্থ- মত, পথ, মতবাদ ইত্যাদি। ফিক্বহী পরিভাষায়: ইবাদাত ও মু‘আমালাতের ক্ষেত্রে শারঈ হুকুম পালনের জন্য বান্দা যে পথ অনুসরণ করে এবং প্রত্যেক দলের জন্য একজন ইমামের উপর অথবা ইমামের ওসীয়ত কিংবা ইমামের প্রতিনিধির উপর নির্ভর করে তাকে মাযহাব বলে।

নাযর (نذر): কোন বিষয়ে উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য চিন্তা-ভাবনা করাকে নাযর বলে।

আম (عام): সীমাবদ্ধ করা ছাড়াই যা দুই বা ততোধিক বিষয়কে অন্তর্ভুক্ত করে তাকে আম বলে।

খাস (خاص): আম এর বিপরীত, যা নির্দিষ্ট বিষয়কে অন্তর্ভুক্ত করে।

ইজমা (اجماع): কোন এক যুগে আলিমদের কোন শারঈ বিষয়ের উপর এক মত পোষণ করাকে ইজমা বলে।

মুসনাদ (مسند): যার সনদগুলো পরস্পর এমনভাবে মিলিত যে, প্রত্যেকের বর্ণনা সুস্পষ্ট।

ফিক্বহ (فقه): ইজতিহাদ বা গবেষণার পদ্ধতিতে শারঈ হুকুম সম্পর্কে জানার বিধানকে ফিক্বহ বলে।

আসল বা মূল (اصل): এমন প্রথম বিষয়, যার উপর ভিত্তি করে কোন কিছু গড়ে উঠে। যেমন- দেয়ালের ভিত্তি।

ফারা বা শাখা (فرع): আসলের বিপরীত যা কোন ভিত্তির উপর গড়ে উঠে।

ওয়াজিব (واجب): যা আমল করলে সাওয়াব পাওয়া যাবে আর পরিত্যাগ করলে শাস্তি পাওয়া যাবে।

মানদূব (مندوب): যা আমল করলে সাওয়াব পাওয়া যাবে আর পরিত্যাগ করলে শাস্তি হবে না।

মাহযূর (محظور): যা পরিত্যাগ করলে সাওয়াব পাওয়া যাবে আর আমল করলে শাস্তি পাওয়া যাবে।

মাকরূহ (مكروه): যা পরিত্যাগ করলে সাওয়াব পাওয়া যাবে আর আমল করলে শাস্তি হবে না।

ফাৎওয়া (فتوى): জিজ্ঞাসিত ব্যক্তির নিকট থেকে দলীল ভিত্তিক শারঈ হুকুম সুস্পষ্ট বর্ণনা করে নেয়াকে ফাৎওয়া বলে।

নাসিখ (ناسخ): পরিবর্তিত শারঈ দলীল যা পূববর্তী শারঈ হুকুমকে রহিত করে দেয় তাকে নাসিখ বলে।

মানসূখ (منسوخ): আর যে হুকুমটি রহিত হয়ে যায় সেটাই মানসূখ।

মুতলাক্ব (مطلق): যা প্রকৃতিগত দিক থেকে জাতির সকলকে অন্তর্ভুক্ত  করে কিন্তু অনির্দিষ্টভাবে একটি অর্থকে বুঝায়।

মুকাইয়্যাদ (مقيد): যা মুতলাক্বের বিপরীত অর্থাৎ জাতির সকলকে অন্তর্ভুক্ত  করে না। বরং নির্দিষ্ট একটি অর্থকে বুঝায়।

হাক্বীকাত (حقيقة): শব্দকে আসল অর্থে ব্যবহার করাকে হাক্বীকত বলে। যেমন- সিংহ শব্দটি এক প্রজাতির হিংস্র প্রাণীকে বুঝায়।

মাজায (مجاز): শব্দ যখন আসল অর্থকে অতিক্রম করে তার সাথে সাদৃশ্য রাখে এমন অর্থ প্রকাশ করে তখন তাকে মাজায বলে। যেমন- সাহসী লোককে সিংহের সাথে তুলনা করা।

হাদিসের পরিসংখ্যান

সর্বমোট হাদিস পাওয়া গেছেঃ [140] টি | অধ্যায়ঃ ৩০/ সৎ ব্যবহার ও সম্পর্ক রক্ষা (كتاب البر والصلة عن رسول الله ﷺ)
গ্রন্থঃ সূনান তিরমিজী (ইফাঃ) | দেখানো হচ্ছে   [1]  থেকে  [10]  পর্যন্ত
প্রতি পাতাতে টি হাদিস

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সূনান তিরমিজী (ইফাঃ)
অধ্যায়ঃ ৩০/ সৎ ব্যবহার ও সম্পর্ক রক্ষা (كتاب البر والصلة عن رسول الله ﷺ)
হাদিস নম্বরঃ ১৯০৩ | 1903 | ۱۹۰۳

পরিচ্ছদঃ পিতা-মাতার সঙ্গে সৎব্যবহার।

১৯০৩। মুহাম্মদ ইবনু বাশশার (রহঃ) ... বাহয ইবনু হাকীম তার পিতা পিতামহ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ, কার সঙ্গে আমি সৎ ব্যবহার করব? তিনি বললেন, তোমার মার সঙ্গে। আমি বললামঃ এরপর কার সঙ্গে? তিনি বললেন, তোমার মার সঙ্গে। আমি বললামঃ পরে কার সঙ্গে? তিনি বললেন, তোমার মার সঙ্গে। আমি বললাম পরে কার সঙ্গে? তিনি বললেন, তারপর পিতার সঙ্গে, এরপর নিকটতম আত্মীয়কে ক্রমান্বয়ে। হাসান, মিশকাত ৪৯২৯, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৮৯৭ [আল মাদানী প্রকাশনী]

এ বিষয়ে আবূ হুরায়রা, আবদুল্লাহ ইবনু উমার, ’আয়িশা আবূদ দারদা রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। বাহয ইবনু হাকীম (রহঃ) হলেন বাহয ইবনু হাকীম ইবনু মুআবিয়া ইবনু হায়দা কুশায়রী। এ হাদীসটি হাসান। শু‘বা (রহঃ) বাহয ইবনু হাকীমের সমালোচনা করেছেন। হাদীস বিশেষজ্ঞগণের মতে তিনি ছিকা বা নির্ভরযোগ্য। তাঁর নিকট থেকে মা‘মার, সুফইয়ান ছাওরী, হাম্মাদ ইবনু সালামা প্রমুখ হাদীস বিশেষজ্ঞ ইমামগণ হাদীস রিওয়ায়াত করেছেন।



হাদিসের মানঃ  হাসান (Hasan)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

Bahz bin Hakim narrated from his father, from his grandfather who said:
"I said: 'O Messenger of Allah! Who most deserves(my) reverence?' He said: 'Your mother.'" He said: "I said: 'Then who?' He said: 'Your mother.'" He said: "I said: 'Then who?' He said: 'Your mother.'" He said: "I said: 'Then who?' He said: 'Then your father, then the nearest relatives, then the nearest relatives.'"

باب مَا جَاءَ فِي بِرِّ الْوَالِدَيْنِ ‏

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، أَخْبَرَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، أَخْبَرَنَا بَهْزُ بْنُ حَكِيمٍ، حَدَّثَنِي أَبِي، عَنْ جَدِّي، قَالَ قُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ مَنْ أَبَرُّ قَالَ ‏"‏ أُمَّكَ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ قُلْتُ ثُمَّ مَنْ قَالَ ‏"‏ أُمَّكَ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ قُلْتُ ثُمَّ مَنْ قَالَ ‏"‏ أُمَّكَ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ قُلْتُ ثُمَّ مَنْ قَالَ ‏"‏ ثُمَّ أَبَاكَ ثُمَّ الأَقْرَبَ فَالأَقْرَبَ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ وَعَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ وَعَائِشَةَ وَأَبِي الدَّرْدَاءِ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى وَبَهْزُ بْنُ حَكِيمٍ هُوَ ابْنُ مُعَاوِيَةَ بْنِ حَيْدَةَ الْقُشَيْرِيُّ ‏.‏ وَهَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ ‏.‏ وَقَدْ تَكَلَّمَ شُعْبَةُ فِي بَهْزِ بْنِ حَكِيمٍ وَهُوَ ثِقَةٌ عِنْدَ أَهْلِ الْحَدِيثِ وَرَوَى عَنْهُ مَعْمَرٌ وَالثَّوْرِيُّ وَحَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ وَغَيْرُ وَاحِدٍ مِنَ الأَئِمَّةِ ‏.‏

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সূনান তিরমিজী (ইফাঃ)
অধ্যায়ঃ ৩০/ সৎ ব্যবহার ও সম্পর্ক রক্ষা (كتاب البر والصلة عن رسول الله ﷺ)
হাদিস নম্বরঃ ১৯০৪ | 1904 | ۱۹۰٤

পরিচ্ছদঃ পরিচ্ছেদ নাই।

১৯০৪। আহমাদ ইবনু মুহাম্মদ (রহঃ) ... ইবনু মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্নিত, তিনি বলেন, আমি বললামঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ! সবচেয়ে ফযীলতের আমল কোনটি? তিনি বললেন, যথা সময়ে সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করা। আমি বললামঃ এরপর কোনটি ইয়া রাসূলাল্লাহ? তিনি বললেন, পিতা-মাতার সঙ্গে ভালো ব্যবহার করা। আমি বললামঃ তারপর কি ইয়া রাসূলাল্লাহ? তিনি বললেন, আল্লাহর পথে জিহাদ করা। এরপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম চুপ করে গেলেন। আমি যদি আরো জানতে চাইতাম তবে তিনি অবশ্যই আমাকে আরো জানাতেন। সহীহ, সহীহাহ ১৪৮৯, বুখারী, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৯০৮ [আল মাদানী প্রকাশনী]

আবূ শায়বানী‘ (রহঃ) এর নাম হল সা‘দ ইবনু ইয়াস। এ হাদীসটি হাসান-সহীহ। শায়বানী, শু‘বা (রহঃ) এবং আরো একাধিক রাবী এটিকে ওয়ালীদ ইবনু আয়যাব (রহঃ)  থেকে রিওয়ায়াত করেছেন। এটি একাধিকভাবে আবূ আমর শায়বানী ইবনু মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে বর্ণিত আছে।



হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

Ibn Mas'ud said:
"I asked the Messenger of Allah: 'O Messenger of Allah! Which is the most virtuous of deeds?' He said: 'Salat during its appropriate time.' I said: 'Then what, O Messenger of Allah?' He said: 'Being dutiful to one's parents.' I said: 'Then what, O Messenger of Allah?' He said: 'Jihad in the cause of Allah.' Then the messenger of Allah was silent, and if I had asked him more, he would have told me more.'"

باب مِنْهُ

حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدٍ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْمُبَارَكِ، عَنِ الْمَسْعُودِيِّ، عَنِ الْوَلِيدِ بْنِ الْعَيْزَارِ، عَنْ أَبِي عَمْرٍو الشَّيْبَانِيِّ، عَنِ ابْنِ مَسْعُودٍ، قَالَ سَأَلْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَىُّ الأَعْمَالِ أَفْضَلُ قَالَ ‏"‏ الصَّلاَةُ لِمِيقَاتِهَا ‏"‏ ‏.‏ قُلْتُ ثُمَّ مَاذَا يَا رَسُولَ اللَّهِ قَالَ ‏"‏ بِرُّ الْوَالِدَيْنِ ‏"‏ ‏.‏ قُلْتُ ثُمَّ مَاذَا يَا رَسُولَ اللَّهِ قَالَ ‏"‏ الْجِهَادُ فِي سَبِيلِ اللَّهِ ‏"‏ ‏.‏ ثُمَّ سَكَتَ عَنِّي رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَلَوِ اسْتَزَدْتُهُ لَزَادَنِي ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى وَهَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏ رَوَاهُ الشَّيْبَانِيُّ وَشُعْبَةُ وَغَيْرُ وَاحِدٍ عَنِ الْوَلِيدِ بْنِ الْعَيْزَارِ وَقَدْ رُوِيَ هَذَا الْحَدِيثُ مِنْ غَيْرِ وَجْهٍ عَنْ أَبِي عَمْرٍو الشَّيْبَانِيِّ عَنِ ابْنِ مَسْعُودٍ ‏.‏ وَأَبُو عَمْرٍو الشَّيْبَانِيُّ اسْمُهُ سَعْدُ بْنُ إِيَاسٍ ‏.‏

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সূনান তিরমিজী (ইফাঃ)
অধ্যায়ঃ ৩০/ সৎ ব্যবহার ও সম্পর্ক রক্ষা (كتاب البر والصلة عن رسول الله ﷺ)
হাদিস নম্বরঃ ১৯০৫ | 1905 | ۱۹۰۵

পরিচ্ছদঃ পিতা-মাতার সন্তুষ্টির ফযীলত।

১৯০৫। আবূ হাফস ’আমর ইবনু আলী (রহঃ) ... আবদুল্লাহ ইবনু ’আমর রাদিয়াল্লাহু আনহু নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন, জন্মদাতার সন্তুষ্টিতে পরওয়ারদিগারের সন্তুষ্টি আর জন্মদাতার অসন্তুষ্টিতে পরওয়ারদিগারের অসন্তষ্টি। সহীহ, সহীহাহ ৫১৫, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৮৯৯ [আল মাদানী প্রকাশনী]

মুহাম্মদ ইবনু বাশশার (রহঃ) ... আবদুল্লাহ ইবনু ’আমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে অনুরূপ হাদীস বর্ণিত আছে। তবে এটি মারফু নয়। এটই অধিকত সহীহ।

শু‘বা (রহঃ)-এর শাগরিদগণও শু‘বা - ইয়লা ইবনু আতা তার পিতা আতা - আবদুল্লাহ ইবনু আমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে অনুরূপ ভাবে এটিকে মওকুফ হিসাবে বর্ণনা করেছেন। শু‘বা (রহঃ) থেকে খালিদ ইবনু হারিছ ব্যতীত আর কেউ এটিকে মারফুরূপে বর্ণনা করেছেন বলে আমাদের জানা নেই। খালিদ ইবনু হারিছ অবশ্য রাবী হিসাবে নির্ভরযোগ্য বিশ্বস্ত। মুহাম্মদ ইবনু মুছান্না (রহঃ)-কে বলতে শুনেছি যে, বসরায় খালিদ ইবনু হারিছের মত কাউকে আমি দেখিনি এবং কুফায় আবদুল্লাহ ইবনু ইদরীসের মতও কাউকে আমি দেখিনি।

এ বিষয়ে ইবনু মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে।



হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

Abdullah bin Amr narrated that:
the Prophet said: "The Lord's pleasure is in the parent's pleasure, and the Lord's anger is in the parent's anger."(Hasan).

باب مَا جَاءَ مِنَ الْفَضْلِ فِي رِضَا الْوَالِدَيْنِ ‏

حَدَّثَنَا أَبُو حَفْصٍ، عَمْرُو بْنُ عَلِيٍّ حَدَّثَنَا خَالِدُ بْنُ الْحَارِثِ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ يَعْلَى بْنِ عَطَاءٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ رِضَا الرَّبِّ فِي رِضَا الْوَالِدِ وَسَخَطُ الرَّبِّ فِي سَخَطِ الْوَالِدِ ‏"‏ ‏.‏
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، عَنْ شُعْبَةَ، عَنْ يَعْلَى بْنِ عَطَاءٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو، نَحْوَهُ وَلَمْ يَرْفَعْهُ وَهَذَا أَصَحُّ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى وَهَكَذَا رَوَى أَصْحَابُ شُعْبَةَ عَنْ شُعْبَةَ عَنْ يَعْلَى بْنِ عَطَاءٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو مَوْقُوفًا وَلاَ نَعْلَمُ أَحَدًا رَفَعَهُ غَيْرَ خَالِدِ بْنِ الْحَارِثِ عَنْ شُعْبَةَ ‏.‏ وَخَالِدُ بْنُ الْحَارِثِ ثِقَةٌ مَأْمُونٌ ‏.‏ قَالَ سَمِعْتُ مُحَمَّدَ بْنَ الْمُثَنَّى يَقُولُ مَا رَأَيْتُ بِالْبَصْرَةِ مِثْلَ خَالِدِ بْنِ الْحَارِثِ وَلاَ بِالْكُوفَةِ مِثْلَ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ إِدْرِيسَ ‏.‏ قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ ‏.‏

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সূনান তিরমিজী (ইফাঃ)
অধ্যায়ঃ ৩০/ সৎ ব্যবহার ও সম্পর্ক রক্ষা (كتاب البر والصلة عن رسول الله ﷺ)
হাদিস নম্বরঃ ১৯০৬ | 1906 | ۱۹۰٦

পরিচ্ছদঃ পিতা-মাতার সন্তুষ্টির ফযীলত।

১৯০৬। ইবনু আবূ উমার (রহঃ) ... আবূদ দারদা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, একবার তাঁর কাছে জনৈক ব্যক্তি এসে বলল, আমার এক স্ত্রী আছে। কিন্তু আমার মা তাকে তালাক দিয়ে দিতে বলছে। আবূদ দারদা রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি যে, জন্মদাতা হলেন, জান্নাতের সর্বোত্তম দ্বার। এখন তুমি ইচ্ছা করলে এ দরজা নষ্টও করতে পার কিংবা হেফাযতও করতে পার। সহীহ, সহীহাহ ৯১০, মিশকাত, তাহকীক ছানী ৪৯২৮, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৯০০ [আল মাদানী প্রকাশনী]

সুফইয়ান তাঁর বর্ণনায় কখনো আমার মা কখনও কখনও আমার পিতা উল্লেখ করেছেন। এ হাদীসটি সহীহ। আবূ আবদুর রহমান সুলামী (রহঃ)-এর নাম হল আবদুল্লাহ ইবনু হাবীব।



হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

Abu 'Abdur-Rahman As-Sulami narrated from Abu Ad Darda'.:
He said that a man came and said : "I have a wife whom my mother has ordered me to divorce." So Abu Ad-Darda said: " I heard the Messenger of Allah saying: 'The father is the middle gate to Paradise. So if you wish, then neglect that door, or protect it.'"

باب مَا جَاءَ مِنَ الْفَضْلِ فِي رِضَا الْوَالِدَيْنِ ‏

حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي عُمَرَ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ السَّائِبِ الْهُجَيْمِيِّ، عَنْ أَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ السُّلَمِيِّ، عَنْ أَبِي الدَّرْدَاءِ، أَنَّ رَجُلاً، أَتَاهُ فَقَالَ إِنَّ لِي امْرَأَةً وَإِنَّ أُمِّي تَأْمُرُنِي بِطَلاَقِهَا ‏.‏ قَالَ أَبُو الدَّرْدَاءِ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ ‏ "‏ الْوَالِدُ أَوْسَطُ أَبْوَابِ الْجَنَّةِ فَإِنْ شِئْتَ فَأَضِعْ ذَلِكَ الْبَابَ أَوِ احْفَظْهُ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ وَقَالَ ابْنُ أَبِي عُمَرَ وَرُبَّمَا قَالَ سُفْيَانُ إِنَّ أُمِّي وَرُبَّمَا قَالَ أَبِي ‏.‏ وَهَذَا حَدِيثٌ صَحِيحٌ ‏.‏ وَأَبُو عَبْدِ الرَّحْمَنِ السُّلَمِيُّ اسْمُهُ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ حَبِيبٍ ‏.‏

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সূনান তিরমিজী (ইফাঃ)
অধ্যায়ঃ ৩০/ সৎ ব্যবহার ও সম্পর্ক রক্ষা (كتاب البر والصلة عن رسول الله ﷺ)
হাদিস নম্বরঃ ১৯০৭ | 1907 | ۱۹۰۷

পরিচ্ছদঃ পিতা মাতার নাফরমানী।

১৯০৭। হুমায়দ ইবনু মাসআদা (রহঃ) ... আবদুর রহমান আবূ বাকরা তার পিতা আবূ বাকরা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, সবচেয়ে বড় কবীরা গুনাহগুলো সম্পর্কে তোমাদের কি বলব না? সাহাবীগণ বললেন, হ্যাঁ, অবশ্যই বলুন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! তিনি বললেন, আল্লাহর সঙ্গে শরীক করা, পিতা-মাতার নাফরমানী করা। বর্ণনাকারী বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হেলান দিয়ে বসা অবস্থায় ছিলেন। কিন্তু তিনি সোজা হয়ে বসে গেলেন এবং বললেন, আর হল মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদান কিংবা তিনি বলেছেন, মিথ্যা উক্তি। তিনি এটিকে বারবার এমনভাবে বলতে লাগলেন যে, আমরা ভাবছিলাম, আহা, তিনি যদি চুপ করতেন! সহীহ, গায়াতুল মারাম ২৭৭, বুখারী, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৯০১ [আল মাদানী প্রকাশনী]

এ বিষয়ে আবূ সাঈদ রাদিয়াল্লাহু আনহ থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। এ হাদীসটি হাসান-সহীহ। আবূ বাকরা রাদিয়াল্লাহু আনহ-এর নাম হল নুফায় ইবনুল-হারিছ।



হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

'Abdur-Rahman bin Abi Bakrah narrated from his father who said:
" The messenger of Allah said: 'Shall I not tell you of the biggest of the major sins?' they said : 'Of course! O Messenger of Allah!' He said: 'To join partners with Allah, and disobeying one's parents.'"He said : " He sat up, and he had been reclining. He said: 'And false testimony, or false speech.' And the Messenger of Allah would not stop saying it until we said (to ourselves): 'I wish that he would stop.'"

باب مَا جَاءَ فِي عُقُوقِ الْوَالِدَيْنِ ‏

حَدَّثَنَا حُمَيْدُ بْنُ مَسْعَدَةَ، حَدَّثَنَا بِشْرُ بْنُ الْمُفَضَّلِ، حَدَّثَنَا الْجُرَيْرِيُّ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي بَكْرَةَ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ أَلاَ أُحَدِّثُكُمْ بِأَكْبَرِ الْكَبَائِرِ ‏"‏ ‏.‏ قَالُوا بَلَى يَا رَسُولَ اللَّهِ ‏.‏ قَالَ ‏"‏ الإِشْرَاكُ بِاللَّهِ وَعُقُوقُ الْوَالِدَيْنِ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ وَجَلَسَ وَكَانَ مُتَّكِئًا فَقَالَ ‏"‏ وَشَهَادَةُ الزُّورِ أَوْ قَوْلُ الزُّورِ ‏"‏ ‏.‏ فَمَا زَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُهَا حَتَّى قُلْنَا لَيْتَهُ سَكَتَ ‏.‏ قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنْ أَبِي سَعِيدٍ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏ وَأَبُو بَكْرَةَ اسْمُهُ نُفَيْعُ بْنُ الْحَارِثِ ‏.‏

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সূনান তিরমিজী (ইফাঃ)
অধ্যায়ঃ ৩০/ সৎ ব্যবহার ও সম্পর্ক রক্ষা (كتاب البر والصلة عن رسول الله ﷺ)
হাদিস নম্বরঃ ১৯০৮ | 1908 | ۱۹۰۸

পরিচ্ছদঃ পিতা মাতার নাফরমানী।

১৯০৮। কুতায়বা (রহঃ) ... আবদুল্লাহ ইবনু আমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ পিতামাতাকে গালিগালাজ করা কবীরা গুনাহ। সাহাবীরা বললেনঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ! কোন ব্যক্তি কি তার পিতামাতাকে গালিগালাজ করতে পারে? তিনি বললেনঃ তা, কেউ অন্যের পিতাকে গালি দিল ফলে সে তার পিতাকেও গালি দিল; কেউ কারোর মাকে গালি দিলে সে তার মাকেও গালি দিল। সহীহ, তা'লীকুর রাগীব ৩/২২১, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৯০২ [আল মাদানী প্রকাশনী]

এ হাদীসটি হাসান-সহীহ।



হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

'Abdullah bin 'Amr narrated that :
the Messenger of Allah said: "It is among the greatest of sins that a man should curse his parents." They said: "O Messenger of Allah! Does a man curse his parents?" He said: "Yes. He verbally abuses the father of a man, who in turn, verbally abuses his father, and he (retaliates and) curses his mother , so he curses his mother."

باب مَا جَاءَ فِي عُقُوقِ الْوَالِدَيْنِ ‏

حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، حَدَّثَنَا اللَّيْثُ بْنُ سَعْدٍ، عَنِ ابْنِ الْهَادِ، عَنْ سَعْدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ حُمَيْدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ مِنَ الْكَبَائِرِ أَنْ يَشْتُمَ الرَّجُلُ وَالِدَيْهِ ‏"‏ ‏.‏ قَالُوا يَا رَسُولَ اللَّهِ وَهَلْ يَشْتُمُ الرَّجُلُ وَالِدَيْهِ قَالَ ‏"‏ نَعَمْ يَسُبُّ أَبَا الرَّجُلِ فَيَشْتُمُ أَبَاهُ وَيَشْتُمُ أُمَّهُ فَيَسُبُّ أُمَّهُ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সূনান তিরমিজী (ইফাঃ)
অধ্যায়ঃ ৩০/ সৎ ব্যবহার ও সম্পর্ক রক্ষা (كتاب البر والصلة عن رسول الله ﷺ)
হাদিস নম্বরঃ ১৯০৯ | 1909 | ۱۹۰۹

পরিচ্ছদঃ পিতার বন্ধুকেও সম্মান প্রদর্শন করা।

১৯০৯। আহমাদ ইবনু মুহাম্মদ (রহঃ) ... ইবনু উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি যে, শ্রেষ্ঠ সৎ ব্যবহার হল পিতার বন্ধুর সঙ্গেও সৎ ব্যবহার করা। সহীহ, যঈফাহ ২০৮৯, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৯০৩ [আল মাদানী প্রকাশনী]

এ বিষয়ে আবূ আসীদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। এ হাদীসটির সনদ সহীহ। এ হাদীসটি ইবনু উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর বরাতে একাধিক সূত্রে বর্ণিত আছে।



হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

Ibn 'Umar narrated that :
the Prophet said: "Among the most dutiful of deeds is that a man nurture relations with the people his father was friends with."

باب مَا جَاءَ فِي إِكْرَامِ صَدِيقِ الْوَالِدِ ‏

حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدٍ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْمُبَارَكِ، أَخْبَرَنَا حَيْوَةُ بْنُ شُرَيْحٍ، أَخْبَرَنِي الْوَلِيدُ بْنُ أَبِي الْوَلِيدِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ دِينَارٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ ‏ "‏ إِنَّ أَبَرَّ الْبِرِّ أَنْ يَصِلَ الرَّجُلُ أَهْلَ وُدِّ أَبِيهِ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنْ أَبِي أَسِيدٍ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا إِسْنَادٌ صَحِيحٌ وَقَدْ رُوِيَ هَذَا الْحَدِيثُ عَنِ ابْنِ عُمَرَ مِنْ غَيْرِ وَجْهٍ ‏.‏

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সূনান তিরমিজী (ইফাঃ)
অধ্যায়ঃ ৩০/ সৎ ব্যবহার ও সম্পর্ক রক্ষা (كتاب البر والصلة عن رسول الله ﷺ)
হাদিস নম্বরঃ ১৯১০ | 1910 | ۱۹۱۰

পরিচ্ছদঃ খালার সঙ্গে সদ্ব্যবহার।

১৯১০। সুফইয়ান ইবনু ওয়াকী ও উবায়দুল্লাহ ইবনু মূসা (রহঃ) ... বারা ইবনু আযিব রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, খালা হল মায়ের স্থানে। সহীহ, ইরওয়া ২১৯০, বুখারী, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৯০৪ [আল মাদানী প্রকাশনী]

হাদীসটিতে দীর্ঘ বর্ণনা রয়েছে। এ হাদীসটি সহীহ।

আবূ কুরায়ব (রহঃ) ... ইবনু উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, জনৈক ব্যক্তি নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে এসে বলল, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমি এক মহাপাপ করে ফেলেছি, আমার কি কোন তওবা আছে? তিনি বললেন, তোমার মা আছেন কি? লোকটি বলল, না। তিনি বললেন, তোমার কি খালা আছেন? লোকটি বলল, হ্যাঁ। তিনি বললেন, তাঁর সঙ্গে সদ্ব্যবহার করবে। সহীহ, তা'লীকুর রাগীব ৩/২১৮

এ বিষয় আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে।

ইবনু আবূ উমার (রহঃ) ... আবূ বাকর ইবনু হাফস সূত্রেও অনুরূপ হাদীস বর্ণিত আছে এতে ইবনু উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর উল্লেখ করা হয় নি। এটি আবূ মুআবিয়া (রহঃ)-এর রিওয়ায়াত (১৯১০) অপেক্ষা অধিকতর সহীহ। আবূ বাকর ইবনু হাফস (রহঃ)  হলেন, ইবনু উমার ইবনু সাদ ইবনু আবূ ওয়াক্কাস।



হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

Al-Bara' bin Azib narrated that :
the Prophet said: "The maternal aunt holds the same status as the mother."

(Another chain) From Ibn 'Umar:
A man came to the Prophet (ﷺ) and said: "O Messenger of Allah! I have been afflicted by a tremendous sin. Is there any repentance for me?" He said: "Do you have your mother?" The man said: "No." He said: "Do you have any maternal aunts?" The man said: "Yes." He said: "Then be dutiful to them."

(Another chain) From Abu Bakr bin Hafs, from the Prophet (ﷺ), and it is similar, but he did not mention "from Ibn `Umar" in it. This is more correct than the Hadith of Abu Mu'awiyah, and Abu Bakr bin Hafs is Ibn 'Umar bin Sa'd bin Abi Waqqas (narrators in the chain of this Hadith.)

باب مَا جَاءَ فِي بِرِّ الْخَالَةِ ‏

حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ وَكِيعٍ، حَدَّثَنَا أَبِي، عَنْ إِسْرَائِيلَ، ح قَالَ وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ، وَهُوَ ابْنُ مَدُّويَهْ حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُوسَى، عَنْ إِسْرَائِيلَ، وَاللَّفْظُ، لِحَدِيثِ عُبَيْدِ اللَّهِ عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ الْهَمْدَانِيِّ، عَنِ الْبَرَاءِ بْنِ عَازِبٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ الْخَالَةُ بِمَنْزِلَةِ الأُمِّ ‏"‏ ‏.‏ وَفِي الْحَدِيثِ قِصَّةٌ طَوِيلَةٌ ‏.‏ وَهَذَا حَدِيثٌ صَحِيحٌ ‏.‏
حَدَّثَنَا أَبُو كُرَيْبٍ، حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ سُوقَةَ، عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ حَفْصٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّ رَجُلاً، أَتَى النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنِّي أَصَبْتُ ذَنْبًا عَظِيمًا فَهَلْ لِي مِنْ تَوْبَةٍ قَالَ ‏"‏ هَلْ لَكَ مِنْ أُمٍّ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ لاَ ‏.‏ قَالَ ‏"‏ هَلْ لَكَ مِنْ خَالَةٍ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ نَعَمْ ‏.‏ قَالَ ‏"‏ فَبِرَّهَا ‏"‏ ‏.‏ وَفِي الْبَابِ عَنْ عَلِيٍّ وَالْبَرَاءِ بْنِ عَازِبٍ ‏.‏
حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي عُمَرَ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ سُوقَةَ، عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ حَفْصِ بْنِ عُمَرَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم نَحْوَهُ وَلَمْ يَذْكُرْ فِيهِ عَنِ ابْنِ عُمَرَ ‏.‏ وَهَذَا أَصَحُّ مِنْ حَدِيثِ أَبِي مُعَاوِيَةَ ‏.‏ وَأَبُو بَكْرِ بْنُ حَفْصٍ هُوَ ابْنُ عُمَرَ بْنِ سَعْدِ بْنِ أَبِي وَقَّاصٍ ‏.‏

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সূনান তিরমিজী (ইফাঃ)
অধ্যায়ঃ ৩০/ সৎ ব্যবহার ও সম্পর্ক রক্ষা (كتاب البر والصلة عن رسول الله ﷺ)
হাদিস নম্বরঃ ১৯১১ | 1911 | ۱۹۱۱

পরিচ্ছদঃ পিতা-মাতার দু'আ।

১৯১১। আলী ইবনু হুজর (রহঃ) ... আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তিনটি দু‘আ এমন যেগুলো অবশ্য কবুল করা হয়। এতে কোন সন্দেহ নেই! মজলুমের দু‘আ মুসাফিরের দু‘আ, পিতার দু‘আ তার সন্তানের উপর। হাসান, ইবনু মাজাহ ৩৮৬২, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৯০৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]

হাজ্জাজ আস-সাওওয়াফ (রহঃ) এ হাদীসটিকে ইয়াহইয়া ইবনু আবূ কাছীর (রহঃ) থেকে হিশামের রিওয়ায়াতের অনুরূপ রিওয়ায়াত করেছেন যে আবূ জা‘ফার (রহঃ) আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে হাদীস রিওয়ায়াত করে থাকেন তাঁকে আবূ জা‘ফার আল-মুআযযিন বলা হয়। তাঁর নাম সম্পর্কে আমরা অবহিত নই। তার বরাতে ইয়াহইয়া ইবনু আবূ কাছীর (রহঃ)-ও একাধিক হাদীস বর্ণনা করেছেন।



হাদিসের মানঃ  হাসান (Hasan)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

Abu Harairah narrated that the Messenger of Allah said:
"Three supplications are accepted , there is no doubt in them (about them being accepted): The supplication of the oppressed, the supplication of the traveler, and the supplication of his father against his son."

باب مَا جَاءَ فِي دَعْوَةِ الْوَالِدَيْنِ ‏

حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ حُجْرٍ، أَخْبَرَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ هِشَامٍ الدَّسْتَوَائِيِّ، عَنْ يَحْيَى بْنِ أَبِي كَثِيرٍ، عَنْ أَبِي جَعْفَرٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ ثَلاَثُ دَعَوَاتٍ مُسْتَجَابَاتٌ لاَ شَكَّ فِيهِنَّ دَعْوَةُ الْمَظْلُومِ وَدَعْوَةُ الْمُسَافِرِ وَدَعْوَةُ الْوَالِدِ عَلَى وَلَدِهِ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى وَقَدْ رَوَى الْحَجَّاجُ الصَّوَّافُ هَذَا الْحَدِيثَ عَنْ يَحْيَى بْنِ أَبِي كَثِيرٍ نَحْوَ حَدِيثِ هِشَامٍ ‏.‏ وَأَبُو جَعْفَرٍ الَّذِي رَوَى عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ يُقَالُ لَهُ أَبُو جَعْفَرٍ الْمُؤَذِّنُ وَلاَ نَعْرِفُ اسْمَهُ وَقَدْ رَوَى عَنْهُ يَحْيَى بْنُ أَبِي كَثِيرٍ غَيْرَ حَدِيثٍ ‏.‏

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সূনান তিরমিজী (ইফাঃ)
অধ্যায়ঃ ৩০/ সৎ ব্যবহার ও সম্পর্ক রক্ষা (كتاب البر والصلة عن رسول الله ﷺ)
হাদিস নম্বরঃ ১৯১২ | 1912 | ۱۹۱۲

পরিচ্ছদঃ পিতা-মাতার হক।

১৯১২। আহমাদ ইবনু মুহাম্মাদ ইবনু মূসা (রহঃ) ... আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, পিতাকে ক্রীতদাস হিসাবে পেলে তাকে ক্রয় করে স্বাধীন করে দেয়া ছাড়া আর কোন উপায়েই সন্তান তার পিতার হক আদায় করতে পারবে না। সহীহ, ইবনু মাজাহ ৩৬৫৯, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৯০৬ [আল মাদানী প্রকাশনী]

উক্ত হাদীসটি হাসান-সহীহ। সুহায়ল ইবনু আবূ সালিহ-এর রিওয়ায়ত ছাড়া এটি সম্পর্কে আমরা কিছু অবহিত নই। সুফইয়ান ছাওরী প্রমুখ (রহঃ) এই হাদীসটিকে সুহায়ল (রহঃ) থেকে রিওয়ায়াত করেছেন।



হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

Abu Hurairah narrated that:
the Messenger of Allah said: "A son could not do enough for his father, unless he found him as a slave and purchased him to set him free."

باب مَا جَاءَ فِي حَقِّ الْوَالِدَيْنِ ‏

حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ مُوسَى، أَخْبَرَنَا جَرِيرٌ، عَنْ سُهَيْلِ بْنِ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لاَ يَجْزِي وَلَدٌ وَالِدًا إِلاَّ أَنْ يَجِدَهُ مَمْلُوكًا فَيَشْتَرِيَهُ فَيُعْتِقَهُ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ لاَ نَعْرِفُهُ إِلاَّ مِنْ حَدِيثِ سُهَيْلِ بْنِ أَبِي صَالِحٍ ‏.‏ وَقَدْ رَوَى سُفْيَانُ الثَّوْرِيُّ وَغَيْرُ وَاحِدٍ عَنْ سُهَيْلِ بْنِ أَبِي صَالِحٍ هَذَا الْحَدِيثَ ‏.‏

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

হাদিস দেখানো হচ্ছে   [1]  থেকে  [10]  পর্যন্ত এবং সর্বমোট   [140]  টি হাদিস পাওয়া গেছে।