• ৫৬৫১৩ টি সর্বমোট হাদিস আছেঃ
  • ৫৭৫৬ টি প্রশ্নোত্তর ও ফিকাহঃ

 

 

 

 


হাদীস (حَدِيْث) এর শাব্দিক অর্থ: নতুন, প্রাচীন ও পুরাতন এর বিপরীত বিষয়। এ অর্থে যে সব কথা, কাজ ও বস্ত্ত পূর্বে ছিল না, এখন অস্তিত্ব লাভ করেছে  তাই হাদীস। এর আরেক অর্থ হলো: কথা। ফক্বীহগণের পরিভাষায় নাবী কারীম () আল্লাহ্‌র রাসূল হিসেবে যা কিছু বলেছেন, যা কিছু করেছেন এবং যা কিছু বলার বা করার অনুমতি দিয়েছেন অথবা সমর্থন জানিয়েছেন তাকে হাদীস বলা হয়। কিন্তু মুহাদ্দিসগণ এর সঙ্গে রাসুলুল্লাহ () সম্পর্কিত বর্ণনা ও তার গুণাবলী সম্পর্কিত বিবরণকেও হাদীসের অন্তর্ভুক্ত করেন। এ হিসেবে হাদীসকে প্রাথমিক পর্যায়ে তিন শ্রেণীতে ভাগ করা যায়:

১। ক্বওলী হাদীস: কোন বিষয়ে রাসুলুল্লাহ () যা বলেছেন, অর্থাৎ যে হাদীসে তাঁর কোন কথা বিবৃত হয়েছে তাকে ক্বওলী (বাণী সম্পর্কিত) হাদীস বলা হয়।

২। ফেলী হাদীস: মহানাবী ()-এর কাজকর্ম, চরিত্র ও আচার-আচরণের ভেতর দিয়েই ইসলামের যাবতীয় বিধি-বিধান ও রীতিনীতি পরিস্ফুট হয়েছে। অতএব যে হাদীসে তাঁর কোন কাজের বিবরণ উল্লেখিত হয়েছে তাকে ফে’লী (কর্ম সম্পর্কিত) হাদীস বলা হয়।

৩। তাকরীরী হাদীস: সাহাবীগণের যে সব কথা বা কাজ নাবী কারীম ()-এর অনুমোদন ও সমর্থন প্রাপ্ত হয়েছে, সে ধরনের কোন কথা বা কাজের বিবরণ হতেও শরীয়াতের দৃষ্টিভঙ্গি জানা যায়। অতএব যে হাদীসে এ ধরনের কোন ঘটনার বা কাজের উল্লেখ পাওয়া যায় তাকে তাকরীরী (সমর্থন মূলক) হাদীস বলে।

সুন্নাহ (السنة): হাদীসের অপর নাম সুন্নাহ্ (السنة) সুন্নাত শব্দের অর্থ চলার পথ, কর্মের নীতি ও পদ্ধতি। যে পন্থা ও রীতি নাবী কারীম () অবলম্বন করতেন তাকে সুন্নাত বলা হয়। অন্য কথায় রাসুলুল্লাহ () প্রচারিত উচ্চতম আদর্শই সুন্নাত। কুরআন মাজিদে মহত্তম ও সুন্দরতম আদর্শ (أُسْوَةٌ حَسَنَةٌ) বলতে এই সুন্নাতকেই বুঝানো হয়েছে।

খবর (خبر): হাদীসকে আরবী ভাষায় খবরও (خبر) বলা হয়। তবে খবর শব্দটি হাদীস ও ইতিহাস উভয়টিকেই বুঝায়।

আসার (أثر ): আসার শব্দটিও কখনও কখনও রাসুলুল্লাহ () এর হাদীসকে নির্দেশ করে। কিন্তু অনেকেই হাদীস ও আসার এর মধ্যে কিছু পার্থক্য করে থাকেন। তাঁদের মতে- সাহাবীগণ থেকে শরীয়াত সম্পর্কে যা কিছু উদ্ধৃত হয়েছে তাকে আসার বলে।

 

ইলমে হাদীসের কতিপয় পরিভাষা

সাহাবী (صحابى):  যিনি ঈমানের সঙ্গে রাসুলুল্লাহ () এর সাহচর্য লাভ করেছেন এবং ঈমানের সঙ্গে মৃত্যুবরণ করেছেন তাঁকে রাসুলুল্লাহ ()-এর সাহাবী বলা হয়।

তাবেঈ (تابعى) : যিনি রাসুলুল্লাহ ()-এর কোন সাহাবীর নিকট হাদীস শিক্ষা করেছেন অথবা অন্ততপক্ষে তাঁকে দেখেছেন এবং মুসলমান হিসেবে মৃত্যুবরণ করেছেন তাঁকে তাবেঈ বলা হয়।

তাবে-তাবেঈ (تابعى تابع) : যিনি  কোন তাবেঈ এর নিকট হাদীস শিক্ষা করেছেন অথবা অন্ততপক্ষে তাঁকে দেখেছেন এবং মুসলমান হিসেবে মৃত্যুবরণ করেছেন তাঁকে তাবে-তাবেঈ বলা হয়।

মুহাদ্দিস (محدث) : যিনি হাদীস চর্চা করেন এবং বহু সংখ্যক হাদীসের সনদ ও মতন সম্পর্কে বিশেষ জ্ঞান রাখেন তাঁকে মুহাদ্দিস বলা হয়।

শাইখ (شيخ) : হাদীসের শিক্ষাদাতা রাবীকে শায়খ বলা হয়।

শাইখান (شيخان) : সাহাবীগনের মধ্যে আবূ বকর (রাঃ) ও উমর  (রাঃ)- কে একত্রে শাইখান বলা হয়। কিন্তু হাদীস শাস্ত্রে ইমাম বুখারী (রাহি.) ও ইমাম মুসলিম (রাহি.)-কে এবং ফিক্বহ-এর পরিভাষায় ইমাম আবূ হানীফা (রাহি.) ও আবূ ইউসুফ (রাহি.)-কে একত্রে শাইখান বলা হয়। 

হাফিয (حافظ) : যিনি সনদ ও মতনের বৃত্তান্ত সহ এক লাখ হাদীস আয়ত্ত করেছেন তাঁকে হাফিয বলা হয়।

হুজ্জাত (حجة) : অনুরূপভাবে যিনি তিন লক্ষ হাদীস আয়ত্ত করেছেন তাঁকে হুজ্জাত বলা হয়।  

হাকিম (حاكم) : যিনি সব হাদীস আয়ত্ত করেছেন তাকে হাকিম বলা হয়।

রিজাল (رجال) : হাদীসের রাবী সমষ্টিকে রিজাল বলে। যে শাস্ত্রে রাবীগণের জীবনী বর্ণনা করা হয়েছে তাকে আসমাউর-রিজাল বলা হয়।                                                                                 

রিওয়ায়াত (رواية): হাদীস বর্ণনা করাকে রিওয়ায়াত বলে। কখনও কখনও মূল হাদীসকেও রিওয়ায়াত বলা হয়। যেমন- এই কথার সমর্থনে একটি রিওয়ায়াত (হাদীস) আছে।                           

সনদ (سند): হাদীসের মূল কথাটুকু যে সূত্র পরম্পরায় গ্রন্থ সংকলনকারী পর্যন্ত পৌঁছেছে তাকে সনদ বলা হয়। এতে হাদীস বর্ণনাকারীদের নাম একের পর এক সজ্জিত থাকে।

মতন (متن): হাদীসে মূল কথা ও তার শব্দ সমষ্টিকে মতন বলে।

মারফূ (مرفوع): যে হাদীসের সনদ (বর্ণনা পরম্পরা) রাসুলুল্লাহ () পর্যন্ত পৌঁছেছে  তাকে মারফূ হাদীস বলে।

মাওকূফ (موقوف) : যে হাদীসের বর্ণনা- সূত্র ঊর্ধ্ব দিকে সাহাবী পর্যন্ত পৌঁছেছে , অর্থাৎ যে সনদ -সূত্রে কোন সাহাবীর কথা বা কাজ বা অনুমোদন বর্ণিত হয়েছে তাকে মাওকূফ হাদীস বলে। এর অপর নাম আসার।

মাকতূ (مقطوع): যে হাদীসের সনদ কোন তাবেঈ পর্যন্ত পৌঁছেছে, তাকে মাকতূ হাদীস বলা হয়।

তালীক (تعليق): কোন কোন গ্রন্থকার হাদীসের পূর্ণ সনদ বাদ দিয়ে কেবল মূল হাদীস বর্ণনা করেছেন। এরূপ করাকে তা’লীক বলা হয়।

মুদাল্লাস (مدلس): যে হাদীসের রাবী নিজের প্রকৃত শাইখের (উস্তাদের) নাম উল্লেখ না করে তার উপরস্থ শাইখের নামে এভাবে হাদীস বর্ণনা করেছেন যাতে মনে হয় যে, তিনি নিজেই উপরস্থ শাইখের নিকট তা শুনেছেন অথচ তিনি তাঁর নিকট সেই হাদীস শুনেন নি- সে হাদীসকে মুদাল্লাস হাদীস এবং এইরূপ করাকে ‘তাদ্লীস’ আর যিনি এইরূপ করেন তাকে মুদালস্নীস বলা হয়।

মুযতারাব (مضطرب): যে হাদীসের রাবী হাদীসের মতন ও সনদকে বিভিন্ন প্রকারে বর্ণনা করেছেন সে হাদীসকে হাদীসে মুযতারাব বলা হয়। যে পর্যন্ত না এর কোনরূপ সমন্বয় সাধন সম্ভবপর হয়, সে পর্যন্ত এই হাদীসের ব্যাপারে অপেক্ষা করতে হবে অর্থাৎ এই ধরনের রিওয়ায়াত প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না।

মুদ্রাজ (مدرج): যে হাদীসের মধ্যে রাবী নিজের অথবা অপরের উক্তিকে অনুপ্রবেশ করিয়েছেন, সে হাদীসকে মুদ্রাজ এবং এইরূপ করাকে ‘ইদরাজ’ বলা হয়।

মুত্তাসিল (متصل): যে হাদীসের সনদের ধারাবাহিকতা প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত পূর্ণরূপে রক্ষক্ষত আছে, কোন সত্মরেই কোন রাবীর নাম বাদ পড়ে নি তাকে মুত্তাসিল হাদীস বলে।

মুনকাতি (منقطع): যে হাদীসের সনদে ধারাবাহিকতা রক্ষিত হয় নি, মাঝখানে কোন এক স্তরে কোন রাবীর নাম বাদ পড়েছে, তাকে মুনকাতি হাদীস, আর এই বাদ পড়াকে ইনকিতা বলা হয়।

মুরসাল (مرسل): যে হাদীসের সনদে ইনকিতা শেষের দিকে হয়েছে, অর্থাৎ সাহাবীর নাম বাদ পড়েছে এবং তাবেঈ সরাসরি রাসুলুল্লাহ () এর উল্লেখ করে হাদীস বর্ণনা করেছেন তাকে মুরসাল হাদীস বলা হয়।

মুআল্লাক ( معلق ) : সনদের ইনকিতা প্রথম দিকে  হলে, অর্থাৎ সাহাবীর পর এক বা একাধিক রাবীর নাম বাদ পড়লে তাকে মু’আল্লাক হাদীস বলা হয়।

মুদাল (معضل): যে হাদীসে দুই বা ততোধিক রাবী ক্রমান্বয়ে সনদ থেকে বাদ পড়েছে তাকে মু‘দাল হাদীস বলে।

মুতাবি ও শাহিদ (متابع و شاهد): এক রাবীর হাদীসের অনুরূপ যদি অপর রাবীর কোন হাদীস পাওয়া যায় তবে দ্বিতীয় রাবীর হাদীসকে প্রথম রাবীর হাদীসের মুতাবি বলা হয়। যদি উভয় হাদীসের মূল রাবী অর্থাৎ সাহাবী একই ব্যক্তি না হয় তবে দ্বিতীয় ব্যক্তির হাদীসকে শাহিদ বলে। আর এইরূপ হওয়াকে শাহাদাত বলে। মুতাবা’আত ও শাহাদাত দ্বারা প্রথম হাদীসটির শক্তি বৃদ্ধি পায়।

মারূফ ও মুনকার (معروف و منكر): কোন দুর্বল রাবীর বর্ণিত হাদীস অপর কোন মাকবূল (গ্রহণযোগ্য) রাবীর বর্ণিত হাদীসের বিরোধী হলে তাকে মুনকার বলা হয় এবং মাকবূল রাবীর হাদীসকে মা‘রূফ বলা হয়।

সহীহ (صحيح) : যে মুত্তাসিল হাদীসের সনদে উল্লেখিত প্রত্যেক রাবীই পূর্ণ আদালত ও যাবত (ধারণ ক্ষমতা) গুণ সম্পন্ন এবং হাদীসটি যাবতীয় দোষত্রুটি ও শায মুক্ত তাকে সহীহ হাদীস বলে।

হাসান (حسن) : যে হাদীসের মধ্যে রাবীর যাবত (ধারণ ক্ষমতা) এর গুণ ব্যতীত সহীহ হাদীসের সমস্ত শর্তই পরিপূর্ণ রয়েছে তাকে হাসান হাদীস বলা হয়। ফক্বীহগণ সাধারণত সহীহ ও হাসান হাদীসের ভিত্তিতে শরীয়াতের বিধান নির্ধারণ  করেন।

যঈফ (ضعيف ) : যে হাদীসের রাবী কোন হাসান হাদীসের রাবীর গুণসম্পন্ন নন তাকে যঈফ হাদীস বলে।

মাওযূ ( موضوع ) : যে হাদীসের রাবী জীবনে কখনও ইচ্ছাকৃতভাবে রাসুলুল্লাহ ()-এর নামে মিথ্যা কথা রটনা করেছেন বলে প্রমাণিত হয়েছে, তার বর্ণিত হাদীসকে মাওযূ‘ হাদীস বলে।

 

রাবীর সংখ্যা বিচারে হাদীস প্রধানত দুপ্রকার। যথা: ১. মুতওয়াতির (متواتر) ও ২. আহাদ (أحاد)

১. মুতওয়াতির (متواتر): বৃহৎ সংখ্যক রাবীর বর্ণিত হাদীস, মিথ্যার ব্যাপারে যাদের উপর একাট্টা হওয়া অসম্ভব, সনদের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত এ সংখ্যা বিদ্যমান থাকলে হাদীসকে মুতওয়াতির (متواتر) বলা হয়।

২. আহাদ (أحاد): أحاد তিন প্রকার। যথা:

মাশহুর (مشهور): যে কোন স্তরে হাদীস বর্ণনা কারীর সংখ্যা যদি দুই এর অধিক হয়, কিন্তু মুতওয়াতির এর পর্যায়ে পৌঁছে না তাকে মাশহুর (مشهور) বলে।

আযীয (عزيز): যে কোন স্তরে হাদীস বর্ণনা কারীর সংখ্যা যদি দু‘জন হয় ।

গরীব (غريب): যে কোন স্তরে হাদীস বর্ণনা কারীর সংখ্যা যদি এক জন হয় ।

শায (شاذ): একাধিক নির্ভরযোগ্য রাবীর বিপরীত একজন নির্ভরযোগ্য রাবীর বর্ণনাকে শায হাদীস বলে।

 কিয়াস (قياس): অর্থ অনুমান, পরিমাপ, তুলনা ইত্যাদি। পরিভাষায়: শাখাকে মূলের সঙ্গে তুলনা করা, যার ফলে শাখা ও মূল একই হুকুমের অমত্মর্ভুক্ত হয়ে যায়।

তাক্বলীদ (تقليد): দলীল উল্লেখ ছাড়াই কোন ব্যক্তির মতামতকে গ্রহণ করা।

ইজতিহাদ (اجتهاد): উদ্দিষ্ট জ্ঞান অর্জনের প্রচেষ্টা চালানোকে ইজতিহাদ বলে।

শরীয়াত (شريعة): অর্থ: আইন, বিধান, পথ, পন্থা ইত্যাদি। পরিভাষায়: মহান আল্লাহ্‌ স্বীয় দীন হতে বান্দার জন্য যা বিধিবদ্ধ করে দিয়েছেন তাকে শরীয়াত বলে।

মাযহাব (مذهب): অর্থ- মত, পথ, মতবাদ ইত্যাদি। ফিক্বহী পরিভাষায়: ইবাদাত ও মু‘আমালাতের ক্ষেত্রে শারঈ হুকুম পালনের জন্য বান্দা যে পথ অনুসরণ করে এবং প্রত্যেক দলের জন্য একজন ইমামের উপর অথবা ইমামের ওসীয়ত কিংবা ইমামের প্রতিনিধির উপর নির্ভর করে তাকে মাযহাব বলে।

নাযর (نذر): কোন বিষয়ে উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য চিন্তা-ভাবনা করাকে নাযর বলে।

আম (عام): সীমাবদ্ধ করা ছাড়াই যা দুই বা ততোধিক বিষয়কে অন্তর্ভুক্ত করে তাকে আম বলে।

খাস (خاص): আম এর বিপরীত, যা নির্দিষ্ট বিষয়কে অন্তর্ভুক্ত করে।

ইজমা (اجماع): কোন এক যুগে আলিমদের কোন শারঈ বিষয়ের উপর এক মত পোষণ করাকে ইজমা বলে।

মুসনাদ (مسند): যার সনদগুলো পরস্পর এমনভাবে মিলিত যে, প্রত্যেকের বর্ণনা সুস্পষ্ট।

ফিক্বহ (فقه): ইজতিহাদ বা গবেষণার পদ্ধতিতে শারঈ হুকুম সম্পর্কে জানার বিধানকে ফিক্বহ বলে।

আসল বা মূল (اصل): এমন প্রথম বিষয়, যার উপর ভিত্তি করে কোন কিছু গড়ে উঠে। যেমন- দেয়ালের ভিত্তি।

ফারা বা শাখা (فرع): আসলের বিপরীত যা কোন ভিত্তির উপর গড়ে উঠে।

ওয়াজিব (واجب): যা আমল করলে সাওয়াব পাওয়া যাবে আর পরিত্যাগ করলে শাস্তি পাওয়া যাবে।

মানদূব (مندوب): যা আমল করলে সাওয়াব পাওয়া যাবে আর পরিত্যাগ করলে শাস্তি হবে না।

মাহযূর (محظور): যা পরিত্যাগ করলে সাওয়াব পাওয়া যাবে আর আমল করলে শাস্তি পাওয়া যাবে।

মাকরূহ (مكروه): যা পরিত্যাগ করলে সাওয়াব পাওয়া যাবে আর আমল করলে শাস্তি হবে না।

ফাৎওয়া (فتوى): জিজ্ঞাসিত ব্যক্তির নিকট থেকে দলীল ভিত্তিক শারঈ হুকুম সুস্পষ্ট বর্ণনা করে নেয়াকে ফাৎওয়া বলে।

নাসিখ (ناسخ): পরিবর্তিত শারঈ দলীল যা পূববর্তী শারঈ হুকুমকে রহিত করে দেয় তাকে নাসিখ বলে।

মানসূখ (منسوخ): আর যে হুকুমটি রহিত হয়ে যায় সেটাই মানসূখ।

মুতলাক্ব (مطلق): যা প্রকৃতিগত দিক থেকে জাতির সকলকে অন্তর্ভুক্ত  করে কিন্তু অনির্দিষ্টভাবে একটি অর্থকে বুঝায়।

মুকাইয়্যাদ (مقيد): যা মুতলাক্বের বিপরীত অর্থাৎ জাতির সকলকে অন্তর্ভুক্ত  করে না। বরং নির্দিষ্ট একটি অর্থকে বুঝায়।

হাক্বীকাত (حقيقة): শব্দকে আসল অর্থে ব্যবহার করাকে হাক্বীকত বলে। যেমন- সিংহ শব্দটি এক প্রজাতির হিংস্র প্রাণীকে বুঝায়।

মাজায (مجاز): শব্দ যখন আসল অর্থকে অতিক্রম করে তার সাথে সাদৃশ্য রাখে এমন অর্থ প্রকাশ করে তখন তাকে মাজায বলে। যেমন- সাহসী লোককে সিংহের সাথে তুলনা করা।

হাদিসের পরিসংখ্যান

সর্বমোট হাদিস পাওয়া গেছেঃ [2400] টি | অধ্যায়ঃ ১৩/ সাহু [ভুল]
গ্রন্থঃ সূনান নাসাঈ | দেখানো হচ্ছে   [1341]  থেকে  [1350]  পর্যন্ত
প্রতি পাতাতে টি হাদিস

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সূনান নাসাঈ
অধ্যায়ঃ ১৩/ সাহু [ভুল]
হাদিস নম্বরঃ ১৩৩৭ | 1337 | ۱۳۳۷

১৩৩৭ । মাহমূদ ইবনু খালিদ (রহঃ) রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) -এর (আযাদকৃত) গোলাম সাওবান (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে,রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যখন তাঁর সালাতে সালাম ফিরাতেন, তিনবার ইস্তিগফার করতেন এবং বলতেন "Allahumma anta as-salam wa minka as-salam tabarakta ya dhal-jalali wal-ikram (O Allah, You arصلى الله عليه وسلم thصلى الله عليه وسلم sourcصلى الله عليه وسلم of صلى الله عليه وسلمacصلى الله عليه وسلم (or thصلى الله عليه وسلم Onصلى الله عليه وسلم frصلى الله عليه وسلمصلى الله عليه وسلم from all faults) and from You comصلى الله عليه وسلمs pصلى الله عليه وسلمacصلى الله عليه وسلم, blصلى الله عليه وسلمssصلى الله عليه وسلمd arصلى الله عليه وسلم You, O Possصلى الله عليه وسلمssor of Majصلى الله عليه وسلمsty and Honor)."।

সহিহ, ইবনু মাজাহ হাঃ মুসলিম (ইসলামিক সেন্টার)  হাঃ ১২২২-১২২৩



হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

Thawban, the freed slave of the Messenger of Allah (ﷺ), narrated that:
When he finished the prayer, the Messenger of Allah (ﷺ) would pray for forgiveness three times and say: 'Allahumma anta asalam, wa minka as-salam tabarakta ya dhal-jalali wal-ikram (O Allah, You are the source of eace (or the One free from all faults) and from You comes peace, blessed are You, O Possessor of Majesty and Honor)."

Grade: Sahih

أَخْبَرَنَا مَحْمُودُ بْنُ خَالِدٍ، قَالَ حَدَّثَنَا الْوَلِيدُ، عَنْ أَبِي عَمْرٍو الأَوْزَاعِيِّ، قَالَ حَدَّثَنِي شَدَّادٌ أَبُو عَمَّارٍ، أَنَّ أَبَا أَسْمَاءَ الرَّحَبِيَّ، حَدَّثَهُ أَنَّهُ، سَمِعَ ثَوْبَانَ، مَوْلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يُحَدِّثُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ إِذَا انْصَرَفَ مِنْ صَلاَتِهِ اسْتَغْفَرَ ثَلاَثًا وَقَالَ ‏ "‏ اللَّهُمَّ أَنْتَ السَّلاَمُ وَمِنْكَ السَّلاَمُ تَبَارَكْتَ يَا ذَا الْجَلاَلِ وَالإِكْرَامِ ‏"‏ ‏.‏

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সূনান নাসাঈ
অধ্যায়ঃ ১৩/ সাহু [ভুল]
হাদিস নম্বরঃ ১৩৩৮ | 1338 | ۱۳۳۸

১৩৩৮ । মুহাম্মাদ ইবনু আব্দুল আ’লা ও মুহাম্মাদ ইবনু ইবরাহীম ইবনু সুদরান (রহঃ) আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যখন (সালাতে) সালাম ফিরাতেন তখন বলতেনঃ "La Ilaha Illallah wahdahu la sharika lah, lahul-mulk wa lahul-hamd wa huwa 'ala kulli shay'in qadir, la hawla wala quwwata illa billahil-'azim; la ilaha ill-Allahu wa la nabbصلى الله عليه وسلمd illa iyyah, ahlan-ni'mati wal-fadli wath-thana'il-has an; la ilaha ill-Allah, mukhlisina lahud-dina wa law karihal-kafirun (Thصلى الله عليه وسلمrصلى الله عليه وسلم is nonصلى الله عليه وسلم worthy of worship صلى الله عليه وسلمxcصلى الله عليه وسلمpt Allah (SWT) alonصلى الله عليه وسلم, with no partnصلى الله عليه وسلمr or associatصلى الله عليه وسلم. His is thصلى الله عليه وسلم Dominion, to Him bصلى الله عليه وسلم all praisصلى الله عليه وسلم, and Hصلى الله عليه وسلم is ablصلى الله عليه وسلم to do all things; thصلى الله عليه وسلمrصلى الله عليه وسلم is no powصلى الله عليه وسلمr and no strصلى الله عليه وسلمngth صلى الله عليه وسلمxcصلى الله عليه وسلمpt with Allah (SWT) thصلى الله عليه وسلم Almighty. Thصلى الله عليه وسلمrصلى الله عليه وسلم is nonصلى الله عليه وسلم worthy of worship صلى الله عليه وسلمxcصلى الله عليه وسلمpt Allah (SWT), and wصلى الله عليه وسلم worship nonصلى الله عليه وسلم but Him, thصلى الله عليه وسلم sourcصلى الله عليه وسلم of blصلى الله عليه وسلمssing and kindnصلى الله عليه وسلمss and thصلى الله عليه وسلم Onصلى الله عليه وسلم Who is dصلى الله عليه وسلمsصلى الله عليه وسلمrving of all good praisصلى الله عليه وسلم. Thصلى الله عليه وسلمrصلى الله عليه وسلم is nonصلى الله عليه وسلم worthy of worship صلى الله عليه وسلمxcصلى الله عليه وسلمpt Allah (SWT), and wصلى الله عليه وسلم arصلى الله عليه وسلم sincصلى الله عليه وسلمrصلى الله عليه وسلم in faith and dصلى الله عليه وسلمvotion to Him صلى الله عليه وسلمvصلى الله عليه وسلمn though thصلى الله عليه وسلم disbصلى الله عليه وسلمliصلى الله عليه وسلمvصلى الله عليه وسلمrs dصلى الله عليه وسلمtصلى الله عليه وسلمst it. )

সহিহ, ইবনু মাজাহ হাঃ ৯২৪, মুসলিম (ইসলামিক সেন্টার) হাঃ ১২২৩



হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

It was narrated from 'Aishah that :
After saying the taslim the Messenger of Allah (ﷺ) would say: "Allahumma anta as-salam wa minka as-salam tabarakta ya dhal-jalali wal-ikram (O Allah, You are the source of eace (or the One free from all faults) and from You comes peace, blessed are You, O Possessor of Majesty and Honor)."

Grade: Sahih

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الأَعْلَى، وَمُحَمَّدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ صُدْرَانَ، عَنْ خَالِدٍ، قَالَ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ عَاصِمٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْحَارِثِ، عَنْ عَائِشَةَ، - رضى الله عنها أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ إِذَا سَلَّمَ قَالَ ‏ "‏ اللَّهُمَّ أَنْتَ السَّلاَمُ وَمِنْكَ السَّلاَمُ تَبَارَكْتَ يَا ذَا الْجَلاَلِ وَالإِكْرَامِ ‏"‏ ‏.‏

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সূনান নাসাঈ
অধ্যায়ঃ ১৩/ সাহু [ভুল]
হাদিস নম্বরঃ ১৩৩৯ | 1339 | ۱۳۳۹

১৩৩৯ । মুহাম্মাদ ইবনু শুজা মারওয়াযী (রহঃ) আবূ যুবায়র (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন আমি আব্দুল্লাহ ইবনু যুবায়র (রাঃ)-কে এই মিম্বরের উপর বলতে শুনেছি। তিনি বলেছেন, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যখন সালাম ফিরাতেন তখন বলতেনঃ "La Ilaha Illallah wahdahu la sharika lah, lahul-mulk wa lahul-hamd wa huwa 'ala kulli shay'in qadir, la hawla wala quwwata illa billahil-'azim; la ilaha ill-Allahu wa la nabbصلى الله عليه وسلمd illa iyyah, ahlan-ni'mati wal-fadli wath-thana'il-has an; la ilaha ill-Allah, mukhlisina lahud-dina wa law karihal-kafirun (Thصلى الله عليه وسلمrصلى الله عليه وسلم is nonصلى الله عليه وسلم worthy of worship صلى الله عليه وسلمxcصلى الله عليه وسلمpt Allah (SWT) alonصلى الله عليه وسلم, with no partnصلى الله عليه وسلمr or associatصلى الله عليه وسلم. His is thصلى الله عليه وسلم Dominion, to Him bصلى الله عليه وسلم all praisصلى الله عليه وسلم, and Hصلى الله عليه وسلم is ablصلى الله عليه وسلم to do all things; thصلى الله عليه وسلمrصلى الله عليه وسلم is no powصلى الله عليه وسلمr and no strصلى الله عليه وسلمngth صلى الله عليه وسلمxcصلى الله عليه وسلمpt with Allah (SWT) thصلى الله عليه وسلم Almighty. Thصلى الله عليه وسلمrصلى الله عليه وسلم is nonصلى الله عليه وسلم worthy of worship صلى الله عليه وسلمxcصلى الله عليه وسلمpt Allah (SWT), and wصلى الله عليه وسلم worship nonصلى الله عليه وسلم but Him, thصلى الله عليه وسلم sourcصلى الله عليه وسلم of blصلى الله عليه وسلمssing and kindnصلى الله عليه وسلمss and thصلى الله عليه وسلم Onصلى الله عليه وسلم Who is dصلى الله عليه وسلمsصلى الله عليه وسلمrving of all good praisصلى الله عليه وسلم. Thصلى الله عليه وسلمrصلى الله عليه وسلم is nonصلى الله عليه وسلم worthy of worship صلى الله عليه وسلمxcصلى الله عليه وسلمpt Allah (SWT), and wصلى الله عليه وسلم arصلى الله عليه وسلم sincصلى الله عليه وسلمrصلى الله عليه وسلم in faith and dصلى الله عليه وسلمvotion to Him صلى الله عليه وسلمvصلى الله عليه وسلمn though thصلى الله عليه وسلم disbصلى الله عليه وسلمliصلى الله عليه وسلمvصلى الله عليه وسلمrs dصلى الله عليه وسلمtصلى الله عليه وسلمst it. )

সহিহ, মুসলিম (ইসলামিক সেন্টার) হাঃ ১২৩১



হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

Abu Az-Zubair said:
"I heard Abdullah bin Az-Zubair speaking from the Minbar, saying: 'When the Messenger of Allah (ﷺ) said the taslim, he would say: "La Ilaha Illallah wahdahu la sharika lah, lahul-mulk wa lahul-hamd wa huwa 'ala kulli shay'in qadir, la hawla wala quwwata illa billahil-'azim; la ilaha ill-Allahu wa la nabbed illa iyyah, ahlan-ni'mati wal-fadli wath-thana'il-has an; la ilaha ill-Allah, mukhlisina lahud-dina wa law karihal-kafirun (There is none worthy of worship except Allah (SWT) alone, with no partner or associate. His is the Dominion, to Him be all praise, and He is able to do all things; there is no power and no strength except with Allah (SWT) the Almighty. There is none worthy of worship except Allah (SWT), and we worship none but Him, the source of blessing and kindness and the One Who is deserving of all good praise. There is none worthy of worship except Allah (SWT), and we are sincere in faith and devotion to Him even though the disbelievers detest it. )

Grade: Sahih

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ شُجَاعٍ الْمَرُّوذِيُّ، قَالَ حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ ابْنُ عُلَيَّةَ، عَنِ الْحَجَّاجِ بْنِ أَبِي عُثْمَانَ، قَالَ حَدَّثَنِي أَبُو الزُّبَيْرِ، قَالَ سَمِعْتُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ الزُّبَيْرِ، يُحَدِّثُ عَلَى هَذَا الْمِنْبَرِ وَهُوَ يَقُولُ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِذَا سَلَّمَ يَقُولُ ‏ "‏ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ وَحْدَهُ لاَ شَرِيكَ لَهُ لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَىْءٍ قَدِيرٌ لاَ حَوْلَ وَلاَ قُوَّةَ إِلاَّ بِاللَّهِ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ لاَ نَعْبُدُ إِلاَّ إِيَّاهُ أَهْلَ النِّعْمَةِ وَالْفَضْلِ وَالثَّنَاءِ الْحَسَنِ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ مُخْلِصِينَ لَهُ الدِّينَ وَلَوْ كَرِهَ الْكَافِرُونَ ‏"‏ ‏.‏

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সূনান নাসাঈ
অধ্যায়ঃ ১৩/ সাহু [ভুল]
হাদিস নম্বরঃ ১৩৪০ | 1340 | ۱۳٤۰

১৩৪০ । ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) আবূ যুবায়র (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আব্দুল্লাহ ইবনু যুবায়র (রাঃ) প্রত্যেক সালাতের পর তাহলীল করতেন। তিনি বলতেনঃ 'La Ilaha Illallah wahdahu la sharika lah, lahul-mulk wa lahul-hamd wa huwa 'ala kulli shay'in qadir, la hawla wala quwwata illa billahil-'azim; la ilaha ill-Allahu wa la nabbصلى الله عليه وسلمd illa iyyah, ahlan-ni'mati wal-fadli wath-thana'il-has an; la ilaha ill-Allah, mukhlisina lahud-dina wa law karihal-kafirun (Thصلى الله عليه وسلمrصلى الله عليه وسلم is nonصلى الله عليه وسلم worthy of worship صلى الله عليه وسلمxcصلى الله عليه وسلمpt Allah (SWT) alonصلى الله عليه وسلم, with no partnصلى الله عليه وسلمr or associatصلى الله عليه وسلم. His is thصلى الله عليه وسلم Dominion, to Him bصلى الله عليه وسلم all praisصلى الله عليه وسلم, and Hصلى الله عليه وسلم is ablصلى الله عليه وسلم to do all things; thصلى الله عليه وسلمrصلى الله عليه وسلم is no powصلى الله عليه وسلمr and no strصلى الله عليه وسلمngth صلى الله عليه وسلمxcصلى الله عليه وسلمpt with Allah (SWT) thصلى الله عليه وسلم Almighty. Thصلى الله عليه وسلمrصلى الله عليه وسلم is nonصلى الله عليه وسلم worthy of worship صلى الله عليه وسلمxcصلى الله عليه وسلمpt Allah (SWT), and wصلى الله عليه وسلم worship nonصلى الله عليه وسلم but Him, thصلى الله عليه وسلم sourcصلى الله عليه وسلم of blصلى الله عليه وسلمssing and kindnصلى الله عليه وسلمss and thصلى الله عليه وسلم Onصلى الله عليه وسلم Who is dصلى الله عليه وسلمsصلى الله عليه وسلمrving of all good praisصلى الله عليه وسلم. Thصلى الله عليه وسلمrصلى الله عليه وسلم is nonصلى الله عليه وسلم worthy of worship صلى الله عليه وسلمxcصلى الله عليه وسلمpt Allah (SWT), and wصلى الله عليه وسلم arصلى الله عليه وسلم sincصلى الله عليه وسلمrصلى الله عليه وسلم in faith and dصلى الله عليه وسلمvotion to Him صلى الله عليه وسلمvصلى الله عليه وسلمn though thصلى الله عليه وسلم disbصلى الله عليه وسلمliصلى الله عليه وسلمvصلى الله عليه وسلمrs dصلى الله عليه وسلمtصلى الله عليه وسلمst it. ) Thصلى الله عليه وسلمn Ibn Az-Zubair said: 'Thصلى الله عليه وسلم Mصلى الله عليه وسلمssصلى الله عليه وسلمngصلى الله عليه وسلمr of Allah (SWT) usصلى الله عليه وسلمd to rصلى الله عليه وسلمcitصلى الله عليه وسلم thصلى الله عليه وسلم tahlil in this mannصلى الله عليه وسلمr following صلى الله عليه وسلمvصلى الله عليه وسلمry prayصلى الله عليه وسلمr.'। তারপর ইবনু যুবায়র (রাঃ) বলতেন যে, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এই সমস্ত বাক্য দ্বারা (প্রত্যেক) সালাতের পর তাহলীল পড়তেন।

সহিহ, পূর্বোক্ত হাদিস দ্রষ্টব্য



হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

It was narrated that Abu Az-Zubair said:
"Abdullah bin Az-Zubair used to recite the tahlil following every prayer, saying: 'La Ilaha Illallah wahdahu la sharika lah, lahul-mulk wa lahul-hamd wa huwa 'ala kulli shay'in qadir, la hawla wala quwwata illa billahil-'azim; la ilaha ill-Allahu wa la nabbed illa iyyah, ahlan-ni'mati wal-fadli wath-thana'il-has an; la ilaha ill-Allah, mukhlisina lahud-dina wa law karihal-kafirun (There is none worthy of worship except Allah (SWT) alone, with no partner or associate. His is the Dominion, to Him be all praise, and He is able to do all things; there is no power and no strength except with Allah (SWT) the Almighty. There is none worthy of worship except Allah (SWT), and we worship none but Him, the source of blessing and kindness and the One Who is deserving of all good praise. There is none worthy of worship except Allah (SWT), and we are sincere in faith and devotion to Him even though the disbelievers detest it. ) Then Ibn Az-Zubair said: 'The Messenger of Allah (ﷺ) used to recite the tahlil in this manner following every prayer.'"

Grade: Sahih

أَخْبَرَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ حَدَّثَنَا عَبْدَةُ، قَالَ حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، قَالَ كَانَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الزُّبَيْرِ يُهَلِّلُ فِي دُبُرِ الصَّلاَةِ يَقُولُ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ وَحْدَهُ لاَ شَرِيكَ لَهُ لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَىْءٍ قَدِيرٌ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ وَلاَ نَعْبُدُ إِلاَّ إِيَّاهُ لَهُ النِّعْمَةُ وَلَهُ الْفَضْلُ وَلَهُ الثَّنَاءُ الْحَسَنُ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ مُخْلِصِينَ لَهُ الدِّينَ وَلَوْ كَرِهَ الْكَافِرُونَ ‏.‏ ثُمَّ يَقُولُ ابْنُ الزُّبَيْرِ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يُهَلِّلُ بِهِنَّ فِي دُبُرِ الصَّلاَةِ ‏.‏

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সূনান নাসাঈ
অধ্যায়ঃ ১৩/ সাহু [ভুল]
হাদিস নম্বরঃ ১৩৪১ | 1341 | ۱۳٤۱

১৩৪১ । মুহাম্মাদ ইবনু মানসুর (রহঃ) ওয়াররাদ (রহঃ) থেকে বর্নিত। তিনি বলেন, মুআাবিয়া (রাঃ) মুগীরা ইবনু শুবা (রাঃ)-এর কাছে লিখলেন যে, আপনি আমাকে রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) -এর কাছ খেকে শুনা কিছু দোয়া সম্পর্কে অবহিত করুন। তিনি বললেন যে, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যখন সালাত শেষ করতেন তখন বলতেনঃ La Ilaha Illallah wahdahu la sharika lah, lahul-mulk wa lahul-hamd wa huwa 'ala kulli shay'in qadir. Allahumma la mani' lima a'taita wa la mu'tia lima mana'ta wa la yanfa'u dhal-jaddi minka al-jadd. (Thصلى الله عليه وسلمrصلى الله عليه وسلم is nonصلى الله عليه وسلم worthy of worship صلى الله عليه وسلمxcصلى الله عليه وسلمpt Allah () alonصلى الله عليه وسلم with no partnصلى الله عليه وسلمr or associatصلى الله عليه وسلم. Hصلى الله عليه وسلم is thصلى الله عليه وسلم Dominion and to Him bصلى الله عليه وسلم all praisصلى الله عليه وسلم, and Hصلى الله عليه وسلم is ablصلى الله عليه وسلم to do all things. O Allah, onصلى الله عليه وسلم can withhold what You havصلى الله عليه وسلم givصلى الله عليه وسلمn and nonصلى الله عليه وسلم can givصلى الله عليه وسلم what You havصلى الله عليه وسلم withhصلى الله عليه وسلمld, and no wصلى الله عليه وسلمalth or fortunصلى الله عليه وسلم can bصلى الله عليه وسلمnصلى الله عليه وسلمfit anyonصلى الله عليه وسلم for from You comصلى الله عليه وسلمs all wصلى الله عليه وسلمalth and fortunصلى الله عليه وسلم.)'।

সহিহ, সহিহ আবু দাউদ হাঃ ১৩৪৯, জইফ হাঃ ৫৫৯৮, বুখারি হাঃ ৮৪৪, মুসলিম (ইসলামিক সেন্টার) হাঃ ১২৩০



হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

Warrad, the scribe of Al-Mughirah bin Shu'bah, said:
Muawiyah wrote to Al-Mughirah bin Shu'bah saying: "Tell me of something that you heard from the Messenger of Allah (ﷺ)." He said: "When the Messenger of Allah (ﷺ) finished praying, he would say: La Ilaha Illallah wahdahu la sharika lah, lahul-mulk wa lahul-hamd wa huwa 'ala kulli shay'in qadir. Allahumma la mani' lima a'taita wa la mu'tia lima mana'ta wa la yanfa'u dhal-jaddi minka al-jadd. (There is none worthy of worship except Allah (ﷺ) alone with no partner or associate. He is the Dominion and to Him be all praise, and He is able to do all things. O Allah, one can withhold what You have given and none can give what You have withheld, and no wealth or fortune can benefit anyone for from You comes all wealth and fortune.)'"

Grade: Sahih

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مَنْصُورٍ، عَنْ سُفْيَانَ، قَالَ سَمِعْتُهُ مِنْ، عَبْدَةَ بْنِ أَبِي لُبَابَةَ وَسَمِعْتُهُ مِنْ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ عُمَيْرٍ، كِلاَهُمَا سَمِعَهُ مِنْ، وَرَّادٍ، كَاتِبِ الْمُغِيرَةِ بْنِ شُعْبَةَ قَالَ كَتَبَ مُعَاوِيَةُ إِلَى الْمُغِيرَةِ بْنِ شُعْبَةَ أَخْبِرْنِي بِشَىْءٍ، سَمِعْتَهُ مِنْ، رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏.‏ فَقَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِذَا قَضَى الصَّلاَةَ قَالَ ‏ "‏ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ وَحْدَهُ لاَ شَرِيكَ لَهُ لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَىْءٍ قَدِيرٌ اللَّهُمَّ لاَ مَانِعَ لِمَا أَعْطَيْتَ وَلاَ مُعْطِيَ لِمَا مَنَعْتَ وَلاَ يَنْفَعُ ذَا الْجَدِّ مِنْكَ الْجَدُّ ‏"‏ ‏.‏

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সূনান নাসাঈ
অধ্যায়ঃ ১৩/ সাহু [ভুল]
হাদিস নম্বরঃ ১৩৪২ | 1342 | ۱۳٤۲

১৩৪২ । মুহাম্মাদ ইবনু কুদামাহ (রহঃ) ওয়াররাদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, মুগীরা ইবনু শুবা (রাঃ) মুআবিয়া (রাঃ)-এর কাছে লিখেছেন যে, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) (প্রত্যেক) সালাতের পর যখন সালাম ফিরাতেন তখন বলতেনঃ 'La Ilaha Illallah wahdahu la sharika lah, lahul-mulk wa lahul-hamd wa huwa 'ala kulli shay'in qadir. Allahumma la mani' lima a'taita wa la mu'tia lima mana'ta wa la yanfa'u dhal-jaddi minka al-jadd. (Thصلى الله عليه وسلمrصلى الله عليه وسلم is nonصلى الله عليه وسلم worthy of worship صلى الله عليه وسلمxcصلى الله عليه وسلمpt Allah () alonصلى الله عليه وسلم with no partnصلى الله عليه وسلمr or associatصلى الله عليه وسلم. Hصلى الله عليه وسلم is thصلى الله عليه وسلم Dominion and to Him bصلى الله عليه وسلم all praisصلى الله عليه وسلم, and Hصلى الله عليه وسلم is ablصلى الله عليه وسلم to do all things. O Allah, onصلى الله عليه وسلم can withhold what You havصلى الله عليه وسلم givصلى الله عليه وسلمn and nonصلى الله عليه وسلم can givصلى الله عليه وسلم what You havصلى الله عليه وسلم withhصلى الله عليه وسلمld, and no wصلى الله عليه وسلمalth or fortunصلى الله عليه وسلم can bصلى الله عليه وسلمnصلى الله عليه وسلمfit anyonصلى الله عليه وسلم for from You comصلى الله عليه وسلمs all wصلى الله عليه وسلمalth and fortunصلى الله عليه وسلم.)'।

সহিহ, বুখারি হাঃ ৮৪৪, মুসলিম (ইসলামিক সেন্টার) হাঃ ১২২৬



হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

It was narrated that Warrad said:
"Al-Mughirah bin Shu'bah wrote to Mu'awiyah (Saying) that the Messenger of Allah (ﷺ) used to say following every prayer, after the taslim: 'La Ilaha Illallah wahdahu la sharika lah, lahul-mulk wa lahul-hamd wa huwa 'ala kulli shay'in qadir. Allahumma la mani' lima a'taita wa la mu'tia lima mana'ta wa la yanfa'u dhal-jaddi minka al-jadd. (There is none worthy of worship except Allah (ﷺ) alone with no partner or associate. He is the Dominion and to Him be all praise, and He is able to do all things. O Allah, one can withhold what You have given and none can give what You have withheld, and no wealth or fortune can benefit anyone for from You comes all wealth and fortune.)'

Grade: Sahih

أَخْبَرَنِي مُحَمَّدُ بْنُ قُدَامَةَ، قَالَ حَدَّثَنَا جَرِيرٌ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنِ الْمُسَيَّبِ أَبِي الْعَلاَءِ، عَنْ وَرَّادٍ، قَالَ كَتَبَ الْمُغِيرَةُ بْنُ شُعْبَةَ إِلَى مُعَاوِيَةَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ يَقُولُ دُبُرَ الصَّلاَةِ إِذَا سَلَّمَ ‏ "‏ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ وَحْدَهُ لاَ شَرِيكَ لَهُ لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَىْءٍ قَدِيرٌ اللَّهُمَّ لاَ مَانِعَ لِمَا أَعْطَيْتَ وَلاَ مُعْطِيَ لِمَا مَنَعْتَ وَلاَ يَنْفَعُ ذَا الْجَدِّ مِنْكَ الْجَدُّ ‏"‏ ‏.‏

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সূনান নাসাঈ
অধ্যায়ঃ ১৩/ সাহু [ভুল]
হাদিস নম্বরঃ ১৩৪৩ | 1343 | ۱۳٤۳

১৩৪৩ । হাসান ইবনু ইসমাইল ও ইয়াকুব ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ওয়াররাদ (রহঃ) থেকে বর্ণিত যে, মুআবিয়া, মুগীরা ইবনু শুবা (রাঃ)-এর কাছে লিখলেন যে, আপনি আমাকে এমন কিছু হাদীস লিখে পাঠান, যা আপনি রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) -এর কাছ থেকে শুনেছেন। তখন মুগীরা (রাঃ) তার কাছে লিখলেন যে, আমি রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)”-কে সালাত আদায় শেষে সালাম ফিরালোর পর তিনবার বলতে শুনেছিঃ 'La Ilaha Illallah wahdahu la sharika lah, lahul-mulk wa lahul-hamd wa huwa 'ala kulli shay'in qadir (Thصلى الله عليه وسلمrصلى الله عليه وسلم is nonصلى الله عليه وسلم worthy of worship صلى الله عليه وسلمxcصلى الله عليه وسلمpt Allah () alonصلى الله عليه وسلم with no partnصلى الله عليه وسلمr or associatصلى الله عليه وسلم. Hصلى الله عليه وسلم is thصلى الله عليه وسلم Dominion and to Him bصلى الله عليه وسلم all praisصلى الله عليه وسلم, and Hصلى الله عليه وسلم is ablصلى الله عليه وسلم to do all things) thrصلى الله عليه وسلمصلى الله عليه وسلم timصلى الله عليه وسلمs." [হাদিস যঈফ - দার-উস-সালাম]

তিনবার উল্লেখ্য - শায, জইফ ৫৫৯৮, বুখারি হাঃ ৬৪৪৩



হাদিসের মানঃ  শা'জ
পুনঃনিরীক্ষণঃ

It was narrated from Warrad that:
Mu'awiyah wrote to Al-Mughirah asking him to write him a hadith that he had heard from the Messenger of Allah (ﷺ). Al-Mughirah wrote to him (Saying): "I heard him say, when he finished the prayer: 'La Ilaha Illallah wahdahu la sharika lah, lahul-mulk wa lahul-hamd wa huwa 'ala kulli shay'in qadir (There is none worthy of worship except Allah (ﷺ) alone with no partner or associate. He is the Dominion and to Him be all praise, and He is able to do all things) three times."

Grade: Saj

أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ بْنُ إِسْمَاعِيلُ الْمُجَالِدِيُّ، قَالَ أَنْبَأَنَا هُشَيْمٌ، قَالَ أَنْبَأَنَا الْمُغِيرَةُ، وَذَكَرَ، آخَرَ ح وَأَنْبَأَنَا يَعْقُوبُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ، قَالَ أَنْبَأَنَا غَيْرُ، وَاحِدٍ، مِنْهُمُ الْمُغِيرَةُ عَنِ الشَّعْبِيِّ، عَنْ وَرَّادٍ، كَاتِبِ الْمُغِيرَةِ أَنَّ مُعَاوِيَةَ، كَتَبَ إِلَى الْمُغِيرَةِ أَنِ اكْتُبْ إِلَىَّ بِحَدِيثٍ سَمِعْتَهُ مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏.‏ فَكَتَبَ إِلَيْهِ الْمُغِيرَةُ إِنِّي سَمِعْتُهُ يَقُولُ عِنْدَ انْصِرَافِهِ مِنَ الصَّلاَةِ ‏ "‏ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ وَحْدَهُ لاَ شَرِيكَ لَهُ لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَىْءٍ قَدِيرٌ ‏"‏ ‏.‏ ثَلاَثَ مَرَّاتٍ ‏.‏

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সূনান নাসাঈ
অধ্যায়ঃ ১৩/ সাহু [ভুল]
হাদিস নম্বরঃ ১৩৪৪ | 1344 | ۱۳٤٤

১৩৪৪ । মুহাম্মাদ ইবনু ইসহাক সাগাবী (রহঃ) আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যখন কোন মজলিসে বসতেন অথবা সালাত আদায় করতেন তখন কিছু বাক্য উচ্চারণ করতেন। আয়িশা (রাঃ) ,তাকে উক্ত বাক্যসমূহ সম্পর্কে প্রশ্ন করলে তিনি বললেন, কেউ যদি ভাল বাক্য বলে তা হলে সেগুলো কিয়ামত পর্যন্ত তার জন্য মোহরস্বরুপ হবে। আর সে যদি অন্য ধরনের বাক্য বলে তা হলে সেগুলো তার জন্য কাফফারা স্বরুপ হবে। (সে বাক্যগুলো হলো): Subhanak Allahumma wa bihamdika, astaghfiruka wa atubu ilayk (Glory and praisصلى الله عليه وسلم bصلى الله عليه وسلم to You, O Allah, I sصلى الله عليه وسلمصلى الله عليه وسلمk Your forgivصلى الله عليه وسلمnصلى الله عليه وسلمss and I rصلى الله عليه وسلمpصلى الله عليه وسلمnt to You.)'।

সহিহ, তা'লিকুর রাগিব হাঃ ২/২৩৬, অস-সহিহাহ হাঃ ৩১৬৮ 



হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

It was narrated from Aishah that:
When the Messenger of Allah (ﷺ) sat in a gathering or prayed, he said some words, and 'Aishah asked him about those words. He said: "If he has spoken some good words (and he says this statement of remembrance), it will be a seal for them to preserve them until the Day of Resurrection, and if he has said something other than that, it (these words) will be an expiation for him: 'Subhanak Allahumma wa bihamdika, astaghfiruka wa atubu ilayk (Glory and praise be to You, O Allah, I seek Your forgiveness and I repent to You.)'"

Grade: Sahih

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ الصَّاغَانِيُّ، قَالَ حَدَّثَنَا أَبُو سَلَمَةَ الْخُزَاعِيُّ، مَنْصُورُ بْنُ سَلَمَةَ قَالَ حَدَّثَنَا خَلاَّدُ بْنُ سُلَيْمَانَ، - قَالَ أَبُو سَلَمَةَ وَكَانَ مِنَ الْخَائِفِينَ - عَنْ خَالِدِ بْنِ أَبِي عِمْرَانَ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ إِذَا جَلَسَ مَجْلِسًا أَوْ صَلَّى تَكَلَّمَ بِكَلِمَاتٍ فَسَأَلَتْهُ عَائِشَةُ عَنِ الْكَلِمَاتِ فَقَالَ ‏ "‏ إِنْ تَكَلَّمَ بِخَيْرٍ كَانَ طَابِعًا عَلَيْهِنَّ إِلَى يَوْمِ الْقِيَامَةِ وَإِنْ تَكَلَّمَ بِغَيْرِ ذَلِكَ كَانَ كَفَّارَةً لَهُ سُبْحَانَكَ اللَّهُمَّ وَبِحَمْدِكَ أَسْتَغْفِرُكَ وَأَتُوبُ إِلَيْكَ ‏"‏ ‏.‏

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সূনান নাসাঈ
অধ্যায়ঃ ১৩/ সাহু [ভুল]
হাদিস নম্বরঃ ১৩৪৫ | 1345 | ۱۳٤۵

১৩৪৫ । আহমদ ইবনু সুলায়মান (রহঃ) আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমার কাছে এক জন ইহুদী মহিলা এসে বলল, কবরের আযাব পেশাব থেকে (সাবধানতা অবলম্বন করার কারণে) হবে। আয়িশা (রাঃ) বলেন্ঃ তখন আমি তাকে বললাম, তুমি মিথ্যা কথা বলছ। সে বলল- না, সত্য। আমরা পেশাব লাগলে চামড়া এবং কাপড় অবশ্যই কেটে ফেলতাম। এ সময় রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সালাতের জন্য বের হয়ে এলেন। ইত্যবসরে আমাদের আওয়াজ বড় হয়ে গিয়েছিল। তাই তিনি বললেন, কি ব্যাপার? আমি তাঁকে ঐ মহিলা যা যা বলেছিল সে সম্পর্কে অবহিত করলাম। তখন তিনি বললেন, সে সত্যই বলেছেন তারপর তিনি এমন কোন সালাত আদায় করেননি, যে সালাতের পর তিনি বললেন নি 'Rabba Jibril wa Mika'il wa Israfil, aiding min harrin-nar wa 'adhabil-qabr (Lord of Jibril, Mika'il and Israfil, grant mصلى الله عليه وسلم rصلى الله عليه وسلمfugصلى الله عليه وسلم from thصلى الله عليه وسلم hصلى الله عليه وسلمat of thصلى الله عليه وسلم Firصلى الله عليه وسلم and thصلى الله عليه وسلم tormصلى الله عليه وسلمnt of thصلى الله عليه وسلم gravصلى الله عليه وسلم).'।

জইফ



হাদিসের মানঃ  যঈফ (Dai'f)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

'Aishah said:
"A Jewish woman entered unto me and said: 'The torment of the grave is because of urine.' I said: 'You are lying.' She said: 'No, it is true; we cut our skin and clothes because of it.' The Messenger of Allah (ﷺ) went out to pray and our voices became loud. He said: 'What is this?' So I told him what she had said. He said: 'She spoke the truth.' After that day he never offered any prayer but he said, following the prayer: 'Rabba Jibril wa Mika'il wa Israfil, aiding min harrin-nar wa 'adhabil-qabr (Lord of Jibril, Mika'il and Israfil, grant me refuge from the heat of the Fire and the torment of the grave).'"

Grade: Dai'f

أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ سُلَيْمَانَ، قَالَ حَدَّثَنَا يَعْلَى، قَالَ حَدَّثَنَا قُدَامَةُ، عَنْ جَسْرَةَ، قَالَتْ حَدَّثَتْنِي عَائِشَةُ، - رضى الله عنها - قَالَتْ دَخَلَتْ عَلَىَّ امْرَأَةٌ مِنَ الْيَهُودِ فَقَالَتْ إِنَّ عَذَابَ الْقَبْرِ مِنَ الْبَوْلِ ‏.‏ فَقُلْتُ كَذَبْتِ ‏.‏ فَقَالَتْ بَلَى إِنَّا لَنَقْرِضُ مِنْهُ الْجِلْدَ وَالثَّوْبَ ‏.‏ فَخَرَجَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِلَى الصَّلاَةِ وَقَدِ ارْتَفَعَتْ أَصْوَاتُنَا فَقَالَ ‏"‏ مَا هَذَا ‏"‏ ‏.‏ فَأَخْبَرْتُهُ بِمَا قَالَتْ فَقَالَ ‏"‏ صَدَقَتْ ‏"‏ ‏.‏ فَمَا صَلَّى بَعْدَ يَوْمَئِذٍ صَلاَةً إِلاَّ قَالَ فِي دُبُرِ الصَّلاَةِ ‏"‏ رَبَّ جِبْرِيلَ وَمِيكَائِيلَ وَإِسْرَافِيلَ أَعِذْنِي مِنْ حَرِّ النَّارِ وَعَذَابِ الْقَبْرِ ‏"‏ ‏.‏

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সূনান নাসাঈ
অধ্যায়ঃ ১৩/ সাহু [ভুল]
হাদিস নম্বরঃ ১৩৪৬ | 1346 | ۱۳٤٦

১৩৪৬ । আমর ইবনু সাওয়াদ ইবনু আসওয়াদ (রহঃ) আবূ মারওয়ান (রহঃ) থেকে (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, কাব (রাঃ) তাঁর কাছে ঐ আল্লাহর শপথ করে বলেছেন, যিনি মুসা (আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর জন্য সমুদ্রকে বিদীর্ণ করেছিলেন, নিশ্চয়ই আমরা তাওরাতে দেখতে পাই যে, দাউদ নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যখন তার সালাত থেকে সালাম ফিরাতেন তখন বলতেনঃ 'Allahumma Aslih li dinya-lladhi ja'altahu li ismatan wa aslih li dunyaya-llati ja'alta fiha ma'ashi, Allahumma inni a-udhu biridaka min sakhatik wa a-udhu bi'afwika min naqmatika wa a-udhu bika mink, la mani' lima a'taita wa la mu'tia lima mana'ta wa la yanfa'u dhal-jaddi minka al-jadd (O Allah, sصلى الله عليه وسلمt straight my rصلى الله عليه وسلمligious commitmصلى الله عليه وسلمnt that You havصلى الله عليه وسلم madصلى الله عليه وسلم a protصلى الله عليه وسلمction for mصلى الله عليه وسلم, and sصلى الله عليه وسلمt straight my worldly affairs which You havصلى الله عليه وسلم madصلى الله عليه وسلم a mصلى الله عليه وسلمans of my livصلى الله عليه وسلمlihood. O Allah, I sصلى الله عليه وسلمصلى الله عليه وسلمk rصلى الله عليه وسلمfugصلى الله عليه وسلم in Your plصلى الله عليه وسلمasurصلى الله عليه وسلم from Your wrath, and I sصلى الله عليه وسلمصلى الله عليه وسلمk rصلى الله عليه وسلمfugصلى الله عليه وسلم in Your forgivصلى الله عليه وسلمnصلى الله عليه وسلمss from Your punishmصلى الله عليه وسلمnt, and I sصلى الله عليه وسلمصلى الله عليه وسلمk rصلى الله عليه وسلمfugصلى الله عليه وسلم in You from You. Nonصلى الله عليه وسلم can withhold what you havصلى الله عليه وسلم givصلى الله عليه وسلمn and nonصلى الله عليه وسلم can givصلى الله عليه وسلم what you havصلى الله عليه وسلم withhصلى الله عليه وسلمld, and no wصلى الله عليه وسلمalth or fortunصلى الله عليه وسلم can avail thصلى الله عليه وسلم man of wصلى الله عليه وسلمalth and fortunصلى الله عليه وسلم bصلى الله عليه وسلمforصلى الله عليه وسلم You.)'। মারওয়ান (রহঃ) বলেন, কাব (রাঃ)আমার কাছে বর্ণনা করেছেন যে, সুহায়ব (রাঃ) তাঁর কাছে বর্ণনা করেছেন যে, . মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ঐ সমস্ত দোয়া তার সালাত শেষে সালাম ফিরানোর পর বলতেন।

জইফ, দেখুন তালিক আলা আল কালামুত তাইয়্যিব ১৭১



হাদিসের মানঃ  যঈফ (Dai'f)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

It was narrated from 'Ata bin Abi Marwan, from his father, that:
Ka'b swore to him: "By Allah (SWT) Who parted the sea for Musa, we find in the Tawrah that when Dawud, the Prophet of Allah, finished his prayer, he would say: 'Allahumma Aslih li dinya-lladhi ja'altahu li ismatan wa aslih li dunyaya-llati ja'alta fiha ma'ashi, Allahumma inni a-udhu biridaka min sakhatik wa a-udhu bi'afwika min naqmatika wa a-udhu bika mink, la mani' lima a'taita wa la mu'tia lima mana'ta wa la yanfa'u dhal-jaddi minka al-jadd (O Allah, set straight my religious commitment that You have made a protection for me, and set straight my worldly affairs which You have made a means of my livelihood. O Allah, I seek refuge in Your pleasure from Your wrath, and I seek refuge in Your forgiveness from Your punishment, and I seek refuge in You from You. None can withhold what you have given and none can give what you have withheld, and no wealth or fortune can avail the man of wealth and fortune before You.)'" He said: "And Ka'b told me that Suhaib told him that Muhammad (ﷺ) used to say (these words) when he had finished praying.'"

Grade: Dai'f

أَخْبَرَنَا عَمْرُو بْنُ سَوَّادِ بْنِ الأَسْوَدِ بْنِ عَمْرٍو، قَالَ حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ، قَالَ أَخْبَرَنِي حَفْصُ بْنُ مَيْسَرَةَ، عَنْ مُوسَى بْنِ عُقْبَةَ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ أَبِي مَرْوَانَ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّ كَعْبًا، حَلَفَ لَهُ بِاللَّهِ الَّذِي فَلَقَ الْبَحْرَ لِمُوسَى إِنَّا لَنَجِدُ فِي التَّوْرَاةِ أَنَّ دَاوُدَ نَبِيَّ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ إِذَا انْصَرَفَ مِنْ صَلاَتِهِ قَالَ ‏"‏ اللَّهُمَّ أَصْلِحْ لِي دِينِي الَّذِي جَعَلْتَهُ لِي عِصْمَةً وَأَصْلِحْ لِي دُنْيَاىَ الَّتِي جَعَلْتَ فِيهَا مَعَاشِي اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِرِضَاكَ مِنْ سَخَطِكَ وَأَعُوذُ بِعَفْوِكَ مِنْ نِقْمَتِكَ وَأَعُوذُ بِكَ مِنْكَ لاَ مَانِعَ لِمَا أَعْطَيْتَ وَلاَ مُعْطِيَ لِمَا مَنَعْتَ وَلاَ يَنْفَعُ ذَا الْجَدِّ مِنْكَ الْجَدُّ ‏.‏ قَالَ وَحَدَّثَنِي كَعْبٌ أَنَّ صُهَيْبًا حَدَّثَهُ أَنَّ مُحَمَّدًا صلى الله عليه وسلم كَانَ يَقُولُهُنَّ عِنْدَ انْصِرَافِهِ مِنْ صَلاَتِهِ ‏.‏

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

হাদিস দেখানো হচ্ছে   [1341]  থেকে  [1350]  পর্যন্ত এবং সর্বমোট   [2400]  টি হাদিস পাওয়া গেছে।