• ৫৬৪২৯ টি সর্বমোট হাদিস আছেঃ
  • ৫৭৫৬ টি প্রশ্নোত্তর ও ফিকাহঃ

 

 

 

 


হাদীস (حَدِيْث) এর শাব্দিক অর্থ: নতুন, প্রাচীন ও পুরাতন এর বিপরীত বিষয়। এ অর্থে যে সব কথা, কাজ ও বস্ত্ত পূর্বে ছিল না, এখন অস্তিত্ব লাভ করেছে  তাই হাদীস। এর আরেক অর্থ হলো: কথা। ফক্বীহগণের পরিভাষায় নাবী কারীম () আল্লাহ্‌র রাসূল হিসেবে যা কিছু বলেছেন, যা কিছু করেছেন এবং যা কিছু বলার বা করার অনুমতি দিয়েছেন অথবা সমর্থন জানিয়েছেন তাকে হাদীস বলা হয়। কিন্তু মুহাদ্দিসগণ এর সঙ্গে রাসুলুল্লাহ () সম্পর্কিত বর্ণনা ও তার গুণাবলী সম্পর্কিত বিবরণকেও হাদীসের অন্তর্ভুক্ত করেন। এ হিসেবে হাদীসকে প্রাথমিক পর্যায়ে তিন শ্রেণীতে ভাগ করা যায়:

১। ক্বওলী হাদীস: কোন বিষয়ে রাসুলুল্লাহ () যা বলেছেন, অর্থাৎ যে হাদীসে তাঁর কোন কথা বিবৃত হয়েছে তাকে ক্বওলী (বাণী সম্পর্কিত) হাদীস বলা হয়।

২। ফেলী হাদীস: মহানাবী ()-এর কাজকর্ম, চরিত্র ও আচার-আচরণের ভেতর দিয়েই ইসলামের যাবতীয় বিধি-বিধান ও রীতিনীতি পরিস্ফুট হয়েছে। অতএব যে হাদীসে তাঁর কোন কাজের বিবরণ উল্লেখিত হয়েছে তাকে ফে’লী (কর্ম সম্পর্কিত) হাদীস বলা হয়।

৩। তাকরীরী হাদীস: সাহাবীগণের যে সব কথা বা কাজ নাবী কারীম ()-এর অনুমোদন ও সমর্থন প্রাপ্ত হয়েছে, সে ধরনের কোন কথা বা কাজের বিবরণ হতেও শরীয়াতের দৃষ্টিভঙ্গি জানা যায়। অতএব যে হাদীসে এ ধরনের কোন ঘটনার বা কাজের উল্লেখ পাওয়া যায় তাকে তাকরীরী (সমর্থন মূলক) হাদীস বলে।

সুন্নাহ (السنة): হাদীসের অপর নাম সুন্নাহ্ (السنة) সুন্নাত শব্দের অর্থ চলার পথ, কর্মের নীতি ও পদ্ধতি। যে পন্থা ও রীতি নাবী কারীম () অবলম্বন করতেন তাকে সুন্নাত বলা হয়। অন্য কথায় রাসুলুল্লাহ () প্রচারিত উচ্চতম আদর্শই সুন্নাত। কুরআন মাজিদে মহত্তম ও সুন্দরতম আদর্শ (أُسْوَةٌ حَسَنَةٌ) বলতে এই সুন্নাতকেই বুঝানো হয়েছে।

খবর (خبر): হাদীসকে আরবী ভাষায় খবরও (خبر) বলা হয়। তবে খবর শব্দটি হাদীস ও ইতিহাস উভয়টিকেই বুঝায়।

আসার (أثر ): আসার শব্দটিও কখনও কখনও রাসুলুল্লাহ () এর হাদীসকে নির্দেশ করে। কিন্তু অনেকেই হাদীস ও আসার এর মধ্যে কিছু পার্থক্য করে থাকেন। তাঁদের মতে- সাহাবীগণ থেকে শরীয়াত সম্পর্কে যা কিছু উদ্ধৃত হয়েছে তাকে আসার বলে।

 

ইলমে হাদীসের কতিপয় পরিভাষা

সাহাবী (صحابى):  যিনি ঈমানের সঙ্গে রাসুলুল্লাহ () এর সাহচর্য লাভ করেছেন এবং ঈমানের সঙ্গে মৃত্যুবরণ করেছেন তাঁকে রাসুলুল্লাহ ()-এর সাহাবী বলা হয়।

তাবেঈ (تابعى) : যিনি রাসুলুল্লাহ ()-এর কোন সাহাবীর নিকট হাদীস শিক্ষা করেছেন অথবা অন্ততপক্ষে তাঁকে দেখেছেন এবং মুসলমান হিসেবে মৃত্যুবরণ করেছেন তাঁকে তাবেঈ বলা হয়।

তাবে-তাবেঈ (تابعى تابع) : যিনি  কোন তাবেঈ এর নিকট হাদীস শিক্ষা করেছেন অথবা অন্ততপক্ষে তাঁকে দেখেছেন এবং মুসলমান হিসেবে মৃত্যুবরণ করেছেন তাঁকে তাবে-তাবেঈ বলা হয়।

মুহাদ্দিস (محدث) : যিনি হাদীস চর্চা করেন এবং বহু সংখ্যক হাদীসের সনদ ও মতন সম্পর্কে বিশেষ জ্ঞান রাখেন তাঁকে মুহাদ্দিস বলা হয়।

শাইখ (شيخ) : হাদীসের শিক্ষাদাতা রাবীকে শায়খ বলা হয়।

শাইখান (شيخان) : সাহাবীগনের মধ্যে আবূ বকর (রাঃ) ও উমর  (রাঃ)- কে একত্রে শাইখান বলা হয়। কিন্তু হাদীস শাস্ত্রে ইমাম বুখারী (রাহি.) ও ইমাম মুসলিম (রাহি.)-কে এবং ফিক্বহ-এর পরিভাষায় ইমাম আবূ হানীফা (রাহি.) ও আবূ ইউসুফ (রাহি.)-কে একত্রে শাইখান বলা হয়। 

হাফিয (حافظ) : যিনি সনদ ও মতনের বৃত্তান্ত সহ এক লাখ হাদীস আয়ত্ত করেছেন তাঁকে হাফিয বলা হয়।

হুজ্জাত (حجة) : অনুরূপভাবে যিনি তিন লক্ষ হাদীস আয়ত্ত করেছেন তাঁকে হুজ্জাত বলা হয়।  

হাকিম (حاكم) : যিনি সব হাদীস আয়ত্ত করেছেন তাকে হাকিম বলা হয়।

রিজাল (رجال) : হাদীসের রাবী সমষ্টিকে রিজাল বলে। যে শাস্ত্রে রাবীগণের জীবনী বর্ণনা করা হয়েছে তাকে আসমাউর-রিজাল বলা হয়।                                                                                 

রিওয়ায়াত (رواية): হাদীস বর্ণনা করাকে রিওয়ায়াত বলে। কখনও কখনও মূল হাদীসকেও রিওয়ায়াত বলা হয়। যেমন- এই কথার সমর্থনে একটি রিওয়ায়াত (হাদীস) আছে।                           

সনদ (سند): হাদীসের মূল কথাটুকু যে সূত্র পরম্পরায় গ্রন্থ সংকলনকারী পর্যন্ত পৌঁছেছে তাকে সনদ বলা হয়। এতে হাদীস বর্ণনাকারীদের নাম একের পর এক সজ্জিত থাকে।

মতন (متن): হাদীসে মূল কথা ও তার শব্দ সমষ্টিকে মতন বলে।

মারফূ (مرفوع): যে হাদীসের সনদ (বর্ণনা পরম্পরা) রাসুলুল্লাহ () পর্যন্ত পৌঁছেছে  তাকে মারফূ হাদীস বলে।

মাওকূফ (موقوف) : যে হাদীসের বর্ণনা- সূত্র ঊর্ধ্ব দিকে সাহাবী পর্যন্ত পৌঁছেছে , অর্থাৎ যে সনদ -সূত্রে কোন সাহাবীর কথা বা কাজ বা অনুমোদন বর্ণিত হয়েছে তাকে মাওকূফ হাদীস বলে। এর অপর নাম আসার।

মাকতূ (مقطوع): যে হাদীসের সনদ কোন তাবেঈ পর্যন্ত পৌঁছেছে, তাকে মাকতূ হাদীস বলা হয়।

তালীক (تعليق): কোন কোন গ্রন্থকার হাদীসের পূর্ণ সনদ বাদ দিয়ে কেবল মূল হাদীস বর্ণনা করেছেন। এরূপ করাকে তা’লীক বলা হয়।

মুদাল্লাস (مدلس): যে হাদীসের রাবী নিজের প্রকৃত শাইখের (উস্তাদের) নাম উল্লেখ না করে তার উপরস্থ শাইখের নামে এভাবে হাদীস বর্ণনা করেছেন যাতে মনে হয় যে, তিনি নিজেই উপরস্থ শাইখের নিকট তা শুনেছেন অথচ তিনি তাঁর নিকট সেই হাদীস শুনেন নি- সে হাদীসকে মুদাল্লাস হাদীস এবং এইরূপ করাকে ‘তাদ্লীস’ আর যিনি এইরূপ করেন তাকে মুদালস্নীস বলা হয়।

মুযতারাব (مضطرب): যে হাদীসের রাবী হাদীসের মতন ও সনদকে বিভিন্ন প্রকারে বর্ণনা করেছেন সে হাদীসকে হাদীসে মুযতারাব বলা হয়। যে পর্যন্ত না এর কোনরূপ সমন্বয় সাধন সম্ভবপর হয়, সে পর্যন্ত এই হাদীসের ব্যাপারে অপেক্ষা করতে হবে অর্থাৎ এই ধরনের রিওয়ায়াত প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না।

মুদ্রাজ (مدرج): যে হাদীসের মধ্যে রাবী নিজের অথবা অপরের উক্তিকে অনুপ্রবেশ করিয়েছেন, সে হাদীসকে মুদ্রাজ এবং এইরূপ করাকে ‘ইদরাজ’ বলা হয়।

মুত্তাসিল (متصل): যে হাদীসের সনদের ধারাবাহিকতা প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত পূর্ণরূপে রক্ষক্ষত আছে, কোন সত্মরেই কোন রাবীর নাম বাদ পড়ে নি তাকে মুত্তাসিল হাদীস বলে।

মুনকাতি (منقطع): যে হাদীসের সনদে ধারাবাহিকতা রক্ষিত হয় নি, মাঝখানে কোন এক স্তরে কোন রাবীর নাম বাদ পড়েছে, তাকে মুনকাতি হাদীস, আর এই বাদ পড়াকে ইনকিতা বলা হয়।

মুরসাল (مرسل): যে হাদীসের সনদে ইনকিতা শেষের দিকে হয়েছে, অর্থাৎ সাহাবীর নাম বাদ পড়েছে এবং তাবেঈ সরাসরি রাসুলুল্লাহ () এর উল্লেখ করে হাদীস বর্ণনা করেছেন তাকে মুরসাল হাদীস বলা হয়।

মুআল্লাক ( معلق ) : সনদের ইনকিতা প্রথম দিকে  হলে, অর্থাৎ সাহাবীর পর এক বা একাধিক রাবীর নাম বাদ পড়লে তাকে মু’আল্লাক হাদীস বলা হয়।

মুদাল (معضل): যে হাদীসে দুই বা ততোধিক রাবী ক্রমান্বয়ে সনদ থেকে বাদ পড়েছে তাকে মু‘দাল হাদীস বলে।

মুতাবি ও শাহিদ (متابع و شاهد): এক রাবীর হাদীসের অনুরূপ যদি অপর রাবীর কোন হাদীস পাওয়া যায় তবে দ্বিতীয় রাবীর হাদীসকে প্রথম রাবীর হাদীসের মুতাবি বলা হয়। যদি উভয় হাদীসের মূল রাবী অর্থাৎ সাহাবী একই ব্যক্তি না হয় তবে দ্বিতীয় ব্যক্তির হাদীসকে শাহিদ বলে। আর এইরূপ হওয়াকে শাহাদাত বলে। মুতাবা’আত ও শাহাদাত দ্বারা প্রথম হাদীসটির শক্তি বৃদ্ধি পায়।

মারূফ ও মুনকার (معروف و منكر): কোন দুর্বল রাবীর বর্ণিত হাদীস অপর কোন মাকবূল (গ্রহণযোগ্য) রাবীর বর্ণিত হাদীসের বিরোধী হলে তাকে মুনকার বলা হয় এবং মাকবূল রাবীর হাদীসকে মা‘রূফ বলা হয়।

সহীহ (صحيح) : যে মুত্তাসিল হাদীসের সনদে উল্লেখিত প্রত্যেক রাবীই পূর্ণ আদালত ও যাবত (ধারণ ক্ষমতা) গুণ সম্পন্ন এবং হাদীসটি যাবতীয় দোষত্রুটি ও শায মুক্ত তাকে সহীহ হাদীস বলে।

হাসান (حسن) : যে হাদীসের মধ্যে রাবীর যাবত (ধারণ ক্ষমতা) এর গুণ ব্যতীত সহীহ হাদীসের সমস্ত শর্তই পরিপূর্ণ রয়েছে তাকে হাসান হাদীস বলা হয়। ফক্বীহগণ সাধারণত সহীহ ও হাসান হাদীসের ভিত্তিতে শরীয়াতের বিধান নির্ধারণ  করেন।

যঈফ (ضعيف ) : যে হাদীসের রাবী কোন হাসান হাদীসের রাবীর গুণসম্পন্ন নন তাকে যঈফ হাদীস বলে।

মাওযূ ( موضوع ) : যে হাদীসের রাবী জীবনে কখনও ইচ্ছাকৃতভাবে রাসুলুল্লাহ ()-এর নামে মিথ্যা কথা রটনা করেছেন বলে প্রমাণিত হয়েছে, তার বর্ণিত হাদীসকে মাওযূ‘ হাদীস বলে।

 

রাবীর সংখ্যা বিচারে হাদীস প্রধানত দুপ্রকার। যথা: ১. মুতওয়াতির (متواتر) ও ২. আহাদ (أحاد)

১. মুতওয়াতির (متواتر): বৃহৎ সংখ্যক রাবীর বর্ণিত হাদীস, মিথ্যার ব্যাপারে যাদের উপর একাট্টা হওয়া অসম্ভব, সনদের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত এ সংখ্যা বিদ্যমান থাকলে হাদীসকে মুতওয়াতির (متواتر) বলা হয়।

২. আহাদ (أحاد): أحاد তিন প্রকার। যথা:

মাশহুর (مشهور): যে কোন স্তরে হাদীস বর্ণনা কারীর সংখ্যা যদি দুই এর অধিক হয়, কিন্তু মুতওয়াতির এর পর্যায়ে পৌঁছে না তাকে মাশহুর (مشهور) বলে।

আযীয (عزيز): যে কোন স্তরে হাদীস বর্ণনা কারীর সংখ্যা যদি দু‘জন হয় ।

গরীব (غريب): যে কোন স্তরে হাদীস বর্ণনা কারীর সংখ্যা যদি এক জন হয় ।

শায (شاذ): একাধিক নির্ভরযোগ্য রাবীর বিপরীত একজন নির্ভরযোগ্য রাবীর বর্ণনাকে শায হাদীস বলে।

 কিয়াস (قياس): অর্থ অনুমান, পরিমাপ, তুলনা ইত্যাদি। পরিভাষায়: শাখাকে মূলের সঙ্গে তুলনা করা, যার ফলে শাখা ও মূল একই হুকুমের অমত্মর্ভুক্ত হয়ে যায়।

তাক্বলীদ (تقليد): দলীল উল্লেখ ছাড়াই কোন ব্যক্তির মতামতকে গ্রহণ করা।

ইজতিহাদ (اجتهاد): উদ্দিষ্ট জ্ঞান অর্জনের প্রচেষ্টা চালানোকে ইজতিহাদ বলে।

শরীয়াত (شريعة): অর্থ: আইন, বিধান, পথ, পন্থা ইত্যাদি। পরিভাষায়: মহান আল্লাহ্‌ স্বীয় দীন হতে বান্দার জন্য যা বিধিবদ্ধ করে দিয়েছেন তাকে শরীয়াত বলে।

মাযহাব (مذهب): অর্থ- মত, পথ, মতবাদ ইত্যাদি। ফিক্বহী পরিভাষায়: ইবাদাত ও মু‘আমালাতের ক্ষেত্রে শারঈ হুকুম পালনের জন্য বান্দা যে পথ অনুসরণ করে এবং প্রত্যেক দলের জন্য একজন ইমামের উপর অথবা ইমামের ওসীয়ত কিংবা ইমামের প্রতিনিধির উপর নির্ভর করে তাকে মাযহাব বলে।

নাযর (نذر): কোন বিষয়ে উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য চিন্তা-ভাবনা করাকে নাযর বলে।

আম (عام): সীমাবদ্ধ করা ছাড়াই যা দুই বা ততোধিক বিষয়কে অন্তর্ভুক্ত করে তাকে আম বলে।

খাস (خاص): আম এর বিপরীত, যা নির্দিষ্ট বিষয়কে অন্তর্ভুক্ত করে।

ইজমা (اجماع): কোন এক যুগে আলিমদের কোন শারঈ বিষয়ের উপর এক মত পোষণ করাকে ইজমা বলে।

মুসনাদ (مسند): যার সনদগুলো পরস্পর এমনভাবে মিলিত যে, প্রত্যেকের বর্ণনা সুস্পষ্ট।

ফিক্বহ (فقه): ইজতিহাদ বা গবেষণার পদ্ধতিতে শারঈ হুকুম সম্পর্কে জানার বিধানকে ফিক্বহ বলে।

আসল বা মূল (اصل): এমন প্রথম বিষয়, যার উপর ভিত্তি করে কোন কিছু গড়ে উঠে। যেমন- দেয়ালের ভিত্তি।

ফারা বা শাখা (فرع): আসলের বিপরীত যা কোন ভিত্তির উপর গড়ে উঠে।

ওয়াজিব (واجب): যা আমল করলে সাওয়াব পাওয়া যাবে আর পরিত্যাগ করলে শাস্তি পাওয়া যাবে।

মানদূব (مندوب): যা আমল করলে সাওয়াব পাওয়া যাবে আর পরিত্যাগ করলে শাস্তি হবে না।

মাহযূর (محظور): যা পরিত্যাগ করলে সাওয়াব পাওয়া যাবে আর আমল করলে শাস্তি পাওয়া যাবে।

মাকরূহ (مكروه): যা পরিত্যাগ করলে সাওয়াব পাওয়া যাবে আর আমল করলে শাস্তি হবে না।

ফাৎওয়া (فتوى): জিজ্ঞাসিত ব্যক্তির নিকট থেকে দলীল ভিত্তিক শারঈ হুকুম সুস্পষ্ট বর্ণনা করে নেয়াকে ফাৎওয়া বলে।

নাসিখ (ناسخ): পরিবর্তিত শারঈ দলীল যা পূববর্তী শারঈ হুকুমকে রহিত করে দেয় তাকে নাসিখ বলে।

মানসূখ (منسوخ): আর যে হুকুমটি রহিত হয়ে যায় সেটাই মানসূখ।

মুতলাক্ব (مطلق): যা প্রকৃতিগত দিক থেকে জাতির সকলকে অন্তর্ভুক্ত  করে কিন্তু অনির্দিষ্টভাবে একটি অর্থকে বুঝায়।

মুকাইয়্যাদ (مقيد): যা মুতলাক্বের বিপরীত অর্থাৎ জাতির সকলকে অন্তর্ভুক্ত  করে না। বরং নির্দিষ্ট একটি অর্থকে বুঝায়।

হাক্বীকাত (حقيقة): শব্দকে আসল অর্থে ব্যবহার করাকে হাক্বীকত বলে। যেমন- সিংহ শব্দটি এক প্রজাতির হিংস্র প্রাণীকে বুঝায়।

মাজায (مجاز): শব্দ যখন আসল অর্থকে অতিক্রম করে তার সাথে সাদৃশ্য রাখে এমন অর্থ প্রকাশ করে তখন তাকে মাজায বলে। যেমন- সাহসী লোককে সিংহের সাথে তুলনা করা।

হাদিসের পরিসংখ্যান

সর্বমোট হাদিস পাওয়া গেছেঃ [2400] টি | অধ্যায়ঃ ৬/ নামাজের সময়সীমা
গ্রন্থঃ সূনান নাসাঈ | দেখানো হচ্ছে   [581]  থেকে  [590]  পর্যন্ত
প্রতি পাতাতে টি হাদিস

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সূনান নাসাঈ
অধ্যায়ঃ ৬/ নামাজের সময়সীমা
হাদিস নম্বরঃ ৫৮০ | 580 | ۵۸۰

পরিচ্ছদঃ ৩৬/ আসরের পর নামাযের অনুমতি প্রদান।

৫৮০  ইসহাক ইবনু ইবরাহিম (রহঃ) উম্মে সালামা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন: (একদা) রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কর্মব্যস্ততার দরুন আসরের পূর্বে দু’রাক’আত সালাত আদায় করতে পারলেন না। ফলে তা আসরের পর আদায় করলেন।

হাসান সহিহ,



হাদিসের মানঃ  হাসান (Hasan)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

It was narrated that Umm Salamah said:
"The Messenger of Allah (ﷺ) got distracted and did not pray the two Rak'ahs before 'Asr so he prayed them after 'Asr."

Grade: Hasan

أَخْبَرَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ أَنْبَأَنَا وَكِيعٌ، قَالَ حَدَّثَنَا طَلْحَةُ بْنُ يَحْيَى، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُتْبَةَ، عَنْ أُمِّ سَلَمَةَ، قَالَتْ شُغِلَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَنِ الرَّكْعَتَيْنِ قَبْلَ الْعَصْرِ فَصَلاَّهُمَا بَعْدَ الْعَصْرِ ‏.‏

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সূনান নাসাঈ
অধ্যায়ঃ ৬/ নামাজের সময়সীমা
হাদিস নম্বরঃ ৫৮১ | 581 | ۵۸۱

পরিচ্ছদঃ ৩৭/ সূর্যাস্তের পূর্বে নামায পড়ার অনুমতি।

৫৮১  উসমান ইবনু আবদুল্লাহ (রহঃ) ইমরান ইবনু হুদায়র (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন: সূর্যাস্তের পূর্বে দু’রাক’আত আদায় করা সমন্ধে আমি লাহিক ইবনু হুমায়দ সা’দুসী) (রহঃ) –কে জিজ্ঞাসা করলাম। তিনি বললেন, আবদুল্লাহ ইবনু যুবায়র (রাঃ) তা আদায় করতেন। তখন মুয়াবিয়া (রাঃ) আবদুল্লাহ ইবনু জুবায়র (রাঃ) এর নিকট পরত পাঠালেন যে, সূর্যাস্তের পূর্বে এই দু'রাকাআত কিসের নামায? আবদুল্লাহ ইবনু জুবায়র (রাঃ) উম্মে সালামা (রাঃ)-এর শরণাপন্ন হলেন। উম্মে সালামা (রাঃ) বলেন: রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম–এ দু’রাক’আত আসরের পূর্বে আদায় করতেন। একদিন কর্মব্যস্ততার দরুন আদায় করতে পারলেন না বলে সূর্যাস্তের সময় তা আদায় করলেন। আমি এর আগে বা পরে কখনও রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম–কে তা আদায় করতে দেখিনি।

সহিহ



হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

'Imran bin Hudair said:
"I asked Lahiq about the two Rak'ahs before sunset. He said: "Abdullah bin Az-Zubair used to pray them, and Mu'awiyah sent word to him asking: 'What are these two Rak'ahs at sunset?' He had to refer to Umm Salamah, and Umm Salamah said: 'The Messenger of Allah (ﷺ) used to pray two Rak'ahs before 'Asr, then he was distracted and did not pray them, so he prayed them when the sun set, and I never saw him pray them before or after that.'"

Grade: Sahih

أَخْبَرَنَا عُثْمَانُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُعَاذٍ، قَالَ أَنْبَأَنَا أَبِي قَالَ، حَدَّثَنَا عِمْرَانُ بْنُ حُدَيْرٍ، قَالَ سَأَلْتُ لاَحِقًا عَنِ الرَّكْعَتَيْنِ، قَبْلَ غُرُوبِ الشَّمْسِ فَقَالَ كَانَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الزُّبَيْرِ يُصَلِّيهِمَا فَأَرْسَلَ إِلَيْهِ مُعَاوِيَةُ مَا هَاتَانِ الرَّكْعَتَانِ عِنْدَ غُرُوبِ الشَّمْسِ فَاضْطَرَّ الْحَدِيثَ إِلَى أُمِّ سَلَمَةَ فَقَالَتْ أُمُّ سَلَمَةَ إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ يُصَلِّي رَكْعَتَيْنِ قَبْلَ الْعَصْرِ فَشُغِلَ عَنْهُمَا فَرَكَعَهُمَا حِينَ غَابَتِ الشَّمْسُ فَلَمْ أَرَهُ يُصَلِّيهِمَا قَبْلُ وَلاَ بَعْدُ ‏.‏

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সূনান নাসাঈ
অধ্যায়ঃ ৬/ নামাজের সময়সীমা
হাদিস নম্বরঃ ৫৮২ | 582 | ۵۸۲

পরিচ্ছদঃ ৩৮/ মাগরিবের পূর্বে নামাযের অনুমতি।

৫৮২  আলী ইবনু উসমান (রহঃ) ইয়াযিদ ইবনু আবূ হাবিব (রহঃ) থেকে বর্ণিত যে, আবূল খায়র তাঁর কাছে বর্ণনা করেছেন যে, আবূ তামিম জায়্শানি (রাঃ) একদা মাগরিবের পূর্বে দু’রাক’আত নফল সালাত আদায় করতে দাঁড়ালেন, তখন আমি উকবা ইবনু আমির (রাঃ)-কে বললাম: দেখুন! ইনি কিসের সালাত আদায় করছেন? তিনি ফিরে তাঁকে দেখলেন এবং বললেনঃ আমার এ সালাত রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম–এর যুগে আদায় করতাম।

সহিহ, বুখারি হাঃ ১১৮৪



হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

It was narrated from Yazid bin Abi Habib that Abu Al-Khair told him:
"Abu Tamim Al-Jaishani stood up to pray two Rak'ahs before Maghrib, and I said to 'Uqbah bin 'Amir: 'Look at this man, what prayer is he praying?' He turned and looked at him, and said: 'This is a prayer that we used to pray at the time of the Messenger of Allah (ﷺ).'"

Grade: Sahih

أَخْبَرَنَا عَلِيُّ بْنُ عُثْمَانَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ سَعِيدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ نُفَيْلٍ، قَالَ حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ عِيسَى، قَالَ حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ الْقَاسِمِ، قَالَ حَدَّثَنَا بَكْرُ بْنُ مُضَرَ، عَنْ عَمْرِو بْنِ الْحَارِثِ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ أَبِي حَبِيبٍ، أَنَّ أَبَا الْخَيْرِ، حَدَّثَهُ أَنَّ أَبَا تَمِيمٍ الْجَيْشَانِيَّ قَامَ لِيَرْكَعَ رَكْعَتَيْنِ قَبْلَ الْمَغْرِبِ فَقُلْتُ لِعُقْبَةَ بْنِ عَامِرٍ انْظُرْ إِلَى هَذَا أَىَّ صَلاَةٍ يُصَلِّي فَالْتَفَتَ إِلَيْهِ فَرَآهُ فَقَالَ هَذِهِ صَلاَةٌ كُنَّا نُصَلِّيهَا عَلَى عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏.‏

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সূনান নাসাঈ
অধ্যায়ঃ ৬/ নামাজের সময়সীমা
হাদিস নম্বরঃ ৫৮৩ | 583 | ۵۸۳

পরিচ্ছদঃ ৩৯/ ফজর প্রকাশের পর নামায পড়া।

৫৮৩  আহমাদ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু হাকাম (রহঃ) হাফসা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন: রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফজর উদ্ভাসিত হওয়ার পর সংক্ষেপে (ফজরের পূর্বে) মাত্র দু’রাক’আত সালাত আদায় করতেন।

সহিহ, ইবনু মাজাহ হাঃ ১১৪৫, বুখারি হাঃ ১১৭৩, মুসলিম (ইসলামিক সেন্টার) হাঃ ১৫৫৫



হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

It was narrated from Ibn 'Umar that Hafsah said:
"When the dawn appears, the Messenger of Allah (ﷺ) would only pray two short Rak'ahs."


Grade: Sahih

أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْحَكَمِ، قَالَ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، قَالَ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ زَيْدِ بْنِ مُحَمَّدٍ، قَالَ سَمِعْتُ نَافِعًا، يُحَدِّثُ عَنِ ابْنِ عُمَرَ، عَنْ حَفْصَةَ، أَنَّهَا قَالَتْ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِذَا طَلَعَ الْفَجْرُ لاَ يُصَلِّي إِلاَّ رَكْعَتَيْنِ خَفِيفَتَيْنِ ‏.‏

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সূনান নাসাঈ
অধ্যায়ঃ ৬/ নামাজের সময়সীমা
হাদিস নম্বরঃ ৫৮৪ | 584 | ۵۸٤

পরিচ্ছদঃ ৪০। ফজরের পূর্ব পর্যন্ত নফল নামাযের অনুমতি প্রদান।

৫৮৪  হাসান ইবনু ইসমাঈল ইবনু সুলায়মান আইয়্যুব ইবনু মুহাম্মদ (রহঃ) আমর ইবনু আবাসা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন: আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এসে বললাম, ইয়া রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম! আপনার উপর কে ঈমান এনেছিলেন? উত্তরে বললেন, একজন আযাদ পুরুষ আর একজন কৃতদাস [ আবূ বকর ও বিলাল (রাঃ) ]। জিজ্ঞাসা করলাম: এমন কোন সময় আছে কি যাতে অন্য সময়ের তুলনায় আল্লাহ পাকের অধিক নৈকট্য লাভ করা যায়? উত্তরে বললেনঃ হ্যাঁ। রাত্রের শেষার্ধে, ফজর পড়ার পূর্ব পর্যন্ত যা মনে চায়, পড়। তারপর সূর্যোদয় হওয়া এবং লালিমা কেটে রৌদ্র প্রখর না হওয়া পর্যন্ত বিরত থাকবে। (রাবী) আইয়্যুব বলেন: যতক্ষণ সুর্যকে ঢালের মত মনে হয় এবং সূর্যের কিরণ ছড়িয়ে না পড়ে, ততক্ষণ পর্যন্ত বিরত থাকবে। তারপর খুঁটি তার মূল ছায়ার উপর অবস্থান না করা পর্যন্ত (দ্বি-প্রহরের পূর্ব পর্যন্ত)যা মনে চায়, আদায় কর। তারপর সুর্য না হেলা পড়ন্ত বিরত থাক। কেননা দ্বি-প্রহরে জাহান্নামের অগ্নি অধিক প্রজ্জ্বলিত করা হয়। তারপর আসরের পূর্ব পর্যন্ত যা মনে চায়, আদায় কর। আবার সূর্যাস্ত পর্যন্ত বিরত থাক। কেননা সূর্যের অস্ত এবং উদয় উভয়ই শয়তানের দুই শিংয়ের মাঝখান দিয়ে হয়।

সহিহ, ৫৭২ নং হাদিসে পূর্বে বর্ণিত হয়েছে।



হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

It was narrated that 'Amr bin 'Abasah said:
"I came to the Messenger of Allah, who became Muslim with you?' He said: 'Free men and slaves.' I said: 'Is there any moment which brings one closer to Allah than another?' He said: 'Yes, the last part of the night, so pray as much as you want until you pray Subh, then stop until the sun has risen until and it looks like a shield and (its shinning)spreads. Then pray as much as you want until an object's shadow is at its shortest, then stop until the sun passes its zenith, for Hell is stoked at midday. Then pray 'Asr, then stop until you pray 'Asr, then stop until the sun has set, for it sets between the horns of a Shaitan and rises between the horns of a Shaitan.'" [1] [1] Similar has been recorded by Muslim.

Grade: Sahih

أَخْبَرَنِي الْحَسَنُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ بْنِ سُلَيْمَانَ، وَأَيُّوبُ بْنُ مُحَمَّدٍ، قَالاَ حَدَّثَنَا حَجَّاجُ بْنُ مُحَمَّدٍ، قَالَ أَيُّوبُ حَدَّثَنَا وَقَالَ، حَسَنٌ أَخْبَرَنِي شُعْبَةُ، عَنْ يَعْلَى بْنِ عَطَاءٍ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ طَلْقٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْبَيْلَمَانِيِّ، عَنْ عَمْرِو بْنِ عَبَسَةَ، قَالَ أَتَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ مَنْ أَسْلَمَ مَعَكَ قَالَ ‏"‏ حُرٌّ وَعَبْدٌ ‏"‏ ‏.‏ قُلْتُ هَلْ مِنْ سَاعَةٍ أَقْرَبُ إِلَى اللَّهِ عَزَّ وَجَلَّ مِنْ أُخْرَى قَالَ ‏"‏ نَعَمْ جَوْفُ اللَّيْلِ الآخِرُ فَصَلِّ مَا بَدَا لَكَ حَتَّى تُصَلِّيَ الصُّبْحَ ثُمَّ انْتَهِ حَتَّى تَطْلُعَ الشَّمْسُ وَمَا دَامَتْ ‏"‏ ‏.‏ وَقَالَ أَيُّوبُ فَمَا دَامَتْ ‏"‏ كَأَنَّهَا حَجَفَةٌ حَتَّى تَنْتَشِرَ ثُمَّ صَلِّ مَا بَدَا لَكَ حَتَّى يَقُومَ الْعَمُودُ عَلَى ظِلِّهِ ثُمَّ انْتَهِ حَتَّى تَزُولَ الشَّمْسُ فَإِنَّ جَهَنَّمَ تُسْجَرُ نِصْفَ النَّهَارِ ثُمَّ صَلِّ مَا بَدَا لَكَ حَتَّى تُصَلِّيَ الْعَصْرَ ثُمَّ انْتَهِ حَتَّى تَغْرُبَ الشَّمْسُ فَإِنَّهَا تَغْرُبُ بَيْنَ قَرْنَىْ شَيْطَانٍ وَتَطْلُعُ بَيْنَ قَرْنَىْ شَيْطَانٍ ‏"‏ ‏.‏

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সূনান নাসাঈ
অধ্যায়ঃ ৬/ নামাজের সময়সীমা
হাদিস নম্বরঃ ৫৮৫ | 585 | ۵۸۵

পরিচ্ছদঃ ৪১/ মক্কা শরীফে সব সময় নামাযের অনুমতি প্রদান।

৫৮৫  মুহাম্মদ ইবনু মানসুর (রহঃ) জুবায়র ইবনু মুত’ইম (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন : হে আবদে মানাফের বংশধরগন! এ ঘরের (বায়তুল্লাহ)তাওয়াফ এবং এতে সালাত আদায়ের উদ্দেশ্যে রাত বা দিনের যে কোন মুহুর্তে কেউ এতে প্রবেশ করতে চাইলে তাকে তোমরা বাধা দেবে না।

সহিহ, ইবনু মাজাহ হাঃ ১২৫৪



হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

It was narrated from Jubair bin Mut'im that the Prophet (ﷺ) said:
"O Banu 'Abd Manaf, do not prevent anyone from circumambulating this House and praying at any time he wants of night or day."

Grade: Sahih

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مَنْصُورٍ، قَالَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، قَالَ سَمِعْتُ مِنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، قَالَ سَمِعْتُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ بَابَاهْ، يُحَدِّثُ عَنْ جُبَيْرِ بْنِ مُطْعِمٍ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ يَا بَنِي عَبْدِ مَنَافٍ لاَ تَمْنَعُوا أَحَدًا طَافَ بِهَذَا الْبَيْتِ وَصَلَّى أَيَّةَ سَاعَةٍ شَاءَ مِنْ لَيْلٍ أَوْ نَهَارٍ ‏"‏ ‏.

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সূনান নাসাঈ
অধ্যায়ঃ ৬/ নামাজের সময়সীমা
হাদিস নম্বরঃ ৫৮৬ | 586 | ۵۸٦

পরিচ্ছদঃ ৪২/ যে সব মুসাফির যোহর ও আসরের নামায একসাথে আদায় করবে।

৫৮৬  কুতায়বা (রহঃ) আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন: রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দ্বি-প্রহরের পূর্বে সফরে রওয়ানা হলে আসর পর্যন্ত যোহরের সালাতকে বিলম্বিত করতেন। তারপর অবতরণ করে উভয় সালাত একত্রে আদায় করতেন। দ্বি-প্রহরের পর রওয়ানা হলে যোহরের সালাত আদায় করে আরোহন করতেন।

সহিহ, সহিহ আবু দাউদ হাঃ ১১০৪, ইরউয়াউল গালীল হাঃ ৫৭৯ নং, বুখারি হাঃ ১১১১, মুসলিম (ইসলামিক সেন্টার) হাঃ ১৫০৪



হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

It was narrated that Anas bin Malik said:
"If the Messenger of Allah (ﷺ) was setting out on a journey before the sun passed its zenith, he would delay Zuhr until the time of 'Asr, then he would stop and combine the prayer. If the sun passed its zenith before he set out, he would pray Zuhr and then set off.

Grade: Sahih

أَخْبَرَنَا قُتَيْبَةُ، قَالَ حَدَّثَنَا مُفَضَّلٌ، عَنْ عُقَيْلٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِذَا ارْتَحَلَ قَبْلَ أَنْ تَزِيغَ الشَّمْسُ أَخَّرَ الظُّهْرَ إِلَى وَقْتِ الْعَصْرِ ثُمَّ نَزَلَ فَجَمَعَ بَيْنَهُمَا فَإِنْ زَاغَتِ الشَّمْسُ قَبْلَ أَنْ يَرْتَحِلَ صَلَّى الظُّهْرَ ثُمَّ رَكِبَ ‏.‏

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সূনান নাসাঈ
অধ্যায়ঃ ৬/ নামাজের সময়সীমা
হাদিস নম্বরঃ ৫৮৭ | 587 | ۵۸۷

পরিচ্ছদঃ ৪২/ যে সব মুসাফির যোহর ও আসরের নামায একসাথে আদায় করবে।

৫৮৭  মুহাম্মদ ইবনু সালামা ও হারিস ইবনু মিসকিন (রহঃ) আবূ তুফায়্ল আমির ইবনু ওয়াসিলা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। মুআয ইবনু জাবাল (রাঃ) তাঁকে বলেছেন যে, তাবুকের যুদ্ধে সাহাবায়ে কিরাম (রাঃ) রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে রওয়ানা হলেন। এতে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জোহর এবং আসরের সালাত একত্রে আদায় করলেন। আবার মাগরিব ও ঈশা একত্রে আদায় করলেন। একদিন যোহরের সালাতকে বিলম্বিত করে জোহর ও আসর একত্রে আদায় করলেন। তারপর মাগরিবের নামাযকে দেরী করে মাগরিব ও ঈশাকে  একত্রে আদায় করলেন।

সহিহ, তিরমিযী হাঃ ৫৫৯, ইরউয়াউল গালীল হাঃ ৫৭৮



হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

It was narrated from Abu At-Tufail 'Amir bin Wathilah that Mu'adh bin Jabal told him that they went out with the Messenger of Allah (ﷺ) in the year of Tabuk, and the Messenger of Allah (ﷺ) was joining Zuhr and 'Asr, and Maghrib and 'Isha'. He delayed the prayer one day then he went out and prayed Zuhr and 'Asr together, then he went in and came out again and prayed Maghrib and 'Isha'.

Grade: Sahih

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سَلَمَةَ، وَالْحَارِثُ بْنُ مِسْكِينٍ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ، - وَاللَّفْظُ لَهُ - عَنِ ابْنِ الْقَاسِمِ، قَالَ حَدَّثَنِي مَالِكٌ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ الْمَكِّيِّ، عَنْ أَبِي الطُّفَيْلِ، عَامِرِ بْنِ وَاثِلَةَ أَنَّ مُعَاذَ بْنَ جَبَلٍ، أَخْبَرَهُ أَنَّهُمْ، خَرَجُوا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَامَ تَبُوكَ فَكَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَجْمَعُ بَيْنَ الظُّهْرِ وَالْعَصْرِ وَالْمَغْرِبِ وَالْعِشَاءِ فَأَخَّرَ الصَّلاَةَ يَوْمًا ثُمَّ خَرَجَ فَصَلَّى الظُّهْرَ وَالْعَصْرَ جَمِيعًا ثُمَّ دَخَلَ ثُمَّ خَرَجَ فَصَلَّى الْمَغْرِبَ وَالْعِشَاءَ ‏.‏

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সূনান নাসাঈ
অধ্যায়ঃ ৬/ নামাজের সময়সীমা
হাদিস নম্বরঃ ৫৮৮ | 588 | ۵۸۸

পরিচ্ছদঃ ৪৩/ এর বিবরণ প্রসঙ্গে।

৫৮৮  মুহাম্মদ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু বাযীগ (রহঃ) কাছীর ইবনু ক্বারাওয়ান্দা (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন: আমি সালিম ইবনু আবদুল্লাহ (রহঃ) –কে তাঁর পিতার সফরের সালাত সমন্ধে জানতে চাইলাম এবং তাঁকে জিজ্ঞাসা করলাম, তিনি সফরে দু’ ওয়াক্তের সালাত একত্রে আদায় করতেন কি? তখন সালিম (রহঃ) এই ঘটনা উল্লেখ করলেন যে, সফিয়্যা বিনত আবূ উবায়দ (রাঃ) তাঁর (আবদুল্লাহর)সহধর্মিনী ছিলেন। সফিয়্যা অসুস্থ হয়ে আবদুল্লাহ (রাঃ)-এর নিকট পত্র লিখলেন। তখন আবদুল্লাহ (রাঃ) তাঁর দূরবর্তী জমিনে কৃষিকাজ করছিলেন। পত্রে লিখলেন যে, আমি মনে করি আমার পার্থিব জীবনের শেষ দিনে এবং আখিরাতের প্রথম দিনে উপনীত হয়েছি। সংবাদ পাওয়ামাত্রই তিনি অশ্বারোহণ করে দ্রুতগতিতে আসতে লাগলেন। যখন যোহরের সালাতের সময় হল, মুয়াযযিন বলল, হে আবূ আবদূর রহমান! সালাত। তিনি ভ্রুক্ষেপ না করে চলতে লাগলেন। যখন দুই সালাতের মধ্যবর্তী সময়ে উপনীত হল, (অর্থাত যোহরের শেষ ওয়াক্ত আসরের প্রথম ওয়াক্ত)তখন অবতরণ করলেন এবং বললেন, ইকামত দাও। যখন আমি সালাত সমাপ্ত করি তখন আবার ইকামত দিবে। তারপর সালাত আদায় করে আরোহন করলেন। আবার যখন সূর্যাস্ত গেল, মুয়াযজ্বীন তাঁকে বললেন, সালাত। তিনি বললেন, ঐরূপ আমল কর যেরূপ জোহর ও আসরের সালাতে করেছিলে। আবার পথ চললেন। তারপর যখন সমুজ্জ্বল তারকা আকাশে উদ্ভাসিত হল, তখন অবতরণ করে মুয়াযজ্বীনকে বললেন, ইকামত বল। যখন সালাত সমাপ্ত করি, তখন আবার ইকামত বলবে। এবার সালাত আদায় করে তাদের দিকে ফিরলেন এবং বললেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন : যখন তোমাদের কারও সামনে এমন কোন জটিল কাজ দেখা দিবে যা ফওত হয়ে যাওয়ার আশংকা থাকবে, তখন এভাবে দু’ ওয়াক্তের সালাত একত্রে আদায় করে নেবে।

সহিহ, সহিহাহ ১৩৭০



হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

Kathir bin Qarawanda said:
"I asked Salim bin 'Abdullah about how his father prayed when traveling. We asked him: 'Did he combine any of his prayers when traveling?' He said that Safiyyah bint Abi 'Ubaid was married to him, and she wrote to him, when he was at some farmland of his, saying: 'This is the last of my days in this world, and the first day of the Hereafter." [1] He rode quickly to go to her, and when the time for Zuhr came, the Mu'adhdhin said to him: "The prayer, O Abu 'Abdur-Rahman!" But he paid no attention to him until it was between the time for the two prayers, then he stopped and said: "Say the Iqamah and when I say the Taslim, say the Iqamah." Then he rode on again, and when the sun set the Mu'adhdhin said to him; "The prayer!" He said: "Do as you did for Zuhr and 'Asr." When the stars had appeared, he stopped and said to the Mu'adhdhin: "Say the Iqamah and when I say the Taslim, say the Iqamah." He prayed, then when he had finished he turned to us and said: "The Messenger of Allah (ﷺ) said: 'If any one of you has an urgent need that he fears he may miss, let him pray like this.'" [1] Meaning that she was dying.

Grade: Sahih

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ بَزِيعٍ، قَالَ حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ زُرَيْعٍ، قَالَ حَدَّثَنَا كَثِيرُ بْنُ قَارَوَنْدَا، قَالَ سَأَلْتُ سَالِمَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ عَنْ صَلاَةِ، أَبِيهِ فِي السَّفَرِ وَسَأَلْنَاهُ هَلْ كَانَ يَجْمَعُ بَيْنَ شَىْءٍ مِنْ صَلاَتِهِ فِي سَفَرِهِ فَذَكَرَ أَنَّ صَفِيَّةَ بِنْتَ أَبِي عُبَيْدٍ كَانَتْ تَحْتَهُ فَكَتَبَتْ إِلَيْهِ وَهُوَ فِي زَرَّاعَةٍ لَهُ أَنِّي فِي آخِرِ يَوْمٍ مِنْ أَيَّامِ الدُّنْيَا وَأَوَّلِ يَوْمٍ مِنَ الآخِرَةِ ‏.‏ فَرَكِبَ فَأَسْرَعَ السَّيْرَ إِلَيْهَا حَتَّى إِذَا حَانَتْ صَلاَةُ الظُّهْرِ قَالَ لَهُ الْمُؤَذِّنُ الصَّلاَةَ يَا أَبَا عَبْدِ الرَّحْمَنِ ‏.‏ فَلَمْ يَلْتَفِتْ حَتَّى إِذَا كَانَ بَيْنَ الصَّلاَتَيْنِ نَزَلَ فَقَالَ أَقِمْ فَإِذَا سَلَّمْتُ فَأَقِمْ ‏.‏ فَصَلَّى ثُمَّ رَكِبَ حَتَّى غَابَتِ الشَّمْسُ قَالَ لَهُ الْمُؤَذِّنُ الصَّلاَةَ ‏.‏ فَقَالَ كَفِعْلِكَ فِي صَلاَةِ الظُّهْرِ وَالْعَصْرِ ‏.‏ ثُمَّ سَارَ حَتَّى إِذَا اشْتَبَكَتِ النُّجُومُ نَزَلَ ثُمَّ قَالَ لِلْمُؤَذِّنِ أَقِمْ فَإِذَا سَلَّمْتُ فَأَقِمْ ‏.‏ فَصَلَّى ثُمَّ انْصَرَفَ فَالْتَفَتَ إِلَيْنَا فَقَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إِذَا حَضَرَ أَحَدَكُمُ الأَمْرُ الَّذِي يَخَافُ فَوْتَهُ فَلْيُصَلِّ هَذِهِ الصَّلاَةَ ‏"‏ ‏.

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সূনান নাসাঈ
অধ্যায়ঃ ৬/ নামাজের সময়সীমা
হাদিস নম্বরঃ ৫৮৯ | 589 | ۵۸۹

পরিচ্ছদঃ ৪৪/ যে ওয়াক্তে মুকিম দু ওয়াক্তের নামায এক সাথে পরে নিতে পারে।

৫৮৯ কুতায়বা (রহঃ) ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন: আমি মদিনায় নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম–এর সঙ্গে আট রাক’আত একত্রে এবং সাত রাক’আত একত্রে আদায় করেছি যে, তিনি যোহরের শেষ ওয়াক্তে ও আসরকে প্রথম ওয়াক্তে, আবার মাগরিবকে শেষ ওয়াক্তে ও ইশাকে প্রথম ওয়াক্তে আদায় করলেন।

যোহর বিলম্ব করেছেন হতে শেষ অংশ ব্যতীত হাদিসটি সহিহ,  ইরউয়াউল গালীল (৩/৩৬), সহিহ আবু দাউদ হাঃ ১০৯৯, সহিহাহ হাঃ ২৭৯৫, বুখারি হাঃ ১১৭৪, মুসলিম (ইসলামিক সেন্টার) হাঃ ১৫০৭, ১৫০৮



হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

It was narrated that Ibn 'Abbas said:
"I prayed with the Prophet (ﷺ) in Al-Madinah, eight together and seven together. He delayed Zuhr and brought 'Asr forward, and he delayed Maghrib and brought 'Isha' forward."

Grade: Sahih

أَخْبَرَنَا قُتَيْبَةُ، قَالَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ عَمْرٍو، عَنْ جَابِرِ بْنِ زَيْدٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ صَلَّيْتُ مَعَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم بِالْمَدِينَةِ ثَمَانِيًا جَمِيعًا وَسَبْعًا جَمِيعًا أَخَّرَ الظُّهْرَ وَعَجَّلَ الْعَصْرَ وَأَخَّرَ الْمَغْرِبَ وَعَجَّلَ الْعِشَاءَ ‏.‏

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

হাদিস দেখানো হচ্ছে   [581]  থেকে  [590]  পর্যন্ত এবং সর্বমোট   [2400]  টি হাদিস পাওয়া গেছে।