• ৫৬৪০৩ টি সর্বমোট হাদিস আছেঃ
  • ৫৭৫৬ টি প্রশ্নোত্তর ও ফিকাহঃ

 

 

 

 


হাদীস (حَدِيْث) এর শাব্দিক অর্থ: নতুন, প্রাচীন ও পুরাতন এর বিপরীত বিষয়। এ অর্থে যে সব কথা, কাজ ও বস্ত্ত পূর্বে ছিল না, এখন অস্তিত্ব লাভ করেছে  তাই হাদীস। এর আরেক অর্থ হলো: কথা। ফক্বীহগণের পরিভাষায় নাবী কারীম () আল্লাহ্‌র রাসূল হিসেবে যা কিছু বলেছেন, যা কিছু করেছেন এবং যা কিছু বলার বা করার অনুমতি দিয়েছেন অথবা সমর্থন জানিয়েছেন তাকে হাদীস বলা হয়। কিন্তু মুহাদ্দিসগণ এর সঙ্গে রাসুলুল্লাহ () সম্পর্কিত বর্ণনা ও তার গুণাবলী সম্পর্কিত বিবরণকেও হাদীসের অন্তর্ভুক্ত করেন। এ হিসেবে হাদীসকে প্রাথমিক পর্যায়ে তিন শ্রেণীতে ভাগ করা যায়:

১। ক্বওলী হাদীস: কোন বিষয়ে রাসুলুল্লাহ () যা বলেছেন, অর্থাৎ যে হাদীসে তাঁর কোন কথা বিবৃত হয়েছে তাকে ক্বওলী (বাণী সম্পর্কিত) হাদীস বলা হয়।

২। ফেলী হাদীস: মহানাবী ()-এর কাজকর্ম, চরিত্র ও আচার-আচরণের ভেতর দিয়েই ইসলামের যাবতীয় বিধি-বিধান ও রীতিনীতি পরিস্ফুট হয়েছে। অতএব যে হাদীসে তাঁর কোন কাজের বিবরণ উল্লেখিত হয়েছে তাকে ফে’লী (কর্ম সম্পর্কিত) হাদীস বলা হয়।

৩। তাকরীরী হাদীস: সাহাবীগণের যে সব কথা বা কাজ নাবী কারীম ()-এর অনুমোদন ও সমর্থন প্রাপ্ত হয়েছে, সে ধরনের কোন কথা বা কাজের বিবরণ হতেও শরীয়াতের দৃষ্টিভঙ্গি জানা যায়। অতএব যে হাদীসে এ ধরনের কোন ঘটনার বা কাজের উল্লেখ পাওয়া যায় তাকে তাকরীরী (সমর্থন মূলক) হাদীস বলে।

সুন্নাহ (السنة): হাদীসের অপর নাম সুন্নাহ্ (السنة) সুন্নাত শব্দের অর্থ চলার পথ, কর্মের নীতি ও পদ্ধতি। যে পন্থা ও রীতি নাবী কারীম () অবলম্বন করতেন তাকে সুন্নাত বলা হয়। অন্য কথায় রাসুলুল্লাহ () প্রচারিত উচ্চতম আদর্শই সুন্নাত। কুরআন মাজিদে মহত্তম ও সুন্দরতম আদর্শ (أُسْوَةٌ حَسَنَةٌ) বলতে এই সুন্নাতকেই বুঝানো হয়েছে।

খবর (خبر): হাদীসকে আরবী ভাষায় খবরও (خبر) বলা হয়। তবে খবর শব্দটি হাদীস ও ইতিহাস উভয়টিকেই বুঝায়।

আসার (أثر ): আসার শব্দটিও কখনও কখনও রাসুলুল্লাহ () এর হাদীসকে নির্দেশ করে। কিন্তু অনেকেই হাদীস ও আসার এর মধ্যে কিছু পার্থক্য করে থাকেন। তাঁদের মতে- সাহাবীগণ থেকে শরীয়াত সম্পর্কে যা কিছু উদ্ধৃত হয়েছে তাকে আসার বলে।

 

ইলমে হাদীসের কতিপয় পরিভাষা

সাহাবী (صحابى):  যিনি ঈমানের সঙ্গে রাসুলুল্লাহ () এর সাহচর্য লাভ করেছেন এবং ঈমানের সঙ্গে মৃত্যুবরণ করেছেন তাঁকে রাসুলুল্লাহ ()-এর সাহাবী বলা হয়।

তাবেঈ (تابعى) : যিনি রাসুলুল্লাহ ()-এর কোন সাহাবীর নিকট হাদীস শিক্ষা করেছেন অথবা অন্ততপক্ষে তাঁকে দেখেছেন এবং মুসলমান হিসেবে মৃত্যুবরণ করেছেন তাঁকে তাবেঈ বলা হয়।

তাবে-তাবেঈ (تابعى تابع) : যিনি  কোন তাবেঈ এর নিকট হাদীস শিক্ষা করেছেন অথবা অন্ততপক্ষে তাঁকে দেখেছেন এবং মুসলমান হিসেবে মৃত্যুবরণ করেছেন তাঁকে তাবে-তাবেঈ বলা হয়।

মুহাদ্দিস (محدث) : যিনি হাদীস চর্চা করেন এবং বহু সংখ্যক হাদীসের সনদ ও মতন সম্পর্কে বিশেষ জ্ঞান রাখেন তাঁকে মুহাদ্দিস বলা হয়।

শাইখ (شيخ) : হাদীসের শিক্ষাদাতা রাবীকে শায়খ বলা হয়।

শাইখান (شيخان) : সাহাবীগনের মধ্যে আবূ বকর (রাঃ) ও উমর  (রাঃ)- কে একত্রে শাইখান বলা হয়। কিন্তু হাদীস শাস্ত্রে ইমাম বুখারী (রাহি.) ও ইমাম মুসলিম (রাহি.)-কে এবং ফিক্বহ-এর পরিভাষায় ইমাম আবূ হানীফা (রাহি.) ও আবূ ইউসুফ (রাহি.)-কে একত্রে শাইখান বলা হয়। 

হাফিয (حافظ) : যিনি সনদ ও মতনের বৃত্তান্ত সহ এক লাখ হাদীস আয়ত্ত করেছেন তাঁকে হাফিয বলা হয়।

হুজ্জাত (حجة) : অনুরূপভাবে যিনি তিন লক্ষ হাদীস আয়ত্ত করেছেন তাঁকে হুজ্জাত বলা হয়।  

হাকিম (حاكم) : যিনি সব হাদীস আয়ত্ত করেছেন তাকে হাকিম বলা হয়।

রিজাল (رجال) : হাদীসের রাবী সমষ্টিকে রিজাল বলে। যে শাস্ত্রে রাবীগণের জীবনী বর্ণনা করা হয়েছে তাকে আসমাউর-রিজাল বলা হয়।                                                                                 

রিওয়ায়াত (رواية): হাদীস বর্ণনা করাকে রিওয়ায়াত বলে। কখনও কখনও মূল হাদীসকেও রিওয়ায়াত বলা হয়। যেমন- এই কথার সমর্থনে একটি রিওয়ায়াত (হাদীস) আছে।                           

সনদ (سند): হাদীসের মূল কথাটুকু যে সূত্র পরম্পরায় গ্রন্থ সংকলনকারী পর্যন্ত পৌঁছেছে তাকে সনদ বলা হয়। এতে হাদীস বর্ণনাকারীদের নাম একের পর এক সজ্জিত থাকে।

মতন (متن): হাদীসে মূল কথা ও তার শব্দ সমষ্টিকে মতন বলে।

মারফূ (مرفوع): যে হাদীসের সনদ (বর্ণনা পরম্পরা) রাসুলুল্লাহ () পর্যন্ত পৌঁছেছে  তাকে মারফূ হাদীস বলে।

মাওকূফ (موقوف) : যে হাদীসের বর্ণনা- সূত্র ঊর্ধ্ব দিকে সাহাবী পর্যন্ত পৌঁছেছে , অর্থাৎ যে সনদ -সূত্রে কোন সাহাবীর কথা বা কাজ বা অনুমোদন বর্ণিত হয়েছে তাকে মাওকূফ হাদীস বলে। এর অপর নাম আসার।

মাকতূ (مقطوع): যে হাদীসের সনদ কোন তাবেঈ পর্যন্ত পৌঁছেছে, তাকে মাকতূ হাদীস বলা হয়।

তালীক (تعليق): কোন কোন গ্রন্থকার হাদীসের পূর্ণ সনদ বাদ দিয়ে কেবল মূল হাদীস বর্ণনা করেছেন। এরূপ করাকে তা’লীক বলা হয়।

মুদাল্লাস (مدلس): যে হাদীসের রাবী নিজের প্রকৃত শাইখের (উস্তাদের) নাম উল্লেখ না করে তার উপরস্থ শাইখের নামে এভাবে হাদীস বর্ণনা করেছেন যাতে মনে হয় যে, তিনি নিজেই উপরস্থ শাইখের নিকট তা শুনেছেন অথচ তিনি তাঁর নিকট সেই হাদীস শুনেন নি- সে হাদীসকে মুদাল্লাস হাদীস এবং এইরূপ করাকে ‘তাদ্লীস’ আর যিনি এইরূপ করেন তাকে মুদালস্নীস বলা হয়।

মুযতারাব (مضطرب): যে হাদীসের রাবী হাদীসের মতন ও সনদকে বিভিন্ন প্রকারে বর্ণনা করেছেন সে হাদীসকে হাদীসে মুযতারাব বলা হয়। যে পর্যন্ত না এর কোনরূপ সমন্বয় সাধন সম্ভবপর হয়, সে পর্যন্ত এই হাদীসের ব্যাপারে অপেক্ষা করতে হবে অর্থাৎ এই ধরনের রিওয়ায়াত প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না।

মুদ্রাজ (مدرج): যে হাদীসের মধ্যে রাবী নিজের অথবা অপরের উক্তিকে অনুপ্রবেশ করিয়েছেন, সে হাদীসকে মুদ্রাজ এবং এইরূপ করাকে ‘ইদরাজ’ বলা হয়।

মুত্তাসিল (متصل): যে হাদীসের সনদের ধারাবাহিকতা প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত পূর্ণরূপে রক্ষক্ষত আছে, কোন সত্মরেই কোন রাবীর নাম বাদ পড়ে নি তাকে মুত্তাসিল হাদীস বলে।

মুনকাতি (منقطع): যে হাদীসের সনদে ধারাবাহিকতা রক্ষিত হয় নি, মাঝখানে কোন এক স্তরে কোন রাবীর নাম বাদ পড়েছে, তাকে মুনকাতি হাদীস, আর এই বাদ পড়াকে ইনকিতা বলা হয়।

মুরসাল (مرسل): যে হাদীসের সনদে ইনকিতা শেষের দিকে হয়েছে, অর্থাৎ সাহাবীর নাম বাদ পড়েছে এবং তাবেঈ সরাসরি রাসুলুল্লাহ () এর উল্লেখ করে হাদীস বর্ণনা করেছেন তাকে মুরসাল হাদীস বলা হয়।

মুআল্লাক ( معلق ) : সনদের ইনকিতা প্রথম দিকে  হলে, অর্থাৎ সাহাবীর পর এক বা একাধিক রাবীর নাম বাদ পড়লে তাকে মু’আল্লাক হাদীস বলা হয়।

মুদাল (معضل): যে হাদীসে দুই বা ততোধিক রাবী ক্রমান্বয়ে সনদ থেকে বাদ পড়েছে তাকে মু‘দাল হাদীস বলে।

মুতাবি ও শাহিদ (متابع و شاهد): এক রাবীর হাদীসের অনুরূপ যদি অপর রাবীর কোন হাদীস পাওয়া যায় তবে দ্বিতীয় রাবীর হাদীসকে প্রথম রাবীর হাদীসের মুতাবি বলা হয়। যদি উভয় হাদীসের মূল রাবী অর্থাৎ সাহাবী একই ব্যক্তি না হয় তবে দ্বিতীয় ব্যক্তির হাদীসকে শাহিদ বলে। আর এইরূপ হওয়াকে শাহাদাত বলে। মুতাবা’আত ও শাহাদাত দ্বারা প্রথম হাদীসটির শক্তি বৃদ্ধি পায়।

মারূফ ও মুনকার (معروف و منكر): কোন দুর্বল রাবীর বর্ণিত হাদীস অপর কোন মাকবূল (গ্রহণযোগ্য) রাবীর বর্ণিত হাদীসের বিরোধী হলে তাকে মুনকার বলা হয় এবং মাকবূল রাবীর হাদীসকে মা‘রূফ বলা হয়।

সহীহ (صحيح) : যে মুত্তাসিল হাদীসের সনদে উল্লেখিত প্রত্যেক রাবীই পূর্ণ আদালত ও যাবত (ধারণ ক্ষমতা) গুণ সম্পন্ন এবং হাদীসটি যাবতীয় দোষত্রুটি ও শায মুক্ত তাকে সহীহ হাদীস বলে।

হাসান (حسن) : যে হাদীসের মধ্যে রাবীর যাবত (ধারণ ক্ষমতা) এর গুণ ব্যতীত সহীহ হাদীসের সমস্ত শর্তই পরিপূর্ণ রয়েছে তাকে হাসান হাদীস বলা হয়। ফক্বীহগণ সাধারণত সহীহ ও হাসান হাদীসের ভিত্তিতে শরীয়াতের বিধান নির্ধারণ  করেন।

যঈফ (ضعيف ) : যে হাদীসের রাবী কোন হাসান হাদীসের রাবীর গুণসম্পন্ন নন তাকে যঈফ হাদীস বলে।

মাওযূ ( موضوع ) : যে হাদীসের রাবী জীবনে কখনও ইচ্ছাকৃতভাবে রাসুলুল্লাহ ()-এর নামে মিথ্যা কথা রটনা করেছেন বলে প্রমাণিত হয়েছে, তার বর্ণিত হাদীসকে মাওযূ‘ হাদীস বলে।

 

রাবীর সংখ্যা বিচারে হাদীস প্রধানত দুপ্রকার। যথা: ১. মুতওয়াতির (متواتر) ও ২. আহাদ (أحاد)

১. মুতওয়াতির (متواتر): বৃহৎ সংখ্যক রাবীর বর্ণিত হাদীস, মিথ্যার ব্যাপারে যাদের উপর একাট্টা হওয়া অসম্ভব, সনদের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত এ সংখ্যা বিদ্যমান থাকলে হাদীসকে মুতওয়াতির (متواتر) বলা হয়।

২. আহাদ (أحاد): أحاد তিন প্রকার। যথা:

মাশহুর (مشهور): যে কোন স্তরে হাদীস বর্ণনা কারীর সংখ্যা যদি দুই এর অধিক হয়, কিন্তু মুতওয়াতির এর পর্যায়ে পৌঁছে না তাকে মাশহুর (مشهور) বলে।

আযীয (عزيز): যে কোন স্তরে হাদীস বর্ণনা কারীর সংখ্যা যদি দু‘জন হয় ।

গরীব (غريب): যে কোন স্তরে হাদীস বর্ণনা কারীর সংখ্যা যদি এক জন হয় ।

শায (شاذ): একাধিক নির্ভরযোগ্য রাবীর বিপরীত একজন নির্ভরযোগ্য রাবীর বর্ণনাকে শায হাদীস বলে।

 কিয়াস (قياس): অর্থ অনুমান, পরিমাপ, তুলনা ইত্যাদি। পরিভাষায়: শাখাকে মূলের সঙ্গে তুলনা করা, যার ফলে শাখা ও মূল একই হুকুমের অমত্মর্ভুক্ত হয়ে যায়।

তাক্বলীদ (تقليد): দলীল উল্লেখ ছাড়াই কোন ব্যক্তির মতামতকে গ্রহণ করা।

ইজতিহাদ (اجتهاد): উদ্দিষ্ট জ্ঞান অর্জনের প্রচেষ্টা চালানোকে ইজতিহাদ বলে।

শরীয়াত (شريعة): অর্থ: আইন, বিধান, পথ, পন্থা ইত্যাদি। পরিভাষায়: মহান আল্লাহ্‌ স্বীয় দীন হতে বান্দার জন্য যা বিধিবদ্ধ করে দিয়েছেন তাকে শরীয়াত বলে।

মাযহাব (مذهب): অর্থ- মত, পথ, মতবাদ ইত্যাদি। ফিক্বহী পরিভাষায়: ইবাদাত ও মু‘আমালাতের ক্ষেত্রে শারঈ হুকুম পালনের জন্য বান্দা যে পথ অনুসরণ করে এবং প্রত্যেক দলের জন্য একজন ইমামের উপর অথবা ইমামের ওসীয়ত কিংবা ইমামের প্রতিনিধির উপর নির্ভর করে তাকে মাযহাব বলে।

নাযর (نذر): কোন বিষয়ে উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য চিন্তা-ভাবনা করাকে নাযর বলে।

আম (عام): সীমাবদ্ধ করা ছাড়াই যা দুই বা ততোধিক বিষয়কে অন্তর্ভুক্ত করে তাকে আম বলে।

খাস (خاص): আম এর বিপরীত, যা নির্দিষ্ট বিষয়কে অন্তর্ভুক্ত করে।

ইজমা (اجماع): কোন এক যুগে আলিমদের কোন শারঈ বিষয়ের উপর এক মত পোষণ করাকে ইজমা বলে।

মুসনাদ (مسند): যার সনদগুলো পরস্পর এমনভাবে মিলিত যে, প্রত্যেকের বর্ণনা সুস্পষ্ট।

ফিক্বহ (فقه): ইজতিহাদ বা গবেষণার পদ্ধতিতে শারঈ হুকুম সম্পর্কে জানার বিধানকে ফিক্বহ বলে।

আসল বা মূল (اصل): এমন প্রথম বিষয়, যার উপর ভিত্তি করে কোন কিছু গড়ে উঠে। যেমন- দেয়ালের ভিত্তি।

ফারা বা শাখা (فرع): আসলের বিপরীত যা কোন ভিত্তির উপর গড়ে উঠে।

ওয়াজিব (واجب): যা আমল করলে সাওয়াব পাওয়া যাবে আর পরিত্যাগ করলে শাস্তি পাওয়া যাবে।

মানদূব (مندوب): যা আমল করলে সাওয়াব পাওয়া যাবে আর পরিত্যাগ করলে শাস্তি হবে না।

মাহযূর (محظور): যা পরিত্যাগ করলে সাওয়াব পাওয়া যাবে আর আমল করলে শাস্তি পাওয়া যাবে।

মাকরূহ (مكروه): যা পরিত্যাগ করলে সাওয়াব পাওয়া যাবে আর আমল করলে শাস্তি হবে না।

ফাৎওয়া (فتوى): জিজ্ঞাসিত ব্যক্তির নিকট থেকে দলীল ভিত্তিক শারঈ হুকুম সুস্পষ্ট বর্ণনা করে নেয়াকে ফাৎওয়া বলে।

নাসিখ (ناسخ): পরিবর্তিত শারঈ দলীল যা পূববর্তী শারঈ হুকুমকে রহিত করে দেয় তাকে নাসিখ বলে।

মানসূখ (منسوخ): আর যে হুকুমটি রহিত হয়ে যায় সেটাই মানসূখ।

মুতলাক্ব (مطلق): যা প্রকৃতিগত দিক থেকে জাতির সকলকে অন্তর্ভুক্ত  করে কিন্তু অনির্দিষ্টভাবে একটি অর্থকে বুঝায়।

মুকাইয়্যাদ (مقيد): যা মুতলাক্বের বিপরীত অর্থাৎ জাতির সকলকে অন্তর্ভুক্ত  করে না। বরং নির্দিষ্ট একটি অর্থকে বুঝায়।

হাক্বীকাত (حقيقة): শব্দকে আসল অর্থে ব্যবহার করাকে হাক্বীকত বলে। যেমন- সিংহ শব্দটি এক প্রজাতির হিংস্র প্রাণীকে বুঝায়।

মাজায (مجاز): শব্দ যখন আসল অর্থকে অতিক্রম করে তার সাথে সাদৃশ্য রাখে এমন অর্থ প্রকাশ করে তখন তাকে মাজায বলে। যেমন- সাহসী লোককে সিংহের সাথে তুলনা করা।

হাদিসের পরিসংখ্যান

সর্বমোট হাদিস পাওয়া গেছেঃ [194] টি | অধ্যায়ঃ ১/ পবিত্রতা
গ্রন্থঃ সূনান তিরমিজী (ইফাঃ) | দেখানো হচ্ছে   [11]  থেকে  [20]  পর্যন্ত
প্রতি পাতাতে টি হাদিস

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সূনান তিরমিজী (ইফাঃ)
অধ্যায়ঃ ১/ পবিত্রতা
হাদিস নম্বরঃ ১১ | 11 | ۱۱

পরিচ্ছদঃ উক্ত বিষয়ে অনুমতি প্রসঙ্গে।

১১. হান্নাদ (রহঃ) ......... ইবনু উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেনঃ আমি একদিন হাফসা রাদিয়াল্লাহু আনহার ঘরের ছাদে উঠেছিলাম। হঠাৎ দেখলাম, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কাবার দিকে পিছন দিয়ে এবং শামের দিকে মুখ করে তাঁর হাজত পূরণ (ইস্তিঞ্জাহ) করছেন। - ইবনু মাজাহ ৩২২, বুখারি ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১১ [আল মাদানী প্রকাশনী]

ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ এই হাদীছটি হাসান সহীহ।



হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

(7) Chapter: What Has Been Related About The Permission for That

Ibn 'Umar said:
"One day I climbed on Hafsah's house, and I saw the Prophet relieving himself while facing Ash-Sham, with his back toward the Ka'bah." (Grade: Sahih)

باب مَا جَاءَ مِنَ الرُّخْصَةِ فِي ذَلِكَ ‏

حَدَّثَنَا هَنَّادٌ، حَدَّثَنَا عَبْدَةُ بْنُ سُلَيْمَانَ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ يَحْيَى بْنِ حَبَّانَ، عَنْ عَمِّهِ، وَاسِعِ بْنِ حَبَّانَ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ رَقِيتُ يَوْمًا عَلَى بَيْتِ حَفْصَةَ فَرَأَيْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم عَلَى حَاجَتِهِ مُسْتَقْبِلَ الشَّأْمِ مُسْتَدْبِرَ الْكَعْبَةِ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সূনান তিরমিজী (ইফাঃ)
অধ্যায়ঃ ১/ পবিত্রতা
হাদিস নম্বরঃ ১২ | 12 | ۱۲

পরিচ্ছদঃ দাঁড়িয়ে পেশাব করা নিষেধ।

১২. আলী ইবনু হুজর ........ আইশা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণনা করেনঃ কেউ যদি তোমাদের বলে যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দাঁড়িয়ে পেশাব করতেন তবে তোমরা তা সত্য বলে বিশ্বাস করো না। তিনি বসা ছাড়া পেশাব করতেন না। - ইবনু মাজাহ ৩০৭, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১২ [আল মাদানী প্রকাশনী]

এই বিষয়ে উমর, বুরায়দা ও আবদুর রহমান ইবনু হাসানহ (রাঃ) থেকে হাদীছ বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী বলেনঃ এই বিষযে আইশা রাদিয়াল্লাহু আনহ বর্ণিত হাদীছটই সর্বাপেক্ষা সহীহ এবং উত্তম। আবদুল করীম ...... উমর রাদিয়াল্লাহু আনহ বলেন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে দাঁড়িয়ে পেশাব করাতে দেখে বললেনঃ হে উমর! দাঁড়িয়ে পেশাব করো না। এরপর আমি আর কখনও দাঁড়িয়ে পেশাব করিনি।

ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেন, এ হাদীছটি কেবলমাত্র রাবী আবদুল করীম-ই মারফূ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। কিন্তু তিনি হাদীছবেত্তাগণের নিকট যঈফ বলে গণ্য। আয়্যুব আর সাখতিয়ানী তাঁকে যইফ বলেছেন এবং তাঁর সমালোচনা করেছেন। উবায়দুল্লাহ (রহঃ) উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন ইসলাম গ্রহণের পর আমি কখনও দাঁড়িয়ে পেশাব করি নাই। আবদুল করীম বর্ণিত রিওয়ায়াত থেকে এই রিওয়ায়াতটি অধিক বিশুদ্ধ। এই বিষয়ে বুরাইদা রাদিয়াল্লাহু আনহুর হাদীছটি মাহফুজ (সংরক্ষেত) নয়। দঁড়িয়ে পেশাব করা হারাম বলে নয় বরং আদব ও শিষ্টাচারের দৃষ্টিকোন থেকে তা নিষেধ করা হয়েছে। ইবনু মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত রয়েছে যে,তিনি বলেছেনঃ দাড়িয়ে পেশাব করা শিষ্টাচার বিরোধী।



হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

(8) Chapter: (What Has Been Related About) The Prohibition Of Urinating While Standing

Aishah said:
"Whoever narrated to you that the Prophet would urinate while standing; then do not believe him. He would not urinate except while squatting." [He said:] There are narrations on this topic from Umar, Buraidah, [and Abdur-Rahman bin Hasanah]. (Hasan)

باب مَا جَاءَ فِي النَّهْىِ عَنِ الْبَوْلِ، قَائِمًا ‏

حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ حُجْرٍ، أَخْبَرَنَا شَرِيكٌ، عَنِ الْمِقْدَامِ بْنِ شُرَيْحٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ مَنْ حَدَّثَكُمْ أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم كَانَ يَبُولُ قَائِمًا فَلاَ تُصَدِّقُوهُ مَا كَانَ يَبُولُ إِلاَّ قَاعِدًا ‏.‏ قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنْ عُمَرَ وَبُرَيْدَةَ وَعَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ حَسَنَةَ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ عَائِشَةَ أَحْسَنُ شَيْءٍ فِي هَذَا الْبَابِ وَأَصَحُّ ‏.‏ وَحَدِيثُ عُمَرَ إِنَّمَا رُوِيَ مِنْ حَدِيثِ عَبْدِ الْكَرِيمِ بْنِ أَبِي الْمُخَارِقِ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ عَنْ عُمَرَ قَالَ رَآنِي النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم وَأَنَا أَبُولُ قَائِمًا فَقَالَ ‏ "‏ يَا عُمَرُ لاَ تَبُلْ قَائِمًا ‏"‏ ‏.‏ فَمَا بُلْتُ قَائِمًا بَعْدُ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى وَإِنَّمَا رَفَعَ هَذَا الْحَدِيثَ عَبْدُ الْكَرِيمِ بْنُ أَبِي الْمُخَارِقِ وَهُوَ ضَعِيفٌ عِنْدَ أَهْلِ الْحَدِيثِ ضَعَّفَهُ أَيُّوبُ السَّخْتِيَانِيُّ وَتَكَلَّمَ فِيهِ ‏.‏ وَرَوَى عُبَيْدُ اللَّهِ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ قَالَ عُمَرُ رضى الله عنه مَا بُلْتُ قَائِمًا مُنْذُ أَسْلَمْتُ ‏.‏ وَهَذَا أَصَحُّ مِنْ حَدِيثِ عَبْدِ الْكَرِيمِ وَحَدِيثُ بُرَيْدَةَ فِي هَذَا غَيْرُ مَحْفُوظٍ ‏.‏ وَمَعْنَى النَّهْىِ عَنِ الْبَوْلِ قَائِمًا عَلَى التَّأْدِيبِ لاَ عَلَى التَّحْرِيمِ ‏.‏ وَقَدْ رُوِيَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ قَالَ إِنَّ مِنَ الْجَفَاءِ أَنْ تَبُولَ وَأَنْتَ قَائِمٌ ‏.‏

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সূনান তিরমিজী (ইফাঃ)
অধ্যায়ঃ ১/ পবিত্রতা
হাদিস নম্বরঃ ১৩ | 13 | ۱۳

পরিচ্ছদঃ উক্ত বিষয়ের অনুমতি প্রসঙ্গে।

১৩. হান্নাদ (রহঃ) .......... হুযায়ফা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেনঃ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একবার একটি আস্তাকুঁড়ের কাছে গিয়ে দাঁড়িয়ে পেশাব করেছিলেন। আমি তাঁর উযূ (ওজু/অজু/অযু)র পানি নিযে আসলাম। আমি সরে যেতে চাইলে তিনি আমাকে (ইশারায়) ডাকলেন। আমি তাঁর পিছনে এসে দাঁড়ালাম। তারপর তিনি উযূ (ওজু/অজু/অযু) করলেন এবং চামড়ার মোজায় মাসহে করলেন। -  ইবনু মাজাহ ৩০৫, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৩ [আল মাদানী প্রকাশনী]

ইমাম তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ মানসূর এবং বায়দা আয-যাববী ও হুযায়ফা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে এই ধরনের হাদীছ বর্ণনা করেছেন। আর হাম্মাদ ইবনু আবী সুলায়মান মূগীরা ইাবন শুবা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে এই বিষয়ে আরেকটি হাদীছ রিওয়ায়াত করেছেন। আবূ ওয়াইলেন বরাতে হুযায়ফা রাদিয়াল্লাহু আনহু’র রিওয়ায়াতটই অধিকতর শুদ্ধ।



হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

(9) Chapter: What Has Been Related About The Permission For That

Hudhaifah narrated:
"Allah's Messenger came to a waste area used by people, so he urinated on it while standing. I brought him the (water for) Wudu. Then I left to be away from him, but he called me until I was behind him. So he performed Wudu and wiped (Masaba) over his Khuff." (Grade: Sahih)

باب الرُّخْصَةِ فِي ذَلِكَ ‏

حَدَّثَنَا هَنَّادٌ، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ أَبِي وَائِلٍ، عَنْ حُذَيْفَةَ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم أَتَى سُبَاطَةَ قَوْمٍ فَبَالَ عَلَيْهَا قَائِمًا فَأَتَيْتُهُ بِوَضُوءٍ فَذَهَبْتُ لأَتَأَخَّرَ عَنْهُ فَدَعَانِي حَتَّى كُنْتُ عِنْدَ عَقِبَيْهِ فَتَوَضَّأَ وَمَسَحَ عَلَى خُفَّيْهِ ‏.‏
قَالَ أَبُو عِيسَى وَسَمِعْتُ الْجَارُودَ يَقُولُ سَمِعْتُ وَكِيعًا يُحَدِّثُ بِهَذَا الْحَدِيثِ عَنِ الأَعْمَشِ ‏.‏ ثُمَّ قَالَ وَكِيعٌ هَذَا أَصَحُّ حَدِيثٍ رُوِيَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم فِي الْمَسْحِ ‏.‏ وَسَمِعْتُ أَبَا عَمَّارٍ الْحُسَيْنَ بْنَ حُرَيْثٍ يَقُولُ سَمِعْتُ وَكِيعًا فَذَكَرَ نَحْوَهُ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى وَهَكَذَا رَوَى مَنْصُورٌ وَعُبَيْدَةُ الضَّبِّيُّ عَنْ أَبِي وَائِلٍ عَنْ حُذَيْفَةَ مِثْلَ رِوَايَةِ الأَعْمَشِ ‏.‏ وَرَوَى حَمَّادُ بْنُ أَبِي سُلَيْمَانَ وَعَاصِمُ بْنُ بَهْدَلَةَ عَنْ أَبِي وَائِلٍ عَنِ الْمُغِيرَةِ بْنِ شُعْبَةَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم وَحَدِيثُ أَبِي وَائِلٍ عَنْ حُذَيْفَةَ أَصَحُّ ‏.‏ .

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সূনান তিরমিজী (ইফাঃ)
অধ্যায়ঃ ১/ পবিত্রতা
হাদিস নম্বরঃ ১৪ | 14 | ۱٤

পরিচ্ছদঃ পেশাব বা পায়খানার সময় আড়ালে যাওয়া।

১৪. কুবায়বা (রহঃ) ....... আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন যে, পেশাব-পায়খানার সময় ভূমির নিকটবর্তী না হওয়া পর্যন্ত রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কাপড় তুলতেন না। - আবু দাউদ ১১, সহিহাহ ১০৭১, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৪ [আল মাদানী প্রকাশনী]

ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ মুহাম্মাদ ইবনু রাবী'আও আমাশু এর সনদে আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে অনুরূপ বর্ণা করেছেন। ওয়াকী ও আবূ ইয়াহইয়া আল-হিম্মানী (রহঃ) ইবনু উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন যে , পেশাব-পায়খানার সময় ভূমির নিকটবর্তী না হওয়া পর্যন্ত রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কাপড় তুলতেন না।

আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু ও ইবনু উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত উপরের দুটো হাদীছই মুরসাল। কারণ উভয় হাদীছই আ'মাশ এর সনদে বর্ণিত হয়েছে। আনাস ইবনু মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহু বা অপর কোন সাহাবী থেকে আ'মাশ এর হাদীছ শোনার সুযোগ হয়নি। তবে আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু কে তিনি দেখেছেন। তিনি বলেনঃ আমি আনাসকে সালাতরত অবস্থায় দেখেছি। অতঃপর তিনি আনস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে সালাতের বিবরণ দেন। আ'মাশ এর পূর্ণ নাম সুলায়মান ইবনু মিহরান আবূ মুহাম্মাদ আল-কাহিলী। তিনি আল-কাহিল গোত্রের আযাদকৃত দাস ছিলেন। আ'মাশ বলেনঃ আমার পিতাকে শৈশবে দারূল হারব থেকে উঠিয়ে নিয়ে আসা হয়েছিল পরবর্তীকালে ইমাম মাসরূক তাকে বৈধ উত্তরাধিকরী বলে রায় দিয়েছেন।



হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

(10) Chapter: [What Has Been Related] About Being Screened While Relieving Oneself

Anas, may Allah Most High be pleased with him, said:
"When the Prophet wanted to relieve himself, he would not raise his garment until he was close to the ground."

باب مَا جَاءَ فِي الاِسْتِتَارِ عِنْدَ الْحَاجَةِ

حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ السَّلاَمِ بْنُ حَرْبٍ الْمُلاَئِيُّ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ أَنَسٍ، قَالَ كَانَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم إِذَا أَرَادَ الْحَاجَةَ لَمْ يَرْفَعْ ثَوْبَهُ حَتَّى يَدْنُوَ مِنَ الأَرْضِ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَكَذَا رَوَى مُحَمَّدُ بْنُ رَبِيعَةَ عَنِ الأَعْمَشِ عَنْ أَنَسٍ هَذَا الْحَدِيثَ ‏.‏ وَرَوَى وَكِيعٌ وَأَبُو يَحْيَى الْحِمَّانِيُّ عَنِ الأَعْمَشِ قَالَ قَالَ ابْنُ عُمَرَ كَانَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم إِذَا أَرَادَ الْحَاجَةَ لَمْ يَرْفَعْ ثَوْبَهُ حَتَّى يَدْنُوَ مِنَ الأَرْضِ ‏.‏ وَكِلاَ الْحَدِيثَيْنِ مُرْسَلٌ ‏.‏ وَيُقَالُ لَمْ يَسْمَعِ الأَعْمَشُ مِنْ أَنَسٍ وَلاَ مِنْ أَحَدٍ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم وَقَدْ نَظَرَ إِلَى أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ قَالَ رَأَيْتُهُ يُصَلِّي ‏.‏ فَذَكَرَ عَنْهُ حِكَايَةً فِي الصَّلاَةِ ‏.‏ وَالأَعْمَشُ اسْمُهُ سُلَيْمَانُ بْنُ مِهْرَانَ أَبُو مُحَمَّدٍ الْكَاهِلِيُّ وَهُوَ مَوْلًى لَهُمْ ‏.‏ قَالَ الأَعْمَشُ كَانَ أَبِي حَمِيلاً فَوَرَّثَهُ مَسْرُوقٌ ‏.‏

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সূনান তিরমিজী (ইফাঃ)
অধ্যায়ঃ ১/ পবিত্রতা
হাদিস নম্বরঃ ১৫ | 15 | ۱۵

পরিচ্ছদঃ ডান হাতে শৌচকর্ম মাকরূহ।

১৫. মুহাম্মদ ইবনু আবী উমর মাক্কী (রহঃ) ......... আবূ কাতাদা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেনঃ ডান হাতে লজ্জাস্থান স্পর্শ করতে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিষেধ করেছেন। - ইবনু মাজাহ ৩১০, বুখারি ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]

এই বিষয়ে আইশা, সালমান, আবূ হুরায়রা এবং সাহল ইবনু হুনাইফ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদীছ বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ উক্ত হাদীছটি হাসান এবং সহীহ। আবূ কাতাদার আসল নাম আল-হারিছ ইবনু রিবাঈ। ফকীহ ও আলিমগণ এই হাদীছ আনুসারে আমল করে থাকেন এবং তাঁরা ডান হাতে শৌচকর্ম করা মাকরুহ মনে করেন।



হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

Abdullah bin Abu Qatadah narrated from his father:
"The Prophet prohibited that a man should touch his penis with his right hand." (Grade: Sahih)

باب مَا جَاءَ فِي كَرَاهَةِ الاِسْتِنْجَاءِ بِالْيَمِينِ

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي عُمَرَ الْمَكِّيُّ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ مَعْمَرٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ أَبِي كَثِيرٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي قَتَادَةَ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم نَهَى أَنْ يَمَسَّ الرَّجُلُ ذَكَرَهُ بِيَمِينِهِ ‏.‏ وَفِي هَذَا الْبَابِ عَنْ عَائِشَةَ وَسَلْمَانَ وَأَبِي هُرَيْرَةَ وَسَهْلِ بْنِ حُنَيْفٍ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏ وَأَبُو قَتَادَةَ الأَنْصَارِيُّ اسْمُهُ الْحَارِثُ بْنُ رِبْعِيٍّ ‏.‏ وَالْعَمَلُ عَلَى هَذَا عِنْدَ عَامَّةِ أَهْلِ الْعِلْمِ كَرِهُوا الاِسْتِنْجَاءَ بِالْيَمِينِ ‏.‏

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সূনান তিরমিজী (ইফাঃ)
অধ্যায়ঃ ১/ পবিত্রতা
হাদিস নম্বরঃ ১৬ | 16 | ۱٦

পরিচ্ছদঃ পাথর দ্বারা ইস্তিঞ্জা করা।

১৬. হান্নাদ (রহঃ) ......... আবদুর রহমান ইবনু ইয়াযীদ (রহঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, সালমান রাদিয়াল্লাহু আনহু কে বলা হল, আপনাদের নাবী আপনাদের সবকিছুই শিখান এমনকি দেখা যায় ইস্তিঞ্জায় কেমন করে বসতে হবে তাও শিখিয়ে থাকেন। সালমান রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেনঃ হ্যাঁ, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে পেশাব-পায়খানার সময় কিবলার দিকে মুখ করতে, ডান হাতে ইস্তিঞ্জা করতে, তিনটির কম পাথর দিয়ে ইস্তিঞ্জা করতে এবং পশুর মল ও হাড্ডী দিয়ে ইস্তিঞ্জা করতে নিষেধ করেছেন। - ইবনু মাজাহ ৩১৬, বুখারি ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৬ [আল মাদানী প্রকাশনী]

আইশা, খুযাইমা ইবনু ছাবিত, জাবির (রাঃ) এবং খাল্লাদ ইবনুুস সাইব থেকে তাঁর পিতার বরাতেও এই বিষয়ে হাদীছ বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেন, এই বিষয়ে সালমান রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীছটি উত্তম এবং বিশুদ্ধ। এ হচ্ছে অধিকাংশ সাহাবী ও তৎপরবর্তী যুগের আলিম ও ফকীহগণের অভিমত। পেশাব ও পায়খানার পর যদি ভালভাবে পরিস্কার হয়ে যায় তা হলে পানি ব্যবহারে না করে কেবল মাত্র ঢিলা ব্যবহার করা যথেষ্ট হবে বলে তাঁরা অভিমত ব্যাক্ত করেছেন। ইমাম ছাওরী, ইবনু মুবারাক, ইমাম শাফিঈ, ইমাম আহমদ, ইমাম ইসহাক (রহঃ)-ও এ মত প্রকাশ করেছেন।



হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

Abdur-Rahman bin Yazld said, :
"They said to Salman, 'Your Prophet taught you about everything, even defecating?' So Salman said, 'Yes. He prohibited us from facing the Qiblah when defecating and urinating, performing Istinja with the right hand, using less than three stones for Istinja, and using dung or bones for Istinja" (Grade: Sahih)

باب الاِسْتِنْجَاءِ بِالْحِجَارَةِ

حَدَّثَنَا هَنَّادٌ، حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ يَزِيدَ، قَالَ قِيلَ لِسَلْمَانَ قَدْ عَلَّمَكُمْ نَبِيُّكُمْ صلى الله عليه وسلم كُلَّ شَيْءٍ حَتَّى الْخِرَاءَةَ فَقَالَ سَلْمَانُ أَجَلْ نَهَانَا أَنْ نَسْتَقْبِلَ الْقِبْلَةَ بِغَائِطٍ أَوْ بَوْلٍ وَأَنْ نَسْتَنْجِيَ بِالْيَمِينِ أَوْ أَنْ يَسْتَنْجِيَ أَحَدُنَا بِأَقَلَّ مِنْ ثَلاَثَةِ أَحْجَارٍ أَوْ أَنْ نَسْتَنْجِيَ بِرَجِيعٍ أَوْ بِعَظْمٍ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى وَفِي الْبَابِ عَنْ عَائِشَةَ وَخُزَيْمَةَ بْنِ ثَابِتٍ وَجَابِرٍ وَخَلاَّدِ بْنِ السَّائِبِ عَنْ أَبِيهِ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى وَحَدِيثُ سَلْمَانَ فِي هَذَا الْبَابِ حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏ وَهُوَ قَوْلُ أَكْثَرِ أَهْلِ الْعِلْمِ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم وَمَنْ بَعْدَهُمْ رَأَوْا أَنَّ الاِسْتِنْجَاءَ بِالْحِجَارَةِ يُجْزِئُ وَإِنْ لَمْ يَسْتَنْجِ بِالْمَاءِ إِذَا أَنْقَى أَثَرَ الْغَائِطِ وَالْبَوْلِ وَبِهِ يَقُولُ الثَّوْرِيُّ وَابْنُ الْمُبَارَكِ وَالشَّافِعِيُّ وَأَحْمَدُ وَإِسْحَاقُ ‏.‏

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সূনান তিরমিজী (ইফাঃ)
অধ্যায়ঃ ১/ পবিত্রতা
হাদিস নম্বরঃ ১৭ | 17 | ۱۷

পরিচ্ছদঃ ইস্তিঞ্জায় দু'টি পাথর ব্যাবহার করা।

১৭. হান্নাদ ও কুতায়বা (রহঃ) ...... আবদুল্লাহ রাদিয়াল্লাহু আনহ থেকে বর্ণিত আছে যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একবার ইস্তিঞ্জার উদ্দেশ্যে বের হলেন এবং বললেন, আমার জন্য তিনটি পাথর তালাশ করে নিয়ে আস। আবদুল্লাহ (রহঃ) বলেন, আমি দুটি পাথর ও এক টুকরা গোবর নিয়ে এলাম। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পাথর দুটি গ্রহণ করলেন এবং গোবর ফেলে দিলেন, বললেনঃ এটি হল অপবিত্র। - বুখারি ১৫৬, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৭ [আল মাদানী প্রকাশনী]

ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ কায়স ইবনুুর রাবী ইসরাঈলের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। মা‘মার এবং আম্মার ইবনু যুরাইক ও আবূ ইসহাক - আলকামা - আবদুল্লাহ - এর সূত্রে আর যুহাইর আবূ ইসহাক - আবদুর রাহমান ইবনুল আসওয়াদ - আসওয়াদ ইাবন ইয়াযীদ - আবদুল্লাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু এর সূত্রে হাদীছাটি রিওয়ায়াত করেছেন। যাকরিয়া ইবনু আবী যাইদাও আবূ ইসহাক - আবদুর হরমান ইবনু উয়াযীদ - আবদুল্লাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে এ হাদীছাটি বর্ণনা করেছেন। হাদীছটির সনদ ইযতিরাব বিশিষ্ট। ইমাম আবূ ঈসা তিরমযী (রহঃ) বলেন, আমি আবদুল্লাহ ইবনু আবদুর রাহমানকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম, আবূ ইসহাকের বরাতে করা বর্ণনাটি অধিকতর সহীহ? তিনি এই বিষয়ে কোন সিদ্ধান্ত প্রদান করেননি।

মুহাম্মাদ আল বুখারীকেও এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করেছিলাম, তিনিও কোনরূপ সিদ্ধান্ত ব্যক্ত করেননি। তবে তাঁর আচরণে মনে হয় যে, তিনি যুহাইর-আবূ ইসহাক - আবদুর রাহমান ইবনুল আসওয়াদ-তাঁর পিতা আল-আসওয়াদ - আবদুল্লাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু এর সূত্রটি অধিক গ্রহণযোগ্য মনে করেন। তিনি এই সূত্রে বর্ণিত হাদীছটিকে তাঁর জামি‘ সহীহ (বুখারী শরীফ)- তে স্থান দিয়েছেন। আমার মতে ইসরাঈল এবং কায়স-আবূ ইসহাক-আবূ উবাউদা আবদুল্লাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু এর সূত্রটি অধিক সহীহ। কেননা, আবূ ইসাহক থেকে হাদীছ বর্ণনার বিষয়ে এদের সবার চেয়ে ইসরাঈল অধিক নির্ভরযোগ্য এবং স্মৃতিধর। তদুপরি কায়স ইবনুুর রাবীও এই হাদীছটির বর্ণনায় ইসরাঈলের সহযোগী।

আবূ মূসা মুহাম্মাদ ইবনুল মুছান্নাকে বলতে শুনেছে যে, আবদুর রহমান ইবনু মাহদী বলেনঃ ইসরাঈলের উপর ভরসা করেই সুফইয়ান ছাওরীর সূত্রে আবূ ইসাহাকের বর্ণিত হাদীছসমূহ আমি স্মরণ করিনি। কেননা, ইসরাঈল ঐ হাদীছসমূহ যথাযথ এবং পুরাপুরি ভাবে বর্ণনা করে থাকেন। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ আবূ ইসহাক থেকে হাদীছ বর্ণনার ক্ষেত্রে যুহাইার তেমন বির্ভরযোগ্য নন। কেননা তিনি আবূ ইসহাকের শেষ বয়সে তাঁর হাদীছ শুনেছেন। আহমদ ইবনুল হাসান আত-তিরমিযীকে বলতে শুনেছি যে, আহমদ ইবনু হাম্বাল বলেন, যাইদা এবং যুহাইর থেকে কোন হাদীছ শুনতে পেলে অন্য কারো কাছ থেকে তা শুনলে কখনও এর পরওয়া করবে না। তবে আবূ ইসহাক থেকে বর্ণিত তাদের হাদীছের ক্ষেত্রে ভিন্ন কথা। আবূ সিহাকের নাম হল আমর ইবনু আবূদল্লাহ আশ-শাবীঈ আল-হামদানী।

আকূ উবাইদা ইবনু আবদিল্লাহ ইবনু মাসঊদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে হাদীছ শুনেননি। তাঁর নাম তত প্রসিদ্ধ নয়। মুহাম্মাদ ইবান বাশশার এর সূত্রে আমর ইবনু মুররা থেকে বর্ণিত আছে যে, তিনি বলেন, আবূ উবাইদা ইাবন আবদুল্লাহকে আমি জিজ্ঞাসা করেছিলাম আপনি (আপনার পিতা) আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ) থেকে কোন হাদীছ বর্ণনা স্মরণ রেখেছেন কি? তিনি উত্তরে বললেন না।



হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

Abdullah said:
"Allah's Messenger went out to relieve himself. So he said: 'Bring me tree stones.'" He said, "So I came with two stones and a piece of dung. So he took the two stones, and left the dung. He said: 'It is Riks (a degenerative or filthy thing)." (Grade: Sahih)

باب مَا جَاءَ فِي الاِسْتِنْجَاءِ بِالْحَجَرَيْنِ

حَدَّثَنَا هَنَّادٌ، وَقُتَيْبَةُ، قَالاَ حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، عَنْ إِسْرَائِيلَ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنْ أَبِي عُبَيْدَةَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ خَرَجَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم لِحَاجَتِهِ فَقَالَ ‏"‏ الْتَمِسْ لِي ثَلاَثَةَ أَحْجَارٍ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ فَأَتَيْتُهُ بِحَجَرَيْنِ وَرَوْثَةٍ فَأَخَذَ الْحَجَرَيْنِ وَأَلْقَى الرَّوْثَةَ وَقَالَ ‏"‏ إِنَّهَا رِكْسٌ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى وَهَكَذَا رَوَى قَيْسُ بْنُ الرَّبِيعِ هَذَا الْحَدِيثَ عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ عَنْ أَبِي عُبَيْدَةَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ نَحْوَ حَدِيثِ إِسْرَائِيلَ ‏.‏ وَرَوَى مَعْمَرٌ وَعَمَّارُ بْنُ رُزَيْقٍ عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ عَنْ عَلْقَمَةَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ ‏.‏ وَرَوَى زُهَيْرٌ عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الأَسْوَدِ عَنْ أَبِيهِ الأَسْوَدِ بْنِ يَزِيدَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ ‏.‏ وَرَوَى زَكَرِيَّا بْنُ أَبِي زَائِدَةَ عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ يَزِيدَ عَنِ الأَسْوَدِ بْنِ يَزِيدَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ ‏.‏ وَهَذَا حَدِيثٌ فِيهِ اضْطِرَابٌ ‏.‏ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ الْعَبْدِيُّ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ عَمْرِو بْنِ مُرَّةَ قَالَ سَأَلْتُ أَبَا عُبَيْدَةَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ هَلْ تَذْكُرُ مِنْ عَبْدِ اللَّهِ شَيْئًا قَالَ لاَ ‏.‏

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সূনান তিরমিজী (ইফাঃ)
অধ্যায়ঃ ১/ পবিত্রতা
হাদিস নম্বরঃ ১৮ | 18 | ۱۸

পরিচ্ছদঃ যে সব বস্তু দিয়ে ইস্তিঞ্জা মাকরূহ।

১৮.  হান্নাদ .......... তাঁর উস্তাদ হাফস ইবনু গিয়াছের সূত্রে আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ইরশাদ করেছেন, তোমরা গোবর এবং হাড্ডি দ্বারা ইস্তিঞ্জা করবে না। কারণ এগুলো তোমাদের ভাই জ্বীনদের খাবার। - আল ইরওয়া ৪৬, মিশকাত ৩৫০, যইফা ১০৩৮ এর অধীনে, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৮ [আল মাদানী প্রকাশনী]

এই বিষয়ে আবূ হুরায়রা, সলামাম, জাবির এবং ইবনু উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে ও হাদীছ বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ ইসমাঈল ইবনু ইবরাহীম এবং অপর কতিপয় রাবীও এই হাদীছটি দাঊদ ইবনু আবী হিনদ-শা‘বী আলকামা-আবদুল্লাহ-এর সূত্রে বর্ণনা করেছেন। এতে উল্লেখ আছে যে, লাইলাতুল জ্বীন বা জ্বীন সম্পর্কিত ঘটনার রাতে আবদুল্লাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু নিাজে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে ছিলেন। শা‘বী বলেন যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছিলেন, তোমরা গোবর এবং হাড্ডি দ্বারা ইস্তিঞ্জা করো না। কেননা, এ হলো তোমাদের ভাই জ্বীনদের খাবার। হাফস ইবনু গিয়াসের বর্ণনার তুলনায় ইসমাঈলের বর্ণনা অধিকতর শুদ্ধ। ফকীহ আলিমগণ এই হাদীছের বক্তব্য অনুসারে আমল করেন। জাবির ও ইবনু উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও এ বিষয়ে হাদীছ বর্ণিত আছে।



হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
বর্ণনাকারী রাবীঃ আয়িশা (রাঃ)

Abdullah bin Mas'ud narrated that :
Allah's Messenger said: "Do not perform Istinja, with dung, nor with bones. For indeed it is provisions for your brothers among the Jinn." (Grade: Sahih)

باب مَا جَاءَ فِي كَرَاهِيَةِ مَا يُسْتَنْجَى بِهِ

حَدَّثَنَا هَنَّادٌ، حَدَّثَنَا حَفْصُ بْنُ غِيَاثٍ، عَنْ دَاوُدَ بْنِ أَبِي هِنْدٍ، عَنِ الشَّعْبِيِّ، عَنْ عَلْقَمَةَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ لاَ تَسْتَنْجُوا بِالرَّوْثِ وَلاَ بِالْعِظَامِ فَإِنَّهُ زَادُ إِخْوَانِكُمْ مِنَ الْجِنِّ ‏"‏ ‏.‏ وَفِي الْبَابِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ وَسَلْمَانَ وَجَابِرٍ وَابْنِ عُمَرَ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى وَقَدْ رَوَى هَذَا الْحَدِيثَ إِسْمَاعِيلُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ وَغَيْرُهُ عَنْ دَاوُدَ بْنِ أَبِي هِنْدٍ عَنِ الشَّعْبِيِّ عَنْ عَلْقَمَةَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ أَنَّهُ كَانَ مَعَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم لَيْلَةَ الْجِنِّ - الْحَدِيثَ بِطُولِهِ - فَقَالَ الشَّعْبِيُّ إِنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏"‏ لاَ تَسْتَنْجُوا بِالرَّوْثِ وَلاَ بِالْعِظَامِ فَإِنَّهُ زَادُ إِخْوَانِكُمْ مِنَ الْجِنِّ ‏"‏ ‏.‏ وَكَأَنَّ رِوَايَةَ إِسْمَاعِيلَ أَصَحُّ مِنْ رِوَايَةِ حَفْصِ بْنِ غِيَاثٍ ‏.‏ وَالْعَمَلُ عَلَى هَذَا الْحَدِيثِ عِنْدَ أَهْلِ الْعِلْمِ ‏.‏ وَفِي الْبَابِ عَنْ جَابِرٍ وَابْنِ عُمَرَ رضى الله عنهما ‏.

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সূনান তিরমিজী (ইফাঃ)
অধ্যায়ঃ ১/ পবিত্রতা
হাদিস নম্বরঃ ১৯ | 19 | ۱۹

পরিচ্ছদঃ পানির দ্বারা ইস্তিঞ্জা করা।

১৯. কুতায়বা এবং মুহাম্মাদ ইবনু আবদিল মালিক ইবনু আবিশ শাওয়ারিব (রহঃ) ..... আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণনা কারেন যে, তিনি বলেছে তোমরা তোমাদের স্বামীদের পানির সাহয্যে শৌচ ক্রিয়া সম্পাদন করতে নির্দেশ দিবে, আমি নিজে তাদের সে কথা বলতে লজ্জাবোধ করি। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজেও এইরূপ করতেন। - ইরওয়া ৪২, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৯ [আল মাদানী প্রকাশনী]

এই বিষয়ে জারীর ইবনু আবদিল্লাহ্ আল-বাজালী, আনাস এবং আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদীছ বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেন এই হাদীছটি হাসান এবং সহীহ। ফকীহ আলিমগণ এই ধরনের আমল করেন। পাথর বা ঢিলার সাহায্য ইস্তিঞ্জা যথেষ্ট হলেও পানি দ্বারা ইস্তিঞ্জা করাকে তাঁরা পছন্দনীয় ও উত্তম বলে মত ব্যক্ত করেছেন। সুফইয়ান ছাওরী, ইবনুল মুবারাক, শাফিঈ, আহমদ এবং ইসাহাকও অনুরূপ মত পোষণ করেন।



হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
বর্ণনাকারী রাবীঃ আয়িশা (রাঃ)

Aishah said:
"Encourage your Husbands to clean themselves with water, for I am too shy of them, and Allah's Messenger would do that." (Grade: Sahih)

باب مَا جَاءَ فِي الاِسْتِنْجَاءِ بِالْمَاءِ

حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، وَمُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ أَبِي الشَّوَارِبِ الْبَصْرِيُّ، قَالاَ حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ مُعَاذَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ مُرْنَ أَزْوَاجَكُنَّ أَنْ يَسْتَطِيبُوا، بِالْمَاءِ فَإِنِّي أَسْتَحْيِيهِمْ فَإِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ يَفْعَلُهُ ‏"‏ ‏.‏ وَفِي الْبَابِ عَنْ جَرِيرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الْبَجَلِيِّ وَأَنَسٍ وَأَبِي هُرَيْرَةَ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏ وَعَلَيْهِ الْعَمَلُ عِنْدَ أَهْلِ الْعِلْمِ يَخْتَارُونَ الاِسْتِنْجَاءَ بِالْمَاءِ وَإِنْ كَانَ الاِسْتِنْجَاءُ بِالْحِجَارَةِ يُجْزِئُ عِنْدَهُمْ فَإِنَّهُمُ اسْتَحَبُّوا الاِسْتِنْجَاءَ بِالْمَاءِ وَرَأَوْهُ أَفْضَلَ ‏.‏ وَبِهِ يَقُولُ سُفْيَانُ الثَّوْرِيُّ وَابْنُ الْمُبَارَكِ وَالشَّافِعِيُّ وَأَحْمَدُ وَإِسْحَاقُ ‏.

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গ্রন্থঃ সূনান তিরমিজী (ইফাঃ)
অধ্যায়ঃ ১/ পবিত্রতা
হাদিস নম্বরঃ ২০ | 20 | ۲۰

পরিচ্ছদঃ ইস্তিঞ্জার প্রয়োজন হলে রাসুল (ﷺ) অনেক দূরে চলে যেতেন।

২০. মুহাম্মাদ ইবনু বাশশার (রহঃ) ........ মুগীরা ইবনু শু‘বা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন, মুগীরা বলেন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে আমি এক সফরে ছিলাম। তিনি তাঁর ইস্তিঞ্জার প্রয়োজনে অনেক দূর চলে গেলেন। - ইবনু মাজাহ ৩৩০১, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২০ [আল মাদানী প্রকাশনী]

এই বিষয়ে আবদুর রহমান ইবন আবী কুরাদ, আবূ কাতাদা, জাবির, উবায়দ, আবূ মূসা, ইবনু আব্বাস ও বিলাল ইবনুল হারিছ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদীছ বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী বলেন, এই হাদীছটি হাসান এবং সহীহ। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সম্পর্কে বর্ণিত আছে যে, তিনি অবস্থানের জন্য যেমন পছন্দসই জায়গা তালাশ করে নিতেন তেমনি পেশাবের জন্যও নরম স্থান তালাশ করে নিতেন। আবূ সালমার পূর্ণ নাম হল, আবদুল্লাহ ইবনু আবদির রাহামান ইবনু আওফ আয-যুহরী।



হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

Al-Mughirah bin Shu'bah said:
I was with the Prophet on a journey. The Prophet had to relieve himself, so he went far away."

باب مَا جَاءَ أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم كَانَ إِذَا أَرَادَ الْحَاجَةَ أَبْعَدَ فِي الْمَذْهَبِ

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَهَّابِ الثَّقَفِيُّ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرٍو، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنِ الْمُغِيرَةِ بْنِ شُعْبَةَ، قَالَ كُنْتُ مَعَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم فِي سَفَرٍ فَأَتَى النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم حَاجَتَهُ فَأَبْعَدَ فِي الْمَذْهَبِ ‏.‏ قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي قُرَادٍ وَأَبِي قَتَادَةَ وَجَابِرٍ وَيَحْيَى بْنِ عُبَيْدٍ عَنْ أَبِيهِ وَأَبِي مُوسَى وَابْنِ عَبَّاسٍ وَبِلاَلِ بْنِ الْحَارِثِ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏ وَيُرْوَى عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم أَنَّهُ كَانَ يَرْتَادُ لِبَوْلِهِ مَكَانًا كَمَا يَرْتَادُ مَنْزِلاً ‏.‏ وَأَبُو سَلَمَةَ اسْمُهُ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَوْفٍ الزُّهْرِيُّ ‏.

দুঃখিত! এই হাদিসের সাথে কোন ব্যাখ্যা এখনো সংযুক্ত করা হয়নি।

হাদিস দেখানো হচ্ছে   [11]  থেকে  [20]  পর্যন্ত এবং সর্বমোট   [194]  টি হাদিস পাওয়া গেছে।