• ৭১৯৬৩ টি সর্বমোট হাদিস আছেঃ
  • ৮০৩৩ টি প্রশ্নোত্তর ও ফিকাহঃ

 

 

 

 


পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সহীহ মুসলিম (ইফাঃ)
অধ্যায়ঃ ১২/ জানাযা সম্পর্কিত (كتاب الجنائز)
হাদিস নাম্বার: 2006
আরবি বন্ধ
বাংলা বন্ধ
ইংরেজি বন্ধ
ব্যাখ্যা বন্ধ

পুনঃনিরীক্ষণঃ

وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَابْنُ، نُمَيْرٍ وَإِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ كُلُّهُمْ عَنِ ابْنِ، عُيَيْنَةَ - قَالَ ابْنُ نُمَيْرٍ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، - عَنِ ابْنِ أَبِي نَجِيحٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عُبَيْدِ بْنِ عُمَيْرٍ، قَالَ قَالَتْ أُمُّ سَلَمَةَ لَمَّا مَاتَ أَبُو سَلَمَةَ قُلْتُ غَرِيبٌ وَفِي أَرْضِ غُرْبَةٍ لأَبْكِيَنَّهُ بُكَاءً يُتَحَدَّثُ عَنْهُ ‏.‏ فَكُنْتُ قَدْ تَهَيَّأْتُ لِلْبُكَاءِ عَلَيْهِ إِذْ أَقْبَلَتِ امْرَأَةٌ مِنَ الصَّعِيدِ تُرِيدُ أَنْ تُسْعِدَنِي فَاسْتَقْبَلَهَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَقَالَ ‏ "‏ أَتُرِيدِينَ أَنْ تُدْخِلِي الشَّيْطَانَ بَيْتًا أَخْرَجَهُ اللَّهُ مِنْهُ ‏"‏ ‏.‏ مَرَّتَيْنِ فَكَفَفْتُ عَنِ الْبُكَاءِ فَلَمْ أَبْكِ ‏.‏

২০০৬। আবূ বকর ইবনু আবূ শায়বা, ইবনু নুমায়র ও ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ... সালামা (রাঃ) বলেন, যখন আবূ সালামা (রাঃ) মারা গেলেন তখন আমি বললাম, প্রবাসী প্রবাস ভুমিতে মারা গিয়েছেন। তার জন্য আমি এত কাদবো যে, দীর্ঘদিন ধরে মানুষ তা চর্চা করবে। আমি কান্নার জন্য প্রস্তুতিও গ্রহণ করেছিলাম। এমন সময়ে মদিনার পার্শ্ববর্তী উচু অঞ্চলের জনৈকা মহিলা আমার কান্নায় অংশ-গ্রহণ করার জন্য আসাছিল। পথিমধ্যে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে তাঁর সাক্ষাৎ হয়। তিনি দু’বার বললেন, তোমরা কি এমন ঘরে শয়তানকে পূনরায় প্রবেশ করাতে চাও, যে ঘর হতে আল্লাহ তাকে বের করে দিয়েছেন। তখন আমি কান্না থেকে বিরত থাকলাম, আমি কাঁদলাম না।

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
Umm Salama reported: When Abu Salama died I said: I am a stranger in a strange land; I shall weep for him in a manner that would be talked of. I made preparation for weeping for him when a woman from the upper side of the city came there who intended to help me (in weeping). She happened to come across the Messenger of Allah (ﷺ) and he said: Do you intend to bring the devil into a house from which Allah has twice driven him out? I (Umm Salama), therefore, refrained from weeping and I did not weep.