• ৫৬৪০৩ টি সর্বমোট হাদিস আছেঃ
  • ৫৭৫৬ টি প্রশ্নোত্তর ও ফিকাহঃ

 

 

 

 


হাদীস (حَدِيْث) এর শাব্দিক অর্থ: নতুন, প্রাচীন ও পুরাতন এর বিপরীত বিষয়। এ অর্থে যে সব কথা, কাজ ও বস্ত্ত পূর্বে ছিল না, এখন অস্তিত্ব লাভ করেছে  তাই হাদীস। এর আরেক অর্থ হলো: কথা। ফক্বীহগণের পরিভাষায় নাবী কারীম () আল্লাহ্‌র রাসূল হিসেবে যা কিছু বলেছেন, যা কিছু করেছেন এবং যা কিছু বলার বা করার অনুমতি দিয়েছেন অথবা সমর্থন জানিয়েছেন তাকে হাদীস বলা হয়। কিন্তু মুহাদ্দিসগণ এর সঙ্গে রাসুলুল্লাহ () সম্পর্কিত বর্ণনা ও তার গুণাবলী সম্পর্কিত বিবরণকেও হাদীসের অন্তর্ভুক্ত করেন। এ হিসেবে হাদীসকে প্রাথমিক পর্যায়ে তিন শ্রেণীতে ভাগ করা যায়:

১। ক্বওলী হাদীস: কোন বিষয়ে রাসুলুল্লাহ () যা বলেছেন, অর্থাৎ যে হাদীসে তাঁর কোন কথা বিবৃত হয়েছে তাকে ক্বওলী (বাণী সম্পর্কিত) হাদীস বলা হয়।

২। ফেলী হাদীস: মহানাবী ()-এর কাজকর্ম, চরিত্র ও আচার-আচরণের ভেতর দিয়েই ইসলামের যাবতীয় বিধি-বিধান ও রীতিনীতি পরিস্ফুট হয়েছে। অতএব যে হাদীসে তাঁর কোন কাজের বিবরণ উল্লেখিত হয়েছে তাকে ফে’লী (কর্ম সম্পর্কিত) হাদীস বলা হয়।

৩। তাকরীরী হাদীস: সাহাবীগণের যে সব কথা বা কাজ নাবী কারীম ()-এর অনুমোদন ও সমর্থন প্রাপ্ত হয়েছে, সে ধরনের কোন কথা বা কাজের বিবরণ হতেও শরীয়াতের দৃষ্টিভঙ্গি জানা যায়। অতএব যে হাদীসে এ ধরনের কোন ঘটনার বা কাজের উল্লেখ পাওয়া যায় তাকে তাকরীরী (সমর্থন মূলক) হাদীস বলে।

সুন্নাহ (السنة): হাদীসের অপর নাম সুন্নাহ্ (السنة) সুন্নাত শব্দের অর্থ চলার পথ, কর্মের নীতি ও পদ্ধতি। যে পন্থা ও রীতি নাবী কারীম () অবলম্বন করতেন তাকে সুন্নাত বলা হয়। অন্য কথায় রাসুলুল্লাহ () প্রচারিত উচ্চতম আদর্শই সুন্নাত। কুরআন মাজিদে মহত্তম ও সুন্দরতম আদর্শ (أُسْوَةٌ حَسَنَةٌ) বলতে এই সুন্নাতকেই বুঝানো হয়েছে।

খবর (خبر): হাদীসকে আরবী ভাষায় খবরও (خبر) বলা হয়। তবে খবর শব্দটি হাদীস ও ইতিহাস উভয়টিকেই বুঝায়।

আসার (أثر ): আসার শব্দটিও কখনও কখনও রাসুলুল্লাহ () এর হাদীসকে নির্দেশ করে। কিন্তু অনেকেই হাদীস ও আসার এর মধ্যে কিছু পার্থক্য করে থাকেন। তাঁদের মতে- সাহাবীগণ থেকে শরীয়াত সম্পর্কে যা কিছু উদ্ধৃত হয়েছে তাকে আসার বলে।

 

ইলমে হাদীসের কতিপয় পরিভাষা

সাহাবী (صحابى):  যিনি ঈমানের সঙ্গে রাসুলুল্লাহ () এর সাহচর্য লাভ করেছেন এবং ঈমানের সঙ্গে মৃত্যুবরণ করেছেন তাঁকে রাসুলুল্লাহ ()-এর সাহাবী বলা হয়।

তাবেঈ (تابعى) : যিনি রাসুলুল্লাহ ()-এর কোন সাহাবীর নিকট হাদীস শিক্ষা করেছেন অথবা অন্ততপক্ষে তাঁকে দেখেছেন এবং মুসলমান হিসেবে মৃত্যুবরণ করেছেন তাঁকে তাবেঈ বলা হয়।

তাবে-তাবেঈ (تابعى تابع) : যিনি  কোন তাবেঈ এর নিকট হাদীস শিক্ষা করেছেন অথবা অন্ততপক্ষে তাঁকে দেখেছেন এবং মুসলমান হিসেবে মৃত্যুবরণ করেছেন তাঁকে তাবে-তাবেঈ বলা হয়।

মুহাদ্দিস (محدث) : যিনি হাদীস চর্চা করেন এবং বহু সংখ্যক হাদীসের সনদ ও মতন সম্পর্কে বিশেষ জ্ঞান রাখেন তাঁকে মুহাদ্দিস বলা হয়।

শাইখ (شيخ) : হাদীসের শিক্ষাদাতা রাবীকে শায়খ বলা হয়।

শাইখান (شيخان) : সাহাবীগনের মধ্যে আবূ বকর (রাঃ) ও উমর  (রাঃ)- কে একত্রে শাইখান বলা হয়। কিন্তু হাদীস শাস্ত্রে ইমাম বুখারী (রাহি.) ও ইমাম মুসলিম (রাহি.)-কে এবং ফিক্বহ-এর পরিভাষায় ইমাম আবূ হানীফা (রাহি.) ও আবূ ইউসুফ (রাহি.)-কে একত্রে শাইখান বলা হয়। 

হাফিয (حافظ) : যিনি সনদ ও মতনের বৃত্তান্ত সহ এক লাখ হাদীস আয়ত্ত করেছেন তাঁকে হাফিয বলা হয়।

হুজ্জাত (حجة) : অনুরূপভাবে যিনি তিন লক্ষ হাদীস আয়ত্ত করেছেন তাঁকে হুজ্জাত বলা হয়।  

হাকিম (حاكم) : যিনি সব হাদীস আয়ত্ত করেছেন তাকে হাকিম বলা হয়।

রিজাল (رجال) : হাদীসের রাবী সমষ্টিকে রিজাল বলে। যে শাস্ত্রে রাবীগণের জীবনী বর্ণনা করা হয়েছে তাকে আসমাউর-রিজাল বলা হয়।                                                                                 

রিওয়ায়াত (رواية): হাদীস বর্ণনা করাকে রিওয়ায়াত বলে। কখনও কখনও মূল হাদীসকেও রিওয়ায়াত বলা হয়। যেমন- এই কথার সমর্থনে একটি রিওয়ায়াত (হাদীস) আছে।                           

সনদ (سند): হাদীসের মূল কথাটুকু যে সূত্র পরম্পরায় গ্রন্থ সংকলনকারী পর্যন্ত পৌঁছেছে তাকে সনদ বলা হয়। এতে হাদীস বর্ণনাকারীদের নাম একের পর এক সজ্জিত থাকে।

মতন (متن): হাদীসে মূল কথা ও তার শব্দ সমষ্টিকে মতন বলে।

মারফূ (مرفوع): যে হাদীসের সনদ (বর্ণনা পরম্পরা) রাসুলুল্লাহ () পর্যন্ত পৌঁছেছে  তাকে মারফূ হাদীস বলে।

মাওকূফ (موقوف) : যে হাদীসের বর্ণনা- সূত্র ঊর্ধ্ব দিকে সাহাবী পর্যন্ত পৌঁছেছে , অর্থাৎ যে সনদ -সূত্রে কোন সাহাবীর কথা বা কাজ বা অনুমোদন বর্ণিত হয়েছে তাকে মাওকূফ হাদীস বলে। এর অপর নাম আসার।

মাকতূ (مقطوع): যে হাদীসের সনদ কোন তাবেঈ পর্যন্ত পৌঁছেছে, তাকে মাকতূ হাদীস বলা হয়।

তালীক (تعليق): কোন কোন গ্রন্থকার হাদীসের পূর্ণ সনদ বাদ দিয়ে কেবল মূল হাদীস বর্ণনা করেছেন। এরূপ করাকে তা’লীক বলা হয়।

মুদাল্লাস (مدلس): যে হাদীসের রাবী নিজের প্রকৃত শাইখের (উস্তাদের) নাম উল্লেখ না করে তার উপরস্থ শাইখের নামে এভাবে হাদীস বর্ণনা করেছেন যাতে মনে হয় যে, তিনি নিজেই উপরস্থ শাইখের নিকট তা শুনেছেন অথচ তিনি তাঁর নিকট সেই হাদীস শুনেন নি- সে হাদীসকে মুদাল্লাস হাদীস এবং এইরূপ করাকে ‘তাদ্লীস’ আর যিনি এইরূপ করেন তাকে মুদালস্নীস বলা হয়।

মুযতারাব (مضطرب): যে হাদীসের রাবী হাদীসের মতন ও সনদকে বিভিন্ন প্রকারে বর্ণনা করেছেন সে হাদীসকে হাদীসে মুযতারাব বলা হয়। যে পর্যন্ত না এর কোনরূপ সমন্বয় সাধন সম্ভবপর হয়, সে পর্যন্ত এই হাদীসের ব্যাপারে অপেক্ষা করতে হবে অর্থাৎ এই ধরনের রিওয়ায়াত প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না।

মুদ্রাজ (مدرج): যে হাদীসের মধ্যে রাবী নিজের অথবা অপরের উক্তিকে অনুপ্রবেশ করিয়েছেন, সে হাদীসকে মুদ্রাজ এবং এইরূপ করাকে ‘ইদরাজ’ বলা হয়।

মুত্তাসিল (متصل): যে হাদীসের সনদের ধারাবাহিকতা প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত পূর্ণরূপে রক্ষক্ষত আছে, কোন সত্মরেই কোন রাবীর নাম বাদ পড়ে নি তাকে মুত্তাসিল হাদীস বলে।

মুনকাতি (منقطع): যে হাদীসের সনদে ধারাবাহিকতা রক্ষিত হয় নি, মাঝখানে কোন এক স্তরে কোন রাবীর নাম বাদ পড়েছে, তাকে মুনকাতি হাদীস, আর এই বাদ পড়াকে ইনকিতা বলা হয়।

মুরসাল (مرسل): যে হাদীসের সনদে ইনকিতা শেষের দিকে হয়েছে, অর্থাৎ সাহাবীর নাম বাদ পড়েছে এবং তাবেঈ সরাসরি রাসুলুল্লাহ () এর উল্লেখ করে হাদীস বর্ণনা করেছেন তাকে মুরসাল হাদীস বলা হয়।

মুআল্লাক ( معلق ) : সনদের ইনকিতা প্রথম দিকে  হলে, অর্থাৎ সাহাবীর পর এক বা একাধিক রাবীর নাম বাদ পড়লে তাকে মু’আল্লাক হাদীস বলা হয়।

মুদাল (معضل): যে হাদীসে দুই বা ততোধিক রাবী ক্রমান্বয়ে সনদ থেকে বাদ পড়েছে তাকে মু‘দাল হাদীস বলে।

মুতাবি ও শাহিদ (متابع و شاهد): এক রাবীর হাদীসের অনুরূপ যদি অপর রাবীর কোন হাদীস পাওয়া যায় তবে দ্বিতীয় রাবীর হাদীসকে প্রথম রাবীর হাদীসের মুতাবি বলা হয়। যদি উভয় হাদীসের মূল রাবী অর্থাৎ সাহাবী একই ব্যক্তি না হয় তবে দ্বিতীয় ব্যক্তির হাদীসকে শাহিদ বলে। আর এইরূপ হওয়াকে শাহাদাত বলে। মুতাবা’আত ও শাহাদাত দ্বারা প্রথম হাদীসটির শক্তি বৃদ্ধি পায়।

মারূফ ও মুনকার (معروف و منكر): কোন দুর্বল রাবীর বর্ণিত হাদীস অপর কোন মাকবূল (গ্রহণযোগ্য) রাবীর বর্ণিত হাদীসের বিরোধী হলে তাকে মুনকার বলা হয় এবং মাকবূল রাবীর হাদীসকে মা‘রূফ বলা হয়।

সহীহ (صحيح) : যে মুত্তাসিল হাদীসের সনদে উল্লেখিত প্রত্যেক রাবীই পূর্ণ আদালত ও যাবত (ধারণ ক্ষমতা) গুণ সম্পন্ন এবং হাদীসটি যাবতীয় দোষত্রুটি ও শায মুক্ত তাকে সহীহ হাদীস বলে।

হাসান (حسن) : যে হাদীসের মধ্যে রাবীর যাবত (ধারণ ক্ষমতা) এর গুণ ব্যতীত সহীহ হাদীসের সমস্ত শর্তই পরিপূর্ণ রয়েছে তাকে হাসান হাদীস বলা হয়। ফক্বীহগণ সাধারণত সহীহ ও হাসান হাদীসের ভিত্তিতে শরীয়াতের বিধান নির্ধারণ  করেন।

যঈফ (ضعيف ) : যে হাদীসের রাবী কোন হাসান হাদীসের রাবীর গুণসম্পন্ন নন তাকে যঈফ হাদীস বলে।

মাওযূ ( موضوع ) : যে হাদীসের রাবী জীবনে কখনও ইচ্ছাকৃতভাবে রাসুলুল্লাহ ()-এর নামে মিথ্যা কথা রটনা করেছেন বলে প্রমাণিত হয়েছে, তার বর্ণিত হাদীসকে মাওযূ‘ হাদীস বলে।

 

রাবীর সংখ্যা বিচারে হাদীস প্রধানত দুপ্রকার। যথা: ১. মুতওয়াতির (متواتر) ও ২. আহাদ (أحاد)

১. মুতওয়াতির (متواتر): বৃহৎ সংখ্যক রাবীর বর্ণিত হাদীস, মিথ্যার ব্যাপারে যাদের উপর একাট্টা হওয়া অসম্ভব, সনদের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত এ সংখ্যা বিদ্যমান থাকলে হাদীসকে মুতওয়াতির (متواتر) বলা হয়।

২. আহাদ (أحاد): أحاد তিন প্রকার। যথা:

মাশহুর (مشهور): যে কোন স্তরে হাদীস বর্ণনা কারীর সংখ্যা যদি দুই এর অধিক হয়, কিন্তু মুতওয়াতির এর পর্যায়ে পৌঁছে না তাকে মাশহুর (مشهور) বলে।

আযীয (عزيز): যে কোন স্তরে হাদীস বর্ণনা কারীর সংখ্যা যদি দু‘জন হয় ।

গরীব (غريب): যে কোন স্তরে হাদীস বর্ণনা কারীর সংখ্যা যদি এক জন হয় ।

শায (شاذ): একাধিক নির্ভরযোগ্য রাবীর বিপরীত একজন নির্ভরযোগ্য রাবীর বর্ণনাকে শায হাদীস বলে।

 কিয়াস (قياس): অর্থ অনুমান, পরিমাপ, তুলনা ইত্যাদি। পরিভাষায়: শাখাকে মূলের সঙ্গে তুলনা করা, যার ফলে শাখা ও মূল একই হুকুমের অমত্মর্ভুক্ত হয়ে যায়।

তাক্বলীদ (تقليد): দলীল উল্লেখ ছাড়াই কোন ব্যক্তির মতামতকে গ্রহণ করা।

ইজতিহাদ (اجتهاد): উদ্দিষ্ট জ্ঞান অর্জনের প্রচেষ্টা চালানোকে ইজতিহাদ বলে।

শরীয়াত (شريعة): অর্থ: আইন, বিধান, পথ, পন্থা ইত্যাদি। পরিভাষায়: মহান আল্লাহ্‌ স্বীয় দীন হতে বান্দার জন্য যা বিধিবদ্ধ করে দিয়েছেন তাকে শরীয়াত বলে।

মাযহাব (مذهب): অর্থ- মত, পথ, মতবাদ ইত্যাদি। ফিক্বহী পরিভাষায়: ইবাদাত ও মু‘আমালাতের ক্ষেত্রে শারঈ হুকুম পালনের জন্য বান্দা যে পথ অনুসরণ করে এবং প্রত্যেক দলের জন্য একজন ইমামের উপর অথবা ইমামের ওসীয়ত কিংবা ইমামের প্রতিনিধির উপর নির্ভর করে তাকে মাযহাব বলে।

নাযর (نذر): কোন বিষয়ে উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য চিন্তা-ভাবনা করাকে নাযর বলে।

আম (عام): সীমাবদ্ধ করা ছাড়াই যা দুই বা ততোধিক বিষয়কে অন্তর্ভুক্ত করে তাকে আম বলে।

খাস (خاص): আম এর বিপরীত, যা নির্দিষ্ট বিষয়কে অন্তর্ভুক্ত করে।

ইজমা (اجماع): কোন এক যুগে আলিমদের কোন শারঈ বিষয়ের উপর এক মত পোষণ করাকে ইজমা বলে।

মুসনাদ (مسند): যার সনদগুলো পরস্পর এমনভাবে মিলিত যে, প্রত্যেকের বর্ণনা সুস্পষ্ট।

ফিক্বহ (فقه): ইজতিহাদ বা গবেষণার পদ্ধতিতে শারঈ হুকুম সম্পর্কে জানার বিধানকে ফিক্বহ বলে।

আসল বা মূল (اصل): এমন প্রথম বিষয়, যার উপর ভিত্তি করে কোন কিছু গড়ে উঠে। যেমন- দেয়ালের ভিত্তি।

ফারা বা শাখা (فرع): আসলের বিপরীত যা কোন ভিত্তির উপর গড়ে উঠে।

ওয়াজিব (واجب): যা আমল করলে সাওয়াব পাওয়া যাবে আর পরিত্যাগ করলে শাস্তি পাওয়া যাবে।

মানদূব (مندوب): যা আমল করলে সাওয়াব পাওয়া যাবে আর পরিত্যাগ করলে শাস্তি হবে না।

মাহযূর (محظور): যা পরিত্যাগ করলে সাওয়াব পাওয়া যাবে আর আমল করলে শাস্তি পাওয়া যাবে।

মাকরূহ (مكروه): যা পরিত্যাগ করলে সাওয়াব পাওয়া যাবে আর আমল করলে শাস্তি হবে না।

ফাৎওয়া (فتوى): জিজ্ঞাসিত ব্যক্তির নিকট থেকে দলীল ভিত্তিক শারঈ হুকুম সুস্পষ্ট বর্ণনা করে নেয়াকে ফাৎওয়া বলে।

নাসিখ (ناسخ): পরিবর্তিত শারঈ দলীল যা পূববর্তী শারঈ হুকুমকে রহিত করে দেয় তাকে নাসিখ বলে।

মানসূখ (منسوخ): আর যে হুকুমটি রহিত হয়ে যায় সেটাই মানসূখ।

মুতলাক্ব (مطلق): যা প্রকৃতিগত দিক থেকে জাতির সকলকে অন্তর্ভুক্ত  করে কিন্তু অনির্দিষ্টভাবে একটি অর্থকে বুঝায়।

মুকাইয়্যাদ (مقيد): যা মুতলাক্বের বিপরীত অর্থাৎ জাতির সকলকে অন্তর্ভুক্ত  করে না। বরং নির্দিষ্ট একটি অর্থকে বুঝায়।

হাক্বীকাত (حقيقة): শব্দকে আসল অর্থে ব্যবহার করাকে হাক্বীকত বলে। যেমন- সিংহ শব্দটি এক প্রজাতির হিংস্র প্রাণীকে বুঝায়।

মাজায (مجاز): শব্দ যখন আসল অর্থকে অতিক্রম করে তার সাথে সাদৃশ্য রাখে এমন অর্থ প্রকাশ করে তখন তাকে মাজায বলে। যেমন- সাহসী লোককে সিংহের সাথে তুলনা করা।

হাদিসের পরিসংখ্যান

সর্বমোট হাদিস পাওয়া গেছেঃ [54] টি | অধ্যায়ঃ ৬/ নামাজের সময়সীমা
গ্রন্থঃ সূনান নাসাঈ | দেখানো হচ্ছে   [21]  থেকে  [30]  পর্যন্ত
প্রতি পাতাতে টি হাদিস

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সূনান নাসাঈ
অধ্যায়ঃ ৬/ নামাজের সময়সীমা
হাদিস নম্বরঃ ৫১৪ | 514 | ۵۱٤

পরিচ্ছদঃ ১১/ যে ব্যক্তি আসরের দু'রাকাআত পাবে।

৫১৪ মুহাম্মদ ইবনু আব্দুল আ’লা (রহঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ) সুত্রে নাবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামথেকে বর্ণিত। তিনি বলেন: যে ব্যাক্তি সূর্যাস্তের পূর্বে আসরের সালাতের দুই রাক’আত পেল, অথবা সূর্যোদয়ের পূর্বে ফজরের সালাতের এক রাক’আত পেল, সে সালাত পেয়ে গেল।

সহিহ, ইবনু মাজাহ হাঃ ৬৯৯, বুখারি হাঃ ৫৭৯, তবে এতে এক রাকআতের কথা উল্লেখ আছে এবং এটই সঠিক। মুসলিম (ইসলামিক সেন্টার) হাঃ ১২৬২



হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

It was narrated from Abu Hurairah, may Allah be pleased with him, that the Prophet (ﷺ) said:
"Whoever catches up with two Rak'ahs of 'Asr prayer before the sun sets, or one Rak'ah of the Subh prayer before the sun rises, has caught it.

Grade: Sahih

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الأَعْلَى، قَالَ حَدَّثَنَا مُعْتَمِرٌ، قَالَ سَمِعْتُ مَعْمَرًا، عَنِ ابْنِ طَاوُسٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، - رضى الله عنه - عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ مَنْ أَدْرَكَ رَكْعَتَيْنِ مِنْ صَلاَةِ الْعَصْرِ قَبْلَ أَنْ تَغْرُبَ الشَّمْسُ أَوْ رَكْعَةً مِنْ صَلاَةِ الصُّبْحِ قَبْلَ أَنْ تَطْلُعَ الشَّمْسُ فَقَدْ أَدْرَكَ ‏"‏ ‏.‏

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সূনান নাসাঈ
অধ্যায়ঃ ৬/ নামাজের সময়সীমা
হাদিস নম্বরঃ ৫১৫ | 515 | ۵۱۵

পরিচ্ছদঃ ১১/ যে ব্যক্তি আসরের দু'রাকাআত পাবে।

৫১৫  মুহাম্মদ ইবনু আব্দুল আ’লা (রহঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ) সুত্রে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামথেকে বর্ণিত। তিনি বলেন: যে ব্যাক্তি সূর্যাস্তের পূর্বে আসরের সালাতের এক রাক’আত পেল, অথবা সূর্যোদয়ের পূর্বে ফজরের এক রাক’আত পেল, সে সালাত পেল।

সহিহ, বুখারি ও মুসলিম, দেখুন পূর্বের হাদিস



হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

It was narrated from Abu Hurairah that the Prophet (ﷺ) said:
"Whoever catches up with one Rak'ah of 'Asr prayer before the sun sets, or catches up with one Rak'ah of Fajr before the sun rises, has caught it."

Grade: Sahih

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الأَعْلَى، قَالَ حَدَّثَنَا مُعْتَمِرٌ، قَالَ سَمِعْتُ مَعْمَرًا، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ مَنْ أَدْرَكَ رَكْعَةً مِنْ صَلاَةِ الْعَصْرِ قَبْلَ أَنْ تَغِيبَ الشَّمْسُ أَوْ أَدْرَكَ رَكْعَةً مِنَ الْفَجْرِ قَبْلَ طُلُوعِ الشَّمْسِ فَقَدْ أَدْرَكَ ‏"‏ ‏.‏

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সূনান নাসাঈ
অধ্যায়ঃ ৬/ নামাজের সময়সীমা
হাদিস নম্বরঃ ৫১৬ | 516 | ۵۱٦

পরিচ্ছদঃ ১১/ যে ব্যক্তি আসরের দু'রাকাআত পাবে।

৫১৬ আমর ইবনু মানসুর (রহঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ) সুত্রে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামথেকে বর্ণিত। তিনি বলেন: যখন তোমাদের কেউ সূর্যাস্তের পূর্বে আসরের সালাতের প্রথম সিজদা পায়, সে যেন তার বাকী সালাত সম্পূর্ণ করে। এবং যখন কেউ সূর্যোদয়ের পূর্বে ফজরের সালাতের প্রথম সিজদা পায়, সে যেন তার বাকী সালাত সম্পূর্ণ করে।

সহিহ, ইরউয়াউল গালীল ১/২৭৪-২৭৫, বুখারি হাঃ ৫৫৬



হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

It was narrated from Abu Hurairah that the Prophet (ﷺ) said:
"If any one of you catches the first prostration of 'Asr prayer before the sun sets, let him complete his prayer, and if he catches up with the first prostration of Fajr prayer before the sub rises, let him complete his prayer."

Grade: Sahih

أَخْبَرَنَا عَمْرُو بْنُ مَنْصُورٍ، قَالَ حَدَّثَنَا الْفَضْلُ بْنُ دُكَيْنٍ، قَالَ حَدَّثَنَا شَيْبَانُ، عَنْ يَحْيَى، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ إِذَا أَدْرَكَ أَحَدُكُمْ أَوَّلَ سَجْدَةٍ مِنْ صَلاَةِ الْعَصْرِ قَبْلَ أَنْ تَغْرُبَ الشَّمْسُ فَلْيُتِمَّ صَلاَتَهُ وَإِذَا أَدْرَكَ أَوَّلَ سَجْدَةٍ مِنْ صَلاَةِ الصُّبْحِ قَبْلَ أَنْ تَطْلُعَ الشَّمْسُ فَلْيُتِمَّ صَلاَتَهُ ‏"‏ ‏.

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সূনান নাসাঈ
অধ্যায়ঃ ৬/ নামাজের সময়সীমা
হাদিস নম্বরঃ ৫১৭ | 517 | ۵۱۷

পরিচ্ছদঃ ১১/ যে ব্যক্তি আসরের দু'রাকাআত পাবে।

৫১৭ আমর ইবনু মানসুর (রহঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ) সুত্রে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামথেকে বর্ণিত। তিনি বলেন: যে ব্যক্তি সূর্য উদয়ের পূর্বে ফজরের নামাযের এক রাকাআত পেল, সে ফজরের নামায পেল এবং যে ব্যক্তি সূর্যাস্তের পূর্বে আসরের সালাতের  এক রাকাআত পেল সে আসরের নামায পেল।

সহিহ, ইরউয়াউল গালীল ১/ ২৭৩, বুখারি হা ৫৭৯, মুসলিম (ইসলামিক সেন্টার) হাঃ ১২৬২



হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

It was narrated from Abu Hurairah that the Messenger of Allah (ﷺ) said:
"Whoever catches up with a Rak'ah of the Subh prayer before the sun rises, then he has caught up with Subh, and whoever catches up with a Rak'ah of 'Asr prayer before the sun sets, then he has caught up with 'Asr."

Grade: Sahih

أَخْبَرَنَا قُتَيْبَةُ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ زَيْدِ بْنِ أَسْلَمَ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَسَارٍ، وَعَنْ بُسْرِ بْنِ سَعِيدٍ، وَعَنِ الأَعْرَجِ، يُحَدِّثُونَ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ مَنْ أَدْرَكَ رَكْعَةً مِنْ صَلاَةِ الصُّبْحِ قَبْلَ أَنْ تَطْلُعَ الشَّمْسُ فَقَدْ أَدْرَكَ الصُّبْحَ وَمَنْ أَدْرَكَ رَكْعَةً مِنَ الْعَصْرِ قَبْلَ أَنْ تَغْرُبَ الشَّمْسُ فَقَدْ أَدْرَكَ الْعَصْرَ ‏"‏ ‏.‏

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সূনান নাসাঈ
অধ্যায়ঃ ৬/ নামাজের সময়সীমা
হাদিস নম্বরঃ ৫১৮ | 518 | ۵۱۸

পরিচ্ছদঃ ১১/ যে ব্যক্তি আসরের দু'রাকাআত পাবে।

৫১৮ আবূ দাউদ (রহঃ) মু’আয (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি (একদা) মু’আয ইবনু আফরা (রাঃ)-এর সঙ্গে তওয়াফ করলেন; (তাওয়াফের পর) তিনি সালাত আদায় করলেন না। আমি বললাম, আপনি সালাত আদায় করলেন না? উত্তরে তিনি বললেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: আসরের পর সূর্যাস্ত পর্যন্ত কোন সালাত নেই এবং ফজরের সালাতের পর সূর্যোদয় পর্যন্ত কোনো সালাত নেই।

সানাদ য'ঈফ



হাদিসের মানঃ  যঈফ (Dai'f)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

It was narrated from Nasr bin 'Abdur-Rahman, from his grandfather Mu'adh, that he performed Tawaf with Mu'adh bin 'Afra' but he did not pray. "I said:
'Are you not going to pray?' He said: 'The Messenger of Allah (ﷺ) said: 'There is no prayer after 'Asr until the sun has set, nor after Subh until the sun has risen.'"

Grade: Dai'f

أَخْبَرَنَا أَبُو دَاوُدَ، قَالَ حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ عَامِرٍ، قَالَ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ سَعْدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ نَصْرِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ جَدِّهِ، مُعَاذٍ أَنَّهُ طَافَ مَعَ مُعَاذِ ابْنِ عَفْرَاءَ فَلَمْ يُصَلِّ فَقُلْتُ أَلاَ تُصَلِّي فَقَالَ إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ لاَ صَلاَةَ بَعْدَ الْعَصْرِ حَتَّى تَغِيبَ الشَّمْسُ وَلاَ بَعْدَ الصُّبْحِ حَتَّى تَطْلُعَ الشَّمْسُ ‏"‏ ‏.

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সূনান নাসাঈ
অধ্যায়ঃ ৬/ নামাজের সময়সীমা
হাদিস নম্বরঃ ৫১৯ | 519 | ۵۱۹

পরিচ্ছদঃ ১২/ মাগরিবের প্রথম ওয়াক্ত।

৫১৯। আমর ইবনু হিশাম (রহঃ) বুরায়দা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন: (একদা) এক ব্যাক্তি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এসে সালাতের ওয়াক্ত সমন্ধে জিজ্ঞাসা করল। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তুমি আমাদের সঙ্গে দুই দিন অবস্থান কর। তারপর তিনি বিলাল (রাঃ)-কে আদেশ করলেন, তিনি ফজরের ইকামত বললেন, রাসুলুল্লাহ  সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফজরের সালাত আদায় করলেন। পুনরায় যখন সুর্য ঢলে পড়ল, তাঁকে (ইকামতের জন্য)আদেশ করলেন, তারপর যোহরের সালাত আদায় করলেন। এরপরে যখন সুর্য শুভ্র করোজ্জ্বল দেখাচ্ছিল, তখন পুনরায় তাঁকে ইকামতের আদেশ করলেন এবং আসরের সালাত আদায় করলেন। তারপর যখন লালিমা অদৃশ্য হয়ে গেল, তখন তাকে ইকমাতের আদেশ করলেন এবং মাগরিবের নামায পড়লেন। তারপর যখন লালিমা অদৃশ্য হয়ে গেল, তখন তাঁকে ইকামতের আদেশ করলেন এবং ইশার সালাত আদায় করলেন (অর্থাত পাঁচ ওয়াক্তের সালাত প্রথম ওয়াক্তের আদায় করলেন )। পরদিন পুনরায় বিলাল (রাঃ)-কে আদেশ করলেন, এরপর ফজরের সালাত আলোকোজ্জ্বল প্রভাতে আদায় করলেন। পুনরায় যোহরের সালাত বেশ বিলম্ব করে আদায় করলেন। তারপর আসরের সালাত আলোকোজ্জ্বল সময় থেকে বিলম্ব করে আদায় করলেন। তারপর শফক অদৃশ্য হয়ে যাওয়ার পূর্বেই মাগরিবের সালাত আদায় করলেন। তারপর এক-তৃতীয়াংশ রাত্র অতিক্রান্ত হওয়ার পর তাঁকে ইশার ইকামত বলার আদেশ করলেন এবং ইশার সালাত আদায় করলেন। এরপর বললেনঃ সালাতের ওয়াক্ত সম্পর্কে জিজ্ঞাসাকারী কোথায়? তোমরা যা দেখলে, তার মধ্যখানেই তোমাদের সালাতের সময়।

সহিহ, ইবনু মাজাহ হাঃ ৬৬৭, মুসলিম (ইসলামিক সেন্টার) হাঃ ১২৭৮, ১২৭৯



হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

It was narrated from Sulaiman bin Buraidah that his father said:
"A man came to the Messenger of Allah (ﷺ) and asked him about the times of prayer. He said: 'Stay with us for these two days.' Then he told Bilal to say the Iqamah at dawn and he prayed Fajr. Then he told him to do that when the sun had passed its zenith and he prayed Zuhr. Then he told him to do that when the sun was still bright, and he said the Iqamah for 'Asr. Then he told him to do that when the last part of the sun had dissapeared, and he said the Iqamah for Maghrib. Then he told him to do that when the twilight had disappeared and he said the Iqamah for 'Isha'. The following day, he prayed Fajr when there was light, then he delayed Zuhr until it was cooler, and waited until it was much cooler before praying 'Asr but the sun was still clear, so he prayed 'Asr later than on the first day. Then he prayed Maghrib before the twilight disappeared. Then he told him to say the Iqamah for 'Isha' when one-third of the night had passed, and he prayed, then he said: 'Where is the one who was asking about the times of prayer? The times of your prayer are between the times you have seen.'"

Grade: Sahih

أَخْبَرَنِي عَمْرُو بْنُ هِشَامٍ، قَالَ حَدَّثَنَا مَخْلَدُ بْنُ يَزِيدَ، عَنْ سُفْيَانَ الثَّوْرِيِّ، عَنْ عَلْقَمَةَ بْنِ مَرْثَدٍ، عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ بُرَيْدَةَ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ جَاءَ رَجُلٌ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَسَأَلَهُ عَنْ وَقْتِ الصَّلاَةِ فَقَالَ ‏"‏ أَقِمْ مَعَنَا هَذَيْنِ الْيَوْمَيْنِ ‏"‏ ‏.‏ فَأَمَرَ بِلاَلاً فَأَقَامَ عِنْدَ الْفَجْرِ فَصَلَّى الْفَجْرَ ثُمَّ أَمَرَهُ حِينَ زَالَتِ الشَّمْسُ فَصَلَّى الظُّهْرَ ثُمَّ أَمَرَهُ حِينَ رَأَى الشَّمْسَ بَيْضَاءَ فَأَقَامَ الْعَصْرَ ثُمَّ أَمَرَهُ حِينَ وَقَعَ حَاجِبُ الشَّمْسِ فَأَقَامَ الْمَغْرِبَ ثُمَّ أَمَرَهُ حِينَ غَابَ الشَّفَقُ فَأَقَامَ الْعِشَاءَ ثُمَّ أَمَرَهُ مِنَ الْغَدِ فَنَوَّرَ بِالْفَجْرِ ثُمَّ أَبْرَدَ بِالظُّهْرِ وَأَنْعَمَ أَنْ يُبْرِدَ ثُمَّ صَلَّى الْعَصْرَ وَالشَّمْسُ بَيْضَاءُ وَأَخَّرَ عَنْ ذَلِكَ ثُمَّ صَلَّى الْمَغْرِبَ قَبْلَ أَنْ يَغِيبَ الشَّفَقُ ثُمَّ أَمَرَهُ فَأَقَامَ الْعِشَاءَ حِينَ ذَهَبَ ثُلُثُ اللَّيْلِ فَصَلاَّهَا ثُمَّ قَالَ ‏"‏ أَيْنَ السَّائِلُ عَنْ وَقْتِ الصَّلاَةِ وَقْتُ صَلاَتِكُمْ مَا بَيْنَ مَا رَأَيْتُمْ ‏"‏ ‏.‏

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সূনান নাসাঈ
অধ্যায়ঃ ৬/ নামাজের সময়সীমা
হাদিস নম্বরঃ ৫২০ | 520 | ۵۲۰

পরিচ্ছদঃ ১৩/ মাগরিবের নামায তাড়াতাড়ি আদায় করা।

৫২০ মুহাম্মদ ইবনু বাশশার (রহঃ) আবূ বিশর (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন: আমি হাসসান ইবনু বিলাল (রাঃ)-কে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামএর সহচরদের মধ্য থেকে আসলাম জনৈক ব্যাক্তি থেকে বর্ণনা করতে শুনেছি যে, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামএর সাহাবীগণ তাঁর সঙ্গে মাগরিবের সালাত আদায় করতেন। তারপর মদিনার প্রান্তরে নিজ নিজ পরিবার-পরিজনের নিকট ফিরে যেতেন। এমতবস্থায় তারা তীর নিক্ষেপ করতেন এবং তারা তীর পতনের স্থান দেখতে পেতেন। (অর্থাত রাত্র অন্ধকার হওয়ার পূর্বেই মাগরিবের সালাত আদায় করতেন )।

সহিহ, বুখারি হাঃ রাফি ইবনু খাদীজ হতে হাঃ ৫৫৯, মুসলিম (ইসলামিক সেন্টার) হাঃ ১৩২৬



হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

It was narrated from a man of Aslam, who was one of the Companions of the Prophet (ﷺ), that they used to pray Maghrib with the Prophet (ﷺ),then they would go back to their families in the furthest part of Al-Madinah, shooting arrows and seeing where they landed. [1] [1] Because it was still bright enough.

Grade: Sahih

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، قَالَ حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ، قَالَ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ أَبِي بِشْرٍ، قَالَ سَمِعْتُ حَسَّانَ بْنَ بِلاَلٍ، عَنْ رَجُلٍ، مِنْ أَسْلَمَ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم أَنَّهُمْ كَانُوا يُصَلُّونَ مَعَ نَبِيِّ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم الْمَغْرِبَ ثُمَّ يَرْجِعُونَ إِلَى أَهَالِيهِمْ إِلَى أَقْصَى الْمَدِينَةِ يَرْمُونَ وَيُبْصِرُونَ مَوَاقِعَ سِهَامِهِمْ ‏.‏

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সূনান নাসাঈ
অধ্যায়ঃ ৬/ নামাজের সময়সীমা
হাদিস নম্বরঃ ৫২১ | 521 | ۵۲۱

পরিচ্ছদঃ ১৪/ মাগরিবের নামায বিলম্বে পড়া।

৫২১ কুতায়বা (রহঃ) আবূ বাসরা গিফারী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন: (একদা)রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম‘মুখাম্মাস’ নামক স্থানে আমাদের নিয়ে আসরের সালাত আদায় করলেন। (এবং) বললেন : এই সালাত তোমাদের পূর্ববর্তী উম্মতগনের নিকট পেশ করা হয়েছিল। কিন্তু তারা এর মর্যাদা রক্ষা করেনি। যে ব্যাক্তি উক্ত সালাত যথাযথ আদায় করবে, সে দ্বিগুন ছওয়াব পাবে। তারপর (আসর) শাহিদ উদয়ের পূর্ব পর্যন্ত আর কোন সালাত নেই। শাহিদ (অর্থ) তারকারাজি।

সহিহ, মুসলিম (ইসলামিক সেন্টার) হাঃ ১৮০৪



হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

It was narrated that Abu Basrah Al-Ghifari said:
"The Messenger of Allah (ﷺ) led us in praying 'Asr in Al-Mukhammas. He said: 'This prayer was enjoined upon those who came before you, but they neglected it. Whoever prays it regularly will have a two-fold reward, and there is no prayer after it until the Shahid appears." And the Shahid is "the star." [1] [1] This is a statement of one of the narrators, and Allah knows best.

Grade: Sahih

أَخْبَرَنَا قُتَيْبَةُ، قَالَ حَدَّثَنَا اللَّيْثُ، عَنْ خَيْرِ بْنِ نُعَيْمٍ الْحَضْرَمِيِّ، عَنِ ابْنِ هُبَيْرَةَ، عَنْ أَبِي تَمِيمٍ الْجَيْشَانِيِّ، عَنْ أَبِي بَصْرَةَ الْغِفَارِيِّ، قَالَ صَلَّى بِنَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم الْعَصْرَ بِالْمُخَمَّصِ قَالَ ‏ "‏ إِنَّ هَذِهِ الصَّلاَةَ عُرِضَتْ عَلَى مَنْ كَانَ قَبْلَكُمْ فَضَيَّعُوهَا وَمَنْ حَافَظَ عَلَيْهَا كَانَ لَهُ أَجْرُهُ مَرَّتَيْنِ وَلاَ صَلاَةَ بَعْدَهَا حَتَّى يَطْلُعَ الشَّاهِدُ ‏"‏ ‏.‏ وَالشَّاهِدُ النَّجْمُ ‏.‏

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সূনান নাসাঈ
অধ্যায়ঃ ৬/ নামাজের সময়সীমা
হাদিস নম্বরঃ ৫২২ | 522 | ۵۲۲

পরিচ্ছদঃ ১৫/ মাগরিবের শেষ সময়।

৫২২ আমর ইবনু আলী (রহঃ) আবদুল্লাহ ইবনু আমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত। শু’বা (রহঃ) বলেন: কাতাদা (রাঃ) এই হাদিস কখন ও রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামথেকে মারফু’ রূপে বর্ণনা করেন, কখন ও এরূপ বর্ণনা করেন না। তিনি (‘আবদুল্লাহ ইবনু আমর (রাঃ)বলেন : যোহরের শেষ সময় যতক্ষণ পর্যন্ত আসর উপস্থিত না হয়, আর আসরের সময় যতক্ষণ পর্যন্ত সুর্য হলুদ বর্ণ না হয় এবং মাগরিবের শেষ সময় যতক্ষণ পর্যন্ত শফক অদৃশ্য না হয়। ইশার শেষ সময় অর্ধ রাত্রের পূর্ব পর্যন্ত এবং ফজরের শেষ সময় সূর্যোদয়ের পূর্ব পর্যন্ত।

সহিহ, সহিহ আবু দাউদ হাঃ ৪২৪, মুসলিম (ইসলামিক সেন্টার) হাঃ ১২৭৩



হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

It was narrated from 'Abdullah bin 'Amr - and (one of the narrators) Shu'bah said:
"Sometimes he (Qatadah, his teacher) narrated it as a Marfu' report and sometimes he did not" - "The time for Zuhr prayer is until 'Asr comes, and the time for 'Asr prayer is until the sun turns yellow. the time for Maghrib is until the twilight disappears, and the time for 'Isha' is until the night is halfway through, and the time for Subh is until the sun rises."

Grade: Sahih

أَخْبَرَنَا عَمْرُو بْنُ عَلِيٍّ، قَالَ حَدَّثَنَا أَبُو دَاوُدَ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ قَتَادَةَ، قَالَ سَمِعْتُ أَبَا أَيُّوبَ الأَزْدِيَّ، يُحَدِّثُ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو، - قَالَ شُعْبَةُ كَانَ قَتَادَةُ يَرْفَعُهُ أَحْيَانًا وَأَحْيَانًا لاَ يَرْفَعُهُ - قَالَ ‏ "‏ وَقْتُ صَلاَةِ الظُّهْرِ مَا لَمْ تَحْضُرِ الْعَصْرُ وَوَقْتُ صَلاَةِ الْعَصْرِ مَا لَمْ تَصْفَرَّ الشَّمْسُ وَوَقْتُ الْمَغْرِبِ مَا لَمْ يَسْقُطْ ثَوْرُ الشَّفَقِ وَوَقْتُ الْعِشَاءِ مَا لَمْ يَنْتَصِفِ اللَّيْلُ وَوَقْتُ الصُّبْحِ مَا لَمْ تَطْلُعِ الشَّمْسُ ‏"‏ ‏.‏

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সূনান নাসাঈ
অধ্যায়ঃ ৬/ নামাজের সময়সীমা
হাদিস নম্বরঃ ৫২৩ | 523 | ۵۲۳

পরিচ্ছদঃ ১৫/ মাগরিবের শেষ সময়।

৫২৩ আবদা ইবনু আবদুল্লাহ ও আহমদ ইবনু সুলায়মান (রহঃ) আবূ মূসা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন: এক ব্যাক্তি নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামএর নিকট এসে সালাতের ওয়াক্ত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করল। তিনি কোন উত্তর না দিয়ে বিলাল (রাঃ)-কে সালাতের প্রস্তুতির জন্য আদেশ করলেন। প্রভাতের সময় বিলাল (রাঃ) ফজরের ইকামত বললেন। যখন সুর্য ঢলে পড়ল তখন তিনি বিলালকে নির্দেশ দিলেন এবং তিনি যোহরের ইকামত বললেন। ১ কেউ বলতো (এই মাত্র) দ্বিপ্রহর হল না কি? অথচ তিনি অবগত ছিলেন। পুনরায় আদেশ করলেন, অতঃপর সুর্য উর্ধাকাশে থাকতেই আসরের ইকামত বললেন। পুনরায় আদেশ করলেন এবং সুর্য অস্ত যাওয়ার পরই মাগরিবের ইকামত বললেন। এরপর শফক অদৃশ্য হয়ে যাওয়ার পর ইশার সালাতের ইকামত বললেন। পরদিন ফজরের সালাত এত বিলম্বে আদায় করলেন যে, সালাত শেষে প্রত্যাবর্তনের সময় কেউ (সন্দেহ করে) বললো, সূর্যোদয় হয়ে গেছে। ২ পড়ে যোহরের সালাতকে এত বিলম্বে আদায় করলেন যে, গতকালের আসরের সময়ের নিকটবর্তী হয়ে গিয়েছিল। আসরের সালাতকে এত বিলম্বে আদায় করলেন যে, প্রত্যাবর্তনের সময় (সন্দিহান হয়ে)কেউ বললো, সুর্য রক্তিম বর্ণ হয়ে গেছে। পুনরায় মাগরিবের সালাতকে এত বিলম্বে করে আদায় করলেন যে, শফক অদৃশ্য হওয়ার উপক্রম হয়ে গিয়েছিলো। তিনি ইশার সালাতকে রাতের এক-তৃতীয়াংশ পর্যন্ত বিলম্ব করে আদায় করলেন। পুনরায় বললেন, এই দুই দিনের দুই ধরনের ওয়াক্তের মধ্যখানেই সালাতের ওয়াক্ত।

সহিহ, সহিহ আবু দাউদ হাঃ ৪২১, মুসলিম (ইসলামিক সেন্টার) হাঃ ১২৮০



হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

Abu Bakr bin Abi Musa narrated that his father said:
"A man came to the Prophet (ﷺ) asking him about the times of prayer, and he did not answer him. He told Bilal to say the Iqamah at dawn broke, then he told him to say the Iqamah for Zuhr when the sun had passed its zenith and a person would say: 'It is the middle of the day,' but he (the Prophet (ﷺ)) knew better. Then he told him to say the Iqamah for 'Asr when the sun was still high. Then he told him to say the Iqamah for Maghrib when the sun had set. Then he told him to say the Iqamah for 'Isha' when the twilight had dissapeared. Then the next day he told him to say the Iqamah for Fajr, at a time such that when after he had finished one would say: 'The sun has risen.' Then he delayed Zuhr until it was nearly the time of 'Asr compared to the day before. Then he delayed 'Asr, to a time such that when he finished one would say: 'The su has turned red.' Then he delayed Maghrib until the twilight was about to disappear. Then he delayed 'Isha' until one-third of the night had passed. Then he said: 'The time (for prayer) is between these times.'"

Grade: Sahih

أَخْبَرَنَا عَبْدَةُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، وَأَحْمَدُ بْنُ سُلَيْمَانَ، - وَاللَّفْظُ لَهُ - قَالاَ حَدَّثَنَا أَبُو دَاوُدَ، عَنْ بَدْرِ بْنِ عُثْمَانَ، قَالَ إِمْلاَءً عَلَىَّ حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي مُوسَى، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ أَتَى النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم سَائِلٌ يَسْأَلُهُ عَنْ مَوَاقِيتِ الصَّلاَةِ فَلَمْ يَرُدَّ عَلَيْهِ شَيْئًا فَأَمَرَ بِلاَلاً فَأَقَامَ بِالْفَجْرِ حِينَ انْشَقَّ ثُمَّ أَمَرَهُ فَأَقَامَ بِالظُّهْرِ حِينَ زَالَتِ الشَّمْسُ وَالْقَائِلُ يَقُولُ انْتَصَفَ النَّهَارُ وَهُوَ أَعْلَمُ ثُمَّ أَمَرَهُ فَأَقَامَ بِالْعَصْرِ وَالشَّمْسُ مُرْتَفِعَةٌ ثُمَّ أَمَرَهُ فَأَقَامَ بِالْمَغْرِبِ حِينَ غَرَبَتِ الشَّمْسُ ثُمَّ أَمَرَهُ فَأَقَامَ بِالْعِشَاءِ حِينَ غَابَ الشَّفَقُ ثُمَّ أَخَّرَ الْفَجْرَ مِنَ الْغَدِ حِينَ انْصَرَفَ وَالْقَائِلُ يَقُولُ طَلَعَتِ الشَّمْسُ ثُمَّ أَخَّرَ الظُّهْرَ إِلَى قَرِيبٍ مِنْ وَقْتِ الْعَصْرِ بِالأَمْسِ ثُمَّ أَخَّرَ الْعَصْرَ حَتَّى انْصَرَفَ وَالْقَائِلُ يَقُولُ احْمَرَّتِ الشَّمْسُ ثُمَّ أَخَّرَ الْمَغْرِبَ حَتَّى كَانَ عِنْدَ سُقُوطِ الشَّفَقِ ثُمَّ أَخَّرَ الْعِشَاءَ إِلَى ثُلُثِ اللَّيْلِ ثُمَّ قَالَ ‏ "‏ الْوَقْتُ فِيمَا بَيْنَ هَذَيْنِ ‏"‏ ‏.‏

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

হাদিস দেখানো হচ্ছে   [21]  থেকে  [30]  পর্যন্ত এবং সর্বমোট   [54]  টি হাদিস পাওয়া গেছে।