• ৫৬৪২৮ টি সর্বমোট হাদিস আছেঃ
  • ৫৭৫৬ টি প্রশ্নোত্তর ও ফিকাহঃ

 

 

 

 


হাদীস (حَدِيْث) এর শাব্দিক অর্থ: নতুন, প্রাচীন ও পুরাতন এর বিপরীত বিষয়। এ অর্থে যে সব কথা, কাজ ও বস্ত্ত পূর্বে ছিল না, এখন অস্তিত্ব লাভ করেছে  তাই হাদীস। এর আরেক অর্থ হলো: কথা। ফক্বীহগণের পরিভাষায় নাবী কারীম () আল্লাহ্‌র রাসূল হিসেবে যা কিছু বলেছেন, যা কিছু করেছেন এবং যা কিছু বলার বা করার অনুমতি দিয়েছেন অথবা সমর্থন জানিয়েছেন তাকে হাদীস বলা হয়। কিন্তু মুহাদ্দিসগণ এর সঙ্গে রাসুলুল্লাহ () সম্পর্কিত বর্ণনা ও তার গুণাবলী সম্পর্কিত বিবরণকেও হাদীসের অন্তর্ভুক্ত করেন। এ হিসেবে হাদীসকে প্রাথমিক পর্যায়ে তিন শ্রেণীতে ভাগ করা যায়:

১। ক্বওলী হাদীস: কোন বিষয়ে রাসুলুল্লাহ () যা বলেছেন, অর্থাৎ যে হাদীসে তাঁর কোন কথা বিবৃত হয়েছে তাকে ক্বওলী (বাণী সম্পর্কিত) হাদীস বলা হয়।

২। ফেলী হাদীস: মহানাবী ()-এর কাজকর্ম, চরিত্র ও আচার-আচরণের ভেতর দিয়েই ইসলামের যাবতীয় বিধি-বিধান ও রীতিনীতি পরিস্ফুট হয়েছে। অতএব যে হাদীসে তাঁর কোন কাজের বিবরণ উল্লেখিত হয়েছে তাকে ফে’লী (কর্ম সম্পর্কিত) হাদীস বলা হয়।

৩। তাকরীরী হাদীস: সাহাবীগণের যে সব কথা বা কাজ নাবী কারীম ()-এর অনুমোদন ও সমর্থন প্রাপ্ত হয়েছে, সে ধরনের কোন কথা বা কাজের বিবরণ হতেও শরীয়াতের দৃষ্টিভঙ্গি জানা যায়। অতএব যে হাদীসে এ ধরনের কোন ঘটনার বা কাজের উল্লেখ পাওয়া যায় তাকে তাকরীরী (সমর্থন মূলক) হাদীস বলে।

সুন্নাহ (السنة): হাদীসের অপর নাম সুন্নাহ্ (السنة) সুন্নাত শব্দের অর্থ চলার পথ, কর্মের নীতি ও পদ্ধতি। যে পন্থা ও রীতি নাবী কারীম () অবলম্বন করতেন তাকে সুন্নাত বলা হয়। অন্য কথায় রাসুলুল্লাহ () প্রচারিত উচ্চতম আদর্শই সুন্নাত। কুরআন মাজিদে মহত্তম ও সুন্দরতম আদর্শ (أُسْوَةٌ حَسَنَةٌ) বলতে এই সুন্নাতকেই বুঝানো হয়েছে।

খবর (خبر): হাদীসকে আরবী ভাষায় খবরও (خبر) বলা হয়। তবে খবর শব্দটি হাদীস ও ইতিহাস উভয়টিকেই বুঝায়।

আসার (أثر ): আসার শব্দটিও কখনও কখনও রাসুলুল্লাহ () এর হাদীসকে নির্দেশ করে। কিন্তু অনেকেই হাদীস ও আসার এর মধ্যে কিছু পার্থক্য করে থাকেন। তাঁদের মতে- সাহাবীগণ থেকে শরীয়াত সম্পর্কে যা কিছু উদ্ধৃত হয়েছে তাকে আসার বলে।

 

ইলমে হাদীসের কতিপয় পরিভাষা

সাহাবী (صحابى):  যিনি ঈমানের সঙ্গে রাসুলুল্লাহ () এর সাহচর্য লাভ করেছেন এবং ঈমানের সঙ্গে মৃত্যুবরণ করেছেন তাঁকে রাসুলুল্লাহ ()-এর সাহাবী বলা হয়।

তাবেঈ (تابعى) : যিনি রাসুলুল্লাহ ()-এর কোন সাহাবীর নিকট হাদীস শিক্ষা করেছেন অথবা অন্ততপক্ষে তাঁকে দেখেছেন এবং মুসলমান হিসেবে মৃত্যুবরণ করেছেন তাঁকে তাবেঈ বলা হয়।

তাবে-তাবেঈ (تابعى تابع) : যিনি  কোন তাবেঈ এর নিকট হাদীস শিক্ষা করেছেন অথবা অন্ততপক্ষে তাঁকে দেখেছেন এবং মুসলমান হিসেবে মৃত্যুবরণ করেছেন তাঁকে তাবে-তাবেঈ বলা হয়।

মুহাদ্দিস (محدث) : যিনি হাদীস চর্চা করেন এবং বহু সংখ্যক হাদীসের সনদ ও মতন সম্পর্কে বিশেষ জ্ঞান রাখেন তাঁকে মুহাদ্দিস বলা হয়।

শাইখ (شيخ) : হাদীসের শিক্ষাদাতা রাবীকে শায়খ বলা হয়।

শাইখান (شيخان) : সাহাবীগনের মধ্যে আবূ বকর (রাঃ) ও উমর  (রাঃ)- কে একত্রে শাইখান বলা হয়। কিন্তু হাদীস শাস্ত্রে ইমাম বুখারী (রাহি.) ও ইমাম মুসলিম (রাহি.)-কে এবং ফিক্বহ-এর পরিভাষায় ইমাম আবূ হানীফা (রাহি.) ও আবূ ইউসুফ (রাহি.)-কে একত্রে শাইখান বলা হয়। 

হাফিয (حافظ) : যিনি সনদ ও মতনের বৃত্তান্ত সহ এক লাখ হাদীস আয়ত্ত করেছেন তাঁকে হাফিয বলা হয়।

হুজ্জাত (حجة) : অনুরূপভাবে যিনি তিন লক্ষ হাদীস আয়ত্ত করেছেন তাঁকে হুজ্জাত বলা হয়।  

হাকিম (حاكم) : যিনি সব হাদীস আয়ত্ত করেছেন তাকে হাকিম বলা হয়।

রিজাল (رجال) : হাদীসের রাবী সমষ্টিকে রিজাল বলে। যে শাস্ত্রে রাবীগণের জীবনী বর্ণনা করা হয়েছে তাকে আসমাউর-রিজাল বলা হয়।                                                                                 

রিওয়ায়াত (رواية): হাদীস বর্ণনা করাকে রিওয়ায়াত বলে। কখনও কখনও মূল হাদীসকেও রিওয়ায়াত বলা হয়। যেমন- এই কথার সমর্থনে একটি রিওয়ায়াত (হাদীস) আছে।                           

সনদ (سند): হাদীসের মূল কথাটুকু যে সূত্র পরম্পরায় গ্রন্থ সংকলনকারী পর্যন্ত পৌঁছেছে তাকে সনদ বলা হয়। এতে হাদীস বর্ণনাকারীদের নাম একের পর এক সজ্জিত থাকে।

মতন (متن): হাদীসে মূল কথা ও তার শব্দ সমষ্টিকে মতন বলে।

মারফূ (مرفوع): যে হাদীসের সনদ (বর্ণনা পরম্পরা) রাসুলুল্লাহ () পর্যন্ত পৌঁছেছে  তাকে মারফূ হাদীস বলে।

মাওকূফ (موقوف) : যে হাদীসের বর্ণনা- সূত্র ঊর্ধ্ব দিকে সাহাবী পর্যন্ত পৌঁছেছে , অর্থাৎ যে সনদ -সূত্রে কোন সাহাবীর কথা বা কাজ বা অনুমোদন বর্ণিত হয়েছে তাকে মাওকূফ হাদীস বলে। এর অপর নাম আসার।

মাকতূ (مقطوع): যে হাদীসের সনদ কোন তাবেঈ পর্যন্ত পৌঁছেছে, তাকে মাকতূ হাদীস বলা হয়।

তালীক (تعليق): কোন কোন গ্রন্থকার হাদীসের পূর্ণ সনদ বাদ দিয়ে কেবল মূল হাদীস বর্ণনা করেছেন। এরূপ করাকে তা’লীক বলা হয়।

মুদাল্লাস (مدلس): যে হাদীসের রাবী নিজের প্রকৃত শাইখের (উস্তাদের) নাম উল্লেখ না করে তার উপরস্থ শাইখের নামে এভাবে হাদীস বর্ণনা করেছেন যাতে মনে হয় যে, তিনি নিজেই উপরস্থ শাইখের নিকট তা শুনেছেন অথচ তিনি তাঁর নিকট সেই হাদীস শুনেন নি- সে হাদীসকে মুদাল্লাস হাদীস এবং এইরূপ করাকে ‘তাদ্লীস’ আর যিনি এইরূপ করেন তাকে মুদালস্নীস বলা হয়।

মুযতারাব (مضطرب): যে হাদীসের রাবী হাদীসের মতন ও সনদকে বিভিন্ন প্রকারে বর্ণনা করেছেন সে হাদীসকে হাদীসে মুযতারাব বলা হয়। যে পর্যন্ত না এর কোনরূপ সমন্বয় সাধন সম্ভবপর হয়, সে পর্যন্ত এই হাদীসের ব্যাপারে অপেক্ষা করতে হবে অর্থাৎ এই ধরনের রিওয়ায়াত প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না।

মুদ্রাজ (مدرج): যে হাদীসের মধ্যে রাবী নিজের অথবা অপরের উক্তিকে অনুপ্রবেশ করিয়েছেন, সে হাদীসকে মুদ্রাজ এবং এইরূপ করাকে ‘ইদরাজ’ বলা হয়।

মুত্তাসিল (متصل): যে হাদীসের সনদের ধারাবাহিকতা প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত পূর্ণরূপে রক্ষক্ষত আছে, কোন সত্মরেই কোন রাবীর নাম বাদ পড়ে নি তাকে মুত্তাসিল হাদীস বলে।

মুনকাতি (منقطع): যে হাদীসের সনদে ধারাবাহিকতা রক্ষিত হয় নি, মাঝখানে কোন এক স্তরে কোন রাবীর নাম বাদ পড়েছে, তাকে মুনকাতি হাদীস, আর এই বাদ পড়াকে ইনকিতা বলা হয়।

মুরসাল (مرسل): যে হাদীসের সনদে ইনকিতা শেষের দিকে হয়েছে, অর্থাৎ সাহাবীর নাম বাদ পড়েছে এবং তাবেঈ সরাসরি রাসুলুল্লাহ () এর উল্লেখ করে হাদীস বর্ণনা করেছেন তাকে মুরসাল হাদীস বলা হয়।

মুআল্লাক ( معلق ) : সনদের ইনকিতা প্রথম দিকে  হলে, অর্থাৎ সাহাবীর পর এক বা একাধিক রাবীর নাম বাদ পড়লে তাকে মু’আল্লাক হাদীস বলা হয়।

মুদাল (معضل): যে হাদীসে দুই বা ততোধিক রাবী ক্রমান্বয়ে সনদ থেকে বাদ পড়েছে তাকে মু‘দাল হাদীস বলে।

মুতাবি ও শাহিদ (متابع و شاهد): এক রাবীর হাদীসের অনুরূপ যদি অপর রাবীর কোন হাদীস পাওয়া যায় তবে দ্বিতীয় রাবীর হাদীসকে প্রথম রাবীর হাদীসের মুতাবি বলা হয়। যদি উভয় হাদীসের মূল রাবী অর্থাৎ সাহাবী একই ব্যক্তি না হয় তবে দ্বিতীয় ব্যক্তির হাদীসকে শাহিদ বলে। আর এইরূপ হওয়াকে শাহাদাত বলে। মুতাবা’আত ও শাহাদাত দ্বারা প্রথম হাদীসটির শক্তি বৃদ্ধি পায়।

মারূফ ও মুনকার (معروف و منكر): কোন দুর্বল রাবীর বর্ণিত হাদীস অপর কোন মাকবূল (গ্রহণযোগ্য) রাবীর বর্ণিত হাদীসের বিরোধী হলে তাকে মুনকার বলা হয় এবং মাকবূল রাবীর হাদীসকে মা‘রূফ বলা হয়।

সহীহ (صحيح) : যে মুত্তাসিল হাদীসের সনদে উল্লেখিত প্রত্যেক রাবীই পূর্ণ আদালত ও যাবত (ধারণ ক্ষমতা) গুণ সম্পন্ন এবং হাদীসটি যাবতীয় দোষত্রুটি ও শায মুক্ত তাকে সহীহ হাদীস বলে।

হাসান (حسن) : যে হাদীসের মধ্যে রাবীর যাবত (ধারণ ক্ষমতা) এর গুণ ব্যতীত সহীহ হাদীসের সমস্ত শর্তই পরিপূর্ণ রয়েছে তাকে হাসান হাদীস বলা হয়। ফক্বীহগণ সাধারণত সহীহ ও হাসান হাদীসের ভিত্তিতে শরীয়াতের বিধান নির্ধারণ  করেন।

যঈফ (ضعيف ) : যে হাদীসের রাবী কোন হাসান হাদীসের রাবীর গুণসম্পন্ন নন তাকে যঈফ হাদীস বলে।

মাওযূ ( موضوع ) : যে হাদীসের রাবী জীবনে কখনও ইচ্ছাকৃতভাবে রাসুলুল্লাহ ()-এর নামে মিথ্যা কথা রটনা করেছেন বলে প্রমাণিত হয়েছে, তার বর্ণিত হাদীসকে মাওযূ‘ হাদীস বলে।

 

রাবীর সংখ্যা বিচারে হাদীস প্রধানত দুপ্রকার। যথা: ১. মুতওয়াতির (متواتر) ও ২. আহাদ (أحاد)

১. মুতওয়াতির (متواتر): বৃহৎ সংখ্যক রাবীর বর্ণিত হাদীস, মিথ্যার ব্যাপারে যাদের উপর একাট্টা হওয়া অসম্ভব, সনদের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত এ সংখ্যা বিদ্যমান থাকলে হাদীসকে মুতওয়াতির (متواتر) বলা হয়।

২. আহাদ (أحاد): أحاد তিন প্রকার। যথা:

মাশহুর (مشهور): যে কোন স্তরে হাদীস বর্ণনা কারীর সংখ্যা যদি দুই এর অধিক হয়, কিন্তু মুতওয়াতির এর পর্যায়ে পৌঁছে না তাকে মাশহুর (مشهور) বলে।

আযীয (عزيز): যে কোন স্তরে হাদীস বর্ণনা কারীর সংখ্যা যদি দু‘জন হয় ।

গরীব (غريب): যে কোন স্তরে হাদীস বর্ণনা কারীর সংখ্যা যদি এক জন হয় ।

শায (شاذ): একাধিক নির্ভরযোগ্য রাবীর বিপরীত একজন নির্ভরযোগ্য রাবীর বর্ণনাকে শায হাদীস বলে।

 কিয়াস (قياس): অর্থ অনুমান, পরিমাপ, তুলনা ইত্যাদি। পরিভাষায়: শাখাকে মূলের সঙ্গে তুলনা করা, যার ফলে শাখা ও মূল একই হুকুমের অমত্মর্ভুক্ত হয়ে যায়।

তাক্বলীদ (تقليد): দলীল উল্লেখ ছাড়াই কোন ব্যক্তির মতামতকে গ্রহণ করা।

ইজতিহাদ (اجتهاد): উদ্দিষ্ট জ্ঞান অর্জনের প্রচেষ্টা চালানোকে ইজতিহাদ বলে।

শরীয়াত (شريعة): অর্থ: আইন, বিধান, পথ, পন্থা ইত্যাদি। পরিভাষায়: মহান আল্লাহ্‌ স্বীয় দীন হতে বান্দার জন্য যা বিধিবদ্ধ করে দিয়েছেন তাকে শরীয়াত বলে।

মাযহাব (مذهب): অর্থ- মত, পথ, মতবাদ ইত্যাদি। ফিক্বহী পরিভাষায়: ইবাদাত ও মু‘আমালাতের ক্ষেত্রে শারঈ হুকুম পালনের জন্য বান্দা যে পথ অনুসরণ করে এবং প্রত্যেক দলের জন্য একজন ইমামের উপর অথবা ইমামের ওসীয়ত কিংবা ইমামের প্রতিনিধির উপর নির্ভর করে তাকে মাযহাব বলে।

নাযর (نذر): কোন বিষয়ে উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য চিন্তা-ভাবনা করাকে নাযর বলে।

আম (عام): সীমাবদ্ধ করা ছাড়াই যা দুই বা ততোধিক বিষয়কে অন্তর্ভুক্ত করে তাকে আম বলে।

খাস (خاص): আম এর বিপরীত, যা নির্দিষ্ট বিষয়কে অন্তর্ভুক্ত করে।

ইজমা (اجماع): কোন এক যুগে আলিমদের কোন শারঈ বিষয়ের উপর এক মত পোষণ করাকে ইজমা বলে।

মুসনাদ (مسند): যার সনদগুলো পরস্পর এমনভাবে মিলিত যে, প্রত্যেকের বর্ণনা সুস্পষ্ট।

ফিক্বহ (فقه): ইজতিহাদ বা গবেষণার পদ্ধতিতে শারঈ হুকুম সম্পর্কে জানার বিধানকে ফিক্বহ বলে।

আসল বা মূল (اصل): এমন প্রথম বিষয়, যার উপর ভিত্তি করে কোন কিছু গড়ে উঠে। যেমন- দেয়ালের ভিত্তি।

ফারা বা শাখা (فرع): আসলের বিপরীত যা কোন ভিত্তির উপর গড়ে উঠে।

ওয়াজিব (واجب): যা আমল করলে সাওয়াব পাওয়া যাবে আর পরিত্যাগ করলে শাস্তি পাওয়া যাবে।

মানদূব (مندوب): যা আমল করলে সাওয়াব পাওয়া যাবে আর পরিত্যাগ করলে শাস্তি হবে না।

মাহযূর (محظور): যা পরিত্যাগ করলে সাওয়াব পাওয়া যাবে আর আমল করলে শাস্তি পাওয়া যাবে।

মাকরূহ (مكروه): যা পরিত্যাগ করলে সাওয়াব পাওয়া যাবে আর আমল করলে শাস্তি হবে না।

ফাৎওয়া (فتوى): জিজ্ঞাসিত ব্যক্তির নিকট থেকে দলীল ভিত্তিক শারঈ হুকুম সুস্পষ্ট বর্ণনা করে নেয়াকে ফাৎওয়া বলে।

নাসিখ (ناسخ): পরিবর্তিত শারঈ দলীল যা পূববর্তী শারঈ হুকুমকে রহিত করে দেয় তাকে নাসিখ বলে।

মানসূখ (منسوخ): আর যে হুকুমটি রহিত হয়ে যায় সেটাই মানসূখ।

মুতলাক্ব (مطلق): যা প্রকৃতিগত দিক থেকে জাতির সকলকে অন্তর্ভুক্ত  করে কিন্তু অনির্দিষ্টভাবে একটি অর্থকে বুঝায়।

মুকাইয়্যাদ (مقيد): যা মুতলাক্বের বিপরীত অর্থাৎ জাতির সকলকে অন্তর্ভুক্ত  করে না। বরং নির্দিষ্ট একটি অর্থকে বুঝায়।

হাক্বীকাত (حقيقة): শব্দকে আসল অর্থে ব্যবহার করাকে হাক্বীকত বলে। যেমন- সিংহ শব্দটি এক প্রজাতির হিংস্র প্রাণীকে বুঝায়।

মাজায (مجاز): শব্দ যখন আসল অর্থকে অতিক্রম করে তার সাথে সাদৃশ্য রাখে এমন অর্থ প্রকাশ করে তখন তাকে মাজায বলে। যেমন- সাহসী লোককে সিংহের সাথে তুলনা করা।

হাদিসের পরিসংখ্যান

সর্বমোট হাদিস পাওয়া গেছেঃ [866] টি | অধ্যায়ঃ ১/ পবিত্রতা
গ্রন্থঃ সূনান আবু দাউদ (ইফাঃ) | দেখানো হচ্ছে   [311]  থেকে  [320]  পর্যন্ত
প্রতি পাতাতে টি হাদিস

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সূনান আবু দাউদ (ইফাঃ)
অধ্যায়ঃ ১/ পবিত্রতা
হাদিস নম্বরঃ ৩১১ | 311 | ۳۱۱

পরিচ্ছদঃ ১২১. নিফাসের সময় সম্পর্কে।

৩১১. আহমাদ ইবনু ইউনুস .......... মুসসাহ্ (রহঃ) উম্মে সালামা (রাঃ) হতে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সময় নিফাসগ্রস্ত হওয়ার (অর্থাৎ সন্তান ভুমিষ্টের) পর মহিলারা চল্লিশ দিন রাত অপেক্ষা করতেন।১ রাবী বলেন, আমরা আমাদের চেহারার কাল দাগ উঠাবার জন্য এক ধরনের ‘ওয়ারস’ নামীয় সুগন্ধ ঘাস ব্যবহার করতাম।



হাদিসের মানঃ  হাসান (Hasan)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

Narrated Umm Salamah, Ummul Mu'minin:

The woman having bleeding after delivery (puerperal haemorrhage) would refrain (from prayer) for forty days or forty nights; and we would anoint our faces with an aromatic herb called wars to remove dark spots.

باب مَا جَاءَ فِي وَقْتِ النُّفَسَاءِ

حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ يُونُسَ، أَخْبَرَنَا زُهَيْرٌ، حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ الأَعْلَى، عَنْ أَبِي سَهْلٍ، عَنْ مُسَّةَ، عَنْ أُمِّ سَلَمَةَ، قَالَتْ كَانَتِ النُّفَسَاءُ عَلَى عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم تَقْعُدُ بَعْدَ نِفَاسِهَا أَرْبَعِينَ يَوْمًا أَوْ أَرْبَعِينَ لَيْلَةً وَكُنَّا نَطْلِي عَلَى وُجُوهِنَا الْوَرْسَ يَعْنِي مِنَ الْكَلَفِ ‏.‏

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সূনান আবু দাউদ (ইফাঃ)
অধ্যায়ঃ ১/ পবিত্রতা
হাদিস নম্বরঃ ৩১২ | 312 | ۳۱۲

পরিচ্ছদঃ ১২১. নিফাসের সময় সম্পর্কে।

৩১২. হাসান ইবনু ইয়াহ্ইয়া .............. কাছীর ইবনু যিয়াদ মুসসাহ্ হতে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, আমি একদা হজ্জব্রত পালন করবার উদ্দেশ্যে রওনা হয়ে . উম্মে সালামা (রাঃ) -র নিকট উপস্হিত হই এবং তাকে জিজ্ঞাসা করি- হে উম্মুল মুমেনীন! সামুরা ইবনু জুন্দুব (রাঃ) মহিলাদেরকে হায়েযকালীন সময়ের কাযা নামায আদায়ের নির্দেশ দেন। তিনি বলেন, উক্ত নামায কাযা করার প্রয়োজন নাই। কেননা নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের বিবিগণের কেউ সন্তান ভুমিষ্টের পর নিফাসকালীন সময়ের চল্লিশ দিন নামায আদায় করা হতে বিরত থাকতেন এবং নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদেরকে এ সময়ের কাযা নামায আদায় করার নির্দেশ দিতেন না।



হাদিসের মানঃ  হাসান (Hasan)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

Al-Azdiyyah, viz. Mussah, said:
I performed Hajj and came to Umm Salamah and said (to her): Mother of the believers, Samurah b. Jundub commands women to complete the prayers abandoned during their menstrual period. She said: They should not do so. The wives of the Prophet (ﷺ) would refrain (from prayer) for forty nights (i.e. days) during the course of bleeding after child birth. The Prophet (ﷺ) would not command them to complete the prayers abandoned during the period of bleeding.

Muhammad b. Hatim said: The name of Al-Azdiyyah is Mussah and her patronymic name is Umm Busrah.

Abu Dawud said: The patronymic names of Kathir b. Ziyad s Abu Sahl.

باب مَا جَاءَ فِي وَقْتِ النُّفَسَاءِ

حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ يَحْيَى، أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ حَاتِمٍ، - يَعْنِي حِبِّي - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْمُبَارَكِ، عَنْ يُونُسَ بْنِ نَافِعٍ، عَنْ كَثِيرِ بْنِ زِيَادٍ، قَالَ حَدَّثَتْنِي الأَزْدِيَّةُ، - يَعْنِي مُسَّةَ - قَالَتْ حَجَجْتُ فَدَخَلْتُ عَلَى أُمِّ سَلَمَةَ فَقُلْتُ يَا أُمَّ الْمُؤْمِنِينَ إِنَّ سَمُرَةَ بْنَ جُنْدُبٍ يَأْمُرُ النِّسَاءَ يَقْضِينَ صَلاَةَ الْمَحِيضِ ‏.‏ فَقَالَتْ لاَ يَقْضِينَ كَانَتِ الْمَرْأَةُ مِنْ نِسَاءِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم تَقْعُدُ فِي النِّفَاسِ أَرْبَعِينَ لَيْلَةً لاَ يَأْمُرُهَا النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم بِقَضَاءِ صَلاَةِ النِّفَاسِ ‏.‏ قَالَ مُحَمَّدٌ يَعْنِي ابْنَ حَاتِمٍ وَاسْمُهَا مُسَّةُ تُكْنَى أُمَّ بُسَّةَ ‏.‏ قَالَ أَبُو دَاوُدَ كَثِيرُ بْنُ زِيَادٍ كُنْيَتُهُ أَبُو سَهْلٍ ‏.‏

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সূনান আবু দাউদ (ইফাঃ)
অধ্যায়ঃ ১/ পবিত্রতা
হাদিস নম্বরঃ ৩১৩ | 313 | ۳۱۳

পরিচ্ছদঃ ১২২. হায়েযের রক্ত ধৌত করা সম্পর্কে।

৩১৩. মুহাম্মাদ ইবনু আমর ........... উমাইয়্যা বিনতে আবূস সালত (রহঃ) থেকে গিফার গোত্রের লায়লা নামীয় এক মহিলার সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সফরের সময় আমাকে তাঁর উটের পিছনের দিকে বসান। রাবী বলেন, আল্লাহর শপথ। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সারা রাত সফরের পর সাবাহ নামক স্থানে তাঁর উট বিশ্রামের জন্য বসান এবং এ সময় আমি আসন হতে অবতরণ করি এবং আসনের উপর আমার রক্ত দেখি এটাই আমার জীবনের সর্ব প্রথম হায়েয। রাবী বলেন, তখন আমি লজ্জিত অবস্থায় উটের আড়ালে গিয়ে অবস্হান করি অতঃপর রাসূলুল্লাহ্ সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাকে লজ্জিত অবস্থায় এবং উটের পিঠের আসনে রক্ত দেখে জিজ্ঞাসা করলেন, তোমার কি হয়েছে? সম্ভবতঃ তোমার হায়েয হয়েছে আমি বলি- হাঁ। তিনি আমাকে বলেন তোমার লজ্জাস্থানে শক্তভাবে কাপড় বাঁধ এবং এক বদনা পানিতে কিছু পরিমাণ- লবণ মিশ্রিত করে উটের পিঠের রক্ত-রঞ্জিত আসনটি ধুয়ে ফেল। অতঃপর তোমার আসনে সমাসীন হও। রাবী বলেন, যখন রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম খয়বর জয় করেন, তখন তিনি আমাদেরফে গনিমতের মালের কিছু অংশ দেন। রাবী (উমাইয়্যা) বলেন, উক্ত গিফার বংশীয় - মহিলাটি যখনই হায়েযের রক্ত পরিষ্কার করতেন তখনই সেই পানির সংগে লবণ মিশ্রিত করতেন এবং তিনি তার মুত্যূকালে অন্যদেরকেও হায়েযের রক্ত পরিষ্কার করার সময় পানির সাথে লবন মিশ্রিত করে ব্যবহারের উপদেশ দিয়ে যান।



হাদিসের মানঃ  যঈফ (Dai'f)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

Narrated Woman of Banu Ghifar:

Umayyah, daughter of AbusSalt, quoted a certain woman of Banu Ghifar, whose name was mentioned to me, as saying: The Messenger of Allah (ﷺ) made me ride behind him on the rear of the camel saddle. By Allah, the Messenger of Allah (ﷺ) got down in the morning. He made his camel kneel down and I came down from the back of his saddle. There was a mark of blood on it (saddle) and that was the first menstruation that I had. I stuck to the camel and felt ashamed.

When the Messenger of Allah (ﷺ) saw what had happened to me and saw the blood, he said: Perhaps you are menstruating.

I said: Yes. He then said: Set yourself right (i.e. tie some cloth to prevent bleeding), then take a vessel of water and put some salt in it, and then wash the blood from the back of the saddle, and then return to your mount. When the Messenger of Allah (ﷺ) conquered Khaybar, he gave us a portion of the booty. Whenever the woman became purified from her menses, she would put salt in water. And when she died, she left a will to put salt in the water for washing her (after death).

باب الاِغْتِسَالِ مِنَ الْحَيْضِ

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَمْرٍو الرَّازِيُّ، حَدَّثَنَا سَلَمَةُ، - يَعْنِي ابْنَ الْفَضْلِ - أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ، - يَعْنِي ابْنَ إِسْحَاقَ - عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ سُحَيْمٍ، عَنْ أُمَيَّةَ بِنْتِ أَبِي الصَّلْتِ، عَنِ امْرَأَةٍ، مِنْ بَنِي غِفَارٍ قَدْ سَمَّاهَا لِي قَالَتْ أَرْدَفَنِي رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَلَى حَقِيبَةِ رَحْلِهِ - قَالَتْ - فَوَاللَّهِ لَمْ يَزَلْ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِلَى الصُّبْحِ فَأَنَاخَ وَنَزَلْتُ عَنْ حَقِيبَةِ رَحْلِهِ فَإِذَا بِهَا دَمٌ مِنِّي فَكَانَتْ أَوَّلَ حَيْضَةٍ حِضْتُهَا - قَالَتْ - فَتَقَبَّضْتُ إِلَى النَّاقَةِ وَاسْتَحْيَيْتُ فَلَمَّا رَأَى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مَا بِي وَرَأَى الدَّمَ قَالَ ‏"‏ مَا لَكِ لَعَلَّكِ نُفِسْتِ ‏"‏ ‏.‏ قُلْتُ نَعَمْ ‏.‏ قَالَ ‏"‏ فَأَصْلِحِي مِنْ نَفْسِكِ ثُمَّ خُذِي إِنَاءً مِنْ مَاءٍ فَاطْرَحِي فِيهِ مِلْحًا ثُمَّ اغْسِلِي مَا أَصَابَ الْحَقِيبَةَ مِنَ الدَّمِ ثُمَّ عُودِي لِمَرْكَبِكِ ‏"‏ ‏.‏ قَالَتْ فَلَمَّا فَتَحَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم خَيْبَرَ رَضَخَ لَنَا مِنَ الْفَىْءِ - قَالَتْ - وَكَانَتْ لاَ تَطَّهَّرُ مِنْ حَيْضَةٍ إِلاَّ جَعَلَتْ فِي طَهُورِهَا مِلْحًا وَأَوْصَتْ بِهِ أَنْ يُجْعَلَ فِي غُسْلِهَا حِينَ مَاتَتْ ‏.‏

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সূনান আবু দাউদ (ইফাঃ)
অধ্যায়ঃ ১/ পবিত্রতা
হাদিস নম্বরঃ ৩১৪ | 314 | ۳۱٤

পরিচ্ছদঃ ১২২. হায়েযের রক্ত ধৌত করা সম্পর্কে।

৩১৪. উছমান ইবনু আবূ শায়বা ........... সাফিয়্যা বিন্তে শায়বা থেকে আয়োশ (রাঃ) র সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, . আসমা (রাঃ) রাসূল্লুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের খিদমতে উপস্থিত হয়ে বলেন, ইয়া রাসূলুল্লাহ্! আমাদের কেউ হায়েয থেকে পবিত্র হতে চাইলে তা কিরূপে হবে। তিনি বলেন, পানির সাথে কুলপাতা মিশ্রিত করে প্রথমে উযূ (ওজু/অজু/অযু) করবে অতঃপর মাথায় পানি দিয়ে তা এমনভাবে ঘর্ষণ করবে যেন পানি প্রতিটি চুলের গোড়ায় গিয়ে পৌছায়। অতঃপর সমস্ত অংগে পানি দিবে। অতঃপর তুমি তোমার (রক্ত মিশ্রিত) কাপড়ের টুকরাটি পরিস্কার করবে। তিনি জিজ্ঞাসা করেন, ইয়া রাসূলুল্লাহ্! তা কিভাবে পরিস্কার করব? . আয়িশা (রাঃ) বলেন! আমি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর উদ্দেশ্য বুঝেছি। তখন (আয়িশা) তাঁকে (আসমা-কে) বলি, লজ্জাস্থানের যে জায়গায় রক্ত লাগবে- তা ধৌত করে পরিস্কার করবে।



হাদিসের মানঃ  হাসান (Hasan)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

'Aishah reported:
Asma' entered upon the Messenger of Allah (ﷺ) and said: Messenger of Allah, how should one of us take bath when she is purified from her menses ? He said: She should take water mixed with the leaves of lote-tree; then should perform ablution and wash her head and rub it so much so that water reaches the roots of the hair; she should then our water upon her body. Then she should take a piece of cloth (or cotton or wool) and purify with it. She asked: Messenger of Allah, how should I purify with it ? 'Aishah said: I understood what he (the Prophet) said metaphorically. I, therefore, said to her: Remove the marks of blood.

باب الاِغْتِسَالِ مِنَ الْحَيْضِ

حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، أَخْبَرَنَا سَلاَّمُ بْنُ سُلَيْمٍ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ مُهَاجِرٍ، عَنْ صَفِيَّةَ بِنْتِ شَيْبَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ دَخَلَتْ أَسْمَاءُ عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَتْ يَا رَسُولَ اللَّهِ كَيْفَ تَغْتَسِلُ إِحْدَانَا إِذَا طَهُرَتْ مِنَ الْمَحِيضِ قَالَ ‏ "‏ تَأْخُذُ سِدْرَهَا وَمَاءَهَا فَتَوَضَّأُ ثُمَّ تَغْسِلُ رَأْسَهَا وَتَدْلُكُهُ حَتَّى يَبْلُغَ الْمَاءُ أُصُولَ شَعْرِهَا ثُمَّ تُفِيضُ عَلَى جَسَدِهَا ثُمَّ تَأْخُذُ فِرْصَتَهَا فَتَطَّهَّرُ بِهَا ‏"‏ ‏.‏ قَالَتْ يَا رَسُولَ اللَّهِ كَيْفَ أَتَطَهَّرُ بِهَا قَالَتْ عَائِشَةُ فَعَرَفْتُ الَّذِي يَكْنِي عَنْهُ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقُلْتُ لَهَا تَتَّبِعِينَ بِهَا آثَارَ الدَّمِ ‏.‏

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সূনান আবু দাউদ (ইফাঃ)
অধ্যায়ঃ ১/ পবিত্রতা
হাদিস নম্বরঃ ৩১৫ | 315 | ۳۱۵

পরিচ্ছদঃ ১২২. হায়েযের রক্ত ধৌত করা সম্পর্কে।

৩১৫. মূসা’দ্দাদ ইবনু মূসারহাদ ........ সাফিয়্যা বিনতে শায়বা আয়িশা (রাঃ) হতে বর্ণনা করেছেন। তিনি আনসার মহিলাদের প্রশংসা করে বলেন যে, তারা-দ্বীনের ব্যাপারে কোন কিছু জিজ্ঞাসা করতে লজ্জাবোধ করেন না। তাদের মধ্যেকার এক মহিলা রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামেব খিদমতে আগমন করেন। অতঃপর রাবী পূর্বোক্ত হাদীছের অনুরূপ অর্থের হাদীছ বর্ণনা করেন। তবে এই হাদীছের  মধ্যে فِرْصَةً শব্দের স্থলে مُمَسَّكَةً (সুগন্ধযুক্ত নেকড়া বা রুমাল) ব্যবহৃত হয়েছে। রাবী মূসা’দ্দাদ বলেন, আবূ আওয়ানা فِرْصَةً এবং আবূল আহ্ওয়াস قَرْصَةً শব্দের উল্লেখ করেছেন। শব্দদ্বয়ের অর্থ পূর্বোক্ত শব্দের অনুরূপ।



হাদিসের মানঃ  হাসান (Hasan)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

'Aishah made a mention of the women of the Ansar and admired them stating that they had obliged (all Muslims). She then said:
One of their women came upon the Messenger of Allah (ﷺ). She then reported the rest of the tradition to the same effect; but this version she said the words: "a musk-scented piece of cloth."

Musaddad said: Abu 'Awanah used the word firsah (i.e. a piece of cloth), but Abu Al-Ahwas used the word qasrah (i.e. a small piece of cloth).

باب الاِغْتِسَالِ مِنَ الْحَيْضِ

حَدَّثَنَا مُسَدَّدُ بْنُ مُسَرْهَدٍ، أَخْبَرَنَا أَبُو عَوَانَةَ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ مُهَاجِرٍ، عَنْ صَفِيَّةَ بِنْتِ شَيْبَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، أَنَّهَا ذَكَرَتْ نِسَاءَ الأَنْصَارِ فَأَثْنَتْ عَلَيْهِنَّ وَقَالَتْ لَهُنَّ مَعْرُوفًا وَقَالَتْ دَخَلَتِ امْرَأَةٌ مِنْهُنَّ عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَذَكَرَ مَعْنَاهُ إِلاَّ أَنَّهُ قَالَ ‏ "‏ فِرْصَةً مُمَسَّكَةً ‏"‏ ‏.‏ قَالَ مُسَدَّدٌ كَانَ أَبُو عَوَانَةَ يَقُولُ فِرْصَةً وَكَانَ أَبُو الأَحْوَصِ يَقُولُ قَرْصَةً ‏.‏

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সূনান আবু দাউদ (ইফাঃ)
অধ্যায়ঃ ১/ পবিত্রতা
হাদিস নম্বরঃ ৩১৬ | 316 | ۳۱٦

পরিচ্ছদঃ ১২২. হায়েযের রক্ত ধৌত করা সম্পর্কে।

৩১৬. উবায়দুল্লাহ্ ইবনু মুআয ........ সাফিয়্যা বিন্তে শায়বা আয়িশা (রাঃ)-র সূত্রে বর্ণনা করেন যে, . আসমা (রাঃ) নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে অনুরূপ আর্থবোধক শব্দ দ্বারা জিজ্ঞাসা করেন। রাবী এই হাদীছের মধ্যে (সুগন্ধযুক্ত নেকড়া বা রুমাল) উল্লেখ করেছেন। অতঃপর . আস্মা (রাঃ) জিজ্ঞাসা করেন, তা দিয়ে আমি কিরূপে পবিত্রতা অর্জন করব? নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, সুবহানাল্লাহ্! তা দিয়ে পবিত্রতা অর্জন করবে এবং এরূপ বলে তিনি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম লজ্জায় একটি কাপড় দ্বারা নিজেকে আড়াল করে নেন। রাবী শোবা (রহঃ) আরো উল্লেখ করেছেন যে, . আস্মা তখন নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে অপবিত্রতার গোসল সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেন। তিনি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, তুমি পানি নিয়ে লজ্জাস্হানসহ শরীরের অনান্য অংশে ভালভাবে পরিষ্কার করে ধৌত করবে। অতঃপর মাথায় পানি ঢেলে তা এরূপভাবে ঘর্ষণ করবে যেন প্রতিটি চুলের গোড়ায় পানি পৌছে। অতঃপর সমস্ত শরীরে পানি ঢালবে। আয়িশা (রাঃ) বলেন, আনসার মহিলারাই উত্তম। কেননা তারা শরীআতের হুকুম আহকাম বুঝতে এবং দ্বীনের কথা জিজ্ঞাসা করতে আদৌ লজ্জাবোধ করেন না।



হাদিসের মানঃ  হাসান (Hasan)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

'Aishah said:
Asma' asked the Prophet (ﷺ) and then narrated the rest of the tradition to the same effect. He (the Prophet) said: "a musk-scented piece of cloth." She (Asma') said: How should I purify with it ? He said: By glory of Allah ! Purify with it, and he covered his face with the cloth. This version also adds: "She asked about the washing because of sexual defilement." He said: Take your water and purify yourself as best as possible. Then pour water over yourself. 'Aishah said: The best of the women are the women of the Ansar. Shyness would not prevent them from inquiring about religion and from acquiring deep understanding in it.

باب الاِغْتِسَالِ مِنَ الْحَيْضِ

حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُعَاذٍ الْعَنْبَرِيُّ، أَخْبَرَنِي أَبِي، عَنْ شُعْبَةَ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، - يَعْنِي ابْنَ مُهَاجِرٍ - عَنْ صَفِيَّةَ بِنْتِ شَيْبَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، أَنَّ أَسْمَاءَ، سَأَلَتِ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم بِمَعْنَاهُ قَالَ ‏"‏ فِرْصَةً مُمَسَّكَةً ‏"‏ ‏.‏ قَالَتْ كَيْفَ أَتَطَهَّرُ بِهَا قَالَ ‏"‏ سُبْحَانَ اللَّهِ تَطَهَّرِي بِهَا وَاسْتَتِرِي بِثَوْبٍ ‏"‏ ‏.‏ وَزَادَ وَسَأَلَتْهُ عَنِ الْغُسْلِ مِنَ الْجَنَابَةِ فَقَالَ ‏"‏ تَأْخُذِينَ مَاءَكِ فَتَطَهَّرِينَ أَحْسَنَ الطُّهُورِ وَأَبْلَغَهُ ثُمَّ تَصُبِّينَ عَلَى رَأْسِكِ الْمَاءَ ثُمَّ تَدْلُكِينَهُ حَتَّى يَبْلُغَ شُئُونَ رَأْسِكِ ثُمَّ تُفِيضِينَ عَلَيْكِ الْمَاءَ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ وَقَالَتْ عَائِشَةُ نِعْمَ النِّسَاءُ نِسَاءُ الأَنْصَارِ لَمْ يَكُنْ يَمْنَعُهُنَّ الْحَيَاءُ أَنْ يَسْأَلْنَ عَنِ الدِّينِ وَيَتَفَقَّهْنَ فِيهِ ‏.‏

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সূনান আবু দাউদ (ইফাঃ)
অধ্যায়ঃ ১/ পবিত্রতা
হাদিস নম্বরঃ ৩১৭ | 317 | ۳۱۷

পরিচ্ছদঃ ১২৩. তায়াম্মুম সম্পর্কে।

৩১৭. আবদুল্লাহ্ ইবনু মুহাম্মাদ .......... হিশাম ইবনু উরওয়া থেকে তাঁর পিতার সূত্রে এবং তিনি . আয়িশা (রাঃ) -র সূত্রে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উসায়েদ ইবনু হুদায়েরের সাথে আরো কয়েকজনকে আয়িশা (রাঃ) -র হারানো হার অনুসন্ধানের জন্য পাঠান। এমন সময় নামাযের ওয়াক্ত হওয়ায় তারা বিনা উযূ (ওজু/অজু/অযু)তে নামায আদায় করেন। অতঃপর তারা নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের খিদমতে হাযির হয়ে এ বিষয়ে তাকে অবহিত করেন। তখন তায়াম্মুমের আয়াত নাযিল হয় এ সময় . উসায়েদ (রাঃ) . আয়িশা (রাঃ) -কে লক্ষ্য করে বলেন, আপনি মনঃক্ষুন্ন হয়েছেন, তার ফলশ্রুতিতে আল্লাহ্ তা’আলা আপনার এবং গোটা মুসলিম মিল্লাতের জন্য পথ সুপ্রশস্ত করে দিয়েছেন।



হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

Narrated Aisha, Ummul Mu'minin:

The Messenger of Allah (ﷺ) sent Usayd ibn Hudayr and some people with him to search the necklace lost by Aisha. The time of prayer came and they prayed without ablution. When they returned to the Prophet (ﷺ) and related the fact to him, the verse concerning tayammum was revealed.

Ibn Nufayl added: Usayd said to her: May Allah have mercy upon you! Never has there been an occasion when you were beset with an unpleasant matter but Allah made the Muslims and you come out of that.

باب التَّيَمُّمِ

حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ النُّفَيْلِيُّ، أَخْبَرَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، ح وَحَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، أَخْبَرَنَا عَبْدَةُ، - الْمَعْنَى وَاحِدٌ - عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ بَعَثَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أُسَيْدَ بْنَ حُضَيْرٍ وَأُنَاسًا مَعَهُ فِي طَلَبِ قِلاَدَةٍ أَضَلَّتْهَا عَائِشَةُ فَحَضَرَتِ الصَّلاَةُ فَصَلَّوْا بِغَيْرِ وُضُوءٍ فَأَتَوُا النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم فَذَكَرُوا ذَلِكَ لَهُ فَأُنْزِلَتْ آيَةُ التَّيَمُّمِ زَادَ ابْنُ نُفَيْلٍ فَقَالَ لَهَا أُسَيْدُ بْنُ حُضَيْرٍ يَرْحَمُكِ اللَّهُ مَا نَزَلَ بِكِ أَمْرٌ تَكْرَهِينَهُ إِلاَّ جَعَلَ اللَّهُ لِلْمُسْلِمِينَ وَلَكِ فِيهِ فَرَجًا ‏.‏

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সূনান আবু দাউদ (ইফাঃ)
অধ্যায়ঃ ১/ পবিত্রতা
হাদিস নম্বরঃ ৩১৮ | 318 | ۳۱۸

পরিচ্ছদঃ ১২৩. তায়াম্মুম সম্পর্কে।

৩১৮. আহমাদ ইবনু সালেহ্ ............ উবায়দুল্লাহ্ (রহঃ) থেকে আম্মার (রাঃ) -র সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন একদা তারা ফজরের নামায আদায়ের উদ্দেশ্যে পবিত্র মাটি দ্বারা তায়াম্মুম করেন এবং এ সময় তারা রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথে ছিলেন। প্রথমে তারা তাদের দুই হাতের তালু পাক মাটির উপর মেরে মুখমন্ডল একবার মাসেহ্ করেন। অতঃপর পুনরায় দুই হাত মাটির উপর মেরে তাদের উভয় হাতের বগল পর্যন্ত মাসেহ্ করেন।



হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

Narrated Ammar ibn Yasir:

They (the Companions of the Prophet) wiped with pure earth (their hands and face) to offer the dawn prayer in the company of the Messenger of Allah (ﷺ). They struck the ground with their palms and wiped their faces once. Then they repeated and struck the ground with their palms once again and wiped their arms completely up to the shoulders and up to the armpits with the inner side of their hands.

باب التَّيَمُّمِ

حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ صَالِحٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي يُونُسُ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُتْبَةَ، حَدَّثَهُ عَنْ عَمَّارِ بْنِ يَاسِرٍ، أَنَّهُ كَانَ يُحَدِّثُ أَنَّهُمْ تَمَسَّحُوا وَهُمْ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِالصَّعِيدِ لِصَلاَةِ الْفَجْرِ فَضَرَبُوا بِأَكُفِّهِمُ الصَّعِيدَ ثُمَّ مَسَحُوا وُجُوهَهُمْ مَسْحَةً وَاحِدَةً ثُمَّ عَادُوا فَضَرَبُوا بِأَكُفِّهِمُ الصَّعِيدَ مَرَّةً أُخْرَى فَمَسَحُوا بِأَيْدِيهِمْ كُلِّهَا إِلَى الْمَنَاكِبِ وَالآبَاطِ مِنْ بُطُونِ أَيْدِيهِمْ ‏.‏

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সূনান আবু দাউদ (ইফাঃ)
অধ্যায়ঃ ১/ পবিত্রতা
হাদিস নম্বরঃ ৩১৯ | 319 | ۳۱۹

পরিচ্ছদঃ ১২৩. তায়াম্মুম সম্পর্কে।

৩১৯. সুলায়মান ইবনু দাউদ এবং আব্দুল মালিক ইবনু ওয়াহাব থেকে ইবনু ওয়াহব -------এর সূত্রে পূর্বোক্ত হাদীছের অনুরূপ বর্ণিত আছে (আমীর) বলেন, একদা মুসলমানগণ তায়াম্মুমের উদ্দেশ্যে তাদের হাত মাটির উপর মারেন, তাঁরা মাটি আকড়ে ধরেন নাই। অতঃপর পূর্বোক্ত হাদীছের অনুরূপ বর্ণনা করেন এবং এই হাদীছে বগল পর্যন্ত হাত মাসেহ্ করা সম্পর্কে উল্লেখ নাই। ইবনুল লায়ছ বলেন, তারা দুই হাতের কনুইয়ের উপরিভাগ পর্যন্ত মাসেহ্ করেন।



হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

The tradition has also been reported through a different chain of narrators. This version has:
The Muslims stood up and struck the earth with their palms, but did not get any earth (in their hands). He (Ibn Wahb) then narrated the rest of the tradition in like manner, but he did not mention the words "shoulders" and "armpits". Ibn al-Laith said: (They) wiped above the elbows.

باب التَّيَمُّمِ

حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ دَاوُدَ الْمَهْرِيُّ، وَعَبْدُ الْمَلِكِ بْنُ شُعَيْبٍ، عَنِ ابْنِ وَهْبٍ، نَحْوَ هَذَا الْحَدِيثِ قَالَ قَامَ الْمُسْلِمُونَ فَضَرَبُوا بِأَكُفِّهِمُ التُّرَابَ وَلَمْ يَقْبِضُوا مِنَ التُّرَابِ شَيْئًا فَذَكَرَ نَحْوَهُ وَلَمْ يَذْكُرِ الْمَنَاكِبَ وَالآبَاطَ ‏.‏ قَالَ ابْنُ اللَّيْثِ إِلَى مَا فَوْقَ الْمِرْفَقَيْنِ ‏.‏

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সূনান আবু দাউদ (ইফাঃ)
অধ্যায়ঃ ১/ পবিত্রতা
হাদিস নম্বরঃ ৩২০ | 320 | ۳۲۰

পরিচ্ছদঃ ১২৩. তায়াম্মুম সম্পর্কে।

৩২০. মুহাম্মাদ ইবনু আহ্মাদ ---------- ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে আম্মার ইবনু ইয়াসির (রাঃ) -এর সূত্রে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বনী মুস্তালিকের অভিযান হতে প্রত্যাবর্তনের সময়।“উলাতে জায়েশ” (যাতে জায়েশ অথবা বায়দা) নামক স্হানে রাতের শেষ প্রহরে বিশ্রামের জন্য অবতরণ করেন এবং এই সময় . আয়িশা (রাঃ) তাঁর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাথে ছিলেন। এই স্হানে তাঁর হারটি যা ইয়ামনের তৈরী ছিল- হারানো যায়। সকলে তাঁর হারের অন্বেষণে ব্যতিব্যস্ত হয়ে পড়েন- এমন কি ফজরের নামাযের সময় উপনীত হয়। তাদের সাথে তখন উযূ (ওজু/অজু/অযু) করার মত পানি ছিল না। এমতাবস্থায় . আবূ বাকর সিদ্দীক (রাঃ) তাঁর প্রাণপ্রিয় কন্যা . আয়িশা (রাঃ) -এর উপর রাগান্বিত হয়ে বলেন, তোমার কারণে সকলে এখানে অটকা পড়েছে, অথচ কারও সাথে উযূ (ওজু/অজু/অযু) করার মত পানিও নাই। এ সময় আল্লাহ্ রাব্বুল আলামীন তার রাসূলের উপর পবিত্রতা অর্জনের ব্যাপারে “রোখসতের” আয়াত যা ছিল উযূ (ওজু/অজু/অযু)র পরিবর্তে বিশেষ অবস্হায় তায়াম্মুম করার নির্দেশ নাযিল করেন। এ সময় মুসলমানরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথে পবিত্র মাটির উপর হাত মেরে তা তুলে তাদের মুখমন্ডল ও দুই হাতের বগল পর্যন্ত মাসেহ্ করেন; তবে তারা হাত দিয়ে মাটি আকড়ে ধরেননি। ইবনু শিহাবের বর্ণনামতে এই হাদীছ ফিকাহবিদ আলেমদের নিকট গ্রহণযোগ্য নয়। ইমাম আবূ দাউদ (রহঃ) বলেন- ইবনু ইস্হাক এই হাদীছটি সূত্র পরস্পরায় . ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণনা করেন এবং উক্ত বর্ণনায় তারা দুইবার মাটির উপর হাত মারেন বলে উল্লেখ আছে।



হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

Narrated Ammar ibn Yasir:

The Messenger of Allah (ﷺ) encamped at Ulat al-Jaysh and Aisha was in his company. Her necklace of onyx of Zifar was broken (and fell somewhere). The people were detained to make a search for that necklace until the dawn broke. There was no water with the people. Therefore AbuBakr became angry with her and said: You detained the people and they have no water with them.

Thereupon Allah, the Exalted, sent down revelation about it to His Apostle (ﷺ) granting concession to purify themselves with pure earth. Then the Muslims stood up with the Messenger of Allah (ﷺ) and struck the ground with their hands and then they raised their hands, and did not take any earth (in their hands). Then they wiped with them their faces and hands up to the shoulders, and from their palms up to the armpits.

Ibn Yahya added in his version: Ibn Shihab said in his tradition: The people do not take this (tradition) into account.

Abu Dawud said: Ibn Ishaq also reported it in a similar way. In this (version) he said on the authority of Ibn 'Abbas. He mentioned the words "two strikes" (i.e. striking the earth twice) as mentioned by Yunus. And Ma'mar also narrated on the authority of al-Zuhri "two strikes". And Malik said: From al-Zuhri from 'Ubaid Allah b. 'Abd Allah from his father on the authority of 'Ammar. Abu Uwais also reported it in a similar way on the authority of al-Zuhri. But Ibn 'Uyainah doubted it, he sometimes said: from his father, and sometimes he said: from Ibn 'Abbas. Ibn 'Uyainah was confused in it and in his hearing from al-Zuhri. No one has mentioned "two strikes" in this tradition except those whose names I have mentioned.

باب التَّيَمُّمِ

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ أَبِي خَلَفٍ، وَمُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى النَّيْسَابُورِيُّ، - فِي آخَرِينَ - قَالُوا حَدَّثَنَا يَعْقُوبُ، أَخْبَرَنَا أَبِي، عَنْ صَالِحٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، حَدَّثَنِي عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، عَنْ عَمَّارِ بْنِ يَاسِرٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَرَّسَ بِأُولاَتِ الْجَيْشِ وَمَعَهُ عَائِشَةُ فَانْقَطَعَ عِقْدٌ لَهَا مِنْ جَزْعِ ظَفَارِ فَحَبَسَ النَّاسَ ابْتِغَاءُ عِقْدِهَا ذَلِكَ حَتَّى أَضَاءَ الْفَجْرُ وَلَيْسَ مَعَ النَّاسِ مَاءٌ فَتَغَيَّظَ عَلَيْهَا أَبُو بَكْرٍ وَقَالَ حَبَسْتِ النَّاسَ وَلَيْسَ مَعَهُمْ مَاءٌ فَأَنْزَلَ اللَّهُ تَعَالَى عَلَى رَسُولِهِ صلى الله عليه وسلم رُخْصَةَ التَّطَهُّرِ بِالصَّعِيدِ الطَّيِّبِ فَقَامَ الْمُسْلِمُونَ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَضَرَبُوا بِأَيْدِيهِمْ إِلَى الأَرْضِ ثُمَّ رَفَعُوا أَيْدِيَهُمْ وَلَمْ يَقْبِضُوا مِنَ التُّرَابِ شَيْئًا فَمَسَحُوا بِهَا وُجُوهَهُمْ وَأَيْدِيَهُمْ إِلَى الْمَنَاكِبِ وَمِنْ بُطُونِ أَيْدِيهِمْ إِلَى الآبَاطِ ‏.‏ زَادَ ابْنُ يَحْيَى فِي حَدِيثِهِ قَالَ ابْنُ شِهَابٍ فِي حَدِيثِهِ وَلاَ يَعْتَبِرُ بِهَذَا النَّاسُ ‏.‏ قَالَ أَبُو دَاوُدَ وَكَذَلِكَ رَوَاهُ ابْنُ إِسْحَاقَ قَالَ فِيهِ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ وَذَكَرَ ضَرْبَتَيْنِ كَمَا ذَكَرَ يُونُسُ وَرَوَاهُ مَعْمَرٌ عَنِ الزُّهْرِيِّ ضَرْبَتَيْنِ وَقَالَ مَالِكٌ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ عَنْ أَبِيهِ عَنْ عَمَّارٍ وَكَذَلِكَ قَالَ أَبُو أُوَيْسٍ عَنِ الزُّهْرِيِّ وَشَكَّ فِيهِ ابْنُ عُيَيْنَةَ قَالَ مَرَّةً عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ عَنْ أَبِيهِ أَوْ عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ وَمَرَّةً قَالَ عَنْ أَبِيهِ وَمَرَّةً قَالَ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ اضْطَرَبَ ابْنُ عُيَيْنَةَ فِيهِ وَفِي سَمَاعِهِ مِنَ الزُّهْرِيِّ وَلَمْ يَذْكُرْ أَحَدٌ مِنْهُمْ فِي هَذَا الْحَدِيثِ الضَّرْبَتَيْنِ إِلاَّ مَنْ سَمَّيْتُ ‏.‏

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

হাদিস দেখানো হচ্ছে   [311]  থেকে  [320]  পর্যন্ত এবং সর্বমোট   [866]  টি হাদিস পাওয়া গেছে।