Donate Now
কীবোর্ড সিলেক্টরঃ ফনেটিক বিজয় ইউনিজয়   ইংরেজী
হাদিস প্রশ্নোত্তর/দু'আ/গ্রন্থ প্রশ্নোত্তর (বাংলা হাদিস) গুগল হুবুহু সার্চ
 
 
Donate Now!
Google Play

Google App Google Play

প্রশ্নঃ

এক জায়গায় পেয়েছিলাম স্বামী নামায না পড়লে স্ত্রীর সাথে সম্পর্ক ছিন্ন হয়ে যায়।এটা কি শরীয়তে আছে?

উত্তরঃ

বিসমিল্লাহ ওয়াস-সালাতু ওয়াস-সালামু আলা রসূলিল্লাহ্‌ ওয়া বা'দ।

আপনার প্রশ্নের মূল জবাবের আগে একটা বিষয় পরিষ্কার করা দরকার যে নামাজ় [সালাত] হচ্ছে অবশ্য করণীয় ফরজ়। যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে সালাত ত্যাগ করে সে মূলত ইসলাম ত্যাগ করেছে। কারণ সহীহ মুসলিম জাবির (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত আছে যে রসূলুল্লাহ (সঃ) বলেছেন, "একজন ব্যক্তি এবং শির্ক ও কুফরের মাঝে পার্থক্যকারী হিসেবে অবস্থান করে তার নামাজ় ছেড়ে দেয়া।" তিনি (সঃ) আরো বলেছেন, "যে বন্ধন আমাদের ও তাদের (কাফিরদের) মাঝে পার্থক্য সৃষ্টি করে তা হল সালাত; যে তা ত্যাগ করল সে মূলত কাফির।"

একজন মুসলিম মহিলা কোন কাফিরের অধীনে থাকতে পারে না। আল্লাহ তা'আলা মুসলিম মহিলাদের জন্য কাফির পুরুষকে হারাম করেছেন। তাই কোন স্বামী যদি ইচ্ছাকৃতভাবে সালাত ত্যাগ করে তবে তার ঈমানদার স্ত্রীর কাজ হবে ঐ ব্যক্তি থেকে বিচ্ছিন্ন থাকা এবং তার সাথে সহবাস না করা, যতক্ষণ না সে দীনে প্রত্যাবর্তন করে; অর্থাৎ সালাত আদায় করা শুরু করে। স্ত্রীর উচিৎ হবে তাকে সাবধান করা ও সংশোধনের প্রচেষ্টা চালানো। এরপর যদি সেই লোক দীনে প্রত্যাবর্তন না করে তবে তার কাছ থেকে তালাক নিয়ে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়া।

অবশ্য তাদের বিয়ে অটোমেটিকালী ভেঙ্গে যাবে বলে বলা যাবে না। রসূলুল্লাহর (সঃ) এর মেয়ে জ়য়নাব (রাদিয়াল্লাহু আনহা) এর স্বামী আবুল আস ইবন আর-রবী (রাদিয়াল্লাহু আনহু) কাফির ছিলেন। তিনি একবার মুসলিমদের তাড়া খেয়ে মদীনায় প্রবেশ করে জ়য়নাবের গৃহে আশ্রয় গ্রহণ করেছিলেন। রসূলুল্লাহ্‌ (সঃ) জ়য়নাবকে নির্দেশ দিয়েছিলেন তিনি যেন তার সাথে সঙ্গম না করেন। পরে আবুল আস (রাঃ) ইসলাম গ্রহণ করলে তিনি জ়য়নাবের (রাঃ) সাথে ঘর-সংসার করেন। রসূলুল্লাহ (সঃ) তাদেরকে পুনরায় নতুন করে দেন-মোহর দিয়ে বিয়ে দেন নি।

আল্লাহু আ'লামু।

 
Type the characters you see in the picture below.