• ৫৬৫১৩ টি সর্বমোট হাদিস আছেঃ
  • ৫৭৫৬ টি প্রশ্নোত্তর ও ফিকাহঃ

 

 

 

 


তওয়াফের আগে যদি কেউ সাঈ করে নেয়, তাহলে তাঁতে কোন ক্ষতি আছে কি?


হজ্জের তওয়াফের আগে সাঈ করে নেওয়া যায়। অবশ্য উত্তম হল, তওয়াফের পর সাঈ করা। তবে উমরার তওয়াফের পূর্বে সাঈ করা যায় না; করলে তওয়াফের পর পুনরায় সাঈ করতে হবে। ৩৫৯ (ফাতাওয়া ইবনে উষাইমীন ২/৬২২, ৬২৪)

ভুলক্রমে সাঈ এর একটি চক্কর ছুটে গেলে এবং পরে মনে পড়লে করণীয় কি?হালাল হয়ে সফর করার পর বাড়ীতে এসে মনে পড়লে কি করা যাবে?


সাঈ এর একটি চক্কর ছুটে গেলে এবং বহু পরে মনে পড়লে অথবা সুযোগ হলে পুনরায় নতুনভাবে ৭ চক্কর সাঈ করবে। ৩৬০ (ঐ ২/৬২৩) হালাল হয়ে সফর করে থাকলে মনে পড়া মাত্র পুনরায় ইহরাম বেঁধে মক্কায় এসে নতুনভাবে সাঈ করে চুল কাটবে। ৩৬১ (ঐ ২/৬২৮)

না জেনে ঠিক তওয়াফের মত সাঈও ৭ চক্কর (অর্থাৎ ১৪ বার যাতায়াত)করে ফেললে সাঈ শুদ্ধ হবে কি?


না জেনে ঠিক তওয়াফের মত সাঈও ৭ চক্কর (অর্থাৎ ১৪ বার যাতায়াত) করে থাকলেও ৭ বারই গণ্য হবে এবং অজান্তে বাড়তি করায় কোন ক্ষতি হবে না। ৩৬২ (ঐ ৬২৬)

সাফার পরিবর্তে মারওয়া থেকে সাঈ শুরু করলে শুদ্ধ হবে কি?


সাফার পরিবর্তে মারওয়া থেকে সাঈ শুরু করলে সাঈ শুদ্ধ হবে না। পুনরায় সাফা থেকে শুরু করে সাঈ করতে হবে। ৩৬৩ (ঐ ২/৬২৮)

যুল-হজ্জের ৮ তারিখে মিনায় পাঁচ ওয়াক্ত নামায না পড়লে এবং রাত্রি বাস না করলে হজ্জের কোন ক্ষতি হয় কি?


যুল হজ্জের  ৮ তারিখে মিনায় পাঁচ ওয়াক্ত নামায না পড়লে এবং রাত্রি বাস না করলে কোন ক্ষতি হয় না। অবশ্য তা সুন্নত। মতান্তরে ওয়াজেব। ৩৬৪ (মানাসিকুল হাজ্জ, আলবানী ৭ পৃঃ)

আরাফার ময়দানে হাত তুলে দু'য়া করা যায় কি?


আরাফার ময়দানে হাত তুলে দু’আ করা যায়। জামাআতের একজন দু’আ ও বাকী ‘আমীন আমীন’ করলেও দোষ নেই। তবে একাকী দুআই এখানে শরীয়ত সম্মত ও উত্তম। ৩৬৫ (ফাতাওয়া ইসলামিয়্যাহ ২/২৬৭-২৬৮, আল-মুমতে ৭/৩২৯-৩৩০)

আরাফার সীমা থেকে সূর্য ডোবার পূর্বেই বের হয়ে এলে কোন ক্ষতি হবে কি?


আরাফার সীমা থেকে সূর্য ডোবার পূর্বেই বের হয়ে এলে ফিদয়্যাহ লাগবে; যা মক্কায় যবেহ করে সেখানকার গরীবদের  মাঝে বিতরণ করতে হবে। দেশে ফিরে গেলে এবং পুনরায় মক্কায় যাওয়া সম্ভব না হলে মক্কার মুসাফির বা পরিচিত কাউকে এ দায়িত্বভার সমর্পণ করবে। কেউ না থাকলে দেশেই যবেহ করে গোশত গরীবদের মাঝে বণ্ঠন করে দেবে। ৩৬৬ (মাজাল্লাতুল বুহূসিল ইসলামিয়্যাহ ৬/২৫৪, ফাতাওয়া ইসলামিয়্যাহ ২/২৬৪)

মুযদালিফায় রাত্রিবাস না করতে পারলে করণীয় কি?


মুযদালিফায় রাত্রিবাস ওয়াজেব। ত্যাগ করলে দম লাগবে। মুযদালিফায় ফজরের নামায পেলে সেটুকুই যথেষ্ট।৩৬৭ (ফাতাওয়া ইসলামিয়্যাহ ২/২৭১) 

নিয়ম হল মুযদালিফায় পৌঁছে মাগরিব ও এশা জমা করে পড়া। কিন্তু ভিড়ের চাপে আরাফা থেকে মুযদালিফা আসতে আসতে যদি অর্ধরাত্রি পার হওয়ার আশঙ্কা হয়, তাহলে করণীয় কি?


আরাফা থেকে মুযদালিফা আসতে আসতে যদি অর্ধরাত্রি পার হওয়ার আশঙ্কা থাকে তবে মাগরিব এশার নামায চলার পথে মুযদালিফার বাইরে হলেও পড়ে নেবে। ৩৬৮ (ফাতাওয়া ইসলামিয়্যাহ ২/২৭০)

ভিড়ের কারণে মাশআরুল হারামের নিকট গিয়ে দুআ করা যদি সম্ভভ না হয়, তাহলে কোন ক্ষতি হবে কি?


মাশআরুল হারামে গিয়ে দুআ করা ওয়াজেব নয়; করা ভাল। ৩৬৯ (ফাতাওয়া ইসলামিয়্যাহ ২/২৭১)

পেজ ন্যাভিগেশন

সর্বমোটঃ  126 টি বিষয় দেখান হচ্ছে।