• ৫৬৪০৩ টি সর্বমোট হাদিস আছেঃ
  • ৫৭৫৬ টি প্রশ্নোত্তর ও ফিকাহঃ

 

 

 

 


হাদীস (حَدِيْث) এর শাব্দিক অর্থ: নতুন, প্রাচীন ও পুরাতন এর বিপরীত বিষয়। এ অর্থে যে সব কথা, কাজ ও বস্ত্ত পূর্বে ছিল না, এখন অস্তিত্ব লাভ করেছে  তাই হাদীস। এর আরেক অর্থ হলো: কথা। ফক্বীহগণের পরিভাষায় নাবী কারীম () আল্লাহ্‌র রাসূল হিসেবে যা কিছু বলেছেন, যা কিছু করেছেন এবং যা কিছু বলার বা করার অনুমতি দিয়েছেন অথবা সমর্থন জানিয়েছেন তাকে হাদীস বলা হয়। কিন্তু মুহাদ্দিসগণ এর সঙ্গে রাসুলুল্লাহ () সম্পর্কিত বর্ণনা ও তার গুণাবলী সম্পর্কিত বিবরণকেও হাদীসের অন্তর্ভুক্ত করেন। এ হিসেবে হাদীসকে প্রাথমিক পর্যায়ে তিন শ্রেণীতে ভাগ করা যায়:

১। ক্বওলী হাদীস: কোন বিষয়ে রাসুলুল্লাহ () যা বলেছেন, অর্থাৎ যে হাদীসে তাঁর কোন কথা বিবৃত হয়েছে তাকে ক্বওলী (বাণী সম্পর্কিত) হাদীস বলা হয়।

২। ফেলী হাদীস: মহানাবী ()-এর কাজকর্ম, চরিত্র ও আচার-আচরণের ভেতর দিয়েই ইসলামের যাবতীয় বিধি-বিধান ও রীতিনীতি পরিস্ফুট হয়েছে। অতএব যে হাদীসে তাঁর কোন কাজের বিবরণ উল্লেখিত হয়েছে তাকে ফে’লী (কর্ম সম্পর্কিত) হাদীস বলা হয়।

৩। তাকরীরী হাদীস: সাহাবীগণের যে সব কথা বা কাজ নাবী কারীম ()-এর অনুমোদন ও সমর্থন প্রাপ্ত হয়েছে, সে ধরনের কোন কথা বা কাজের বিবরণ হতেও শরীয়াতের দৃষ্টিভঙ্গি জানা যায়। অতএব যে হাদীসে এ ধরনের কোন ঘটনার বা কাজের উল্লেখ পাওয়া যায় তাকে তাকরীরী (সমর্থন মূলক) হাদীস বলে।

সুন্নাহ (السنة): হাদীসের অপর নাম সুন্নাহ্ (السنة) সুন্নাত শব্দের অর্থ চলার পথ, কর্মের নীতি ও পদ্ধতি। যে পন্থা ও রীতি নাবী কারীম () অবলম্বন করতেন তাকে সুন্নাত বলা হয়। অন্য কথায় রাসুলুল্লাহ () প্রচারিত উচ্চতম আদর্শই সুন্নাত। কুরআন মাজিদে মহত্তম ও সুন্দরতম আদর্শ (أُسْوَةٌ حَسَنَةٌ) বলতে এই সুন্নাতকেই বুঝানো হয়েছে।

খবর (خبر): হাদীসকে আরবী ভাষায় খবরও (خبر) বলা হয়। তবে খবর শব্দটি হাদীস ও ইতিহাস উভয়টিকেই বুঝায়।

আসার (أثر ): আসার শব্দটিও কখনও কখনও রাসুলুল্লাহ () এর হাদীসকে নির্দেশ করে। কিন্তু অনেকেই হাদীস ও আসার এর মধ্যে কিছু পার্থক্য করে থাকেন। তাঁদের মতে- সাহাবীগণ থেকে শরীয়াত সম্পর্কে যা কিছু উদ্ধৃত হয়েছে তাকে আসার বলে।

 

ইলমে হাদীসের কতিপয় পরিভাষা

সাহাবী (صحابى):  যিনি ঈমানের সঙ্গে রাসুলুল্লাহ () এর সাহচর্য লাভ করেছেন এবং ঈমানের সঙ্গে মৃত্যুবরণ করেছেন তাঁকে রাসুলুল্লাহ ()-এর সাহাবী বলা হয়।

তাবেঈ (تابعى) : যিনি রাসুলুল্লাহ ()-এর কোন সাহাবীর নিকট হাদীস শিক্ষা করেছেন অথবা অন্ততপক্ষে তাঁকে দেখেছেন এবং মুসলমান হিসেবে মৃত্যুবরণ করেছেন তাঁকে তাবেঈ বলা হয়।

তাবে-তাবেঈ (تابعى تابع) : যিনি  কোন তাবেঈ এর নিকট হাদীস শিক্ষা করেছেন অথবা অন্ততপক্ষে তাঁকে দেখেছেন এবং মুসলমান হিসেবে মৃত্যুবরণ করেছেন তাঁকে তাবে-তাবেঈ বলা হয়।

মুহাদ্দিস (محدث) : যিনি হাদীস চর্চা করেন এবং বহু সংখ্যক হাদীসের সনদ ও মতন সম্পর্কে বিশেষ জ্ঞান রাখেন তাঁকে মুহাদ্দিস বলা হয়।

শাইখ (شيخ) : হাদীসের শিক্ষাদাতা রাবীকে শায়খ বলা হয়।

শাইখান (شيخان) : সাহাবীগনের মধ্যে আবূ বকর (রাঃ) ও উমর  (রাঃ)- কে একত্রে শাইখান বলা হয়। কিন্তু হাদীস শাস্ত্রে ইমাম বুখারী (রাহি.) ও ইমাম মুসলিম (রাহি.)-কে এবং ফিক্বহ-এর পরিভাষায় ইমাম আবূ হানীফা (রাহি.) ও আবূ ইউসুফ (রাহি.)-কে একত্রে শাইখান বলা হয়। 

হাফিয (حافظ) : যিনি সনদ ও মতনের বৃত্তান্ত সহ এক লাখ হাদীস আয়ত্ত করেছেন তাঁকে হাফিয বলা হয়।

হুজ্জাত (حجة) : অনুরূপভাবে যিনি তিন লক্ষ হাদীস আয়ত্ত করেছেন তাঁকে হুজ্জাত বলা হয়।  

হাকিম (حاكم) : যিনি সব হাদীস আয়ত্ত করেছেন তাকে হাকিম বলা হয়।

রিজাল (رجال) : হাদীসের রাবী সমষ্টিকে রিজাল বলে। যে শাস্ত্রে রাবীগণের জীবনী বর্ণনা করা হয়েছে তাকে আসমাউর-রিজাল বলা হয়।                                                                                 

রিওয়ায়াত (رواية): হাদীস বর্ণনা করাকে রিওয়ায়াত বলে। কখনও কখনও মূল হাদীসকেও রিওয়ায়াত বলা হয়। যেমন- এই কথার সমর্থনে একটি রিওয়ায়াত (হাদীস) আছে।                           

সনদ (سند): হাদীসের মূল কথাটুকু যে সূত্র পরম্পরায় গ্রন্থ সংকলনকারী পর্যন্ত পৌঁছেছে তাকে সনদ বলা হয়। এতে হাদীস বর্ণনাকারীদের নাম একের পর এক সজ্জিত থাকে।

মতন (متن): হাদীসে মূল কথা ও তার শব্দ সমষ্টিকে মতন বলে।

মারফূ (مرفوع): যে হাদীসের সনদ (বর্ণনা পরম্পরা) রাসুলুল্লাহ () পর্যন্ত পৌঁছেছে  তাকে মারফূ হাদীস বলে।

মাওকূফ (موقوف) : যে হাদীসের বর্ণনা- সূত্র ঊর্ধ্ব দিকে সাহাবী পর্যন্ত পৌঁছেছে , অর্থাৎ যে সনদ -সূত্রে কোন সাহাবীর কথা বা কাজ বা অনুমোদন বর্ণিত হয়েছে তাকে মাওকূফ হাদীস বলে। এর অপর নাম আসার।

মাকতূ (مقطوع): যে হাদীসের সনদ কোন তাবেঈ পর্যন্ত পৌঁছেছে, তাকে মাকতূ হাদীস বলা হয়।

তালীক (تعليق): কোন কোন গ্রন্থকার হাদীসের পূর্ণ সনদ বাদ দিয়ে কেবল মূল হাদীস বর্ণনা করেছেন। এরূপ করাকে তা’লীক বলা হয়।

মুদাল্লাস (مدلس): যে হাদীসের রাবী নিজের প্রকৃত শাইখের (উস্তাদের) নাম উল্লেখ না করে তার উপরস্থ শাইখের নামে এভাবে হাদীস বর্ণনা করেছেন যাতে মনে হয় যে, তিনি নিজেই উপরস্থ শাইখের নিকট তা শুনেছেন অথচ তিনি তাঁর নিকট সেই হাদীস শুনেন নি- সে হাদীসকে মুদাল্লাস হাদীস এবং এইরূপ করাকে ‘তাদ্লীস’ আর যিনি এইরূপ করেন তাকে মুদালস্নীস বলা হয়।

মুযতারাব (مضطرب): যে হাদীসের রাবী হাদীসের মতন ও সনদকে বিভিন্ন প্রকারে বর্ণনা করেছেন সে হাদীসকে হাদীসে মুযতারাব বলা হয়। যে পর্যন্ত না এর কোনরূপ সমন্বয় সাধন সম্ভবপর হয়, সে পর্যন্ত এই হাদীসের ব্যাপারে অপেক্ষা করতে হবে অর্থাৎ এই ধরনের রিওয়ায়াত প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না।

মুদ্রাজ (مدرج): যে হাদীসের মধ্যে রাবী নিজের অথবা অপরের উক্তিকে অনুপ্রবেশ করিয়েছেন, সে হাদীসকে মুদ্রাজ এবং এইরূপ করাকে ‘ইদরাজ’ বলা হয়।

মুত্তাসিল (متصل): যে হাদীসের সনদের ধারাবাহিকতা প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত পূর্ণরূপে রক্ষক্ষত আছে, কোন সত্মরেই কোন রাবীর নাম বাদ পড়ে নি তাকে মুত্তাসিল হাদীস বলে।

মুনকাতি (منقطع): যে হাদীসের সনদে ধারাবাহিকতা রক্ষিত হয় নি, মাঝখানে কোন এক স্তরে কোন রাবীর নাম বাদ পড়েছে, তাকে মুনকাতি হাদীস, আর এই বাদ পড়াকে ইনকিতা বলা হয়।

মুরসাল (مرسل): যে হাদীসের সনদে ইনকিতা শেষের দিকে হয়েছে, অর্থাৎ সাহাবীর নাম বাদ পড়েছে এবং তাবেঈ সরাসরি রাসুলুল্লাহ () এর উল্লেখ করে হাদীস বর্ণনা করেছেন তাকে মুরসাল হাদীস বলা হয়।

মুআল্লাক ( معلق ) : সনদের ইনকিতা প্রথম দিকে  হলে, অর্থাৎ সাহাবীর পর এক বা একাধিক রাবীর নাম বাদ পড়লে তাকে মু’আল্লাক হাদীস বলা হয়।

মুদাল (معضل): যে হাদীসে দুই বা ততোধিক রাবী ক্রমান্বয়ে সনদ থেকে বাদ পড়েছে তাকে মু‘দাল হাদীস বলে।

মুতাবি ও শাহিদ (متابع و شاهد): এক রাবীর হাদীসের অনুরূপ যদি অপর রাবীর কোন হাদীস পাওয়া যায় তবে দ্বিতীয় রাবীর হাদীসকে প্রথম রাবীর হাদীসের মুতাবি বলা হয়। যদি উভয় হাদীসের মূল রাবী অর্থাৎ সাহাবী একই ব্যক্তি না হয় তবে দ্বিতীয় ব্যক্তির হাদীসকে শাহিদ বলে। আর এইরূপ হওয়াকে শাহাদাত বলে। মুতাবা’আত ও শাহাদাত দ্বারা প্রথম হাদীসটির শক্তি বৃদ্ধি পায়।

মারূফ ও মুনকার (معروف و منكر): কোন দুর্বল রাবীর বর্ণিত হাদীস অপর কোন মাকবূল (গ্রহণযোগ্য) রাবীর বর্ণিত হাদীসের বিরোধী হলে তাকে মুনকার বলা হয় এবং মাকবূল রাবীর হাদীসকে মা‘রূফ বলা হয়।

সহীহ (صحيح) : যে মুত্তাসিল হাদীসের সনদে উল্লেখিত প্রত্যেক রাবীই পূর্ণ আদালত ও যাবত (ধারণ ক্ষমতা) গুণ সম্পন্ন এবং হাদীসটি যাবতীয় দোষত্রুটি ও শায মুক্ত তাকে সহীহ হাদীস বলে।

হাসান (حسن) : যে হাদীসের মধ্যে রাবীর যাবত (ধারণ ক্ষমতা) এর গুণ ব্যতীত সহীহ হাদীসের সমস্ত শর্তই পরিপূর্ণ রয়েছে তাকে হাসান হাদীস বলা হয়। ফক্বীহগণ সাধারণত সহীহ ও হাসান হাদীসের ভিত্তিতে শরীয়াতের বিধান নির্ধারণ  করেন।

যঈফ (ضعيف ) : যে হাদীসের রাবী কোন হাসান হাদীসের রাবীর গুণসম্পন্ন নন তাকে যঈফ হাদীস বলে।

মাওযূ ( موضوع ) : যে হাদীসের রাবী জীবনে কখনও ইচ্ছাকৃতভাবে রাসুলুল্লাহ ()-এর নামে মিথ্যা কথা রটনা করেছেন বলে প্রমাণিত হয়েছে, তার বর্ণিত হাদীসকে মাওযূ‘ হাদীস বলে।

 

রাবীর সংখ্যা বিচারে হাদীস প্রধানত দুপ্রকার। যথা: ১. মুতওয়াতির (متواتر) ও ২. আহাদ (أحاد)

১. মুতওয়াতির (متواتر): বৃহৎ সংখ্যক রাবীর বর্ণিত হাদীস, মিথ্যার ব্যাপারে যাদের উপর একাট্টা হওয়া অসম্ভব, সনদের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত এ সংখ্যা বিদ্যমান থাকলে হাদীসকে মুতওয়াতির (متواتر) বলা হয়।

২. আহাদ (أحاد): أحاد তিন প্রকার। যথা:

মাশহুর (مشهور): যে কোন স্তরে হাদীস বর্ণনা কারীর সংখ্যা যদি দুই এর অধিক হয়, কিন্তু মুতওয়াতির এর পর্যায়ে পৌঁছে না তাকে মাশহুর (مشهور) বলে।

আযীয (عزيز): যে কোন স্তরে হাদীস বর্ণনা কারীর সংখ্যা যদি দু‘জন হয় ।

গরীব (غريب): যে কোন স্তরে হাদীস বর্ণনা কারীর সংখ্যা যদি এক জন হয় ।

শায (شاذ): একাধিক নির্ভরযোগ্য রাবীর বিপরীত একজন নির্ভরযোগ্য রাবীর বর্ণনাকে শায হাদীস বলে।

 কিয়াস (قياس): অর্থ অনুমান, পরিমাপ, তুলনা ইত্যাদি। পরিভাষায়: শাখাকে মূলের সঙ্গে তুলনা করা, যার ফলে শাখা ও মূল একই হুকুমের অমত্মর্ভুক্ত হয়ে যায়।

তাক্বলীদ (تقليد): দলীল উল্লেখ ছাড়াই কোন ব্যক্তির মতামতকে গ্রহণ করা।

ইজতিহাদ (اجتهاد): উদ্দিষ্ট জ্ঞান অর্জনের প্রচেষ্টা চালানোকে ইজতিহাদ বলে।

শরীয়াত (شريعة): অর্থ: আইন, বিধান, পথ, পন্থা ইত্যাদি। পরিভাষায়: মহান আল্লাহ্‌ স্বীয় দীন হতে বান্দার জন্য যা বিধিবদ্ধ করে দিয়েছেন তাকে শরীয়াত বলে।

মাযহাব (مذهب): অর্থ- মত, পথ, মতবাদ ইত্যাদি। ফিক্বহী পরিভাষায়: ইবাদাত ও মু‘আমালাতের ক্ষেত্রে শারঈ হুকুম পালনের জন্য বান্দা যে পথ অনুসরণ করে এবং প্রত্যেক দলের জন্য একজন ইমামের উপর অথবা ইমামের ওসীয়ত কিংবা ইমামের প্রতিনিধির উপর নির্ভর করে তাকে মাযহাব বলে।

নাযর (نذر): কোন বিষয়ে উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য চিন্তা-ভাবনা করাকে নাযর বলে।

আম (عام): সীমাবদ্ধ করা ছাড়াই যা দুই বা ততোধিক বিষয়কে অন্তর্ভুক্ত করে তাকে আম বলে।

খাস (خاص): আম এর বিপরীত, যা নির্দিষ্ট বিষয়কে অন্তর্ভুক্ত করে।

ইজমা (اجماع): কোন এক যুগে আলিমদের কোন শারঈ বিষয়ের উপর এক মত পোষণ করাকে ইজমা বলে।

মুসনাদ (مسند): যার সনদগুলো পরস্পর এমনভাবে মিলিত যে, প্রত্যেকের বর্ণনা সুস্পষ্ট।

ফিক্বহ (فقه): ইজতিহাদ বা গবেষণার পদ্ধতিতে শারঈ হুকুম সম্পর্কে জানার বিধানকে ফিক্বহ বলে।

আসল বা মূল (اصل): এমন প্রথম বিষয়, যার উপর ভিত্তি করে কোন কিছু গড়ে উঠে। যেমন- দেয়ালের ভিত্তি।

ফারা বা শাখা (فرع): আসলের বিপরীত যা কোন ভিত্তির উপর গড়ে উঠে।

ওয়াজিব (واجب): যা আমল করলে সাওয়াব পাওয়া যাবে আর পরিত্যাগ করলে শাস্তি পাওয়া যাবে।

মানদূব (مندوب): যা আমল করলে সাওয়াব পাওয়া যাবে আর পরিত্যাগ করলে শাস্তি হবে না।

মাহযূর (محظور): যা পরিত্যাগ করলে সাওয়াব পাওয়া যাবে আর আমল করলে শাস্তি পাওয়া যাবে।

মাকরূহ (مكروه): যা পরিত্যাগ করলে সাওয়াব পাওয়া যাবে আর আমল করলে শাস্তি হবে না।

ফাৎওয়া (فتوى): জিজ্ঞাসিত ব্যক্তির নিকট থেকে দলীল ভিত্তিক শারঈ হুকুম সুস্পষ্ট বর্ণনা করে নেয়াকে ফাৎওয়া বলে।

নাসিখ (ناسخ): পরিবর্তিত শারঈ দলীল যা পূববর্তী শারঈ হুকুমকে রহিত করে দেয় তাকে নাসিখ বলে।

মানসূখ (منسوخ): আর যে হুকুমটি রহিত হয়ে যায় সেটাই মানসূখ।

মুতলাক্ব (مطلق): যা প্রকৃতিগত দিক থেকে জাতির সকলকে অন্তর্ভুক্ত  করে কিন্তু অনির্দিষ্টভাবে একটি অর্থকে বুঝায়।

মুকাইয়্যাদ (مقيد): যা মুতলাক্বের বিপরীত অর্থাৎ জাতির সকলকে অন্তর্ভুক্ত  করে না। বরং নির্দিষ্ট একটি অর্থকে বুঝায়।

হাক্বীকাত (حقيقة): শব্দকে আসল অর্থে ব্যবহার করাকে হাক্বীকত বলে। যেমন- সিংহ শব্দটি এক প্রজাতির হিংস্র প্রাণীকে বুঝায়।

মাজায (مجاز): শব্দ যখন আসল অর্থকে অতিক্রম করে তার সাথে সাদৃশ্য রাখে এমন অর্থ প্রকাশ করে তখন তাকে মাজায বলে। যেমন- সাহসী লোককে সিংহের সাথে তুলনা করা।

হাদিসের পরিসংখ্যান

সর্বমোট হাদিস পাওয়া গেছেঃ [197] টি | অধ্যায়ঃ ২/ ঈমান ও ইসলাম
গ্রন্থঃ মুসনাদে আহমেদ | দেখানো হচ্ছে   [71]  থেকে  [80]  পর্যন্ত
প্রতি পাতাতে টি হাদিস

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ মুসনাদে আহমেদ
অধ্যায়ঃ ২/ ঈমান ও ইসলাম
হাদিস নম্বরঃ ২৪ | 24 | ۲٤

২৪। আস-সুদুসিয়্যু অর্থাৎ ইবনু আল-খাসাসিয়্যা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট ‘বাই‘আত’ হওয়ার জন্য আসলাম। তিনি আমাকে (কয়েকটি বিষয়ে) শর্ত দিলেন তা হচ্ছে; আল্লাহ ব্যতীত কোন উপাস্য নেই এবং মুহাম্মদ তার বান্দা ও রাসূল এই সাক্ষ দেবো; সালাত কায়েম করবো; যাকাত আদায় করবো; ইসলামের রীতি অনুযায়ি হজ পালন করব; ইসলামের রীতি অনুসারে হজ্জ পালন করব, রমযানের সিয়াম পালন করব এবং আল্লাহর রাস্তায় জিহাদ করবো। তখন আমি বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ, (এই বিষয় গুলোর মধ্যে) দইটি পালন করার সাধ্য আমার নেই; জিহাদ ও সা’দকা (যাকাত)। কারন সবাই মনে করে থাকে, যে যুদ্ধ ক্ষেত্র থেকে পলায়ন করবে সে আল্লাহর রোষানলে পতিত হবে। সুতরাং আমার আশঙ্কা যদি আমি যুদ্ধে অংশ গ্রহন করি, তবে আমি ভীত-বিহ্বল হয়ে পড়বো এবং আমার মৃত্যু হবে, যা আমি চাই না, আর সা’দকা (যাকাত)! আল্লাহর শপথ, আমার তো সামান্য ক‘টা ছাগল আর গোটা দশেক উট (বাচ্চা উট) রয়েছে যা আমার পরিবারের সম্বল ও বাহন। অতঃপর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর হাত ধরলেন এবং নাড়াচাড়া করলেন, আর বলেলন ও (বুঝেছি), জিহাদ নয় সা’দ্কাও নয়; তো তুমি জান্নাতে প্রবেশ করবে কী জন্য? (অর্থাৎ এ দুটি ছাড়াই তুমি জান্নাতে প্রবেশ করবে তা কী কখনোও হতে পারে?) তখন আমি বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ, আমি (সব শর্ত মেনে নিয়ে) আপনার হাতে বাই‘আত হব এবং আমি এসব বিষয়ের উপর বাই‘আত করলাম। (আহমাদ ও তাবারানী, আহমাদের রাবীগণ নির্ভরযোগ্য।)



হাদিসের মানঃ  তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!
দুঃখিত! আরবী অংশ এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।
দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ মুসনাদে আহমেদ
অধ্যায়ঃ ৩/ তাকদীর
হাদিস নম্বরঃ ২৪ | 24 | ۲٤

২৪। ‘উবাদাহ ইবনুু্ ওলীদ বিল ‘উবাদাহ্ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমার পিতা আমাকে বলেছেন, আমি উবাদাহ ইবনুুস সামিত (রাঃ) এর কাছে গেলাম, তিনি তখন মৃত্যু শয্যায় শায়িত। আমি তাঁকে বললাম, চাচাজী আমাকে উপদেশ দান করুন এবং আমার জন্য ‘ইজতিহাদ’ (দো‘আ) করুন। তিনি বললেন, তোমরা আমাকে (শয়ন থেকে) বসাও। (বসানো হলে) তিনি বললেন, হে বৎস! তুমি ঈমানের স্বাদ কখনও লাভ করতে পারবে না এবং আল্লাহ তা‘আলার মা‘রিফাতের (জ্ঞানের) স্বরূপ উপলব্ধি করতে পারবে না-যতক্ষণ না তুমি ভাল ও মন্দ সংক্রান্ত তাকদীরে বিশ্বাস স্থাপন করবে। তখন আমি বললাম, চাচাজী, আমি কিভাবে জানতে পারবো তাকদীরের ভাল-মন্দ কোনটা? তিনি বললেন, জেনে রাখ যা তোমাকে ভুল করেছে (অর্থাৎ যা কিছু তুমি পাও নি), তা কখনই তোমার প্রাপ্য ছিল না এবং যা কিছু তুমি প্রাপ্ত হয়েছ তা কখনই তোমাকে ভুল করতো না (অর্থাৎ অবশ্যই তোমাকে পেত)। হে বৎস! আমি আল্লাহর রাসূলের কাছে শুনেছি, তিনি বলেছেন, সর্বপ্রথম আল্লাহ তা‘আলা যা সৃষ্টি করেছিলেন, তা হচ্ছে কলম, অতঃপর তিনি কলমকে বললেন, লিখ। তখন থেকেই কলম লিখতে শুরু করেছে কিয়ামত পর্যন্ত যা কিছু হওয়ার (এবং তার সবই লেখা সমাপ্ত)। হে বৎস! তুমি যদি এই বিশ্বাস ছাড়া মৃত্যু মুখে পতিত হও, তবে তুমি দোযখে প্রবেশ করবে। (আবূ দাউদ হাদীসটি সংক্ষিপ্তাকারে বর্ণনা করেছেন। আর তিবরানী ও তায়ালেসী পূর্ণ বর্ণনা করেছেন।)



হাদিসের মানঃ  তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!
দুঃখিত! আরবী অংশ এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।
দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ মুসনাদে আহমেদ
অধ্যায়ঃ ১/ একত্ববাদ প্রসঙ্গে
হাদিস নম্বরঃ ২৫ | 25 | ۲۵

২৫। মুয়ায ইবনু জাবাল (রাঃ) থেকেও অনুরূপ (উপর্যুক্ত হাদীসের ন্যায়) একটি হাদীস বর্ণিত আছে। (আহমদ; বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য)



হাদিসের মানঃ  তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!
দুঃখিত! আরবী অংশ এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।
দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ মুসনাদে আহমেদ
অধ্যায়ঃ ২/ ঈমান ও ইসলাম
হাদিস নম্বরঃ ২৫ | 25 | ۲۵

২৫। ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তাঁকে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন মু‘আয ইবনু জাবাল (রাঃ) কে ইয়ামেন প্রেরণ করেন তখন তাকে বলেন, তুমি আহলে কিতাবদের সম্প্রদায়ে (ইয়াহুদী- নাসারাদের মাঝে) গমন করছ। সুতরাং তুমি (প্রথমে) তাদেরকে দাওয়াত দিবে এই সাক্ষ্যের প্রতি যে, আল্লহ ভিন্ন কোন ইলাহ নেই এবং আমি আল্লাহর রাসূল। যদি তারা এ বিষয়ে তোমার অনুসরণ করে তবে তুমি তাদেরকে জানিয়ে দেবে যে, আল্লাহ তাদের উপর প্রতি দিন-রাতে পাঁচ ওয়াক্ত সালাত ফরয করেছেন। যদি তারা এতে তোমার অনুসরণ করে, তবে তুমি তাদের জানিয়ে দেবে যে, আল্লাহ তাদের উপর যাকাত ফরয করেছেন যা তাদের ধনাঢ্য ব্যক্তিদের সম্পদ থেকে আদায় করে তাদের দরিদ্রদের মাঝে বিতরণ করা হবে। তে যদি তারা তোমার অনুসরণ করে, তাহলে সাবধান, তাদের সম্পদের উত্তম অংশটি থেকে (অর্থাৎ জোরপূর্বক যাকাতের জন্য শ্রেষ্ঠতম সম্পদটি না নিয়ে বরং মধ্যম মানের সম্পদ, যাকাত হিসেবে লক্ষ্য রাখতে হবে যেন সম্পদের নিকৃষ্টতমটিও না দেয়)। এবং ভয় করবে মজলুমের (নিগৃহীতের) দোওয়া-বদদোওয়া থেকে। কেননা মজলুম ও আল্লাহর মাঝে কোন পর্দা অবশিষ্ট থাকে না। অর্থাৎ তার দোওয়া সর্বদা আল্লাহর নিকটে কবুল হয়ে থাকে। (বুখারী, মুসলিম ও অন্যান্য)



হাদিসের মানঃ  তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!
দুঃখিত! আরবী অংশ এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।
দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ মুসনাদে আহমেদ
অধ্যায়ঃ ৩/ তাকদীর
হাদিস নম্বরঃ ২৫ | 25 | ۲۵

২৫। উবাদা বিন সামিত (রাঃ) থেকে বর্ণিত, (একদা) জনৈক ব্যক্তি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকটে উপস্থিত হয়ে বললেন, ইয়া নাবীয়্যাল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম! কোন্ আমল বা কর্ম উত্তম? তিনি বললেন, আল্লাহর প্রতি ঈমান আনয়ন ও এর সত্যয়ন করা এবং আল্লাহর রাস্তায় জিহাদ করা। আগন্তুক বললেন, আমি এর চেয়ে সহজ কিছু চাই, ইয়া রাসূলুল্লাহ! বললেন, ক্ষমা ও ধৈর্যধারণ। আগন্তুক বললেন, ইয়া রাসূলুল্লাহ, আমি এর চেয়ে সহজতর কিছু চাই। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, আল্লাহ তাবারাকা ওয়া তা’আলা তোমার জন্য যা কিছু মঞ্জুর করে রেখেছেন তার জন্য তাঁকে অভিযুক্ত করবে না। (অন্য কোন কিতাবে এ হাদীসটি পাওয়া যায়নি। এর সনদে একজন বিতর্কিত রাবী আছে।)



হাদিসের মানঃ  তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!
দুঃখিত! আরবী অংশ এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।
দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ মুসনাদে আহমেদ
অধ্যায়ঃ ১/ একত্ববাদ প্রসঙ্গে
হাদিস নম্বরঃ ২৬ | 26 | ۲٦

২৬। সুহাইল ইবনু আল-বায়দা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, একদা আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে এক সফরে ছিলাম; আর আমি ছিলাম সওয়ারীর পৃষ্ঠে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পেছনে উপবিষ্ট। এমতাবস্থায় রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে লক্ষ্য করে 'হে সুহাইল ইবনু আল-বায়দা’ বলে উচ্চস্বরে দুইবার কিংবা তিনবার ডাক দিলেন। প্রতিবারই সুহাইল তাঁর ডাকে সাড়া দেন। (যাহোক) এতে করে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কন্ঠস্বও শোনা গেল এবং সফরসঙ্গীগণ বুঝতে পারলেন যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁদের সবাইকে আহ্বান করেছেন। সুতরাং যাঁরা তাঁর অগ্রবর্তী ছিলেন, তাঁরা থেমে গেলেন, আর যারা তাঁর পশ্চাতানুসারী ছিলেন, তাঁরা এসে মিলিত হলেন। সবাই একত্রিত হবার পর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, যে ব্যক্তি এই মর্মে সাক্ষ্য প্রদান করবে যে, আল্লাহ ভিন্ন কোন ইলাহ নেই, আল্লাহ তাকে জাহান্নামের জন্য হারাম কওে দেন এবং তার জন্য জান্নাত ওয়াজিব করে দেন। (অন্য বর্ণনায়) আল্লাহ তাআলা এই সাক্ষ্যেও বিনিময়ে সেই ব্যক্তির জন্য জান্নাত ওয়াজিব কওে দেন এবং জাহান্নাম থেকে তাকে মুক্ত করে দেন। (তিবরানী, মুসলিম ও তিরযিতে এর সাক্ষ্য আছে।)



হাদিসের মানঃ  তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!
দুঃখিত! আরবী অংশ এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।
দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ মুসনাদে আহমেদ
অধ্যায়ঃ ২/ ঈমান ও ইসলাম
হাদিস নম্বরঃ ২৬ | 26 | ۲٦

২৬। আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ঈমান হচ্ছে চৌঁষট্টি দরজা বিশিষ্ট, সর্বোচ্চ ও সর্বোত্তমটি হচ্ছে লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ (আল্লাহ ব্যতীত কোন ইলাহ বা উপাস্য নেই) বলা এবং সর্বনিম্নটি হচ্ছে রাস্তা থেকে কষ্টদায়ক বস্তুর অপসারণ। (বুখারী ও মুসলিম)



হাদিসের মানঃ  তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
বর্ণনাকারী রাবীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)

Sorry! No English Hadith Added Yet!
দুঃখিত! আরবী অংশ এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।
দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ মুসনাদে আহমেদ
অধ্যায়ঃ ৩/ তাকদীর
হাদিস নম্বরঃ ২৬ | 26 | ۲٦

২৬। . আমার ইবনুু্ শু‘য়াইব, তাঁর পিতা থেকে এবং তাঁর পিতা তাঁর দাদা থেকে বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, কোন মানুষ ঈমানদার হবে না যতক্ষণ না সে বিশ্বাস স্থাপন করবে তাকদীরের ভাল ও মন্দের ওপর। আবূ হাযিম বলেন, তাকদীরে অবিশ্বাস করা বা মিথ্যারোপকারী হলো এমন এক মতবাদ যাকে আল্লাহ পাক অভিসম্পাত করেন, আমি এ মতবাদের চেয়ে বড় বা উর্দ্ধে। (হাদীসটিও অন্য কোন কিতাবে পাওয়া যায়নি। তবে তিরমিযীতে . জাবির (রাঃ) এর হাদীসের মাধ্যমে এর সাক্ষ্য বিদ্যমান এবং বুখারী ও মুসলিমে সমার্থবোধক বিদ্যমান।)



হাদিসের মানঃ  তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!
দুঃখিত! আরবী অংশ এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।
দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ মুসনাদে আহমেদ
অধ্যায়ঃ ১/ একত্ববাদ প্রসঙ্গে
হাদিস নম্বরঃ ২৭ | 27 | ۲۷

২৭। আবূ মূসা আল-আশ’আরী (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, একদা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকটে উপস্থিত হই; আমার সাথে আমার সম্প্রদায়ের কিছুসংখ্যক লোকও ছিলেন। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে (উদ্দেশ্য করে) বললেন, তোমরা সুসংবাদ গহণ কর এবং যারা েিতামাদেও পশ্চাতে রয়েছে (অর্থাৎ যারা এখানে উপস্থিত নেই), তাদেরকে এই মর্মে সুসংবাদ প্রদান করবে, যে কেউ সত্য জ্ঞান করে (সর্বান্তকরণে) এই সাক্ষ্য প্রদান করবে যে, আল্লাহ ভিন্ন কোন ইলাহ বা উপাস্য নেই, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। অতঃপর আমরা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম - এর কাছ থেকে বিদায় নিয়ে বের হলাম, আর লোকজনকে এই সুসংবাদ প্রদান করতে থাকলাম। এমতাবস্থায় আমরা . উমর ইবনু খত্তাব (রাঃ) এর মুখোমুখি হলাম। তিনি (এতদশ্রবণে) আমাদেরকে নিয়ে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে ফিরে গেলেন। . ওমর (রাঃ) আরয করলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম , (এইরূপ সুসংবাদ প্রদান করলে) লোকজন এর উপর ভরসা করবে (অন্য কোন আমল করবে না); তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নীরবতা অবলম্বন করলেন (কোন মন্তব্য করেননি)। [তিবরানী, বুখারীও মুসলিমে . আনাস থেকে অনুরূপ বর্ণনা বিদ্যমান।]



হাদিসের মানঃ  তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!
দুঃখিত! আরবী অংশ এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।
দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ মুসনাদে আহমেদ
অধ্যায়ঃ ২/ ঈমান ও ইসলাম
হাদিস নম্বরঃ ২৭ | 27 | ۲۷

২৭। তাঁর [আবূ হুরায়রা (রাঃ)] থেকে আরও বর্ণিত, নিশ্চয়ই রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ঈমান হচ্ছে সত্তরের অধিক দরজা (এর সমন্বয়ে গঠিত একটি একক)। সর্বোত্তমটি হচ্ছে লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ এবং সর্বনিম্নটি হচ্ছে রাস্তা থেকে কষ্টদায়ক বস্তুর অপসারণ এবং লজ্জা ঈমানের একটি অংশ বা শাখা। (বুখারী, মুসলিম ও অন্যান্য)



হাদিসের মানঃ  তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
বর্ণনাকারী রাবীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)

Sorry! No English Hadith Added Yet!
দুঃখিত! আরবী অংশ এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।
দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

হাদিস দেখানো হচ্ছে   [71]  থেকে  [80]  পর্যন্ত এবং সর্বমোট   [197]  টি হাদিস পাওয়া গেছে।