Donate Now
কীবোর্ড সিলেক্টরঃ ফনেটিক বিজয় ইউনিজয়   ইংরেজী
হাদিস প্রশ্নোত্তর/দু'আ/গ্রন্থ প্রশ্নোত্তর (বাংলা হাদিস) গুগল হুবুহু সার্চ
 
 
Donate Now!
Google Play

Google App Google Play

প্রশ্নঃ

আসসালামু আলাইকুম

কুরান ও হাদিসের আলোকে মাইকের মাধ্যমে আজান দেওয়া ও নামাজ পড়ানো কতখানি যুক্তিযুক্ত তা বিস্তারিত জানবেন। বর্তমানে এক দল মুসলিম ভাইয়েরা মাইকের সাহাযে নামাজ হবেনা বলছে তাদের কথা কতখানি ঠিক বা বেঠিক তা কুরান ও হাদিসের আলোকে আমাদেরকে জানালে আমরা খুব উপকৃত হব।

এর আগে আমরা ০২/০২/২০১৪ তারিখে প্রশ্ন পাথিয়ে ছিলাম এখন পযন্ত কোন উত্তর পাইনি।

উত্তরঃ

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
কোন বিষয়কে বিদআত বলতে হলে আগে আমাদের জানতে হবে বিদআতের সংজ্ঞা কি, বিদআত হচ্ছে সেটাই যা ইবাদতের সাথে সম্পর্কিত, অর্থাৎ ইবাদতের ভিতরে বা কোন বিষয়ে সওয়াবের আশায় এমন কিছু করা যার কোন দলিল ইসলামী শরীয়তে নেই বা ইবাদতের ভিতরে কোন কিছু বাড়তি বা কমতি করা হলে তা বিদআত হবে।

যদি কেউ মনে করে যে মাইকে আযান দিলে বা নামায পড়ালে অনেক বেশি সওয়াব তাহলে তা বিদআত হবে কিন্তু এখানে মাইকের ব্যাবহার করা হচ্ছে কি কারনে সেটা আমাদের বুঝতে হবে। এখানে মাইকের ব্যাবহার করার কারন একসাথে অধিক মানুষকে নামাজের জন্য আহবান জানানো এবং তেমনি নামাজে মাইক ব্যাবহার করা হয় একসাথে যাতে সবাই ইমামের সূরা কিরআত শুনতে পারে এবং ইমামের অনুসরণ করতে পারে এবং এর সাথে সাওয়াব কম বা বেশী হবার কোন যোগসূত্র নেই।
তাই মাইকের সাহায্য আযান দেয়া বা নামায পড়ানো দুনিয়াবী বিষয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট এবং এটা শব্দ পৌছনোর একটা মাধ্যম মাত্র এবং কোন ইবাদতের বা সাওয়াবের কম/বেশির সাথে সংশ্লিষ্ট নয়।

তাই যে সমস্ত ব্যাক্তিরা মাইকের সাহায্যে আযান দিলে বা নামায পড়ালে নামায হবেনা বলে তা সম্পূর্ণ ভ্রান্ত এবং এসব তাদের মনগড়া কথাবার্তা যা দলিল প্রমান বিহীন।

 
Type the characters you see in the picture below.