• ৫৬৪০৩ টি সর্বমোট হাদিস আছেঃ
  • ৫৭৫৬ টি প্রশ্নোত্তর ও ফিকাহঃ

 

 

 

 


ইফরাদের নিয়ত হলে তওয়াফে কুদূম না করতে পারলে কোন ক্ষতি হবে কি?


ইফরাদের নিয়ত হলে তওয়াফে কুদূম না করতে পারলেও কোন ক্ষতি নেই। ৩৫০ (ফাতাওয়া ইসলামিয়্যাহ ২/২৩৮) কেবল হজ্জের তওয়াফই যথেষ্ট। এ ক্ষেত্রে সে সরাসরি মিনায় যেতে পারে।

তওয়াফ করতে করতে ওযু নষ্ট হলে কি করতে হবে?


তওয়াফ করতে করতে ওযু নষ্ট হলে তওয়াফ ছেড়ে ওযু করে পুনরায় তওয়াফ করতে হবে।

তওয়াফ করতে করতে ভিড়ের চাপে পরনারীর দেহ স্পর্শ হলে করণীয় কি?


তওয়াফে নারীদেহ স্পর্শ হলে যদি লজ্জাস্থানে তরল পদার্থ অনুভূত না হয়, তাহলে কোন ক্ষতি হবে না। অবশ্য সকলের উচিৎ, বেগানা নারীর স্পর্শ থেকে দূরে থাকতে চেষ্টা করা। ৩৫১ (ফাতাওয়া ইবনে উষাইমীন ২/৬৩১)

কাউকে বহন করে তওয়াফ সাঈ করালে নিজের তওয়াফও কি যথেষ্ট হবে?


তওয়াফ ও সাঈ এর জন্য যদি কেউ কাউকে বহন করে, তবে বাহকের জন্যও তা যথেষ্ট হবে। বাহককে আর নতুন করে পৃথকভাবে তওয়াফ ও সাঈ করতে হবে না। ৩৫২ (মাজাল্লাতুল বুহূসিল ইসলামিয়্যাহ ২৩/ ৯৫)

তাহিয়্যাতুত তাওয়াফ পড়তে যদি কেউ ভুলে যায়, তাহলে কি করবে?


তাওয়াফের পর ২ রাকাআত নামায সুন্নত। কেউ ভুলে তা না পড়লে কোন ক্ষতি নেই। ৩৫৩ (ফাতাওয়া মুহিম্মাহ ৪০ পৃঃ)

তওয়াফ করতে করতে কথা বলা কি বৈধ?


তওয়াফ করাকালে জরুরী কথাবার্তা বলা দূষণীয় নয়। মহানবী (সঃ) বলেছেন, “তওয়াফ হল নামায। তবে আল্লাহ তাতে কথা বলা বৈধ করেছেন। সুতরাং কেউ কথা বললে, সে যেন ভাল কথা বলে।”(তিরমিযী, দারাক্বত্বনী, হাকেম, ইবনে খুযাইমা) তিনি আর বলেছেন, “তওয়াফ হল নামায। সুতরাং তোমরা তওয়াফ করলে কথা কম বলো।” ৩৫৪ (আহমাদ ৩/২১৪, সহিহুল জামে ৩৯৫৬ নং)

তাওয়াফ ও সাঈ করতে করতে একটু বিশ্রাম নেওয়া, পানি পান করা যায় কি?


তওয়াফ ও সাঈ করতে করতে বৈধ কথা বলা, পানি পান করা, ক্লান্ত হয়ে পড়লে একটু আরাম নেওয়া বৈধ। ৩৫৫ (ঐ ২/৬২০)

হজ্জের সময় হাজারে আসওয়াদ চুম্বন করা বড় কঠিন। সুতরাং ধাক্কাধাক্কি করে অথবা কাউকে ঘুস দিয়ে চুম্বন করলে কি সওয়াব হবে কি?


হাজারে আসওয়াদ চুম্বন করা সুন্নত। তা চুমতে গিয়ে লড়াই করা বা কাউকে ঘুস দেওয়া মহাপাপ। ৩৫৬ (মাজাল্লাতুল বুহূসিল ইসলামিয়্যাহ ১৩/১৭)

ভিড়ের কারণে দ্বিতীয় বা তৃতীয় তলে কি তওয়াফ সাঈ করা যায়?


ভিড়ের কারণে দ্বিতীয় বা তৃতীয় তলায় উঠে তওয়াফ বা সাঈ করা যায় তাতে কোন সমস্যা নেই। ৩৫৭ (মাজাল্লাতুল বুহূসিল ইসলামিয়্যাহ ১/১৯৪)

তওয়াফ করার পর আমি অসুস্থ হয়ে পড়ি। অতঃপর হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে সাঈ করি। এতে কোন ক্ষতি হবে কি?


কারনবশতঃ তওয়াফের ২/৩ দিন পরেও সাঈ করতে পারা যায়। যেহেতু তা তওয়াফের পরপরই করা কোন শর্ত নয়। ৩৫৮ (ফাতাওয়া ইসলামিয়্যাহ ২/২৫২)

পেজ ন্যাভিগেশন

সর্বমোটঃ  126 টি বিষয় দেখান হচ্ছে।