Donate Now
কীবোর্ড সিলেক্টরঃ ফনেটিক বিজয় ইউনিজয়   ইংরেজী
হাদিস প্রশ্নোত্তর/দু'আ/গ্রন্থ প্রশ্নোত্তর (বাংলা হাদিস) গুগল হুবুহু সার্চ
 
 
Donate Now!
Google Play

Google App Google Play

প্রশ্নঃ

আযানের জবাবে কি বলব?

উত্তরঃ

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম

আযানের উত্তর দেয়াঃ
   আযানের শ্রোতাদের জন্য সুন্নাত হল, আযান শুনে প্রত্যেকেই তার জবাবে উক্ত শব্দগুলোই মুখে মুখে উচ্চারণ করবে। (ফজরের আযানের) আস্সালাতু খাইরুম্ মিনান্নাওমও বলবে। তবে হাইয়্যা আলাসসালাহ, হাইয়্যা আলাল্ ফালাহ বলার সময় বলবে,  لاَحَوْلَ وَلاَ قُوَّةَ إلاَّبِاللهِ  লা-হাওলা ওয়ালা- কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ।
আযানের দু’আঃ
   আযান শেষ হওয়ার পর মুআয্যিন ও শ্রবণকারী সকলের জন্যে নিু লিখিত দু’আগুলো পড়া সুন্নাতঃ
১) রাসূলুল্লাহ্ (সাঃ) বলেন, “যখন তোমরা মুআয্যিনের আযান শুনবে তখন জবাবে আযানের শব্দগুলো অনুরূপভাবে মুখে উচ্চরণ করবে। তারপর আমার উপর দরূদ পাঠ করবে। কেননা যে ব্যক্তি আমার উপর একবার দরূদ পাঠ করবে, আল্লাহ্ তার উপর দশবার রহমত নাযিল করবেন। অতঃপর আমার জন্য আল্লাহ্র কাছে অসীলা প্রার্থনা কর। অসীলা জান্নাতের একটি উচ্চ মর্যাদা সম্পন্ন স্তরের নাম যা আল্লাহ্র বান্দাদের মধ্যে শুধু একজন বান্দার জন্যই সমিচীন। আশা করি আমিই হব সে ব্যক্তি। যে ব্যক্তি আমার জন্য অসীলার প্রার্থনা করবে, তার জন্য আমার শাফায়াত আবশ্যক হয়ে যাবে। (মুসলিম) 
২) জাবের (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ্ (সাঃ) বলেনঃ “যে আযান শুনে এই দু’আ পাঠ করবে:
اللهم رَبَّ هَذِهِ الدَّعْوَةِ التَّامَّةِ وَالصَّلاَةِ القَائِمَةِ آتِ مُحَمَّداً الْوَسِيْلَةَ وَ الفَضِيْلَةَ وَابْعَثْهُ مَقَامًا مَحْمُوْداً الَّذِيْ وَعَدْتَهُ
উচ্চারণঃ আল্লাহুম্মা রাব্বা হাযিহিদ্ দাওয়াতিত্ তা’ম্মাতি ওয়াস্ সালাতিল কায়িমাহ। আ’তি মুহাম্মাদানিল ওয়াসীলাতা ওয়াল ফাযীলাহ। ওয়াব্আসহু মাকামাম মাহমূদানিল্লাযি ওয়াআদ্ তাহু। 
অর্থঃ “হে আল্লাহ্ এই পরিপূর্ণ আহবান এবং এই প্রতিষ্ঠিত নামাযের তুমিই প্রভূ। মুহাম্মাদ (সাঃ)কে দান কর সর্বোচ্চ সম্মানিত স্থান এবং সুমহান মর্যাদা। তাঁেক প্রতিষ্ঠিত কর প্রশংসিত স্থানে যার অঙ্গিকার তুমি তাঁকে দিয়েছো। তার জন্য কিয়ামত দিবসে আমার শাফাআত আবশ্যক হয়ে যাবে।” (বুখারী)
   রাসূলুল্লাহ্ (সাঃ) বলেন, যে ব্যক্তি উক্ত দু’আ পাঠ করবে, তার গুনাহ ক্ষমা করা হবে। (মুসলিম)
৪) এরপর ইচ্ছানুযায়ী নিজের জন্য দু’আ করবে। রাসূলুল্লাহ্ (সাঃ) বলেন, 
 لاَ يُرَدُّ الدُّعاَءُ بَيْنَ الأذاَنِ وَالإقاَمَةِ
“আযান এবং ইক্বামতের মধ্যবর্তী সময়ের দু’আ ফিরিয়ে দেয়া হয় না।” (আবু দাঊদ, তিরমিযী)
   নামাযের সময় হওয়ার পূর্বে আযান দেয়া সঠিক নয়। কেননা রাসূলুল্লাহ্ (সাঃ) বলেন, “যখন নামাযের সময় উপস্থিত হয় তখন তোমাদের মধ্যে একজন আযান দিবে এবং যিনি বড় তিনি ইমামতি করবেন।” (বুখারী, মুসলিম)
আযানের আগে ও পরে কিছু বিদআতঃ
   আমাদের দেশের অনেক অঞ্চলে আযানের পূর্বে মাইকে উচ্চৈঃস্বরে দরূদ শরীফ পাঠ করা হয়ে থাকে। কোন কোন ক্ষেত্রে আযানের আগে ও পরে নামাযের জন্য ডাকা হয়। আযান অর্থই আহবান করা। তাই আযান শেষে আবার নামাযের জন্যে ডাকাডাকি করা বিদআত। কারণ নবী (সাঃ) ও সাহাবীদের যামানায় আযানের পূর্বে ও পরে কোন প্রকার ডাকাডাকি ছিলনা। এমনিভাবে আযানের সময় বা অন্য যেকোন সময় যখন রাসূল (সাঃ)এর নাম আসবে তখন দুই হাতের বৃদ্ধাঙ্গুলির নখে ফুঁক দিয়ে উভয় উভয় নখ দিয়ে চোখ ও মুখমন্ডল মাসেহ করাও বিদআত। কারণ এরূপ করার পক্ষে বিশুদ্ধ কোন দলীল পাওয়া যায়না। (আল্লাহই ভাল জানেন)  

 

 
Type the characters you see in the picture below.