• ৭১৯৬১ টি সর্বমোট হাদিস আছেঃ
  • ৮২৭৫ টি প্রশ্নোত্তর ও ফিকাহঃ

 

 

 

 


HADITH ERROR REPORTING SYSTEM!

হাদিস নম্বরঃ
গ্রন্থের নামঃ
মূল হাদিসঃ

৬৭৮৭। কুতায়বা ইবনু সাঈদ (রহঃ) ... আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, যখন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইন্তেকাল করলেন। আর তার পরে আবূ বকর (রাঃ) কে খলীফা নির্বাচন করা হল এবং আরবের যারা কাফের হওয়ার তারা কাফের হরে গিয়েছিল। তখন উমর (রাঃ) আবূ বকর (রাঃ) কে বললেন, আপনি কি করে লোকদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবেন, অথচ রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমি মানুষের সাথে 'লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ' বলার পূর্ব পর্যন্ত যুদ্ধ করে যাওয়ার জন্য নির্দেশিত হয়েছি। অতএব যে ব্যাক্তি ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ' বলে ফেলল সে তার জান ও মাল আমার থেকে নিরাপদ ও সংরক্ষিত করে ফেলল। তবে ইসলামী বিধানের আওতায় পড়ে গেলে সে ভিন্নকথা। তাদের প্রকৃত হিসাব আল্লাহর কাছে হবে।

আবূ বকর (রাঃ) বললেন, যারা সালাত (নামায/নামাজ) ও যাকাতের মধ্যে পার্থক্য করে, আমি অবশ্যই তাদের সাথে যুদ্ধ করব। কেননা, যাকাত হল সম্পদের হক (অবশ্য পালনীয় বিধান)। আল্লাহর শপথ! যদি তারা রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট যা আদায় করত, এখন তা (সেভাবে) দিতে অস্বীকার করে, তাহলেও আমি তাদের সাথে যুদ্ধ করব। উমর (রাঃ) বললেনঃ আল্লাহর কসম! আমি দেখছিলাম যে, যুদ্ধ করার ব্যাপারে আল্লাহ তা আলা আবূ বকরের সিনা উন্মুক্ত করে দিয়েছেন। সুতরাং আমি বুঝতে পারলাম এ সিদ্ধান্তই সঠিক।

(ইমাম বুখারী (রহঃ) বলেন) ইবন বুকায়র ও আবদুল্লাহ (রহঃ) লায়স এর সুত্রে উকায়ল থেকে বর্ণনা করতে গিয়ে لو منعوني كذا (যদি তারা এই পরিমাণ দিতে অস্বীকার করে) এর স্থলে  لو منعوني عناقا (যদি তারা একটি ছোট উটের বাচ্ছাও দিতে অস্বীকার করে) উল্লেখ করেছেন। আর এটাই বিশুদ্ধতম। আর এতিকে লোকেরা عناقا বর্ণনা করেছেন। عز وجل বস্তুত এ স্থানে عقالا পড়া বৈধ নয়। আর عقالا শব্দটি শাবী এর হাদীসে মুরসাল সুত্রে বর্ণিত হয়েছে। অনুরূপভাবে কুতায়বা (রহঃ) عقالا বলেছেন।

আপনার নামঃ
আপনার ইমেইল ঠিকানা
আপনার বক্তব্যঃ
সিকিউরিটি কোড