• ৫৬৬৯৯ টি সর্বমোট হাদিস আছেঃ
  • ৫৭৫৬ টি প্রশ্নোত্তর ও ফিকাহঃ

 

 

 

 


হাদীস (حَدِيْث) এর শাব্দিক অর্থ: নতুন, প্রাচীন ও পুরাতন এর বিপরীত বিষয়। এ অর্থে যে সব কথা, কাজ ও বস্ত্ত পূর্বে ছিল না, এখন অস্তিত্ব লাভ করেছে  তাই হাদীস। এর আরেক অর্থ হলো: কথা। ফক্বীহগণের পরিভাষায় নাবী কারীম () আল্লাহ্‌র রাসূল হিসেবে যা কিছু বলেছেন, যা কিছু করেছেন এবং যা কিছু বলার বা করার অনুমতি দিয়েছেন অথবা সমর্থন জানিয়েছেন তাকে হাদীস বলা হয়। কিন্তু মুহাদ্দিসগণ এর সঙ্গে রাসুলুল্লাহ () সম্পর্কিত বর্ণনা ও তার গুণাবলী সম্পর্কিত বিবরণকেও হাদীসের অন্তর্ভুক্ত করেন। এ হিসেবে হাদীসকে প্রাথমিক পর্যায়ে তিন শ্রেণীতে ভাগ করা যায়:

১। ক্বওলী হাদীস: কোন বিষয়ে রাসুলুল্লাহ () যা বলেছেন, অর্থাৎ যে হাদীসে তাঁর কোন কথা বিবৃত হয়েছে তাকে ক্বওলী (বাণী সম্পর্কিত) হাদীস বলা হয়।

২। ফেলী হাদীস: মহানাবী ()-এর কাজকর্ম, চরিত্র ও আচার-আচরণের ভেতর দিয়েই ইসলামের যাবতীয় বিধি-বিধান ও রীতিনীতি পরিস্ফুট হয়েছে। অতএব যে হাদীসে তাঁর কোন কাজের বিবরণ উল্লেখিত হয়েছে তাকে ফে’লী (কর্ম সম্পর্কিত) হাদীস বলা হয়।

৩। তাকরীরী হাদীস: সাহাবীগণের যে সব কথা বা কাজ নাবী কারীম ()-এর অনুমোদন ও সমর্থন প্রাপ্ত হয়েছে, সে ধরনের কোন কথা বা কাজের বিবরণ হতেও শরীয়াতের দৃষ্টিভঙ্গি জানা যায়। অতএব যে হাদীসে এ ধরনের কোন ঘটনার বা কাজের উল্লেখ পাওয়া যায় তাকে তাকরীরী (সমর্থন মূলক) হাদীস বলে।

সুন্নাহ (السنة): হাদীসের অপর নাম সুন্নাহ্ (السنة) সুন্নাত শব্দের অর্থ চলার পথ, কর্মের নীতি ও পদ্ধতি। যে পন্থা ও রীতি নাবী কারীম () অবলম্বন করতেন তাকে সুন্নাত বলা হয়। অন্য কথায় রাসুলুল্লাহ () প্রচারিত উচ্চতম আদর্শই সুন্নাত। কুরআন মাজিদে মহত্তম ও সুন্দরতম আদর্শ (أُسْوَةٌ حَسَنَةٌ) বলতে এই সুন্নাতকেই বুঝানো হয়েছে।

খবর (خبر): হাদীসকে আরবী ভাষায় খবরও (خبر) বলা হয়। তবে খবর শব্দটি হাদীস ও ইতিহাস উভয়টিকেই বুঝায়।

আসার (أثر ): আসার শব্দটিও কখনও কখনও রাসুলুল্লাহ () এর হাদীসকে নির্দেশ করে। কিন্তু অনেকেই হাদীস ও আসার এর মধ্যে কিছু পার্থক্য করে থাকেন। তাঁদের মতে- সাহাবীগণ থেকে শরীয়াত সম্পর্কে যা কিছু উদ্ধৃত হয়েছে তাকে আসার বলে।

 

ইলমে হাদীসের কতিপয় পরিভাষা

সাহাবী (صحابى):  যিনি ঈমানের সঙ্গে রাসুলুল্লাহ () এর সাহচর্য লাভ করেছেন এবং ঈমানের সঙ্গে মৃত্যুবরণ করেছেন তাঁকে রাসুলুল্লাহ ()-এর সাহাবী বলা হয়।

তাবেঈ (تابعى) : যিনি রাসুলুল্লাহ ()-এর কোন সাহাবীর নিকট হাদীস শিক্ষা করেছেন অথবা অন্ততপক্ষে তাঁকে দেখেছেন এবং মুসলমান হিসেবে মৃত্যুবরণ করেছেন তাঁকে তাবেঈ বলা হয়।

তাবে-তাবেঈ (تابعى تابع) : যিনি  কোন তাবেঈ এর নিকট হাদীস শিক্ষা করেছেন অথবা অন্ততপক্ষে তাঁকে দেখেছেন এবং মুসলমান হিসেবে মৃত্যুবরণ করেছেন তাঁকে তাবে-তাবেঈ বলা হয়।

মুহাদ্দিস (محدث) : যিনি হাদীস চর্চা করেন এবং বহু সংখ্যক হাদীসের সনদ ও মতন সম্পর্কে বিশেষ জ্ঞান রাখেন তাঁকে মুহাদ্দিস বলা হয়।

শাইখ (شيخ) : হাদীসের শিক্ষাদাতা রাবীকে শায়খ বলা হয়।

শাইখান (شيخان) : সাহাবীগনের মধ্যে আবূ বকর (রাঃ) ও উমর  (রাঃ)- কে একত্রে শাইখান বলা হয়। কিন্তু হাদীস শাস্ত্রে ইমাম বুখারী (রাহি.) ও ইমাম মুসলিম (রাহি.)-কে এবং ফিক্বহ-এর পরিভাষায় ইমাম আবূ হানীফা (রাহি.) ও আবূ ইউসুফ (রাহি.)-কে একত্রে শাইখান বলা হয়। 

হাফিয (حافظ) : যিনি সনদ ও মতনের বৃত্তান্ত সহ এক লাখ হাদীস আয়ত্ত করেছেন তাঁকে হাফিয বলা হয়।

হুজ্জাত (حجة) : অনুরূপভাবে যিনি তিন লক্ষ হাদীস আয়ত্ত করেছেন তাঁকে হুজ্জাত বলা হয়।  

হাকিম (حاكم) : যিনি সব হাদীস আয়ত্ত করেছেন তাকে হাকিম বলা হয়।

রিজাল (رجال) : হাদীসের রাবী সমষ্টিকে রিজাল বলে। যে শাস্ত্রে রাবীগণের জীবনী বর্ণনা করা হয়েছে তাকে আসমাউর-রিজাল বলা হয়।                                                                                 

রিওয়ায়াত (رواية): হাদীস বর্ণনা করাকে রিওয়ায়াত বলে। কখনও কখনও মূল হাদীসকেও রিওয়ায়াত বলা হয়। যেমন- এই কথার সমর্থনে একটি রিওয়ায়াত (হাদীস) আছে।                           

সনদ (سند): হাদীসের মূল কথাটুকু যে সূত্র পরম্পরায় গ্রন্থ সংকলনকারী পর্যন্ত পৌঁছেছে তাকে সনদ বলা হয়। এতে হাদীস বর্ণনাকারীদের নাম একের পর এক সজ্জিত থাকে।

মতন (متن): হাদীসে মূল কথা ও তার শব্দ সমষ্টিকে মতন বলে।

মারফূ (مرفوع): যে হাদীসের সনদ (বর্ণনা পরম্পরা) রাসুলুল্লাহ () পর্যন্ত পৌঁছেছে  তাকে মারফূ হাদীস বলে।

মাওকূফ (موقوف) : যে হাদীসের বর্ণনা- সূত্র ঊর্ধ্ব দিকে সাহাবী পর্যন্ত পৌঁছেছে , অর্থাৎ যে সনদ -সূত্রে কোন সাহাবীর কথা বা কাজ বা অনুমোদন বর্ণিত হয়েছে তাকে মাওকূফ হাদীস বলে। এর অপর নাম আসার।

মাকতূ (مقطوع): যে হাদীসের সনদ কোন তাবেঈ পর্যন্ত পৌঁছেছে, তাকে মাকতূ হাদীস বলা হয়।

তালীক (تعليق): কোন কোন গ্রন্থকার হাদীসের পূর্ণ সনদ বাদ দিয়ে কেবল মূল হাদীস বর্ণনা করেছেন। এরূপ করাকে তা’লীক বলা হয়।

মুদাল্লাস (مدلس): যে হাদীসের রাবী নিজের প্রকৃত শাইখের (উস্তাদের) নাম উল্লেখ না করে তার উপরস্থ শাইখের নামে এভাবে হাদীস বর্ণনা করেছেন যাতে মনে হয় যে, তিনি নিজেই উপরস্থ শাইখের নিকট তা শুনেছেন অথচ তিনি তাঁর নিকট সেই হাদীস শুনেন নি- সে হাদীসকে মুদাল্লাস হাদীস এবং এইরূপ করাকে ‘তাদ্লীস’ আর যিনি এইরূপ করেন তাকে মুদালস্নীস বলা হয়।

মুযতারাব (مضطرب): যে হাদীসের রাবী হাদীসের মতন ও সনদকে বিভিন্ন প্রকারে বর্ণনা করেছেন সে হাদীসকে হাদীসে মুযতারাব বলা হয়। যে পর্যন্ত না এর কোনরূপ সমন্বয় সাধন সম্ভবপর হয়, সে পর্যন্ত এই হাদীসের ব্যাপারে অপেক্ষা করতে হবে অর্থাৎ এই ধরনের রিওয়ায়াত প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না।

মুদ্রাজ (مدرج): যে হাদীসের মধ্যে রাবী নিজের অথবা অপরের উক্তিকে অনুপ্রবেশ করিয়েছেন, সে হাদীসকে মুদ্রাজ এবং এইরূপ করাকে ‘ইদরাজ’ বলা হয়।

মুত্তাসিল (متصل): যে হাদীসের সনদের ধারাবাহিকতা প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত পূর্ণরূপে রক্ষক্ষত আছে, কোন সত্মরেই কোন রাবীর নাম বাদ পড়ে নি তাকে মুত্তাসিল হাদীস বলে।

মুনকাতি (منقطع): যে হাদীসের সনদে ধারাবাহিকতা রক্ষিত হয় নি, মাঝখানে কোন এক স্তরে কোন রাবীর নাম বাদ পড়েছে, তাকে মুনকাতি হাদীস, আর এই বাদ পড়াকে ইনকিতা বলা হয়।

মুরসাল (مرسل): যে হাদীসের সনদে ইনকিতা শেষের দিকে হয়েছে, অর্থাৎ সাহাবীর নাম বাদ পড়েছে এবং তাবেঈ সরাসরি রাসুলুল্লাহ () এর উল্লেখ করে হাদীস বর্ণনা করেছেন তাকে মুরসাল হাদীস বলা হয়।

মুআল্লাক ( معلق ) : সনদের ইনকিতা প্রথম দিকে  হলে, অর্থাৎ সাহাবীর পর এক বা একাধিক রাবীর নাম বাদ পড়লে তাকে মু’আল্লাক হাদীস বলা হয়।

মুদাল (معضل): যে হাদীসে দুই বা ততোধিক রাবী ক্রমান্বয়ে সনদ থেকে বাদ পড়েছে তাকে মু‘দাল হাদীস বলে।

মুতাবি ও শাহিদ (متابع و شاهد): এক রাবীর হাদীসের অনুরূপ যদি অপর রাবীর কোন হাদীস পাওয়া যায় তবে দ্বিতীয় রাবীর হাদীসকে প্রথম রাবীর হাদীসের মুতাবি বলা হয়। যদি উভয় হাদীসের মূল রাবী অর্থাৎ সাহাবী একই ব্যক্তি না হয় তবে দ্বিতীয় ব্যক্তির হাদীসকে শাহিদ বলে। আর এইরূপ হওয়াকে শাহাদাত বলে। মুতাবা’আত ও শাহাদাত দ্বারা প্রথম হাদীসটির শক্তি বৃদ্ধি পায়।

মারূফ ও মুনকার (معروف و منكر): কোন দুর্বল রাবীর বর্ণিত হাদীস অপর কোন মাকবূল (গ্রহণযোগ্য) রাবীর বর্ণিত হাদীসের বিরোধী হলে তাকে মুনকার বলা হয় এবং মাকবূল রাবীর হাদীসকে মা‘রূফ বলা হয়।

সহীহ (صحيح) : যে মুত্তাসিল হাদীসের সনদে উল্লেখিত প্রত্যেক রাবীই পূর্ণ আদালত ও যাবত (ধারণ ক্ষমতা) গুণ সম্পন্ন এবং হাদীসটি যাবতীয় দোষত্রুটি ও শায মুক্ত তাকে সহীহ হাদীস বলে।

হাসান (حسن) : যে হাদীসের মধ্যে রাবীর যাবত (ধারণ ক্ষমতা) এর গুণ ব্যতীত সহীহ হাদীসের সমস্ত শর্তই পরিপূর্ণ রয়েছে তাকে হাসান হাদীস বলা হয়। ফক্বীহগণ সাধারণত সহীহ ও হাসান হাদীসের ভিত্তিতে শরীয়াতের বিধান নির্ধারণ  করেন।

যঈফ (ضعيف ) : যে হাদীসের রাবী কোন হাসান হাদীসের রাবীর গুণসম্পন্ন নন তাকে যঈফ হাদীস বলে।

মাওযূ ( موضوع ) : যে হাদীসের রাবী জীবনে কখনও ইচ্ছাকৃতভাবে রাসুলুল্লাহ ()-এর নামে মিথ্যা কথা রটনা করেছেন বলে প্রমাণিত হয়েছে, তার বর্ণিত হাদীসকে মাওযূ‘ হাদীস বলে।

 

রাবীর সংখ্যা বিচারে হাদীস প্রধানত দুপ্রকার। যথা: ১. মুতওয়াতির (متواتر) ও ২. আহাদ (أحاد)

১. মুতওয়াতির (متواتر): বৃহৎ সংখ্যক রাবীর বর্ণিত হাদীস, মিথ্যার ব্যাপারে যাদের উপর একাট্টা হওয়া অসম্ভব, সনদের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত এ সংখ্যা বিদ্যমান থাকলে হাদীসকে মুতওয়াতির (متواتر) বলা হয়।

২. আহাদ (أحاد): أحاد তিন প্রকার। যথা:

মাশহুর (مشهور): যে কোন স্তরে হাদীস বর্ণনা কারীর সংখ্যা যদি দুই এর অধিক হয়, কিন্তু মুতওয়াতির এর পর্যায়ে পৌঁছে না তাকে মাশহুর (مشهور) বলে।

আযীয (عزيز): যে কোন স্তরে হাদীস বর্ণনা কারীর সংখ্যা যদি দু‘জন হয় ।

গরীব (غريب): যে কোন স্তরে হাদীস বর্ণনা কারীর সংখ্যা যদি এক জন হয় ।

শায (شاذ): একাধিক নির্ভরযোগ্য রাবীর বিপরীত একজন নির্ভরযোগ্য রাবীর বর্ণনাকে শায হাদীস বলে।

 কিয়াস (قياس): অর্থ অনুমান, পরিমাপ, তুলনা ইত্যাদি। পরিভাষায়: শাখাকে মূলের সঙ্গে তুলনা করা, যার ফলে শাখা ও মূল একই হুকুমের অমত্মর্ভুক্ত হয়ে যায়।

তাক্বলীদ (تقليد): দলীল উল্লেখ ছাড়াই কোন ব্যক্তির মতামতকে গ্রহণ করা।

ইজতিহাদ (اجتهاد): উদ্দিষ্ট জ্ঞান অর্জনের প্রচেষ্টা চালানোকে ইজতিহাদ বলে।

শরীয়াত (شريعة): অর্থ: আইন, বিধান, পথ, পন্থা ইত্যাদি। পরিভাষায়: মহান আল্লাহ্‌ স্বীয় দীন হতে বান্দার জন্য যা বিধিবদ্ধ করে দিয়েছেন তাকে শরীয়াত বলে।

মাযহাব (مذهب): অর্থ- মত, পথ, মতবাদ ইত্যাদি। ফিক্বহী পরিভাষায়: ইবাদাত ও মু‘আমালাতের ক্ষেত্রে শারঈ হুকুম পালনের জন্য বান্দা যে পথ অনুসরণ করে এবং প্রত্যেক দলের জন্য একজন ইমামের উপর অথবা ইমামের ওসীয়ত কিংবা ইমামের প্রতিনিধির উপর নির্ভর করে তাকে মাযহাব বলে।

নাযর (نذر): কোন বিষয়ে উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য চিন্তা-ভাবনা করাকে নাযর বলে।

আম (عام): সীমাবদ্ধ করা ছাড়াই যা দুই বা ততোধিক বিষয়কে অন্তর্ভুক্ত করে তাকে আম বলে।

খাস (خاص): আম এর বিপরীত, যা নির্দিষ্ট বিষয়কে অন্তর্ভুক্ত করে।

ইজমা (اجماع): কোন এক যুগে আলিমদের কোন শারঈ বিষয়ের উপর এক মত পোষণ করাকে ইজমা বলে।

মুসনাদ (مسند): যার সনদগুলো পরস্পর এমনভাবে মিলিত যে, প্রত্যেকের বর্ণনা সুস্পষ্ট।

ফিক্বহ (فقه): ইজতিহাদ বা গবেষণার পদ্ধতিতে শারঈ হুকুম সম্পর্কে জানার বিধানকে ফিক্বহ বলে।

আসল বা মূল (اصل): এমন প্রথম বিষয়, যার উপর ভিত্তি করে কোন কিছু গড়ে উঠে। যেমন- দেয়ালের ভিত্তি।

ফারা বা শাখা (فرع): আসলের বিপরীত যা কোন ভিত্তির উপর গড়ে উঠে।

ওয়াজিব (واجب): যা আমল করলে সাওয়াব পাওয়া যাবে আর পরিত্যাগ করলে শাস্তি পাওয়া যাবে।

মানদূব (مندوب): যা আমল করলে সাওয়াব পাওয়া যাবে আর পরিত্যাগ করলে শাস্তি হবে না।

মাহযূর (محظور): যা পরিত্যাগ করলে সাওয়াব পাওয়া যাবে আর আমল করলে শাস্তি পাওয়া যাবে।

মাকরূহ (مكروه): যা পরিত্যাগ করলে সাওয়াব পাওয়া যাবে আর আমল করলে শাস্তি হবে না।

ফাৎওয়া (فتوى): জিজ্ঞাসিত ব্যক্তির নিকট থেকে দলীল ভিত্তিক শারঈ হুকুম সুস্পষ্ট বর্ণনা করে নেয়াকে ফাৎওয়া বলে।

নাসিখ (ناسخ): পরিবর্তিত শারঈ দলীল যা পূববর্তী শারঈ হুকুমকে রহিত করে দেয় তাকে নাসিখ বলে।

মানসূখ (منسوخ): আর যে হুকুমটি রহিত হয়ে যায় সেটাই মানসূখ।

মুতলাক্ব (مطلق): যা প্রকৃতিগত দিক থেকে জাতির সকলকে অন্তর্ভুক্ত  করে কিন্তু অনির্দিষ্টভাবে একটি অর্থকে বুঝায়।

মুকাইয়্যাদ (مقيد): যা মুতলাক্বের বিপরীত অর্থাৎ জাতির সকলকে অন্তর্ভুক্ত  করে না। বরং নির্দিষ্ট একটি অর্থকে বুঝায়।

হাক্বীকাত (حقيقة): শব্দকে আসল অর্থে ব্যবহার করাকে হাক্বীকত বলে। যেমন- সিংহ শব্দটি এক প্রজাতির হিংস্র প্রাণীকে বুঝায়।

মাজায (مجاز): শব্দ যখন আসল অর্থকে অতিক্রম করে তার সাথে সাদৃশ্য রাখে এমন অর্থ প্রকাশ করে তখন তাকে মাজায বলে। যেমন- সাহসী লোককে সিংহের সাথে তুলনা করা।

হাদিসের পরিসংখ্যান

সর্বমোট হাদিস পাওয়া গেছেঃ [7054] টি | অধ্যায়ঃ ৫২/ তাফসীর
গ্রন্থঃ সহীহ বুখারী (ইফাঃ) | দেখানো হচ্ছে   [4611]  থেকে  [4620]  পর্যন্ত
প্রতি পাতাতে টি হাদিস

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সহীহ বুখারী (ইফাঃ)
অধ্যায়ঃ ৫২/ তাফসীর
হাদিস নম্বরঃ ৪৬০৭ | 4607 | ٤٦۰۷

পরিচ্ছদঃ পরিচ্ছেদ নাই

৪৬০৭। ইউসুফ ইবনু মূসা (রহঃ) ... ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, ‏وَأَنْذِرْ عَشِيرَتَكَ الأَقْرَبِينَ “তুমি তোমার কাছে আত্মীয়-স্বজনকে সতর্ক করে দাও” আয়াতটি নাযিল হলে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বের হয়ে সাফা পাহাড়ে গিয়ে উঠলেন এবং (সকাল বেলার বিপদ সাবধান) বলে উচ্চস্বরে ডাক দিলেন। আওয়াজ শুনে তারা বলল, এ কে? তারপর সবাই তাঁর কাছে গিয়ে সমবেত হল। তিনি বললেন, আমি যদি তোমাদেরকে বলি, আশি অশ্বারোহী সৈন্যবাহিনী ও পাহাড়ের পেছনে তোমাদের উপর হামলা করার জন্য প্রস্তুত হয়ে আছে, তাহলে কি তোমরা আমাকে বিশ্বাস করবে? সকলেই বলল, আপনার মিথ্যা বলার ব্যাপারে আমাদের অভিজ্ঞতা নেই। তখন তিনি বললেন, আমি তোমাদের আসন্ন কঠিন শাস্তি সম্পর্কে সতর্ক করে দিচ্ছি। এ কথা শুনে আবূ লাহাব বলল, তোমার ধ্বংস হোক। তুমি কি এ জন্যই আমাদেরকে একত্র করেছ। অতঃপর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দাঁড়ালেন। তারপর নাযিল হলঃ ‏تَبَّتْ يَدَا أَبِي لَهَبٍ وَتَبَّ “ধ্বংস হোক আবূ লাহাবের দু’গাত এবং ধ্বংস হোক সে নিজেও”। আমাশ (রহঃ) আয়াতটিতে تَبَّ শব্দের পূর্বে قَدْ সংযোগ করে وَقَدْ تَبَّ পড়েছেন।



হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

Narrated Ibn `Abbas:

When the Verse:-- 'And warn your tribe of near kindred.' (26.214) was revealed. Allah's Messenger (ﷺ) went out, and when he had ascended As-Safa mountain, he shouted, "O Sabahah!" The people said, "Who is that?" "Then they gathered around him, whereupon he said, "Do you see? If I inform you that cavalrymen are proceeding up the side of this mountain, will you believe me?" They said, "We have never heard you telling a lie." Then he said, "I am a plain warner to you of a coming severe punishment." Abu Lahab said, "May you perish! You gathered us only for this reason? " Then Abu Lahab went away. So the "Surat:--ul--LAHAB" 'Perish the hands of Abu Lahab!' (111.1) was revealed.

حَدَّثَنَا يُوسُفُ بْنُ مُوسَى، حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، حَدَّثَنَا الأَعْمَشُ، حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ مُرَّةَ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ـ رضى الله عنهما ـ قَالَ لَمَّا نَزَلَتْ ‏{‏وَأَنْذِرْ عَشِيرَتَكَ الأَقْرَبِينَ‏}‏ وَرَهْطَكَ مِنْهُمُ الْمُخْلَصِينَ، خَرَجَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم حَتَّى صَعِدَ الصَّفَا فَهَتَفَ ‏"‏ يَا صَبَاحَاهْ ‏"‏‏.‏ فَقَالُوا مَنْ هَذَا، فَاجْتَمَعُوا إِلَيْهِ‏.‏ فَقَالَ ‏"‏ أَرَأَيْتُمْ إِنْ أَخْبَرْتُكُمْ أَنَّ خَيْلاً تَخْرُجُ مِنْ سَفْحِ هَذَا الْجَبَلِ أَكُنْتُمْ مُصَدِّقِيَّ ‏"‏‏.‏ قَالُوا مَا جَرَّبْنَا عَلَيْكَ كَذِبًا‏.‏ قَالَ ‏"‏ فَإِنِّي نَذِيرٌ لَكُمْ بَيْنَ يَدَىْ عَذَابٍ شَدِيدٍ ‏"‏‏.‏ قَالَ أَبُو لَهَبٍ تَبًّا لَكَ مَا جَمَعْتَنَا إِلاَّ لِهَذَا ثُمَّ قَامَ فَنَزَلَتْ ‏{‏تَبَّتْ يَدَا أَبِي لَهَبٍ وَتَبَّ‏}‏ وَقَدْ تَبَّ هَكَذَا قَرَأَهَا الأَعْمَشُ يَوْمَئِذٍ‏.‏

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সহীহ বুখারী (ইফাঃ)
অধ্যায়ঃ ৫২/ তাফসীর
হাদিস নম্বরঃ ৪৬০৮ | 4608 | ٤٦۰۸

পরিচ্ছদঃ আল্লাহ্‌র বাণীঃ وتب ما أغنى عنه ماله وما كسب এবং ধ্বংস হোক সে নিজেও। তার ধন-সম্পদ ও উপার্জন কোন কাজে আসেনি (১১১ঃ ১-২)

৪৬০৮। মুহাম্মদ ইবনু সালাম (রহঃ) ... ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বাত্‌হা প্রান্তরের দিকে চলে গেলেন এবং পাহাড়ে আরোহণ করে বলে উচ্চস্বরে ডাকলেন। কুরাইশরা তাঁর কাছে এসে সমবেত হল। তিনি বললেন, আমি যদি তোমাদেরকে বলি, শত্রু সৈন্যরা সকালে বা সন্ধ্যায় তোমাদের উপর আক্রমণ করার জন্য প্রস্তুত হয়ে আছে, তাহলে কি তোমরা আমাকে সত্য বলে বিশ্বাস করবে? তারা সকলেই বলল, হাঁ, আমরা বিশ্বাস করব। তখন তিনি বললেন, আমি তোমাদেরকে আসন্ন কঠিন শাস্তি সম্পর্কে সতর্ক করে দিচ্ছি। এ কথা শুনে আবূ লাহাব বলল, তুমি কে এজন্যই আমাদেরকে একত্রিত করেছ? তোমাদের ধ্বংস হোক। তখন আল্লাহ তা’আলা প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত সূরা লাহাব নাযিল করলেন, ধ্বংস হোক আবূ লাহাবের দুই হস্ত এবং ধ্বংস হোক সে নিজেও। তার ধন-সম্পদ এবং উপার্জন তার কোন কাজে আসেনি। অচিরে সে দগ্ধ হবে লেলিহান অগ্নিতে এবং তার স্ত্রীও, যে ইন্ধন বহন করে তার গলদেশে পাকান রজ্জু।



হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

Narrated Ibn `Abbas:

The Prophet (ﷺ) went out towards Al-Batha' and ascended the mountain and shouted, "O Sabahah!" So the Quraish people gathered around him. He said, "Do you see? If I tell you that an enemy is going to attack you in the morning or in the evening, will you believe me?" They replied, "Yes." He said, "Then I am a plain warner to you of a coming severe punishment." Abu Lahab said, "Is it for this reason that you have gathered us? May you perish ! " Then Allah revealed: 'Perish the hands of Abu Lahab!'

باب قوله وتب ما أغنى عنه ماله وما كسب

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سَلاَمٍ، أَخْبَرَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، حَدَّثَنَا الأَعْمَشُ، عَنْ عَمْرِو بْنِ مُرَّةَ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم خَرَجَ إِلَى الْبَطْحَاءِ فَصَعِدَ إِلَى الْجَبَلِ فَنَادَى ‏"‏ يَا صَبَاحَاهْ ‏"‏‏.‏ فَاجْتَمَعَتْ إِلَيْهِ قُرَيْشٌ فَقَالَ ‏"‏ أَرَأَيْتُمْ إِنْ حَدَّثْتُكُمْ أَنَّ الْعَدُوَّ مُصَبِّحُكُمْ أَوْ مُمَسِّيكُمْ، أَكُنْتُمْ تُصَدِّقُونِي ‏"‏‏.‏ قَالُوا نَعَمْ‏.‏ قَالَ ‏"‏ فَإِنِّي نَذِيرٌ لَكُمْ بَيْنَ يَدَىْ عَذَابٍ شَدِيدٍ ‏"‏‏.‏ فَقَالَ أَبُو لَهَبٍ أَلِهَذَا جَمَعْتَنَا تَبًّا لَكَ‏.‏ فَأَنْزَلَ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ ‏{‏تَبَّتْ يَدَا أَبِي لَهَبٍ‏}‏ إِلَى آخِرِهَا‏.‏

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সহীহ বুখারী (ইফাঃ)
অধ্যায়ঃ ৫২/ তাফসীর
হাদিস নম্বরঃ ৪৬০৯ | 4609 | ٤٦۰۹

পরিচ্ছদঃ আল্লাহ্‌র বাণীঃ سيصلى نارا ذات لهب "অচিরে সে দগ্ধ হবে লেলিহান অগ্নিতে।" (১১১ঃ ৩)

৪৬০৯। উমর ইবনু হাফ্‌স (রহঃ) ... ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আবূ লাহাব, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বললো, তোমার ধ্বংস হোক, তুমি কি এ জন্যই আমাদেরকে একত্রিত করেছ? তখন ‏تَبَّتْ يَدَا أَبِي لَهَبٍ‏ সূরাটি নাযিল হল।


অনুচ্ছেদঃ আল্লাহ্‌র বাণীঃ وَامْرَأَتُهُ حَمَّالَةَ الْحَطَبِ "এবং তার স্ত্রীও যে ইন্ধন বহন করবে" (১১১ঃ ৪) মুজাহিদ (রহ.) বলেন, حَمَّالَةَ الْحَطَبِ এমন মহিলা যে পরের নিন্দা করে বেড়ায়। فِيْ جِيْدِهَا حَبْلٌ مِّنْ مَّسَدٍ তার গলদেশে থাকবে পাকানো রশি। বলা হয় مَسَدٍপাকানো মোটা শক্ত দড়ি। (কারো কারো মতে) এর দ্বারা জাহান্নামের ঐ শৃঙ্খলকে বোঝানো হয়েছে, যা তার গলদেশে লাগানো হবে।



হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

Narrated Ibn `Abbas:

Abu Lahab said, "May you perish! Is it' for this that you have gathered us?" So there was revealed:-- 'Parish the hands of Abu Lahab'.

باب قوله سيصلى نارا ذات لهب

حَدَّثَنَا عُمَرُ بْنُ حَفْصٍ، حَدَّثَنَا أَبِي، حَدَّثَنَا الأَعْمَشُ، حَدَّثَنِي عَمْرُو بْنُ مُرَّةَ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ـ رضى الله عنهما ـ قَالَ أَبُو لَهَبٍ تَبًّا لَكَ أَلِهَذَا جَمَعْتَنَا فَنَزَلَتْ ‏{‏تَبَّتْ يَدَا أَبِي لَهَبٍ‏}‏‏.‏

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সহীহ বুখারী (ইফাঃ)
অধ্যায়ঃ ৫২/ তাফসীর
হাদিস নম্বরঃ ৪৬১০ | 4610 | ٤٦۱۰

পরিচ্ছদঃ পরিচ্ছেদ নাই

সুরা ইখলাস

বলা হয়, أَحَدٌ শব্দটি (যখন তৎপরবর্তী শব্দের সঙ্গে মিলিয়ে পড়া হবে তখন) تنوين পড়া হয় না। أَحَدٌ ও وَاحِدٌ সমার্থবোধক।


৪৬১০। আবূল ইয়ামন (রহঃ) ... আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহ তা’আলা ইরশাদ করেন, “বনী আদম আমার প্রতি মিথ্যা আরোপ করেছে; অথচ এরূপ করা তার জন্য সমীচীন হয়নি। বণী আদম আমাকে গালি দিয়েছে; অথচ এমন করা তার জন্য উচিত হয়নি। আমার প্রতি মিথ্যা আরোপ করার অর্থ হচ্ছে এই যে, সে বলে, আল্লাহ আমাকে যেমনিভাবে প্রথমবার সৃষ্টি করেছেন, অনুরূপভাবে তিনি আমাকে দ্বিতীয়বার জীবিত করবেন না। অথচ তাকে পুনরায় জীবিত করা অপেক্ষা প্রথম সৃষ্টি করা আমার জন্য সহজ ছিল না। আমাকে তার গালি দেয়ার অর্থ হচ্ছে এই যে, সে বলে, আল্লাহ্ তা’আলা সন্তান গ্রহণ করেছেন; অথচ আমি একক, কারো মুখাপেক্ষী নই। আমি কাউকে জন্ম দেইনি, আমাকেও জন্ম হয়নি এবং কেউ আমার সমতুল্য নয়”।



হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

Narrated Abu Huraira:

The Prophet (ﷺ) said, "Allah said: 'The son of Adam tells a lie against Me,, though he hasn't the right to do so. He abuses me though he hasn't the right to do so. As for his telling a lie against Me, it is his saying that I will not recreate him as I created him for the first time. In fact, the first creation was not easier for Me than new creation. As for his abusing Me, it is his saying that Allah has begotten children, while I am the One, the Self-Sufficient Master Whom all creatures need, I beget not, nor was I begotten, and there is none like unto Me."

حَدَّثَنَا أَبُو الْيَمَانِ، حَدَّثَنَا شُعَيْبٌ، حَدَّثَنَا أَبُو الزِّنَادِ، عَنِ الأَعْرَجِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ ـ رضى الله عنه ـ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ قَالَ اللَّهُ كَذَّبَنِي ابْنُ آدَمَ وَلَمْ يَكُنْ لَهُ ذَلِكَ، وَشَتَمَنِي وَلَمْ يَكُنْ لَهُ ذَلِكَ، فَأَمَّا تَكْذِيبُهُ إِيَّاىَ فَقَوْلُهُ لَنْ يُعِيدَنِي كَمَا بَدَأَنِي، وَلَيْسَ أَوَّلُ الْخَلْقِ بِأَهْوَنَ عَلَىَّ مِنْ إِعَادَتِهِ، وَأَمَّا شَتْمُهُ إِيَّاىَ فَقَوْلُهُ اتَّخَذَ اللَّهُ وَلَدًا، وَأَنَا الأَحَدُ الصَّمَدُ لَمْ أَلِدْ وَلَمْ أُولَدْ وَلَمْ يَكُنْ لِي كُفْأً أَحَدٌ ‏"‏‏.‏

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সহীহ বুখারী (ইফাঃ)
অধ্যায়ঃ ৫২/ তাফসীর
হাদিস নম্বরঃ ৪৬১১ | 4611 | ٤٦۱۱

পরিচ্ছদঃ আল্লাহ্‌র বাণীঃ الله الصمد "আল্লাহ্‌ কারো মুখপেক্ষী নন" (১১২ঃ ২) আরবীয় লোকেরা তাদের নেতাদেরকে صمد বলে থাকেন। আবু ওয়াইল (রহঃ) বলেন, এমন নেতাকে বলা হয় যার নেতৃত্ব চুড়ান্ত বা যার উপর নেতৃত্বের পরিসমাপ্তি ঘটে।

৪৬১১। ইসহাক ইবনু মানসূর (রহঃ) ... আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আল্লাহ্ রাব্বুল আলামীন বলেন, আদম সন্তান আমার প্রতি মিথ্যা আরোপ করেছেন; অথচ এরূপ করা তার জন্য উচিত হয়নি। সে আমাকে গালি দিয়েছে; অথচ এমন করা তার পক্ষে সমীচীন হয়নি। আমার প্রতি তার মিথ্যা আরোপ করার মানে হচ্ছে এই যে, সে বলে, আমি পুনর্জীবিত করতে সক্ষম নই যেমনিভাবে আমি তাকে প্রথমে সৃষ্টি করেছি। আমাকে তার গালি দেয়া হচ্ছে এই যে, সে বলে, আল্লাহ্ তা’আলা সন্তান গ্রহণ করেছেন; অথচ আমি কারো মুখাপেক্ষী নই। আমি এমন এক সত্তা যে, আমি কাউকে জন্ম দেইনি, আমাকেও জন্ম দেয়নি এবং আমার সমতুম্য কেউ নেই। ইমাম বুখারী (রহঃ) বলনেঃ  كَفِيئًا - كفوا এবং كِفَاءً এবং সম অর্থবোধক শব্দ।



হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

Narrated Abu Huraira:

Allah's Messenger (ﷺ) said, "Allah said:-- 'The son of Adam tells a lie against Me and he hasn't the right to do so; and he abuses me and he hasn't the right to do so. His telling a lie against Me is his saying that I will not recreate him as I created him for the first time; and his abusing Me is his saying that Allah has begotten children, while I am the self-sufficient Master, Whom all creatures need, Who begets not nor was He begotten, and there is none like unto Me."

باب قوله الله الصمد والعرب تسمي أشرافها الصمد قال أبو وائل هو السيد الذي انتهى سودده

حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ مَنْصُورٍ، قَالَ وَحَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ، عَنْ هَمَّامٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ قَالَ اللَّهُ كَذَّبَنِي ابْنُ آدَمَ وَلَمْ يَكُنْ لَهُ ذَلِكَ، وَشَتَمَنِي وَلَمْ يَكُنْ لَهُ ذَلِكَ، أَمَّا تَكْذِيبُهُ إِيَّاىَ أَنْ يَقُولَ إِنِّي لَنْ أُعِيدَهُ كَمَا بَدَأْتُهُ، وَأَمَّا شَتْمُهُ إِيَّاىَ أَنْ يَقُولَ اتَّخَذَ اللَّهُ وَلَدًا، وَأَنَا الصَّمَدُ الَّذِي لَمْ أَلِدْ وَلَمْ أُولَدْ وَلَمْ يَكُنْ لِي كُفُؤًا أَحَدٌ ‏"‏‏.‏ ‏{‏لَمْ يَلِدْ وَلَمْ يُولَدْ * وَلَمْ يَكُنْ لَهُ كُفُؤًا أَحَدٌ‏}‏ كُفُؤًا وَكَفِيئًا وَكِفَاءً وَاحِدٌ‏.‏

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সহীহ বুখারী (ইফাঃ)
অধ্যায়ঃ ৫২/ তাফসীর
হাদিস নম্বরঃ ৪৬১২ | 4612 | ٤٦۱۲

পরিচ্ছদঃ পরিচ্ছেদ নাই

সুরা ফালাক

মুজাহিদ (রহ.) বলেন, الْفَلَقُ রাত। غَاسِقٍ সূর্য অস্তমিত হওয়া। আরবীতে فَلَقِ ও فَرَقِ একই অর্থে ব্যবহৃত হয়। তাই বলা হয়, أَبْيَنُ مِنْ فَرَقِ وَفَلَقِ الصُّبْحِ ভোরের আলো প্রকাশিত হওয়ার চেয়েও তা স্পষ্ট। وَقَبَ অন্ধকার সব জায়গায় প্রবেশ করে এবং আচ্ছন্ন করে ফেলে।


৪৬১২। কুতায়রা ইবনু সাঈদ (রহঃ) ... যির ইবনু হুবাইশ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি উবায় ইবনু কা’বকে مُعَوِّذَتَيْنِ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করার পর তিনি বললেন, এ বিষয়ে আমি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে জিজ্ঞেস করেছিলাম। তিনি বলেছেন, আমাকে বলা হয়েছে, তাই আমি বলছি। উবায় ইবনু কা’ব (রাঃ) বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যেমন বলেছেন, আমরাও ঠিক তেমনি বলছি।



হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

Narrated Zirr bin Hubaish:

I asked Ubai bin Ka`b regarding the two Muwwidhat (Surats of taking refuge with Allah). He said, "I asked the Prophet (ﷺ) about them, He said, 'These two Surats have been recited to me and I have recited them (and are present in the Qur'an).' So, we say as Allah's Messenger (ﷺ) said (i.e., they are part of the Qur'an."

حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ عَاصِمٍ، وَعَبْدَةَ، عَنْ زِرِّ بْنِ حُبَيْشٍ، قَالَ سَأَلْتُ أُبَىَّ بْنَ كَعْبٍ عَنِ الْمُعَوِّذَتَيْنِ، فَقَالَ سَأَلْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ قِيلَ لِي فَقُلْتُ فَنَحْنُ نَقُولُ كَمَا قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم‏.‏

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সহীহ বুখারী (ইফাঃ)
অধ্যায়ঃ ৫২/ তাফসীর
হাদিস নম্বরঃ ৪৬১৩ | 4613 | ٤٦۱۳

পরিচ্ছদঃ পরিচ্ছেদ নাই

সুরা নাস

ইবনু ‘আববাস (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, الْوَسْوَاسِ এর ব্যাখ্যায় তিনি বলেছেন, শিশু ভূমিষ্ঠ হলে শায়ত্বন এসে তাকে স্পর্শ করে। তারপর সেখানে আল্লাহর নাম নিলে শায়ত্বন পালিয়ে যায়। আর আল্লাহর নাম না নিলে সে তার অন্তরে জায়গা করে নেয়।


৪৬১৩। আলী ইবনু আবদুল্লাহ (রহঃ) ... যির ইবনু হুবাইশ থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি উবায় ইবনু কা’ব (রাঃ)  কে জিজ্ঞেস করলাম, বললাম, হে আবূল মুনযির! আপনার ভাই ইবনু মাসউদ (রাঃ) তো এ ধরনের কথা বলে থাকেন। তখন উবায় (রাঃ) বললেন, আমি এ বিষয়ে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে জিজ্ঞেস করলে তিনি আমাকে বললেন, আমাকে বলা হয়েছে। তাই আমি বেলেছি। উবায় ইবনু কা’ব (রাঃ) বলেন, সুতরাং রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যা বলেছেন আমরাও তাই বলি।



হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

Narrated Zirr bin Hubaish:

I asked Ubai bin Ka`b, "O Abu AlMundhir! Your brother, Ibn Mas`ud said so-and-so (i.e., the two Mu'awwidh-at do not belong to the Qur'an)." Ubai said, "I asked Allah's Messenger (ﷺ) about them, and he said, 'They have been revealed to me, and I have recited them (as a part of the Qur'an)," So Ubai added, "So we say as Allah's Messenger (ﷺ) has said."

حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، حَدَّثَنَا عَبْدَةُ بْنُ أَبِي لُبَابَةَ، عَنْ زِرِّ بْنِ حُبَيْشٍ، وَحَدَّثَنَا عَاصِمٌ، عَنْ زِرٍّ، قَالَ سَأَلْتُ أُبَىَّ بْنَ كَعْبٍ قُلْتُ يَا أَبَا الْمُنْذِرِ إِنَّ أَخَاكَ ابْنَ مَسْعُودٍ يَقُولُ كَذَا وَكَذَا‏.‏ فَقَالَ أُبَىٌّ سَأَلْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ لِي قِيلَ لِي‏.‏ فَقُلْتُ، قَالَ فَنَحْنُ نَقُولُ كَمَا قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم‏.‏

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সহীহ বুখারী (ইফাঃ)
অধ্যায়ঃ ৫৩/ ফাজায়ীলুল কুরআন
হাদিস নম্বরঃ ৪৬১৪ | 4614 | ٤٦۱٤

পরিচ্ছদঃ ওহী কিভাবে নাযিল হয় এবং সর্বপ্রথম কোন আয়াত নাযিল হয়েছিল। ইবন আব্বাস (রা) বলেন, الْمُهَيْمِنُ মানে- আমীন। কুরআন পূর্ববর্তী সমস্ত আসমানী গ্রন্থের জন্য আমীন স্বরূপ।

৪৬১৪। উবায়দুল্লাহ্ ইবনু মূসা (রহঃ) ... আবূ সালমা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আয়িশা (রাঃ) ও ইবনু আব্বাস (রাঃ) বলেছেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মক্কায় দশ বছর অবস্থান করেন। এ সময় তাঁর প্রতি কুরআন নাযিল হয়েছে এবং মদিনাতেও তিনি দশবছর অবস্থান করেন (এ সময়ও তাঁর প্রতি দশ বছর কুরআন নাযিল হয়েছে)।



হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

Narrated `Aisha and Ibn `Abbas:

The Prophet (ﷺ) remained in Mecca for ten years, during which the Qur'an used to be revealed to him; and he stayed in Medina for ten years.

باب كَيْفَ نُزُولُ الْوَحْىِ وَأَوَّلُ مَا نَزَلَ قَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ الْمُهَيْمِنُ الأَمِينُ، الْقُرْآنُ أَمِينٌ عَلَى كُلِّ كِتَابٍ قَبْلَهُ

حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُوسَى، عَنْ شَيْبَانَ، عَنْ يَحْيَى، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، قَالَ أَخْبَرَتْنِي عَائِشَةُ، وَابْنُ، عَبَّاسٍ رضى الله عنهم قَالاَ لَبِثَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم بِمَكَّةَ عَشْرَ سِنِينَ يُنْزَلُ عَلَيْهِ الْقُرْآنُ وَبِالْمَدِينَةِ عَشْرَ سِنِينَ.

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সহীহ বুখারী (ইফাঃ)
অধ্যায়ঃ ৫৩/ ফাজায়ীলুল কুরআন
হাদিস নম্বরঃ ৪৬১৫ | 4615 | ٤٦۱۵

পরিচ্ছদঃ ওহী কিভাবে নাযিল হয় এবং সর্বপ্রথম কোন আয়াত নাযিল হয়েছিল। ইবন আব্বাস (রা) বলেন, الْمُهَيْمِنُ মানে- আমীন। কুরআন পূর্ববর্তী সমস্ত আসমানী গ্রন্থের জন্য আমীন স্বরূপ।

৪৬১৫। মূসা ইবনু ইসমাঈল (রহঃ) ... আবূ উসমান (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমাকে অবগত করা হয়েছে যে, একদা জিব্‌রাঈল আলাইহি ওয়া সাল্লাম রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম - এর কাছে আগমন করলেন। তখন উম্মে সালামা (রাঃ) তাঁর কাছে ছিলেন। জিবরীল (আলাইহিস সালাম) তাঁর সঙ্গে কথা বলতে শুরু করলেন। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উম্মে সালামা (রাঃ) কে জিজ্ঞেস করলেন, ইনি কে? অথবা তিনি এ ধরনের কোন কথা জিজ্ঞেস করলেন। উম্মে সালামা (রাঃ) বললেন, ইনি দাহইয়া (রাঃ)। তারপর জিবরীল (আলাইহিস সালাম) উঠে দাঁড়ালেন। তিনি বললেন, আল্লাহর কসম, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর ভাষণে জিবরীল (আলাইহিস সালাম) এর খবর না শুণা পর্যন্ত আমি তাঁকে সে দাহইয়া (রাঃ)-ই মনে করেছি। অথবা তিনি (বর্ণনাকারী) অনুরূপ কোন কথা বর্ণনা করেছেন। বর্ণনাকারী মুতামির (রহঃ) বলেন, আমার পিতা সুলায়মান বলেছেন, আমি উসমান (রাঃ) কে জিজ্ঞেস করলাম, আপনি কার থেকে এ ঘটনা শুনেছেন? তিনি বললেন, উসামা ইবনু যায়দের কাছ থেকে।



হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

Narrated Abu `Uthman:

I was informed that Gabriel came to the Prophet (ﷺ) while Um Salama was with him. Gabriel started talking (to the Prophet). Then the Prophet (ﷺ) asked Um Salama, "Who is this?" She replied, "He is Dihya (al-Kalbi)." When Gabriel had left, Um Salama said, "By Allah, I did not take him for anybody other than him (i.e. Dihya) till I heard the sermon of the Prophet (ﷺ) wherein he informed about the news of Gabriel." The subnarrator asked Abu `Uthman: From whom have you heard that? Abu `Uthman said: From Usama bin Zaid.

باب كَيْفَ نُزُولُ الْوَحْىِ وَأَوَّلُ مَا نَزَلَ قَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ الْمُهَيْمِنُ الأَمِينُ، الْقُرْآنُ أَمِينٌ عَلَى كُلِّ كِتَابٍ قَبْلَهُ

حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنَا مُعْتَمِرٌ، قَالَ سَمِعْتُ أَبِي، عَنْ أَبِي عُثْمَانَ، قَالَ أُنْبِئْتُ أَنَّ جِبْرِيلَ، أَتَى النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم وَعِنْدَهُ أُمُّ سَلَمَةَ فَجَعَلَ يَتَحَدَّثُ فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم لأُمِّ سَلَمَةَ ‏ "‏ مَنْ هَذَا ‏"‏‏.‏ أَوْ كَمَا قَالَ قَالَتْ هَذَا دِحْيَةُ‏.‏ فَلَمَّا قَامَ قَالَتْ وَاللَّهِ مَا حَسِبْتُهُ إِلاَّ إِيَّاهُ حَتَّى سَمِعْتُ خُطْبَةَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم يُخْبِرُ خَبَرَ جِبْرِيلَ أَوْ كَمَا قَالَ، قَالَ أَبِي قُلْتُ لأَبِي عُثْمَانَ مِمَّنْ سَمِعْتَ هَذَا‏.‏ قَالَ مِنْ أُسَامَةَ بْنِ زَيْدٍ‏.‏

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সহীহ বুখারী (ইফাঃ)
অধ্যায়ঃ ৫৩/ ফাজায়ীলুল কুরআন
হাদিস নম্বরঃ ৪৬১৬ | 4616 | ٤٦۱٦

পরিচ্ছদঃ ওহী কিভাবে নাযিল হয় এবং সর্বপ্রথম কোন আয়াত নাযিল হয়েছিল। ইবন আব্বাস (রা) বলেন, الْمُهَيْمِنُ মানে- আমীন। কুরআন পূর্ববর্তী সমস্ত আসমানী গ্রন্থের জন্য আমীন স্বরূপ।

৪৬১৬। আবদল্লাহ্ ইবনু ইউসুফ (রহঃ) ... আবূ হুরাযরা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, প্রত্যেক নাবী কে তার যুগের চাহিদা মুতাবিক কিছু মুজিযা দান করতে হয়েছে, যা দেখে লোকেরা তাঁর প্রতি ঈমান এনেছে। আমাকে যে মুজিযা দেয়া হয়েছে তা হচ্ছে, ওহী- যা আল্লাহ পাক আমার প্রতি অবতীর্ণ করেছেন। সুতরাং আমি আশা করি, কিয়ামতের দিন তাদের অনুসারীদের তুলনায় আমার অনুসারীদের সংখ্যা অনেক বেশি হবে।



হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

Narrated Abu Huraira:

The Prophet (ﷺ) said, "Every Prophet was given miracles because of which people believed, but what I have been given, is Divine Inspiration which Allah has revealed to me. So I hope that my followers will outnumber the followers of the other Prophets on the Day of Resurrection."

باب كَيْفَ نُزُولُ الْوَحْىِ وَأَوَّلُ مَا نَزَلَ قَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ الْمُهَيْمِنُ الأَمِينُ، الْقُرْآنُ أَمِينٌ عَلَى كُلِّ كِتَابٍ قَبْلَهُ

حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يُوسُفَ، حَدَّثَنَا اللَّيْثُ، حَدَّثَنَا سَعِيدٌ الْمَقْبُرِيُّ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ مَا مِنَ الأَنْبِيَاءِ نَبِيٌّ إِلاَّ أُعْطِيَ مَا مِثْلُهُ آمَنَ عَلَيْهِ الْبَشَرُ، وَإِنَّمَا كَانَ الَّذِي أُوتِيتُ وَحْيًا أَوْحَاهُ اللَّهُ إِلَىَّ فَأَرْجُو أَنْ أَكُونَ أَكْثَرَهُمْ تَابِعًا يَوْمَ الْقِيَامَةِ ‏"‏‏.‏

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

হাদিস দেখানো হচ্ছে   [4611]  থেকে  [4620]  পর্যন্ত এবং সর্বমোট   [7054]  টি হাদিস পাওয়া গেছে।