Donate Now
কীবোর্ড সিলেক্টরঃ ফনেটিক বিজয় ইউনিজয়   ইংরেজী
হাদিস প্রশ্নোত্তর/দু'আ/গ্রন্থ প্রশ্নোত্তর (বাংলা হাদিস) গুগল হুবুহু সার্চ
 
 
Donate Now!
Google Play

Google App Google Play

প্রশ্নঃ

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম,

আসসালামুআলাইকুম,

১ প্রশ্নঃ-আমাদের এলাকায় মৃতকে কবর দেওয়ার সাথে সাথে চার( কুলহু) সুরা পাঠ করে কবরের চার করনারে চারটি খেজুরের ডাল পুতে দেওয়া হয় এর বিধান কি ?

২ প্রশ্নঃ-জাহারা কবর খনন করে,মৃতকে গোসলে সাহায্য করে তাদের কে মৃতের বাড়ীতে তিন দিনের দিন খাওয়ার ব্যবস্থা করা হয় ও চল্লিশ দিনের দিন বড় করে দাওয়াত খাওয়ানো হয় এর বিধান কি ?

৩ প্রশ্নঃ-রোজা রাখলে সূরয্য ডুবার সাথে সাথে ইফতার করতে হয় কিন্তু সেহেরি খাব কখন ?যেমন এখন আমার এখানে ফজরের আজান হয় ভোর ৬.০০টায় সূরয্য উঠে ৭.৩০টায় ।আমি কি আজানের আগে খাব না সূরয্য উঠার আগে খাব ?

                                                                                                                  জাজাকাল্লাখায়ের ।

উত্তরঃ

ওয়া আলাইকুম সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহ।

(১) মৃত মানুষকে কবর দেয়ার পর  চার (কুল) সুরা পাঠ করে কবরের চার কর্ণারে চারটি খেজুরের ডাল পুতে দেওয়া শরীয়ত সম্মত নয়। এটা একটা বিদআত। কেননা রাসূল সা. এরূপ কখনো করেন নি। 

তবে দুটি কবরে খেজুর গাছের কাঁচা ডাল পুঁতে দেয়ার ব্যাপারে একটি সহীহ হাদীছ পাওয়া যায়। কিন্তু ঐ কাজটি রাসূল (সা.) এর জন্য এবং শুধু ঐ কবর দুটির জন্যেই খাস বা বিষয় ছিল। এই কারণে যে তিনি ওহীর মাধ্যমে জেনেছিলেন ঐ কবর দুটিতে আযাব হচ্ছে। আর আমরা জানি না কার কবরে আযাব হচ্ছে বা হচ্ছে না। তাই আমরা খেজুরের ডাল পুঁতে দিতে পারি না। তাছাড়া যদি এটা সকলের জন্যে নিয়ম হত, তবে রাসূল (সা.) অন্যান্য কবরেও এরূপ করতেন এবং সাহাবায়ে কেরামও তার প্রতি আমল করতেন। কিন্তু এরূপ আমল আমরা আর কোথাও দেখতে পাই না। 

(২) যারা কবর খনন করে, দাফন-কাফনে অংশ নেয় তাদেরকে তিন দিন পর বা চল্লিশ দিন পর দাওয়াত করে গুরু-ছাগল কেটে খাওয়ানো বিদআত। কেননা তারা ঐ কাজ করার কারণে খাওয়ার দাবীদার হয়ে যায়নি যে তাদেরকে খাওয়াতেই হবে। এটা সমাজে প্রচলিত একটি কুসংস্কার।

যারা দাফন-কাফনে শরীক হয় তারা অফুরন্ত ছোয়াবের অধিকারী হয়। রাসূল (সা.) বলেন, “যে ব্যক্তি মৃত ব্যক্তির গৃহ থেকে তার লাশের সাথে বের হয়ে জানাযা সালাত আদায় করবে এবং খাটিয়ার সাথে সাথে চলে দাফনে অংশ নিবে, তাকে দু’ক্বীরাত পরিমাণ ছোয়াব দেয়া হবে। প্রতি ক্বীরাত উহুদ পর্বত সমপরিমাণ। আর যে ব্যক্তি শুধু সালাত আদায় করে ফিরে আসবে, তার জন্যে থাকবে একটি উহুদ পর্বত পরিমাণ ছোয়াব।” (মুসলিম)

মৃত ব্যক্তির উপকারের জন্যে তার সন্তানরা যেমন তার জন্য দুয়া করবে, তেমনি যে কেউ তার জন্যে দুয়া করতে পারে। কিন্তু দুয়ার জন্যে বিশেষ মাহফিল করা বিদআত। 

(৩) সাহুরী খাওয়ার সময় হচ্ছে রাত। উত্তম সময় হচ্ছে শেষ প্রহর। শেষ প্রহর বলতে উদ্দেশ্য হচ্ছে ফজরের সময় হওয়ার পূর্বে। ফজরের সময় হয়ে গেলে আর খাওয়া যাবে না। 

(আল্লাহই সঠিক জ্ঞান রাখেন)

 
Type the characters you see in the picture below.