• ৫৬৫১৩ টি সর্বমোট হাদিস আছেঃ
  • ৫৭৫৬ টি প্রশ্নোত্তর ও ফিকাহঃ

 

 

 

 


হাদীস (حَدِيْث) এর শাব্দিক অর্থ: নতুন, প্রাচীন ও পুরাতন এর বিপরীত বিষয়। এ অর্থে যে সব কথা, কাজ ও বস্ত্ত পূর্বে ছিল না, এখন অস্তিত্ব লাভ করেছে  তাই হাদীস। এর আরেক অর্থ হলো: কথা। ফক্বীহগণের পরিভাষায় নাবী কারীম () আল্লাহ্‌র রাসূল হিসেবে যা কিছু বলেছেন, যা কিছু করেছেন এবং যা কিছু বলার বা করার অনুমতি দিয়েছেন অথবা সমর্থন জানিয়েছেন তাকে হাদীস বলা হয়। কিন্তু মুহাদ্দিসগণ এর সঙ্গে রাসুলুল্লাহ () সম্পর্কিত বর্ণনা ও তার গুণাবলী সম্পর্কিত বিবরণকেও হাদীসের অন্তর্ভুক্ত করেন। এ হিসেবে হাদীসকে প্রাথমিক পর্যায়ে তিন শ্রেণীতে ভাগ করা যায়:

১। ক্বওলী হাদীস: কোন বিষয়ে রাসুলুল্লাহ () যা বলেছেন, অর্থাৎ যে হাদীসে তাঁর কোন কথা বিবৃত হয়েছে তাকে ক্বওলী (বাণী সম্পর্কিত) হাদীস বলা হয়।

২। ফেলী হাদীস: মহানাবী ()-এর কাজকর্ম, চরিত্র ও আচার-আচরণের ভেতর দিয়েই ইসলামের যাবতীয় বিধি-বিধান ও রীতিনীতি পরিস্ফুট হয়েছে। অতএব যে হাদীসে তাঁর কোন কাজের বিবরণ উল্লেখিত হয়েছে তাকে ফে’লী (কর্ম সম্পর্কিত) হাদীস বলা হয়।

৩। তাকরীরী হাদীস: সাহাবীগণের যে সব কথা বা কাজ নাবী কারীম ()-এর অনুমোদন ও সমর্থন প্রাপ্ত হয়েছে, সে ধরনের কোন কথা বা কাজের বিবরণ হতেও শরীয়াতের দৃষ্টিভঙ্গি জানা যায়। অতএব যে হাদীসে এ ধরনের কোন ঘটনার বা কাজের উল্লেখ পাওয়া যায় তাকে তাকরীরী (সমর্থন মূলক) হাদীস বলে।

সুন্নাহ (السنة): হাদীসের অপর নাম সুন্নাহ্ (السنة) সুন্নাত শব্দের অর্থ চলার পথ, কর্মের নীতি ও পদ্ধতি। যে পন্থা ও রীতি নাবী কারীম () অবলম্বন করতেন তাকে সুন্নাত বলা হয়। অন্য কথায় রাসুলুল্লাহ () প্রচারিত উচ্চতম আদর্শই সুন্নাত। কুরআন মাজিদে মহত্তম ও সুন্দরতম আদর্শ (أُسْوَةٌ حَسَنَةٌ) বলতে এই সুন্নাতকেই বুঝানো হয়েছে।

খবর (خبر): হাদীসকে আরবী ভাষায় খবরও (خبر) বলা হয়। তবে খবর শব্দটি হাদীস ও ইতিহাস উভয়টিকেই বুঝায়।

আসার (أثر ): আসার শব্দটিও কখনও কখনও রাসুলুল্লাহ () এর হাদীসকে নির্দেশ করে। কিন্তু অনেকেই হাদীস ও আসার এর মধ্যে কিছু পার্থক্য করে থাকেন। তাঁদের মতে- সাহাবীগণ থেকে শরীয়াত সম্পর্কে যা কিছু উদ্ধৃত হয়েছে তাকে আসার বলে।

 

ইলমে হাদীসের কতিপয় পরিভাষা

সাহাবী (صحابى):  যিনি ঈমানের সঙ্গে রাসুলুল্লাহ () এর সাহচর্য লাভ করেছেন এবং ঈমানের সঙ্গে মৃত্যুবরণ করেছেন তাঁকে রাসুলুল্লাহ ()-এর সাহাবী বলা হয়।

তাবেঈ (تابعى) : যিনি রাসুলুল্লাহ ()-এর কোন সাহাবীর নিকট হাদীস শিক্ষা করেছেন অথবা অন্ততপক্ষে তাঁকে দেখেছেন এবং মুসলমান হিসেবে মৃত্যুবরণ করেছেন তাঁকে তাবেঈ বলা হয়।

তাবে-তাবেঈ (تابعى تابع) : যিনি  কোন তাবেঈ এর নিকট হাদীস শিক্ষা করেছেন অথবা অন্ততপক্ষে তাঁকে দেখেছেন এবং মুসলমান হিসেবে মৃত্যুবরণ করেছেন তাঁকে তাবে-তাবেঈ বলা হয়।

মুহাদ্দিস (محدث) : যিনি হাদীস চর্চা করেন এবং বহু সংখ্যক হাদীসের সনদ ও মতন সম্পর্কে বিশেষ জ্ঞান রাখেন তাঁকে মুহাদ্দিস বলা হয়।

শাইখ (شيخ) : হাদীসের শিক্ষাদাতা রাবীকে শায়খ বলা হয়।

শাইখান (شيخان) : সাহাবীগনের মধ্যে আবূ বকর (রাঃ) ও উমর  (রাঃ)- কে একত্রে শাইখান বলা হয়। কিন্তু হাদীস শাস্ত্রে ইমাম বুখারী (রাহি.) ও ইমাম মুসলিম (রাহি.)-কে এবং ফিক্বহ-এর পরিভাষায় ইমাম আবূ হানীফা (রাহি.) ও আবূ ইউসুফ (রাহি.)-কে একত্রে শাইখান বলা হয়। 

হাফিয (حافظ) : যিনি সনদ ও মতনের বৃত্তান্ত সহ এক লাখ হাদীস আয়ত্ত করেছেন তাঁকে হাফিয বলা হয়।

হুজ্জাত (حجة) : অনুরূপভাবে যিনি তিন লক্ষ হাদীস আয়ত্ত করেছেন তাঁকে হুজ্জাত বলা হয়।  

হাকিম (حاكم) : যিনি সব হাদীস আয়ত্ত করেছেন তাকে হাকিম বলা হয়।

রিজাল (رجال) : হাদীসের রাবী সমষ্টিকে রিজাল বলে। যে শাস্ত্রে রাবীগণের জীবনী বর্ণনা করা হয়েছে তাকে আসমাউর-রিজাল বলা হয়।                                                                                 

রিওয়ায়াত (رواية): হাদীস বর্ণনা করাকে রিওয়ায়াত বলে। কখনও কখনও মূল হাদীসকেও রিওয়ায়াত বলা হয়। যেমন- এই কথার সমর্থনে একটি রিওয়ায়াত (হাদীস) আছে।                           

সনদ (سند): হাদীসের মূল কথাটুকু যে সূত্র পরম্পরায় গ্রন্থ সংকলনকারী পর্যন্ত পৌঁছেছে তাকে সনদ বলা হয়। এতে হাদীস বর্ণনাকারীদের নাম একের পর এক সজ্জিত থাকে।

মতন (متن): হাদীসে মূল কথা ও তার শব্দ সমষ্টিকে মতন বলে।

মারফূ (مرفوع): যে হাদীসের সনদ (বর্ণনা পরম্পরা) রাসুলুল্লাহ () পর্যন্ত পৌঁছেছে  তাকে মারফূ হাদীস বলে।

মাওকূফ (موقوف) : যে হাদীসের বর্ণনা- সূত্র ঊর্ধ্ব দিকে সাহাবী পর্যন্ত পৌঁছেছে , অর্থাৎ যে সনদ -সূত্রে কোন সাহাবীর কথা বা কাজ বা অনুমোদন বর্ণিত হয়েছে তাকে মাওকূফ হাদীস বলে। এর অপর নাম আসার।

মাকতূ (مقطوع): যে হাদীসের সনদ কোন তাবেঈ পর্যন্ত পৌঁছেছে, তাকে মাকতূ হাদীস বলা হয়।

তালীক (تعليق): কোন কোন গ্রন্থকার হাদীসের পূর্ণ সনদ বাদ দিয়ে কেবল মূল হাদীস বর্ণনা করেছেন। এরূপ করাকে তা’লীক বলা হয়।

মুদাল্লাস (مدلس): যে হাদীসের রাবী নিজের প্রকৃত শাইখের (উস্তাদের) নাম উল্লেখ না করে তার উপরস্থ শাইখের নামে এভাবে হাদীস বর্ণনা করেছেন যাতে মনে হয় যে, তিনি নিজেই উপরস্থ শাইখের নিকট তা শুনেছেন অথচ তিনি তাঁর নিকট সেই হাদীস শুনেন নি- সে হাদীসকে মুদাল্লাস হাদীস এবং এইরূপ করাকে ‘তাদ্লীস’ আর যিনি এইরূপ করেন তাকে মুদালস্নীস বলা হয়।

মুযতারাব (مضطرب): যে হাদীসের রাবী হাদীসের মতন ও সনদকে বিভিন্ন প্রকারে বর্ণনা করেছেন সে হাদীসকে হাদীসে মুযতারাব বলা হয়। যে পর্যন্ত না এর কোনরূপ সমন্বয় সাধন সম্ভবপর হয়, সে পর্যন্ত এই হাদীসের ব্যাপারে অপেক্ষা করতে হবে অর্থাৎ এই ধরনের রিওয়ায়াত প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না।

মুদ্রাজ (مدرج): যে হাদীসের মধ্যে রাবী নিজের অথবা অপরের উক্তিকে অনুপ্রবেশ করিয়েছেন, সে হাদীসকে মুদ্রাজ এবং এইরূপ করাকে ‘ইদরাজ’ বলা হয়।

মুত্তাসিল (متصل): যে হাদীসের সনদের ধারাবাহিকতা প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত পূর্ণরূপে রক্ষক্ষত আছে, কোন সত্মরেই কোন রাবীর নাম বাদ পড়ে নি তাকে মুত্তাসিল হাদীস বলে।

মুনকাতি (منقطع): যে হাদীসের সনদে ধারাবাহিকতা রক্ষিত হয় নি, মাঝখানে কোন এক স্তরে কোন রাবীর নাম বাদ পড়েছে, তাকে মুনকাতি হাদীস, আর এই বাদ পড়াকে ইনকিতা বলা হয়।

মুরসাল (مرسل): যে হাদীসের সনদে ইনকিতা শেষের দিকে হয়েছে, অর্থাৎ সাহাবীর নাম বাদ পড়েছে এবং তাবেঈ সরাসরি রাসুলুল্লাহ () এর উল্লেখ করে হাদীস বর্ণনা করেছেন তাকে মুরসাল হাদীস বলা হয়।

মুআল্লাক ( معلق ) : সনদের ইনকিতা প্রথম দিকে  হলে, অর্থাৎ সাহাবীর পর এক বা একাধিক রাবীর নাম বাদ পড়লে তাকে মু’আল্লাক হাদীস বলা হয়।

মুদাল (معضل): যে হাদীসে দুই বা ততোধিক রাবী ক্রমান্বয়ে সনদ থেকে বাদ পড়েছে তাকে মু‘দাল হাদীস বলে।

মুতাবি ও শাহিদ (متابع و شاهد): এক রাবীর হাদীসের অনুরূপ যদি অপর রাবীর কোন হাদীস পাওয়া যায় তবে দ্বিতীয় রাবীর হাদীসকে প্রথম রাবীর হাদীসের মুতাবি বলা হয়। যদি উভয় হাদীসের মূল রাবী অর্থাৎ সাহাবী একই ব্যক্তি না হয় তবে দ্বিতীয় ব্যক্তির হাদীসকে শাহিদ বলে। আর এইরূপ হওয়াকে শাহাদাত বলে। মুতাবা’আত ও শাহাদাত দ্বারা প্রথম হাদীসটির শক্তি বৃদ্ধি পায়।

মারূফ ও মুনকার (معروف و منكر): কোন দুর্বল রাবীর বর্ণিত হাদীস অপর কোন মাকবূল (গ্রহণযোগ্য) রাবীর বর্ণিত হাদীসের বিরোধী হলে তাকে মুনকার বলা হয় এবং মাকবূল রাবীর হাদীসকে মা‘রূফ বলা হয়।

সহীহ (صحيح) : যে মুত্তাসিল হাদীসের সনদে উল্লেখিত প্রত্যেক রাবীই পূর্ণ আদালত ও যাবত (ধারণ ক্ষমতা) গুণ সম্পন্ন এবং হাদীসটি যাবতীয় দোষত্রুটি ও শায মুক্ত তাকে সহীহ হাদীস বলে।

হাসান (حسن) : যে হাদীসের মধ্যে রাবীর যাবত (ধারণ ক্ষমতা) এর গুণ ব্যতীত সহীহ হাদীসের সমস্ত শর্তই পরিপূর্ণ রয়েছে তাকে হাসান হাদীস বলা হয়। ফক্বীহগণ সাধারণত সহীহ ও হাসান হাদীসের ভিত্তিতে শরীয়াতের বিধান নির্ধারণ  করেন।

যঈফ (ضعيف ) : যে হাদীসের রাবী কোন হাসান হাদীসের রাবীর গুণসম্পন্ন নন তাকে যঈফ হাদীস বলে।

মাওযূ ( موضوع ) : যে হাদীসের রাবী জীবনে কখনও ইচ্ছাকৃতভাবে রাসুলুল্লাহ ()-এর নামে মিথ্যা কথা রটনা করেছেন বলে প্রমাণিত হয়েছে, তার বর্ণিত হাদীসকে মাওযূ‘ হাদীস বলে।

 

রাবীর সংখ্যা বিচারে হাদীস প্রধানত দুপ্রকার। যথা: ১. মুতওয়াতির (متواتر) ও ২. আহাদ (أحاد)

১. মুতওয়াতির (متواتر): বৃহৎ সংখ্যক রাবীর বর্ণিত হাদীস, মিথ্যার ব্যাপারে যাদের উপর একাট্টা হওয়া অসম্ভব, সনদের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত এ সংখ্যা বিদ্যমান থাকলে হাদীসকে মুতওয়াতির (متواتر) বলা হয়।

২. আহাদ (أحاد): أحاد তিন প্রকার। যথা:

মাশহুর (مشهور): যে কোন স্তরে হাদীস বর্ণনা কারীর সংখ্যা যদি দুই এর অধিক হয়, কিন্তু মুতওয়াতির এর পর্যায়ে পৌঁছে না তাকে মাশহুর (مشهور) বলে।

আযীয (عزيز): যে কোন স্তরে হাদীস বর্ণনা কারীর সংখ্যা যদি দু‘জন হয় ।

গরীব (غريب): যে কোন স্তরে হাদীস বর্ণনা কারীর সংখ্যা যদি এক জন হয় ।

শায (شاذ): একাধিক নির্ভরযোগ্য রাবীর বিপরীত একজন নির্ভরযোগ্য রাবীর বর্ণনাকে শায হাদীস বলে।

 কিয়াস (قياس): অর্থ অনুমান, পরিমাপ, তুলনা ইত্যাদি। পরিভাষায়: শাখাকে মূলের সঙ্গে তুলনা করা, যার ফলে শাখা ও মূল একই হুকুমের অমত্মর্ভুক্ত হয়ে যায়।

তাক্বলীদ (تقليد): দলীল উল্লেখ ছাড়াই কোন ব্যক্তির মতামতকে গ্রহণ করা।

ইজতিহাদ (اجتهاد): উদ্দিষ্ট জ্ঞান অর্জনের প্রচেষ্টা চালানোকে ইজতিহাদ বলে।

শরীয়াত (شريعة): অর্থ: আইন, বিধান, পথ, পন্থা ইত্যাদি। পরিভাষায়: মহান আল্লাহ্‌ স্বীয় দীন হতে বান্দার জন্য যা বিধিবদ্ধ করে দিয়েছেন তাকে শরীয়াত বলে।

মাযহাব (مذهب): অর্থ- মত, পথ, মতবাদ ইত্যাদি। ফিক্বহী পরিভাষায়: ইবাদাত ও মু‘আমালাতের ক্ষেত্রে শারঈ হুকুম পালনের জন্য বান্দা যে পথ অনুসরণ করে এবং প্রত্যেক দলের জন্য একজন ইমামের উপর অথবা ইমামের ওসীয়ত কিংবা ইমামের প্রতিনিধির উপর নির্ভর করে তাকে মাযহাব বলে।

নাযর (نذر): কোন বিষয়ে উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য চিন্তা-ভাবনা করাকে নাযর বলে।

আম (عام): সীমাবদ্ধ করা ছাড়াই যা দুই বা ততোধিক বিষয়কে অন্তর্ভুক্ত করে তাকে আম বলে।

খাস (خاص): আম এর বিপরীত, যা নির্দিষ্ট বিষয়কে অন্তর্ভুক্ত করে।

ইজমা (اجماع): কোন এক যুগে আলিমদের কোন শারঈ বিষয়ের উপর এক মত পোষণ করাকে ইজমা বলে।

মুসনাদ (مسند): যার সনদগুলো পরস্পর এমনভাবে মিলিত যে, প্রত্যেকের বর্ণনা সুস্পষ্ট।

ফিক্বহ (فقه): ইজতিহাদ বা গবেষণার পদ্ধতিতে শারঈ হুকুম সম্পর্কে জানার বিধানকে ফিক্বহ বলে।

আসল বা মূল (اصل): এমন প্রথম বিষয়, যার উপর ভিত্তি করে কোন কিছু গড়ে উঠে। যেমন- দেয়ালের ভিত্তি।

ফারা বা শাখা (فرع): আসলের বিপরীত যা কোন ভিত্তির উপর গড়ে উঠে।

ওয়াজিব (واجب): যা আমল করলে সাওয়াব পাওয়া যাবে আর পরিত্যাগ করলে শাস্তি পাওয়া যাবে।

মানদূব (مندوب): যা আমল করলে সাওয়াব পাওয়া যাবে আর পরিত্যাগ করলে শাস্তি হবে না।

মাহযূর (محظور): যা পরিত্যাগ করলে সাওয়াব পাওয়া যাবে আর আমল করলে শাস্তি পাওয়া যাবে।

মাকরূহ (مكروه): যা পরিত্যাগ করলে সাওয়াব পাওয়া যাবে আর আমল করলে শাস্তি হবে না।

ফাৎওয়া (فتوى): জিজ্ঞাসিত ব্যক্তির নিকট থেকে দলীল ভিত্তিক শারঈ হুকুম সুস্পষ্ট বর্ণনা করে নেয়াকে ফাৎওয়া বলে।

নাসিখ (ناسخ): পরিবর্তিত শারঈ দলীল যা পূববর্তী শারঈ হুকুমকে রহিত করে দেয় তাকে নাসিখ বলে।

মানসূখ (منسوخ): আর যে হুকুমটি রহিত হয়ে যায় সেটাই মানসূখ।

মুতলাক্ব (مطلق): যা প্রকৃতিগত দিক থেকে জাতির সকলকে অন্তর্ভুক্ত  করে কিন্তু অনির্দিষ্টভাবে একটি অর্থকে বুঝায়।

মুকাইয়্যাদ (مقيد): যা মুতলাক্বের বিপরীত অর্থাৎ জাতির সকলকে অন্তর্ভুক্ত  করে না। বরং নির্দিষ্ট একটি অর্থকে বুঝায়।

হাক্বীকাত (حقيقة): শব্দকে আসল অর্থে ব্যবহার করাকে হাক্বীকত বলে। যেমন- সিংহ শব্দটি এক প্রজাতির হিংস্র প্রাণীকে বুঝায়।

মাজায (مجاز): শব্দ যখন আসল অর্থকে অতিক্রম করে তার সাথে সাদৃশ্য রাখে এমন অর্থ প্রকাশ করে তখন তাকে মাজায বলে। যেমন- সাহসী লোককে সিংহের সাথে তুলনা করা।

হাদিসের পরিসংখ্যান

সর্বমোট হাদিস পাওয়া গেছেঃ [400] টি | অধ্যায়ঃ ১/ পবিত্রতা ও তার সুন্নাতসমূহ
গ্রন্থঃ সুনানে ইবনে মাজাহ | দেখানো হচ্ছে   [151]  থেকে  [160]  পর্যন্ত
প্রতি পাতাতে টি হাদিস

পাবলিশারঃ বাংলা হাদিস
গ্রন্থঃ সুনানে ইবনে মাজাহ
অধ্যায়ঃ ১/ পবিত্রতা ও তার সুন্নাতসমূহ
হাদিস নম্বরঃ ৪১৭ | 417 | ٤۱۷

পরিচ্ছদঃ ১/৪৬. উযূর অঙ্গসমূহ তিনবার করে ধৌত করা।

৫/৪১৭। আবূ মালিক আল-আশআরী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উযূ (ওজু/অজু/অযু)র অঙ্গগুলো তিন তিনবার করে ধৌত করতেন।


তাহক্বীক্ব আলবানী: সহীহ।

হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

It was narrated that Abu Malik Ash'ari said:
"The Messenger of Allah used to perform ablution washing each part three times."

بَاب الْوُضُوءِ ثَلَاثًا ثَلَاثًا

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ لَيْثٍ، عَنْ شَهْرِ بْنِ حَوْشَبٍ، عَنْ أَبِي مَالِكٍ الأَشْعَرِيِّ، قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ يَتَوَضَّأُ ثَلاَثًا ثَلاَثًا ‏.‏

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ বাংলা হাদিস
গ্রন্থঃ সুনানে ইবনে মাজাহ
অধ্যায়ঃ ১/ পবিত্রতা ও তার সুন্নাতসমূহ
হাদিস নম্বরঃ ৪১৮ | 418 | ٤۱۸

পরিচ্ছদঃ ১/৪৬. উযূর অঙ্গসমূহ তিনবার করে ধৌত করা।

৬/৪১৮। রুবাই বিনতু মুআব্বায ইবনু আফরা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তিন তিনবার করে উযূ (ওজু/অজু/অযু)র অঙ্গগুলো ধৌত করতেন।


তাখরীজ কুতুবুত সিত্তাহ: তিরমিযী ৩৩, ৩৪; আবূ দাঊদ ১২৬, ১২৯, ১৩১; আহমাদ ২৬৪৭৫, ইবনু মাজাহ ৩৯০, ৪৩৮, ৪৪০, ৪৪১। তাহক্বীক্ব আলবানী: হাসান সহীহ। তাখরীজ আলবানী: সহীহ আবূ দাউদ ১১৭।

হাদিসের মানঃ  হাসান (Hasan)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

It was narrated from Rabi' bint Mu'awwidh bin 'Afra' that:
The Messenger of Allah performed ablution washing each part three times.

بَاب الْوُضُوءِ ثَلَاثًا ثَلَاثًا

حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَعَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدٍ، قَالاَ حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَقِيلٍ، عَنِ الرُّبَيِّعِ بِنْتِ مُعَوِّذِ بْنِ عَفْرَاءَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ تَوَضَّأَ ثَلاَثًا ثَلاَثًا ‏.‏

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ বাংলা হাদিস
গ্রন্থঃ সুনানে ইবনে মাজাহ
অধ্যায়ঃ ১/ পবিত্রতা ও তার সুন্নাতসমূহ
হাদিস নম্বরঃ ৪১৯ | 419 | ٤۱۹

পরিচ্ছদঃ ১/৪৭. উযূর অঙ্গসমূহ একবার দু’বার বা তিনবার করে ধৌত করা।

১/৪১৯। ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একবার করে উযূ (ওজু/অজু/অযু)র অঙ্গগুলো ধৌত করার পর বলেনঃ এটা হল সেই উযূ (ওজু/অজু/অযু), যা ছাড়া আল্লাহ কারো সালাত কবূল করেন না। অতঃপর তিনি দুবার করে উযূ (ওজু/অজু/অযু)র অঙ্গগুলো ধৌত করেন এবং বলেনঃ এই উযূ (ওজু/অজু/অযু)ই যথেষ্ট। অতঃপর তিনি তিনবার করে উযূ (ওজু/অজু/অযু)র অঙ্গগুলো ধৌত করেন এবং বলেনঃ এটা হচ্ছে পূর্ণাঙ্গ উযূ (ওজু/অজু/অযু)। এটা আমার উযূ (ওজু/অজু/অযু) এবং আল্লাহ্‌র অন্তরঙ্গ বন্ধু ইবরাহীম (আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর উযূ (ওজু/অজু/অযু)। যে ব্যাক্তি এভাবে উযূ (ওজু/অজু/অযু) করলো এবং উযূ (ওজু/অজু/অযু)র শেষে বললোঃ (কালিমা শাহাদাত) আমি সাক্ষ্য দেই যে, আল্লাহ ব্যতীত কোন ইলাহ নাই এবং আমি আরো সাক্ষ্য দেই যে, মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর (প্রেরিত) বান্দা ও রাসূল, তার জন্য জান্নাতের আটটি দরজাই খুলে দেয়া হবে এবং সে যে দরজা দিয়ে ইচ্ছা জান্নাতে প্রবেশ করবে।


তাখরীজ কুতুবুত সিত্তাহ: নাই তাহক্বীক্ব আলবানী: অত্যন্ত দুর্বল। তাখরীজ আলবানী: যঈফাহ ৪৭৩৫, ইরওয়াহ ৮৫। উক্ত হাদিসের রাবী আব্দুর রহীম বিন যায়দ আল আম্মী সম্পর্কে ইয়াহইয়া বিন মাঈন বলেন, তিনি জঘন্যতম মিথ্যাবাদী। আলী ইবনুল মাদীনী বলেন, তিনি হাদিস বর্ণনায় দুর্বল। ইমাম বুখারী বলেন, তাকে সকল হাদিস বিশারদগণ প্রত্যাখ্যান করেছেন। আবু যুরআহ আর-রাযী বলেন, তিনি হাদিস বর্ণনায় দুর্বল। আবু হাতিম আর-রাযী বলেন, তার হাদিস প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে এমনকি তিনি হাদিস বর্ণনায় মুনকার। আবু দাউদ আস-সাজিসতানী বলেন, তিনি দুর্বল। ২. যায়দ আল-আম্মী সম্পর্কে ইমাম দারাকুতনী সালিহ বললেও আলী ইবনুল মাদীনী বলেন, তিনি দুর্বল। ইয়াহইয়া বিন মাঈন বলেন, তার থেকে হাদিস গ্রহন করা হলেও তিনি দুর্বল।

হাদিসের মানঃ  যঈফ (Dai'f)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

It was narrated that Ibn 'Umar said:
"The Messenger of Allah performed ablution washing each part once. He said: 'This is the ablution of the person from whom Allah will not accept his prayer without it.' Then he performed ablution washing each part twice, and he said: 'This is the ablution that Allah appreciates.' Then he performed ablution washing each part three times, and said: 'This is how ablution is performed properly, and this is my ablution and the ablution of the Close Friend of Allah, Ibrahim. Whoever performs ablution like this, then on completing it says: 'Ashhadu an la ilaha illallah, wa ashhadu anna Muhammadan 'abduhu wa rasuluhu' (I bear witness that none has the right to be worshipped but Allah, and I bear witness that Muhammed is His servant and His Messenger), eight gates of Paradise will be opened to him and he may enter through whichever one he wants.'"

بَاب مَا جَاءَ فِي الْوُضُوءِ مَرَّةً وَمَرَّتَيْنِ وَثَلَاثًا

حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ خَلاَّدٍ الْبَاهِلِيُّ، حَدَّثَنِي مَرْحُومُ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ الْعَطَّارُ، حَدَّثَنِي عَبْدُ الرَّحِيمِ بْنُ زَيْدٍ الْعَمِّيُّ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ مُعَاوِيَةَ بْنِ قُرَّةَ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ تَوَضَّأَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ وَاحِدَةً وَاحِدَةً فَقَالَ ‏"‏ هَذَا وُضُوءُ مَنْ لاَ يَقْبَلُ اللَّهُ مِنْهُ صَلاَةً إِلاَّ بِهِ ‏"‏ ‏.‏ ثُمَّ تَوَضَّأَ ثِنْتَيْنِ ثِنْتَيْنِ فَقَالَ ‏"‏ هَذَا وُضُوءُ الْقَدْرِ مِنَ الْوُضُوءِ ‏"‏ ‏.‏ وَتَوَضَّأَ ثَلاَثًا ثَلاَثًا وَقَالَ ‏"‏ هَذَا أَسْبَغُ الْوُضُوءِ وَهُوَ وُضُوئِي وَوُضُوءُ خَلِيلِ اللَّهِ إِبْرَاهِيمَ وَمَنْ تَوَضَّأَ هَكَذَا ثُمَّ قَالَ عِنْدَ فَرَاغِهِ أَشْهَدُ أَنْ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ فُتِحَ لَهُ ثَمَانِيَةُ أَبْوَابِ الْجَنَّةِ يَدْخُلُ مِنْ أَيِّهَا شَاءَ ‏"‏ ‏.‏

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ বাংলা হাদিস
গ্রন্থঃ সুনানে ইবনে মাজাহ
অধ্যায়ঃ ১/ পবিত্রতা ও তার সুন্নাতসমূহ
হাদিস নম্বরঃ ৪২০ | 420 | ٤۲۰

পরিচ্ছদঃ ১/৪৭. উযূর অঙ্গসমূহ একবার দু’বার বা তিনবার করে ধৌত করা।

২/৪২০। উবাই ইবনু কাব (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পানি নিয়ে ডাকলেন এবং উযূ (ওজু/অজু/অযু)র অঙ্গসমূহ একবার করে ধৌত করলেন, অতঃপর বলেনঃ এটা হচ্ছে উযূ (ওজু/অজু/অযু)র আবশ্যকীয় রূপ অথবা তিনি বলেন:এটা হল সেই ব্যাক্তির উযূ (ওজু/অজু/অযু) যে উযূ (ওজু/অজু/অযু) করেনি এবং যা ব্যতীত আল্লাহ তার সালাত কবূল করেন না। অতঃপর তিনি উযূ (ওজু/অজু/অযু)র অঙ্গগুলো দুবার করে ধৌত করে বলেনঃ এটা এমন উযূ (ওজু/অজু/অযু), যে ব্যাক্তি এভাবে উযূ (ওজু/অজু/অযু) করবে, আল্লাহ তাকে দ্বিগুণ পুরস্কার দিবেন। অতঃপর তিনি উযূ (ওজু/অজু/অযু)র অঙ্গগুলো তিনবার করে ধৌত করেন এবং বলেনঃ এটা হল আমার উযূ (ওজু/অজু/অযু) এবং আমার পূর্ববর্তী নাবী-এরাসূলগণের উযূ (ওজু/অজু/অযু)।


তাহক্বীক্ব আলবানী: যঈফ। তাখরীজ আলবানী: যঈফাহ, ইরওয়াহ ৮৫। উক্ত হাদিসের রাবী আবদুল্লাহ বিন আরাদাহ আশ-শায়বানী সম্পর্কে ইয়াহইয়া বিন মাঈন বলেন, তিনি দুর্বল। ইবনু হিব্বান বলেন, তিনি হাদিস বর্ণনায় মুনকার। ইমাম নাসাঈ বলেন, তিনি সিকাহ নন। ইবনু আদী বলেন, তার থেকে হাদিস গ্রহন ও তার হাদিসের অনুসরণ করা ঠিক নয়। আল-উকায়লী বলেন, তিনি হাদিস বর্ণনায় অধিক সন্দেহ করেন।

হাদিসের মানঃ  যঈফ (Dai'f)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

It was narrated from Ubayy bin Ka'b that:
The Messenger of Allah called for water and performed ablution once. He said: "This is the minimum requirement of ablution' or he said: 'The ablution of one who, if he does not perform this ablution, Allah will not accept his prayer." Then he performed ablution washing each part twice, and he said: 'This is the ablution of one who, if he performs it, Allah will give him two shares of reward." Then he performed ablution washing each part three times, and said: 'This is my ablution and the ablution of the Messengers who were sent before me."

بَاب مَا جَاءَ فِي الْوُضُوءِ مَرَّةً وَمَرَّتَيْنِ وَثَلَاثًا

حَدَّثَنَا جَعْفَرُ بْنُ مُسَافِرٍ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ قَعْنَبٍ أَبُو بِشْرٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَرَادَةَ الشَّيْبَانِيُّ، عَنْ زَيْدِ بْنِ الْحَوَارِيِّ، عَنْ مُعَاوِيَةَ بْنِ قُرَّةَ، عَنْ عُبَيْدِ بْنِ عُمَيْرٍ، عَنْ أُبَىِّ بْنِ كَعْبٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ دَعَا بِمَاءٍ فَتَوَضَّأَ مَرَّةً مَرَّةً فَقَالَ ‏"‏ هَذَا وَظِيفَةُ الْوُضُوءِ ‏"‏ ‏.‏ أَوْ قَالَ ‏"‏ وُضُوءٌ مَنْ لَمْ يَتَوَضَّأْهُ لَمْ يَقْبَلِ اللَّهُ لَهُ صَلاَةً ‏"‏ ‏.‏ ثُمَّ تَوَضَّأَ مَرَّتَيْنِ مَرَّتَيْنِ ثُمَّ قَالَ ‏"‏ هَذَا وُضُوءٌ مَنْ تَوَضَّأَهُ أَعْطَاهُ اللَّهُ كِفْلَيْنِ مِنَ الأَجْرِ ‏"‏ ‏.‏ ثُمَّ تَوَضَّأَ ثَلاَثًا ثَلاَثًا فَقَالَ ‏"‏ هَذَا وُضُوئِي وَوُضُوءُ الْمُرْسَلِينَ مِنْ قَبْلِي ‏"‏ ‏.‏

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ বাংলা হাদিস
গ্রন্থঃ সুনানে ইবনে মাজাহ
অধ্যায়ঃ ১/ পবিত্রতা ও তার সুন্নাতসমূহ
হাদিস নম্বরঃ ৪২১ | 421 | ٤۲۱

পরিচ্ছদঃ ১/৪৮. সঠিকভাবে উযূ করা এবং তাতে সীমাতিরিক্ত কিছু করা মাকরূহ।

১/৪২১। উবাই ইবনু কাব (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ নিশ্চয় উযূ (ওজু/অজু/অযু)র জন্য ওয়ালাহান নামের একটি শয়তান আছে। অতএব তোমরা পানি প্রসূত সন্দেহ থেকে দূরে থাকো।


তাখরীজ কুতুবুত সিত্তাহ: তিরমিযী ৫৭ তাহক্বীক্ব আলবানী: অত্যন্ত দুর্বল। তাখরীজ আলবানী: জামি সগীর ১৯৭০ যঈফ জিদ্দান, সহীহা ২১২২ সহীহ, মিশকাত ৪১৯। উক্ত হাদিসের রাবী খারিজাহ বিন মুসআব সম্পর্কে আবু আহমাদ আল-হাকিম বলেন, তিনি প্রত্যাখ্যানযোগ্য। ইবনু আদী বলেন, তিনি হাদিস বর্ণনায় সংমিশ্রণ করেন, তবে ইচ্ছাকৃতভাবে মিথ্যা বলেন না। ইবনু হিব্বান বলেন, তিনি গিয়াস থেকে হাদিস তাদলিস করেছেন এবং অন্যদের থেকে দুর্বলভাবে হাদিস বর্ণনা করেছেন। আহমাদ বিন হাম্বল বলেন, তার থেকে হাদিস গ্রহন করা যাবে না। ইয়াহইয়া বিন মাঈন বলেন, তিনি সিকাহ নন। আলী ইবনুল মাদীনী বলেন, তিনি দুর্বল।

হাদিসের মানঃ  যঈফ (Dai'f)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

It was narrated that Ubayy bin Ka'b said:
"The Messenger of Allah said: 'There is a devil for ablution who is called Walahan, so be on guard against the insinuating thoughts (Waswas) about water.'"

بَاب مَا جَاءَ فِي الْقَصْدِ فِي الْوُضُوءِ وَكَرَاهَةِ التَّعَدِّي فِيهِ

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا أَبُو دَاوُدَ، حَدَّثَنَا خَارِجَةُ بْنُ مُصْعَبٍ، عَنْ يُونُسَ بْنِ عُبَيْدٍ، عَنِ الْحَسَنِ، عَنْ عُتَىِّ بْنِ ضَمْرَةَ السَّعْدِيِّ، عَنْ أُبَىِّ بْنِ كَعْبٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ إِنَّ لِلْوُضُوءِ شَيْطَانًا يُقَالُ لَهُ وَلَهَانُ فَاتَّقُوا وَسْوَاسَ الْمَاءِ ‏"‏ ‏.‏

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ বাংলা হাদিস
গ্রন্থঃ সুনানে ইবনে মাজাহ
অধ্যায়ঃ ১/ পবিত্রতা ও তার সুন্নাতসমূহ
হাদিস নম্বরঃ ৪২২ | 422 | ٤۲۲

পরিচ্ছদঃ ১/৪৮. সঠিকভাবে উযূ করা এবং তাতে সীমাতিরিক্ত কিছু করা মাকরূহ।

২/৪২২। আমর ইবনু শুআয়ব (রহঃ) থেকে পর্যায়ক্রমে তার পিতা ও তার দাদার সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক বেদুঈন নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট উপস্থিত হয়ে তাঁকে উযূ (ওজু/অজু/অযু) সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেন। তিনি তাকে তিনবার করে উযূ (ওজু/অজু/অযু)র অঙ্গগুলো ধৌত করে দেখান, তারপর বলেনঃ এই হল উযূ (ওজু/অজু/অযু)। যে ব্যাক্তি এর চাইতে বেশি করলো সে অবশ্যই মন্দ কাজ করলো অথবা সীমালঙ্ঘন করলো অথবা জুলুম করলো।


তাখরীজ কুতুবুত সিত্তাহ: আবূ দাঊদ ১৩৫, আহমাদ ৬৬৪৬। তাহক্বীক্ব আলবানী: হাসান সহীহ। তাখরীজ আলবানী: মিশকাত ৪১৯, সহীহ আবূ দাউদ ১২৪।

হাদিসের মানঃ  হাসান (Hasan)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

It was narrated from 'Amr bin Shu'aib from his father, from his grandfather, that:
A Bedouin came to the Prophet and asked him about ablution. He showed him how to perform it washing each part of the body three times. Then he said: 'This is the ablution, and whoever does more than this, has done evil, transgressed the limits and wronged himself.'"

بَاب مَا جَاءَ فِي الْقَصْدِ فِي الْوُضُوءِ وَكَرَاهَةِ التَّعَدِّي فِيهِ

حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنَا خَالِي، يَعْلَى عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ مُوسَى بْنِ أَبِي عَائِشَةَ، عَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، قَالَ جَاءَ أَعْرَابِيٌّ إِلَى النَّبِيِّ ـ صلى الله عليه وسلم ـ فَسَأَلَهُ عَنِ الْوُضُوءِ فَأَرَاهُ ثَلاَثًا ثَلاَثًا ثُمَّ قَالَ ‏ "‏ هَذَا الْوُضُوءُ فَمَنْ زَادَ عَلَى هَذَا فَقَدْ أَسَاءَ وَتَعَدَّى أَوْ ظَلَمَ ‏"‏ ‏.‏

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ বাংলা হাদিস
গ্রন্থঃ সুনানে ইবনে মাজাহ
অধ্যায়ঃ ১/ পবিত্রতা ও তার সুন্নাতসমূহ
হাদিস নম্বরঃ ৪২৩ | 423 | ٤۲۳

পরিচ্ছদঃ ১/৪৮. সঠিকভাবে উযূ করা এবং তাতে সীমাতিরিক্ত কিছু করা মাকরূহ।

৩/৪২৩। ইবনু আব্বাস (রাঃ) বলেন, আমি আমার খালা মাইমূনাহ -এর ঘরে রাত কাটালাম। নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (ঘুম থেকে উঠে) দাঁড়ান এবং মশক থেকে অল্প অল্প পানি নিয়ে উযূ (ওজু/অজু/অযু) করেন। তখন আমিও উঠলাম এবং তিনি যেরূপ করলেন আমিও তদ্রূপ করলাম।


তাখরীজ কুতুবুত সিত্তাহ: বুখারী ১৩৮, মুসলিম ৭৬৩। তাহক্বীক্ব আলবানী: সহীহ। তাখরীজ আলবানী: ইরওয়াহ ৩০।

হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

It was narrated that 'Amr heard Kuraib saying:
"I heard Ibn 'Abbas say: 'I stayed overnight with my maternal aunt Maimunah, and the Prophet got up and performed ablution from an old water skin, and he did a brief ablution. Then I got up and did the same as he had done."

بَاب مَا جَاءَ فِي الْقَصْدِ فِي الْوُضُوءِ وَكَرَاهَةِ التَّعَدِّي فِيهِ

حَدَّثَنَا أَبُو إِسْحَاقَ الشَّافِعِيُّ، إِبْرَاهِيمُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الْعَبَّاسِ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ عَمْرٍو، سَمِعَ كُرَيْبًا، يَقُولُ سَمِعْتُ ابْنَ عَبَّاسٍ، يَقُولُ بِتُّ عِنْدَ خَالَتِي مَيْمُونَةَ فَقَامَ النَّبِيُّ ـ صلى الله عليه وسلم ـ فَتَوَضَّأَ مِنْ شَنَّةٍ وُضُوءًا يُقَلِّلُهُ فَقُمْتُ فَصَنَعْتُ كَمَا صَنَعَ ‏.‏

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ বাংলা হাদিস
গ্রন্থঃ সুনানে ইবনে মাজাহ
অধ্যায়ঃ ১/ পবিত্রতা ও তার সুন্নাতসমূহ
হাদিস নম্বরঃ ৪২৪ | 424 | ٤۲٤

পরিচ্ছদঃ ১/৪৮. সঠিকভাবে উযূ করা এবং তাতে সীমাতিরিক্ত কিছু করা মাকরূহ।

৪/৪২৪। ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক ব্যাক্তিকে উযূ (ওজু/অজু/অযু) করতে দেখে বলেনঃ অপচয় করো না, অপচয় করো না।


তাহক্বীক্ব আলবানী: মউযূ। তাখরীজ আলবানী: যঈফাহ ৪৭৮২। উক্ত হাদিসের রাবী মুহাম্মাদ ইবনুল মুসাফফা আল হিমসী সম্পর্কে আবু হাতিম আর-রাযী ও ইমাম নাসাই বলেন, তিনি সত্যবাদী। ইবনু হিব্বান তাকে সিকাহ বললেও অন্যত্র বলেন, তিনি হাদিস বর্ণনায় ভুল করেন। ২. মুহাম্মাদ ইবনুল ফাদল সম্পর্কে আহমাদ বিন হাম্বল বলেন, তার হাদিস মিথ্যুকদের হাদিসের মতই। ইয়াহইয়া বিন মাঈন বলেন, তিনি মিথ্যুক কখনো সিকাহ হতে পারে না। আলী ইবনুল মাদীনী বলেন, তার থেকে আশ্চর্য হাদিস বর্ণিত হয়েছে। আমর বিন ফাল্লাস বলেন, তার হাদিস প্রত্যাখ্যানযোগ্য ও তিনি মিথ্যুক। সালিহ জাযারাহ বলেন, তিনি হাদিস বানিয়ে বর্ণনা করেন। ইমাম বুখারী তার ব্যাপারে চুপ থেকেছেন অর্থাৎ কিছু বলেন নি।

হাদিসের মানঃ  জাল (Fake)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

It is narrated that Ibn 'Umar said:
"The Messenger of Allah saw a man performing ablution, and he said: 'Do not be extravagant, do not be extravagant (in using water).'"

بَاب مَا جَاءَ فِي الْقَصْدِ فِي الْوُضُوءِ وَكَرَاهَةِ التَّعَدِّي فِيهِ

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُصَفَّى الْحِمْصِيُّ، حَدَّثَنَا بَقِيَّةُ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ الْفَضْلِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ سَالِمٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ رَأَى رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ رَجُلاً يَتَوَضَّأُ فَقَالَ ‏ "‏ لاَ تُسْرِفْ لاَ تُسْرِفْ ‏"‏ ‏.‏

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ বাংলা হাদিস
গ্রন্থঃ সুনানে ইবনে মাজাহ
অধ্যায়ঃ ১/ পবিত্রতা ও তার সুন্নাতসমূহ
হাদিস নম্বরঃ ৪২৫ | 425 | ٤۲۵

পরিচ্ছদঃ ১/৪৮. সঠিকভাবে উযূ করা এবং তাতে সীমাতিরিক্ত কিছু করা মাকরূহ।

৫/৪২৫। আবদুল্লাহ ইবনু আমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সা’দ (রাঃ) কে অতিক্রম করে যাচ্ছিলেন, তখন তিনি উযূ (ওজু/অজু/অযু) করছিলেন। তিনি বলেনঃ এই অপচয় কেন? সা’দ (রাঃ) বলেন, উযূ (ওজু/অজু/অযু)তেও কি অপচয় আছে? তিনি বলেনঃ হ্যাঁ যদিও তুমি প্রবহমান নদীতে থাকো।


তাখরীজ কুতুবুত সিত্তাহ: আহমাদ ৭০২৫ তাহক্বীক্ব আলবানী: যঈফ। তাখরীজ আলবানী: ইরওয়া ১৪০ যঈফ, মিশকাত ৪২৭ যঈফ। উক্ত হাদিসের রাবী ১. ইবনু লাহীআহ সম্পর্কে আমর বিন ফাল্লাস বলেন, তার কিতাবসমূহ পুড়ে যাওয়ার পর হাদিস বর্ণনায় দুর্বল ছিলেন। আহমাদ বিন হাম্বল বলেন, তার পুরাতন হাদিসগুলো সহিহ। ২. হুইয়ার বিন আবদুল্লাহ আল-মুআফিরী সম্পর্কে ইমাম নাসাই বলেন, তিনি হাদিস বর্ণনায় নির্ভরযোগ্য নন। ইমাম বুখারী বলেন, তার ব্যাপারে সমালোচনা রয়েছে। আহমাদ বিন হাম্বল বলেন, তিনি একাধিক হাদিস মুনকারভাবে বর্ণনা করেছেন।

হাদিসের মানঃ  যঈফ (Dai'f)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

It was narrated from 'Abdullah bin 'Amr that:
The Messenger of Allah passed by Sa'd when he was performing ablution, and he said: 'What is this extravagance?' He said: 'Can there be any extravagance in ablution?' He said: 'Yes, even if you are on the bank of a flowing river.'"

بَاب مَا جَاءَ فِي الْقَصْدِ فِي الْوُضُوءِ وَكَرَاهَةِ التَّعَدِّي فِيهِ

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى، حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، حَدَّثَنَا ابْنُ لَهِيعَةَ، عَنْ حُيَىِّ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الْمَعَافِرِيِّ، عَنْ أَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْحُبُلِيِّ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ مَرَّ بِسَعْدٍ وَهُوَ يَتَوَضَّأُ فَقَالَ ‏"‏ مَا هَذَا السَّرَفُ ‏"‏ ‏.‏ فَقَالَ أَفِي الْوُضُوءِ إِسْرَافٌ قَالَ ‏"‏ نَعَمْ وَإِنْ كُنْتَ عَلَى نَهَرٍ جَارٍ ‏"‏ ‏.‏

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ বাংলা হাদিস
গ্রন্থঃ সুনানে ইবনে মাজাহ
অধ্যায়ঃ ১/ পবিত্রতা ও তার সুন্নাতসমূহ
হাদিস নম্বরঃ ৪২৬ | 426 | ٤۲٦

পরিচ্ছদঃ ১/৪৯. পূর্ণাঙ্গভাবে উযূ করা।

১/৪২৬। ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের পূর্ণাঙ্গরূপে উযূ (ওজু/অজু/অযু) করার নির্দেশ দিয়েছেন।


তাখরীজ কুতুবুত সিত্তাহ: নাসায়ী ১৪১ তাহক্বীক্ব আলবানী: সহীহ। তাখরীজ আলবানী: সহীহ আবূ দাউদ ৭৬৯।

হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

It was narrated that Ibn 'Abbas said:
"The Messenger of Allah commanded us to perform ablution properly."

بَاب مَا جَاءَ فِي إِسْبَاغِ الْوُضُوءِ

حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدَةَ، حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ، حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ سَالِمٍ أَبُو جَهْضَمٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَبَّاسٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ أَمَرَنَا رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ بِإِسْبَاغِ الْوُضُوءِ ‏.‏

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

হাদিস দেখানো হচ্ছে   [151]  থেকে  [160]  পর্যন্ত এবং সর্বমোট   [400]  টি হাদিস পাওয়া গেছে।