• ৫৬৪০৩ টি সর্বমোট হাদিস আছেঃ
  • ৫৭৫৬ টি প্রশ্নোত্তর ও ফিকাহঃ

 

 

 

 


হাদীস (حَدِيْث) এর শাব্দিক অর্থ: নতুন, প্রাচীন ও পুরাতন এর বিপরীত বিষয়। এ অর্থে যে সব কথা, কাজ ও বস্ত্ত পূর্বে ছিল না, এখন অস্তিত্ব লাভ করেছে  তাই হাদীস। এর আরেক অর্থ হলো: কথা। ফক্বীহগণের পরিভাষায় নাবী কারীম () আল্লাহ্‌র রাসূল হিসেবে যা কিছু বলেছেন, যা কিছু করেছেন এবং যা কিছু বলার বা করার অনুমতি দিয়েছেন অথবা সমর্থন জানিয়েছেন তাকে হাদীস বলা হয়। কিন্তু মুহাদ্দিসগণ এর সঙ্গে রাসুলুল্লাহ () সম্পর্কিত বর্ণনা ও তার গুণাবলী সম্পর্কিত বিবরণকেও হাদীসের অন্তর্ভুক্ত করেন। এ হিসেবে হাদীসকে প্রাথমিক পর্যায়ে তিন শ্রেণীতে ভাগ করা যায়:

১। ক্বওলী হাদীস: কোন বিষয়ে রাসুলুল্লাহ () যা বলেছেন, অর্থাৎ যে হাদীসে তাঁর কোন কথা বিবৃত হয়েছে তাকে ক্বওলী (বাণী সম্পর্কিত) হাদীস বলা হয়।

২। ফেলী হাদীস: মহানাবী ()-এর কাজকর্ম, চরিত্র ও আচার-আচরণের ভেতর দিয়েই ইসলামের যাবতীয় বিধি-বিধান ও রীতিনীতি পরিস্ফুট হয়েছে। অতএব যে হাদীসে তাঁর কোন কাজের বিবরণ উল্লেখিত হয়েছে তাকে ফে’লী (কর্ম সম্পর্কিত) হাদীস বলা হয়।

৩। তাকরীরী হাদীস: সাহাবীগণের যে সব কথা বা কাজ নাবী কারীম ()-এর অনুমোদন ও সমর্থন প্রাপ্ত হয়েছে, সে ধরনের কোন কথা বা কাজের বিবরণ হতেও শরীয়াতের দৃষ্টিভঙ্গি জানা যায়। অতএব যে হাদীসে এ ধরনের কোন ঘটনার বা কাজের উল্লেখ পাওয়া যায় তাকে তাকরীরী (সমর্থন মূলক) হাদীস বলে।

সুন্নাহ (السنة): হাদীসের অপর নাম সুন্নাহ্ (السنة) সুন্নাত শব্দের অর্থ চলার পথ, কর্মের নীতি ও পদ্ধতি। যে পন্থা ও রীতি নাবী কারীম () অবলম্বন করতেন তাকে সুন্নাত বলা হয়। অন্য কথায় রাসুলুল্লাহ () প্রচারিত উচ্চতম আদর্শই সুন্নাত। কুরআন মাজিদে মহত্তম ও সুন্দরতম আদর্শ (أُسْوَةٌ حَسَنَةٌ) বলতে এই সুন্নাতকেই বুঝানো হয়েছে।

খবর (خبر): হাদীসকে আরবী ভাষায় খবরও (خبر) বলা হয়। তবে খবর শব্দটি হাদীস ও ইতিহাস উভয়টিকেই বুঝায়।

আসার (أثر ): আসার শব্দটিও কখনও কখনও রাসুলুল্লাহ () এর হাদীসকে নির্দেশ করে। কিন্তু অনেকেই হাদীস ও আসার এর মধ্যে কিছু পার্থক্য করে থাকেন। তাঁদের মতে- সাহাবীগণ থেকে শরীয়াত সম্পর্কে যা কিছু উদ্ধৃত হয়েছে তাকে আসার বলে।

 

ইলমে হাদীসের কতিপয় পরিভাষা

সাহাবী (صحابى):  যিনি ঈমানের সঙ্গে রাসুলুল্লাহ () এর সাহচর্য লাভ করেছেন এবং ঈমানের সঙ্গে মৃত্যুবরণ করেছেন তাঁকে রাসুলুল্লাহ ()-এর সাহাবী বলা হয়।

তাবেঈ (تابعى) : যিনি রাসুলুল্লাহ ()-এর কোন সাহাবীর নিকট হাদীস শিক্ষা করেছেন অথবা অন্ততপক্ষে তাঁকে দেখেছেন এবং মুসলমান হিসেবে মৃত্যুবরণ করেছেন তাঁকে তাবেঈ বলা হয়।

তাবে-তাবেঈ (تابعى تابع) : যিনি  কোন তাবেঈ এর নিকট হাদীস শিক্ষা করেছেন অথবা অন্ততপক্ষে তাঁকে দেখেছেন এবং মুসলমান হিসেবে মৃত্যুবরণ করেছেন তাঁকে তাবে-তাবেঈ বলা হয়।

মুহাদ্দিস (محدث) : যিনি হাদীস চর্চা করেন এবং বহু সংখ্যক হাদীসের সনদ ও মতন সম্পর্কে বিশেষ জ্ঞান রাখেন তাঁকে মুহাদ্দিস বলা হয়।

শাইখ (شيخ) : হাদীসের শিক্ষাদাতা রাবীকে শায়খ বলা হয়।

শাইখান (شيخان) : সাহাবীগনের মধ্যে আবূ বকর (রাঃ) ও উমর  (রাঃ)- কে একত্রে শাইখান বলা হয়। কিন্তু হাদীস শাস্ত্রে ইমাম বুখারী (রাহি.) ও ইমাম মুসলিম (রাহি.)-কে এবং ফিক্বহ-এর পরিভাষায় ইমাম আবূ হানীফা (রাহি.) ও আবূ ইউসুফ (রাহি.)-কে একত্রে শাইখান বলা হয়। 

হাফিয (حافظ) : যিনি সনদ ও মতনের বৃত্তান্ত সহ এক লাখ হাদীস আয়ত্ত করেছেন তাঁকে হাফিয বলা হয়।

হুজ্জাত (حجة) : অনুরূপভাবে যিনি তিন লক্ষ হাদীস আয়ত্ত করেছেন তাঁকে হুজ্জাত বলা হয়।  

হাকিম (حاكم) : যিনি সব হাদীস আয়ত্ত করেছেন তাকে হাকিম বলা হয়।

রিজাল (رجال) : হাদীসের রাবী সমষ্টিকে রিজাল বলে। যে শাস্ত্রে রাবীগণের জীবনী বর্ণনা করা হয়েছে তাকে আসমাউর-রিজাল বলা হয়।                                                                                 

রিওয়ায়াত (رواية): হাদীস বর্ণনা করাকে রিওয়ায়াত বলে। কখনও কখনও মূল হাদীসকেও রিওয়ায়াত বলা হয়। যেমন- এই কথার সমর্থনে একটি রিওয়ায়াত (হাদীস) আছে।                           

সনদ (سند): হাদীসের মূল কথাটুকু যে সূত্র পরম্পরায় গ্রন্থ সংকলনকারী পর্যন্ত পৌঁছেছে তাকে সনদ বলা হয়। এতে হাদীস বর্ণনাকারীদের নাম একের পর এক সজ্জিত থাকে।

মতন (متن): হাদীসে মূল কথা ও তার শব্দ সমষ্টিকে মতন বলে।

মারফূ (مرفوع): যে হাদীসের সনদ (বর্ণনা পরম্পরা) রাসুলুল্লাহ () পর্যন্ত পৌঁছেছে  তাকে মারফূ হাদীস বলে।

মাওকূফ (موقوف) : যে হাদীসের বর্ণনা- সূত্র ঊর্ধ্ব দিকে সাহাবী পর্যন্ত পৌঁছেছে , অর্থাৎ যে সনদ -সূত্রে কোন সাহাবীর কথা বা কাজ বা অনুমোদন বর্ণিত হয়েছে তাকে মাওকূফ হাদীস বলে। এর অপর নাম আসার।

মাকতূ (مقطوع): যে হাদীসের সনদ কোন তাবেঈ পর্যন্ত পৌঁছেছে, তাকে মাকতূ হাদীস বলা হয়।

তালীক (تعليق): কোন কোন গ্রন্থকার হাদীসের পূর্ণ সনদ বাদ দিয়ে কেবল মূল হাদীস বর্ণনা করেছেন। এরূপ করাকে তা’লীক বলা হয়।

মুদাল্লাস (مدلس): যে হাদীসের রাবী নিজের প্রকৃত শাইখের (উস্তাদের) নাম উল্লেখ না করে তার উপরস্থ শাইখের নামে এভাবে হাদীস বর্ণনা করেছেন যাতে মনে হয় যে, তিনি নিজেই উপরস্থ শাইখের নিকট তা শুনেছেন অথচ তিনি তাঁর নিকট সেই হাদীস শুনেন নি- সে হাদীসকে মুদাল্লাস হাদীস এবং এইরূপ করাকে ‘তাদ্লীস’ আর যিনি এইরূপ করেন তাকে মুদালস্নীস বলা হয়।

মুযতারাব (مضطرب): যে হাদীসের রাবী হাদীসের মতন ও সনদকে বিভিন্ন প্রকারে বর্ণনা করেছেন সে হাদীসকে হাদীসে মুযতারাব বলা হয়। যে পর্যন্ত না এর কোনরূপ সমন্বয় সাধন সম্ভবপর হয়, সে পর্যন্ত এই হাদীসের ব্যাপারে অপেক্ষা করতে হবে অর্থাৎ এই ধরনের রিওয়ায়াত প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না।

মুদ্রাজ (مدرج): যে হাদীসের মধ্যে রাবী নিজের অথবা অপরের উক্তিকে অনুপ্রবেশ করিয়েছেন, সে হাদীসকে মুদ্রাজ এবং এইরূপ করাকে ‘ইদরাজ’ বলা হয়।

মুত্তাসিল (متصل): যে হাদীসের সনদের ধারাবাহিকতা প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত পূর্ণরূপে রক্ষক্ষত আছে, কোন সত্মরেই কোন রাবীর নাম বাদ পড়ে নি তাকে মুত্তাসিল হাদীস বলে।

মুনকাতি (منقطع): যে হাদীসের সনদে ধারাবাহিকতা রক্ষিত হয় নি, মাঝখানে কোন এক স্তরে কোন রাবীর নাম বাদ পড়েছে, তাকে মুনকাতি হাদীস, আর এই বাদ পড়াকে ইনকিতা বলা হয়।

মুরসাল (مرسل): যে হাদীসের সনদে ইনকিতা শেষের দিকে হয়েছে, অর্থাৎ সাহাবীর নাম বাদ পড়েছে এবং তাবেঈ সরাসরি রাসুলুল্লাহ () এর উল্লেখ করে হাদীস বর্ণনা করেছেন তাকে মুরসাল হাদীস বলা হয়।

মুআল্লাক ( معلق ) : সনদের ইনকিতা প্রথম দিকে  হলে, অর্থাৎ সাহাবীর পর এক বা একাধিক রাবীর নাম বাদ পড়লে তাকে মু’আল্লাক হাদীস বলা হয়।

মুদাল (معضل): যে হাদীসে দুই বা ততোধিক রাবী ক্রমান্বয়ে সনদ থেকে বাদ পড়েছে তাকে মু‘দাল হাদীস বলে।

মুতাবি ও শাহিদ (متابع و شاهد): এক রাবীর হাদীসের অনুরূপ যদি অপর রাবীর কোন হাদীস পাওয়া যায় তবে দ্বিতীয় রাবীর হাদীসকে প্রথম রাবীর হাদীসের মুতাবি বলা হয়। যদি উভয় হাদীসের মূল রাবী অর্থাৎ সাহাবী একই ব্যক্তি না হয় তবে দ্বিতীয় ব্যক্তির হাদীসকে শাহিদ বলে। আর এইরূপ হওয়াকে শাহাদাত বলে। মুতাবা’আত ও শাহাদাত দ্বারা প্রথম হাদীসটির শক্তি বৃদ্ধি পায়।

মারূফ ও মুনকার (معروف و منكر): কোন দুর্বল রাবীর বর্ণিত হাদীস অপর কোন মাকবূল (গ্রহণযোগ্য) রাবীর বর্ণিত হাদীসের বিরোধী হলে তাকে মুনকার বলা হয় এবং মাকবূল রাবীর হাদীসকে মা‘রূফ বলা হয়।

সহীহ (صحيح) : যে মুত্তাসিল হাদীসের সনদে উল্লেখিত প্রত্যেক রাবীই পূর্ণ আদালত ও যাবত (ধারণ ক্ষমতা) গুণ সম্পন্ন এবং হাদীসটি যাবতীয় দোষত্রুটি ও শায মুক্ত তাকে সহীহ হাদীস বলে।

হাসান (حسن) : যে হাদীসের মধ্যে রাবীর যাবত (ধারণ ক্ষমতা) এর গুণ ব্যতীত সহীহ হাদীসের সমস্ত শর্তই পরিপূর্ণ রয়েছে তাকে হাসান হাদীস বলা হয়। ফক্বীহগণ সাধারণত সহীহ ও হাসান হাদীসের ভিত্তিতে শরীয়াতের বিধান নির্ধারণ  করেন।

যঈফ (ضعيف ) : যে হাদীসের রাবী কোন হাসান হাদীসের রাবীর গুণসম্পন্ন নন তাকে যঈফ হাদীস বলে।

মাওযূ ( موضوع ) : যে হাদীসের রাবী জীবনে কখনও ইচ্ছাকৃতভাবে রাসুলুল্লাহ ()-এর নামে মিথ্যা কথা রটনা করেছেন বলে প্রমাণিত হয়েছে, তার বর্ণিত হাদীসকে মাওযূ‘ হাদীস বলে।

 

রাবীর সংখ্যা বিচারে হাদীস প্রধানত দুপ্রকার। যথা: ১. মুতওয়াতির (متواتر) ও ২. আহাদ (أحاد)

১. মুতওয়াতির (متواتر): বৃহৎ সংখ্যক রাবীর বর্ণিত হাদীস, মিথ্যার ব্যাপারে যাদের উপর একাট্টা হওয়া অসম্ভব, সনদের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত এ সংখ্যা বিদ্যমান থাকলে হাদীসকে মুতওয়াতির (متواتر) বলা হয়।

২. আহাদ (أحاد): أحاد তিন প্রকার। যথা:

মাশহুর (مشهور): যে কোন স্তরে হাদীস বর্ণনা কারীর সংখ্যা যদি দুই এর অধিক হয়, কিন্তু মুতওয়াতির এর পর্যায়ে পৌঁছে না তাকে মাশহুর (مشهور) বলে।

আযীয (عزيز): যে কোন স্তরে হাদীস বর্ণনা কারীর সংখ্যা যদি দু‘জন হয় ।

গরীব (غريب): যে কোন স্তরে হাদীস বর্ণনা কারীর সংখ্যা যদি এক জন হয় ।

শায (شاذ): একাধিক নির্ভরযোগ্য রাবীর বিপরীত একজন নির্ভরযোগ্য রাবীর বর্ণনাকে শায হাদীস বলে।

 কিয়াস (قياس): অর্থ অনুমান, পরিমাপ, তুলনা ইত্যাদি। পরিভাষায়: শাখাকে মূলের সঙ্গে তুলনা করা, যার ফলে শাখা ও মূল একই হুকুমের অমত্মর্ভুক্ত হয়ে যায়।

তাক্বলীদ (تقليد): দলীল উল্লেখ ছাড়াই কোন ব্যক্তির মতামতকে গ্রহণ করা।

ইজতিহাদ (اجتهاد): উদ্দিষ্ট জ্ঞান অর্জনের প্রচেষ্টা চালানোকে ইজতিহাদ বলে।

শরীয়াত (شريعة): অর্থ: আইন, বিধান, পথ, পন্থা ইত্যাদি। পরিভাষায়: মহান আল্লাহ্‌ স্বীয় দীন হতে বান্দার জন্য যা বিধিবদ্ধ করে দিয়েছেন তাকে শরীয়াত বলে।

মাযহাব (مذهب): অর্থ- মত, পথ, মতবাদ ইত্যাদি। ফিক্বহী পরিভাষায়: ইবাদাত ও মু‘আমালাতের ক্ষেত্রে শারঈ হুকুম পালনের জন্য বান্দা যে পথ অনুসরণ করে এবং প্রত্যেক দলের জন্য একজন ইমামের উপর অথবা ইমামের ওসীয়ত কিংবা ইমামের প্রতিনিধির উপর নির্ভর করে তাকে মাযহাব বলে।

নাযর (نذر): কোন বিষয়ে উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য চিন্তা-ভাবনা করাকে নাযর বলে।

আম (عام): সীমাবদ্ধ করা ছাড়াই যা দুই বা ততোধিক বিষয়কে অন্তর্ভুক্ত করে তাকে আম বলে।

খাস (خاص): আম এর বিপরীত, যা নির্দিষ্ট বিষয়কে অন্তর্ভুক্ত করে।

ইজমা (اجماع): কোন এক যুগে আলিমদের কোন শারঈ বিষয়ের উপর এক মত পোষণ করাকে ইজমা বলে।

মুসনাদ (مسند): যার সনদগুলো পরস্পর এমনভাবে মিলিত যে, প্রত্যেকের বর্ণনা সুস্পষ্ট।

ফিক্বহ (فقه): ইজতিহাদ বা গবেষণার পদ্ধতিতে শারঈ হুকুম সম্পর্কে জানার বিধানকে ফিক্বহ বলে।

আসল বা মূল (اصل): এমন প্রথম বিষয়, যার উপর ভিত্তি করে কোন কিছু গড়ে উঠে। যেমন- দেয়ালের ভিত্তি।

ফারা বা শাখা (فرع): আসলের বিপরীত যা কোন ভিত্তির উপর গড়ে উঠে।

ওয়াজিব (واجب): যা আমল করলে সাওয়াব পাওয়া যাবে আর পরিত্যাগ করলে শাস্তি পাওয়া যাবে।

মানদূব (مندوب): যা আমল করলে সাওয়াব পাওয়া যাবে আর পরিত্যাগ করলে শাস্তি হবে না।

মাহযূর (محظور): যা পরিত্যাগ করলে সাওয়াব পাওয়া যাবে আর আমল করলে শাস্তি পাওয়া যাবে।

মাকরূহ (مكروه): যা পরিত্যাগ করলে সাওয়াব পাওয়া যাবে আর আমল করলে শাস্তি হবে না।

ফাৎওয়া (فتوى): জিজ্ঞাসিত ব্যক্তির নিকট থেকে দলীল ভিত্তিক শারঈ হুকুম সুস্পষ্ট বর্ণনা করে নেয়াকে ফাৎওয়া বলে।

নাসিখ (ناسخ): পরিবর্তিত শারঈ দলীল যা পূববর্তী শারঈ হুকুমকে রহিত করে দেয় তাকে নাসিখ বলে।

মানসূখ (منسوخ): আর যে হুকুমটি রহিত হয়ে যায় সেটাই মানসূখ।

মুতলাক্ব (مطلق): যা প্রকৃতিগত দিক থেকে জাতির সকলকে অন্তর্ভুক্ত  করে কিন্তু অনির্দিষ্টভাবে একটি অর্থকে বুঝায়।

মুকাইয়্যাদ (مقيد): যা মুতলাক্বের বিপরীত অর্থাৎ জাতির সকলকে অন্তর্ভুক্ত  করে না। বরং নির্দিষ্ট একটি অর্থকে বুঝায়।

হাক্বীকাত (حقيقة): শব্দকে আসল অর্থে ব্যবহার করাকে হাক্বীকত বলে। যেমন- সিংহ শব্দটি এক প্রজাতির হিংস্র প্রাণীকে বুঝায়।

মাজায (مجاز): শব্দ যখন আসল অর্থকে অতিক্রম করে তার সাথে সাদৃশ্য রাখে এমন অর্থ প্রকাশ করে তখন তাকে মাজায বলে। যেমন- সাহসী লোককে সিংহের সাথে তুলনা করা।

হাদিসের পরিসংখ্যান

সর্বমোট হাদিস পাওয়া গেছেঃ [5185] টি | অধ্যায়ঃ ১/ পবিত্রতা
গ্রন্থঃ সূনান আবু দাউদ (ইফাঃ) | দেখানো হচ্ছে   [281]  থেকে  [290]  পর্যন্ত
প্রতি পাতাতে টি হাদিস

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সূনান আবু দাউদ (ইফাঃ)
অধ্যায়ঃ ১/ পবিত্রতা
হাদিস নম্বরঃ ২৮১ | 281 | ۲۸۱

পরিচ্ছদঃ ১০৮. রক্ত প্রদরের রোগিণীর বর্ণনা এবং যে ব্যাক্তি বলে – এমন স্ত্রীলোক হায়েযের সমপরিমান সময় নামায ত্যাগ করবে।

২৮১. ইউসুফ ইবনু মূসা ............ উরওয়া ইবনুয-যুবায়ের (রহঃ) হতে বর্ণিত। ফাতিমা বিন্তে আবূ হুবায়েশ (রাঃ) নিজের সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে জিজ্ঞাসা করার জন্য . আসমা (রাঃ) -কে অনুরোধ করেন। নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, সে হায়েযকালীন সময়ে নামায ত্যাগ করবে, অতঃপর হায়েযের সীমা শেষে গোসল করবে। . যয়নব বিন্তে উম্মে সালামা (রাঃ) হতে বর্ণিত। উম্মে হাবীবা (রাঃ) ইস্তেহাযাগ্রস্ত হওয়ার পর মহানাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর হায়েযের জন্য নির্ধারিত সময়ে নামায ত্যাগ করার নির্দেশ দেন এবং হায়েযের সময় অতিক্রান্ত হওয়ার পর গোসল করে নামায আদায় করতে বলেন। আয়িশা (রাঃ) হতে বর্ণিত। উম্মে হাবীবা (রাঃ) ইতেহাযাগ্রস্ত হওয়ার পর এ সম্পর্কে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে জিজ্ঞাসা করেন। নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে হায়েযের নির্ধারিত সময় সীমার মধ্যে নামায আদায় না করার নির্দেশ দেন। ইবনু উয়ায়নার সনদে বর্ণিত হাদীছে “সে হায়েযের সমপরিমাণ সময় নামায ত্যাগ করবে” কথাটার উল্লেখ নাই। . আয়িশা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, ইস্তেহাযাগ্রস্ত মহিলাগণ তাদের হায়েযের জন্য নির্ধারিত সময়ে নামায পরিহার করবে এবং উক্ত সময় অতিবাহিত হওয়ার পর গোসল করবে। আব্দুর রহমান ইবনুল কাসিম থেকে তাঁর পিতার সূত্রে বর্ণিত হাদীছে উল্লেখ আছে যে, মহানাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঐ মহিলাকে হায়েযের কয়দিন নামায ত্যাগ করার নির্দেশ দেন। আদী ইবনু ছাবেত (রহঃ) থেকে পর্যায়ক্রমে তার পিতা ও দাদার সূত্রে বর্ণিত। নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন,ইস্তেহাযাগ্রস্ত মহিলাগণ তাদের জন্য নির্ধারিত হায়েযের দিনগুলিতে নামায ত্যাগ করবে; অতঃপর গোসল করে নামায আদায় করবে। . জাফর (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, . সাওদা (রাঃ) ইস্তেহাযাগ্রস্ত হওয়ায় নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে নির্দেশ দেন যে, তাঁর জন্য হায়েযের নির্ধারিত দিনগুলি সমাপ্ত হলে- গোসল করে তাঁকে নামায আদায় করতে হবে। আলী (রাঃ) ও ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। ইস্তেহাযাগ্রস্ত মহিলাগণ হায়েযের জন্য নির্ধারিত সময়ে নামায আদায় করা হতে বিরত থাকবে। . হাসান, আতা ও অন্যান্যদের মতানুসারে- ইস্তেহাযাগ্রস্ত মহিলাগণ তাদের জন্য নির্ধারিত হায়েযের সময়ে নামায পরিহার করবে। আবূ দাউদ (রহঃ) বলেন, কাতাদা (রহঃ) উরওয়া (রহঃ)-এর নিকট কিছুই শুনেননি।



হাদিসের মানঃ  সহিহ/যঈফ [মিশ্রিত]
পুনঃনিরীক্ষণঃ

'Urwah b. al-Zubair said:
Fatimah daughter of Abu Hubaish narrated to me that she asked Asma' (daughter of Abu Bakr), or Asma' narrated to me that Fatimah daughter of Abu Hubaish asked her to question the Messenger of Allah (ﷺ). He advised her to refrain (from prayer) equal to the period she refrained previously. She then should wash herself.1

Abu Dawud said: Qatadah narrated it from 'Urwah b. al-Zubair, from Zainab daughter of Umm Salamah, that Umm Habibah daughter of Jahsh had a prolonged flow of blood. The Prophet (ﷺ) commanded her to abandon prayer for the period of her menses. She then should take a bath, and offer prayer. Abu Dawud said: Qatadah did not hear anything from 'Urwah. 2

And Ibn 'Uyainah added in the tradition narrated by al-Zuhri from 'Umrah on the authority of 'Aishah. Umm Habibah had a prolonged flow of blood. She asked the Prophet (ﷺ). He commanded her to abandon prayer during her menstrual period.

Abu Dawud said: This is a misunderstanding on the part of Ibn 'Uyainah. This is not found in the tradition reported by the transmitter from al-Zuhri except that mentioned by Suhail b. Abu Salih. Al-Humaidi also narrated this tradition from Ibn 'Uyainah, but he did not mention the words "she should abandon prayer during her menstrual period."1

Qumair daughter of Masruq reported on the authority of 'Aishah: The woman who has prolonged flow of blood should abandon prayer during her menstrual period.3

'Abd al-Rahman b. al-Qasim reported on the authority of his father: The Prophet (ﷺ) commanded her to abandon prayers equal (to the length of time) that she has her (usual) menses.2

Abu Bishr Ja'far b. Abi Wahshiyyah reported on the authority of 'Ikrimah from the Prophet (ﷺ) saying: Umm Habibah daughter of Jahsh had a prolonged flow of blood; and he transmitted like that.1

Sharik narrated from Abu al-Yaqzan from 'Adi b. Thabit from his father on the authority of his grandfather from the Prophet (ﷺ): The woman suffering from a prolonged flow of blood should abandon prayer during her menstrual period ; she then should was herself and pray. 1

Al-'Ala b. al-Musayyab reported from al-Hakam on the authority of Abu Ja'far, saying: Saudah had a prolonged flow of blood. The Prophet (ﷺ) commanded that when he menstruation was finished, she should take bath and pray.1

Sa'id b. Jubair reported from 'Ali and Ibn 'Abbas : A woman suffering from a prolonged flow of blood should refrain from prayers during her menstrual period.1

'Ammar, the freed slave of Banu Hashim and Talq b. Habib narrated in a similar way.1

Similarly, it was reported by Ma'qil al-Khath'ami from 'Ali4, al-Sha'bi also transmitted it in a similar manner from Qumair, the wife of Masruq, on the authority of 'Aishah.1

Abu Dawud said: Al-Hasan, Sa'id b. al-Musayyab, 'Ata, Makhul, Ibrahim, Salim and al-Qasim also hold that a woman suffering from a prolonged flow of blood should abandon prayer during her menstrual period.

Abu Dawud said: Qatadah did not hear anything from 'Urwah.

باب فِي الْمَرْأَةِ تُسْتَحَاضُ وَمَنْ قَالَ تَدَعُ الصَّلاَةَ فِي عِدَّةِ الأَيَّامِ الَّتِي كَانَتْ تَحِيضُ

حَدَّثَنَا يُوسُفُ بْنُ مُوسَى، حَدَّثَنَا جَرِيرٌ، عَنْ سُهَيْلٍ، - يَعْنِي ابْنَ أَبِي صَالِحٍ - عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ عُرْوَةَ بْنِ الزُّبَيْرِ، حَدَّثَتْنِي فَاطِمَةُ بِنْتُ أَبِي حُبَيْشٍ، أَنَّهَا أَمَرَتْ أَسْمَاءَ - أَوْ أَسْمَاءُ حَدَّثَتْنِي أَنَّهَا، أَمَرَتْهَا فَاطِمَةُ بِنْتُ أَبِي حُبَيْشٍ - أَنْ تَسْأَلَ، رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَأَمَرَهَا أَنْ تَقْعُدَ الأَيَّامَ الَّتِي كَانَتْ تَقْعُدُ ثُمَّ تَغْتَسِلُ ‏.1
قَالَ أَبُو دَاوُدَ وَرَوَاهُ قَتَادَةُ عَنْ عُرْوَةَ بْنِ الزُّبَيْرِ عَنْ زَيْنَبَ بِنْتِ أُمِّ سَلَمَةَ أَنَّ أُمَّ حَبِيبَةَ بِنْتَ جَحْشٍ اسْتُحِيضَتْ فَأَمَرَهَا النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم أَنْ تَدَعَ الصَّلاَةَ أَيَّامَ أَقْرَائِهَا ثُمَّ تَغْتَسِلَ وَتُصَلِّيَ ‏.‏
قَالَ أَبُو دَاوُدَ لَمْ يَسْمَعْ قَتَادَةُ مِنْ عُرْوَةَ شَيْئًا ‏.2
وَزَادَ ابْنُ عُيَيْنَةَ فِي حَدِيثِ الزُّهْرِيِّ عَنْ عَمْرَةَ عَنْ عَائِشَةَ أَنَّ أُمَّ حَبِيبَةَ كَانَتْ تُسْتَحَاضُ فَسَأَلَتِ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم فَأَمَرَهَا أَنْ تَدَعَ الصَّلاَةَ أَيَّامَ أَقْرَائِهَا ‏.‏
قَالَ أَبُو دَاوُدَ وَهَذَا وَهَمٌ مِنَ ابْنِ عُيَيْنَةَ لَيْسَ هَذَا فِي حَدِيثِ الْحُفَّاظِ عَنِ الزُّهْرِيِّ إِلاَّ مَا ذَكَرَ سُهَيْلُ بْنُ أَبِي صَالِحٍ وَقَدْ رَوَى الْحُمَيْدِيُّ هَذَا الْحَدِيثَ عَنِ ابْنِ عُيَيْنَةَ لَمْ يَذْكُرْ فِيهِ ‏"‏ تَدَعُ الصَّلاَةَ أَيَّامَ أَقْرَائِهَا ‏"‏ ‏.1
وَرَوَتْ قَمِيرُ بِنْتُ عَمْرٍو زَوْجُ مَسْرُوقٍ عَنْ عَائِشَةَ الْمُسْتَحَاضَةُ تَتْرُكُ الصَّلاَةَ أَيَّامَ أَقْرَائِهَا ثُمَّ تَغْتَسِلُ ‏.3
وَقَالَ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ الْقَاسِمِ عَنْ أَبِيهِ إِنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم أَمَرَهَا أَنْ تَتْرُكَ الصَّلاَةَ قَدْرَ أَقْرَائِهَا ‏.2
وَرَوَى أَبُو بِشْرٍ جَعْفَرُ بْنُ أَبِي وَحْشِيَّةَ عَنْ عِكْرِمَةَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّ أُمَّ حَبِيبَةَ بِنْتَ جَحْشٍ اسْتُحِيضَتْ فَذَكَرَ مِثْلَهُ وَرَوَى شَرِيكٌ عَنْ أَبِي الْيَقْظَانِ عَنْ عَدِيِّ بْنِ ثَابِتٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ جَدِّهِ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ الْمُسْتَحَاضَةُ تَدَعُ الصَّلاَةَ أَيَّامَ أَقْرَائِهَا ثُمَّ تَغْتَسِلُ وَتُصَلِّي ‏"‏ ‏.1
وَرَوَى الْعَلاَءُ بْنُ الْمُسَيَّبِ عَنِ الْحَكَمِ عَنْ أَبِي جَعْفَرٍ أَنَّ سَوْدَةَ اسْتُحِيضَتْ فَأَمَرَهَا النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم إِذَا مَضَتْ أَيَّامُهَا اغْتَسَلَتْ وَصَلَّتْ ‏.1
وَرَوَى سَعِيدُ بْنُ جُبَيْرٍ عَنْ عَلِيٍّ وَابْنِ عَبَّاسٍ ‏"‏ الْمُسْتَحَاضَةُ تَجْلِسُ أَيَّامَ قُرْئِهَا ‏"‏ ‏.1
وَكَذَلِكَ رَوَاهُ عَمَّارٌ مَوْلَى بَنِي هَاشِمٍ وَطَلْقُ بْنُ حَبِيبٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ 1
وَكَذَلِكَ رَوَاهُ مَعْقِلٌ الْخَثْعَمِيُّ عَنْ عَلِيٍّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ 4
وَكَذَلِكَ رَوَى الشَّعْبِيُّ عَنْ قَمِيرَ امْرَأَةِ مَسْرُوقٍ عَنْ عَائِشَةَ رضى الله عنها ‏.
قَالَ أَبُو دَاوُدَ وَهُوَ قَوْلُ الْحَسَنِ وَسَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ وَعَطَاءٍ وَمَكْحُولٍ وَإِبْرَاهِيمَ وَسَالِمٍ وَالْقَاسِمِ إِنَّ الْمُسْتَحَاضَةَ تَدَعُ الصَّلاَةَ أَيَّامَ أَقْرَائِهَا ‏.‏ قَالَ أَبُو دَاوُدَ لَمْ يَسْمَعْ قَتَادَةُ مِنْ عُرْوَةَ شَيْئًا ‏.‏ 1

حكم -
1: صحيح
2: صحيح بما قبله
3: صحيح موقوف
4: إسناده ضعيف (الألباني)

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সূনান আবু দাউদ (ইফাঃ)
অধ্যায়ঃ ১/ পবিত্রতা
হাদিস নম্বরঃ ২৮২ | 282 | ۲۸۲

পরিচ্ছদঃ ১০৯. রক্ত প্রদরের রোগিণীর হায়েযের সময় শুরু হলে নামায ত্যাগ করবে।

২৮২. আহমাদ ইবনু ইউনূস ......... আয়িশা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ফাতেমা বিন্তে আবূ হুবায়েশ (রাঃ) রাসূল্লুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের খিদমতে উপস্হিত হয়ে বলেন, আমি একজন ইস্তেহাযাগ্রস্ত মহিলা। দীর্ঘদিন যাবত আমার রক্তস্রাব বন্ধ হচ্ছে না। এ সময় কি আমি নামায ত্যাগ করব? তিনি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ এটা বিশেষ শিরা হতে নির্গত রক্ত, হায়েযের রক্ত নয়। অতএব তোমার যখন হায়েযের নির্ধারিত সময় উপস্হিত হবে তখন নামায ত্যাগ করবে এবং ঐ সময় অতিক্রাস্ত হলে প্রত্যেক নামাযের পূর্বে রক্ত ধৌত করে (উযূ (ওজু/অজু/অযু) করে) নামায আদায় করবে।



হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

'Urwah reported on the authority of 'Aishah:
Fatimah daughter of Abu Hubaish came to the Messenger of Allah (ﷺ) and said: I am a woman who has prolonged flow of blood; I am never purified ; should I abandon prayer ? He replied: This is (due to) a vein, and not menstruation. When the menstruation begins, you should abandon prayer ; when it is finished, you should wash away the blood and pray.

Grade : Sahih (Al-Albani)

باب مَنْ قَالَ إِذَا أَقْبَلَتِ الْحَيْضَةُ تَدَعُ الصَّلاَةَ

حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ يُونُسَ، وَعَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ النُّفَيْلِيُّ، قَالاَ حَدَّثَنَا زُهَيْرٌ، حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ عُرْوَةَ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، أَنَّ فَاطِمَةَ بِنْتَ أَبِي حُبَيْشٍ، جَاءَتْ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَتْ إِنِّي امْرَأَةٌ أُسْتَحَاضُ فَلاَ أَطْهُرُ أَفَأَدَعُ الصَّلاَةَ قَالَ ‏ "‏ إِنَّمَا ذَلِكِ عِرْقٌ وَلَيْسَتْ بِالْحَيْضَةِ فَإِذَا أَقْبَلَتِ الْحَيْضَةُ فَدَعِي الصَّلاَةَ وَإِذَا أَدْبَرَتْ فَاغْسِلِي عَنْكِ الدَّمَ ثُمَّ صَلِّي ‏"‏ ‏.‏

حكم : صحيح (الألباني

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সূনান আবু দাউদ (ইফাঃ)
অধ্যায়ঃ ১/ পবিত্রতা
হাদিস নম্বরঃ ২৮৩ | 283 | ۲۸۳

পরিচ্ছদঃ ১০৯. রক্ত প্রদরের রোগিণীর হায়েযের সময় শুরু হলে নামায ত্যাগ করবে।

২৮৩. আল-কানাবী .............. হিশাম (রহঃ) যুহায়েরের সনদ ও অর্থে একই হাদীছ বর্ণনা করেছেন। তিনি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, যখন তোমার হায়েযের নির্ধারিত সময় উপস্হিত হবে- তখন নামায ত্যাগ করবে। অতঃপর উক্ত সময় অতিবাহিত হলে প্রত্যেক নামাযের পূর্বে রক্ত ধৌত করে (উযূ (ওজু/অজু/অযু) করে) নামায আদায় করবে।



হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ


This tradition has also been transmitted by Zuhair through a different chain of narrators, to the same effect. He said:
When the menstruation begins, you should abandon prayer; when the period equal to its length of time passes, you should wash away the blood and pray.

Grade : Sahih (Al-Albani)

باب مَنْ قَالَ إِذَا أَقْبَلَتِ الْحَيْضَةُ تَدَعُ الصَّلاَةَ

حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مَسْلَمَةَ الْقَعْنَبِيُّ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ هِشَامٍ، بِإِسْنَادِ زُهَيْرٍ وَمَعْنَاهُ وَقَالَ ‏ "‏ فَإِذَا أَقْبَلَتِ الْحَيْضَةُ فَاتْرُكِي الصَّلاَةَ فَإِذَا ذَهَبَ قَدْرُهَا فَاغْسِلِي الدَّمَ عَنْكِ وَصَلِّي ‏"‏ ‏.‏

حكم : صحيح (الألباني

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সূনান আবু দাউদ (ইফাঃ)
অধ্যায়ঃ ১/ পবিত্রতা
হাদিস নম্বরঃ ২৮৪ | 284 | ۲۸٤

পরিচ্ছদঃ ১০৯. রক্ত প্রদরের রোগিণীর হায়েযের সময় শুরু হলে নামায ত্যাগ করবে।

২৮৪. মূসা ইবনু ইসমাঈল ------- বুহাইয়া (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি এক মহিলাকে অপর এক মহিলা সম্পর্কে . আয়িশা (রাঃ) -এর নিকট জিজ্ঞাসা করতে শুনেছি- যার হায়েযের গন্ডগোল তাকে বিভ্রান্তিতে ফেলেছে যে, রক্তস্রাব বন্ধ হচ্ছে না। আয়িশা (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাকে নির্দেশ দেনঃ তুমি উক্ত মহিলাকে বল যে, ইতিপূর্বে প্রতি মাসের নির্ধারিত যে দিনগুলিতে তার হায়েযের রক্ত প্রবাহিত হত- উক্ত দিনগুলিতে সে নামায আদায় করা হতে বিরত থাকবে। অতঃপর গোসল করে লজ্জাস্হানে কাপড় বেঁধে নামায আদায় করবে।



হাদিসের মানঃ  যঈফ (Dai'f)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

Narrated Aisha, Ummul Mu'minin:

Bahiyyah said: I heard a woman asking Aisha about the woman whose menses became abnormal and she had an issue of blood. The Messenger of Allah (ﷺ) asked me to advise her that she should consider the period during which she used to menstruate every month, when her menstruation was normal. Then she should count the days equal to the length of time (of her normal menses); then she should abandon prayer during those days or equal to that period. She should then take a bath, tie a cloth on her private parts a pray.

Grade : Da'if (Al-Albani)

باب مَنْ قَالَ إِذَا أَقْبَلَتِ الْحَيْضَةُ تَدَعُ الصَّلاَةَ

حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنَا أَبُو عَقِيلٍ، عَنْ بُهَيَّةَ، قَالَتْ سَمِعْتُ امْرَأَةً، تَسْأَلُ عَائِشَةَ عَنِ امْرَأَةٍ، فَسَدَ حَيْضُهَا وَأُهَرِيقَتْ دَمًا فَأَمَرَنِي رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَنْ آمُرَهَا فَلْتَنْظُرْ قَدْرَ مَا كَانَتْ تَحِيضُ فِي كُلِّ شَهْرٍ وَحَيْضُهَا مُسْتَقِيمٌ فَلْتَعْتَدَّ بِقَدْرِ ذَلِكَ مِنَ الأَيَّامِ ثُمَّ لْتَدَعِ الصَّلاَةَ فِيهِنَّ أَوْ بِقَدْرِهِنَّ ثُمَّ لْتَغْتَسِلْ ثُمَّ لْتَسْتَثْفِرْ بِثَوْبٍ ثُمَّ لْتُصَلِّي ‏.‏

حكم : ضعيف (الألباني

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সূনান আবু দাউদ (ইফাঃ)
অধ্যায়ঃ ১/ পবিত্রতা
হাদিস নম্বরঃ ২৮৫ | 285 | ۲۸۵

পরিচ্ছদঃ ১০৯. রক্ত প্রদরের রোগিণীর হায়েযের সময় শুরু হলে নামায ত্যাগ করবে।

২৮৫. ইবনু আবূ আকীল .............. আয়িশা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, উম্মে হাবীবা বিন্তে জাহশ (রাঃ) যিনি উম্মুহাতুল মুমিনীন যয়নব (রাঃ) -র বোন ছিলেন এবং . আবদুর রহমান ইবনু আওফ (রাঃ) - র স্ত্রী ছিলেন- তিনি একাধারে সাত বছর ইস্তেহাযাগ্রস্ত ছিলেন। এ ব্যাপারে তিনি রাসূল্লাল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে জিজ্ঞাসা করেন। নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ এটা হায়েযের রক্ত নয়, বরং বিশেষ একটি শিরা হতে নির্গত রক্ত। অতএব তুমি গোসল করে নামায আদায় করবে। . আয়িশা (রাঃ) হতে অন্য এক বর্ণনায় উল্লেখ আছে-“যখন তোমার হায়েযের জন্য নির্ধারিত সময় উপস্থিত হবে- তখন নামায হতে বিরত থাকবে এবং উক্ত সময় অতিবাহিত হলে গোসল করে নামায আদায় করবে।” আবূ-জাউদ (রহঃ) বলেন, উপরোক্ত কথা আ-আওযাঈ (রহঃ) ব্যতীত ইমাম (রহঃ)-এর আর কোন শাগরিদ বর্ণনা করেননি। এই হাদীছ যুহরীর সূত্রে আমর ইবনুল হারিছ, লাইছ, ইউনুছ ইবনু আবী যেব, মামার, ইব্রাহীম ইবনু সা’দ, সুলায়মান ইবনু কাছীর- ইবনু ইসহাক এবং সুফ্য়ান ইবনু উয়ায়না প্রমুখ-রাবী বর্ণনা করেছেন। কিন্তু তাঁরাও উপরোক্ত কথাটুকুর উল্লেখ করেননি। অপর এক বর্ণনায় উল্লেখ আছে যে, রাসূল্লুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উম্মে হাবীবা (রাঃ) -কে নির্দেশ দেনঃ “তুমি তোমার হায়েযের জন্য নির্ধারিত দিনগুলিতে নামায ত্যাগ করবে।”



হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

'Aishah said:
Umm Habibah, daughter of Jahsh and sister-in-law of Messenger of Allah (ﷺ)m and wife of 'Abd al-Rahman b. 'Awf, had a prolonged flow of blood for seven years. She inquired from the Messenger of Allah (ﷺ) about it. The Messenger of Allah (ﷺ) said: This is not menstruation, but this (due to) a vein. Therefore, wash yourself and pray.

Abu Dawud said: In this tradition which is transmitted by al-Zuhri from 'Urwah and 'Urwah on the authority of 'Aishah, al-Awza'i added: She ('Aishah) said: Umm Habibah daughter of Jahsh and wife of 'Abd al-Rahman b. 'Awf had a prolonged flow of blood for seven years. The Prophet (ﷺ) commander her saying: When the menstruation begins, abandon prayer; when it is finished, take a bath and pray.

Abu Dawud said: None of the disciple of al-Zuhri mentioned these words except al-Awza'i, from al-Zuhri it has been narrated by 'Amr b. al-Harith, al-Laith, Yunus, Ibn Abi Dhi'b, Ma'mar, Ibrahim b. Sa'd, Sulaiman b. Kathir, Ibn Ishaq and Sufyan b. 'Uyainah, they did not narrate these words.

Abu Dawud said: These are the words of the version reported by Hisham b. 'Urwah from this father on the authority of 'Aishah.

Abu Dawud said: In this tradition Ibn 'Uyainah also added the words: He commander her to abandon prayer during her menstrual period. This is a misunderstanding on the part of Ibn 'Uyainah. The version of this tradition narrated by Muhammad b. 'Amr from al-Zuhri has the addition similar to that made by al-Awza'i in his version.

Grade : Sahih (Al-Albani)

باب مَنْ قَالَ إِذَا أَقْبَلَتِ الْحَيْضَةُ تَدَعُ الصَّلاَةَ

حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي عَقِيلٍ، وَمُحَمَّدُ بْنُ سَلَمَةَ الْمِصْرِيَّانِ، قَالاَ حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ، عَنْ عَمْرِو بْنِ الْحَارِثِ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ عُرْوَةَ بْنِ الزُّبَيْرِ، وَعَمْرَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، أَنَّ أُمَّ حَبِيبَةَ بِنْتَ جَحْشٍ، خَتَنَةَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَتَحْتَ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَوْفٍ اسْتُحِيضَتْ سَبْعَ سِنِينَ فَاسْتَفْتَتْ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ إِنَّ هَذِهِ لَيْسَتْ بِالْحَيْضَةِ وَلَكِنْ هَذَا عِرْقٌ فَاغْتَسِلِي وَصَلِّي ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو دَاوُدَ زَادَ الأَوْزَاعِيُّ فِي هَذَا الْحَدِيثِ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ عُرْوَةَ وَعَمْرَةَ عَنْ عَائِشَةَ قَالَتِ اسْتُحِيضَتْ أُمُّ حَبِيبَةَ بِنْتُ جَحْشٍ - وَهِيَ تَحْتَ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَوْفٍ - سَبْعَ سِنِينَ فَأَمَرَهَا النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏"‏ إِذَا أَقْبَلَتِ الْحَيْضَةُ فَدَعِي الصَّلاَةَ وَإِذَا أَدْبَرَتْ فَاغْتَسِلِي وَصَلِّي ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو دَاوُدَ وَلَمْ يَذْكُرْ هَذَا الْكَلاَمَ أَحَدٌ مِنْ أَصْحَابِ الزُّهْرِيِّ غَيْرَ الأَوْزَاعِيِّ وَرَوَاهُ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَمْرُو بْنُ الْحَارِثِ وَاللَّيْثُ وَيُونُسُ وَابْنُ أَبِي ذِئْبٍ وَمَعْمَرٌ وَإِبْرَاهِيمُ بْنُ سَعْدٍ وَسُلَيْمَانُ بْنُ كَثِيرٍ وَابْنُ إِسْحَاقَ وَسُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ وَلَمْ يَذْكُرُوا هَذَا الْكَلاَمَ ‏.‏ قَالَ أَبُو دَاوُدَ وَإِنَّمَا هَذَا لَفْظُ حَدِيثِ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ عَنْ أَبِيهِ عَنْ عَائِشَةَ ‏.‏ قَالَ أَبُو دَاوُدَ وَزَادَ ابْنُ عُيَيْنَةَ فِيهِ أَيْضًا أَمَرَهَا أَنْ تَدَعَ الصَّلاَةَ أَيَّامَ أَقْرَائِهَا ‏.‏ وَهُوَ وَهَمٌ مِنَ ابْنِ عُيَيْنَةَ وَحَدِيثُ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرٍو عَنِ الزُّهْرِيِّ فِيهِ شَىْءٌ يَقْرُبُ مِنَ الَّذِي زَادَ الأَوْزَاعِيُّ فِي حَدِيثِهِ ‏.‏

حكم : صحيح (الألباني

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সূনান আবু দাউদ (ইফাঃ)
অধ্যায়ঃ ১/ পবিত্রতা
হাদিস নম্বরঃ ২৮৬ | 286 | ۲۸٦

পরিচ্ছদঃ ১০৯. রক্ত প্রদরের রোগিণীর হায়েযের সময় শুরু হলে নামায ত্যাগ করবে।

২৮৬. মুহাম্মাদ ইবনুল মুছান্না ............ ফাতিমা বিনতে আবূ হুবায়েশ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, তিনি ইস্তেহাযাগ্রস্ত হওয়ায় নাবী সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে বলেন, হায়েযের রক্ত হল কালে রংয়ের। কাজেই যখন রক্তপ্রবাহের সময় কালো রং দেখা দিবে- তখন নামায ত্যাগ করবে এবং যখন কালো-ছাড়া অন্য রং দেখা দিবে, তখন থেকে উযূ (ওজু/অজু/অযু) করে নামায আদায় করবে। কেননা এটা বিশেয শিরা হতে নির্গত রক্ত।

আবূ দাউদ (রহঃ) বলেন, ইবনুল মুছারা বলেছেন- ইবনু আবূ আদী প্রথমে তাঁর কিতাব থেকে আমাদের নিকট অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। পরে তিনি তাঁর স্মৃতি থেকেও আমাদের নিকট একইরূপ বর্ণনা করেছেনঃ যে, মুহাম্মাদ ইবনু আমর… আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। ফাতিমা বিন্তে কায়েস (রাঃ) ইস্তেহাযাগ্রস্ত হন…অবশিষ্ট বর্ণনা পূর্ববৎ। আনাস ইবনু সীরীন… . ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতে ইস্তেহাযাগ্রস্ত মহিলা সম্পর্কে এরূপ উল্লেখ আছে যে, তিনি বলেন, যখন মহিলাদের ঋতুস্রাবের পরিমাণ খুবই বেশী ও গাঢ় হবে, তখন নামায ত্যাগ করবে এবং যখন পবিত্র অবস্হা দেখা যাবে, যদিও তা অল্প সময়ের জন্যও হয়, তখন গোসল করে নামায পড়তে হব। 

মাকহূল (রহঃ) বলেন, হায়েয সম্পর্কে স্ত্রীলোকদের কিছুই অজানা নেই। হায়েযের রক্ত গাঢ় (কুষ্ণ বর্ণের) হয়ে থাকে। অতঃপর উক্ত রং পরিবর্তিত হয়ে যখন পাতলা হলুদ বর্ণ ধারণ করে- তখন বুঝতে হবে যে, সে ইস্তেহাযাগ্রস্ত। কাজেই তাকে গোসল করে নামায আদায় করতে হবে।

[এ অংশটুকুর তাহকিক পাওয়া যায়নি]

হাম্মাদ ইবনু যায়েদ… সাঈদ ইবনুল মাসাইয়্যাব (রহঃ) হতে ইস্তেহাযাগ্রস্ত মহিলাদের সম্পর্কে বর্ণিত। আছে যে, যখন তাদের নির্ধারিত দিনে হায়েযের রক্ত দেখা দিবে; তখন তারা নামায পরিহার করবে। অতঃপর তা যখন বিদুরিত হবে তখন গোসল করে নামায আদায় করবে। সুমাই প্রমুখ সাঈদ ইবনুল মূসাইয়্যাব থেকে বর্ণনা করেছেন যে- সে হায়েযের কয়েকদিন নামায থেকে বিরত থাকবে। হাম্মাদ ইবনু সালামা (রহঃ) ইয়াহ্ইয়া ইবনু সাঈদের সূত্রে সাঈদ ইবনুল মূসাইয়্যাবের অনুরূপ মত বর্ণনা করেছেন।

আবূ দাউদ বলেন, ইউনুস (রহঃ) আল-হাসানের সূত্রে বর্ণনা করেন যে, হায়েযগ্রস্ত মহিলার রক্তসাব অধিক দিন অব্যাহত থাকলে সে হায়েযের জন্য নির্ধারিত সময়সীমার পর এক বা দুই দিন নামায থেকে বিরত থাকবে। এরপর সে রক্তপ্রদরের রোগিণী গণ্য হবে। আত-তায়মী (রহঃ) কাতাদার সূত্রে বলেন, হায়েযের সময়কালের পরে পাঁচ দিন অতিবাহিত হওয়ার পর সে নিয়মিত নামায পড়তে থাকবে। আত-তায়মী আরও বলেন, আমি তা কমাতে কমাতে দুই দিনে এনেছি। অর্থাৎ (হায়েযের সীমার অতিরিক্ত) দুই দিনও হায়েযের মধ্যে গণ্য হবে। ইবনু সীরীন (রহঃ)-কে এ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, এ ব্যাপারে মহিলারাই অধিক অভিজ্ঞ।



হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

Narrated Fatimah daughter of AbuHubaysh:

Urwah ibn az-Zubayr reported from Fatimah daughter of AbuHubaysh that her blood kept flowing, so the Prophet (ﷺ) said to her: When the blood of the menses comes, it is black blood which can be recognised; so when that comes, refrain from prayer; but when a different type of blood comes, perform ablution and pray, for it is (due only to) a vein.

Abu Dawud said: Ibn al-Muthanna narrates this tradition from his book on the authority of Ibn 'Adi in a similar way. Later on he transmitted it to us from his memory: Muhammad b. 'Amr reported to us from al-Zuhri from 'Urwah on the authority of 'Aishah who said: Fatimah used to have her blood flowing. He then reported the tradition conveying the same meaning.

Abu Dawud said: Anas b. Sirin reported from Ibn 'Abbas about the woman who has a prolonged flow of blood. He said: If she sees thick blood, she should not pray; if she finds herself purified even for a moment, she should was an pray.

Makhul said: Menses are not hidden from women. Their blood is black and thick. When it (blackness and thickness) goes away and there appears yellowness and liquidness, that is the flow of blood (from vein). She should wash and pray.

Abu Dawud said: This tradition has been transmitted by Sa'id b. al-Musayyab through a different chain of narrators, saying: The woman who has a prolonged flow of blood should abandon prayer when the menstruation begins; when it is finished, she should wash and pray.

Sumayy and others have also reported it from Sa'id b. al-Musayyab. This version adds: She should refrain (from prayer) during her menstrual period.

Hammad b. Salamah has reported it similarly from Yahya b. Sa'id on the authority of Sa'id b. al-Musayyab.

Abu Dawud said: Yunus has reported from Al-Hasan: When the bleeding of a menstruating woman extends (beyond the normal period), she should refrain (from prayer), after her menses are over, for one or two days. Now she becomes the woman who has a prolonged flow of blood.

Al-Taimi reported from Qatadah: If her menstrual period is prolonged by five days, she should pray. Al-Taimi said: I kept on reducing (the number of days) until I reached two days. He said: If the period extends by two days, they will be counted from the menstrual period. When Ibn Sirin was questioned about it, he said: Women have better knowledge of that.

Grade : 1: Hasan
2: Sahih
3: The authenticator did not find a chain (Al-Albani)

باب مَنْ قَالَ إِذَا أَقْبَلَتِ الْحَيْضَةُ تَدَعُ الصَّلاَةَ

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي عَدِيٍّ، عَنْ مُحَمَّدٍ، - يَعْنِي ابْنَ عَمْرٍو - قَالَ حَدَّثَنِي ابْنُ شِهَابٍ، عَنْ عُرْوَةَ بْنِ الزُّبَيْرِ، عَنْ فَاطِمَةَ بِنْتِ أَبِي حُبَيْشٍ، أَنَّهَا كَانَتْ تُسْتَحَاضُ فَقَالَ لَهَا النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إِذَا كَانَ دَمُ الْحَيْضَةِ فَإِنَّهُ دَمٌ أَسْوَدُ يُعْرَفُ فَإِذَا كَانَ ذَلِكَ فَأَمْسِكِي عَنِ الصَّلاَةِ فَإِذَا كَانَ الآخَرُ فَتَوَضَّئِي وَصَلِّي فَإِنَّمَا هُوَ عِرْقٌ ‏"‏ ‏.1
قَالَ أَبُو دَاوُدَ قَالَ ابْنُ الْمُثَنَّى حَدَّثَنَا بِهِ ابْنُ أَبِي عَدِيٍّ مِنْ كِتَابِهِ هَكَذَا ثُمَّ حَدَّثَنَا بِهِ بَعْدُ حِفْظًا قَالَ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَمْرٍو عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ عُرْوَةَ عَنْ عَائِشَةَ أَنَّ فَاطِمَةَ كَانَتْ تُسْتَحَاضُ ‏.‏ فَذَكَرَ مَعْنَاهُ ‏.‏
قَالَ أَبُو دَاوُدَ وَقَدْ رَوَى أَنَسُ بْنُ سِيرِينَ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ فِي الْمُسْتَحَاضَةِ قَالَ إِذَا رَأَتِ الدَّمَ الْبَحْرَانِيَّ فَلاَ تُصَلِّي وَإِذَا رَأَتِ الطُّهْرَ وَلَوْ سَاعَةً فَلْتَغْتَسِلْ وَتُصَلِّي ‏.‏2
وَقَالَ مَكْحُولٌ إِنَّ النِّسَاءَ لاَ تَخْفَى عَلَيْهِنَّ الْحَيْضَةُ إِنَّ دَمَهَا أَسْوَدُ غَلِيظٌ فَإِذَا ذَهَبَ ذَلِكَ وَصَارَتْ صُفْرَةً رَقِيقَةً فَإِنَّهَا مُسْتَحَاضَةٌ فَلْتَغْتَسِلْ وَلْتُصَلِّي ‏.3
قَالَ أَبُو دَاوُدَ وَرَوَى حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ عَنِ الْقَعْقَاعِ بْنِ حَكِيمٍ عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ فِي الْمُسْتَحَاضَةِ إِذَا أَقْبَلَتِ الْحَيْضَةُ تَرَكَتِ الصَّلاَةَ وَإِذَا أَدْبَرَتِ اغْتَسَلَتْ وَصَلَّتْ ‏.2‏
‏ وَرَوَى سُمَىٌّ وَغَيْرُهُ عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ تَجْلِسُ أَيَّامَ أَقْرَائِهَا ‏.2‏
وَكَذَلِكَ رَوَاهُ حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ ‏.‏ قَالَ أَبُو دَاوُدَ وَرَوَى يُونُسُ عَنِ الْحَسَنِ الْحَائِضُ إِذَا مَدَّ بِهَا الدَّمُ تُمْسِكُ بَعْدَ حَيْضَتِهَا يَوْمًا أَوْ يَوْمَيْنِ فَهِيَ مُسْتَحَاضَةٌ ‏.‏ وَقَالَ التَّيْمِيُّ عَنْ قَتَادَةَ إِذَا زَادَ عَلَى أَيَّامِ حَيْضِهَا خَمْسَةُ أَيَّامٍ فَلْتُصَلِّي ‏.‏ قَالَ التَّيْمِيُّ فَجَعَلْتُ أَنْقُصُ حَتَّى بَلَغْتُ يَوْمَيْنِ فَقَالَ إِذَا كَانَ يَوْمَيْنِ فَهُوَ مِنْ حَيْضِهَا ‏.‏ وَسُئِلَ ابْنُ سِيرِينَ عَنْهُ فَقَالَ النِّسَاءُ أَعْلَمُ بِذَلِكَ ‏.‏

1:حسن
2:صحيح
3: لم أره (الألباني

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সূনান আবু দাউদ (ইফাঃ)
অধ্যায়ঃ ১/ পবিত্রতা
হাদিস নম্বরঃ ২৮৭ | 287 | ۲۸۷

পরিচ্ছদঃ ১০৯. রক্ত প্রদরের রোগিণীর হায়েযের সময় শুরু হলে নামায ত্যাগ করবে।

২৮৭. যুহায়ের ইবনু হারব ............ ইব্রাহীম থেকে তার চাচা ইমরানের সূত্রে এবং তিনি তাঁর মাতা হুম্না বিন্তে জাহশ (রাঃ) হতে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, আমার খুব বেশী রক্তস্রাব হত তখন আমি এ সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে অবগত করাতে এবং তাঁর নিকট হতে সমাধান জানতে আসি। আমি তাকে আমার বোন যয়নব বিন্তে জাহ্শের ঘরে পেয়ে জিজ্ঞাসা করি- ইয়া রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আমার খুব অধিক পরিমাণে ঋতুস্রাব হয়ে থাকে; এ ব্যাপারে আপনার অভিমত কি? এই ঋতুস্রাব আমাকে নামায ও রোযা হতে বিরত রাখে। তিনি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, আমি তোমাকে কুরসুফ্ (তুলা) ব্যবহ্যরের পরামর্শ দেই। কেননা তা রক্ত শোষণ করবে। তখন তিনি (মহিলা বলেন, এর পরিমাণ তা হতেও বেশী (কাজেই তুলা দ্বারা বন্ধ করা সম্ভব নয়)। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, তবে তুমি এর উপর নেকড়া বাঁধবে। মহিলাটি বলেন, এর পরিমাণ তা থেকেও অধিক। তখন নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, তা হলে এর উপর একটা কাপড় বেঁধে নিবে।মহিলাটি বলেন, এর পরিমাণ তার চাইতেও আধিক; বরং আমার রক্তস্রাব অত্যধিক পরিমাণে হয়ে থাকে। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেনঃ আমি তোমাকে দুইঢি কাজ সম্পাদনের জন্য পরামর্শ দিচ্ছি এর যে কোন একটি সম্পন্ন করলেই চলবে। কাজ সস্পাদন করতে তুমি সক্ষম কিনা তা জান। তিনি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, এটা শয়তানের চক্রান্ত কাজেই (১ম কাজ) প্রতি মাসে ছয় বা সাত দিনের জন্য তোমার হায়েযের নির্ধারিত দিন গণনা করবে। অতঃপর গোসল করবে এবং তুমি যখন বুঝতে পারবে যে, তুমি উল্লেখিত দিনণ্ডলি অতিক্রম করে পবিত্রতা অর্জন করেছ- তখন তুমি প্রত্যেক মাসের ২৩/২৪ দিন নিয়মিতভাবে নামায আদায় করবে এবং রোযা রাখবে।এটাই তোমার জন্য যথেষ্ট। প্রত্যেক মাসে এরূপই করবে- যেরূপ অন্যান্য মহিলারা হায়েয হতে পবিত্রতা অর্জনের পর করে থাকে। (২য় কাজ) যদি তোমার সামর্থ থাকে, তবে একই গোসলে ও আসরের নামায একত্রে আদায় করবে- এইরূপে যে, যুহয়ের শেষ সময়ে উক্ত নামায এবং আসরের প্রারম্ভিক সময়ে আসরের নামায পড়ে উভয় নামায একত্রে আদায় করবে। অতঃপর মাগরিবের নামায এর শেষ সময়ে এবং এশার নামায এর প্রথম সময়ে একই গোসলে পরর্যায়ক্রমে আদায় করবে এবং একবার গোসল করে ফজরের নামায আদায় করবে। বর্ণিত উপায়ে সম্ভব হলে- নিয়মিতভাবে নামায আদায় করবে এবং রোযা রাখবে।অতঃপর রাসূল্লুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, এই কাজের মধ্যে আমার নিকট।শেষোক্তটি পছন্দনীয়। ইমাম আবূ দাউদ (রহঃ) বলেন, আমর ইবনু ছাবিত থেকে আকীলের সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, হুমনা (রাঃ) বলেন, আমি বললাম, “এই দু’টি বিকল্প ব্যবস্হার মধ্যে শেষোক্তটি আমার নিকট অধিক পছন্দনীয়।” তিনি ইবনু আকীল) এটাকে মহানাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর বক্তব্য হিসাবে বর্ণনা করেননি, বরং হুমনা (রাঃ) -র কথা হিসাবে উল্লেখ করেছেন। আবূ দাউদ (রহঃ) বলেন, আমি ইমাম আহ্মাদ (রহঃ)-কে বলতে শুনেছি- হায়েয সস্পর্কিত বিষয়ে বর্ণিত ইবনু আকীলের হাদীছের উপর আমার মন আশ্বস্ত হতে পারছে না। আবূ দাউদ (রহঃ) আরও বলেন, আমর ইবনু ছাবিত একজন রাফিযী, নিকৃষ্ট ব্যক্তি, কিন্তু হাদীছ বর্ণনার ক্ষেত্রে বিশ্বস্ত। তবে ছাবিত ইবনুল মিকদাম বিশ্বস্ত রাবী। ইয়াহ্ইয়া ইবনু মুঈন থেকে এরূপ বর্ণিত আছে।



হাদিসের মানঃ  সহিহ/যঈফ [মিশ্রিত]
পুনঃনিরীক্ষণঃ

Narrated Hamnah daughter of Jahsh:

Hamnah said my menstruation was great in quantity and severe. So I came to the Messenger of Allah (ﷺ) for a decision and told him. I found him in the house of my sister, Zaynab, daughter of Jahsh.

I said: Messenger of Allah, I am a woman who menstruates in great quantity and it is severe, so what do you think about it? It has prevented me from praying and fasting.

He said: I suggest that you should use cotton, for it absorbs the blood. She replied: It is too copious for that. He said: Then take a cloth. She replied: It is too copious for that, for my blood keeps flowing. The Messenger of Allah (ﷺ) said: I shall give you two commands; whichever of them you follow, that will be sufficient for you without the other, but you know best whether you are strong enough to follow both of them.

He added: This is a stroke of the Devil, so observe your menses for six or seven days, Allah alone knows which it should be; then wash. And when you see that you are purified and quite clean, pray during twenty-three or twenty-four days and nights and fast, for that will be enough for you, and do so every month, just as women menstruate and are purified at the time of their menstruation and their purification.

But if you are strong enough to delay the noon (Zuhr) prayer and advance the afternoon ('Asr) prayer, to wash, and then combine the noon and the afternoon prayer; to delay the sunset prayer and advance the night prayer, to wash, and then combine the two prayers, do so: and to wash at dawn, do so: and fast if you are able to do so if possible.

The Messenger of Allah (ﷺ) said: Of the two commands this is more to my liking.1

Abu Dawud said: 'Amr b. Thabit narrated from Ibn 'Aqil: Hamnah said: Of the two commands this is the one which is more to my liking.2 In this version these words were not quoted as the statement of the Prophet (ﷺ); it gives it as a statement of Hamnah.

Abu Dawud said: 'Amr b. Thabit was a Rafidi. This has been said by Yahya b. Ma'in.

Abu Dawud said: I heard Ahmad (b. Hanbal) say: I am doubtful about the tradition transmitted by Ibn 'Aqil.

Grade : 1: Hasan
2: Da'if (Al-Albani)

باب مَنْ قَالَ إِذَا أَقْبَلَتِ الْحَيْضَةُ تَدَعُ الصَّلاَةَ

حَدَّثَنَا زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، وَغَيْرُهُ، قَالاَ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْمَلِكِ بْنُ عَمْرٍو، حَدَّثَنَا زُهَيْرُ بْنُ مُحَمَّدٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَقِيلٍ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ طَلْحَةَ، عَنْ عَمِّهِ، عِمْرَانَ بْنِ طَلْحَةَ عَنْ أُمِّهِ، حَمْنَةَ بِنْتِ جَحْشٍ قَالَتْ كُنْتُ أُسْتَحَاضُ حَيْضَةً كَثِيرَةً شَدِيدَةً فَأَتَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَسْتَفْتِيهِ وَأُخْبِرُهُ فَوَجَدْتُهُ فِي بَيْتِ أُخْتِي زَيْنَبَ بِنْتِ جَحْشٍ فَقُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنِّي امْرَأَةٌ أُسْتَحَاضُ حَيْضَةً كَثِيرَةً شَدِيدَةً فَمَا تَرَى فِيهَا قَدْ مَنَعَتْنِي الصَّلاَةَ وَالصَّوْمَ فَقَالَ ‏"‏ أَنْعَتُ لَكِ الْكُرْسُفَ فَإِنَّهُ يُذْهِبُ الدَّمَ ‏"‏ ‏.‏ قَالَتْ هُوَ أَكْثَرُ مِنْ ذَلِكَ ‏.‏ قَالَ ‏"‏ فَاتَّخِذِي ثَوْبًا ‏"‏ ‏.‏ فَقَالَتْ هُوَ أَكْثَرُ مِنْ ذَلِكَ إِنَّمَا أَثُجُّ ثَجًّا ‏.‏ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ سَآمُرُكِ بِأَمْرَيْنِ أَيَّهُمَا فَعَلْتِ أَجْزَأَ عَنْكِ مِنَ الآخَرِ وَإِنْ قَوِيتِ عَلَيْهِمَا فَأَنْتِ أَعْلَمُ ‏"‏ ‏.‏ فَقَالَ لَهَا ‏"‏ إِنَّمَا هَذِهِ رَكْضَةٌ من رَكَضَاتِ الشَّيْطَانِ فَتَحَيَّضِي سِتَّةَ أَيَّامٍ أَوْ سَبْعَةَ أَيَّامٍ فِي عِلْمِ اللَّهِ ثُمَّ اغْتَسِلِي حَتَّى إِذَا رَأَيْتِ أَنَّكِ قَدْ طَهُرْتِ وَاسْتَنْقَأْتِ فَصَلِّي ثَلاَثًا وَعِشْرِينَ لَيْلَةً أَوْ أَرْبَعًا وَعِشْرِينَ لَيْلَةً وَأَيَّامَهَا وَصُومِي فَإِنَّ ذَلِكَ يُجْزِئُكِ وَكَذَلِكَ فَافْعَلِي فِي كُلِّ شَهْرٍ كَمَا تَحِيضُ النِّسَاءُ وَكَمَا يَطْهُرْنَ مِيقَاتَ حَيْضِهِنَّ وَطُهْرِهِنَّ وَإِنْ قَوِيتِ عَلَى أَنْ تُؤَخِّرِي الظُّهْرَ وَتُعَجِّلِي الْعَصْرَ فَتَغْتَسِلِينَ وَتَجْمَعِينَ بَيْنَ الصَّلاَتَيْنِ الظُّهْرِ وَالْعَصْرِ وَتُؤَخِّرِينَ الْمَغْرِبَ وَتُعَجِّلِينَ الْعِشَاءَ ثُمَّ تَغْتَسِلِينَ وَتَجْمَعِينَ بَيْنَ الصَّلاَتَيْنِ فَافْعَلِي وَتَغْتَسِلِينَ مَعَ الْفَجْرِ فَافْعَلِي وَصُومِي إِنْ قَدَرْتِ عَلَى ذَلِكَ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ وَهَذَا أَعْجَبُ الأَمْرَيْنِ إِلَىَّ ‏"‏ ‏.1
قَالَ أَبُو دَاوُدَ وَرَوَاهُ عَمْرُو بْنُ ثَابِتٍ عَنِ ابْنِ عَقِيلٍ قَالَ فَقَالَتْ حَمْنَةُ فَقُلْتُ هَذَا أَعْجَبُ الأَمْرَيْنِ إِلَىَّ ‏.‏2 لَمْ يَجْعَلْهُ مِنْ قَوْلِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم جَعَلَهُ كَلاَمَ حَمْنَةَ ‏.‏ قَالَ أَبُو دَاوُدَ وَعَمْرُو بْنُ ثَابِتٍ رَافِضِيٌّ رَجُلُ سَوْءٍ وَلَكِنَّهُ كَانَ صَدُوقًا فِي الْحَدِيثِ وَثَابِتُ بْنُ الْمِقْدَامِ رَجُلٌ ثِقَةٌ وَذَكَرَهُ عَنْ يَحْيَى بْنِ مَعِينٍ ‏.‏ قَالَ أَبُو دَاوُدَ سَمِعْتُ أَحْمَدَ يَقُولُ حَدِيثُ ابْنِ عَقِيلٍ فِي نَفْسِي مِنْهُ شَىْءٌ ‏.‏

1: حسن
2: ضعيف (الألباني

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সূনান আবু দাউদ (ইফাঃ)
অধ্যায়ঃ ১/ পবিত্রতা
হাদিস নম্বরঃ ২৮৮ | 288 | ۲۸۸

পরিচ্ছদঃ ১১০. ইস্তেহাযাগ্রস্ত মহিলাদের প্রত্যেক নামাযের সময় গোসল করা সম্পর্কে বর্ণিত হাদিসসমূহ।

২৮৮. ইবনু আবূআকীল --------- নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের স্ত্রী . আয়িশা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, উম্মে হাবীবা বিন্তে জাহশ (রাঃ) যিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের শ্যালিকা ছিলেন এবং আব্দুর রহমান ইবনু আওফ (রাঃ) -এর স্ত্রী ছিলেন- একাধারে সাত বছর ইস্তেহাযাগ্রস্ত ছিলেন। তিনি এ সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে জিজ্ঞাসা করেন। তিনি বলেন, এটা হায়েযের রক্ত নয়, বরং একটি - বিশেষ শিরা হতে প্রবাহিত রক্ত। অতএব তুমি গোসলনাস্তে নামায আদায় করবে। আয়িশা (রাঃ) বলেন, অতঃপর তিনি (উম্মে হাবীবা) তাঁর বোন যয়নব বিন্তে জাহশের হুজরাতে একটি রড় পাত্রে গোসল করতেন এবং পাত্রের পানিতে রক্তের রং-এর প্রাধান্য হত।



হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

'Aishah, wife of Prophet (ﷺ), said:
Umm Habibah, daughter of Jahsh, sister-in-law of Messenger of Allah (ﷺ) and wife of 'Abd al-Rahman b. 'Awf, had a flow of blood for seven years. She asked the Messenger of Allah (ﷺ) about it. The Messenger of Allah (ﷺ) said: This is not menstruation but only vein; so you should take a bath and pray. 'Aishah said: She used to take bath in a wash-tub in the apartment of her sister Zainab daughter of Jahsh ; the redness of (her) blood dominated the water.

Grade : Sahih (Al-Albani)

باب مَنْ رَوَى أَنَّ الْمُسْتَحَاضَةَ تَغْتَسِلُ لِكُلِّ صَلاَةٍ

حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي عَقِيلٍ، وَمُحَمَّدُ بْنُ سَلَمَةَ الْمُرَادِيُّ، قَالاَ حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ، عَنْ عَمْرِو بْنِ الْحَارِثِ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ عُرْوَةَ بْنِ الزُّبَيْرِ، وَعَمْرَةَ بِنْتِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ عَائِشَةَ، زَوْجِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّ أُمَّ حَبِيبَةَ بِنْتَ جَحْشٍ خَتَنَةَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَتَحْتَ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَوْفٍ اسْتُحِيضَتْ سَبْعَ سِنِينَ فَاسْتَفْتَتْ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي ذَلِكَ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إِنَّ هَذِهِ لَيْسَتْ بِالْحَيْضَةِ وَلَكِنْ هَذَا عِرْقٌ فَاغْتَسِلِي وَصَلِّي ‏"‏ ‏.‏ قَالَتْ عَائِشَةُ فَكَانَتْ تَغْتَسِلُ فِي مِرْكَنٍ فِي حُجْرَةِ أُخْتِهَا زَيْنَبَ بِنْتِ جَحْشٍ حَتَّى تَعْلُوَ حُمْرَةُ الدَّمِ الْمَاءَ ‏.‏

حكم : صحيح (الألباني

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সূনান আবু দাউদ (ইফাঃ)
অধ্যায়ঃ ১/ পবিত্রতা
হাদিস নম্বরঃ ২৮৯ | 289 | ۲۸۹

পরিচ্ছদঃ ১১০. ইস্তেহাযাগ্রস্ত মহিলাদের প্রত্যেক নামাযের সময় গোসল করা সম্পর্কে বর্ণিত হাদিসসমূহ।

২৮৯. আহমাদ ইবনু সালেহ্ উম্মে হাবীবা (রাঃ) হতে এই হাদীছটি বর্ণিত। আয়িশা (রাঃ) বলেন, উম্মে হাবীবা (রাঃ) প্রত্যেক নামাযের জন্য গোসল করতেন।



হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

This tradition has been transmitted through a different chain of narrators. According to this version. 'Aishah said:
She would wash herself for every prayer.

Grade : Sahih (Al-Albani)

باب مَنْ رَوَى أَنَّ الْمُسْتَحَاضَةَ تَغْتَسِلُ لِكُلِّ صَلاَةٍ

حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ صَالِحٍ، حَدَّثَنَا عَنْبَسَةُ، حَدَّثَنَا يُونُسُ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، أَخْبَرَتْنِي عَمْرَةُ بِنْتُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ أُمِّ حَبِيبَةَ، بِهَذَا الْحَدِيثِ قَالَتْ عَائِشَةُ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا ‏.‏ فَكَانَتْ تَغْتَسِلُ لِكُلِّ صَلاَةٍ ‏.‏

حكم : صحيح (الألباني

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সূনান আবু দাউদ (ইফাঃ)
অধ্যায়ঃ ১/ পবিত্রতা
হাদিস নম্বরঃ ২৯০ | 290 | ۲۹۰

পরিচ্ছদঃ ১১০. ইস্তেহাযাগ্রস্ত মহিলাদের প্রত্যেক নামাযের সময় গোসল করা সম্পর্কে বর্ণিত হাদিসসমূহ।

২৯০. ইয়াযীদ ইবনু খলিদ ............. আয়িশা (রাঃ) হতে এই হাদীছ বর্ণিত। এখানে রাবী বলেন, উম্মে হাবীবা (রাঃ) প্রত্যেক নামাযের জন্য গোসল করতেন। ইবনু উয়ায়নার বর্ণিত হাদীছে এ কথার উল্লেখ নাইঃ “মহানাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে গোসলের নির্দেশ দিয়েছেন।”



হাদিসের মানঃ  তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ

This has bee n narrated though a different chain of narrators by 'Aishah. This version has the words:
"She used to take a bath for every prayer."

Abu Dawud said: Al-Qasim b. Mabrur reported from Yunus from Ibn Shihab from 'Amrah from 'Aishah from Umm Habibah daughter of Jahsh. Similarly, it was reported by Ma'mar from al-Zuhri from 'Amrah from 'Aishah. Ma'mar sometimes reported from 'Amrah on the authority of Umm Habibah to the same effect. Similarly, it was reported by Ibrahim b. Sa'd and Ibn 'Uyainah from al-Zuhri from 'Amrah from 'Aishah. Ibn 'Uyainah said in his version: He (al-Zuhri) did not say that the Prophet (ﷺ) commanded her to take bath.

It has also been transmitted by al-Awza'i in a similar way. In this version he said: 'Aishah said: She used to take bath for very prayer.

باب مَنْ رَوَى أَنَّ الْمُسْتَحَاضَةَ تَغْتَسِلُ لِكُلِّ صَلاَةٍ

حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ خَالِدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَوْهَبٍ الْهَمْدَانِيُّ، حَدَّثَنِي اللَّيْثُ بْنُ سَعْدٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، بِهَذَا الْحَدِيثِ قَالَ فِيهِ فَكَانَتْ تَغْتَسِلُ لِكُلِّ صَلاَةٍ ‏.‏ قَالَ أَبُو دَاوُدَ رَوَاهُ الْقَاسِمُ بْنُ مَبْرُورٍ عَنْ يُونُسَ عَنِ ابْنِ شِهَابٍ عَنْ عَمْرَةَ عَنْ عَائِشَةَ عَنْ أُمِّ حَبِيبَةَ بِنْتِ جَحْشٍ وَكَذَلِكَ رَوَاهُ مَعْمَرٌ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ عَمْرَةَ عَنْ عَائِشَةَ وَرُبَّمَا قَالَ مَعْمَرٌ عَنْ عَمْرَةَ عَنْ أُمِّ حَبِيبَةَ بِمَعْنَاهُ وَكَذَلِكَ رَوَاهُ إِبْرَاهِيمُ بْنُ سَعْدٍ وَابْنُ عُيَيْنَةَ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ عَمْرَةَ عَنْ عَائِشَةَ وَقَالَ ابْنُ عُيَيْنَةَ فِي حَدِيثِهِ وَلَمْ يَقُلْ إِنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم أَمَرَهَا أَنْ تَغْتَسِلَ ‏.‏ وَكَذَلِكَ رَوَاهُ الأَوْزَاعِيُّ أَيْضًا قَالَ فِيهِ قَالَتْ عَائِشَةُ فَكَانَتْ تَغْتَسِلُ لِكُلِّ صَلاَةٍ ‏.‏

حكم : صحيح لم أجدها والصواب أنه من مسند عائشة (الألباني

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

হাদিস দেখানো হচ্ছে   [281]  থেকে  [290]  পর্যন্ত এবং সর্বমোট   [5185]  টি হাদিস পাওয়া গেছে।