• ৫৬৪০৩ টি সর্বমোট হাদিস আছেঃ
  • ৫৭৫৬ টি প্রশ্নোত্তর ও ফিকাহঃ

 

 

 

 


(৪৮৯) মীকাত থেকে ঋতুবতী অবস্থায় জনৈক নারী ইহরাম বাঁধে। মক্কায় এসে পবিত্র হওয়ার পর পরিধেয় ইহরাম বস্ত্র সে খুলে ফেলে। এর বিধান কি?


ঋতুবতী অবস্থায় নারী যদি মীকাত থেকে ইহরাম বাঁধে, তারপর মক্কায় এসে পবিত্র হওয়ার পর পরিধেয় ইহরাম বস্ত্র খুলে ফেলে তাতে কোন অসুবিধা নেই। কারণ কাপড় পরিবর্তন করে ইচ্ছামত যে কোন বৈধ পোষাক পরিধান করা জায়েয। অনুরূপভাবে পুরুষও পরিধেয় ইহরামের কাপড় পরিবর্তন করে অনুরূপ ইহরামের কাপড় পরিধান করতে পারে। কোন অসুবিধা নেই।

(৪৯০) হজ্জের সময় নিকাব দিয়ে নারীর মুখ ঢাকার বিধান কি? আমি একটি হাদীছ পড়েছি যার অর্থ হচ্ছেঃ “ইহরামকারী নারী নেকাব পরবে না এবং হাত মোজা পরিধান করবে না।” আয়েশা (রাঃ)এর অন্য একটি কথা পড়েছি। তিনি বলেন, “আমাদের সামনে কোন পুরুষ এলে আমরা মুখের উপর কাপড় ঝুলিয়ে দিতাম। যখন আমরা ওদের সামনে চলে যেতাম, তখন মুখমন্ডল খুলে রাখতাম” সে সময় তারা হজ্জে ছিলেন। দু’টি হাদীছের মধ্যে সামঞ্জস্য কি?


এক্ষেত্রে বিশুদ্ধ কথা হচ্ছে, হাদীছের মর্ম অনুযায়ী নারী ইহরাম অবস্থায় নেকাব পরবে না। পুরুষ তার সম্মুখে আসুক বা না আসুক কোন অবস্থাতেই তার জন্য নেকাব ব্যবহার করা জায়েয নয়। সে হজ্জে থাক বা ওমরায় । নেকাব নারী সমাজে পরিচিত। আর তা হচ্ছে একটি পর্দা দিয়ে মুখন্ডল ঢেকে নেয়া যাতে দু‘চোখের জন্য আলাদা আলাদা দু’টি ছিদ্র থাকে। কিন্তু আয়েশা (রাঃ) এর হাদীছ নেকাব নিষিদ্ধের হাদীছের সাথে সংঘর্ষপূর্ণ নয়। কেননা আয়েশার হাদীছে একথা বলা হয়নি যে তারা নেকাব পরতেন। বরং নেকাব না পরে মুখ ঢেকে ফেলতেন। আর পরপুরুষ সামনে এলে নারীদের মুখ ঢেকে ফেলা ওয়াজিব। কেননা মাহরাম নয় এমন পুরুষের সামনে নারীর মুখমন্ডল ঢেকে রাখা ওয়াজিব।

অতএব ইহরামের ক্ষেত্রে সবসময় নেকাব পরিধান করা হারাম। আর পরপুরুষ সামনে না এলে মুখমন্ডল খোলা রাখা ওয়াজিব। কিন্তু সামনে এলে ঢেকে ফেলা ওয়াজিব। তবে নেকাব ছাড়া অন্য কাপড় ঝুলিয়ে দিতে হবে।

(৪৯১) ভুল ক্রমে অথবা অজ্ঞতা বশতঃ ইহরামের নিষিদ্ধ কোন কাজ করে ফেললে, তার বিধান কি?


ইহরামের কাপড় পরিধান করার পর অন্তরে দৃঢ় ইচ্ছা করে ইহরাম না বেঁধে থাকে আর নিষিদ্ধ কোন কাজ করে তবে কোন অসুবিধা নেই। কেননা নিয়ত করে ইহরামে প্রবেশ করাটাই ধর্তব্য। ইহরামের কাপড় পরিধান করা মানেই ইহরাম বাঁধা নয়।

কিন্তু সঠিকভাবে নিয়ত করে ইহরামে প্রবেশ করার পর যদি ভুলক্রমে বা অজ্ঞতা বশতঃ কোন নিষিদ্ধ কাজ করে ফেলে, তবে কোন কিছু দিতে হবে না। তবে স্মরণ হওয়ার সাথে সাথে বা শিখিয়ে দেয়ার সাথে সাথে অজ্ঞ ব্যক্তি উক্ত নিষিদ্ধ কাজ থেকে বিরত হবে।

উদাহরণঃ ইহরাম করার পর ভুলক্রমে জামা পরে নিয়েছে, তার কোন গুনাহ নেই। তবে মনে পড়ার সাথে সাথে তাকে উক্ত জামা খুলে ফেলতে হবে। অনুরূপভাবে ভুলক্রমে সে পায়জামা খুলে নি। নিয়ত করে তালবিয়া পাঠ করার পর মনে পড়েছে যে, পায়জামা তো খুলা হয় নি। তখন সাথে সাথে সে তা খুলে ফেলবে।

কোন লোক সেলাই ছাড়া শুধু গিরা দিয়ে তৈরীকৃত একটি গেঞ্জি পরিধান করে যদি মনে করে যে, ইহরামকারীর জন্য শুধু সেলাইকৃত কাপড় পরা নিষেধ। তাই আমি ইহা পরিধান করেছি, তবে তার কোন গুনাহ হবে না। কেননা সে অজ্ঞ। কিন্তু যখন তাকে জানানো হবে যে, শরীরের মাপে তৈরীকৃত যাবতীয় পোষাক পরিধান করা নিষিদ্ধ তখন তা খুলে ফেলা তার জন্য আবশ্যক হবে।

এক্ষেত্রে মূলনীতি হচ্ছে, ইহরাম অবস্থায় নিষিদ্ধ যাবতীয় কাজ যদি কোন মানুষ ভুলক্রমে বা অজ্ঞতা বশতঃ বা বাধ্যগত অবস্থায় করে, তবে তার কোন গুনাহ হবে না। কেননা আল্লাহ্‌ বলেন, رَبَّنَا لَا تُؤَاخِذْنَا إِنْ نَسِينَا أَوْ أَخْطَأْنَا “হে আমাদের পালনকর্তা আমরা যদি ভুলে যাই বা ভুলক্রমে কোন কিছু করে ফেলি, তবে আমাদের পাকড়াও করবেন না।” (সূরা বাক্বারাঃ ২৮৬) আল্লাহ্‌ বলেন, আমি তাই করলাম। আল্লাহ্‌ আরো বলেন,

]وَلَيْسَ عَلَيْكُمْ جُنَاحٌ فِيمَا أَخْطَأْتُمْ بِهِ وَلَكِنْ مَا تَعَمَّدَتْ قُلُوبُكُمْ[

“ভুলক্রমে তোমরা যা করে ফেল সে সম্পর্কে তোমাদের কোন গুনাহ্‌ নেই। কিন্তু তোমাদের অন্তর যার ইচ্ছা করে তার কথা ভিন্ন।” (সূরা আহযাবঃ ৫) ইহরাম অবস্থায় বিশেষভাবে নিষিদ্ধকৃত পশু শিকার করা সম্পর্কে আল্লাহ্‌ বলেন, وَمَنْ قَتَلَهُ مِنْكُمْ مُتَعَمِّدًا “যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে উহা (শিকার) হত্যা করে।” (সূরা মায়েদাঃ ৯৫)

ইহরামের নিষিদ্ধ কাজগুলো করার ক্ষেত্রে কোন পার্থক্য নেই। সকল ক্ষেত্রে বিধান একই। যেমন, পোষাক পরিধান করা, সুগন্ধি লাগানো প্রভৃতি অথবা শিকার হত্যা করা, চুল কেটে ফেলা প্রভৃতি। আলেমদের মধ্যে কেউ পার্থক্য করে থাকেন। কিন্তু বিশুদ্ধ কথা হচ্ছে কোন পার্থক্য নেই। কেননা এই নিষিদ্ধ বিষয়গুলো ভুল বা অজ্ঞতা বা বাধ্যগত কারণে মানুষ মা’যুর বা তার অপরাধ ক্ষমাযোগ্য।

হজ্জে ভুল হলে তার ফিদ্‌ইয়া কোথায় আদায় করতে হবে?

(৪৯২) জনৈক ব্যক্তি হজ্জ আদায় করার ক্ষেত্রে ভুলে লিপ্ত হয়েছে। ভুলের কাফ্‌ফারা দেয়ার জন্য তার কাছে তেমন কিছু ছিল না। সে দেশে ফেরত চলে গেছে। উক্ত কাফ্‌ফারা কি নিজ দেশে আদায় করা জায়েয হবে? নাকি মক্কাতেই পাঠাতে হবে? যদি মক্কাতেই পাঠাতে হয়, তবে অন্য কাউকে দায়িত্ব দেয়া কি জায়েয হবে?


হজ্জ পালনকারী কি ভুল করেছেন তা নির্দিষ্টভাবে অবশ্যই জানতে হবে। যদি কোন ওয়াজিব পরিত্যাগ করে থাকে, তবে ফিদ্‌ইয়া হিসেবে মক্কাতে একটি কুরবানী করতে হবে। মক্কা ছাড়া অন্য কোথাও প্রদান করলে জায়েয হবে না। কেননা তা হজ্জের সাথে সম্পৃক্ত।

কিন্তু যদি ইহরাম অবস্থায় নিষিদ্ধ কোন কাজ ইচ্ছাকৃতভাবে করে থাকে, তবে নিম্নলিখিত তিনটি পদ্ধতির যে কোন একটি অবলম্বন করতে পারেঃ
ক) একটি ছাগল যবেহ করে মক্কার হারাম এলাকার ফকীরদের মাঝে বন্টন করে দিবে। অথবা

খ) ছয়জন মিসকীনকে খাদ্য দিবে। প্রত্যেককে অর্ধ ছা’ (প্রায় সোয়া কেজী) পরিমাণ খাদ্য দিবে। আর তা মক্কায় হতে হবে অথবা যে স্থানে ঐ নিষিদ্ধ কাজ করা হয়েছে সেখানে। অথবা

গ) তিন দিন রোযা রাখবে। এই তিনটি রোযা মক্কা বা যে কোন স্থানে রাখতে পারে তবে নিষিদ্ধ কাজটি যদি হজ্জের প্রথম হালালের আগে স্ত্রী সহবাস হয়, তবে ওয়াজিব হচ্ছেঃ নিষিদ্ধ কাজে লিপ্ত হওয়ার স্থানে অথবা মক্কায় একটি উট যবেহ করবে এবং ফকীরদের মাঝে বিতরণ করে দিবে।

অথবা নিষিদ্ধ কাজটি যদি কোন প্রাণী শিকার করা হয়, তবে ওয়াজিব হচ্ছেঃ তার অনুরূপ প্রাণী যবেহ করা অথবা ছয়জন মিসকীনকে খাদ্য প্রদান করা বা তিনটি ছিয়াম পালন করা। ছিয়াম পালন যে কোন স্থানে করা যায়। কিন্তু খাদ্য দান বা কুরবানী যবেহ করা অবশ্যই মক্কার হারাম এলাকার মধ্যে হতে হবে। কেননা আল্লাহ্‌ বলেন, “কুরবানী কা’বা ঘর পর্যন্ত পৌঁছিয়ে দিবে।” (সূরা মায়েদাঃ ৯৫)

অন্য মানুষকে দায়িত্ব দিয়ে উক্ত কাফ্‌ফারা আদায় করা জায়েয আছে। কেননা নবী (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর অবশিষ্ট কুরবানীগুলো যবেহ করার জন্য আলী (রাঃ) কে দায়িত্ব দিয়েছিলেন।

(৪৯৩) তওয়াফের পূর্বে সাঈ করা কি জায়েয?


তওয়াফে এফাযার পূর্বে সাঈ করা জায়েয। কেননা নবী (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কুরবানীর দিন একস্থানে দন্ডায়মান হলেন, লোকেরা তাকে প্রশ্ন করতে লাগল। কেউ প্রশ্ন করল, سَعَيْتُ قَبْلَ أَنْ أَطُوفَ  ‘তওয়াফ করার পূর্বে আমি সাঈ করে নিয়েছি।’ তিনি বললেন, لاحَرَجَ  “কোন অসুবিধা নেই।” তামাত্তুকারী যদি তওয়াফের পূর্বে সাঈ করে এবং ইফরাদকারী বা ক্বেরাণকারী তওয়াফে কুদূমের সাথে সাঈ না করে থাকলে হজ্জের তওয়াফের পূর্বে যদি সাঈ করে, তবে কোন অসুবিধা নেই।

(৪৯৪) রামাযানে বারবার ওমরা করার বিধান কি? এরকম কোন সময় কি নির্দিষ্ট আছে যে, এতদিন পরপর ওমরা করতে হবে?


রামাযানে বারবার ওমরা করা বিদআত। কেননা এক মাসের মধ্যে বারবার ওমরা করা সালাফে সালেহীন তথা ছাহাবায়ে কেরামের নীতির বিপরীত। এমনকি শায়খুল ইসলাম ইমাম ইবনু তায়মিয়া (রহঃ) তাঁর ফতোয়ায় উল্লেখ করেছেন, সালাফে সালেহীনের ঐকমত্যে বারবার বেশী পরিমাণে ওমরা করা মাকরূহ। বিশেষ করে যদি ইহা রামাযানে হয়। বিষয়টি যদি পছন্দনীয় হত, তবে তাঁরা তো এব্যাপারে অধিক অগ্রগামী হতেন এবং বারবার ওমরা করতেন। দেখুন না নবী (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আল্লাহকে সবচেয়ে বেশী ভয় করতেন। নেক কাজকে সর্বাধিক ভালবাসতেন। তিনি মক্কা বিজয়ের সময় উনিশ দিন সেখানে অবস্থান করেছেন নামায আদায় করেছেন। কিন্তু কোন ওমরা আদায় করেননি।

আয়েশা (রাঃ) যখন ওমরা করার ব্যাপারে পিড়াপিড়ী করছিলেন, তখন নবী (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর ভ্রাতা আবদুর রহমানকে বললেন, একে তানঈম নিয়ে গিয়ে ইহরাম করিয়ে নিয়ে আস। যাতে করে তিনি ওমরা আদায় করতে পারেন। কিন্তু আবদুর রহমানকে একথা বললেন না, তুমিও তাঁর সাথে ওমরা করে নিও। যদি বিষয়টি শরীয়ত সম্মত হতো তবে নবী (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে সে নির্দেশনা দিতেন। ছাহাবায়ে কেরামের নিকট বিষয়টি শরীয়ত সম্মত হলে আবদুর রহমান তা করতেন। কেননা তিনি তো হারাম এলাকার বাইরে গিয়েছিলেন।

দু’ওমরার মাঝে কত ব্যবধান হওয়া উচিৎ এসম্পর্কে ইমাম আহমাদ বলেন, দেখবে যে পর্যন্ত মাথা পোড়া কাঠের মত কালো না হয়। অর্থাৎ- মাথা ভর্তি চুল না হয়।

(৪৯৫) তওয়াফ চলাবস্থায় যদি নামাযের ইকামত হয়ে যায়, তবে কি করবে? তওয়াফ কি পুনরায় শুরু করবে? পুনরায় শুরু না করলে কোথা থেকে তওয়াফ পূর্ণ করবে?


মানুষ যদি ওমরা বা হজ্জ বা বিদায়ী তওয়াফ বা নফল তওয়াফে লিপ্ত থাকে, আর ফরয নামাযের ইকামত হয়ে যায়, তবে তওয়াফ ছেড়ে দিয়ে নামাযের কাতারে শামিল হয়ে যাবে। নামায শেষ হলে যেখান থেকে তওয়াফ ছেড়েছিল সেখান থেকে তওয়াফ পূর্ণ করবে। নতুনভাবে তওয়াফ শুরু করার দরকার নেই এবং ঐ চক্করও নতুনভাবে শুরু করবে না। কেননা সে তো শরীয়ত সম্মত বিশুদ্ধ ভিত্তির উপরই বাকী কাজ আদায় করছে। সুতরাং শরীয়তের দলীল ছাড়া তার আগের কাজকে বাতিল বলা যাবে না।

(৪৯৬) ওমরায় তওয়াফের পূর্বে সাঈ করার বিধান কি?


ওমরাকারী তওয়াফের পূর্বে যদি সাঈ করার পর তওয়াফ করে থাকে তবে তাকে পুনরায় সাঈ করতে হবে। কেননা দু’টি কাজে ধারাবাহিকতা রক্ষা করা ওয়াজিব। প্রথমে তওয়াফ তারপর সাঈ। নবী (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এরকম সিরিয়ালেই উহা আদায় করেছেন। তিনি বলেন, “তোমরা আমার নিকট থেকে হজ্জ-ওমরার নিয়ম শিখে নাও।” আমরা নবীজীর শিখানো পদ্ধতি গ্রহণ করতে চাইলে প্রথমে আমাদেরকে তওয়াফ শুরু করতে হবে। তারপর সাঈ। কিন্তু যদি বলে যে, আমি প্রথমবার সাঈ করাতে ক্লান্ত হয়ে পড়েছি। আমরা তাকে বলব, তুমি কিছুটা বিশ্রাম নিয়ে সাঈ কর। কিন্তু ভুলের উপর অটল থাকা চলবে না।

তাবেঈদের মধ্যে কেউ এবং কতিপয় বিদ্বান মত পোষণ করেন যে, ভুলক্রমে বা অজ্ঞতা বশতঃ কেউ যদি ওমরাতে তওয়াফের পূর্বে সাঈ করে ফেলে, তবে তাকে কোন কিছু দিতে হবে না। যেমনটি হজ্জের বেলায় হয়ে থাকে।

(৪৯৭) ইয্‌তেবা’ কাকে বলে? এ কাজ কোন সময় সুন্নাত?


ইয্‌তেবা’ হচ্ছে গায়ের চাদরকে ডান বগলের নীচ দিয়ে নিয়ে তার উভয় দিক বাম কাঁধের উপর রাখা এবং ডান কাঁধ খোলা রাখা।

তওয়াফে কুদূম তথা মক্কায় আগমণের পর প্রথম তওয়াফের সময় এ কাজ সুন্নাত। অন্য সময় ইয্‌তেবা’ করা জায়েয নয়।

(৪৯৮) নফল সাঈ করা কি জায়েয আছে?


নফল সাঈ করা জায়েয নয়। কেননা সাঈ শুধুমাত্র হজ্জ-ওমরার সময় শরীয়ত সম্মত। কেননা আল্লাহ্‌ বলেন,

]إِنَّ الصَّفَا وَالْمَرْوَةَ مِنْ شَعَائِرِ اللَّهِ فَمَنْ حَجَّ الْبَيْتَ أَوْ اعْتَمَرَ فَلَا جُنَاحَ عَلَيْهِ أَنْ يَطَّوَّفَ بِهِمَا وَمَنْ تَطَوَّعَ خَيْرًا فَإِنَّ اللَّهَ شَاكِرٌ عَلِيمٌ[

“নিশ্চয় ‘সাফা’ ও ‘মারওয়া’ আল্লাহর নিদর্শন সমূহের অন্তর্গত। অতএব যে ব্যক্তি এই গৃহের হজ্জ বা ওমরা করবে তার জন্য এতদুভয়ের প্রদক্ষিণ করা দূষণীয় নয়। আর কোন ব্যক্তি সেচ্ছায় সৎকর্ম করলে আল্লাহ গুণগ্রাহী সর্বজ্ঞাত।” (সূরা বাক্বারাঃ ১৮৫)

পেজ ন্যাভিগেশন

সর্বমোটঃ  90 টি বিষয় দেখান হচ্ছে।