• ৫৬৫১৩ টি সর্বমোট হাদিস আছেঃ
  • ৫৭৫৬ টি প্রশ্নোত্তর ও ফিকাহঃ

 

 

 

 


হাদীস (حَدِيْث) এর শাব্দিক অর্থ: নতুন, প্রাচীন ও পুরাতন এর বিপরীত বিষয়। এ অর্থে যে সব কথা, কাজ ও বস্ত্ত পূর্বে ছিল না, এখন অস্তিত্ব লাভ করেছে  তাই হাদীস। এর আরেক অর্থ হলো: কথা। ফক্বীহগণের পরিভাষায় নাবী কারীম () আল্লাহ্‌র রাসূল হিসেবে যা কিছু বলেছেন, যা কিছু করেছেন এবং যা কিছু বলার বা করার অনুমতি দিয়েছেন অথবা সমর্থন জানিয়েছেন তাকে হাদীস বলা হয়। কিন্তু মুহাদ্দিসগণ এর সঙ্গে রাসুলুল্লাহ () সম্পর্কিত বর্ণনা ও তার গুণাবলী সম্পর্কিত বিবরণকেও হাদীসের অন্তর্ভুক্ত করেন। এ হিসেবে হাদীসকে প্রাথমিক পর্যায়ে তিন শ্রেণীতে ভাগ করা যায়:

১। ক্বওলী হাদীস: কোন বিষয়ে রাসুলুল্লাহ () যা বলেছেন, অর্থাৎ যে হাদীসে তাঁর কোন কথা বিবৃত হয়েছে তাকে ক্বওলী (বাণী সম্পর্কিত) হাদীস বলা হয়।

২। ফেলী হাদীস: মহানাবী ()-এর কাজকর্ম, চরিত্র ও আচার-আচরণের ভেতর দিয়েই ইসলামের যাবতীয় বিধি-বিধান ও রীতিনীতি পরিস্ফুট হয়েছে। অতএব যে হাদীসে তাঁর কোন কাজের বিবরণ উল্লেখিত হয়েছে তাকে ফে’লী (কর্ম সম্পর্কিত) হাদীস বলা হয়।

৩। তাকরীরী হাদীস: সাহাবীগণের যে সব কথা বা কাজ নাবী কারীম ()-এর অনুমোদন ও সমর্থন প্রাপ্ত হয়েছে, সে ধরনের কোন কথা বা কাজের বিবরণ হতেও শরীয়াতের দৃষ্টিভঙ্গি জানা যায়। অতএব যে হাদীসে এ ধরনের কোন ঘটনার বা কাজের উল্লেখ পাওয়া যায় তাকে তাকরীরী (সমর্থন মূলক) হাদীস বলে।

সুন্নাহ (السنة): হাদীসের অপর নাম সুন্নাহ্ (السنة) সুন্নাত শব্দের অর্থ চলার পথ, কর্মের নীতি ও পদ্ধতি। যে পন্থা ও রীতি নাবী কারীম () অবলম্বন করতেন তাকে সুন্নাত বলা হয়। অন্য কথায় রাসুলুল্লাহ () প্রচারিত উচ্চতম আদর্শই সুন্নাত। কুরআন মাজিদে মহত্তম ও সুন্দরতম আদর্শ (أُسْوَةٌ حَسَنَةٌ) বলতে এই সুন্নাতকেই বুঝানো হয়েছে।

খবর (خبر): হাদীসকে আরবী ভাষায় খবরও (خبر) বলা হয়। তবে খবর শব্দটি হাদীস ও ইতিহাস উভয়টিকেই বুঝায়।

আসার (أثر ): আসার শব্দটিও কখনও কখনও রাসুলুল্লাহ () এর হাদীসকে নির্দেশ করে। কিন্তু অনেকেই হাদীস ও আসার এর মধ্যে কিছু পার্থক্য করে থাকেন। তাঁদের মতে- সাহাবীগণ থেকে শরীয়াত সম্পর্কে যা কিছু উদ্ধৃত হয়েছে তাকে আসার বলে।

 

ইলমে হাদীসের কতিপয় পরিভাষা

সাহাবী (صحابى):  যিনি ঈমানের সঙ্গে রাসুলুল্লাহ () এর সাহচর্য লাভ করেছেন এবং ঈমানের সঙ্গে মৃত্যুবরণ করেছেন তাঁকে রাসুলুল্লাহ ()-এর সাহাবী বলা হয়।

তাবেঈ (تابعى) : যিনি রাসুলুল্লাহ ()-এর কোন সাহাবীর নিকট হাদীস শিক্ষা করেছেন অথবা অন্ততপক্ষে তাঁকে দেখেছেন এবং মুসলমান হিসেবে মৃত্যুবরণ করেছেন তাঁকে তাবেঈ বলা হয়।

তাবে-তাবেঈ (تابعى تابع) : যিনি  কোন তাবেঈ এর নিকট হাদীস শিক্ষা করেছেন অথবা অন্ততপক্ষে তাঁকে দেখেছেন এবং মুসলমান হিসেবে মৃত্যুবরণ করেছেন তাঁকে তাবে-তাবেঈ বলা হয়।

মুহাদ্দিস (محدث) : যিনি হাদীস চর্চা করেন এবং বহু সংখ্যক হাদীসের সনদ ও মতন সম্পর্কে বিশেষ জ্ঞান রাখেন তাঁকে মুহাদ্দিস বলা হয়।

শাইখ (شيخ) : হাদীসের শিক্ষাদাতা রাবীকে শায়খ বলা হয়।

শাইখান (شيخان) : সাহাবীগনের মধ্যে আবূ বকর (রাঃ) ও উমর  (রাঃ)- কে একত্রে শাইখান বলা হয়। কিন্তু হাদীস শাস্ত্রে ইমাম বুখারী (রাহি.) ও ইমাম মুসলিম (রাহি.)-কে এবং ফিক্বহ-এর পরিভাষায় ইমাম আবূ হানীফা (রাহি.) ও আবূ ইউসুফ (রাহি.)-কে একত্রে শাইখান বলা হয়। 

হাফিয (حافظ) : যিনি সনদ ও মতনের বৃত্তান্ত সহ এক লাখ হাদীস আয়ত্ত করেছেন তাঁকে হাফিয বলা হয়।

হুজ্জাত (حجة) : অনুরূপভাবে যিনি তিন লক্ষ হাদীস আয়ত্ত করেছেন তাঁকে হুজ্জাত বলা হয়।  

হাকিম (حاكم) : যিনি সব হাদীস আয়ত্ত করেছেন তাকে হাকিম বলা হয়।

রিজাল (رجال) : হাদীসের রাবী সমষ্টিকে রিজাল বলে। যে শাস্ত্রে রাবীগণের জীবনী বর্ণনা করা হয়েছে তাকে আসমাউর-রিজাল বলা হয়।                                                                                 

রিওয়ায়াত (رواية): হাদীস বর্ণনা করাকে রিওয়ায়াত বলে। কখনও কখনও মূল হাদীসকেও রিওয়ায়াত বলা হয়। যেমন- এই কথার সমর্থনে একটি রিওয়ায়াত (হাদীস) আছে।                           

সনদ (سند): হাদীসের মূল কথাটুকু যে সূত্র পরম্পরায় গ্রন্থ সংকলনকারী পর্যন্ত পৌঁছেছে তাকে সনদ বলা হয়। এতে হাদীস বর্ণনাকারীদের নাম একের পর এক সজ্জিত থাকে।

মতন (متن): হাদীসে মূল কথা ও তার শব্দ সমষ্টিকে মতন বলে।

মারফূ (مرفوع): যে হাদীসের সনদ (বর্ণনা পরম্পরা) রাসুলুল্লাহ () পর্যন্ত পৌঁছেছে  তাকে মারফূ হাদীস বলে।

মাওকূফ (موقوف) : যে হাদীসের বর্ণনা- সূত্র ঊর্ধ্ব দিকে সাহাবী পর্যন্ত পৌঁছেছে , অর্থাৎ যে সনদ -সূত্রে কোন সাহাবীর কথা বা কাজ বা অনুমোদন বর্ণিত হয়েছে তাকে মাওকূফ হাদীস বলে। এর অপর নাম আসার।

মাকতূ (مقطوع): যে হাদীসের সনদ কোন তাবেঈ পর্যন্ত পৌঁছেছে, তাকে মাকতূ হাদীস বলা হয়।

তালীক (تعليق): কোন কোন গ্রন্থকার হাদীসের পূর্ণ সনদ বাদ দিয়ে কেবল মূল হাদীস বর্ণনা করেছেন। এরূপ করাকে তা’লীক বলা হয়।

মুদাল্লাস (مدلس): যে হাদীসের রাবী নিজের প্রকৃত শাইখের (উস্তাদের) নাম উল্লেখ না করে তার উপরস্থ শাইখের নামে এভাবে হাদীস বর্ণনা করেছেন যাতে মনে হয় যে, তিনি নিজেই উপরস্থ শাইখের নিকট তা শুনেছেন অথচ তিনি তাঁর নিকট সেই হাদীস শুনেন নি- সে হাদীসকে মুদাল্লাস হাদীস এবং এইরূপ করাকে ‘তাদ্লীস’ আর যিনি এইরূপ করেন তাকে মুদালস্নীস বলা হয়।

মুযতারাব (مضطرب): যে হাদীসের রাবী হাদীসের মতন ও সনদকে বিভিন্ন প্রকারে বর্ণনা করেছেন সে হাদীসকে হাদীসে মুযতারাব বলা হয়। যে পর্যন্ত না এর কোনরূপ সমন্বয় সাধন সম্ভবপর হয়, সে পর্যন্ত এই হাদীসের ব্যাপারে অপেক্ষা করতে হবে অর্থাৎ এই ধরনের রিওয়ায়াত প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না।

মুদ্রাজ (مدرج): যে হাদীসের মধ্যে রাবী নিজের অথবা অপরের উক্তিকে অনুপ্রবেশ করিয়েছেন, সে হাদীসকে মুদ্রাজ এবং এইরূপ করাকে ‘ইদরাজ’ বলা হয়।

মুত্তাসিল (متصل): যে হাদীসের সনদের ধারাবাহিকতা প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত পূর্ণরূপে রক্ষক্ষত আছে, কোন সত্মরেই কোন রাবীর নাম বাদ পড়ে নি তাকে মুত্তাসিল হাদীস বলে।

মুনকাতি (منقطع): যে হাদীসের সনদে ধারাবাহিকতা রক্ষিত হয় নি, মাঝখানে কোন এক স্তরে কোন রাবীর নাম বাদ পড়েছে, তাকে মুনকাতি হাদীস, আর এই বাদ পড়াকে ইনকিতা বলা হয়।

মুরসাল (مرسل): যে হাদীসের সনদে ইনকিতা শেষের দিকে হয়েছে, অর্থাৎ সাহাবীর নাম বাদ পড়েছে এবং তাবেঈ সরাসরি রাসুলুল্লাহ () এর উল্লেখ করে হাদীস বর্ণনা করেছেন তাকে মুরসাল হাদীস বলা হয়।

মুআল্লাক ( معلق ) : সনদের ইনকিতা প্রথম দিকে  হলে, অর্থাৎ সাহাবীর পর এক বা একাধিক রাবীর নাম বাদ পড়লে তাকে মু’আল্লাক হাদীস বলা হয়।

মুদাল (معضل): যে হাদীসে দুই বা ততোধিক রাবী ক্রমান্বয়ে সনদ থেকে বাদ পড়েছে তাকে মু‘দাল হাদীস বলে।

মুতাবি ও শাহিদ (متابع و شاهد): এক রাবীর হাদীসের অনুরূপ যদি অপর রাবীর কোন হাদীস পাওয়া যায় তবে দ্বিতীয় রাবীর হাদীসকে প্রথম রাবীর হাদীসের মুতাবি বলা হয়। যদি উভয় হাদীসের মূল রাবী অর্থাৎ সাহাবী একই ব্যক্তি না হয় তবে দ্বিতীয় ব্যক্তির হাদীসকে শাহিদ বলে। আর এইরূপ হওয়াকে শাহাদাত বলে। মুতাবা’আত ও শাহাদাত দ্বারা প্রথম হাদীসটির শক্তি বৃদ্ধি পায়।

মারূফ ও মুনকার (معروف و منكر): কোন দুর্বল রাবীর বর্ণিত হাদীস অপর কোন মাকবূল (গ্রহণযোগ্য) রাবীর বর্ণিত হাদীসের বিরোধী হলে তাকে মুনকার বলা হয় এবং মাকবূল রাবীর হাদীসকে মা‘রূফ বলা হয়।

সহীহ (صحيح) : যে মুত্তাসিল হাদীসের সনদে উল্লেখিত প্রত্যেক রাবীই পূর্ণ আদালত ও যাবত (ধারণ ক্ষমতা) গুণ সম্পন্ন এবং হাদীসটি যাবতীয় দোষত্রুটি ও শায মুক্ত তাকে সহীহ হাদীস বলে।

হাসান (حسن) : যে হাদীসের মধ্যে রাবীর যাবত (ধারণ ক্ষমতা) এর গুণ ব্যতীত সহীহ হাদীসের সমস্ত শর্তই পরিপূর্ণ রয়েছে তাকে হাসান হাদীস বলা হয়। ফক্বীহগণ সাধারণত সহীহ ও হাসান হাদীসের ভিত্তিতে শরীয়াতের বিধান নির্ধারণ  করেন।

যঈফ (ضعيف ) : যে হাদীসের রাবী কোন হাসান হাদীসের রাবীর গুণসম্পন্ন নন তাকে যঈফ হাদীস বলে।

মাওযূ ( موضوع ) : যে হাদীসের রাবী জীবনে কখনও ইচ্ছাকৃতভাবে রাসুলুল্লাহ ()-এর নামে মিথ্যা কথা রটনা করেছেন বলে প্রমাণিত হয়েছে, তার বর্ণিত হাদীসকে মাওযূ‘ হাদীস বলে।

 

রাবীর সংখ্যা বিচারে হাদীস প্রধানত দুপ্রকার। যথা: ১. মুতওয়াতির (متواتر) ও ২. আহাদ (أحاد)

১. মুতওয়াতির (متواتر): বৃহৎ সংখ্যক রাবীর বর্ণিত হাদীস, মিথ্যার ব্যাপারে যাদের উপর একাট্টা হওয়া অসম্ভব, সনদের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত এ সংখ্যা বিদ্যমান থাকলে হাদীসকে মুতওয়াতির (متواتر) বলা হয়।

২. আহাদ (أحاد): أحاد তিন প্রকার। যথা:

মাশহুর (مشهور): যে কোন স্তরে হাদীস বর্ণনা কারীর সংখ্যা যদি দুই এর অধিক হয়, কিন্তু মুতওয়াতির এর পর্যায়ে পৌঁছে না তাকে মাশহুর (مشهور) বলে।

আযীয (عزيز): যে কোন স্তরে হাদীস বর্ণনা কারীর সংখ্যা যদি দু‘জন হয় ।

গরীব (غريب): যে কোন স্তরে হাদীস বর্ণনা কারীর সংখ্যা যদি এক জন হয় ।

শায (شاذ): একাধিক নির্ভরযোগ্য রাবীর বিপরীত একজন নির্ভরযোগ্য রাবীর বর্ণনাকে শায হাদীস বলে।

 কিয়াস (قياس): অর্থ অনুমান, পরিমাপ, তুলনা ইত্যাদি। পরিভাষায়: শাখাকে মূলের সঙ্গে তুলনা করা, যার ফলে শাখা ও মূল একই হুকুমের অমত্মর্ভুক্ত হয়ে যায়।

তাক্বলীদ (تقليد): দলীল উল্লেখ ছাড়াই কোন ব্যক্তির মতামতকে গ্রহণ করা।

ইজতিহাদ (اجتهاد): উদ্দিষ্ট জ্ঞান অর্জনের প্রচেষ্টা চালানোকে ইজতিহাদ বলে।

শরীয়াত (شريعة): অর্থ: আইন, বিধান, পথ, পন্থা ইত্যাদি। পরিভাষায়: মহান আল্লাহ্‌ স্বীয় দীন হতে বান্দার জন্য যা বিধিবদ্ধ করে দিয়েছেন তাকে শরীয়াত বলে।

মাযহাব (مذهب): অর্থ- মত, পথ, মতবাদ ইত্যাদি। ফিক্বহী পরিভাষায়: ইবাদাত ও মু‘আমালাতের ক্ষেত্রে শারঈ হুকুম পালনের জন্য বান্দা যে পথ অনুসরণ করে এবং প্রত্যেক দলের জন্য একজন ইমামের উপর অথবা ইমামের ওসীয়ত কিংবা ইমামের প্রতিনিধির উপর নির্ভর করে তাকে মাযহাব বলে।

নাযর (نذر): কোন বিষয়ে উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য চিন্তা-ভাবনা করাকে নাযর বলে।

আম (عام): সীমাবদ্ধ করা ছাড়াই যা দুই বা ততোধিক বিষয়কে অন্তর্ভুক্ত করে তাকে আম বলে।

খাস (خاص): আম এর বিপরীত, যা নির্দিষ্ট বিষয়কে অন্তর্ভুক্ত করে।

ইজমা (اجماع): কোন এক যুগে আলিমদের কোন শারঈ বিষয়ের উপর এক মত পোষণ করাকে ইজমা বলে।

মুসনাদ (مسند): যার সনদগুলো পরস্পর এমনভাবে মিলিত যে, প্রত্যেকের বর্ণনা সুস্পষ্ট।

ফিক্বহ (فقه): ইজতিহাদ বা গবেষণার পদ্ধতিতে শারঈ হুকুম সম্পর্কে জানার বিধানকে ফিক্বহ বলে।

আসল বা মূল (اصل): এমন প্রথম বিষয়, যার উপর ভিত্তি করে কোন কিছু গড়ে উঠে। যেমন- দেয়ালের ভিত্তি।

ফারা বা শাখা (فرع): আসলের বিপরীত যা কোন ভিত্তির উপর গড়ে উঠে।

ওয়াজিব (واجب): যা আমল করলে সাওয়াব পাওয়া যাবে আর পরিত্যাগ করলে শাস্তি পাওয়া যাবে।

মানদূব (مندوب): যা আমল করলে সাওয়াব পাওয়া যাবে আর পরিত্যাগ করলে শাস্তি হবে না।

মাহযূর (محظور): যা পরিত্যাগ করলে সাওয়াব পাওয়া যাবে আর আমল করলে শাস্তি পাওয়া যাবে।

মাকরূহ (مكروه): যা পরিত্যাগ করলে সাওয়াব পাওয়া যাবে আর আমল করলে শাস্তি হবে না।

ফাৎওয়া (فتوى): জিজ্ঞাসিত ব্যক্তির নিকট থেকে দলীল ভিত্তিক শারঈ হুকুম সুস্পষ্ট বর্ণনা করে নেয়াকে ফাৎওয়া বলে।

নাসিখ (ناسخ): পরিবর্তিত শারঈ দলীল যা পূববর্তী শারঈ হুকুমকে রহিত করে দেয় তাকে নাসিখ বলে।

মানসূখ (منسوخ): আর যে হুকুমটি রহিত হয়ে যায় সেটাই মানসূখ।

মুতলাক্ব (مطلق): যা প্রকৃতিগত দিক থেকে জাতির সকলকে অন্তর্ভুক্ত  করে কিন্তু অনির্দিষ্টভাবে একটি অর্থকে বুঝায়।

মুকাইয়্যাদ (مقيد): যা মুতলাক্বের বিপরীত অর্থাৎ জাতির সকলকে অন্তর্ভুক্ত  করে না। বরং নির্দিষ্ট একটি অর্থকে বুঝায়।

হাক্বীকাত (حقيقة): শব্দকে আসল অর্থে ব্যবহার করাকে হাক্বীকত বলে। যেমন- সিংহ শব্দটি এক প্রজাতির হিংস্র প্রাণীকে বুঝায়।

মাজায (مجاز): শব্দ যখন আসল অর্থকে অতিক্রম করে তার সাথে সাদৃশ্য রাখে এমন অর্থ প্রকাশ করে তখন তাকে মাজায বলে। যেমন- সাহসী লোককে সিংহের সাথে তুলনা করা।

হাদিসের পরিসংখ্যান

সর্বমোট হাদিস পাওয়া গেছেঃ [197] টি | অধ্যায়ঃ ২/ ঈমান ও ইসলাম
গ্রন্থঃ | দেখানো হচ্ছে   [141]  থেকে  [150]  পর্যন্ত
প্রতি পাতাতে টি হাদিস

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ
অধ্যায়ঃ ২/ ঈমান ও ইসলাম
হাদিস নম্বরঃ ৫৩ | 53 | ۵۳

৫৩। তামীম আদ-দারী (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি আল্লাহর রাসূলের নিকট জানতে চাইলাম, আয়া রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম! আহলে কিতাব (এবং অন্য বর্ণনায় আহলে কুফ্র) দলভূক্ত কেউ যদি মুসলিম দলভূক্ত কোন ব্যক্তির হাতে ইসলাম গ্রহণ করে তবে এই ব্যক্তির (যার হাতে ইসলাম গ্রহণ করেছে) সুন্নাত (মর্যাদা) কি রূপ? রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, সেই ব্যক্তি মানুষের মধ্যে সর্বোত্তম, সে জীবনে ও মরণে (অর্থাৎ ইহকাল ও পরকালে সে সম্মানিত থাকবে)। (আবদুর রায্যাক, মুহাদ্দিসদের বক্তব্য হতে হাদীসটি সহীহ বলে প্রতীয়মান হয়)



হাদিসের মানঃ  তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!
দুঃখিত! আরবী অংশ এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।
দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ
অধ্যায়ঃ ২/ ঈমান ও ইসলাম
হাদিস নম্বরঃ ৫৪ | 54 | ۵٤

৫৪। আবূ উমামা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, (মক্কা) বিজয়ের দিন আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সওয়ারীর (বাহন) নীচে দন্ডায়মান ছিলাম (অর্থাৎ লাগাম ধরে অথবা পার্শ্বে দন্ডায়মান অবস্থায় ছিলাম)। এই সময় তিনি খুব সুন্দর ও আকর্ষণীয় কিছু কথা বললেন। তাঁর সে কথার এও ছিলো যে, আহলে কিতাব (অর্থাৎ ইয়াহুদ ও নাসারাদের) মধ্য থেকে যে কেউ ইসলাম গ্রহণ করলে তার জন্য দ্বিগুণ সওয়াব (নির্ধারিত)। এছাড়া আমাদের যা অধিকার সেও তা পাবে এবং আমাদের যা কর্তব্য তার অংশীদারও সে হবে। আর মুশরিকদের মধ্য থেকে কেউ ইসলাম গ্রহণ করলে সে তার প্রাপ্য (সওয়াব) পাবে(অর্থাৎ একবার) এবং আমাদের যা অধিকার সেও তাই পাবে এবং আমাদের যা কর্তব্য সে তারও অংশীদার হবে। (তাবারানী-এর সনদে ইবনুু্ লাহইয়া নামক একজন বিতর্কিত রাবী আছে)



হাদিসের মানঃ  তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!
দুঃখিত! আরবী অংশ এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।
দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ
অধ্যায়ঃ ২/ ঈমান ও ইসলাম
হাদিস নম্বরঃ ৫৫ | 55 | ۵۵

৫৫। আবূ মূসা আল-আশ‘আরী (রাঃ) থেকে বর্ণিত, আল্লাহর রাসূল বলেন, যদি কারো কোন ক্রীতদাসী থাকে এবং সে তাকে উত্তম পন্থায় সুশিক্ষা প্রদান করে, তাকে শিষ্টাচার শিক্ষা দেয় উত্তম পন্থায়, তারপর তাকে আযাদ করে দিয়ে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ করে তাহলে সেই ব্যক্তির জন্য দ্বিগুণ সওয়াব। (এমনিভাবে) কোন ক্রীতদাস যদি আল্লাহর হক (অধিকার) এবং তার মালিকের হক আদায় করে সেও দ্বিগুণ সওয়াব পাবে এবং আহলে কিতাবভূক্ত কোন ব্যক্তি যদি বিশ্বাস স্থাপন করে (ঈমান আনে) যা . ঈসা (আলাইহি ওয়াসাল্লাম) নিয়ে এসেছিলেন এবং যা মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিয়ে এসেছেন (আল্লাহর পক্ষ থেকে) তার প্রতি, তবে তার জন্যও দ্বিগুণ সওয়াব বা পুরস্কার থাকবে। (বুখারী, মুসলিম ও অন্যান্য)



হাদিসের মানঃ  তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!
দুঃখিত! আরবী অংশ এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।
দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ
অধ্যায়ঃ ২/ ঈমান ও ইসলাম
হাদিস নম্বরঃ ৫৬ | 56 | ۵٦

৫৬। ‘আমর ইবনুল ‘আস (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, যখন আল্লাহ (দয়াপরবশ হয়ে) আমার অন্তরে ইসলাম (ইসলামের সাহায্য) ঢেলে দেন, তখন আমি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সমীপে বাইয়াত গ্রহণের জন্য আগমন করি। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার দিকে তাঁর হাত বাড়িয়ে দেন। কিন্তু আমি বললাম, যতক্ষণ আমার পূর্ববর্তী গুনাহসমূহ ক্ষমা করা না হবে ততক্ষন আমি বাইয়াত করবো না। তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, হে ‘আমর তুমি কি জান না যে, হিজরত পূর্ববর্তী যাবতীয় গুনাহ বিলীন করে দেয়। হে ‘আমর তুমি কি জান না, ইসলাম পূর্ববর্তী যাবতীয় গুনাহ বিলীন করে দেয়। (মুসলিম ও সাঈদ ইবনু মানসুর)



হাদিসের মানঃ  তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!
দুঃখিত! আরবী অংশ এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।
দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ
অধ্যায়ঃ ২/ ঈমান ও ইসলাম
হাদিস নম্বরঃ ৫৭ | 57 | ۵۷

৫৭। আবদুল্লাহ ইবনু মাস‘উদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, (একদা) আল্লাহর নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে এক ব্যক্তি উপস্থিত হয়ে বলে, ইয়া রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম! আমি যদি ইসলামে (অর্থাৎ ইসলাম গ্রহণের পর) সৎকর্ম করি তবে কি জাহিলিয়্যা যুগে আমি যা করেছি (অপকর্ম) তার জন্য শাস্তি প্রদান করা হবে? তিনি বলেন, যদি তুমি ইসলামে (এসে) সৎকর্ম কর তবে তোমার জাহিলিয়্যা যুগের কর্মের জন্য শাস্তি প্রদান করা হবে না। কিন্তু যদি ইসলামে এসে অপকর্ম কর, তবে তোমার প্রথম ও শেষ সব কর্মের জন্য দায়ী করা হবে। (বুখারী, মুসলিম ও ইবনু মাজাহ)



হাদিসের মানঃ  তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!
দুঃখিত! আরবী অংশ এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।
দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ
অধ্যায়ঃ ২/ ঈমান ও ইসলাম
হাদিস নম্বরঃ ৫৮ | 58 | ۵۸

৫৮। সালমা বিন ইয়যিদ আল জু‘আফী (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি ও আমার ভাই রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সমীপে গমন করি এবং আমরা বলি, ইয় রাসূলুল্লাহ, আমাদের মা মুলাইকা জাহেলী যুগে আতœীয়তার সুসম্পর্ক বজায় রাখতেন, মেহমানদারী করতেন, ইত্যাদি ইত্যাদি ভাল কাজ করতেন। তিনি জাহেলী যুগে মারা গেছেন। এতে কি তাঁর কোন উপকার হবে? তিনি বললেন, না। আমরা বললাম, (আমাদের মা) আমাদের একটি বোনকে (শিশু অবস্থায়) জীবন্ত কবর দিয়েছিলেন, এটা তাঁর জন্য কোন উপকারে আসবে? তিনি বললেন, (কন্যা শিশুকে) যে জীবন্ত কবর দেয় সে এবং কবর দেয়া শিশুর মা উভয়েই দোযখবাসী হবে। যদি না সে (যে কবর দিয়েছে) ইসলাম গ্রহণ করে এবং আল্লাহ তাকে ক্ষমা করে দেন। (তিবরানী, হাইসামী বলেন, আহমদের এ হাদীসের রাবীগণ নির্ভরযোগ্য)



হাদিসের মানঃ  তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!
দুঃখিত! আরবী অংশ এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।
দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ
অধ্যায়ঃ ২/ ঈমান ও ইসলাম
হাদিস নম্বরঃ ৫৯ | 59 | ۵۹

৫৯। আদী বিন হাতিম আত্-তায়ী (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ, আমার পিতা আত্মীয়তার সুসম্পর্ক বজায় রাখতেন এবং আরো আরো ভাল কাজ করতেন (জাহেলী যুগে)। তিনি কি এর জন্য কোন পুরষ্কার পাবেন (আল্লাহর নিকটে)? তিনি বললেন, তোমার পিতা খ্যাতি অর্জন করতে চেয়েছিল এবং সে তা পেয়েছে। (আহমদের রাবীগণ নির্ভরযোগ্য)।



হাদিসের মানঃ  তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!
দুঃখিত! আরবী অংশ এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।
দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ
অধ্যায়ঃ ২/ ঈমান ও ইসলাম
হাদিস নম্বরঃ ৬০ | 60 | ٦۰

৬০। হাকিম ইবনু হিযাম (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ, আমি জাহেলী যুগে কিছু ভাল কাজ করতাম, যেমন দাস মুক্তি, আত্মীয়তার বন্ধন রক্ষা (ইত্যাদি); তো এতে কি আমার জন্য কোন পুরষ্কার আছে? তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, তুমি ইসলাম গ্রহণ করেছ তোমার পূর্ববর্তী সব সৎকর্ম সমেত। (বুখারী ও মুসলিম)।



হাদিসের মানঃ  তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!
দুঃখিত! আরবী অংশ এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।
দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ
অধ্যায়ঃ ২/ ঈমান ও ইসলাম
হাদিস নম্বরঃ ৬১ | 61 | ٦۱

৬১। আমর বিন আবাসা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, (একদা) একজন অত্যন্ত বৃদ্ধ ব্যক্তি তার লাঠিতে ভর দিয়ে বাসূলের সমীপে হাযির হয়ে বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম! আমার (অতীতে) কিছু বিশ্বাসঘাতকতা ও বড় ধরনের গুনাহ আছে, আমার জন্য তা কি ক্ষমা করা হবে? রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, আপনি কি ‘লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ এর সাক্ষ্য প্রদান করেন না? তিনি বললেন, হ্যাঁ এবং আমি আর সাক্ষ্য দেই যে, আপনি আল্লাহর রাসূল। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, আপনার সেই বিশ্বাসঘাতকতা ও অন্যান্য গুনাহসমূহ ক্ষমা করা হয়েছে (তিবরানী-এর সনদ উত্তম)।



হাদিসের মানঃ  তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!
দুঃখিত! আরবী অংশ এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।
দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ
অধ্যায়ঃ ২/ ঈমান ও ইসলাম
হাদিস নম্বরঃ ৬২ | 62 | ٦۲

৬২। আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, আল্লাহর রাসূল বলেন, আমাকে নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে মানুষের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে যতক্ষণ না তারা ‘লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ্’ বলবে। যখন তারা তা বলবে, তখন তারা তাদের জীবন ও সম্পদের নিরাপত্তা বিধান করলো (অর্থাৎ আমি তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে লিপ্ত হন না), তবে (জীবন ও সম্পদের) অধিকার ব্যতীত। (অর্থাৎ কিসাস ও জীবন রক্ষা পণ ইত্যাদি ছাড়া)। আর তাদের (প্রকৃত) হিসাব আল্লাহর এখতিয়ারে। (অর্থাৎ তারা সত্যিকার মুসলিম না কি লোক দেখানো, এই বিচার করবেন আল্লাহ কিন্তু মানুষ তার বাহ্যিক আচরণ দেখেই ফায়সালা করবে।) বর্ণনাকারী বলেন, রিদ্দার যুদ্ধের সময় . উমর (রাঃ) আবূ বকর (রাঃ) কে বললেন, আপনি কি এদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবেন? আমি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি এইরূপ-এইরূপ; আবূ বকর (রাঃ) বললেন, হ্যাঁ, আমরা এদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবো। আল্লাহর শপথ, আমি সালাত ও যাকাতের মধ্যে পার্থক্য সৃষ্টি করবো না এবং যারা এই উভয়টির মধ্যে পার্থক্য করবে, তাদের বিরুদ্ধে অবশ্যই যুদ্ধ করবো। বর্ণনাকারী বলেন, অতঃপর আমরা তাঁর সাথে যুদ্ধে অংশ গ্রহণ করি এবং পরে বুঝতে পারি সেটি সঠিক ছিল। (বুখারী ও মুসলিম)



হাদিসের মানঃ  তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
Sorry! No English Hadith Added Yet!
দুঃখিত! আরবী অংশ এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।
দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

হাদিস দেখানো হচ্ছে   [141]  থেকে  [150]  পর্যন্ত এবং সর্বমোট   [197]  টি হাদিস পাওয়া গেছে।