Donate Now
কীবোর্ড সিলেক্টরঃ ফনেটিক বিজয় ইউনিজয়   ইংরেজী
হাদিস প্রশ্নোত্তর/দু'আ/গ্রন্থ প্রশ্নোত্তর (বাংলা হাদিস) গুগল হুবুহু সার্চ
 
 
Donate Now!

প্রশ্ন করেছেনঃ mdsujongazi | তারিখঃ 2014-01-13

প্রশ্ন নম্বরঃ
95

1)amar dutity rat 10ta the ka sokal 10ta duty ses kore basai jai te 10;30 baje ami bharain thaki akane johor ar namaj 12tai hoi tai ami namaj pore kao daio kore sui sute pai 1ta baje akane asor 2;40 minite magrib 5tai tai ami asor o magrib ar namaj esar ar sathe pori ata hobe ki na hole amar koronio ki

2)bitir 1 rakat pora jai

3) kono photo ba manuser photo dekle ki oju venge jai

উত্তরঃ

উত্তরঃ

(১) সর্বাবস্থায় নামাযকে যথাসময়ে আদায় করা ফরয। আল্লাহ বলেন, إِنَّ الصَّلَاةَ كَانَتْ عَلَى الْمُؤْمِنِينَ كِتَابًا مَوْقُوتًا নিশ্চয় নির্দিষ্ট সময়ে নামায আদায় করা মুমিনদের উপর ফরয করে দেয়া হয়েছে। (নিসাঃ ১০৩)

তিন নামাযকে একত্রে আদায় করা কোন মুমিনের জন্য জায়েয নেই। আপনার এই নামায শরীয়ত মোতাবেক নয়। আর যা শরীয়ত মোতাবেক হবে না, তা কবুলও হবে না। 

আপনি দুনিয়াবী কাজকে প্রাধান্য দেয়ার কারণে নামাযকে সময়মত আদায় করেন না। এটা কোন মুমিনের কাজ হতে পারে না। মুমিন সর্বদা আখেরাতের কাজ ঠিক রেখে অন্যকিছু করবে। আল্লাহ কাফেরদের পরিচয় দিকে গিয়ে বলেছেন, الَّذِينَ يَسْتَحِبُّونَ الْحَيَاةَ الدُّنْيَا عَلَى الْآخِرَةِ  “তারা আখেরাতের উপর দুনিয়ার জীবনকে অধিক পছন্দ দেয়।” (ইবরাহীমঃ ৩)

মুমিনের জন্য আখেরাত উত্তম ও সেটাই চিরকাল থাকবে। (সূরা আ’লাঃ ১৭)

অতএব প্রত্যেক নামায সময়মত আদায় করা ফরয। বিশেষ করে আসরের নামায সম্পর্কে রাসূল সা. সম্পর্কে বলেছেন, যে ব্যক্তির আসর নামায ছুটে যায় তার সকল আমল ধ্বংস হয়ে যাবে। (ইবনে মাজাহ) অন্য হাদীছে বলেন, যে ব্যক্তির আসর নামায ছুটে যায়, সে তার পরিবার-পরিজন ও ধন সম্পদ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে। (নাসাঈ) 

সহীহ মুসলিমের হাদীছে আছে যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে আসরের নামায শেষ সময়ে আাদয় করে সে মুনাফিক। 

(২) বিতর নামায ১ রাকাত পড়া জায়েয; বরং সুন্নাত। 

 

এক রাকাত বিতর পড়ার নিয়ম হল, নিয়ত বেঁধে ছানা, সূরা ফাতিহা এবং অন্য একটি সূরা পড়ে রুকূ করবে। রুকূ থেকে উঠে দু’আ কুনূত পড়বে। তারপর দু’টি সিজদা করে তাশাহুদ, দরূদ ও দু’আ পড়ে সালাম ফিরাবে।

 

আবদুল্লাহ ইবনে ওমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন:

كَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّه عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُصَلِّي مِنَ اللَّيْلِ مَثْنَى مَثْنَى وَيُوتِرُ بِرَكْعَةٍ
রাসূলুল্লাহ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রাতের নফল নামায দু’দু রাকাত করে পড়তেন এবং এক রাকাত বিতর পড়তেন।  (বুখারী)
আবদুল্লাহ ইবনে ওমর (রাঃ) থেকে আরো বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, 
الْوِتْرُ رَكْعَةٌ مِنْ آخِرِ اللَّيْلِ
“বিতর হচ্ছে শেষ রাতে এক রাকাত নামায।” (মুসলিম)
عَنْ أَبِي مِجْلَزٍ قَالَ سَأَلْتُ ابْنَ عَبَّاسٍ عَنِ الْوِتْرِ فَقَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّه عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ رَكْعَةٌ مِنْ آخِرِ اللَّيْلِ وَسَأَلْتُ ابْنَ عُمَرَ فَقَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّه عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ رَكْعَةٌ مِنْ آخِرِ اللَّيْلِ
আবু মিজলায হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি ইবনু আব্বাস (রাঃ)কে বিতর নামায সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেন, আমি শুনেছি রাসূলুল্লাহ্ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, “বিতর হচ্ছে শেষ রাতে এক রাকাত নামায।” তিনি বলেন, ইবনু ওমরকেও এ ব্যাপারে জিজ্ঞেস করেছি। তিনিও বলেন, আমি শুনেছি রাসূলুল্লাহ্ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, “বিতর হচ্ছে শেষ রাতে এক রাকাত নামায।” (মুসলিম)
ইমাম নবুবী বলেন, এসকল হাদীছ থেকে দলীল পাওয়া যায় যে, বিতর নামায এক রাকাত পড়া বিশুদ্ধ এবং তা শেষ রাতে আদায় করা মুস্তাহাব। 
আবু আইয়্যুব আনছারী বর্ণিত হাদীছেও এক রাকাতের কথা প্রমাণিত হয়েছে। সেই হাদীছে নবী (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, “... যে এক রাকাত বিতর পড়তে চায় সে এক রাকাত পড়তে পারে।” (আবু দাউদ)
 
(৩) ওযু করার পর কারো ছবি/ ভিডিও ইত্যাদি দেখলে, ওযু ভঙ্গ হবে না। তবে পরনারী দেখলে ওযু ভঙ্গ হবে না; কিন্তু গুনাহ হবে। 
উত্তর দিয়েছেনঃ আবদুল্লাহ আল কাফী / 2014-01-14



Fatal error: Cannot redeclare EPCNTR_Go_Error() (previously declared in /home4/hadithbd/public_html/counter/counter.php:614) in /home4/hadithbd/public_html/counter/counter.php on line 637