• ৫৬৬৩২ টি সর্বমোট হাদিস আছেঃ
  • ৫৭৫৬ টি প্রশ্নোত্তর ও ফিকাহঃ

 

 

 

 


হাদীস (حَدِيْث) এর শাব্দিক অর্থ: নতুন, প্রাচীন ও পুরাতন এর বিপরীত বিষয়। এ অর্থে যে সব কথা, কাজ ও বস্ত্ত পূর্বে ছিল না, এখন অস্তিত্ব লাভ করেছে  তাই হাদীস। এর আরেক অর্থ হলো: কথা। ফক্বীহগণের পরিভাষায় নাবী কারীম () আল্লাহ্‌র রাসূল হিসেবে যা কিছু বলেছেন, যা কিছু করেছেন এবং যা কিছু বলার বা করার অনুমতি দিয়েছেন অথবা সমর্থন জানিয়েছেন তাকে হাদীস বলা হয়। কিন্তু মুহাদ্দিসগণ এর সঙ্গে রাসুলুল্লাহ () সম্পর্কিত বর্ণনা ও তার গুণাবলী সম্পর্কিত বিবরণকেও হাদীসের অন্তর্ভুক্ত করেন। এ হিসেবে হাদীসকে প্রাথমিক পর্যায়ে তিন শ্রেণীতে ভাগ করা যায়:

১। ক্বওলী হাদীস: কোন বিষয়ে রাসুলুল্লাহ () যা বলেছেন, অর্থাৎ যে হাদীসে তাঁর কোন কথা বিবৃত হয়েছে তাকে ক্বওলী (বাণী সম্পর্কিত) হাদীস বলা হয়।

২। ফেলী হাদীস: মহানাবী ()-এর কাজকর্ম, চরিত্র ও আচার-আচরণের ভেতর দিয়েই ইসলামের যাবতীয় বিধি-বিধান ও রীতিনীতি পরিস্ফুট হয়েছে। অতএব যে হাদীসে তাঁর কোন কাজের বিবরণ উল্লেখিত হয়েছে তাকে ফে’লী (কর্ম সম্পর্কিত) হাদীস বলা হয়।

৩। তাকরীরী হাদীস: সাহাবীগণের যে সব কথা বা কাজ নাবী কারীম ()-এর অনুমোদন ও সমর্থন প্রাপ্ত হয়েছে, সে ধরনের কোন কথা বা কাজের বিবরণ হতেও শরীয়াতের দৃষ্টিভঙ্গি জানা যায়। অতএব যে হাদীসে এ ধরনের কোন ঘটনার বা কাজের উল্লেখ পাওয়া যায় তাকে তাকরীরী (সমর্থন মূলক) হাদীস বলে।

সুন্নাহ (السنة): হাদীসের অপর নাম সুন্নাহ্ (السنة) সুন্নাত শব্দের অর্থ চলার পথ, কর্মের নীতি ও পদ্ধতি। যে পন্থা ও রীতি নাবী কারীম () অবলম্বন করতেন তাকে সুন্নাত বলা হয়। অন্য কথায় রাসুলুল্লাহ () প্রচারিত উচ্চতম আদর্শই সুন্নাত। কুরআন মাজিদে মহত্তম ও সুন্দরতম আদর্শ (أُسْوَةٌ حَسَنَةٌ) বলতে এই সুন্নাতকেই বুঝানো হয়েছে।

খবর (خبر): হাদীসকে আরবী ভাষায় খবরও (خبر) বলা হয়। তবে খবর শব্দটি হাদীস ও ইতিহাস উভয়টিকেই বুঝায়।

আসার (أثر ): আসার শব্দটিও কখনও কখনও রাসুলুল্লাহ () এর হাদীসকে নির্দেশ করে। কিন্তু অনেকেই হাদীস ও আসার এর মধ্যে কিছু পার্থক্য করে থাকেন। তাঁদের মতে- সাহাবীগণ থেকে শরীয়াত সম্পর্কে যা কিছু উদ্ধৃত হয়েছে তাকে আসার বলে।

 

ইলমে হাদীসের কতিপয় পরিভাষা

সাহাবী (صحابى):  যিনি ঈমানের সঙ্গে রাসুলুল্লাহ () এর সাহচর্য লাভ করেছেন এবং ঈমানের সঙ্গে মৃত্যুবরণ করেছেন তাঁকে রাসুলুল্লাহ ()-এর সাহাবী বলা হয়।

তাবেঈ (تابعى) : যিনি রাসুলুল্লাহ ()-এর কোন সাহাবীর নিকট হাদীস শিক্ষা করেছেন অথবা অন্ততপক্ষে তাঁকে দেখেছেন এবং মুসলমান হিসেবে মৃত্যুবরণ করেছেন তাঁকে তাবেঈ বলা হয়।

তাবে-তাবেঈ (تابعى تابع) : যিনি  কোন তাবেঈ এর নিকট হাদীস শিক্ষা করেছেন অথবা অন্ততপক্ষে তাঁকে দেখেছেন এবং মুসলমান হিসেবে মৃত্যুবরণ করেছেন তাঁকে তাবে-তাবেঈ বলা হয়।

মুহাদ্দিস (محدث) : যিনি হাদীস চর্চা করেন এবং বহু সংখ্যক হাদীসের সনদ ও মতন সম্পর্কে বিশেষ জ্ঞান রাখেন তাঁকে মুহাদ্দিস বলা হয়।

শাইখ (شيخ) : হাদীসের শিক্ষাদাতা রাবীকে শায়খ বলা হয়।

শাইখান (شيخان) : সাহাবীগনের মধ্যে আবূ বকর (রাঃ) ও উমর  (রাঃ)- কে একত্রে শাইখান বলা হয়। কিন্তু হাদীস শাস্ত্রে ইমাম বুখারী (রাহি.) ও ইমাম মুসলিম (রাহি.)-কে এবং ফিক্বহ-এর পরিভাষায় ইমাম আবূ হানীফা (রাহি.) ও আবূ ইউসুফ (রাহি.)-কে একত্রে শাইখান বলা হয়। 

হাফিয (حافظ) : যিনি সনদ ও মতনের বৃত্তান্ত সহ এক লাখ হাদীস আয়ত্ত করেছেন তাঁকে হাফিয বলা হয়।

হুজ্জাত (حجة) : অনুরূপভাবে যিনি তিন লক্ষ হাদীস আয়ত্ত করেছেন তাঁকে হুজ্জাত বলা হয়।  

হাকিম (حاكم) : যিনি সব হাদীস আয়ত্ত করেছেন তাকে হাকিম বলা হয়।

রিজাল (رجال) : হাদীসের রাবী সমষ্টিকে রিজাল বলে। যে শাস্ত্রে রাবীগণের জীবনী বর্ণনা করা হয়েছে তাকে আসমাউর-রিজাল বলা হয়।                                                                                 

রিওয়ায়াত (رواية): হাদীস বর্ণনা করাকে রিওয়ায়াত বলে। কখনও কখনও মূল হাদীসকেও রিওয়ায়াত বলা হয়। যেমন- এই কথার সমর্থনে একটি রিওয়ায়াত (হাদীস) আছে।                           

সনদ (سند): হাদীসের মূল কথাটুকু যে সূত্র পরম্পরায় গ্রন্থ সংকলনকারী পর্যন্ত পৌঁছেছে তাকে সনদ বলা হয়। এতে হাদীস বর্ণনাকারীদের নাম একের পর এক সজ্জিত থাকে।

মতন (متن): হাদীসে মূল কথা ও তার শব্দ সমষ্টিকে মতন বলে।

মারফূ (مرفوع): যে হাদীসের সনদ (বর্ণনা পরম্পরা) রাসুলুল্লাহ () পর্যন্ত পৌঁছেছে  তাকে মারফূ হাদীস বলে।

মাওকূফ (موقوف) : যে হাদীসের বর্ণনা- সূত্র ঊর্ধ্ব দিকে সাহাবী পর্যন্ত পৌঁছেছে , অর্থাৎ যে সনদ -সূত্রে কোন সাহাবীর কথা বা কাজ বা অনুমোদন বর্ণিত হয়েছে তাকে মাওকূফ হাদীস বলে। এর অপর নাম আসার।

মাকতূ (مقطوع): যে হাদীসের সনদ কোন তাবেঈ পর্যন্ত পৌঁছেছে, তাকে মাকতূ হাদীস বলা হয়।

তালীক (تعليق): কোন কোন গ্রন্থকার হাদীসের পূর্ণ সনদ বাদ দিয়ে কেবল মূল হাদীস বর্ণনা করেছেন। এরূপ করাকে তা’লীক বলা হয়।

মুদাল্লাস (مدلس): যে হাদীসের রাবী নিজের প্রকৃত শাইখের (উস্তাদের) নাম উল্লেখ না করে তার উপরস্থ শাইখের নামে এভাবে হাদীস বর্ণনা করেছেন যাতে মনে হয় যে, তিনি নিজেই উপরস্থ শাইখের নিকট তা শুনেছেন অথচ তিনি তাঁর নিকট সেই হাদীস শুনেন নি- সে হাদীসকে মুদাল্লাস হাদীস এবং এইরূপ করাকে ‘তাদ্লীস’ আর যিনি এইরূপ করেন তাকে মুদালস্নীস বলা হয়।

মুযতারাব (مضطرب): যে হাদীসের রাবী হাদীসের মতন ও সনদকে বিভিন্ন প্রকারে বর্ণনা করেছেন সে হাদীসকে হাদীসে মুযতারাব বলা হয়। যে পর্যন্ত না এর কোনরূপ সমন্বয় সাধন সম্ভবপর হয়, সে পর্যন্ত এই হাদীসের ব্যাপারে অপেক্ষা করতে হবে অর্থাৎ এই ধরনের রিওয়ায়াত প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না।

মুদ্রাজ (مدرج): যে হাদীসের মধ্যে রাবী নিজের অথবা অপরের উক্তিকে অনুপ্রবেশ করিয়েছেন, সে হাদীসকে মুদ্রাজ এবং এইরূপ করাকে ‘ইদরাজ’ বলা হয়।

মুত্তাসিল (متصل): যে হাদীসের সনদের ধারাবাহিকতা প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত পূর্ণরূপে রক্ষক্ষত আছে, কোন সত্মরেই কোন রাবীর নাম বাদ পড়ে নি তাকে মুত্তাসিল হাদীস বলে।

মুনকাতি (منقطع): যে হাদীসের সনদে ধারাবাহিকতা রক্ষিত হয় নি, মাঝখানে কোন এক স্তরে কোন রাবীর নাম বাদ পড়েছে, তাকে মুনকাতি হাদীস, আর এই বাদ পড়াকে ইনকিতা বলা হয়।

মুরসাল (مرسل): যে হাদীসের সনদে ইনকিতা শেষের দিকে হয়েছে, অর্থাৎ সাহাবীর নাম বাদ পড়েছে এবং তাবেঈ সরাসরি রাসুলুল্লাহ () এর উল্লেখ করে হাদীস বর্ণনা করেছেন তাকে মুরসাল হাদীস বলা হয়।

মুআল্লাক ( معلق ) : সনদের ইনকিতা প্রথম দিকে  হলে, অর্থাৎ সাহাবীর পর এক বা একাধিক রাবীর নাম বাদ পড়লে তাকে মু’আল্লাক হাদীস বলা হয়।

মুদাল (معضل): যে হাদীসে দুই বা ততোধিক রাবী ক্রমান্বয়ে সনদ থেকে বাদ পড়েছে তাকে মু‘দাল হাদীস বলে।

মুতাবি ও শাহিদ (متابع و شاهد): এক রাবীর হাদীসের অনুরূপ যদি অপর রাবীর কোন হাদীস পাওয়া যায় তবে দ্বিতীয় রাবীর হাদীসকে প্রথম রাবীর হাদীসের মুতাবি বলা হয়। যদি উভয় হাদীসের মূল রাবী অর্থাৎ সাহাবী একই ব্যক্তি না হয় তবে দ্বিতীয় ব্যক্তির হাদীসকে শাহিদ বলে। আর এইরূপ হওয়াকে শাহাদাত বলে। মুতাবা’আত ও শাহাদাত দ্বারা প্রথম হাদীসটির শক্তি বৃদ্ধি পায়।

মারূফ ও মুনকার (معروف و منكر): কোন দুর্বল রাবীর বর্ণিত হাদীস অপর কোন মাকবূল (গ্রহণযোগ্য) রাবীর বর্ণিত হাদীসের বিরোধী হলে তাকে মুনকার বলা হয় এবং মাকবূল রাবীর হাদীসকে মা‘রূফ বলা হয়।

সহীহ (صحيح) : যে মুত্তাসিল হাদীসের সনদে উল্লেখিত প্রত্যেক রাবীই পূর্ণ আদালত ও যাবত (ধারণ ক্ষমতা) গুণ সম্পন্ন এবং হাদীসটি যাবতীয় দোষত্রুটি ও শায মুক্ত তাকে সহীহ হাদীস বলে।

হাসান (حسن) : যে হাদীসের মধ্যে রাবীর যাবত (ধারণ ক্ষমতা) এর গুণ ব্যতীত সহীহ হাদীসের সমস্ত শর্তই পরিপূর্ণ রয়েছে তাকে হাসান হাদীস বলা হয়। ফক্বীহগণ সাধারণত সহীহ ও হাসান হাদীসের ভিত্তিতে শরীয়াতের বিধান নির্ধারণ  করেন।

যঈফ (ضعيف ) : যে হাদীসের রাবী কোন হাসান হাদীসের রাবীর গুণসম্পন্ন নন তাকে যঈফ হাদীস বলে।

মাওযূ ( موضوع ) : যে হাদীসের রাবী জীবনে কখনও ইচ্ছাকৃতভাবে রাসুলুল্লাহ ()-এর নামে মিথ্যা কথা রটনা করেছেন বলে প্রমাণিত হয়েছে, তার বর্ণিত হাদীসকে মাওযূ‘ হাদীস বলে।

 

রাবীর সংখ্যা বিচারে হাদীস প্রধানত দুপ্রকার। যথা: ১. মুতওয়াতির (متواتر) ও ২. আহাদ (أحاد)

১. মুতওয়াতির (متواتر): বৃহৎ সংখ্যক রাবীর বর্ণিত হাদীস, মিথ্যার ব্যাপারে যাদের উপর একাট্টা হওয়া অসম্ভব, সনদের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত এ সংখ্যা বিদ্যমান থাকলে হাদীসকে মুতওয়াতির (متواتر) বলা হয়।

২. আহাদ (أحاد): أحاد তিন প্রকার। যথা:

মাশহুর (مشهور): যে কোন স্তরে হাদীস বর্ণনা কারীর সংখ্যা যদি দুই এর অধিক হয়, কিন্তু মুতওয়াতির এর পর্যায়ে পৌঁছে না তাকে মাশহুর (مشهور) বলে।

আযীয (عزيز): যে কোন স্তরে হাদীস বর্ণনা কারীর সংখ্যা যদি দু‘জন হয় ।

গরীব (غريب): যে কোন স্তরে হাদীস বর্ণনা কারীর সংখ্যা যদি এক জন হয় ।

শায (شاذ): একাধিক নির্ভরযোগ্য রাবীর বিপরীত একজন নির্ভরযোগ্য রাবীর বর্ণনাকে শায হাদীস বলে।

 কিয়াস (قياس): অর্থ অনুমান, পরিমাপ, তুলনা ইত্যাদি। পরিভাষায়: শাখাকে মূলের সঙ্গে তুলনা করা, যার ফলে শাখা ও মূল একই হুকুমের অমত্মর্ভুক্ত হয়ে যায়।

তাক্বলীদ (تقليد): দলীল উল্লেখ ছাড়াই কোন ব্যক্তির মতামতকে গ্রহণ করা।

ইজতিহাদ (اجتهاد): উদ্দিষ্ট জ্ঞান অর্জনের প্রচেষ্টা চালানোকে ইজতিহাদ বলে।

শরীয়াত (شريعة): অর্থ: আইন, বিধান, পথ, পন্থা ইত্যাদি। পরিভাষায়: মহান আল্লাহ্‌ স্বীয় দীন হতে বান্দার জন্য যা বিধিবদ্ধ করে দিয়েছেন তাকে শরীয়াত বলে।

মাযহাব (مذهب): অর্থ- মত, পথ, মতবাদ ইত্যাদি। ফিক্বহী পরিভাষায়: ইবাদাত ও মু‘আমালাতের ক্ষেত্রে শারঈ হুকুম পালনের জন্য বান্দা যে পথ অনুসরণ করে এবং প্রত্যেক দলের জন্য একজন ইমামের উপর অথবা ইমামের ওসীয়ত কিংবা ইমামের প্রতিনিধির উপর নির্ভর করে তাকে মাযহাব বলে।

নাযর (نذر): কোন বিষয়ে উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য চিন্তা-ভাবনা করাকে নাযর বলে।

আম (عام): সীমাবদ্ধ করা ছাড়াই যা দুই বা ততোধিক বিষয়কে অন্তর্ভুক্ত করে তাকে আম বলে।

খাস (خاص): আম এর বিপরীত, যা নির্দিষ্ট বিষয়কে অন্তর্ভুক্ত করে।

ইজমা (اجماع): কোন এক যুগে আলিমদের কোন শারঈ বিষয়ের উপর এক মত পোষণ করাকে ইজমা বলে।

মুসনাদ (مسند): যার সনদগুলো পরস্পর এমনভাবে মিলিত যে, প্রত্যেকের বর্ণনা সুস্পষ্ট।

ফিক্বহ (فقه): ইজতিহাদ বা গবেষণার পদ্ধতিতে শারঈ হুকুম সম্পর্কে জানার বিধানকে ফিক্বহ বলে।

আসল বা মূল (اصل): এমন প্রথম বিষয়, যার উপর ভিত্তি করে কোন কিছু গড়ে উঠে। যেমন- দেয়ালের ভিত্তি।

ফারা বা শাখা (فرع): আসলের বিপরীত যা কোন ভিত্তির উপর গড়ে উঠে।

ওয়াজিব (واجب): যা আমল করলে সাওয়াব পাওয়া যাবে আর পরিত্যাগ করলে শাস্তি পাওয়া যাবে।

মানদূব (مندوب): যা আমল করলে সাওয়াব পাওয়া যাবে আর পরিত্যাগ করলে শাস্তি হবে না।

মাহযূর (محظور): যা পরিত্যাগ করলে সাওয়াব পাওয়া যাবে আর আমল করলে শাস্তি পাওয়া যাবে।

মাকরূহ (مكروه): যা পরিত্যাগ করলে সাওয়াব পাওয়া যাবে আর আমল করলে শাস্তি হবে না।

ফাৎওয়া (فتوى): জিজ্ঞাসিত ব্যক্তির নিকট থেকে দলীল ভিত্তিক শারঈ হুকুম সুস্পষ্ট বর্ণনা করে নেয়াকে ফাৎওয়া বলে।

নাসিখ (ناسخ): পরিবর্তিত শারঈ দলীল যা পূববর্তী শারঈ হুকুমকে রহিত করে দেয় তাকে নাসিখ বলে।

মানসূখ (منسوخ): আর যে হুকুমটি রহিত হয়ে যায় সেটাই মানসূখ।

মুতলাক্ব (مطلق): যা প্রকৃতিগত দিক থেকে জাতির সকলকে অন্তর্ভুক্ত  করে কিন্তু অনির্দিষ্টভাবে একটি অর্থকে বুঝায়।

মুকাইয়্যাদ (مقيد): যা মুতলাক্বের বিপরীত অর্থাৎ জাতির সকলকে অন্তর্ভুক্ত  করে না। বরং নির্দিষ্ট একটি অর্থকে বুঝায়।

হাক্বীকাত (حقيقة): শব্দকে আসল অর্থে ব্যবহার করাকে হাক্বীকত বলে। যেমন- সিংহ শব্দটি এক প্রজাতির হিংস্র প্রাণীকে বুঝায়।

মাজায (مجاز): শব্দ যখন আসল অর্থকে অতিক্রম করে তার সাথে সাদৃশ্য রাখে এমন অর্থ প্রকাশ করে তখন তাকে মাজায বলে। যেমন- সাহসী লোককে সিংহের সাথে তুলনা করা।

হাদিসের পরিসংখ্যান

সর্বমোট হাদিস পাওয়া গেছেঃ [1794] টি | অধ্যায়ঃ ২৪/ অভিযান
গ্রন্থঃ সূনান তিরমিজী (ইফাঃ) | দেখানো হচ্ছে   [1611]  থেকে  [1620]  পর্যন্ত
প্রতি পাতাতে টি হাদিস

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সূনান তিরমিজী (ইফাঃ)
অধ্যায়ঃ ২৪/ অভিযান
হাদিস নম্বরঃ ১৬১১ | 1611 | ۱٦۱۱

১৬১১। হান্নাদ (রহঃ) কায়স ইবনু আবূ হাযিম (রহঃ) থেকে আবূ মুআবিয়া (১৬০৭ নং) বর্ণিত হাদীসের বর্ণনা করেছেন। তবে এ সনদে জারীর রাদিয়াল্লাহু আনহ-এর উল্লেখ নেই। এটি অধিকত সহীহ। এই বিষয়ে সামুরা রাদিয়াল্লাহু আনহ থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। এসমাঈর (রহঃ) -এর অধিকাংশ শারগিদ এটিকে কায়স ইবনু আবূ হাযিম থেকে রিওয়ায়াত করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক বাহিনী প্রেরণ করেছিলেন। এতে তারা জারীর রাদিয়াল্লাহু আনহ-এর উল্লেখ করেননি। হাম্মাদ ইবনু সালামা এটিকে হাজ্জাজ ইবনু আরতাত-ইসমাঈল ইবনু আবূ খালিদ-কায়স-জারীর রাদিয়াল্লাহু আনহ সূত্রে আবূ মুআবিয়া (রহঃ) -এর অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। আমি মুহাম্মাদ (ইমাম বুখারী)-কে বলতে শুনেছি যে, সহীহ হলো কায়স-নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সূত্রে মুরসাল রূপে বর্ণিত রিওয়ায়াতটি। সামুরা ইবনু জুন্দুব রাদিয়াল্লাহু আনহ বর্ণনা করেন যে, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা মুশরিকদের সাথে বসবাস করবে না এবং তাদের সাথে একত্রিতও হবে না। যে ব্যক্তি তাদের সাথে বসবাস করবে বা তাদের সাথে মিলিত হবে সে তাদেরই মত। অনুচ্ছেদঃ আরব উপদ্বীপ থেকে ইয়াহূদী ও কৃস্টানদের বহিস্কার।



হাদিসের মানঃ  তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!
দুঃখিত! আরবী অংশ এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।
দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সূনান তিরমিজী (ইফাঃ)
অধ্যায়ঃ ২৪/ অভিযান
হাদিস নম্বরঃ ১৬১২ | 1612 | ۱٦۱۲

১৬১২। মুসা ইবনু আবদুর রহমান কিন্দী (রহঃ) উমার ইবনু খাত্তাব রাদিয়াল্লাহু আনহ থেকে বর্ণিত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আল্লাহ চাহেত আমি যদি জীবিত থাকি তবে ইয়াহূদী ও খ্রিস্টানদেরকে অবশ্যই জাযীরাতুল আরব (আরব উপদ্বীপ) থেকে বহিস্কার করব।



হাদিসের মানঃ  তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!
দুঃখিত! আরবী অংশ এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।
দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সূনান তিরমিজী (ইফাঃ)
অধ্যায়ঃ ২৪/ অভিযান
হাদিস নম্বরঃ ১৬১৩ | 1613 | ۱٦۱۳

১৬১৩ হাসান ইবনু আলী খাললাল (রহঃ) উমার ইবনু খাত্তব রাদিয়াল্লাহু আনহ থেকে বর্ণিত যে, তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে বলতে শুনেছেন, আমি অবশ্যই জাযিরা আরব থেকে থেকে খ্রিষ্টানদেরকে বের করে দেব। মুসলিম ছাড়া এখানে আর কাউকে বসবাসের জন্য ছেড়ে দিব না। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান-সহীহ।



হাদিসের মানঃ  তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!
দুঃখিত! আরবী অংশ এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।
দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সূনান তিরমিজী (ইফাঃ)
অধ্যায়ঃ ২৪/ অভিযান
হাদিস নম্বরঃ ১৬১৪ | 1614 | ۱٦۱٤

১৬১৪। মুহাম্মদ ইবনু মুছান্না (রহঃ) আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, ফাতিমা রাদিয়াল্লাহু আনহ আবূ বকর রাদিয়াল্লাহু আনহ-এর কাছে এসে বললেন, কে আপনার উত্তরাধিকারী হবে? তিনি বললেন, আমার পরিবার ও সন্তানরা। ফাতিমা রাদিয়াল্লাহু আনহ বললেন, তাহলে আমি কেন আমার পিতার উত্তরাধিকারী হবো না? তখন আবূ বকর রাদিয়াল্লাহু আনহ বললেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে বলতে শুনেছি, ‘‘আমাদের কেউ ওয়ারিশ হয় না’’। তবে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যাদের ভরণপোষণ করতেন, আমিও তাদের ভরণ পোষণ করবো, যাদের খোরপোষ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দিতেন আমিও তাদের খোরপোষ দিব। এই বিষয়ে উমার, তালহা, যুবায়র, আবদুর রহমান ইবনু আওফ, সা‘দ ও আইশা রাদিয়াল্লাহু আনহ থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহ বর্ণিত হাদীসটি হাসান এবং এই সূত্রে গারীব। এটি মুহাম্মদ ইবনু সালামা ও আবদুল ওয়াহহাব ইবনু আতা-মুহাম্মদ ইবনু আমর-আবূ সালামা-আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহ সূত্রে মুসনাদ রূপে বর্ণিত আছে। আমি মুহাম্মদ (বুখারী) (রহঃ)-কে এই হাদীস সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন, হাম্মাদ ইবনু সালামা রাদিয়াল্লাহু আনহ ব্যতীত মুহাম্মদ ইবনু আমর-আবূ সালামা-আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহ সূত্রে এটি বর্ণনা করেছেন বলে আমি জানিনা।



হাদিসের মানঃ  তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!
দুঃখিত! আরবী অংশ এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।
দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সূনান তিরমিজী (ইফাঃ)
অধ্যায়ঃ ২৪/ অভিযান
হাদিস নম্বরঃ ১৬১৫ | 1615 | ۱٦۱۵

১৬১৫। আলী ইবনু ঈসাঃআবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহ থেকে বর্ণিত যে, ফাতিমা রাদিয়াল্লাহু আনহ আবূ বকর ও উমার রাদিয়াল্লাহু আনহ-এর কাছে এসে বললেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে তার মীরাছ চাইতে। তারা বললেন, আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে বলতে শুনেছি যে, আমার কেউ ওয়ারছি হয়না। তিনি বললেন, আল্লাহর কসম ! আমি আপনাদের সাথে আর কখনো আলোচনা করবো না অর্থাৎ এই মীরাছ সম্পর্কে আপনার উভয়েই সত্যবাদী। এই হাদীসটি আবূ বাকর সিদ্দকী রাদিয়াল্লাহু আনহ-নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে অন্য সূত্রেও বর্ণিত আছে।



হাদিসের মানঃ  তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!
দুঃখিত! আরবী অংশ এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।
দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সূনান তিরমিজী (ইফাঃ)
অধ্যায়ঃ ২৪/ অভিযান
হাদিস নম্বরঃ ১৬১৬ | 1616 | ۱٦۱٦

১৬১৬। হাসান ইবনু আলী খাললাল (রহঃ) মালিক ইবনু আওস ইবনু হাদাছান (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি উমার ইবনু খাত্তাব রাদিয়াল্লাহু আনহ-এর কাছে গেলাম। তার কাছে উসমান ইবনু আফফান, যুবায়র ইবনু আওওয়াম, আবদুর রহমান ইব্নাওফ ও সা‘দ ইবনু আবী ওয়াক্কাস রাদিয়াল্লাহু আনহ-ও এলেন। কিছুক্ষণ পর আলী ও আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহ বিবাদ মীগোশতার জন্য এলেন। উমার রাদিয়াল্লাহু আনহ তাঁদের বললেন, যে আল্লাহ তা‘আলার অনুমতিক্রমে আসমান ও যমীন প্রতিষ্ঠিত তাঁর কসম দিয়ে তোমাদের বলছি, তোমরা কি জান না যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আমাদের কেউ ওয়ারিশ হয়না, আমরা যা রেখে যাই যা সাদাকা হিসাবে গণ্য? তাঁরা বললেন, হাঁ। উমার রাদিয়াল্লাহু আনহ বললেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর ইন্তিকালের পর আবূ বাকর রাদিয়াল্লাহু আনহ বললেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর পক্ষ থেকে মুতওয়াল্লী। তখন আপনি এবং ইনি (আলী) আবূ বাকর রাদিয়াল্লাহু আনহ-এর কাছে এসেছিলেন। আপনি আপনার ভ্রাতুষ্পুত্রদের মীরাছ দাবী করেছিলেন আর ইনি দাবী করেছিলেন তাঁর স্ত্রীর (ফাতিমা রাদিয়াল্লাহু আনহ-এর জন্য তাঁর পিতার উত্তরাধিকারত্বের। তখন আবূ বাকর রাদিয়াল্লাহু আনহ বলেছিলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলছেন, আমাদের কেউ ওয়ারিশ হয়না। আমরা যা রেখে যাই তা সাদাকা ন্বরূপ। আল্লাহ তা‘আলা জানেন যে তিনি সত্যবাদী, সৎ, সত্যপন্থী, হকের অনুসারী। হাদীসটিতে আরো দীর্ঘ বর্ণনা রয়েছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান-সহীহ এবং মালিক ইবনু আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহ-এর রিওয়ায়াত হিসাবে গারীব।



হাদিসের মানঃ  তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!
দুঃখিত! আরবী অংশ এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।
দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সূনান তিরমিজী (ইফাঃ)
অধ্যায়ঃ ২৪/ অভিযান
হাদিস নম্বরঃ ১৬১৭ | 1617 | ۱٦۱۷

১৬১৭ মুহাম্মদ ইবনু বাশশার (রহঃ) হারিস ইবনু মালিক ইবনু বারসা রাদিয়াল্লাহু আনহ থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, মক্কা বিজয়ের দিন নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে বলতে শুনেছি যে, আজ থেকে কিয়ামত পর্যন্ত এই নগরে আর যুদ্ধ কর যাবে না। এই বিষয়ে ইবনু আব্বাস, সুলায়ম ইবনু সুরাদ ও মুতী রাদিয়াল্লাহু আনহ থেকেও হাদীস বর্ণিত আছ। হারিছ ইবনু মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহ বর্ণিত এই হাদীসটি হাসান-সহীহ। এটি হলো যাকারিয়্যা ইবনু আবূ যাইদা শা‘বী (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত রিওয়ায়াত। এই সূত্র ছাড়া এটি সম্পর্কে আমাদের কিছু জানা নেই।



হাদিসের মানঃ  তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!
দুঃখিত! আরবী অংশ এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।
দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সূনান তিরমিজী (ইফাঃ)
অধ্যায়ঃ ২৪/ অভিযান
হাদিস নম্বরঃ ১৬১৮ | 1618 | ۱٦۱۸

১৬১৮। মুহাম্মদ ইবনু বাশশার (রহঃ) নু‘মান ইবনু মুকাররিন রাদিয়াল্লাহু আনহ থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সঙ্গে যুদ্ধে শরীক হয়েছি। ফজর হয়ে গেলে সূর্য না উঠা পর্যন্ত তিনি যুদ্ধ থেকে বিরত থাকতেন। সূর্য উদিত হওয়ার পর তিনি যুদ্ধ করতেন। দিনের ঠিক মধ্যভাগে যুদ্ধ থেকে বিরতি করতেন যতক্ষণ না (সূর্য পশ্চিম দিকে) ঢলে পড়ে। সূর্য (পশ্চিম দিকে) ঢলে পড়লে আসর পর্যন্ত যুদ্ধ করতেন। পরে আসরের সালাত (নামায/নামাজ)পর্যন্ত যুদ্ধ বিরত করতেন। আসরের সালাতের পর আবার লড়াই করতেন। বলা হতো, এই সময় আল্লাহ সাহায্যের হাওয়া প্রবাহিত হয়। মুমিনরা তাদের সালাতে সেনাবাহিনীর জন্য খুব দু‘আ করতেন। নু‘মান ইবনু মুকাররিন রাদিয়াল্লাহু আনহ থেকে এই হাদীসটি আরো অধিক মুত্তাসিল রূপে বর্ণিত আছে। নু‘মান ইবনু মুকাররিন রাদিয়াল্লাহু আনহ-এর সাক্ষাত কাতাদা (রহঃ) পান নি। কেননা, উমার রাদিয়াল্লাহু আনহ-এর খিলাফত কালে নু‘মান রাদিয়াল্লাহু আনহ মারা গিয়েছেন।



হাদিসের মানঃ  তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!
দুঃখিত! আরবী অংশ এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।
দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সূনান তিরমিজী (ইফাঃ)
অধ্যায়ঃ ২৪/ অভিযান
হাদিস নম্বরঃ ১৬১৯ | 1619 | ۱٦۱۹

১৬১৯। হাসান ইবনু আলী খাল্লাল (রহঃ) মাকিল ইবনু ইয়াসার রাদিয়াল্লাহু আনহ থেকে বর্ণিত যে, উমার ইবনু খাত্তাব রাদিয়াল্লাহু আনহ নু‘মান ইবনু মুকাররিনকে হুরমুযান-এর বিরুদ্ধে প্রেরণ করেছিলেন। এরপর বর্ণনাকারী হাদীসটি বিস্তারিতভাবে উল্লেখ করেন। (এতে রয়েছে) নু‘মান ইবনু মুকাররিন রাদিয়াল্লাহু আনহ বলেছেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সঙ্গে যুদ্ধে শরীক হয়েছি। তিনি যদি দিনের শুরুতে যুদ্ধ না করতেন তবে অপেক্ষা করতেন। শেষে সূর্য যখন পশ্চিম দিকে ঢলে পড়ত, হাওয়া প্রবাহিত হত, আল্লাহর নুসরত ও সাহায্য নেমে আসত তখন যুদ্ধ শুরু করতেন। এই হাদীসটি হাসান-সহীহ রাবী আলকামা ইবনু আবদুল্লাহ হলেন বাকর ইবনু আবদুল্লাহ মুযানী (রহঃ) -এর ভাই।



হাদিসের মানঃ  তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!
দুঃখিত! আরবী অংশ এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।
দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সূনান তিরমিজী (ইফাঃ)
অধ্যায়ঃ ২৪/ অভিযান
হাদিস নম্বরঃ ১৬২০ | 1620 | ۱٦۲۰

১৬২০। মুহাম্মদ ইবনুবাশশার (রহঃ) আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহ থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ বলেছেন, শুভাশভে বিশ্বাস হল শিরকের অন্তর্ভুক্ত আমাদের এমন কেউ নেই যার এই অয়াসওয়াসা আসে না। তবে আল্লাহ তা‘আলা তাঁর উপর তাওয়াক্কুলের মাধ্যমে তা বিদুরিত করে দেন। এই বিষয়ে সা‘দ, আবূ হুরায়রা, তাবীস তামিমী, আয়েশা ও উব্ন উমার রাদিয়াল্লাহু আনহ থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান-সহীহ। সালামা ইবনু কুহায়ল (রহঃ) -এর সূত্র ছাড়া এটি সম্পর্কে আমাদের কিছু জানা নেই। শুভা (রহঃ) ও হাদীসটিকে সালামা (রহঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, আমি মুহাম্মদ ইবনু ইসমাঈল বুখারী (রহঃ) -কে বলতে শুনেছি যে, এই হাদীস প্রসঙ্গে সুলায়মান ইবনু হারব বলতেন,(আমাদের এমন কেউ বিদুরিত করে দেন।) কথাটি আমার মতে আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহ-এর বক্তব্য।



হাদিসের মানঃ  তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!
দুঃখিত! আরবী অংশ এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।
দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

হাদিস দেখানো হচ্ছে   [1611]  থেকে  [1620]  পর্যন্ত এবং সর্বমোট   [1794]  টি হাদিস পাওয়া গেছে।