• ৫৬৫১৩ টি সর্বমোট হাদিস আছেঃ
  • ৫৭৫৬ টি প্রশ্নোত্তর ও ফিকাহঃ

 

 

 

 


হাদীস (حَدِيْث) এর শাব্দিক অর্থ: নতুন, প্রাচীন ও পুরাতন এর বিপরীত বিষয়। এ অর্থে যে সব কথা, কাজ ও বস্ত্ত পূর্বে ছিল না, এখন অস্তিত্ব লাভ করেছে  তাই হাদীস। এর আরেক অর্থ হলো: কথা। ফক্বীহগণের পরিভাষায় নাবী কারীম () আল্লাহ্‌র রাসূল হিসেবে যা কিছু বলেছেন, যা কিছু করেছেন এবং যা কিছু বলার বা করার অনুমতি দিয়েছেন অথবা সমর্থন জানিয়েছেন তাকে হাদীস বলা হয়। কিন্তু মুহাদ্দিসগণ এর সঙ্গে রাসুলুল্লাহ () সম্পর্কিত বর্ণনা ও তার গুণাবলী সম্পর্কিত বিবরণকেও হাদীসের অন্তর্ভুক্ত করেন। এ হিসেবে হাদীসকে প্রাথমিক পর্যায়ে তিন শ্রেণীতে ভাগ করা যায়:

১। ক্বওলী হাদীস: কোন বিষয়ে রাসুলুল্লাহ () যা বলেছেন, অর্থাৎ যে হাদীসে তাঁর কোন কথা বিবৃত হয়েছে তাকে ক্বওলী (বাণী সম্পর্কিত) হাদীস বলা হয়।

২। ফেলী হাদীস: মহানাবী ()-এর কাজকর্ম, চরিত্র ও আচার-আচরণের ভেতর দিয়েই ইসলামের যাবতীয় বিধি-বিধান ও রীতিনীতি পরিস্ফুট হয়েছে। অতএব যে হাদীসে তাঁর কোন কাজের বিবরণ উল্লেখিত হয়েছে তাকে ফে’লী (কর্ম সম্পর্কিত) হাদীস বলা হয়।

৩। তাকরীরী হাদীস: সাহাবীগণের যে সব কথা বা কাজ নাবী কারীম ()-এর অনুমোদন ও সমর্থন প্রাপ্ত হয়েছে, সে ধরনের কোন কথা বা কাজের বিবরণ হতেও শরীয়াতের দৃষ্টিভঙ্গি জানা যায়। অতএব যে হাদীসে এ ধরনের কোন ঘটনার বা কাজের উল্লেখ পাওয়া যায় তাকে তাকরীরী (সমর্থন মূলক) হাদীস বলে।

সুন্নাহ (السنة): হাদীসের অপর নাম সুন্নাহ্ (السنة) সুন্নাত শব্দের অর্থ চলার পথ, কর্মের নীতি ও পদ্ধতি। যে পন্থা ও রীতি নাবী কারীম () অবলম্বন করতেন তাকে সুন্নাত বলা হয়। অন্য কথায় রাসুলুল্লাহ () প্রচারিত উচ্চতম আদর্শই সুন্নাত। কুরআন মাজিদে মহত্তম ও সুন্দরতম আদর্শ (أُسْوَةٌ حَسَنَةٌ) বলতে এই সুন্নাতকেই বুঝানো হয়েছে।

খবর (خبر): হাদীসকে আরবী ভাষায় খবরও (خبر) বলা হয়। তবে খবর শব্দটি হাদীস ও ইতিহাস উভয়টিকেই বুঝায়।

আসার (أثر ): আসার শব্দটিও কখনও কখনও রাসুলুল্লাহ () এর হাদীসকে নির্দেশ করে। কিন্তু অনেকেই হাদীস ও আসার এর মধ্যে কিছু পার্থক্য করে থাকেন। তাঁদের মতে- সাহাবীগণ থেকে শরীয়াত সম্পর্কে যা কিছু উদ্ধৃত হয়েছে তাকে আসার বলে।

 

ইলমে হাদীসের কতিপয় পরিভাষা

সাহাবী (صحابى):  যিনি ঈমানের সঙ্গে রাসুলুল্লাহ () এর সাহচর্য লাভ করেছেন এবং ঈমানের সঙ্গে মৃত্যুবরণ করেছেন তাঁকে রাসুলুল্লাহ ()-এর সাহাবী বলা হয়।

তাবেঈ (تابعى) : যিনি রাসুলুল্লাহ ()-এর কোন সাহাবীর নিকট হাদীস শিক্ষা করেছেন অথবা অন্ততপক্ষে তাঁকে দেখেছেন এবং মুসলমান হিসেবে মৃত্যুবরণ করেছেন তাঁকে তাবেঈ বলা হয়।

তাবে-তাবেঈ (تابعى تابع) : যিনি  কোন তাবেঈ এর নিকট হাদীস শিক্ষা করেছেন অথবা অন্ততপক্ষে তাঁকে দেখেছেন এবং মুসলমান হিসেবে মৃত্যুবরণ করেছেন তাঁকে তাবে-তাবেঈ বলা হয়।

মুহাদ্দিস (محدث) : যিনি হাদীস চর্চা করেন এবং বহু সংখ্যক হাদীসের সনদ ও মতন সম্পর্কে বিশেষ জ্ঞান রাখেন তাঁকে মুহাদ্দিস বলা হয়।

শাইখ (شيخ) : হাদীসের শিক্ষাদাতা রাবীকে শায়খ বলা হয়।

শাইখান (شيخان) : সাহাবীগনের মধ্যে আবূ বকর (রাঃ) ও উমর  (রাঃ)- কে একত্রে শাইখান বলা হয়। কিন্তু হাদীস শাস্ত্রে ইমাম বুখারী (রাহি.) ও ইমাম মুসলিম (রাহি.)-কে এবং ফিক্বহ-এর পরিভাষায় ইমাম আবূ হানীফা (রাহি.) ও আবূ ইউসুফ (রাহি.)-কে একত্রে শাইখান বলা হয়। 

হাফিয (حافظ) : যিনি সনদ ও মতনের বৃত্তান্ত সহ এক লাখ হাদীস আয়ত্ত করেছেন তাঁকে হাফিয বলা হয়।

হুজ্জাত (حجة) : অনুরূপভাবে যিনি তিন লক্ষ হাদীস আয়ত্ত করেছেন তাঁকে হুজ্জাত বলা হয়।  

হাকিম (حاكم) : যিনি সব হাদীস আয়ত্ত করেছেন তাকে হাকিম বলা হয়।

রিজাল (رجال) : হাদীসের রাবী সমষ্টিকে রিজাল বলে। যে শাস্ত্রে রাবীগণের জীবনী বর্ণনা করা হয়েছে তাকে আসমাউর-রিজাল বলা হয়।                                                                                 

রিওয়ায়াত (رواية): হাদীস বর্ণনা করাকে রিওয়ায়াত বলে। কখনও কখনও মূল হাদীসকেও রিওয়ায়াত বলা হয়। যেমন- এই কথার সমর্থনে একটি রিওয়ায়াত (হাদীস) আছে।                           

সনদ (سند): হাদীসের মূল কথাটুকু যে সূত্র পরম্পরায় গ্রন্থ সংকলনকারী পর্যন্ত পৌঁছেছে তাকে সনদ বলা হয়। এতে হাদীস বর্ণনাকারীদের নাম একের পর এক সজ্জিত থাকে।

মতন (متن): হাদীসে মূল কথা ও তার শব্দ সমষ্টিকে মতন বলে।

মারফূ (مرفوع): যে হাদীসের সনদ (বর্ণনা পরম্পরা) রাসুলুল্লাহ () পর্যন্ত পৌঁছেছে  তাকে মারফূ হাদীস বলে।

মাওকূফ (موقوف) : যে হাদীসের বর্ণনা- সূত্র ঊর্ধ্ব দিকে সাহাবী পর্যন্ত পৌঁছেছে , অর্থাৎ যে সনদ -সূত্রে কোন সাহাবীর কথা বা কাজ বা অনুমোদন বর্ণিত হয়েছে তাকে মাওকূফ হাদীস বলে। এর অপর নাম আসার।

মাকতূ (مقطوع): যে হাদীসের সনদ কোন তাবেঈ পর্যন্ত পৌঁছেছে, তাকে মাকতূ হাদীস বলা হয়।

তালীক (تعليق): কোন কোন গ্রন্থকার হাদীসের পূর্ণ সনদ বাদ দিয়ে কেবল মূল হাদীস বর্ণনা করেছেন। এরূপ করাকে তা’লীক বলা হয়।

মুদাল্লাস (مدلس): যে হাদীসের রাবী নিজের প্রকৃত শাইখের (উস্তাদের) নাম উল্লেখ না করে তার উপরস্থ শাইখের নামে এভাবে হাদীস বর্ণনা করেছেন যাতে মনে হয় যে, তিনি নিজেই উপরস্থ শাইখের নিকট তা শুনেছেন অথচ তিনি তাঁর নিকট সেই হাদীস শুনেন নি- সে হাদীসকে মুদাল্লাস হাদীস এবং এইরূপ করাকে ‘তাদ্লীস’ আর যিনি এইরূপ করেন তাকে মুদালস্নীস বলা হয়।

মুযতারাব (مضطرب): যে হাদীসের রাবী হাদীসের মতন ও সনদকে বিভিন্ন প্রকারে বর্ণনা করেছেন সে হাদীসকে হাদীসে মুযতারাব বলা হয়। যে পর্যন্ত না এর কোনরূপ সমন্বয় সাধন সম্ভবপর হয়, সে পর্যন্ত এই হাদীসের ব্যাপারে অপেক্ষা করতে হবে অর্থাৎ এই ধরনের রিওয়ায়াত প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না।

মুদ্রাজ (مدرج): যে হাদীসের মধ্যে রাবী নিজের অথবা অপরের উক্তিকে অনুপ্রবেশ করিয়েছেন, সে হাদীসকে মুদ্রাজ এবং এইরূপ করাকে ‘ইদরাজ’ বলা হয়।

মুত্তাসিল (متصل): যে হাদীসের সনদের ধারাবাহিকতা প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত পূর্ণরূপে রক্ষক্ষত আছে, কোন সত্মরেই কোন রাবীর নাম বাদ পড়ে নি তাকে মুত্তাসিল হাদীস বলে।

মুনকাতি (منقطع): যে হাদীসের সনদে ধারাবাহিকতা রক্ষিত হয় নি, মাঝখানে কোন এক স্তরে কোন রাবীর নাম বাদ পড়েছে, তাকে মুনকাতি হাদীস, আর এই বাদ পড়াকে ইনকিতা বলা হয়।

মুরসাল (مرسل): যে হাদীসের সনদে ইনকিতা শেষের দিকে হয়েছে, অর্থাৎ সাহাবীর নাম বাদ পড়েছে এবং তাবেঈ সরাসরি রাসুলুল্লাহ () এর উল্লেখ করে হাদীস বর্ণনা করেছেন তাকে মুরসাল হাদীস বলা হয়।

মুআল্লাক ( معلق ) : সনদের ইনকিতা প্রথম দিকে  হলে, অর্থাৎ সাহাবীর পর এক বা একাধিক রাবীর নাম বাদ পড়লে তাকে মু’আল্লাক হাদীস বলা হয়।

মুদাল (معضل): যে হাদীসে দুই বা ততোধিক রাবী ক্রমান্বয়ে সনদ থেকে বাদ পড়েছে তাকে মু‘দাল হাদীস বলে।

মুতাবি ও শাহিদ (متابع و شاهد): এক রাবীর হাদীসের অনুরূপ যদি অপর রাবীর কোন হাদীস পাওয়া যায় তবে দ্বিতীয় রাবীর হাদীসকে প্রথম রাবীর হাদীসের মুতাবি বলা হয়। যদি উভয় হাদীসের মূল রাবী অর্থাৎ সাহাবী একই ব্যক্তি না হয় তবে দ্বিতীয় ব্যক্তির হাদীসকে শাহিদ বলে। আর এইরূপ হওয়াকে শাহাদাত বলে। মুতাবা’আত ও শাহাদাত দ্বারা প্রথম হাদীসটির শক্তি বৃদ্ধি পায়।

মারূফ ও মুনকার (معروف و منكر): কোন দুর্বল রাবীর বর্ণিত হাদীস অপর কোন মাকবূল (গ্রহণযোগ্য) রাবীর বর্ণিত হাদীসের বিরোধী হলে তাকে মুনকার বলা হয় এবং মাকবূল রাবীর হাদীসকে মা‘রূফ বলা হয়।

সহীহ (صحيح) : যে মুত্তাসিল হাদীসের সনদে উল্লেখিত প্রত্যেক রাবীই পূর্ণ আদালত ও যাবত (ধারণ ক্ষমতা) গুণ সম্পন্ন এবং হাদীসটি যাবতীয় দোষত্রুটি ও শায মুক্ত তাকে সহীহ হাদীস বলে।

হাসান (حسن) : যে হাদীসের মধ্যে রাবীর যাবত (ধারণ ক্ষমতা) এর গুণ ব্যতীত সহীহ হাদীসের সমস্ত শর্তই পরিপূর্ণ রয়েছে তাকে হাসান হাদীস বলা হয়। ফক্বীহগণ সাধারণত সহীহ ও হাসান হাদীসের ভিত্তিতে শরীয়াতের বিধান নির্ধারণ  করেন।

যঈফ (ضعيف ) : যে হাদীসের রাবী কোন হাসান হাদীসের রাবীর গুণসম্পন্ন নন তাকে যঈফ হাদীস বলে।

মাওযূ ( موضوع ) : যে হাদীসের রাবী জীবনে কখনও ইচ্ছাকৃতভাবে রাসুলুল্লাহ ()-এর নামে মিথ্যা কথা রটনা করেছেন বলে প্রমাণিত হয়েছে, তার বর্ণিত হাদীসকে মাওযূ‘ হাদীস বলে।

 

রাবীর সংখ্যা বিচারে হাদীস প্রধানত দুপ্রকার। যথা: ১. মুতওয়াতির (متواتر) ও ২. আহাদ (أحاد)

১. মুতওয়াতির (متواتر): বৃহৎ সংখ্যক রাবীর বর্ণিত হাদীস, মিথ্যার ব্যাপারে যাদের উপর একাট্টা হওয়া অসম্ভব, সনদের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত এ সংখ্যা বিদ্যমান থাকলে হাদীসকে মুতওয়াতির (متواتر) বলা হয়।

২. আহাদ (أحاد): أحاد তিন প্রকার। যথা:

মাশহুর (مشهور): যে কোন স্তরে হাদীস বর্ণনা কারীর সংখ্যা যদি দুই এর অধিক হয়, কিন্তু মুতওয়াতির এর পর্যায়ে পৌঁছে না তাকে মাশহুর (مشهور) বলে।

আযীয (عزيز): যে কোন স্তরে হাদীস বর্ণনা কারীর সংখ্যা যদি দু‘জন হয় ।

গরীব (غريب): যে কোন স্তরে হাদীস বর্ণনা কারীর সংখ্যা যদি এক জন হয় ।

শায (شاذ): একাধিক নির্ভরযোগ্য রাবীর বিপরীত একজন নির্ভরযোগ্য রাবীর বর্ণনাকে শায হাদীস বলে।

 কিয়াস (قياس): অর্থ অনুমান, পরিমাপ, তুলনা ইত্যাদি। পরিভাষায়: শাখাকে মূলের সঙ্গে তুলনা করা, যার ফলে শাখা ও মূল একই হুকুমের অমত্মর্ভুক্ত হয়ে যায়।

তাক্বলীদ (تقليد): দলীল উল্লেখ ছাড়াই কোন ব্যক্তির মতামতকে গ্রহণ করা।

ইজতিহাদ (اجتهاد): উদ্দিষ্ট জ্ঞান অর্জনের প্রচেষ্টা চালানোকে ইজতিহাদ বলে।

শরীয়াত (شريعة): অর্থ: আইন, বিধান, পথ, পন্থা ইত্যাদি। পরিভাষায়: মহান আল্লাহ্‌ স্বীয় দীন হতে বান্দার জন্য যা বিধিবদ্ধ করে দিয়েছেন তাকে শরীয়াত বলে।

মাযহাব (مذهب): অর্থ- মত, পথ, মতবাদ ইত্যাদি। ফিক্বহী পরিভাষায়: ইবাদাত ও মু‘আমালাতের ক্ষেত্রে শারঈ হুকুম পালনের জন্য বান্দা যে পথ অনুসরণ করে এবং প্রত্যেক দলের জন্য একজন ইমামের উপর অথবা ইমামের ওসীয়ত কিংবা ইমামের প্রতিনিধির উপর নির্ভর করে তাকে মাযহাব বলে।

নাযর (نذر): কোন বিষয়ে উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য চিন্তা-ভাবনা করাকে নাযর বলে।

আম (عام): সীমাবদ্ধ করা ছাড়াই যা দুই বা ততোধিক বিষয়কে অন্তর্ভুক্ত করে তাকে আম বলে।

খাস (خاص): আম এর বিপরীত, যা নির্দিষ্ট বিষয়কে অন্তর্ভুক্ত করে।

ইজমা (اجماع): কোন এক যুগে আলিমদের কোন শারঈ বিষয়ের উপর এক মত পোষণ করাকে ইজমা বলে।

মুসনাদ (مسند): যার সনদগুলো পরস্পর এমনভাবে মিলিত যে, প্রত্যেকের বর্ণনা সুস্পষ্ট।

ফিক্বহ (فقه): ইজতিহাদ বা গবেষণার পদ্ধতিতে শারঈ হুকুম সম্পর্কে জানার বিধানকে ফিক্বহ বলে।

আসল বা মূল (اصل): এমন প্রথম বিষয়, যার উপর ভিত্তি করে কোন কিছু গড়ে উঠে। যেমন- দেয়ালের ভিত্তি।

ফারা বা শাখা (فرع): আসলের বিপরীত যা কোন ভিত্তির উপর গড়ে উঠে।

ওয়াজিব (واجب): যা আমল করলে সাওয়াব পাওয়া যাবে আর পরিত্যাগ করলে শাস্তি পাওয়া যাবে।

মানদূব (مندوب): যা আমল করলে সাওয়াব পাওয়া যাবে আর পরিত্যাগ করলে শাস্তি হবে না।

মাহযূর (محظور): যা পরিত্যাগ করলে সাওয়াব পাওয়া যাবে আর আমল করলে শাস্তি পাওয়া যাবে।

মাকরূহ (مكروه): যা পরিত্যাগ করলে সাওয়াব পাওয়া যাবে আর আমল করলে শাস্তি হবে না।

ফাৎওয়া (فتوى): জিজ্ঞাসিত ব্যক্তির নিকট থেকে দলীল ভিত্তিক শারঈ হুকুম সুস্পষ্ট বর্ণনা করে নেয়াকে ফাৎওয়া বলে।

নাসিখ (ناسخ): পরিবর্তিত শারঈ দলীল যা পূববর্তী শারঈ হুকুমকে রহিত করে দেয় তাকে নাসিখ বলে।

মানসূখ (منسوخ): আর যে হুকুমটি রহিত হয়ে যায় সেটাই মানসূখ।

মুতলাক্ব (مطلق): যা প্রকৃতিগত দিক থেকে জাতির সকলকে অন্তর্ভুক্ত  করে কিন্তু অনির্দিষ্টভাবে একটি অর্থকে বুঝায়।

মুকাইয়্যাদ (مقيد): যা মুতলাক্বের বিপরীত অর্থাৎ জাতির সকলকে অন্তর্ভুক্ত  করে না। বরং নির্দিষ্ট একটি অর্থকে বুঝায়।

হাক্বীকাত (حقيقة): শব্দকে আসল অর্থে ব্যবহার করাকে হাক্বীকত বলে। যেমন- সিংহ শব্দটি এক প্রজাতির হিংস্র প্রাণীকে বুঝায়।

মাজায (مجاز): শব্দ যখন আসল অর্থকে অতিক্রম করে তার সাথে সাদৃশ্য রাখে এমন অর্থ প্রকাশ করে তখন তাকে মাজায বলে। যেমন- সাহসী লোককে সিংহের সাথে তুলনা করা।

হাদিসের পরিসংখ্যান

সর্বমোট হাদিস পাওয়া গেছেঃ [2400] টি | অধ্যায়ঃ ১৮/ ভয়কালীন নামাজ
গ্রন্থঃ সূনান নাসাঈ | দেখানো হচ্ছে   [1541]  থেকে  [1550]  পর্যন্ত
প্রতি পাতাতে টি হাদিস

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সূনান নাসাঈ
অধ্যায়ঃ ১৮/ ভয়কালীন নামাজ
হাদিস নম্বরঃ ১৫৪০ | 1540 | ۱۵٤۰

১৫৪০। আব্দুল্লাহ ইবনু মুহাম্মাদ (রহঃ) ঐ সাহাবী যিনি যাতুর রিকার জিহাদের দিন রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) -এর সাথে ভয়কালীন সালাত আদায় করেছিলেন, তার থেকে বর্ণিত যে, একদল রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) -এর সাথে কাতারবন্দী হয়ে দাড়িয়ে গেল। আর একদল শক্রর মুখোমুখী (দাঁড়িয়ে গেল) যারা তার সাথে ছিল তিনি তাদের নিয়ে এক রাকআত সালাত আদায় করলেন। তারপর তিনি ঠায় দাড়িয়ে রইলেন এবং তারা নিজেদের সালাত পূর্ণ করে নিল। তারপর তারা ফিরে গিয়ে শক্রর ঘুখোমুখী কাতারবন্দী হয়ে দাঁড়িয়ে গেল আর দ্বিতীয় দল এসে গেলে তিনি তাদের নিয়ে ঐ রাকআত আদায় করে নিলেন- যে রাকআত তার সালাত থেকে অবশিষ্ট রয়ে গিয়েছিল। তারপর তিনি ঠায় বসে রইলেন এবং তারা নিজেদের অবশিষ্ট সালাত পূর্ন করে নিল। তারপর তিনি তাদের নিয়ে সালাম ফিরালেন।



হাদিসের মানঃ  তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!
দুঃখিত! আরবী অংশ এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।
দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সূনান নাসাঈ
অধ্যায়ঃ ১৮/ ভয়কালীন নামাজ
হাদিস নম্বরঃ ১৫৪১ | 1541 | ۱۵٤۱

১৫৪১। ইসমাঈল ইবনু মাসউদ (রহঃ) সালিমের পিতা থেকে বর্ণিত যে, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) দুই দলের একটির সাথে এক রাকআত সালাত আদায় করলেন, আর একদল। শক্রর মুখৈামুখী। তারপর এরা চলে গেল এবং ওদের স্থানে দাড়িয়ে গেল, এবং ওরা এসে গেল, তখন তিনি তাদের নিয়ে এক রাকআত সালাত আদায় করলেন- তারপর তাদের নিয়ে সালাম ফিরালেন। তারপর এরা দাড়িয়ে গেল এবং নিজেদের রাকআত পূর্ণ করে নিল, তারপর (যারা শক্রর মুখোমুখি ছিল) তারা এসে নিজেদের রাকআত পূর্ণ করে নিল।



হাদিসের মানঃ  তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!
দুঃখিত! আরবী অংশ এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।
দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সূনান নাসাঈ
অধ্যায়ঃ ১৮/ ভয়কালীন নামাজ
হাদিস নম্বরঃ ১৫৪২ | 1542 | ۱۵٤۲

১৫৪২। কাছীর ইবনু উবায়দ (রহঃ) আব্দুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নজদের দিকে রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) -এর সাথে এক জিহাদে গিয়েছিলাম। যখন আমরা শক্রর মুখোমুখী হলাম এবং তাদের সামনে কাতারবন্দী হয়ে দাড়িয়ে গেলাম, তখন রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাদের নিয়ে সাহলতে দাড়িয়ে গেলেন। তার সাথে আমাদের একদলও দাড়িয়ে গেল এবং অন্য দল শক্রর সামনে চলে গেল। তখন রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এবং তার সাথে যারা ছিল তারা একটি রুকু এবং একটি সিজদা করল। তারপর এরা চলে গেল, তাদের স্থানে যারা সালাত আদায় করেনি। আর ঐগ্রুপ আসল যারা সালাত আদায় করেছিলেন। তখন তিনি তাদের নিয়ে একটি রুকু এবং একটি সিজদা আদায় করলেন। তারপর রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সালাম ফিরালেন। তখন প্রত্যেক মুসলমান দাঁড়িয়ে গেল এবং নিজেদের একটি রুকু ও একটি সিজদা আদায় করে নিল।



হাদিসের মানঃ  তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!
দুঃখিত! আরবী অংশ এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।
দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সূনান নাসাঈ
অধ্যায়ঃ ১৮/ ভয়কালীন নামাজ
হাদিস নম্বরঃ ১৫৪৩ | 1543 | ۱۵٤۳

১৫৪৩। মুহাম্মাদ ইবনু আব্দুল্লাহ (রহঃ) যুহরি (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আব্দুল্লাহ ইবনু উমর (রাঃ) বর্ননা করতেন যে, তিনি (একবার) রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর সাথে ভয়কালীন সালাত আদায় করেছিলেন। তিনি বলেন, নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাকবীর বললেন এবং তার পেছনে আমাদের একটি গেল কাতারবদী হয়ে দাড়িয়ে গেল। আর একদল শক্রর মুখোমুখী দাড়িয়ে গেল। তখন রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাদের নিয়ে একটি রুকু এবং একটি সিজদা করলেন। তারপর এরা ফিরে গেল এবং শত্রুর মুখোমুখী দাড়িয়ে গেল। আর দ্বিতীয় দল এলে গেল এবং নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) -এর সাথে সালাত আদায় করল ও অনুরুপ করলেন। তারপর তিনি সালাম ফিরালেন। তারপর উভয় গ্রুপের প্রত্যেকে দাড়িয়ে গেল এবং নিজেদের একটি রুকু এবং একটি সিজদা আদায় করে নিল।



হাদিসের মানঃ  তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!
দুঃখিত! আরবী অংশ এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।
দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সূনান নাসাঈ
অধ্যায়ঃ ১৮/ ভয়কালীন নামাজ
হাদিস নম্বরঃ ১৫৪৪ | 1544 | ۱۵٤٤

১৫৪৪। ইমরান ইবনু বাক্কার (রহঃ) আব্দুল্লাহ ইবনু উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) (একবার) ভয়কালীন সালাত আদায় করলেন, তিনি দাড়ালেন ও তাকবীর বললেন তখন তার পেছনে আমাদের একদল সালাত আদায় করল। আর অন্যদল শক্রর মুখোমুখী। তখন রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাদের নিয়ে একটি রুকু ও দুটি সিজদা করলেন। তারপর এরা ফিরে গেল এবং সালাম ফিরালেন না ও শক্রর মুখোমুখী দাড়িয়ে গেল। আর তাদের স্থানে কাতারবন্দী হয়ে গেল। আর দ্বিতীয় দল এসে গেল এবং রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) -এর পেছনে কাতারবন্দী হয়ে দাড়িয়ে গেল। তখন রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাদের নিয়ে একটি রুকু এবং দু'টি সিজদা আদায় করলেন। তারপর রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সালাম ফিরালেন ইত্যবসরে তিনি দু'টি রুকু এবং চারটি সিজদা পূর্ণ করে ফেলেছিলেন। তারপর উভয় দল দাড়িয়ে গেল এবং তাদের প্রত্যেকে নিজেদের একটি একটি রুকু এবং দু'টি সিজদা আদায় করে নিল।



হাদিসের মানঃ  তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!
দুঃখিত! আরবী অংশ এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।
দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সূনান নাসাঈ
অধ্যায়ঃ ১৮/ ভয়কালীন নামাজ
হাদিস নম্বরঃ ১৫৪৫ | 1545 | ۱۵٤۵

১৫৪৫। আব্দুল্লাহ ইবনু ওয়াসিল (রহঃ) ইবনু উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কোন একদিন ভয়কালীন সালাত আদায় করেন। তখন তার সাথে একদল দাড়িয়ে গেল এবং অন্য আর একদল শক্রর মুখোমুখী দাড়িয়ে গেল। তখন তিনি যারা তার সাথে ছিল তাদের নিয়ে এক রাকআত সালাত আদায় করলেন। তারপর তাঁরা চলে গেল এবং অন্য দল এসে গেল। তখন তিনি তাদের নিয়ে এক রাকআত সালাত আদায় করলেন, তারপর উভয় দল এক এক রাকআত সালাত পূর্ণ করে নিল।



হাদিসের মানঃ  তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!
দুঃখিত! আরবী অংশ এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।
দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সূনান নাসাঈ
অধ্যায়ঃ ১৮/ ভয়কালীন নামাজ
হাদিস নম্বরঃ ১৫৪৬ | 1546 | ۱۵٤٦

১৫৪৬। উবায়দুল্লাহ ইবনু ফাদালাহ এবং মুহাম্মাদ ইবনু আব্দুল্লাহ (রহঃ) মারওয়ান ইবনু হাকাম (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণিত যে, তিনি আবূ হুরায়রা (রাঃ)-কে প্রশ্ন করলেন যে, আপনি কি রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) -এর সাথে ভয়কালীন সালাত আদায় করেছিলেন? তখন আবূ হুরায়রা (রাঃ) বললেন, হ্যা; তিনি প্রশ্ন করলেন, কখন? তিনি বললেন, নজদের জিহাদের বৎসর রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আসরের সালাতে দাড়ালেন এবং তার সাথে একটি দল দাড়িয়ে গেল। আর অন্য দল শক্রর মুখোমুখী দাঁড়িয়ে গেল। আর তাদের পিঠ কিবলা মুখি ছিল। তখন! রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাকবীর বললেন। যারা তার সাথে ছিল তারাও সকলে তাকবীর বলল। আর যারা শক্রর মুখোমুখী ছিল তারাও। তারপর রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) একটি রুকু আদায় করলেন এবং যারা তার সাথে ছিল তারাও তার সাথেএকটি রুকু আদায় করল। তারপর তিনি সিজদা করলেন এবং যে দল তারসাথে ছিল। তারাও সিজদা করল। আর দ্বিতীয় দল শক্রর মুখোমুখী দাড়িয়ে রইল। তারপর রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) দাঁড়িয়ে গেলেন এবং যে দল তার সাথে ছিল তারাও দাড়িয়ে গেল এবং শক্রর অভিমুখে চলে গেল এখং তাদের মুখৈামুখী হলো। আর যে দল শক্রর মুখোমুখী ছিল তারা এসে গেল এবং রুকু ও সিজদা করল। আর রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যেরুপ ছিলেন সেরুপ দাড়িয়ে রইলেন। তারপর তারাও দাড়িয়ে গেল তো রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) দ্বিতীয় আরও একটি রুকু আদায় করলেন, আর তারাও তার সাথে একটি রুকু আদায় করলেন এবং তিনি সিজদা করলেন তো তারাও তার সাথে সিজদা করল। তারপর ঐ গ্রুপ আসল যারা শক্রর মুখোমুখী ছিল। তারা রুকু করল ও সিজদা করল, আর রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এবং যারা তার সাথে ছিল তারা বসে রইল। তারপর সালাম ফিরানো বাকী থাকলে রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সালাম ফিরালেন এবং সকলে সালাম ফিরালেন। তখন রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) -এর দু'রাকআত আদায় হয়েছিল আর উভয় দলের প্রত্যেকেরও দু'দু'রাকআত আদায় হয়েছিল।



হাদিসের মানঃ  তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!
দুঃখিত! আরবী অংশ এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।
দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সূনান নাসাঈ
অধ্যায়ঃ ১৮/ ভয়কালীন নামাজ
হাদিস নম্বরঃ ১৫৪৭ | 1547 | ۱۵٤۷

১৫৪৭। আব্বাস ইবনু আব্দুল আজীম (রহঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) মুশরিকদের অবরোধ করে দাজনান পর্বত এবং উসফান নামক স্থানের মাঝামাঝি স্থানে অবস্হনি করছিলেন। তখন মুশরিকরা বলল যে, এদের জন্য এমন একটি সালাত (আসর) রয়েছে, যা তাদের কাছে তাদের সন্তান-সন্ততি এবং কুমারী স্ত্রী হতেও বেশী প্রিয়। তোমরা দৃঢ় সিদ্ধান্ত নাও। তারপর তাদের উপর একযোগে ঝাঁপিয়ে পড়। তখন জিবরাঈল (আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এসে তাকে বললেন যেন তিনি তার সাহাবাদের দু'দলে বিভক্ত করে দেন এবং তাদের একদলকে নিয়ে সালাত আদায় করেন ও আর একদল যেন তাদের শক্রর মুখোমুখী থাকে। তারা সতর্ক ও সশস্ত্র থাকবে আর তিনি তাদের নিয়ে এক রাকআত সালাত আদায় করবেন। তারপর এরা পিছে সরে যাবে এবং তারা (অন্য দল) সামনে আসবে এবং তাদের নিয়ে তিনি এক রাকআত সালাত আদায় করবেন। তাদের জন্য হবে এক এক রাকআত করে আর নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) -এর হবে দু'রাকআত।



হাদিসের মানঃ  তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!
দুঃখিত! আরবী অংশ এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।
দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সূনান নাসাঈ
অধ্যায়ঃ ১৮/ ভয়কালীন নামাজ
হাদিস নম্বরঃ ১৫৪৮ | 1548 | ۱۵٤۸

১৫৪৮। ইবরাহীম ইবনু হাসান (রহঃ) জাবির ইবনু আব্দুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) (একবার) তাদের সাথে ভয়কালীন সালাত আদায় করলেন। তখন তার সামনে এক কাতার এবং তার পেছনে অন্য আর এক কাতার দাঁড়িয়ে গেল। তিনি যারা তার পেছনে ছিল তাদের নিয়ে একটি রুকু এবং দুটি সিজদা আদায় করলেন। তারপর এরা সামনে এসে গেল এবং তাদের সাথীদের স্থানে দাড়িয়ে গেল। আর তারা এসে গেল এবং এদের স্থানে দাঁড়িয়ে গেল। রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাদের নিয়েও একটি রুকু এবং দু'টো সিজদা আদায় করলেন। তারপর সালাম ফিরালেন। এভাবে রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) -এর দু'রাকআত এবং তাদের হল এক এক রাকআত।



হাদিসের মানঃ  তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!
দুঃখিত! আরবী অংশ এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।
দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সূনান নাসাঈ
অধ্যায়ঃ ১৮/ ভয়কালীন নামাজ
হাদিস নম্বরঃ ১৫৪৯ | 1549 | ۱۵٤۹

১৫৪৯। আহমদ ইবনু মিকদাম (রহঃ) জাবির ইবনু আব্দুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা একবার রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) –এর সাথে ছিলাম, তখন সালাতের ইকামত দেওয়া হলো। তখন রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) দাঁড়িয়ে গেলেন এবং তার পেছনে একটি দল দাঁড়িয়ে গেল। আর একটি দল শক্রর মুখোমুখী। তখন রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যারা তার পেছনে ছিল তাদের নিয়ে একটি রুকু এবং দু'টা সিজদা করলেন। তারপর এরা চলে গেল এবং যারা শক্রর মুখোমুখী ছিল, তাদের স্থানে ফিরে গেল। আর ঐ দল যারা শক্রর মুখোমুখী ছিল, তারা এসে গেল। তখন রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাদের নিয়ে একটি রুকু এবং দু'টি সিজদা কবলেন। তারপর রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সালাম ফিরিয়ে ফেললেন, যারা তার পেছনে ছিল তারাও সালাম ফিরিয়ে ফেলল এবং অন্য দলও সালাম ফিরিয়ে ফেলল।



হাদিসের মানঃ  তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!
দুঃখিত! আরবী অংশ এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।
দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

হাদিস দেখানো হচ্ছে   [1541]  থেকে  [1550]  পর্যন্ত এবং সর্বমোট   [2400]  টি হাদিস পাওয়া গেছে।