• ৫৬৪০৩ টি সর্বমোট হাদিস আছেঃ
  • ৫৭৫৬ টি প্রশ্নোত্তর ও ফিকাহঃ

 

 

 

 


হাদীস (حَدِيْث) এর শাব্দিক অর্থ: নতুন, প্রাচীন ও পুরাতন এর বিপরীত বিষয়। এ অর্থে যে সব কথা, কাজ ও বস্ত্ত পূর্বে ছিল না, এখন অস্তিত্ব লাভ করেছে  তাই হাদীস। এর আরেক অর্থ হলো: কথা। ফক্বীহগণের পরিভাষায় নাবী কারীম () আল্লাহ্‌র রাসূল হিসেবে যা কিছু বলেছেন, যা কিছু করেছেন এবং যা কিছু বলার বা করার অনুমতি দিয়েছেন অথবা সমর্থন জানিয়েছেন তাকে হাদীস বলা হয়। কিন্তু মুহাদ্দিসগণ এর সঙ্গে রাসুলুল্লাহ () সম্পর্কিত বর্ণনা ও তার গুণাবলী সম্পর্কিত বিবরণকেও হাদীসের অন্তর্ভুক্ত করেন। এ হিসেবে হাদীসকে প্রাথমিক পর্যায়ে তিন শ্রেণীতে ভাগ করা যায়:

১। ক্বওলী হাদীস: কোন বিষয়ে রাসুলুল্লাহ () যা বলেছেন, অর্থাৎ যে হাদীসে তাঁর কোন কথা বিবৃত হয়েছে তাকে ক্বওলী (বাণী সম্পর্কিত) হাদীস বলা হয়।

২। ফেলী হাদীস: মহানাবী ()-এর কাজকর্ম, চরিত্র ও আচার-আচরণের ভেতর দিয়েই ইসলামের যাবতীয় বিধি-বিধান ও রীতিনীতি পরিস্ফুট হয়েছে। অতএব যে হাদীসে তাঁর কোন কাজের বিবরণ উল্লেখিত হয়েছে তাকে ফে’লী (কর্ম সম্পর্কিত) হাদীস বলা হয়।

৩। তাকরীরী হাদীস: সাহাবীগণের যে সব কথা বা কাজ নাবী কারীম ()-এর অনুমোদন ও সমর্থন প্রাপ্ত হয়েছে, সে ধরনের কোন কথা বা কাজের বিবরণ হতেও শরীয়াতের দৃষ্টিভঙ্গি জানা যায়। অতএব যে হাদীসে এ ধরনের কোন ঘটনার বা কাজের উল্লেখ পাওয়া যায় তাকে তাকরীরী (সমর্থন মূলক) হাদীস বলে।

সুন্নাহ (السنة): হাদীসের অপর নাম সুন্নাহ্ (السنة) সুন্নাত শব্দের অর্থ চলার পথ, কর্মের নীতি ও পদ্ধতি। যে পন্থা ও রীতি নাবী কারীম () অবলম্বন করতেন তাকে সুন্নাত বলা হয়। অন্য কথায় রাসুলুল্লাহ () প্রচারিত উচ্চতম আদর্শই সুন্নাত। কুরআন মাজিদে মহত্তম ও সুন্দরতম আদর্শ (أُسْوَةٌ حَسَنَةٌ) বলতে এই সুন্নাতকেই বুঝানো হয়েছে।

খবর (خبر): হাদীসকে আরবী ভাষায় খবরও (خبر) বলা হয়। তবে খবর শব্দটি হাদীস ও ইতিহাস উভয়টিকেই বুঝায়।

আসার (أثر ): আসার শব্দটিও কখনও কখনও রাসুলুল্লাহ () এর হাদীসকে নির্দেশ করে। কিন্তু অনেকেই হাদীস ও আসার এর মধ্যে কিছু পার্থক্য করে থাকেন। তাঁদের মতে- সাহাবীগণ থেকে শরীয়াত সম্পর্কে যা কিছু উদ্ধৃত হয়েছে তাকে আসার বলে।

 

ইলমে হাদীসের কতিপয় পরিভাষা

সাহাবী (صحابى):  যিনি ঈমানের সঙ্গে রাসুলুল্লাহ () এর সাহচর্য লাভ করেছেন এবং ঈমানের সঙ্গে মৃত্যুবরণ করেছেন তাঁকে রাসুলুল্লাহ ()-এর সাহাবী বলা হয়।

তাবেঈ (تابعى) : যিনি রাসুলুল্লাহ ()-এর কোন সাহাবীর নিকট হাদীস শিক্ষা করেছেন অথবা অন্ততপক্ষে তাঁকে দেখেছেন এবং মুসলমান হিসেবে মৃত্যুবরণ করেছেন তাঁকে তাবেঈ বলা হয়।

তাবে-তাবেঈ (تابعى تابع) : যিনি  কোন তাবেঈ এর নিকট হাদীস শিক্ষা করেছেন অথবা অন্ততপক্ষে তাঁকে দেখেছেন এবং মুসলমান হিসেবে মৃত্যুবরণ করেছেন তাঁকে তাবে-তাবেঈ বলা হয়।

মুহাদ্দিস (محدث) : যিনি হাদীস চর্চা করেন এবং বহু সংখ্যক হাদীসের সনদ ও মতন সম্পর্কে বিশেষ জ্ঞান রাখেন তাঁকে মুহাদ্দিস বলা হয়।

শাইখ (شيخ) : হাদীসের শিক্ষাদাতা রাবীকে শায়খ বলা হয়।

শাইখান (شيخان) : সাহাবীগনের মধ্যে আবূ বকর (রাঃ) ও উমর  (রাঃ)- কে একত্রে শাইখান বলা হয়। কিন্তু হাদীস শাস্ত্রে ইমাম বুখারী (রাহি.) ও ইমাম মুসলিম (রাহি.)-কে এবং ফিক্বহ-এর পরিভাষায় ইমাম আবূ হানীফা (রাহি.) ও আবূ ইউসুফ (রাহি.)-কে একত্রে শাইখান বলা হয়। 

হাফিয (حافظ) : যিনি সনদ ও মতনের বৃত্তান্ত সহ এক লাখ হাদীস আয়ত্ত করেছেন তাঁকে হাফিয বলা হয়।

হুজ্জাত (حجة) : অনুরূপভাবে যিনি তিন লক্ষ হাদীস আয়ত্ত করেছেন তাঁকে হুজ্জাত বলা হয়।  

হাকিম (حاكم) : যিনি সব হাদীস আয়ত্ত করেছেন তাকে হাকিম বলা হয়।

রিজাল (رجال) : হাদীসের রাবী সমষ্টিকে রিজাল বলে। যে শাস্ত্রে রাবীগণের জীবনী বর্ণনা করা হয়েছে তাকে আসমাউর-রিজাল বলা হয়।                                                                                 

রিওয়ায়াত (رواية): হাদীস বর্ণনা করাকে রিওয়ায়াত বলে। কখনও কখনও মূল হাদীসকেও রিওয়ায়াত বলা হয়। যেমন- এই কথার সমর্থনে একটি রিওয়ায়াত (হাদীস) আছে।                           

সনদ (سند): হাদীসের মূল কথাটুকু যে সূত্র পরম্পরায় গ্রন্থ সংকলনকারী পর্যন্ত পৌঁছেছে তাকে সনদ বলা হয়। এতে হাদীস বর্ণনাকারীদের নাম একের পর এক সজ্জিত থাকে।

মতন (متن): হাদীসে মূল কথা ও তার শব্দ সমষ্টিকে মতন বলে।

মারফূ (مرفوع): যে হাদীসের সনদ (বর্ণনা পরম্পরা) রাসুলুল্লাহ () পর্যন্ত পৌঁছেছে  তাকে মারফূ হাদীস বলে।

মাওকূফ (موقوف) : যে হাদীসের বর্ণনা- সূত্র ঊর্ধ্ব দিকে সাহাবী পর্যন্ত পৌঁছেছে , অর্থাৎ যে সনদ -সূত্রে কোন সাহাবীর কথা বা কাজ বা অনুমোদন বর্ণিত হয়েছে তাকে মাওকূফ হাদীস বলে। এর অপর নাম আসার।

মাকতূ (مقطوع): যে হাদীসের সনদ কোন তাবেঈ পর্যন্ত পৌঁছেছে, তাকে মাকতূ হাদীস বলা হয়।

তালীক (تعليق): কোন কোন গ্রন্থকার হাদীসের পূর্ণ সনদ বাদ দিয়ে কেবল মূল হাদীস বর্ণনা করেছেন। এরূপ করাকে তা’লীক বলা হয়।

মুদাল্লাস (مدلس): যে হাদীসের রাবী নিজের প্রকৃত শাইখের (উস্তাদের) নাম উল্লেখ না করে তার উপরস্থ শাইখের নামে এভাবে হাদীস বর্ণনা করেছেন যাতে মনে হয় যে, তিনি নিজেই উপরস্থ শাইখের নিকট তা শুনেছেন অথচ তিনি তাঁর নিকট সেই হাদীস শুনেন নি- সে হাদীসকে মুদাল্লাস হাদীস এবং এইরূপ করাকে ‘তাদ্লীস’ আর যিনি এইরূপ করেন তাকে মুদালস্নীস বলা হয়।

মুযতারাব (مضطرب): যে হাদীসের রাবী হাদীসের মতন ও সনদকে বিভিন্ন প্রকারে বর্ণনা করেছেন সে হাদীসকে হাদীসে মুযতারাব বলা হয়। যে পর্যন্ত না এর কোনরূপ সমন্বয় সাধন সম্ভবপর হয়, সে পর্যন্ত এই হাদীসের ব্যাপারে অপেক্ষা করতে হবে অর্থাৎ এই ধরনের রিওয়ায়াত প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না।

মুদ্রাজ (مدرج): যে হাদীসের মধ্যে রাবী নিজের অথবা অপরের উক্তিকে অনুপ্রবেশ করিয়েছেন, সে হাদীসকে মুদ্রাজ এবং এইরূপ করাকে ‘ইদরাজ’ বলা হয়।

মুত্তাসিল (متصل): যে হাদীসের সনদের ধারাবাহিকতা প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত পূর্ণরূপে রক্ষক্ষত আছে, কোন সত্মরেই কোন রাবীর নাম বাদ পড়ে নি তাকে মুত্তাসিল হাদীস বলে।

মুনকাতি (منقطع): যে হাদীসের সনদে ধারাবাহিকতা রক্ষিত হয় নি, মাঝখানে কোন এক স্তরে কোন রাবীর নাম বাদ পড়েছে, তাকে মুনকাতি হাদীস, আর এই বাদ পড়াকে ইনকিতা বলা হয়।

মুরসাল (مرسل): যে হাদীসের সনদে ইনকিতা শেষের দিকে হয়েছে, অর্থাৎ সাহাবীর নাম বাদ পড়েছে এবং তাবেঈ সরাসরি রাসুলুল্লাহ () এর উল্লেখ করে হাদীস বর্ণনা করেছেন তাকে মুরসাল হাদীস বলা হয়।

মুআল্লাক ( معلق ) : সনদের ইনকিতা প্রথম দিকে  হলে, অর্থাৎ সাহাবীর পর এক বা একাধিক রাবীর নাম বাদ পড়লে তাকে মু’আল্লাক হাদীস বলা হয়।

মুদাল (معضل): যে হাদীসে দুই বা ততোধিক রাবী ক্রমান্বয়ে সনদ থেকে বাদ পড়েছে তাকে মু‘দাল হাদীস বলে।

মুতাবি ও শাহিদ (متابع و شاهد): এক রাবীর হাদীসের অনুরূপ যদি অপর রাবীর কোন হাদীস পাওয়া যায় তবে দ্বিতীয় রাবীর হাদীসকে প্রথম রাবীর হাদীসের মুতাবি বলা হয়। যদি উভয় হাদীসের মূল রাবী অর্থাৎ সাহাবী একই ব্যক্তি না হয় তবে দ্বিতীয় ব্যক্তির হাদীসকে শাহিদ বলে। আর এইরূপ হওয়াকে শাহাদাত বলে। মুতাবা’আত ও শাহাদাত দ্বারা প্রথম হাদীসটির শক্তি বৃদ্ধি পায়।

মারূফ ও মুনকার (معروف و منكر): কোন দুর্বল রাবীর বর্ণিত হাদীস অপর কোন মাকবূল (গ্রহণযোগ্য) রাবীর বর্ণিত হাদীসের বিরোধী হলে তাকে মুনকার বলা হয় এবং মাকবূল রাবীর হাদীসকে মা‘রূফ বলা হয়।

সহীহ (صحيح) : যে মুত্তাসিল হাদীসের সনদে উল্লেখিত প্রত্যেক রাবীই পূর্ণ আদালত ও যাবত (ধারণ ক্ষমতা) গুণ সম্পন্ন এবং হাদীসটি যাবতীয় দোষত্রুটি ও শায মুক্ত তাকে সহীহ হাদীস বলে।

হাসান (حسن) : যে হাদীসের মধ্যে রাবীর যাবত (ধারণ ক্ষমতা) এর গুণ ব্যতীত সহীহ হাদীসের সমস্ত শর্তই পরিপূর্ণ রয়েছে তাকে হাসান হাদীস বলা হয়। ফক্বীহগণ সাধারণত সহীহ ও হাসান হাদীসের ভিত্তিতে শরীয়াতের বিধান নির্ধারণ  করেন।

যঈফ (ضعيف ) : যে হাদীসের রাবী কোন হাসান হাদীসের রাবীর গুণসম্পন্ন নন তাকে যঈফ হাদীস বলে।

মাওযূ ( موضوع ) : যে হাদীসের রাবী জীবনে কখনও ইচ্ছাকৃতভাবে রাসুলুল্লাহ ()-এর নামে মিথ্যা কথা রটনা করেছেন বলে প্রমাণিত হয়েছে, তার বর্ণিত হাদীসকে মাওযূ‘ হাদীস বলে।

 

রাবীর সংখ্যা বিচারে হাদীস প্রধানত দুপ্রকার। যথা: ১. মুতওয়াতির (متواتر) ও ২. আহাদ (أحاد)

১. মুতওয়াতির (متواتر): বৃহৎ সংখ্যক রাবীর বর্ণিত হাদীস, মিথ্যার ব্যাপারে যাদের উপর একাট্টা হওয়া অসম্ভব, সনদের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত এ সংখ্যা বিদ্যমান থাকলে হাদীসকে মুতওয়াতির (متواتر) বলা হয়।

২. আহাদ (أحاد): أحاد তিন প্রকার। যথা:

মাশহুর (مشهور): যে কোন স্তরে হাদীস বর্ণনা কারীর সংখ্যা যদি দুই এর অধিক হয়, কিন্তু মুতওয়াতির এর পর্যায়ে পৌঁছে না তাকে মাশহুর (مشهور) বলে।

আযীয (عزيز): যে কোন স্তরে হাদীস বর্ণনা কারীর সংখ্যা যদি দু‘জন হয় ।

গরীব (غريب): যে কোন স্তরে হাদীস বর্ণনা কারীর সংখ্যা যদি এক জন হয় ।

শায (شاذ): একাধিক নির্ভরযোগ্য রাবীর বিপরীত একজন নির্ভরযোগ্য রাবীর বর্ণনাকে শায হাদীস বলে।

 কিয়াস (قياس): অর্থ অনুমান, পরিমাপ, তুলনা ইত্যাদি। পরিভাষায়: শাখাকে মূলের সঙ্গে তুলনা করা, যার ফলে শাখা ও মূল একই হুকুমের অমত্মর্ভুক্ত হয়ে যায়।

তাক্বলীদ (تقليد): দলীল উল্লেখ ছাড়াই কোন ব্যক্তির মতামতকে গ্রহণ করা।

ইজতিহাদ (اجتهاد): উদ্দিষ্ট জ্ঞান অর্জনের প্রচেষ্টা চালানোকে ইজতিহাদ বলে।

শরীয়াত (شريعة): অর্থ: আইন, বিধান, পথ, পন্থা ইত্যাদি। পরিভাষায়: মহান আল্লাহ্‌ স্বীয় দীন হতে বান্দার জন্য যা বিধিবদ্ধ করে দিয়েছেন তাকে শরীয়াত বলে।

মাযহাব (مذهب): অর্থ- মত, পথ, মতবাদ ইত্যাদি। ফিক্বহী পরিভাষায়: ইবাদাত ও মু‘আমালাতের ক্ষেত্রে শারঈ হুকুম পালনের জন্য বান্দা যে পথ অনুসরণ করে এবং প্রত্যেক দলের জন্য একজন ইমামের উপর অথবা ইমামের ওসীয়ত কিংবা ইমামের প্রতিনিধির উপর নির্ভর করে তাকে মাযহাব বলে।

নাযর (نذر): কোন বিষয়ে উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য চিন্তা-ভাবনা করাকে নাযর বলে।

আম (عام): সীমাবদ্ধ করা ছাড়াই যা দুই বা ততোধিক বিষয়কে অন্তর্ভুক্ত করে তাকে আম বলে।

খাস (خاص): আম এর বিপরীত, যা নির্দিষ্ট বিষয়কে অন্তর্ভুক্ত করে।

ইজমা (اجماع): কোন এক যুগে আলিমদের কোন শারঈ বিষয়ের উপর এক মত পোষণ করাকে ইজমা বলে।

মুসনাদ (مسند): যার সনদগুলো পরস্পর এমনভাবে মিলিত যে, প্রত্যেকের বর্ণনা সুস্পষ্ট।

ফিক্বহ (فقه): ইজতিহাদ বা গবেষণার পদ্ধতিতে শারঈ হুকুম সম্পর্কে জানার বিধানকে ফিক্বহ বলে।

আসল বা মূল (اصل): এমন প্রথম বিষয়, যার উপর ভিত্তি করে কোন কিছু গড়ে উঠে। যেমন- দেয়ালের ভিত্তি।

ফারা বা শাখা (فرع): আসলের বিপরীত যা কোন ভিত্তির উপর গড়ে উঠে।

ওয়াজিব (واجب): যা আমল করলে সাওয়াব পাওয়া যাবে আর পরিত্যাগ করলে শাস্তি পাওয়া যাবে।

মানদূব (مندوب): যা আমল করলে সাওয়াব পাওয়া যাবে আর পরিত্যাগ করলে শাস্তি হবে না।

মাহযূর (محظور): যা পরিত্যাগ করলে সাওয়াব পাওয়া যাবে আর আমল করলে শাস্তি পাওয়া যাবে।

মাকরূহ (مكروه): যা পরিত্যাগ করলে সাওয়াব পাওয়া যাবে আর আমল করলে শাস্তি হবে না।

ফাৎওয়া (فتوى): জিজ্ঞাসিত ব্যক্তির নিকট থেকে দলীল ভিত্তিক শারঈ হুকুম সুস্পষ্ট বর্ণনা করে নেয়াকে ফাৎওয়া বলে।

নাসিখ (ناسخ): পরিবর্তিত শারঈ দলীল যা পূববর্তী শারঈ হুকুমকে রহিত করে দেয় তাকে নাসিখ বলে।

মানসূখ (منسوخ): আর যে হুকুমটি রহিত হয়ে যায় সেটাই মানসূখ।

মুতলাক্ব (مطلق): যা প্রকৃতিগত দিক থেকে জাতির সকলকে অন্তর্ভুক্ত  করে কিন্তু অনির্দিষ্টভাবে একটি অর্থকে বুঝায়।

মুকাইয়্যাদ (مقيد): যা মুতলাক্বের বিপরীত অর্থাৎ জাতির সকলকে অন্তর্ভুক্ত  করে না। বরং নির্দিষ্ট একটি অর্থকে বুঝায়।

হাক্বীকাত (حقيقة): শব্দকে আসল অর্থে ব্যবহার করাকে হাক্বীকত বলে। যেমন- সিংহ শব্দটি এক প্রজাতির হিংস্র প্রাণীকে বুঝায়।

মাজায (مجاز): শব্দ যখন আসল অর্থকে অতিক্রম করে তার সাথে সাদৃশ্য রাখে এমন অর্থ প্রকাশ করে তখন তাকে মাজায বলে। যেমন- সাহসী লোককে সিংহের সাথে তুলনা করা।

হাদিসের পরিসংখ্যান

সর্বমোট হাদিস পাওয়া গেছেঃ [3606] টি | অধ্যায়ঃ ২৪/ অভিযান
গ্রন্থঃ সূনান তিরমিজী (ইফাঃ) | দেখানো হচ্ছে   [1571]  থেকে  [1580]  পর্যন্ত
প্রতি পাতাতে টি হাদিস

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সূনান তিরমিজী (ইফাঃ)
অধ্যায়ঃ ২৪/ অভিযান
হাদিস নম্বরঃ ১৫৭১ | 1571 | ۱۵۷۱

১৫৭১। মাহমূদ ইবনু গায়লান (রহঃ) কাবীসা ইবনু হুলব তৎপিতা হুলব রাদিয়াল্লাহু আনহ থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নাসারাদের খাদ্য সম্পর্কে আমি নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম। তিনি বললেন, খাদ্যের বিষয়ে (বিনা কারণে) কোন রূপ দ্বিধার শিকার হবে না। এমন করলে তো তুমি খ্রিস্টানদের অনুরূপ হয়ে গেলে। (কারণ, খ্রিস্টানরাই বেশী ছুতছাতের পিছনে পড়ে।) এ হাদীসটি হাসান। মাহমূদ (রহঃ) বলেন, উবায়দুল্লাহ ইবনু মূসা-ইসরাঈল-সিমাক-কাবীসা-তৎপিতা (হুলব) রাদিয়াল্লাহু আনহ সূত্রে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে অনুরূপ বর্ণিত আছে। কিতাবীদের খাদ্য জায়েয হওয়া সম্পর্কে আলিমগণ এই হাদীস অনুসারে আমল করেছেন।



হাদিসের মানঃ  তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!
দুঃখিত! আরবী অংশ এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।
দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সূনান তিরমিজী (ইফাঃ)
অধ্যায়ঃ ২৪/ অভিযান
হাদিস নম্বরঃ ১৫৭২ | 1572 | ۱۵۷۲

১৫৭২। উমার ইবনু হাবস শায়বানী (রহঃ) আবূ আয়্যূব রাদিয়াল্লাহু আনহ থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে বলতে শুনেছি, যে ব্যক্তি মা ও সন্তানের মাঝে বিচ্ছেদ ঘটায় আল্লাহ তা‘আলা কিয়ামতের দিন তার ও তার প্রিয়জনদের মাঝে বিচ্ছেদ সৃষ্টি করে দিবেন। এই বিষয়ে আলী রাদিয়াল্লাহু আনহ থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। হাদীসটি হাসান-গারীব। সাহাবী ও অপরাপর আলিমগণ এতদনুসারে আমল করেছেন। তারা বন্দীদের মা ও সন্তানদের মাঝে, সন্তান ও পিতার মাঝে এবং ভাইদের পরস্পর আলাদা করা নিন্দনীয় বলে মত প্রকাশ করেছেন।



হাদিসের মানঃ  তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!
দুঃখিত! আরবী অংশ এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।
দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সূনান তিরমিজী (ইফাঃ)
অধ্যায়ঃ ২৪/ অভিযান
হাদিস নম্বরঃ ১৫৭৩ | 1573 | ۱۵۷۳

১৫৭৩। আবূ উবায়দা ইবনু আবূ সাফার, তাঁর নাম হল আহমাদ ইবনু আবদুল্লাহ হামদানী ও মাহমূদ ইবনু গায়লান (রহঃ) আলী রাদিয়াল্লাহু আনহ থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন যে, জিবরীল তাঁর কাছে নেমে এসেছেন এবং বলেছেন, বদরের বন্দীদের বিষয়ে হত্যা বা মুক্তিপণের ক্ষেত্রে শর্ত হল যে, আগামীতে এদের থেকেও উক্ত পরিমাণ লোক নিহত হবে। সাহাবীরা বললেন, আমরা মুক্তিপণই গ্রহণ করলাম, আমাদের থেকে সমসংখ্যক লোক নিহত হলে হবে। এই বিষয়ে ইবনু মাসউদ, আনাস, আবূ বারযা ও জুবায়র ইবনু মুতইম রাদিয়াল্লাহু আনহ থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ছাওরীর হাদীস হিসাবে এই হাদীসটি হাসান-গারীব। ইবনু আবূ যাইদা (রহঃ) -এর বর্ণনা ছাড়া এটি সম্পকে আমাদের জানা নাই। আবূ উসামা (রহঃ) ও- আলী রাদিয়াল্লাহু আনহ সূত্রে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। ইবনু আওন (রহঃ) এটিকে ইবনু সীরীন-উবায়দা-আলী রাদিয়াল্লাহু আনহ সূত্রে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে মুরসাল রূপে বর্ণনা করেছেন। রাবী আবূ দাউদ হাফরী (রহঃ) -এর নাম হল উমার ইবনু সা‘দ।



হাদিসের মানঃ  তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!
দুঃখিত! আরবী অংশ এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।
দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সূনান তিরমিজী (ইফাঃ)
অধ্যায়ঃ ২৪/ অভিযান
হাদিস নম্বরঃ ১৫৭৪ | 1574 | ۱۵۷٤

১৫৭৪। ইবনু আবূ উমার (রহঃ) ইমরান ইবনু হুসায়ন রাদিয়াল্লাহু আনহ থেকে বর্ণিত যে, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একজন মুশরিকদের বিনিময়ে দুইজন মুসলমানকে ছাড়িয়ে এনেছিলেন। ইমাম ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান-সহীহ। রাবী আবূ কিলাবা (রহঃ) -এর চাচা হলে আবূ মুহাল্লাব। তার নাম হল আবদুর রহমান ইবনু আমর। তাকে মুআবিয়া ইবনু আমর বলা হয়। আর আবূ কিলাবা (রহঃ) -এর নাম হল আবদুল্লাহ ইবনু যায়দ আল জারমী (রহঃ) । অধিকাংশ সাহাবী ওঅপরাপর আলিম এতদনুসারে আমল করেছেন যে, ইমাম বা সরকার প্রদান যে কোন বন্দীর সম্পর্কে ইচ্ছা করেন তার উপর অনুগ্রহ প্রদর্শন করতে পারেন। তাদের মাঝে যাকে বিবেচনা করেন হত্যা করতে পারেন যাকে ইচ্ছা ফিদয়া নিয়ে ছেড়ে দিতে পারেন। তবে কতক আলিম পিদয়া-এর তুলনায় হত্যা করার বিধানটিকে অধিকতর গ্রহণীয় বলে মনে করেন। ইমাম আওযাঈ বলেন, আমার কাছে এই তথ্য পৌছেছে যে‘‘এরপর হয়ত অনুকম্পা প্রদর্শন নয়ত মুক্তিপণ’’ [সূরা মুহাম্মদ ৪৭/ ৪]-আয়াতটি মানসুক হয়ে গেছে। ‘‘এদের যেখানে পাও সেখানেই হত্যা কর’’ [সূরা বাকারা ২/২৯১] আয়াতের মাধ্যমে উপরোক্ত আয়াতটির বিধান রহিত হয়েছে। হান্নাদ (রহঃ) আওযাঈ (রহঃ) থেকে বর্ণিত যে, ইসহাক ইবনু মানসুর (রহঃ) বলেন, আমি ইমাম আহমাদ (রহঃ) -কে বললাম বন্দী হলে তাদের কতল করাটা বেশী ভাল মনে করেন না ফিদয়া নেওয়া অধিক পছন্দ করেন? তিনি বললেন, ফিদয়ার শক্তি রাখলে তবে তা নিয়ে ছেড়ে দেওয়াতেও কোন দোষ নেই আর যদি হত্যা করা হয় তবে তাতেও কোন দোষ মনে করি না। ইসহাক (রহঃ) বলেন, রক্ত প্রবাহিত করাই আমার নিকট অধিক প্রিয়। কিন্তু যদি লোকটি প্রসিদ্ধ হয় এবং তার বিষয়ে বহুবিধ আশা করা যায় তবে ভিন্ন কথা।



হাদিসের মানঃ  তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!
দুঃখিত! আরবী অংশ এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।
দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সূনান তিরমিজী (ইফাঃ)
অধ্যায়ঃ ২৪/ অভিযান
হাদিস নম্বরঃ ১৫৭৫ | 1575 | ۱۵۷۵

১৫৭৫। কুতায়বা (রহঃ) উমার রাদিয়াল্লাহু আনহ থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর কোন এক গাযওয়ায় (অভিযানে) এক মহিলাকে নিহত অবস্থায় পাওয়া গেল। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অসন্তুষ্টি প্রকাশ করেন এবং নারী ও শিশু হত্যা নিষিদ্ধ করে দেন। এই বিষয়ে বুরায়দা, রাবাহ বলা হয় রাবাহ ইবনু রাবী, আসওয়াদ ইবনু সারী‘, ইবনু আব্বাস, সাব ইবনু জাছছামা রাদিয়াল্লাহু আনহ থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান-সহীহ। কতক সাহাবী ও অপরাপর আলিম এতদনুসারে আমল করেছেন। তারা নারী ও শিশু হত্যা হারাম বলে মত প্রকাশ করেছেন। এ হলো সুফইয়া ছাওরী ও শাফিঈ (রহঃ) -এর অভিমত। কতক আলিম রাত্রে অতর্কিত আক্রমণ এবং এমতাবস্থায় নারী ও শিশু হত্যার অনুমোদন দিয়েছেন। এ হলো আহমদ ও ইসহাক (রহঃ) -এর অভিমত। তাঁরা উভয়েই রাত্রিতে অতর্কিত হামলা পরিচালনা করার অবকাশ রেখেছেন।



হাদিসের মানঃ  তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!
দুঃখিত! আরবী অংশ এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।
দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সূনান তিরমিজী (ইফাঃ)
অধ্যায়ঃ ২৪/ অভিযান
হাদিস নম্বরঃ ১৫৭৬ | 1576 | ۱۵۷٦

২৫৭৬। নাসর ইবনু আলী জাহযামী (রহঃ) ইবনু আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহ থেকে বর্ণিত যে, সা‘ব ইবনু জাছছামা রাদিয়াল্লাহু আনহ বলেছেন, আমি বললাম, ইয়া রাসূলুল্লাহ, আমাদের অশ্বারোহী বাহিনী মুশরিকদের মহিলা ও তাদের শিশুদের পদ দলিত করে বসেছে। তিনি বলেন, এরা তাদের পিতা-পিতামহদেরই শামিল। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান-সহীহ।



হাদিসের মানঃ  তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!
দুঃখিত! আরবী অংশ এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।
দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সূনান তিরমিজী (ইফাঃ)
অধ্যায়ঃ ২৪/ অভিযান
হাদিস নম্বরঃ ১৫৭৭ | 1577 | ۱۵۷۷

১৫৭৭। কুতায়বা (রহঃ) আবূ হুরায়লা রাদিয়াল্লাহু আনহ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে এক অভিযানে প্রেরণ করেন। তখন বলেছিলেন, অমুক অমুক দুই কুরায়শী ব্যক্তিকে যদি পাও তবে এদের আগুনে পুড়িয়ে ফেলবে। পরে আমরা যখন অভিযাত্রায় বের হওয়ার ইচ্ছা করলাম তখন তিনি বললেন, অমুক অমুককে আগুনে জ্বালিয়ে দিতে আমি তোমাদের নির্দেশ দিয়েছিলাম। অথচ আল্লাহ ছাড়া আর কেউ আগুনে শাস্তি দিতে পারেন না। সুতরাং তোমরা যদি এদের দুই জনকে পাও তবে এদের হত্যা করবে। এই বিষয়ে ইবনু আব্বাস ও হামযা ইবনু আমর আসলামী রাদিয়াল্লাহু আনহ থেকে হাদীস বর্ণিত আছে। আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহ বর্ণিত হাদীসটি হাসান-সহীহ। এতদনুসারোলিমগণ আমল করেছেন। মুহাম্মদ ইবনু ইসহাক (রহঃ) তাঁর সনদে সুলায়মান ইবনু ইয়াসার ৯ল) এবং আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহ-এর মাঝে আরেক ব্যক্তির উল্লেখ করেছেন। একাধিক রাবী এটিকে লায়স (রহঃ) -এর অনুরূপ রিওয়ায়াত করেছেন। লায়স ইবনু সা‘দ (রহঃ) -এর রিওয়ায়াতটই অধিকতর সামঞ্জস্য এবং সহীহ।



হাদিসের মানঃ  তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!
দুঃখিত! আরবী অংশ এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।
দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সূনান তিরমিজী (ইফাঃ)
অধ্যায়ঃ ২৪/ অভিযান
হাদিস নম্বরঃ ১৫৭৮ | 1578 | ۱۵۷۸

১৫৭৮। কুতায়বা (রহঃ) ছাওবান রাদিয়াল্লাহু আনহ থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কেউ যদি অহংকার, গনীমত সম্পদ আত্মসাদ ও ঋণ থেকে মুক্ত হয়ে মারা যায় তবে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। এই বিষয়ে আবূ হুরায়লা ও যায়দ ইবনু খালিদ জুহানী রাদিয়াল্লাহু আনহ থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে।



হাদিসের মানঃ  তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!
দুঃখিত! আরবী অংশ এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।
দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সূনান তিরমিজী (ইফাঃ)
অধ্যায়ঃ ২৪/ অভিযান
হাদিস নম্বরঃ ১৫৭৯ | 1579 | ۱۵۷۹

১৫৭৯। মুহাম্মদ ইবনু বাশশার (রহঃ) ছাওবান রাদিয়াল্লাহু আনহ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, সম্পদ পূঞ্জিভুত করে রাখা, গনীমত সম্পদ আত্মসাদ করা এবং ঋণ এই তিনটি বিষয় থেকে মুক্ত অবস্থায় কারো রূহ যদি দেহ থেকে পৃথক হয় তবে সে জান্নাতে দাখেল হবে। সাঈদ (রহঃ) তার বর্ণনায়(বা সম্পদ পূঞ্জিভুত করা) শব্দ আর আবূ আওয়ানা তার রিওয়ায়াতে (অহংকার) শব্দের উল্লেখ করেছেন। সাঈদ (রহঃ) -এর রিওয়ায়াতটি অধিকতর সহীহ।



হাদিসের মানঃ  তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!
দুঃখিত! আরবী অংশ এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।
দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সূনান তিরমিজী (ইফাঃ)
অধ্যায়ঃ ২৪/ অভিযান
হাদিস নম্বরঃ ১৫৮০ | 1580 | ۱۵۸۰

১৫৮০। হাসান ইবনু আলী (রহঃ) উমার ইবনু খাত্তাব রাদিয়াল্লাহু আনহ থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, বলা হল, ইয়া রাসূলুল্লাহ, অমুক ব্যক্তি শহীদ হয়ছে। তিনি বললেন, না, কখনো নয়। আমি তাকে গনীমতের মাল থেকে একটি আবা ( এক ধরণের পোষাক) আত্মসাদ করার কারণে আগুনে জ্বলতে দেখেছি। তিনি বললেন, হে আলী, দাঁড়াও এবং তিনবার করে ঘোষণা দাও জান্নাতে মু’মিন ছাড়া আর কেউ প্রবেশ করবে না। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান-সহীহ-গারীব



হাদিসের মানঃ  তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!
দুঃখিত! আরবী অংশ এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।
দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

হাদিস দেখানো হচ্ছে   [1571]  থেকে  [1580]  পর্যন্ত এবং সর্বমোট   [3606]  টি হাদিস পাওয়া গেছে।