• ৫৬৪০৩ টি সর্বমোট হাদিস আছেঃ
  • ৫৭৫৬ টি প্রশ্নোত্তর ও ফিকাহঃ

 

 

 

 


হাদীস (حَدِيْث) এর শাব্দিক অর্থ: নতুন, প্রাচীন ও পুরাতন এর বিপরীত বিষয়। এ অর্থে যে সব কথা, কাজ ও বস্ত্ত পূর্বে ছিল না, এখন অস্তিত্ব লাভ করেছে  তাই হাদীস। এর আরেক অর্থ হলো: কথা। ফক্বীহগণের পরিভাষায় নাবী কারীম () আল্লাহ্‌র রাসূল হিসেবে যা কিছু বলেছেন, যা কিছু করেছেন এবং যা কিছু বলার বা করার অনুমতি দিয়েছেন অথবা সমর্থন জানিয়েছেন তাকে হাদীস বলা হয়। কিন্তু মুহাদ্দিসগণ এর সঙ্গে রাসুলুল্লাহ () সম্পর্কিত বর্ণনা ও তার গুণাবলী সম্পর্কিত বিবরণকেও হাদীসের অন্তর্ভুক্ত করেন। এ হিসেবে হাদীসকে প্রাথমিক পর্যায়ে তিন শ্রেণীতে ভাগ করা যায়:

১। ক্বওলী হাদীস: কোন বিষয়ে রাসুলুল্লাহ () যা বলেছেন, অর্থাৎ যে হাদীসে তাঁর কোন কথা বিবৃত হয়েছে তাকে ক্বওলী (বাণী সম্পর্কিত) হাদীস বলা হয়।

২। ফেলী হাদীস: মহানাবী ()-এর কাজকর্ম, চরিত্র ও আচার-আচরণের ভেতর দিয়েই ইসলামের যাবতীয় বিধি-বিধান ও রীতিনীতি পরিস্ফুট হয়েছে। অতএব যে হাদীসে তাঁর কোন কাজের বিবরণ উল্লেখিত হয়েছে তাকে ফে’লী (কর্ম সম্পর্কিত) হাদীস বলা হয়।

৩। তাকরীরী হাদীস: সাহাবীগণের যে সব কথা বা কাজ নাবী কারীম ()-এর অনুমোদন ও সমর্থন প্রাপ্ত হয়েছে, সে ধরনের কোন কথা বা কাজের বিবরণ হতেও শরীয়াতের দৃষ্টিভঙ্গি জানা যায়। অতএব যে হাদীসে এ ধরনের কোন ঘটনার বা কাজের উল্লেখ পাওয়া যায় তাকে তাকরীরী (সমর্থন মূলক) হাদীস বলে।

সুন্নাহ (السنة): হাদীসের অপর নাম সুন্নাহ্ (السنة) সুন্নাত শব্দের অর্থ চলার পথ, কর্মের নীতি ও পদ্ধতি। যে পন্থা ও রীতি নাবী কারীম () অবলম্বন করতেন তাকে সুন্নাত বলা হয়। অন্য কথায় রাসুলুল্লাহ () প্রচারিত উচ্চতম আদর্শই সুন্নাত। কুরআন মাজিদে মহত্তম ও সুন্দরতম আদর্শ (أُسْوَةٌ حَسَنَةٌ) বলতে এই সুন্নাতকেই বুঝানো হয়েছে।

খবর (خبر): হাদীসকে আরবী ভাষায় খবরও (خبر) বলা হয়। তবে খবর শব্দটি হাদীস ও ইতিহাস উভয়টিকেই বুঝায়।

আসার (أثر ): আসার শব্দটিও কখনও কখনও রাসুলুল্লাহ () এর হাদীসকে নির্দেশ করে। কিন্তু অনেকেই হাদীস ও আসার এর মধ্যে কিছু পার্থক্য করে থাকেন। তাঁদের মতে- সাহাবীগণ থেকে শরীয়াত সম্পর্কে যা কিছু উদ্ধৃত হয়েছে তাকে আসার বলে।

 

ইলমে হাদীসের কতিপয় পরিভাষা

সাহাবী (صحابى):  যিনি ঈমানের সঙ্গে রাসুলুল্লাহ () এর সাহচর্য লাভ করেছেন এবং ঈমানের সঙ্গে মৃত্যুবরণ করেছেন তাঁকে রাসুলুল্লাহ ()-এর সাহাবী বলা হয়।

তাবেঈ (تابعى) : যিনি রাসুলুল্লাহ ()-এর কোন সাহাবীর নিকট হাদীস শিক্ষা করেছেন অথবা অন্ততপক্ষে তাঁকে দেখেছেন এবং মুসলমান হিসেবে মৃত্যুবরণ করেছেন তাঁকে তাবেঈ বলা হয়।

তাবে-তাবেঈ (تابعى تابع) : যিনি  কোন তাবেঈ এর নিকট হাদীস শিক্ষা করেছেন অথবা অন্ততপক্ষে তাঁকে দেখেছেন এবং মুসলমান হিসেবে মৃত্যুবরণ করেছেন তাঁকে তাবে-তাবেঈ বলা হয়।

মুহাদ্দিস (محدث) : যিনি হাদীস চর্চা করেন এবং বহু সংখ্যক হাদীসের সনদ ও মতন সম্পর্কে বিশেষ জ্ঞান রাখেন তাঁকে মুহাদ্দিস বলা হয়।

শাইখ (شيخ) : হাদীসের শিক্ষাদাতা রাবীকে শায়খ বলা হয়।

শাইখান (شيخان) : সাহাবীগনের মধ্যে আবূ বকর (রাঃ) ও উমর  (রাঃ)- কে একত্রে শাইখান বলা হয়। কিন্তু হাদীস শাস্ত্রে ইমাম বুখারী (রাহি.) ও ইমাম মুসলিম (রাহি.)-কে এবং ফিক্বহ-এর পরিভাষায় ইমাম আবূ হানীফা (রাহি.) ও আবূ ইউসুফ (রাহি.)-কে একত্রে শাইখান বলা হয়। 

হাফিয (حافظ) : যিনি সনদ ও মতনের বৃত্তান্ত সহ এক লাখ হাদীস আয়ত্ত করেছেন তাঁকে হাফিয বলা হয়।

হুজ্জাত (حجة) : অনুরূপভাবে যিনি তিন লক্ষ হাদীস আয়ত্ত করেছেন তাঁকে হুজ্জাত বলা হয়।  

হাকিম (حاكم) : যিনি সব হাদীস আয়ত্ত করেছেন তাকে হাকিম বলা হয়।

রিজাল (رجال) : হাদীসের রাবী সমষ্টিকে রিজাল বলে। যে শাস্ত্রে রাবীগণের জীবনী বর্ণনা করা হয়েছে তাকে আসমাউর-রিজাল বলা হয়।                                                                                 

রিওয়ায়াত (رواية): হাদীস বর্ণনা করাকে রিওয়ায়াত বলে। কখনও কখনও মূল হাদীসকেও রিওয়ায়াত বলা হয়। যেমন- এই কথার সমর্থনে একটি রিওয়ায়াত (হাদীস) আছে।                           

সনদ (سند): হাদীসের মূল কথাটুকু যে সূত্র পরম্পরায় গ্রন্থ সংকলনকারী পর্যন্ত পৌঁছেছে তাকে সনদ বলা হয়। এতে হাদীস বর্ণনাকারীদের নাম একের পর এক সজ্জিত থাকে।

মতন (متن): হাদীসে মূল কথা ও তার শব্দ সমষ্টিকে মতন বলে।

মারফূ (مرفوع): যে হাদীসের সনদ (বর্ণনা পরম্পরা) রাসুলুল্লাহ () পর্যন্ত পৌঁছেছে  তাকে মারফূ হাদীস বলে।

মাওকূফ (موقوف) : যে হাদীসের বর্ণনা- সূত্র ঊর্ধ্ব দিকে সাহাবী পর্যন্ত পৌঁছেছে , অর্থাৎ যে সনদ -সূত্রে কোন সাহাবীর কথা বা কাজ বা অনুমোদন বর্ণিত হয়েছে তাকে মাওকূফ হাদীস বলে। এর অপর নাম আসার।

মাকতূ (مقطوع): যে হাদীসের সনদ কোন তাবেঈ পর্যন্ত পৌঁছেছে, তাকে মাকতূ হাদীস বলা হয়।

তালীক (تعليق): কোন কোন গ্রন্থকার হাদীসের পূর্ণ সনদ বাদ দিয়ে কেবল মূল হাদীস বর্ণনা করেছেন। এরূপ করাকে তা’লীক বলা হয়।

মুদাল্লাস (مدلس): যে হাদীসের রাবী নিজের প্রকৃত শাইখের (উস্তাদের) নাম উল্লেখ না করে তার উপরস্থ শাইখের নামে এভাবে হাদীস বর্ণনা করেছেন যাতে মনে হয় যে, তিনি নিজেই উপরস্থ শাইখের নিকট তা শুনেছেন অথচ তিনি তাঁর নিকট সেই হাদীস শুনেন নি- সে হাদীসকে মুদাল্লাস হাদীস এবং এইরূপ করাকে ‘তাদ্লীস’ আর যিনি এইরূপ করেন তাকে মুদালস্নীস বলা হয়।

মুযতারাব (مضطرب): যে হাদীসের রাবী হাদীসের মতন ও সনদকে বিভিন্ন প্রকারে বর্ণনা করেছেন সে হাদীসকে হাদীসে মুযতারাব বলা হয়। যে পর্যন্ত না এর কোনরূপ সমন্বয় সাধন সম্ভবপর হয়, সে পর্যন্ত এই হাদীসের ব্যাপারে অপেক্ষা করতে হবে অর্থাৎ এই ধরনের রিওয়ায়াত প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না।

মুদ্রাজ (مدرج): যে হাদীসের মধ্যে রাবী নিজের অথবা অপরের উক্তিকে অনুপ্রবেশ করিয়েছেন, সে হাদীসকে মুদ্রাজ এবং এইরূপ করাকে ‘ইদরাজ’ বলা হয়।

মুত্তাসিল (متصل): যে হাদীসের সনদের ধারাবাহিকতা প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত পূর্ণরূপে রক্ষক্ষত আছে, কোন সত্মরেই কোন রাবীর নাম বাদ পড়ে নি তাকে মুত্তাসিল হাদীস বলে।

মুনকাতি (منقطع): যে হাদীসের সনদে ধারাবাহিকতা রক্ষিত হয় নি, মাঝখানে কোন এক স্তরে কোন রাবীর নাম বাদ পড়েছে, তাকে মুনকাতি হাদীস, আর এই বাদ পড়াকে ইনকিতা বলা হয়।

মুরসাল (مرسل): যে হাদীসের সনদে ইনকিতা শেষের দিকে হয়েছে, অর্থাৎ সাহাবীর নাম বাদ পড়েছে এবং তাবেঈ সরাসরি রাসুলুল্লাহ () এর উল্লেখ করে হাদীস বর্ণনা করেছেন তাকে মুরসাল হাদীস বলা হয়।

মুআল্লাক ( معلق ) : সনদের ইনকিতা প্রথম দিকে  হলে, অর্থাৎ সাহাবীর পর এক বা একাধিক রাবীর নাম বাদ পড়লে তাকে মু’আল্লাক হাদীস বলা হয়।

মুদাল (معضل): যে হাদীসে দুই বা ততোধিক রাবী ক্রমান্বয়ে সনদ থেকে বাদ পড়েছে তাকে মু‘দাল হাদীস বলে।

মুতাবি ও শাহিদ (متابع و شاهد): এক রাবীর হাদীসের অনুরূপ যদি অপর রাবীর কোন হাদীস পাওয়া যায় তবে দ্বিতীয় রাবীর হাদীসকে প্রথম রাবীর হাদীসের মুতাবি বলা হয়। যদি উভয় হাদীসের মূল রাবী অর্থাৎ সাহাবী একই ব্যক্তি না হয় তবে দ্বিতীয় ব্যক্তির হাদীসকে শাহিদ বলে। আর এইরূপ হওয়াকে শাহাদাত বলে। মুতাবা’আত ও শাহাদাত দ্বারা প্রথম হাদীসটির শক্তি বৃদ্ধি পায়।

মারূফ ও মুনকার (معروف و منكر): কোন দুর্বল রাবীর বর্ণিত হাদীস অপর কোন মাকবূল (গ্রহণযোগ্য) রাবীর বর্ণিত হাদীসের বিরোধী হলে তাকে মুনকার বলা হয় এবং মাকবূল রাবীর হাদীসকে মা‘রূফ বলা হয়।

সহীহ (صحيح) : যে মুত্তাসিল হাদীসের সনদে উল্লেখিত প্রত্যেক রাবীই পূর্ণ আদালত ও যাবত (ধারণ ক্ষমতা) গুণ সম্পন্ন এবং হাদীসটি যাবতীয় দোষত্রুটি ও শায মুক্ত তাকে সহীহ হাদীস বলে।

হাসান (حسن) : যে হাদীসের মধ্যে রাবীর যাবত (ধারণ ক্ষমতা) এর গুণ ব্যতীত সহীহ হাদীসের সমস্ত শর্তই পরিপূর্ণ রয়েছে তাকে হাসান হাদীস বলা হয়। ফক্বীহগণ সাধারণত সহীহ ও হাসান হাদীসের ভিত্তিতে শরীয়াতের বিধান নির্ধারণ  করেন।

যঈফ (ضعيف ) : যে হাদীসের রাবী কোন হাসান হাদীসের রাবীর গুণসম্পন্ন নন তাকে যঈফ হাদীস বলে।

মাওযূ ( موضوع ) : যে হাদীসের রাবী জীবনে কখনও ইচ্ছাকৃতভাবে রাসুলুল্লাহ ()-এর নামে মিথ্যা কথা রটনা করেছেন বলে প্রমাণিত হয়েছে, তার বর্ণিত হাদীসকে মাওযূ‘ হাদীস বলে।

 

রাবীর সংখ্যা বিচারে হাদীস প্রধানত দুপ্রকার। যথা: ১. মুতওয়াতির (متواتر) ও ২. আহাদ (أحاد)

১. মুতওয়াতির (متواتر): বৃহৎ সংখ্যক রাবীর বর্ণিত হাদীস, মিথ্যার ব্যাপারে যাদের উপর একাট্টা হওয়া অসম্ভব, সনদের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত এ সংখ্যা বিদ্যমান থাকলে হাদীসকে মুতওয়াতির (متواتر) বলা হয়।

২. আহাদ (أحاد): أحاد তিন প্রকার। যথা:

মাশহুর (مشهور): যে কোন স্তরে হাদীস বর্ণনা কারীর সংখ্যা যদি দুই এর অধিক হয়, কিন্তু মুতওয়াতির এর পর্যায়ে পৌঁছে না তাকে মাশহুর (مشهور) বলে।

আযীয (عزيز): যে কোন স্তরে হাদীস বর্ণনা কারীর সংখ্যা যদি দু‘জন হয় ।

গরীব (غريب): যে কোন স্তরে হাদীস বর্ণনা কারীর সংখ্যা যদি এক জন হয় ।

শায (شاذ): একাধিক নির্ভরযোগ্য রাবীর বিপরীত একজন নির্ভরযোগ্য রাবীর বর্ণনাকে শায হাদীস বলে।

 কিয়াস (قياس): অর্থ অনুমান, পরিমাপ, তুলনা ইত্যাদি। পরিভাষায়: শাখাকে মূলের সঙ্গে তুলনা করা, যার ফলে শাখা ও মূল একই হুকুমের অমত্মর্ভুক্ত হয়ে যায়।

তাক্বলীদ (تقليد): দলীল উল্লেখ ছাড়াই কোন ব্যক্তির মতামতকে গ্রহণ করা।

ইজতিহাদ (اجتهاد): উদ্দিষ্ট জ্ঞান অর্জনের প্রচেষ্টা চালানোকে ইজতিহাদ বলে।

শরীয়াত (شريعة): অর্থ: আইন, বিধান, পথ, পন্থা ইত্যাদি। পরিভাষায়: মহান আল্লাহ্‌ স্বীয় দীন হতে বান্দার জন্য যা বিধিবদ্ধ করে দিয়েছেন তাকে শরীয়াত বলে।

মাযহাব (مذهب): অর্থ- মত, পথ, মতবাদ ইত্যাদি। ফিক্বহী পরিভাষায়: ইবাদাত ও মু‘আমালাতের ক্ষেত্রে শারঈ হুকুম পালনের জন্য বান্দা যে পথ অনুসরণ করে এবং প্রত্যেক দলের জন্য একজন ইমামের উপর অথবা ইমামের ওসীয়ত কিংবা ইমামের প্রতিনিধির উপর নির্ভর করে তাকে মাযহাব বলে।

নাযর (نذر): কোন বিষয়ে উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য চিন্তা-ভাবনা করাকে নাযর বলে।

আম (عام): সীমাবদ্ধ করা ছাড়াই যা দুই বা ততোধিক বিষয়কে অন্তর্ভুক্ত করে তাকে আম বলে।

খাস (خاص): আম এর বিপরীত, যা নির্দিষ্ট বিষয়কে অন্তর্ভুক্ত করে।

ইজমা (اجماع): কোন এক যুগে আলিমদের কোন শারঈ বিষয়ের উপর এক মত পোষণ করাকে ইজমা বলে।

মুসনাদ (مسند): যার সনদগুলো পরস্পর এমনভাবে মিলিত যে, প্রত্যেকের বর্ণনা সুস্পষ্ট।

ফিক্বহ (فقه): ইজতিহাদ বা গবেষণার পদ্ধতিতে শারঈ হুকুম সম্পর্কে জানার বিধানকে ফিক্বহ বলে।

আসল বা মূল (اصل): এমন প্রথম বিষয়, যার উপর ভিত্তি করে কোন কিছু গড়ে উঠে। যেমন- দেয়ালের ভিত্তি।

ফারা বা শাখা (فرع): আসলের বিপরীত যা কোন ভিত্তির উপর গড়ে উঠে।

ওয়াজিব (واجب): যা আমল করলে সাওয়াব পাওয়া যাবে আর পরিত্যাগ করলে শাস্তি পাওয়া যাবে।

মানদূব (مندوب): যা আমল করলে সাওয়াব পাওয়া যাবে আর পরিত্যাগ করলে শাস্তি হবে না।

মাহযূর (محظور): যা পরিত্যাগ করলে সাওয়াব পাওয়া যাবে আর আমল করলে শাস্তি পাওয়া যাবে।

মাকরূহ (مكروه): যা পরিত্যাগ করলে সাওয়াব পাওয়া যাবে আর আমল করলে শাস্তি হবে না।

ফাৎওয়া (فتوى): জিজ্ঞাসিত ব্যক্তির নিকট থেকে দলীল ভিত্তিক শারঈ হুকুম সুস্পষ্ট বর্ণনা করে নেয়াকে ফাৎওয়া বলে।

নাসিখ (ناسخ): পরিবর্তিত শারঈ দলীল যা পূববর্তী শারঈ হুকুমকে রহিত করে দেয় তাকে নাসিখ বলে।

মানসূখ (منسوخ): আর যে হুকুমটি রহিত হয়ে যায় সেটাই মানসূখ।

মুতলাক্ব (مطلق): যা প্রকৃতিগত দিক থেকে জাতির সকলকে অন্তর্ভুক্ত  করে কিন্তু অনির্দিষ্টভাবে একটি অর্থকে বুঝায়।

মুকাইয়্যাদ (مقيد): যা মুতলাক্বের বিপরীত অর্থাৎ জাতির সকলকে অন্তর্ভুক্ত  করে না। বরং নির্দিষ্ট একটি অর্থকে বুঝায়।

হাক্বীকাত (حقيقة): শব্দকে আসল অর্থে ব্যবহার করাকে হাক্বীকত বলে। যেমন- সিংহ শব্দটি এক প্রজাতির হিংস্র প্রাণীকে বুঝায়।

মাজায (مجاز): শব্দ যখন আসল অর্থকে অতিক্রম করে তার সাথে সাদৃশ্য রাখে এমন অর্থ প্রকাশ করে তখন তাকে মাজায বলে। যেমন- সাহসী লোককে সিংহের সাথে তুলনা করা।

হাদিসের পরিসংখ্যান

সর্বমোট হাদিস পাওয়া গেছেঃ [2399] টি | অধ্যায়ঃ ২০/ তাহাজ্জুদ ও দিনের নফল নামাজ
গ্রন্থঃ সূনান নাসাঈ | দেখানো হচ্ছে   [1621]  থেকে  [1630]  পর্যন্ত
প্রতি পাতাতে টি হাদিস

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সূনান নাসাঈ
অধ্যায়ঃ ২০/ তাহাজ্জুদ ও দিনের নফল নামাজ
হাদিস নম্বরঃ ১৬২১ | 1621 | ۱٦۲۱

১৬২১। সুওয়াইদ ইবনু নাসর (রহঃ) রবী’আ ইবনু কাব আসলামী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর হুজরার পাশেই রাত্রিযাপন করতাম। আমি রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যখন তিনি রাত্রে জাগ্রত হতেন অনেকক্ষণ পর্যন্ত বলতে শুনতামঃ “সুবহানা আল্লাহি রাব্বিল আলামিন” অতঃপর অনেকক্ষণ পর্যন্ত “সুবহানা আল্লাহু অবিহামদিহি”।



হাদিসের মানঃ  তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!
দুঃখিত! আরবী অংশ এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।
দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সূনান নাসাঈ
অধ্যায়ঃ ২০/ তাহাজ্জুদ ও দিনের নফল নামাজ
হাদিস নম্বরঃ ১৬২২ | 1622 | ۱٦۲۲

১৬২২। কুতায়বা ইবনু সাঈদ (রহঃ) ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যখন রাত্রে নিদ্রা থেকে জাগ্রত হতেন, তাহাজ্জ্বুদের সালাত আদায় করতেন। (আর) তিনি বলতেনঃAllahumma, lakal hamdu anta nurus samawati walardi wa man fihinna wa lakalদু’hamdu anta qayyamus samawati wal ardi wa man fihinna wa lakal hamdu, anta haqqun wa wa'duka haqqun wal jannatu haqqun wan nuru haqqun wan nabiyyuna haqqun wa Muhammadan haqqun, laka aslant wa 'alaika tawakkaltu wa bika amant. ( O Allah, to You bصلى الله عليه وسلم praisصلى الله عليه وسلم, You arصلى الله عليه وسلم thصلى الله عليه وسلم Light of thصلى الله عليه وسلم hصلى الله عليه وسلمavصلى الله عليه وسلمns and صلى الله عليه وسلمarth and whoصلى الله عليه وسلمvصلى الله عليه وسلمr is in thصلى الله عليه وسلمm. To You bصلى الله عليه وسلم praisصلى الله عليه وسلم, You arصلى الله عليه وسلم thصلى الله عليه وسلم Sustainصلى الله عليه وسلمr of thصلى الله عليه وسلم Hصلى الله عليه وسلمavصلى الله عليه وسلمns and thصلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلمarth and whoصلى الله عليه وسلمvصلى الله عليه وسلمr is in thصلى الله عليه وسلمm. To You bصلى الله عليه وسلم praisصلى الله عليه وسلم, You arصلى الله عليه وسلم thصلى الله عليه وسلم Sovصلى الله عليه وسلمrصلى الله عليه وسلمign of thصلى الله عليه وسلم hصلى الله عليه وسلمavصلى الله عليه وسلمns and صلى الله عليه وسلمarth and whoصلى الله عليه وسلمvصلى الله عليه وسلمr is in thصلى الله عليه وسلمm. To You bصلى الله عليه وسلم praisصلى الله عليه وسلم; You arصلى الله عليه وسلم Truصلى الله عليه وسلم, Your promisصلى الله عليه وسلم is truصلى الله عليه وسلم, Paradisصلى الله عليه وسلم is truصلى الله عليه وسلم, Hصلى الله عليه وسلمll is truصلى الله عليه وسلم, thصلى الله عليه وسلم Hour is truصلى الله عليه وسلم, thصلى الله عليه وسلم Prophصلى الله عليه وسلمts arصلى الله عليه وسلم truصلى الله عليه وسلم and Muhammad is truصلى الله عليه وسلم. To You havصلى الله عليه وسلم I submittصلى الله عليه وسلمd, in You I put my trust and in You I havصلى الله عليه وسلم bصلى الله عليه وسلمliصلى الله عليه وسلمvصلى الله عليه وسلمd.'" Thصلى الله عليه وسلمn (onصلى الله عليه وسلم of thصلى الله عليه وسلم narrators) অতঃপর কুতায়বা (রহঃ) আরো কিছু বাক্যের উল্লেখ করেছে, যে গুলো হলঃ "Wa bika khasamtu wa ilaika hakamtu, ighfirli ma quadratصلى الله عليه وسلم wa ma akhkhartu wa ma a'lantu antal muqaddimu wa antal mu'khkhir, la ilaha illa anta wa la hawla wa la quwwata illa billah (And with Your hصلى الله عليه وسلمlp I arguصلى الله عليه وسلم [with my opponصلى الله عليه وسلمnts, thصلى الله عليه وسلم non bصلى الله عليه وسلمliصلى الله عليه وسلمvصلى الله عليه وسلمrs], and I takصلى الله عليه وسلم You as a judgصلى الله عليه وسلم [to judgصلى الله عليه وسلم bصلى الله عليه وسلمtwصلى الله عليه وسلمصلى الله عليه وسلمn us]. Forgivصلى الله عليه وسلم mصلى الله عليه وسلم my past and futurصلى الله عليه وسلم sins and thosصلى الله عليه وسلم that I commit opصلى الله عليه وسلمnly. You arصلى الله عليه وسلم thصلى الله عليه وسلم Onصلى الله عليه وسلم who puts [somصلى الله عليه وسلم pصلى الله عليه وسلمoplصلى الله عليه وسلم] back and bring [othصلى الله عليه وسلمrs] forward. Thصلى الله عليه وسلمrصلى الله عليه وسلم is no God but You and thصلى الله عليه وسلمrصلى الله عليه وسلم is no powصلى الله عليه وسلمr and no strصلى الله عليه وسلمngth صلى الله عليه وسلمxcصلى الله عليه وسلمpt with Allah).'"(Sahih)



হাদিসের মানঃ  তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!
দুঃখিত! আরবী অংশ এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।
দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সূনান নাসাঈ
অধ্যায়ঃ ২০/ তাহাজ্জুদ ও দিনের নফল নামাজ
হাদিস নম্বরঃ ১৬২৩ | 1623 | ۱٦۲۳

১৬২৩। মুহাম্মাদ ইবনু সালামা (রহঃ) কুরায়ব (রহঃ) থেকে বর্ণিত যে, আব্দুল্লাহ ইবনু আব্বাস (দু’রা) তাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, তিনি একবার উম্মুল মুমিনীন মায়মুনা (রাঃ) এর সাথে রাত্রি যাপন করেন। (তিনি সস্পর্কে তার খালা ছিলেন) তিনি শুইলেন বালিশের প্রস্হে আর রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এবং তার পরিবার শুইলেন বালিশের দৈর্ঘে। রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) শুয়ে পড়লেন। যখন অর্ধরাত্রি অতিবাহিত হয়ে গেল তার পূর্বে বা পরে রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) জাগ্রত হলেন এবং হাত দ্বারা মুখমন্ডল থেকে নিদ্রার লক্ষণ দুরীভূত করতে লাগলেন। তারপর সূরা আলে ইমরান” এর শেষ দশটি আয়াত তিলাওয়াত করলেন। এরপর দু’একটি লটকালো মশকের কাছে গেলেন এবং তার (পানি) দ্বারা উত্তমরুপে উযূ (ওজু/অজু/অযু) করলেন এবং দাঁড়িয়ে (তাহাজ্জ্বুদের) সালাত আদায় করলেন। আব্দুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রাঃ) বললেন, আমিও দাড়িয়ে তার মত করলাম এবং গিয়ে তার পাশে দাড়ালাম। তখন রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তার ডান হাত আমার মাথার উপর রাখলেন এবং (ঠিকমত না দাড়ানোর জন্য) আমার ডান কান ধরে মলতে লাগলেন। তারপর তিনি দু’রাকআত সালাত আদায় করলেন। পূনরায় দু’রাকআত, আবার দু’রাকআত, তারপরও দু’রাকআত, আবারও দু’রাকআত, পুনরায় দু’রাকআত সালাত আদায় করে তারপর শুয়ে পড়লেন। পরে মুয়াযযিন তার কাছে আসলে সংক্ষিপ্তভাবে দু’রাকআত ফজরের সুন্নাত আদায় করলেন।



হাদিসের মানঃ  তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!
দুঃখিত! আরবী অংশ এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।
দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সূনান নাসাঈ
অধ্যায়ঃ ২০/ তাহাজ্জুদ ও দিনের নফল নামাজ
হাদিস নম্বরঃ ১৬২৪ | 1624 | ۱٦۲٤

১৬২৪। আমর ইবনু আলী এবং মুহাম্মাদ ইবনু মুসান্না (রহঃ) হুযায়ফা (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যখন রাত্রে নিদ্রা থেকে জাগ্রত হতেন তার দাত মিসওয়াক দ্বারা ঘষতেন।



হাদিসের মানঃ  তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!
দুঃখিত! আরবী অংশ এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।
দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সূনান নাসাঈ
অধ্যায়ঃ ২০/ তাহাজ্জুদ ও দিনের নফল নামাজ
হাদিস নম্বরঃ ১৬২৫ | 1625 | ۱٦۲۵

১৬২৫। মুহাম্মাদ ইবনু আব্দুল আলা (রহঃ) হুযায়ফা (রাঃ) থেকে বর্নিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যখন রাত্রে নিদ্রা থেকে তাহাজ্জুদের সালাত আদায় করার জন্য জাগ্রত হতেন তার দাত মিসওয়াক দ্বারা ঘষতেন।



হাদিসের মানঃ  তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!
দুঃখিত! আরবী অংশ এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।
দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সূনান নাসাঈ
অধ্যায়ঃ ২০/ তাহাজ্জুদ ও দিনের নফল নামাজ
হাদিস নম্বরঃ ১৬২৬ | 1626 | ۱٦۲٦

১৬২৬। উবায়দুল্লাহ ইবনু সাঈদ (রহঃ) হুযায়ফা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা যখন রাত্রে নিদ্রা থেকে জাগ্রত হতাম তখন মিসওয়াক করার জন্য আমরা আদিষ্ট হতাম।



হাদিসের মানঃ  তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!
দুঃখিত! আরবী অংশ এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।
দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সূনান নাসাঈ
অধ্যায়ঃ ২০/ তাহাজ্জুদ ও দিনের নফল নামাজ
হাদিস নম্বরঃ ১৬২৭ | 1627 | ۱٦۲۷

১৬২৭। আহমদ ইবনু সুলায়মান (রহঃ) শকীক (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা যখন রাত্রে নিদ্রা থেকে জাগ্রত হতাম তখন আমাদের দাত মিসওয়াক দ্বারা মলতে আদেশ দেওয়া হত।



হাদিসের মানঃ  তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!
দুঃখিত! আরবী অংশ এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।
দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সূনান নাসাঈ
অধ্যায়ঃ ২০/ তাহাজ্জুদ ও দিনের নফল নামাজ
হাদিস নম্বরঃ ১৬২৮ | 1628 | ۱٦۲۸

১৬২৮। আব্বাস ইবনু আব্দুল আজীম (রহঃ) আবূ সালামা ইবনু আব্দুর রহমান(রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আয়িশা (রাঃ) এর কাছে জিজ্ঞাসা করলাম, নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কোন দোয়া দ্বারা তাহাজ্জ্বুদের সালাত ওরা করতেন। তিনি বললেন, যখন তিনি রাত্রে নিদ্রা থেকে জাগ্রত হতেন তার সালাত এই দোয়া পড়ে শুরু করতেন: Allahumma Rabba Jibril wa Maika'il wa Israfil; Fatirus-samawati wal-ard, 'alim al-ghaybi wash-shahadah, anta tahkumu bayna 'ibadika fima kanu fihi yakhtalifun, Allahumma ihdini limakktulifa fihi min al-haqq innaka tahdi man tasha'ila siratin mustaqim (O Allah, Lord of Jibril, Mika'il and Israfil, Crصلى الله عليه وسلمator of thصلى الله عليه وسلم hصلى الله عليه وسلمavصلى الله عليه وسلمns and thصلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلمarth, Knowصلى الله عليه وسلمr of thصلى الله عليه وسلم unsصلى الله عليه وسلمصلى الله عليه وسلمn and thصلى الله عليه وسلم sصلى الله عليه وسلمصلى الله عليه وسلمn, You judgصلى الله عليه وسلم bصلى الله عليه وسلمtwصلى الله عليه وسلمصلى الله عليه وسلمn Your slavصلى الله عليه وسلمs concصلى الله عليه وسلمrning whصلى الله عليه وسلمrصلى الله عليه وسلمin thصلى الله عليه وسلمy diffصلى الله عليه وسلمr. O Allah, guidصلى الله عليه وسلم mصلى الله عليه وسلم to thصلى الله عليه وسلم disputصلى الله عليه وسلمd mattصلى الله عليه وسلمrs of truth for You arصلى الله عليه وسلم thصلى الله عليه وسلم Onصلى الله عليه وسلم Who guidصلى الله عليه وسلمs to thصلى الله عليه وسلم Straight Path)." (Sahih)



হাদিসের মানঃ  তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!
দুঃখিত! আরবী অংশ এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।
দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সূনান নাসাঈ
অধ্যায়ঃ ২০/ তাহাজ্জুদ ও দিনের নফল নামাজ
হাদিস নম্বরঃ ১৬২৯ | 1629 | ۱٦۲۹

১৬২৯। মুহাম্মাদ ইবনু সালামা (রহঃ) হুমায়দ ইবনু আব্দুর রহমান ইবনু আওফ (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর একজন সাহাবী বলেন, আমি একবার রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর সাথে সফরে থাকাকালীন মনে মনে বললাম যে, আমি অবশ্যই রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর সালাতের সময়ের প্রতি গভীর মনোযোগ সহকারের লক্ষ্য রাখবো, যাতে তার আমল দেখতে পারি। যখন তিনি ইশার সালাত আদায় করে নিলেন যাকে আতামাহও বলা হয়; দীর্ঘরাত্র পর্যন্ত শুয়ে রইলেন। অতঃপর জাগ্রত হয়ে আসমানের দিগন্তের প্রতি দৃষ্টিপাত করলেন এবং বললেন অর্থাৎ “ হে আমাদের রব! নিশ্চয় আপনি অযথা সবকিছু সৃষ্টি করেন নাই” "Our Lord! You havصلى الله عليه وسلم not crصلى الله عليه وسلمatصلى الله عليه وسلمd (all) this without purposصلى الله عليه وسلم" এবং “নিশ্চয় আপনি পতিশ্রুতি ভঙ্গ করেন না” "for You nصلى الله عليه وسلمvصلى الله عليه وسلمr brصلى الله عليه وسلمak (Your) Promisصلى الله عليه وسلم." পর্যন্ত পড়লেন। অতঃপর রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বিছানার দিকে হাত বাড়িয়ে তার নীচ থেকে একটি মিসওয়াক বের করলেন এবং তার কাছে রাখা একটি পানির পাত্র থেকে লোটায় পানি ঢাললেন, মিসওয়াক করলেন এবং দাড়িয়ে সালাত আদায় করলেন। আমি মনে মনে ধারণা করলাম যে, তিনি যে পরিমাণ সময় ঘুমিয়ে ছিলেন, সে পরিমাণ সময় সালাত আদায় করলেন। পূনরায় ঘুমিয়ে গেলেন, আমি মনে মনে ধারণা করলাম যে, তিনি যে পরিমাণ সময় সালাত আদায় করেছিলেন সে পরিমাণ সময় ঘুমিয়ে রইলেন। আবার জাগ্রত হয়ে প্রথমবার যেরুপ করেছিলেন তদ্রুপ করলেন এবং যা যা বলেছিলেন তা বললেন। রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ফজরের পুর্বে অনুরুপ তিনবার করেছিলেন।



হাদিসের মানঃ  তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!
দুঃখিত! আরবী অংশ এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।
দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সূনান নাসাঈ
অধ্যায়ঃ ২০/ তাহাজ্জুদ ও দিনের নফল নামাজ
হাদিস নম্বরঃ ১৬৩০ | 1630 | ۱٦۳۰

১৬৩০। ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা যখনই রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে রাত্রে সালাত আদায়রত অবস্হায় দেখতে চাইতাম, তাকে সে অবস্হাতেই দেখতে পেতাম। আর যদি আমরা তাকে ঘুমন্ত অবস্থায় দেখতে চাইতাম, তাকে সে অবস্হাতেই দেখতে পেতাম।



হাদিসের মানঃ  তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!
দুঃখিত! আরবী অংশ এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।
দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

হাদিস দেখানো হচ্ছে   [1621]  থেকে  [1630]  পর্যন্ত এবং সর্বমোট   [2399]  টি হাদিস পাওয়া গেছে।