• ৫৬৪০৩ টি সর্বমোট হাদিস আছেঃ
  • ৫৭৫৬ টি প্রশ্নোত্তর ও ফিকাহঃ

 

 

 

 


(৪৫৯) জনৈক নারীর কথা হচ্ছে, আমি রামাযানে ওমরা করার ইচ্ছা পোষণ করেছি। কিন্তু আমার সাথে থাকছে আমার সহদোর বোন, তার স্বামী ও আমার মা। এই ওমরায় যাওয়া কি আমার জন্য জায়েয হবে?


এদের সাথে ওমরায় যাওয়া আপনার জন্য জায়েয হবেনা। কেননা বোনের স্বামী আপনার মাহরাম নয়। ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ আমি শুনেছি নবী (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খুতবায় বলেনঃ

لَا يَخْلُوَنَّ رَجُلٌ بِامْرَأَةٍ وَلَا تُسَافِرَنَّ امْرَأَةٌ إِلَّا وَمَعَهَا مَحْرَمٌ فَقَامَ رَجُلٌ فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ اكْتُتِبْتُ فِي غَزْوَةِ كَذَا وَكَذَا وَخَرَجَتِ امْرَأَتِي حَاجَّةً قَالَ اذْهَبْ فَحُجَّ مَعَ امْرَأَتِكَ

“কোন পুরুষ যেন কোন নারীর সাথে নির্জন না হয়। মাহরাম ছাড়া কোন নারী যেন সফর না করে।” তখন এক ব্যক্তি বলল, হে আল্লাহ্‌র রাসূল আমার স্ত্রী হজ্জ আদায় করার জন্য বের হয়ে গেছে। আর আমি উমুক উমুক যুদ্ধের জন্য নাম লিখিয়েছি? নবী (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, “তুমি চলে যাও এবং তোমার স্ত্রীর সাথে হজ্জ পালন কর।” নবী (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার কাছে কোন ব্যাখ্যা চাইলেন না তোমার স্ত্রীর সাথে কি অন্য কোন নারী আছে না নেই? সে কি যুবতী না বৃদ্ধা? রাস্তায় সে কি নিরাপদ না নিরাপদ নয়?

প্রশ্নকারী এই নারী মাহরাম না থাকার কারণে যদি ওমরায় না যায়, তবে তার কোন গুনাহ্‌ হবে না। যদিও ইতোপূর্বে সে কখনো ওমরা না করে থাকে। কেননা হজ্জ-ওমরা ফরয হওয়ার অন্যতম শর্ত হচ্ছে নারীর মাহরাম থাকা।

পেজ ন্যাভিগেশন

সর্বমোটঃ  1 টি বিষয় দেখান হচ্ছে।