• ৫৬৫১৩ টি সর্বমোট হাদিস আছেঃ
  • ৫৭৫৬ টি প্রশ্নোত্তর ও ফিকাহঃ

 

 

 

 


হাদীস (حَدِيْث) এর শাব্দিক অর্থ: নতুন, প্রাচীন ও পুরাতন এর বিপরীত বিষয়। এ অর্থে যে সব কথা, কাজ ও বস্ত্ত পূর্বে ছিল না, এখন অস্তিত্ব লাভ করেছে  তাই হাদীস। এর আরেক অর্থ হলো: কথা। ফক্বীহগণের পরিভাষায় নাবী কারীম () আল্লাহ্‌র রাসূল হিসেবে যা কিছু বলেছেন, যা কিছু করেছেন এবং যা কিছু বলার বা করার অনুমতি দিয়েছেন অথবা সমর্থন জানিয়েছেন তাকে হাদীস বলা হয়। কিন্তু মুহাদ্দিসগণ এর সঙ্গে রাসুলুল্লাহ () সম্পর্কিত বর্ণনা ও তার গুণাবলী সম্পর্কিত বিবরণকেও হাদীসের অন্তর্ভুক্ত করেন। এ হিসেবে হাদীসকে প্রাথমিক পর্যায়ে তিন শ্রেণীতে ভাগ করা যায়:

১। ক্বওলী হাদীস: কোন বিষয়ে রাসুলুল্লাহ () যা বলেছেন, অর্থাৎ যে হাদীসে তাঁর কোন কথা বিবৃত হয়েছে তাকে ক্বওলী (বাণী সম্পর্কিত) হাদীস বলা হয়।

২। ফেলী হাদীস: মহানাবী ()-এর কাজকর্ম, চরিত্র ও আচার-আচরণের ভেতর দিয়েই ইসলামের যাবতীয় বিধি-বিধান ও রীতিনীতি পরিস্ফুট হয়েছে। অতএব যে হাদীসে তাঁর কোন কাজের বিবরণ উল্লেখিত হয়েছে তাকে ফে’লী (কর্ম সম্পর্কিত) হাদীস বলা হয়।

৩। তাকরীরী হাদীস: সাহাবীগণের যে সব কথা বা কাজ নাবী কারীম ()-এর অনুমোদন ও সমর্থন প্রাপ্ত হয়েছে, সে ধরনের কোন কথা বা কাজের বিবরণ হতেও শরীয়াতের দৃষ্টিভঙ্গি জানা যায়। অতএব যে হাদীসে এ ধরনের কোন ঘটনার বা কাজের উল্লেখ পাওয়া যায় তাকে তাকরীরী (সমর্থন মূলক) হাদীস বলে।

সুন্নাহ (السنة): হাদীসের অপর নাম সুন্নাহ্ (السنة) সুন্নাত শব্দের অর্থ চলার পথ, কর্মের নীতি ও পদ্ধতি। যে পন্থা ও রীতি নাবী কারীম () অবলম্বন করতেন তাকে সুন্নাত বলা হয়। অন্য কথায় রাসুলুল্লাহ () প্রচারিত উচ্চতম আদর্শই সুন্নাত। কুরআন মাজিদে মহত্তম ও সুন্দরতম আদর্শ (أُسْوَةٌ حَسَنَةٌ) বলতে এই সুন্নাতকেই বুঝানো হয়েছে।

খবর (خبر): হাদীসকে আরবী ভাষায় খবরও (خبر) বলা হয়। তবে খবর শব্দটি হাদীস ও ইতিহাস উভয়টিকেই বুঝায়।

আসার (أثر ): আসার শব্দটিও কখনও কখনও রাসুলুল্লাহ () এর হাদীসকে নির্দেশ করে। কিন্তু অনেকেই হাদীস ও আসার এর মধ্যে কিছু পার্থক্য করে থাকেন। তাঁদের মতে- সাহাবীগণ থেকে শরীয়াত সম্পর্কে যা কিছু উদ্ধৃত হয়েছে তাকে আসার বলে।

 

ইলমে হাদীসের কতিপয় পরিভাষা

সাহাবী (صحابى):  যিনি ঈমানের সঙ্গে রাসুলুল্লাহ () এর সাহচর্য লাভ করেছেন এবং ঈমানের সঙ্গে মৃত্যুবরণ করেছেন তাঁকে রাসুলুল্লাহ ()-এর সাহাবী বলা হয়।

তাবেঈ (تابعى) : যিনি রাসুলুল্লাহ ()-এর কোন সাহাবীর নিকট হাদীস শিক্ষা করেছেন অথবা অন্ততপক্ষে তাঁকে দেখেছেন এবং মুসলমান হিসেবে মৃত্যুবরণ করেছেন তাঁকে তাবেঈ বলা হয়।

তাবে-তাবেঈ (تابعى تابع) : যিনি  কোন তাবেঈ এর নিকট হাদীস শিক্ষা করেছেন অথবা অন্ততপক্ষে তাঁকে দেখেছেন এবং মুসলমান হিসেবে মৃত্যুবরণ করেছেন তাঁকে তাবে-তাবেঈ বলা হয়।

মুহাদ্দিস (محدث) : যিনি হাদীস চর্চা করেন এবং বহু সংখ্যক হাদীসের সনদ ও মতন সম্পর্কে বিশেষ জ্ঞান রাখেন তাঁকে মুহাদ্দিস বলা হয়।

শাইখ (شيخ) : হাদীসের শিক্ষাদাতা রাবীকে শায়খ বলা হয়।

শাইখান (شيخان) : সাহাবীগনের মধ্যে আবূ বকর (রাঃ) ও উমর  (রাঃ)- কে একত্রে শাইখান বলা হয়। কিন্তু হাদীস শাস্ত্রে ইমাম বুখারী (রাহি.) ও ইমাম মুসলিম (রাহি.)-কে এবং ফিক্বহ-এর পরিভাষায় ইমাম আবূ হানীফা (রাহি.) ও আবূ ইউসুফ (রাহি.)-কে একত্রে শাইখান বলা হয়। 

হাফিয (حافظ) : যিনি সনদ ও মতনের বৃত্তান্ত সহ এক লাখ হাদীস আয়ত্ত করেছেন তাঁকে হাফিয বলা হয়।

হুজ্জাত (حجة) : অনুরূপভাবে যিনি তিন লক্ষ হাদীস আয়ত্ত করেছেন তাঁকে হুজ্জাত বলা হয়।  

হাকিম (حاكم) : যিনি সব হাদীস আয়ত্ত করেছেন তাকে হাকিম বলা হয়।

রিজাল (رجال) : হাদীসের রাবী সমষ্টিকে রিজাল বলে। যে শাস্ত্রে রাবীগণের জীবনী বর্ণনা করা হয়েছে তাকে আসমাউর-রিজাল বলা হয়।                                                                                 

রিওয়ায়াত (رواية): হাদীস বর্ণনা করাকে রিওয়ায়াত বলে। কখনও কখনও মূল হাদীসকেও রিওয়ায়াত বলা হয়। যেমন- এই কথার সমর্থনে একটি রিওয়ায়াত (হাদীস) আছে।                           

সনদ (سند): হাদীসের মূল কথাটুকু যে সূত্র পরম্পরায় গ্রন্থ সংকলনকারী পর্যন্ত পৌঁছেছে তাকে সনদ বলা হয়। এতে হাদীস বর্ণনাকারীদের নাম একের পর এক সজ্জিত থাকে।

মতন (متن): হাদীসে মূল কথা ও তার শব্দ সমষ্টিকে মতন বলে।

মারফূ (مرفوع): যে হাদীসের সনদ (বর্ণনা পরম্পরা) রাসুলুল্লাহ () পর্যন্ত পৌঁছেছে  তাকে মারফূ হাদীস বলে।

মাওকূফ (موقوف) : যে হাদীসের বর্ণনা- সূত্র ঊর্ধ্ব দিকে সাহাবী পর্যন্ত পৌঁছেছে , অর্থাৎ যে সনদ -সূত্রে কোন সাহাবীর কথা বা কাজ বা অনুমোদন বর্ণিত হয়েছে তাকে মাওকূফ হাদীস বলে। এর অপর নাম আসার।

মাকতূ (مقطوع): যে হাদীসের সনদ কোন তাবেঈ পর্যন্ত পৌঁছেছে, তাকে মাকতূ হাদীস বলা হয়।

তালীক (تعليق): কোন কোন গ্রন্থকার হাদীসের পূর্ণ সনদ বাদ দিয়ে কেবল মূল হাদীস বর্ণনা করেছেন। এরূপ করাকে তা’লীক বলা হয়।

মুদাল্লাস (مدلس): যে হাদীসের রাবী নিজের প্রকৃত শাইখের (উস্তাদের) নাম উল্লেখ না করে তার উপরস্থ শাইখের নামে এভাবে হাদীস বর্ণনা করেছেন যাতে মনে হয় যে, তিনি নিজেই উপরস্থ শাইখের নিকট তা শুনেছেন অথচ তিনি তাঁর নিকট সেই হাদীস শুনেন নি- সে হাদীসকে মুদাল্লাস হাদীস এবং এইরূপ করাকে ‘তাদ্লীস’ আর যিনি এইরূপ করেন তাকে মুদালস্নীস বলা হয়।

মুযতারাব (مضطرب): যে হাদীসের রাবী হাদীসের মতন ও সনদকে বিভিন্ন প্রকারে বর্ণনা করেছেন সে হাদীসকে হাদীসে মুযতারাব বলা হয়। যে পর্যন্ত না এর কোনরূপ সমন্বয় সাধন সম্ভবপর হয়, সে পর্যন্ত এই হাদীসের ব্যাপারে অপেক্ষা করতে হবে অর্থাৎ এই ধরনের রিওয়ায়াত প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না।

মুদ্রাজ (مدرج): যে হাদীসের মধ্যে রাবী নিজের অথবা অপরের উক্তিকে অনুপ্রবেশ করিয়েছেন, সে হাদীসকে মুদ্রাজ এবং এইরূপ করাকে ‘ইদরাজ’ বলা হয়।

মুত্তাসিল (متصل): যে হাদীসের সনদের ধারাবাহিকতা প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত পূর্ণরূপে রক্ষক্ষত আছে, কোন সত্মরেই কোন রাবীর নাম বাদ পড়ে নি তাকে মুত্তাসিল হাদীস বলে।

মুনকাতি (منقطع): যে হাদীসের সনদে ধারাবাহিকতা রক্ষিত হয় নি, মাঝখানে কোন এক স্তরে কোন রাবীর নাম বাদ পড়েছে, তাকে মুনকাতি হাদীস, আর এই বাদ পড়াকে ইনকিতা বলা হয়।

মুরসাল (مرسل): যে হাদীসের সনদে ইনকিতা শেষের দিকে হয়েছে, অর্থাৎ সাহাবীর নাম বাদ পড়েছে এবং তাবেঈ সরাসরি রাসুলুল্লাহ () এর উল্লেখ করে হাদীস বর্ণনা করেছেন তাকে মুরসাল হাদীস বলা হয়।

মুআল্লাক ( معلق ) : সনদের ইনকিতা প্রথম দিকে  হলে, অর্থাৎ সাহাবীর পর এক বা একাধিক রাবীর নাম বাদ পড়লে তাকে মু’আল্লাক হাদীস বলা হয়।

মুদাল (معضل): যে হাদীসে দুই বা ততোধিক রাবী ক্রমান্বয়ে সনদ থেকে বাদ পড়েছে তাকে মু‘দাল হাদীস বলে।

মুতাবি ও শাহিদ (متابع و شاهد): এক রাবীর হাদীসের অনুরূপ যদি অপর রাবীর কোন হাদীস পাওয়া যায় তবে দ্বিতীয় রাবীর হাদীসকে প্রথম রাবীর হাদীসের মুতাবি বলা হয়। যদি উভয় হাদীসের মূল রাবী অর্থাৎ সাহাবী একই ব্যক্তি না হয় তবে দ্বিতীয় ব্যক্তির হাদীসকে শাহিদ বলে। আর এইরূপ হওয়াকে শাহাদাত বলে। মুতাবা’আত ও শাহাদাত দ্বারা প্রথম হাদীসটির শক্তি বৃদ্ধি পায়।

মারূফ ও মুনকার (معروف و منكر): কোন দুর্বল রাবীর বর্ণিত হাদীস অপর কোন মাকবূল (গ্রহণযোগ্য) রাবীর বর্ণিত হাদীসের বিরোধী হলে তাকে মুনকার বলা হয় এবং মাকবূল রাবীর হাদীসকে মা‘রূফ বলা হয়।

সহীহ (صحيح) : যে মুত্তাসিল হাদীসের সনদে উল্লেখিত প্রত্যেক রাবীই পূর্ণ আদালত ও যাবত (ধারণ ক্ষমতা) গুণ সম্পন্ন এবং হাদীসটি যাবতীয় দোষত্রুটি ও শায মুক্ত তাকে সহীহ হাদীস বলে।

হাসান (حسن) : যে হাদীসের মধ্যে রাবীর যাবত (ধারণ ক্ষমতা) এর গুণ ব্যতীত সহীহ হাদীসের সমস্ত শর্তই পরিপূর্ণ রয়েছে তাকে হাসান হাদীস বলা হয়। ফক্বীহগণ সাধারণত সহীহ ও হাসান হাদীসের ভিত্তিতে শরীয়াতের বিধান নির্ধারণ  করেন।

যঈফ (ضعيف ) : যে হাদীসের রাবী কোন হাসান হাদীসের রাবীর গুণসম্পন্ন নন তাকে যঈফ হাদীস বলে।

মাওযূ ( موضوع ) : যে হাদীসের রাবী জীবনে কখনও ইচ্ছাকৃতভাবে রাসুলুল্লাহ ()-এর নামে মিথ্যা কথা রটনা করেছেন বলে প্রমাণিত হয়েছে, তার বর্ণিত হাদীসকে মাওযূ‘ হাদীস বলে।

 

রাবীর সংখ্যা বিচারে হাদীস প্রধানত দুপ্রকার। যথা: ১. মুতওয়াতির (متواتر) ও ২. আহাদ (أحاد)

১. মুতওয়াতির (متواتر): বৃহৎ সংখ্যক রাবীর বর্ণিত হাদীস, মিথ্যার ব্যাপারে যাদের উপর একাট্টা হওয়া অসম্ভব, সনদের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত এ সংখ্যা বিদ্যমান থাকলে হাদীসকে মুতওয়াতির (متواتر) বলা হয়।

২. আহাদ (أحاد): أحاد তিন প্রকার। যথা:

মাশহুর (مشهور): যে কোন স্তরে হাদীস বর্ণনা কারীর সংখ্যা যদি দুই এর অধিক হয়, কিন্তু মুতওয়াতির এর পর্যায়ে পৌঁছে না তাকে মাশহুর (مشهور) বলে।

আযীয (عزيز): যে কোন স্তরে হাদীস বর্ণনা কারীর সংখ্যা যদি দু‘জন হয় ।

গরীব (غريب): যে কোন স্তরে হাদীস বর্ণনা কারীর সংখ্যা যদি এক জন হয় ।

শায (شاذ): একাধিক নির্ভরযোগ্য রাবীর বিপরীত একজন নির্ভরযোগ্য রাবীর বর্ণনাকে শায হাদীস বলে।

 কিয়াস (قياس): অর্থ অনুমান, পরিমাপ, তুলনা ইত্যাদি। পরিভাষায়: শাখাকে মূলের সঙ্গে তুলনা করা, যার ফলে শাখা ও মূল একই হুকুমের অমত্মর্ভুক্ত হয়ে যায়।

তাক্বলীদ (تقليد): দলীল উল্লেখ ছাড়াই কোন ব্যক্তির মতামতকে গ্রহণ করা।

ইজতিহাদ (اجتهاد): উদ্দিষ্ট জ্ঞান অর্জনের প্রচেষ্টা চালানোকে ইজতিহাদ বলে।

শরীয়াত (شريعة): অর্থ: আইন, বিধান, পথ, পন্থা ইত্যাদি। পরিভাষায়: মহান আল্লাহ্‌ স্বীয় দীন হতে বান্দার জন্য যা বিধিবদ্ধ করে দিয়েছেন তাকে শরীয়াত বলে।

মাযহাব (مذهب): অর্থ- মত, পথ, মতবাদ ইত্যাদি। ফিক্বহী পরিভাষায়: ইবাদাত ও মু‘আমালাতের ক্ষেত্রে শারঈ হুকুম পালনের জন্য বান্দা যে পথ অনুসরণ করে এবং প্রত্যেক দলের জন্য একজন ইমামের উপর অথবা ইমামের ওসীয়ত কিংবা ইমামের প্রতিনিধির উপর নির্ভর করে তাকে মাযহাব বলে।

নাযর (نذر): কোন বিষয়ে উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য চিন্তা-ভাবনা করাকে নাযর বলে।

আম (عام): সীমাবদ্ধ করা ছাড়াই যা দুই বা ততোধিক বিষয়কে অন্তর্ভুক্ত করে তাকে আম বলে।

খাস (خاص): আম এর বিপরীত, যা নির্দিষ্ট বিষয়কে অন্তর্ভুক্ত করে।

ইজমা (اجماع): কোন এক যুগে আলিমদের কোন শারঈ বিষয়ের উপর এক মত পোষণ করাকে ইজমা বলে।

মুসনাদ (مسند): যার সনদগুলো পরস্পর এমনভাবে মিলিত যে, প্রত্যেকের বর্ণনা সুস্পষ্ট।

ফিক্বহ (فقه): ইজতিহাদ বা গবেষণার পদ্ধতিতে শারঈ হুকুম সম্পর্কে জানার বিধানকে ফিক্বহ বলে।

আসল বা মূল (اصل): এমন প্রথম বিষয়, যার উপর ভিত্তি করে কোন কিছু গড়ে উঠে। যেমন- দেয়ালের ভিত্তি।

ফারা বা শাখা (فرع): আসলের বিপরীত যা কোন ভিত্তির উপর গড়ে উঠে।

ওয়াজিব (واجب): যা আমল করলে সাওয়াব পাওয়া যাবে আর পরিত্যাগ করলে শাস্তি পাওয়া যাবে।

মানদূব (مندوب): যা আমল করলে সাওয়াব পাওয়া যাবে আর পরিত্যাগ করলে শাস্তি হবে না।

মাহযূর (محظور): যা পরিত্যাগ করলে সাওয়াব পাওয়া যাবে আর আমল করলে শাস্তি পাওয়া যাবে।

মাকরূহ (مكروه): যা পরিত্যাগ করলে সাওয়াব পাওয়া যাবে আর আমল করলে শাস্তি হবে না।

ফাৎওয়া (فتوى): জিজ্ঞাসিত ব্যক্তির নিকট থেকে দলীল ভিত্তিক শারঈ হুকুম সুস্পষ্ট বর্ণনা করে নেয়াকে ফাৎওয়া বলে।

নাসিখ (ناسخ): পরিবর্তিত শারঈ দলীল যা পূববর্তী শারঈ হুকুমকে রহিত করে দেয় তাকে নাসিখ বলে।

মানসূখ (منسوخ): আর যে হুকুমটি রহিত হয়ে যায় সেটাই মানসূখ।

মুতলাক্ব (مطلق): যা প্রকৃতিগত দিক থেকে জাতির সকলকে অন্তর্ভুক্ত  করে কিন্তু অনির্দিষ্টভাবে একটি অর্থকে বুঝায়।

মুকাইয়্যাদ (مقيد): যা মুতলাক্বের বিপরীত অর্থাৎ জাতির সকলকে অন্তর্ভুক্ত  করে না। বরং নির্দিষ্ট একটি অর্থকে বুঝায়।

হাক্বীকাত (حقيقة): শব্দকে আসল অর্থে ব্যবহার করাকে হাক্বীকত বলে। যেমন- সিংহ শব্দটি এক প্রজাতির হিংস্র প্রাণীকে বুঝায়।

মাজায (مجاز): শব্দ যখন আসল অর্থকে অতিক্রম করে তার সাথে সাদৃশ্য রাখে এমন অর্থ প্রকাশ করে তখন তাকে মাজায বলে। যেমন- সাহসী লোককে সিংহের সাথে তুলনা করা।

হাদিসের পরিসংখ্যান

সর্বমোট হাদিস পাওয়া গেছেঃ [2400] টি | অধ্যায়ঃ ১৬/ গ্রহন [চন্দ্র সূর্য]
গ্রন্থঃ সূনান নাসাঈ | দেখানো হচ্ছে   [1501]  থেকে  [1510]  পর্যন্ত
প্রতি পাতাতে টি হাদিস

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সূনান নাসাঈ
অধ্যায়ঃ ১৬/ গ্রহন [চন্দ্র সূর্য]
হাদিস নম্বরঃ ১৫০০ | 1500 | ۱۵۰۰

১৫০০। আমর ইবনু উসমান (রহঃ) আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিত। তিনি বলেন, একবার সূর্যগ্রহণ লেগে গেলে রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এক ব্যাক্তিকে নির্দেশ দিলে সে আওয়াজ দিল যে, সালাত অনুষ্ঠিত হবে। অতএব লোকেরা একাত্রত হয়ে গেলে তিনি তাদের নিয়ে সালাত আদায় করলেন। তারপর তিনি তাকবীর বললেন এবং লম্বা কিরাআত পড়লেন। তারপর তাকবীর বললেন ও দীর্ঘ রুকুকরলেন। তার কিয়ামের ন্যায় অথবা তার চেয়েও দীর্ঘ। তারপর তার মাথা উঠিয়ে “সামি আলাহু লিমান হামিদা বললেন। পরে লম্বা কিরাআত পড়লেন কিন্তু তা পূর্ববর্তী কিরাআত থেকে সংক্ষিপ্ত ছিল। তারপর তাকবীর বললেন ও দীর্ঘ রুকু করলেন কিন্তু তা পূর্ববর্তী রুকু থেকে সংক্ষিপ্ত ছিল। তারপর তার মাথা উঠিয়ে “সামিআল্লাহ লিমান হামিদা”বললেন। তারপর তাকবীর বললেন ও দীর্ঘ সিজদা করলেন তার রুকুর ন্যায় অথবা তার চেয়েও দীর্ঘা তারপর তাকবীর বললেন ও তার মাথা উঠালেন পরে তাকবীর বললেন ও সিজদায় গেলেন। তারপর তাকবীর বলে দাড়ালেন এবং দীর্ঘ কিরাআত পড়লেন। কিন্তু তা পূর্ববর্তী কিরাআত থেকে সংক্ষিপ্ত ছিল। তারপর তাকবীর বললেন ও রুকুকরলেন কিন্তু তা পূর্ববর্তী রুকু থেকে সংক্ষিপ্ত ছিল। তারপর তার মাথা উঠিয়ে বললেন ‘সামিআল্লাহু লিমান হামিদা, ’ তারপর দীর্ঘ কিরাআত পড়লেন কিন্তু তা দ্বিতীয় কিয়ামের প্রথম কিরাআত থেকে সংক্ষিপ্ত ছিল। তারপর তাকবীর বললেন ও রুকুকরলেন কিন্তু তা পূর্ববর্তী রুকু থেকে সংক্ষিপ্ত ছিল। তারপর তাকবীর বললেন ও তার মাথা উঠালেন এবং বললেন, -সামিআল্লাহু লিমান হামিদা--। পরে তাকবীর বললেন ও সিজদা করলেন আর তা তার পূর্ববর্তী সিজদা থেকে সংক্ষিপ্ত। ছিল। তারপর তাশাহুদ পড়লেন ও সালাম ফিরালেন। পরে তাদের সামনে দাড়ালেন এবং আল্লাহ তায়ালার প্রশংসা ও তারীফ করলেন। পরে বললেন, চন্দ্র-সূর্যের গ্রহণ কারো জনা-মৃত্যুর কারণে হয় না, বরং তারা হল আল্লাহর নিদর্শনসমূহের দু’টি নিদর্শন। অতএব, তাদের যে কোন একটিতে যদি গ্রহণ লেগে যায়, তা হলে তোমরা সালাত আদায়ের মাধ্যমে আল্লাহর দিকে ধাবিত হও।



হাদিসের মানঃ  তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!
দুঃখিত! আরবী অংশ এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।
দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সূনান নাসাঈ
অধ্যায়ঃ ১৬/ গ্রহন [চন্দ্র সূর্য]
হাদিস নম্বরঃ ১৫০১ | 1501 | ۱۵۰۱

১৫০১। ইবরাহীম ইবনু ইয়াকুব (রহঃ) আসমা বিনত আবূ বকর(রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) একবার গ্রহণ কালে সালাত আদায় করলেন। তিনি সালাতে দীর্ঘক্ষণ কিয়াম করলেন। তারপর রুকু করলেন আর তাও দীর্ঘ করলেন। তারপর মাথা উঠিয়ে দীর্ঘক্ষণ কিয়াম করলেন। তারপর রুকুকরলেন আর তাও দীর্ঘ করলেন। তারপর মাথা উঠালেন এবং সিজদা করলেন আর তাও দীর্ঘ করলেন। তারপর মাথা উঠালেন ও সিজদা করলেন এবং তাও দীর্ঘ করলেন। তারপর দাড়ালেন এবং দীর্ঘক্ষণ কিয়াম করলেন। তারপর রুকুকরলেন এবং তাও দীর্ঘ করলেন। অতঃপর মাথা উঠালেন এবং কিয়ামকেও দীর্ঘ করলেন। অতঃপর রুকুকরলেন এবং তাও দীর্ঘ করলেন। এরপর মাথা উঠালেন ও সিজদা করলেন। আর তাও দীর্ঘ করলেন। তারপর মাথা উঠালেন ও সিজদা করলেন এবং তাও দীর্ঘ করলেন। অতঃপর মাথা উঠালেন ও সালাম ফিরিয়ে সালাত শেষ করলেন।



হাদিসের মানঃ  তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!
দুঃখিত! আরবী অংশ এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।
দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সূনান নাসাঈ
অধ্যায়ঃ ১৬/ গ্রহন [চন্দ্র সূর্য]
হাদিস নম্বরঃ ১৫০২ | 1502 | ۱۵۰۲

১৫০২। মুহাম্মদ ইবনু সালামা (রহঃ) আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) একবার কিছুক্ষণের জন্য বের হয়ে গেলেন। ইত্যবসরে সূর্যগ্রহণ লেগে গেল। তখন আমরা তার অভিমুখে বের হয়ে গেলাম। আমাদের কাছে অন্যান্য মহিলারাও একত্রিত হয়ে গেল,আর রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) -ও আমাদের কাছে আসলেন, তখন ছিল সুর্যোদ্বয় এবং দ্বি-গ্রহনের মধ্যবর্তী সময়। তিনি কিয়াম করলেন এবং তা দীর্ঘ “করলেন। তারপর রুকুকরলেন এবং তাও দীর্ঘ করলেন। তারপর তার মাথা উঠালেন ও দাড়ালেন, কিন্তু তা পুর্ববতীঁ দাড়ানো অপেক্ষা সংক্ষিপ্ত ছিল। তারপর তিনি রুকুকরলেন তার পুর্বের থেকে সংক্ষিপ্ত। এরপর সিজদা করলেন ও রাকাআতে দাড়িয়ে গেলেন এবং তাতে অনুরুপই করলেন। কিন্তু তার কিয়াম এবং রুকু প্রথম রাকাআত থেকে সংক্ষিপ্ত ছিল। তারপর সিজদা করলেন আর সূর্য আলোকিত হয়ে গেল। পরে যখন সালাম ফিরালেন, তখন মিম্বরের উপর বসলেন এবং তার বক্তব্যে বললেন, মানুষ তাদের কবরে দাজ্জালের পরীক্ষার ন্যায় পরীক্ষার সম্মুখীন হবে।



হাদিসের মানঃ  তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!
দুঃখিত! আরবী অংশ এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।
দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সূনান নাসাঈ
অধ্যায়ঃ ১৬/ গ্রহন [চন্দ্র সূর্য]
হাদিস নম্বরঃ ১৫০৩ | 1503 | ۱۵۰۳

১৫০৩। ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ...আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিত। তিনি বলেন, একবার রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর যুগে সূর্যগ্রহণ লেগে গেল। তখন তিনি দাড়ালেন ও সালাত আদায় করতে লাগলেন। তিনি কিয়ামকে খুব দীর্ঘ করলেন। তারপর রুকূ করলেন এবং রুকুকেও খুব দীর্ঘ করলেন। তারপর মাথা উঠালেন আর কিয়ামকেও খুব দীর্ঘ করলেন, কিন্তু তা পূর্ববতী কিয়াম থেকে সংক্ষিপ্ত ছিল। তারপর রুকূ করলেন এবং রুকূকেও দীর্ঘ করলেন কিন্তু তা পূর্ববতী রুকূ থেকে সংক্ষিপ্ত ছিল। এরপর সিজদা করলেন। পরে তার মাথা উঠালেন আর কিয়ামকে দীর্ঘ করলেন। কিন্তু তা পূর্ববতী কিয়াম থেকে সংক্ষিপ্ত ছিল। তারপর রুকূ করলেন এবং রুকূকেও দীর্ঘ করলেন, কিন্তু তা পূর্ববর্তী/ রুকু থেকে সংক্ষিপ্ত ছিল। এরপর মাথা উঠালেন এবং কিয়ামকে দীর্ঘ করলেন, কিন্তু তা পূর্ববতী কিয়াম থেকে সংক্ষিপ্ত ছিল। তারপর রুকূ করলেন এবং রুকূকে দীর্ঘ করলেন আর তা ছিল, পুর্ববতী রুকূ থেকে সংক্ষিপ্ত ছিল। এরপর সিজদা করলেন। তারপর সালাত থেকে অবসর হয়ে গেলেন। ইত্যবসরে সূর্য আলোকিত হয়ে গেল। এরপর তিনি মানূষদের লক্ষ্য করে খুতবা দিলেন এবং আলাহ তাআলার তারীফ ও প্রশংসা করলেন। তারপর বললেন, কারো জন্ম-মৃত্যুর কারণে চন্দ্র-সূর্যের গ্রহণ হয় না। অতএব যখন তোমরা তা দেখবে, তখন সালাত আদায় করবে এবং সদকা করবে ও আল্লাহর স্বরণ করবে। তিনি আরও বললেন, হে উম্মাতে মুহাম্মাদী! কেউ আল্লাহ তাআলা থেকে বেশী আত্মমর্যাদাশীল নয় যে, তার কোন বান্দা অথবা বাদী ব্যভিচার করবে। হে উম্মাতে মুহাম্মাদী! আমি যা জানি তা যদি তোমরা জানতে তাহলে অবশ্যই তোমরা কম হাসতে এবং অধিক কাদতে।



হাদিসের মানঃ  তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!
দুঃখিত! আরবী অংশ এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।
দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সূনান নাসাঈ
অধ্যায়ঃ ১৭/ ইস্তিস্কা [বৃষ্টির জন্য দুয়া করা]
হাদিস নম্বরঃ ১৫০৪ | 1504 | ۱۵۰٤

১৫০৪। আহমদ ইবনু সুলাইমান (রহঃ) সামুরা (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) খুৎবা দিলেন যখন সূর্যগ্রহণ লেগে গেল। খুৎবাতে তিনি হামদ ও ছানার পর বললেনঃ আম্মাবাদ।



হাদিসের মানঃ  তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!
দুঃখিত! আরবী অংশ এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।
দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সূনান নাসাঈ
অধ্যায়ঃ ১৭/ ইস্তিস্কা [বৃষ্টির জন্য দুয়া করা]
হাদিস নম্বরঃ ১৫০৫ | 1505 | ۱۵۰۵

১৫০৫। আমর ইবনু আলী (রহঃ) আবূ বাকরা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর কাছে। ছিলাম, ইত্যবসরে সূর্য গ্রহণ লেগে গেল। তখন তিনি তাড়াতাড়ি তার চাঁদর সামলাতে সামলাতে মসজিদের দিকে রওয়ানা হলেন, অন্যান্য মানুষজন তার সাথে দাড়িয়ে গেল। তারপর তিনি দু'রাকআত সালাত আদায় করলেন, যেমন অন্যরা আদায় করে থাকে। যখন সূর্য আলোকিত হয়ে গেল তিনি আমাদের খুৎবা দিলেন এবং বললেন, চন্দ্র সূর্য আল্লাহর নিদর্শন সমূহের দুঁটি নিদর্শন, তাদের দ্বারা আল্লাহ তার বান্দাদেরকে পথ প্রদর্শন করে থাকেন। আর তাদের গ্রহণ কারো মৃত্যুর কারণে হয় না। অতএব, তোমরা যখন তাদের কারো গ্রহণ দেখবে, তখন তোমাদের ভীতি দূর না হওয়া পর্যন্ত সালাত আদায় করতে থাকবে এবং দোয়া করতে থাকবে।



হাদিসের মানঃ  তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!
দুঃখিত! আরবী অংশ এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।
দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সূনান নাসাঈ
অধ্যায়ঃ ১৭/ ইস্তিস্কা [বৃষ্টির জন্য দুয়া করা]
হাদিস নম্বরঃ ১৫০৬ | 1506 | ۱۵۰٦

১৫০৬। মুসা ইবনু আব্দুর রহমান মাসরাকী (রহঃ) আবূ মুসা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একবার সূর্যগ্রহণ লেগে গেল। তখন রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ভীত সন্ত্রস্ত হয়ে দাঁড়িয়ে গেলেন এই ভয়ে যে, কি জানি কিয়ামত অনুষ্ঠিত হয়ে যায়। তিনি দাড়ালেন এবং মসজিদে এসে গেলেন। তারপর তিনি দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করতে গেলেন। অতি দীর্ঘ কিয়াম, রুকু এবং সিজদাসহ আমি তাকে কোন সালাতে কখনো অনুরুপ করতে দেখিনি। তারপর বললেন, এই সমস্ত নিদর্শন যা আল্লাহ পাঠিয়ে থাকেন তা কারো জম্ম-মুত্যুর কারণে নয়, বরং আল্লাহ তায়ালা তা এই কারণে পাঠান, তার বান্দাদের প্রদর্শন করার জন্য। অতএব তোমরা যখন তার কিছু দেখবে তখন যিকির, দোয়া এবং ইস্থিগফারে দ্রুত রত হবে।



হাদিসের মানঃ  তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!
দুঃখিত! আরবী অংশ এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।
দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সূনান নাসাঈ
অধ্যায়ঃ ১৭/ ইস্তিস্কা [বৃষ্টির জন্য দুয়া করা]
হাদিস নম্বরঃ ১৫০৭ | 1507 | ۱۵۰۷

১৫০৭। কুতায়বা ইবনু সাঈদ (রহঃ) আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক ব্যক্তি রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) -এর কাছে এসে বলল, ইয়া রাসুলুল্লাহ! গবাদি পশুগুলো তো (ঘাস বিচালির সংকটজনিত কারণে) অকর্মণ্য হয়ে যাচ্ছে এবং এ কারণে রাস্তা ঘাটও বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। অতএব, আল্লাহর সমীপে দোয়া করুন। তখন রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) দোয়া করলেন। ফলে আমাদের উপর এক জুমুআর দিন থেকে শুরু- করে দ্বিতীয় জুমুআর দিন অবধি (অনবরত) বৃষ্টি বর্ষিত হতে লাগল। এক ব্যক্তি রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) -এর কাছে এসে বলল, ইয়া রাসুলুল্লাহ! বাড়ী-ঘর তো ধীরে ধীরে বির্ধস্ত হয়ে যাচ্ছে। আর (পানির আধিক্যের কারণে) রাস্তাঘাটও বন্ধ হয়ে যাচ্ছে এবং গবাদি পশুগুলোও (ঠাণ্ডার আধিক্যে হেতু) অর্কমণ্য হয়ে যাচ্ছে। তখন তিনি বললেন, হে আল্লাহ, (তুমি এই বৃষ্টি) পাহাড় ও টিলার চুড়ায় চুড়ায় উপত্যকার মাঝে মাঝে এবং গাছ-পালার গোড়ায় গোড়ায় (বর্ষণ কর)। তখন মদ্বীনার আকাশ থেকে মেঘ এমনভাবে সরে গেল যেমনভাবে পরিধানকারীর দেহ থেকে বস্ত্র খুলে যায়।



হাদিসের মানঃ  তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!
দুঃখিত! আরবী অংশ এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।
দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সূনান নাসাঈ
অধ্যায়ঃ ১৭/ ইস্তিস্কা [বৃষ্টির জন্য দুয়া করা]
হাদিস নম্বরঃ ১৫০৮ | 1508 | ۱۵۰۸

১৫০৮। মুহাম্মাদ ইবনু মনসূর (রহঃ) আব্দুল্লাহ ইবনু যায়দ (রাঃ) যাকে আযান স্বপ্নে দেখানো হয়েছিল তার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন যে, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বৃষ্টির দোয়া করার জন্য সালাতের স্হান অভিমুখে রওয়ানা হলেন, তখন তিনি কিবলা অভিমুখী হলেন ও তার (পরিধেয়) চাঁদর উল্টিয়ে দিলেন এবং দু'রাকআত সালাত আদায় করলেন।



হাদিসের মানঃ  তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!
দুঃখিত! আরবী অংশ এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।
দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সূনান নাসাঈ
অধ্যায়ঃ ১৭/ ইস্তিস্কা [বৃষ্টির জন্য দুয়া করা]
হাদিস নম্বরঃ ১৫০৯ | 1509 | ۱۵۰۹

১৫০৯। ইসহাক ইবনু মননূর ও মুহাম্মাদ ইবনু মুসান্না (রহঃ) ইসহাক ইবনু আব্দুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, ওয়ালীদ ইবনু আকাবা (রাঃ) আমাকে ইবনু আব্বাস (রাঃ)-এর কাছে পাঠালেন, যেন আমি তাঁকে রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর ইসতিস্কা সালাত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করি। তিনি বললেন, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বিনয় ও মিনতির সাথে ছিন্ন বস্ত্রে বের হয়েছিলেন এবং তোমাদের এই খুৎবার ন্যায় খুতবা না দিয়ে দূ-রাকআত সালাত আদায় করেছিলেন।



হাদিসের মানঃ  তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!
দুঃখিত! আরবী অংশ এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।
দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

হাদিস দেখানো হচ্ছে   [1501]  থেকে  [1510]  পর্যন্ত এবং সর্বমোট   [2400]  টি হাদিস পাওয়া গেছে।